Blog

  • Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বৈচিত্র্যময় দেশ। তাই সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে। হিমালয়ের পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতে চাইলে কিংবা গোয়ার সমুদ্রসৈকতে রোদ পোহাতে চাইলে এই দেশই সবার সেরা। এখানেই (Gujarat) প্রত্যেক পর্যটকই তাঁর স্বপ্নের গন্তব্য খুঁজে পেতে পারেন। এই মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের মাঝেই রয়েছে এক স্বপ্নিল সড়ক, যার দু’পাশ জুড়ে অসীম জলরাশি। ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথের নাম, ‘রোড টু হেভেন’। মূল ভূখণ্ড কচ্ছকে গুজরাটের ধোলাভিরা গ্রামের সঙ্গে যুক্ত করেছে এই রাস্তা (Float On Water)।

    ‘রোড টু হেভেন’ (Gujarat)

    ‘রোড টু হেভেন’ তার দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য ও অনন্য ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত। বছরের প্রায় ছ’মাস রাস্তার দু’পাশে জল থাকে, বাকি সময়টা চোখে পড়ে সাদা নুনের প্রান্তর। কখনও মনে হয় যেন জলের ওপর দিয়ে গাড়ি চালানো হচ্ছে, আবার কখনও হয় বিশাল লবণ মরুভূমি পেরোনোর অনুভূতি। তবে এসবই নির্ভর করে কোন সময় আপনি ভ্রমণ করবেন, তার ওপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে এই রাস্তা কচ্ছের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক প্রতীকী পরিচয়ে পরিণত হয়েছে। এটি ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল। এই সড়কের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। এটি খাদির বেট দ্বীপে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরার সঙ্গে খাভদা গ্রামের সংযোগ স্থাপন করে, যে গ্রামটি হস্তশিল্প ও হোয়াইট রান অফ কচ্ছের নিকটবর্তী হওয়ায় পরিচিত। জি২০ সম্মেলনের সময় এই পথ প্রদর্শিত হওয়ার পর এটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। পরে সরকার এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয় এবং দ্রুতই এটি ভ্রমণপিপাসুদের জনপ্রিয় ড্রাইভিং রুটে পরিণত হয় (Gujarat)।

    ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা

    ট্রাভেল কনটেন্ট নির্মাতা অরিহন্ত বাইদ ইনস্টাগ্রামে এই রাস্তার একটি মনোমুগ্ধকর ভিডিও শেয়ার (Float On Water) করেছেন। ভিডিওর নোটে লেখা ছিল— “পাকিস্তান থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা। ‘রোড টু হেভেন’ নামে পরিচিত এই ৩০ কিলোমিটার পথ মূল কচ্ছকে খাদির বেট দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যেখানে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরা।” নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি—শীতকালই ‘রোড টু হেভেন’ ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। এই সময় আবহাওয়া শীতল ও শুষ্ক থাকে, আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং সাদা লবণ মরুভূমির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

    যাবেন কীভাবে

    বিমানপথে যেতে গেলে ভুজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর ট্যাক্সি ভাড়া করে ‘রোড টু হেভেনে’পৌঁছনো যায়। বিমানবন্দর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার (Gujarat)। রেলপথে যেতে গেলে নিকটতম রেলস্টেশন ভুজ জংশনে আসতে হবে। সেখান থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে এই সড়ক, যা ট্যাক্সি বা ব্যক্তিগত গাড়িতে পৌঁছনো যায়। তবে এই মনোরম পথ উপভোগ করতে রোড ট্রিপই সেরা বিকল্প। রাজকোট, আহমেদাবাদ ও গান্ধীনগর-সহ গুজরাটের প্রধান শহরগুলির সঙ্গে এটি সুসংযুক্ত। অন্যরকম, স্বপ্নিল ড্রাইভিং অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকলে কচ্ছের এই (Float On Water) অসাধারণ সড়ক আপনার ভ্রমণতালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত (Gujarat)।

     

  • India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (India) এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এর অনুষ্ঠান চলছে। এহেন আবহে আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি অ্যানথ্রোপিক বেঙ্গালুরুতে তাদের নতুন (Claude Developers) অফিসের উদ্বোধন করে দিল। এর মাধ্যমে ভারতে তাদের এআই সম্প্রসারণে একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। অফিস উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি কর্পোরেট, স্টার্টআপ, শিক্ষা, কৃষি এবং সরকারি খাতজুড়ে বিস্তৃত অংশীদারিত্বের কথা ঘোষণা করেছে। টোকিওর পর বেঙ্গালুরু অফিসটি এশিয়ায় অ্যানথ্রোপিকের দ্বিতীয় কেন্দ্র। অ্যানথ্রোপিক ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইরিনা ঘোষ এই অফিসের নেতৃত্ব দেবেন। ভারতে কার্যকলাপ আরও বিস্তারের অংশ হিসেবে কোম্পানিটি বিভিন্ন পদে স্থানীয় প্রতিভা নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

    ভারত এআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বাজার (India)

    ভারত দ্রুতই অ্যানথ্রোপিকের জনপ্রিয় এআই সহকারী ক্লড.এআই-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হয়েছে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ভারত এখন বৈশ্বিকভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। ভারতে ক্লডের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার হচ্ছে কারিগরি কাজে—যেমন কোডিং, গণিতভিত্তিক কাজ, অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পুরানো সিস্টেম আপগ্রেড এবং প্রোডাকশন সফটওয়্যার রিলিজে। এতে স্পষ্ট হয় যে ভারতীয় ডেভেলপাররা এআইকে শুধু কনটেন্ট তৈরি বা চ্যাটের জন্য নয়, বরং জটিল প্রযুক্তির কাজেও ব্যবহার করছেন। ইরিনা বলেন, “দায়িত্বশীল এআই বিকাশের জন্য ভারত একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করে। দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবন উন্নয়নের সাফল্য—এই সমন্বয় ভারতকে বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় এআই সম্প্রসারণ ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলেছে (Claude Developers)।”

    রাহুল পাতিলের বক্তব্য

    অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ডেভেলপার সম্মেলনে অ্যানথ্রোপিকের প্রধান প্রযুক্তি আধিকারিক রাহুল পাতিল বলেন, “অসম্ভবও ভারতেই সম্ভব।” বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স শিক্ষক। তিনি বল্ডউইন ইনস্টিটিউশন, সেন্ট জোসেফস এবং পরে পিইএস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন, যেটিকে তিনি খুব কঠোর প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রযুক্তির প্রথম বর্ষেই তিনি তাঁর ভাবী (India) স্ত্রীকে চিনেছিলেন বলেও জানান। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, ভারত শুধু এআইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার নয়, বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব গঠনের ক্ষেত্রও।

    অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা। দেশে এক ডজনেরও বেশি সরকারি স্বীকৃত ভাষায় এক বিলিয়নের বেশি মানুষ কথা বললেও, এআই সিস্টেমগুলি ইংরেজিতে তুলনামূলক ভালো কাজ করে। এই সমস্যার সমাধানে ছ’মাস আগে কোম্পানিটি হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তেলুগু, তামিল, পাঞ্জাবি, গুজরাটি, কন্নড়, মালায়ালম এবং উর্দু—এই দশটি বহুল ব্যবহৃত ভাষায় পারফরম্যান্স উন্নত করার উদ্যোগ নেয়। উন্নত ও প্রতিনিধিত্বশীল প্রশিক্ষণ ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে সাবলীলতায় চোখে পড়ার মতো উন্নতি হয়েছে বলে কোম্পানি জানিয়েছে। ভারতীয় ভাষায় মডেল আরও শক্তিশালী করতে কাজ চলছে (Claude Developers)। কৃষি ও আইন খাতে ভারত-সংশ্লিষ্ট কাজ মূল্যায়নের জন্য অ্যানথ্রোপিক কারিয়া ও কালেকটিভ ইন্টেলিজেন্স প্রজেক্টের সঙ্গে কাজ করছে। ডিজিটাল গ্রিন ও আদালত এআইয়ের মতো অলাভজনক সংস্থার বিশেষজ্ঞরাও এতে যুক্ত। লক্ষ্য হল, মূল্যায়ন সরঞ্জামগুলি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা, যাতে অন্যরাও ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত এআই তৈরি করতে পারে।

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ

    অক্টোবর ২০২৫-এ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর থেকে ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ হয়েছে। বড় কর্পোরেট, ডিজিটাল-ফার্স্ট কোম্পানি এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি থেকে প্রবৃদ্ধি এসেছে (India)। এয়ার ইন্ডিয়া তাদের ডেভেলপারদের দ্রুত ও কম খরচে কাস্টম সফটওয়্যার তৈরি করতে ক্লড কোড ব্যবহার করছে। ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম ক্রেড ক্লড কোড ব্যবহারে ফিচার ডেলিভারি দ্বিগুণ দ্রুত এবং টেস্ট কভারেজে ১০ শতাংশ উন্নতির কথা জানিয়েছে। কগনিজ্যান্ট বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ক্লড ব্যবহার করছে সিস্টেম আধুনিকীকরণে। রেজরপে তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই যুক্ত করেছে। এন্টারপ্রেট ক্লড-চালিত এআই সহকারী তৈরি করেছে (Claude Developers)। স্টার্টআপ এমার্জেন্ট, যা ব্যবহারকারীদের সাধারণ ভাষায় সফটওয়্যার তৈরি করতে দেয়, ক্লড ব্যবহার করে পাঁচ মাসেরও কম সময়ে ২ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ও ২৫ মিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় অর্জন করেছে।

    ভারতে ক্লড ব্যবহার

    ভারতে ক্লড ব্যবহারের প্রায় ১২ শতাংশ শিক্ষা-সংক্রান্ত। অ্যানথ্রোপিক দেশের বৃহত্তম শিক্ষা-সংস্থা প্রাথমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। “এনিটাইম টেস্টিং মেশিন” নামের ক্লড-চালিত টুলটি বর্তমানে ২০টি স্কুলে ১,৫০০ শিক্ষার্থীর ওপর পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে ১০০ স্কুলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল ছেড়ে দেওয়া মহিলাদের জন্য প্রাথমের সেকেন্ড চান্স প্রোগ্রামেও এটি ব্যবহার হচ্ছে (India)। ওপেনঅ্যাগ্রিনেট উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান পৌঁছে দিতে ক্লড ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নূরা হেলথ ও ইন্টেলিহেলথের মতো সংস্থাগুলি ক্লড কোড ব্যবহার করছে। প্রায় ৫ কোটি বিচারাধীন মামলার প্রেক্ষাপটে আদালত এআইয়ের সহযোগিতায় হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইন চালু হয়েছে, যেখানে মামলার আপডেট, সারাংশ ও অনুবাদ পাওয়া যায়। অ্যানথ্রোপিক তাদের মডেল কনটেক্সট প্রোটোকল লিনাক্স ফাউন্ডেশনে দান করেছে। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয় প্রথম ভারতীয় সরকারি এমসিপি সার্ভার চালু করেছে (India)।

    ওপেনএআই, মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও ভারতে গবেষণা ও বাজার সম্প্রসারণ বাড়িয়েছে। ভারতের তিনটি বড় সুবিধা হল—বৃহৎ ডেভেলপার ভিত্তি, শক্তিশালী ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং বহুভাষিক বাস্তব ব্যবহার ক্ষেত্র (Claude Developers)। আগামী বছরগুলিতে ভারতের এআই বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। অ্যানথ্রোপিকের বেঙ্গালুরু অফিস উদ্বোধন স্পষ্ট করেছে, ভারত এখন আর শুধু বৈশ্বিক এআই প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বরং পরবর্তী এআই উদ্ভাবনের নির্মাতা ও অংশীদার (India)।

     

  • Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নতুন করে অস্থিরতায় পড়ল বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণ। এদিন নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণ (Oath Taking Row) নিয়ে বিরোধ বাঁধে। বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগে রাজপথে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় (Bangladesh)। এদিন অনুষ্ঠান শুরু হয় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণের মাধ্যমে। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। ওই নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

    দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার (Bangladesh)

    বিএনপির সাংসদরা প্রচলিত সংসদীয় শপথ নেন। যদিও তাঁরা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার করেন। এই পরিষদটি সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের এই অস্বীকৃতির ফলে শপথগ্রহণের ধারাবাহিকতা সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত হয়ে যায়। কারণ পরবর্তী পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামি ও ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-এর সাংসদদের শপথ নেওয়ার কথা ছিল। দ্বিতীয় পর্বের শপথের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই সনদ গণভোট থেকে উদ্ভূত একটি সংস্কার প্রক্রিয়ায় সাংসদদের ভূমিকা আনুষ্ঠানিক করা। ওই গণভোটে প্রায় ৬২ শতাংশ সমর্থন মেলে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ ১৮০ দিনের জন্য কার্যত একটি সাংবিধানিক সংস্কার সংস্থার ভূমিকা পালন করত। বিএনপি জানায়, পরিষদের কোনও বিধান এখনও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি এবং তাদের সংসদ সদস্যরা কেবল আইনপ্রণেতা হিসেবেই নির্বাচিত হয়েছেন (Bangladesh)।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে

    এই মতবিরোধের জেরে শাসক জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও প্রকাশ্যে চলে আসে। জামায়াতে ইসলামি এবং এনসিপি বিএনপির অস্বীকৃতির বিরোধিতা করে যুক্তি দেয় যে, গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী অবিলম্বে সাংবিধানিক পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রয়োজন। বিএনপি সংস্কার-সংক্রান্ত অঙ্গীকার না করলে তারা শপথগ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়ে দেয় (Bangladesh)। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি প্রবীণ নেতাদের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, জুলাই সনদ নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে এবং প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। দলটি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের আগে সংস্কারের পরিবর্তে আগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছিল, যদিও তাদের মিত্ররা ভোটের আগে সংস্কারের দাবি জানিয়েছিল (Oath Taking Row)।

    শপথ গ্রহণ

    অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর জামায়াত ও এনসিপির আইনপ্রণেতারা দিনটির পরবর্তী সময়ে উভয় শপথই গ্রহণ করেন। তবে বিএনপির কোনও সাংসদ সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় শপথ নেননি। ফলে সংসদের ভেতরে সংস্কার কাঠামো আংশিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তারেক রহমানের বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের প্রায় ১,২০০ অতিথির উপস্থিত থাকার কথা ছিল। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল-সহ অনেকে।

    সংসদের বাইরের উত্তেজনার আঁচ এসে আছড়ে পড়ে রাজপথেও। জামায়াত নেতারা নির্বাচনে অনিয়ম, ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং এনসিপি-সমর্থক এক নারীকে নোয়াখালিতে গণধর্ষণের অভিযোগ তুলে নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। নতুন সরকার (Oath Taking Row) দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এই সতর্কবার্তা জনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে (Bangladesh)।

     

  • Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর মঙ্গলবার শপথ নেন তিনি। দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়ের পাঁচ দিন পর হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি এদিন সকালেই ঢাকায় পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

    বিএনপির জয়জয়কার (Tarique Rahman)

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়। এক সময়ের মিত্র এবং বর্তমানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামে পরিচিত) পেয়েছে ৬৮টি আসন। অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে নির্বাচনে অংশই নিতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দলের ওপর জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী-সহ ৫০ জন

    এদিন তারেক ছাড়াও শপথ নিয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির মন্ত্রিসভায় মোট ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন টেকনোক্র্যাট। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৭ জনই নতুন (Bangladesh) মুখ, এবং সব প্রতিমন্ত্রীই প্রথমবারের মতো এই দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রহমান নিজেও প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন (Tarique Rahman)।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। সম্প্রতি প্রয়াত হন তিনি। ২০০৬ এর পর থেকে বাংলাদেশের রশি ছিল দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের হাতে। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় (Bangladesh) সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গড়ল বিএনপি (Tarique Rahman)।

  • AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এআই ডিভাইস পরে ওই সামিটে উপস্থিত হওয়ায় বিশেষভাবে নজর কাড়েন তিনি। ‘সর্বম কাজে’ (Sarvam Kaze) নামে পরিচিত এই যন্ত্রটি দেশীয় স্টার্টআপ সর্বম এআই (Sarvam AI)–এর তৈরি একটি স্বদেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পণ্য। ডিভাইসটি সামিটে তাৎক্ষণিকভাবে  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে এবং দায়িত্বশীল এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নীতিনির্ধারক, স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি জগতের বিশ্বনেতাদের একত্র করেছে। সর্বম কাজে সম্পূর্ণরূপে ভারতে নকশা ও নির্মিত একটি এআই ওয়্যারেবল হিসেবে বাজারজাত করা হবে, যা প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতার দিকেই ইঙ্গিত করে।

    সর্বম কাজে এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস (AI Summit 2026)

    সর্বম কাজে হল চশমার মতো একটি এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস, যা তাৎক্ষণিকভাবে শোনে, বোঝে এবং সাড়া দেয়। ব্যবহারকারী কী দেখছেন, সেটিও এটি ধারণ ও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। প্রচলিত স্মার্টফোন বা কম্পিউটার-নির্ভর এআই ব্যবস্থার তুলনায় এই ডিভাইস এআইকে সরাসরি বাস্তব জগতে নিয়ে আসে—যেখানে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে এআই ব্যবহার করা যায় এবং ফল দেখা যায় স্ক্রিনে। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে সংস্থাটি এতে একটি চ্যাট ফাংশন যুক্ত করবে। ডেভেলপাররাও এই প্ল্যাটফর্মে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন, যা বিভিন্ন শিল্পখাতে নির্দিষ্ট ব্যবহারিক ক্ষেত্র তৈরি করবে। মে মাসে পণ্যটি বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারত মণ্ডপমে প্রদর্শনী পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সর্বম কাজে ডিভাইস পরা অবস্থায় দেখা যায়। সর্বম এআইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রত্যুষ কুমারের শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ব্যবহার করে ডিভাইসটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা পরীক্ষা করছেন। এই উপস্থিতি স্টার্টআপ ও তাদের প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন ভারত নিজস্ব এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে।

    সর্বম এআই

    সর্বম এআই নির্বাচিত সংস্থাগুলির মধ্যে একটি, যা ভারতীয়দের প্রয়োজন মেটাতে স্বদেশি ভিত্তিমূলক এআই মডেল তৈরি করছে। সংস্থাটি ভারতীয় ভাষাভিত্তিক বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) ও স্পিচ মডেল তৈরি করছে। এই মডেলগুলি ভয়েস ইন্টারফেস, নথি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা এবং নাগরিক পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে। সম্প্রতি স্টার্টআপটি ‘সর্বম অক্ষর’ চালু করেছে নথি ডিজিটাইজেশনের জন্য, ‘সর্বম স্টুডিও’ চালু করেছে বহুভাষিক কনটেন্ট তৈরির জন্য এবং ‘সারাস ভি৩’ নামে একটি স্পিচ রেকগনিশন মডেল উন্মোচন করেছে, যা ভারতীয় ভাষায় নির্ভুলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’

    ভারত সরকারের বৃহত্তর ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর অংশ হিসেবে সর্বম কাজে চালু করা হয় মার্চ, ২০২৬-এ, ১০,৩৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে। এই মিশনের আওতায় ৩৮,০০০-এরও বেশি জিপিইউ স্টার্টআপ ও গবেষকদের সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ১২টি গোষ্ঠীকে স্বদেশি বৃহৎ ভাষা মডেল নির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ১৬ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এমন উদ্ভাবন প্রদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। দ্রুতগতিতে এআই রোডম্যাপ তৈরির পথে এগোতে গিয়ে ভারত ইতিমধ্যেই সর্বম কাজের মতো বিশ্বমানের স্বদেশি এআই প্রযুক্তি তৈরি করেছে।

     

  • Uttar Pradesh: ৩০ বছর ধরে জাল পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে বাস করছিল পাকিস্তানি মা-মেয়ে! চরবৃত্তির উদ্দেশ্যে?

    Uttar Pradesh: ৩০ বছর ধরে জাল পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে বাস করছিল পাকিস্তানি মা-মেয়ে! চরবৃত্তির উদ্দেশ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা ও মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মেরঠের পুলিশ। অভিযোগ, পাকিস্তানের নাগরিক হয়েও তারা প্রায় তিন দশক ধরে ভারতে বসবাস করছে। সমাজকর্মী রুখসানার অভিযোগ, মা ও মেয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা জাল আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড এবং ভারতীয় পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছে, পাকিস্তানের নাগরিকত্বও হাতছাড়া করেনি।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য (Uttar Pradesh)

    সংবাদ মাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে পুলিশ সুপার অবিনাশ পাণ্ডে জানান, দিল্লি গেট এলাকায় বসবাসকারী ফারহাত মাসুদ নামে এক ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁরা তথ্য পান। জানা যায়, সে পাকিস্তানে গিয়ে সাবা নামে এক মহিলাকে বিয়ে করে। ওই দম্পতির একটি কন্যাসন্তান পাকিস্তানেই জন্মগ্রহণ করেছে। সাবা ও তার মেয়ে, উভয়েই পাকিস্তানের নাগরিক। এসএসপি জানান, প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে অভিযুক্তরা বৈধ ভারতীয় নাগরিকত্ব ছাড়াই ভারতে বসবাস করছিলেন। সিটি সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশের পূর্ববর্তী অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় একটি আনুষ্ঠানিক এফআইআর দায়ের করা হয়। বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চলছে।

    প্রধান অভিযুক্ত

    এফআইআরে সাবা মাসুদ ওরফে নাজি ওরফে নাজিয়া এবং তার মেয়ে আইমান ফারহাতকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতারণা, জালিয়াতি, জাল নথির ব্যবহার এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী জানান, সাবা পাকিস্তানে ফারহাত মাসুদকে বিয়ে করে। আইমানের জন্ম হয় ১৯৯৩ সালের ২৫ মে, পাকিস্তানে। তিনি আরও বলেন, “সাবা ভারতে ফিরে এলে আইমান সাবার পাকিস্তানি পাসপোর্টে ভারতে ঢুকে পড়ে, যেখানে তার নাম ও জন্মতারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে।” রুখসানার দাবি (Uttar Pradesh), পাকিস্তানের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও মা ও মেয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ভারতীয় নাগরিকত্ব অর্জন না করেই মেরঠে বসবাস করছে। আইমান এ দেশেই পড়াশোনা করে, যদিও কখনওই বৈধ নাগরিকত্বের আবেদন করেনি। ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড়ের উদ্দেশ্যে জাল ও মনগড়া নথি প্রস্তুত করা হয়। সাবা মাসুদ ও নাজিয়া মাসুদ – এই দুই ভিন্ন নামে দুটি পৃথক ভোটার কার্ড জোগাড় করে। অভিযোগকারীর দাবি, এসব কর্মকাণ্ড পরিচয় গোপন ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে প্রতারণা করার শামিল।

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ রুখসানার

    রুখসানা তাঁর অভিযোগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগও উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, “অভিযুক্তরা জাল পাসপোর্ট ও নথির ভিত্তিতে একাধিকবার পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশে ঘুরেছে। সাবার বাবা হানিফ আহমেদ পাকিস্তানের নাগরিক।” রুখসানার দাবি, সে নাকি আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল, যার ফলে বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট সংবেদনশীল। অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্তরা প্রকৃত পরিচয় গোপন করে দিল্লির সেনা সদর দফতর ও বিভিন্ন সরকারি দফতরে যাতায়াত করত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগকারীকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথাও জানায়। তার জেরে কেউ তাদের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগ রাখেননি। যদিও শেষ রক্ষা হল না। শেষমেশ ধরাই পড়ে গেলেন (Uttar Pradesh)।

  • Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের অভিঘাত সীমাবদ্ধ নেই সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে। ক্রমে তা তীব্র আকার নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে একেবারে পাকিস্তানের প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে। যার জেরে সংঘাত বেঁধেছে পিসিবি ও পাক সামরিক বাহিনীর মধ্যে। পরিস্থিতি এমন যে পিসিবি প্রধানের কুর্সি নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ক্রিকেটে হারের জের, পাক রাজনীতিতে তোলপাড়

    বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় জয়ের মাধ্যমে সুপার ৮ পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে নিয়েছে ভারত। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে গ্রুপ এ-এর ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে ব্যাটে ও বলে একতরফা আধিপত্য দেখায় মেন ইন ব্লু। অন্যদিকে, ভারতের হাতে পাকিস্তানের এই পরাজয় শুধু মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি বিষয়টি পৌঁছেছে দেশের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির পর্যন্ত।

    ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা আসিম মুনির

    খবরে প্রকাশ, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দুর্বল ও নিম্নমানের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেনাবাহিনীর দৃষ্টিতে এই ম্যাচ শুধুমাত্র একটি ক্রিকেটীয় ব্যর্থতা নয়, বরং জাতীয় মর্যাদার বিষয় হিসেবেও দেখা হয়েছে। তাদের মতে, দলটি ম্যাচের জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত ছিল না। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, প্রতিরক্ষা সচিবের মাধ্যমে মুনিরের এই অসন্তোষের কথা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে জানানো হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দল নির্বাচন, প্রস্তুতি এবং প্রকাশ্য মন্তব্যের ধরন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর জেরে পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি বর্তমানে তীব্র চাপে রয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁকে পদ থেকে সরানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

    মোহসিন নকভিকে নিয়ে বিতর্ক

    এর আগে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আইসিসি বাতিল করার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে তারা। পিসিবির ওই আট দিনের নাটকের মাঝেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে মোহসিন নকভিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে আইসিসি শাস্তি দিতে পারে কি না। উত্তরে তিনি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নাম উল্লেখ করে বলেন, পাকিস্তান সরকার কাউকে ভয় পায় না। “সবাই আমাদের ফিল্ড মার্শালকে চেনে,” মন্তব্য করেন নকভি।

    সেনা সদর দফতরের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

    মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রিকেট ও প্রশাসনিক বিষয়ে নিজের নাম জড়ানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। অনুমতি ছাড়া তাঁর নাম ব্যবহার করায় সামরিক মহলেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তার উপর ভারতের কাছে পাকিস্তানের লজ্জাজনক পরাজয় পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। সূত্রের দাবি, ওই মন্তব্যের পরই রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত সেনা সদর দফতর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। সেনা নেতৃত্বের মতে, সেনাপ্রধানের নাম উল্লেখ করে পিসিবি চেয়ারম্যান নকভি সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িয়ে ফেলেছেন। এর ফলে একটি ক্রীড়াজনিত পরাজয় এখন পিসিবি চেয়ারম্যান ও সেনা নেতৃত্বের মধ্যে কৌশলগত বিরোধে রূপ নিয়েছে।

    নকভির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

    ইসলামাবাদের সূত্র জানিয়েছে, আসিম মুনির তাঁর সামরিক সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলোর দিকেও নজর আকর্ষণ করেছেন। এই ঘটনার পর জল্পনা বেড়েছে যে, পিসিবি চেয়ারম্যান হিসেবে নকভির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। সেনাবাহিনীকে সন্তুষ্ট করা এবং ক্রিকেট প্রশাসনের ওপর আস্থা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সাংগঠনিক পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে খবর।

  • Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR) বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত নির্দেশিকার বিরুদ্ধে একটি আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি, এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ আবেদনকারী জিমফারাহাদ নওয়াজের আবেদন বাতিল করে দেন। কোর্ট বলেছে, “আপনি কি চান যে আমরা ৩২ অনুচ্ছেদের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে আপনার বাবা, আপনার মা এবং আপনার ভাই কে, তা স্থির করি? নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) যান।”

    কেন আবেদন খারিজ (Election Commission)

    ভারতীয় সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা যায় কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবেদনকারী নাওয়াজের অভিযোগ ছিল, এসআইআর-এ (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনকে সংসদ, রাজ্য আইন সভা, রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে ভোটার তালিকা (Election Commission) তৈরি তদারকি, নির্দেশিকা এবং নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রদানকারী আইন পরিপন্থী।

    কোর্টের বক্তব্য

    আর এই জন্যই খারিজ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রত্যকে ব্লকে আলদা করে কাউন্টার খুলতে হবে। সেখানে সাধারণ মানুষ নথি জমা করতে পারবে। এলাকা সংক্রান্ত আপত্তিও জানাতে পারবে। তবে কমিশনের তরফে জানা গিয়েছিল, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে। পরে এই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৯৪ লক্ষে। সেই তালিকা ধরে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে যা চলেছে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (SIR) পর্বের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Election Commission) প্রকাশিত হবে।

    তৃণমূলের বিরোধিতা

    খসড়া (Election Commission) ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কিছু নামকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বিভাগে রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বানান বিভ্রাট, বয়স বা পিতামাতার তথ্যের অসঙ্গতি কিংবা তথ্যভিত্তিক অমিল। এধরনের কারণ দেখিয়ে সিস্টেম-জেনারেটেড অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে ওই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে এই রাজ্যের শাসকদল এসআইআর (SIR) ইস্যুতে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছে। বিজেপির অভিযোগ চূড়ান্ত পরিমাণে অসহযোগিতার কারণে কমিশনের কাজে অসুবিধার সৃষ্টি করছে তৃণমূল।

  • BNP: হাসিনা-ইস্যু ভারত-বাংলাদেশ বৃহত্তর সম্পর্কে বাধা হবে না, সরকার গঠনের আগে জানাল বিএনপি

    BNP: হাসিনা-ইস্যু ভারত-বাংলাদেশ বৃহত্তর সম্পর্কে বাধা হবে না, সরকার গঠনের আগে জানাল বিএনপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে তারা ভারত-বাংলাদেশের বৃহত্তর সম্পর্ক থেকে আলাদা রাখবে। যদিও তারা নয়াদিল্লির কাছে অপসারিত প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তরের জন্য চাপও অব্যাহত রাখবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের জায়গায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন বিএনপির নেতা তারেক রহমান। ঢাকার গুলশন এলাকায় দলের কার্যালয়ে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে একটি মাত্র ইস্যুর মধ্যেই কেন্দ্রীভূত করা উচিত নয়।”

    বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্য (BNP)

    তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জন্য জনমত রয়েছে এবং আমরা মনে করি ভারত তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা উচিত। কিন্তু হাসিনাকে বাংলাদেশে না পাঠালেও বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক-সহ বৃহত্তর সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে তা অন্তরায় হবে না। আমরা আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।” আজ, মঙ্গলবারই পরবর্তী সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২০২৪ সালের অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে যাওয়া শেখ হাসিনা ও আওয়ামি লিগের অন্য প্রবীণ নেতাদের হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার ভারতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে। গত সতেরো মাসে ভারত এসব অনুরোধের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আলমগির বলেন, “অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা, প্রাক্তন মন্ত্রী ও আমলাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে।”

    কিছু অমীমাংসিত উত্তেজনা রয়েছে

    তিনি স্বীকার করেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছু অমীমাংসিত উত্তেজনা রয়েছে। ফারাক্কা সংক্রান্ত গঙ্গা জল চুক্তির নবায়ন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের উদ্বেগ এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর বিষয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আলমগির বলেন, “আগামী বছরের আগেই গঙ্গা চুক্তির নবায়নের সময় ফরাক্কার জলের বিষয়টি উঠবে, তারপর রয়েছে সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রশ্ন—এসব বিষয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে।” মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারি না। আমাদের কথা বলতে হবে। যাঁরা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলেন, তাঁরা উন্মাদের মতো কথা বলেন।” তুলনা টেনে তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একে অপরকে সহযোগিতা করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে একটি মাত্র ইস্যুতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।”

    অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সমালোচনা

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলমগিরও দেশে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। সরকার গঠনের আগে  তিনি জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, “২০২৪ সালে অভ্যুত্থানের পর তারা জাতীয় সমঝোতা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। অভ্যুত্থানের নেতারাই অধ্যাপক ইউনূসকে বেছে নিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের নেতারা তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তী প্রধান (ইউনূস) তার বাইরে যেতে পারেননি।” আলমগির বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য, ব্যবসা, ডিজিটাল পরিকাঠামো ও কারিগরি শিক্ষায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “কারিগরি শিক্ষায় ভারতের সম্পদ রয়েছে এবং আমাদের বিপুল সংখ্যক বেকার তরুণ আছে। সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদের সাহায্য করতে হবে, যাতে তারা উপসাগরীয় দেশে চাকরি পেতে পারে।” তিনি এও বলেন, “আওয়ামি লিগ সরকারের নেওয়া বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্পগুলি বিএনপি সরকার পুনর্মূল্যায়ন করবে, কারণ এতে ঋণের বোঝা বেড়েছে।এই প্রকল্পগুলির মধ্যে যেগুলি বাংলাদেশের স্বার্থে কাজ করে, আমরা কেবল সেগুলিই রাখব।”

  • Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সোমবার ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। দুরন্ত অপরাজিত শতরান করে অজিদের থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। দলের এই দুর্দান্ত জয়ের পরে ২ ভারতীয়ের অবদানের কথা স্বীকার করেন শ্রীলঙ্কার হেড কোচ তথা সেদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য।

    ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’

    আগের দুই টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ-পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হওয়া শ্রীলঙ্কা এবার ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সুপার ৮ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক নিশাঙ্কা। অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে তিনি টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। শুধু ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিংয়েও নজর কেড়েছেন নিশাঙ্কা। পয়েন্ট পজিশনে দাঁড়িয়ে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সুইচ হিট করা বল অসাধারণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। অনেক সমর্থকই এই ক্যাচকে ইতিমধ্যেই ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

    জয়ের কারিগর রাঠৌর-শ্রীধর

    ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়সূর্য দলের সাফল্যের কৃতিত্ব দেন ভারতের দুই প্রাক্তন কোচ আর শ্রীধর এবং বিক্রম রাঠৌরকে। গত বছর পর্যন্ত এই দুজন টিম ইন্ডিয়ার কোচ ছিলেন। শ্রীধর ছিলেন ফিল্ডিং কোচ এবং রাঠৌর ছিলেন ব্যাটিং কোচ। বিক্রম রাঠৌর ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য ছিলেন এবং পাঁচ বছর ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে, শ্রীধর এখন লঙ্কাবাহিনীর ফিল্ডিং কোচের ভূমিকায়। অন্যদিকে, চলতি আইসিসি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত মাসে তাঁকে ব্যাটিং পরামর্শদাতা তথা কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছে শ্রীলঙ্কা। এই দুজন নিজেদের পূর্ণ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শ্রীলঙ্কাকে একটা সংঘবদ্ধ দলে পরিণত করেছেন। সেকথা স্বীকার করে নেন জয়সূর্য।

    ভারতীয় কোচেদের প্রশংসায় জয়সূর্য-শানাকা

    সাংবাদিক সম্মেলনে জয়সূর্য বলেন, “শ্রীধর আমাদের ফিল্ডিং কোচ এবং বিক্রম আমাদের ব্যাটিং কোচ। দু’জনেই খুব ভালো মানুষ। অনুশীলনে আমরা যা চাই, তাঁরা সেটাই করান। আইপিএল অভিজ্ঞতা নিয়ে বিক্রম খেলোয়াড়দের সঙ্গে দারুণভাবে কাজ করছেন। আমরা ব্যাটারদের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছি এবং তাঁদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছি। বিক্রম ও শ্রীধর সত্যিই অসাধারণ কাজ করেছেন।” শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকাও ব্যাটিং কনসালট্যান্ট বিক্রম রাঠৌরের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, রাঠৌর দলের ব্যাটারদের মধ্যে আরও আক্রমণাত্মক মানসিকতা গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিক্রম রাঠৌর আমাদের দলের জন্য খুব ভালো সংযোজন। তাঁর জ্ঞান এবং মানসিকতা—তিনি সবসময় চাইতেন আমরা আক্রমণাত্মকভাবে খেলি, যাতে খেলোয়াড়রা নিজেদের আরও মুক্তভাবে প্রকাশ করতে পারে। তিনি সত্যিই দলের জন্য মূল্যবান সংযোজন।”

    কার্যত ছিটকে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

    এদিকে, প্রথমে জিম্বাবোয়ের কাছে পরাজয়। এবার শ্রীলঙ্কার কাছে ম্যাচ হেরে প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার পথে অস্ট্রিলিয়া। মিচেল মার্শরা এখন খাদের কিনারায়। অন্য দলের খেলার দিকে তাকিয়ে। তবে, সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কারণ, আয়ারল্যান্ডকে যদি জিম্বাবোয়ে হারিয়ে দেয়, তাহলে, তারা সুপার-৮ পর্যায়ে চলে যাবে। ছিটকে যাবে অস্ট্রেলিয়া। এই গ্রুপ থেকে সোমবারই সুপার-৮ এ নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র আশা, যদি জিম্বাবোয়ে নিজেদের পরের দুটি ম্যাচই খুব বাজেভাবে হারে। এবং শেষ ম্যাচে যদি অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে যদি জেতে, তাহলে হয়ত কোনও একটা মিরাক্যল হতে পারে।

LinkedIn
Share