Tag: yunus

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

  • Bangladesh: হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে আমেরিকার ইউএসএআইডির লম্বা হাত, দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    Bangladesh: হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে আমেরিকার ইউএসএআইডির লম্বা হাত, দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে ছিল ইউএসএআইডি। এমনই বিস্ফোরক তথ্য (Yunus Clinton Nexus) ফাঁস করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ইউএসএআইডি (দ্য ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট) হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বশাসিত সংস্থা। এই সংস্থা বিদেশিদের সাহায্য দেয়, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে। এর ঘোষিত লক্ষ্যই হল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্রের বিকাশ-সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অর্থ দেওয়া।

    মুখোশের আড়ালেই মুখ (Bangladesh)

    এহেন ভালোমানুষি মুখোশের আড়ালেই রয়েছে মুখও। সারা বিশ্বই জানে, এই সাহায্য ও উন্নয়নের অছিলায় ইউএসএআইডিকে ব্যবহার করা হয় বিদেশে মার্কিন প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে। এই সংস্থা মূলত আমেরিকার প্রসারবাদী ও আধিপত্যবাদী স্বার্থ পূরণেই কাজ করে। এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর সাম্প্রতিক এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ইউএসএআইডির অতীত ইতিহাস ও তার গোপন উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের দাবি

    রাশিয়ার এক সাংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে হাসিনা সরকারের প্রাক্তন নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী দাবি করেন, আকস্মিক ও সহিংস ছাত্র আন্দোলন, যার জেরে পতন ঘটেছিল আওয়ামি লিগ সরকারের, তা ছিল ইউএসএইডের পরিকল্পিত ও তাদের দ্বারা পরিচালিত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চায়নি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রাশিয়ার সমালোচনা করেনি, ইউক্রেনকেও প্রকাশ্যে সমর্থন করেনি। বরং মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সম্পর্ক বিবেচনায় রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে ঢাকা একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। যেখানে বহু দেশ আমেরিকার নির্দেশেই রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করেছে।”

    রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রবল লবিং

    মহিবুল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘে একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল। বাংলাদেশকে (Bangladesh) রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রবল লবিং করা হয়েছিল। আমাদের অবস্থান ছিল, আমরা ভোটদানে বিরত থাকব।” তাঁর দাবি, ঢাকার এই অবস্থানেই ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলাদেশে সরকার ফেলে দেওয়ার ছক কষেছিল আমেরিকা (Yunus Clinton Nexus)। তিনি বলেন, “কিছু এনজিওর কাজকর্ম, বিশেষ করে আমেরিকার ইউএসএআইডি বা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট, সেই ২০১৮ সাল থেকে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছিল।”  প্রাক্তন এই মন্ত্রীর প্রশ্ন, “বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউএসএআইডি যে তহবিল বরাদ্দ করেছিল, তা কোথায় ব্যয় হল? কারণ বাংলাদেশের কোনও উন্নয়নই তো চোখে পড়েনি!” তিনি বলেন, “ওই অর্থ গায়েব হয়ে গিয়েছে, ব্যবহার করা হয়েছে ‘রেজিম চেঞ্জ অ্যাক্টিভিটির’ জন্য। ওই অর্থ দিয়েই খুব সূক্ষ্মভাবে অরাজকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, এবং পরবর্তীকালে তা বড়সড় দাঙ্গার রূপ নেয়।”

    মহিবুল চৌধুরী বোমা ফাটিয়েছেন

    এই সাক্ষাৎকারে মহিবুল চৌধুরী কার্যত বোমা ফাটিয়েছেন। তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের মধ্যে যোগসূত্রও রয়েছে। তিনি বলেন, “ক্লিনটন পরিবার এবং অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের মধ্যে বহু পুরানো একটি নেক্সাস রয়েছে। এসব কার্যকলাপ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। তবে প্রকাশ্যে ছিল না। গোপনে এনজিওগুলিকে অর্থ সাহায্য করা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশে (Bangladesh) সরকার পরিবর্তনে মরিয়া ছিল। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের আড়ালে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন এবং ইউনূসের এই সম্পর্ক আসলে সরকার বদলের গভীরতর প্রচেষ্টারই প্রতিফলন (Yunus Clinton Nexus)।”

    ‘ষড়যন্ত্রে’র ছক

    বাংলাদেশের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনের অবস্থা নিয়েও গভীর হতাশা ব্যক্ত করেন হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মী। তাঁর মতে, দেশটি এখন একদল অভিজাত শ্রেণির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যারা গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধ নয়। তাই বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানিয়েছিলেন, তিনি ‘সাদা চামড়ার মানুষের চাপে’র মুখে পড়েছিলেন এবং তাঁর সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য ‘ষড়যন্ত্রে’র ছক কষা হচ্ছিল (Bangladesh)।

    বড় দাঙ্গা

    এদিন মহিবুলও বলেন, “২০১৮ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার গড়ার পর থেকেই বাইডেন, ক্লিনটনরা সন্তুষ্ট ছিলেন না। তখন থেকেই তাঁরা বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনে বদ্ধপরিকর ছিলেন। তাঁর দাবি, সেই সময় দুটি এনজিও থেকে ২৯ মিলিয়ন ডলার এসেছিল, র‍্যাপারদের বেতন দেওয়া হচ্ছিল। সাংস্কৃতিক কর্মী এবং হিজড়া সম্প্রদায়কেও বেতন দেওয়া হচ্ছিল সেই অর্থ থেকে।’ প্রাক্তন এই মন্ত্রীর দাবি, ‘বাইডেন, ক্লিনটন, সোরোসেসের পরিবারগুলির সঙ্গে যোগসাজস ছিল মহম্মদ ইউনূসের। দাঙ্গাবাজদের উদ্দেশ্যপূরণে তাদের সাহায্যও করা হয়েছিল।’ মহিবুলের (Bangladesh) কথায়, “সুনিপুণভাবে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা তৈরি করার ফলে জুলাই মাসের আন্দোলন একটি বড় দাঙ্গায় পরিণত হয়েছিল (Yunus Clinton Nexus)।”

  • Sk Hasina: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা

    Sk Hasina: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) দ্বারস্থ হলেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sk Hasina)। আন্তর্জাতিক এই বিচারালয় রয়েছে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। এখানকার প্রসিকিউটরের কাছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো। লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাওলস কেসি-র মাধ্যমে হাসিনা আইসিসির প্রসিকিউটরের কাছে রোম স্ট্যাটিউটের ১৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী একটি কমিউনিকেশন দায়ের করেছেন। এই ধারাটি আইসিসিকে যে কোনও গুরুতর অভিযোগের তদন্ত শুরু করার অনুমতি দেয়।

    হাসিনার অনুরোধ (Sk Hasina)

    কমিউনিকেশনে তিনি অনুরোধ করেছেন, আওয়ামি লিগ দলের নেতা-কর্মী, আগের মন্ত্রিসভা ও সরকারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রতিশোধমূলক বিভিন্ন হিংসার তদন্ত শুরু করুন আইসিসির প্রসিকিউটর। বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বাংলাদেশে বিক্ষোভের পর অন্তর্বর্তী সরকার যেসব অপরাধ করেছে, যার ফলে ২০২৪ সালের অগাস্টে তাঁকে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেগুলি আদালতের (আন্তর্জাতিক) এক্তিয়ারের মধ্যে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ২০১০ সালের ২৩ মার্চ রোম স্ট্যাটিউট অনুমোদন করে বাংলাদেশ। ওই বছরেরই ১ জুন থেকে বাংলাদেশে কার্যকরও হয় এটি। হাসিনার যুক্তি হল, এই অনুমোদনের ভিত্তিতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়েরের আইনি অধিকার রাখেন।

    স্টিভেন পাওলসের মাধ্যমে দায়ের মামলা

    স্টিভেন পাওলসের মাধ্যমে দায়ের করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, অভিযোগে উত্থাপিত ঘটনাগুলির মধ্যে হত্যাকাণ্ড, বেআইনি আটক এবং নিপীড়নের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে যেসব দাবি উঠেছে, সেগুলির যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি রয়েছে। এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে আইসিসির প্রসিকিউটরের তদন্ত শুরু করা প্রয়োজন। ওই আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আদালতগুলিতে এসব অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত বা বিচার হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাই অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে (Sk Hasina)। উল্লেখ্য, স্টিভেন পাওলস কেসি অতীতে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত বহু ব্যক্তির পক্ষেও আইনি লড়াই লড়েছেন, যাঁদের বেশিরভাগই গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত (ICC)।

    কমিউনিকেশনে হাসিনার দাবি

    কমিউনিকেশনটিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে আওয়ামি লিগের প্রায় ৪০০ নেতা ও কর্মীকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এঁদের মধ্যে অনেককে হত্যা করা হয়েছে নৃশংসভাবে পিটিয়ে। এই কমিউনিকেশনের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং ভিডিও প্রমাণ, যেগুলিতে এসব হত্যার ভয়াবহ দৃশ্য এবং বিশদ বিবরণের উল্লেখ রয়েছে। কমিউনিকেশনে এও বলা হয়েছে, আওয়ামি লিগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে স্রেফ অনুমান করে বহু ব্যক্তিকে অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। জামিন না দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে জেলে। রাজনীতিক, বিচারক, আইনজীবী, সাংবাদিক, মায় অভিনেতা ও গায়কদের মতো ব্যক্তিত্ব, যাঁদের সঙ্গে দলের সম্পর্ক খুবই ক্ষীণ, তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে।

    অপারেশন ডেভিলস হান্ট

    কমিউনিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাস থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামি লিগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৫ জন ব্যক্তি জেল কিংবা পুলিশি হেফাজতে মারা গিয়েছেন। যাঁদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হয়েছে, তাঁদের অনেকের শরীরেই নির্যাতনের ছাপ স্পষ্ট (Sk Hasina)। আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার (যা আদতে একটি অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার) ডেভিলস হান্ট (Devils Hunt) নামে একটি অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের ঘোষিত উদ্দেশ্যই ছিল আওয়ামি ফ্যাসিবাদ দমন করা। এই অভিযানটি পরিচালিত হয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে (ICC)। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই অভিযানে ১২ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করা হয় প্রায় ১৮ হাজার জনকে। কমিউনিকেশনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার একটি দায়মুক্তি আদেশ (immunity order) জারি করে, যার মাধ্যমে আওয়ামি লিগের সমর্থকদের ওপর নির্যাতন চালানো যায় এবং অপরাধীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয় (Sk Hasina)।

    ন্যায়বিচার পাওয়ার একমাত্র উপায়

    যেহেতু বাংলাদেশের আদালতে ন্যায়বিচারের কোনও সম্ভাবনা বা তদন্তের আশাই নেই, তাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটরের কাছে এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করাই ন্যায়বিচার পাওয়ার একমাত্র উপায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে কমিউনিকেশনে। প্রসঙ্গত, আওয়ামি লিগের তরফে এমন একটা সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করা হল, যখন হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঝুলে রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট মাসে বাংলাদেশে আন্দোলন দমনের নামে ১৪০০ জনকে (ICC) হত্যার উসকানি, প্ররোচনা ও নির্দেশ দেওয়া-সহ মোট পাঁচটি অভিযোগে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে ওই ট্রাইব্যুনালে (Sk Hasina)।

LinkedIn
Share