Blog

  • Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বিরাট ধাক্কা খেল কংগ্রেস (Congress)। অসমের (Assam Election) উদালগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুরেন দাইমারি দল ছেড়ে দিয়েছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে নিজের প্রার্থীপদও প্রত্যাহার করেছেন তিনি। বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজিয়ন (বিটিআর)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে কংগ্রেস প্রার্থীর এহেন আচরণ দলের পক্ষে এক বিরাট ধাক্কা বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ (Assam Election)

    দল ছাড়ার আগে দাইমারি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে জানান, “মুসলিম তোষণ রাজনীতিই তাঁর দলত্যাগের কারণ। তিনি বলেন, “দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কারণ কোনও শীর্ষ নেতা আমার হয়ে প্রচারে আসেননি।” তাঁর দাবি, কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে তফশিলি উপজাতি (ST)-বিরোধী মনোভাব রয়েছে। তারা ব্যস্ত সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতিতে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদালগুড়ি ও আশপাশের অঞ্চলের নির্বাচনী সমীকরণে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

    অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন অসম বিধানসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাজ্যে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হবে ভোটগ্রহণ। অসমের প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল জানান, সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন (Congress)। আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী ব্যয়-সহ সব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে (Assam Election)। এসভিইইপি কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে ভোটারদের সচেতন করতে ব্যাপক প্রচারও চালানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩১,৪৯০টি ভোটকেন্দ্রেই (৩১,৪৮৬টি প্রধান ও ৪টি সহায়ক কেন্দ্র) এই সুবিধা চালু রয়েছে। এর ফলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, প্রধান নির্বাচন আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে রয়েছেন সিআরপিএফ (CRPF) কর্মীরাও, মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তাই সংবেদনশীল কেন্দ্রগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে মাইক্রো-অবজারভারও (Assam Election)। সব ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, ব্যবস্থা করা হয়েছে পানীয় জল, অপেক্ষা করার জায়গা, শৌচাগার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার। ভোটারদের লাইনের পাশে বসার ব্যবস্থা (বেঞ্চ) এবং মোবাইল ফোন নিরাপদে রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে (Congress)। নির্বাচন পরিচালনায় মোট ১,৫১,১৩২ জন ভোটকর্মী নিয়োজিত। ভোটগ্রহণের জন্য ৪১,৩২০টি ব্যালট ইউনিট, ৪৩,৯৭৫টি কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৪৩,৯৯৭টি ভিভিপ্যাট মেশিন রাখা হয়েছে।

    চুম্বকে ভোট তত্ত্ব

    সব মিলিয়ে মোট ৭২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২,৫০,৫৪,৪৬৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ১,২৫,৩১,৫৫২ জন পুরুষ, ১,২৫,২২,৫৯৩ জন মহিলা এবং ৩১৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৬৩,৪২৩ জন সার্ভিস ভোটারও রয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে ১৮–১৯ বছর বয়সী রয়েছেন ৬,৪২,৩১৪ জন, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ২,৫০,০০৬ জন এবং ২,০৫,০৮৫ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৬০(সি) অনুযায়ী ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিক ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়ি থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৬,০৩২ জন প্রবীণ (৮৫+) এবং ৮,৩৭৩ জন প্রতিবন্ধী এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন (Congress)। প্রধান নির্বাচন আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল সব পক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রত্যেক নাগরিক তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন (Assam Election)।

     

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

  • Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে তারা যে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অপারেশনই আপাতত স্থগিত থাকছে। যুদ্ধবিরতির খবর চাউর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে (ইরানের রাজধানী) অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জরুরি পরামর্শ জারি করে ভারতীয় নাগরিকদের এই সময়ে  দ্রুত ইরান ছেড়ে চলে যেতে বলে। দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নাগরিকদের অবশ্যই আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নির্ধারিত পথই ব্যবহার করতে হবে।

    কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর (Iran)

    সতর্কবার্তায় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্তে নিজ উদ্যোগে যাওয়া যাবে না। আধিকারিকরা বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের যাতায়াত দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করতে হবে।” যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলেও জানান তাঁরা। ভারতীয় নাগরিকদের সাহায্যের জন্য দূতাবাস কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করেছে। এগুলি হল—

    • +৯৮৯১২৮১০৯১১৫
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০২
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০৯
    • +৯৮৯৯৩২১৭৯৩৫৯

    ইরান ছাড়ার পরিকল্পনা করার সময় নাগরিকদের দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখান আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    কী বলা হয়েছিল আগের নির্দেশিকায়

    নয়া এই নির্দেশনা জারির মাত্র ১৬ ঘণ্টা আগে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানে থাকা সব ভারতীয় নাগরিককে ৪৮ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। দূতাবাস নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল সামরিক ও বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন, ভবনের উঁচুতলা থেকে দূরে থাকুন, চলাচল সীমিত রাখুন এবং সরকারি নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলুন। যাঁরা দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় থাকা আবাসনে রয়েছেন, তাঁদের ঘরের ভেতরে থাকার এবং সেখানে নিয়োজিত দূতাবাসের দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয়সড়কে যে কোনও ভ্রমণ অবশ্যই আধিকারিকদের জানিয়ে এবং তাঁদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করতে হবে।

  • West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে রাজ্যজুড়ে উঠেছে গেরুয়া ঝড়। নির্বাচনী প্রচার পথে-ঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীরা। আর তাতেই তৃণমূলের অপশাসনের অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে সোচ্চার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলসহ বিরোধীদলগুলি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঢল নেমেছে রাজ্যজুড়ে। আর সেই প্রবণতা প্রবল ভাবে দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad)। হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা করা আমরা ৭০ ওরা ৩০-এর জেলায় বিজেপিই যে শেষ ভরসা তা বুঝে গিয়েছেন হিন্দুরা। কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওইয়া হবে হিন্দুদের! চরম আতঙ্ক দেখেছে ওয়াকফের আন্দলনে। তাই প্রচার চলাকালীনই প্রার্থীর হাত ধরে হাতে তুলে নিচ্ছেন গেরুয়া পতাকা। ভরতপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষের হাত থেকে বিজেপির (West Benagl BJP) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বহু তৃণমূল কর্মী।

    স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বিজেপিতে (Murshidabad)

    অন্যান্য দিনের মতো প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির পুরনো কর্মী তথা ভরতপুরে দলীয় প্রার্থী অনামিকাদেবী। ভরতপুর (Murshidabad) ২ নম্বর ব্লকের সালু গ্রামের পথে পথে জনসংযোগ সারছিলেন তিনি। কথা বলছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তাদের অভাব অভিযোগ মন দিয়ে শুনছিলেন তিনি, আর তখনই বিজেপিতে (West Benagl BJP) যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন কয়েকজন তৃণমূলকর্মী। বিধানসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে বিজেপির প্রচারের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তাঁরা। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমর্থনে আপ্লুত প্রার্থী ও সঙ্গে থাকা বিজেপি নেতারা সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বিজেপিতে যোগদান করান। হাতে তুলে দেওয়া হয় দলীয় পতাকা। ওঠে জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা

    বিজেপির (West Benagl BJP) অভিযোগ, তৃণমূলের মদতে লাগাতার অনুপ্রবেশের জেরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জনবিন্যাস যে পরিকল্পিতভাবে বদলে ফেলা হয়েছে তা এখন বড় সমস্যা এই জেলার। এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে এই জেলা থেকেই। হিন্দুদের কেটে ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বললেও দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দেওয়াল লিখনে স্পষ্ট, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে।

    তবে শুধু হিন্দুরা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তাঁদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন তা বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের মুসলিমরাও। তৃণমূলের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে তাদেরও। তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করে তাদের অনেকেও যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

  • Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন (ISSF) আয়োজিত বিশ্বকাপে এক অভাবনীয় কৃতিত্বের নজির গড়ল ভারত। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে কেবল সোনা জয়ই নয়, বরং বিশ্বরেকর্ড গড়ে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতের দুই কনিষ্ঠ শুটার পলক গুলিয়া এবং মুকেশ নেলাভল্লি। তাদের এই অবিস্মরণীয় জয় ভারতীয় ক্রীড়া মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক যোগ করল।

    অদম্য লড়াই (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli)

    প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই পলক ও মুকেশ অসামান্য একাগ্রতা ও লক্ষ্যভেদ প্রদর্শন করেন। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে কার্যত কোনও সুযোগ না দিয়েই তাঁরা শীর্ষস্থান দখল করে নেন। সোনা জয়ের পথে তাঁরা যে স্কোর খাড়া করেছেন, তা এই ইভেন্টের বিশ্বরেকর্ডকে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভেঙে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে চাপের মুখে পলকের শান্ত মেজাজ এবং মুকেশের নির্ভুল নিশানাবাজি দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে। বিদেশের প্রতিকূল কন্ডিশনে এই দুই ভারতীয় তারকার জয় প্রমাণ করে দিল যে ভারতের তরুণ প্রজন্মের শুটাররা বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব (ISSF) করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল

    সোনাজয়ী পলক বলেছেন, “মিক্সড টিম ইভেন্টে জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল। নতুন ফরম্যাটে চারটে দল ফাইনালে খেলে। ফলে লড়াই আরও বেশি। ফলে শুরুটা ভালো হওয়া জরুরি। আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমি অবশ্য মুকেশের সঙ্গে নয়, আমার নিজের সঙ্গে লড়াই করছিলাম। মুকেশ আমার কাজটা সহজ করে দিয়েছে।” একই ভাবে সোনাজয়ী মুকেশ বলেন, “ভারতের হয়ে সিনিয়র স্তরে এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। নিজের সেরাটা দিয়েছি। ফাইনালে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখেছিলাম। আমি আর পলক নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছিলাম। কে বেশি স্কোর করতে পারে সেই লড়াই চলছিল। সেই লড়াই করতে গিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।”

    ক্রীড়ামহলে উদ্দীপনা

    পলক এবং মুকেশের এই অভাবনীয় সাফল্যে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভারতের জাতীয় রাইফেল সংস্থা এবং ক্রীড়ামন্ত্রক অভিনন্দন জানিয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অলিম্পিকের আগে এই ধরনের সাফল্য ভারতীয় শুটিং দলের (ISSF) আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। তাঁদের এই কৃতিত্ব কেবল স্বর্ণপদকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আগামীর তরুণ প্রজন্মের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

  • BCB: বিসিসিআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতির উদ্যোগ! বিসিবি-র দায়িত্বে তামিম ইকবাল, অপসারিত বুলবুল

    BCB: বিসিসিআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতির উদ্যোগ! বিসিবি-র দায়িত্বে তামিম ইকবাল, অপসারিত বুলবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনে বড় পরিবর্তন। প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)-কে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করল সরকার। একই সঙ্গে অপসারিত হলেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam Bulbul)। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিসিবি-র পরিচালন পর্ষদও। বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (NSC) একটি ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন তামিম। এই কমিটির মূল দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বিসিবি-র নির্বাচন সম্পন্ন করা।

    কেন এই বড় সিদ্ধান্ত?

    এনএসসির ডিরেক্টর আমিনুল এহসান বলেছেন, ‘‘তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ তিন মাস। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে বিসিবির নির্বাচন হবে। আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থাকে (আইসিসি) জানানো হয়েছে।’’ সূত্রের খবর, টি-২০ বিশ্বকাপ ঘিরে বিতর্কই এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল (Asif Nazrul) ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের ম্যাচ খেলতে অনুমতি দেননি। তাঁর দাবি ছিল, আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমান (Mustafizur Rahman)-কে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানো হোক। এই পরিস্থিতিতে বুলবুলের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ে বোর্ডের ভেতরে। ইতিমধ্যেই বিসিবি-র ছয়জন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, তামিম ইকবালের হাতে বিসিবি-র দায়িত্ব তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। যার অন্যতম লক্ষ্য ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

    বিসিসিআইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত

    এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে হল, যখন বিসিবি ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যোগাযোগ করেছে। নতুন সভাপতি হিসেবে তামিমের নিয়োগ সেই প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট মহল। তামিমের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন প্রাক্তন অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন (Minhajul Abedin)এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহর আলি খান (Athar Ali Khan)-সহ একাধিক পরিচিত মুখ। এই সিদ্ধান্তের কথা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)-কে জানানো হয়েছে। যদিও আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়, তবুও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন করার আশ্বাস থাকায় কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

     

     

     

  • West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি সেই ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বিরুদ্ধে জবরদস্ত প্রার্থী দিল বিজেপি। সদ্য জামিনে মুক্ত রাকেশ সিংকে (Rakesh Singh) ওই কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে পদ্মশিবির (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল এই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা বাকি ছিল বিজেপির। রাকেশের নাম ঘোষণা করে প্রার্থিতালিকা সম্পূর্ণ করল পদ্মশিবির।

    রাকেশ সিংকে গ্রেফতার (West Bengal Assembly Election)

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিজেপি নেতা রাকেশকে। কংগ্রেসের অফিস বিধান ভবনে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বিহারে রাহুল গান্ধীর মিছিলে ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের অফিসে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পর পরেই গা-ঢাকা দেন দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতা। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ-সহ চারজনকে। রাকেশের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা।

    জামিনে মুক্তি পেতেই মিলল টিকিট

    সোমবার রাকেশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই দিনই গাড়িতে বসা অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এই বিজেপি নেতা। ক্যাপশনে লেখেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘‘১৬৩ দিনের সংগ্রামের পর আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬টি মিথ্যা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে (West Bengal Assembly Election)।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারই ষষ্ঠ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তাতেই ছিল রাকেশের নাম। রাকেশকে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোমর বেঁধে পুরো দমে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাকেশ। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা বন্দরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুরু করে দেন জনসংযোগও (Rakesh Singh)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রাকেশের মতো পরিচিত ও লড়াকু নেতাকে দাঁড় করিয়ে বিজেপি এক মস্ত চাল দিল। বন্দর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত। সেখানেই রাকেশকে প্রার্থী করে পদ্ম শিবির বুঝিয়ে দিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ (West Bengal Assembly Election)!

     

  • Jammu Kashmir: বানচাল নাশকতার ছক! আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের পর্দা ফাঁস, কাশ্মীরে গ্রেফতার দুই পাক মদতপুষ্ট-সহ ৫ জঙ্গি

    Jammu Kashmir: বানচাল নাশকতার ছক! আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের পর্দা ফাঁস, কাশ্মীরে গ্রেফতার দুই পাক মদতপুষ্ট-সহ ৫ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংসের অভিযানে বড় সাফল্য পেল জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ (Jammu and Kashmir Police)। মঙ্গলবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করল জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ। তাদের মধ্যে আছে দু’জন পাকিস্তানি জঙ্গিও। ধৃতদের মধ্যে আছে আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা। গত ১৬ বছর ধরে তার খোঁজ করছিল পুলিশ। জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে থেকেই সেখানে হামলার ছক করত সে। তাকে পাঞ্জাব রাজ্যের এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য তিনজন শ্রীনগরের। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণের পর এই চক্রটির হদিস মেলে। তদন্তে উঠে এসেছে, লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত এই মডিউলটি একাধিক রাজ্যে বিস্তৃত ছিল এবং সুসংগঠিত ভাবে কাজ করছিল।

    পহেলগাঁও হামলার মতোই পরিকল্পনা!

    গত বছর এই এপ্রিল মাসেই পহেলগাঁওয়ে নিরীহ হিন্দু পর্যটকদের উপর গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। চলতি বছরেও পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তি হিসেবে উপত্যকায় বড় ধরনের হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল জঙ্গিরা। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ফের সাফল্য পেল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার পাঁচ সদস্যকে। ধৃতরা সেখানে বড় ধরনের হামলার ছক কষেছিল। তার আগেই আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের ( terror module) পর্দা ফাঁস করল পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাকিস্তানি-সহ লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)-র পাঁচ সদস্যকে। যাদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ পাক অপারেটিভ আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা।

    আবু হুরেইরা কে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর এলাকার বাইরে ঘাঁটি গেড়েছিল আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা। সেখান থেকেই এত দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসমূলক কাজ পরিচালনা করত সে। আড়ালে থেকেই সেখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসমুলক কাজের নির্দেশ দিত পাকিস্তানি এই লস্কর-ই-তৈবা সদস্য। আবদুল্লার সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে আরও এক পাকিস্তানি জঙ্গি ( Pakistani terrorist) উসমান ওরফে খুবাইব-কে। পুলিশের দাবি, জম্মু কাশ্মীরে পুলিশ এবং সেনার উপর হামলার বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে এই দু’জন জড়িত। পাঞ্জাবের মালেরকোটলা এলাকা থেকে ধরা হয়েছে দু’জনকে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের খবর, খুবাইব প্রায় ১৬ বছর আগে ভারতে অনুপ্রবেশে করেছিল। তখন থেকেই সে গোয়ান্দাদের নজরে ছিল। বারবার সে তদন্তকারীদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছে। সূত্রের খবর, পহেলগাঁও বর্ষপূর্তির আগে ভারতকে ফের রক্তাক্ত করার ছক করছিল এই জঙ্গিদলটি। গ্রেফতার হওয়া বাকি তিনজন শ্রীনগরের বাসিন্দা—মহম্মদ নাকিব ভাট, আদিল রশিদ ভাট এবং গুলাম মহম্মদ মীর ওরফে ‘মামা’। অভিযোগ, তারা জঙ্গিদের আশ্রয়, খাবার এবং অন্যান্য সহায়তা দিত।

    আবু হুরেইরার ভূমিকা

    পুলিশ সূত্রে খবর, আবু হুরেইরা ২০১১ সাল থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় ছিল এবং ধীরে ধীরে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। তদন্তে উঠে এসেছে, আবু হুরেইরা লস্করের অর্থায়ন ও অপারেশনাল কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। সে মূলত বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করত এবং শ্রীনগর অঞ্চলে ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (OGWs) সঙ্গে সমন্বয় রাখত। পুলিশের দাবি, সে প্রায় ৪০ জন বিদেশি জঙ্গিকে পরিচালনা করেছে, যাদের অধিকাংশই পরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে। এছাড়া পরিবহন, অস্ত্র সরবরাহ ও অর্থ জোগাড়ের ক্ষেত্রেও সে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করত। জানা গিয়েছে, শ্রীনগরের হারওয়ান এলাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের আগে সে কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ। তদন্ত এখনও চলছে এবং এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    লস্কর-ই-তৈবা-র এক গভীর নেটওয়ার্কের সন্ধান

    সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তাদের কাছে খবর ছিল, উপত্যকায় লুকিয়ে রয়েছে একটি জঙ্গি দল। তাদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে যোগ রয়েছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠন লস্করের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান (Rajasthan) এবং হরিয়ানা (Haryana)-সহ ১৯টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। ওই তল্লাশিতেই উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন আপত্তিকর সামগ্রী। এই তদন্তে লস্কর-ই-তৈবা-র একটি গভীর শিকড়যুক্ত নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তাদের রসদ ও আর্থিক সাহায্য করা করত তার খোঁজও পাওয়া গিয়েছে এই তল্লাশি অভিযানে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সাহায্যে এক বিদেশি জঙ্গি ভুয়ো নথি ও পরিচয় ব্যবহার করে বিদেশে যাতায়াত করেছিল। এছাড়াও, ধৃত জঙ্গিরা প্রায় ১৫–১৬ বছর আগে ভারতে অনুপ্রবেশ করে কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন জেলায় সক্রিয় ছিল। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। ওই জঙ্গিদের আর কী ছক ছিল এবং অন্য সদস্যরা কোথায় গা-ঢাকা দিয়ে আছে তার খোঁজ চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

     

  • West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটি গড়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এই কমিটি গঠনের কথা সোমবারই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো গড়া হল কমিটি। সোমবারই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল (West Bengal Assembly Election), ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালেরই প্রয়োজন একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। সেই প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্যই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে, কমিটিতে থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। ট্রাইবুনালের ১৯ জন বিচারপতি কোন পদ্ধতি মেনে কাজ করবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে এই কমিটি।

    এসআইআরের তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীনের তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই সব ভোটারের তথ্য যাচাই নিষ্পত্তির কাজ করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সোমবার রাতেই সেই কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের (West Bengal Assembly Election)।

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ

    এই বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১৯ জন বিচারপতি আপিল ট্রাইবুনালে ‘বিচার’ করবেন। কোন পদ্ধতিতে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করবেন ওই  বিচারপতিরা, তা ঠিক করার জন্যই গড়া হল কমিটি। প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনাল চালু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত দিনে তা চালু না হলেও, পরে হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের আবেদনেরও নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। উল্লেখ্য যে, যাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরা কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বিশেষ আবেদনের ভিত্তিতেই (Calcutta High Court) তাঁদের সমস্যার নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। যদিও সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাদ পড়া ভোটাররা এবারের নির্বাচনে আদৌ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রয়ে গিয়েছে সংশয় (West Bengal Assembly Election)।

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফায় ভোট গ্রহণ হবে ওই মাসেরই ২৯ তারিখে। তার মধ্যে যাতে সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে যায়, তারই চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন।

     

  • India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দিকে নজর দিলে পাকিস্তানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে। পাকিস্তানের তরফে কলকাতায় হামলার হুমকির জবাবে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Khawaja Asif) মন্তব্য করেছিলেন, ভবিষ্যতে কোনও সংঘাত হলে ইসলামাবাদ কলকাতায় হামলা চালাতে পারে। সেই মন্তব্যেরই জবাবে ব্যারাকপুরে এক জনসভা থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন উসকানিমূলক মন্তব্য করা উচিত হয়নি। ৫৫ বছর আগে তারা এর ফল ভুগেছে, যখন পাকিস্তান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। এবার যদি বাংলার দিকে নজর দেয়, তবে কত ভাগে ভাঙবে, তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন।”

    ইসলামাবাদকে জবাব

    ৫৫ বছর আগে কী হয়েছিল মনে আছে তো? ভোটপ্রচারে ব্যারাকপুরে এসে পাকিস্তানকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা স্মরণ করান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, ‘৫৫ বছর আগের কথা মনে রাখা উচিত পাকিস্তানের। কী করে দু’টুকরো হয়েছিল! আবার কিছু করার চেষ্টা করলে পরিণতি কী হবে, সেটা ওরাই বুঝতে পারবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এখানে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, যখন ভারতের সামরিক পদক্ষেপের পর পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে ওঠে। এদিন তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভারত সর্বদা প্রস্তুত। পাকিস্তান যদি কোনও রকম ‘মিসঅ্যাডভেঞ্চার’ করে, তবে ভারত নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না।

    কী বলেছিল পাকিস্তান

    গত বৃহস্পতিবার ভোটমুখী কেরালায় দলের প্রচারে গিয়ে পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিলেন রাজনাথ। বলেছিলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান এখনও শেষ হয়নি। পাকিস্তান আবার কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করা হবে। রাজনাথের এই মন্তব্যের পরেই পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারত ফের সাজানো হামলার ছক কষছে। তাতে ভারতীয়দের পাশাপাশি ভারতের জেলে বন্দি পাকিস্তানিদেরও ব্যবহার করা হতে পারে। এই প্রসঙ্গেই খোয়াজা কলকাতাকে টেনেছেন। সেই সূত্রে তাঁর দাবি, ‘এর পর কলকাতা পর্যন্ত হামলা চালাবে পাকিস্তান!’ এ বার তার জবাব দিলেন রাজনাথ। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক মন্তব্য ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে ভারত-পাক সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

LinkedIn
Share