Tag: Zelenskyy

Zelenskyy

  • Volodymyr Zelenskyy: হোয়াইট হাউসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, জেলেনস্কির মুখে এখন শান্তির বার্তা

    Volodymyr Zelenskyy: হোয়াইট হাউসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, জেলেনস্কির মুখে এখন শান্তির বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে নিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)! হোয়াইট হাউসকাণ্ডের জেরে ইউক্রেনকে সব রকম সামরিক সহায়তা দেওয়া (Ukraine Peace) বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দুঃখ প্রকাশ (Volodymyr Zelenskyy)

    তিনি বলেন, “শুক্রবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে আমাদের বৈঠকটি যেমন হওয়া উচিত ছিল, তেমন হয়নি। এটা দুঃখজনক যে এটা এভাবে ঘটেছে। এখন সময় এসেছে সব কিছু ঠিক করার। আমরা চাই, ভবিষ্যতের সহযোগিতা ও যোগাযোগ গঠনমূলক হোক।” মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট (Volodymyr Zelenskyy) বলেন, “আমি শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার দেশ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনায় বসতে চায়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমি ও আমার দল সর্বদা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃঢ় নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।” জেলেনস্কি বলেন, “কেউই এই যুদ্ধ চায় না।”

    যুদ্ধ শেষ করতে রাজি

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা যুদ্ধ শেষ করার জন্য দ্রুত কাজ করতে প্রস্তুত এবং এর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে বন্দিদের মুক্তি এবং আকাশ ও সমুদ্রে যুদ্ধবিরতি; যদি রাশিয়াও একই কাজ করে। এর আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার ড্রোন, জ্বালানি ও অন্যান্য অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর বোমা-হামলা নিষিদ্ধ করা উচিত। আমরা পরবর্তী সব পদক্ষেপ খুব দ্রুত সম্পন্ন করতে চাই। এবং একটি শক্তিশালী চূড়ান্ত চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বজায় রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ সাহায্য করেছে, আমরা তা সত্যিই মূল্যবান বলে মনে করি। আর আমরা সেই মুহূর্তটির কথা মনে করি, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেনকে জ্যাভেলিন সরবরাহ করেছিলেন, তখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছিল। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”

    জেলেনস্কি বলেন, “ইউক্রেন যে কোনও সময় এবং যে কোনও সুবিধাজনক বিন্যাসে খনিজ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত। আমরা এই চুক্তিকে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি (Ukraine Peace)। আমি সত্যিই আশা করি, এটি কার্যকরভাবে কাজ করবে (Volodymyr Zelenskyy)।”

  • Ukraine: খনিজ চুক্তি করতে রাজি তিনি, আমেরিকাকে বার্তা জেলেনস্কির, কীসের ইঙ্গিত দিলেন?

    Ukraine: খনিজ চুক্তি করতে রাজি তিনি, আমেরিকাকে বার্তা জেলেনস্কির, কীসের ইঙ্গিত দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে-বাইরে চাপ বাড়ছিল। পথ খোলা ছিল দুটো – হয় পথ বদল, নয় পদত্যাগ। শেষ পর্যন্ত এই দুই বিকল্পের মধ্যে প্ল্যান এ-টাই বেছে নিলেন ইউক্রেনের (Ukraine) প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ব্রিটেন থেকে রবিবার তিনি (Zelenskyy) জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার সঙ্গে খনিজ চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি আছেন তিনি।

    বৈঠক করতেও আপত্তি নেই (Ukraine)

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এও জানিয়েছেন, আমেরিকা যদি তাঁকে আবারও ডাকে, তাহলে ফের তিনি সেখানে যেতে প্রস্তুত। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বৈঠক করতেও আপত্তি নেই তাঁর। এই সব কিছুর পরেও অবশ্য ছোট্ট একটা শর্তও দিয়ে রেখেছেন জেলেনস্কি। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর কথাও শুনতে হবে। বিবেচনা করতে হবে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের অবস্থাও। আমেরিকার সঙ্গে খনিজসম্পদ সংক্রান্ত চুক্তিকে তিনি বর্ণনা করেছেন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রথম ধাপ হিসেবে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আমরা খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত। এবং এটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রথম পদক্ষেপ। তবে এটি যথেষ্ট নয়, আমাদের এর চেয়েও বেশি প্রয়োজন।”

    ইউক্রেনের পক্ষে বিপজ্জনক

    তিনি লিখেছেন, “নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনের পক্ষে বিপজ্জনক। আমরা তিন বছর ধরে যুদ্ধ করছি, এবং ইউক্রেনের জনগণের জানা প্রয়োজন যে আমেরিকা আমাদের পাশে আছে।” সোমবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন জেলেনস্কি। তাতে বলেছেন, “আমরা ইউরোপ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। একটি বিষয়ে সকলেই একমত, সকলেই শান্তি চায়। সেই কারণেই আমাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দরকার। এটাই ইউরোপের অবস্থান। অবশ্যই আমরা আমেরিকাকেও গুরুত্ব দিই। ওদের কাছ থেকে আমরা অনেক সাহায্য পেয়েছি। তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ইউক্রেনের প্রতিরোধ পুরোটাই তার বন্ধু দেশগুলির সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। যে সাহায্য তারা করছে ইউক্রেন এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে। আমরা শান্তি চাই। বিরামহীন যুদ্ধ চাই না। নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এই শান্তির চাবিকাঠি।”

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    রবিবার লন্ডনে আয়োজিত ইউরোপীয় রাষ্ট্রনেতাদের সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টও। সেখানে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের বৈঠকে যা ঘটেছে, তা থেকে আমেরিকা কিংবা ইউক্রেনের কোনও লাভ হবে না। লাভ হবে রাশিয়ার। এর পরেই জেলেনস্কি বলেন, “আমাকে যদি ডাকা হয়, আমি আবার আমেরিকায় যাব। খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর করতে এখনও আমি প্রস্তুত। কিন্তু আমাদের কথাও শুনতে হবে।” ইউক্রেনের জমির মালিকানা নিয়ে তিনি যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কোনও (Zelenskyy) সমঝোতার পথে হাঁটবেন না, তাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    হোয়াইট হাউসে বিতণ্ডা

    প্রসঙ্গত, খনিজ চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশ্যেই হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন ইউক্রেনের (Ukraine) প্রেসিডেন্ট। সেখানে ট্রাম্প ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে বৈঠক হয় তাঁর। বৈঠকে তিনজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। যার জেরে বাতিল হয়ে যায় চুক্তি। মিনিট চল্লিশের ওই বৈঠক শেষেই মধ্যাহ্নভোজ না করেই হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। আমেরিকা থেকে জেলেনস্কি সোজা চলে যান ব্রিটেনে। সেখানে তিনি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের সঙ্গে। পরে লন্ডনে একটি সম্মেলনেও যোগ দেন তিনি। তার পরেই জানান, আমেরিকার সঙ্গে খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর করতে তিনি এখনও প্রস্তুত। জেলেনস্কি বলেন, “আমি শুধু চাই, ইউক্রেনের অবস্থার কথাটাও শোনা হোক। বিবেচনা করা হোক। আমাদের বন্ধু দেশগুলি মনে রাখুক, এই যুদ্ধে মূল আগ্রাসী কারা, কারাই বা আগে যুদ্ধ শুরু করেছিল।”

    সংঘাতের জল গড়িয়েছে অনেক দূর

    আমেরিকা-ইউক্রেন (Ukraine) সংঘাতের জল গড়িয়েছে অনেক দূর। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে তুলনা করে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ জেলেনস্কির আচরণকে ‘অত্যন্ত অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, চার্চিল “একটি বিশেষ মুহূর্তের নেতা ছিলেন, কিন্তু তিনি ইংল্যান্ডকে পরবর্তী পর্বে রূপান্তর করতে পারেননি। বিশেষ করে শুক্রবার যা দেখলাম, তার পরে এটা পরিষ্কার নয় যে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ইউক্রেনকে এই যুদ্ধের সমাপ্তির দিকে নিয়ে যেতে এবং আলোচনা করে আপস করতে প্রস্তুত কিনা।” ওয়াল্টজ বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য ইউক্রেন থেকে আঞ্চলিক ছাড়ের পাশাপাশি নিরাপত্তা গ্যারান্টিতে রাশিয়ার ছাড় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তবে মস্কোকে কী করতে হবে সে সম্পর্কে তিনি কোনও বিস্তারিত তথ্য দেননি।”

    আমেরিকার হাউস স্পিকার মাইক জনসনও ওভাল অফিসের বিতর্কের পর জেলেনস্কি সম্পর্কে বলেন, “হয় তিনি যেন যুক্তিসঙ্গত হন এবং কৃতজ্ঞতা সহকারে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসেন, নতুবা দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অন্য কাউকে এগিয়ে আসতে হবে (Zelenskyy)।”

    এর পরে আর কীই বা করতে পারতেন ইউক্রেনের (Ukraine) প্রেসিডেন্ট!

  • PM Modi: মার্কিন মুলুকে ফের বৈঠকে মোদি-জেলেনস্কি, এবার কী নিয়ে কথা হল?

    PM Modi: মার্কিন মুলুকে ফের বৈঠকে মোদি-জেলেনস্কি, এবার কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানবতার সাফল্য লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সমবেত শক্তির ওপর। তা কখনওই যুদ্ধক্ষেত্রে নয়।” সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ শীর্ষক আলোচনায়  যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথা যে নিছক কথার কথা নয়, তিনি যে প্রকৃতই বিশ্বশান্তির পক্ষে, এক মাসে দ্বিতীয়বার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির (Volodymyr Zelenskyy) সঙ্গে বৈঠক করে তা বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শান্তি ফেরাতে ভারত পূর্ণ সহযোগিতা করবে বলেও বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের তরফেই জানিয়ে দেওয়া হল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে একযোগে কাজ করবে ভারত ও ইউক্রেন।

    মোদি-জেলেনস্কি বৈঠক (PM Modi)

    দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মোদি বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়।” একবার নয়, একাধিকবার পুতিনের কানে এই মন্ত্র দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও বন্ধ হয়নি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। মাসখানেক আগে ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও তিনি জানিয়েছিলেন, “যুদ্ধ কোনও সমাধান নয়।” তিন দিনের সফরে আমেরিকা গিয়েছিলেন মোদি। সেখানে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জেলেনস্কি যে মোদির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে আগ্রহী, তা জানিয়েছিল ইউক্রেন। সেই মতো হয় পার্শ্ববৈঠক।

    কী বললেন মোদি?

    বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জেলেনস্কিকে বার্তা দিয়েছেন আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার। শান্তি ও স্থিতাবস্থা না থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। যুদ্ধ শেষ হবে কিনা, তা বলবে সময়। তবে যুদ্ধ যাতে শেষ হয়, সেদিকেই মনোনিবেশ করা উচিত প্রত্যেকের। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “নিউইয়র্কে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে গত মাসে ইউক্রেন সফরে আমাদের আলোচনায় যে বিষয়গুলি উঠে এসেছিল, তা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অস্ত্র ছেড়ে আলোচনার মাধ্যমে (Volodymyr Zelenskyy) দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত সব ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত (PM Modi)।”

    আরও পড়ুন: মোদি-ট্রাম্প বৈঠক হল না, মার্কিন সফর সেরে ভারতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    PM Modi: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের ব্যাপারে তিনি এক প্রকাশ নিশ্চিত। মন্ত্রিসভার সদস্যদের একশো দিনের কাজের পরিকল্পনা করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলে তিনিই হবেন টানা তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী, ভারত-ভাগ্য-বিধাতা। সেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই (PM Modi) এবার আগাম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখল রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে।

    যুদ্ধে ইতি টানার পরামর্শ (PM Modi)

    বুধবারই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এদিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়ার পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ফোনে ফের যুদ্ধে ইতি টানার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের তরফে আমন্ত্রণ জানানো তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    পুতিনকে কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    বুধবারই রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দূরভাষে কথা হওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লিখেছিলেন, “ভারত ও রাশিয়ার স্পেশাল ও প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ গভীর ও আরও বাড়াতে কাজ করব বলে আমরা দুই রাষ্ট্রপ্রধানই সম্মত হয়েছি।” মোদি-পুতিনের আলোচনায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ। পুতিনকে ফের যুদ্ধ বন্ধের পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। উজবেকিস্তানে এসসিও সম্মলনের ফাঁকে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময়ও প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। বুধবারও পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সময় মোদি তাঁকে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটাতে বলেছেন বলে সূত্রের খবর।

    এদিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভারত-ইউক্রেন অংশীদারিত্ব আরও পোক্ত করতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। শান্তি ফেরাতে ভারতের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং অবিলম্বে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে যুদ্ধ থামাতে ভারত মানবিক সাহায্য করে যাবে।” প্রেস বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারত চায় যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা, কূটনীতি, ক্রমাগত সংলাপ হওয়া উচিত যাতে উভয় পক্ষই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।”

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই রাশিয়া ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করেনি। সে খবর মাধ্যম জানিয়েছিল পাঠককে। আবারও রাশিয়া-ইউক্রেনকে শান্তির ললিত বাণী শোনাচ্ছে রাইজিং ইন্ডিয়া। যে ভারতের রূপকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: শান্তি সমঝোতায় ভারতের সাহায্য চায় ইউক্রেন! মোদির আশ্বাস জেলেনস্কিকে

    Russia Ukraine War: শান্তি সমঝোতায় ভারতের সাহায্য চায় ইউক্রেন! মোদির আশ্বাস জেলেনস্কিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে যুদ্ধের ইতি টানতে ‘শান্তি ফর্মুলা’ কার্যকরের জন্য ভারতের সমর্থন চাইলেন ভ্লাদিমির জেলেনস্কি (Ukraine President Volodymyr Zelenskyy)। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। সোমবার ট্যুইট করে নিজেই সেকথা জানান ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট।

    জেলেনস্কি-মোদি ফোনালাপ

    সোমবার এই ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। G20-র সভাপতিত্বের জন্য তাঁকে অভিনন্দনও জানিয়েছি। এই মঞ্চেই আমি শান্তি সমঝোতার কথা বলেছি। এর বাস্তবায়ন এখন ভারতের উপর নির্ভর করছে।” এছাড়া যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনকে মানবিক সাহায্য পাঠানো ও রাষ্ট্রসংঘে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। ভারতের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইউক্রেনে যে সংঘাত চলছে, তা নিয়ে মোদি এবং জেলেনস্কির আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে বসে যাতে সমস্যার সমাধান করা যায়, সেই বার্তা দিয়েছেন মোদি।

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শুক্রবার শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    চলতি বছরের নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বসেছিল G20-র সম্মেলন। সেখানে ১০টি পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে ‘শান্তি সমঝোতার’ রূপরেখা দিয়েছিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “ইউক্রেনকে তার বিবেক, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ড এবং স্বাধীনতার সাথে আপস করার প্রস্তাব দেওয়া উচিত নয়।” তাঁর দেওয়া শান্তি সমঝোতায় রাশিয়াকে ইউক্রেন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া পারমাণবিক নিরাপত্তা, খাদ্য সুরক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা, রাশিয়ার থেকে বন্দি মুক্তি, ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। পালটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, পূর্ব ইউরোপের দেশে যাতে সংঘাতে ইতি পড়ে, সেজন্য যে কোনও শান্তি ফেরানোর চেষ্টায় সমর্থন করতে রাজি আছে নয়াদিল্লি। মোদি স্পষ্ট করে দেন যে অবিলম্বে সংঘাতে ইতি টেনে কূটনৈতিকভাবে ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে আছে ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share