Tweet War: ‘‘কীভাবে কাজ হয় জানুন’’! অভিষেককে গিরিরাজের দায়িত্বের ‘পাঠ পড়ালেন’ সুকান্ত-শুভেন্দুরা

Sukanta-Suvendu

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-এর চিঠি নিয়ে শুরু হয়েছে ট্যুইট-যুদ্ধ। নিজে মন্ত্রী হয়েও কোন দফতরে তৃণমূলের চিঠি পাঠানোর কথা বললেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিং? এই প্রশ্ন তুলে ট্যুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।  কিন্তু আসলে গিরিরাজ একই সঙ্গে দুটি মন্ত্রক সামলান তাই তাঁর জবাবে কোনও ভুল নেই। নিয়ম মেনেই চিঠি সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। ট্যুইট করে মন্ত্রীর দায়িত্ব রীতিমতো ছকের আকারে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট বার্তায় তৃণমূলকে প্রশাসনিক নিয়ম-নীতির পাঠ নিতে বলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

ট্যুইট-যুদ্ধ

একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনা খাতে বাংলায় বকেয়া পাওনা চাইতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ে সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হয়নি। এরই মাঝে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন মন্ত্রী। সেখানে লেখা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করা হচ্ছে।’ গিরিরাজের ওই চিঠি নিয়ে ট্যুইটে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, আপনি নিজেই যদি সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী হন, তা হলে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করলেন কাকে?

আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

শুভেন্দুর ট্যুইট 

অভিষেকের ওই টুইট মেনশন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আবার ট্যুইটে (tweet war) লিখেছেন, অর্ধশিক্ষিত বারো ক্লাস পাশ ভাঁড়েরা চিঠির মানে বোঝেনি। গিরিরাজ সিং দুটি দফতরের মন্ত্রী। গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ। উনি সংশ্লিষ্ট দফতরকে চিঠিটা পাঠিয়ে দিয়েছেন।

সুকান্তর ট্যুইট 

অভিষেকের এই ঠাট্টার জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিষেকের টুইট বার্তাকে রিটুইট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘এনডিএ সরকারের মন্ত্রীরা তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আলাদা। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দেখাশোনা করা মন্ত্রীরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলিকে কর্তব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেন। যেহেতু ‘জামির লেন-কা আমির বাবু’র লেটারহেডে চাকরির সুপারিশ দেখতে অভ্যস্ত, তাই এটা তাঁর কাছে হিব্রু বলে মনে হচ্ছে।’

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share