Tag: Yoga

Yoga

  • Yoga Benefits: ডায়াবেটিস থেকে ডিপ্রেশন— সবকিছুর মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মের মুশকিল আসান হতে পারে যোগাভ্যাস!

    Yoga Benefits: ডায়াবেটিস থেকে ডিপ্রেশন— সবকিছুর মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মের মুশকিল আসান হতে পারে যোগাভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্বাস্থ্য সমস্যা শুধুই শরীরে আটকে থাকছে না। একাধিক শারীরিক অসুবিধার পাশপাশি দেশ জুড়ে বাড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের একাংশের নানান শারীরিক অসুখের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মন ও শরীরের একাধিক সমস্যা ঠেকাতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার যোগাভ্যাস। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে তরুণ প্রজন্মের একাংশ নানান স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের অধিকাংশের স্বাস্থ্য সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে জীবন যাপনের ধরন। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন ও খাদ্যাভাসের জেরেই তাঁরা নানান ধরনের স্বাস্থ্য সঙ্কটের সম্মুখীন হচ্ছেন। তাঁদের সুস্থ জীবন যাপনের সাহায্য করবে যোগাভ্যাস।

    তরুণ প্রজন্মের কোন সমস্যা মোকাবিলায় বাড়তি সাহায্য করবে যোগাভ্যাস?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং অতিরিক্ত ওজনের মতো সমস্যায় ভুগছেন। এই সমস্ত শারীরিক সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ দিনের অধিকাংশ সময় বসে কাজ করেন। হাঁটাচলা কিংবা দৌড়াদৌড়ির সুযোগ কম। তার পাশপাশি আধুনিক খাদ্যাভাসে অতিরিক্ত প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে। চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। অধিকাংশ কম বয়সী ছেলেমেয়েরা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে।
    এই ধরনের শারীরিক সমস্যার পাশপাশি ভারতের তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্বেগ, বিষন্নতার মতো সমস্যায় ভোগেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পেশাগত জীবনে মারাত্মক প্রতিযোগিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানান টানাপড়েন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে। ভারতে যে হারে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে, তাতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। শরীর ও মনের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে সুস্থ জীবন যাপন করতে তাই যোগাভ্যাস আধুনিক জীবনে অত‌্যন্ত জরুরি হয়ে যাচ্ছে।

    মানসিক সমস্যার জেরে হচ্ছে শারীরিক ক্ষতি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির জেরে শারীরিক সমস্যা আরও বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস শরীর এবং মনের উপরে একসঙ্গে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে একদিকে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে, আবার রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। তাছাড়া, যোগাভ্যাস স্নায়ু সক্রিয় রাখে। পেশির দূর্বলতা কমায়। আবার যোগাভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। একদিকে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হওয়ার জেরে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকায় স্নায়ুঘটিত সমস্যা কমবে। পেশির দূর্বলতা কমলে দিনভরের ক্লান্তি দূর হবে। যেকোনো কাজে বাড়তি উৎসাহ পাওয়া যাবে। এর পাশপাশি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখলে যোগাভ্যাস খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর তাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই জরুরি। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ার নেপথ্যে অন্যতম কারণ, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব। যোগাভ্যাস স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত যোগাভ্যাস বজায় থাকলে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, বিষন্নতা কমবে।

    কেন যোগাভ্যাসেই বাড়তি গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, যেকোনো বয়সেই সুস্থ জীবন যাপনের জন্য যোগাভ্যাস জরুরি‌। তবে ভারতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে হারে স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে, সেটা রুখতে যোগাভ্যাসেই ভরসা রাখছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনো ওষুধের উপরে দীর্ঘদিন নির্ভর করে জীবন কাটালে, তার নানান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বরং দীর্ঘ সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সুস্থ অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা প্রয়োজন। তাই যোগাভ্যাসে বাড়তি ভরসা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের নির্দিষ্ট সময়ে তিরিশ থেকে চল্লিশ মিনিট এই যোগাভ্যাস করলে, শরীরের পাশপাশি মন ভালো থাকবে। মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়বে। কোনো নির্দিষ্ট ওষুধে শরীরের পাশপাশি মনের জটিলতা কমাতে পারবে না। মস্তিষ্ক, স্নায়ু সক্রিয় রাখার জন্য ওষুধ নয়। বরং ভালো অভ্যাস দীর্ঘ জীবন যাপন সহজ করবে। যোগাভ্যাস রোগ রুখতে সাহায্য করে। তাই বিশেষজ্ঞরা আধুনিক জীবনের স্বাস্থ্য সঙ্কট ঠেকাতে যোগাভ্যাসেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।

    কখন যোগাভ্যাস করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাসের জন্য দিনের নির্দিষ্ট সময় বেছে নেওয়া জরুরি। তাহলেই নিয়মিত এই অভ্যাস জারি রাখা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, প্রত্যেক দিন সকালে যোগাভ্যাস করলে শরীর ও মনে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। খালি পেটে সকালে যোগাভ্যাস করলে একদিকে হজম শক্তি বাড়ে। দিনভর মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। মনে রাখতে সুবিধা হয়। যোগাভ্যাস মনে ইতিবাচক শক্তি গড়ে তোলে। তাই সকালে যোগাভ্যাস করলে দিনভর কাজ করার ইচ্ছে থাকে। মানসিক অবসাদ ও বিষন্নতা রুখতেও সাহায্য করে। তবে সকালে যোগাভ্যাস করতে কোনো সমস্যা থাকলে সন্ধ্যায় যোগাভ্যাস করা যায়। তবে সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখা জরুরি, যাতে ভারি খাবার খাওয়ার পরে যোগাভ্যাস করা না হয়‌‌। অতিরিক্ত ভারি খাবার খাওয়ার পরে অন্তত দু’ঘণ্টা যোগাভ্যাস করা উচিৎ নয়। এতে শারীরিক অস্বস্তি তৈরি হতে পারে‌।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরওয়ের রাজধানী অসলোয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং বৈচিত্র্যের পক্ষে সওয়াল করল (Sibi George) বিদেশমন্ত্রক (MEA)।   সোমবার এই আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নরওয়ে সফরের সময়। এই সময় সে দেশের সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় ভারতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিয়ে (Norway Journalist Row)। অসলোয় বিদেশমন্ত্রকের সেক্রেটারি (ওয়েস্ট) সিবি জর্জ নরওয়ের সাংবাদিকের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। নরওয়ের এক সাংবাদিক বারবার ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেন, “আমরা কেন আপনাদের বিশ্বাস করব?”

    কী বললেন জর্জ (Sibi George)?

    এর জবাবে জর্জ বলেন, “আমাদের একটি সংবিধান আছে, যা জনগণের অধিকার এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। আমাদের দেশে নারীদের সমান অধিকার রয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালেই আমরা নারীদের ভোটাধিকার দিয়েছিলাম। আমরা একসঙ্গে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, এবং তাঁরাও সেই স্বাধীনতা পেয়েছেন।” তিনি এও বলেন, “অনেক দেশে নারীদের ভোটাধিকার ভারতের বহু দশক পরে এসেছে। কারণ আমরা সমতা ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করি। মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ কী? সরকার পরিবর্তনের অধিকার, ভোট দেওয়ার অধিকার। আর সেটাই ভারতে হচ্ছে। এ নিয়ে আমরা গর্বিত।” প্রশ্নোত্তর-পর্বে ওই সাংবাদিক বারবার বাধা দিলে জর্জ দৃঢ়ভাবে বলেন,
    “দয়া করে আমায় উত্তর দিতে দিন, বাধা দেবেন না। আপনি প্রশ্ন করেছেন—এটি আমার প্রেস কনফারেন্স। আপনি জানতে চেয়েছেন কেন একটি দেশ ভারতের ওপর ভরসা করবে, আমায় সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিন।”

    ভারতে রয়েছে আইনের শাসন

    ভারতের বহু ভাষাভিত্তিক এবং প্রাণবন্ত সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ তুলে জর্জ (Sibi George) বলেন, “আপনারা জানেন প্রতিদিন কত খবর প্রকাশিত হয়? শুধুমাত্র দিল্লিতেই অন্তত ২০০টি টিভি চ্যানেল রয়েছে—ইংরেজি, হিন্দি-সহ একাধিক ভাষায়। মানুষ ভারতের ব্যাপ্তি সম্পর্কে বোঝেন না।” তিনি বলেন, “ভারত এমন একটি দেশ, যে আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। আমরা সবসময় নিয়ম মেনে চলেছি। আমরা নিয়ম অনুযায়ী কাজ করি। এটাই ভারতের সুনাম।”

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্য

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কার্যকলাপ এবং গণিত, সংস্কৃতি ও বিশ্ব ঐতিহ্যে ভারতের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন জর্জ। তিনি (Sibi George) বলেন, “চারদিকে তাকালেই আপনি ভারতের সংযোগ দেখতে পাবেন। আপনার ফোনে যে সংখ্যা ব্যবহার করেন, তার উৎপত্তিও ভারতে। ‘শূন্যে’র উৎপত্তিও ভারতে। দাবার উৎপত্তি ভারতে। এই সভ্যতা নিয়ে আমরা গর্বিত (Norway Journalist Row)। আজ বিশ্ব যে যোগব্যায়ামকে সম্মান করে, তারও জন্ম ভারতে। ভারতের মহাকাব্য ও প্রাচীন গ্রন্থ রয়েছে।”

     

  • RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৫ সালে। প্রতিষ্ঠা করেন ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার। ভারতীয় যুবকদের সংগটিত করতে, তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের আদর্শের বীজ রোপণ করতে তিনি এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর পাশাপাশি দেশের যুবকদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন যাপনের ক্ষেত্রে তার সঙ্গেই যুক্ত করা হয় যোগাভ্যাসকে, যাতে যুবকদের আধ্যাত্মিক এবং মানসিক উন্নতি হয়। তাই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখাতে সূর্য নমস্কার, প্রণায়াম, ধ্যান এবং আরও বিভিন্ন যোগাসন করানো হতে থাকে তখন থেকেই।

    যোগাভ্যাসের কথা বলতেন আরএসএস-এর দ্বিতীয় সরসংঘচালক

    যোগাভ্যাসের (Yoga) মাধ্যমে স্বয়ংসেবকদের মধ্যে গড়ে উঠতে থাকে, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সমাজসেবা, সম্প্রীতি এবং আধ্যাত্মিকতা প্রভৃতি গুণ। জানা যায়, ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার নিয়মিতভাবে যোগাভ্যাস করতেন এবং তিনি শাখা পদ্ধতিতেও (RSS) যোগাভ্যাসকে রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে গুরু গোলওয়ালকর, যিনি সংঘের দ্বিতীয় সরসংঘচালক, তিনিও যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর অংশ হিসেবেই রেখে দেন। গুরুজি গোলওয়ালকর বলতেন, যদি জনগণ যোগাসন করে, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য যেমন রক্ষা হয়, সেরকমই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। জনস্বাস্থ্য এই যোগাভ্যাসের মাধ্যমে উন্নত হবে এবং তাদের রোগ নিরাময়ে ওষুধ কেনার খরচও কমবে। সমস্ত দিক থেকেই তারা লাভবান হবে।

    যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার, প্রস্তাব পাশ হয় আরএসএস-এর প্রতিনিধি সভায়

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) মনে করে যে, যোগ শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উন্নতির জন্য কোনও অভ্যাস বা অনুশীলন নয়, এটি হচ্ছে সামাজিক উন্নতির জন্যই প্রয়োজন। যোগের মাধ্যমে দেশ গঠিত হবে। দেখা যায়, আরএসএস-এর বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ বর্গে যোগাসন এবং ধ্যানকে বর্তমানে রাখা হয়। যোগ-এর মাধ্যমে স্বয়ংসেবকরা শৃঙ্খলা, উৎসাহ, শারীরিক সুস্থতা পান, যা তাঁদের সমাজের কাজ করতে আরও উৎসাহিত করে। বর্তমানে যোগাভ্যাস আবশ্যিক করা হয়েছে আরএসএস-এর যে কোনও প্রশিক্ষণ শিবিরে। যে কোনও শাখাতেও যোগাভ্যাস চলে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তুলে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছেন যোগ-এর গুরুত্ব (Yoga)। ২০১৫ সালে আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে প্রস্তাব পাস করা হয় যে যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার।

    ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের ৬৯তম সাধারণ সভায় ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা ছিল প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত, কারণ যোগাভ্যাস ভারত থেকে উদ্ভূত। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এই প্রস্তাবটি রাখেন। নেপালসহ ১৭৫টি রাষ্ট্র এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয় ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর।

    সংস্কৃতিভেদে বিশ্বজুড়ে চলছে যোগ-এর অনুশীলন

    সারা বিশ্বজুড়ে অজস্র মানুষ বর্তমানে নানারকম সমস্যায় ভুগছেন, শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা। যোগ হল একমাত্র উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলির নিরাময় সম্ভব এবং তা প্রাকৃতিক উপায়ে সম্ভব। তাই বিশ্বব্যাপী এই যোগাভ্যাসের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। মানুষ যোগকে গ্রহণ করেছেন তাঁদের সুস্থ থাকার জন্য, মানসিক ও শারীরিক উন্নতির জন্য। যোগ তাই আজ নির্দিষ্ট কোনও গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ নেই। পৃথিবীর যে কোনও সাধারণ মানুষ থেকে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা প্রত্যেকেই আজ যোগাভ্যাস করেন। এর মধ্যে আছেন বড় বড় শিল্পপতি থেকে কূটনীতিকরাও।

    যোগ শব্দের উৎপত্তি কীভাবে, ব্যাখ্যা করেছে আরএসএস

    ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে (RSS) যোগের উপর যে প্রস্তাবনা হয়, সেখানে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ব্যাখ্যা করে যে যোগের মূলগত উৎস এসেছে ‘যুজ’ (Yug) থেকে, যার অর্থ সংযুক্তিকরণ। যোগাসন শুধুমাত্র একটি শারীরিক অনুশীলন নয়। মহর্ষি পতঞ্জলির মতে, এটি হল একটি পবিত্র জীবনযাপনের অনুশীলন, যা মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মাকে একত্রিত করে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে, যোগাভ্যাসের নানা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে বলা হয়েছে—যোগব্যায়াম অশান্ত মনকে শান্ত করে। যোগ শব্দের অর্থ হলো মনের প্রশান্তি। এই ব্যাখ্যার ফলে এই দর্শনকে অনুসরণ করে নিজেদের জীবনে যোগাভ্যাসকে নিয়মিতভাবে অনুশীলন করে আজ ব্যক্তিজীবন সুন্দর ও শান্তিময় হয়ে উঠেছে।

    ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে আরএসএস

    আরএসএস বিভিন্ন সময়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের, যাঁরা বিশ্বমঞ্চে যোগাভ্যাসকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। একইসঙ্গে আরএসএস ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতীয় কূটনীতিকদের, যাঁরা রাষ্ট্রসংঘসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনে অবদান রেখেছেন। অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রতিটি রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, তারা যেন যোগকে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং গবেষণার কাজেও অন্তর্ভুক্ত করে, যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরে যোগাভ্যাসের প্রসার ঘটানো যায়।

  • Swami Sivananda: ১২৯ বছর বয়সে প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা

    Swami Sivananda: ১২৯ বছর বয়সে প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা (Swami Sivananda)। শনিবার রাতে ১২৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ (Yoga Guru) করেন তিনি। ভুগছিলেন নিউমোনিয়ায়। শ্বাসকষ্টের সমস্যাও ছিল। গত কয়েকদিন ধরে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। সেখানেই রাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তিনি মারা যান বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। সোমবার হতে পারে তাঁর শেষকৃত্য।

    ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন স্বামী শিবানন্দ (Swami Sivananda)

    দেশে তো বটেই, বিদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। সূত্রের খবর, তাঁর পার্থিব শরীর রেখে দেওয়া হবে দুর্গাকুণ্ডের আশ্রমে। ভক্তরা যাতে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা। বয়স ১২৯ হলেও, শেষ জীবনেও যথেষ্ট সক্ষম ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। প্রতিদিন ভোরে কয়েক ঘণ্টা ধরে যোগব্যায়াম করতেন তিনি। এটাই তাঁর সুদীর্ঘ জীবনের চাবিকাঠি।

    শিবানন্দের জীবনকথা

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৮৯৬ সালের ৮ অগাস্ট জন্ম হয় শিবানন্দের। অবিভক্ত ভারতের সিলেটে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। সংসার চালাতে তাঁর মা-বাবা ভিক্ষে করতেন। মাত্র ছ’বছর বয়সে একই মাসে মা-বাবা এবং বোনকে হারান শিবানন্দ। বেড়ে ওঠেন আত্মীয়-স্বজনের কাছে। পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপেও কাটিয়েছেন বেশ কয়েক বছর। ছিলেন বৃন্দাবনেও। ১৯৭৯ সালে চলে আসেন বারাণসীতে। যোগ শিক্ষা লাভ করেন গুরু ওঁকারনন্দের কাছে। সেখানকার দুর্গাকুণ্ডেই আশ্রম রয়েছে শিবানন্দের। গত একশো বছর ধরে প্রয়াগরাজ, নাসিক, উজ্জ্বয়ন এবং হরিদ্বারের কুম্ভমেলায় অংশ নিতেন তিনি। ২০২২ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি। তাঁর হাতে সম্মননা তুলে দেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। যোগরত্ন, বসুন্ধরারত্ন পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

    স্বামী শিবানন্দের (Swami Sivananda) শিষ্য সঞ্জয় সর্বজ্ঞ জানান, শনিবার রাত ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন যোগগুরু। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সঙ্গে অন্যান্য সমস্যাও ছিল। ৩০ এপ্রিল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত তিন দিন ধরে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। তার পরেই আর ফেরানো যায়নি শিবানন্দকে।

    দারিদ্রের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিবানন্দ নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন দরিদ্রদের সেবায়। কুষ্ঠরোগীদের সেবায়ও নিজেকে উৎসর্গ (Yoga Guru) করেছিলেন তিনি। পুরীর প্রায় ৫০০ কুষ্ঠরোগীর সেবা করতেন স্বামী শিবানন্দ (Swami Sivananda)।

  • Yoga Asanas: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ঘরে বসে করুন এই ৫ টি যোগাসন

    Yoga Asanas: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ঘরে বসে করুন এই ৫ টি যোগাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগ হল এমন একটি আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলা যা শরীর ও মনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করে।যোগ শব্দটি সংস্কৃত মূল ‘যুজ’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ‘যোগ দেওয়া’ বা’একত্রিত হওয়া’। আধুনিক বিজ্ঞানীদের মতে, মহাবিশ্বের সবকিছুই একই কোয়ান্টাম ফার্মামেন্টের একটি প্রকাশ মাত্র। যিনি এই অস্তিত্বের একত্ব অনুভব করেন তাকেই যোগী বলা হয়। যোগের ইতিহাস খুঁজতে গেলে দেখা যায় বৈদিক যুগের পূর্বেই এই যোগের উৎপত্তি। আবার অনেকে বলেছেন মহর্ষি পতঞ্জলি যোগাসনার উদ্ভব করেছেন। এই নিয়ে তর্কবিতর্ক রয়েছে।

    সিন্ধু সভ্যতার বেশ কিছু শিলমোহরে যোগাসনরত চিত্র খোদাই করা রয়েছে। প্রাচীন এই যোগাভ্যাস ভারতে বাইরে প্রসিদ্ধ থাকলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে  ভারতের এই প্রাচীন এই শরীরচর্চাবিদ্যা রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে সারা পৃথিবীতে বিশ্ব যোগ দিবস ( World Yoga Day) হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ২০১৫ সালের ২১ জুন থেকে রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে যুক্ত ৪৪ টি মুসলিম দেশ সহ মোট ১৯২ টি দেশ বিশ্ব যোগ দিবস পালন করেছিল।
    নিয়মিত যোগাভ্যাসে শরীর নিরোগ থাকে।

    বর্তমানে কর্মব্যস্ততার জীবনে নানা ধরনের চিন্তা, কাজের চাপে আজকাল অনেক কম বয়েসেই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। যোগাব্যায়ামের পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।ধূমপান করার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। 
    দেখে নিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য কী কী যোগাভ্যাস করা প্রয়োজন।

    সূর্য নমস্কার

    সূর্য নমস্কার দিয়ে শুরু করুন। ভোর বেলায় খালিপেটে সূর্য নমস্কার করা সবচেয়ে ভাল। প্রথমে হাত জোড় করে নমস্কার করার ভঙ্গিতে দাঁড়ান। হাতের তালুতে তালুতে খুব জোরে চাপুন যাতে বুকের পেশি শক্ত হয়। তার পর এই চাপ বজায় রেখে অর্ধচন্দ্রাসনের ভঙ্গিতে হাত তুলে পেছনে বেঁকান। ওখান থেকে সামনে ঝুঁকে হাত পায়ের সামনে মাটিতে রেখে পদহস্তাসন করুন। এই অবস্থায় হাঁটু ভেঙে বসে পড়ুন। ওই অবস্থায় ডান পা পেছনে সোজা করে দিন।এ বার হাঁটু থেকে মাথা তুলে সামনের দিকে তাকান। বাঁ পা পেছনে সোজা করে দিন। এ বার ডনের ভঙ্গিতে হাতের জোরে নামুন। ডন থেকে আস্তে আস্তে উঠুন। বাঁ পা পূর্বের ভঙ্গিমায় ভাঁজ করে সামনে নিয়ে আসুন। মাথা নামান। ডান পা ভাঁজ করে সামনে নিয়ে আসুন। নিতম্ব গোড়ালিতে লাগিয়ে বসুন। আবার নিতম্ব তুলে সোজা রেখে পদহস্তাসন করুন। এ বার হাত তুলে অর্ধচন্দ্রাসনের ভঙ্গিতে পেছনে বেঁকান। সেখান থেকে সোজা হয়ে হাত জোড় করে নমস্কার করার ভঙ্গিতে ফিরে আসুন।

    শিশু আসন

    হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে মেঝেতে বসুন। এবার আস্তে আস্তে সারা শরীর পিছনে নিয়ে গিয়ে শরীরের পশ্চাদ্দেশ পায়ের গোড়ালির উপর রাখুন। কপাল মাটিতে ঠেকান। হাত দু’টো পিছনে নিয়ে গিয়ে তালু উল্টো করে পায়ের কাছে রাখুন। মানসিক চাপ ও ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে এই যোগাসন। দেহে রক্তসঞ্চালনের প্রক্রিয়াকেও স্বাভাবিক রাখে।

    বজ্রাসন

    সোজা হয়ে বসুন। সামনের দিকে প্রথমে পা ছড়িয়ে দিন। এবার একটা করে পায়ে হাঁটু মুড়ে তার উপর বসুন। গোড়ালি জোড়া রাখবেন এবং শিরদাঁড়া সোজা রাখবেনে। হাত দু’টো উরুর উপর সোজা করে রাখুন। দুপুর বা রাতের খাওয়ার পরেও এই যোগাসন করতে পারেন। এটি শরীরে অতিরিক্ত মেদের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এবং পেটের তলদেশে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক করে।

    পশ্চিমোত্তানাসন

    প্রথমে পা ছড়িয়ে শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন। ভাল করে শ্বাস নিন। এরপর মাথার উপরে হাত দু’টো সোজা করে নমস্কারের ভঙ্গিতে প্রসারিত করুন। এবার শ্বাস ছাড়ুন। শরীর বেঁকিয়ে হাত দু’টো পা অবধি নিয়ে যান, পা যেন না বেঁকে। এই অবস্থায় হাত দু’টো দিয়ে গোড়ালি জড়িয়ে ধরুন। এবার পায়ের উপর মাথা রাখুন। কিছুক্ষণ রাখার পর হাত দু’টো আবার মাথা পর্যন্ত প্রসারিত করুন। দিয়ে প্রথমে যে ভাবে বসেছিলেন সেই ভঙ্গিতে ফিরে যান। ওজন কমানোর পাশাপাশি পেটের তলদেশের মেদও ঝরায় এই ব্যায়াম। মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপকেও কমায়।

    সুখাসন

    এই যোগ ব্যায়ামের ফলে শরীর ও মনে এক ধরনের সার্বিক ভারসাম্য আসে। মন ও মেজাজ ভাল থাকে। শিরদাঁড়া সোজা রেখে বাবু হয়ে বসুন। ধ্যানের ভঙ্গির এই আসন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে যোগা করেন তিনি। তাতে ভালোও আছেন। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির কোনও কর্মী কিংবা সমর্থক নন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুগামীও নন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (Justice Chandrachud)। বৃহস্পতিবার আয়ুশ হলিস্টিক ওয়েলনেস সেন্টারের উদ্বোধন করেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। এই অনুষ্ঠানেই তিনি তুলে ধরেন নিজের দিনলিপি।

    ‘যোগা প্র্যাকটিশ করি’

    চন্দ্রচূড় বলেন, “আমি যোগা প্র্যাকটিশ করি। এজন্য ভোর সাড়ে তিনটেয় ঘুম থেকে উঠি। গত পাঁচ মাস ধরে আমি ভেগান ডায়েট (দুধ জাতীয় দ্রব্য বাদে নিরামিষ খাবার) মেনে চলছি। আমি সম্পূর্ণভাবে একটি নিরামিষ ডায়েট অনুসরণ করেছি ও আমি এটি চালিয়ে যাব। আমি জীবনের সামগ্রিক জীবনশৈলীর দিকে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করছি, যেটা আপনি যা খান, তা থেকে শুরু হয়।”

    ‘অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি’

    কোভিড-পর্বে করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)। তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন আশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমার মনে হয় আপনি কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন এবং আমি আশা করি সব কিছু ঠিক আছে। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি ভালো নেই। তবে আমরা সব কিছু করব। একজন বৈদ্য রয়েছেন, যিনি আয়ুশের সেক্রেটারিও। আমি তাঁর সঙ্গে একটি ফোনের ব্যবস্থা করব, যিনি আপনাকে ওষুধ ও সমস্ত কিছু পাঠাবেন।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি তিনবার করোনা সংক্রমিত হয়েছিলাম। একবারও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি।”

    আরও পড়ুুন: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    সুস্থ থাকতে যোগাভ্যাস যে জরুরি, তাও জানান শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, কেবল বিচারক ও তাঁদের পরিবার নয়, আদালতের সব কর্মীরও এমন জীবনশৈলী মেনে চলা উচিত। তাঁদের মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে পারি গোটা দেশে।” চন্দ্রচূড় বলেন, “এক বছর আগে আমি পঞ্চক্রম অনুশীলন করতে শুরু করি। আবারও শুরু করেছি। সুপ্রিম কোর্টে আমাদের সদস্য রয়েছেন দু হাজারেরও বেশি। আমাদের সহকর্মী এবং ৩৪ জন বিচারপতিও রয়েছে। নিত্যদিন আমাদের প্রচুর স্ট্রেসের মধ্যে কাজ করতে হয়। এই স্ট্রেস দূর করতেই নিয়মিত যোগা অভ্যাস করা জরুরি বলেও জানান দেশের প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার বড়ই অভাব। বিশেষ করে এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এই বিষয়ে উদাসীন। তাই পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। পাশাপাশি জীবনে সুস্থ থাকতে গেলে যোগাসনের যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা সকলকে জানাতে পায়ে হেঁটে সারা দেশ ভ্রমণে (Travel) বেরিয়েছেন কর্ণাটকের বছর ঊনত্রিশ এর যুবক কৃষ্ণা নায়েক। তামিলনাড়ু , তেলেঙ্গানা, ছত্রিশগড়, ওড়িশা পেরিয়ে এখন তিনি এই রাজ্যের হুগলিতে।

    কবে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন পরিবেশপ্রেমী যুবক?

    গত ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে কর্নাটকের মহীশূর থেকে তিনি পথ চলা শুরু করেন। ভারতবাসীকে পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও যোগাসনে শরীর সুস্থ রাখার বার্তা দিতে ২৮টি রাজ্যে পায়ে হেঁটে ভ্রমণের (Travel) সিদ্ধান্ত নেন মহীশূরের এই যুবক। কর্নাটকের মহীশূর থেকে পায়ে হেঁটে গত ৬ মাসে ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন কৃষ্ণা। স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মোট ২ বছরে ২৮ টি রাজ্য পাড়ি দেবেন তিনি। ইতিমধ্যেই পার করেছেন কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, ছত্রিশগড়, উড়িষ্যা রাজ্য। যাওয়ার পথে প্রতিটি রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের শেখাচ্ছেন যোগাভ্যাস এবং ছাত্র ছাত্রীদের দিচ্ছেন নিজের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ। সিঙ্গুর হয়ে তিনি শৈব তীর্থ তারকেশ্বরে এসে পৌঁছলে, তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তারকেশ্বর থানার ওসি অনিল রাজ। তারকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় ও ইছাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতার বার্তা দেন তিনি।

    কী বার্তা দিলেন তিনি?

    এবিষয়ে কৃষ্ণা নায়েক বলেন, প্রতিদিন হেঁটে আমি ৩০ কিলোমিটার যাই। যোগব্যায়ামের সুবিধা সম্পর্কে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ এর বিষয়ে যুব সমাজকে সচেতন করি। যোগব্যায়াম আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানসিক চাপ কমায়, পাশাপাশি একজন ব্যক্তিকে ভাল শারীরিক গঠনে সহায়তা করে। একসময় আমি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলাম এবং খুব বেশি ক্রিকেট খেলার ফলে ছাত্রজীবনে পিঠে ব্যথা হয়। ব্যথার জন্য ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করি, তখন তাঁরা সবাই আমাকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি অস্ত্রোপচার করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। তাই, আয়ুর্বেদ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন আমাকে নিয়মিত যোগব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। প্রায় ২ বছরের যোগাসন শেখার পর আমার সেই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষকে যোগ শেখানোর জন্য কৃষ্ণম যোগ ইনস্টিটিউট স্থাপন করি। এখন সমস্ত বয়সের ৩০ জনেরও বেশি আমার ওই প্রতিষ্ঠানে যোগ শিখছেন। যোগ ভারতের আদি পরম্পরা, সকলকে সেই বার্তা দিতেই আমার এই দেশ ভ্রমণ (Travel)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saudi Arabia: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    Saudi Arabia: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর যোগ ব্যায়ামের (Saudi Arabia) বিশেষ প্রভাব রয়েছে। সেই গুরুত্ব বিবেচনা করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ ব্যায়াম শেখানো ও যোগ ব্যায়ামকে পরিচিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সৌদি যোগা কমিটি। শনিবার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে সে দেশের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ।  

    ‘ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রমোশন অব নিউজ স্পোর্টস গেমস ইন ইউনিভার্সিটিস’ নামের একটি অনুষ্ঠান সৌদি যোগা কমিটির চেয়ারম্যান নউফ আল-মারওয়াই জানিয়েছেন, যোগ ব্যায়াম ছড়িয়ে দিতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করবেন তারা।

    যোগ ব্যায়াম বিশ্বের অন্যতম পুরোনো শারীরিক কসরতগুলোর মধ্যে একটি। এই ব্যায়ামের বিকাশ ঘটেছিল ভারতেই। সাধারণ ভারতীয়দের মধ্যে যোগ ব্যায়াম জনপ্রিয় করতে কাজ করছে ভারত সরকার। 

    সৌদি যোগা কমিটির (Saudi Arabia) চেয়ারম্যান আরও জানিয়েছেন, যোগ ব্যায়ামকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিচিত করা ছাড়াও পুরো সৌদি আরবে এটি ছড়িয়ে দিতে চান তারা। এজন্য যোগ ব্যায়ামে সেরাদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এখনই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েও জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    মারওয়া (Saudi Arabia) বলেন, যোগা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভিশন ২০৩০ অনুযায়ী খেলাধুলায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করতে সাহায্য করবে এই ব্যায়াম।

    যোগব্যায়ামের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন আসনগুলির রয়েছে বহুমুখী উপকারিতা । এর মাধ্যমে আপনি শরীরের বিভিন্ন ধরণের রোগ কমাতে পারেন। যেমন- হাঁটুর ব্যথা, পায়ের ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, স্ত্রী রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য,উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতন নানান কঠিন ব্যাধি । প্রত্যহ যোগব্যায়ামের সাহায্যে সারাজীবন তরুণ এবং সুস্থ থাকা যায়।

    যোগাভ্যাসের প্রচারে ভারতের উদ্যোগ

    প্রাচীন কাল থেকেই যোগ চর্চার অভ্যাস ভারতীয় সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করেই ভারতের যোগকে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রসারিত করতেই যোগ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ২১ জুন দিনটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫সালের ২১ জুন তারিখ থেকে বিশ্ব জুড়ে যোগ দিবস পালন করা শুরু হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Yoga in Space: মহাকাশে যোগব্যায়াম নভশ্চরের! কীভাবে করলেন অসাধ্য সাধন?

    Yoga in Space: মহাকাশে যোগব্যায়াম নভশ্চরের! কীভাবে করলেন অসাধ্য সাধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে যোগব্যায়াম করছেন এমন ঘটনা কেউ কখনও শুনেছেন? ইউরোপের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নভশ্চর সামান্থা ক্রিস্টোফোরেটি (Samantha Cristoforetti) মহাকাশে যোগব্যায়াম করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) উদ্যোগে ২০১৫ সালে ২১ জুন দিনটিকে  রাষ্ট্রসংঘ আন্তজার্তিক যোগ দিবস (International Yoga Day) ঘোষণা করে। তার পর থেকেই সারা বিশ্বে যোগব্যায়ামের এক ভিন্ন উন্মাদনা দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয়দের মার্কিন ভিসা পেতে এত দেরি হচ্ছে কেন? ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন জয়শঙ্করের

    আজ বিশ্বের নামী দামী ব্যক্তিরা যোগাভ্যাসের ছবি তাঁদের ব্যক্তিগত সোস্যাল সাইটে শেয়ার করছেন। কিন্তু এবার এক মহাকাশচারীকে পৃথিবী থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে মহাকাশের শূন্য মাধ্যাকর্ষণে যোগাভ্যাস করতে দেখা গিয়েছে। টুইটারে (Twitter) কসমিক কিডস নামক একটি পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।

    ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    পোস্টটিতে মহাকাশচারী ক্রিস্টোফোরেটিকে একজন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষককে অনুসরণ করে বিভিন্ন যোগব্যায়ামের পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে। নেটপাড়ায় এই ভিডিয়োটি খুব ভাইরাল হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, মাধ্যাকর্ষণের শূন্যতায় যোগব্যায়াম? এটা কিন্তু কঠিন। তবে সৃজনশীলতার স্বাধীনতা থাকলে আপনি এটি অনায়াসেই করতে পারেন।

    নেটিজেনরা এই ভিডিওকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। একজন সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন দারুন! এখন প্রতিটি স্থানেই যোগাসন করা সম্ভব। আর এক জন মন্তব্য করেছেন, পারফেক্টের থেকেও বেশি কিছু।

    প্রসঙ্গত, সামান্থা ক্রিস্টোফোরেটি নভঃচর ভারতের স্বাধীনতার অমৃতকালে ভারতবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • International yoga day: ‘গার্ডিয়ান রিং’ কর্মসূচি কী? জানুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের সঙ্গে এর যোগসূত্র

    International yoga day: ‘গার্ডিয়ান রিং’ কর্মসূচি কী? জানুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের সঙ্গে এর যোগসূত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২১ জুন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International yoga day)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নেতৃত্বে ভারতবর্ষে (India) ঘটা করে পালিত হচ্ছে দিনটি। বিশ্বজুড়েও পালিত হচ্ছে দিনটি। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে যে যোগের ভূমিকা অনবদ্য, তা মেনে নিয়েছে গোটা বিশ্ব (World)। তার জেরেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয় দিনটি। যোগের মাধ্যমে যে রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তা স্বীকার করেছেন চিকিৎসকদের একাংশও। যোগ দিবসে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রয়েছেন কর্নাটকের মাইসুরুতে। এদিন সকালে সেখানেই দিনটি পালন করেন তিনি। চলতি বছর যে বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে, তা হল গার্ডিয়ান রিং (guardian ring)।

    আরও পড়ুন : “যোগ জীবনে শান্তি আনে” আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে অভিমত মোদির

    জেনে নেওয়া যাক, গার্ডিয়ান রিং কি? গার্ডিয়ান রিং এমন এক কর্মসূচি যা ‘এক সূর্য, এক পৃথিবী’ ধারণার ওপর আলোকপাত করে। এটি পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সব দেশের লোকেরা উদযাপন করে। সূর্য যেমন পূবে উদিত হয়ে পশ্চিমে অস্ত যায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ যেভাবে সূর্যকে স্বাগত জানায়, ভারতে সেটাই সূর্য নমস্কার হিসেবে যুগ যুগ ধরে মান্যতা পেয়েছে। চলতি বছর যোগ দিবসের থিম মানবতার জন্য যোগ। সেই কারণেই এদিন ভোর থেকে গোটা বিশ্বে পালিত হচ্ছে যোগ দিবস। উদীয়মান সূর্যের দেশ জাপানেই এদিন প্রথম শুরু হয়েছে যোগ দিবস উদযাপন।

    আরও পড়ুন : “জ্ঞান, কর্ম এবং ভক্তির একটি নিখুঁত সংমিশ্রণ”, যোগ সাধনা প্রসঙ্গে মোদি

    বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে দিনটি পালিত হয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। সরকারি এক আধিকারিক জানান, এ বছরই প্রথম গার্ডিয়ান রিংয়ের ধারণা চালু করা হয়েছে। যাতে পূর্ব থেকে পশ্চিম পৃথিবীর সব দেশের মানুষই অংশ নিতে পারেন এতে।

    দূরদর্শন কর্তৃপক্ষের তরফে ভোর তিনটে থেকে এদিন বেলা ১০টা পর্যন্ত টানা সম্প্রচার করা হয়েছে। তার জেরে নিউইয়র্ক থেকে অষ্ট্রেলিয়া থেকে সারা পৃথিবীর মানুষ ৮০ ধরনের যোগ দেখতে পেরেছেন।  

    এদিন কর্নাটকে অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সমগ্র মহাবিশ্ব আমাদের দেহ ও আত্মা থেকে শুরু হয়। যোগব্যায়াম আমাদের সচেতনতার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, যোগ লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে শান্তি আনবে। পাশাপাশি গোটা বিশ্বে শান্তির পরিবেশ তৈরি করবে। এইভাবে যোগ ব্যায়াম মানুষ এবং দেশকে সংযুক্ত করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর মতে, যোগ আমাদের সব সমস্যার সমাধান করতে পারে।

     

LinkedIn
Share