Blog

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বিল্ডার তথা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। দুজনের এই ‘অশুভ আঁতাত’ এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর বিদেশি পিস্তল-রহস্য

    সম্প্রতি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রাম্ত মামলায় তল্লাশি অভিযানের সময় সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস খুঁজতে গিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির হদিস পায় ইডি (ED)। ১ এপ্রিল বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ একটি ৭ এমএম বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে, যার গায়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ লেখা ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৫ জানুয়ারি ওই অস্ত্রটি সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দারের নামে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কেনা হয়েছিল জয়ের সংস্থা থেকে। তদন্তে উঠে আসে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার মাধ্যমেই অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল। অশ্বিনী দত্ত রোডে জয়ের অফিস থেকেই এই কেনাবেচা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, তিনি এই কেনাকাটা বা তাঁর নামে কোনও ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রী-র নামে সংস্থা, অথচ তিনিই জানেন না!

    পাশাপাশি, সোনা পাপ্পু ও জয়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও সামনে এসেছে। ইডির তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা একাধিক সংস্থার সঙ্গে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে। ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের সংস্থায় ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে জয়ের। এছাড়া ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে আর একটি সংস্থা সোনা পাপ্পুর নামে রয়েছে। এসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। পাশাপাশি, ‘হেভেন ভ্যালি’ নামে সোমা পোদ্দারের সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে ইডি—যদিও তিনি সবকিছুই অস্বীকার করেছেন।

    ৪ মাসে ৫০০ কোটি নগদ জমা, মোট লেনদেন ১১০০ কোটি!

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডির। ‘ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি’-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ কোটি টাকা জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে স্থানান্তরের তথ্যও সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মাত্র চার মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে জয়ের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্তত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। বর্তমানে ইডি জয়ের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার আইনজীবীর কথায়, “তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।”

    রবিবার দীর্ঘ জেরার পর বিকেল ৫টা নাগাদ জয় কামদারকে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু গ্রেফতারির পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে প্রথমে সল্টলেকের সেবা হাসপাতাল ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর কাছে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপ থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর অনুমতি পেলে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)অতিক্রম করতে বলা হয়েছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায়। গত ১৮ এপ্রিল ইরানি গার্ডরা দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি চালায়। এর পর ভারতীয় সেনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করেছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা সমস্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    নৌবাহিনীর নির্দেশ পেলে তবে যাত্রা

    ইরান ও আমেরিাকর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। শেষ ট্যাঙ্কার ‘দেশ গরিমা’ ১৮ এপ্রিল পার হয়। একই দিনে ‘জগ অর্ণব’ ও ‘সানমার হেরাল্ড’ নামের দুটি জাহাজ ইরানি গার্ডদের গুলির মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। হরমুজ পার হওয়ার পর ‘দেশ গরিমা’ এখন আরব সাগর-এ ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছে এবং ২২ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে ১৪টি ভারতীয় জাহাজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় সেনা তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে বারণ করেছে। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা হরমুজ পার হওয়ার পর ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    লারক দ্বীপ-এর গুরুত্ব

    লারক দ্বীপ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ইরানের তেল পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলে কড়া নজরদারি চালানো হয়—রাডার ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। লারক দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবস্থিত এবং প্রণালীর প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার আগে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহণ এই পথ দিয়েই হতো। এলাকায় একাধিক ইরানি ঘাঁটি রয়েছে, যেখান থেকে দ্রুতগতির ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালানো সম্ভব। বর্তমানে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে হরমুজ ও লারক দ্বীপের মাঝের রুট ব্যবহার করা হলেও, ওমান উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণ দিকের পুরনো পথটি মাইন থাকার আশঙ্কায় এড়িয়ে চলা হচ্ছে। ভারতীয় জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজের হরমুজ প্রণালী পার হওয়া এখন অনিশ্চিত।

  • Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে কৃষ্ণের মাংস খাওয়ার ছবি কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আলাপ্পুঝা জেলার চের্থালায় মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস দ্বারা প্রস্তুত ও বিতরণ করা বিষু শুভেচ্ছা কার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে চের্থালা পুলিশ যে মামলা দায়ের করেছে, অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অনিল ভিলায়িল-ই এমন দাবি তুলেছেন (Keralam Vishu AD Row)।  ওই কার্ডে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি ওঠে বিভিন্ন মহলে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ শেমির ও তাঁর সহযোগীরা। তিনি বলেন, “এই ধরনের মামলা পিনারাই বিজয়ন সরকারের নীতির অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে, যেখানে অপরাধীদের রক্ষা করা হয় এবং যারা তা প্রকাশ করে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।”

    মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় (Keralam Vishu AD Row)

    তাঁর আরও অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের বাড়িতে, এমনকি মহিলাদের ঘরেও পুলিশ ঢুকে পড়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে কথা বলা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। চের্থালার ঘটনাকে উল্লেখ করে ভিলায়িল বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কেরালামের প্রায় আটটি জায়গায়—মান্ডি দোকান, মায় একটি জুতোর দোকানেও—ভগবান কৃষ্ণকে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করে একই ধরনের বিষু শুভেচ্ছা দেখা গিয়েছে। বেঙ্গালুরুতেও এমন একটি ঘটনার খবর মিলেছে।”

    বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ড

    তাঁর মতে, এসব ঘটনা একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে উসকানি দেওয়া এবং প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন ও অনুরূপ ছবির বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, এবং চের্থালা পুলিশের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করেছে।” তিনি জানান, এই বিষয়টির মোকাবিলা করা হবে আইনানুগ পথে এবং জনমতের মাধ্যমে। ভিলায়িলের প্রশ্ন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ডটি যারা শেয়ার করেছে—রাজ্যের ভেতরে ও বিদেশে—তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কি না (Keralam Vishu AD Row)।” তিনি উল্লেখ করেন, ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

    কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে

    তিনি বলেন, “হিন্দুদের অনুভূতিতে গুরুতর আঘাত লাগার পরেও কেরালামের শাসক দল, বিরোধী দলের নেতা, কিংবা আলাপ্পুঝার সাংসদ ও এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কেউই কোনও প্রতিবাদ জানাননি।” তাঁর মতে, এলডিএফ ও ইউডিএফ—উভয় জোটের নেতৃত্বই এই ধরনের শক্তিকে উৎসাহ দিচ্ছে (VHP)। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে চের্থালায় অবস্থিত মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিষু-থিমযুক্ত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে ভগবান কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে—যার মধ্যে ভাজা মুরগি সহ একটি বিরিয়ানির প্লেটও রয়েছে। ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং চের্থালা ও আশেপাশের এলাকায় ভিএইচপি-সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে (Keralam Vishu AD Row)।

    পরে অভিযোগের ভিত্তিতে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচার সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে সহ-মালিক আরশাদ নামে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর থেকে এই ঘটনাকে ঘিরে আরও বেড়েছে বিতর্কের পরিসর। কারণ অন্যান্য জায়গা থেকেও অনুরূপ ছবি (VHP) প্রকাশের খবর মিলেছে। প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে কেরালামের বিভিন্ন অংশেও (Keralam Vishu AD Row)।

     

  • West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটে বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় দাঁড়িয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মানে হল ‘টোটাল মিসরুল অ্যান্ড করাপশন, সম্পূর্ণ অপশাসন ও দুর্নীতি ‘মা-মাটি-মানুষ’ আজ তৃণমূলের হাতে চরমভাবে বঞ্চিত।”

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি (West Bengal Elections 2026)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) অভিযোগ করেন যে, রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা জনকল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থপূরণেই বেশি ব্যস্ত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান বলেন, “জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে কেন্দ্র নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না। জোড়া ঘাসফুল হবে ছারখার। দুর্নীতি থাকবে না আর। ফুটবে এবার পদ্মফুল, এক নতুন বাংলা (West Bengal Elections 2026) গড়বে ফুল। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এইসব গুন্ডাদের সিধে করে দেওয়া হবে। একবার বাংলায় আমাদের সরকার হতে দিন, গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে!”

    শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নানুরের সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের নির্ভয়ে কাজ করার সাহস জোগান রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারী ইস্যু থেকে শুরু করে তোষণনীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি চরম সীমায়। অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিয়ে তৃণমূল শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের ক্ষতি করছে। এই সরকারের অপশাসনের কারণেই বাংলার মেধাবী যুবকদের আজ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম অরাজকতা

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা একসময় দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথপ্রদর্শক ছিল, কিন্তু বর্তমানে এখানে অরাজকতা বিরাজ করছে।” তিনি রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান। নানুর অঞ্চলটি বীরভূমের রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখান থেকে রাজনাথ সিংয়ের এই ‘কড়া বার্তা’ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণই করেননি, বরং ভোটারদের সামনে একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থার রূপরেখাও তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচার এখন ব্যাপক ভাবে জমজমাট।

  • India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ এপ্রিল ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই কথোপকথনে, উভয় রাষ্ট্রনেতাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের অধীনে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে দু’তরফে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে, প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছি। আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। আমরা আমাদের সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপকে সব ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি এবং হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি।”

    গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India US Talks)

    প্রসঙ্গত, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা ফের হওয়ার কথা এ মাসে। গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ব্যবসায়িক উন্নয়নের অংশ হিসেবেই এই আলোচনা হবে। সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (BTA)-র জন্য আলোচনা ফের শুরু হবে। একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল ২০ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করবে। সেই সময়ই হওয়ার কথা আলোচনা।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষের দিকে। তাঁর দাবি, ইরানি বন্দরগুলির অবরোধ এখন সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে তেহরান খুব কঠিন আঘাত পেয়েছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    হোয়াইট হাউসে একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী। প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আসলে এটা বেশ অবিশ্বাস্য হয়েছে… আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি, ফল নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। শেষ ফলটাই গুরুত্বপূর্ণ… এবং হয়তো সেটা খুব শীঘ্রই ঘটবে।” ট্রাম্প ফের বলেন, “ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই মূল লক্ষ্য। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না। আর যদি তাদের নতুন পারমাণবিক অস্ত্র থাকে, তাহলে আমাদের কিছু সময় তাদের সঙ্গে থাকতে হবে। কিন্তু আমি জানি না তারা আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে।”

     

  • Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) অবাধ ও স্বচ্ছ করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবারের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য ‘আন্ডারটেকিং’ বা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা অতীতে সচরাচর দেখা যায়নি। এই নির্দেশিকা কমিশনের পক্ষ থেকে জারি করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত, অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    অঙ্গীকারনামা গ্রহণ (Election Commission India) 

    কমিশন জানিয়েছে, ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগে ২০ মিনিট থেকে আধঘণ্টার একটি ট্রেনিং হবে। ট্রেনিংয়ের পর প্রিসাইডিং অফিসারদের অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। সব কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না, যা প্রশিক্ষণ দরকার ছিল তা পেয়েছেন কিনা, সেটাই মুচলেকায় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশিকায় আরও জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের ডিউটি সংক্রান্ত নির্দেশ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। তারপর ব্রিফিং শেষে অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করতে হবে। ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) শুরুর আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের এই মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে, তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বুথের ভেতর কোনও প্রকার অনিয়ম বা ছাপ্পা ভোটের ঘটনা ঘটলে, তার দায়ভার সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর বর্তাবে। এই অঙ্গীকারনামাটি মূলত আইনি রক্ষাকবচ এবং সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। এই মর্মে স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) লক্ষ্য হলো ভোট প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র ত্রুটি বা পক্ষপাতের অবকাশ না রাখা। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি। মূলত ভোটের ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং ভোটকর্মীদের (West Bengal Elections 2026) দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই কমিশন এই প্রথা চালু করছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর নৈতিক ও আইনি চাপ উভয়ই বৃদ্ধি পাবে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হতে পারে।

  • West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রাক্কালে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়ে তিনি এক বিশেষ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে এই শাসনকালকে বিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস জনকল্যাণমূলক কাজের পরিবর্তে জনসম্পদ আত্মসাৎ এবং ‘লুটপাট’-এ এক প্রকার পিএইচডি অর্জন করেছে। তাই পরিবর্তন চাই বাংলায়।”

    একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ

    রাজ্যের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে এসে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিক্ষক নিয়োগ, মিড-ডে মিল, একশো দিনের কাজ (MGNREGA) এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ত্রাণ তহবিলের মতো একাধিক সংবেদনশীল বিষয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তৃণমূলের মূল আদর্শ মা-মাটি-মানুষ আজ তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বর্তমানে কেবল অনুপ্রবেশকারী এবং ভোটব্যাংক রক্ষার স্বার্থে কাজ করছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “তৃণমূলের এই নির্মম শাসনে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে লুট হয়েছে। শিশুদের মিড-ডে মিলের টাকায় লুট। মনরেগার কাজে লুট। গরিবদের বাড়ির জন্য আসা টাকায় লুট। গ্রামের রাস্তা তৈরিতে লুট। সাইক্লোন ত্রাণের টাকায় লুট। ১৫ বছরে ওরা লুটপাটে পিএইচডি করে ফেলেছে।”

    রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত

    মেদিনীপুরের এই বিশাল সমাবেশ থেকে তিনি রাজ্যের যুবসমাজ ও মহিলাদের আশ্বস্ত করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সাথে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনকালকে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “দাঙ্গা, রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার চরম সীমায়। মা, মাটি, মানুষ—তৃণমূল কাউকেই ছাড়েনি। আমি এবার দেখছি, বাংলার নির্বাচন বিজেপি লড়ছে না, বিজেপির প্রার্থী বা কর্মীরা লড়ছে না… এই নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) লড়ছে আমার বাংলার মানুষ… আর সেই কারণেই আজ তৃণমূলের গুন্ডারা ভয়ে কাঁপছে।”

    লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের এই নির্বাচনী জনসভা (West Bengal Elections 2026) থেকে স্বচ্ছ প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। মোদি (PM Modi) বলেন, “আমি আশ্বস্ত করতে চাই বিজেপি সবকা সাথ, সবকা বিকাশ-এর পথেই চলবে, কিন্তু আগ্রাসনকারী ও লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি বাংলার যুবকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে বিজেপি সরকার রোজগার মেলার মাধ্যমে ভাতা এবং নিয়োগপত্র দেবে। তবে, যারা হাজার হাজার যুবকের সঙ্গে অবিচার করেছে, তাদের ছাড়া হবে না। আমি সমস্ত তৃণমূলের গুন্ডা, সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি। ২৯ এপ্রিলের আগে নিকটতম থানায় আত্মসমর্পণ করুন। ৪ মে-র পর কাউকে ছাড়া হবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া এবং তৃণমূলের সিন্ডিকেট, মন দিয়ে শুনুন, এটা আর বরদাস্ত করা হবে না।”

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকালে বেহালার বাড়ি থেকে এক ব্যবসায়ীকে আটক করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) ঘনিষ্ঠ জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। যদিও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে এবং একের পর এক আর্থিক লেনদেনের তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে। পাশাপাশি জয় ও সোনা পাপ্পুর নতুন সংস্থার খোঁজও মিলেছে।

    জয় কামদার-সোনা পাপ্পুর মধ্যে কোটি কোটি টাকার লেনদেন!

    ইডির হাতে উঠে এসেছে সোনা পাপ্পু ও জয়ের একাধিক সংস্থার মধ্যে কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য। ধৃত ব্যবসায়ীর সংস্থার সঙ্গে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেন করেছে সোনা পাপ্পু। ইডি আদালতে জানিয়েছে, জয়ের নামে ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, আরেকটি কোম্পানির খোঁজ মিলেছে এস পি কনস্ট্রাকশন নামে, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ইডির দাবি, সেই কোম্পানির অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর সংস্থার প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়। ইডির আরও দাবি, ‘ক্যালকাটা গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটি’ নামে একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে জয় কামদার প্রায় ৪০ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন। পাশাপাশি, ‘চিরাস এন্টারপ্রাইজ’ নামে আরও একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। কামদারের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে এই সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামেও একটি সংস্থার সন্ধান মিলেছে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দাবি করেন, তাঁর নামে কোনও কোম্পানি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

    কেন ইডির নজরে জয় কামদার?

    জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল এবং সেই সময় বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়, যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু সূত্র পায় ইডি। সেই সূত্র ধরেই সামনে আসে জয়ের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পু মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জয় কামদারকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এরপরই রবিবার সকালে বেহালায় তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    আরজি করে ভর্তি জয় কামদার

    গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন জয় কামদার। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার জেরেই জয় অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা যাচ্ছে। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। পরে সুস্থ হলে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনও জয়ের ওপর নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করার আবেদন জানানো হয় আদালতে। এদিকে, সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরে রবিবার বেহালার পাশাপাশি বালিগঞ্জেও অভিযান চালায় ইডি।

    কলকাতা পুলিশের ডিসিকে তলব ইডির

    একই দিনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। শেষ খবর, শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু তা-ই নয়, পুলিশ আধিকারিকের দুই পুত্রকেও তলব করা হয়েছে। সোনা পাপ্পু এবং বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুর ‘যোগসূত্র’-এর ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি করেছে ইডি। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে কাঁকুলিয়া রোডে গুলিচালনার ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম জড়ায়। সেই ঘটনায় তাঁর কয়েকজন সহযোগী গ্রেফতার হলেও মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা।

  • KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েও চোখে জল আসেনি, কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কাঁদিয়ে দিল রিঙ্কু-বরুণদের। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চলতি আইপিএলে অবশেষে জয় পেয়ে ম্যাচের সেরা বরুণ চক্রবর্তী বললেন, ‘‘২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে আমি ড্রেসিংরুমে কাউকে খুব একটা কাঁদতে দেখিনি। কিন্তু আজ জয়ের পরে অনেকের চোখেই জল দেখলাম। চোটের জন্য মরসুমের শুরু থেকে একের পর এক ক্রিকেটার ছিটকে গিয়েছে। সেই দলকে ছন্দে ফেরানো সহজ নয়। এমনই একটি জয় আমাদের প্রয়োজন ছিল। আশা করি, এই জায়গা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’’

    কাঁদলেন রিঙ্কু

    টানা ব্যর্থ। অবশেষে ২ পয়েন্ট এল ঝুলিতে। কেকেআর যেন কিছুটা অক্সিজেন পেল এই জয়ের পর। তবে এতগুলো ম্যাচের পর একটা জয় যেন আবেগের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিল। ছ’টা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটায় হার। একটামাত্র পয়েন্ট এসেছিল, সেটাও বৃষ্টির দৌলতে! সাত নম্বর ম্যাচের পর জয় এল। তার পরই কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকেই কাঁদলেন। ২৫ কোটির গ্রিন রান পাচ্ছিলেন না। একটা ম্যাচে বড় রান করলেন। তার পর আবার সেই এক পরিস্থিতি। ক্যাপ্টেন রাহানেকে নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যায় নাইটরা। মিডল অর্ডার দলকে ভরসা দিতে পারছে না। রাজস্থানের বিরুদ্ধেও ১৫৫ রান করতে গিয়েও কেকেআরের কালঘাম ছুটল। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচের নায়ক রিঙ্কু। সেই রিঙ্কু সিং অঝোরে কাঁদলেন এদিন। অফ ফর্ম চলছে। রান পাচ্ছিলেন না। রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। তার পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি।

    রেকর্ড বুকে বরুণ

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই খারাপ ফর্ম চলছিল। আইপিএলের শুরু থেকে খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। উইকেট পেলেও প্রচুর রান দিচ্ছিলেন। রাজস্থানের বিরুদ্ধে অবশেষে প্রত্যাবর্তন হল ‘আসল’ বরুণ চক্রবর্তীর। রানও কম দিলেন। তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেটও। ম্যাচের পর বরুণ জানালেন, হাড়ে চিড় নিয়েই তিনি আইপিএলে খেলছেন। তাঁর মতে, এখনও ট্রফি জিততে পারে কেকেআর। এ দিন দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০টি উইকেট নিলেন বরুণ। ১৫১টি ইনিংসে ২০০তম উইকেট পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিং। বরুণ পেলেন ১৫৫তম ইনিংসে। কুলদীপ যাদব (১৬০), জয়দেব উনাদকাট (১৬২) এবং মহম্মদ শামি (১৬৫) রয়েছেন বরুণের পরে। রবিবার ম্যাচের সেরাও হন বরুণ। তিনি বলেন, “পিচ খুব একটা আলাদা ছিল না। আইপিএলে যেমন পিচ হয় তেমনই হয়েছে। আজ একটু মন্থর গতির ছিল, যা আমরা কাজে লাগিয়েছি। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে আমি চোট পেয়েছিলাম। দুটো হাড়ে চিড় ধরেছিল। এখনও বাঁ হাতে চিড় দুটো রয়েছে। সেটা সামলেই খেলার চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন, তবু চেষ্টা তো করতেই হবে।” সাফল্যের নেপথ্যে গোটা কোচিং স্টাফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বরুণ।

LinkedIn
Share