Author: ishika-banerjee

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ১৬ মাস পরও সারগোধা রানওয়ের মেরামতি চলছে, দাবি রিপোর্টে

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ১৬ মাস পরও সারগোধা রানওয়ের মেরামতি চলছে, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) ১৬ মাস পরেও সারগোধায় পাকিস্তান বায়ুসেনার (PAF) মুশাফ ঘাঁটির রানওয়ের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নতুন করে মেরামতির কাজ চলছে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে রানওয়ের একটি অংশে ফের খোঁড়াখুঁড়ি ও সংস্কারের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। এনডিটিভির এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উচ্চ-রেজোলিউশনের ভানতুর উপগ্রহচিত্রে মুশাফ ঘাঁটির মূল রানওয়ে ও ট্যাক্সি ট্র্যাকের সংযোগস্থলে একটি স্পষ্ট কালো অংশ দেখা যাচ্ছে। আশপাশের অ্যাসফল্টের তুলনায় ওই জায়গার রং ও গঠন আলাদা। এর ফলে সেখানে নতুন করে খনন বা রাস্তা পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। কাজের জায়গার কাছে একটি লাল রঙের গাড়িও দেখা গিয়েছে। এই জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০২৫ সালের ১০ মে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার হামলায় মুশাফ ঘাঁটির মূল রানওয়ের যে দুটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তার মধ্যে এটি একটি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আগের মেরামতির অংশেই ফের কাজ

    সারগোধায় অবস্থিত মুশাফ বিমানঘাঁটি লাহোর থেকে প্রায় ১৭২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং অমৃতসরের কাছে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যে অংশটি আগে মেরামত করা হয়েছিল, সেটিই ফের খুঁড়ে নিচের স্তর বা সাবগ্রেড পর্যন্ত কাজ করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, পাকিস্তান ওই অংশে শুধু নতুন করে অ্যাসফল্টের প্রলেপ দিচ্ছে না, বরং আরও বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ করছে। তবে উপগ্রহচিত্র দেখে এই খননের সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। রানওয়ের নিচে বসে যাওয়া, অসমতল হয়ে যাওয়া, উপরের স্তরে ক্ষতি কিংবা আগের মেরামতির নীচে কোনও সমস্যা—এর মধ্যে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

    উপগ্রহচিত্রে রানওয়ে মেরামতির  ছবি

    ছবিতে রানওয়ের বিভিন্ন অংশে ধাপে ধাপে সংস্কারের চিহ্নও দেখা যাচ্ছে। কোথাও তুলনামূলক গাঢ় ও মসৃণ পৃষ্ঠ দেখা যাচ্ছে, আবার অন্য একটি অংশে মেরামতির কাজ এখনও চলছে বলে মনে হচ্ছে। এর আগে ২৮ আগস্ট ২০২৬-এর উপগ্রহচিত্রে ওই হামলাস্থলটি মেরামত হয়ে গিয়েছে বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ ছবিতে একই জায়গায় ফের কাজ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। সর্বশেষ উপগ্রহচিত্র অবশ্য রানওয়ের বর্তমান মেরামতির সুনির্দিষ্ট কারণ বা কাজের পূর্ণ পরিধি নিশ্চিত করে না।

    রানওয়ের দুটি জায়গায় আঘাত

    ২০২৫ সালের ১০ মে-র উপগ্রহচিত্রে মুশাফ ঘাঁটির প্রায় ৩,২০০ মিটার দীর্ঘ মূল রানওয়ের উপর দুটি পৃথক আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছিল। বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী, রানওয়ের সংযোগস্থলে তৈরি গর্তটির প্রস্থ ছিল প্রায় ৮-৯ মিটার এবং গভীরতা ৪-৫ মিটার। আঘাতের জায়গার চারপাশে অ্যাসফল্ট ও কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ এবং বেশ কিছু স্থলযানও দেখা গিয়েছিল। রানওয়ের একই অংশে প্রায় ৬৬০ মিটার দূরে দ্বিতীয় একটি আঘাতের জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছিল। মুশাফ ঘাঁটিতে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট অস্ত্রের নাম ভারতীয় বায়ুসেনা প্রকাশ্যে জানায়নি। তবে গর্তের আকার ও ক্ষয়ক্ষতির ধরন বিশ্লেষণ করে কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, এটি সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত এয়ার-লঞ্চড ব্রহ্মোসের আঘাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। তবে এটি বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ মাত্র; সরকারি ভাবে অস্ত্রটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

    এক বছরেরও বেশি সময় পর ফের সংস্কার

    সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্র থেকে মুশাফ ঘাঁটির ওই অংশে এখনও পুনর্গঠনের কাজ চলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাসের হামলার পর একবার মেরামত করা অংশে এক বছরেরও বেশি সময় পরে ফের খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে নজরে এসেছে। ভারতীয় সামরিক সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ মে অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের একাধিক সামরিক পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি বিমানঘাঁটিতে, রাডার ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোও ছিল। অপারেশন সিঁদুরের সময় সরগোধা এবং কিরানা হিলসের আশপাশে একাধিক ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। এই ড্রোনগুলির মূল কাজ ছিল পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা খুঁজে বের করা।

    ভারতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাঘাত

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরপরই ভারত সরকার প্রমাণের স্তূপ তুলে ধরেছিল। পাকিস্তানের নয়টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলার বিস্তারিত ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আসল ফুটেজও বিশ্ববাসীর সামনে এনেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক মুক্ত তথ্যসূত্র গোয়েন্দা সংস্থা (OSINT) এবং উচ্চ-রেজোলিউশনের স্যাটেলাইট চিত্রেও পাকিস্তানের ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা প্রমাণিত হয়। ভোলারি, সারগোধা এবং নুর খানের মতো একাধিক পাক বিমানঘাঁটির রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে গভীর ক্ষতের ছবি ধরা পড়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ এই প্রত্যাঘাতকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানি সামরিক পরিকাঠামোর ওপর ভারতের সবচেয়ে বড় হামলা বলে উল্লেখ করেছিল।

  • BCCI Chief Selector: প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত আজিত আগরকরের, নতুন নির্বাচক খুঁজবে বিসিসিআই

    BCCI Chief Selector: প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত আজিত আগরকরের, নতুন নির্বাচক খুঁজবে বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় পরিবর্তনের পথে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI Chief Selector)। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের পদে আর থাকতে চান না আজিত আগরকর (Ajit Agarkar)। বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্তাদের ইতিমধ্যেই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। ফলে তাঁর উত্তরসূরি খুঁজতে শীঘ্রই প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে বোর্ড। আগরকরের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৪ অক্টোবর। শুক্রবার বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)-তেও তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বোর্ডের সদস্য ইউনিটগুলি নির্বাচক কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অফিস-বেয়ারারদের হাতে তুলে দেয়।

    জুনিয়র নির্বাচকদের নিয়েও সিদ্ধান্ত

    এজিএম শেষে এক সিনিয়র বিসিসিআই (BCCI) কর্তা বলেন, “নির্বাচক কমিটি সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অফিস-বেয়ারারদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।” তবে আগরকরের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। সূত্রের খবর, আগরকর ইতিমধ্যেই বোর্ডকে জানিয়েছেন যে তিনি আর এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আগ্রহী নন। ২০২৩ সালে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভারতীয় দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এদিকে শুধু সিনিয়র নির্বাচক কমিটিই নয়, জুনিয়র নির্বাচক কমিটির পাঁচটি পদও পূরণ করতে চলেছে বিসিসিআই। এই পদের জন্য বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। তিনি বলেন, আবেদনকারীদের প্রাথমিক বাছাইয়ের পর তালিকা ক্রিকেট কমিটির কাছে পাঠানো হবে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বোর্ডের। কারণ বর্তমান জুনিয়র নির্বাচকদের পাঁচজনেরই মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে।

    ফিল্ডিং কোচ নিয়োগ নিয়ে আলোচনা

    ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ শুভদীপ ঘোষের নিয়োগ নিয়েও বিস্তারিত জানিয়েছেন সাইকিয়া। আপাতত তাঁকে স্বল্পমেয়াদি ভিত্তিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বেঙ্গালুরুর বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্সেও তিনি ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। সাইকিয়া জানান, ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে শুভদীপ ঘোষের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে। দলের ম্যানেজমেন্টের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে চুক্তি দীর্ঘায়িত করা হবে কি না, সে বিষয়ে পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এজিএমে বিসিসিআইয়ের বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন ভারতীয় পেসার বেঙ্কটেশ প্রসাদও।

  • India vs Brazil: ঢেলে সাজছে স্টেডিয়াম, টিকিটে সিট নম্বর! ব্রাজিল ম্যাচের আগে যুবভারতীতে আমূল পরিবর্তন

    India vs Brazil: ঢেলে সাজছে স্টেডিয়াম, টিকিটে সিট নম্বর! ব্রাজিল ম্যাচের আগে যুবভারতীতে আমূল পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাশক্তিকে বরণ করে নিতে তৈরি হচ্ছে শহর কলকাতা। নতুন সাজে সেজে উঠছে তিলোত্তমা। ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোর প্রীতি ম্যাচে ভারতীয় ফুটবল দলের মুখোমুখি হতে শহরে পা রাখছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। দুর্গাপুজোর আগে এও এক যেন পুজো ফুটবলপ্রেমী মানুষের কাছে। আগামী ৩ অক্টোবর সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে এই ম্যাচ। শুধু ব্রাজিলই নয়, এরপরের ৬ তারিখ এই একই ময়দানে খেলবে উরুগুয়েও। তবে মহারণের বাঁশি বাজার আগেই গ্যালারি ও দর্শক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)-এর সভাপতি কল্যাণ চৌবে।

    ফুটবল ম্যাচের টিকিটে ‘সিট নম্বর’

    ফেডারেশন সভাপতি জানিয়েছেন, যুবভারতীর সুবিশাল ইতিহাসের পাতায় এই প্রথমবার কোনও ফুটবল ম্যাচের টিকিটে নির্দিষ্ট আসন বা ‘সিট নম্বর’ উল্লেখ করা থাকবে। এর আগে স্টেডিয়ামে সর্বসাধারণের জন্য মুক্ত বা ‘ফ্রি সিটিং’ ব্যবস্থা থাকত, অর্থাৎ দর্শকেরা নিজেদের পছন্দ মতো ফাঁকা আসনে গিয়ে বসতে পারতেন। তবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেই নিয়মে আসছে আমূল বদল। ইতিমধ্যেই এই ম্যাচের সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সমর্থকদের মাঠে আসার সময় ই-টিকিট সঙ্গে রাখতে হবে এবং গেটে তা স্ক্যান করিয়ে ভিতরে ঢুকতে হবে। এরপর টিকিটে বরাদ্দ থাকা নম্বর দেখেই নির্ধারিত চেয়ারটিতে বসতে হবে, অন্য কোথাও বসা যাবে না। প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে মেসি কলকাতায় আসার পর গ্যালারিতে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে ভেঙে গিয়েছিল একাধিক বাকেট চেয়ার। সেই অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে আইএফএ-র (IFA) মাধ্যমে ভাঙা চেয়ারগুলি মেরামতির পাশাপাশি প্রতিটিতে নিখুঁত নম্বর বসানোর কাজ দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছে।

    গেরুয়া রঙে সাজছে গ্যালারি

    রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুবভারতীর পরিচিত নীল-সাদা রঙ বদলে এই প্রথমবার রূপ পাচ্ছে গৈরিকিকরণে। পুরো স্টেডিয়ামকে গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে তোলার পাশাপাশি ড্রেসিংরুম ও শৌচাগারগুলিকেও ঢেলে সাজিয়ে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলা হচ্ছে। ম্যাচের আনন্দে সামিল করা হচ্ছে কলকাতার তিন প্রথাগত ফুটবল শক্তিকেও। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং – এই তিন প্রধানের সমর্থকদের জন্য ফেডারেশনের পক্ষ থেকে টিকিটের ওপর বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। স্টেডিয়ামের ‘B2’ এবং ‘D2’ – এই নির্দিষ্ট দুটি গ্যালারির নির্ধারিত সংখ্যক টিকিটে দেওয়া হবে ১০ শতাংশ (10%) ছাড়। উদাহরণস্বরূপ, ওই টিকিটের দর যদি ১০ টাকা হয়ে থাকে, তবে ১০% ছাড়ের সুবিধায় তা কেনা যাবে। এই ছাড়ের টিকিটগুলি উপলব্ধ থাকবে তিন প্রধানের নিজস্ব ক্লাব টেন্ট এবং আইএফএ-র অফিস থেকে।

  • India US: রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর ১০০% পর্যন্ত শুল্ক! ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করব’, আমেরিকাকে বার্তা ভারতের

    India US: রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর ১০০% পর্যন্ত শুল্ক! ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করব’, আমেরিকাকে বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কিনলে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ধার্য করতে পারবে আমেরিকা। বুধবার এমনই বিল পাশ হয়েছে মার্কিন আইনসভায়। রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার বিল মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে পাস হওয়ার পরই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈচিত্র্যময় উৎস থেকে আমদানি চালিয়ে যাবে ভারত। পাশাপাশি, পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) পক্ষ থেকে জানানো হয়, মার্কিন কংগ্রেসে বিলটি পাস হওয়ার বিষয়টি ভারত নোট করেছে এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

    কী রয়েছে মার্কিন বিলে

    ‘লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংকসানিং রাশিয়া ও ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬’ (Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026) নামে বিলটি বুধবার মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হয়েছে। এর আগে গত ৭ আগস্ট মার্কিন সেনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে বিলটি। বিলটিতে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ থাকা জাহাজগুলির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় ক্রেতা—ভারত ও চিনের মতো দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১৪০ কোটি ভারতীয়ের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারত সরকার সম্পূর্ণরূপে অঙ্গীকারবদ্ধ।” ওই বিবৃতিতে একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, “আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অপরিশোধিত তেল ও শক্তি সম্পদ ক্রয় অব্যাহত রাখবে ভারত।” এই বিবৃতি থেকেই স্পষ্ট যে, ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ছাড়পত্রকে হাতিয়ার করে ট্রাম্প প্রশাসন চাপ তৈরি করলে বা দর কষাকষির পথে হাঁটলে তাতে নতিস্বীকার করবে না ভারত। বরং নিজস্ব প্রয়োজন অনুসারে রাশিয়া এবং অন্যান্য তেল আমদানিকারক দেশ থেকে জ্বালানিপণ্য কেনা অব্যাহত রাখবে। নতুন এই মার্কিন আইনের ফলে যদি ভারতের রফতানি বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনও প্রভাব পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও জানানো হয়েছে মন্ত্রকের বিবৃতিতে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, উদ্ভূত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং দেশীয় বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বাণিজ্য ও শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে সরকার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে যৌথ ভাবে কাজ করবে।

    আগে থেকেই সতর্ক বিদেশমন্ত্রক

    নয়াদিল্লির তরফে বলা হয়েছে, বিল পাসের বিষয়টির উপর সরকার নজর রাখছে। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, বিলটি আইনসভায় পাস করানোর আগেই এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা করা হয়েছিল। সেখানে নয়াদিল্লির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয় যে, রাশিয়া থেকে তেল বা গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে আমেরিকা কোনও ধরনের শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে, তা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারেও চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে। আমেরিকার প্রাক্তন রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামাঙ্কিত এই বিল (লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬) গত মাসেই মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেটে পাস করানো হয়েছিল। বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ৮৬ জন। আর বিপক্ষে ১১ জন। বুধবার এই বিল পেশ করা হয় নিম্নকক্ষে। সেখানে বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ২৬২টি। আর বিপক্ষে ১৫৯টি। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অধিকাংশ সদস্য তো বটেই, বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বেশ কয়েক জনও বিলের পক্ষে ভোট দেন।

    ভারত-মার্কিন-চিন-রাশিয়া সম্পর্কে প্রভাব

    রাশিয়ার উপর চাপ বাড়ানো এবং মস্কোর জ্বালানি রফতানি থেকে অন্যান্য দেশের নির্ভরতা কমানোই এই বিলের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে বিলটিতে ইরানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের প্রস্তাব রয়েছে। বিলটি পাস হওয়ার পর মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল বলেন, “চিন ও ভারত, তোমরা বরং অন্য কোথাও থেকে তেল ও গ্যাস কিনো।” উল্লেখযোগ্যভাবে, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্ধারিত মার্কিন সফরের কয়েক দিন আগেই মার্কিন কংগ্রেসে এই বিল পাস হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি ভারত-মার্কিন ও চিন-মার্কিন সম্পর্কেও এই পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মার্কিন বিলের বিরোধিতা চিন-রাশিয়ার

    এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনায় সরব চিন, রাশিয়ার মতো দেশ। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ সাফ জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরানের তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিল একেবারেই বন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নয়। মার্কিন প্রশাসন এনিয়ে আরও বাড়াবাড়ি করলে ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি চুক্তি ব্যাহত হতে পারে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ জানিয়েছেন, নয়া বিলের উপর কড়া নজর রাখছে রুশ প্রশাসন। আমেরিকার পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ চিনও। বেজিং জানিয়েছে, চিন সবসময় বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ ও সাম্য বজায় রাখার পক্ষপাতি। তাতে তৃতীয় কোনো দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এব্যাপারে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জিউ জাইকুন জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইন উড়িয়ে ও রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া তৃতীয় দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বরাবর বিরোধিতা করেছে চিন।

  • Asian Games 2026: আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, এশিয়ান গেমসে আবাসন সমস্যা সামলাতে নাগোয়ায় ২,০০০ ভারতীয় প্রস্তুত

    Asian Games 2026: আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, এশিয়ান গেমসে আবাসন সমস্যা সামলাতে নাগোয়ায় ২,০০০ ভারতীয় প্রস্তুত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে ভারতীয় অ্যাথলিটদের আবাসন সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে তা সামাল দিতে এবার অভিনব বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করেছে ভারত। জাপানের নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়কে জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের থাকার ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলের একাংশ জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই আবাসন, অ্যাক্রেডিটেশন এবং পরিবহণ নিয়ে সমস্যার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতীয় দূতাবাসও স্থানীয় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। ভারতের চিফ দ্য মিশন সহদেব যাদব জানিয়েছেন, প্রথম দিকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন অ্যাথলিটের নাম সরকারি আবাসনের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় তাঁদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন ও শুটিং-সহ বিভিন্ন ক্রীড়ার অ্যাথলিট ছিলেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় কর্তারা দ্রুত অতিরিক্ত হোটেল কক্ষের ব্যবস্থা করেন। প্রাথমিকভাবে ১৮টি অতিরিক্ত হোটেল রুম বুক করা হয়েছে এবং আরও ১০টি রুমের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিন স্তরের সহায়তা ব্যবস্থা

    এশিয়ান গেমসে আগত ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের যাতে ফের একই ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক নাগোয়ায় তিন স্তরের সহায়তা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। প্রথম স্তরে বিমানবন্দরে দু’জন আধিকারিককে রাখা হয়েছে। তাঁরা জাপানে পৌঁছনোর পর ভারতীয় দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। দ্বিতীয় স্তরে অ্যাথলিট ওয়েলকাম সেন্টারে আরও তিনজন আধিকারিক রয়েছেন, যাঁরা আবাসন ও অন্যান্য আগমন-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করছেন। তৃতীয় স্তরে রয়েছে নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়ের স্থানীয় সম্প্রদায়। সরকারি আবাসন ব্যবস্থায় ফের কোনও সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজনে তাঁদের সাহায্য নেওয়া হতে পারে।

    আপাতত ব্যক্তিগত বাড়িতে থাকার প্রয়োজন নেই

    তবে ভারতীয় কর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে কোনও অ্যাথলিটকে ব্যক্তিগত বাড়িতে থাকার প্রয়োজন হয়নি। জাপানে পৌঁছনো সমস্ত ভারতীয় ক্রীড়াবিদের জন্য ইতিমধ্যেই আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সহায়তার এই ব্যবস্থা তাই আপাতত শুধুমাত্র জরুরি বিকল্প বা ব্যাকআপ ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। এশিয়ান গেমসের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অ্যাথলিটদের আবাসন ও অন্যান্য লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। নাগোয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের এই স্বেচ্ছাসহায়তা প্রয়োজন হলে ভারতীয় দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সহায়তার স্তর হিসেবে কাজ করতে পারে।

    এশিয়ান গেমস নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক

    শুরু হওয়ার আগেই একের পর এক বিতর্কে পড়ছে এশিয়ান গেমস। এর আগে সামনে এসেছিল অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড যাচাই ও থাকার ব্যবস্থা নিয়ে অব্যবস্থা। এবার আবাসন সংক্রান্ত অব্যবস্থা নিয়ে আবার চর্চায় জাপানের এশিয়ান গেমস। বাঙালি জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক ও তাঁর কোচ অশোক মিশ্রকে একই ঘরে থাকতে দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এশিয়ান গেমসের শুরু থেকেই একের পর এক বিশৃঙ্খলাতে ভুগছে নানা দল। আয়োজকদের তরফ থেকে পরে দুঃখপ্রকাশ করা হয়। এর আগে, ভারতের শুটিং দল পৌঁছনোর পর ঘর না পেয়ে সারা রাত তাদের লবির সোফায় শুয়ে কাটাতে হয়েছিল। একইভাবে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে ভারতীয় কবাডি দলকেও। পর্যাপ্ত অনুশীলনের জায়গার অভাব, দূরের ভেন্যু এবং খাবার নিয়ে ভোগান্তির জেরে ক্ষোভে ফুঁসছে অন্য দেশও; দক্ষিণ কোরিয়া তো প্রকাশ্যেই এই গেমসকে তাদের অভিজ্ঞতার ‘নিকৃষ্টতম’ বলে কটাক্ষ করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তবে তার আগেই ফুটবল, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, সফ্ট টেনিস, টেকবলসহ বেশ কয়েকটি ইভেন্ট শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এশিয়ান গেমস-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

    এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর (Asian Games 2026) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। জাপানের আইচি-নাগোয়ায় বসছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের ২০তম সংস্করণ। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতা। যদিও ফুটবল, ক্রিকেট-সহ কয়েকটি খেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে লড়াই, শনিবারই হবে এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন শুরু হবে? আয়োজকদের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জাপান ভারতের থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা এগিয়ে থাকায় ভারতীয় সময় অনুযায়ী ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ২:৩০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। আয়োজক কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলবে এবং জাপানের স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে শেষ হওয়ার কথা। অর্থাৎ ভারতীয় সময় অনুযায়ী আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত চলতে পারে অনুষ্ঠান। তবে অনুষ্ঠানসূচিতে পরিবর্তন হলে সময়েও সামান্য হেরফের হতে পারে।

    ভারতের পতাকা বহন করবেন কারা

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে পতাকা বহন করবেন শুটিংয়ের তারকা মনু ভাকের এবং অ্যাথলেটিক্সের তাজিন্দরপাল সিং তূর। মনু ভাকের দু’বারের অলিম্পিক পদকজয়ী, আর তাজিন্দরপাল সিং তূর এশিয়ান গেমসে শট পাটের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। তাঁদের হাতেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের নেতৃত্বের প্রতীকী দায়িত্ব থাকবে। ভারতে এশিয়ান গেমসের সম্প্রচার ও লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দায়িত্ব রয়েছে সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক এবং সোনি লিভ-এর হাতে। ফলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও ভারতীয় দর্শকরা টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুসরণ করতে পারবেন।

  • TMC Symbol: দুই তৃণমূলের বিকল্প নাম এবং প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন, কী পেলেন মমতা?

    TMC Symbol: দুই তৃণমূলের বিকল্প নাম এবং প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন, কী পেলেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামচন্দ্রের অভিশাপেই এখন কার্যত সর্বহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আপাতত দলের ‘নাম’ গেল, দলের ‘প্রতীক’ (TMC Symbol) গেল, নন্দীগ্রামে শেষ মুহূর্তে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়েরও প্রার্থীও ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলছেন,‘রামচন্দ্রের অভিশাপেই সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ‘এটা উপরওয়ালার বিচার’। আপাতত উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বৈরথে দুই নতুন প্রতীকের আর্বিভাব ঘটল পশ্চিমবঙ্গের ভোট রাজনীতিতে! ‘কালীঘাট-শিবিরে’র প্রার্থীরা লড়বেন ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীকে। ‘খাম’ প্রতীকে লড়বে ‘ঋতব্রত-শিবির’। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের শিবির লড়বে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে। ঋতব্রতদের শিবির ভোট যুদ্ধ করবে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে।

    ঋতব্রত-দের প্রতীক কী

    কমিশনের নির্দেশিকার পর ঋতব্রত জানান, প্রতীকের ক্ষেত্রে তাঁদের প্রথম পছন্দকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই নাম তাঁদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় ছিল। ঋতব্রতের কথায়, ‘‘আমাদের প্রথম পছন্দ ছিল, জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। দ্বিতীয় পছন্দ ছিল পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দুটো নাম কোনও কারণে দেওয়া সম্ভব নয়। প্রতীকের ক্ষেত্রে যা চেয়েছিলাম। তা-ই দেওয়া হয়েছে। কমিশনের যোগ্যতা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। তাদের নির্দেশকে সম্মান জানাই।’’ মমতা শিবিরের নামকরণকে কটাক্ষ করে ঋতব্রত আরও বলেন, ‘‘আমাদের দলের নামে কিন্তু কোনও ব্যক্তির নাম নেই। নৈব নৈব চ। আমাদের আলোচনার মধ্যেই ছিল না কোনও ব্যক্তির নাম। গণতন্ত্রে আমরা জোর দিচ্ছি। এটা কোনও ব্যক্তিগত মালিকানার দল নয়। তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর।’’

    কী ভাবছেন মমতাপন্থীরা

    অন্য দিকে, কমিশনের নির্দেশের পরেই সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কালীঘাটপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। পায়ে ফুটবল নিয়ে খেলোয়াড়ের পোশাক পরা নিজের ছবি দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন, ‘‘খেলা হবে। মমতাদির নামটাই যথেষ্ট। তৃণমূল কংগ্রেস তো তাঁরই সৃষ্টি, তাঁরই অধিকার।’’ আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন রয়েছে। সব পক্ষই তার জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের দুই শিবির কোন প্রতীক বা নামে লড়বে, তা স্পষ্ট ছিল না। কমিশনের নির্দেশ সেই জল্পনাতে সিলমোহর দিল।

  • TMC Symbol Freeze: জোড়া ফুল চিহ্ন ছাড়াই লড়তে হবে মমতাকে! তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

    TMC Symbol Freeze: জোড়া ফুল চিহ্ন ছাড়াই লড়তে হবে মমতাকে! তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ (TMC Symbol Freeze) করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের আঠাশ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নামও ব্যবহার করা যাবে না। বেছে নিতে হবে বিকল্প নাম। অন্তর্বর্তী নির্দেশে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া হল নিজের তৈরি দলের নাম ও প্রতীক। ব্যবহার করতে পারবে না ঋতব্রত শিবিরও। দু-পক্ষকেই উপনির্বাচনে লড়তে হবে নতুন নাম ও প্রতীকে। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে নতুন নাম ও প্রতীক বেছে কমিশনকে জানাবে দু-পক্ষ।

    নির্বাচন কমিশন-এর অন্তর্বর্তী নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে প্রস্তাবিত নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিতে হবে দুই শিবিরকে। প্রত্যেক পক্ষকে তিনটি বিকল্প ও পছন্দের নাম নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল শব্দ ব্যবহার করে নাম দিতে পারবে দুই পক্ষ। তবে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। নিজেদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম বেছে নিতে পারবে দুই শিবিরই। চাইলে তাঁদের নাম মূল দল “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস”-এর সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে। এছাড়াও, উভয় পক্ষকে তাদের প্রার্থীদের জন্য তিনটি পছন্দের নির্বাচনী প্রতীকও জমা দিতে হবে। চলতি উপনির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞাপিত অবাধ নির্বাচনী প্রতীকের তালিকা থেকে উভয় পক্ষের প্রার্থীদের পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। কমিশন চলতি উপনির্বাচনের জন্য এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা নিয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

    ২৮ বছর পর জোড়া-ফুল প্রতীক নেই

    ১৯৯৮ সালের পর পথ চলা শুরু হয়েছিল তৃণমূলের (TMC)। ২৮ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হবে জোড়াফুল চিহ্ন ছাড়াই। উল্লেখ্য, দলের প্রতীক জোড়াফুল চিহ্ন নিজের হাতে এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রতীকই এখন তাঁর হাতে রইল না। ঋতব্রত পন্থী বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম যে ঘাষের উপর জোড়াফুল প্রতীকটা আমাদেরই থাকবে। আমরাই পাব। কারণ মূল তৃণমূল কংগ্রেস আমরাই। বাংলার জনপ্রতিনিধির প্রায় ৮০ শতাংশ আমাদের সঙ্গে আছে। আর আমরা নির্বাচন কমিয়শনকে কাগজপত্রে দিয়ে প্রমাণ করার জন্য সক্ষমও হয়েছিলাম। কিন্তু জানিনা কেন এটা হল। যাই হোক আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। তবে আশা করব আগামী দিনে ঘাষের উপর জোড়াফুল আমাদের সঙ্গে থাকবে। সেইভাবে আমরা এগোব।”অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল শিবিরে থাকা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন , “এই অর্ডার আমরা মানছি না।”

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-নেপাল ক্রীড়া সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে এশিয়ান গেমসের আগে নেপালের বক্সিং দলকে বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (SAI) গুয়াহাটি ন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সেলেন্সে (NCOE) দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমানের প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছেন নেপালের বক্সাররা। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হতে চলেছে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস। তার আগে নেপাল বক্সিং ফেডারেশনের অনুরোধে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাত জন বক্সার এবং দুই জন কোচ নিয়ে নেপালের দলটি গত ১০ আগস্ট থেকে গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। শিবির শেষ করে এখান থেকেই সরাসরি জাপানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাদের।

    নেপালের দলে ৭ বক্সার

    নেপাল দলের সাত বক্সার হলেন রামিশা শ্রেষ্ঠা, অস্মিতা দুওয়াল, কুসুম তামাং, চন্দ্র বাহাদুর থাপা, খগেন্দ্র রোকা মাগার, দান বাহাদুর দারলামি এবং রবিন নেপাল। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সাই-এর কোচ নরেন্দ্র রানা, ত্রিদীপ বোরা এবং প্রণমিকা বোরার তত্ত্বাবধানে চলছে তাঁদের প্রশিক্ষণ। বক্সারদের টেকনিকের উন্নতি, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং প্রতিযোগিতার জন্য মানসিকভাবে তৈরি করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই শিবিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং মেঘালয়ের বক্সারদের সঙ্গে নেপালের খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও স্প্যারিংয়ের সুযোগ। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের বক্সিং স্টাইল ও কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন নেপালের বক্সাররা। নেপালের বক্সার রামিশা শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, গুয়াহাটিতে কঠোর অনুশীলন এবং দক্ষ ভারতীয় বক্সারদের সঙ্গে প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা এশিয়ান গেমসের আগে তাঁদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়েছে। তাঁর কথায়, “এখানে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কঠোর হয়েছে। অসাধারণ ও দক্ষ বক্সারদের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। ফলে এশিয়ান গেমসের জন্য আমরা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও প্রস্তুত।” ভারতীয় খেলোয়াড় ও সাই-এর কর্মীদের আতিথেয়তারও প্রশংসা করেন তিনি।

    ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া সম্পর্ক

    সাই-এর গুয়াহাটির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ডি কে মিত্তল বলেন, প্রথমবার নেপালের বক্সিং দল গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছে। তাঁর আশা, এই শিবির থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা জাপানে নেপালের বক্সারদের ভাল ফল করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, শিবির চলাকালীন প্রায় পাঁচ দিনের একটি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছিল, যা ভারত ও নেপাল—দুই দেশের বক্সারদেরই উপকৃত করেছে। সাই (SAI)-এর উপর কোনও আর্থিক বোঝা না রেখেই এই শিবির পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক যাতায়াত, ভিসা, চিকিৎসা বিমা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করছে নেপাল বক্সিং ফেডারেশন। নেপালের বক্সারদের এই প্রশিক্ষণ শিবির শুধু এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেই সাহায্য করছে না, ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গুয়াহাটির গুরুত্বও ক্রমশ বাড়ছে।

  • Rajouri Terror Module: রাজৌরিতে লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি মডিউল ভাঙল পুলিশ, গ্রেফতার ৩

    Rajouri Terror Module: রাজৌরিতে লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি মডিউল ভাঙল পুলিশ, গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-এর সঙ্গে যুক্ত একটি ‘ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার’ (OGW) নেটওয়ার্কের হদিশ পেয়ে তা ভেঙে দিল রাজৌরি পুলিশ। এই ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের লজিস্টিক সহায়তা, নিরাপদে যাতায়াত এবং অন্যান্য মাটির স্তরের সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া তিনজন হলেন জাকির হুসেন, গুলাম হুসেনের ছেলে, রাজৌরির কোটচরওয়াল তেরিয়াথের বাসিন্দা; মোহাম্মদ আজম, আলি বাহাদুরের ছেলে, একই এলাকার বাসিন্দা; এবং মোহাম্মদ মুস্তাক, মোহাম্মদ ইকবালের ছেলে, রাজৌরির উদান এলাকার বাসিন্দা।

    কীভাবে জঙ্গিদের সহায়তা

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পীর পাঞ্জাল অঞ্চলে সক্রিয় একটি জঙ্গি মডিউলের তদন্তের সময় এই নেটওয়ার্কের সন্ধান মেলে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ, ধৃতরা জঙ্গিদের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপদে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করতেন। এমনকি তাঁরা গাইড হিসেবে কাজ করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে কাশ্মীর উপত্যকার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক হাই-প্রোফাইল হামলার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিদেরও তাঁরা প্রাথমিক স্তরে সহযোগিতা করেছেন বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। এর মধ্যে সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হামলার ঘটনাও রয়েছে।

    এই মডিউলের সম্পূর্ণ পরিধির খোঁজ চলছে

    তদন্তের সময় এক অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা ওই বিস্ফোরকটি ধৃত ব্যক্তির হাতে নিরাপদে রাখার জন্য তুলে দিয়েছিল। পরবর্তীতে তা কোনও নির্দিষ্ট হামলায় ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ। আইইডি উদ্ধারের পাশাপাশি তিনজনের গ্রেফতারি পীর পাঞ্জাল অঞ্চলে সক্রিয় জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিষয়ে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছে বলে জানিয়েছে রাজৌরি পুলিশ। এখন এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে, তাদের ভূমিকা কী ছিল এবং জঙ্গি কার্যকলাপে এই মডিউলের সম্পূর্ণ পরিধি কতটা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জঙ্গিদের সহযোগী কাঠামো সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে রাজৌরি পুলিশ। তদন্ত এখনও চলছে এবং আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

  • Nandigram By Poll: এক লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ের প্রত্যাশা! নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী প্রয়াত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ

    Nandigram By Poll: এক লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ের প্রত্যাশা! নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী প্রয়াত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। নন্দীগ্রামে  (Nandigram By Poll)  হাসিরানি রথ এবং রেজিনগরে (Rejinagar By Poll) শাখারভ সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে। ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। মঙ্গলবার হলদিয়ায় হাসিরানি রথকে পাশে নিয়ে একটি সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামের দায়িত্ব আমার। এখানকার সকলের মাথায় ছাদ, হাতে কাজ, পেটে ভাত আমার অঙ্গীকার। আমি পূরণ করবই।” জয় যে নিশ্চিত তা বুঝিয়ে শুভেন্দু বললেন, “আমি ভোট করাতে জানি, এমন মার্জিনে বিজেপি জিতবে, কেউ ভাবতে পারেনি। এবারও এমন মার্জিনে জিতব কেউ ভাবতে পারছেন না।” এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বললেন, “ওর পাড়ায় গিয়ে ওকে হারিয়ে দিয়ে এসেছি।”

    মনোনয়ন জমা, জানকীনাথ মন্দিরে পুজো

    মঙ্গলবার বিশাল মিছিল ও দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান তিনি। তার আগে এদিন সকালে নন্দীগ্রাম বিধানসভার বিখ্যাত জানকীনাথ মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের প্রথম অনুভূতি এবং ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হাসি রানি রথ। তিনি বলেন, “প্রথম অনুভূতি বলতে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে আমার সমস্ত কর্মী, বিজেপির কর্মীরা এবং সংগঠনকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ ভালোবাসা এবং বড়দের জানাই প্রণাম। দল আমাকে প্রার্থী করেছে, কিন্তু এখানকার সংগঠন আমার সঙ্গে রয়েছে। আমি সবার সহযোগিতা চাইব, যাতে নন্দীগ্রামের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি।” মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, “এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা। মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামের সঙ্গে আছেন, আমাদের সঙ্গে আছেন। শুধু আমার সঙ্গে নয়, নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে শুভেন্দু বাবু যে আছেন, সেটাই আজ সবার সবচেয়ে বড় পাওনা।”

    হাসিরানি রথ নতুন মুখ নয়

    গত বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী দুটি কেন্দ্র থেকে জেতার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভবানীপুরের বিধায়ক পদ রাখেন এবং নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন। অন্যদিকে, রেজিনগরে হুমায়ুন কবীরও একটি আসন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেজিনগরের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। ফলে দুই কেন্দ্রেই উপনির্বাচন হচ্ছে। নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথের নাম নিয়ে আগে থেকেই বিজেপির অন্দরে জল্পনা ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁকেই টিকিট দিল দল। হাসিরানি রথ হলেন বিজেপির প্রয়াত নেতা এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের আগে হাসিরানি রথের নাম নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এর আগে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁর পরিবারের অভিভাবক। তিনি কোনও দায়িত্ব দিলে তা গ্রহণ করবেন। সেই মন্তব্যের পর থেকেই তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়।

    ১ লক্ষের বেশি ভোটে জয় লাভের আশা

    চন্দ্রনাথ রথকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তাঁকে গাড়ির মধ্যে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে তাঁর পরিবারের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। এবার সেই পরিবারের হাসিরানি রথকেই ভোটের ময়দানে নামাল বিজেপি। তবে রাজনৈতিক মাঠে হাসি রানি রথ মোটেও নতুন মুখ নন। ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি দু’বার পঞ্চায়েত সদস্য এবং তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর-সহ রাজ্যের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর।  ভোটে জয়ের মার্জিন কত হতে পারে? এই প্রশ্নের জবাবে হাসিরানি জানান, সংগঠনের সঙ্গে বসে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দলের মূল লক্ষ্য যে নন্দীগ্রামে ১ লক্ষ ১০ হাজার ভোটে জয়লাভ করা, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

    রেজিনগরের প্রার্থী নির্বাচনেও চমক

    অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ ও বহরমপুরের বিজেপির পরিচিতি মুখ শাখারভ সরকার। হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। কয়েকমাস আগেই বহরমপুরে রামমন্দিরের শিলান্যাসের সময়েও তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক চলেছিল। উপনির্বাচনে প্রার্থী করায় দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শাখারভ। বর্তমান রাজ্য বিজেপির পরিচিত মুখ তিনি। শাখারভ বহুদিনের বিজেপি কর্মী। তিনি মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এখন তাঁকে বিজেপি রেজিনগরে প্রার্থী করল। তাঁকেই কঠিন আসনে জয় ছিনিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে। আর নয়া চ্যালেঞ্জ পেয়ে প্রত্যয়ী শাখারভ। তিনি বিশ্বাসী, ‘এবারের নির্বাচনে রেজিনগরের মানুষ প্রকৃত উন্নয়নের জন্য তৈরি। ব্রিজ চাই ও কলেজ চাই। ডেভেলপমেন্ট চাই। সেই সংকল্প নিয়েই রেজিনগরের মানুষ ভোটদান করবেন। এখানকার মানুষ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ভোট দেবেন।’ হুমায়ুন কবীরের হোম গ্রাউন্ডে, তাঁরই ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়াই। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে লড়বেন তাঁরই ছেলে গোলাম নবি আজাদ। নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় প্রায় নিশ্চিত হলেও, এই কেন্দ্রে লড়াই কঠিন হবে, বলে অনুমান রাজনৈতিক মহলের। এখন দেখার রেজিনগরের মানুষ কাকে বেছে নেন।

LinkedIn
Share