Blog

  • PM Modi in Assam: বিমানবন্দর নয়, হাইওয়ের ওপর অবতরণ করবে প্রধানমন্ত্রীর বিমান, সঙ্গী রাফাল-সুখোই! মোদির অসম সফরে চমক

    PM Modi in Assam: বিমানবন্দর নয়, হাইওয়ের ওপর অবতরণ করবে প্রধানমন্ত্রীর বিমান, সঙ্গী রাফাল-সুখোই! মোদির অসম সফরে চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অসম সফর হতে চলেছে একেবারেই ব্যতিক্রমী। এই সফরে তিনি ডিব্রুগড়–মোরান জাতীয় সড়কের উপর নির্মিত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম হাইওয়ে-ভিত্তিক জরুরি বিমান অবতরণ স্ট্রিপে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। আজাজরায় বিজেপির ‘বুথ বিজয় অভিযান’ কর্মসূচির সূচনায় উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ কথা জানান। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ডিব্রুগড় বিমানবন্দরে নামবেন না। তিনি মোরানের হাইওয়ের উপর অবতরণ করবেন এবং সেখানে কিছু সময় কাটাবেন।” গত ১১ বছরে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অসমে ৩৮তম সফর।

    বিশেষ বিমান প্রদর্শনীর আয়োজন

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি বিশেষ বিমান প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “গুয়াহাটি এয়ার শোতে দেখা রাফাল ও সুখোই যুদ্ধবিমানগুলি সড়কের উপর অবতরণ করবে। এই প্রদর্শনী প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট চলবে।” বর্তমানে ডিব্রুগড়–মোরান সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, নির্ধারিত রানওয়ে অংশটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিমান চলাচলের সুবিধার্থে সড়কের মাঝের ডিভাইডার সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং মানুষ ও পশুর প্রবেশ ঠেকাতে দু’পাশে বেড়া দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অস্থায়ী রাস্তার দোকানও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের একাধিক উদ্দেশ্য

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের উন্নয়নমূলক ও সাংগঠনিক একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ব্রহ্মপুত্রের উপর গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে সংযুক্তকারী বহু প্রতীক্ষিত কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। এই সেতু যানজট কমাতে ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এছাড়াও তিনি পালাশবাড়ি ক্যাম্পাসে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (IIM)-এর অ্যাকাডেমিক ক্লাসের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। গুয়াহাটির গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ১০০টি ইলেকট্রিক বাসের সূচনা করবেন এবং জাতীয় তথ্যকেন্দ্র (NIC)-এর তৈরি একটি নতুন ডেটা সেন্টারের উদ্বোধন করবেন, যা অঞ্চলের ডিজিটাল পরিকাঠামোকে আরও মজবুত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী খানাপাড়ায় বিজেপির বুথ সম্মেলনে যোগ দেবেন, যেখানে তিনি দলীয় কর্মী ও তৃণমূল স্তরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী আবার অসম সফরে এসে একাধিক পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।

  • Daily Horoscope 06 February 2026: বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 February 2026: বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কুসঙ্গ থেকে দূরে থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভালো যোগাযোগ হতে পারে।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন

    কন্যা

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শারীরিক কষ্টের কারণে কাজের সময় নষ্ট।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তি থেকে দূরে থাকুন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

    Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

                 ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ 

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    নিত্যলীলা যোগ

    Identity of the Absolute or the Universal Ego and the Phenomenal World 

    বৈকাল হইয়াছে, ডাক্তার আসিয়াছেন। অমৃত (ডাক্তারের ছেলে) ও হেম, ডাক্তারের সঙ্গে আসিয়াছেন। নরেন্দ্রাদি ভক্তেরাও উপস্থিত আছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) নিভৃতে অমৃতের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “তোমার কি ধ্যান হয়?” আর বলিতেছেন, “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়। এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না।” এইবার ঠাকুর সকলের সঙ্গে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — তোমার ছেলে অবতার মানে না। তা বেশ। নাই বা মানলে।

    “তোমার ছেলেটি বেশ। তা হবে না? বোম্বাই আমের গাছে কি টোকো আম হয়? তার ঈশ্বরে কেমন বিশ্বাস! যার ঈশ্বরে মন সেই তো মানুষ। মানুষ — আর মানহুঁশ। যার হুঁশ আছে, চৈতন্য আছে, সে নিশ্চিত জানে, ঈশ্বর সত্য আর সব অনিত্য — সেই মানহুঁশ। তা অবতার মানে না, তাতে দোষ কি?

    “ঈশ্বর (Ramakrishna); আর এ-সব জীবজগৎ, তাঁর ঐশ্বর্য। এ মানলেই হল। যেমন বড় মানুষ আর তার বাগান।

    “এরকম আছে, দশ অবতার, — চব্বিশ অবতার, — আবার অসংখ্য অবতার। যেখানে তাঁর বিশেষ শক্তি প্রকাশ, সেখানেই অবতার! তাই তো আমার মত (Kathamrita)।

    “আর-এক আছে, যা কিছু দেখছো এ-সব তিনি হয়েছেন। যেমন বেল, — বিচি, খোলা, শাঁস — তিন জড়িয়ে এক। যাঁর নিত্য তাঁরই লীলা; যাঁর লীলা তাঁরই নিত্য। নিত্যকে ছেড়ে শুধু লীলা বুঝা যায় না। লীলা আছে বলেই ছাড়িয়া ছাড়িয়ে নিত্যে পৌঁছানো যায়।

    “অহং বুদ্ধি যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ লীলা ছাড়িয়ে যাবার জো নাই। নেতি নেতি করে ধ্যানযোগের ভিতর দিয়ে নিত্যে পৌঁছানো যেতে পারে। কিন্তু কিছু ছাড়বার জো নাই। যেমন বললাম, — বেল।”

    ডাক্তার — ঠিক কথা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কচ নির্বিকল্পসমাধিতে রয়েছেন। যখন সমাধিভঙ্গ হচ্ছে একজন জিজ্ঞাসা করলে, তুমি এখন কি দেখছো? কচ বললেন, দেখছি যে জগৎ যেত তাঁতে জরে রয়েছে! তিনিই পরিপূর্ণ! যা কিছু দেখছি সব তিনিই হয়েছেন। এর ভিতর কোন্‌টা ফেলব, কোন্‌টা লব, ঠিক করতে পাচ্ছি না।

    “কি জানো — নিত্য আর লীলা দর্শন করে, দাসভাবে থাকা। হনুমান সাকার-নিরাকার সাক্ষাৎকার করেছিলেন। তারপরে, দাসভাবে — ভক্তের ভাবে — ছিলেন।”

    মণি (স্বগতঃ) — নিত্য, লীলা দুই নিতে হবে। জার্মানিতে বেদান্ত যাওয়া অবধি ইউরোপীয় পণ্ডিতদের কাহারও কাহারও এই মত। কিন্তু ঠাকুর বলেছেন (Kathamrita), সব ত্যাগ — কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ—না হলে নিত্য-লীলার সাক্ষাৎকার হয় না। ঠিক ঠিক ত্যাগী। সম্পূর্ণ অনাসক্তি। এইটুকু হেগেল প্রভৃতি পণ্ডিতদের সঙ্গে বিশেষ তফাত দেখছি।

  • PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) বিরোধী সাংসদদের হট্টগোলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে কটাক্ষ করে বলেন, “বয়সের কথা বিবেচনা করে বসেই স্লোগান দিতে পারেন।”

    রাজ্যসভায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবী ভাষণ দেন  প্রধানমন্ত্রী (PM MODI)। কিন্তু লোকসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিরোধীরা। বিরোধী দলের সদস্যদের তাঁর চেয়ার ঘিরে থাকার কারণে বক্তব্য রাখতে পারেননি মোদি।

    বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন (PM MODI)

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM MODI) বক্তব্য শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের সাংসদরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বক্তব্য রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তুমুল হৈহট্টগোল শুরু হয়। স্লোগান চলার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি থেমে যান এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে-র কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “৮৩ বছর বয়সী এই সাংসদ বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন।”

    ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সময় লেগেছে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। এরপর বিরোধীরা আবারও সমালোচনা করে এবং ওয়াকআউট করে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস ২০১৪ সালে একটা জগাখিচুড়ি রেখে গিয়েছিল এবং এখন আমাদের সরকারকে সেটা পরিষ্কার করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করতে হয়েছে। তাদের কারণেই ভারতের একটি অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল। আমাকে সেই ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যা বালার বাইরে।”

    বোফর্স কেলেঙ্কারি কংগ্রেসের বড় কেলেঙ্কারি

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বামপন্থী এবং ডিএমকে সহ দলগুলিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) বলেন, “কয়েক দশক ধরে কেন্দ্র এবং রাজ্যে শাসন করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি কিন্তু মূলত দুর্নীতির জন্যই। এখনও, যখন মানুষ তাদের সম্পর্কে কথা বলে, তারা বাণিজ্য চুক্তির কথা বলে না। তারা বোফর্সের মতো চুক্তির কথা বলে। বোফর্স কেলেঙ্কারি ভারতের স্বার্থের বিপরীতে ছিল। মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল কংগ্রেস। যার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। বিরোধীরা দাবি করেছে যে চুক্তির কারণে কৃষকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে কেন্দ্র সরকারের সম্পূর্ণ আশ্বাস যে কৃষি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মতো ক্ষেত্রগুলি সুরক্ষিত থাকবে। প্রকল্পগুলি সফলভাবে বাস্তবায়নের উপর আমাদের সরকারের মনোযোগের সঙ্গে জোর দিয়েছে। কংগ্রেস কেবল কল্পনা করে এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে কিছুই করে না।”

  • Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করেছে। এবার তাকে চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতে দেখা গিয়েছে জনমোহিনী প্রকল্পের জোয়ার। ভোটের আগে রাজ্যের মহিলা ভোটকে টার্গেট করে যেন কল্পতরু হয়ে উঠেছেন। তবে বিজেপি এই ঘোষণার পাল্টা ঘোষণা করেছে।

    বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? (Laxmi Bhandar)

    এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতি পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বৃদ্ধি করে তিন হাজার করা হবে। আমি আমাদের সংকল্প কমিটির কনভেনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুন আগে আপনাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে তিন হাজার করে টাকা দেবো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মী ভাণ্ডার আই প্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্যেও ঢুকিয়ে দেবে। উদ্দেশ্য একটাই ভোট অন অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। গোয়াতে গিয়ে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলে ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। ফলে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? অধিবেশনে আমি এই মর্মে প্রশ্ন তুলেছিলাম।”

    পয়লা জুনের আগে ঢুকে যাবে টাকা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্প নাকি এই সরকার দেশে প্রথম চালু করেছে। এই ধরনের প্রকল্প প্রথম চালু হয় মধ্যপ্রদেশে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লাডলি বহেনা চালু করেছিলেন। তারপরে আসামে সর্বানন্দ সোনোয়াল চালু করেন। পরে বিজেপি সরকার থাকা অনেক রাজ্যে এটা চালু হয়েছে। লাখপতি দিদি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। ওড়িশায় সুভদ্রা যোজনায় এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। হরিয়ানায় ২১০০ টাকা দেওয়া হয়। ২১ টি রাজ্যে এরকম মহিলাদের নিয়ে স্কিম রয়েছে। আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, আমরা অনেক এটা আগেই বলেছি। এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে মে মাসের ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়ে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব। এটা মিনিমাম। এটা আরও বাড়তে পারে, কমবে না।”

  • T-20 World Cup 2026: ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি” কলম্বো যাচ্ছে ভারতীয় দল, পাকিস্তানকে খোঁচা সূর্যর

    T-20 World Cup 2026: ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি” কলম্বো যাচ্ছে ভারতীয় দল, পাকিস্তানকে খোঁচা সূর্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে ‘ক্যাপ্টেনস ডে’ অনুষ্ঠানে ভারত অধিনায়ক বললেন, ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি। ওরা খেলতে চাইছে না। কলম্বোর জন্য আমাদের বিমানের টিকিট কাটা হয়ে গিয়েছে।” আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তেই অনড় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত কী হবে তা সময় বলবে, তবে আপাতত মুম্বইয়ে ম্যাচ খেলে দিল্লি ও পরে কলম্বো উড়ে যাবে ভারতীয় দল।

    পাকিস্তানকে টিপ্পনি ভারত অধিনায়কের

    বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। তাতে ভারতের কী! অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব যেন ঘুরিয়ে সেটাই বলে দিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারির মহারণে পাকিস্তান নামবে না ঠিকই। তবে টিম ইন্ডিয়া তৈরি। এই ইস্যু নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলে সূর্য জানিয়ে দিলেন, “আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি।” তাঁর সাফ কথা, “ওরা খেলতে চাইছে না। আমরা তো খেলব না বলিনি। কলম্বোর জন্য আমাদের বিমানের টিকিট কাটা হয়ে গিয়েছে।” বিশ্বকাপের আগে মুম্বইয়ে ‘ক্যাপ্টেনস ডে’তে সূর্য পরবর্তী পরিকল্পনাও বলে দিলেন, “প্রথমে আমরা এখানে খেলব। তারপর দিল্লি যাব। সেখান থেকে কলম্বো যাব।” আর তার সঙ্গে পাকিস্তানকে খোঁচা দেওয়ার সুযোগও ছাড়লেন না সূর্য। ভারত অধিনায়কের টিপ্পনি, “ওদের সিদ্ধান্ত তো আর আমার হাতে নেই।” বিশ্বকাপে ভারতের অভিযান শুরু হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি, আমেরিকার বিরুদ্ধে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামবেন সূর্যকুমাররা। তারপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাক মহারণ হওয়ার কথা। তবে পাক দল এই ম্যাচ বয়কট করেছে। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের। বাবর আজমরা না নামতে চাইলেও, সূর্যরা নামবেন। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ভারতের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ।

    আইসিসি নিয়ম মেনে কলম্বো যেতে হবে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বয়কট করলেও সূর্যকুমার যাদবদের কলম্বো যেতে হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নিয়ম মেনে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্দিষ্ট সময় স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে ভারতীয় দলকে। পাকিস্তান ম্যাচ না খেললে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২ পয়েন্ট পাবে ভারত। সেই ২ পয়েন্টের জন্যই নির্দিষ্ট সময় দল নিয়ে মাঠে নামতে হবে সূর্যকুমারকে। শুধু তাই নয়, ম্যাচের আগের দিন নিয়ম মেনে সাংবাদিক বৈঠকও করতে হবে ভারতীয় দলকে। মাঠে গিয়ে ম্যাচ রেফারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় দলকে অপেক্ষা করতে হবে। আইসিসির নিয়মের ১৬.২.১ ধারা অনুযায়ী, মাঠে উপস্থিত থাকলে তবেই সংশ্লিষ্ট দল এমন ক্ষেত্রে ২ পয়েন্ট পাবে। অন্য দল ম্যাচ না খেলার কথা আগে জানিয়ে দিলেও মাঠে যেতে হবে। ভারত যদি মাঠে না যায়, তা হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হিসাবে ঘোষণা করা হবে। তেমন হলে দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। শাস্তি পেতে হতে পারে ভারতীয় দলকেও।

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

  • India-Russia Oil Trade: ‘ভারত যেখান থেকে খুশি তেল কিনতে পারে’, ট্রাম্প-মোদির চুক্তি নিয়ে কী বার্তা রাশিয়ার?

    India-Russia Oil Trade: ‘ভারত যেখান থেকে খুশি তেল কিনতে পারে’, ট্রাম্প-মোদির চুক্তি নিয়ে কী বার্তা রাশিয়ার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও দেশের কাছ থেকে তেল কিনতে পারে ভারত। সেটা দিল্লির ইচ্ছে। ভারত কখনওই একমাত্র রাশিয়া থেকে তেল কিনত এমন নয়। ভারত বিভিন্ন জায়গা থেকে নিজেদের প্রয়োজন মতো অপরিশোধিত তেল নেবে এতে নতুনত্ব কিছু নেই। এমনই মত রাশিয়ার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবির পর বিশ্ব রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হলেও, ভারতের তেল আমদানি নীতি নিয়ে কার্যত ‘নির্ভয়’ বার্তা দিল রাশিয়া (India-Russia Oil Trade)। বুধবার ক্রেমলিন (Kremlin) স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারত কোন দেশ থেকে তেল কিনবে সেটা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। নয়াদিল্লির এই তেল আমদানির বৈচিত্র্যকরণের প্রচেষ্টাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছে মস্কো।

    কী বলল রাশিয়া

    ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন বলছে, শুধুমাত্র মস্কোই নয়াদিল্লিকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করে না। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “আমরা, অন্যান্য সকল আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতোই খুব ভালো করে জানি যে রাশিয়া ভারতে তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের একমাত্র সরবরাহকারী নয়। ভারত সর্বদা অন্যান্য দেশ থেকে এই পণ্যগুলি কিনেছে। অতএব, আমরা এখানে নতুন কিছু দেখতে পাচ্ছি না।” একদিন আগেই আবশ্য পেসকভ বলেছিলেন যে, রাশিয়ার তেল ক্রয় বন্ধ করার বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে রাশিয়া কোনও বিবৃতি পায়নি। তিনি বলেন, ‘‘রাশিয়া বরাবরই ভারতের সঙ্গে তার সম্পর্ককে মূল্যবান বলে মনে করে এবং দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারি এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।’’

    ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য লাভজনক

    রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক জোর দিয়ে বলেছে যে, হাইড্রোকার্বন বাণিজ্য নয়াদিল্লি এবং মস্কো উভয়ের জন্যই লাভজনক। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা এখনও নিশ্চিত যে ভারতের রাশিয়ান হাইড্রোকার্বন ক্রয় উভয় দেশের জন্যই লাভজনক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবদান রাখবে। আমরা ভারতে আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে এই ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, ২০২১ সাল পর্যন্ত ভারত যত অপরিশোধিত তেল আমদানি করত, তার মধ্যে রাশিয়ার তেল ছিল মাত্র ০.২ শতাংশ। তবে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর, যখন পশ্চিমের দেশগুলি মস্কোকে এড়িয়ে চলতে শুরু করল, তখন নয়াদিল্লি – বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক – রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল ছাড়ের বৃহত্তম ক্রেতা হয়ে ওঠে। তবে, রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স সংস্থা কপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম তিন সপ্তাহে ভারতের রুশ তেল আমদানি নেমে এসেছে দৈনিক প্রায় ১১ লক্ষ ব্যারেলে। আগের মাসে যা ছিল গড়ে ১২.১ লক্ষ ব্যারেল এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে তা ২০ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি ছিল।

    বিশ্ব বাজারে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয়

    রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিতে সম্মত হয়েছে ভারত। ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তিতে তা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে, ভারত সরকার এ বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। সম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল উল্লেখ করেছিলেন, বিশ্ব বাজারে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয়। তবে পেসকভ স্পষ্ট করে বলেন, ‘রাশিয়া এখনও পর্যন্ত ভারতের কাছ থেকে রুশ তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি। নয়াদিল্লির থেকে এমন কোনও ইঙ্গিত আসেনি।’ রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পক্ষেই সওয়াল করেন রুশ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও সাফ জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

    রাশিয়া থেকে  তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন

    ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার অতিরিক্তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে প্রতিদিন ১৫ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমিদানি করে গেছে। নয়াদিল্লি রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্রেতা, যা ভারতের মোট আমদানির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া থেকে কেনা তেল পুরোপুরি বন্ধ করা ভারতের পক্ষে কঠিন। ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ডের এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, রাশিয়ার ‘উরাল’ (পর্বতমালার) তেল ভারতের শোধনাগারগুলির জন্য অত্যন্ত উপযোগী, যা মার্কিন তেলের থেকে আলাদা। তাছাড়া রাশিয়া দৈনিক প্রায় ১৫-২০ লক্ষ ব্যারেল তেল দেয়, যা আমেরিকার পক্ষে জোগান দেওয়া সহজ নয়। ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ডের বিশ্লেষক ইগর ইউশকভ বলেন, ‘মার্কিন শেল তেল মূলত হালকা গ্রেডের, আর রাশিয়া ভারতকে যে ইউরাল ক্রুড সরবরাহ করে তা ভারী ও সালফারসমৃদ্ধ। যা ভারতীয় রিফাইনারিগুলোতে ব্যবহৃত হয়। ভারতকে মার্কিন তেল অন্য গ্রেডের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে, এতে খরচ বেড়ে যাবে। সরাসরি বদলি সম্ভব নয়।’

    ভারতের ওপর চাপ কেন

    ট্রাম্প সরকারের অভিযোগ, ভারতের তেল কেনার জন্যই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অর্থ পাচ্ছে রাশিয়া। যদিও বিভিন্ন পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ভারতের সমালোচনাকারী দেশগুলি নিজেরাই রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে লিপ্ত হচ্ছে! পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, শুধু ২০২৪ সালেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়ার মধ্যে ৬৭৫০০ কোটি ইউরোর (প্রায় ১৮ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হয়েছে। সেই হিসাবে দেখতে গেলে ভারত-রাশিয়ার মোট বাণিজ্যের চেয়ে অনেক বেশি। শুধু তা-ই নয়, ২০২৪ সালে ইউরোপের প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পরিমাণও ১৬৫ লক্ষ টনে গিয়ে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে।

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

  • Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী ছাঁটাই করল জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ওয়াশিংটন পোস্ট (Washington Post)।  তাদের মোট কর্মশক্তির প্রায় ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করছে। এই ব্যাপক ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে বিদেশনীতি ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে পত্রিকাটির বহু রিপোর্টিং কার্যকলাপ মার খাবে (Mass Layoffs)।

    ছাঁটাইয়ের তালিকায় (Washington Post)

    এক্স হ্যান্ডেলে সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন ওয়াশিংটন পোস্টের এশিয়া সম্পাদক, নয়াদিল্লি, সিডনি ও কায়রোর ব্যুরো প্রধানরা, চিন ও তুরস্কের সংবাদদাতারা এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক পুরো রিপোর্টিং টিম। সাংবাদিকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্লোবাল সাউথের বড় একটি অংশ থেকে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ করার ক্ষমতা হারাবে পত্রিকাটি। পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর ম্যাট মারি বলেন, “এই ছাঁটাই নিউজরুমে স্থিতিশীলতা আনার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।” তবে প্রত্যাশিতভাবেই এই ঘোষণা কর্মীদের পাশাপাশি পত্রিকার একাধিক প্রাক্তন শীর্ষ কর্তার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন এই ঘটনাকে পত্রিকার ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলির একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম

    মারে এও বলেন, “পোস্টের আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম ছোট করা হলেও, প্রায় ১২টি ব্যুরো চালু থাকবে, যেগুলির মূল ফোকাস থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সংবাদপত্রটিতে (Washington Post) একের পর এক কর্মী ছাঁটাই ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ উদাহরণ এই সিদ্ধান্ত। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া এবং আর্থিক চাপের মুখে পড়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Mass Layoffs)।” সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কর্মীসংখ্যা হ্রাস ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই অংশ এই ছাঁটাই। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া ও আর্থিক চাপের সঙ্গে লড়াই করছে পত্রিকাটি। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ওয়াশিংটন পোস্ট বড় ধাক্কা খায়, যখন ডিজিটাল গ্রাহকদের একাংশ সাবস্ক্রিপশন বাতিল করেন এবং একাধিক কলামিস্ট পদত্যাগ করেন।

    সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেন বেজোস, তারপরেই…

    এই পরিস্থিতির সূচনা হয় পত্রিকার মালিক জেফ বেজোস উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থনের সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কর্মীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন পাবেন, তবে এই সময়ে তাঁদের কাজ করতে হবে না। পাশাপাশি তাঁরা ছ’মাসের স্বাস্থ্য বিমার সুবিধাও পাবেন (Mass Layoffs)। ওয়াশিংটন পোস্টের এই সঙ্কটের সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের। পত্রিকাটি জানিয়েছে, ৪ ফেব্রুয়ারির তথ্য বলছে, তারা ২০২৫ সালে প্রায় ১৪ লাখ নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত করেছে (Washington Post)।

     

LinkedIn
Share