Blog

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপার সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতকে (India) জড়ানোর চেষ্টা পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি (Terrorism Link)। বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, এটি এমন একটি দেশের মরিয়া চেষ্টা, যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। পাকিস্তান একটি বিবৃতিতে সাম্প্রতিক কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তারই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। নিজেদের অপকর্মের দায় ভারতের ওপর চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কয়েক দশক ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। যত গল্পই বানানো হোক না কেন, বাস্তবতা বদলাবে না, আর পাকিস্তানের এই তথাকথিত ‘ভুক্তভোগী’ হওয়ার দাবিতে কেউ আর বিভ্রান্তও হবে না।”

    পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ (India)

    তিনি বলেন, “নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে পাকিস্তানের এই দীর্ঘ প্রয়াস আন্তর্জাতিক মহলে এখন আর কোনও গুরুত্ব পায় না। কারণ বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত বহু জঙ্গি এবং জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে।” এদিনই জয়সওয়াল পাকিস্তানের আর একটি বিবৃতিরও জবাব দেন। ওই বিবৃতিতে পাকিস্তান ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া পারমাণবিক ও রফতানি-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তির সমালোচনা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এই চুক্তি পারমাণবিক বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    কী বললেন জয়সওয়াল

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিখুঁত এবং আন্তর্জাতিক মহলে তা সুপরিচিত। গোপনে পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার সুপরিচিত ইতিহাস রয়েছে যে দেশের, তাদের মুখে রফতানি নিয়ন্ত্রণ বা বিস্তার-ঝুঁকি নিয়ে নীতিকথা বড়ই হাস্যকর। এই ধরনের অবান্তর কথা আসলে পাকিস্তানের নিজেদের দুর্বল রেকর্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা (Terrorism Link)।”

    কী বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই দু’টি বিবৃতি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা এবং পারমাণবিক বিস্তার সংক্রান্ত অতীত থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টার অংশ (India)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইসলামাবাদ জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে না ফেলা পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার বন্ধ না করা পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেবে না ভারত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাগুলি ঘটছে নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি নিয়ে (Terrorism Link) আন্তর্জাতিক মহলের নতুন করে নজরদারির মধ্যেই (India)।

     

  • Election Commission: প্রতিটি বুথেই কি পুলিশ পর্যবেক্ষক? নজরদারি বাড়াতে বড়সড় পদক্ষেপের পথে নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: প্রতিটি বুথেই কি পুলিশ পর্যবেক্ষক? নজরদারি বাড়াতে বড়সড় পদক্ষেপের পথে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাজ্যে পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার পাশাপাশি প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বা পোলিং স্টেশনে একজন করে ‘পুলিশ পর্যবেক্ষক’ (Police Observer) নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে কমিশন। কমিশনের প্রশাসনিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজিপি পীযূষ পান্ডে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।

    নজরদারিতে ৩ গুণ বৃদ্ধি (Election Commission)

    বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার প্রতিটি বুথে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ও কড়া নজরদারির পরিকল্পনা করা হয়েছে কমিশনের (Election Commission) তরফে। পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিটি বুথকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আওতায় আনাই কমিশনের লক্ষ্য। এই পদক্ষেপর কারণ হল রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে অবাধ এবং হিংসামুক্ত করা। নির্বাচনে যেহেতু পুলিশ প্রশাসনের একটা বড় ভূমিকা থাকে তাই যেকোনও কাজে যাতে ত্রুটি না থাকে এবং ভোট লুট বা হিংসার মতো কোন ঘটনা না ঘটে তাই কমিশন এখন থেকেই তৎপর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ১৬০ জন জেনারেল অবজারভার, ৩৭ জন পুলিশ অবজারভার (Police Observer) এবং ৮৪ জন এক্সপেন্ডিচার অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যাই প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বাড়বে বলে কমিশন সূত্রে খবর। বিশেষ করে যে সব বিধানসভা কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হবে, সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ অবজারভার নিয়োগের সম্ভাবনাও রয়েছে ।

    পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    সাধারণত মহকুমা বা জেলা স্তরে পুলিশ পর্যবেক্ষক (Police Observer) নিয়োগ করা হলেও, এবার প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে একজন করে অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসারকে পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে বুথের ভেতর বা সংলগ্ন এলাকায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    কমিশনের ভাবনায় অন্য রকম প্রস্তুতির ছবি

    কমিশনের (Election Commission) উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জানানো হয়েছে যে, স্পর্শকাতর বুথগুলোর পাশাপাশি সাধারণ বুথগুলোতেও এবার বিশেষ নজর দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ২৩ বছর পর রাজ্যে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) চালু হওয়া থেকে শুরু করে ভোট ঘোষণা পর্যন্ত কমিশন নির্বাচন নিয়ে ভীষণ ভাবে তৎপর। বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং সবরকম প্রস্তুতি মিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে একেবারেই অন্যরকম প্রস্তুতির ছবি দেখা যাচ্ছে। জ্ঞানেশ কুমার প্রশাসনকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছিলেন—নির্বাচন পরিচালনায় কোনও ধরনের গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্বকে রেয়াত করা হবে না। ভোট প্রক্রিয়ায় কোথাও যদি অবহেলা বা ইচ্ছাকৃত ভুল প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই কমিশন এবার ভীষণ ভাবে অত্যন্ত তৎপর।

    শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশিকা

    কমিশন (Election Commission) এই বক্তব্যও জানিয়েছে যে কোন কোন এলাকায় পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করা হবে তা কমিশনই ঠিক করবে। যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এক নতুন অধ্যায় যোগ করবে। ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফেরাতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটদান নিশ্চিত করতেই মূলত এই বিশেষ পর্যবেক্ষক দল গঠন করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Presidential Protocol Issue: রাষ্ট্রপতিকে ‘অসম্মান’! দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক ও শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে ডেপুটেশনে চাইল কেন্দ্র

    Presidential Protocol Issue: রাষ্ট্রপতিকে ‘অসম্মান’! দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক ও শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে ডেপুটেশনে চাইল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতির সফরে প্রোটোকল-স্থান (Presidential Protocol Issue) বদল বিতর্কে নতুন মোড়। বিতর্কের আবহেই ২ অফিসারকে চেয়ে রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের। প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের সিপিকে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে চাইল কেন্দ্র। রাষ্ট্রপতির সফরের দায়িত্বে ছিলেন দার্জিলিংয়ের ডিএম মণীশ মিশ্র। তাঁকে ডেপুটেশনে চেয়েছে কেন্দ্র।

    কেন এই পদক্ষেপ

    গত ৭ মার্চ শিলিগুড়ির গোঁসাইপুরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জল গড়াল অনেক দূর। নিরাপত্তা ও স্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত অব্যবস্থাপনা এবং ‘অসৌজন্যের’ অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যের পাঠানো রিপোর্ট পর্যালোচনার পর দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্র এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে ডেপুটেশনে চাইল কেন্দ্র। এই দুই আইপিএস ও আইএএস অফিসারই বেঙ্গল ক্যাডারে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এই সমস্ত উচ্চ পদমর্যাদার অফিসারদের ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ফলে তারাই এই দুই অফিসারকে ডেপুটেশনে চাইছে।

    যেতেই হবে ডেপুটেশনে

    রাষ্ট্রপতি যেহেতু দেশের সংবিধানিক প্রধান তাই তাঁর নিরাপত্তা বা প্রোটোকলে কোনও গাফিলতি হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্র চাইলে রাজ্য সরকারকে কিছু না বলেও কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে তাঁদের তুলে নিতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আইপিএস (ক্যাডার) রুলস, ১৯৫৪-এর রুল ৬(১)-এর বৈধতা নিশ্চিত করেছে। এই নিয়ম অনুযায়ী আইপিএস অফিসারদের ট্রান্সফার ও ডেপুটেশন নিয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র প্রয়োজনে অগ্রাহ্য করতে পারে। এখন কোনও রাজ্য সরকার যদি নির্বাচিত অফিসারকে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে পাঠাতে অস্বীকার করে, তবে সেই অফিসারকে ৫ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় ডেপুটেশন থেকে নিষিদ্ধ করা যেতে পারে। ২০১১ ব্যাচ বা তার পরের আইপিএস অফিসারদের জন্য কমপক্ষে ২ বছরের কেন্দ্রীয় ডেপুটেশন বাধ্যতামূলক, নইলে তাঁরা ইন্সপেক্টর জেনারেল পদে এমপ্যানেলমেন্টের জন্য যোগ্য হবেন না।

    অসন্তুষ্ট রাষ্ট্রপতি, কী ঘটেছিল

    সাঁওতালদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে মূল অনুষ্ঠানস্থল পরিবর্তন করা হয়, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বয়ং রাষ্ট্রপতি। পরবর্তীতে ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে সন্তোষিনী বিদ্যাচক্রের মাঠ পরিদর্শনকালে তিনি মন্তব্য করেন যে, ওই মাঠে আরও বেশি সাধারণ মানুষের সমাগম হতে পারত। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি বলেন, “উনি আমার ছোট বোনের মতো। কিন্তু হয়তো কোনও কারণে উনি আমার উপর রুষ্ট হয়েছেন। যে কারণে সভা করতে দিলেন না।” রাষ্ট্রপতিকে ‘অসম্মান’ নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সত্যিই সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। রাষ্ট্রপতির প্রতি এই অসম্মানের জন্য তাদের প্রশাসনই দায়ী।” এরপর তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা বাড়তে থাকে। দুই দলেরই একাধিক নেতা এই নিয়ে পরস্পরকে তোপ দাগেন।

  • Abrar Ahmed in Sunrisers: পাক ক্রিকেটারকে কেনায় বিতর্ক, সানরাইজার্স লিডসের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড, আইপিএলেও বয়কটের ডাক

    Abrar Ahmed in Sunrisers: পাক ক্রিকেটারকে কেনায় বিতর্ক, সানরাইজার্স লিডসের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড, আইপিএলেও বয়কটের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে নেওয়ার পরই বিপাকে পড়ল ‘সানরাইজার্স লিডস’ (Abrar Ahmed in Sunrisers)। বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের নিলামে আবরারকে দলে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়। কাব্য মারানের দলে পাক স্পিনারের যোগদান ভাল ভাবে নেননি ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। সমাজমাধ্যমে সানরাইজার্স কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে বয়কট করার কথাও বলেছেন অনেকে। বিতর্ক বাড়ায় সানরাইজার্স লিডসের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে এক্সের তরফে কী কারণে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে তার কোনও ব্যাখা এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে, বহু ক্রিকেটপ্রেমী রিপোর্ট করায় অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    কেন তৈরি হয় বিতর্ক

    সান গ্রুপের মালিকানাধীন এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নেতৃত্বে রয়েছেন কালানিধি মারান। জানা গিয়েছে, নিলাম চলাকালীন পাকিস্তানের মিস্ট্রি স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে নিতে পরপর বিড করে সানরাইজার্স। প্রায় ২.৩৪ কোটি টাকায় তাঁকে দলে নেওয়া হয়। লন্ডনের পিকাডিলি লাইটসে অনুষ্ঠিত নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও কাব্যা মারান নিজে উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন দলের হেড কোচ ড্যানিয়েল ভেত্তোরিও। নিলামের টেবিলে বসে তারা ট্রেন্ট রকেটসকে হারিয়ে আবরার আহমেদকে দলে নেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইংল্যান্ডের টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক এই দলের অধিনায়কত্ব করবেন। কিন্তু এরপরেই শুরু হয় আসল বিতর্ক। কারণ, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই প্রথম কোনও আইপিএল–সংযুক্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেটারকে দলে নিল। দলে পাওয়ার পর সমাজমাধ্যমে আবরারের জার্সি পরা ছবিও পোস্ট করা হয়। তার পরই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্র্যান্ড ইমেজে। মাত্র একদিনেই দলের ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে প্রায় ১ লক্ষ ফলোয়ার কমে গিয়েছে। অরেঞ্জ আর্মির চরম ভক্তরাও আগামী আইপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যাচ বয়কট করার কথা ঘোষণা করেছেন।

    জাতীয় আবেগ বিরোধী পদক্ষেপ

    এর জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় সমর্থকদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকে আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে বয়কট করার ডাকও দেন। সমাজমাধ্যমে সানরাইজার্স কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। কাব্যের সংস্থার বিরুদ্ধে জাতীয় আবেগ বিরোধী পদক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বহু বছর ধরে দেশের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ভারতীয় দলগুলো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের এড়িয়ে চলেছে। কিন্তু বিদেশি লিগে টাকা এলেই সেই অবস্থান বদলে যায়। ভারতীয় মালিকানা, ভারতীয় ব্র্যান্ড, কিন্তু দেশের বাইরে অবস্থান অন্যরকম।’

    ভারতীয় সেনাবাহিনীকে কটূক্তি আবরার আহমেদের

    এই বিতর্কের পিছনে মূল কারণ আবরার আহমেদের ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে করা কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। সীমান্তে উত্তেজনার সময় আবরার এমন কিছু পোস্ট করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ব্যঙ্গ করে করা হয়েছে বলে দাবি করছেন অনেক ভারতীয় সমর্থক। ভারতীয় বায়ুসেনাকে নিয়ে উপহাস করার জন্যও কুখ্যাত আবরার। প্রায়শই এক কাপ চায়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখতেন, ‘চমৎকার চা’ (পাকিস্তানে সাময়িক বন্দিদশায় থাকা ভারতীয় উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের ভিডিয়োর প্রতি যা ইঙ্গিতবাহী)আবরারকে দলে নেওয়ার খবর সামনে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে #ShameOnSRH এবং #BoycottSunrisers হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করতে শুরু করে। সমালোচকদের দাবি, যে ক্রিকেটার ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, তাকে মোটা অঙ্কের চুক্তিতে দলে নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা দেশের অনুভূতিকে অগ্রাহ্য করেছেন। অনেকে আবার সানরাইজার্স ব্র্যান্ডের মুখ কাব্যা মারানকেও কড়া সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত নিলামে তিনি আবরার আহমেদের জন্য বিড করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    পাকিস্তানি ক্রিকেটারের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কেউ

    ২০০৯ সাল থেকে আইপিএলে নিষিদ্ধ পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের টি-টোয়েন্টি লিগে ভারতীয়দের মালিকানাধীন দলগুলিতেও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের নেওয়া হয় না। ‘দ্য হান্ড্রেড’-এও তেমন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। বিষয়টি আঁচ করে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আগেই দলগুলিকে সতর্ক করেছিল। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর নিলামে কোনও নির্দিষ্ট দেশের ক্রিকেটারদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। ‘দ্য হান্ড্রেড’-এ ভারতীয় মলিকানাধীন চারটি দল রয়েছে। এগুলি হল ম্যাঞ্চস্টার সুপার জায়ান্টস (সঞ্জীব গোয়েন‌্কার আরপিজি গ্রুপের ৭০ শতাংশ মালিকানা), এমআই লন্ডন (মুকেশ অম্বানীর রিলায়্যান্সের ৪৯ শতাংশ মালিকানা), সাদার্ন ব্রেভ (গ্রান্ধি কিরণ কুমারদের জিএমআর গ্রুপের ৪৯ শতাংশ মালিকানা), সানরাইজার্স লিডস (কলানিথি মারানের সান গ্রুপের ১০০ শতাংশ মালিকানা)। দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ-টোয়েন্টি ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আইএলটি-টোয়েন্টি লিগেও আইপিএল মালিকানাধীন দলগুলিকে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য বিড করতে দেখা যায়নি।

    আবরারকে নিতে ব্যস্ত কাব্যা

    ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর আট দলের এই টুর্নামেন্ট আগামী ২১ জুলাই থেকে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে। ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর নিলামে পাকিস্তানের দু’জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। নিলামে হ্যারিস রউফ, শাদাব খান ও সাইম আয়ুবকে কোনও দল কেনেনি। চতুর্থ ক্রিকেটার উসমান তারিক দল পান। তাঁকে কেনে বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স। সেই দলে কোনও ভারতীয় মালিক নেই। চমক দেখা যায় আবরারের নিলামের সময়। ট্রেন্ট রকেটসের সঙ্গে লড়াই চলে সানরাইজার্সের। কাব্য মারানকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি আবরারকে কিনে তবেই ছাড়়বেন। সেটাই করেন আইপিএলে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিশনদের দলের মালকিন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই সানরাইজার্সের জার্সি পরা আবরারের ছবি সমাজমাধ্যমেও পোস্ট করে তারা। এই পোস্টের পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    বিদেশিদের গুরুত্ব দেয় সানরাইজার্স

    চলতি মাসেই শুরু আইপিএল। অনেকে দাবি করেছেন, আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে সকলের বয়কট করা উচিত। কেউ কেউ বলেছেন, আইপিএলেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের থেকে বিদেশি ক্রিকেটারদের বেশি গুরুত্ব দেয় সানরাইজার্স। যেখানে বাকি ন’দলে ভারতীয় অধিনায়ক রয়েছেন, সেখানে একমাত্র সানরাইজার্সের অধিনায়ক বিদেশি (প্যাট কামিন্স)। এর থেকেই প্রমাণিত, তারা ব্যবসা ছাড়া কিছু বোঝে না। অনেকে তো এ-ও বলেছেন, আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানের যা হাল হয়েছে, ‘দ্য হান্ড্রেড’ লিগে সেটাই হবে আবরারের। তাও ফিজ (মুস্তাফিজুরের ডাক নাম) ভারত সম্পর্কে কোনও কু-মন্তব্য করেননি। তা সত্ত্বেও ভারত-বাংলাদেশ শীতল সম্পর্কের আবহে নিলামে কিনেও মুস্তাফিজুরকে ছাড়তে বাধ্য হয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। ঠিক একই রকম ভাবে আবরারকে লিগ শুরুর আগেই ছাড়তে বাধ্য হবে সানরাইজার্স।

  • Assembly Election 2026: রিটার্নিং অফিসার হবে ন্যূনতম এসডিএম স্তরের আধিকারিক, বাংলায় কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচন

    Assembly Election 2026: রিটার্নিং অফিসার হবে ন্যূনতম এসডিএম স্তরের আধিকারিক, বাংলায় কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে । যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচনের (Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। তার আগেই রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনায় বড় বদল আনল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে এই প্রথমবার অন্যান্য রাজ্যের মতো রিটার্নিং অফিসার পদে জেলাশাসকদের বদলে মহকুমা শাসক বা সমমর্যাদার আধিকারিকদের এই পদে নিয়োগ করল কমিশন। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

    উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নয়া বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্যের সবকটি অর্থাৎ ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্যই মহকুমা শাসক বা তার উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করে একটি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ন্যূনতম এসডিএম-দের এই পদে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু বিগত নির্বাচনগুলিতে রাজ্যের অনুরোধ মেনে নিচুতলার কর্মীদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিল কমিশন। তবে এবার আর নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম যে হবে না তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল কমিশন। এবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের জন্য মহকুমাশাসক বা এসডিএম (সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) পদমর্যাদার অফিসারদের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হল বলে জানানো হয়েছে। এখন থেকে সারা দেশের নিয়ম মেনেই পশ্চিমবঙ্গেও এসডিএম সমমর্যাদা বা তার চেয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরই রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হবে। এর থেকে নীচের পদের কাউকে নিয়োগ করা হবে না বলে জানান হয়েছে।

    তালিকায় জায়গা পেলেন কারা?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের কাছে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, জেলা পরিষদের সচিব, জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক, জেলা সংখ্যালঘু উন্নয়ন আধিকারিক, জেলা তফসিলি জাতি-জনজাতি উন্নয়ন আধিকারিক, জেলা পরিকল্পনা আধিকারিক স্তরের অফিসারেরা এ বার রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। অর্থাৎ, সব পদই উচুস্তরের। পশ্চিমবঙ্গে আগে নির্বাচনে ডিএমডিসি (ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ডেপুটি কালেক্টর) পদমর্যাদার আধিকারিকেরা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করলেও এ বার সেই প্রবণতা থেকে যে কমিশন সরে এল সদ্যপ্রকাশিত তালিকাতেই তা স্পষ্ট।

    রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে বাড়তি জোর কেন

    সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও সাফ বলেছিলেন ভোটের সময় রাজ্যে কোনওরকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেই লক্ষ্যেই এবার নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে বাড়তি জোর দিল কমিশন। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে নিয়মের বাইরে গিয়ে যে একটিও কাজ হবে না, তা পদে পদে বুঝিয়ে দিচ্ছে কমিশন। এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকার সারা দেশের নির্ধারিত মানের চেয়ে নিম্ন পদমর্যাদারা অধিকারিকদের ইচ্ছামতো রিটার্নিং অফিসার হিসেবে বেছে নিত। তারপর সেই তালিকা পাঠান হতো নির্বাচন কমিশনের কাছে। কিন্তু এবার থেকে আর সেই জিনিস চলবে না। বরং আইন মেনে চলার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান অনেক বেশি কঠোর হয়েছে বলে খবর।

  • SIR: বৈঠকে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ও রাজ্য সিইও, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল?

    SIR: বৈঠকে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ও রাজ্য সিইও, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) এবং আসন্ন নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হল হাইকোর্ট ও কমিশনের মধ্যে। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) এই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা সারেন। বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ভোটার তালিকার স্বচ্ছতাকে নিশ্চিত করা এবং আইনি স্বচ্ছতা বজায় রাখা। অপর দিকে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দায়িত্বে থাকা বাঁকুড়া-পুরুলিয়া জেলার ১৭ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে বিভিন্ন জেলায় স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (SIR)?

    ভোটার তালিকার পরিমার্জন (SIR) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (Calcutta High Court) এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিশেষ বৈঠক হয়। ভোটার তালিকায় নাম তোলা, মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং তথ্যের ভুল সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। আইনি পর্যবেক্ষণ দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও প্রকার আইনি জটিলতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে এই কাজকে সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় রাখতে এবং একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে এই প্রশাসনিক সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    ১৪ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই

    কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও  জানা গেছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকার আংশিক অংশ ইতিপূর্বেই প্রকাশিত হয়েছে এবং বাকি অংশটি পর্যায়ক্রমে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। বৃহস্পতিবারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    ভোটারদের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগ

    নির্বাচনী ব্যবস্থার (SIR) আধুনিকীকরণ, ভোটারদের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগ ও প্রশাসনিক বিভাগের এই যৌথ উদ্যোগ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দায়িত্বে থাকা বাঁকুড়া-পুরুলিয়া জেলার ১৭ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে বিভিন্ন জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  হাইকোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। জানা যাচ্ছে, যে জেলায় ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে, সেখান থেকে বিচারকদের যাচাই বাকি থাকা জেলায় পাঠিয়েছে হাইকোর্ট। এই মর্মে, ৫ জন করে বিচারককে মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর জেলায় পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে এখনও ৫০ লক্ষ নাম বিচারাধীন রয়েছে।

    কাজের ধারাবাহিকতা জরুরি

    সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালতে (Calcutta High Court) নতুন দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছে। কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই রদবদলের ফলে চলমান মামলাগুলোর (SIR) প্রক্রিয়া যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হয়েছে। নতুন আধিকারিকরা শীঘ্রই তাঁদের নিজ নিজ পদে যোগদান করবেন। প্রশাসনিক এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, বিচার প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনা এবং দীর্ঘকাল একই পদে আসীন থাকা আধিকারিকদের নতুন অভিজ্ঞতা ও কর্মক্ষেত্রে নিযুক্ত করা। হাইকোর্টের এই নির্দেশিকা বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

  • Governor RN Ravi: “৫৫০ কিমি বেড়া নেই, সীমান্ত দিয়ে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গারা আসছে,” রবিকে বললেন শুভেন্দু

    Governor RN Ravi: “৫৫০ কিমি বেড়া নেই, সীমান্ত দিয়ে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গারা আসছে,” রবিকে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সম্প্রতি লোকভবনে গিয়ে রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল আরএন রবি-র (Governor RN Ravi) সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকার করেছেন। এই বৈঠকে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিরোধী দলনেতা রাজ্যের বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে তাঁর সুচিন্তিত উদ্বেগ রাজ্যপালের কাছে ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে, বিরোধী কণ্ঠস্বরের নিরাপত্তা, জনবিন্যাস পরিবর্তন এবং অবাধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকার বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

    আমার অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    নবনিযুক্ত রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মাননীয় রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে দিল্লিতে থাকার কারণে আমার পক্ষে ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, নবনিযুক্ত রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য আমি উপযুক্ত সময় প্রার্থনা করেছিলাম। তিনি আমার অনুরোধ গ্রহণ করে সাক্ষাতের অনুমতি দেন। আজ সেই নির্ধারিত সময়ে তাঁর সঙ্গে আমার অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রায় ৩০ মিনিট চলা এই সৌজন্য সাক্ষাতে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেছি।” বাংলার পরিস্থিতি যতটা সম্ভব পরিষ্কারভাবে রাজ্যপালকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন এবং সংবিধানের মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শাসক দলের লাগাম ছাড়া প্রশাসনের রাজনীতি করণের মতো বিষয় এদিনের বৈঠকে মূল বিষয়বস্তু ছিল বলে জানা গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা রাজ্যের সাম্প্রতিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কথা রাজ্যপালের গোচরে তুলে ধরেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অংশ হিসেবেই এই আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষার আবেদন জানিয়েছি

    মমতা সরকারের নির্দিষ্ট কিছু প্রশাসনিক ও জনকল্যাণমূলক বিষয়ে বিরোধী দলনেতার পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক পত্র বা স্মারকলিপি রাজ্যপালের নিকট পেশ করা হয়েছে। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল বিষয়গুলো ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি অত্যন্ত বিনম্রভাবে মাননীয় রাজ্যপালের কাছে রাজ্যের সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষার আবেদন জানিয়েছি। তাঁকে অবগত করেছি যে, গত পাঁচ বছরে বিরোধী দলনেতাকে প্রায় সাড়ে এগারো মাস বিধানসভার কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হয়েছে এবং পাঁচবার তাঁর সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত (Suspended) করা হয়েছে। আমি তাঁকে বিনীতভাবে বলেছি যে, সংসদীয় গণতন্ত্রে এ জাতীয় নজিরবিহীন পরিস্থিতি অন্য কোথাও পরিলক্ষিত হয় না।”

    সীমান্ত থেকে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    গণতান্ত্রিক কাঠামোয় সরকারের পাশাপাশি বিরোধী পক্ষ এবং রাজভবনের মধ্যে এই ধরণের সমন্বয় একটি সুস্থ সংসদীয় রীতির পরিচয় বহন করে। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর কথা মাথায় রেখে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এখানে আমলারা কেউ অবসর নেন না। যেটুকু সুযোগ পেয়েছি প্রাথমিকভাবে বুঝিয়ে বলেছি। কিভাবে বিচারব্যবস্থাকে এরাজ্যে আক্রান্ত হতে হয়েছে, সেটা জানিয়েছি। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান লক্ষ্য তোষণ। ৫৫০ কিমি বেড়া নেই। সীমান্ত দিয়ে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গারা আসছে। ফলে জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। রাজ্যপালকে জানিয়েছি, বাংলাকে বাঁচান। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যা হয়েছে, সেটা ক্লোজ চ্যাপ্টার হতে পারে না। এটা নিয়ে যা যা করার দরকার করব। পদক্ষেপ করা দরকার।”

    খামেনেই-র বাড়ির সামনে ধর্না দিক তৃণমূল

    রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বেতন কাটলে আর আজ না আসার কারণে কারও উপর যদি কোনও জুলুম হয়, বিরোধী দলনেতা পাশে থাকবে। বেতন বৃদ্ধি হবে বিজেপি সরকার এলে।” একই ভাবে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূলের আন্দোলন নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল ইরান চলে যাক। কেন্দ্রীয় সরকার টিকিট করে দেবে। খামেনেইয়ের বাড়ির সামনে ধর্না দিক।

    বিচার বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট করছেন মমতা

    শুভেন্দু রাজ্য সরকারের এক নায়কতন্ত্রের সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যে বর্তমানে সংবিধানের চারটি স্তম্ভই আঘাতের মুখে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা এবং সংবাদমাধ্যম-সব ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলে রাজ্যে বিশেষ রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়া যায়। রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয় পরিকল্পিত ভাবে। পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টকেও বারবার অসম্মান করা হচ্ছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” একই ভাবে সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলনেতা বলেন, “কোনও সংবাদমাধ্যম সরকারের পক্ষে বলুক বা বিপক্ষে – অনেক সময়ই তাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন প্রয়োজন।”

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

LinkedIn
Share