Blog

  • PM Modi: মোদির নেদারল্যান্ডস সফর ছিল ভারতকে ভবিষ্যতের সিলিকন সাম্রাজ্য গড়ে তোলার সুদুরপ্রসারি ব্লু-প্রিন্ট, কীভাবে জানেন?

    PM Modi: মোদির নেদারল্যান্ডস সফর ছিল ভারতকে ভবিষ্যতের সিলিকন সাম্রাজ্য গড়ে তোলার সুদুরপ্রসারি ব্লু-প্রিন্ট, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে দামি বা শক্তিশালী অস্ত্র কিন্তু কোনও পরমাণু বোমা বা মিসাইল নয়। সেই অদৃশ্য অস্ত্রের নাম হল— ‘সেমিকন্ডাক্টর চিপ’। আপনার হাতের স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সুপারকম্পিউটার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), আধুনিক যুদ্ধবিমান কিংবা বৈদ্যুতিক গাড়ি— চিপ ছাড়া আজ পুরো পৃথিবী অচল। আর এই চিপ তৈরির বিশ্বযুদ্ধে এবার এক ঐতিহাসিক চাল চালল ভারত। কি সেই মাস্টার স্ট্রোক?

    মে ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফর শুধু একটি সাধারণ কূটনৈতিক সফর ছিল না। এটি ছিল ভারতের ভবিষ্যতের সিলিকন সাম্রাজ্য গড়ে তোলার ব্লু-প্রিন্ট। এই সফরেই সই হল এমন এক চুক্তি, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং প্রযুক্তির মানচিত্র বদলে দিতে চলেছে। ভারতের টেক জায়ান্ট ‘টাটা ইলেকট্রনিক্স’ (Tata Electronics) চুক্তি স্বাক্ষর করল ডাচ প্রযুক্তি জায়ান্ট এএসএমএল (ASML)-এর সঙ্গে। এএসএমএল কোনও সাধারণ কোম্পানি নয়। এটি হল সেমিকন্ডাক্টর জগতের এমন এক একচেটিয়া সম্রাট বা মনোপলি, যার সবুজ সংকেত ছাড়া তাইওয়ানের টিএসএমসি বা আমেরিকার ইন্টেল (Intel)-ও এক পা নড়তে পারে না।

    নেদারল্যান্ডস হল ভারতে চতুর্থ বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ

    মে ২০২৬-এ ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব ইয়েটেনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) গিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডস সফরে। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক নেদারল্যান্ডস সফর। এই সফরে ভারত ও নেদারল্যান্ডসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছয়। দুই দেশ যৌথভাবে গ্রহণ করে ‘ভারত-নেদারল্যান্ডস স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ রোডম্যাপ (2026–2030)’। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের হিসেব অনুযায়ী, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রায় ২৭.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে এবং নেদারল্যান্ডস হল ভারতে চতুর্থ বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ, যার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (FDI) পরিমাণ প্রায় ৫৫.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    এই ২০২৬-২০৩০ রোডম্যাপের মূল ভিত্তি কিন্তু শুধু সাধারণ বাণিজ্য নয়, এর কেন্দ্রে রয়েছে— ক্রিপ্টো, এআই, কোয়ান্টাম টেকনোলজি, গ্রিন হাইড্রোজেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘সেমিকন্ডাক্টর’। ভারতের ‘ইন্ডিয়ান সেমিকন্ডাক্টর মিশন’ (ISM) এবং ডাচ ‘সেমিকন কম্পিটেন্স সেন্টার’-এর মধ্যে কৌশলগত জোট গড়ার আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ে এই সফরেই। যার লক্ষ্য— চিপ তৈরির গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে চিনের একচেটিয়া আধিপত্য চূর্ণ করে একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন তৈরি করা।

    এএসএমএল আসলে কী?

    এএসএমএল এর সম্পূর্ণ নাম ‘Advanced Semiconductor Materials Lithography’। নেদারল্যান্ডসের ভেলধোভেন (Veldhoven)-এ সদর দফতর অবস্থিত এই কোম্পানিটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ খুব বেশি না জানলেও, অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা এনভিডিয়ার মতো ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানিগুলো এই এসএমএল-এর সামনে হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে থাকে। কেন? কারণ, চিপ তৈরিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল প্রক্রিয়া হলো ‘লিথোগ্রাফি’। একটি সিলিকন ওয়েফারের ওপর আলোর সাহায্যে কোটি কোটি বা বিলিয়ন বিলিয়ন ন্যানো-স্কেলের সার্কিট খোদাই করার পদ্ধতিই হলো লিথোগ্রাফি। আর এই কাজের জন্য যে মেশিনের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় EUV (Extreme Ultraviolet) এবং DUV (Deep Ultraviolet) লিথোগ্রাফি মেশিন।

    পৃথিবীর সবচেয়ে অ্যাডভান্সড চিপ (যেমন ৩ ন্যানোমিটার বা ২ ন্যানোমিটার চিপ, যা আইফোন বা এআই সুপারকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়) তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় EUV মেশিনের বাজারে ASML-এর একচেটিয়া ১০০% মনোপলি রয়েছে! দুনিয়ায় অন্য কোনও কোম্পানি এই মেশিন তৈরি করতে পারে না। এক একটি মেশিনের দাম ২০০ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা একটি আস্ত বোয়িং বিমানের চেয়েও দামি। এই মেশিন ছাড়া তাইওয়ানের TSMC-ও অচল। তাই চিপের দুনিয়ায় রাজত্ব করতে গেলে এএসএমএল (ASML)-এর আশীর্বাদ অপরিহার্য। আর ভারত ঠিক এই জায়গায়ই নিজের খুঁটি পুঁতে দিল।

    ভারতের প্রথম ৩০০ মিলিমিটার কারখানা হচ্ছে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই সফরের ঠিক মাঝখানেই, ১৬ মে ২০২৬ তারিখে দ্য হেগ শহরে এক ঐতিহাসিক মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। ভারত গৌরব টাটা গ্রুপেরই প্রতিষ্ঠান ‘টাটা ইলেকট্রনিক্স’ এবং ডাচ জায়ান্ট ‘ASML’ ভারতের প্রথম কমার্শিয়াল সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব স্থাপনের জন্য স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের কথা ঘোষণা করে। গুজরাটের ধোলেরায় টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বা প্রায় ৯১,০০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করে ভারতের প্রথম ৩০০ মিলিমিটার (১২ ইঞ্চি) কমার্শিয়াল চিপ ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাব বা কারখানা তৈরি করছে। এই মেগা প্রজেক্টে টাটার প্রযুক্তিগত পার্টনার ছিল তাইওয়ানের PSMC। কিন্তু চিপ তৈরির আসল হাতিয়ার অর্থাৎ লিথোগ্রাফি টুলস এবং হোলিস্টিক সলিউশনস সরবরাহ করার দায়িত্ব এবার অফিশিয়ালি কাঁধে নিল এসএমএল।

    এই চুক্তির ফলে কী সুবিধা হবে?

    প্রথমত, ধোলেরা ফ্যাবে এসএমএল -এর বিশ্বমানের অ্যাডভান্সড লিথোগ্রাফি যন্ত্রপাতি বসানো হবে, যা চিপ উৎপাদনের গতি এবং গুণমান আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে ২৮ ন্যানোমিটার, ৪০ ন্যানোমিটার, ৫৫ ন্যানোমিটার এবং ৯০ ন্যানোমিটারের চিপ তৈরি হবে, যা অটোমোবাইল (গাড়ি), মোবাইল ডিভাইস, ডিফেন্স এবং এআই (AI) সেক্টরের গ্লোবাল চাহিদা মেটাবে। তৃতীয়ত, এটি কেবল যন্ত্র কেনার চুক্তি নয়। এসএমএল এবং টাটা যৌথভাবে ভারতে লিথোগ্রাফি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (R&D) ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করবে এবং ভারতীয় তরুণদের এই উচ্চ প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে বিশেষ ট্রেনিং দেবে। টাটা ইলেকট্রনিক্সের সিইও রণধীর ঠাকুর স্পষ্ট জানিয়েছেন, এসএমএল-এর এই গভীর প্রযুক্তিগত সহায়তা ভারতকে গ্লোবাল কাস্টমারদের কাছে একটি বিশ্বস্ত এবং স্থিতিস্থাপক সাপ্লাই চেন পার্টনার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।

    ঐতিহাসিক মাইলফলক

    প্রশ্ন হল, ভারত হঠাৎ সেমিকন্ডাক্টরের পেছনে লাখ কোটি টাকা কেন ঢালছে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে গ্লোবাল জিওপলিটিক্স বা ভূ-রাজনীতিতে। বর্তমানে পৃথিবীর ৯০ শতাংশেরও বেশি উন্নত চিপ তৈরি হয় তাইওয়ানে। কিন্তু চিনের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে তাইওয়ানকে নিয়ে সবসময় যুদ্ধকালীন মেঘ ঘনিয়ে থাকে। যদি চিন কোনওদিন তাইওয়ান দখল করে নেয়, তবে পুরো পৃথিবীর টেকনোলজি থমকে যাবে। কূটনীতির পরিভাষায় একে বলা হয় ‘তাইওয়ান রিস্ক’।

    আমেরিকা এবং ইউরোপ তাই চিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্যাকুল। তারা এমন এক বন্ধু রাষ্ট্র চাইছে যার বিশাল বাজার আছে, দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার আছেন এবং স্থিতিশীল গণতন্ত্র আছে। ভারত ঠিক এই সুযোগটাই লুফে নিয়েছে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে ভারত সরকার প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইনসেনটিভ বা পিএলআই (PLI) স্কিম ঘোষণা করেছে চিপ প্রস্তুতকারীদের জন্য।

    এসএমএল (ASML)-এর সিইও ক্রিস্টোফ ফুকে নিজেই স্বীকার করেছেন, ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল সেমিকন্ডাক্টর বাজারকে অবহেলা করা অসম্ভব। তাই তাইওয়ানের ওপর বৈশ্বিক নির্ভরতা কমিয়ে ভারতকে চিপের বিকল্প গ্লোবাল হাব বানানোর এই আন্তর্জাতিক খেলায় টাটা- এসএমএল চুক্তি এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

    একসময় বলা হত, ভারত কেবল সফটওয়্যার তৈরি করতে পারে, হার্ডওয়্যার বা ম্যানুফ্যাকচারিং করা ভারতের কম্ম নয়। কিন্তু আজ টাটা, পিএসএমসি এবং খোদ এএসএমএল-এর এই ত্রিবেণী সঙ্গম প্রমাণ করে দিল— ভারত এবার চিপ ডিজাইনের পাশাপাশি চিপ উৎপাদনেও বিশ্বনেতা হতে প্রস্তুত। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেখিয়েছেন, তা আর কেবল কাগজে বা স্লোগানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে ধোলেরার মাটিতে।

  • Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে অল আউট খেলছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। দিন দুয়েক আগেই রাজ্যের সব জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Immigrants) পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখার দাওয়াই দিয়েছিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পরে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দুই জেলা মালদা এবং মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয় ১৪ অনুপ্রবেশকারীকে। তাঁদের ঠাঁই হয়েছে নবগঠিত হোল্ডিং সেন্টারে। এহেন আবহে অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশে এবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন, “এঁদের চলে যাওয়া উচিত। ওই দেশের মুখপাত্র বলেছিলেন যে বাংলাদেশিদের ফেরত নেবেন। জলদি জলদি ভাগো। জলদি জলদি ভাগো। নাহলে এই সরকার যা করার করবে।”

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari) 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা বলে দিয়েছি, বাংলাদেশের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ধরে কোর্টে পাঠানোর কোনও দরকার নেই। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে হ্যান্ডওভার করবে। ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিএসএফের যে এগ্রিমেন্ট আছে, সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশি প্রমাণ করে হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের জেলে তিন মাস, ছ’মাস, কিংবা দু’বছর রেখে, আপনার চাল, আপনার ডাল, আপনার তেল, আপনার মাছ, আপনার ডিম, আপনার কাপড়, আপনার ওষুধ ওদের দেব কেন? ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে। সেইজন্যই আইনটা এতদিন ছিল। ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে কেউ বা কারা ব্যবহার করেননি। আমরা ভোটব্যাঙ্কের বাইরে গিয়ে, দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে এই আইন কার্যকর করছি (Suvendu Adhikari)।”

    হাকিমপুর চেকপোস্টে অনুপ্রবেশকারীরা

    প্রসঙ্গত, রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই ব্যাপক ভিড় উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে। সেখানেই বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বাম-তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়া অনুপ্রবেশকারীরা। এঁদের অনেকেই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এ রাজ্যে (Suvendu Adhikari)। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর (Bangladeshi Immigrants) এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে।

     

  • Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য অনির্দিষ্ট কারণের ফলে হওয়া ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ (Demographic Shifts) যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেন শাহ। তিনি এই বিষয়টিকে ভারতের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক ভারসাম্য এবং আদিবাসী সমাজের সংরক্ষণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন।

    কী লিখলেন শাহ? (Amit Shah)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি জানান, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্যানেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শাহ লিখেছেন, “অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য যে কোনও দেশের কাছে অত্যন্ত গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ১৫ অগাস্ট, ২০২৫-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ‘হাই-লেভেল কমিটি অন ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে সরকার এখন এই কমিটি গঠন করেছে।”

    কমিটির সদস্য কারা?

    শাহ জানান, এই কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার দুর্গা শঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বালাজি শ্রীবাস্তব, অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি এবং জনগণনা কমিশনার। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফরেনার্স-গ্রেড ওয়ান বিভাগের যুগ্মসচিব এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে কাজ করবেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই কমিটি অবৈধ অভিবাসন এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণের ফলে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে, তার একটি বিস্তৃত মূল্যায়ন করবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ভিত্তিক অস্বাভাবিক জনসংখ্যা পরিবর্তনের ধরণ বিশ্লেষণ করে এজন্য একটি পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব করবে (Amit Shah)।

    সীমান্তবর্তী গ্রামে নিবিড় নজরদারি

    শাহের এই ঘোষণাটি হয়েছে এমন এক দিনে, যেদিন তিনি রাজস্থানের বিকানের জেলার বিএসএফের সাঞ্চু আউটপোস্ট পরিদর্শন করেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের মতো নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে বিএসএফের কার্যক্ষেত্র বাড়িয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত (Amit Shah)। তিনি বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের কারণে হওয়া জনবিন্যাস পরিবর্তনের (Demographic Shifts) বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে এবং সীমান্তবর্তী গ্রামের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজরদারি চালাতে হবে।”

     

  • Quad Meet: পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ, নজরে চিন! কোয়াড বৈঠকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

    Quad Meet: পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ, নজরে চিন! কোয়াড বৈঠকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত কোয়াড (Quad) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া একযোগে “মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক” গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল। একইসঙ্গে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত ভয়াবহ জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানাল চার দেশ। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও, অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং এবং জাপানের বিদেশমন্ত্রী তোসেমিৎসু মোতেগি। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ এবং শক্তিসম্পদ ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণ করেছে কোয়াড গোষ্ঠী ৷

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি

    মঙ্গলবার সকালে নয়াদিল্লিতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের বিদেশমন্ত্রীরা বৈঠক করেন ৷ বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তির মাধ্যমে কোনও পক্ষের একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টার বিরোধিতা করেছে কোয়াড দেশগুলি। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে কোয়াড। গুরগাঁওয়ে অবস্থিত ভারতের ইনফরমেশন ফিউশন সেন্টারের মাধ্যমে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে নজরদারি ও তথ্য ভাগাভাগির উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। এছাড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে “কমন অপারেশনাল পিকচার” তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে, যাতে সামুদ্রিক নজরদারি আরও শক্তিশালী হয়। আসলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তিকে রুখে দাঁড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য ৷

    পহেলগাঁও হামলার কড়া নিন্দা

    যৌথ বিবৃতিতে কোয়াড দেশগুলি “সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সীমান্তপারের জঙ্গি কার্যকলাপের” বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। বিশেষভাবে ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হওয়া জঙ্গি হামলার উল্লেখ করে তার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, তাদের মদতদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের বিরুদ্ধে “দৃঢ় ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ”-এর দাবি জানানো হয়েছে।

    দক্ষিণ চিন সাগর ও সমুদ্রপথ নিয়ে উদ্বেগ

    কোয়াড দেশগুলি দক্ষিণ চিন সাগর ও পূর্ব চিন সাগরের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যদিও কোনও দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে “বিপজ্জনক ও জবরদস্তিমূলক কার্যকলাপ”, জলকামান ব্যবহার, জাহাজে ধাক্কা মারা, নৌ চলাচলে বাধা এবং বিতর্কিত অঞ্চলের সামরিকীকরণের বিরোধিতা করা হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে অবাধ নৌ চলাচল ও বাণিজ্য বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (United Nations Convention on the Law of the Sea) মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    উত্তর কোরিয়া ও মায়ানমার প্রসঙ্গ

    বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। কোয়াড দেশগুলি কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু-মুক্ত করার পক্ষে অবস্থান জানায়। অন্যদিকে মায়ানমারের চলমান সংঘর্ষ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অবিলম্বে হিংসা বন্ধ, বন্দিদের মুক্তি এবং সব পক্ষের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অর্থনীতি, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজে জোর

    বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ও অর্থনৈতিক চাপের প্রসঙ্গ তুলে কোয়াড দেশগুলি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (Critical Minerals) নিয়ে নতুন কাঠামো গঠনের ঘোষণা করেছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খনিজ উত্তোলন, প্রক্রিয়াকরণ ও পুনর্ব্যবহারে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এছাড়া “কোয়াড ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ” চালু করে জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল বাজার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনও একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

    প্রযুক্তি, এআই ও আন্ডারসি কেবল

    বৈঠকে ৫জি, ৬জি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নিরাপদ ডিজিটাল পরিকাঠামো ও নির্ভরযোগ্য সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির “মেরুদণ্ড” হিসেবে আন্ডারসি কেবল নেটওয়ার্কের সুরক্ষার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কোয়াডের সহায়তায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের সব দেশকে আন্ডারসি কেবলের মাধ্যমে সংযুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    দুর্যোগ মোকাবিলা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চার দেশ। পাপুয়া নিউ গিনির ভূমিধস ও মায়ানমারের ভূমিকম্পে যৌথ ত্রাণ কার্যক্রমের উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কোয়াড দেশগুলি জানিয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে তারা একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের বার্তা

    বৈঠকের শেষে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “এই আলোচনার বেশির ভাগ অংশ এবং দ্বিপাক্ষিক মত বিনিময়ের অনেকটা জুড়ে ছিল বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিত ৷ আমরা চারজনই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমুদ্রের ধারে বসবাসকারী গণতান্ত্রিক দেশ ৷ আমরা সুরক্ষিত এবং বাধাহীন সামুদ্রিক বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেছি ৷” একটি স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অনেকগুলি দিক ও মাত্রা রয়েছে ৷ কোয়াড গোষ্ঠীর বৈঠকে সেই বিষয়গুলির উন্নতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে ৷ আগামী দিনে বিশ্বে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “আগামী দিনে, অর্থনৈতিক কাজকর্ম হোক বা শক্তিসম্পদের বাণিজ্য বা সমুদ্রে বাণিজ্য, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বিশ্বে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে ৷ তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোয়াড গোষ্ঠীর দায়িত্বও বৃদ্ধি পাবে এবং আমাদের তার জন্য প্রস্তুত হতে হবে ৷”

  • Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে অনড় কেন্দ্র, সীমান্ত সুরক্ষা ও ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প খতিয়ে দেখতে জুনেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ

    Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে অনড় কেন্দ্র, সীমান্ত সুরক্ষা ও ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প খতিয়ে দেখতে জুনেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রোধে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ অর্থাৎ চিহ্নিতকরণ, বাদ দেওয়া ও বহিষ্কার-এই নীতিতে অবিচল। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত অঞ্চলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সীমান্ত (Visit Bengal Borde) এলাকাগুলির সুরক্ষাকবচ নিশ্ছিদ্র করতে সম্প্রতি কেন্দ্র যে ‘স্মার্ট বর্ডার’ (Smart Border) প্রকল্পের ঘোষণা করেছিল, তার বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে দেশব্যাপী সফর শুরু করছেন তিনি। এই সফরসূচিতে পশ্চিমবঙ্গও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২৬ মে রাজাস্থান যাবেন, ৯ মে গুজরাটের ভুজ সফরে যাবেন এবং ৫ জুন ত্রিপুরা সীমান্ত সফরের যাবেন অমিত শাহ। আর ১৫ জুন বঙ্গ সফরে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সরকার গড়তেই সীমান্ত সুরক্ষাকে প্রাথমিকতা (Amit Shah)

    উল্লেখ্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একটা বড় অংশে বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে বিএসএফকে জমি (Visit Bengal Borde) না দেওয়ার কারণে চোরাচালান, অবৈধ পাচার এবং অনুপ্রবেশের একটা বড় অভিযোগ উঠছিল। তৃণমূল সরকার, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বারবার চাওয়া সত্ত্বেও জমি ও কাটা তারের বেড়া দিতে দেয়নি বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। এবার রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়তেই সীমান্ত সুরক্ষাকে প্রাথমিকতা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কোচবিহার, মালাদা এবং মুর্শিদবাদে বিএসএফকে জমি দিয়েছে শুভেন্দুর সরকার। এরপরই শাহের (Amit Shah) সফর ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে।

    রাজস্থান দিয়ে সফর শুরু

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই কর্মসূচির অধীনে মোট চারটি সীমান্ত রাজ্যে সফর করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে এই সফর। প্রথম দফায় তিনি রাজস্থানের বিকানের অঞ্চলের সীমান্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করবেন। সফরকালীন সুরক্ষার রূপরেখা নির্ধারণে রাজস্থানের সীমান্ত (Visit Bengal Borde) সংলগ্ন পাঁচ জেলার জেলাশাসক (DM), পুলিশ সুপার (SP), রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক এবং সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (BSF) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তিনি।

    ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গ সফর তাৎপর্যপূর্ণ সীমান্ত বৈঠক

    আগামী ১৫ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিএসএফ-এর জন্য জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সম্ভাব্য কর্মসূচিসমূহ হল–

    সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন

    ভারত-বাংলাদেশ (Visit Bengal Borde) সীমান্তের কোনও একটি অগ্রবর্তী বিএসএফ পোস্ট (Border Outpost) পরিদর্শন করবেন এবং বাহিনীর সীমান্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন।

    উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক

    রাজস্থানের মতোই এ রাজ্যেও সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলির জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং বিএসএফ ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে সমন্বয় বৈঠক করবেন।

    সমন্বয়ের বার্তা

    দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলের (Visit Bengal Borde) জনবিন্যাসের ভারসাম্য বজায় রাখতে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করাই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্য সফল করতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন ও বিএসএফ-কে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সূত্রের খবর, সীমান্তে অনুপ্রবেশ, গবাদি ও মাদক পাচার, জাল নোট চক্র এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি- এসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। সীমান্ত বাহিনীর বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির জেলা প্রশাসন ও পুলিশকর্তাদেরও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আগামী দিনের বৈঠক

    চারটি সীমান্ত (Visit Bengal Borde) রাজ্য পরিদর্শনের পর, ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের সফল রূপায়ণ ও সীমান্ত সুরক্ষার আধুনিকীকরণ নিয়ে পরবর্তী ধাপে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) একটি পৃথক ও বিশদ বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গেছে।

    ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ

    উল্লেখ্য বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর থেকেই জামায়েত- ই-ইসলাম বাংলাদেশে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মহম্মদ ইউনুসের আমল থেকে ভারত বিরোধিতার গতিবিধি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরবর্তীতে সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও জমায়েত এখন বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। তাঁদের নেতারা সব সময় ভারত বিরোধিতা করতেই মত্ত। সভেন সিস্টার এবং চিকেন নেক নিয়ে প্রায় প্রায় আক্রমণের উত্তেজক ভাষণ শোনা যায়। সম্প্রতি আইএসআইয়ের সঙ্গে  জামাতের গোপন চুক্তি সামনে এসেছে। একই ভাবে বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারত সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জামত এক চেটিয়া আসন লাভ করেছে। সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, রংপুর-সহ আরও এলাকায় জামাত একাধিপত্য লাভ করেছে। তাই এই অবস্থায় পাকিস্তানের ভারত বিরোধী কর্মকাণ্ডের যাতে অন্যতম হাব বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে না হয় সেই দিকেই নজর রেখে ভারত সরকার স্মার্ট বর্ডার নির্মাণের রূপরেখে ঠিক করেছে। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Suvendu Adhikari Announcements: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম, জনসংযোগে ‘আপনার সরকারকে বলুন’, কল্যাণীর প্রশাসনিক সভা থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari Announcements: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম, জনসংযোগে ‘আপনার সরকারকে বলুন’, কল্যাণীর প্রশাসনিক সভা থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Yojana) কার্যকর করার সরকারি প্রক্রিয়া বুধবার থেকেই শুরু হচ্ছে। কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, বুধবার থেকেই প্রকল্পের আবেদনপত্র বা ফর্ম প্রকাশ করা হবে এবং তা অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই পূরণ করা যাবে। পাশাপাশি ‘মা ক্যান্টিন’-এ সপ্তাহে দু’দিন মাছ-ভাত চালু, ‘দিদিকে বলো’-র নাম পরিবর্তন, মহিলাদের বিনামূল্যে বাসযাত্রা এবং আয়ুষ দফতরকে পৃথক করার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

    কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকে কী আলোচনা হল

    মঙ্গলবার কল্যাণীর এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি জানান, বর্তমানে চালু থাকা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পকে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-য় এবং ‘স্বাস্থ্যসাথী’-কে আয়ুষ্মান ভারতের কাঠামোয় রূপান্তরের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে উপভোক্তাদের একটি নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। বুধবার নবান্নে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী, মুখ্যসচিব, অর্থসচিব এবং অন্যান্য আধিকারিকদের উপস্থিতিতে সেই ফর্ম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, যত দ্রুত নথিভুক্তিকরণ হবে, তত দ্রুত উপভোক্তারা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

    ১ জুন থেকেই টাকা পাঠানোর প্রস্তুতি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মাসিক ৩ হাজার টাকা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ফর্ম পূরণ ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলাকালীন সাধারণ মানুষ যাতে আর্থিক সমস্যায় না পড়েন, সে দিকেও গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, যতদিন পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া শুরু না হচ্ছে, ততদিন পুরনো ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর টাকা আগের নিয়মেই উপভোক্তারা পাবেন।

    অনলাইন-অফলাইন দুই ব্যবস্থাতেই ফর্ম জমা

    শুভেন্দু জানান, বুধবার থেকেই সাধারণ মানুষ ফর্মের প্রতিলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়াকে সহজ করতে অনলাইন ও অফলাইন—দুই ব্যবস্থাই রাখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র জনগণের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হবে না। বিধায়কেরা নিজ উদ্যোগে ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন। পাশাপাশি বিডিওদের নেতৃত্বে সরকারি কর্মীরাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সহায়তা করবেন।

    নাগরিকত্ব নিয়ে স্পষ্ট বার্তা

    অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা কারা পাবেন, সে বিষয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সরকারি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ দেশের বৈধ নাগরিকদের জন্যই বরাদ্দ।

    মা ক্যান্টিনে সপ্তাহে দু’দিন মাছ-ভাত

    সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে ‘মা ক্যান্টিন’-এ নতুন খাদ্যতালিকার ঘোষণাও করেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৪০০টি মা ক্যান্টিন চালু রয়েছে বলে জানান তিনি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে দু’দিন ৫ টাকাতেই মাছ-ভাত দেওয়া হবে। বাকি পাঁচ দিন আগের মতোই ডিম-ভাত মিলবে একই মূল্যে। এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেছে রাজ্য সরকার।

    ‘দিদিকে বলো’-র নতুন নাম ‘আপনার সরকারকে বলুন’

    রাজ্যের জনপ্রিয় জনসংযোগ কর্মসূচি ‘দিদিকে বলো’-র নাম পরিবর্তনের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহ থেকে পরিষেবাটির নতুন নাম হবে ‘আপনার সরকারকে বলুন’। তিনি জানান, পুরনো টোল-ফ্রি নম্বরও পরিবর্তন করা হবে এবং পরিষেবা চালুর দিন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। পরিষেবার নতুন নাম নির্ধারণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

    মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাসযাত্রা

    মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি বাসে আপাতত সমস্ত মহিলাদের বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা কার্যকর করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভা আগেই এই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই পরিষেবার জন্য বিশেষ কার্ড চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

    ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচি পালন করবে রাজ্য

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচিও রাজ্যে পালন করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই কর্মসূচির আওতায় পরিবেশ ও বন দফতর প্রত্যেক বিধায়ককে গাছ বিতরণের জন্য চারাগাছ সরবরাহ করবে। এছাড়া ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির আয়োজনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা হবে।

    বিশ্ব যোগ দিবস ও আয়ুষ দফতর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

    ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস রাজ্যজুড়ে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবে আয়ুষ দফতর এবং ক্রীড়া দফতর। এদিন তিনি আরও জানান, নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে আয়ুষ দফতরকে স্বাস্থ্য দফতর থেকে আলাদা করা হবে। মন্ত্রিসভায় বিষয়টি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, পৃথক দফতর গঠনের মাধ্যমে আয়ুষ পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করা এবং জাতীয় স্তরের সুযোগ-সুবিধা রাজ্যে কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।

  • Ghatal Master Plan: ৫০:৫০ ফর্মুলা বরাদ্দে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণে নয়া দিশা, কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে স্থায়ী সমাধানের পথে নবান্ন

    Ghatal Master Plan: ৫০:৫০ ফর্মুলা বরাদ্দে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণে নয়া দিশা, কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে স্থায়ী সমাধানের পথে নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ (Ghatal Master Plan) রূপায়ণের ক্ষেত্রে এক ইতিবাচক ও নয়া দিশা দেখাতে চলেছে বিজেপি সরকার। পূর্ববর্তী সরকারের একরোখা নীতি থেকে সরে এসে, এবার কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অংশীদারিত্বে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নবান্ন। সোমবার সচিব পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বিষয়ে তাঁর সরকারের অবস্থান ও নতুন আর্থিক ফর্মুলার কথা ঘোষণা করেছেন।

    অর্থ বরাদ্দে ৫০:৫০ ফর্মুলা (Ghatal Master Plan)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন রূপরেখা অনুযায়ী, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মোট ব্যয়ের ৫০ শতাংশ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুফলকে কাজে লাগিয়েই এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যার একটি স্থায়ী ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধান খুঁজছে বর্তমান প্রশাসন। এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) সেচ দফতরের পদস্থ আধিকারিকদের এই বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে অবিলম্বে বিশদ আলোচনা শুরু করার জন্য সেচ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    পূর্বতন নীতিতে আমূল বদল

    উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে কেন্দ্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের জেরে এককভাবেই এই মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের তরফে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা মিলছে না। ফলত, মূল প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ১২৭০ কোটি টাকা হলেও, রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকে প্রথম দফার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কাজ শুরুর ঘোষণা করেছিল। তবে তাতে কেন্দ্রীয় সহযোগিতার কোনও রূপরেখা ছিল না। বর্তমানে রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের পর সেই পুরনো পরিকল্পনাকে পুরোপুরি বদলে ফেলা হচ্ছে।

    প্রেক্ষাপট ২০২৬

    ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘাটালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠিত হলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে। বর্তমান প্রশাসনের লক্ষ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে সুসংগত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যৌথভাবে এই বৃহৎ পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, পূর্বতন সরকারের ১২৭০ কোটি টাকার প্রস্তাবটির তুলনায় বর্তমান বাস্তবতায় প্রকল্প ব্যয়ের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে, যা খতিয়ে দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য প্রতিবার ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ভোট চাইতে এসে বারবার ঘাটাল মাস্টার প্লানের প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনও বার সদর্থক ভূমিকা করতে দেখা যায়নি। তিন তিন বারের সাংসদ দেব রাজ্য জুড়ে ভোটের প্রচারেও নিজের কেন্দ্র কীভাবে বর্ষার সময় জনজীবন বিপন্নের মুখোমুখি হয়ে পড়েন তা দেখেও না দেখার ভান করেছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মন্তব্য করলেও কার্যকর নিয়ে কোনও রকম সদর্থক ভূমিকা নেননি। এই অবস্থায় ভরা ডুবির পর সাংসদ দেব বলছেন রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফিরে যাবেন।

    বিগত সরকারের সদিচ্ছার অভাব ছিল: শীতল কপাট

    মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এই নয়া উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট পূর্ববর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অংশগ্রহণ ছাড়া ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের (Ghatal Master Plan) মতো একটি মেগা প্রকল্প সম্পন্ন করা অসম্ভব। তিনি দাবি করেন—

    • ● এই বিশাল প্রকল্পের জন্য ৫০০ কোটি টাকা কোনওভাবেই পর্যাপ্ত নয়; এর জন্য ন্যূনতম ৪,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন।
    • ● বিগত সরকারের এই প্রকল্প রূপায়ণে প্রকৃত সদিচ্ছার অভাব ছিল। মাস্টারপ্ল্যানের অজুহাতে নদীগর্ভ থেকে বালি ও মাটি উত্তোলনের অনিয়মই ছিল মুখ্য।
    • ● বালি ও মাটি মাফিয়ার দাপটে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এবার কেন্দ্রে ও রাজ্যে সমমনোভাপন্ন সরকার থাকায়, ‘ডাবল ইঞ্জিন’-এর গতিতে এই মাস্টারপ্ল্যান একশো শতাংশ সফল হবে।

    দীর্ঘদিনের জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশা

    বছরের পর বছর ধরে বর্ষার মরশুমে ঘাটাল (Ghatal Master Plan), দাসপুরসহ মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হতে হয়, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিধায়ক উল্লেখ করেন, এই দুর্যোগকালীন সময়ে শুভেন্দু অধিকারী সর্বদা ঘাটালবাসীর পাশে থেকেছেন এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিগত পাঁচ বছর তাঁদের কাজ করার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা ছিল। তবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) এই জনস্বার্থবাহী প্রকল্পে বিশেষ নজর দিয়েছেন। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক ও প্রশাসনিক সমন্বয় বজায় থাকলে ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। এখন দেখার, পূর্ববর্তী রূপরেখাকেই পরিমার্জন করা হয় নাকি সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে এই রূপায়ণের কাজ শুরু হয়।

  • Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউয়ে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়াকে লক্ষ্য করে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৫ সালে লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা লখনউয়ের (Blast in Lucknow) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও জনবহুল এলাকায় গোপনে রেকি চালিয়ে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি হামলার পরিকল্পনা করছিল।

    কীভাবে হামলার পরিকল্পনা

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মুজাম্মিল শাকিল অনলাইনে লখনউয়ের বিভিন্ন রাসায়নিক দোকানের খোঁজ করছিলেন, যেখান থেকে ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (TATP) তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব। অত্যন্ত শক্তিশালী ও অস্থিতিশীল এই বিস্ফোরককে “মাদার অফ স্যাটান” নামেও ডাকা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার (Red Fort Blast Case) কাছে যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছিল, তাতেও এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করা হয়েছিল। এনআইএ আরও জানিয়েছে, শাহিন সঈদ মুজাম্মিলের নির্দেশে সম্ভাব্য রাসায়নিক সরবরাহকারীদের একটি হাতে লেখা তালিকা তৈরি করেছিলেন। পরে তদন্তে বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন থেকে সেই নথি উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এটি বড়সড় নাশকতার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

    কোথায় কোথায় হামলার ছক

    তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ২৫ থেকে ৩০ অগাস্টের মধ্যে মুজাম্মিল ও শাহিন ফরিদাবাদ থেকে লখনউয়ে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের রেকি চালান। অভিযুক্তরা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন, আমিনাবাদ, লালবাগ এবং ঐতিহাসিক বড়া ইমামবাড়া চত্বরে ঘোরাফেরা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসমাগম খতিয়ে দেখেছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ওরা বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি ব্যবহার করে এই ভবনগুলির কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছিল। জনবহুল এলাকা ও প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলিকেই মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।”

    আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    এনআইএ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল তথ্য, যোগাযোগের রেকর্ড এবং আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তথ্যগুলি ১৪ মে এনআইএ-র জমা দেওয়া প্রায় ৭,৫০০ পাতার চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, লখনউয়ের এই রেকি আসলে বৃহত্তর জঙ্গি চক্রের অংশ, যা আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ একটি সংগঠনের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত বহু-শহরভিত্তিক নাশকতা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই হামলায় ১৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হন। তদন্তকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল একদল চরমপন্থায় প্রভাবিত উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি, যাদের মধ্যে চিকিৎসকরাও ছিলেন।

  • Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের বিভিন্ন চেকপোস্টে (Bangladeshi)। ফের একবার সেই ছবিটাই দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেক পোস্টে (Hakimpur Checkpost)। বাংলাদেশে ফিরতে এই চেকপোস্টে জড়ো হয়েছেন ভারতে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা। রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই এই ভিড় সীমান্তের চেকপোস্টে।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (Bangladeshi)

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে তথ্য যাচাই, নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা, বা পুরানো তালিকা আপডেট করার জন্য নির্বাচন কমিশন এনুমারেশন ফর্ম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে পরিবারের সকল সদস্যের নাম, বয়স, এবং ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেই ফর্ম পূরণের শেষ দিন পেরিয়ে গিয়েছে বহু আগেই। তার পরেও অনেকেই থেকে গিয়েছিলেন পশ্চিমবাংলার আনাচে-কানাচে। দালালদের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে ঢুকেছে বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বাম এবং তৃণমূলের শাসনে তারা জাল কাগজপত্র জোগাড় করে দিব্যিই বসবাস করছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। এসআইআই-পর্ব শুরু হতেই ভারতের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে এক দফা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। এবার ফের সীমান্তে ভিড় করছেন তাঁরা। সৌজন্যে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর ‘হোল্ডিং সেন্টার’ দাওয়াই।

    শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশি হাকিমপুর চেকপোস্টে…

    এদিন হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা যায়, কাগজপত্র পরীক্ষা করে বাংলাদেশিদের দ্রুত ওপার বাংলায় ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিএসএফের কর্তব্যরত আধিকারিকরা। বিএসএফের ডাকের অপেক্ষায় লটবহর নিয়ে রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন অনেক অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi)। এঁদের বেশিরভাগই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এপার বাংলায়। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে (Hakimpur Checkpost)।

    কী বললেন অনুপ্রবেশকারীরা?

    তাঁরা যে বৈধভাবে বাংলায় ঢোকেননি, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে সেকথা কবুলও করেছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। লাইনে দাঁড়ানো এমনই এক বাংলাদেশি বলেন, “সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন! সরকার চাইছে আমরা দেশে ফিরে যাই।” লাইনে দাঁড়ানো অনুপ্রবেশকারীদের কেউ ভারতে ঢুকে দোকানে কাজ করতেন, কেউ আবার করতেন পরিচারিকার কাজ (Bangladeshi)। সীমান্ত পেরিয়ে যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা ভারতে ঢোকে তাদের প্রায় সবাই দালাল ধরে আসে। এজন্য দালালদের দিতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সেই দালালরাই বাংলাদেশিদের ভিড়িয়ে দেয় এপার বাংলার বাসিন্দাদের ভিড়ে।

    ম্যাপিংয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি!

    জানা গিয়েছে, চেকপোস্টে অপেক্ষমান অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড থাকলেও, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই। তাই এসআইআর-পর্বে ম্যাপিংয়ে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুভেন্দু সরকারের হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াইয়ের পরেই চাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ‘কাঁকর’। তাঁদের এই দুর্দশার জন্য কোনও অনুপ্রবেশকারী দুষছেন স্থানীয় নেতৃত্বকে। কেউ আবার আঙুল তুলেছেন পুলিশের দিকে। তবে হোল্ডিং সেন্টার চালু হতেই বাঙালির ভিড় থেকে পিলপিল করে বের হচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তাঁরাই ভিড় করছেন হাকিমপুর চেকপোস্টে। নথিপত্র যাচাই করে তাঁদের তুলে দেওয়া হচ্ছে ওপার বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে (Bangladeshi)।

    শাহি বচন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার (Hakimpur Checkpost)। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই তাঁকে সরাসরি ডিপোর্ট করার বা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার চালু করার নির্দেশও জেলাশাসকদের দিয়েছিলেন তিনি। সেই মোতাবেক রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চালু হয়ে গিয়েছে ওই সেন্টার। কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই চালু করা হয়েছে সেগুলি (Bangladeshi)।

    জিরো টলারেন্স নীতি

    অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতিতে এগোবে, তাও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স এই নীতি নিয়েই এগোবে আমাদের সরকার। আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ধৃত বিদেশি নাগরিক এবং নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মতো জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয় শুভেন্দুর সরকার। তার পরেই রাজ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ (Bangladeshi)।

    সেই সেন্টারগুলিতে ইতিমধ্যেই ১৪ জন বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। আর বাকি পাঁচ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায় তৈরি হোল্ডিং সেন্টারে (Hakimpur Checkpost)। লালগোলার বাহাদুরপুর পঞ্চায়েত লাগোয়া পদ্মা ভবনের ৩ তলায় তৈরি হয়েছে এই সেন্টার (Bangladeshi)।

     

  • QUAD 2026: চিনকে টক্কর দিতে হাত মেলালো ভারত-আমেরিকা! গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন দু’দেশের

    QUAD 2026: চিনকে টক্কর দিতে হাত মেলালো ভারত-আমেরিকা! গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন দু’দেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যখন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (Critical Minerals) ও রেয়ার আর্থ উপাদান (Rare Earth Materials) ঘিরে কৌশলগত প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত ও আমেরিকা। মঙ্গলবার কোয়াড (Quad) বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকের পাশাপাশি দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (Critical Minerals) ও রেয়ার আর্থ (Rare Earth) সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিকে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, বৈদ্যুতিক যান (EV), সেমিকন্ডাক্টর এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি শিল্পের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমঝোতা শুধু অর্থনৈতিক নয়, ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে অন্যতম হল চিনের উপর নির্ভরতা কমানো।

    কী বললেন এস জয়শঙ্কর?

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান, ভারত ও আমেরিকা যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং রেয়ার আর্থের খনন ও প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিত করার জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক কাঠামো (Framework Agreement) তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “আজ আমরা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং রেয়ার আর্থের খনন ও প্রক্রিয়াকরণের সরবরাহ সুরক্ষিত করার জন্য ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক কাঠামো স্বাক্ষর করছি। কোয়াড বৈঠকেও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বিপাক্ষিকভাবে হোক বা কোয়াডের মাধ্যমে—সমমনা দেশগুলির জন্য এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তি?

    বর্তমানে বিশ্বে রেয়ার আর্থ প্রসেসিং ও বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে সবচেয়ে বড় আধিপত্য রয়েছে চিনের। বৈদ্যুতিক গাড়ি, ব্যাটারি, মিসাইল, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, মোবাইল ফোন, সোলার প্যানেল ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে ব্যবহৃত বহু উপাদানের জন্য বিভিন্ন দেশ এখনও চিনের উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে ভারত ও আমেরিকার নতুন অংশীদারিত্বকে “সাপ্লাই চেইন সিকিউরিটি” নিশ্চিত করার বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার কারণে বহু দেশ বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করেছে।

    কোন কোন খনিজের উপর জোর?

    এই চুক্তির আওতায় ভারত ও আমেরিকা যৌথভাবে অনুসন্ধান (Exploration), খনন (Mining), প্রক্রিয়াকরণ (Processing), পরিশোধন (Refining) এবং সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়নে কাজ করবে। বিশেষভাবে যে খনিজগুলির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল—

    • ● লিথিয়াম (Lithium)
    • ● কোবাল্ট (Cobalt)
    • ● নিকেল (Nickel)
    • ● গ্রাফাইট (Graphite)
    • ● রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস (Rare Earth Elements)

    এই খনিজগুলি বৈদ্যুতিক যানের ব্যাটারি, নবীকরণযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক্স ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতের জন্য কী লাভ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে ভারতের সামনে একাধিক সুবিধার দরজা খুলে যেতে পারে।

    ● ১. বৈদ্যুতিক যান ও ব্যাটারি শিল্পে গতি

    ভারতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের বাজার দ্রুত বাড়ছে। বৈদ্যুতিক যানের ব্যাটারি তৈরির জন্য লিথিয়াম, কোবাল্ট ও নিকেলের চাহিদা আগামী কয়েক বছরে বহুগুণ বাড়বে। এই চুক্তি ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সাহায্য করতে পারে।

    ● ২. প্রতিরক্ষা ও সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে শক্তি বৃদ্ধি

    রেয়ার আর্থ উপাদান আধুনিক মিসাইল সিস্টেম, রাডার, যুদ্ধবিমান ও উন্নত ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরিতে অপরিহার্য। ফলে প্রতিরক্ষা উৎপাদনেও ভারতের স্বনির্ভরতা বাড়তে পারে।

    ● ৩. প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ

    চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সংস্থাগুলি উন্নত প্রসেসিং প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। এর ফলে দেশে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও বাড়বে।

    আমেরিকার লক্ষ্য কী?

    আমেরিকাও দীর্ঘদিন ধরে চিনের উপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে। বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ রেয়ার আর্থ প্রসেসিং ক্ষমতা চিনের হাতে থাকায় আমেরিকা বিকল্প অংশীদার খুঁজছে। ভারতের সঙ্গে এই চুক্তিকে তাই “বিশ্বস্ত সরবরাহ শৃঙ্খল অংশীদারিত্ব” হিসেবে দেখা হচ্ছে। কোয়াডভুক্ত দেশগুলির মধ্যেও এই ইস্যু এখন কৌশলগত অগ্রাধিকারের তালিকায় উঠে এসেছে।

    ভারতের আগাম প্রস্তুতি

    ভারত সরকার ইতিমধ্যেই কয়েকটি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ খনিজ” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ভবিষ্যতের শিল্প ও জ্বালানি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিদেশে খনিজ সম্পদ অধিগ্রহণের উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক গতিশীলতার দিকে বিশ্ব যত এগোবে, ততই এই খনিজগুলির কৌশলগত গুরুত্ব বাড়বে।

    রেয়ার আর্থ কেন এত মূল্যবান?

    রেয়ার আর্থ উপাদান ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি শিল্প কার্যত অচল। এগুলি ব্যবহার করা হয়—

    • ● বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি
    • ● উইন্ড টারবাইন
    • ● মোবাইল ফোন
    • ● সেমিকন্ডাক্টর
    • ● সোলার প্রযুক্তি
    • ● মিসাইল ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম
    • ● উন্নত ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরিতে

    ফলে ভারত-আমেরিকার এই নতুন অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক শক্তির লড়াইয়ে বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

LinkedIn
Share