Blog

  • Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে অভাবনীয় জয়ের পর এ বার রাজ্যের পুরসভাগুলিকে (Suvendu Adhikari) পাখির চোখ করল বিজেপি। সোমবার মুরলীধর সেন লেন থেকে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত আয়োজিত বিজয় মিছিলের শেষে জনসভা থেকে আসন্ন পুরভোটের রণকৌশল স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বার্তা, এ বার পুরসভাগুলিতেও ফুটবে পদ্ম। রাজ্যে উন্নয়নের ‘ত্রিশক্তি’ সরকার গড়তে কলকাতা ও হাওড়া-সহ একাধিক পুরসভা দখলের লক্ষ্যে ঝাঁপাতে হবে দলীয় কর্মীদের (Municipal Elections)। পুজোর মরশুম শেষ হলেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার কথা। তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদে ইস্তফা দেওয়ার পর আপাতত কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কমিশনার। হাওড়াতেও একই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুই শহরের পুরসভা দখলের ডাক দিয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিলেন শুভেন্দু।

    উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা (Suvendu Adhikari)

    ভিক্টোরিয়া হাউসের সভায় তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা রেখে আপনারা রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়েছিলেন। এ বার মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতে আপনাদের পুরসভাগুলিতে ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা আমাদের দিতে হবে। তবেই শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে।”

    এ দিনের বিজয় মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রেজিনগরের নবনির্বাচিত বিধায়ক শাখারভ সরকার, নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানী রথ-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরে জয়

    রেজিনগরের মতো প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে বিরোধীদের প্রচারকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং বেছে বেছে বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে বিরোধীরা প্রচার চালিয়েছিল। শুভেন্দু বলেন, “মানুষ দেখেছেন, মোদিজির নেতৃত্বে জয়ের রথ থামানো যায়নি। বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত।”

    তিনি আরও বলেন, “সংখ্যালঘু ভাই-বোনেরা বুঝতে পেরেছেন যে মিথ্যা ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করা হয়েছে। তাই আজ তাঁরা তোষণের রাজনীতি ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ ও প্রগতির মূলস্রোতে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

    পুরভোট ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর বিজেপির নজর এখন রাজ্যের বকেয়া পুরভোটের দিকে। বিশেষ করে কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের পুরসভা দখলকে সামনে রেখে দলীয় নেতৃত্বের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে যোগ করেছে (Municipal Elections) নতুন মাত্রা।

    উপনির্বাচনের ফলকে হাতিয়ার করে পুরসভা নির্বাচনেও সাফল্যের আশা করছে গেরুয়া শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কোন দল কতটা সুবিধা পায়, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচার, নাগরিক পরিষেবা নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভোটারদের রায়ের উপর (Suvendu Adhikari)।

     

  • AI Qaeda: ভারতে প্রভাব বিস্তারে নয়া  কৌশল আল-কায়দার, বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

    AI Qaeda: ভারতে প্রভাব বিস্তারে নয়া  কৌশল আল-কায়দার, বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে নিজেদের জঙ্গি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নয়া কৌশল আল-কায়দার। সর্বধর্মীয় সম্প্রীতির কথা নয়, বরং বৃহত্তর প্যান-ইসলামপন্থী আদর্শের প্রচার, বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে ভাঙন তৈরি করে নতুন গোষ্ঠী গড়ে তোলা (AI Qaeda) এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে এই জঙ্গি সংগঠন। গত ১২ অক্টোবর ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে (Terror Groups)। নিরাপত্তা আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দার শাখা সংগঠনটি নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানো, সমর্থনের ভিত্তি মজবুত করা এবং ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানকে আরও জটিল করে তোলার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিবর্তন আনছে।

    আল-কায়দার উদ্দেশ্য (AI Qaeda)

    ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আল-কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশের শাখার উদ্দেশ্য ছিল ভারত-সহ বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে নিজেদের সাংগঠনিক প্রভাব বিস্তার করা। তবে আদর্শগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও, গোড়ার দিকে উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক উপস্থিতি গড়ে তুলতে পারেনি তারা। এর অন্যতম কারণ ছিল ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা। হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও প্রচার কৌশলের মাধ্যমে ওই জঙ্গি সংগঠন বহু নতুন সদস্যকে আকৃষ্ট করেছিল।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে আল-কায়দা এখন তুলনামূলকভাবে বৃহত্তর প্যান-ইসলামপন্থী আদর্শকে সামনে আনতে চাইছে। নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা উপসম্প্রদায়ের সঙ্গে সরাসরি বিরোধে জড়ানোর পরিবর্তে, বিভিন্ন গোষ্ঠীকে কাছে টানতে অপেক্ষাকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক আদর্শগত অবস্থান গ্রহণের চেষ্টা করছে সংগঠনটি। এর মাধ্যমে স্থানীয় সহযোগিতা আদায়, সমর্থনের পরিধি বাড়ানো এবং নিজেদের কার্যকরী নেটওয়ার্ক বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে আল-কায়দা স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার কৌশল নিয়েছিল। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি নির্বিচারে শত্রুতা না দেখিয়ে স্থানীয় সংগঠনগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রাখার ফলে তারা নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে পেরেছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এবার দক্ষিণ এশিয়ায় কাজে লাগাতে চাইছে আল-কায়দা।

    ইসলামিক স্টেটের আপসহীন শত্রুতার মনোভাব

    অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের প্রতি ইসলামিক স্টেটের আপসহীন শত্রুতার মনোভাব সম্ভাব্য সহযোগীদের দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। একাধিক অঞ্চলে তাদের হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সংঘাতমুখী অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ফলে আগের মতো প্রভাব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে সংগঠনটির পক্ষে।

    আল-কায়দা এই দুই সংগঠনের কৌশলগত পার্থক্যকে কাজে লাগাতে চাইছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনকে সংগঠনটির চরমপন্থী লক্ষ্য থেকে সরে আসা বলে মনে করছেন না নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। বরং সম্ভাব্য সহযোগীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে আদর্শগত বাধা কমিয়ে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের মতাদর্শে তথাকথিত ‘দূরবর্তী শত্রু’, বিশেষত পশ্চিমি শক্তিগুলিকে লক্ষ্য করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল। এখন উপমহাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বজায় রেখেই আঞ্চলিক সহযোগীদের সমর্থনের ভিত্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে সংগঠনটি (AI Qaeda)।

    আল-কায়দার আঞ্চলিক কৌশলে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সে দেশের প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি নতুন বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী তৈরিতে উৎসাহ জোগানোর চেষ্টা চলছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বাংলাদেশের জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশকে আল-কায়দার অন্যতম প্রধান সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতীতে এই সংগঠনের মধ্যেই ভাঙন দেখা দিয়েছিল। একটি অংশ ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং পরবর্তী সময়ে নব্য জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে।

    বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করার চেষ্টা

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের দাবি, জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং হরকত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি বাংলাদেশের মতো সংগঠনগুলিকে নিজেদের আদর্শ অনুসরণকারী আরও বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে আল-কায়দা।

    প্রতিবেদনে ইমাম মাহমুদের কাফিলা নামে একটি গোষ্ঠীর উল্লেখ রয়েছে, যারা ভারতে নিজেদের কার্যকলাপ কেন্দ্রীভূত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা নেটওয়ার্কের বাইরে উপমহাদেশের আরও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রভাব ছড়ানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই ধরনের গোষ্ঠীগুলিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক গোয়েন্দা আধিকারিকের মতে, জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং হরকত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি বাংলাদেশের মতো সংগঠনগুলির ইতিমধ্যেই সদস্যসংখ্যা ও সাংগঠনিক কার্যক্ষমতা রয়েছে। ফলে আল-কায়দা সরাসরি প্রতিটি অভিযানের দায়িত্ব না নিয়েও আদর্শগত দিশা দেখানোর ভূমিকা নিতে পারে এবং বিদ্যমান নেটওয়ার্কগুলিকে নিজেদের বৃহত্তর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে।

    একাধিক বিচ্ছিন্ন সংগঠন তৈরি হলে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তদন্তও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সংগঠনগুলির পারস্পরিক যোগসূত্র, নেতৃত্বের কাঠামো এবং মূল সংগঠনের সঙ্গে নতুন গোষ্ঠীগুলির সমন্বয়ের মাত্রা নির্ধারণ করা কঠিন হতে পারে। পাশাপাশি, বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীগুলির কার্যকলাপের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও পেতে পারে মূল সংগঠনগুলি (Terror Groups)।

    ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উপমহাদেশে নিরাপদ আশ্রয়স্থল গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা বজায় রাখতে চাইছে আল-কায়দা। এর মধ্যে শিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টার উল্লেখ রয়েছে (AI Qaeda)।

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের সম্পর্ক সংগঠনটিকে রসদ ও অন্যান্য সহায়তা জোগাতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রেও সুবিধা হতে পারে তাদের।

    ছোট ছোট গোষ্ঠীর উত্থান

    বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ছোট ছোট গোষ্ঠীর উত্থানে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে আল-কায়দা আরও বিস্তৃত ও ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এর ফলে সংগঠনটির ভৌগোলিক পরিসর বাড়তে পারে এবং তাদের কার্যকলাপের প্রকৃত সাংগঠনিক কাঠামো শনাক্ত করা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

    প্রতিবেদনে ইসলামিক স্টেটের আগের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সঙ্গেও আল-কায়দার বর্তমান কৌশলের তুলনা করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু যুবক ওই সংগঠনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কেরলের ২০ জনেরও বেশি যুবক উগ্রপন্থায় প্রভাবিত হয়ে আফগানিস্তানে গিয়ে সংগঠনটিতে যোগ দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটে যোগ দেওয়া কয়েকজন ভারতীয় পরে সংগঠনটির চরম হিংসা, বৈষম্যমূলক আচরণ এবং অবমাননাকর কাজের দায়িত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতায় হতাশ হয়ে পড়েন বলে দাবি করা হয়েছে।

    ইসলামিক স্টেট

    আল-কায়দা ইসলামিক স্টেটের এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অপেক্ষাকৃত বিস্তৃত আদর্শগত পরিসর তুলে ধরে নতুন সদস্য ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা।

    সব মিলিয়ে, বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্ককে কেন্দ্র করে উপমহাদেশে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে (Terror Groups) আল-কায়দা—এমনই দাবি ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার প্রতিবেদনে। তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত কৌশলগত পরিবর্তন ও সাংগঠনিক তৎপরতার দাবিগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতি ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলির নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে (AI Qaeda)।

     

  • Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor’s Ramayana) অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রথম পর্বের (Ramayana Release Date) মুক্তির দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন নির্মাতারা। আগামী ৫ নভেম্বর, ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ৬ নভেম্বর এবং ভারতে ৮ নভেম্বর ছবি মুক্তির সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছিল। তবে এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই দিনে ছবি মুক্তির কথা জানিয়েছেন নির্মাতারা। ছবির প্রযোজক নমিত মালহোত্রা এবং পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির এই মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ। সম্প্রতি নবরাত্রির শুভ সূচনায় ছবির নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টার প্রকাশ করে মুক্তির দিন ঘোষণা করেন। পোস্টারে দেখা গিয়েছে রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী, যশ এবং রবি দুবেকে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ২০ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন থেকে ছবির প্রথম পর্বের অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হবে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজোর উৎসবের আবহেই শুরু হয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত এই ছবির টিকিট কাটার পালা।

    বাল্মীকি রামায়ণের আধারে তৈরি মহাকাব্যিক ছবি

    মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ‘রামায়ণ’। বিশাল বাজেট, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে ছবিটিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরাণিক প্রজেক্ট হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ছবিটি দুটি পর্বে মুক্তি পাবে। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এই ছবির প্রযোজনায় রয়েছে নমিত মালহোত্রার প্রাইম ফোকাস স্টুডিওজ, ডিএনইজি এবং যশের মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনস। ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সুরকার হ্যান্স জিমার এবং ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে নির্মিত ছবিটি একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় মুক্তি পাওয়ার কথা। হিন্দি, ইংরেজি, বাংলা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, জাপানি, ম্যান্ডারিন, বাহাসা ইন্দোনেশিয়া, থাই এবং আরবি ভাষাতেও ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর

    ছবির অভিনয়শিল্পীদের তালিকাও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। রামচন্দ্রের ভূমিকায় রণবীর কাপুর এবং সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবীকে দেখা যাবে। যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সানি দেওল, রবি দুবে, রাকুল প্রীত সিং, অরুণ গোভিল, কাজল আগরওয়াল, বিবেক ওবেরয়, শোভনা, কুণাল কাপুর, লারা দত্ত, শিবা চাড্ডা, ইন্দিরা কৃষ্ণন, অনুপম খের-সহ একাধিক পরিচিত অভিনেতা। ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর, ২০২৬। অন্যদিকে, দ্বিতীয় পর্বটি ২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা। ভারতীয় মহাকাব্যকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ কতটা সাফল্য পায়, এখন সেদিকেই নজর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি এবং দশেরায় অগ্রিম বুকিং শুরুর ঘোষণায় ‘রামায়ণ’ নিয়ে প্রত্যাশা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে চলচ্চিত্র মহল।

  • Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ল বীরভূম (Birbhum Stone Revenue)। পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে একদিনে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করল প্রশাসন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই ৩২ কোটির বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On Birbhum Stone Revenue)। তাঁর দাবি, রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

    বীরভূম জেলা প্রশাসনের সাফল্য

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর বীরভূমে বালি এবং পাথর খাদানগুলিতে পূর্বতন সরকারের নানা দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে উঠে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সেখানকার পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হদিস নিয়ে মামলা চলছে। এমতাবস্থায় বীরভূমের পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল সেখানকার জেলা প্রশাসন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ফেসবুকে বীরভূমে পাথরের রাজস্ব আদায়ের একটি রিপোর্ট পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, “আজ বীরভূম জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। গতকাল, নবরাত্রির প্রথম দিনেই, পাথরের ডিসিআর থেকে সর্বমোট ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা এক দিনে আদায়ের সর্বকালীন রেকর্ড।”

    আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী

    বিগত সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, “গত বছর আগের সরকারের আমলে পুরো অক্টোবর মাসে এই খাতে আদায় হয়েছিল মাত্র ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাথরের রাজস্ব থেকে মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আমরা এবার ছাড়িয়ে যাব বলে আমি আশাবাদী। রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধিতে এই সাফল্যের জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বচ্ছ প্রশাসন, রাজস্ব আদায়ে শৃঙ্খলা এই আমাদের অঙ্গীকার।” বীরভূমের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন ওই জেলার বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, শুধু পাথরের রাজস্ব থেকেই মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায় করে দেব। অক্টোবরে আমরা তা ছাড়িয়ে যাব। আর একবার ধন্যবাদ জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে একদিনে এ যাবৎকালের রেকর্ড রাজস্ব আদায় করার জন্য।”

     

     

     

  • Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ কর্মসূচির জায়গা হিসেবে যন্তর-মন্তরকে (Jantar Mantar Protest) ডি-নোটিফাই করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দিল্লিতে এই এলাকায় আর বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গাকে চিহ্নিত করল কেন্দ্র। দিল্লির যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পরিবর্তে রাজধানীর তিনটি পৃথক এলাকায় বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দিনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছর, ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশিকায় বদল আনল অমিত শাহের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সরকারি দফতর। মনে করা হচ্ছে, তার আশপাশে যাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি না হয়, তাই এই পদক্ষেপ।

    দিল্লি পুলিশের বিশেষ নির্দেশিকা

    ১১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে জারি করা এক নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত স্থানগুলি হল পুরনো দিল্লির রামলীলা ময়দান, পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড এবং উত্তর দিল্লির বুরাড়ি গ্রাউন্ড। যন্তর মন্তর থেকে এই স্থানগুলির দূরত্ব যথাক্রমে প্রায় ৩ কিলোমিটার, ১৩.৫ কিলোমিটার এবং ৪৪ কিলোমিটার। দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এই নির্দেশে ২৮ এপ্রিল, ২০২২-এর পূর্ববর্তী নির্দেশ আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। ওই নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন তিনটি স্থানে বিক্ষোভ ও জমায়েত পরিচালনার জন্য সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) পরে প্রকাশ করা হবে। দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘কমিটির সুপারিশ মোতাবেক যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদস্থল থাকছে না। প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জন্য এ বার তিনটি স্থান নির্ধারিত হয়েছে— রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠ।’’ ওই তিনটি স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে হলে কী ভাবে অনুমতি নিতে হবে, বা কী কী করতে হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে নির্দেশিকা (এসওপি)।’’

    শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে সরব সিজেপি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া নিয়ে কক্‌রোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে এসে সিজেপি-র নেতারা বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার দাবি জানান। দলের বক্তব্য, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানিয়েছিলেন এবং পুলিশ সেই বার্তা গ্রহণও করেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভের তারিখ জানানো হয়নি। অনুমতি না দেওয়ার কারণও তাদের স্পষ্ট করে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, বিক্ষোভের তারিখ জানানোর জন্য পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না এলে দল মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তুলেছেন দাস। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীদের বাসের ভিতরে মারধর করা হয়েছে। পাশাপাশি, দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা বলতে ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এড়িয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দাসের কথায়, “ভারত সরকার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালাচ্ছে।” তবে দল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।

    কেন যন্তর মন্তর-এ সভা নয়

    অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে INDIA জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে প্রস্তাবিত মিছিলকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের উপর বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতারা। যদিও দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সিজেপি-র দাবির বা ইন্ডি জোটের প্রস্তাবিত মিছিলের সরাসরি যোগসূত্র নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে রাজধানীতে একের পর এক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার আবহে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    যন্তর মন্তর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, দিল্লি হাই কোর্টে হওয়ার কথা। আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধ করা হলেও বিকল্প কোনও স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। এ ছাড়াও, ১০ ও ১১ অক্টোবর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচি সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলাও মঙ্গলবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে আদালত জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন এবং শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হলফনামা চেয়েছে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। মহালয়া এবং প্রতিপদে শহরের বেশ কিছু পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে ধীরে ধীরে পথে বাড়ছে মানুষের ঢল। প্যান্ডেল হপিং, সাজগোজ থেকে শুরু করে রেস্তরাঁয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়া- দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) পাঁচদিনের প্ল্যানিং করে ফেলেছে বাঙালি। কিন্তু এই উৎসাহে জল ঢালতে প্রস্তুত আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast)। বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ (Rain Forecast)। মঙ্গলবারই দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরফলে পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Durga Puja Weather) দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    কীভাবে দানা বাঁধছে এই নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর উপর একটি ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯.৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং অত্যন্ত সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘূর্ণাবর্তটি প্রবেশ করতে চলেছে আন্দামান সাগরে। এর জেরেই আগামী ১৩ অক্টোবর নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর আনুষ্ঠানিকভাবে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ অঞ্চলটি। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটির অভিমুখ তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার চতুর্থী থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়লে মেঘের আনাগোনা বাড়বে। এ দিন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে।

    পঞ্চমী থেকে অষ্টমীর আবহাওয়া

    পঞ্চমী: দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ষষ্ঠী (১৬ অক্টোবর): এই দিন দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।

    সপ্তমী: উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ের কোলে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।

    অষ্টমী: মহাষ্টমীর দিনে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে, উপকূল ও সংলগ্ন জেলা যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

    ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ

    নবমী ও দশমীতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে, উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় ছাতা সঙ্গে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

  • Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় মৃতের (Houthi Attack) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক ভারতীয় নাগরিকও। রবিবার সৌদি আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস সূত্রে এও জানানো হয়েছে, জখম তিন ভারতীয় নাগরিক চিকিৎসাধীন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আহত আরও (Riyadh Airport) দুই ভারতীয় সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী জানাল ভারতীয় দূতাবাস (Houthi Attack)

    রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে রিয়াধে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, ১০ অক্টোবরের হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে দূতাবাস।

    দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, “১০ অক্টোবর রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য। জানা গিয়েছে, রিয়াধে হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের আজ দুর্ভাগ্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিবারের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি এবং মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেব।”

    এর পরেই দূতাবাসের আধিকারিকেরা আহত ভারতীয়দের দেখতে হাসপাতালগুলিতে যান। পরে জারি করা আরও একটি বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, তিন ভারতীয় পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকলেও তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। বাকি আহত ভারতীয়দের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    দূতাবাসের দ্বিতীয় বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে আরও একটি সর্বশেষ তথ্য। হামলায় আহত ভারতীয় নাগরিকেরা যে সব  হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, আমাদের দূতাবাসের আধিকারিকেরা সেই সব হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আগেই জানানো হয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তিন জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন, তবে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন এবং বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত ভারতীয় নাগরিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য আমরা সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের পরিবারগুলিকে আশ্বস্ত করছি যে দূতাবাসের তরফে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করা হবে।”

    সৌদি আরবের বক্তব্য

    এর আগে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমেরিকা, মিশর, জর্ডন, সিরিয়া, প্যালেস্টাইন ও সুদানের এক জন করে নাগরিক ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর সামনে আসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ হয়েছে (Houthi Attack)।

    সৌদি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করছে যে এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং অন্যদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক, এক জন আমেরিকান, এক জন মিশরীয়, এক জন জর্ডনীয়, এক জন সিরীয়, এক জন প্যালেস্টাইনি এবং এক জন সুদানি নাগরিক রয়েছেন। হামলায় আরও ৩০৯ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

    হামলার নিন্দা অস্ট্রেলিয়ারও

    এই হামলার নিন্দা করেছে অস্ট্রেলিয়াও। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং সৌদি আরবে হামলা এবং অসামরিক পরিকাঠামোকে নিশানা করার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা করছে অস্ট্রেলিয়া। রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলায় বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। অসামরিক নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হুথিদের হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।”

    উল্লেখ্য, এর আগে ৬ ও ৭ অক্টোবর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই হামলাগুলিতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন ৩৬ জন।

    ১১ অক্টোবরের হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানোর জন্য বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন (Riyadh Airport) কর্তৃপক্ষ।

    পরপর হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। চলছে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার চেষ্টা (Houthi Attack)।

     

  • India: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা ভারতের, নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক

    India: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা ভারতের, নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীতে দু’টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাল ভারত (India)। এই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তার উপর ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। একটি জাহাজে চালকবিহীন আকাশযানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়েছেন বলে খবর। অন্য একটি জাহাজে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত করার পর আগুন ধরে যায়। তবে দ্বিতীয় জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান পেতে ওমানের রাজধানী মাসকটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। একই সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত।

    বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের উপর হামলার নিন্দা জানাচ্ছি। পেট্রো ডলফিন নামের জাহাজটি চালকবিহীন আকাশযানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। জাহাজটিতে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ভালথেরা অজ্ঞাত একটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাতে আগুন ধরে যায়।”

    বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাণিজ্যিক জাহাজের উপর বারবার হামলার ঘটনা ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতীয় নাবিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ভারত সরকারের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়। এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের উপর বারবার হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর ফলে আগে থেকেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির মুখে পড়তে পারে।”

    ভারতের তরফে সংঘাতের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষকে সংযম দেখানোর এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, বাণিজ্যিক জাহাজ, নাবিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক জলপথে অবাধ নৌ-চলাচলের অধিকার রক্ষা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

    দু’টি জাহাজে হামলার ঘটনা

    রবিবার পেট্রো ডলফিন নামের বাণিজ্যিক জাহাজটিতে চালকবিহীন আকাশযানের আঘাত লাগে। ওই জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের খোঁজ মিলছে না। তাঁদের সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    অন্যদিকে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ভালথেরায় অজ্ঞাত একটি বস্তু আঘাত হানলে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় (India) নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালীতে এই হামলার ঘটনায় জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি রুখতে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমন এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পক্ষেই সওয়াল করেছে ভারত (India)।

     

  • Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মাটিতে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নের কথা ফের জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শারোদৎসবের প্রাক্কালে ক্রীড়া উৎসবের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। জানালেন , ২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস (Olympics 2036) আয়োজনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত। রবিবার (১১ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত যখন ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমরা ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন নিয়েও এগিয়ে চলেছি।”

    সম্ভাব্য আয়োজক শহর আমেদাবাদ

    ভারত প্রথমবারের মতো অলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্য সক্রিয়ভাবে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে গুজরাটের আমেদাবাদকে সম্ভাব্য আয়োজক শহর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসও এই শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, আন্তর্জাতিক স্তরের বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও উন্নত করা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    কমনওয়েলথ আয়োজনের অভিজ্ঞতা

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সঙ্গে বর্তমানে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে আলোচনায় রয়েছে মোট সাতটি দেশ। ভারত ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে জার্মানি, হাঙ্গেরি, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তুরস্ক। আইওসি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে আগ্রহী দেশগুলির মধ্যে থেকে সম্ভাব্য আয়োজকদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করতে পারে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের চূড়ান্ত আয়োজক দেশের নাম ২০২৯ সালে ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইওসি প্রেসিডেন্ট কার্স্টি কোভেন্ট্রিও জানিয়েছেন, যে দেশই অলিম্পিক আয়োজন করুক, ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা ও স্বার্থকে সমস্ত প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রাখতে হবে। আসন্ন ২০২৮ সালের অলিম্পিক হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২০৩২ সালের আসর বসবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। ভারতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিকাঠামো, আয়োজনের সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির মাধ্যমে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের অভিজ্ঞতা ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের দাবিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণ প্রজন্মের প্রতি ফের বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, বর্তমান বিশ্বের যেসব সমাধান অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে, সেগুলি খুঁজে বের করার ক্ষমতা রয়েছে নবীন প্রজন্মের (Gen Z) হাতেই। তাই নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার এবং বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। তরুণদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, নির্ভয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে, প্রচলিত চিন্তাধারার বাইরে গিয়ে ভাবতে হবে এবং নিজেদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

    চেন্নাইয়ের নন্দনবক্কমে চেন্নাই বাণিজ্য কেন্দ্রে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয় ম্যাট্রিক উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য যে নতুন ভাবনা ও সমাধানের প্রয়োজন, তা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎকেই রূপ দেবে না, গোটা বিশ্বের ভবিষ্যৎ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা (PM Modi)

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আজ গোটা বিশ্ব বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজছে। সেই সমাধান দেওয়ার সম্ভাবনা তোমাদের রয়েছে। আমি চাই, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর পরিসরে দেখুক। কারণ, এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ।” নিজেকে কাশীর প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মহান তামিল কবি সুব্রহ্মণ্য ভারতীর কথাও স্মরণ করেন। নির্ভীকভাবে জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা জোগানো এই কবির ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের কাছে আমার আবেদন, নিজেদের নির্ভীক হওয়ার সুযোগ দাও। নিজেদের ভাবনা নিয়ে কাজ কর। বড় স্বপ্ন দেখ, অন্যভাবে চিন্তা কর এবং নির্ভয়ে এগিয়ে চলো।” তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে আশাবাদী বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে। এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ। আমরা একসঙ্গে এই কাজ করে দেখাব।”

    তরুণদের ক্ষোভের আবহে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা এমন একটা সময়ে এল, যখন দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে নেমেছে পড়ুয়া ও তরুণদের একাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই সংশোধন প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রতিবাদ ক্রমশ জোরালো হয়েছে।

    শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে পুলিশ আটক করে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে। মুম্বই থেকে তাঁদের বিমান দিল্লিতে অবতরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই আটক করা হয়। এর পাশাপাশি, প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয় একাধিক মেট্রো স্টেশন ও পরিষেবা, পাশাপাশি থামিয়ে দেওয়া হয় স্থানীয় ট্রেন চলাচলও (PM Modi)।

    এই পরিস্থিতিতে বিশেষ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, নিতান্ত প্রয়োজন না হলে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ১৬৩ ধারার প্রয়োগ প্রত্যাহারের বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করতে বলা হয়।

    তরুণদের অসন্তোষ কি বড় চ্যালেঞ্জ বিজেপির?

    এর আগে চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়।

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে চেন্নাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে। বেকারত্ব, স্বচ্ছতার অভাব এবং বিভিন্ন সরকারি প্রক্রিয়া নিয়ে তরুণদের মধ্যে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তা কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে ক্রমশ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

    তৃতীয় দফার (Gen Z) শাসনকালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তরুণ ভোটারদের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের প্রত্যাশার সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা শাসকদলের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে তরুণদের স্বপ্ন, উদ্ভাবনী শক্তি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ক্ষমতার উপর প্রধানমন্ত্রীর এই জোর দেওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (PM Modi)।

LinkedIn
Share