Winter Food: এই শীতে সর্দি-জ্বর থেকে বাঁচতে চান? তালিকায় রাখুন এই ১০ খাবার

(Winter_Food)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিঠে-পুলি, নলেনগুড়ের ঋতু! ভ্রমনের জন্যও বাঙালির কাছে শীতের জুড়ি নেই। দু’দশক আগেও দূরদর্শনে বোরোলিনের বিজ্ঞাপন জানান দিত শীতের আগমন। ডিসেম্বরের আবির্ভাবের সঙ্গে, শীত পাকাপাকিভাবে চলে আসে।  উলের গরম পোশাক, লেপ, কম্বলের তখন বের করতে হয়। এই সময়টায় খাদ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। থার্মোমিটারে পারদের পতন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসে। শীতকালে ফুসফুসে ভাইরাসজনিত সমস্যা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সংক্রমণ বেশি হয়। এই সময় ডায়েটে এমন খাবার (Winter Food) রাখা উচিত যা আপনার শরীরকে কেবল ভিতর থেকে গরম রাখবে না বরং প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করবে।

এমনই ১০টি ‘সুপারফুড’ আছে যেগুলো শীতের সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

১) গাজর: গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে প্রবেশ করে  ভিটামিন-এ তৈরি করে। চোখের পক্ষেও গাজর খুব উপকারী। নিয়মিত গাজর খাওয়া (Winter Food) চোখের ছানি প্রতিরোধেও সাহায্য করে। গাজর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ , গরম স্যুপ এবং তরকারিতে রান্না করা যায়।

২) মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা-ক্যারোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। শীতের সময় এই আলু খাদ্য তালিকায় (Winter Food) রাখা খুবই উপকারী।

৩) ব্রোকলি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনে ভরপুর হল ব্রোকলি। এটি একটি আদর্শ খাবার (Winter Food) যা শীতের সময় বিভিন্ন ফ্লু থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।

৪) লাল ক্যাপসিকাম/বেল মরিচ: লাল ক্যাপসিকাম স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ, লাল বেল মরিচ রক্তচাপ কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও হ্রাস করে ।

৫) সাইট্রাস ফল: কমলালেবু এবং আঙ্গুরের মতো সাইট্রাস ফলও শীতকালে খাওয়া (Winter Food) যেতেই পারে। সাইট্রাস ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করে এবং আমাদের শরীরকে ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

৬) ডালিম: ডালিম হল স্বাস্থ্যকর শীতকালীন ফল। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে এছাড়াও ভিটামিন সি, ভিটামিন বি6, পটাসিয়াম এবং আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে।

৭) নাশপাতি: নাশপাতিতে ব্যাপক পরিমাণে ফাইবার থাকে। ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বিভিন্ন উপাদান থাকে নাশপাতিতে।

৮) ওটস: শীতের খাবার (Winter Food) হিসেবে ওটস খুবই উপকারী। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

৯) গ্রিন টি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, এটি ফ্যাট কমাতে, হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে খুবই উপকারী। ডায়াবেটিস, মস্তিষ্কের অসুস্থতা এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও এর জুড়ি নেই।

১০) বাদাম: ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ, ফসফরাস, ফাইবারে সমৃদ্ধ বাদাম। শীতকালে খুবই উপকারী।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share