Tag: Yogi Adityanath

Yogi Adityanath

  • UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি পরিষেবা ও দ্রুত পুলিশি সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই মডেল কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে সম্প্রতি লখনউ সফরে গেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের (West Bengal Police) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। রাজ্যের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) সুকেশ জৈন। লখনউয়ে ‘ইউপি-১১২’ সদর দফতরে গিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকাঠামো এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখেন।

    কীভাবে কাজ করে ‘ইউপি-১১২’?

    উত্তরপ্রদেশের জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থা ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) বর্তমানে দেশের অন্যতম সফল মডেল হিসেবে পরিচিত। অপরাধ, দুর্ঘটনা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, নারী নিরাপত্তা কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদের মুহূর্তে একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেয় এই পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিদের জানানো হয়, ‘ইউপি-১১২’-এ কোনও জরুরি ফোনকল যাতে উপেক্ষিত না হয়, তার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কোনও কল অপারেটর ব্যস্ত থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই কল অন্য উপলব্ধ অপারেটরের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয়।

    মুহূর্তে শনাক্ত হয় কলারের অবস্থান

    প্রতিনিধিদলকে দেখানো হয় কীভাবে সিস্টেমটি কলারের অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে নিকটবর্তী পুলিশের কাছে তথ্য পাঠায়। এর ফলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছতে পারে পুলিশ। এছাড়াও, প্রতিটি জরুরি কলের জন্য ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নথিভুক্ত থাকে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের আস্থাও বাড়ায়।

    গড় সাড়া দেওয়ার সময় মাত্র সাড়ে ৬ মিনিট

    ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধিদলকে জানায়, উন্নত প্রযুক্তি ও সুসংহত ব্যবস্থাপনার কারণে তাদের গড় প্রতিক্রিয়া সময় প্রায় ৬.৫ মিনিট। বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির উত্তরপ্রদেশেও এই দ্রুত পরিষেবা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে।

    যোগী সরকারের পুলিশি সংস্কারের ফল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)-এর আমলে উত্তরপ্রদেশে যে পুলিশি সংস্কার ও প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ হয়েছে, তারই অন্যতম সফল ফল ‘ইউপি-১১২’ (UP-112)। এক্ষেত্রে নজরদারি ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং পুলিশ পরিকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে জননিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কি চালু হবে একই মডেল?

    সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিজেদের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সফল মডেল পর্যালোচনা করছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল চালুর বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি, তবে লখনউ সফর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও তথ্য ভবিষ্যতে রাজ্যের জরুরি পরিষেবা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) শাসনে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির (Crime Control) ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতি রাজ্যকে দাঙ্গামুক্ত করেছে এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের মতো ঘটনাও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ২০১৭ সালের আগে যে রাজ্যকে ‘দাঙ্গার রাজ্য’ বলা হত, এখন সেটিই হয়ে উঠেছে গোটা দেশে শান্তি ও নিরাপত্তার উদাহরণ। সমাজবাদী পার্টি (SP) সরকারের আমলে গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত।
    ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এসপি সরকারের সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল। এনসিআরবির (NCRB) রিপোর্ট অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত। এই সময়ে ২৫,০০০-এরও বেশি দাঙ্গা হয়েছিল, যা রাজ্যের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ, তোলাবাজির ভয়ে সবাই কাঁটা হয়ে থাকতেন সর্বক্ষণ।

    উত্তরপ্রদেশে সব ভালো (Yogi Adityanath)

    ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আদিত্যনাথ অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির আওতায় সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা, গ্যাংস্টার অ্যাক্টের ব্যবহার এবং মাফিয়াদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশে একটিও বড় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেনি। কিছু অসামাজিক শক্তি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সরকার সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায়, তা ব্যর্থ হয়ে যায় (Crime Control)। ছোটখাটো ঘটনা যাতে বড় হিংসার রূপ না নেয়, তার আগেই দায়ের করা হয় দাঙ্গা বিরোধী আইনে মামলা। দুষ্কৃতীদের পাঠানো হয় জেলে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন জনসভায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, “কোনও কারফিউ নয়, কোনও দাঙ্গাও নয়- উত্তরপ্রদেশে সব ভালো।”

    এনসিআরবির রিপোর্ট

    যোগী সরকারের এই নীতির ফলে গোটা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (Yogi Adityanath)। এনসিআরবির ২০২৪ সালের রিপোর্টেও এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে অপরাধের হার শূন্য ছিল। ২০২৩ সালেও এই হার শূন্য ছিল। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে এই অপরাধের হার ছিল ০.৭, মণিপুরে ০.৬, অরুণাচল প্রদেশে ০.৩ এবং মেঘালয়ে ০.২, অথচ উত্তরপ্রদেশে শূন্য। গত দু’বছরে (২০২৩-২০২৪) রাজ্যে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আগে আকছার ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হত। এখন এমন ঘটনা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এনসিআরবির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির রাজত্বে প্রতিদিন ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত, কিন্তু যোগী সরকারের সময় সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে (Yogi Adityanath)।

    জিরো-টলারেন্স নীতি

    দাঙ্গা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রেও যোগী সরকারের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য (Crime Control)। এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-সংক্রান্ত অপরাধের হার ছিল ১.১, যা জাতীয় গড় ২.২-এর চেয়ে কম। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের ১.১ হার মূলত সেইসব ঘটনার অন্তর্ভুক্ত, যেখানে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এদিকে, মণিপুরে এই হার ছিল ৮.৪, মহারাষ্ট্রে ৬.৪, কর্নাটকে ৫.৪, হরিয়ানায় ৫.৩ এবং হিমাচলপ্রদেশে ৪.৭। এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে যোগী সরকারের অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি, সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের ফলে। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট প্রয়োগ করে পুলিশ মাফিয়াদের আর্থিক ভিত ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে (Yogi Adityanath)।

    উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি বদল

    এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব পড়েছে তৃণমূল স্তরেও। তাই উত্তরপ্রদেশ এখন শুধু দাঙ্গামুক্তই নয়, বরং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আমলের তুলনায় উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। যেখানে আগে দাঙ্গা ও অপহরণ ছিল সাধারণ ঘটনা, সেখানে আজ শান্তি ও উন্নয়নের নয়া  গল্প লেখা হচ্ছে (Crime Control)। সরকারের মতে, কঠোর আইন-শৃঙ্খলাই উন্নয়নের ভিত্তি। আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি শুধু অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করেনি, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধও বাড়িয়েছে। এনসিআরবির সর্বশেষ রিপোর্ট এই বাস্তবতার সাক্ষ্যই বহন করছে। এভাবে যোগী সরকার প্রমাণ করেছে, জিরো-টলারেন্স নীতি এবং কঠোরতা ও সংবেদনশীলতার সঠিক সমন্বয় একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার পথ তৈরি করতে পারে। তাই গোটা দেশে উদাহরণ হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ (Yogi Adityanath)।

     

  • Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়ডায় যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ (Noida Protests) দেখানো শুরু হয়েছিল, রাতারাতি (Planned Overnight) তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয় এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন নামে একাধিক গ্রুপ খুঁজে পেয়েছেন, যার মধ্যে একটি ছিল ‘ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট’ নামে। আধিকারিকদের মতে, বিক্ষোভ তীব্র করতে এসব গ্রুপে উত্তেজনাপূর্ণ ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল।

    নয়ডায় বিক্ষোভ (Noida Protests)

    হরিয়ানা সরকারের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির রূপ নেয়। ৪০,০০০-এরও বেশি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক নিরাপত্তা বাহিনীর মুখোমুখি হয়। বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক। এই সময় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা। নয়ডার ফেজ-২ এবং সেক্টর ৬৩-তে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীরা গাড়ি ও সম্পত্তিতে আগুন লাগায়, ছোড়ে পাথর। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই দিন সন্ধে পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে আটক করা হয় ৩০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে আরও ১০০ জনকে। আজ, মঙ্গলবারও চলছে বিক্ষোভ। সেখানে সেক্টর ৮০-তে শ্রমিকরা পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর কিছু বাইরের লোক নয়ডায় অশান্তি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে (Noida Protests)। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশের কমিশনার লক্ষ্মী সিং বলেন, “শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাওয়ার পর জেলার বাইরের একটি দল পাশের জেলাগুলির সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে। তারা ঘুরে বেড়িয়ে উত্তেজনা ছড়ানো ও হিংসা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা এই দলের কিছু সদস্যকে আটক করেছি। বাকিদেরও চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে (Planned Overnight)।” উত্তরপ্রদেশের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভড় জানান, সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে নয়ডার অশান্তিতে সম্ভাব্য পাকিস্তানি যোগের তদন্ত চলছে (Noida Protests)।

    পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

    এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দিন কয়েক আগেই মীরাট ও নয়ডা থেকে চারজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানে থাকা পরিচালকদের সঙ্গে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংস্থাগুলি তদন্ত করছে (Planned Overnight)।” তাঁর দাবি, এই অশান্তির উদ্দেশ্য হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুজফফরনগরের কর্মসূচি ব্যাহত করা। তিনি বলেন, “দেশবিরোধী শক্তি রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ যেন কোনও ভ্রান্ত তথ্য বা উসকানিতে প্রভাবিত না হয় এবং শান্তি বজায় রাখে। বিশৃঙ্খলা বা আক্রমণাত্মক বিক্ষোভ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সরকার শ্রমিকদের সব সমস্যার কথা শুনতে প্রস্তুত (Noida Protests)।”

    উত্তরপ্রদেশে বাড়ল ন্যূনতম মজুরি  

    এদিকে, হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে। তবে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে—এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে— অদক্ষ শ্রমিক মাসে পাবেন ১৩,৬৯০ টাকা, অর্ধদক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৫,০৫৯ টাকা, দক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৬,৮৬৮ টাকা।
    রাজ্য সরকারের মতে, শ্রম কোডের অধীনে জাতীয় স্তরে ন্যূনতম (Planned Overnight) মজুরি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে (Noida Protests)।

     

  • Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা ফেজ-২-এ শ্রমিকদের যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে নকশালবাদ (Naxal Conspiracy) পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত চারদিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকরা। এই অস্থিরতার আবহেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি (Yogi)

    লখনউতে রবিবার রাতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জারি করা বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিছু শক্তি শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে।” তিনি বলেন, “দেশে নকশালবাদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে একে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।” চলতে থাকা বিক্ষোভের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর, মীরাট, ফিরোজাবাদ, মোরাদাবাদ, বারাণসী এবং গোরখপুর-সহ শিল্পাঞ্চলগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে (Yogi)। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত শ্রমিক সমস্যাগুলির সময়মতো এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত।”

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে নয়ডার বিভিন্ন শিল্প ইউনিটের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। দেন এ সংক্রান্ত স্লোগানও। খানিকক্ষণের মধ্যেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, পাথর ছোড়ে, একটি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি ১৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯,০০০ করেছে। উত্তরপ্রদেশে এর পরিমাণ ১৩,০০০ টাকা থাকায় ফেজ-২ এলাকায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারেটের অধীনে শিল্প এলাকাগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
    প্রশাসন জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
    মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের আড়ালে যারা অশান্তি (Naxal Conspiracy) ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করতে এবং শিল্পাঞ্চলে নজরদারি (Yogi) বাড়াতে।

     

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে। যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা।

    হাতিয়ার যখন বুলডোজার (Uttar Pradesh) 

    নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না।

    রাজ্যের জিএসডিপি

    ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

    এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক

    উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    “বিমারু থেকে বুমিং”

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত নবছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে।

    সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত (Uttar Pradesh)

    যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা। নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে।

    উন্নয়নের জোয়ার

    আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি।

    ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি

    ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    বিমারু থেকে বুমিং

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হোলি উৎসবের প্রাক্কালে রাজ্যের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির জন্য একটি বড় উপহার ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) আওতায় থাকা ১.৮৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় রাজ্যের মহিলা মহলে খুশির জোয়ার।

    জনকল্যাণকর পদক্ষেপ

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের ১.৮৬ কোটি উজ্জ্বলা যোজনার কার্ডধারী পরিবার এই হোলিতে একটি করে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) পাবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৫৪৭.৪৮ কোটি টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের (DBT) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ভারতজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবার গ্যাস সংযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে কেবল উত্তর প্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবার রয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “মহামারী বহু বছর আগে শেষ হয়ে গেলেও, দেশব্যাপী ৮০ কোটি নাগরিক বিনামূল্যে রেশন সহায়তা পাচ্ছেন, যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ১৫ কোটি সুবিধাভোগীও রয়েছেন। একইভাবে, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কভারেজ পায়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষা খাতের কর্মীদের জন্য বর্ধিত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ

    ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সুবিধাভোগীদের দুটি করে বিনামূল্যে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। যোগী (Yogi Adityanath) সরকার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    সরাসরি সুবিধা প্রদান (DBT)

    সুবিধাভোগীরা প্রথমে সিলিন্ডারটি কিনবেন এবং পরবর্তীতে সেই সিলিন্ডারের সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং মাঝপথে কোনও দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাজ্যব্যাপী জরায়ুমুখ ক্যান্সার টিকাকরণ অভিযান শুরু করেছেন, যার লক্ষ্য প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সম্প্রসারণ করা। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে টিকার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং সুবিধাভোগীদের জন্য বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

    বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, মাতৃ বন্দনা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী কন্যা সুমঙ্গলা যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক বিবাহ যোজনার মতো স্কিমগুলি বিবাহের মাধ্যমে জন্ম থেকে মেয়ে ও মহিলাদের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দিয়ে চলেছে৷

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “আমাদের সরকার দরিদ্র মানুষের জীবনের মান উন্নত করতে এবং উৎসবের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভর্তুকি (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) কোটি কোটি মায়ের চোখে রান্নার ধোঁয়া থেকে মুক্তি দেবে এবং তাঁদের আর্থিক বোঝা কমাবে।”

    আগের রেকর্ড

    গত বছর দীপাবলির সময়ও যোগী সরকার একইভাবে ১.৭৫ কোটির বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সরবরাহ করেছিল। চলতি বছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের এই সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মানুষের মধ্যে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনও যোগ্য পরিবার এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দ্রুত যেন টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

LinkedIn
Share