Author: ishika-banerjee

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিনে ‘সেবা পক্ষ’ পালন, ১৫ দিনে বিজেপির কী কী কর্মসূচি?

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিনে ‘সেবা পক্ষ’ পালন, ১৫ দিনে বিজেপির কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘সেবা সপ্তাহ’ (Seva Parva) পালন করবে বিজেপি। বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ৭৫ বছর পূর্ণ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বিজেপি (BJP) সূত্রের খবর, নানারকম সামাজিক কার্যকলাপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করা হবে। গোটা সপ্তাহ দেশের প্রতিটি প্রান্তে সেবামূলক কাজে যুক্ত হবেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন মধ্যপ্রদেশের ধর জেলায় বাদনাওয়ার তহসিলের ভেনসোলা গ্রামে একটি বিশাল টেক্সটাইল পার্ক উদ্বোধন করতে চলেছেন। এই টেক্সটাইল পার্কটি “পিএম মিত্রা” (PM MITRA – PM Mega Integrated Textile Region and Apparel) প্রকল্পের অধীনে তৈরি হচ্ছে, যার লক্ষ্য ভারতে বিশ্বমানের টেক্সটাইল হাব গঠন করে রফতানি ও কর্মসংস্থানে গতি আনা।

    “সেবা পর্ব” হিসেবে পালন

    প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্ম ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাটের মেহসানা জেলায়। বিজেপি প্রতি বছর এই দিনটিকে “সেবা পর্ব” হিসেবে পালন করে, যা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, হাসপাতাল ও স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগণের জন্য খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন। গত কয়েক বছর ধরেই প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন উপলক্ষে নানান জাতীয় ও সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

    ২০২৪: ওড়িশার ভুবনেশ্বরে নারী-কেন্দ্রিক একটি নতুন প্রকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তিনি।

    ২০২৩: ঐতিহ্যবাহী শিল্পী ও কারিগরদের জন্য “পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা” চালু করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। একইসঙ্গে তিনি দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো সেন্টার উদ্বোধন করেন ও দিল্লি এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইনের সম্প্রসারিত অংশের সূচনা করেন।

    ২০২২: জন্মদিনে আফ্রিকা থেকে আনা চিতাকে মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করে “চিতা পুনর্বাসন প্রকল্প”-এর সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    ২০২১: কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযানের গতি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

    ২০২০: অতিমারির কারণে জন্মদিন পালন হয় নিঃশব্দে, “সেবা সপ্তাহ” নামের সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে।

    ২০১৯: গুজরাটের কেভাড়িয়ায় “নমামি নর্মদা” উৎসবে অংশ নেন এবং স্ট্যাচু অফ ইউনিটির কাছে এক বিশাল জনসমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘স্বস্থ নারী, সশক্ত পরিবার অভিযান’

    প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন কেবল ব্যক্তিগত উদযাপন নয়, বরং তা পরিণত হয়েছে এক জাতীয় কর্মসূচিতে—যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নাগরিকদের মধ্যে সেবা ও উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৭ ​​সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে তাঁর জন্মদিনে ‘স্বস্থ নারী, সশক্ত পরিবার অভিযান’ শুরু করতে চলেছেন। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, দেশব্যাপী এই অভিযানটি নারী ও শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নত অ্যাক্সেস, উপযুক্ত যত্নআত্তি এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তা পরিচালিত হবে। এছাড়াও এই উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, কমিউনিটি হেল্থ সেন্টার (সিএইচসি) এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ৭৫,০০০ স্বাস্থ্য শিবির আয়োজন করা হবে। এই শিবিরগুলি সরকারের স্বাস্থ্যসেবার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তাল রেখে নারী ও শিশুদের নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণ করবে।

    ‘সেবা পাক্ষিক’ পালন

    বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্য জুড়ে একযোগে স্বাস্থ্য শিবির এবং কার্যক্রমের পরিকল্পিত সংখ্যা বিবেচনা করে প্রচারণার মাত্রা একটি নতুন বিশ্ব রেকর্ডও তৈরি করতে পারে। এক বিজেপি কর্মীর কথায়, “সরকারি এবং বেসরকারি উভয় পক্ষের অংশগ্রহণ এটিকে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচেষ্টাগুলির মধ্যে একটি করে তুলবে।” বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি, যার মধ্যে দিল্লিও রয়েছে, প্রচারণার অংশ হিসেবে একাধিক কার্যক্রমের আয়োজন করতে চলেছে। জাতীয় রাজধানীতে নতুন হাসপাতাল ব্লকের উদ্বোধনের পাশাপাশি কর্তব্য পথে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হবে। দেশব্যাপী ১৫ দিনের সেবা পাখওয়াড়াও (Sewa Pakhwada) বা ‘সেবা পাক্ষিক’ পালিত হবে। বিশ্বকর্মা পুজো থেকে শুরু করে নবরাত্রি পর্যন্ত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর টানা এই অনুষ্ঠান চলবে। এই সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি পালন করা হবে। সেবা পাক্ষিকের আওতায় রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, পরিবেশ সংরক্ষণ অভিযান, ক্রীড়া উৎসব, প্রদর্শনী, সংলাপ কর্মসূচি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

    ‘মোদি বিকাশ ম্যারাথন’ দৌড়ের আয়োজন

    স্বাস্থ্যই সম্পদ। তাই শরীরকে তরতাজা রাখতে ‘মোদি বিকাশ ম্যারাথন’ দৌড়ের আয়োজনও করা হবে। এদিকে বিজেপির যুব সংগঠন কলকাতা সহ দেশের ৭৫টি শহরে ‘নমো যুব রান’-এর আয়োজন করছে। এতে প্রত্যেক শহরে ১০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা পাক্ষিকের কর্মসূচি দুটি ধাপে হবে। প্রথম ধাপে, ১৭ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ১,০০০ জেলার বিভিন্ন স্থানে রক্তদান শিবির আয়োজন করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটি মণ্ডলে রক্তদান শিবিরের পাশাপাশি স্কুল, হাসপাতাল, পরিবহন কেন্দ্র, মন্দির, পার্ক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রক ‘বিকশিত ভারত’ বিষয়ে বসে আঁকো প্রতিযোগিতারও আয়োজন করবে।

  • India vs Pakistan: “করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়”! ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে জবাব বিসিসিআই-এর

    India vs Pakistan: “করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়”! ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে জবাব বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়। এশিয়া কাপে রবিবার পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাননি। যা নিয়ে চর্চা অব্যাহত। সোমবার এ নিয়ে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করে বিসিসিআই। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে (PTI) দেওয়া এক বিবৃতিতে এক সিনিয়র বিসিসিআই (BCCI) কর্তা বলেন, “আইসিসি-র নিয়মবিধিতে কোথাও বলা নেই যে ম্যাচ শেষে করমর্দন বাধ্যতামূলক। এটি নিছকই এক সৌজন্যমূলক রীতি। পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বাস্তবতায় খেলোয়াড়দের এমন সৌজন্য প্রকাশে কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।”

    কোনও অভিযোগ এখনও আসেনি

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভিযোগ, তৃতীয় কোনও পক্ষের নির্দেশেই নাকি ভারত এই কাজ করেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছে যে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানি দলের সঙ্গে করমর্দন (হাত মেলানো) করতে অস্বীকার করেছেন। পিটিআইয়ের সূত্র অনুযায়ী, এই ঘটনার পর পিসিবি বিষয়টি নিয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। তবে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই (BCCI) জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পায়নি। বিসিসিআইয়ের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “করমর্দন না করা কিংবা ডোর ক্লোজ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিসিসিআই-এর কাছে এসিসি থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি।”

    গম্ভীর ও সিনিয়র ক্রিকেটারদের সিদ্ধান্ত

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ভারতীয় দল ও কোচিং স্টাফরা একটি আলোচনায় বসেন। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। তিনি নাকি প্লেয়ারদের বলেছিলেন, “সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকো। বাইরের চিৎকারে কান দিও না। তোমাদের কাজ ভারতের হয়ে খেলা। পহেলগাঁওয়ে কী হয়েছে ভুলে যেও না। প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাবে না, বাড়তি গুরুত্ব দেবে না। শুধু যাও, নিজের সেরাটা দিয়ে দলকে জেতাও।” এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করা হয়। গম্ভীর আগেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “যতদিন না সন্ত্রাস বন্ধ হচ্ছে, ততদিন কোনও ধরনের ক্রীড়া সম্পর্ক নয় পাকিস্তানের সঙ্গে।”

    হেরে গিয়ে বিচিত্র অভিযোগ পাকিস্তানের

    এশিয়া কাপে ম্যাচ হেরেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টের অপসারণ দাবি করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ইতিমধ্যে জয় শাহর আইসিসি- কাছে চিঠি দিয়েছে পিসিবি। ভারতীয় দলকে এই ম্যাচে পাইক্রফ্ট টেনে খেলিয়েছেন বলে দাবি করল পিসিবি। আম্পায়ারকে এশিয়া কাপের দায়িত্ব থেকে এখনই সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে পিসিবির তরফে। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিপক্ষের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে সলমান আগার দল। মাঠের লড়াই পারেনি। ফলে ম্যাচের পর পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটারদের হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু করেছে। এবার ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

    এশিয়া কাপ থেকে সরবে পাকিস্তান

    সূত্রের খবর, ভারতের আচরণে এতই অপমানিত পাক দল, যে সূর্যকুমারদের বিরুদ্ধ পদক্ষেপ না করলে চলতি এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারে পাকিস্তান। এই বিষয়ে তারা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে (ACC) ইতিমধ্যেই আবেদন করেছে বলে খবর সামনে এসেছে। রবিবার ছিল এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) মঞ্চে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহাযুদ্ধ। মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান (IND vs PAK)। সমগ্র ম্যাচ জুড়েই ছিল একাধিক নাটকীয় মুহূর্ত। তবে ক্রিকেটের লড়াইয়ে প্রথম থেকে সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) দল এগিয়ে ছিল। ম্যাচে বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সুপার ফোরে জায়গা কার্যত পাকা করে নিয়েছে ব্লু ব্রিগেডরা। কোনো সময়েই সালমান আলী আগার (Salman Ali Agha) দল ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ পাইনি। অন্যদিকে ম্যাচে কোনভাবেই সৌজন্য দেখায়নি ব্লু ব্রিগেডরা। মাঠের বাইরে গ্যালারিতেও চলছে লড়াই। সেখানেও এগিয়ে ভারত। খেলা যত গড়াচ্ছে তত ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত হচ্ছে গ্যালারি। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এই লড়াই ভারতীয় ক্রিকেটার ও সমর্থকদের কাছে যুদ্ধের থেকে কম নয়।

    ‘বয়কটে’র আদর্শ উদাহরণ রেখেছেন সূর্যরা

    উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই উত্তেজনা এবং আবেগে ভরপুর থাকে। পহেলগাঁও হামলার পর রবিবারের ম্যাচে সেই উত্তেজনা স্পষ্ট ছিল। এমনকি দলের স্কোয়াড তালিকাও দুই অধিনায়কের মধ্যে সরাসরি বিনিময় না করে সরাসরি ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাকিস্তানের টিম ম্যানেজার নাভেদ চীমা পরে দাবি করেন, ভারতীয় দলের করমর্দনে অনীহার কথা মাথায় রেখেই রেফারি স্বয়ং পাকিস্তানের খেলোয়াড় সালমান আলি আগাহ-কে সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে করমর্দন করতে বারণ করেন। আগামী অক্টোবরে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত মহিলা ওডিআই বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। তার আগে এশিয়া কাপেও সুপার ফোরে ফের ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হতে পারে। এখন সেই ম্যাচগুলোতে কী হয় তার দিকেই নজর। তবে আপাতত, পাকিস্তান ম্যাচে ‘বয়কটে’র আদর্শ উদাহরণ রেখেছেন সূর্যরা। ব্যাটে-বলে বদলাও নিয়েছেন বাইশ গজে।

  • PM Modi at Fort William: যৌথ সেনা কমান্ডারদের সম্মেলনের সূচনা, বিজয় দুর্গে আড়াই ঘণ্টা আলোচনা মোদির

    PM Modi at Fort William: যৌথ সেনা কমান্ডারদের সম্মেলনের সূচনা, বিজয় দুর্গে আড়াই ঘণ্টা আলোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক নেতৃত্বের সর্বোচ্চ স্তরের সম্মেলন শুরু হল কলকাতায়। অপারেশন সিঁদুরের পর এই প্রথম দেশের তিন বাহিনী যৌথ সেনা কমান্ডাররা সম্মেলনে অংশ নিলেন। ‘যৌথ সেনাপতি সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi at Fort William)। সোমবার ফোর্ট উইলিয়ামে (বর্তমান নাম বিজয় দুর্গ) তিনদিনব্যাপী সেনা সম্মেলনে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে সেনা কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী। মোট আড়াই ঘণ্টা সেখানে ছিলেন তিনি। বক্তব্য-বৈঠক শেষে দুপুর ২ টো নাগাদ কলকাতা থেকে আকাশপথে বিহারের উদ্দেশে রওনা দেন নরেন্দ্র মোদি।

    বিজয় দুর্গে বিশেষ বৈঠকে মোদি

    কলকাতায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিজয় দুর্গে (সাবেক ফোর্ট উইলিয়াম) তিন দিনের এই কনফারেন্সের উদ্বোধন করেছেন মোদি (PM Modi at Fort William)। আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত এই সম্মেলন চলবে। থাকবেন ভারতের তিন সশস্ত্রবাহিনীর প্রধান, সেনার উচ্চপদস্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কর্তারা। রবিবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতা পৌঁছোন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওনা দেন রাজভবনে। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা এবং উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কোনও কর্মসূচি না থাকলেও মোদিকে দেখতে ভিড় ছিল বিজেপি সমর্থকদের। ভিড় দেখে গাড়ি থামিয়ে হাত নেড়ে জনসংযোগ সারেন মোদি। সেখান থেকে তাঁর ২৪ গাড়ির কনভয় পৌঁছয় রাজভবনে। সেখানেই রাত্রিবাস করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজনাথ সিংও। তিনি রাত কাটান ফোর্ট উইলিয়ামে।

    যৌথ সেনাপতি সম্মেলনের উদ্বোধনে মোদি

    সকালে রাজভবন থেকেই যোগ দেন সম্মেলনে। সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে বেরোন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi at Fort William)। সাড়ে ৯টায় ঢোকেন বিজয় দুর্গে। সেখানে যৌথ সেনাপতি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তিনি। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টা মোদি বিজয় দুর্গেই ছিলেন। চলতি সম্মেলনের বিষয়বস্তু ভারতের সশস্ত্রবাহিনীর সংস্কার, রূপান্তর এবং পরিবর্তন। আগামী তিন দিন ধরে সেখানে ভারতীয় সেনার লক্ষ্য এবং কর্মপন্থা নিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এই সম্মেলনে এদিন ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (সিডিএস) অনিল চৌহান, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা সচিব-সহ আরও বেশ কয়েকটি মন্ত্রকের সচিবেরা।

    মোদির এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ

    উল্লেখ্য, বিজয় দুর্গে মোদির (PM Modi at Fort William) এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। একদিকে অশান্ত বাংলাদেশ। অন্যদিকে চিন সীমান্ত। তার মধ্যে আবার নেপালে পালাবদল। পরিবর্ত পরিস্থিতিতে ‘তিন ফ্রন্টে’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনার স্ট্র্যাটেজি কী হবে, কতটা প্রস্তুত বাহিনী, তা এদিন খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। ‘সুপারস্পাই’ অজিত ডোভালের এই বৈঠকে থাকাও ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছে সমর বিশেষজ্ঞরা। এক প্রতিরক্ষা আধিকারিকের কথায়, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য সামরিক কাঠামোয় গভীর সংস্কার, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ এবং বহু-মাত্রিক যুদ্ধ প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া। জানা যাচ্ছে, সেনার আধুনিকীকরণ এবং পরিকাঠামোগত সরলীকরণ নিয়েও এদিন আলোচনা হয়।

    সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই সম্মেলন সেনার তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ চিন্তাভাবনামূলক ফোরাম, যা দেশের শীর্ষ অসামরিক ও সামরিক নেতৃত্বকে ধারণাগত ও কৌশলগত স্তরে মতামত বিনিময়ের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ৷ অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষাপটে, এই বছরের সম্মেলন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ৷ এবারের সম্মেলনে সংস্কার, রূপান্তর, পরিবর্তন এবং অপারেশনাল প্রস্তুতির উপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে ৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, “তিনদিনের এই সম্মেলন সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হবে ৷ যা ক্রমবর্ধমান জটিল ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় ৷” শেষ সম্মলিত সেনা সম্মলেন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালে ভোপালে।

    চতুর্থবার রাজ্যে এলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    চলতি বছরে এই নিয়ে চতুর্থবার রাজ্যে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুজোর আগে ভোটমুখী বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরকারি সফরে এলেও তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। দলের কর্মী-সমর্থকদের এই উৎসাহ দেখে গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান মোদিও। কয়েকদিন আগেই মেট্রোর নতুন রুটের উদ্বোধনে কলকাতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ফের শহরে মোদি। সোমবারই তিনি কলকাতা থেকে বিহারে যান। সেখানে তিনি ₹৩৬,০০০ কোটিরও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করেন এবং জনসভায় ভাষণ দেন। পাশাপাশি, উত্তর বিহারের বহুপ্রতীক্ষিত বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালেরও উদ্বোধন করেন।

  • India Russia Relation: ‘ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক ভাঙার চেষ্টা বিফল হবে’, নয়াদিল্লির দৃঢ়তার প্রশংসা করে ট্রাম্পকে বার্তা মস্কোর

    India Russia Relation: ‘ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক ভাঙার চেষ্টা বিফল হবে’, নয়াদিল্লির দৃঢ়তার প্রশংসা করে ট্রাম্পকে বার্তা মস্কোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক বিঘ্নিত করার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক প্রাচীন, “সময়-পরীক্ষিত” এবং “স্থিরভাবে” এগিয়ে চলেছে। রবিবার মস্কোর তরফে আমেরিকাকে এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব (India-Russia Relation) নাপসন্দ আমেরিকার। রাশিয়ার থেকে ভারত তেল কিনছে বলে, শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এই চাপের মুখেও নতিস্বীকার করেনি ভারত। এই বন্ধুত্বের সম্পর্ককে এবার সর্বসমুখে সম্মান দিল রাশিয়াও।

    ভারত-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল

    ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাতে হলে রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা করতে হবে। আমেরিকার একার চেষ্টায় তা সম্ভব নয়। তার জন্য ইউরোপের সহযোগিতা চাই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এমনই মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আরও এক বার ইউরোপের দেশগুলিকে রাশিয়ার তেল আমদানি নিয়ে চাপ দিলেন ট্রাম্প। এই আবহে আমেরিকার লাগাতার চাপের মুখে ভারতের অনড় অবস্থানের প্রশংসা করল রুশ বিদেশ মন্ত্রক। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের এবং তা ক্রমাগত আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যারাই এই সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তারা বিফল হতে বাধ্য।” মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ভারত এবং রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কঠিন সময়েও স্থিতিশীল ভাবে এগিয়ে চলেছে।’’

    দিল্লির প্রশংসা রুশ বিদেশ মন্ত্রকের

    আমেরিকা ও নেটো সদস্য দেশগুলির চাপের মুখেও ভারত যেভাবে দৃঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করেনি, তার প্রশংসা করেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী। ভারত-রাশিয়ার সুদীর্ঘ বন্ধুত্বের সম্পর্ক ও ঐতিহ্যের কারণেই ভারত এমন অবস্থান নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিষয়ে তারা যে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, তার প্রমাণ আমেরিকার কাছে মাথা নত করেনি ভারত। দিল্লির প্রশংসা করে রুশ বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ‘‘আমেরিকা এবং নেটো-র সদস্য দেশগুলির অনবরত চাপের মুখেও নতিস্বীকার করেনি ভারত। তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পালন করে চলেছে। ভারতের এই অবস্থান আসলে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের প্রতিফলন। দুই দেশের সম্পর্কে সবসময় জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।’’ প্রসঙ্গত, ভারত ও রাশিয়া চলতি মাসেই যৌথ সামরিক অভিযানে সামিল হতে চলেছে। মহাকাশ মিশনেও ভারতকে সাহায্য করছে রাশিয়া, রসকসমসে প্রশিক্ষণ চলেছিল ভারতীয় মহাকাশচারীদের। এছাড়া বাণিজ্য সম্পর্ক তো আছেই।

  • India vs Pakistan: বাইশ গজেও বদলা! পহেলগাঁওয়ে নিহতদের স্মরণ, ভারতীয় সেনাকে জয় উৎসর্গ সূর্যের

    India vs Pakistan: বাইশ গজেও বদলা! পহেলগাঁওয়ে নিহতদের স্মরণ, ভারতীয় সেনাকে জয় উৎসর্গ সূর্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপে (Asia Cup 2025) দাপটে পাকিস্তানকে হারাল ভারত (India vs Pakistan)। দেশের সেনাবাহিনীকে এই জয় উৎসর্গ করলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, পহেলগাঁও জঙ্গিহানায় নিহতদের পরিবারের প্রতি ভারতীয় দলের তরফ থেকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। ভারত অধিনায়কের সুরেই কথা বলেছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরও। খেলা শেষে তিনি বলেন, “দল হিসেবে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে থাকতে চেয়েছিলাম। সেটাই করে দেখিয়েছি। অপারেশন সিঁদুরের জন্য ভারতীয় সেনার উপর গর্বিত।”

    সূচি অনুযায়ী খেলা, বাইরে কোনও সম্পর্ক নয়

    পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের (India vs Pakistan) ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কারণে এই ম্যাচের উত্তাপ ছিল মাঠের বাইরেও। অনেকেই এই ম্যাচ বয়কট করতে বলেছিলেন। তার মধ্যে ছিলেন হরভজন সিংয়ের মতো প্রাক্তনেরাও। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছিল, বড় প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে কোনও আপত্তি নেই তাদের। ভারতীয় বোর্ড স্পষ্ট করে দিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেললেও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি আয়োজিত প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে আপত্তি নেই তাদের। তবে কোথাও ক্রিকেটারদের মাথাতেও হয়তো প্রতিবাদের কথা ঘুরছে। তাই নিজেদের মতো করে প্রতিবাদ করলেন তাঁরা। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কোনও রকম সম্মান জানাননি তাঁরা। বুঝিয়ে দিয়েছেন, সূচি অনুযায়ী খেলছেন। তার বাইরে পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই তাঁদের।

    বাইশ গজেও বদলা ভারতের

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং পাল্টা হিসাবে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই দাবিই তুলেছিলেন হরভজন সিং। না ক্রিকেট, না বাণিজ্য— পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কোনও রকম সম্পর্কই দেখতে চাননি তিনি। বাণিজ্য এখনও শুরু হয়নি। ক্রিকেট হল। ক্রিকেট ম্যাচেও ‘বদলা’ নিল ভারত। শুধু ‘বদলা’ নয়, একেবারে দুরমুশ করে বদলা। রবিবার দুবাইয়ে ভারত জিতল সাত উইকেটে। পড়শি দেশের তোলা ১২৭/৯ ভারত টপকে গেল ২৫ বল বাকি থাকতেই। রবিবার ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন কুলদীপ যাদব। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচের শুরুটা যে ভাবে হয়েছিল, শেষটাও সে ভাবেই হল। টসের পর পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘার সঙ্গে হাত মেলাননি ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। একে অপরকে ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছাও জানাননি। তবে সৌজন্য না দেখালেও দুই দলের কেউই বিপক্ষকে অসম্মান করেননি। খেলা শেষেও সেটাই করল ভারত। পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়েই সাজঘরে ফিরে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১২৮ রান তাড়া করতে নেমে ২৫ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। পাকিস্তান গোটা ম্যাচে দাঁড়াতে পারেনি। মাঠেই ‘বদলা’ নিলেন সূর্যেরা। পাকিস্তানের সঙ্গে ছেলেখেলা করে জিতলেন তাঁরা।

    উপেক্ষাতেই জবাব দিল ভারত

    ক্রিকেট ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জয়ী এবং পরাজিত দুই অধিনায়কই (India vs Pakistan) কথা বলেন। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারও নিজের বক্তব্য রাখেন। অথচ রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা এলেনই না কথা বলার জন্য। ভারতের আচরণের প্রতিবাদ করে তিনি এই কাজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন জানান, ভারত হাত মেলায়নি বলেই প্রতিবাদস্বরূপ সলমন সাক্ষাৎকার দেননি। হেসন বলেছেন, “বিপক্ষ দলের এমন আচরণে আমরা হতাশ। যে ভাবে খেলেছি সেটা নিয়েও হতাশ। আমরা চেয়েছিলাম ওদের সঙ্গে হাত মেলাতে। সেটা হয়নি। তাই জন্যই সলমন আসেনি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে। খুব হতাশাজনক ভাবে ম্যাচটা শেষ হল।” তবে, ভারত নিজের জায়গায় স্পষ্ট। উপেক্ষাতেই জবাব দিল ভারত। বার্তা স্পষ্ট, সন্ত্রাসে মদতকারীদের সঙ্গে কোনওরকম সৌজন্যই চলে না। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ নিজেদের অবস্থান থেকে সরেনি টিম ইন্ডিয়া।

    পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে

    রবিবার ছিল সূর্যর জন্মদিন। সেটা আরও স্পেশাল হয়ে উঠল পাকিস্তানকে হারিয়ে। তিনি নিজে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। ভারত ম্যাচ জেতে ৭ উইকেটে। আর সব শেষে এসে সূর্যর বক্তব্যে মুগ্ধ দেশের ক্রিকেটভক্তরা। তিনি বলেন, “আমরা পহেলগাঁও জঙ্গিহানায় নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তাঁদের জন্য আমাদের সমবেদনা রইল। আর আমাদের আজকের জয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ করতে চাই। তারা এভাবেই আমাদের অনুপ্রাণিত করুক।” সাংবাদিক সম্মেলনে সূর্য বলেন, “কয়েকটা কথা বলতে চাই। এর থেকে ভালো সুযোগ হয়তো পাব না। আমার মনে হয় স্পোর্টসমানশিপের ঊর্ধ্বেও কিছু জিনিস আছে। আমরা পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীরও পাশে রয়েছি। আমরা এখানে আসার সময়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, খেলতে আসছি। এর যোগ্য জবাব দিতে চেয়েছিলাম। মাঠেই এর যথাযথ জবাব দিয়েছি। বিসিসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত।”

  • PM Modi in Manipur: ‘সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে শান্তির পথে এগোতে হবে’, মণিপুরবাসীকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi in Manipur: ‘সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে শান্তির পথে এগোতে হবে’, মণিপুরবাসীকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। মণিপুর মানেই সাহস ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। শনিবার হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে পা রেখে এমনই অভিমত প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মণিপুর সফরে গিয়ে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি। মণিপুরের মানুষের অদম্য মনোবলকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মণিপুরের এই পাহাড়সমৃদ্ধ ভূমি প্রকৃতির অমূল্য উপহার। একই সঙ্গে এটি আপনার পরিশ্রমের প্রতীক। আমি মণিপুরের মানুষের মনোবলের প্রতি স্যালুট জানাই।” এদিন মণিপুরে ঘরছাড়া মানুষদের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী। শুনলেন তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা। বিগত দুই বছরে কী কী হয়েছে মণিপুরে, তা তাদের কাছ থেকেই জানলেন। ২ বছর ধরে হিংসার আগুনে জ্বলেছে মণিপুর। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে মণিপুরে।

    ঘরছাড়াদের সঙ্গে কথা প্রধানমন্ত্রীর

    ২০২৩ সালের ৩ মে হিংসার আগুন জ্বলেছিল মণিপুরে। কুকি ও মেতেই জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, তা মাসের পর মাস, বছর পার করেও চলে। মণিপুরের হিংসায় এখনও পর্যন্ত ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া ৬০ হাজার মানুষ। শনিবার মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে নেমেই দুর্যোগের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ভারী বৃষ্টির মধ্যেই সেখান থেকে সড়কপথে ৬৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে চুড়াচন্দপুরের পিস গ্রাউন্ডের ত্রাণ শিবিরে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা। হিংসার মূলকেন্দ্র চুড়াচন্দপুরে ঘরছাড়া বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি, তাদের হাতে আঁকা ছবি ও ফুলের তোড়া নেন। উপহার দেওয়া পালকের টুপিও পরেন প্রধানমন্ত্রী। চুড়াচন্দপুরে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, মহিলাদের হস্টেল সহ ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এর জন্য খরচ হবে ৭৩০০ কোটি টাকা।

    মণিপুরের নামেই ‘মণি’

    মণিপুরের নামেই ‘মণি’ রয়েছে, যা আগামী দিনে পুরো উত্তরের আভা বাড়াবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, কেন্দ্র সরকার মণিপুরের রেল ও সড়ক সংযোগ প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে, এবং আমাদের লক্ষ্য যে উন্নয়নের সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছক।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৪ সাল থেকে মণিপুরে সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, মোট ৪,৭৪৬ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্যপরিষেবা, শিক্ষা এবং ডিজিটাল উন্নয়ন।

    শান্তি বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সকল সম্প্রদায়ের কাছে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনার সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে শান্তির পথে এগোতে হবে। মণিপুরের এই অঞ্চলে হিংসার প্রভাব পড়েছিল, কিন্তু এখন সকল সম্প্রদায় শান্তির পথে এগোচ্ছে। আমি সকল সংগঠন এবং গোষ্ঠীকে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সাথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই। ভারত সরকার মণিপুরের জনগণের পাশে আছে।”

    রেলপথে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে জুড়ল আইজল

    এদিন রেলপথে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে জুড়ে গেল আইজল। ৮০৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বৈরাবি-সায়রাং রেললাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তর মিজোরামের বৈরাবি রেলপথ অসমের শিলচরের সঙ্গে যুক্ত। এই রেলপথ ধরে প্রথম বারের জন্য ট্রেনের চাকা গড়াতে চলেছে মিজোরামে। এই রেলপ্রকল্পের উদ্বোধন করে মোদি বলেন, “আজ থেকে মিজোরামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটল।” শনিবার আইজলে মোট ৯০০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী। পাহাড়ি পথে বৈরাবি-সায়রাং রেললাইন তৈরি করতে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। নিজের বক্তৃতায় বৈরাবি-সায়রাং রেললাইন তৈরির জন্য ইঞ্জিনিয়ারদের ধন্যবাদ জানান মোদি। তিনি বলেন, “পাহাড়ি রাস্তায় বহু প্রতিকূলতার সঙ্গে মোকাবিলা করে আজ এই রেললাইনের উদ্বোধন হল। আমাদের ইঞ্জিনিয়র এবং কর্মীদের মনোবলের জন্যই এটা সম্ভব হল।” বিরোধীদের নিশানা করে মোদি বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে কিছু রাজনৈতিক দল ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে এসেছে। কেবল ভোট আর আসন নিয়েই তারা ভেবে এসেছ‌ে। গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত, মিজোরামের মতো রাজ্য এই মনোভাবের জন্য এত কাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

  • India vs Pakistan: ‘কেন্দ্রের নীতি মেনেই খেলা হবে’, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত ভারত

    India vs Pakistan: ‘কেন্দ্রের নীতি মেনেই খেলা হবে’, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে! রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত এবং পাকিস্তান শেষ বার মুখোমুখি হয়েছিল গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেই ম্যাচের এক বছর তিন মাস পর আবার তারা মুখোমুখি। অপারেশন সিঁদুরের পর বাইশগজে প্রথম লড়াই।

    ভারত সরকারের নীতিই মানবে বিসিসিআই

    শুক্রবার আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল দুই দলের লড়াইয়ের আগে টিম ইন্ডিয়াকে শুভকামনা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, টিম ইন্ডিয়া কেবল সরকারের নীতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পটভূমিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে সমালোচনার অবসান ঘটিয়ে ধুমাল বলেন, “টিম ইন্ডিয়ার জন্য শুভকামনা। সরকার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে খেলব না। তবে এসিসি কিংবা আইসিসি ইভেন্টে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলব। তাই সরকার যা বলবে সেটাই অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।”

    এশিয়া কাপে আধিপত্যের লড়াই

    এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দল নামাতে চলেছে বিসিসিআই। যা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা দ্বিধাবিভক্ত। একটা অংশের মত, হিংসা আর খেলাধুলো একসঙ্গে চলতে পারে না। আবার কেউ কেউ ক্রিকেটীয় সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। এই আবহে অরুণ ধুমালের মন্তব্য। রবিবাসরীয় দ্বৈরথে পাকিস্তানকে দুরমুশ করে এশিয়া কাপে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে মরিয়া ভারত। শেষ টি-টোয়েন্টি সাক্ষাতের পর দুই দলেই অনেক বদল এসেছে। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা যেমন ভারতের হয়ে আর খেলেন না, তেমনই পাকিস্তান দল থেকে বাদ পড়েছেন বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানেরা। ফলে রবিবার যে দুই দল খেলবে, সেখানে অনেকেই নতুন মুখ।

    পাকিস্তানের চিন্তা ব্যাটিং, আফ্রিদি-কে আটকানো লক্ষ্য ভারতের

    জয় দিয়েই এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান। ওমানকে হারিয়েছে ৯৩ রানে। তবে, পাকিস্তানকে ১৬০ রানের বেশি এগোতে দেয়নি ওমানের বোলিং। পাকিস্তানকে চিন্তায় রেখেছে তাদের ব্যাটিং। পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটার ফকর জামান। ভারতের বিরুদ্ধে তিনি ভালো খেলেন। তবে বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং সামলানো তাঁর কাছে কঠিন কাজ হতে চলেছে। বরুণের বলে বৈচিত্র এতই বেশি যে আগে থেকে অনুমান করা যায় না পরের বলটা কেমন হতে চলেছে। বরুণের দায়িত্ব থাকবে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারকে শান্ত রাখার। ওমান ম্যাচে মহম্মদ হ্যারিসের ইনিংস নজর কেড়েছে। দলের সর্বোচ্চ রান করেছিলেন তিনিই। তার থেকেও বড় কথা, স্ট্রাইক রেটও ভাল রেখেছিলেন। টি-টোয়েন্টিতে দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার তিনি। রবিবারের ম্যাচে পাকিস্তান আগে ব্যাট করুক বা পরে, হ্যারিসকে দ্রুত ফেরানোর লক্ষ্য থাকবে ভারতের। আর সেই কাজে যিনি সাহায্য করতে পারেন তিনি কুলদীপ। হ্যারিসের অভ্যাস রয়েছে চালিয়ে খেলার। তাই কুলদীপ বোকা বানিয়ে বোল্ড করার সুযোগ পাবেন। কুলদীপের আঙুলের হালকা মোচড় হ্যারিসকে সাজঘরে ফেরাতে পারে। অন্যদিকে এশিয়া কাপে দুরন্ত শুরু করেছে ভারত। তবে পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি বা সুফিয়ান মুকিম-কে ধরে খেলতে হবে সূর্যকুমারদের।

  • India-US Relation: “ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরেছে”! ৫০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে সুর নরম করলেন ট্রাম্প

    India-US Relation: “ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরেছে”! ৫০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে সুর নরম করলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India-US Relation) উপর শুল্ক চাপানো যে সহজ নয়, তা মানলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শুল্ক আরোপ করা “সহজ কাজ নয়” কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে। শুল্কের কাঁটায় ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়েছে তিক্ত। এ কথা নিজেই স্বীকার করে নিলেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

    কী বললেন ট্রাম্প

    ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “দেখুন, ভারত ওদের (রাশিয়া) সবথেকে বড় গ্রাহক ছিল। আমি ভারতের উপরে ৫০ শতাংশ শুল্ক (Trump Tariff on India) চাপিয়েছি কারণ ওরা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে। এটা সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু আমি তা করেছি। আমি অনেক করেছি। মনে রাখবেন, এটা আমাদের সমস্যার থেকেও বেশি ইউরোপের সমস্যা।” শুক্রবার ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি ইতিমধ্যেই অনেক কিছু করেছি। আমি সাতটা যুদ্ধ সমাধান করেছি। আমি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যেকার উত্তেজনাসহ অনেক কিছু সমাধান করেছি। যেগুলো অসম্ভব মনে করা হত যেমন কঙ্গো আর রুয়ান্ডা। আমি তা সমাধান করেছি। এটি ৩১ বছর ধরে চলছিল, লাখ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। আমি এমন যুদ্ধও শেষ করেছি, যেগুলোকে বলা হত সমাধান অযোগ্য।”

    ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি

    একদিকে শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প যখন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক অবনতি হওয়ার কথা বলছেন, সেখানেই বৃহস্পতিবার তাঁরই মনোনীত ভারতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্গিও গোর বলেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন চায় ভারত রাশিয়ার থেকে তেল ও ক্রুড পণ্য না কিনে, তা আমেরিকার থেকে কিনুক। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দেশের আলোচনা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। প্রসঙ্গত, ভারতের উপরে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে দ্বিগুণ করে দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই যুক্তিই দিয়েছিলেন যে ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কিনছে। ভারত ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করেছে এবং এই সিদ্ধান্তকে অনৈতিক বলে উল্লেখ করেছে। সম্প্রতি চিন-রাশিয়া ভারতের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াতেই আবার সুর নরম করেছেন ট্রাম্প। বারবার উল্লেখ করেছেন বন্ধুত্ব ও দীর্ঘ সম্পর্কের কথা। সম্প্রতি মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দেন যে, ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত এগোতে পারে। লুটনিক বলেন, “আসলে আমরা ভারতের ব্যাপারটা সমাধান করব, সেখানে বিশেষ কোনও সমস্যা হবে না।” তিনি আরও যোগ করেন, অগ্রগতি অনেকটাই নির্ভর করছে ভারত রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করছে কিনা তার ওপর।

  • India Welcomes Nepal: সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার’ আশা, নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানাল ভারত

    India Welcomes Nepal: সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার’ আশা, নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত (India Welcomes Nepal)। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির (Sushila Karki) নেতৃত্বাধীন এই সরকারকে “শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছে নয়াদিল্লি। সরকার পতনের পর শুক্রবার অগ্নিগর্ভ নেপালের হাল ধরলেন সে দেশের প্রাক্তন বিচারপতি ৭৩ বছরের সুশীলা কার্কি। এদিন রাতে নেপালের রাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য প্রধানদের উপস্থিতিতে শপথ নিলেন তিনি। কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবন শীতল আবাস থেকে বিবৃতি জারি করে সে কথা জানানো হয়েছে।

    স্বাগত বার্তা ভারতের

    নেপালের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান হিসেবে প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহের নাম উঠছিল। কিন্তু ‘জেন জি’-র তরফে তাঁর সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এরপরই কার্কির নাম ওঠে এবং তাঁর পক্ষেই সবচেয়ে বেশি সমর্থন মেলে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী, নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি শুক্রবার রাতে শপথগ্রহণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হলেন। সুশীলা (Sushila Karki) নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে দিল্লি। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “আমরা নেপালে সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। আমরা আশাবাদী যে এই সরকার নেপালে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনার পথে সহায়ক হবে। নিকট প্রতিবেশী, একত্রে গণতান্ত্রিক দেশ এবং দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে, ভারত নেপালের জনগণ এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।”

    নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পোদেল শুক্রবার কাঠমান্ডুতে এক অনুষ্ঠানে সুশীলা কার্কিকে (Sushila Karki) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পাঠ করান। উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। ৭৩ বছর বয়সি কার্কি ছয় মাসের মধ্যে নতুন সংসদীয় নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছেন। সৎ ও স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত কার্কি ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরই কার্কির নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়। ওলি দেশজুড়ে নেপালের যুব সমাজের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এই বিক্ষোভ শুরু হয় ওলির সরকারের বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ঘিরে — যা নেপালের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণআন্দোলন বলে বিবেচিত। রাষ্ট্রপতি, সেনাবাহিনী এবং “জেনারেশন জেড” আন্দোলনকারীদের মধ্যে একাধিক বৈঠকের পরই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নাম অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর জন্য চূড়ান্ত করা হয়।

    ভারতকে পাশে থাকার আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলার নাম কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, “মোদিকে আমি নমস্কার জানাই। আমি তাঁকে সম্মান করি। ভারতের প্রতি আমার অপরিসীম শ্রদ্ধা এবং স্নেহ রয়েছে। কারণ, তাঁরা সর্বদা নেপালের পাশে থেকেছেন।” নেপালে সরকার পতনের তিন দিনের মাথায় গঠিত হল অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার রাতে তিনি রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের (Ramchandra Poudal) কাছে শপথবাক্য পাঠ করেন ৭২ বছর বয়সি সুশীলা (Sushila Karki)। তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি রাম সহায় এবং প্রধান বিচারপতি প্রকাশ সিং রাওয়াত। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাবুরাম ভট্টরাই।

    নেপালে পরবর্তী নির্বাচন কবে

    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুশীলা কার্কিকে (Sushila Karki) মনোনীত করেন আন্দোলনকারী ছাত্র যুবরা। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় তাঁর কাছে এই প্রস্তাবে সম্মতি চাওয়া হলে তিনি প্রস্তাব বিবেচনার জন্য কমপক্ষে ১ হাজার স্বাক্ষর চেয়েছিলেন। পরে তাঁর পক্ষে প্রায় ২ হাজার ৫০০ স্বাক্ষর জমা পড়ে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে সম্মত হন সুশীলা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কার্কির নিয়োগের কড়া সমালোচনা করেছে নেপালের মাওয়িস্ট পার্টি। শুক্রবার রাতে সুশীলা কার্কির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করে নেপালি সংসদের দুই কক্ষের প্রধানরা। রাষ্ট্রপতির পক্ষে থেকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও স্পিকার দেবরাজ ঘিমিরে এবং জাতীয় সংসদের চেয়ারম্যান নারায়ণ দাহাল শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। নেপালের জেন জি আন্দোলকারীদের কোর কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আগামী নির্বাচনের সময়সীমা বেঁধে দেবার কথা জানিয়েছেন। তাদের দাবি, আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে নেপালের পরবর্তী নির্বাচন করতে হবে। সূত্র অনুসারে, ২০২৬ সালের ৫ মার্চ নেপালের পরবর্তী নির্বাচন হবার কথা।

  • World Athletics Championships: ফের টোকিওয় সোনার দৌড়ে নীরজ, শনি-সকালে শুরু বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ

    World Athletics Championships: ফের টোকিওয় সোনার দৌড়ে নীরজ, শনি-সকালে শুরু বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হতে চলেছে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ (World Athletics Championships)। শনিবার থেকে জাপানের টোকিওয় বসবে এই আসর। ন’দিনের এই প্রতিযোগিতা শেষ হবে ২১ সেপ্টেম্বর। দুই বছর পরপর বসে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০২৩ সালে সর্বশেষ আসর হয়েছিল হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে। ভারতের ১৯ জনের দলে আকর্ষণের কেন্দ্রে নীরজ চোপড়া। পাঁচ বছর আগে এই টোকিয়োতেই অলিম্পিক্সে সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ। নজর থাকবে ভারতের দ্রুততম স্প্রিন্টার অনিমেষ কুজুরের দিকেও। তিনি ২০০ মিটারে অংশগ্রহণ করবেন।

    ভারতের নজরে জ্যাভলিন

    ২০২৩ সালে বুদাপেস্টে শেষ যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল, সেখানে ভারত ২৮ জনের দল পাঠিয়েছিল। কিন্তু এবার ভারতের কোনও রিলে দল নেই। এই টুর্নামেন্টের জন্য ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন ১৯ সদস্যের একটি দল ঘোষণা করেছে। এই দলে ১৪ জন পুরুষ এবং ৫ জন মহিলা অ্যাথলিট রয়েছে। মোট ১৫ ইভেন্টে তাঁরা অংশগ্রহণ করবেন। এরমধ্যে গুলবীর সিং এবং পূজা শুধুমাত্র ২ আলাদা-আলাদা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। এবার জ্যাভলিনে এক জন মহিলা-সহ রেকর্ড পাঁচ জনকে পাঠিয়েছে ভারত। নীরজের সঙ্গে এ বারও লড়াই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্বসেরা জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার এবং অলিম্পিক্স চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের আর্শাদ নাদিমের। গত অলিম্পিক্সে নাদিমের কাছেই হারতে হয়েছিল নীরজকে। এ বার সেই হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তাঁর সামনে।

    ভারতের নেতা নীরজ

    বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (World Athletics Championships) নীরজ চোপড়ার কাঁধে একটি বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। টোকিওয় আয়োজিত ২০২৫ বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি ভারতের ১৯ সদস্যের স্কোয়াডকে নেতৃত্ব দেবেন। অন্যদিকে, প্রথম ভারতীয় স্প্রিন্টার হিসেবে এই স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন অনিমেষ কুজুর। পুরুষ জ্যাভেলিন থ্রো ইভেন্টে দু’বারের অলিম্পিক পদকজয়ী নীরজ চোপড়া ছাড়া শচীন যাদব, যশবীর সিং এবং রোহিত যাদব অংশগ্রহণ করছেন। প্রসঙ্গত, গতবারও চ্যাম্পিয়নশিপে ৪ ভারতীয় যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু, চোটের কারণে ছিটকে যান রোহিত। এই অ্যাথলিটদের পাশাপাশি বিনাশ সাবলে ৩,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, পারুল চৌধুরী ৩,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, গুলবীর সিং ৫,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, প্রবীণ চিত্রবেল ট্রিপল জাম্প ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।

    ভারতীয় দল

    পুরুষ – নীরজ চোপড়া, শচীন যাদব, যশবীর সিং, রোহিত যাদব (পুরুষ জ্যাভেলিন থ্রো), মুরলী শ্রীশঙ্কর (পুরুষ লং জাম্প), গুলবীর সিং (পুরুষ ৫০০০ মিটার এবং ১০০০০ মিটার), প্রবীণ চিত্রাবেল এবং আবদুল্লা আবুবকর (পুরুষ ট্রিপল জাম্প), সর্বেশ অনিল কুশারে (পুরুষ হাই জাম্প), অনিমেষ কুজুর (পুরুষ ২০০ মিটার), তেজস শিরসে (পুরুষ ১১০ মিটার স্টিপল চেজ রান), সার্বিন সেবাস্টিয়ান (পুরুষ ২০ কিলোমিটার হাঁটা), রাম বাবু এবং সন্দীপ কুমার (পুরুষ ৩৫ কিলোমিটার হাঁটা)।

    মহিলা – পারুল চৌধুরি এবং অঙ্কিতা ধ্যানী (মহিলাদের ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজ), অন্নু রানি (মহিলা জ্যাভেলিন থ্রো), প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী (মহিলা ৩৫ কিলোমিটার হাঁটা), পূজা (মহিলা ৮০০ মিটার এবং ১৫০০ মিটার)।

    ভারতীয়দের সময়সূচি

    শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর

    ভোর ৪:০০- পুরুষদের ৩৫ কিমি হাঁটা, ফাইনাল— রাম বাবু, সন্দীপ কুমার

    ভোর ৪:০০- মহিলাদের ৩৫ কিমি হাঁটা, ফাইনাল— প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী

    বিকেল ৪:২০- মহিলাদের ১,৫০০ মিটার, হিট— পূজা

    রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৩:১০- পুরুষদের হাই জাম্প যোগ্যতা অর্জন পর্ব— সর্বেশ অনিল কুশারে

    বিকেল ৫:৩৫- মহিলাদের ১,৫০০ মিটার, সেমিফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— পূজা

    সন্ধ্যা ৬:০০- পুরুষদের ১০,০০০ মিটার ফাইনাল— গুলভীর সিং

    সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর

    ভোর ৫:৪৫- মহিলাদের ৩,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, হিট— পারুল চৌধুরি, অঙ্কিতা ধ্যানী

    বিকেল ৪:১০- পুরুষদের লং জাম্প, যোগ্যতা অর্জন পর্ব— মুরলি শ্রীশঙ্কর

    বিকেল ৪:৫০- পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলস, হিট— তেজস শিরসে

    সন্ধ্যা ৬:২৫- মহিলাদের ৩,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— পারুল চৌধুরী, অঙ্কিতা ধ্যানী

    মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৫:০৫- পুরুষদের হাই জাম্প, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— সর্বেশ অনিল কুশারে

    বিকেল ৫:১০- পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলস, সেমিফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— তেজস শিরসে

    সন্ধ্যা ৬:৩৫- মহিলাদের ১,৫০০ মিটার, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— পূজা

    সন্ধ্যা ৬:৫০- পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলস, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— তেজস শিরসে

    বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৩:৩৫- পুরুষদের ট্রিপল জাম্প, যোগ্যতা অর্জন পর্ব— প্রবীণ চিত্রভেল, আবদুল্লাহ আবুবকর

    বিকেল ৩:৪০- পুরুষদের জ্যাভলিন, যোগ্যতা অর্জন পর্ব, গ্রুপ এ— নীরজ চোপড়া, শচীন যাদব, যশবীর সিং, রোহিত যাদব

    বিকেল ৪:৪৫- পুরুষদের ২০০ মিটার, হিট— অনিমেষ কুজুর

    বিকেল ৫:১৫- পুরুষদের জ্যাভলিন, যোগ্যতা অর্জন পর্ব, গ্রুপ বি— নীরজ চোপড়া, শচীন যাদব, যশবীর সিং, রোহিত যাদব

    বিকেল ৫:২০- পুরুষদের লং জাম্প, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— মুরলি শ্রীশঙ্কর

    বৃহস্পতিবার, ১৮ ​​সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৩:৫৩- পুরুষদের জ্যাভলিন, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— নীরজ চোপড়া, শচীন যাদব, যশবীর সিং, রোহিত যাদব

    বিকেল ৪:২৫- মহিলাদের ৮০০ মিটার, হিট— পূজা

    বিকেল ৫:৩২- পুরুষদের ২০০ মিটার, সেমিফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— অনিমেষ কুজুর

    শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৪:০০- মহিলাদের জ্যাভলিন, (যোগ্যতা অর্জন পর্ব), গ্রুপ এ— আন্নু রানি

    বিকেল ৪:৩৫- পুরুষদের ৫,০০০ মিটার, হিট— গুলবীর সিং

    বিকেল ৫:১৫- মহিলাদের ৮০০ মিটার, সেমিফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— পূজা

    বিকেল ৫:২০- পুরুষদের ট্রিপল জাম্প, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— প্রবীণ চিত্রভেল, আবদুল্লাহ আবুবকর

    বিকেল ৫:৩০- মহিলাদের জ্যাভলিন, যোগ্যতা অর্জন পর্ব, গ্রুপ বি— অন্নু রানি

    বিকেল ৬:৩৬- পুরুষদের ২০০ মিটার, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— অনিমেষ কুজুর

    শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর

    ভোর ৬:২০- পুরুষদের ২০ কিমি হাঁটা, ফাইনাল— সার্ভিন সেবাস্টিয়ান

    বিকেল ৫:৩৫- মহিলাদের জ্যাভলিন, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— অন্নু রানি

    রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর

    বিকেল ৪:০৫- মহিলাদের ৮০০ মিটার, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— পূজা

    বিকেল ৪:২০- পুরুষদের ৫,০০০ মিটার, ফাইনাল (যোগ্যতা অর্জন করলে)— গুলবীর সিং

LinkedIn
Share