SSC Scam: উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

Calcutta_highcourt

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ (SSC Scam) দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। কর্মশিক্ষায় অতিরিক্ত ৭৫০ জনের নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন তিনি। পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি। পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর।

কী বলল হাইকোর্ট

মঙ্গলবার কর্মশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ (SSC Scam) দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আপাতত দু’দিনের জন্য এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি। হাই কোর্টের নির্দেশ, কোনও চাকরিপ্রার্থীকে এখনই সুপারিশপত্র দিতে পারবে না এসএসসি। আজ সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা বীরসা মুন্ডার জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। তাই এদিন অফিস বন্ধ, ফলে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রশ্ন নেই, এমনটাই জানিয়েছে পর্ষদ। এদিন শুনানির সময়, কীভাবে ওয়েটিং লিস্ট তৈরি হয়েছে? তা পর্ষদের কাছে জানতে চায় আদালত।   

আরও পড়ুন: টেট চাকরিপ্রার্থীকে কামড়-কাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা

মামলার বিষয়

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় রাজ্য স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। পরে ২০১৭ সালের জুন মাসে শুধু মাত্র কর্মশিক্ষা বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। ২০১৮ সালে পার্সোনালিটি টেস্ট নেওয়া হয়। ১৪ অক্টোবর অতিরিক্ত শূন্য পদ তৈরি করে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ৩ নভেম্বর কাউন্সেলিংয়ের তারিখ জানায় এসএসসি। ১০ ও ১১ নভেম্বর ওয়েটিং লিস্টে থাকা প্রার্থীদের কাউন্সেলিংয়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই আদালতের দ্বারস্থ হন সোমা রায় নামে এক চাকরি প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ,  তিনি তফসিলি জাতিভুক্ত। পরীক্ষা এবং পার্সোনালিটি টেস্ট মিলিয়ে ৭২ নম্বর পেয়েছেন। কিন্তু ‘অ্যাকাডেমিক স্কোরে’ ২২-এর পরিবর্তে তাঁকে ১৮ নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সোমার। হাই কোর্টে সোমার দাবি, তিনি লিখিত পরীক্ষায় ৫৪ পেয়েছেন। অ্যাকাডেমিক স্কোরে ২২ পাওয়ার পর তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৭৬ হওয়ার কথা। কিন্তু তাঁকে দেওয়া হয়েছে ৭২ নম্বর। পাশাপাশি পার্সোনালিটি টেস্টের নম্বরও যোগ করা হয়নি। তাই ৩ নভেম্বর প্রকাশিত ওয়েটিং লিস্টে তাঁর নাম নেই। 

বিচারপতির বক্তব্য

মঙ্গলবার, এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (SSC Scam) শুনানির সময়, বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, ‘‘প্রতিটি নাম ধরে ধরে দেখতে চাই, কী ভাবে এই নিয়োগ হল। কমিশন জানে তারা স্বচ্ছ নয়। কী বিশেষ যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই হয়েছে, তা পর্ষদকে বিশদে জানাতে হবে।’’

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share