Blog

  • Iran: “ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তানও”, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির কমান্ডারের

    Iran: “ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তানও”, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তান (Pakistan) তার আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালানোর সুযোগ দিয়েছে। এই ভূমিকার জন্য পাকিস্তানকে মূল্য চোকাতে হবে। এর জবাবে ইরানি (Iran) ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টির মুখেও পড়তে পারে পাকিস্তান।” এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সিনিয়র কমান্ডার সারদার হোসেইন নেজাত। উল্লেখ্য, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এজন্য পাকিস্তান তার আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালানোর সুযোগ করে দিয়েছে। তাই এই সতর্কবার্তা।

    ইরান-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্তের মানচিত্র (Iran)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় করা পোস্টটিতে ইরান ও পাকিস্তানের যৌথ সীমান্তের একটি মানচিত্র সংযুক্ত ছিল। সেখানে সীমান্তবর্তী কিছু এলাকাকে দৃশ্যত চিহ্নিত করে সম্ভাব্য দুর্বল অঞ্চল হিসেবে দেখানো হয়েছে, যেগুলির মাধ্যমে ইরান পাকিস্তানকে টার্গেট করতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মানচিত্রে পাকিস্তানের বালুচিস্তান অঞ্চল থেকে ইরানে প্রবেশের রুটও দেখানো হয়েছে এবং সীমান্ত বরাবর সম্ভাব্য দুর্বল স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে (Pakistan)। সারদার হোসেইন নেজাত বলেন, “আমাদের নির্ভুল তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসন ইরানের ওপর হামলায় পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করেছে। পাকিস্তান খুব শিগগিরই এর মূল্য দেবে এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলির মতো আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র থেকে নিরাপদ থাকবে না।”

    ইরানে বোমাবর্ষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, ১ মার্চ পাকিস্তানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের ইরানে বোমাবর্ষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনাই-এর মৃত্যু হয়। তারপরেই বিক্ষোভ হিংসার রূপ নেয় এবং অন্তত ২৩ জন নিহত হন। করাচিতে একদল বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরের প্রাচীর ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। এতে ১০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন (Iran)। পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটের বাইরে শত শত মানুষ জড়ো হন। সবচেয়ে গুরুতর হিংসার ঘটনা সেখানেই ঘটে। কিছু যুবক কনস্যুলেটের বাইরের ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে মূল ভবনের জানালা ভাঙচুর করে। পরে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে (Pakistan)। পুলিশ সার্জন সুম্মাইয়া সাঈদ জানান, অন্তত ১০ জন নিহত এবং প্রায় ৬০ জন জখম হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক (Iran)।

    পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও সেনা নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নিঃশর্তভাবে অনুগত বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে পাকিস্তান যে দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় না, সেই ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের গোপন যোগাযোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের চাপের মুখে রয়েছে। যদি ইরান ইসলামাবাদের ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে পাকিস্তান আফগানিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে, যার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাও বাড়তে পারে (Iran)।

     

  • Shivraj Singh Chouhan: “জনস্বার্থে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা”, মমতাকে তোপ শিবরাজ সিং চৌহানের

    Shivraj Singh Chouhan: “জনস্বার্থে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা”, মমতাকে তোপ শিবরাজ সিং চৌহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন যাত্রায় যোগদান করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তীব্র কশাঘাত করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan)। সোমবার কলকাতায় পা রেখেই তিনি অভিযোগ করেন, “এই ধরনা রাজ্যের সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নয়, বরং অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার এক রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। বাংলায় কোনও নারীই সুরক্ষিত নন—স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট সর্বত্র আতঙ্ক ৷ আরজি কর-কাণ্ডে তথ্য লোপাটে সক্রিয় ছিল তৃণমূলের সিন্ডিকেট।”

    ‘ভোটব্যাঙ্ক’ অটুট রাখতেই এই ধরনার পথ (Shivraj Singh Chouhan)

    শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) দাবি করেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যখন চরম অবনতি ঘটেছে, তখন মুখ্যমন্ত্রী জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে কেবল নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি ও ‘ভোটব্যাঙ্ক’ অটুট রাখতেই এই ধরনার পথ বেছে নিয়েছেন। এই রাজ্যের বড় সমস্যা হল অনুপ্রবেশ সমস্যা। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের জন্য নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সরকার পরিবর্তনের পর তৃণমূল যে পাপ করেছে, তা সহজে মোছার নয়। সিন্ডিকেট রাজ কায়েম করে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় স্থায়ী বসবাসের সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েছে ওরা। আধার থেকে ভোটার কার্ড—সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা করেছে।”

    জল-জমি-জঙ্গল সর্বত্র দখল

    শিবরাজ সিং (Shivraj Singh Chouhan) রাজ্যের সম্পত্তিতে বহিরাগতদের অধিকার নিয়ে বলেন, “এই অনুপ্রবেশকারীরাই এখন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ভাগ বসাচ্ছে, এমনকি কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলছে। জল-জমি-জঙ্গল সর্বত্র দখল চলছে। এরাই তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক৷ এসআইআর প্রক্রিয়ায় যখন অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, তখন তাঁদের পক্ষেই রাস্তায় নামছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। কারণ, ওর আসল উদ্দেশ্য অন্য দেশের বাসিন্দাদের রক্ষা করা। বিভাজনের শুরু লর্ড কার্জনের আমলে। সেই পথেই হাঁটেন জিন্না। আর পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন বিভাজন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের অবসান ঘটবে

    জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (Mamata Banerjee)। শিবরাজ সিং (Shivraj Singh Chouhan) ভাষণে রাজ্যের একাধিক দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অস্থিরতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ তৃণমূলের এই ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের অবসান ঘটিয়ে এক স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা চাইছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য আসন্ন নির্বাচনে বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এই অগণতান্ত্রিক আচরণের যোগ্য জবাব দেবেন এবং বিজেপিকে সরকার গঠনের সুযোগ করে দেবেন।”

  • BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হল ছ’টি রাজ্যের মোট ন’টি রাজ্যসভা (Rajya Sabha) আসনের প্রার্থীর নাম। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা। তালিকায় নাম রয়েছে নিতিন নবীনেরও। রাহুল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। পরে হয়েছিলেন জাতীয় সম্পাদক। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপির কোনও পদে অবশ্য ছিলেন না রাহুল।

    বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা (BJP)

    জাতীয় সম্পাদকের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে বসানো হয়েছিল অনুপম হাজরাকে। সেই সময় দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রাহুল, যদিও বিজেপি ছাড়েননি। শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকে বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তে থাকে রাহুলের। পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সভায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রধান বক্তা হিসেবে পাঠানো হচ্ছিল রাহুলকে। এবার তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সদস্য করে। প্রসঙ্গত, বিধানসভার যা বিন্যাস, তাতে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের চারটি এবং বিজেপির একটি আসনে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা প্রার্থীদের। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল আগেই ঘোষণা করে দিয়েছে চার প্রার্থীর নাম। বিজেপিও ঘোষণা করে দিল তাদের প্রার্থীর নাম (BJP)। ফলত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বাংলার এই পাঁচজন।

    আর কোন কোন রাজ্য থেকে কে?

    এদিকে, গত ডিসেম্বরে নিতিনকে বিজেপির কার্যনির্বাহী সর্বভারতীয় সভাপতি করেছিল বিজেপি। দায়িত্ব নেন ২০ জানুয়ারি। তার আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন নবীন। তাই তিনি এখন বিধায়ক। যেহেতু সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে এখন নবীনকে বছরের অনেকটা সময় দিল্লিতেই কাটাতে হয়, তাই বিধানসভায় তিনি খুব একটা সময় দিতে পারবেন না বলেই মনে করেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই নিতিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সাংসদ করে। নিতিন ছাড়াও বিহার থেকে বিজেপির তরফে সংসদে যাচ্ছেন শিবেশ কুমার। অসম থেকে পাঠানো হচ্ছে তেরশ গোয়ালা এবং যোগেন মোহনকে। ছত্তিশগড় থেকে যাচ্ছেন (Rajya Sabha) লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া, ওড়িশা থেকে যাচ্ছেন মনমোহন সামল এবং সুজিত কুমার (BJP)।

     

  • Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপের সমান্তরালে প্রশাসনিক তৎপরতাও এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সম্ভাব্য পশ্চিমবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে জল্পনা তীব্রতর হয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে কমিশন (Election Commission) এখন অন্তিম মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফর (Election Commission)

    সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসতে পারে। এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণত কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের এই ধরনের পরিদর্শনের পরপরই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই সফরে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    ভোটার তালিকা ও এসআইআর বিতর্ক

    এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো ভোটার তালিকার সংশোধন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। খসড়া তালিকায় (SIR) ৭ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি নাম থাকলেও, বিভিন্ন কারণে প্রায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ পড়েছে। বর্তমানে রাজ্যে অনুমোদিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিবেচনাধীন পর্যায়ে রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নামগুলোর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং যোগ্য প্রমাণিত হলে সম্পূর্ণ তালিকার মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার (Election Commission) নিশ্চিত করা হবে।

    বুথ বিন্যাস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    ভোটার সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কমিশন (Election Commission) এবার নতুন করে বড় আকারের বুথ পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০,৬৮১টি। তবে নাগরিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে বহুতল আবাসনগুলোতে কিছু অতিরিক্ত বুথ করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদের মতো স্পর্শকাতর জেলাগুলোতে।

    নির্বাচনের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট ও পর্যায়

    ২০২১ সালের নির্বাচন আট দফায় অনুষ্ঠিত হলেও, ২০২৬-সালে কয় দফায় হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন সম্ভবত ছয় থেকে সাত দফায় ভোট গ্রহণ করতে পারে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নতুন বিধানসভা গঠনের বাধ্যবাধকতা থাকায়, মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট ঘোষণার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকাই (SIR) হলো মূল ভিত্তি। সেই তালিকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব। আগামী সপ্তাহে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফরের পর বাংলার নির্বাচনী চিত্রটি আরও স্পষ্ট হবে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর একটি নির্বাচনের (Election Commisison) প্রত্যাশায় এখন দিন গুনছে গোটা রাজ্য।

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), ২০১৯-এর অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দুটি অতিরিক্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (CAA)। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর (Citizenship Applications)। এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গে এখন মোট চারটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি সিএএর আওতায় দাখিল হওয়া নাগরিকত্ব দাবিগুলি পরীক্ষা ও নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকবে।

    কেন আরও কমিটি গঠন? (CAA)

    প্রশ্ন হল, কেন আরও কমিটি গঠন করা হল? সোমবার জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনের অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সম্প্রসারণ প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। আধিকারিকরা জানান, নতুন কমিটিগুলি মুলতুবি মামলাগুলির যাচাই ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে। সিএএর বিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ মার্চ, ২০২৪-এ বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়। সংসদে আইনটি পাস হওয়ার প্রায় চার বছর পর তা কার্যকর করা হয় (CAA)। সর্বশেষ গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির সভাপতি হবেন ভারত সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার নীচে নন—এমন এক আধিকারিক, যাঁকে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও জনগণনা কমিশনার মনোনীত করবেন।

    কমিটির গঠন প্রণালী

    এছাড়ও কমিটিগুলিতে থাকবেন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এলাকার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)-এর একজন মনোনীত প্রতিনিধি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার (এনআইসি), পশ্চিমবঙ্গের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অথবা সমপদমর্যাদার কোনও মনোনীত ডাক কর্মকর্তা। এছাড়াও, কমিটির কার্যক্রমে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য অংশ নেবেন। এঁরা হলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রধান সচিব (স্বরাষ্ট্র) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র)-এর দফতরের একজন প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের একজন প্রতিনিধি। এর আগে, ১১ মার্চ ২০২৪-এ জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন ডিরেক্টর (সেন্সাস অপারেশনস) এবং সেখানে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ সালে পাস হয় এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় সরকার বিধি জারি করার পর তা কার্যকর হয়। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি পথ তৈরি করা হয়েছে (Citizenship Applications)। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই এটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে (CAA) রয়ে গিয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ হয়েছে।

     

  • US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (US Iran Conflict)। তা সত্ত্বেও ভারতের তেল সরবরাহে (Oil Supply) আপাতত কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। ভারতের রিফাইনারিগুলির কাছে বর্তমানে কমপক্ষে ১০–১৫ দিনের জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রিজার্ভ ট্যাঙ্কে থাকা তেল এবং পরিবহণ হচ্ছে যে তেল, দু’টিই রয়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত দিয়ে ৭–১০ দিনের দেশীয় চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরে স্বল্পমেয়াদি কোনও বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব সামাল দেওয়া যাবে বলে জানান আধিকারিকরা।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ (US Iran Conflict)

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ২৮ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়, তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আধিকারিকরা যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ধরনের সরবরাহ বন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে। কেপলার (Kpler)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ২৫ থেকে ২৭ লাখ ব্যারেল তেল, যা ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ, আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। এর বেশিরভাগই ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে আসে (Oil Supply)।

    এলপিজি আমদানি

    ভারতের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ, মূলত কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের প্রায় সব এলপিজি আমদানিও এই পথ দিয়ে আসে।  ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্নের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। আধিকারিকরা জানান, যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রণালীটি বন্ধ থাকে, তবে ভারত বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ বাড়াতে পারে, যার মধ্যে রাশিয়া থেকেও কেনা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়েছিল, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিঘ্ন ঘটলে আমরা আবার মস্কো থেকে কেনা শুরু করতে পারি (Oil Supply)।”

    রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল

    তবে পরিবহণ সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ভারতে পৌঁছতে প্রায় পাঁচ দিন সময় লাগে। কিন্তু রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল আসতে সময় লাগতে পারে এক মাস পর্যন্ত। ফলে আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে (US Iran Conflict)। এছাড়া ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার (Strategic Petroleum Reserves) রয়েছে, যা প্রায় এক সপ্তাহের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। স্বল্পমেয়াদে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে হলেও, প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে এলএনজির বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। অপরিশোধিত তেলের মতো নয়, এলএনজির বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় থাকে, ফলে স্পট মার্কেটে সরবরাহ সীমিত। ভারত বা চিন যদি বিকল্প এলএনজি উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আধিকারিকরা সতর্ক করেছেন (US Iran Conflict)।

    আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে

    তবে সংকটের আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২.৮৭ ডলার হয়, যা দিনভিত্তিক লেনদেনে ৭৩.৫৪ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, ৩০ জুলাই ২০২৫-এর পর সর্বোচ্চ। চলতি বছরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারের বেশি বেড়েছে (Oil Supply)। কেপলারের লিড রিসার্চ অ্যানালিস্ট সুমিত রিতোলিয়া বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা বাড়ায় স্বল্পমেয়াদে হরমুজ-সংক্রান্ত ঝুঁকি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণ অবরোধের সম্ভাবনা কম (US Iran Conflict)।” তিনি বলেন, “বহুমুখী উৎস, রাশিয়ার বিকল্প ব্যবস্থা এবং কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার ও বাণিজ্যিক মজুত-সহ বহুস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ঘাটতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। নিকট ভবিষ্যতের প্রধান ঝুঁকি হল দামের অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব, কাঠামোগত সরবরাহ ঘাটতি নয়।” সরকার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কাজ করছে বলেও জানান আধিকারিকরা (Oil Supply)।

     

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, সৌদি-বাহরাইনের সঙ্গে কথা মোদির, কী নিয়ে হল আলোচনা?

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, সৌদি-বাহরাইনের সঙ্গে কথা মোদির, কী নিয়ে হল আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ার বিভিন্ন অংশে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। এহেন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের (Gulf Stability) বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আলোচনা করলেন সৌদি আরবের যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে। আলাদা করে তিনি কথা বলেন বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গেও।

    সৌদির ওপর হামলার নিন্দে (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক করেন। দুই নেতা পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাও করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সৌদি আরবের ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলির তীব্র নিন্দা করেন। বলেন, “এগুলি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার পরিপন্থী।” দুই নেতা একমত হন যে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কঠিন সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যুবরাজকে ধন্যবাদ জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী এইচআরএইচ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ভারত সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে (PM Modi) হওয়া সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা করে। আমরা একমত হয়েছি যে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। এই কঠিন সময়ে ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ দেখভাল করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।” এদিকে, ২ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে কথা বলেন বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে।

    রাজাকে ধন্যবাদ

    আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। এই কঠিন সময়ে বাহরাইনের জনগণের প্রতি ভারতের দৃঢ় সংহতিও প্রকাশ করেন তিনি (Gulf Stability)। প্রধানমন্ত্রী বাহরাইনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবিচল সমর্থন ও যত্ন দেওয়ার জন্য রাজাকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বাহরাইনের রাজা মহামান্য হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে ফলপ্রসূ টেলিফোন আলাপ হয়েছে। ভারত বাহরাইনের ওপর হামলার নিন্দা করে এবং এই কঠিন সময়ে বাহরাইনের জনগণের পাশে থাকতে সংহতি প্রকাশ করছে। বাহরাইনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবিচল সমর্থনের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই (PM Modi)।”

     

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

LinkedIn
Share