Agnipath Scheme: নেপালি এবং গোর্খাদেরও সেনায় নিয়োগ করা হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে

Agnipath

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) সাতটি গোর্খা রেজিমেন্টে (Gorkha regiment) নেপালিদের (Nepali) এবং গোর্খাদের অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। অগ্নিপথ প্রকল্পের ভারতীয় সৈন্যদের নিয়োগের শর্ত এখানেও মানা হবে। অন্যান্যদের মতো নেপালিদেরও চার বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে, যার পরে ২৫ শতাংশ সেনাকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য রাখা হবে। নিয়োগের তারিখ নির্ধারণের জন্য ভারতীয়, নেপাল ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মধ্যে আলোচনা চলছে। নেপাল থেকে গোর্খাদের নিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এবং উত্তর প্রদেশের গোরখপুরে অবস্থিত দুটি গোর্খা রিক্রুটমেন্ট ডিপো (GRD)-এর মাধ্যমে হবে।

আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা  
 
ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টের ৪৩ ব্যাটালিয়নে নেপালের আবাসিক এবং ভারতের সৈন্য রয়েছে। এই রেজিমেন্টে ৬০% নেপালিদের নেওয়া হয়, বাকি ভারতীয়দের নেওয়া হয়ে থাকে। উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, দার্জিলিং, আসাম এবং মেঘালয় থেকে গোর্খাদের নিয়োগ করা হয় এই রেজিমেন্টে। ভারতীয় গোর্খাদের নিয়োগ এই রাজ্যগুলিতে অবস্থিত আর্মি রিক্রুটমেন্ট অফিসের (ARO) মাধ্যমে করা হয়।

আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

ভারত, নেপাল এবং ব্রিটেনের সেনাবাহিনী প্রথমে নিয়োগ সমাবেশের তারিখ নির্ধারণ করে। এই বিশেষ দিনে, তিনটি সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা নেপালের একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি লিখিত এবং শারীরিক পরীক্ষা পরিচালনা করে। এক সূত্র জানিয়েছে, “ধরা যাক, ১০০ জন প্রার্থী সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন এবং ব্রিটিশরা ২০, ভারত ৪০ এবং নেপাল সেনা ৫০ চায়। শীর্ষ ২০ জন নিয়োগপ্রাপ্তদের ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের পছন্দ দেওয়া হয়। এদের বেতন এবং ভাতা সর্বোচ্চ। পরবর্তী লট ভারত নেয় ভারত। ভারত নেপাল সেনাবাহিনীর ২.৫ গুণ বেতন ও ভাতা দেয়। ভারতীয়-আবাসিক গোর্খাদের নিয়োগের সময় সেনাবাহিনীকে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। নেপাল থেকে গোর্খা রেজিমেন্টে যথেচ্ছ নিয়োগ হয়। একবার নেপালি সৈন্যরা ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করলে, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলি তাদের পুলিশ বাহিনীতে কাজ করার জন্য অবসরপ্রাপ্তদের নিযুক্ত করে। যারা ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং পরিষেবা দিয়েছে তাঁদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সমস্যা হয় ভারতীয়-আবাসিক গোর্খাদের নিয়ে। সম্প্রতি ভারতীয়দের জন্য সংরক্ষিত ৪০ শতাংশের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশের ঘাটতি লক্ষ্য করেছে সেনাবাহিনী। এই ঘাটতি পূরণের জন্যে সেনাবাহিনীতে কুমাওনি এবং গাদওয়ালীদের নিয়োগ শুরু হয়েছে। যদিও এটা কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। সেনাবাহিনীর ধারনা, যখন গোর্খারা দেখবে তাদের কোটা অন্যদের কাছে যাচ্ছে তাহলে গোর্খারা সেনায় যোগদানের বিষয়ে আরও আগ্রহী হবে।     

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share