Tag: Yes Bank

Yes Bank

  • Tax-saving FDs: ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক? 

    Tax-saving FDs: ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঝুঁকিবিহীন জায়গাতেই নিজেদের শেষ সঞ্চয়টুকু রাখতে পছন্দ করেন। মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ার মার্কেটের মতো ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক বিকল্পগুলিতে টাকা রাখতে নারাজ। তাঁদের পছন্দের বিকল্পগুলির মধ্যে একটি হল স্থায়ী আমানত (FDs)। কারণ স্থায়ী আমানত কোনও আর্থিক ঝুঁকি ছাড়াই নিশ্চিত রিটার্ন দেয়। এছাড়া আরবিআই রেপো রেট বাড়ানোর ফলে স্থায়ী আমানতে সুদের হার বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলি। তাই স্থায়ী আমানতে টাকা রাখলেই নিশ্চিত লাভ। দেশের এই প্রবীণ নাগরিকদের অন্যতম দুশ্চিন্তা বছর শেষের কর৷ ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানত (Tax-saving FDs)আয়কর আইনের ধারা ৮০সি-এর অধীনে একটি আর্থিক বিকল্প, যা কর বাঁচানোর জন্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভীষণ লাভজনক। ট্যাক্স সেভিং স্কিমে টাকা জমা রাখার ন্যূনতম মেয়াদ হল পাঁচ বছর।   

    স্থায়ী আমানতে টাকা জমা রাখার ক্ষেত্রে প্রবীণ নাগরিকদের বেশি হারে সুদ দেওয়া হয়। ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে বেশি সুদ দেওয়ার পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের কর বাঁচাতেও সাহায্য করে। আয়কর আইনের ধারা ৮০সি অনুযায়ী ট্যাক্স-সেভিং এফডি-তে টাকা জমা রাখার জন্য ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হয়। ট্যাক্স-সেভিং এফডির মেয়াদ হয় ৫ থেকে ১০ বছর। এই সময়ের আগে টাকা তুলতে পারবেন না উপভোক্তারা। 

    আরও পড়ুন: দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?
     
    যে ব্যাংকে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেই ব্যাংকেই এফডি অ্যাকাউন্ট খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্য কোথাও সুদের হার বেশি থাকলে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা থাকলে সেখানেও খোলা যেতে পারে এফডি অ্যাকাউন্ট। ট্যাক্স-সেভিং এফডি-র মেয়াদপূর্তির পর সেই টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়। 

    এই মুহূর্তে তিনটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক ট্যাক্স-সেভিং এফডিতে প্রবীণ নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে। এই তিন ব্যাংকে সুদের হার ৬.৮-৭.১%। জেনে নিন কোন কোন ব্যাংক। 

    আরও পড়ুন: অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    ডিসিবি ব্যাংক: প্রবীণ নাগরিকদের ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে এই ব্যাংকে সুদের হার ৭.১%। ১ হাজার টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। এছাড়া সাধারণ নাগরিকরা ৬.৬% হারে স্থায়ী আমানতে সুদ পাবেন। এই ব্যাংক স্থায়ী আমানতের ক্ষেত্রে অটো রিন্যুয়ালের সুবিধা দেয় না এবং স্থায়ী আমানত থেকে কোনও ঋণ নেওয়া যাবে না। ২১ মে থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। 

    ইয়েস ব্যাংক: এই ব্যাংক স্থায়ী আমানতে প্রবীণ নাগরিকদের ৭% সুদ দেয় এবং বাকিদের ৬.২৫% সুদ দেয়। একইভাবে ১ হাজার টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। ইন্টারনেট, ফোন ব্যাংকিং- এর মাধ্যমেও স্থায়ী আমানতের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা আবার বিনিয়োগ করা যেতে পারে। ৬ জুন থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। 

    আরবিএল ব্যাংক: প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে স্থায়ী আমানতে এই ব্যাংকে সুদের হার ৬.৮% এবং অন্যান্যদের ৬.৩%। ৮ জুন থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। একশো টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। একজন নমিনি রাখা যাবে। 

     

     

     

  • Rana Kapoor: প্রিয়াঙ্কার থেকে ২ কোটি টাকা দিয়ে হুসেনের ছবি কিনতে বাধ্য হয়েছিলেন, দাবি ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তার

    Rana Kapoor: প্রিয়াঙ্কার থেকে ২ কোটি টাকা দিয়ে হুসেনের ছবি কিনতে বাধ্য হয়েছিলেন, দাবি ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তার

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার (priyanka gandhi) কাছ থেকে এমএফ হুসেনের পেইন্টিং (MF Hussain painting) কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল তাঁকে। কংগ্রেস নেত্রীর  বিরুদ্ধে এবার গুরুতর অভিযোগ তুললেন আর্থিক তছরুপ মামলায় (money laundering case) অভিযুক্ত ইয়েস ব্যাঙ্কের (Yes bank) সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাণা কাপুর (Rana Kapoor)। চার্জশিটে এমনটাই দাখিল করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    বর্তমানে রাণা কাপুর রয়েছেন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে। ইডির কাছে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাছ থেকে মকবুল ফিদা হুসেনের একটি ছবি জোর করে কেনানো হয়েছিল তাঁকে দিয়ে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, তাঁর কাছ থেকে পাওয়া দু কোটি টাকা ব্যবহার হয়েছিল নিউইয়র্কে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) চিকিৎসায়। 

    আর্থিক তছরুপ মামলায় মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, ইয়েস ব্যাঙ্কের কর্ণধার জানিয়েছেন, তৎকালীন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী মুরলী দেওরা ও আহমেদ পটেল তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ছবি না কিনলে তাঁর সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক গড়ে উঠবে না এবং এর ফলে তাঁর ‘পদ্মভূষণ’ পাওয়া আটকে যাবে। 

    যদিও, কংগ্রেসের তরফে দাবি খারিজ করে বলা হয়েছে, ৫ হাজার কোটির কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত একজনের কাছ থেকে এর থেকে বেশি কী আর আশা করা যেতে পারে। আর ওই ব্যক্তি এমন সব লোকেদের কথা বলছেন, যাঁরা বেঁচে নেই।

     

LinkedIn
Share