Tag: Yousmarg

  • Budgam Encounter: বডগামে এনকাউন্টারে খতম দীর্ঘদিনের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ শীর্ষ লস্কর কমান্ডার ‘মুসা’

    Budgam Encounter: বডগামে এনকাউন্টারে খতম দীর্ঘদিনের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ শীর্ষ লস্কর কমান্ডার ‘মুসা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে বড়সড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর। বডগাম জেলার উঁচু পার্বত্য এলাকায় এনকাউন্টারে খতম হল লস্কর-ই-তৈবার (LeT) এক শীর্ষস্তরের জঙ্গি কমান্ডার। নিরাপত্তা আধিকারিকদের দাবি, নিহত জঙ্গির নাম সুলেমান শাহ, ওরফে ‘মুসা’। তাকে ‘আসিফ ফৌজি’ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে বিভিন্ন রিপোর্টে। একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে তার যোগ ছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে তার খোঁজ চালাচ্ছিল নিরাপত্তাবাহিনী।

    তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—ভারতীয় সেনার চিনার কর্পস তাদের প্রাথমিক বিবৃতিতে নিহত জঙ্গির পরিচয় প্রকাশ করেনি। সেনা জানিয়েছে, বডগামের ইউসমার্গের কোরাগ এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানের সময় সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে এবং জঙ্গিদের চ্যালেঞ্জ করা হলে তারা গুলি চালায়। পাল্টা গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গি খতম হয়।

    কোরাগ থেকে দুধপাথরি—কীভাবে শুরু হল অভিযান?

    মঙ্গলবার ইউসমার্গের উঁচু এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পাওয়ার পর অভিযান শুরু করে নিরাপত্তাবাহিনী। ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ দল এলাকায় তল্লাশি চালায়। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, কোরাগ এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধি দেখতে পেয়ে জওয়ানরা এগিয়ে গেলে জঙ্গিরা গুলি চালায়। এরপরই শুরু হয় তীব্র গুলির লড়াই।

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এনকাউন্টারের সময় বডগামের প্রত্যন্ত দুধপাথরি জঙ্গল এলাকায় সুলেমান শাহ ওরফে মুসা নিহত হয়। অভিযান শেষ হওয়ার পরও এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়, কারণ আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিল বাহিনী।

    সেপ্টেম্বরের গোড়াতেও হয়েছিল অভিযান, পালিয়ে গিয়েছিল মুসা

    মুসাকে ঘিরে নিরাপত্তাবাহিনীর তৎপরতা অবশ্য নতুন নয়। চলতি মাসের গোড়ায় ইউসমার্গের পাহাড়ি এলাকায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানে মুসা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইয়াসির নিহত হয়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এরপর থেকেই মুসা-সহ তার সহযোগীদের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল বলে আধিকারিকদের দাবি।

    প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইয়াসির এবং মুসা দু’জনেই পির পঞ্জাল পর্বতশ্রেণির দুর্গম জঙ্গলে সক্রিয় ছিল। নিরাপত্তাবাহিনীর চাপ বাড়ার পর তারা ইউসমার্গের দিকে সরে গিয়েছিল বলে নিরাপত্তা সূত্রের দাবি। ইয়াসির নিহত হওয়ার পর মুসাকে খুঁজে বের করার অভিযান আরও জোরদার করা হয়।

    পির পঞ্জালের দুই দিকেই হামলার অভিযোগ

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের দাবি, সুলেমান শাহ ওরফে মুসা শুধু বডগাম বা কাশ্মীর উপত্যকার কোনও একটি এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল না। পির পঞ্জাল পর্বতশ্রেণির দুই দিকেই একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে তার যোগ ছিল বলে অভিযোগ।

    ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পুঞ্চ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলায় তার সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল বলে আধিকারিকদের দাবি। ওই হামলাগুলিতে একাধিক সেনা ও নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছিলেন।

    এছাড়াও নিরাপত্তা সূত্রগুলি মুসার নাম ২০২৩ সালের ডেরা কি গলি হামলা, ২০২৪ সালের গান্ডেরবাল টানেল হামলা এবং ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে যুক্ত করেছে। তবে এই হামলাগুলিতে তার নির্দিষ্ট ভূমিকা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থাগুলির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে সীমিত রয়েছে।

    পাকিস্তান-ভিত্তিক লস্কর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগ

    বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, মুসা ছিল পাকিস্তানি লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত এক সক্রিয় অপারেটিভ। দুর্গম জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তার সক্রিয়তার কারণে তাকে ধরতে নিরাপত্তাবাহিনীকে একাধিক অভিযান চালাতে হয়েছে বলে রিপোর্টে উঠে এসেছে।

    তার মৃত্যুতে জম্মু ও কাশ্মীরে সক্রিয় লস্কর নেটওয়ার্কের উপর কী প্রভাব পড়ে, তা এখন নজরে রাখার বিষয়। বিশেষ করে পির পঞ্জাল সংলগ্ন জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকাগুলিতে মুসার সহযোগীদের গতিবিধি এবং কোনও নতুন অনুপ্রবেশ বা স্লিপার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হতে পারে বলে নিরাপত্তা মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    অভিযান এখনও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে

    মুসা নিহত হলেও অভিযানকে শুধুমাত্র একজন জঙ্গির মৃত্যুতেই সীমাবদ্ধ রাখছে না নিরাপত্তাবাহিনী। এনকাউন্টারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। দুর্গম জঙ্গল এবং পাহাড়ি ভূখণ্ডে আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কি না, অস্ত্র বা গোলাবারুদ মজুত রয়েছে কি না—সেগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, ইউসমার্গ-কোরাগ-দুধপাথরি অঞ্চলে ধারাবাহিক অভিযানের পর লস্কর-ই-তৈবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত এক জঙ্গির মৃত্যু ঘটল। সেপ্টেম্বরের গোড়ায় ইয়াসিরের মৃত্যুর পর এবার মুসারও মৃত্যু হওয়ায় পির পঞ্জাল অঞ্চলে সক্রিয় ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর পরবর্তী গতিবিধির উপর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজর আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

  • Lashkar Commander Killed: ইউসমার্গে যৌথবাহিনীর অভিযানে নিকেশ লস্কর কমান্ডার ইয়াসির, খতিয়ে দেখা হচ্ছে জঙ্গি-যোগ

    Lashkar Commander Killed: ইউসমার্গে যৌথবাহিনীর অভিযানে নিকেশ লস্কর কমান্ডার ইয়াসির, খতিয়ে দেখা হচ্ছে জঙ্গি-যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের বাডগাম জেলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম লস্কর-ই-তৈবার এক পাকিস্তানি কমান্ডার (Lashkar Commander Killed)। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রের দাবি, নিহত জঙ্গির নাম ইয়াসির। শনিবার মধ্য কাশ্মীরের ইউসমার্গের দুর্গম উচ্চ পার্বত্য এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় এই সংঘর্ষের (Gunfight) ঘটনা ঘটে। সূত্রের খবর, এলাকায় জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর তল্লাশি অভিযান শুরু করে যৌথ নিরাপত্তাবাহিনী। অভিযানে স্পেশাল ফোর্সেস এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্যরা অংশ নেন। তল্লাশির সময় জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই শুরু হয়। সংঘর্ষেই ইয়াসিরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল ইয়াসির (Lashkar Commander Killed)

    নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইয়াসির লস্কর-ই-তৈবার সুলেমান মুসা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রায় এক বছর আগে সে ওই গোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়ে যায়। এরপর নিজের মতো করে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল সে। কিছুদিন ধরে ইউসমার্গ এলাকায় তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল একাধিক নিরাপত্তা সংস্থা। গোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর ওই এলাকায় লস্করের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অপারেটিভ হিসেবে ইয়াসিরের প্রভাব বাড়ে বলেও সূত্রের দাবি। ইউসমার্গের উঁচু এলাকায় তার উপস্থিতির খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানই শেষ পর্যন্ত গড়ায় এনকাউন্টারে। ইয়াসিরের মৃত্যুর পর এবার তার জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। লস্কর-ই-তৈবার অন্য সদস্যদের সঙ্গে তার যোগাযোগ কতটা ছিল, ওই অঞ্চলে সে কী ধরনের কার্যকলাপ চালাত এবং সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে তার কোনও ভূমিকা ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই ইউসমার্গের এই অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে (Lashkar Commander Killed)।

    কে এই সুলেমান মুসা?

    সুলেমান মুসা, যিনি হাশিম মুসা নামেও পরিচিত, ২০২৫ সালে পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলার অন্যতম মূলচক্রী হিসেবে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে পরিচিত ছিল (Gunfight)। হামলার কয়েক মাস পরে শ্রীনগরের দাচিগাম অরণ্য এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিকেশ হয় মুসা (Lashkar Commander Killed)।

     

LinkedIn
Share