Blog

  • Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি অসমে বিশেষ সংশোধন (SR) ২০২৬-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রাজ্যের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রই অন্তর্ভুক্ত। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে অসমে মোট ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ১৩৯ জন ভোটার রয়েছেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে (Assam Election Commission)

    নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খসড়া ভোটার তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৮৫ জন। খসড়া তালিকায় যেখানে মোট ভোটার ছিল ২ কোটি ৫২ লাখ ১ হাজার ৬২৪ জন, সেখানে ঝাড়াই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কমেছে। অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Electoral Officer) জানান, সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলির নিষ্পত্তি এবং বিস্তারিত যাচাইয়ের পরই এই চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নির্ধারিত হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকার লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটারদের মধ্যে প্রায় সমতা বজায় রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৩ জন এবং মহিলা ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৩৪৩।

    খসড়া ভোটার তালিকা

    বিশেষ সংশোধন ২০২৬-এর জন্য সমন্বিত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫। তার আগে, ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত অসমজুড়ে ব্যাপক বাড়ি-বাড়ি যাচাই অভিযান (house-to-house verification) চালানো হয়। এই সময় বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করেন এবং সংশোধন ও সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, নাগরিকদের ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচন আধিকারিকরা জানান, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে সমস্ত আবেদন সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার সময়সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে। সেখানে ভোটার তালিকার চূড়ান্ত প্রকাশের তারিখ বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ করা হয়েছে। বৃহৎ পরিসরে তথ্য সংগ্রহ এবং ভোটকেন্দ্রগুলির যথাযথ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আবার নাগরিকদের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। কমিশনের মতে, নির্ভুল ও আপডেটেড ভোটার তালিকা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।

     

  • Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোতে পারে ব্রিটেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। মন্ত্রিসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পর স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যার ফলে তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

    স্টারমারকে পদত্যাগ করতে বলা হয় (Britain)

    স্টারমারকে প্রথম পদত্যাগ করতে বলেন স্কটিশ লেবার নেতা আনাস সারওয়ার। ম্যান্ডারসন বিতর্ককে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন। একসময় স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত সারওয়ার বলেন, “দেশের স্বার্থে স্টারমারের সরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে ভালো হবে।” তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একের পর এক গুরুতর ভুল করেছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে নেতৃত্ব পরিবর্তন জরুরি। সারওয়ার জানান, যেখানে তিনি ভুল দেখবেন, সেখানেই তিনি মুখ খুলবেন। জানা গিয়েছে, প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন। এরপরই ১০ ডাউনিং স্ট্রিটকে কার্যত ‘সংকটকালীন অবস্থায়’ রাখা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির মন্ত্রীদের প্রকাশ্যে স্টারমারের পক্ষে অবস্থান নিতে বলা হয়, অন্যথায় তাঁদের মন্ত্রিসভার পদ হারানোর ঝুঁকির কথা জানানো হয়। এসব ঘটনা এমন এক সময় ঘটছে, যখন চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের পর তার রাজনৈতিক অভিঘাত এখনও ওয়েস্টমিনস্টারে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি

    শুরুর দিকে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবে সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এবং আর্থিক বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায়, ভিন্নমতাবলম্বী মন্ত্রীরা শেষ পর্যন্ত ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই সব মন্ত্রিসভার সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানান। পরে সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি যেসব রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন, তার প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আপাত ঐক্যের মধ্যেও সরকারের ভেতরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা স্টারমারের সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের অভিযোগ, স্ট্রিটিং আনাস সারওয়ারের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করছেন। স্ট্রিটিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং স্টারমারের পক্ষে দেওয়া নিজের প্রকাশ্য বক্তব্যের কথা তুলে ধরেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেও, রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়েস স্ট্রিটিং। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিটার ম্যান্ডারসনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তালাপ প্রকাশ করা ছিল একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, স্টারমারের পরিবর্তে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের আলোচনা শুরু হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় স্ট্রিটিংয়ের নাম উঠে আসে।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে (Hindu Businessman) তাঁর দোকানের ভেতরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করে দুষ্কৃতীরা ১৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আগে হিন্দু হত্যাকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেছেন আন্তর্জাতিক মহল।

    পেশায় ছিলেন চাল ব্যবসায়ী (Bangladesh)

    নিহত ব্যক্তির নাম সুশেন চন্দ্র সরকার (৬২)। তিনি ময়মনসিংহের (Bangladesh) ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক। পেশায় তিনি একজন চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু হত্যা (Hindu Businessman) চলছে। এবার এই লিস্টে আরও এক হিন্দুর হত্যা যুক্ত হলো।

    কীভাবে করা হয়েছে হত্যা?

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সুশেন চন্দ্র যখন তাঁর দোকানের ভেতরে ছিলেন, তখন অজ্ঞাতপরিচয় একদল দুষ্কৃতী হামলা করে। প্রথমে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর (Hindu Businessman) ওপর চড়াও হয়। এরপর শাটার নামিয়ে দোকানের ভিতরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই হত্যার পেছনে সঠিক কারণ কী, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই হত্যার পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে, তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপট

    গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কট্টরপন্থী ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে বেশ কিছু স্থানে হামলা ও উত্তেজনার খবর মারাত্মক আকার নিয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক পোশাক শ্রমিককে (Hindu Businessman) পিটিয়ে হত্যা করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার গত বছর কালীগঞ্জে লিটন চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী গণপিটুনিতে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধারাবাহিক হামলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং হিন্দু সংগঠনের নেতারা সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে এই হিন্দু হত্যা নিয়ে এখনও কোনও সদর্থক ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্ত উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর (Manipur)। মেইতেইদের পর এবার কুকি জঙ্গিরা টার্গেট করেছে টাংখুল নাগা সম্প্রদায়কে। কুকি জঙ্গিরা (Kuki Militants) উখরুল জেলায় টাংখুল নাগা গ্রামবাসীদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। কুকি সশস্ত্র জঙ্গিদের এই হামলার পর ফের উত্তেজনা বেড়েছে গোটা জেলায়। রবিবার গভীর রাতে মণিপুরের উখরুল জেলায় সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার জেরে বৃহত্তর সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, টাংখুল নাগা পুরুষদের একটি দলের ওপর কুকি জঙ্গিদের হামলার পরেই ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।

    নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে পাথর ছোড়াছুড়ি (Manipur)

    উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে শনিবার রাতে,  যখন লিতান গ্রামে কুকি গোষ্ঠীর সদস্যরা রাজ্যের সবচেয়ে বড় নাগা উপজাতি টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের এক সদস্যকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়, যখন নাগা বাসিন্দারা কুকি গ্রামের প্রধানের কাছে গিয়ে হামলাকারীদের আত্মসমর্পণের দাবি জানায়। এর জেরে সন্ধ্যায় উখরুল শহর ও রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলের মাঝখানে অবস্থিত লিতানের কুকি-জো এলাকায় নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র পাথর ছোড়াছুড়ি হয়। পরে সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একাধিক টাংখুল নাগা পুরুষকে মারধর করে, যাতে অনেকেই জখম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে সোমবার মধ্যরাতের দিকে (Kuki Militants) লিতান সারেইখং এলাকায় টাংখুল মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি বাড়ি আগুনে পুড়ে গিয়েছে (Manipur)।

    নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরাই এসে নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন লাগায়। তারা নাগা গ্রামবাসীদের আতঙ্কিত করতে গুলিও চালায়। কর্তৃপক্ষ এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করছে। এলাকা এখনও থমথমে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুখোশধারী ও ছদ্মবেশী লোকজন বিভিন্ন কাঠামো এবং যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। অন্যরা আকাশের দিকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি ছুঁড়ছে।উল্লেখ্য যে, অতীতেও বহুবার কুকি জঙ্গিরা নাগা সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। মণিপুরে মে ২০২৩ থেকে জাতিগত সংঘর্ষ চলছে। কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে রাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন (Manipur)।

    কুকি বিধায়কদের হুমকি

    এন বিরেন সিংয়ের সরকার গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেছিল। আর গত সপ্তাহেই মণিপুরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী খেমচাঁদ সিং, কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের ৩৬টি সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা গড়ে তোলার কথা বলছেন। তবে কুকি জঙ্গিরা নতুন সরকারে কুকি বিধায়কদের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছে। তারা কুকি বিধায়কদের হুমকি দিয়ে বলেছে, নিজের ঝুঁকিতে সরকারে যোগ দিতে। এই অবস্থায় টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের ওপর কুকি জঙ্গিদের সাম্প্রতিক হামলা অশান্ত এই রাজ্যে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি (Kuki Militants) গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Manipur)।

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

  • Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেক বাউন্স মামলায় দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav)। তার ঠিক আগে আগে নিজের আর্থিক সঙ্কটের কথা প্রকাশ্যে (Court) জানান অভিনেতা। ‘ভুলভুলাইয়া’ (২০০৭), ‘হাঙ্গামা’ (২০০৩) ও ‘ঢোল’ (২০০৭)-এর মতো ছবিতে কৌতুক অভিনেতার চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত বছর চুয়ান্নর এই অভিনেতা বলেন, “আমার কাছে কোনও টাকা নেই, কোনও বন্ধুও নেই, আর আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আমার আর কোনও উপায়ও নেই।”

    তিহার জেলে আত্মসমর্পণ (Rajpal Yadav)

    দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করার পর রাজপাল তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা না করায় আদালত আর কোনও ছাড় দিতে অস্বীকার করে। বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পেশা নির্বিশেষে আইনের চোখে সবাই সমান। এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা ব্যাখ্যা করে বলেন,
    “স্যার, কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনও উপায়ও দেখতে পাচ্ছি না।” তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সহকর্মী বা ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, যেমন পরিচালক প্রিয়দর্শন, যাঁর সঙ্গে তিনি বহুবার কাজ করেছেন, কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছেন কি না, তখন রাজপাল বলেন, “স্যার, এখানে আমরা সবাই একা। এখানে কোনও বন্ধু নেই। এই সঙ্কটের মোকাবিলা আমাকে একাই করতে হবে।”

    রাজপালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    এর আগে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর করা মামলার ভিত্তিতে রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রী রাধার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ, ২০১০ সালে নেওয়া ৫ কোটি টাকার ঋণ তাঁরা পরিশোধ করেননি। জানা গিয়েছে, রাজপাল তাঁর পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা ’(২০১০)-এর জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন (Rajpal Yadav)। ছবিটি ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও ঋণ শোধ করা হয়নি। এই মামলায় আদালত একাধিকবার তাঁকে তলব করেছিল এবং বিচার চলাকালীন একবার তাঁকে ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতেও পাঠানো হয়েছিল। চেক বাউন্স মামলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পারায় আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টের সময় রাজপাল যাদব জেল সুপারের সামনে হাজির হন (Rajpal Yadav)।

    আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার

    আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, “এই পরিস্থিতিতে, আবেদনকারীর (Court) (রাজপাল যাদব) আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁকে আজই অবিলম্বে তিহার জেলের সুপারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।” হাইকোর্ট বিলম্বের কড়া সমালোচনা করে জানায়, কোনও ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় বিশেষ সুবিধার কারণ হতে পারে না। বেঞ্চ জানায়, “কোনও ব্যক্তি বিশেষ কোনও পেশা বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলেই আদালত বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে না।” আদালত আরও জানায়, আগের নির্দেশে আত্মসমর্পণের তারিখ নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ ছিল না। যদিও রাজপালের আইনজীবী দাবি করেন, ঋণের টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করতেই দেরি হয়েছে, তবুও আদালত জানায়, বারবার ছাড় দিলে বিচারব্যবস্থার নির্দেশের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হবে (Rajpal Yadav)। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার রয়েছে, এই নীতির পুনরুল্লেখ করে আদালত জানায়, অভিনেতা হওয়ার কারণে বা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কোনও বিশেষ সুবিধা তাঁকে দেওয়া হবে না (Court)।

    পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা সোনু সুদ 

    এই ঘটনার পর অভিনেতা সোনু সুদ এক্স হ্যান্ডেলে রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতকে কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ বার্তায় সোনু সুদ লেখেন, “রাজপাল যাদব একজন প্রতিভাবান অভিনেতা, যিনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বহু বছর অসাধারণ কাজ উপহার দিয়েছেন। কখনও কখনও জীবন অন্যায় হয়ে ওঠে, প্রতিভার অভাবে নয়, বরং সময়টাই নিষ্ঠুর হয়ে যায়।” তিনি আরও লেখেন, “তিনি আমার ছবির অংশ হবেন। এই মুহূর্তে প্রযোজক, পরিচালক ও সহকর্মীদের একসঙ্গে দাঁড়ানোর সময়। ভবিষ্যৎ কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যযোগ্য একটি ছোট সাইনিং অ্যামাউন্ট দান নয়, সম্মান। আমাদেরই একজন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেলে ইন্ডাস্ট্রির উচিত তাকে মনে করিয়ে দেওয়া, সে একা নয় (Rajpal Yadav)।”

    একের পর এক সেরা ছবি

    রাজপাল যাদব দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয়। নয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি হিন্দি ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘জঙ্গল’ (২০০০) ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ পরিচিতি পান। এরপর তিনি প্রায় ১৫০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। হিন্দির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মারাঠি, ইংরেজি, তেলুগু, কন্নড়, আওয়াধি ও বাংলা সিনেমায়ও (Court)। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘বেবি জন’ (২০২৪) ও ‘ইন্টারোগেশন ’(২০২৫) ছবিতে। আগামী ১০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় হরর-কমেডি ছবি ‘ভূত বাংলা’, যেখানে তিনি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন, যেখানে সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অক্ষয় কুমার, রবীনা ট্যান্ডন-সহ একাধিক তারকা রয়েছেন (Rajpal Yadav)।

     

  • Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: ১৭টি সনাতনী সংগঠন একত্রিত হয়েছে, হিন্দু ধর্ম স্পেনে (Spain) স্বীকৃতিলাভ করতে এগিয়ে চলেছে। স্পেনে হিন্দুধর্মের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পথে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই যুগান্তকারী সমাবেশে স্পেনের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭টি হিন্দু সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। স্পেনে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma) মধ্যে বার্তালাপ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার সংকল্প এখন বিরাট শক্তিকে প্রদর্শিত করেছে।

    বৈঠকের মূল লক্ষ্য ও আলোচনা (Spain)

    স্পেনের (Spain) এই সভাটি উন্মুক্ত আলোচনা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। হিন্দুধর্মের (Sanatana Dharma) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য ভবিষ্যতের কর্মপন্থা, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলো ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক হিন্দু তাঁদের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক ভাবনাচিন্তার বিনিময় করেন। ধর্মীয় অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে আন্দোলনকে সুসংগঠিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও করা হয়।

    আন্দোলনের উদ্দেশ্য

    এই উদ্যোগটি কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় আন্দোলন। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল-

    ১. স্পেনের (Spain) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোতে হিন্দুধর্মের জন্য সরকারি স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।

    ২. স্প্যানিশ সমাজে হিন্দুদের (Sanatana Dharma) মর্যাদা, দৃশ্যমানতা এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করা।

    ৩. বৃহত্তর সমাজের মধ্যে হিন্দু দর্শন, মূল্যবোধ, উৎসব এবং জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    ঐক্যের শক্তি

    এই অভিযানের অন্যতম প্রধান শক্তি হল স্পেনের হিন্দু সংগঠনগুলোর (Sanatana Dharma) মধ্যে ক্রমবর্ধমান  একতা এবং ভাতৃত্ববোধ। বিভিন্ন গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠান তাদের মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ (বিশ্বই একটি পরিবার)-এই চিরন্তন আদর্শকে সামনে রেখে একত্রিত হয়েছে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    সনাতন ধর্মে নিবেদিতপ্রাণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি স্পেনের (Spain) বিভিন্ন অঞ্চলের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করতে, সাংগঠনিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং কর্তৃপক্ষের সাথে সংলাপের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করতে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে এই উদ্যোগের কাজটি সঠিক ভাবে সফল হবে। মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মাধ্যমে যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, তা স্পেনের হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma), স্থিতিস্থাপকতা এবং অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে মাইলফলক পদক্ষেপ।

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) যভতমাল জেলায় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি (Pakistani Military Song) সামরিক বাহিনীর গান বাজানোর অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেছে বিজেপি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানের গান (Maharashtra)

    ঘটনাটি ঘটেছে যভতমালের (Maharashtra) উমরখেদ তালুকায় অবস্থিত ‘আবদুল গফুর শাহ নগর পরিষদ উর্দু স্কুল নম্বর ২’-এ। গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করার সময় স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে (Snehsammelan) কিছু ছাত্রছাত্রী একটি বিতর্কিত গানে নৃত্য পরিবেশন করেছে। অভিযোগ উঠেছে, যে গানটিতে নৃত্য হয়েছিল তা ছিল ‘অ্যায় মর্দ-এ-মুজাহিদ তেরি ললকার কেয়া হ্যায়’ (Pakistani Military Song)। এই গানটি পাকিস্তানের একটি সুপরিচিত সামরিক অনুপ্রেরণামূলক সঙ্গীত।

    পাকিস্তানের জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন গান

    বিজেপি নেতা গোপাল কালানে এই বিষয়ে উমরখেদ থানায় (Maharashtra) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, এই গানটি জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান (Pakistani Military Song) যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে উৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ভারতীয় স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো জাতীয় অনুষ্ঠানে এমন গান বাজানো রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি শিক্ষার্থীদের মনে বিভ্রান্তি, দেশবিরোধী মনোভাব তৈরি করবে। কালানে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছেন।

    স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে?

    বিজেপি নেতা বাওয়ানকুলে (Maharashtra) এই ঘটনাকে ‘দেশদ্রোহিতা’ (Pakistani Military Song) বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। উমরখেদ পুলিশ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পুলিশ এই অনুষ্ঠানের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেশী দেশটির ইতিহাসে এই নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানত দু’টি  মুখ্য রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামেই জনপ্রিয়) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মধ্যে ভোটের লড়াই। এই দুই দলই ভোটারদের কাছে পৌঁছতে মরিয়া। এই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত একাধিক জনমত সমীক্ষায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

    জামাত না বিএনপি

    হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর, বাংলাদেশে একসময়ের মিত্র জামায়াত ও বিএনপি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দুই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে জয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও ইসলামপন্থী জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন একটি জোট শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে। ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণ কর্মীদের পরিচালিত একটি নতুন দল হাসিনা-বিরোধী রাজপথের আন্দোলনকে নির্বাচনী শক্তিতে রূপান্তরিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে।

    সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি

    বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (IILD) পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট ৪৪.১ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেতে পারে ৪৩.৯ শতাংশ ভোট। সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট ভোটের হিসােবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, যেখানে জয় প্রায় নিশ্চিত—সেসব আসনে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে। ইসলামপন্থী জোট প্রায় ১০৫টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট নিশ্চিতভাবে জিততে পারে ১০১টি আসনে। এছাড়া ৭৫টি আসনে দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ৫০টি মহিলা সংরক্ষিত আসন দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে বণ্টন করা হয়।

    ভারতবিরোধী জামাত পিছিয়ে

    এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (EASD) পরিচালিত আরেকটি জনমত সমীক্ষায় বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোটের আরও শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিএনপি জোট পেতে পারে প্রায় ২০৮টি আসন। জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন, জাতীয় পার্টি ৩টি আসন, অন্যান্য দল ৪টি আসন, এবং ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই সমীক্ষায় ভোটারদের রাজনৈতিক পছন্দও উঠে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, ৬৬.৩ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে সমর্থন করছেন, যেখানে জামায়াতে ইসলামির সমর্থন মাত্র ১১.৯ শতাংশ। নবগঠিত ছাত্রদের দল এনসিপি (NCP) পেয়েছে ১.৭ শতাংশ সমর্থন।

    ভারতের জন্য ইতিবাচক

    বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ভারতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, বিএনপি বর্তমানে উদার-মধ্যপন্থী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, যা কিছুটা হলেও আওয়ামি লিগের মতো। বিপরীতে, জামায়াতে ইসলামির মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর অবস্থান প্রকাশ্যেই ভারত-বিরোধী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তবে ভারত তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার চেষ্টা করবে। উল্লেখ্য, গত মাসেই তারেক রহমান ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেন। তবে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতবিরোধী অবস্থান না নিলেও দলটি “বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতিতে বিশ্বাসী।

    আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা

    বিএনপি এবং জামায়াত উভয়ই আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, বিশেষ করে সেই আসনগুলোতে যেখানে হাসিনার দলের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট আওয়ামি লিগ নেতা এবং হিন্দু রাজনীতিবিদ রমেশ চন্দ্র সেনের কারাগারে মৃত্যুর পর উভয় দলের শীর্ষ নেতারা তাঁর বাড়িতে ছুটে যান, যা এই পরিবর্তনশীল ভোটব্যাঙ্কের গুরুত্বকে নির্দেশ করে। রমেশ চন্দ্র সেন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং এই অঞ্চলে তাঁর ব্যাপক প্রভাব ছিল। যেহেতু দলটি প্রতিযোগিতার বাইরে, তাই উভয় দলই চায় আওয়ামি লিগের সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিক। একটি হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনে এই দোদুল্যমান ভোটগুলোই নির্ধারক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ভোট

    হাসিনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে হিন্দু-সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের ঘটনা। তবে, নির্বাচনের আবহে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়ার পর, সব দলই প্রধান সংখ্যালঘু সম্প্রদায় – হিন্দুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, হিন্দু ভোট শেষ পর্যন্ত নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে পারে। মন্দির পরিদর্শন থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের প্রশংসা চলছে। জামায়াত ও বিএনপি উভয়ই এই সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু জামায়াতের কট্টরপন্থী ও উগ্রবাদী ভাবমূর্তির কারণে হিন্দুদের মধ্যে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা বেশি। সংখ্যালঘুদের ভোট পাওয়ার এই প্রচেষ্টা শুরু হয় যখন সম্প্রতি জামায়াতের একজন প্রার্থী শিক্ষা বিস্তারে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের জন্য হিন্দুদের প্রশংসা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, “এই অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে হিন্দুদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না।” যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উগ্রপন্থী শক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের মন জয় করতে হলে জামায়াতকে শুধু কথার চেয়ে আরও অনেক বেশি কিছু করতে হবে। হিন্দু ভোটের ক্ষেত্রে বিএনপি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

  • BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ শেষ করতে হবে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের (BJP in Bengal) পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন তাই গেরুয়া শিবির বিধায়কদের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজেপির সাফ কথা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (Assembly Election) বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথে টহল দিতে হবে। বাড়ির উঠোনে উঠোনে বৈঠক করতে হবে।

    নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যু অস্ত্র বিজেপির (BJP in Bengal)

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) বিজ্ঞপ্তি এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলি নিজের নিজের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP in Bengal) এখন থেকেই বুথ ভিত্তিক প্রচার শুরু করেছে। ভোটের আগেই নিজের নিজের প্রচার নিয়ে সকল দল এখন ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপি শাসল শিবিরকে নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যুতে আক্রমণ করছে। ওপর দিকে তৃণমূল নিজেদের ১৫ বছরের ভালো কাজ গুনছে। ভোটের আবহে নরমে-গরমে ক্রমেই পারদ চড়ছে।

    সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক

    রাজ্যে এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, মাধ্যমিক শেষ হলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হবে। ফলে পরীক্ষার আবহে বড় বড় প্রচারের দিককে কিছুটা হালকা করে সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাইক বাজিয়ে জনসভা করাটা ঠিক নয় তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সময় এবং অবসরকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বেশি মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই রণনীতি ঠিক করেছে বিজেপি (BJP in Bengal)।

    মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে

    বাংলার বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের (Assembly Election) কেন্দ্র নেতৃত্ব সাফ নির্দেশ দিয়েছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই ভাবে এলাকার মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে হবে। দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে করতে হবে ভোজন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে। এলাকায় এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উঠোনে বৈঠক শুরু করতে হবে।

    পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম নেবে বিজেপি

    বুথে বুথে এই জনসংযোগের সময়ে পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। এবারের বিজেপির সংকল্পপত্র কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেগুলি সরাসরি জনতার মতামত নেওয়ার জন্য বিজেপি এই বাক্সে জমা নিয়ে দেবেন। দুবরাজপুরের বিধায়ক (Assembly Election) অনুপ সাহার কথায়, ‘‘এ বার আমাদের সঙ্কল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের কথাও থাকবে। তাই বুথে বুথে যখন ঘুরব, তখন সেখানকার বাসিন্দারা একেবারে পাড়া স্তরের সমস্যা বা চাহিদার কথাও ফর্ম পূরণ করে জানাতে পারবেন।’’

    ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP in Bengal) প্রত্যকে এলাকায় স্থানীয় সমস্যা এবং স্থানীয় অভাবের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রকাশ করা হচ্ছে। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে কী কী করবে সেই বিষয়ে সংকল্প পত্র প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।

LinkedIn
Share