Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি, এই প্রথম কোনও ধর্মস্থানের জন্য এমন উদ্যোগ

    Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি, এই প্রথম কোনও ধর্মস্থানের জন্য এমন উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম কোন ধর্মীয় স্থানের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। বদলের বাংলায় কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Temple) সুরক্ষায় বেনজির পদক্ষেপ। কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত লালবাজারের (Lalbazar)। বৃহস্পতিবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দ। শুধু মন্দির চত্বর এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেন আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি

    কথায় বলে , ‘কালী কলকাত্তাওয়ালি’। আর কলকাতাকে মা কালীর শহর করে তুলেছে কালীঘাট মন্দির। সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম কালীঘাট। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে কালীঘাট মন্দিরের অসামান্য মাহাত্ম্য রয়েছে। এই মন্দিরের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। বাইরে থেকে কলকাতায় এলে একবার অন্তত কালীঘাট মন্দির দর্শন প্রায় সবাই করেন। পীঠ মাহাত্ম্য অনুসারে কালীক্ষেত্র কলকাতার বারাণসীর সমতুল। ভক্তদের বিশ্বাস কলকাতার অভিভাবক রূপে কালীঘাটে বিরাজ করছেন মা কালী। সোম থেকে রবি, প্রতিদিনই এই মন্দিরে থাকে উপচে পড়া ভিড়। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অতীতে কালীঘাট মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন নিরাপত্তাগত ঝুঁকি দেখা গিয়েছে। সেকারণেই ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত। পুলিশকর্মীরা মন্দিরের নিরাপত্তার পাশাপাশি ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছ্যন্দের দিকটাও দেখবেন।

    জঙ্গিদের নিশানায় কালীঘাট মন্দির!

    কলকাতা পুলিশের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা মাথায় রেখে পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মন্দির চত্বরে নাশকতা এবং জঙ্গি হামলার আশঙ্কার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যে একাধিক বিদেশি জঙ্গির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত কোনও জঙ্গি মডিউল কি তাহলে বাংলার ধর্মস্থানগুলিকে টার্গেট করছে? কলকাতা পুলিশের পদক্ষেপে সেই প্রশ্নও জোরাল হচ্ছে।

    কতজন পুলিশকর্মী থাকবেন ফাঁড়িতে

    কলকাতা পুলিশের তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, একজন ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে ২০ জন পুলিশকর্মী থাকবেন কালীঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে। তার মধ্যে দু’জন সাব ইনস্পেক্টর (এসআই) বা সার্জেন্ট পদমর্যাদার। তা ছাড়াও আট জন কনস্টেবল এবং পাঁচ জন মহিলা কনস্টেবল থাকবেন। কালীঘাট থানার আওতায় থাকবে কালীঘাট পুলিশ ফাঁড়ি। একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (এসিপি) পুলিশ ফাঁড়ির প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) বা ডিসি সাউথ সমস্ত দিকটা দেখভাল করবেন।

  • Weather Update: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটাবে বৃষ্টি! কলকাতার পাশ দিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ নিম্নচাপের, জেলায় জেলায় লাল সতর্কতা

    Weather Update: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটাবে বৃষ্টি! কলকাতার পাশ দিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ নিম্নচাপের, জেলায় জেলায় লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিপাতের (Rain in Bengal) পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু তা হয়নি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি শুক্রবার সকালে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করতে চলেছে। নিম্নচাপ কিছুটা সরে যাওয়ায় শুক্রের সকালে কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। স্বাধীনতা দিবসের সকালেও হতে পারে হালকা থেকে ভারী বর্ষণ। আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোনোর পথে নিম্নচাপের জেরেই শুক্রবার কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় ধেয়ে আসছে মুষলধারে বৃষ্টি।

    শহরে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের একটি বড় অংশে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০ সেন্টিমিটার ছাপিয়ে ‘চরম ভারী’ আকার ধারণ করতে পারে। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নিম্নচাপের গতিপথ কলকাতার অতি নিকটে হওয়ায় শহরে বৃষ্টির তীব্রতায় ওঠানামা দেখা যাবে। এই পরিস্থিতিতে জরুরি দরকারে যাঁরা বাইরে বেরোবেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় তাঁদের গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি ও পুরানো বা দুর্বল নির্মাণ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, নিম্নচাপের গতিপথ শেষ মুহূর্তে কিছুটা বদলে যাওয়াতেই কলকাতায় পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টি হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ উপগ্রহচিত্র ও রাডারে দেখা যায়, নিম্নচাপের মূল অংশ কলকাতার উপর দিয়ে এগোচ্ছে। কিন্তু পরে সেটি আচমকাই দক্ষিণ-পশ্চিমে সরে যায়। ফলে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির বলয় থেকে বেরিয়ে যায়। বিপরীতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। তবে এ দিন নিম্নচাপটি কলকাতার খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করায় শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপের গতিপথের একেবারে কাছে থাকায় কলকাতায় বৃষ্টির তীব্রতাও বাড়তে পারে।

    দক্ষিণের জেলাগুলিতে দুর্যোগের কালো মেঘ

    শুক্রবারের জেলাভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝাড়গ্রামের কিছু অংশে ভারী (৭–১১ সেমি) থেকে অতিভারী (৭–২০ সেমি) বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির (৭–১১ সেমি) সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে; অন্য জেলাগুলিতে ঝড়ের গতি থাকবে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। আগামী কাল, শনিবারও পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা থাকছে। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় রয়েছে কমলা সতর্কতা। এই জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ভিজবে উত্তরবঙ্গও, পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ারও পারদ চড়ছে। আজ পাহাড়ি জেলা দার্জিলিঙে তুমুল বৃষ্টির বিশেষ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তেমনই উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলি যেমন জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির আবেশ বজায় থাকবে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও দিনভর দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলবে। ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে মালদা, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায়।

  • Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উদ্যোগে শ্যামাপ্রসাদকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তৈরি হয়েছে বিশেষ কমিটি। বৃহস্পতিবার সেই কমিটির প্রথম বৈঠক ছিল। তাতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ঐতিহাসিক অবদান, রাষ্ট্রবাদী দর্শন ও দেশপ্রেমকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বছরভর একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। নিউ টাউনের ইকো পার্কে (Eco Park) ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি ও সংগ্রহশালা নির্মাণ, পৈতৃক ভিটে সংস্কার, বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে তাঁর ইতিহাস অন্তর্ভুক্তি এবং স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ—রাজ্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কমিটির প্রথম বৈঠকেই চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেল এই সব প্রকল্প।

    নতুন প্রজন্মের সামনে শ্যামাপ্রসাদ

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সভাগৃহে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক প্রতিনিধি, মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আমলা ও আধিকারিকেরা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক দফতরের প্রতিনিধি এবং রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়-সহ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি ও আদর্শের সঙ্গে যুক্ত বহু চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গ। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদের জীবন ও রাজনৈতিক ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, দেশ ও সমাজের প্রতি অবদান এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

    হিডকো-কে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি নির্মাণের অনুমতি

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিউ টাউনের ইকো পার্কে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি বসানোর জন্য ইতিমধ্যে জমি নির্বাচন ও ভূমিপূজন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে হিডকো (HIDCO)-র তরফে একটি বিশেষ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত মূর্তি, মিউজিয়াম এবং আনুষঙ্গিক পরিকাঠামোর পুরো রূপরেখা ও নকশা কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। আগামী ৬ জুলাই যাতে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা যায়, সে কথা মাথায় রেখে হিডকো-কে অবিলম্বে নির্মাণকাজ শুরু করার প্রশাসনিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের লাইব্রেরি

    হুগলির জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের (Shyamaprasad Mukherjee) পৈতৃক ভিটেতে রাজ্য সরকারের কেনা ৩০ ডেসিমেল জায়গায় জোড়া প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। সেখানে তৈরি হতে চলেছে ‘স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়’-এর নামাঙ্কিত একটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন লাইব্রেরি এবং একটি সুসজ্জিত সংগ্রহশালা।

    প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদ

    নতুন প্রজন্মকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গঠন ও স্বাধীন ভারতের উন্নয়নে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা চেনাতে বড় পদক্ষেপ করছে স্কুল শিক্ষা দফতর। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সিলেবাসে শ্যামাপ্রসাদের অবদান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন ভারতে প্রথম শিল্প ও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ভাবনা, গঠনমূলক চিন্তাধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিত ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে পাঠ্যসূচিতে। তাঁর আত্মবলিদান পড়ানো হবে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বস্তরে।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রকাশ পাবে দুটি বিশেষ গ্রন্থ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি বই প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের সক্রিয় উদ্যোগে রামকৃষ্ণ মিশনের একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপি যৌথ ভাবে সরকারি উদ্যোগে মুদ্রণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতকে নোডাল এজেন্সি করে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুস্তিকা প্রকাশের জন্য বিশেষ কমিটি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষ, গবেষক, ইতিহাসবিদ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাছ থেকে পরামর্শ ও প্রস্তাব সংগ্রহের জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ১৫ থেকে ৩০ দিনের সময়সীমায় যে কেউ সেখানে নিজেদের প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে রাজনীতি

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উজ্জ্বল জীবনী ও তাঁর আত্মবলিদান এতদিন প্রচারের আলোয় আনা হয়নি। এর নেপথ্যে রাজনীতি হয়েছে। কিন্তু এবার বঙ্গে বিজেপি সরকার আসায় ‘ভারত কেশরী’র অবদানকে প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এবছরটা তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী। তাই বছরভর উদযাপনের সুদীর্ঘ পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে বৃহস্পতিবার শ্যামাপ্রসাদ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি বৈঠকে বসে। শুভেন্দু জানান, স্বাধীনতা আন্দোলন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠা, কাশ্মীর নীতি এবং স্বাধীন ভারতের পরিকাঠামো গঠনে শ্যামাপ্রসাদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা স্মরণ করার মাধ্যমেই ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ ও ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর স্বপ্নপূরণে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

     

     

     

     

  • NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (NRS) কর্মরত নার্সের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয় রূপালি বর্মণের। প্রাথমিকভাবে তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন (Nurse Death) মেলেনি। কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। তাই অনুমানের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধরে নিয়ে তদন্ত এগোতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশ। পরিবারের দাবি মেনে রূপালির দেহের ময়নাতদন্ত হচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে করা হচ্ছে।

    হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী (NRS)

    বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি মৃত নার্সের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ওয়ার্ডের রোগী এবং অন্য কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। কয়েক ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বামী ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওঁরা চেয়েছিলেন, তাই মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হবে। আমার ফোন নম্বর বাড়ির লোককে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও ঘটনারই তদন্ত হবে, আলাদা কিছু নয়। কেউ কোনও সন্দেহ করছেন না।”

    তদন্ত কমিটি

    জানা গিয়েছে, সাতটি বিভাগের প্রধানকে নিয়ে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। নার্সিং, স্ত্রীরোগ-সহ সংশ্লিষ্ট সাতটি বিভাগের প্রধানরা কমিটিতে থাকবেন। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে রূপালি কোনও ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। মানসিক বিভাগের প্রধানকেও তদন্ত কমিটিতে রাখার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালে ময়নাতদন্ত না করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে কেন ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “মৃত মহিলার স্বামী চেয়েছেন, তাই করা হচ্ছে। এ নিয়ে কোনও কথা নয়। তিনটের মধ্যে ময়নাতদন্ত শুরু হবে। বিভাগীয় তদন্তও করা হবে।”

    পুলিশ দেখবেন পুলিশ

    বুধবার নাইট শিফটে ছিলেন রূপালি। স্ত্রীরোগ বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর আর খোঁজ মিলছিল না। সহকর্মীরা খোঁজ করতে গিয়ে বাথরুমের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। ভিতর থেকে কোনও সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে রূপালিকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতালের তরফে খবর দেওয়া হয় তাঁর পরিবারকে। রূপালির আচরণ নিয়ে সহকর্মীদের বক্তব্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সহকর্মী ও রোগীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তিনি হাসিখুশি স্বভাবের ছিলেন। রূপালির আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মীরাও। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সকলেই বলেছেন, উনি খুবই হাসিখুশি ছিলেন। কী হয়েছে হঠাৎ, তদন্ত করে তা খুঁজে দেখা পুলিশের কাজ। তাঁরা বিষয়টি দেখবেন (NRS)।”

    তদন্তে সব সম্ভাবনাই!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার খবর পেয়ে বুধবারই হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পরে এন্টালি থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের হত্যাকাণ্ড শাখার তদন্তকারী দলও সেখানে যায়। প্রাথমিক তদন্তে রূপালির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হয়নি কোনও সুইসাইড নোটও। তাই আত্মহত্যার সম্ভাবনা সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে না পুলিশ। রূপালির বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। বছরখানেক আগে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। স্বামী রাহুল দাসের সঙ্গে দমদম থানা এলাকায় থাকতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Nurse Death), ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, পুলিশের তদন্ত এবং (NRS) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট—এই তিন দিকের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।

     

  • TMC: আরজি করকাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

    TMC: আরজি করকাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (TMC) তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। সম্প্রতি এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তাঁর পাশাপাশি আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধেও শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নতুন করে মামলা দায়ের (TMC)

    গত রবিবার আরজি করের নিহত  চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির লোকসংস্কৃতি ভবনে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। স্মরণসভা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন, ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী কমিটি গঠন করা হবে। নতুন করে মামলা দায়ের করে সেই মামলার ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর পরের দিন, সোমবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে নিহত চিকিৎসকের বাবা নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, তথ্যপ্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।

    শ্মশানে দেহ সৎকারের ঘটনা

    আরজি করকাণ্ডের পর ঘোলা থানার নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে দেহ সৎকারের ঘটনাকে ঘিরে আগেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। ওই ঘটনায় নির্মল ছাড়াও সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে (TMC)। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্যাতিতার দেহ সৎকারের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে তৎপরতা দেখানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, সৎকারের তালিকায় দেহটির ক্রম ছিল তিন নম্বরে। কিন্তু রাতারাতি সেই ক্রম বদলে এক নম্বরে করে দ্রুত দেহ সৎকার করা হয়। এমনকী শ্মশানের নির্ধারিত খরচও পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। মৃতার পরিবারের কোনও নিকটাত্মীয়ের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে (Nirmal Ghosh)।

    সৎকারের প্রক্রিয়ায় নিয়ম ভাঙা হয়েছিল!

    এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই দিনের ঘটনাক্রম, শ্মশানে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সৎকারের প্রক্রিয়ায় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন (TMC)। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই নির্মলের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার ঠিক এক মাসের মাথায় গ্রেফতার হলেন নির্মল স্বয়ং। তবে তীর্থঙ্করের গ্রেফতারির কারণ ছিল ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলা। আর আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে নির্মলকে (TMC)।

     

  • Annapurna Yojana: আগামী ১৭ তারিখ থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা! এক বাড়িতে একাধিক জন কি পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা?

    Annapurna Yojana: আগামী ১৭ তারিখ থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা! এক বাড়িতে একাধিক জন কি পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা মিলবে ১৭ অগাস্ট থেকে। যোগ্য প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে আসবে ৩০০০ টাকা, ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, কারা টাকা পাবেন না, অভিযোগ থাকলে কোথায় ও কীভাবে জানাবেন, তাও জানিয়ে দিলেন তিনি। এবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়মও শিথিল করেছে রাজ্য সরকার। উদ্দেশ্য একটাই, যাতে আরও মহিলা এই আর্থিক যোজনার সুবিধা পান। তিনি এটাও জানিয়েছেন যে এখনও ভেরিফিকেশন চলছে। আর যাঁদের নাম ভেরিফায়েড হয়ে যাবে, তাঁরা আগামীতেও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেতে থাকবেন।

    কারা কারা এই টাকা পাবেন

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari on Annapurna Yojana) বলেন, “আমাদের যাঁরা যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন তাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে, আগেই বলা আছে। কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের কোনও বিধিবদ্ধ সংস্থা বা সরকারি আন্ডার টেকিং, পঞ্চয়েত বা পৌরসভা, সরকারি বা সরকারি সাহাজ্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানএর শিক্ষক বা শিক্ষকর্মী, স্থানীয় সরকারি চাকরিতে যুক্ত বা পেনশন পান; এঁরা এর মধ্যে থাকবেন না।” তবে এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও বলেন, “যে পরিবার আয়কর দেয়, অর্থাৎ আয় বছরে ১২ লক্ষ টাকা সেই পরিবার এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন না। এবং যে মহিলা নিজে ১০ হাজার টাকার বেশি উপার্জন করেন, তাকেও এই বিবেচনার মধ্যে প্রাথমিক ভাবে নিয়ে আসা হয়নি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যে পরিবারের পুরুষরা ক্যাজুয়াল বা চুক্তিভিত্তিক কাজ করেন, সেই বাড়ির মহিলারা বিবেচিত হবেন।” যদি যোগ্যতার মাপকাঠি পূর্ণ হয়, তাহলে এক বাড়িতে একাধিক মহিলা টাকা পেতে পারেন। এক্ষত্রে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের একটি পরিবারের একাধিকজন এই যোজনায় আবেদন করতে পারবেন। এরপর সরকার সমস্ত তথ্য যাচাই করার পর টাকা দেওয়ার কথা বিবেচনা করবে।

    অভিযোগ পোর্টাল-এর ব্যবস্থা

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী ১৭ অগাস্ট বিকেলে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা প্রাপকদের সংখ্যা ঘোষণা করবেন। জুলাই মাসে এই ৩ কক্ষের বাড়ি কিংবা জমির পরিমাণ সংক্রান্ত ক্রাইটেরিয়ার কারণে যেসব মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ পাওয়ার থেকে বিরত ছিলেন, অগাস্ট মাসে টাকা দেওয়া হলে তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সুবিধা পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ”৩ কক্ষ বিশিষ্ট বাড়ির ক্ষেত্রে অনেক মহিলার নাম আগে বাদ পড়ে গিয়েছিল। গ্রামীণ ক্ষেত্রে এই ৩ কক্ষের বাড়ির বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকার মহিলারা এবার আরও বেশি সংখ্যায় সুযোগ পাবেন।” এ ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান একটি অভিযোগ পোর্টালও রাখা হবে। তিনি বলেন, “ভেরিফিকেশনে যাঁরা যোগ্য, তাঁদের টাকা ১৭ তারিখ থেকে দেওয়া হবে। এর পরও একটা অভিযোগ পোর্টাল রাখব আমরা। যেখানে যে কেউ আগামীতে অভিযোগ করতে পারবেন। এই অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে আমরা সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

  • ISI agent Rana Rauf: হাবড়ায় ধৃত পাকিস্তানি চর রানার নোটবুকে ৬ পাক এজেন্টের নাম! স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার ছক?

    ISI agent Rana Rauf: হাবড়ায় ধৃত পাকিস্তানি চর রানার নোটবুকে ৬ পাক এজেন্টের নাম! স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে ধৃত সন্দেহভাজন পাকিস্তানি চর রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF)। তদন্তকারীদের দাবি, রানার নোটবুক ও ডায়েরি থেকে অন্তত ৬ জন আন্তর্জাতিক স্তরের পাক এজেন্টের নাম মিলেছে। তাঁদের মধ্যে ৫ জন নেপালের এবং ১ জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সেনা ছাউনি, বিএসএফ ক্যাম্প, গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন, রেলপথ এবং সামরিক পরিকাঠামোর ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে বিদেশে থাকা যোগাযোগকারীদের কাছে পাঠাত রানা। তদন্তকারীদের নজরে এসেছে ফোর্ট উইলিয়ামের ম্যাপ, ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের অভিযোগও। বিএসএফ ও ভারতীয় সেনার গতিবিধি এবং ভারতীয় রেলের নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ।

    মোবাইল ভেঙেও রক্ষা হল না

    তদন্তে উঠে এসেছে, নিজের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনের তথ্য মুছে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল রানা। নেপালে গিয়ে ব্যবহৃত মোবাইলটি ভেঙে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। তবে তার কাছে থাকা দুটি সিমকার্ড নষ্ট করতে পারেনি সে। সেই সিমকার্ড এখন তদন্তকারীদের হাতে রয়েছে। এদিকে রানার নোটবুক ও ডায়েরি পরীক্ষা করতেই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ে। সেখানে কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার নামে পাঁচ ব্যক্তির নাম পাওয়া গিয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রে দাবি। তাঁরা নেপালে অবস্থান করছে বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে থাকা পাভেল নামে আরও এক সন্দেহভাজন পাক এজেন্টের নামও উঠে এসেছে।

    নেপাল হয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার ছক

    তদন্তকারীদের দাবি, কাঠমান্ডুতে একটি গোপন বৈঠকের পর বনগাঁ হয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। হাবড়া থেকে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে নেপালের কাঠমান্ডু যাওয়ার পরিকল্পনাও তার ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের যশোরে পাভেল নামে ওই সন্দেহভাজন এজেন্ট রানার জন্য একটি নতুন মোবাইল নিয়ে অপেক্ষা করছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেই ফোনে পুরনো সিমকার্ড ঢুকিয়ে ফের নেপাল ও পাকিস্তানে যোগাযোগ করার পরিকল্পনা ছিল বলে এসটিএফ-এর অনুমান।

    ‘ওয়াহাব আলম’ পরিচয়ে ভারতীয় নথি

    মঙ্গলবার রাতে হাবড়ার চোংদা মোড় থেকে রানাকে আটক করে এসটিএফ। তপসিয়ার বাসিন্দা ‘ওয়াহাব আলম’ পরিচয়ে নিজের ভারতীয় পরিচয় প্রমাণের জন্য আধার ও ভোটার কার্ডও দেখিয়েছিল সে। কিন্তু তার পরিচয়, এনআরসি এবং নথিপত্র সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হতেই একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ জেরার পর শেষ পর্যন্ত রানা নিজেকে পাকিস্তানি নাগরিক বলে স্বীকার করে বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার কাছ থেকে পাকিস্তানের পাসপোর্টও উদ্ধার হয়েছে। নগদ মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও এক সঙ্গী গ্রেফতার

    রানাকে সাহায্য করার অভিযোগে কলকাতার তপসিয়া এলাকা থেকে মহম্মদ ইজাজ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। তদন্তকারীদের দাবি, কলকাতার পূর্ব দিকের আরও দুই বাসিন্দা রানার চরবৃত্তির কাজে সহযোগিতা করত। তাঁদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, রানা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে নেপালে থাকা যোগাযোগকারীদের কাছে অ্যাপের মাধ্যমে পাঠাত। পরে সেই তথ্য পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার আশঙ্কা?

    রানাকে ঘিরে তদন্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ১৫ অগাস্টকে কেন্দ্র করে। বারাসত আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রসেনজিৎ রানা জানিয়েছেন, স্বাধীনতা দিবসের দিন নাশকতার কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আদালতে সরকারি পক্ষের তরফে এমন আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে। তদন্তকারীদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, রানার মোবাইলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার একাধিক নম্বর ছিল। ওই নম্বরগুলির সঙ্গে চ্যাটও হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেফতারের আগে বহু চ্যাট এবং নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবীর দাবি, দুই পাকিস্তানি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে ভারতে ঢুকে কলকাতায় অবস্থান করছিল বলে তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে। তাঁদের গতিবিধির মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানও ছিল। মুছে দেওয়া নথি ও ডিজিটাল যোগাযোগের তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সন্ধানে তদন্ত

    রানার নোটবুক থেকে নেপাল ও বাংলাদেশের সন্দেহভাজন এজেন্টদের নাম উঠে আসায় তদন্তের পরিধি এখন আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছেছে। নেপাল ও বাংলাদেশে থাকা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে রানার যোগাযোগ কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তাঁরা কার হয়ে কাজ করত এবং সংগৃহীত তথ্য কোথায় পাঠানো হত—এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক স্তরে ছড়িয়ে থাকা এই সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে নেপাল ও বাংলাদেশ সরকারকেও তথ্য জানানো হচ্ছে। রানাকে ১৪ দিনের জন্য এসটিএফ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তার জেরা এবং উদ্ধার হওয়া নথি, সিমকার্ড, ডিজিটাল যোগাযোগ ও নোটবুকের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চক্রের আরও সদস্য এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে তদন্তকারীদের অনুমান।

  • Calcutta High Court: ওবিসি সংরক্ষণে কলকাতা হাইকোর্টের বড় নির্দেশ, বাতিল তৃণমূল জমানার ‘এ’, ‘বি’ শ্রেণির শংসাপত্র

    Calcutta High Court: ওবিসি সংরক্ষণে কলকাতা হাইকোর্টের বড় নির্দেশ, বাতিল তৃণমূল জমানার ‘এ’, ‘বি’ শ্রেণির শংসাপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে চালু হওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। ২০১০ সালের পর জারি হওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ‘এ’ এবং ‘বি’ শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর ফলে ওই শংসাপত্রের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন করে তৈরি হল অনিশ্চয়তা। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি অনুজ সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশের ফলে ২০১০ সালের পর জারি হওয়া সংশ্লিষ্ট শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে ২০২৪ সালের রায়েও হাইকোর্ট ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল এবং সেই সময়ের রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের মূল নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি।

    সংরক্ষণ নিয়ে সমস্যায় চাকরিপ্রার্থী ও পড়ুয়ারা (Calcutta High Court)

    এই নির্দেশের সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে চাকরিপ্রার্থী এবং পড়ুয়াদের উপর। বিশেষ করে যাঁরা অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ‘এ’ বা ‘বি’ শ্রেণির শংসাপত্রের ভিত্তিতে চাকরি, নিয়োগ পরীক্ষা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংরক্ষণের সুবিধা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁদের সামনে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আগের রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছিল, ইতিমধ্যে চাকরি পেয়ে গিয়েছেন বা চাকরিতে যোগদানের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ওই নির্দেশের প্রভাব পড়বে না।

    ২০১০ সালের পর থেকেই বিতর্ক

    ২০১০ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকাকে মূলত ‘এ’ এবং ‘বি’—এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। পরবর্তী সময়ে সেই তালিকা তৈরি এবং তার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া প্রায় ১২ লক্ষ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, ওই শংসাপত্রগুলি যথাযথ আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরি করা হয়নি। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। কিন্তু শীর্ষ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে রাজ্যের অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে আইনি জট আরও জটিল হয়ে ওঠে (Calcutta High Court)।

    নতুন তালিকা নিয়েও প্রশ্ন

    এর পর রাজ্য সরকার নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় পরিবর্তন আনে। ‘এ’ এবং ‘বি’ শ্রেণির তালিকায়ও রদবদল করা হয়। কিন্তু নতুন তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, সীমিত সংখ্যক মানুষের নমুনার ভিত্তিতে সমীক্ষা চালিয়ে বহু জনগোষ্ঠীকে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন তালিকা নিয়েও আদালতে মামলা হয় এবং বিষয়টি ফের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।

    বদলাতে চলেছে সংরক্ষণ কাঠামো

    সাম্প্রতিক নির্দেশের ফলে পশ্চিমবঙ্গে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ‘এ’ এবং ‘বি’—এই দুই শ্রেণির ভিত্তিতে যে ব্যবস্থা এত দিন চলছিল, আদালতের নির্দেশে তার আইনি ভিত্তি নতুন করে (OBC) প্রশ্নের মুখে পড়ল। ফলে আগামী দিনে রাজ্য সরকার কীভাবে নতুন সংরক্ষণ ব্যবস্থা কার্যকর করে এবং বর্তমানে সংরক্ষণের আওতায় থাকা চাকরিপ্রার্থী ও পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেটাই দেখার (Calcutta High Court)।

     

  • Howrah Municipal Corporation: কলকাতা-হাওড়া পুরসভা সংশোধনী বিল পাশ, বাড়ল প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতা

    Howrah Municipal Corporation: কলকাতা-হাওড়া পুরসভা সংশোধনী বিল পাশ, বাড়ল প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিধানসভার অধিবেশনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত সংশোধনী (Howrah Municipal Corporation) বিল ধ্বনিভোটে পাশ হওয়ার পাশাপাশি অসমের ভয়াবহ বন্যায় দুর্গতদের জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাক্তন বিধায়কদের মাসিক চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক সেবাকেন্দ্র চালুর কথাও জানানো হয়েছে (West Bengal Assembly)। সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য শর্তসাপেক্ষে মাসিক ৩০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

    পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি পৃথক সংশোধনী বিল (Howrah Municipal Corporation)

    মঙ্গলবার বিধানসভায় পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি পৃথক সংশোধনী বিল পেশ করা হয়। আলোচনার পর ধ্বনিভোটে দু’টি বিলই পাশ হয়ে যায়। বিল নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বিধি বা নিয়ম সরিয়ে কোনও বিল পাশ করানো হচ্ছে না। কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়। কলকাতা পুরসভার নিজস্ব আইন রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ওয়ার্ডের সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ নির্বাচন কমিশন করবে বলেও জানান তিনি। খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে তা নিয়ে মতামত জানানোর জন্য ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে। এই প্রক্রিয়ায় দু’টি সর্বদলীয় বৈঠকও হবে। প্রথম বৈঠক হবে খসড়া প্রকাশের আগে এবং দ্বিতীয়টি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে।

    মানবিক সরকার

    অসমের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বন্যায় ইতিমধ্যেই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অসমে বহু বাংলাভাষী মানুষ বসবাস করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের পক্ষ থেকে অসমের বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয় (Howrah Municipal Corporation)। প্রাক্তন বিধায়কদের আর্থিক সুরক্ষা এবং তাঁদের প্রতি সম্মান জানাতে চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের আমলে এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    প্রাক্তন বিধায়কদের পাশেও সরকার

    সততার সঙ্গে কাজ করেছেন এমন বহু প্রবীণ প্রাক্তন বিধায়ককে তিনি দেখেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মহিষাদলের প্রাক্তন বিধায়ক দীনবন্ধু রায় এবং বাসন্তীর প্রাক্তন মন্ত্রী সুভাষ নস্করের মতো বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্ষীয়ান প্রাক্তন বিধায়কদের প্রতি সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে।” সেই দায়িত্বের কথা মাথায় রেখে প্রাক্তন বিধায়কদের মাসিক চিকিৎসা ভাতা ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছনোর পাশাপাশি বিধায়কদের কাজের সুবিধার জন্য প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি করে সেবাকেন্দ্র চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শাসকদলের শতাধিক বিধায়ক এই ধরনের সেবাকেন্দ্র চালু করেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    চালু হচ্ছে সেবাকেন্দ্র!

    তবে এই সেবাকেন্দ্র চালু করতে ইচ্ছুক বিধায়কদের জন্য দু’টি শর্তের কথা জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, সেবাকেন্দ্রের নাম রাখতে হবে “নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র”। পাশাপাশি কেন্দ্রের ভিতরে নেতাজির ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত ছবি রাখতে হবে। এই দু’টি শর্ত পূরণ করলে (West Bengal Assembly) সংশ্লিষ্ট বিধায়করা সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে (Howrah Municipal Corporation) অনুদান পাবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

     

  • West Bengal STF: রেল-সেনার গতিবিধিতে নজর, বাংলাদেশে পালানোর ছক! রাজ্য এসটিএফ-এর জালে পাক নাগরিক সহ ২

    West Bengal STF: রেল-সেনার গতিবিধিতে নজর, বাংলাদেশে পালানোর ছক! রাজ্য এসটিএফ-এর জালে পাক নাগরিক সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে পশ্চিমবঙ্গে ফের পাক-যোগের সন্দেহে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ-হাবড়া এলাকা থেকে পাকিস্তানের নাগরিক বলে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (STF)। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ব্যক্তি ওয়াহাব আলম ওরফে রানা রউফ/রানা রাউত নামে ভারতে বসবাস করছিল এবং ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিল। প্রাথমিক তদন্তে তার সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর যোগাযোগের সন্দেহও সামনে এসেছে। এই ঘটনায় কলকাতার তপসিয়া থেকে মহম্মদ ইজাজ নামে আরও এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রানাকে ভুয়ো নথি তৈরি করতে সাহায্য করেছিল ইজাজ। সূত্রের খবর, বুধবার ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালায় এসটিএফ। সেই অভিযানে রানাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল সে। সেই খবর পাওয়ার পরই সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করা হয়।

    পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ থেকে নেপাল হয়ে ভারতে?

    প্রাথমিক তদন্তে এসটিএফ জানতে পেরেছে, রানা আদতে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের বাসিন্দা। প্রায় ২০১২ সাল নাগাদ নেপাল হয়ে সে বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। তবে ভারতে আসার পর কোথায় কোথায় ছিল এবং এর আগে একাধিকবার সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ঢুকেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বেশ কিছুদিন বসবাস করেছিল রানা। সেখানে ছোটখাটো কাজ করার পাশাপাশি ওয়াহাব আলম নাম ব্যবহার করে আধার কার্ড-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিল বলে অভিযোগ। এই ভুয়ো নথি তৈরির ক্ষেত্রে তপসিয়ার বাসিন্দা মহম্মদ ইজাজ তাকে সাহায্য করেছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে এসটিএফ। রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ইজাজের নাম সামনে আসে। এরপর তপসিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, রানা ভারতে নিজের পরিচয় গোপন রেখে থাকতে ইজাজের সাহায্য নিয়েছিল।

    পাক সেনা ও আইএসআই-যোগের সন্দেহ

    রানার সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই-এর যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, রানা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে এবং আইএসআই-এর হ্যান্ডলার হিসেবেই নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তবে এই দাবিগুলির বিষয়ে তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, ভারতে থাকার সময়ে রানা কার কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখত এবং পাকিস্তানে বসে থাকা কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছ থেকে সে নির্দেশ পেত কি না।

    ভারতীয় রেল ও সেনার গতিবিধিতে নজর?

    রানার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ভারতে থাকার সময়ে সে ভারতীয় রেল এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। কোন ধরনের তথ্য সে সংগ্রহ করেছিল, সেই তথ্য কোথাও পাঠানো হয়েছিল কি না এবং এর পিছনে কোনও নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক কাজ করছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে এসটিএফ।  বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বাংলাদেশের দিকে পালানোর চেষ্টা কেন করছিল রানা, বাংলাদেশে তার জন্য কেউ অপেক্ষা করছিল কি না এবং সীমান্তের ওপারে কোনও যোগাযোগ ছিল কি না—এই প্রশ্নগুলিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

    হামিম মণ্ডল গ্রেফতারের পরই নতুন সূত্র

    রানাকে গ্রেফতারের ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয় বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে হামিম মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। হামিমের কাছ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভিআইপি গতিবিধি, রুট ম্যাপ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তে উঠে আসে, হামিমের যোগাযোগ ছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (JeM)-এর সঙ্গে। তাকে পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূলচক্রী সাজ্জাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করেছে তদন্তকারী সূত্র। বর্ধমানে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার আগে হামিম কলকাতার নিউটাউন এলাকায় থাকত বলে তদন্তে জানা যায়। তার সূত্র ধরেই এসটিএফ পরে তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিং ওরফে রাজ-কেও গ্রেফতার করে।

    অর্পিতাকে ‘হানিট্র্যাপ’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ

    তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র ধরে অর্পিতার পাকিস্তান-যোগও সামনে আসে। পাকিস্তানের বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং কুখ্যাত গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির গোষ্ঠীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ। অর্পিতাকে ‘হানিট্র্যাপ’ হিসেবে ব্যবহার করে নেতা, মন্ত্রী এবং আমলাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে যোগাযোগ করা হত বলে জানা গিয়েছে। তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে বাস্তবে কোনও অপহরণ বা নাশকতার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই কারণে অর্পিতার যোগাযোগ এবং পূর্ববর্তী কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখছে এসটিএফ।

    একই নেটওয়ার্কের যোগসূত্র খুঁজছে এসটিএফ

    রানা-ইজাজ গ্রেফতারের পর তদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। পাকিস্তান থেকে বেআইনি ভাবে ভারতে ঢোকার পর রানা কীভাবে এত বছর ধরে নিজের পরিচয় গোপন রেখেছিল? কে তাকে ভুয়ো নথি তৈরিতে সাহায্য করেছিল? ভারতীয় রেল ও সেনার গতিবিধি সম্পর্কে সে কী তথ্য সংগ্রহ করেছিল? সেই তথ্য কোথায় পাঠানো হত? আর বাংলাদেশে পালানোর পরিকল্পনার পিছনে কারা ছিল? এর পাশাপাশি হামিম মণ্ডল, অর্পিতা সরকার, আদিত্য সিংহ এবং নতুন করে গ্রেফতার হওয়া রানা ও ইজাজের মধ্যে কোনও সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অর্থাৎ, একের পর এক গ্রেফতারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় সন্দেহভাজন পাক-যোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য চক্রটি আরও বড় আকার নিচ্ছে। এসটিএফ এখন এই সমস্ত সূত্রকে এক জায়গায় এনে পাকিস্তান, আইএসআই, জঙ্গি সংগঠন, ভুয়ো পরিচয়পত্র, সীমান্তপথ এবং পশ্চিমবঙ্গে সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে দেখছে।

LinkedIn
Share