Blog

  • Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে (Kolkata Port) অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির নিদর্শন ‘ব্যাসকিউল ব্রিজ’-এর আমূল সংস্কার ও আধুনিকীকরণের জন্য ১১৭.৫৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতুটি বন্দরের পণ্য পরিবহণ এবং স্থানীয় যানচলাচলের ক্ষেত্রে একটি মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব (Kolkata Port)

    বিশেষ ধরণের সেতুটি মাঝখান থেকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায়, যাতে নিচ দিয়ে বড় জাহাজ অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। এটি কলকাতা বন্দরের (Kolkata Port) পুরাতন প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন।

    আধুনিকীকরণপণ্য পরিবহণে গতি

    দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে সেতুর যান্ত্রিক অংশে যে জরাজীর্ণ অবস্থা তৈরি হয়েছিল, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ সংস্কার করা হবে। আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী যন্ত্রাংশ স্থাপনের মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব বাড়ানো হবে। খিদিরপুর ডক (Kolkata Port) এলাকায় নির্বিঘ্নে পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য এই সেতুর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কারের পর ভারী ট্রাক ও কন্টেইনার যাতায়াত আরও নিরাপদ ও দ্রুত হবে।

    কেন এই সংস্কার জরুরি?

    বন্দরে (Kolkata Port) জাহাজ চলাচলের সুবিধা এই সংস্করণের প্রধান লক্ষ্য। সেতুর যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা হলে জাহাজ চলাচলের সময় সেতুটি দ্রুত খোলা ও বন্ধ করা সম্ভব হবে। শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ব্রিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মোমিনপুর ও খিদিরপুর এলাকার যানজট কমাতে এবং বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বাড়াতে এই আধুনিকীকরণ অপরিহার্য ছিল। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কলকাতা বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং একইসঙ্গে শহরের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দীর্ঘকাল সচল থাকবে।

  • Pakistan: মেরামতির চেষ্টা ব্যর্থ, গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র ভাঙল পাকিস্তান

    Pakistan: মেরামতির চেষ্টা ব্যর্থ, গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র ভাঙল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র মেরামত ও পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছিল পাক বিমানবাহিনী (PAF)। তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তাই কেন্দ্রটি (Pakistan) ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে উপগ্রহ চিত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। এই কেন্দ্রটি পাকিস্তানের প্রধান মুরিদ বিমানঘাঁটি, যা চকওয়াল এলাকার কাছে অবস্থিত (Operation Sindoor)।

    মুরিদ এয়ার বেসে মেরামত (Pakistan)

    সংবাদ মাধ্যমের কাছে থাকা ভ্যান্টরের ২৮ ফেব্রুয়ারির একটি স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, মুরিদ এয়ার বেসে মেরামতের কাজ সফল হয়নি। ভবনের মাঝের অংশটি আগে বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং পরে ত্রিপল দিয়ে সেটি ঢেকে রাখা হয়েছিল। এখন সেখানে অনিয়মিত গোলাপি-লাল ধ্বংসাবশেষ এবং মাটি দেখা যাচ্ছে, যা সফলভাবে পুনর্নির্মাণের বদলে ভবন ভেঙে ফেলা বা ধসে পড়ার ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ২০২৫ সালের মে মাসের হামলার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব প্রায় দশ মাস পরেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষক ডেমিয়েন সাইমন বলেন, “সাম্প্রতিক ছবিতে এখন নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে।” তিনি বলেন, “এটি ইঙ্গিত করে যে হামলার প্রভাব শুধু ছাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ভবনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর গভীর অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। প্রায় ৩৫×৩০ মিটার আকারের এই কাঠামোটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা যায় যে বিমান হামলার ফলে ভবনের ভেতরে গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল, যার ফলে এটি মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে, নিরাপদও নয়।”

    পাকিস্তানের বিমানঘাঁটিতে হামলা

    ২০২৫ সালের ১০ মে ভোর ২টা থেকে ৫টার মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের দশটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় (অপারেশন সিঁদুর), যার মধ্যে মুরিদও ছিল। কয়েক ঘণ্টা পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে সংঘাত বন্ধে আলোচনা শুরু করে (Operation Sindoor)। এই প্রতিবেদনে যে কাঠামোটির কথা বলা হয়েছে, সেটি এই ঘাঁটির ভেতরে থাকা একটি কমপ্লেক্স থেকে পরিচালিত মানববিহীন আকাশযানের (UAV) জন্য একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত বলেই অনুমান। একই ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী একটি ভূগর্ভস্থ কাঠামোয়ও হামলা চালিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে (Pakistan)।

    গোলাবারুদের আঘাতে তৈরি গর্ত

    এর আগে সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই ভূগর্ভস্থ কাঠামোর দুটি প্রবেশপথের একটির মাত্র ৩০ মিটার দূরে প্রায় ৩ মিটার প্রশস্ত গোলাবারুদের আঘাতে তৈরি একটি গর্ত রয়েছে। সাইমন বলেন, “ভারতের মে ২০২৫-এর বিমান হামলার পর সংগৃহীত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে ভবনের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলাকালীন সেটি ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। ডিসেম্বর ২০২৫-এর পরে তোলা ছবিতে দেখা যায় পুরো কাঠামোটি ত্রিপল ও রিপেয়ারিং নেট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যা মেরামতের কাজ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দেয় (Operation Sindoor)।”

    ক্ষয়ক্ষতির ছবি স্পষ্ট

    ১০ মে ২০২৫-এর স্যাটেলাইট ছবিতে হামলার কিছুক্ষণ পরেই কেন্দ্রীয় ভবনগুলিতে স্পষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ছবি দেখা যায়। ক্ষতির ধরন, ছাদে নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবেশ করে ভেতরে ধস নামা, ইঙ্গিত দেয় যে এটি শুধু সাধারণ বিস্ফোরণের ফল নয়। বরং এটি এমন পেনিট্রেটর ওয়ারহেড ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখায় যা শক্ত কংক্রিট ভেদ করে ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য তৈরি। সামরিক কমান্ড সেন্টারের মতো শক্তভাবে সুরক্ষিত টার্গেটে সাধারণত এই ধরনের অস্ত্রই ব্যবহৃত হয় (Pakistan)।

    স্ক্যাল্প মিসাইল

    ভারতীয় বিমানবাহিনী কখনও প্রকাশ্যে বলেনি কোন টার্গেটে তারা কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে ক্ষতির ধরন এবং নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে দূরত্ব বিবেচনায় ধারণা করা হচ্ছে যে ভারতীয় আকাশসীমা থেকেই রাফাল যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা স্ক্যাল্প (SCALP) এয়ার-টু-সারফেস প্রিসিশন মিসাইল ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে (Operation Sindoor)। স্ক্যাল্প মিসাইল প্রায় ৪৫০ কেজি ওজনের বহু-ধাপবিশিষ্ট পেনিট্রেটর ব্যবস্থায় সজ্জিত হতে পারে। প্রথম ধাপটি একটি প্রাথমিক শেপড চার্জ, যা শক্ত কংক্রিটের মতো বাহ্যিক স্তর ভেঙে একটি প্রবেশপথ তৈরি করে। এরপর প্রধান বিস্ফোরক বহনকারী দ্বিতীয় ধাপটি কাঠামোর গভীরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়, ফলে ভেতরে শার্পনেল ও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে ব্যাপক ক্ষতি করে (Pakistan)।

    মেরামতের চেষ্টাও ব্যর্থ

    ২০২৫ সালের ২ জুন, অর্থাৎ হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ পরের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় ভবনের একটি অংশ সবুজ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যা প্রাথমিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়। তখনও বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ শুরু হয়নি। ডিসেম্বরের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি বড় লাল ত্রিপল দিয়ে পুরোপুরি ঢেকে রেখে মেরামতের চেষ্টা চলছিল। তবে কোনও নতুন স্থায়ী ছাদ বা কাঠামোগত মেরামতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি, যা ধীরগতির বা জটিল পুনর্নির্মাণের ইঙ্গিত দেয় (Operation Sindoor)। এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত নতুন স্যাটেলাইট ছবিটি দেখাচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত সেই মেরামতের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে (Pakistan)।

     

  • PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Brigade Rally) মেগা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই সমাবেশকে সফল করতে গেরুয়া শিবিরের উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বহু রাজনৈতিক কর্মী। আগামী ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মহাসভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা একইসঙ্গে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষ কার্যক্রম। পর্যাপ্ত ট্রেন (Special Trains) এবং বাসের পরিষেবা দেওয়া হবে দলের তরফে, এমনটাই জানিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ (PM Modi Brigade Rally)

    রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকেই অন্তত ৫০ হাজার কর্মী-সমর্থককে কলকাতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা (PM Modi Brigade Rally) নিয়েছে। এর মধ্যে শিলিগুড়ি থেকেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে কোচবিহার, এনজেপি (NJP) এবং মালদা থেকে ১০টি বিশেষ ট্রেন (Special Trains) ও কয়েকশ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    জনসভায় ভিড় উপচে পড়বে

    উত্তরবঙ্গ ঐতিহাসিকভাবেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই অঞ্চলের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছিল। সেই দাপট বজায় রাখাই এখন দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী ব্রিগেডে জনসভার ভিড় নিশ্চিত করার দায়িত্বে রয়েছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাপি বলেন, “প্রত্যেক জেলার নেতৃত্বকে কলকাতায় লোক নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ভিড় (PM Modi Brigade Rally) উপচে পড়বে। অনেক সংখ্যায় ট্রেন (Special Trains), বাস থাকবে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যের সমস্ত এলাকার মানুষের উপস্থিতি থাকবে।”

    মোদির এই সভাই অক্সিজেন

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং উপনির্বাচনগুলোতে উত্তরবঙ্গে বিজেপির সেই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও মজবুত করে আগামী জয়ের লক্ষ্যে মোদির এই সভাকেই ‘অক্সিজেন’ হিসেবে দেখছেন কর্মীরা। তবে উত্তরবঙ্গের জেলা সভাপতিদের দাবি, কোনো টার্গেট বা বাধ্যবাধকতা নয়, মোদিকে (Special Trains) দেখতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ব্রিগেডে (PM Modi Brigade Rally) ভিড় জমাবেন। সেই সঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের আগে কোচবিহার ও মালদায় প্রধানমন্ত্রীর আরও দুটি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়িতেও এমন সভা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ (Dharna Stage)। এসআইআরের প্রতিবাদে দিন কয়েক ধরে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ড লাগবে, একদম বারোটা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

    সুকান্তর প্রতিক্রিয়া (Mamata Banerjee)

    ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বাঁকুড়ায় দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই ধরনা-মঞ্চ থেকে বলছেন, এক সম্প্রদায় একজোট হলে অন্যান্য সম্প্রদায়কে মেরে পুড়িয়ে ফেলবে! ওঁকে বলব, পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে। সেখানে একটাও দাঙ্গা হয় না (Mamata Banerjee)। কারণ কেউ দাঙ্গা করলে তার বাড়িতে বুলডোজার চলবে।” সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আগেই ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোট হারিয়েছেন, বাকি মুসলিম ভোটও এখন চলে গিয়েছে বাবরি মসজিদ গড়তে হুমায়ুন কবীরের কাছে (Dharna Stage)। তাই প্রমাদ গুণছেন উনি।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের তরফে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ভাব শিষ্য হুমায়ুন কবীর লোকসভা নির্বাচনে একটা সম্প্রদায়ের নাম করে হুমকি দিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর নেত্রী সম্প্রদায়ের নাম না করে একই ইঙ্গিত করছেন। আরএসএস-বিজেপির অভিসন্ধির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে এটাও আর একটা বিপদ।”

    শঙ্কর ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন, একটি কমিউনিটি যদি চায়, জোট বেঁধে তাহলে আপনাদের বারোটা বাজিয়ে দেবে।” মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শঙ্কর বলেন, “ক্ষমতা থাকলে ওই কমিউনিটির নাম বলুন।” তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একটি কমিউনিটির নাম করে থ্রেট করছেন হিন্দু সনাতনী মানুষকে।” এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে শঙ্করের নেতৃত্বে হয় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শিলিগুড়ির সেবক রোডের খাটু শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা ভেনাস মোড় ও দার্জিলিং মোড় হয়ে মাটিগাড়া ও নকশালবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। ভেনাস মোড়ে আয়োজিত এক সভায় রাজ্যে তৃণমূল শাসনের অবসানের ডাকও দেন শঙ্কর। শিলিগুড়ির বিধায়কের দাবি, তৃণমূলের ভয় ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সত্ত্বেও, পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অভাবনীয় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্যে পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। বিজেপির এই (Dharna Stage) সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতানেত্রী (Mamata Banerjee)।

     

  • T20 World Cup 2026: ‘যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন’ বললেন আফ্রিদি, ‘মেনে নিন ভারত এক নম্বর’, নিন্দকদের একহাত মিঁয়াদাদের

    T20 World Cup 2026: ‘যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন’ বললেন আফ্রিদি, ‘মেনে নিন ভারত এক নম্বর’, নিন্দকদের একহাত মিঁয়াদাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও ষড়যন্ত্র নয়, যোগ্য দল হিসেবেই টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করেছে ভারত, মেনে নিল পাকিস্তান। বরাবর ভারতীয় দল নিয়ে তিক্ত মন্তব্য করেছেন তিনি। কখনও বয়কট নিয়ে, কখনও সাফল্য ঘিরে—বিসিসিআই কিংবা টিম ইন্ডিয়া—কাউকেই রেয়াত করেননি পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি। বারবার মুখ খুলেছেন৷ আলগা মন্তব্য করেছেন৷ যার জেরে কমার বদলে বিতর্ক বেড়েছে কয়েক গুণ৷ এবার অপ্রত্যাশিতভাবে অতীতের এই জের মুছে ফেললেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক। মেনে নিলেন ভারতীয় দলের কর্তৃত্ব৷

    ভারতীয় দলের প্রশংসায় আফ্রিদি

    ক্রিকেট দুনিয়ায় এক নয়া ইতিহাস কায়েম করেছে ভারতীয় দল। পরপর ২ বার তারা টি-২০ বিশ্বকাপের (ICC T20I World Cup 2026) খেতাব জয় করেছে। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর গত রবিবার (৮ মার্চ) জিতল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়া ৯৬ রানে জয়লাভ করে। এরপরই দ্ব্যর্থহীন গলায় আফ্রিদি জানালেন, যোগ্য টিম হিসেবেই টি-২০ বিশ্বকাপ খেতাব ঘরে তুলেছে সূর্য বাহিনী। টুর্নামেন্টের আগাগোড়া নিখুঁত ক্রিকেট খেলে যারা, চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদেরই সাজে! শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ‘ইতিবাচক’ ও ‘প্রশস্তিমূলক’ বক্তব্যে ভারতের গুণ গেয়েছেন আফ্রিদি। যা স্বাভাবিকভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার ইন্ধন জুগিয়েছে৷

    অন্যতম সেরা বোলার বুমরা

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা ভিডিয়োতে আফ্রিদি (Shahid Afridi) বলেন, ‘বিশ্বকাপ শেষ। ভারত শিরোপার যোগ্য দল। কম্বিনেশন দুর্দান্ত। বেঞ্চে যারা বসে ছিল, তারাও প্রথম একাদশে খেলার উপযুক্ত। আমি এই কারণেই বলে থাকি, বেঞ্চ শক্তিশালী হওয়া খুবই জরুরি! গোটা টুর্নামেন্টটাই ভারত চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছে!’ আর সবার পাশাপাশি সঞ্জু স্যামসনের (Sanju Samson) আলাদা করে প্রশংসা করেছেন আফ্রিদি। বললেন, ‘সুযোগ পেয়েছে, কাজে লাগিয়েছে। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং, ইনিংস গড়ার ক্ষমতা—অসাধারণ!’ এ ছাড়া অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষাণেরও (Ishan Kishan) সুখ্যাতি শোনা গেল। জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah) প্রসঙ্গে মন্তব্য, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বোলিংয়ের মেরুদণ্ড। নতুন বল, পুরনো বল, স্লোয়ার, ইয়র্কার—সব পরিস্থিতিতেই সফল। আমার মতে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার।’

    কেন হোঁচট খাচ্ছে পাকিস্তান?

    আফ্রিদির মতো প্রাক্তন পাক অধিনায়ক রশিদ লতিফও (Rashid Latif) ভারতের জয়কে ‘অপ্রত্যাশিত’ মনে করছেন না। তাঁর বক্তব্য, ‘বড় ইভেন্টের ফাইনালে বারবার যখন খেলতে হয়, তখন চাপ সামলানোটা অভ্যেসে পরিণত হয়। ভারতের খেলোয়াড়রা সেটাই করে দেখিয়েছেন!’ পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের পেছনে রয়েছে ধারাবাহিকতা ও স্থিরতা। বারবার দল বদল, অধৈর্য সিদ্ধান্ত—এই ফাঁদে পা না দেওয়া। পাকিস্তান ঠিক এই জায়গাতেই বারবার হোঁচট খেয়েছে বলে মনে করেন লতিফ।

    ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ানো বন্ধ করা উচিত

    সূর্য-ব্রিগেডের এই সাফল্যের পর পাকিস্তানের কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার ভারতের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে বলেছেন, অযথা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ানোর বদলে পাকিস্তানের উচিত ভারতের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া। কিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার মুহাম্মদ ওয়াসিম বলেন, “ভারত যখন বড় টুর্নামেন্টে ভালো খেলে বা আমাদের হারায়, তখন আমরা অনেক সময় অজুহাত খুঁজি এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াই। এটা বন্ধ করা দরকার। আমাদের মেনে নিতে হবে যে ভারত খুবই শক্তিশালী দল এবং নিজেদের উন্নতির জন্য আমাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।”

    ভারতের ক্রিকেট কাঠামোর প্রশংসা

    শুধু ওয়াসিমই নন, পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার জাভেদ মিয়াঁদাদও ভারতের ক্রিকেট কাঠামোর প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, শক্তিশালী ও প্রক্রিয়াভিত্তিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ফলই আজ পাচ্ছে ভারত। মিয়াঁদাদ বলেন, “ভারতের ক্রিকেট কাঠামো খুবই শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত। সেই কারণেই তারা নিয়মিতভাবে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করছে। তাদের দলে ব্যাটার, স্পিনার বা পেসারের কোনো অভাব নেই। নতুন ক্রিকেটাররা ফলাফলমুখী এবং ম্যাচ পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন।” তিনি আরও বলেন, “এক সময় পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমেও এমন পরিবেশ ছিল, যার ফলে আমরা নিয়মিত জিততাম।”

    ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

    টি-২০ ক্রিকেটে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আবারও প্রমাণ করেছে ভারত। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে নেয় তারা এবং টি-২০ বিশ্বকাপে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রথম দল হিসেবে ইতিহাস গড়ে। তবে ভারতের এই সাফল্যে প্রথমে প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে দেখা দেয় হতাশা, যা ফুটে উঠেছে দুই দেশের কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারের মধ্যেও। আসলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এই দুই দেশকে ঘিরে। রাজনৈতিক কারণে ভারতে এসে খেলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ (Bangladesh)। অন্যদিকে পাকিস্তানের (Pakistan) তরফেও ভারত-বিরোধিতার সুর শোনা গিয়েছিল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি (Mohsin Naqvi) ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে নেমে হারের মুখই দেখতে হয় পাকিস্তানকে। আর এবার ভারতের বিশ্বজয়ের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ব্যাপারটা এমন হয়েছে, যেন পাশের বড়লোক বাড়ির ছেলে গরিব ছেলেকে ডেকে বলছে—আয় ক্রিকেট খেলবি। ভারত সেই বখাটে ছেলের মতো করছে। প্রথমে চারজনকে ডাকবে, তারপর তিনজনকে ডাকবে। সব শেষে বলবে দেখ, জিতে গেলাম। ওরা ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”

    শিয়া কাপের ট্রফি আটকে রেখেছে, বিশ্বকাপ! 

    প্রাক্তন পাকিস্তানি পেসার মহম্মদ আমির (Mohammad Amir) বিশ্বকাপের আগে থেকেই দাবি করে আসছিলেন, ভারত চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে না। কিন্তু ভারতের জয় সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করেছে। এরপর কিছুটা বিরক্ত সুরে আমির বলেন, “ওরা জিতেছে। ঠিক আছে। ট্রফি ওরাই ঘরে নিয়ে যাবে। আমার বাড়িতে তো নিয়ে আসব না।” তবে আপনাদের অনেকেরই হয়ত মনে আছে, ২০২৫ সালে এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) খেলতে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করা হয়। সেই ম্য়াচে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে দুরমুশ করেছিল সূর্য অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু, আজ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট দলের হাতে সেই ট্রফি দেওয়া হয়নি। আসলে ম্য়াচ শুরু হওয়ার আগেই টিম ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি মহসিন নকভির (Mohsin Naqvi) হাত থেকে তারা ট্রফি গ্রহণ করবেন না। কারণ, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানও তিনি। কিন্তু, ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেই যুক্তিকে পাত্তা দেয়নি এসিসি। চ্যাম্পিয়ন হয়েও এখনও ট্রফি পায়নি ভারত। ইতিমধ্যে আবার ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ খেতাব জয় করল টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া কাপের তুলনায় বিশ্বকাপের মর্যাদা যে অনেকটাই বেশি, সেটা আর আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। ফলে গোটা বিষয়টা নিয়েই ক্রিকেট বিশ্বে এখন রীতিমতো হাসাহাসি শুরু হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে  তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বর্ধমানে পরিবর্তন যাত্রায় (Parivartan Yatra) অংশগ্রহণ করেন। মমতার শাসনে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির ইস্যু মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এই নিয়ে বিজেপি এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্ধমানের একটি সভা থেকে উত্তরপ্রদেশের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও ‘বুলডোজার মডেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন বলে পরিবর্তন যাত্রায় একটি মডেলর রূপ দেখানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বুলডোজারে চড়ে পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    র্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ (Sukanta Majumdar)

    যোগী শাসনের প্রসঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে যেভাবে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়েছে, বাংলার প্রেক্ষাপটেও অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ বেছে নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে। যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে অট্টালিকা বানিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই বেআইনি সম্পত্তির ওপর বুলডোজার চালানো হবে। কর্মীরা আবদার করেছিল। কর্মীরা আয়োজন করেছিল, সেজন্য বুলডোজারে চড়ে এসেছি। এ রাজ্যের মানুষ চাইছেন বুলডোজার সরকার। বুলডোজার সরকার অর্থে সেই সরকার সবসময় বুলডোজার চালাবে তা নয়, আসলে সেই সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Parivartan Yatra)  করবে।”

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেছে। তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য মূলত দলের ‘কড়া ইমেজে’র বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে এবং নিজেদের কঠোর প্রশাসনিক মানসিকতা তুলে ধরতেই এই ধরণের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “চাই বিজেপির সরকার। বুলডোজার দরকার। গুঁড়িয়ে দেবে চোর তৃণমূলের সরকার।”

  • LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর ফলে এলপিজি উৎপাদন (LPG Production) ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০ মার্চ সরকারি এক সূত্রেই এ খবর মিলেছে। সূত্রটি জানায়, “প্রতিদিন প্রায় ৬০ লাখ সিলিন্ডার এলপিজি বিতরণ করা হচ্ছে, যা আগের মতোই রয়েছে। দেশের কোনও এলপিজি পরিবেশকের কাছে সরবরাহের ঘাটতি নেই। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, তা এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে (India)।”

    আরও বেশি এলপিজি কার্গো (LPG Production)

    সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে তেল বিপণন সংস্থাগুলি রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। সূত্রটির বক্তব্য, “এটি মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়। কমিটি এখন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করবে।” সরকারি সূত্র আরও জানায়, “আমরা এখন আরও বেশি এলপিজি কার্গো পাচ্ছি। অন্যান্য দেশ থেকেও এলপিজি এবং এলএনজি আসতে শুরু করেছে। আগে প্রায় ৪০টি ভিএলসিসি (Very Large Crude Carriers) জাহাজের ঘাটতি ছিল, তার প্রায় অর্ধেক এখন পৌঁছতে শুরু করেছে।” পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই ইউনিটগুলিকে সরবরাহ করা হবে, যেগুলি এলপিজি উৎপাদনে এটি ব্যবহার করে।

    গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার

    এতদিন পর্যন্ত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG) এবং পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা রান্নার গ্যাস—এই দু’টি ক্ষেত্রকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার দেওয়া হত। সোমবার গভীর রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এলপিজিকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে (LPG Production)। এলপিজি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ থেকে উৎপন্ন হয় এবং এটি অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের একটি উপজাত। প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাস পৃথক ও বিশুদ্ধ করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা হয়, যাতে সহজে পরিবহণ ও সংরক্ষণ করা যায়। এই গ্যাস সাধারণত ইস্পাতের সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ঘরবাড়ি ও রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। নতুন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে প্রথমে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ গ্যাস উৎপাদকদের প্রয়োজন পূরণ করা হবে, তারপর অন্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে (India)।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে পর্যালোচনা করেন (LPG Production)। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার এসেনসিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট (EC Act) প্রয়োগ করে দেশীয় জ্বালানি বাজারকে সম্ভাব্য বিঘ্ন থেকে সুরক্ষিত করতে পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) জানায়, মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো এবং গৃহস্থালি গ্রাহক ও গুরুত্বপূর্ণ অ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করেছে।

    অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ

    বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহস্থালি গ্রাহকদের পাশাপাশি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য সরবরাহ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে তেল বিপণন সংস্থার তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে (LPG Production)। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, “অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে (India)।” তিনি আরও বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং পরিশোধিত তেল রফতানি বন্ধ করা হবে না। অন্যান্য দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর বাইরে থেকে আমদানি এখন ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১০ দিন আগেও ছিল ৫৫ শতাংশ। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালেও ভারতীয় রিফাইনারিগুলি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে।”

    এলপিজি খরচ

    প্রসঙ্গত, ভারতে বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ গৃহস্থালি খাতে, অর্থাৎ রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ-সহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় (LPG Production)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পথ দিয়েই ভারত তার প্রায় ৮৫–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করত, মূলত সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে (India)।

  • Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ। কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে একথাই বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া যাবে না। এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি জানান, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি (Gyanesh Kumar)

    এসআইআরের লক্ষ্য হল, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করা। তিনি জানান, কিছু ভোটার রয়েছেন, যাঁদের রাজনৈতিক দলগুলি বোঝাতে পারেনি যে যাঁদের নাম নেই, তাঁরা ফর্ম ৬ পূরণ করতে পারেন এবং ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন। তাঁর দাবি, সেই কারণেই এই সংঘাত। তিনি জানান, কোনও ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেবে। কমিশন জানিয়েছে, দু’ঘণ্টা অন্তর প্রিসাইডিং অফিসাররা জানাবেন ভোটদানের (Assembly Election 2026) হার। এটি আপলোড করা হবে ইসিআইনেট অ্যাপ এবং কমিশনের সাইটে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ইভিএমে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেওয়া থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    প্রতিটি বুথে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থাও। কোনও বুথে ১২০০-এর বেশি ভোটার থাকবে না। বুথের বাইরে করা হবে মোবাইল রাখার জায়গা। সেখানে মোবাইল রেখে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। জ্ঞানেশ কুমার জানান, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। বয়স্ক ভোটারদের কথা মাথায় রেখে সব ভোটকেন্দ্র হবে একতলায়। ব্যবস্থা থাকবে হুইল চেয়ার এবং র‌্যাম্পেরও। বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। ৮৫ বছরের বেশি যাঁদের বয়স, তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বাড়ি থেকে (Gyanesh Kumar)।

    পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান (Assembly Election 2026), সব অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করুন। কোনও সরকারি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি জানান, কত দফায় ভোট হবে, তা জানানো হবে আলোচনার পর। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যুব সম্প্রদায়কে ভোটদানে উৎসাহিত করতে কমিশন প্রচার করবে রাজ্যের কলেজগুলিতে। তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় ক্যাম্পেন করবেন বিশেষ অফিসাররা (Gyanesh Kumar)। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক্-স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।”

    প্রসঙ্গত, এদিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিংহ সান্ধু। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী (Assembly Election 2026) আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও। সূত্রের খবর, কমিশন এ রাজ্যে ভোটের ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই জানানো হবে ভোটের নির্ঘণ্ট (Gyanesh Kumar)।

     

  • SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মামলায় কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট ৷ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, যেসব আবেদন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাতিল হয়েছে, সেই আপিল শুনতে একটি বিশেষ অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে ৷ আর এই ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে থাকবেন একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং কয়েকজন প্রাক্তন বিচারপতি। একই সঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশনে বিরক্তিও প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আগাম পিটিশন ভুল বার্তা

    মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে বললেন, আগাম পিটিশন ভুল বার্তা দেবে। একইসঙ্গে আইনজীবী তথা তৃণমূলের সদ্য জয়ী রাজ্যসভার সাংসদ গুরুস্বামীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আগাম পিটিশনের মাধ‍্যমে বার্তা যাচ্ছে, আপনারা সিস্টেমে ভরসা রাখতে পারছেন না।” পিটিশন ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যও গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর কথায়, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১০ লক্ষ কাজ হয়ে গিয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না, আমি কড়াভাবে বলছি।” এর পরই ‘সুপ্রিম’ ভরসা দিয়ে তিনি বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসাররা কাজ করছেন। যাঁরা জেনুইন, তাঁদের যুক্ত করা হবে।” রাজ্যের নতুন আবেদনে বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই পিটিশন প্রিম‍্যাচিওর।” পিটিশন প্রত্যাহার করে নিতে গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানান, ভোটের আগে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন অবশ্য বলে, “আমরা প্রয়োজনে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অবমাননার নোটিস দিতে পারি। যে পরিস্থিতি এসেছে, তাতে আমরা সব পক্ষকে সন্দেহের আওতায় রাখছি।” সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা অমীমাংসিতের তালিকা খতিয়ে দেখছে। এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, “রাজ‍্য ও নির্বাচন কমিশনকে সবরকমভাবে জুডিশিয়াল অফিসারদের সাহায‍্য করতে হবে। যখন জুডিশিয়াল অফিসারদের লগ-ইন আইডি লাগবে, তখনই ইসিআইকে তার ব‍্যবস্থা করে দিতে হবে।”

    একাধিক নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    রাজ্যের এসআইআর মাময়ায় একাধিক নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত ৷ প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি মহাদেবনের বেঞ্চ এদিন নির্দেশে জানিয়েছেন, ১০ লক্ষের বেশি নামের নিস্পত্তি হয়ে গেলেও অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে ৷ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সিতে নিস্পতি হওয়া ভোটারদের অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের বিষয়ে কমিশন এবং রাজ্য দু’পক্ষই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাতে পারবে ৷ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে; তাঁদের বিষয়ে আপিল জানাতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বা অন্যান্য বিচারপতি বা পাশ্ববর্তী রাজ্যের হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে বেঞ্চ গঠন করতে ৷ বেঞ্চ এ বিষয়ে নিস্পত্তি করবে ৷ বেঞ্চে কতজন করে সদস্য থাকবে, তা স্থির করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ৷ এদের নিয়োগের সমস্ত খরচ নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে ৷ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হবে নির্বাচন কমিশন ৷

  • BrahMos Deal: দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংকে রোখাই উদ্দেশ্য! ভারত থেকে ব্রহ্মস কিনছে ইন্দোনেশিয়া, চুক্তি স্বাক্ষর

    BrahMos Deal: দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংকে রোখাই উদ্দেশ্য! ভারত থেকে ব্রহ্মস কিনছে ইন্দোনেশিয়া, চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে প্রায় এক দশক ধরেই কাজ করছে ভারত। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি কমিয়ে, দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র উৎপাদন হচ্ছে বলে বারবার জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শুধু অস্ত্র তৈরিতে স্বনির্ভরতাই নয়, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানিতেও মোদি সরকারের আমলে কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে ভারত। অস্ত্রের বাজারে বাড়ছে ভারতের ‘ব্রহ্মস’ সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা। এ বার ভারতের থেকে সেই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয় চূড়ান্ত করে ফেলল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র রিকো রিকার্ডো সিরাইত জানিয়েছেন, ‘ব্রহ্মস’ কেনার ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছে ইন্দোনেশিয়া।

    ২০ থেকে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি

    এক সূত্রের দাবি, ২০ থেকে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি সই হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। যদিও রিকো এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি। রিকার্ডো জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে এই চুক্তি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বিশেষত সমুদ্রপথে আধুনিকীকরণের অংশ। রিকার্ডো সিরাইত জানিয়েছেন ব্রহ্মস কেনা নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি তাঁদের সমরাস্ত্র সম্ভার ও প্রতিরক্ষা শক্তিকে সমৃদ্ধ করবে। তাঁর কথায়, এই চুক্তিটি ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর সামরিক হার্ডওয়্যার এবং প্রতিরক্ষা ক্ষমতার আধুনিকীকরণের অংশ। যদিও তিনি চুক্তির মোট মূল্য জানাতে রাজি হননি। ব্রহ্মস এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এর আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও একটি দেশ ‘ব্রহ্মস’ নিয়ে চুক্তি করে ভারতের সঙ্গে। ২০২২ সালে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ৩৭ কোটি ৪০ লক্ষ আমেরিকার ডলারের চুক্তি হয় ভারতের। ২০২৪ সালে সেই ডেলিভারিও হয়ে যায়। যা পাওয়ার পর ফিলিপিন্স সেনার তরফে ভারত থেকে আগামী দিনে আরও এমন সমরাস্ত্র কেনার কথা জানানো হয়েছিল। এবার ফিলিপিন্সের পর ইন্দোনেশিয়া হল দ্বিতীয় দেশ যারা ভারত থেকে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি করল।

    প্রচণ্ড গতি সম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র

    ব্রহ্মস একটি সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। যা ভারতীয় সমরাস্ত্রের অন্যতম ভরসা। ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং রাশিয়ার এনপিও মাশিনোস্ট্রোয়েনিয়ার যৌথ উদ্যোগে গঠিত। ব্রহ্মস নামটি দু’টি নদীর নাম থেকে তৈরি ব্রহ্মপুত্র (ভারত) এবং মস্কোভা (রাশিয়া)। এটি শব্দের প্রায় ২.৮ থেকে ৩ গুণ গতিতে ভ্রমণ করে। যার ফলে বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব। এখানে বলে রাখা দরকার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হল এমন এক ক্ষেপণাস্ত্র যা মাটির কাছাকাছি দিয়ে উড়ে যায়। প্রচণ্ড গতি সম্পন্ন। মাটির কাছ দিয়ে ওড়ায় তাকে রেডারে ধরা মুশকিল। রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি নয়াদিল্লির ‘ব্রহ্মস’ সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি মূল শ্রেণি রয়েছে। যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং স্থলে থাকা লঞ্চার থেকে একে শত্রুর উপর ছুড়তে পারে সেনা। এর নির্মাণকারী সংস্থার নাম ‘ব্রহ্মস এরোস্পেস লিমিটেড’। ক্ষেপণাস্ত্রটি সাধারণ বোমা থেকে পারমাণবিক বোমা নিয়ে উড়ে যেতে পারে। এটি ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ নীতিতে কাজ করে যার সার্কুলার এরর প্রবাবিলিটি (CEP) মাত্র ১ মিটার। এর পাল্লা ২৯০ কিমি। যা ৪৫০ থেকে ৮০০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

    কেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি ‘ব্রহ্মস’-এ আগ্রহী

    কেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি তাদের অস্ত্রভান্ডারে ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র রাখতে চাইছে? দক্ষিণ চিন সাগরের একটি কাল্পনিক সামুদ্রিক রেখা হল বেজিংয়ের ‘নাইন-ড্যাশ লাইন’। এই রেখার মধ্যে পড়ছে একাধিক দ্বীপ এবং দেশ। কাল্পনিক রেখাটির উপরে থাকা সমস্ত এলাকাকেই নিজেদের বলে দাবি করে বেজিং। ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের সঙ্গে চিনের সীমান্ত সংঘাত লেগেই থাকে। এই পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য ভারতের ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকর হবে বলে মনে করছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সেনাকর্তারা। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে চার দিনের যুদ্ধর সময় “অপারেশন সিঁদুর”-এ ভারত ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকরভাবে ব্যবহার করেছিল বলে সূত্রের দাবি।

    অনেকদিন ধরেই চলছে পরিকল্পনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্দোনেশিয়া সম্ভবত ব্রহ্মসের নৌবাহিনীর সংস্করণে আগ্রহী। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মুহাম্মদ আলি (Muhammad Ali) ভারতে এসে ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেসের কারখানা পরিদর্শন করেন। এর আগে ২০১৮ সালেই ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেসের একটি দল সুরাবায়ার শিপইয়ার্ডে গিয়ে ইন্দোনেশিয়ার যুদ্ধজাহাজে এই ক্ষেপণাস্ত্র বসানো সম্ভব কি না তা পরীক্ষা করে দেখেছিল। এছাড়া ভারত ইন্দোনেশিয়াকে আরও কয়েকটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে, যেমন— উপকূলীয় প্রতিরক্ষা রেডার, সামুদ্রিক যানের ইস্পাত, রুশ নির্মিত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান সার্ভিসিং।

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত

    এক সময়ে ভারত অস্ত্র বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের আমদানিতে প্রথম সারিতে ছিল। মূলত রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল ছিল ভারত। হেলিকপ্টার, ব্রহ্মস মিসাইল, সাবমেরিন, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রাশিয়া থেকে পেয়েছে ভারত। রাশিয়াকে বাদ দিলে ফ্রান্স থেকেও বিপুল পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে ভারত। সম্প্রতি আমেরিকা থেকেও অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে ভারত। তবে গত এক দশকে আমদানির ছবিটা ক্রমশ বদলে গিয়েছে। এই সেক্টরে ক্রমশ আমদানি কমিয়েছে ভারত। গত এক দশকে অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি প্রায় ৩০ গুণ বাড়িয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোগানে ভর করে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ভারত ক্রমশ ‘আত্মনির্ভর’ হয়ে উঠছে দেশ। একসময়ে বিশ্বের উন্নত দেশগুলির অস্ত্রের জন্য মুখাপেক্ষী থাকা ভারত বর্তমানে বিশ্বের ৯০টি দেশকে অস্ত্র বিক্রি করছে। বেসরকারি অর্থানুকুল্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনও বাড়ছে দ্রুত গতিতে। মূলত আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি ভারতীয় অস্ত্রের ক্রেতা। ফিলিপিন্সের সঙ্গে সম্প্রতি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের চুক্তি করেছে ভারত।

LinkedIn
Share