Tag: z category security

z category security

  • Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) রাজীব কুমারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা। জানা গিয়েছে, রাজীবের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ৪০-৪৫ জন রক্ষী। সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা। রাজীবকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সুপারিশও করা হয়। তার পরেই আজ, মঙ্গলবার থেকেই রাজীবের নিরাপত্তায় তৈরি হয়েছে বলয়। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক হুমকির কারণে রাজীবের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রাজীবের নিরাপত্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যাওয়া-আসা মায় চব্বিশ ঘণ্টা দিল্লিতে ও তাঁর অফিসে থাকার সময়ও এই জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিনি কোথাও সফরে গেলেও, তাঁর নিরাপত্তার বলয় থাকবে অটুট। এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে ১৯ এপ্রিল। এদিন দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন হবে এ রাজ্যের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার আসনেও। নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখতে কার্যত দেশ চষে বেড়াতে হবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। তদন্তকারী একাধিক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ই হামলা হতে পারে রাজীবের ওপর। এই তথ্য পাওয়ার পরেই রাজীবকে (Chief Election Commissioner) জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    রাজীব কুমার

    ১৯৮৪ সালের ব্যাচের প্রাক্তন আইএএস রাজীব। ২০২২ সালের ২৫ মে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। তার আগে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার। ওই পদে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তিনি দেশের ২৫তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এবার রক্তপাতহীন নির্বাচন করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সেই কারণেই সাত দফায় হচ্ছে নির্বাচন। মোতায়েন করা হচ্ছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাংলার প্রতিটি বুথে থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। সাহায্য নেওয়া হবে এআই প্রযুক্তিরও। পাঞ্জাবের ভোটেও থাকবে এসব ব্যবস্থা। এসব কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই রাজীবের ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা (Chief Election Commissioner)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nausad Siddique: খুনের আশঙ্কায় আবেদন করেছিলেন নিরাপত্তার, জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা পাচ্ছেন নওশাদ

    Nausad Siddique: খুনের আশঙ্কায় আবেদন করেছিলেন নিরাপত্তার, জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা পাচ্ছেন নওশাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুনের আশঙ্কা করেছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক আইএসএফের (ISF) নওশাদ সিদ্দিকি (Nausad Siddique)। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন শুক্রবার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেই চিঠি লেখার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নওশাদকে নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। তাঁকে দেওয়া হবে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা।

    জেলায় জেলায় অশান্তি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্বে ব্যাপক অশান্তি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন কংগ্রেস কর্মী। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। অশান্তি হয়েছে ভাঙড়েও। তৃণমূলের খাসতালুক ভাঙড়ে গত বিধানসভা নির্বাচনে থাবা বসিয়েছে নতুন দল আইএসএফ। তৃণমূল প্রার্থীকে গোহারা হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। তার পর থেকে মাঝে মধ্যেই অশান্তির আগুন জ্বলেছে ভাঙড়ে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই ভাঙড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকে উত্তেজনার পারদ। তার পর তৃণমূল এবং আইএসএফ (Nausad Siddique) কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় হয় সংঘর্ষ।

    আইএসএফ কর্মীর মৃত্যু

    দিন তিনেক আগে তৃণমূল আইএসএফ সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছিল একজনের। এলাকার একটি পানা পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল এক যুবকের দেহ। দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় কাশীপুর থানার পুলিশ। সব মিলিয়ে নির্বাচনী অশান্তির জেরে কেবল ভাঙড়েই মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই দিন ভাঙড় ২ বিডিও অফিস থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে আসছিলেন আইএসএফ কর্মী ওই যুবক। আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তাঁর সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হন আইএসএফের আরও কয়েকজন। পরে মৃত্যু হয় ওই আইএসএফ কর্মীর।

    ঘটনার জেরে ফের একপ্রস্ত সংঘর্ষ হয় দু পক্ষে। লাঠি, বাঁশ নিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় দু পক্ষকে। মুড়িমুড়কির মতো হয় বোমাবাজিও। পরে ভাঙড়ের অশান্ত এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।অশান্তির এই আবহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে নবান্নে যান ভাঙড়ের বিধায়ক (Nausad Siddique)। যদিও তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি। পরে নিরাপত্তা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি লেখেন নওশাদ। তার পরেই জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘৩ লক্ষ টাকা দিলেই মিলছে তৃণমূলের প্রতীক’, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সরব দলেরই কর্মীরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share