Tag: zilla parishad

zilla parishad

  • Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তাঁর বাহিনী ইডি আধিকারিকের ওপর হামলা করে নিজের দাপট দেখিয়েছেন। আগে অপকর্ম করেই কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে ফের স্বমহিমায় দলে ক্ষমতা দেখাতেন। সেই পুরানো ছকে ঘটনার পর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু, তাঁর এই কুকর্মের জন্য শাসক দল চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে। তাই, এবার আর পিঠ চাপড়ে বাহবা না দিয়ে দল তাঁকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তারই প্রতিফলন হল, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষর পদ থেকে শাহজাহানকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। সূত্রের খবর, শাহজাহানের পরিবর্তে এখন থেকে ওই পদ সামলাবেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। তবে, কি শাহজাহানের ডানা ছাঁটা শুরু করল দল? এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।

    জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালি থেকে তৃণমূলকে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিল শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনী। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর পরই তিনজন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীদের পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছিলেন কিছুদিনের জন্য। পরে, মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে একই মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। মাথায় মন্ত্রীর হাত থাকায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি। তিনি শুধু আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। বিজেপি কর্মীদের খুন করার পুরস্কার হিসেবে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে জেলা পরিষদের টিকিট পান। আর বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এবার ইডি কাণ্ডে দলের মুখ পুড়িয়েছেন শাহজাহান। তাই দলও তাঁর পাশ থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল।

    পরিবারের লোকজনকে জেরা করা হতে পারে!

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ছবি দিয়ে ইতিমধ্যে বিএসএফকে সতর্ক করেছে ইডি। শাহজাহান পালিয়ে গেলেও তাঁর বাড়িতে ফের তল্লাশি অভিযান চালানোরও প্রস্তুতি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। শাহজাহানের খোঁজ পেতে তাঁর পরিবারের লোকজনকেও জেরা করা হতে পারে। তবে তার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আধা সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন ইডি কর্তারা। হতে পারে এরপর থেকে আরও বড় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: তৃণমূলের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন দলীয় কর্মীরা, কেন জানেন?

    Cooch Behar: তৃণমূলের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন দলীয় কর্মীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীভাঙন কবলিত কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের বাসিন্দারা বাঁধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বহুদিন ধরে। বৃহস্পতিবার সেখানে হাজির হন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ চৈতি বর্মন বড়ুয়া। আর তাঁকে হাতের নাগালে পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাসিন্দারা। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নিয়েই দলের টিকিটে জেতা কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তাঁরা স্লোগান দিতে শুরু করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারের (Cooch Behar) তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়ডাক নদী সংলগ্ন গেদারচর এলাকায় পরিদর্শনে যান তৃণমূল কংগ্রেসের তুফানগঞ্জ-২ ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ চৈতি বর্মন বড়ুয়া। সেখানে গেলে নিজের দলের কর্মীরাই চৈতিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। তাঁকে ঘিরে চলে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। সেই সময় ব্লক সভাপতিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বাসন্তী বর্মনের বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরে বক্সিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চৈতিকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরে কর্মাধ্যক্ষ বলেন, কোনও বিক্ষোভ নয়। এলাকার মানুষ দাবিদাওয়ার বিষয় আমার কাছে তুলে ধরেছে।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীবাঁধের দাবি উঠলেও কর্মাধ্যক্ষকে কখনও এলাকায় দেখা যায়নি। কিন্তু সকাল থেকে অবৈধভাবে বালি পাচারের অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এলাকায় হাজির হন। কী উদ্দেশ্য তাঁর? এই প্রশ্নকে সামনে রেখেই গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, নিজের নির্বাচনী এলাকায় অবৈধভাবে রায়ডাক নদী থেকে বালি পাথর পাচারের জেরে ভাঙছে নদীবাঁধ। আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। কিন্তু, কর্মাধ্যক্ষের তাতে কোনও হেলদোল নেই।

    বিক্ষোভ প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    কোচবিহারের (Cooch Behar) তুফানগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকেই তৃণমূল নেতাদের কয়লা চোর, বালি চোর ও পাথর চোর বলেছি। এবার গ্রামবাসীরাও একই কথা বললেন। গ্রামের মানুষ যখন নেতাকে চোর বলছেন, তখন অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন গ্রেফতার করার কথা বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন গ্রেফতার করার কথা বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র মৃত্যুকাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগে জেলে ঢোকানো উচিৎ বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যাদবপুরের ঘটনা নিয়ে রাজ্যুজুড়়ে তোলপাড় চলছে। কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে মৃত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে। বিজেপিও এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারকে কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করার কথা কেন বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    বুধবার তমলুক জেলা পরিষদের জয়ী বিজেপি সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, যাদবপুরের ছেলেটা আত্মবলিদান দিয়ে চোখ খুলিয়ে দিয়েছে। রাজ্যের অন্য কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কি হচ্ছে কোনও খবর আছে? তিনি অভিযোগ করেন, কোন কলেজ হোস্টেলগুলোতে সিসিটিভি কিংবা সুপার আছে? আসল সমস্যার সমাধান না করে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। একে ধরছে, ওকে ধরছে আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরা উচিৎ। তাঁর ব্যবস্থাপনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। যেখানেই হাত দেবেন পচা গন্ধ বের হবে কোনও দফতরই ভালো না। যাদের যোগ্যতা নেই তাঁদের রেজিষ্টার, প্রো ভিসি করা হয়েছে। অ্যাডমিশন বেচে খেয়েছে। যারা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কালেক্টর ছিল। ডিয়ার লটারি ও মদ খাইয়ে যুব সমাজকে পঙ্গু করে দিয়েছে। তাই আজ কলেজে অনার্স বিভাগে ৫০ শতাংশ সিট খালি থাকে।

     বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ গঠন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, জেলা পরিষদের বিজেপির ১৪ জন জয়ী সদস্য শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে। কিন্তু, সভাধিপতি ও সহ সভাধিপতি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না। বিগত বোর্ডের সময় জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের সৌজন্যে জেলা পরিষদ পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। আমরা তা আর হতে দেবোনা। দলের ১৪ জন সদস্য দক্ষ বিরোধী দলনেতা ঠিক করবে। সেই সুদক্ষ বিরোধী দলনেতা জেলা পরিষদের স্বচ্ছভাবে কাজ যাতে হয় তা দেখবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Water: পুকুরের জল পান করেন এই এলাকার বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    Water: পুকুরের জল পান করেন এই এলাকার বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জল স্বপ্ন প্রকল্পে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রাজ্যের ১৫.৭২ লক্ষ বাড়িতে পানীয় জল (Water) পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে সকলের ঘরে ঘরে পানীয় জল (Water)  পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্নফেরি করেছে তৃণমূল সরকার। কিন্তু, বাস্তবে পানীয় জলের অবস্থা কেমন তা হারে হারে টের পাচ্ছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের মালঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারিলা গ্রামের বাসিন্দারা। বর্ষাকাল বাদে প্রায় সব সময় জলকষ্ট তীব্র আকার ধারণ করে এই এলাকায়। এলাকায় টিউবওয়েল থাকলেও সরু সুতোর মতো করে জল পড়ে। এলাকাবাসীর চাহিদা মেনে পরিস্থিতি সামাল দিতে পঞ্চায়েত থেকে গ্রামে জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো হয়। কিন্তু, গোটা গ্রামের চাহিদা তাতে পূরণ হয় না। বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরের জল (Water)  পান করেন। দিনের পর দিন এই এলাকার বাসিন্দাদের ভরসা পুকুরের জল। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শিল্পী ওড়াও বলেন, গরমে জলকষ্ট এতটাই তীব্র হয় যে পুকুরের জল পান না করা ছাড়া উপায় থাকে না। ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে সব জায়গায় দরবার করা হয়েছে। কিন্তু, এখনও জলের (Water)  সমস্যার সমাধান হয়নি।

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে কী মিটবে পানীয় জলের সমস্যা? Water

    ২০১৬ সালে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তপন ব্লকে জল সংকট দূর করতে পানীয় জল (Water)  প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল, বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। সাত বছর পরও এলাকাবাসী জলের সুবিধা পাননি। পঞ্চায়েত সমিতি ও পিএইচই-র মাধ্যমে তপনের ভারিলার বেশ কিছু এলাকায় মার্ক-টু-টিউবওয়েল এবং জলের ট্যাপ  দেওয়া হয়েছে। তবে, সেগুলি থেকেও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল (Water)  পাওয়া যায় না। তাই, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই পুকুরের জল ব্যবহার করেন গ্রামের বাসিন্দারা। কবে, এই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হবে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মিঁয়া বলেন, তপন ব্লকের কিছু এলাকায় পানীয় জলের (Water)  সমস্যা রয়েছে। তারজন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করছি, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই ওই এলাকার পানীয় জলের (Water)  সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। স্থানীয় বিধায়ক বুধরাই টুডু বলেন, শাসক দলের ইতিবাচক মনোভাবের অভাবের কারণে এই এলাকার মানুষ জল সংকটে ভুগছেন। তবে, বিধায়ক হিসেবে পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে আমি উদ্যোগ গ্রহণ করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সংস্কারের দুদিনের মাথায় হাত দিলেই খুবলে আসছে পিচের রাস্তার (Road) চাদর। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনায় নিম্নমানের কাজে সরব গোটা এলাকাবাসী। এমনকী দুদিন আগে   গ্রামীণ সড়কের রাস্তায় (Road)  বাঁশের ব্যারিকেড বেঁধে পথ অবরোধ করেছিলেন বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের দুলিয়াবাড়ি এলাকায়। সপ্তাহ খানেক আগে  গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। তবে, সড়ক সংস্কার হলেও তা নিম্নমানের বলে অভিযোগ তুলছে বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কার হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু, কাজের গুণগতমাণ এতটাই খারাপ যে এক সপ্তাহের মধ্যে এই রাস্তা আগের মতো বেহাল হয়ে পড়বে। তাঁরা আরও বলেন,সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।ভোট পাওয়ার আশাই মানুষকে শুধু দেখানোর জন্য এই রাস্তা(Road)  সংস্কার করা হচ্ছে।কিন্তু, আদৌও এই রাস্তা ব্যবহারের উপযোগী হবে না।ঝাড়ু দিলেই বেরিয়ে আসছে রাস্তার কঙ্কালসার চেহারা।এমনভাবে নিম্নমানের কাজ হলে পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে।

    সড়ক যোজনার রাস্তাতেও কাটমানি! Road

    দুলিয়াবাড়ি থেকে অরবরা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। এই রাস্তার জন্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এত টাকা খরচ করে সংস্কার করা হলেও কাজের গুণগতমাণ নিম্মমানের। আর এর পিছনে রয়েছে কাটমানি। বিজেপির চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কো-কনভেনার প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন,কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য যথার্থ অর্থ বরাদ্দ করলেও রাজ্য সরকার সেই কাজে কাটমানি বসিয়ে  নিম্নমানের কাজ করছে। ঠিকাদার সংস্থা তৃণমূল নেতাদের মোটা অঙ্কের কাটমানি দিতে গিয়েই নিম্নমানের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে, এলাকার মানুষ রাস্তা নেমে প্রতিবাদ করায় বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল। আসলে কাটমানির জন্যই এসব হচ্ছে। যদিও বিজেপির এই অভিযোগকে মানতে নারাজ মালদহ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি পাল্টা মন্তব্য করে বলেন,বিজেপির এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি নিজে এলাকায় যাব। কাজের গুণগত মান খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন,গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে যদি পাঁচ বছরের মধ্যে কাজ খারাপ হয়, তাহলে তা ঠিকাদার বহন করবে। তাই, বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। রাস্তা (Road)  সংস্কারের কাজ ঠিকমতো হবে। আমি নিজে এই বিষয়ে উদ্যোগী হব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করতেও কাটমানি! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদুল শেখের বিরুদ্ধে। তিনি আদতে ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়ত প্রধানের স্বামী। আর স্থানীয় এই তৃণমূল নেতাকে মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তথা ইংরেজবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহের বিরুদ্ধে। ফলে, দলীয় নেতাদের এই আচরণে শাসক দলের একাংশ বহুদিন ধরেই ক্ষোভ ফুঁসছিলেন। ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় ব্লক সভানেত্রী প্রতিভা সিংহ দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীদের একাংশ কার্যত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ থেকে বাঁচতে দলীয় নেত্রী ও তাঁর অনুগামীদের রীতিমতো কসরত করতে হয়। আর এই ঘটনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই শাসক দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মীরা কেন বিক্ষোভ দেখালেন?

    ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহিলা। তাঁর স্বামী জাহিদুলই বকলমে পঞ্চায়েত চালান বলে দলের একাংশের অভিযোগ। শুধু পঞ্চায়েত পরিচালনা নয়, আর্থিক সিদ্ধান্ত নিজের মতো করে নেন তিনি। দলের গ্রাম পঞ্চায়ত সদস্যদের তিনি পাত্তা পর্যন্ত দেন না। ফলে, দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যদের পাশাপাশি দলের একটি বড় অংশ তাঁর আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর নামে দরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের চোরাস্রোত বইছিল। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, জাহিদুল পঞ্চায়েতকে ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। এখন দল একে অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান করেছেন। সেই পদ ভাঙিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী করার টোপ দিয়ে তিন-চার লক্ষ টাকা করে তুলছেন। দলীয় সভানেত্রী দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই দলীয় কর্মীদের একাংশ নিজেদের ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি। দলীয় ঝান্ডা হাতে নিয়ে দলীয় নেত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের তৃণমূলের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ বলেন, দলের অন্দরে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে। আর যার বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ সেই জাহিদুল শেখ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অভিযোগ তুলে আদালত পর্যন্ত ওরা গিয়েছিল। জেলা প্রশাসনও সমস্ত বিষয়টি জানে। কিন্তু, অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Zilla Parishad: মহিলার পায়ে ধরলেন তৃণমূলের হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি! কেন জানেন?

    Zilla Parishad: মহিলার পায়ে ধরলেন তৃণমূলের হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে জেরবার শাসক দল। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগ নিবিড় করতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচি। কিন্তু, সেই কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে এভাবে এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়তে হবে তা ভাবতে পারেননি হুগলি জেলা পরিষদের (Zilla Parishad) সভাধিপতি মেহেবুব রহমান। গোঘাটের মান্দারণ পঞ্চায়েতের তারাহাট এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী বিক্ষুব্ধ এক মহিলার পায়ে ধরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন জেলা পরিষদের (Zilla Parishad)  সভাধিপতি। যা দেখে গ্রামবাসীরা হতবাক হয়ে যান। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোঘাটের মান্দারণে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দেন জেলা পরিষদের (Zilla Parishad)  সভাধিপতি মেহেবুব রহমান। দলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তারাহাট গ্রামে যেতেই ক্ষোভের মুখে পড়েন তাঁরা।

    তৃণমূল নেতাদের দেখে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখান কেন? Zilla Parishad

    দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গ্রামে জেলা পরিষদের (Zilla Parishad) সভাধিপতি আসছেন তা এলাকাবাসী আগে থেকেই জানতেন। ফলে, এলাকার মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে এক জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গ্রামে আসতেই বেশ কয়েকজন মহিলা তাঁর সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মূলত তাঁদের অভিযোগ, ভোট এলেই গ্রামে নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা খোঁজ নিতে আসে। কিন্তু, ভোট মিটে গেলে আর নেতাদের দেখা যায় না। এমনকী এলাকার উন্নয়ন করার বিষয়ে কারও কোনও হেলদোল থাকে না।  নেতাদের দেখা করতে গেলে সাধারণ মানুষকে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয়। আর এলাকায় আবাসের বাড়ি বিলি করা হয়েছে। প্রকৃত প্রাপকরা বাড়ি পাননি বলেও নেতার সামনে ক্ষোভ উগরে দেন মহিলারা। বেগতিক দেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে এক বিক্ষুব্ধ মহিলার পায়েও ধরতে যান সভাধিপতি। অভিযোগ শুনে তা দ্রুত সমাধান করার আশ্বাসও দেন সভাধিপতি।

     হুগলি জেলা পরিষদের (Zilla Parishad)  সভাধিপতি মেহেবুব রহমান মহিলার পায়ে ধরার প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, কিছু ক্ষোভ থাকতে পারে, তবে এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প, কন্যাশ্রী সহ একগুচ্ছ প্রকল্পের কথা আমরা এলাকাবাসীকে জানিয়েছি। এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, একসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের আগে পা নিয়ে অনেক নাটক করেছিলেন, এবার হুগলি জেলা পরিষদের (Zilla Parishad)  সভাধিপতি সেই পথে হাঁটছেন। আসলে সামনে ভোট। তারজন্য মানুষের পায়ে ধরে নাটক করছেন। একসময় এরা মানুষের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এখন মানুষ সেটা বুঝতে পেরেছে, সে কারণেই ওরা মানুষের পায়ে ধরছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share