Tag: Zero tolerance Policy

Zero tolerance Policy

  • PM Modi: “ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে”, নেসেটে দাঁড়িয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে”, নেসেটে দাঁড়িয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও কারণই সাধারণ নাগরিকদের হত্যাকে (Terrorism) মান্যতা দিতে পারে না এবং কোনও কিছুই সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করতে পারে না।” বুধবার ইজরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ভারত গাজা শান্তি উদ্যোগকে সমর্থন করে এবং মনে করে এটি এই অঞ্চলে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা বয়ে আনে। শান্তির পথ সব সময় সহজ নয়, কিন্তু ভারত এই অঞ্চলে আলাপ-আলোচনা, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আপনাদের এবং বিশ্বের সঙ্গে একযোগে রয়েছে।”

    হামাসের বর্বর জঙ্গি হামলা (PM Modi)

    তিনি বলেন, “৭ অক্টোবর হামাসের বর্বর জঙ্গি হামলায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যেসব পরিবারের পৃথিবী ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে, তাঁদের জন্য ভারতের জনগণের গভীর সমবেদনা আমি সঙ্গে করে এনেছি। আমরা আপনাদের যন্ত্রণা অনুভব করি, আমরা আপনাদের শোক ভাগ করে নিই। এই মুহূর্তে এবং ভবিষ্যতেও ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদের যন্ত্রণা সহ্য করেছে। আমরা ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং সেখানে নিহত নিরপরাধ প্রাণগুলিকে স্মরণ করি, যাঁদের মধ্যে ইজরায়েলি নাগরিকও ছিলেন। আপনাদের মতোই, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্সের, কোনও দ্বিমুখী মানদণ্ড নয়। সন্ত্রাসবাদ সমাজকে অস্থিতিশীল করতে, উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিশ্বাস নষ্ট করতে চায়। সন্ত্রাস দমনে টেকসই ও সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রয়োজন, কারণ বিশ্বের যে কোনও জায়গায় সন্ত্রাস সর্বত্র শান্তির পক্ষে হুমকি স্বরূপ। সেই কারণেই ভারত স্থায়ী শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সবরকম প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।”

    ইজরায়েলের মহান বন্ধু

    এর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নেসেটে ভাষণের আগে মোদিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে ইজরায়েলের মহান বন্ধু, ভারত-ইজরায়েল জোটের শক্তিশালী সমর্থক এবং বিশ্বমঞ্চের এক মহান নেতা বলে অভিহিত করেন। নেতানিয়াহু মোদিকে “প্রিয় বন্ধু” বলে উল্লেখ করে জানান, তিনি এই সফরে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র, আমার প্রিয় বন্ধু, আজ এখানে আপনার আগমনে আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। ইজরায়েলের এক মহান বন্ধু, ভারত-ইজরায়েল জোটের এক শক্তিশালী সমর্থক এবং বিশ্বমঞ্চের এক মহান নেতাকে স্বাগত। জেরুজালেমে স্বাগতম, আমার প্রিয় বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আপনার বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলকে (PM Modi)।” ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসলে আমি বলতে চাই, মোদি আমার বন্ধুর চেয়েও বেশি (Terrorism), একজন ভাই। যখন আপনি আগেরবার এখানে এসেছিলেন, আমরা দু’জনে ভূমধ্যসাগরের উপকূলে দাঁড়িয়েছিলাম, এবং আমি বলেছিলাম, চলুন জুতো খুলে জলে নামি। ওটা শুধু জলের ওপর হাঁটা ছিল না, আমরা যেন অলৌকিক কাজ করেছি। আমরা আমাদের বাণিজ্য দ্বিগুণ করেছি, সহযোগিতা তিনগুণ করেছি এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া চারগুণ করেছি।”

    কী বললেন নেসেটের স্পিকার

    নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে পারা তাঁর জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, “আজ নেসেটের স্পিকার হিসেবে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে নেসেটে ভাষণ দিতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি গর্বিত। ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী মোদি।” এদিন পার্লামেন্টে পৌঁছলে ‘মোদি, মোদি’ ধ্বনিতে স্বাগত জানানো হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি অভিবাদন গ্রহণ করেন (Terrorism)। ভারত-ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “যে দিন ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেই দিনই তার জন্ম।” তিনি জানান, এমন এক ভূখণ্ডে ফিরে এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত, যার প্রতি তিনি সব সময় আকর্ষণ অনুভব করেছেন (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এর আগে, তেল আভিভ বিমানবন্দরে নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান। মোদির পকেট রুমাল ও সারা নেতানিয়াহুর পোশাকে গেরুয়া রঙের মিল দেখা যায়। লাল গালিচা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে মোদি ও নেতানিয়াহুর আলিঙ্গন তাঁদের আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রকাশ ঘটায়। দু’দিনের সরকারি সফরে তেল আভিভে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মোদি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। উষ্ণ অভ্যর্থনায় নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে (Terrorism) বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান এবং বিশেষ গার্ড অব অনার দেন (PM Modi)।

     

  • Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের শেষ দিক থেকে চিনের উহান ভাইরাস বা করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপরের ইতিহাসটুকু সকলেরই জানা। এই মুহূর্তে ভারত সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চিনে আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। এই মুহূর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে ওমিক্রনের (Omicron China) নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট BF-7 এবং BA.5.1.7। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় সংবাদপত্র জানিয়েছে, এই ভাইরাস প্রথম সনাক্ত হয়েছে চিনের উত্তর পশ্চিমে। রবিবার ওমিক্রনের এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে প্রায় ১৮৭৮ জন সংক্রমিত হয়েছে।

    ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার ১৬ অক্টোবর থেকে চিনের ২০তম পার্টি কংগ্রেসের বৈঠক অনুষ্ঠিত করাতে চলছে। চিনে ফের ওমিক্রনের (Omicron China) দাপট বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে  চিন সরকারের কপালে । যদিও সরকারি তরফে কোন বিবৃতি ঘোষণা করেনি। প্রসঙ্গত, এই পার্টি কংগ্রেসেই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর (Xi jinping) ক্ষমতা আরও খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য চিনের কমিউনিস্ট পার্টির রূপরেখা দেবেন বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

    বিজ্ঞানীরা করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের আশঙ্কা অচিরেই সারা চিনে ছড়িয়ে পড়বে ওমিক্রনের (Omicron China) এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ দিন ধরেই বলে আসছেন, করোনার নতুন একটি রূপ আসা মানেই, সেটির বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকর হবে, সেটি মানুষের শরীরে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, সেটির বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা কার্যকর হবে – সব নিয়েই সন্দেহ থাকে।

    শুধু তাই নয়, এই নতুন রূপ ফুসফুস বা শ্বাসনালী সংক্রমণ বাদ দিয়ে আর কোনও ক্ষতি করবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। সেই কারণেই, যে কোনও একটি নতুন ভ্যারিয়েন্টই বিজ্ঞানীদের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর তাই বিজ্ঞানীরা আপাতত চিনের এই ওমিক্রন (Omicron China) ভাইরাসের উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন।

    চিন করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য সারা দেশে আগেই জিরো টলারেন্স নীতি (Zero Tolerance Policy) গ্রহণ করেছিল। কিছুদিন আগেও করোনার গ্রাফ নেমে আসায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু চিনের ছুটির মরশুম শেষ হবার পরই ওমিক্রনের (Omicron China) হানা সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পুনরায় দেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে চিনা কমিউনিস্ট সরকার। চিনের শানহি প্রদেশে কঠোর লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করা হয়েছে। একেবারে জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ। স্কুল, কলেজ, অফিস, ব্যবসা সব বন্ধ। মঙ্গোলিয়া প্রদেশের রাজধানী হোহটে বাইরের গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। করোনার প্রকোপ কমাতে মঙ্গলবার থেকে শহরে ঢোকাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

    যদিও অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চিন। তাদের এই জিরো কোভিড টলারেন্স নীতির ফলে ভবিষ্যতে আর্থিক ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়বে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share