Blog

  • Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং তার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক সংকট ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ওমান থেকে সরাসরি গুজরাট পর্যন্ত একটি বিশাল সাব-সি (সমুদ্রতলের নিচে) গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে চলা এই প্রকল্পকে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশলের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে প্রকল্পের কার্যকারিতা সমীক্ষা প্রতিবেদন (feasibility report) তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। অনুমোদন মিললে এই পাইপলাইন নির্মাণে সময় লাগতে পারে ৫ থেকে ৭ বছর।

    কেন এই প্রকল্পে জোর দিচ্ছে ভারত?

    ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৮৮ শতাংশ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ওই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা তৈরি হলে ভারতকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

    • ● জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন
    • ● শিপিং খরচ ও বীমা ব্যয় বৃদ্ধি
    • ● আমদানি বিলের চাপ
    • ● সরবরাহ শৃঙ্খলে অনিশ্চয়তা

    এই সংকট স্পষ্ট করে দেয়, একক সামুদ্রিক রুটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভারতের জন্য বড় ঝুঁকি। ফলে বিকল্প জ্বালানি করিডর তৈরি এখন কৌশলগত অগ্রাধিকার।

    প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

    প্রস্তাবিত পাইপলাইনটি ওমান থেকে আরব সাগর পেরিয়ে সরাসরি গুজরাটে পৌঁছবে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীকে পুরোপুরি বাইপাস করা সম্ভব হবে।

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি—

    • ● প্রকল্প ব্যয়: ৪০,০০০ কোটি টাকা
    • ● দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,০০০ কিমি
    • ● রুট: ওমান → আরব সাগর → গুজরাট
    • ● গভীরতা: ৩,০০০ মিটারেরও বেশি
    • ● নির্মাণকাল: অনুমোদনের পর ৫-৭ বছর
    • ● সম্ভাব্য সমাপ্তি: ২০৩৩-২০৩৫

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের অন্যতম জটিল গভীর সমুদ্রের শক্তি অবকাঠামো প্রকল্প হতে পারে।

    কোন সংস্থাগুলি যুক্ত?

    এই প্রকল্পে একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    • ● গেল (GAIL) – প্রকল্পের প্রধান অপারেটর ও কার্যকারিতা পরিকল্পনাকারী
    • ● ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড (EIL) – প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন
    • ● ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC) – সর্বশেষ ব্যবহারকারী ও অংশীদার

    বিশেষভাবে গেল-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংস্থাটি ভারতের মোট গ্যাস ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের ৭০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।

    হরমুজ সংকটে কতটা ক্ষতি হয়েছে?

    ২০২৬ সালের হরমুজ অস্থিরতার জেরে ভারতের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। সরকারি ও শিল্প সূত্র অনুযায়ী—

    • ● মাত্র ৬ সপ্তাহে ক্ষতি: প্রায় ৬২,৫০০ কোটি টাকা
    • ● ২০২৬-এর প্রথম ত্রৈমাসিকে ক্ষতি: ১.৯৮ লক্ষ কোটি টাকা
    • ● তেল সংস্থাগুলির দৈনিক ক্ষতি: ১,৬০০-১,৭০০ কোটি টাকা

    জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধি আটকে রাখলেও, এর ফলে আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

    চিনের সঙ্গে অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতা

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও বড় কারণ। বিশেষত চিন ইতিমধ্যেই বিকল্প জ্বালানি করিডর ও পাইপলাইন অবকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ভারতে তুলনামূলকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার এখনও কম এবং গ্যাস অবকাঠামোও সীমিত। ফলে দ্রুত সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যায়ন এখন জরুরি।

    সেজ প্রকল্পের সম্ভাবনা

    বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়া গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (SAGE)-ও আগে অনুরূপ সমুদ্রতলে পাইপলাইন প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছিল।

    সেজ প্রকল্পের তথ্য

    • ● ব্যয়: ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার
    • ● ক্ষমতা: দৈনিক ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক ঘনমিটার
    • ● সম্ভাব্য সাশ্রয়: বছরে ৭,০০০ কোটি টাকা

    সরকার চাইলে এই বিদ্যমান নকশা বা feasibility work ব্যবহার করে সময় ও খরচ কমাতে পারে।

    ভারতের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান-গুজরাট পাইপলাইন কেবল একটি গ্যাস পরিবহন প্রকল্প নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রূপরেখার বড় রূপান্তর।

    সম্ভাব্য সুবিধা

    • ● হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমবে
    • ● গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে
    • ● প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি ব্যয় কমবে
    • ● শিল্প খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে
    • ● দীর্ঘমেয়াদে কৌশলগত সুবিধা মিলবে

    হরমুজ সংকট ভারতের সামনে জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ওমান-গুজরাট সাবসি পাইপলাইন প্রকল্প দেশের জ্বালানি নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আগামী এক দশকে ভারত আরও সহনশীল, বৈচিত্র্যময় এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে নিরাপদ জ্বালানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবে।

  • PCOS Renamed PMOS: পিসিওএস আর নয়! বদলে গেল নাম, এবার থেকে এই নতুন নামে চিনবে চিকিৎসকরা, কেন প্রয়োজন ছিল নামবদলের?

    PCOS Renamed PMOS: পিসিওএস আর নয়! বদলে গেল নাম, এবার থেকে এই নতুন নামে চিনবে চিকিৎসকরা, কেন প্রয়োজন ছিল নামবদলের?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বললেই এখন আর চলবে না। বরং, রোগ চিহ্নিত হলে রোগীকে জানাতে হবে, সঠিক সমস্যা কোথায়! রোগীর উদ্বেগ এবং সংশয় কমাতেই এই নয়া উদ্যোগ।

    নতুন নামকরণ কী হল? কেন পিসিওডি-র নাম বদল?

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা স্থির করেছেন পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) বললে অসংখ্য আক্রান্তের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হচ্ছে। ওভারিতে সিস্ট বা বাড়তি মাংস পিন্ড সরাসরি পাওয়া না গেলেও, কেন তাকে পিসিওডি আক্রান্ত বলে জানানো হচ্ছে, এই নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটির পরামর্শে এর নয়া নামকরণ হয়েছে, পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PMOS)। এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পিসিওডির সমস্যা বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে। তবে আক্রান্তের ওভারিতে অনেক সময়েই সিস্ট পাওয়া যায় না। তবে তার হরমোন ঘটিত সমস্যা হয়। এই নয়া নামকরণের আসল উদ্দেশ্য রোগ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা কমানো। তাঁরা জানাচ্ছেন, পলি এন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হল শরীরের সমস্ত হরমোন ঘটিত সমস্যা এবং শরীরের নিজস্ব শক্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্যা।

    পিসিওডি এবং পিএমওডি মধ্যে ফারাক কোথায়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের যেকোনও হরমোন ঘটিত সমস্যা কিন্তু পিসিওডি নয়। ওভারিতে অতিরিক্ত মাংস পিন্ড থাকলে তবেই সেটা পিসিওডি বলা যেতে পারে। কিন্তু অনেক সময়েই রোগীর ওভারিতে সিস্ট থাকে না। অথচ নানান হরমোন ঘটিত সমস্যা দেখা দেয়। অনিয়মিত ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত ওজন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হয়। যেগুলো শরীরের হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে ঘটে। তাকে কখনই পিসিওডি বলা ঠিক নয়। বলা উচিত পিএমওডি। রোগ চিহ্নিত করে ঠিকমতো বোঝাতে পারলে তবেই রোগী সচেতন হবেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য এই রোগ হয়। তাই রোগীর নিজের সমস্যা সম্পর্কে ঠিকমতো জানা জরুরি। রোগ নিয়ে বাড়তি জটিলতা ও বিভ্রান্তি এড়ানো দরকার।

    কেন এই রোগের দাপট বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাবের জেরেই এই ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময়েই বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রম কম করা এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের জন্য এই ধরনের হরমোন ঘটিত সমস্যা তৈরি হয়। তবে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত থাকলে পিএমওএসের দাপট বাড়ে‌। ভারতের মতো দেশে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই পিএমওএসের (PMOS) প্রকোপ ও বাড়ছে। জিনগত কারণেও এই রোগ হয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারে মা-বোন-মাসি এই রোগে আক্রান্ত হলে পরবর্তী প্রজন্মের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কী কী?

    ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে পিএমওএস আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বৃদ্ধির অন্যতম কারণ চটজলদি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া। বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ বিশেষত কম বয়সিদের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই খাবারে অতিরিক্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে। পিৎজা, বার্গার, হটডগের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরে পুষ্টির জোগান দেয় না। বরং, শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে সাহায্য করে। ফলে, অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা তৈরি হয়। একদিকে এমন খাদ্যাভাস যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিচ্ছে, আরেকদিকে এমন জীবন যাপন, যেখানে শারীরিক পরিশ্রমের সুযোগ কম। এই দুইয়ের জেরেই হরমোনের ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। ফলে, পিএমওএসের (PMOS) মতো রোগের দাপট বাড়ছে। তাছাড়া, অনিদ্রা, মানসিক অবসাদ এই রোগের দাপট বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কম বয়সি মেয়েদের মধ্যে মানসিক চাপ এবং অবসাদ বাড়ছে। তাঁরা অনিদ্রার সমস্যার শিকার হচ্ছেন। এগুলো শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। শারীরিক শক্তি ক্ষয় হয়। ফলে পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    কাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও মহিলাই পিএমওএসে আক্রান্ত হতে পারেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তবে পরিবারের কেউ পিসিওডি কিংবা পিএমওএসে আক্রান্ত হলে, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (PMOS) ঝুঁকি বেড়ে যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে স্থূলতার সমস্যা থাকলে, এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

  • Daily Horoscope 16 May 2026: কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 May 2026: কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা?

    মেষ
    ১। কাজের জায়গায় নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২। পরিবারের কারও সঙ্গে মতবিরোধ হলেও পরে সমাধান হবে।
    ৩। অর্থব্যয়ে সতর্ক থাকুন।

    বৃষ
    ১। আজ মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।
    ৩। শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি শুভ।

    মিথুন
    ১। কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে।
    ২। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ভেবে নিন।
    ৩। শরীরের যত্ন নিন।

    কর্কট
    ১। নতুন কাজ শুরু করার জন্য ভালো দিন।
    ২। দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকবে।
    ৩। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা আছে।

    সিংহ
    ১। সম্মান ও পরিচিতি বাড়তে পারে।
    ২। ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।
    ৩। রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    কন্যা
    ১। আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হতে পারে।
    ২। পরিবারের সহযোগিতা পাবেন।
    ৩। স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা করবেন না।

    তুলা
    ১। ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২। নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হতে পারে।
    ৩। প্রেমের সম্পর্কে সুখবর মিলতে পারে।

    বৃশ্চিক
    ১। চাকরিক্ষেত্রে দায়িত্ব বাড়বে।
    ২। অপ্রয়োজনীয় তর্ক এড়িয়ে চলুন।
    ৩। অর্থ সঞ্চয়ে মন দিন।

    ধনু
    ১। ভাগ্য আজ আপনার পক্ষে থাকতে পারে।
    ২। ধর্মীয় বা শুভ কাজে আগ্রহ বাড়বে।
    ৩। ভ্রমণে সতর্ক থাকুন।

    মকর
    ১। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির ইঙ্গিত রয়েছে।
    ২। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।
    ৩। স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকুন।

    কুম্ভ
    ১। নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২। বন্ধুর সাহায্যে উপকার পাবেন।
    ৩। মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

    মীন
    ১। অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী হতে পারে।
    ২। প্রেম ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুভ সময়।
    ৩। গুরুত্বপূর্ণ কাজে ধৈর্য ধরে এগোন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 648: “শরীরের দাসত্ব—মনের দাসত্ব! ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু”

    Ramakrishna 648: “শরীরের দাসত্ব—মনের দাসত্ব! ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১২ই এপ্রিল

    কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কাশীপুরের বাগানে সেই উপরের ঘরে শয্যার উপর বসিয়া আছেন। ঘরে শশী ও মণি। ঠাকুর মণিকে ইশারা করিতেছেন — পাখা করিতে। তিনি পাখা করিতেছেন।

    বৈকাল বেলা ৫টা-৬টা। সোমবার চড়কসংক্রান্তি, বাসন্তী মহাষ্টমী পূজা। চৈত্র শুক্লাষ্টমী, ৩১শে চৈত্র, ১২ই এপ্রিল, ১৮৮৬।

    পাড়াতেই চড়ক হইতেছে। ঠাকুর একজন ভক্তকে চড়কের কিছু কিছু জিনিস কিনিতে পাঠাইয়াছিলেন। ভক্তটি ফিরিয়া আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি কি আনলি (Kathamrita)?

    ভক্ত — বাতাসা একপয়সা, বঁটি — দুপয়সা, হাতা — দুপয়সা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ছুরি কই?

    ভক্ত — দুপয়সায় দিলে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — যা যা, ছুরি আন। মাস্টার নিচে বেড়াইতেছেন। নরেন্দ্র ও তারক কলিকাতা হইতে ফিরিলেন। গিরিশ ঘোষের বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে গিয়াছিলেন।

    তারক — আজ আমরা মাংস-টাংস অনেক খেলুম।

    নরেন্দ্র — আজ মন অনেকটা নেমে গেছে। তপস্যা লাগাও।

    (মাস্টারের প্রতি) — “কি Slavery (দাসত্ব) of body, — of mind! (শরীরের দাসত্ব — মনের দাসত্ব!) ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু।”

    সন্ধ্যা হইয়াছে; উপরের ঘরে ও অন্যান্য স্থানে আলো জ্বালা হইল। ঠাকুর বিছানায় উত্তরাস্য হইয়া বসিয়া আছেন; জগন্মাতার চিন্তা করিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ফকির ঠাকুরের সম্মুখে অপরাধভঞ্জন স্তব পাঠ করিতেছেন। ফকির বলরামের পুরোহিতবংশীয়।

    প্রাগ্‌দেহস্থো যদাসং তব চরণযুগং নাশ্রিতো নার্চিতোঽহং,
    তেনাদ্যেঽকীর্তিবর্গৈর্জঠরজদহনৈর্বধ্যমানো বলিষ্ঠৈঃ,
    স্থিত্বা জন্মান্তরে নো পুনরিহ ভবিতা ক্বাশ্রয়ঃ ক্বাপি সেবা,
    ক্ষন্তব্যে মেঽপরাধঃ প্রকটিতবদনে কামরূপে করালে! ইত্যদি।

    ঘরে শশী, মণি, আরও দু-একটি ভক্ত আছেন।

    স্তবপাঠ সমাপ্ত হইল। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া নমস্কার করিতেছেন। মণি পাখা করিতেছেন। ঠাকুর ঈশারা করিয়া তাঁহাকে বলিতেছেন “একটি পাথরবাটি আনবে। (এই বলিয়া পাথরবাটির গঠন অঙ্গুলি দিয়া আঁকিয়া দেখাইলেন।) একপো, অত দুধ ধরবে? সাদা পাথর।”

    মণি — আজ্ঞা হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আর সব বাটিতে ঝোল খেতে আঁষটে লাগে।

  • Suvendu Adhikari: ‘তৃণমূলের ঘরছাড়াদের ফেরাবে বিজেপি তবে…’ শোভনদেবকে শর্ত শুভেন্দুর, বিধানসভায় দেশবিরোধী স্লোগান বন্ধের দাবি তাপসের

    Suvendu Adhikari: ‘তৃণমূলের ঘরছাড়াদের ফেরাবে বিজেপি তবে…’ শোভনদেবকে শর্ত শুভেন্দুর, বিধানসভায় দেশবিরোধী স্লোগান বন্ধের দাবি তাপসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবগঠিত বিধানসভার প্রথম অধিবেশনে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কক্ষ। ভোট-পরবর্তী অশান্তি এবং কর্মীদের ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে যদি কোনও তৃণমূল নেতা ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা মামালায় অভিযুক্ত হন তাহলে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেমে। পালটা যুক্তিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ওপর দিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নাম না করেই তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy)। ‘হাড়গোড় ভাঙা নয়”, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই ভাবে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে মনে করিয়েদিলেন দুর্বিষহ সন্ত্রাসের কথা।

    বিরোধী দলনেতার অভিযোগ ও উদ্বেগ (Suvendu Adhikari)

    স্পিকার হিসেবে রথীন্দ্র বসুর বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পর অধিবেশন শুরু হতেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। ভয় নয়, ভরসা বিজেপির এই স্লোগান অর্থহীন, সাধারণ মানুষের মধ্যে বর্তমানে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বহু তৃণমূল কর্মী বর্তমানে নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত। এই ঘরছাড়া কর্মীরা নিরাপদে নিজ নিজ বাসভবনে ফিরতে পারেন সেই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যয় ও শর্তসাপেক্ষ আশ্বাস

    বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রেখে জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘‘কোনও ব্যক্তি যদি প্রকৃতই ঘরছাড়া হয়ে থাকেন, তবে বিরোধী দলনেতা যেন সেই তালিকা ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP)-কে প্রদান করেন। কোনও নিরপরাধ ব্যক্তি ঘরছাড়া থাকলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার সসম্মানে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে দেবেন। তবে একটি শর্তও রয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যেন ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী কোনও অপরাধমূলক অভিযোগ না থাকে। যদি কোনও অপরাধের অভিযোগ থাকে, তবে তাঁকে অবশ্যই আইনের সম্মুখীন হতে হবে। জেলে যেতে হবে।”

    ‘‘সদনে দেশবিরোধী স্লোগান চলবে না’’

    বিধানসভার প্রথম দিনের অধিবেশনে তৃণমূলের অপকর্মের আয়না দেখালেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy)। তিনি বলেন, “তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে এতদিনে ১৫০ জন বিজেপি কর্মী খুন হতেন। এটা শুধুমাত্র সরকার গড়ার আর নির্বাচিত হয়ে আসার নির্বাচন ছিল না। এটা ছিল ধর্মযুদ্ধ। আর সেই ধর্মযুদ্ধে যাঁরা জিতে এসেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানাই।” এই প্রসঙ্গে তাপস রায় নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বসুর উদ্দেশে বলেন, “স্যার, একটা জিনিস করতে হবে। এই সদনে কোনও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান, দেশবিরোধী স্লোগান চলবে না। আইন করে বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বিল এনে।”

    “পশ্চিমবঙ্গ শাপমুক্ত, পাপমুক্ত, ভয়মুক্ত হয়েছে”

    ২০২৬ সালের বিধান সভা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ শাপমুক্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পাপমুক্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ভয়মুক্ত হয়েছে।” ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। গতকাল আদালতে আইনজীবীর পোশাকে হাজির হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে তাপস রায় বলেন, “গতকাল কেউ হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ব্লক অঞ্চল থেকে বিজেপি প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। কারও নাম করিনি। সে বলেছিল, হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলব, সে যেন এবার বেরোয়। বিজেপি কিছু করবে না। তার ব্যবস্থা জনগণ ও তৃণমূলই করবে।”

    ‘‘বেহায়া না হলে…ভোট পরবর্তী হিংসা এদের মুখে আসে’’

    বিধানসভায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তাপস রায় (Tapas Roy) তৃণমূলকে নির্লজ্জ এবং বেহায়া বলেছেন। যারা ক্ষমতায় আসার আগে প্রকাশ্যে হুমকি দেয় তাঁদের মুখে এই কথা কি শোভা পায়। তাপস রায় বলেন, “নির্লজ্জ, বেহায়া না হলে আজকে ভোট পরবর্তী হিংসা এদের মুখে আসে। এর আগে একটাও রক্তপাতহীন, লাশহীন নির্বাচন হয়েছে? রক্তের উপর দিয়ে ভি সাইন দেখিয়েছে। স্যার, আজকে দেড়শোর উপর লাশ আপনাকে গুনতে হত বিজেপির। যদি এরা ক্ষমতায় ফিরে আসত। বাড়ি জ্বালিয়ে দিত। আর লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী সমর্থক বাড়িছাড়া থাকত। আমি যদি ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকি, আমার নাম থাকে, আমাকে জেলে পাঠাবেন।’’

    ‘‘অকারণে বিরোধিতা করতে চাই না’’

    উল্লেখ্য একসময় তৃণমূলে ছিলেন তাপস রায়। একুশের নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বরাহনগর থেকে জিতেছিলেন। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দলের চরম দুর্নীতি এবং তোষণনীতির কারণে বিজেপিতে যোগদান করেন। এদিকে, ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওসদ সিদ্দিকি বলেন, ‘‘আজ তাপস রায় যা বলেছেন, তা খুব একটা ফেলে দেওয়ার নয়। ২০২১ সালে ভোটের জেতার পর, ৬ মাস এমন দিন পার করেছি, যখন ভেবেছিলাম, আমি ইস্তফা দিয়ে দিই, যাতে আমার ছেলেগুলোর উপর অত্যাচার বন্ধ হয়। ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিধায়ককের বলতেই দেওয়া হয়নি।’’

    পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর লাইভ স্ট্রিমিংয়ের সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান নওশাদ। তাঁর কথায়, “অতীতে আমাদের বক্তব্য শাসকদলের অপছন্দ হওয়ায় অনেক সময় মাইক বন্ধ করে দেওয়া হত। আশা করছি, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে না। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আমাদের যে দাবিগুলি রয়েছে, সেগুলি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে। আমরাও অকারণে বিরোধিতা করতে চাই না।”

  • Modi UAE Visit: যুদ্ধের আবহেই মোদির মাস্টারস্ট্রোক! জ্বালানি বাঁচাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে চুক্তি ভারতের

    Modi UAE Visit: যুদ্ধের আবহেই মোদির মাস্টারস্ট্রোক! জ্বালানি বাঁচাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে চুক্তি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (UAE) পৌঁছেই দু’টি বড় চুক্তি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় এলপিজি সরবরাহ এবং পেট্রোলিয়াম মজুত নিয়ে মউ সই করেছে দুই দেশ। একই সঙ্গে চুক্তি হয়েছে প্রতিরক্ষা খাতেও। পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে গিয়ে দেশের জন্য একাধিক কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সাফল্য হাসিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত, তেলের দামের অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারত ও ইউএই স্থিতিশীলতা, সংযোগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছে। শুক্রবার আবু ধাবিতে মোদির সংক্ষিপ্ত সফরেই প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, পরিকাঠামো এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারত ও ইউএই-র মধ্যে।

    মোদিকে রাজকীয় ‘গার্ড অফ অনার’

    শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ আবু ধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Modi UAE Visit) রাজকীয় ‘গার্ড অফ অনার’ দেওয়া হয়। এরপরই তিনি আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন। ২০১৪ থেকে এই নিয়ে সাতবার আমিরশাহীতে যাত্রা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, অন্যদিকে একই সময়ের মধ্যে পাঁচবার ভারতে এসেছেন মহম্মদ বিন জায়ের। গত জানুয়ারি মাসে পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট। সেই সময় বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে কথা হয় উভয়পক্ষের। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান অস্থিরতার মধ্যেও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য জ্বালানি অংশীদার।

    এলপিজি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি

    এই বৈঠকেই ভারতের রান্নার গ্যাসের সংকট মেটাতে দীর্ঘমেয়াদি এলপিজি (LPG) সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববাজারে ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি আমদানিকারক দেশ হওয়ায়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের হেঁশেল সচল রাখাই এখন সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOCL) এবং এএনডিওসি (ADNOC)-এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এলপিজি সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে ভারত স্থিতিশীল ও অগ্রাধিকারভিত্তিক এলপিজি সরবরাহ পাবে, যা আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে। বর্তমানে ভারতের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশই ইউএই থেকে পূরণ হয়।

    ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ

    রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি ভারতের ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ বা জরুরি তেল মজুত ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ নিয়েও দুই দেশের মধ্যে একটি মউ (MoU) সই হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে হঠাৎ তেলের দাম বৃদ্ধি বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশের তেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে এই চুক্তি ভারতের জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। জরুরি অবস্থায় ভারতকে তেলের জোগান সচল রাখতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে আমিরশাহী। বর্তমানে আবু ধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি ই একমাত্র বিদেশি সংস্থা, যারা ভারতের ভূগর্ভস্থ তেল ভান্ডারে অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণ করে। নতুন চুক্তির ফলে সেই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে।

    কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে চুক্তি

    জ্বালানি খাতের পাশাপাশি এই সফরে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বড় অগ্রগতি হয়েছে। সফরের অন্যতম বড় সাফল্য হল ভারত ও ইউএই-র মধ্যে “স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স পার্টনারশিপ”-এর কাঠামোগত চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমে শুধু যৌথ সামরিক মহড়াই নয়, উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির যৌথ উৎপাদন, গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতাও আরও গভীর হবে।

    গুজরাটে গড়ে উঠবে শিপ রিপেয়ার ক্লাস্টার

    গুজরাটের ভাদিনারে একটি অত্যাধুনিক শিপ রিপেয়ার ক্লাস্টার গড়ে তোলার জন্যও সমঝোতা হয়েছে। এই প্রকল্প ভারতের সামুদ্রিক পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। এখানে বাণিজ্যিক ও বড় তেলবাহী জাহাজ মেরামত করা সম্ভব হবে।

    ৫০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা

    সফরে ইউএই ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করেছে। এই বিনিয়োগ পরিকাঠামো প্রকল্প, আরবিএল-এর ঋণ সম্প্রসারণ এবং হাউজিং ফিনান্স সংস্থা সামান ক্যাপিটাল-এ আর্থিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হবে। উল্লেখ্য, “কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট” স্বাক্ষরের পর ভারত ও ইউএই-র দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ইতিমধ্যেই ১০ হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেই বাণিজ্য ২০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে দুই দেশ।

    পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর প্রমাণ করল যে ভারত-ইউএই সম্পর্ক এখন শুধু বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিরক্ষা, আর্থিক পরিষেবা, সামুদ্রিক অবকাঠামো এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক দ্রুত গভীর হচ্ছে। দেশের বাজারে পেট্রোল-ডিজেল ও সিএনজির দাম বৃদ্ধির পর দেশবাসীর উদ্বেগের মাঝেই, মোদির এই মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতি ভারতের অর্থনীতিকে স্বস্তি দেবে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। পাঁচ দেশে সফরে শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখান থেকে ইউরোপের চার দেশ যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন এবং ইটালিতেও যাবেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকট এবং ভেঙে পড়া বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলা নিয়ে পাঁচ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে কথা হবে মোদির।

  • Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বহু বিতর্কিত ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ চত্বর নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ। শুক্রবার আদালত জানিয়েছে, উপলব্ধ ঐতিহাসিক নথি, প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ এবং ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (ASI)-এর বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট অনুয়ায়ী, এই স্থাপনাটি আসলে দেবী সরস্বতীর মন্দির এবং সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। এই রায়কে ভোজশালা (Dhar Bhojshala Verdict) বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ বহু দশক ধরে হিন্দু ও মুসলিম— দুই সম্প্রদায়ই এই স্থাপনার উপর নিজ নিজ ধর্মীয় দাবি জানিয়ে এসেছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ কী?

    হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোজশালার মূল চরিত্র ছিল একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র বা মহাবিদ্যালয়। আদালতের মতে, প্রত্নতত্ত্ব একটি বিজ্ঞান এবং আদালত বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা, খনন রিপোর্ট ও ঐতিহাসিক উপাদানের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আদালত এএসআই-এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্টের উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভোজশালা চত্বরে প্রাপ্ত ভাস্কর্য, মন্দিরসদৃশ স্থাপত্য ধ্বংসাবশেষ, স্তম্ভ, শিলালিপি এবং অন্যান্য নিদর্শন এই স্থাপনার প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যের পক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ। রায়ে আরও বলা হয়েছে, প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভ, ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন ধর্মীয় স্থানগুলির সংরক্ষণ করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু সংরক্ষণই নয়, দর্শনার্থী ও ভক্তদের জন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

    ২০০৩ সালের এএসআই আদেশ বাতিল

    ২০০৩ সালে এএসআই জারি করা সেই আদেশ শুক্রবার বাতিল করেছে হাইকোর্ট, যেখানে হিন্দুদের উপাসনার অধিকার সীমিত করা হয়েছিল এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে শুক্রবার নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আদালতের মতে, ওই নির্দেশ হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনার অধিকারকে সীমাবদ্ধ করেছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, বিতর্কিত স্থানে হিন্দুদের পূজা-অর্চনার ধারাবাহিকতা কখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বর্তমানে এএসআই এই সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভের রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবে এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও এএসআই-কে ভোজশালা কমপ্লেক্সের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুসলিম পক্ষকে পৃথক জমির আবেদন করার স্বাধীনতা

    রায়ে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিষয়েও মন্তব্য করেছে। আদালত জানিয়েছে, মুসলিম পক্ষ চাইলে ধার জেলায় নামাজ আদায়ের জন্য পৃথক জমির আবেদন করতে পারে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে আদালত একদিকে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে।

    ভোজশালা বিতর্কের ইতিহাস

    ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ধার অঞ্চল একসময় পারমার রাজবংশের অধীনে ছিল। রাজা ভোজ, যিনি ১০০০ থেকে ১০৫৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন, ছিলেন দেবী সরস্বতীর একনিষ্ঠ ভক্ত। ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি এখানে একটি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ভোজশালা নামে পরিচিত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, এটি শুধু শিক্ষাকেন্দ্রই নয়, দেবী সরস্বতীর মন্দিরও ছিল। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, ১৩০৫ সালে আলাউদ্দিন খিলজির সময় ভোজশালার একাংশ ধ্বংস হয়। পরে ১৪০১ সালে দিলাওয়ার খান ঘোরি এবং ১৫১৪ সালে মাহমুদ শাহ খিলজি এখানে মসজিদের অংশ নির্মাণ করেন বলে দাবি করা হয়। ১৮৭৫ সালে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালানো হলে দেবী সরস্বতীর একটি মূর্তি উদ্ধার হয়, যা পরবর্তীতে বিতর্ককে আরও জোরদার করে।

    এএসআই-এর রিপোর্টে কী উঠে এসেছিল?

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এএসআই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে তাদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ভিতরে মন্দিরসদৃশ ধ্বংসাবশেষ, খোদাই করা স্তম্ভ, দেবদেবীর ভাস্কর্য এবং প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শনের উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্টই মামলার মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই রায়?

    ভোজশালা মামলা শুধু একটি সম্পত্তি বা ধর্মীয় স্থানের বিতর্ক নয়, এটি ভারতের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় অধিকারের প্রশ্ন এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠল। হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, বৈজ্ঞানিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারকে উপেক্ষা করা যায় না। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংবিধানের চেতনার অংশ এবং সরকারকে এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। এই রায় ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য বিতর্কিত ধর্মীয়-ঐতিহাসিক স্থাপনা সংক্রান্ত মামলাগুলিতেও গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করতে পারে।

  • RG Kar Case: আরজি কর কাণ্ডে সাসপেন্ড তিন আইপিএস বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখার্জি, অভিষেক গুপ্তা

    RG Kar Case: আরজি কর কাণ্ডে সাসপেন্ড তিন আইপিএস বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখার্জি, অভিষেক গুপ্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথামতোই আবার খুলল আরজি কর ফাইল (RG Kar Case)। কাজ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরজি কর কাণ্ডে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড হলেন রাজ্যের তিন আইপিএস অফিসার। শুক্রবার নবান্ন থেকে শুভেন্দু জানান, আরজি করের চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের মামলার ফাইল ফের খোলা হবে। ওই সময়ে বিভিন্ন পদে কর্মরত তিন আইপিএস অফিসার বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হবে। আপাতত তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে জানিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।

    মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছ থেকে রিপোর্ট 

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাফ কথা, “মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছ থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। পুলিশ অফিসাররা তিলোত্তমার মা-কে টাকা দিতে গিয়েছিলেন। নির্যাতিতার পরিবারকে এইভাবে টাকা দিতে যাওয়ার অভিযোগে আমরা এই তিনজনকে সাসপেন্ড করছি।” শুভেন্দু আরও বলছেন, “যখন বিভাগীয় তদন্ত হবে তখন যাঁদের বিরুদ্ধে আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি তাঁদের বক্তব্যও নেব, অন্যদিকে নির্যাতিতার পরিবার যদি চায় তাহলে তাদের বাড়িতে গিয়েও আমাদের অফিসাররা তাদের বক্তব্য নিয়ে আসবে।” এখানেই না থেমে এবার একেবারে সেই সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “ফোন কল রেকর্ড, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সবই পরে পরে বের করব। দেখা যাবে তখনকার অফিসারদের সঙ্গে সঙ্গে কাদের কাদের কথা হয়েছে। সেই সময়ের কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নির্দেশ ছিল কিনা সেটা দেখা হবে। সব বের করব।”

    যা হয়েছিল তা হওয়ার কথাই ছিল না

    তিলোত্তমার মা রত্না দেবনাথ বলছেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছিল তা হওয়ার কথাই ছিল না। ও একটা সুরক্ষিত জায়গায় ছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই আমি আমার মেয়েটাকে হারিয়ে ফেলেছি। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই এত তাড়াতাড়ি আবার ফাইল খোলার জন্য। বিচার খুব তাড়াতাড়ি আসবে। গোটা বিশ্বের মানুষ এর বিচার চায়। সবার চাওয়া কখনও বিফলে যাবে না। বিচার আসবেই।” মেয়ের স্মৃতিচারণা করতে করতে ফের একবার গলা ধরে আসে তাঁর। বলেন, “যেদিন রাত দখল হয়েছিল সেদিন সব জাতি-ধর্ম-বর্ণের মানুষ শুধু উই ওয়ান্ট জাস্টিস বলেছিল। সেদিন টিভিতে আমাকে দেখানো হয়েছিল আমি তখন মেয়ের ছবিটা জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম তোর যে এত শক্তি, যে তুই সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়ে গেলি।”

    কে কোন দায়িত্বে ছিল 

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কথায়, ‘‘অ্যাজ আ হোম মিনিস্টার, আমি চার্জ নেওয়ার পর মাননীয় চিফ সেক্রেটারি এবং মাননীয় হোম সেক্রেটারির কাছে লিখিত চেয়েছিলাম আরজি করের ঘটনা এবং তার পরবর্তী কিছু বিষয় নিয়ে। কীভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকরা সেটা হ্যান্ডল করেছিলেন, তা জানতে চেয়েছিলাম। তথ্য অনুসন্ধানের পর আপাতত একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিলাম।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা করছি, ওই সময়ে যা ঘটেছিল, তা মিসহ্যান্ডেলিং করা, যথাযথ ভাবে এফআইআর করে পদক্ষেপ করার মতো প্রাথমিক যে বিষয়গুলো ছিল, সেখানে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল দু’জন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে।’’ ২০২৪ সালের অগাস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সময় আইপিএস বিনীত ছিলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার। অভিষেক গুপ্ত ছিলেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে। আইপিএস ইন্দিরা তখন কলকাতা পুলিশের ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে দায়িত্বরত ছিলেন।

  • Janata Darbar: মানুষের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী, এরাজ্যে ‘জনতার দরবার’ চালুর ঘোষণা শুভেন্দুর

    Janata Darbar: মানুষের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী, এরাজ্যে ‘জনতার দরবার’ চালুর ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শোনা এবং দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন প্রশাসনিক উদ্যোগের সূচনা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনিক মডেলকে অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হতে চলেছেন। জনমানসে প্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে তুলতেই এই ‘জনতার দরবার’-এর (Janata Darbar) পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    জনতার দরবারের উদ্দেশ্য (Janata Darbar)  

    সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন এই ‘জনতার দরবার’ (Janata Darbar)  অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রতিদিন প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলবে এই কর্মসূচি, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন এক বা দুই জন শীর্ষ আধিকারিক। সাধারণ মানুষের অভিযোগ সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধানের পথ বের করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য

    • ● সরাসরি জনসংযোগ: কোনও মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সাধারণ নাগরিকরা তাঁদের অভাব-অভিযোগ এবং সমস্যার কথা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে (Suvendu Adhikari)  জানানোর সুযোগ পাবেন।
    • ● দ্রুত সমাধান: প্রতিটি সমস্যার গুরুত্ব বিচার করে প্রশাসনিক আধিকারিকদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    • ● প্রশাসনিক স্বচ্ছতা: এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা ও প্রেক্ষাপট

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরাসরি জনসংযোগের ওপর জোর দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ থাকলে তবেই সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। এই ‘জনতার দরবার’ কেবল অভিযোগ জানানোর স্থান নয়, বরং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের একটি বিরাট মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।”

    প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষের সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তৃণমূল স্তরে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে এই ‘সরাসরি যোগাযোগ’ (Janata Darbar)  পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক প্রশাসন এবং জনগণের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে এই অভিনব উদ্যোগ রাজ্য রাজনীতিতে এবং প্রশাসনিক স্তরে এক ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Crackdown on Helmetless Riders: পথ নিরাপত্তায় কঠোর প্রশাসন, কলকাতা জুড়ে হেলমেটবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান

    Crackdown on Helmetless Riders: পথ নিরাপত্তায় কঠোর প্রশাসন, কলকাতা জুড়ে হেলমেটবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন সরকারের নির্দেশানুসারে পথ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কলকাতা পুলিশ। হেলমেটবিহীন চালক (Helmetless Riders) এবং যত্রতত্র বেআইনি পার্কিংয়ের (Illegal Parking in Kolkata) বিরুদ্ধে শহরজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক তল্লাশি ও ধরপাকড়। একই ভাবে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেছেন, “পথচারীদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং শহরের শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। অবৈধ পার্কিং এবং জাল স্লিপের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসন কোনও আপস করবে না।”

    অভিযানের পরিসংখ্যান ও পর্যবেক্ষণ (Illegal Parking in Kolkata)

    শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের এই বিশেষ নজরদারি আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। নিয়মভঙ্গকারীদের (Illegal Parking in Kolkata)  বিরুদ্ধে কোনও প্রকার শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে পুলিশ নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে:

    • ● হেলমেটবিহীন চালক: যথাযথ সুরক্ষা সরঞ্জাম (হেলমেট) না থাকায় মোট ৭৭৫ জন বাইক চালকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইস্ট ট্রাফিক গার্ড এলাকায় সর্বাধিক ৯১ জন আইনভঙ্গকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
    • ● বেআইনি পার্কিং: শহরের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৫২৬টি অবৈধ পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে জরিমানা বা মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাউথ ট্রাফিক গার্ড এলাকায় সর্বোচ্চ ২ শতাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা নথিবদ্ধ হয়।
    • ● ভুয়া স্লিপ ও রাজস্ব চুরি রোধ: বিভিন্ন এলাকায় জাল পার্কিং স্লিপ ব্যবহার করে বেআইনিভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। পুরমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ধরনের অসাধু উপায়ে টাকা তোলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, কারণ এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে না।
    • ● নির্দিষ্ট রেট চার্ট: পার্কিং ফি-র ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি নির্দিষ্ট মূল্য তালিকা (Rate Chart) তৈরি করা হবে। নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা আইনত দণ্ডনীয় হবে।

    মূল সমস্যা ও নজরদারি

    রাজ্যের পুর নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘আজই নোটিস দিচ্ছি। রাস্তার দু’পাশে অবৈধভাবে পার্কিং বন্ধ হবে। যেদিকে পার্কিং করার কথা নয়, সেখানে কোনও গাড়ি থাকবে না। মানুষের সুবিধা হবে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ফেক পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, যে টাকা রাজস্ব দফতরে আসে না। সেই স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা যাবে না।’’

    কোথায় কোথায় বিশেষ অভিযান?

    শহরে রাজাবাজার, ফুলবাগান, ইকবালপুর, মমিনপুর, তপসিয়া, ট্যাংরা, তিলজলা, পার্কসার্কাস সহ একাধিক একালায় ট্রাফিক নিয়ম বলে কিছু নেই। হেলমেট ছাড়া বাইক, ফুটপাতে অবৈধ নির্মাণ, পার্কিংয়ের জন্য জনজীবন ব্যাপক ভাবে সঙ্কটের মুখে। বিগত সরকারের আমলে এই এলাকাগুলিতে আইনের শাসন ছিল না। শহরের পরিচয়কে বস্তুি ঘিঞ্জি করে রেখেছিল। এইবার সকল বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে বিজেপি সরকার কঠোর মনোভাবের পরিচয় দিতে শুরু করেছে।

    শহরের বিশেষ এলাকায় বাড়তি নজরদারি

    শহরের  এই নির্দিষ্ট এলাকাগুলিতে সিগন্যাল অমান্য করা এবং দ্রুতগতিতে বেপরোয়া বাইক চালানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে রাতের দিকে এই প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। জনসুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এবার বিশেষ করে খিদিরপুর থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।নবান্নের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, বাইক চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশ কার্যকর করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এডিজি ট্রাফিককে নিয়মিত রিপোর্ট সংগ্রহের দায়িত্ব দিয়েছেন। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য কেবল দণ্ড প্রদান নয়, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যে (Illegal Parking in Kolkata) নামিয়ে আনা।

    কলকাতা ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী পুরমন্ত্রী

    কলকাতা শহরের রাজপথ থেকে অলিগলি—সর্বত্রই অনিয়ন্ত্রিত পার্কিংয়ের (Illegal Parking in Kolkata) জেরে যানজট এক দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় পরিণত হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধ গাড়ির কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্নঘটা এবং ভুয়া স্লিপের মাধ্যমে টাকা তোলার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। এবার এই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিলেন রাজ্যের নবনিযুক্ত পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)।

    যানজট নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা

    উল্লেখ্য, গত বছর মাত্র ২ ঘণ্টার জন্য রাস্তার ধারের পার্কিং বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সকাল ৭টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারের পার্কিং বন্ধ করার নির্দেশিকা জারি করেছিল কলকাতা পুরনিগম। আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বর্তমান সরকার (Agnimitra Paul) শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে আরও দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে হাঁটছে। কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এবং পুরনিগমের যৌথ উদ্যোগে এই নতুন নিয়ম দ্রুত কার্যকর হতে চলেছে, যার মূল লক্ষ্য হল শহরবাসীকে একটি যানজটমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিষেবা উপহার দেওয়া।

LinkedIn
Share