Blog

  • Koel Mallick: রথযাত্রার সকালে ধাক্কা তৃণমূলের! রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক

    Koel Mallick: রথযাত্রার সকালে ধাক্কা তৃণমূলের! রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার সাংসদপদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক। রথের দিন (১৬ই জুলাই) বৃহস্পতিবার দিল্লিতে গিয়ে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন অভিনেত্রী কোয়েল অর্থাৎ রুক্মিনী মল্লিক (Koel Mallick)। তার পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সম্প্রতি ভূপেন্দ্রের হাত ধরেই রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেন। তাঁদের তিন জনকেই রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে বিজেপি। এ বার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের পরেই জল্পনা, তবে কি তিনিও বিজেপি-তে যাচ্ছেন!

    ইস্তফাপত্র জমা দিলেন কোয়েল

    সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণণের কাছে ইমেল করে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলেন কোয়েল। কিন্তু নিয়ম অনুসারে, রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিতে হলে সাংসদকে সশরীরে হাজিরা দিতে হয়। সেই মতো বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের হাতে নিজের ইস্তফাপত্র তুলে দেন রুক্মিণী, যিনি কোয়েল নামেই সমধিক পরিচিত। তার পরেই তিনি দেখা করেন ভূপেন্দ্রের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পরে এক বারও সংসদের কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি কোয়েলের। সোমবার থেকে বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সাংসদপদ পাওয়ার পরে সেটাই হতে পারত কোয়েলের প্রথম অধিবেশন। কিন্তু তার আগেই তিনি ইস্তফা দিলেন। তবে, মনে করা হচ্ছে বাদল অধিবেশনের আগেই তাঁকে বিজেপি থেকে ওই আসনে প্রার্থী করা হতে পারে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরেই কোয়েলের দূরত্ব বাড়ছিল। সূত্রের খবর, অভিনেত্রী বিদেশে থাকায় ইস্তফা দিতে কিছুটা সময় লেগেছে, তবে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। কোয়েল মল্লিকের এই দলবদলকে তৃণমূলের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন অনেকে। মল্লিক পরিবারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং টলিউডের ওপর কোয়েলের প্রভাব বিজেপির পালে বাড়তি হাওয়া দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বর্তমানে টলিউডের সঙ্গে দুর্নীতির নানা অভিযোগ জড়িয়ে পড়ার আবহে কোয়েলের মতো একজন হেভিওয়েট তারকার বিজেপিতে যোগদান পদ্মশিবিরের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    গুঞ্জনই সত্যি হল

    রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। তার কয়েক দিন আগে তদানীন্তন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরে এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সাংসদপদে শপথ নিতে যান কোয়েল। সঙ্গে ছিল তাঁর গোটা পরিবার। শপথের পরে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।” রাজ্যে পালা বদলের পর গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে গুঞ্জন ছিল, তৃণমূলের আরও এক তারকা সাংসদের সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরের দূরত্ব বাড়ছে। অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন, সেই তিনি হলেন প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের মেয়ে তথা অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।

    রইল বাকি ৯

    গত ৬ এপ্রিল সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তিন মাসেই পদত্যাগ! যদিও ৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পরে তৃণমূলের রাজনৈতিক বৃত্তের ছবিটাই রাতারাতি বদলাতে শুরু করে। লোকসভার সিংহভাগ সাংসদই তৃণমূল ছেড়েছেন। এখন রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ হিসেবে রইলেন বাবুল সুপ্রিয়, মেনকা গুরুস্বামী, রাজীব কুমার, নাদিমুল হক, মমতাবালা ঠাকুর, সাগরিকা ঘোষ, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, সামিরুল ইসলাম।

    ভূপেন্দ্রর প্রচ্ছন্ন ভূমিকা

    গত ৯ জুলাই বিজেপি-তে যোগ দেন সুখেন্দু, সুস্মিতা, প্রকাশ। যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন জনকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী করে বিজেপি। উল্লেখ্য, সুস্মিতা, প্রকাশ চিক এবং সুখেন্দুশেখরের পদত্যাগের কারণে রাজ্যসভার তিনটি আসন খালি হয়। তাঁদেরই আবার ওই আসনে প্রার্থী করে পাঠায় বিজেপি। অর্থাৎ, প্রার্থীরা একই, কেবল দল বদলে যায়। ভোট হয়নি। শুক্রবার ওই তিন জনের হাতে রাজ্যসভার সাংসদপদের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। অনুমান করা হচ্ছে, কোয়েলও সেই পথেই হাঁটবেন। এর আগে ভূপেন্দ্রের হাত ধরেই তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছিলেন। জুন মাসে ভূপেন্দ্রের দিল্লির বাড়িতেই দফায় দফায় বৈঠক করে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী। নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার পরেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে জানান, তাঁদের ব্লক এনসিপিআই-এ মিশে যাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিদ্রোহীদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকা ছিল ভূপেন্দ্রের।

  • ED Raid Fake Document Hub: এনজিও-র আড়ালে মানবপাচার! নিশানায় রাজ্যের ‘নথি হাব’, বাংলাসহ দেশের ১৩ জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি

    ED Raid Fake Document Hub: এনজিও-র আড়ালে মানবপাচার! নিশানায় রাজ্যের ‘নথি হাব’, বাংলাসহ দেশের ১৩ জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার (NGO) আড়ালে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে আন্তর্জাতিক মানবপাচারের (Human trafficking) জাল! আর এই ভয়ঙ্কর কারবারের মূল ভরকেন্দ্র বা ‘করিডোর’ হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ! এমনকী সীমান্ত টপকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় নাগরিক বানিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাচারের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে এবার বিস্ফোরক তথ্য। এক মেগা সিন্ডিকেটের হদিস পেয়ে এবার পুরোদমে অ্যাকশন মোডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এই চক্রের শিকড় এবং কোটি কোটি টাকার গুপ্ত অর্থভান্ডারের সন্ধানে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের মোট ১৩টি জায়গায় একযোগে ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid Fake Document Hub) কেন্দ্রীয় সংস্থার।

    কোথায় কোথায় তল্লাশি?

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদের একাধিক এলাকায় জোরদার অভিযানে নামেন ইডি আধিকারিকেরা (ED Raid Fake Document Hub)। সাতসকালে কেন্দ্রীয় এজেন্সির (ED) এই আচমকা হানা ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সৃষ্টি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকা ঘিরে রাখে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। তবে এই অভিযান শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে দিল্লি, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন ডেরাতেও তল্লাশি (ED Raid Fake Document Hub) চালান তদন্তকারী গোয়েন্দারা।

    রাজ্যের ‘জাল নথি হাব’, দেশজুড়ে মানবপাচার!

    ইডি সূত্রে খবর, তদন্তকারীদের মূল নিশানায় পশ্চিমবঙ্গের একটি সংগঠিত ও শক্তিশালী জাল নথির নেটওয়ার্ক। অবৈধ পথে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকা রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিন রাজ্যে পাচার (Human trafficking) করার আগে এদেশীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করাই এই চক্রের কাজ। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তারা অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দেয়। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র যেমন-ভোটার কার্ড বা এপিক, প্যান কার্ড, এবং ই-শ্রম কার্ড তৈরি করা হয়। এই সমস্ত জাল পরিচয়পত্র হাতে পাওয়ার পর, দালালের হাত ধরে অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে কর্ণাটক, পঞ্জাব, হরিয়ানা, তামিলনাড়ু এবং উত্তরপ্রদেশের মতো শিল্প ও কৃষিপ্রধান রাজ্যগুলোতে শ্রমিক হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।

    উত্তরপ্রদেশ STF-এর তদন্তে ফাঁস আন্তর্জাতিক যোগসূত্র

    এই দেশজোড়া পাচারচক্রের আন্তর্জাতিক যোগসূত্রটি প্রথম সামনে আসে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (STF) ও অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের (ATS) একটি মামলার তদন্তে। বেশ কয়েক মাস আগে উত্তরপ্রদেশ এটিএস মানবপাচার (Human trafficking) নিয়ে একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছিল। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই খাস কলকাতায় বসে থাকা এই চক্রের এক মূল পান্ডার সন্ধান পান গোয়েন্দারা। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তদন্ত ও আদালতে পেশ করা তথ্যে স্পষ্ট হয় যে, কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা এবং সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদ জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জাল কাগজ বানানোর বড় কারখানা সক্রিয় রয়েছে। ভিন রাজ্যে সস্তা শ্রমিক সরবরাহের আড়ালে এই দালাল চক্রটি কার্যত রমরমিয়ে দেশজুড়ে মানবপাচার ও জাল নথির কারবার চালাচ্ছে।

    এনজিও-র আড়ালে ‘ভাড়ার অ্যাকাউন্ট’!

    ইডির প্রাথমিক তদন্তে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, এই মানবপাচার ও জাল নথি তৈরির চক্রের (Fake Document Hub) আড়ালে ঢাল হিসেবে কাজ করছে রাজ্যের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা এনজিও (NGO)। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির আড়ালেই কোটি কোটি টাকার বেআইনি আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়। তদন্তকারীদের এড়াতে এবং মূল মাথাদের আড়াল করতে চক্রটি অত্যন্ত চতুরতার সাথে ‘ভাড়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’ (Rented Accounts) ব্যবহার করে। সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের থেকে অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে তাতে ছোট ছোট অঙ্কের টাকা লেনদেন করা হয়, যাতে তা ব্যাঙ্কের নজরদারিতে বা সন্দেহের তালিকায় না আসে। তবে ছোট ছোট অঙ্কের লেনদেন হলেও, সমস্ত অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট লেনদেনের অঙ্ক কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    পুরনো তদন্তের সূত্র-বর্তমান পরিস্থিতি

    উল্লেখ্য, এর আগে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাও (NIA) বাংলাদেশ থেকে নারী ও নাবালিকা পাচারের তদন্তে নেমে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় তল্লাশি চালিয়েছিল। সেবারও তদন্তে একটি সংগঠিত জাল নথি তৈরির চক্রের অস্তিত্ব এবং আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে যোগাযোগের ঘটনা সামনে এসেছিল। আর বৃহস্পতিবারের এই দেশজোড়া ইডি হানার পর স্পষ্ট যে, এই সিন্ডিকেটের শিকড় দেশের অনেক গভীরে।এর সঙ্গে একটি বহু কোটি টাকার অবৈধ মানবপাচার ব্যবসাও চলছে। তল্লাশিতে বাজেয়াপ্ত হওয়া নথিপত্র ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে এই আন্তর্জাতিক চক্রের মূল পান্ডাদের খাঁচায় পুরতে মরিয়া কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

  • Modi- Shah Meet: মোদি-শাহ বৈঠকে বিজেপির বড় রদবদলের ইঙ্গিত, শীঘ্রই ঘোষণা হতে পারে নতুন সাংগঠনিক টিম

    Modi- Shah Meet: মোদি-শাহ বৈঠকে বিজেপির বড় রদবদলের ইঙ্গিত, শীঘ্রই ঘোষণা হতে পারে নতুন সাংগঠনিক টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে বড় রদবদলের জল্পনা আরও জোরালো হল। বুধবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, (Modi- Shah Meet) বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ এবং দলের জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই দলের নতুন সাংগঠনিক টিম এবং সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু আগামী ২০ জুলাই থেকে। শোনা যাচ্ছে, তার আগেই মন্ত্রিসভায় রদবদল চূড়ান্ত করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৭-৮ জন সাংসদ নতুন করে মন্ত্রী হতে পারেন।

    গভীর রাতে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক

    দলীয় সূত্রের দাবি, নিতিন নবীন সভাপতি হওয়ার পর ৬-৭ মাস কাটতে চলল। এখনও তাঁর নিজস্ব নতুন টিম তৈরি হয়নি। শোনা যাচ্ছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল একসঙ্গে হবে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় নতুন পদাধিকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই বৈঠক হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, চলতি সপ্তাহেই নীতিন নবীনের নেতৃত্বে বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় টিম ঘোষণা করা হতে পারে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিজেপির সাংগঠনিক পুনর্গঠন নিয়ে একাধিক দফায় আলোচনা চলছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত ছিল। এবার সেই প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, নতুন সাংগঠনিক টিমে যেমন অভিজ্ঞ নেতাদের রাখা হবে, তেমনই একাধিক নতুন মুখকেও সুযোগ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি দলের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে নতুন নিয়োগের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    মন্ত্রিসভায় রদবদল

    রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন যে সাংগঠনিক রদবদলের পরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল হতে পারে। সম্প্রতি কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীকে বিভিন্ন রাজ্যে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ায় কিছু পদ কার্যত শূন্য হয়েছে। সেই শূন্যস্থান পূরণে নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে খবর। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবার মহিলা, যুব নেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিজেপি নেতৃত্বের লক্ষ্য, ২০ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চলা সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার রদবদলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। কারণ, ২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • IRCTC New Website: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! খুলল আইআরসিটিসি-র নতুন ওয়েবসাইট, টিকিট বুকিং হবে রকেটের গতিতে

    IRCTC New Website: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! খুলল আইআরসিটিসি-র নতুন ওয়েবসাইট, টিকিট বুকিং হবে রকেটের গতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যেতে চলেছে প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করা কোটি কোটি যাত্রীদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা। এবার সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক ওয়েবসাইট (IRCTC New Website) চালু করল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC)। সহজ পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং আকর্ষণীয় ইউজার ইন্টারফেস (UI), সাধারণ মানুষের ট্রেনের টিকিট কাটার ঝক্কি কমাতে বড় উদ্যোগ IRCTC-র।

    নতুন ওয়েবসাইটে কী কী সুবিধা?

    • রকেটের গতিতে তৎকাল বুকিং: নতুন ওয়েবসাইটের (IRCTC New Website) সার্ভার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে তৎকাল টিকিট কাটার সময়ে অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে সাইট হ্যাং হওয়া বা স্লো হয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যাবে।
    • এক ক্লিকেই পেমেন্ট (One-Click Checkout): পেমেন্ট গেটওয়েটিকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এখন যাত্রীরা তাঁদের কার্ডের তথ্য সুরক্ষিতভাবে সেভ করে রাখতে পারবেন বা ইউপিআই (UPI) লিঙ্ক করতে পারবেন। যার ফলে মাত্র এক ক্লিকেই পেমেন্ট সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
    • সহজ ও আধুনিক ডিজাইন: পুরনো হিজিবিজি ডিজাইন বদলে সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও আধুনিক লুক দেওয়া হয়েছে ওয়েবসাইটটিকে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল- সব কিছুতেই এটি সমানভাবে ও সহজে কাজ করবে।
    • এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া: এতে একটি নতুন সার্চ টুল যুক্ত করা হয়েছে যা যাত্রীদের ভ্রমণের ইতিহাস দেখে নিজে থেকেই স্টেশনের নাম সাজেস্ট করবে। এছাড়া ওয়েটিং লিস্টের টিকিট কনফার্ম হওয়ার সম্ভাবনা কতটা, তাও আগে থেকে অনুমান করে জানাবে।
    • রিফান্ডের লাইভ ট্র্যাকিং: টিকিট বাতিল করলে সেই টাকা ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া ট্র্যাক করার জন্য একটি আলাদা ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। টাকা কতদূর প্রসেস হলো, তা যাত্রীরা লাইভ দেখতে পাবেন।

    দালাল চক্র রুখতে কড়া নিরাপত্তা

    কেবল গতি বাড়ানোই নয়, নতুন ওয়েবসাইটে (IRCTC New Website) সাইবার নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। উন্নত ‘বট-ডিটেকশন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে সফটওয়্যার বা রোবট ব্যবহার করে কালোবাজারি কঠিন হবে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা ন্যায্যভাবে টিকিট বুকিং করার সুযোগ পাবেন।

    পড়ুয়াদের বিশেষ ভূমিকা

    সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় হলো, এই নতুন ও আধুনিক ডিজাইনের ওয়েবসাইট তৈরির পিছনে দেশের তরুণ পড়ুয়াদের এক বড় ভূমিকা রয়েছে। IRCTC-এর এই নতুন ওয়েবসাইট তৈরির প্রজেক্টে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদেরই আধুনিক চিন্তাভাবনা ও পরামর্শ মেনে ওয়েবসাইটের নতুন রঙের থিম (Color Theme) এবং ইউজার ইন্টারফেস (UI) আকর্ষণীয় ও সহজ করে তোলা সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বিটা ভার্সন: আরও উন্নতির আশ্বাস

    আইআরসিটিসি (IRCTC) কর্তৃপক্ষের মতে, সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে বেসরকারি ই-কমার্স সাইটের মতোই আধুনিক ও বিশ্বস্ত করে তোলাই ছিল তাঁদের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে এই ওয়েবসাইটের ‘বিটা ভার্সন’ (Beta Version) চালু করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও পড়ুয়ারা এটি ব্যবহার করে যে ফিডব্যাক বা মতামত দেবেন, তার উপর ভিত্তি করেই এটিকে আরও নিখুঁত ও উন্নত করা হবে। ব্যবহারকারীদের সেইসব অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই খুব শীঘ্রই সাইটটির চূড়ান্ত বা ফাইনাল সংস্করণটি (Final Version) প্রকাশ করা হবে, যা গ্রাহকদের আরও উন্নতমানের রেল পরিষেবা দেবে। নতুন এই ওয়েবসাইটটি ইতিমধ্যেই লাইভ করে দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ এখন থেকেই এটি ব্যবহার করতে পারছেন।

  • ISKCON Rath Yatra: কণ্ঠে গৌড়ীয় সঙ্গীত, হাতে সোনার ঝাড়ু! ইসকনের রথযাত্রায় অন্য মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী

    ISKCON Rath Yatra: কণ্ঠে গৌড়ীয় সঙ্গীত, হাতে সোনার ঝাড়ু! ইসকনের রথযাত্রায় অন্য মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা ও ভক্তির মেলবন্ধনে সাড়ম্বরে পালিত হল কলকাতার ইসকনের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা (ISKCON Rath Yatra)। বৃহস্পতিবার ১২টা নাগাদ ইসকন মন্দিরে গিয়ে রথযাত্রার শুভ সূচনা করেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথা মেনে সোনার ঝাড়ু দিয়ে রথের পথ পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে জগন্নাথদেবের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণামও করেন মুখ্যমন্ত্রী। সবমিলিয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ দিন ইসকন মন্দির চত্বরে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

    ঈশ্বর বন্দনা ও হেরিটেজ ঘোষণার আর্জি

    ইসকন (ISKCON) মন্দিরে পৌঁছেই প্রথমে জগন্নাথদেবের বিগ্রহের সামনে নতমস্তকে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পুজো দিয়ে আরতিও করেন তিনি। এরপর সোজা চলে যান শ্রীল প্রভুপাদের কক্ষে। সেখানে সাষ্টাঙ্গে প্রণামের পর পুরো কক্ষটি ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘শ্রীল প্রভুপাদের এই কক্ষটিকে যাতে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিশেষ আবেদন জানাবে রাজ্য সরকার।’’ শুভেন্দু মনে করেন, রাষ্ট্রবাদী ও সনাতনী আদর্শে বিশ্বাসী হওয়ায় তাঁর ইসকনের রথযাত্রায় শামিল হতে পারা সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যের উন্নয়নও যেমন হবে, পাশাপাশি সংস্কৃতিকেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে গৌড়ীয় সঙ্গীত

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটিই শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম রথযাত্রা (Rath Yatra)। সনাতনী ও রাষ্ট্রবাদী আদর্শে বিশ্বাসী হিসেবে এই রথযাত্রায় শামিল হতে পারা পরম সৌভাগ্যের, বললেন মুখ্যমন্ত্রী। বিগ্রহে মাল্যদানের পর তিনি বলেন, ‘‘আজ ভক্তদের দিন।’’ উপস্থিত ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের অনুরোধে এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে দু’কলি গৌড়ীয় সঙ্গীতও গেয়ে শোনান তিনি। এরপরই প্রথা ও রীতি মেনে সোনার ঝাড়ু দিয়ে ঝাঁট দিয়ে রথের পথ পরিষ্কার করার প্রতীকী আচার পালন করেন এবং রথের রশিতে টান দেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

    ৬০ রথযাত্রা কমিটিকে আর্থিক অনুদান

    প্রসঙ্গত রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে আগেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন সরকার রাজ্যের মোট ৬০টি ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেয়। মোট বরাদ্দ অনুদান ৩ কোটি টাকা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রাচীন রথযাত্রা ও সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ করতেই রাজ্যের এই উদ্যোগ।

    ইসকনের মিড-ডে মিলের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানে ইসকনের (ISKCON) সমাজসেবামূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে মিড-ডে মিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যে মিড-ডে মিল কিচেন তৈরি হচ্ছে। ইসকনের এই কাজ নতুন নয়। ২২টি বড় বড় শহরে স্কুলের মিড-ডে মিলের দায়িত্বে রয়েছে ইসকন। এই মিড-ডে মিল অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন।’’ একইসঙ্গে, বিগত বছরগুলিতে রাজ্যে মিড-ডে মিল নিয়ে ঘটে যাওয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধেও কড়া ভাষায় সরব হন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    এ দিন সকালে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মহাপ্রভুর কাছে দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘রথযাত্রা উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। এই উৎসব ভারতের আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ। রথযাত্রার সঙ্গে জড়িত রীতিনীতি ভারত তথা বিশ্বজুড়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে।’’ সব মিলিয়ে, ভক্তি, সংস্কৃতি এবং সরকারি সহযোগিতার মেলবন্ধনে কলকাতার ইসকনের রথযাত্রা এ বছর এক নতুন মাত্রা পেল।

  • Rath Yatra 2026: ‘‘প্রভু অহঙ্কার সয় না, তাই উল্টে গেল মমতার সরকার’’! দিঘা মন্দির নিয়ে পুরীর প্রধান সেবায়েতের বিস্ফোরক মন্তব্য

    Rath Yatra 2026: ‘‘প্রভু অহঙ্কার সয় না, তাই উল্টে গেল মমতার সরকার’’! দিঘা মন্দির নিয়ে পুরীর প্রধান সেবায়েতের বিস্ফোরক মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না কি কথাই শোনেননি! দিঘার পাথরের মূর্তিতে ঘটা করে ‘ধাম’ লিখেছিলেন। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কোনও শাস্ত্রীয় পরামর্শ শোনেননি! মহাপ্রভু কারও দম্ভ বা অহঙ্কার সহ্য করেন না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদ আর অহঙ্কারের জন্যই বাংলায় সরকার টিকে থাকতে পারেনি। একদিকে রথযাত্রার (Rath Yatra 2026) পুণ্য উৎসবে যখন পুরীধাম ভক্তদের ভিড়ে গমগম করছে, ঠিক তখনই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এবং দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন পুরীর জগন্নাথদেবের প্রধান পানিগ্রাহী (সেবায়েত) জগন্নাথ দয়িতাপতি।

    কেন ক্ষুব্ধ সেবায়েত?

    জগন্নাথ দয়িতাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘‘তিনি কোনও দলীয় রাজনীতি করেন না। কেবল শাস্ত্রীয় ও আইনি সত্যটাই তুলে ধরছেন।’’ তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কোনও পরামর্শ বা শাস্ত্রীয় বিধান মানেননি।  জগন্নাথ ধাম বলতে আদি পুরী ধামকেই বোঝায়। কিন্তু দিঘার নবনির্মিত মন্দিরকে ‘ধাম’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল, যা শাস্ত্রসম্মত নয়। মন্দিরে দারুব্রহ্ম বা কাঠের মূর্তির পরিবর্তে পাথরের মূর্তি তৈরি করা নিয়েও তাঁর ঘোর আপত্তি ছিল। জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আমার কথা শুনলেন না। আমার শিষ্য শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এসে সেই ভুল শুধরে দিয়েছেন, সে ধাম লেখাটি বাদ দিয়েছে। ভুল কাজের জন্যই শেষ পর্যন্ত সরকার উল্টে গেল।’’

    বৃষ্টির মাঝেই পুরীতে রথযাত্রার (Rath Yatra 2026) মহাসমারোহ

    রাজনৈতিক বিতর্কের আবহেও পুরীতে রথযাত্রার আনন্দ ও ভক্তিতে কিন্তু কোনও খামতি নেই। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা সৈকত শহরে দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রথের রশি ছুঁতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তের ঢল নেমেছে। এ বছরও শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য মেনে বিশেষ কাঠ দিয়ে তৈরি হয়েছে তিনটি মূল রথ- জগন্নাথদেবের ‘নন্দীঘোষ’, বলভদ্রের ‘তালধ্বজ’ এবং সুভদ্রার ‘দর্পদলন’। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, রথযাত্রার (Rath Yatra 2026) এই যাত্রাপথের একটি গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে।

    • বলরামের রথ (তালধ্বজ): বলরাম হলেন গুরুর প্রতীক, যিনি ভক্তকে সঠিক পথ দেখান।
    • সুভদ্রার রথ (দর্পদলন): সুভদ্রা হলেন ভক্তির প্রতীক।
    • জগন্নাথের রথ (নন্দীঘোষ): জগন্নাথ স্বয়ং ঈশ্বরের প্রতীক। অর্থাৎ, গুরুর হাত ধরে ভক্তির পথ পেরিয়েই ভক্ত ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারেন।

    বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বাংলার প্রতি নিজের গভীর অনুরাগের কথাও জানিয়েছেন প্রধান সেবায়েত। তিনি বলেন, ‘‘চৈতন্য মহাপ্রভুর পুণ্যভূমি বাংলাকে হৃদয় থেকে ভালোবাসি ও শ্রদ্ধা করি। বাংলার প্রতিটি মানুষের উপর মহাপ্রভুর আশীর্বাদ বজায় থাকুক।’’ উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও রথযাত্রা (Rath Yatra 2026) উপলক্ষে পুরীর সমুদ্র সৈকতে বালি দিয়ে মহাপ্রভুর এক নয়নাভিরাম প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলেছেন পদ্মশ্রী জয়ী বিশ্ববিখ্যাত বালুশিল্পী সুদর্শন পট্টনায়ক।

  • COVID-19 India: অন্ধ্রে মৃত ৩, ভারতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! আতঙ্ক নয়, সচেতনতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    COVID-19 India: অন্ধ্রে মৃত ৩, ভারতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! আতঙ্ক নয়, সচেতনতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা (COVID-19 India)। কয়েক বছর কেটে গেলেও করোনা ভাইরাস যে আমাদের চারপাশ থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়নি, তার প্রমাণ মিলল অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh)। বাড়ছে সংক্রমণ, বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ইতিমধ্যেই করোনা (COVID-19 India) আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সরকারের। এই পরিস্থিতিতে বাড়তি নজরদারি ও সতর্কতা অবলম্বন প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি বড় কোনও জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ইঙ্গিত নেই। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।

    রূপ বদলাচ্ছে করোনা ভাইরাস (COVID-19 India)

    মুম্বইয়ের পালমোনোলজিস্ট ড. আভা মাশুর জানান, “SARS-CoV-2 ভাইরাসটি আসলে কখনও পুরোপুরি মিলিয়ে যায় না। এটি নতুন নতুন রূপ নিয়ে বারবার ফিরে আসে। ভাইরাসের এই মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তন অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া।” বর্তমানে ভারতে ওমিক্রনের দুটি উপ-ভেরিয়েন্ট মূলত সক্রিয় রয়েছে-

    • জেএন.১ ভেরিয়েন্ট: এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়াতে পারে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তবে এর কারণে আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হচ্ছে না।
    • বিএ.৩.২ ভেরিয়েন্ট: ভাইরাসের এই রূপটিতে অনেক বেশি মিউটেশন দেখা গেলেও, এটিও গুরুতর কোনও রোগের কারণ হচ্ছে না। তাই এটি নিয়ে অযথা ভয়ের কিছু নেই বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    উপসর্গ-

    বর্তমানে এই ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে মূলত হালকা ঠান্ডা-কাশি বা গলার সমস্যার মতো মৃদু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ছে না।

    কারা বেশি ঝুঁকিতে?

    যদিও বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ মৃদু রূপ নিচ্ছে, তাও চিকিৎসকেরা কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষকে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বয়স্ক ব্যক্তিরা, গর্ভবতী নারীরা, ক্রনিক হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা, সিওপিডি (COPD) বা ফুসফুসের জটিল রোগে (ILD) আক্রান্ত রোগী, কিডনি বা লিভারের ক্রনিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম (Immunocompromised) তাঁদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।

    কী করণীয়?

    গুরুগ্রামের ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. নেহা রাস্তোগি এবং ড. আভা মাশুর সংক্রমণ রুখতে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। “বর্তমান পরিস্থিতিতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তবে লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যারা সংক্রামিত হচ্ছেন, তারা যেন জনসমক্ষে না গিয়ে নিজেদের আলাদা রাখেন। করোনার ভ্যাকসিন বা বুস্টার ডোজ নেওয়া না থাকলে তা দ্রুত নিন। ভিড় বা আবদ্ধ জায়গায় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা এবং সঠিক স্যানিটাইজেশন বজায় রাখা। ঘরের ভেতরে বাতাস চলাচলের (Ventilation) ভালো ব্যবস্থা রাখা। জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে করোনা পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া”।

  • India: নিরাপত্তা পরিষদ-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোয় দ্রুত সংস্কারের আহ্বান ভারতের, কী বলল দিল্লি?

    India: নিরাপত্তা পরিষদ-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোয় দ্রুত সংস্কারের আহ্বান ভারতের, কী বলল দিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের (UN Security Council Reform) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও বিস্তৃত সংস্কারের দাবি ফের জোরালোভাবে তুলল ভারত (India)। নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, সাধারণ পরিষদকে আরও কার্যকর করে তোলা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে ভারত বলেছে, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

    গোলটেবিল বৈঠকে সোচ্চার ভারত (India)

    স্থানীয় সময় ১৪ জুলাই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে ‘ভবিষ্যতের উপযোগী বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পর্বতানেনি। তিনি বলেন, “ভারতের কাছে ভবিষ্যতের উপযোগী বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার অর্থ হল, বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম করা। সেই কারণেই নিরাপত্তা পরিষদের সর্বাত্মক সংস্কার, সাধারণ পরিষদের পুনরুজ্জীবন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের আরও শক্তিশালী ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত— টেকসই উন্নয়নের এই তিনটি ক্ষেত্রেই তাদের কার্যকর ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।”

    রাষ্ট্রসংঘের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে

    রাষ্ট্রসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় রাষ্ট্রসংঘের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে। তাঁর কথায়, “বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলতে থাকা সংঘাত থামাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার যে মূল লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তা আজ প্রশ্নের মুখে পড়েছে (India)।” নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকেই এই ব্যর্থতার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন হরিশ। তিনি বলেন, “আশি বছর আগের বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি করা কাঠামো বর্তমান বিশ্বের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আর যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রসংঘ এখনও নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের ক্ষেত্রে কোনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারেনি। আন্তঃসরকারি আলোচনার কাঠামোয় দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রস্তুত বক্তব্যই দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ৩৯ থেকে ৪১ নম্বর পদক্ষেপও মূলত কাগজেই রয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।”

    আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

    তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় আন্তঃসরকারি আলোচনার বিষয়ে যে সুপারিশগুলি রয়েছে, সেগুলি ওই আলোচনার সহ-সভাপতিরা তৈরি করেছিলেন, পরিকল্পনার সহ-সমন্বয়কারীরা নন। ওই অংশ নিয়ে ভারতের গুরুতর আপত্তি থাকলেও, গঠনমূলক মনোভাব থেকেই ভারত এই কর্মপরিকল্পনা সমর্থন করেছে (UN Security Council Reform)।” আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি। বলেন, “টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে গেলে পর্যাপ্ত, সাশ্রয়ী এবং নিশ্চিত অর্থায়ন অত্যন্ত প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক, দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম এবং উন্নয়নমুখী হতে হবে। একই সঙ্গে তাদের মূল দায়িত্বও অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।” বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার সংস্কারে ভারতের অঙ্গীকারের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোর সংস্কারের লক্ষ্যে সব আন্তরিক উদ্যোগকে ভারত (India) সমর্থন করে যাবে। বর্তমান এবং ভবিষ্যতের মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্ষম ও কার্যকর করে তোলাই আমাদের যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত (UN Security Council Reform)।”

     

  • FIFA World Cup: খেলা শেষে স্টেডিয়ামেই মারামারি! ‘ফকল্যান্ড আমাদের’ ব্যানার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিতর্কে মেসিরা

    FIFA World Cup: খেলা শেষে স্টেডিয়ামেই মারামারি! ‘ফকল্যান্ড আমাদের’ ব্যানার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিতর্কে মেসিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ম্যাচ শুধু ফুটবলের লড়াই ছিল না। এই ম্যাচ ছিল একে অপরকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার লড়াই। ৬০ বছর আগে যা শুরু হয়েছিল, সেই লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে বাজিমাত করল আর্জেন্টিনা। দিয়েগো মারাদোনা যা করেছিলেন তা-ই করলেন লিয়োনেল মেসি। খানিকটা অন্য ভাবে। মারাদোনা জোড়া গোল করেছিলেন। মেসি জোড়া অ্যাসিস্ট করলেন। আর তাতেই ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। মাঠের উত্তাপ ছড়াল মাঠের বাইরেও। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের পর স্টেডিয়াম ও স্টেডিয়ামের বাইরে মারামারি হয়েছে দু’দলের সমর্থকদের। বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    উত্তেজনা, হাতাহাতি মাঠ ও মাঠের বাইরে

    খেলার মাঝেই উত্তপ্ত হচ্ছিল গ্যালারির পরিস্থিতি। কথা কাটাকাটি চলছিল। শেষ দিকে জোড়া গোল দিয়ে আর্জেন্টিনা জেতার পর সে দেশের সমর্থকেরা উল্লাস শুরু করেন। ইংল্যান্ডের সমর্থকদের তরফে কটূ কথা ভেসে আসে। বিবাদ আরও বাড়ে। তার পরেই শুরু হয় মারামারি। একই পরিস্থিতি স্টেডিয়ামের বাইরেও হয়। নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা পুলিশকর্মীরা প্রথমে বিবাদ থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করলেন পদক্ষেপ করেন তাঁরা। দু’দলের বহু সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু আটলান্টা নয়, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সির মতো আমেরিকার বেশ কিছু শহরে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। এমনকি, বিশ্বকাপের কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে ইংল্যান্ডের বার্মিংহ্যামেও হাতাহাতি হয়েছে দু’দলের সমর্থকদের।

    মেসির সতীর্থকে চড় বেলিংহ্যামের

    উত্তেজনা চরমে উঠেছে মাঠের ভিতরেও। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও হেরেছে ইংল্যান্ড। সাত মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনার জোড়া গোলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। এগিয়ে গিয়েও এই হার মানতে পারেননি জুড বেলিংহ্যাম। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার বেঞ্চে থাকা ভ্যালেন্টিন বার্কোকে চড় মারেন তিনি। খেলা শেষে উল্লাস করছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। সেখানে ছিলেন ভ্যালেন্টিন বার্কোও। কাছেই দাঁড়িয়েছিলেন বেলিংহ্যাম। ঠিক তখনই বেলিংহ্যাম পিছন থেকে এসে বার্কোর ঘাড়ের কাছে চড় মারেন। এই ঘটনা ভাল ভাবে নেননি আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। শুরু হয় বিবাদ। যদিও রেফারি বেলিংহ্যামকে কার্ড দেখাননি। খেলা শেষে আবার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় ইংল্যান্ডের মর্গ্যান রজার্সের। আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা রজার্সের সামনে উল্লাস করছিলেন। সেটা পছন্দ হয়নি তাঁর। তিনি গিয়ে লাউতারোকে ধাক্কা মারেন। তার পর শুরু হয় ঝামেলা।

    মেসির সঙ্গেও বিবাদ বেলিংহ্যামের

    প্রথমার্ধেই অবশ্য লিয়োনেল মেসির সঙ্গে বিবাদ হয় বেলিংহ্যামের। একটি বলের দখল নিতে গিয়ে দুই তারকা পড়ে যান। মেসির মনে হয়েছিল, বেলিংহ্যাম তাঁকে ফাউল করেছেন। তিনি রেফারিকে বলেন। ঠিক তখনই বেলিংহ্যাম তাঁকে পাল্টা কিছু বলেন। মেসিও জবাব দেন। দুই তারকা একে অপরের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। রেফারি তাঁদের সরিয়ে দেন। মেসির মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, বেলিংহ্যামের কথায় অবাক হয়েছেন তিনি। অবশ্য সৌহার্দ্যের ছবিও দেখা গিয়েছে মাঠে। খেলা শেষে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন মেসি ও হ্যারি কেন। দুই তারকা একে অপরের সঙ্গে কিছু ক্ষণ কথাও বলেন।

    ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি

    গত ৬০ বছর ধরে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই অন্য রকমের উত্তাপ। ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর তা আরও বেড়েছে। এই ম্যাচেও ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি উস্কে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। ফলে লড়াই শুধু ফুটবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তা ছড়িয়ে পড়েছে মাঠের বাইরেও। আর্জেন্টিনা থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মধ্যে থাকা দ্বীপ ফকল্যান্ড। এই দ্বীপের দখল নেওয়া ঘিরে বার বার বিবাদে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ১৯৮২ সালের ২ জুলাই ইংল্যান্ডের অধিকারে থাকা ফকল্যান্ড দ্বীপ আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। ৭৪ দিন ধরে চলেছিল সেই যুদ্ধ। শেষে আত্মসমর্পণ করে আর্জেন্টিনা। সেই যুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৬৪৯ ও ইংল্যান্ডের ২৫৫ সেনা প্রাণ হারান। নিহত হয়েছিলেন ফকল্যান্ড দ্বীপের তিন বাসিন্দা।

    ফকল্যান্ড দ্বীপ তাঁদেরই

    এদিনও খেলার শেষে ফুটবলারদের হাতে ছিল ব্যানার। সেই একই ব্যানার ছিল সমর্থকদের হাতেও। খেলা শেষে বিশেষ ব্যানার নিয়ে উল্লাসে মাতলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। সেমিফাইনাল চলাকালীন আর্জেন্টিনার ফুটবলার জিয়োভানি লো সেলসোর হাতে একটি ব্যানার দেখা যায়। তাতে লেখা, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস।’ স্প্যানিশে এই কথার বাংলা অর্থ, ‘মালভিনাস আমাদেরই।’ ফকল্যান্ড দ্বীপকে মালভিনাস বলে ডাকেন আর্জেন্টিনার বাসিন্দারা। অর্থাৎ, ম্যাচের মধ্যে তাঁরা স্লোগান তোলেন যে, ফকল্যান্ড দ্বীপ তাঁদেরই। খেলা শেষে নিকোলাস ওটামেন্ডি ও লো সেলসো সেই ব্যানার তুলে ধরেন। আর্জেন্টিনার বাকি ফুটবলারেরাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। গ্যালারিতে থাকা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের হাতেও ছিল একই ব্যানার। অর্থাৎ, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি আরও এক বার উস্কে দিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। সেই ব্যানার হাতেই উল্লাস করলেন তাঁরা। রাজনৈতিক স্লোগান লেখা ব্যানার দেখিয়ে আর্জেন্টিনা নিয়ম ভেঙেছে কি না, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ফিফা সরকারী ভাবে কিছু বলেনি। তবে খেলা দেখতে মাঠে গিয়েছিলেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তাঁর সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে।

  • Shri Amarnath Yatra: মাত্র ১২ দিনেই ৩ লাখ তীর্থযাত্রীর নজির, নয়া রেকর্ড অমরনাথ যাত্রায়

    Shri Amarnath Yatra: মাত্র ১২ দিনেই ৩ লাখ তীর্থযাত্রীর নজির, নয়া রেকর্ড অমরনাথ যাত্রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শ্রী অমরনাথ যাত্রায় (Shri Amarnath Yatra) তৈরি হল নয়া ইতিহাস। যাত্রা শুরুর মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই পবিত্র গুহা মন্দির দর্শন করেছেন ৩ লাখেরও বেশি তীর্থযাত্রী (Pilgrims)। মঙ্গলবার এই সংখ্যা পার হয়েছে ৩ লাখের গণ্ডি। ২৮ অগাস্ট শ্রাবণী পূর্ণিমা তথা রাখিবন্ধনের দিন শেষ হবে ৫৭ দিনের এই তীর্থযাত্রা। প্রশাসনের আশা, যাত্রা শেষ হওয়ার আগেই এ বছর তীর্থযাত্রীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

    উপরাজ্যপালের বার্তা (Shri Amarnath Yatra)

    জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা এই সাফল্যের জন্য প্রশাসনের আধিকারিক, বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “শ্রী অমরনাথ যাত্রা মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৩ লাখ তীর্থযাত্রীর মাইলফলক স্পর্শ করে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই পবিত্র যাত্রাকে প্রতিটি ভক্তের জন্য নির্বিঘ্ন ও স্মরণীয় করে তুলতে যাঁরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, সেই সব আধিকারিক, পরিষেবা প্রদানকারী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আমি অভিনন্দন জানাই। হর হর মহাদেব!” মঙ্গলবার দর্শনের দ্বাদশ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২৬ হাজার ৩০৮ জন ভক্ত দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার ৩ হাজার ৮৮৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত বাবা বরফানির পবিত্র গুহা মন্দিরে পুজো দেন। বালতাল ও পহেলগাঁও— এই দুই পথ দিয়ে তাঁরা গুহা মন্দিরে পৌঁছন।

    তুষারলিঙ্গ দর্শন

    এর ফলে ৩ জুলাই যাত্রা শুরুর পর থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ১ হাজার ৯২৬ জন তীর্থযাত্রী ইতিমধ্যেই তুষারলিঙ্গ দর্শন করে ফেলেছেন। এঁদের সিংহভাগই নিজ নিজ রাজ্যে ফিরেও গিয়েছেন। তবে অনেকে সোনমার্গ, ক্ষীর ভবানী মন্দির, শঙ্করাচার্য মন্দির-সহ কাশ্মীরের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানও ঘুরে দেখছেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শন শেষে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই জম্মুর ভগবতী নগর বেস ক্যাম্পে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে (Shri Amarnath Yatra)। পুরো তীর্থযাত্রা জুড়েই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জম্মু ও শ্রীনগরের প্রশাসন যৌথভাবে যাত্রা পরিচালনা করছে। প্রতিদিন ভোর প্রায় ৩টা থেকে বালতাল ও পহেলগাঁও রুটের উদ্দেশে তীর্থযাত্রীদের (Pilgrims) দল রওনা দেয়। নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় নির্দিষ্ট বিশ্রামস্থলে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

    তীর্থযাত্রার সাত-সতের

    দর্শন শেষে ফেরার সময়ও একইভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর সুরক্ষায় তীর্থযাত্রীর দল যাতায়াত করে। যাত্রার সময় জাতীয় সড়কে তীর্থযাত্রীদের দলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ফলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাধারণ যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এই কারণে দীর্ঘ সময় ধরে পণ্যবাহী গাড়ির সারিও তৈরি হয়। এ বছর আবহাওয়াও তীর্থযাত্রীদের অনুকূলে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ দিনই গুহা মন্দির এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় যাত্রায় কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। সাধারণত ভারী বৃষ্টির সময় দুই পথই পিচ্ছিল হয়ে গেলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয় পুণ্যযাত্রা। দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তীর্থযাত্রীরা শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ড এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। যাত্রাপথে একাধিক স্থানে বিনামূল্যে ভোজশালায় নানা ধরনের খাবার, চা ও জলখাবারের ব্যবস্থা রয়েছে (Shri Amarnath Yatra)।

    পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন

    শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ড এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন গত কয়েক বছরে যাত্রাপথের পরিকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। রাস্তা চওড়া করা, যাত্রী নিয়ন্ত্রণের আধুনিক ব্যবস্থা, বিভিন্ন জায়গায় ওয়েটিং রুম এবং অস্থায়ী তাঁবু নির্মাণের ফলে এখন তীর্থযাত্রা অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে হচ্ছে (Pilgrims)। প্রতিদিন জম্মুর ভগবতী নগর বেস ক্যাম্প থেকে ভোর ৩টার দিকে বালতালগামী দল এবং প্রায় এক ঘণ্টা পরে পহেলগাঁওগামী দল রওনা দেয়। পুরো জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ তীর্থযাত্রী ভগবতী নগর বেস ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত গুহা মন্দিরে দর্শন করা মোট তীর্থযাত্রীর সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্পষ্ট, বিপুল সংখ্যক ভক্ত অন্য পথ দিয়ে যাত্রায় অংশ নিয়েছেন (Shri Amarnath Yatra)।

    অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী

    যাত্রা পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চন্দেরকোট, রামবান এবং বানিহাল এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, তীর্থযাত্রীর ভিড় কিছুটা কমে যাওয়ায় জম্মুর মহাজন হলের নিবন্ধন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে তাওয়ি নদী তীর কেন্দ্র, গীতা ভবন এবং পুরানি মণ্ডির রাম মন্দিরে নিবন্ধন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই চলছে। এই রাম মন্দিরে প্রতি বছর বহু সাধু-সাধ্বী তীর্থযাত্রার আগে অবস্থান করেন। এদিকে, কাঠুয়ার লক্ষণপুরে রাতের বেলায় পৌঁছনো তীর্থযাত্রীদের সরাসরি জম্মুর দিকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের স্থানীয় শিবিরে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং পরের দিন সকালে সরকারি বহরের সঙ্গে জম্মুর উদ্দেশে রওনা করানো হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত লক্ষণপুরে একসঙ্গে (Pilgrims) ২ হাজারেরও বেশি তীর্থযাত্রীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে বিনামূল্যে আহারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে (Shri Amarnath Yatra)।

     

LinkedIn
Share