Tag: Yasin Malik news

Yasin Malik news

  • Yasin Malik: ‘ধর্তব্যের মধ্যেই আনি না!’, ইয়াসিনকে নিয়ে ইসলামিক দেশগুলির সংগঠনের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Yasin Malik: ‘ধর্তব্যের মধ্যেই আনি না!’, ইয়াসিনকে নিয়ে ইসলামিক দেশগুলির সংগঠনের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়াসিন মালিককে (yasin malik) নিয়ে ইসলামিক দেশগুলির সংগঠন অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন, সংক্ষেপে ওআইসি-র (OIC) মন্তব্যের কড়া নিন্দা করল ভারত (India)। ওই সংগঠন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে প্রকাশ্যে সমর্থন করছে বলেও অভিযোগ নয়াদিল্লির।

    সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানো (Terror Funding) ও বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলনে মদত দেওয়ার দায়ে কাশ্মীরের জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) নেতা ইয়াসিন মালিককে দোষী সাব্যস্ত করে পাতিয়ালার বিশেষ এনআইএ (NIA) আদালত। বুধবার শোনানো হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা। বিচারক প্রবীণ সিং ইয়াসিন মালিককে ওই সাজা দেন। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে ইয়াসিন মালিক নিজেই জঙ্গিদের মদত দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেয়। নয়ের দশকে সে ভারতীয় বায়ুসেনার এক আধিকারিককে খুনও করেছিল। এহেন জঙ্গিনেতা ইয়াসিনের সাজা ঘোষণার পর প্রতিবাদে সরব হয় পাকিস্তান। ভারতের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে ইসলামিক দেশগুলি। ইয়াসিন মালিককে সাজা দেওয়ার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে কাশ্মীরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ভারতের কড়া সমালোচনা করে ওআইসি। 

    আরও পড়ুন : যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত, উঠেছে তার মৃত্যুদণ্ডের দাবিও, কে এই ইয়াসিন মালিক?

    শুক্রবার তারই প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। ওআইসিকে সন্ত্রাসবাদে মদত না দেওয়ার আহ্বান জানায় নর্থ ব্লক। জানিয়ে দেয়, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির (Zero tolerance policy) পক্ষপাতী তাবৎ বিশ্ব।

    বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “মালিকের সন্ত্রাসবাদমূলক কার্যকলাপ নথিভুক্ত করা হয়েছে। আদালতে তা প্রমাণও হয়েছে।” মালিক সম্পর্কে এনআইএ বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ওআইসি-আইপিএইচআরসির (OIC-IPHRC) করা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে করা এক প্রশ্নের জবাবে বাগচি বলেন, “ভারত ওই সংগঠনের মন্তব্যগুলিকে ধর্তব্যেই মধ্যেই আনে না।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের মতে, এই মন্তব্যগুলির মাধ্যমে ওআইসি-আইপিএইচআরসি ইয়াসিন মালিকের সন্ত্রাসবাদমূলক কার্যকলাপের প্রতি পরোক্ষে সমর্থন প্রকাশ করছে।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি চায়। তাই আমরা ওআইসি-কে অনুরোধ করছি যে সন্ত্রাসবাদকে যেন কোনওভাবেই মান্যতা দেওয়া না হয়।” বাগচি বলেন, “যেহেতু আদালতে ইয়াসিন মালিকের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, তাই এই বিষয়ে ওআইসি-র মন্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুন : ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    প্রসঙ্গত, ইয়াসিন মালিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে আদালত। তবে ইয়াসিন মালিকের মতো এক জঙ্গি নেতার এহেন সাজায় খুশি নয় তার হাতে খুন হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তির পরিবার। ইয়াসিনের মৃত্যুদণ্ডের দাবিও জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

  • Yasin Malik: ইয়াসিনকে সাজা দেওয়ার সময় মহাত্মা গান্ধীর তুলনা টানেন বিচারক, কেন জানেন?

    Yasin Malik: ইয়াসিনকে সাজা দেওয়ার সময় মহাত্মা গান্ধীর তুলনা টানেন বিচারক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (jklf) প্রধান ইয়াসিন মালিককে (Yasin malik) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে পাতিয়ালার এনআইএ-র (nia) বিশেষ আদালত। সন্ত্রাসবাদে অর্থ (terror funding) সাহায্য এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলেন (separatist movement) মদত জোগানোর দায়ে চলতি মাসের ১৯ তারিখে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ইয়াসিন মালিককে। বুধবার শোনানো হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা। বিশেষ এনআইএ বিচারক প্রবীণ সিংয়ের আদালতে ওই মামলার শুনানি হয়। এই প্রবীণ সিং-ই বছর ছাপান্নর ইয়াসিনকে পাকাপাকিভাবে গারদে পাঠালেন। ইয়াসিনকে সাজা দেওয়ার সময় বিচারক কী কী মন্তব্য করেছিলেন, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

    আরও পড়ুন : যাবজ্জীবন ইয়াসিন মালিকের, অশান্তি এড়াতে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা

    বিচারক প্রবীণ সিং বলেন, দোষী ব্যক্তি ১৯৯৪ সালে বন্দুক ছেড়ে দিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু তার আগে সংঘটিত হিংসার জন্য কখনওই সে কোনও অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। এখনও সে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। দোষী ব্যক্তি গান্ধীর অহিংস নীতি অনুসরণ করছে বলে আদালতে দাবি করেছে। বিচারক বলেন, সে মাহাত্মা গান্ধীর নাম মুখে আনতে পারে না। কারণ চৌরিচৌরার ঘটনার পর গান্ধীজি সহিংস আন্দোলনের পথ ছেড়ে অহিংস আন্দোলেনের রাস্তায় হাঁটেন। ইয়াসিন সে পথে হাঁটেনি। বিচারকের মতে, ইয়াসিনের সংঘটিত অপরাধগুলি অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির। তিনি বলেন, সংঘটিত অপরাধগুলি অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির ছিল। ভারতের ধারণার কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করার এবং ভারত থেকে জম্মু ও কাশ্মীরকে জোরপূর্বক আলাদা করার উদ্দেশ্যও তার ছিল।

    আরও পড়ুন : ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    বিচারক বলেন, ইয়াসিনের অপরাধের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ এগুলি সংঘটিত হয়েছিল বিদেশি শক্তি ও মনোনীত সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্যে। সব শেষে সিদ্ধান্তে আসেন বিচারক। বলেন, অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি ও ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রের কারণে এগুলি বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এদিন আদালত মালিককে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে। এদিন মালিকের সাজার খবরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ভূস্বর্গের একাংশে। নিরাপত্তা কর্মীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথরও। পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। উপত্যকায় শান্তি বজায় রাখতে ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তারও।   

     

  • Yasin Malik: “হত্যার বদলা ফাঁসি”, ইয়াসিনের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সরব প্রয়াত বায়ুসেনা অফিসারের স্ত্রী

    Yasin Malik: “হত্যার বদলা ফাঁসি”, ইয়াসিনের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সরব প্রয়াত বায়ুসেনা অফিসারের স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে (Yasin Malik) যে দণ্ডে দণ্ডিত করেছে আদালত, তাতে বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানিয়েও শাস্তি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন প্রয়াত বায়ুসেনা অফিসার রবি খান্নার (Ravi Khanna) স্ত্রী নির্মলা খান্না (Nirmala Khanna)।

    বুধবার দিল্লির এনআইএ (NIA) আদালত ইয়াসিন মালিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (life sentence) নির্দেশ দেওয়ার পর প্রয়াত বায়ুসেনা অফিসার রবি খান্নার স্ত্রী জানান, তিনি মনে করেছিলেন ইয়াসিন মালিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। কিন্তু যাবজ্জীবনে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে তিনি একেবারেই খুশি নন। তিনি মনে করেন, তাঁর স্বামী হত্যা করার একমাত্র শাস্তি হতে পারে ফাঁসি।

    জঙ্গিদের অর্থ সাহায্যের (Terror Funding Case) অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ইয়াসিন মালিককে।  তাঁর মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেছিল এনআইএ। ইয়াসিনের আইনজীবী যাবজ্জীবনের আবেদন রাখেন। আদালত ইয়াসিনকে দুটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজার পাশাপাশি, ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে। মামলার রায় ঘোষণার পরই মুখ খোলেন বায়ুসেনার প্রয়াত অফিসারের স্ত্রী। নির্মলা বলেন, “আমি এত বছর ধরে অপেক্ষা করে রয়েছি। রক্তের বদলে রক্ত, মৃত্যুর বদলে মৃত্যু। কিন্তু আদালত ইয়াসিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল। ওর মৃত্যুদণ্ড পাওয়া উচিত ছিল।”

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত ১৯৯০ সালের ২৫ জানুয়ারি জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) এর নেতৃত্বে হত্যা করা হয় বায়ুসেনা অফিসার রবি খান্নাকে। আদালত ও ভারতীয় বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে নির্মলা এদিন বলেন, “যাঁরা সাজা ঘোষণা করেছেন, তাঁরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং ন্যায়-নীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তবে আমি খুশি হতাম ইয়াসিন মৃত্যুদণ্ড পেলে।” ইয়াসিনের মৃত্যুদণ্ড প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানান নির্মলা। 

    আরও পড়ুন: ইয়াসিনের সমর্থনে ট্যুইট আফ্রিদির, “সব তোমার বয়সের মতো…” পালটা অমিত মিশ্র

    কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে নির্মলা বলেন, “আগের সরকার আমার স্বামীকে শহিদ তকমা দেয়নি। শুধু তাই নয়, তাঁরা ইয়াসিন মালিককে মহাত্মা গান্ধীর মতো করে মান-সম্মান দিয়ে রেখেছিল। গত ৩২ বছর ধরে ইয়াসিন মুক্ত হয়ে ঘুরে বেরিয়েছে। যা আমাকে খুব কষ্ট দিত।” বলেও অভিযোগ করেন নির্মলা খান্না। ইয়াসিন মালিক আসলে পাকিস্তানেরই চর, তাই তার সাজাতে পাক সরকার খুব দুঃখ পাচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন নির্মলা। 

  • Yasin Malik: ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    Yasin Malik: ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) নেতা ইয়াসিন মালিককে (Yasin malik) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল আদালত। সন্ত্রাসবাদে (terrorism) অর্থ দিয়ে সাহায্য এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে (separatist movement) মদত দেওয়ার দায়ে তাকে ওই সাজা দিয়েছে পাতিয়ালার বিশেষ এনআইএ (NIA) আদালত। ১৯ মে দোষী সাব্যস্ত করা হয় মালিককে। সাজা ঘোষণা হয় বুধবার। ইয়াসিনের কারাদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিচ্ছিন্নবাদী আন্দোলনে কফিনে শেষ পেরেক পোঁতা হল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন, কী কী অভিযোগ ছিল?

    ভূস্বর্গে অশান্তির সূত্রপাত নয়ের দশকে। একের পর এক জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর (Kashmir)। চরম অত্যাচার করে, নৃশংসভাবে হিন্দু পণ্ডিতদের খুন করে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয় কাশ্মীর জুড়ে। তার পরেই প্রাণ বাঁচাতে উপত্যকা ছাড়তে শুরু করেন পণ্ডিত সম্প্রদায়ের লোকজন। শিখ সহ উপত্যকায় অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনও কাশ্মীর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন।

    অশান্ত কাশ্মীরকে শান্ত করতে কোমর কষে নামে নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে (2019 General elections) দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মতো কাশ্মীর থেকে লুপ্ত হয় ৩৭০ ধারা (Article 370)। তার পরেই ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে অশান্ত কাশ্মীর।

    কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে ইতি টানতে বিজেপি সরকারের উদ্যোগে সাফল্যও মেলে। উপত্যকায় বন্ধ হয়ে যায় নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া (stone pelting)। হ্রাস পায় জঙ্গি কার্যকলাপও (terrorist activities)। গত বছর বিচ্ছিন্নবাদী নেতা আশরাফ সেহরাই এবং সৈয়দ আলি শাহ গিলানির মৃত্যু হয়। তার পর বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলনে ভাঁটা পড়ে। আরও এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে ঠাঁই হওয়ায়, উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে অক্সিজেন জোগানোর আর কেউ রইল না বলেই ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

    আরও পড়ুন : গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    এদিন মালিককে যখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল কাশ্মীরের মইসুমা এলাকায়, যেখানে ইয়াসিনের পৈত্রিক ভিটে। সাজা ঘোষণার সময় কিছুক্ষণের জন্য এলাকার পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। প্রতিবেশী মহিলারা মালিকের বাড়িতে জড়ো হন। প্রতিবাদ স্বরূপ মুখ ঢেকে ফেলেন স্কার্ফ দিয়ে। কাশ্মীরি গান গেয়ে শোক প্রকাশও করতে দেখা যায় তাঁদের। 

     

  • Yasin Malik: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত, উঠেছে তার মৃত্যুদণ্ডের দাবিও, কে এই ইয়াসিন মালিক?

    Yasin Malik: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত, উঠেছে তার মৃত্যুদণ্ডের দাবিও, কে এই ইয়াসিন মালিক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে কাশ্মীরের (Kashmir) বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের (Yasin Malik)। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেছিল এনআইএ (NIA)। ইয়াসিনের আইনজীবী যাবজ্জীবনের আবেদন রাখেন। গত ১৯ মে দিল্লির এনআইএ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় ইয়াসিন।

    কে এই মালিক: ১৯৬৬ সালে শ্রীনগরে ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকা মাইসুমায় জন্ম ইয়াসিন মালিকের।  তার দাবি ছিল, ১৯৮০ সালে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর (Indian security Forces) সহিংসতা প্রত্যক্ষ করার পর অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল সে। এরপর তালা পার্টি গঠন করে সে, পরে যার নাম হয় ইসলামিক স্টুডেন্টস লিগ৷ ১৯৮৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের ভারত সফরের সময় শ্রীনগরে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচকে ব্যাহত করার চেষ্টা করে মালিক। সেই সময় মালিককে গ্রেফতার করা হয়। চার মাসের জন্য জেলও খাটে মালিক। ১৯৮৮ সালে ইয়াসিন মালিক নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) পেরিয়ে পাকিস্তানে যায়। সেখান থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে আসে সে।

    জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের চেয়ারম্যান: পাকিস্তান থেকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে উপত্যকায় জঙ্গি সংগঠন জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) চেয়ারম্যান হয় মালিক। মূলত কাশ্মীর উপত্যকায় সশস্ত্র জঙ্গিবাদের (armed terrorism) নেতৃত্ব দেয় সে। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) বিরুদ্ধে সহিংসতার নেতৃত্বদানকারী প্রাথমিক ব্যক্তিত্বদের একজন মালিক। তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুফতি মহম্মদ সইদের (Mufti Mohammed Sayeed) কন্যা রুবিয়া সইদকে অপহরণের নেতৃত্বও দেয় ইয়াসিন।

    ১৯৯০ সালে চারজন সেনা অফিসারকে হত্যার ঘটনায় যুক্ত ছিল সে। ওই বছর অগাস্টে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বন্দি হয় মালিক। ১৯৯৪ সালের মে মাসে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। শর্ত ছিল হিংসা ত্যাগ করে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি অবলম্বন করবে মালিক। ১৯৯৫ সালে উপত্যকায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রতিবাদ করে সে। তার দাবি ছিল, গণতন্ত্রের নামে কাশ্মীরিদের উপর নির্বাচন চাপিয়ে দিচ্ছে ভারত সরকার। 

    আরও পড়ুন: “হত্যার বদলা ফাঁসি”, ইয়াসিনের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সরব প্রয়াত বায়ুসেনা অফিসারের স্ত্রী

    ২০১৭ সালে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিক সাহায্যের মামলা: অভিযোগ, দেশবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিল ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জেকেএলএফ। দেশের সার্বভৌমিকতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা নষ্ট করতে ইন্ধন জোগাচ্ছিল তারা। জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে ওই সংগঠনের। ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা নষ্ট করতে উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতামূলক কাজকর্মে ইন্ধন ছিল তাদের। তাই ২০১৯ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা (separatist leader) ইয়াসিন মালিকের নেতৃত্বাধীন জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। উপত্যকায় সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে জেলবন্দি করা হয় মালিককে। 

    ইয়াসিনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ (UAPA) ধারায় জঙ্গি কার্যকলাপ (terror activitieds), সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (waging war against government), জঙ্গি সংগঠনের প্রত্যক্ষ সদস্যপদ গ্রহণ-সহ একাধিক মামলা করা হয়েছিল। এনআইএ আদালতে সওয়াল করে, কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম করে একটি বিরাট জঙ্গিজাল বুনেছিল ইয়াসিন। বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে, তা জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করছিল দীর্ঘদিন ধরে। গত ১০ মে নিজের দোষ স্বীকার করে নেয় ইয়াসিন। ১৯ মে ইয়াসিনকে দোষী সাব্যস্ত করে এনআইএ-র বিশেষ আদালত।

  • Yasin Malik: যাবজ্জীবন ইয়াসিন মালিকের, অশান্তি এড়াতে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা  

    Yasin Malik: যাবজ্জীবন ইয়াসিন মালিকের, অশান্তি এড়াতে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে শান্তি বজায় রাখতে বাড়ানো হল নিরাপত্তা। বুধবার জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে (Yasin malik) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে এনআইএ-র (NIA) বিশেষ আদালত। তার পরেই আঁটসাঁট করা হয়েছে উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    এদিন মালিককে যখন সাজা দেওয়া হচ্ছিল, তখনই উপত্যকায় বৈঠকে বসেন জম্মু-কাশ্মীর (jammu  kashmir) প্রশাসনের শীর্ষকতার্রা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF), সশস্ত্র সীমা বল (SSB), সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF) এবং সেনাবাহিনীর (Indian Army) কর্তারা।

    উপত্যকার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলার সমস্যা পর্যালোচনা করতেই ওই বৈঠক হয়। পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (কাশ্মীর রেঞ্জ) বিজয় কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় ওই বৈঠক। মালিকের সাজার আঁচে যাতে উপত্যকায় অশান্তি ছড়িয়ে না পড়ে, সেই জন্য কাশ্মীরের একাংশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা।

    আরও পড়ুন : ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    এদিন শ্রীনগরের (srinagar) একটি বড় অংশের ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বন‍্‍ধ পালন করেন। তবে এর বাইরে গোটা উপত্যকা মোটের ওপর শান্তিপূর্ণই ছিল। গ্রীষ্মকালীন রাজধানীর ভিতরে ও বাইরে এদিন যথারীতি চলেছে সরকারি ও বেসরকারি যানবাহন।

    মালিকের সাজা ঘোষণার সময় তার পৈত্রিক ভিটে মাইসুমা এলাকায় ভিড় জমায় স্থানীয় লোকজন। আজাদির পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সিআরপিএফের একটি দলের দিকে পাথর ছুড়তে দেখা যায় তাদের। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এই ঘটনায় সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে মাইসুমা ও তার আশপাশ এলাকায় লোকজনের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয়, সেজন্য পুলিশ ও সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন, কী কী অভিযোগ ছিল?

    এদিকে, মালিকের সাজা ঘোষণায় জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। পিপলস অ্যালায়েন্স ফর গুপকার ডিক্লারেশন (Gupkar) এবং জাতীয় বাম দলগুলির সহযোগীদের মতে, মালিককে দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দুর্ভাগ্যজনক। শান্তি উদ্যোগের জন্য একটি বড় ধাক্কা। পিপলস অ্যালায়েন্স ফর গুপকার ডিক্লারেশনের (PAGD) প্রধান মুখপাত্র এবং সিপিএম নেতা মহম্মদ ইউসুফ তারগামি বলেন, এনআইএ আদালত রায় দিয়েছে, কিন্তু ন্যায়বিচার করেনি। বিজেপি এবং কর্পোরেট মিডিয়া যে জয়জয়কার প্রদর্শন করছে, তার উল্টোটা প্রমাণিত হতে বাধ্য।

    আরও পড়ুন : ইয়াসিনকে আটকে কাশ্মীরের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না…ট্যুইট আফ্রিদির

    মালিকের সাজার নিন্দা করেছে মিরওয়াইজ ওমর ফারুকের নেতৃত্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত কনফারেন্সের (Hurriyat conference) জোটও। তাদের দাবি, জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (ইয়াসিন মালিকের দল) ১৯৯৪ সাল থেকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

    অবশ্য এনআইএ-র বিশেষ আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে, এটি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে না, বিশেষ করে মালিকের দ্বারা নির্যাতিতদের। দলের নেতা নির্মল সিং এবং কাবিন্দর গুপ্ত এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, জেকেএলএফের (JKLF) নেতাকর্মীরা যাঁদের আত্মীয়দের খুন করেছিল, তাঁরা আশা করেছিলেন যে আদলত মালিককে মৃত্যুদণ্ড দেবে।  

     

  • Yasin Malik: ইয়াসিনের সমর্থনে ট্যুইট আফ্রিদির, “সব তোমার বয়সের মতো…” পালটা অমিত মিশ্র

    Yasin Malik: ইয়াসিনের সমর্থনে ট্যুইট আফ্রিদির, “সব তোমার বয়সের মতো…” পালটা অমিত মিশ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদীদের মদত এবং অর্থসাহায্য মামলায় (Terror funding) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল কাশ্মীরের (Kashmir) বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের (Yasin Malik)। তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দিল্লির বিশেষ এনআইএ (NIA) আদালত। এই ঘটনার আঁচ পড়ল ভারত-পাক  ক্রিকেট বৃত্তেও। ইয়াসিন মালিককে নিয়ে ট্যুইট যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন পাকিস্তানের শাহিদ আফ্রিদি (Afridi) এবং ভারতের অমিত মিশ্র (Amit Mishra)।

    ঘটনার সূত্রপাত আফ্রিদির একটি ট্যুইট থেকে। আফ্রিদি ট্যুইটে লেখেন “মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মতামতকে চেপে রাখতে চেষ্টা করে ভারত। ইয়াসিন মালিকের বিরুদ্ধে সাজানো অভিযোগ করে কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামকে আটকে রাখা যাবে না।” এই ঘটনায় রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন আফ্রিদি। তিনি বলেছেন, “কাশ্মীরি নেতাদের বিরুদ্ধে যেভাবে বেআইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” 

    [tw]


    [/tw]

    এই ট্যুইটের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতীয় লেগস্পিনার অমিত মিশ্র (Amit Mishra)। তিনি ট্যুইটে লিখেছেন, “ইয়াসিন মালিক আদালতে নিজেই সব দোষ স্বীকার করেছেন। সবকিছু তোমার বয়সের (Shahid Afridi Age) মতো বিভ্রান্তিকর নয়।” প্রসঙ্গত, গত বছর নিজের জন্মদিনেই আফ্রিদি জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ৪৪ বছর। কিন্তু আইসিসির রেকর্ড অনুযায়ী শাহিদ আফ্রিদির বয়স ৪১ বছর। আবার তাঁর আত্মজীবনী অনুযায়ী, আফ্রিদির বয়স ৪৬ বছর। সেই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হয়েছিল। অমিতের ট্যুইটে ফের মাথাচাড়া দিল সেই বিতর্ক। 

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ইউএপিএ (UAPA) ধারায় জঙ্গি কার্যকলাপ (Terror activities), সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (waging war against nation), জঙ্গি সংগঠনের প্রত্যক্ষ সদস্যপদ গ্রহণ-সহ একাধিক মামলায় সাজা হয়েছে জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF)  নেতা ইয়াসিনের। বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে, ইয়াসিন তা সন্ত্রাস ছড়ানোর কাজে ব্যবহার করছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। এই কারণে একাধিকবার গৃহবন্দিও করে রাখা হয় তাকে। গত ১০ মে আদালতে দোষ কবুল করেছিলেন ইয়াসিন নিজেই। 

LinkedIn
Share