Author: pranabjyoti

  • PM Modi: ২০তম রোজগার মেলায় ৫১ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র, যুবশক্তিকে দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ২০তম রোজগার মেলায় ৫১ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র, যুবশক্তিকে দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৫১ হাজারেরও বেশি তরুণ-তরুণীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার ২০তম রোজগার মেলার মাধ্যমে ভিডিও সম্মেলনে এই নিয়োগপত্র বিতরণ করা হয়। নবনিযুক্তদের উদ্দেশে ভাষণও দেন প্রধানমন্ত্রী। দেশজুড়ে ৪৫টি কেন্দ্রে এই রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল (Rozgar Mela)।

    মোদি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশের যুবশক্তিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, নিয়োগপত্র পাওয়া তরুণদের জন্য এটি জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। তাঁদের সাফল্যের পিছনে প্রার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের ত্যাগও রয়েছে।

    নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবারে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের সহকর্মী যুবসমাজ এবং দেশের নাগরিকদের প্রতি বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। ভারতীয় তরুণদের প্রতিভা ও দক্ষতার উপর বিশ্বের আস্থা তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং যুবসমাজের কাছ থেকে বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।

    আন্তর্জাতিক সুযোগের উপর জোর (PM Modi)

    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে মোদি বলেন, ভারতের লক্ষ্য এখন শুধুমাত্র সরকার-থেকে-সরকারের সম্পর্কের মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে সীমাবদ্ধ রাখা নয়। এর পরিবর্তে উদ্যোক্তা, কৃষক, মহিলা এবং যুবসমাজকেও আন্তর্জাতিক অংশীদারির সঙ্গে যুক্ত করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    এক্ষেত্রে ব্রিকস সংযোগ এবং ব্রিকস ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ সহযোগিতা পোর্টালের মতো উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অংশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ পেতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রায় ৪০টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নতুন বাজার ও অংশীদারির দরজা খুলছে। এর ফলে ভারতীয় উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি যুবকদের জন্য কর্মজীবনের নতুন সম্ভাবনাও সৃষ্টি হচ্ছে (Rozgar Mela)।

    কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা উন্নয়নে জোর

    পরিবর্তনশীল অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুবকদের দক্ষ করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় শিক্ষানীতি, দক্ষতা ভারত অভিযান, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা এবং শিক্ষানবিশ কর্মসূচির উল্লেখ করেন তিনি।

    সরকারি শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে আধুনিক করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী সেতু প্রকল্পের কথাও বলেন মোদি। এই প্রকল্পে ১,০০০টি সরকারি শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণে ৬০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং শিল্পক্ষেত্রের অংশগ্রহণও বাড়ানো হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, যুবকদের শিক্ষা ও দক্ষতা যেন পরিবর্তিত অর্থনীতির প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোয়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য (PM Modi)।

    বড় শহরের বাইরে ছড়াচ্ছে নতুন উদ্যোগ

    ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নতুন উদ্যোগ-ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডল বলে উল্লেখ করেন মোদি। তাঁর বক্তব্য, নতুন উদ্যোগের বিস্তার আর শুধু বড় মহানগরগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্বীকৃত নতুন উদ্যোগগুলির প্রায় অর্ধেকই এখন দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরগুলিতে রয়েছে।

    গ্রাম, ছোট শহর ও মফস্‌সলের তরুণরা নিজেদের নতুন ভাবনা নিয়ে সংস্থা তৈরি করছেন এবং অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    বেসরকারি ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ

    বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনার কথা উল্লেখ করেন। প্রায় এক লাখ কোটি টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পের লক্ষ্য প্রথমবারের মতো প্রায় ২ কোটি যুবক-যুবতীকে আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের আওতায় নিয়ে আসা।

    প্রকল্পের আওতায় প্রথমবার চাকরিতে যোগ দেওয়া কর্মীরা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা পেতে পারেন। একইসঙ্গে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি করা নিয়োগদাতাদেরও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

    মোদি বলেন, অর্থনীতির বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন শিল্পের প্রতিষ্ঠা এবং উদীয়মান ক্ষেত্রের সম্প্রসারণের সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ে। প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭.৮ শতাংশ এবং বিনিয়োগ ১২ শতাংশ বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মূল্যায়নকারী সংস্থার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    নাগরিককেন্দ্রিক প্রশাসনের বার্তা

    নবনিযুক্ত সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে প্রশাসনিক সংস্কারকে ধারাবাহিক রাখার আহ্বান জানান মোদি। কর-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সরল করা, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সংস্কার এবং নতুন ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরির উপর জোর দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের প্রতিটি সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হওয়া উচিত নাগরিকদের সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নতুন ভাবনাকে উৎসাহ দেওয়া এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বিনিয়োগকে সহজতর করা। তাঁর কথায়, সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে যে সমস্যাগুলির মুখোমুখি হতে হয়েছে নতুন কর্মীদের, তাঁদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে পরবর্তী প্রজন্মের যুবকদের একই সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয় (Rozgar Mela)।

    শিক্ষার উপর গুরুত্ব

    পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকারি কর্মীদের নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মযোগী কাঠামোর মাধ্যমে আজীবন শিক্ষার উপর জোর দেন তিনি।

    নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য কর্মযোগী প্রারম্ভ মডিউল তৈরি করা হয়েছে বলে জানান মোদি। পাশাপাশি, ১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি সরকারি কর্মী ইতিমধ্যেই আইগট কর্মযোগী মঞ্চে যুক্ত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি (PM Modi)।

    নাগরিকের পরিষেবাই জাতীয় পরিষেবা

    প্রশাসনে জনআস্থার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবীণদের পেনশন, পড়ুয়াদের বৃত্তি কিংবা কৃষকদের ভর্তুকির মতো সরকারি পরিষেবা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে বলে জানান তিনি।

    সরকারি কর্মীদের আচরণ, দক্ষতা, সততা এবং সংবেদনশীলতার উপর নাগরিকের সরকারের প্রতি অভিজ্ঞতা অনেকটাই নির্ভর করে বলেও মন্তব্য করেন মোদি।

    ভাষণের শেষে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের “নাগরিক দেবো ভব” নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। নাগরিকের সেবাকে জাতীয় সেবার সমতুল্য বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আপনাদের কাজ যখন কোনও নাগরিকের জীবনকে আরও সহজ করে তুলবে, তখনই আপনাদের সাফল্য আরও বড় হয়ে উঠবে (Rozgar Mela)।”

    ২০তম রোজগার মেলার মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় মোট প্রায় ১২.৭৫ লাখ যুবক-যুবতী নিয়োগপত্র পেয়েছেন বলে সরকারি তথ্যে জানানো হয়েছে (PM Modi)।

     

  • Supreme Court: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নয়া তথ্য, বাদ পড়া ২৭.১৬ লাখের মধ্যে সিংহভাগেরই পুনর্বহালের আবেদন

    Supreme Court: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নয়া তথ্য, বাদ পড়া ২৭.১৬ লাখের মধ্যে সিংহভাগেরই পুনর্বহালের আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের সংখ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) নতুন তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে নাম অন্তর্ভুক্তি ও নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে (EC) চ্যালেঞ্জ করে মোট ৩৮.৩১ লাখ আবেদনপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে ২২.২১ লাখ আবেদন করেছেন সেই ভোটাররা, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, বাদ পড়া ২৭.১৬ লাখ ভোটারের প্রায় ৮২ শতাংশ নিজেদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছেন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এই তথ্য জানায়। কমিশনের বক্তব্য, আপিল ট্রাইব্যুনালগুলির সামনে থাকা মোট ৩৮.৩১ লাখ আবেদনের মধ্যে ২২.২১ লাখ আবেদন করেছেন বাদ পড়া ভোটাররা। অন্যদিকে, ১৬.১০ লাখ আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নামের বিরুদ্ধে। অর্থাৎ, ওই আবেদনগুলির উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম আরও বাদ দেওয়ার দাবি জানানো। এই ১৬.১০ লাখ আবেদন কারা করেছেন, তা কমিশন স্পষ্ট করেনি। তবে কোনও ভোটার বা নির্বাচনী আধিকারিক কোনও ব্যক্তিকে ভোটার হিসেবে অযোগ্য বলে মনে করলে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।

    আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তিতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব (Supreme Court)

    আপিলের বিপুল সংখ্যা সামলাতে পশ্চিমবঙ্গে আপিল ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, আবেদনগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে রাজ্যের লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আপিল ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

    কমিশনের বক্তব্য, “বিচারাধীন আপিলগুলির নিষ্পত্তি আরও সুশৃঙ্খল ও দ্রুত করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গে আপিল ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা রাজ্যের লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এর ফলে বিচারাধীন আপিলগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।”

    ৬০ লাখেরও বেশি ভোটারের যোগ্যতা যাচাই

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের ‘যুক্তিগত অসঙ্গতি’ চিহ্নিত করা ব্যবস্থার মাধ্যমে ৬০.০৬ লাখ ভোটারের নাম যাচাইয়ের আওতায় এসেছিল। ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের মধ্যে একটি অংশের ভোটার হিসেবে যোগ্যতা বিচার করার দায়িত্ব বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের উপর দেয়। সেই সময় তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে আস্থার ঘাটতির কথাও আদালত উল্লেখ করেছিল।

    পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার প্রায় ৭০০ বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের যাচাইয়ের পর ২৭.১৬ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং বাকিদের নাম বহাল রাখা হয় (Supreme Court)।

    এর পর ১০ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট বাদ দেওয়া বা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দেয়। ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং ১৩ এপ্রিল থেকে সেগুলি কাজ শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণের কয়েক দিন আগে থেকেই ট্রাইব্যুনালগুলি কাজ করছিল।

    ভোটের আগে মাত্র ১,৬০৭ জনের নাম ফেরানো সম্ভব

    নির্বাচনের আগে দায়ের হওয়া বিপুল সংখ্যক আবেদনের মধ্যে মাত্র ১,৬০৭ জন ভোটারের নাম সময়মতো ভোটার তালিকায় ফেরানো সম্ভব হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বহু আবেদনকারী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি।

    তবে পরবর্তী সময়ে ট্রাইব্যুনালগুলির নিষ্পত্তির সংখ্যা বেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ অগাস্ট পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া ৮২,৭৮২টি আবেদনের মধ্যে ৭৫,৪৪৩ জনের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ৭,৩৩৯ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে (EC)।

    বর্তমানে অবশ্য আবেদনের বড় অংশই এখনও বিচারাধীন। ১৮ সেপ্টেম্বরের কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩৮,২০,৬৮৩টি আবেদনের মধ্যে ১,০২,২৩১টির নিষ্পত্তি হয়েছে এবং ৩৭,১৮,৪৫২টি আবেদন তখনও বাকি ছিল (Supreme Court)।

     

  • India: লোহিত সাগরে হুথি হামলা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের, মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টায়ও উদ্বেগ

    India: লোহিত সাগরে হুথি হামলা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের, মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টায়ও উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হুথিদের হামলার (Houthi Attacks) তীব্র নিন্দা করে নয়াদিল্লি (India) জানিয়েছে, এই ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ বাব আল-মান্দাব দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতাও এর ফলে হুমকির মুখে পড়ছে।

    ১৮ সেপ্টেম্বর বিদেশমন্ত্রকের তরফে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, লোহিত সাগর এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা, বিশেষ করে সাধারণ মানুষ ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে নিশানা করার ঘটনায় ভারতের নিন্দার কথাও জানান তিনি।

    উদ্বেগ প্রকাশ জয়সওয়ালের (India)

    জয়সওয়াল বলেন, “লোহিত সাগর এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সাধারণ মানুষ ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো-সহ সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলার আমরা নিন্দা জানিয়েছি। পবিত্র শহর মক্কায় হামলার চেষ্টার পরে আমরা যে বিবৃতি দিয়েছিলাম, সেটিও আপনারা দেখেছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে বা দুর্বল করে এবং বাব আল-মান্দাব দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার জন্যও হুমকি তৈরি করে। বিভিন্ন কারণেই বিষয়টি আমাদের কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।”

    মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টায় উদ্বেগ

    লাল সাগর অঞ্চলে উত্তেজনার মধ্যেই ১৫ সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষ জানান, ইয়েমেন থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ড্রোন মক্কার দক্ষিণে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, ড্রোনটি পবিত্র শহরের নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি ঘটনাটিকে “শত্রুতামূলক ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড” বলে অভিহিত করেন এবং দুই পবিত্র মসজিদ ও তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তাকে “লাল রেখা” বলে উল্লেখ করেন।

    ১৬ সেপ্টেম্বর ভারত ওই ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জয়সওয়াল বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও পরিকাঠামোকে বিপন্ন করে এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা করে ভারত। মক্কার বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    সৌদি আরবের দাবি অস্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনকারীরা। তাঁদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগকে “মনগড়া কথা ও মিথ্যা” বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, হুথিদের সামরিক অভিযান সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেগুলি পবিত্র স্থানগুলি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।

    পশ্চিম এশিয়ায় বাড়ছে সংঘাত

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইয়েমেনে হুথি বাহিনী ও সৌদি-সমর্থিত পক্ষগুলির মধ্যে লড়াই বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হুথিরা রেড সি উপকূলের কৌশলগতভাবে (India) গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় অগ্রসর হয়েছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালীর আশপাশে তাদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও সৌদি আরবের তেল রফতানি নিয়েও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ বাব আল-মান্দাব। রেড সি ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে আঞ্চলিক সংঘাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যও প্রভাবিত হতে পারে।

    সৌদি আরব ভ্রমণে সতর্ক করল আমেরিকা

    এদিকে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের আবহে আমেরিকাও সৌদি আরব ভ্রমণ নিয়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বিদেশ দফতর সৌদি আরবের জন্য তৃতীয় স্তরের “ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করুন” সতর্কতা জারি করে। একই সঙ্গে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ চতুর্থ স্তরের “ভ্রমণ করবেন না” সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে (India)।

    আমেরিকার সতর্কবার্তায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং সোশ্যাল মিডিয়া-সংক্রান্ত স্থানীয় আইনের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইয়েমেন সীমান্তবর্তী সৌদি এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে (Houthi Attacks)।

    সব মিলিয়ে লোহিত সাগর, ইয়েমেন ও সৌদি আরবকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভারত দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছে, একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক জলপথে অবাধ ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের গুরুত্বের কথা (India)।

     

  • Suvendu Adhikari: হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির নতুন প্রকল্প, ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির নতুন প্রকল্প, ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদিয়াকে ঘিরে একাধিক শিল্প ও পরিকাঠামো প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার হলদিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের বিশ্বকর্মা পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে (Haldia Plant) তিনি জানান, আগামী ১৪ অক্টোবর, ষষ্ঠীর ঠিক আগে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রকল্পটি ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হয়েছে।

    গর্বের প্রতিষ্ঠান আইওসি (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন গর্বের প্রতিষ্ঠান। জাতীয় নয়, আন্তর্জাতিক স্তরে এর সুনাম রয়েছে। ভারত সরকারের লাভদায়ক নবরত্ন প্রতিষ্ঠান।”

    হলদিয়ার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি জানান, হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দায়িত্বে থাকার সময়ে এলাকায় ২ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগে ডাউনস্ট্রিম পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প বা ক্র্যাকার ইউনিট স্থাপন করা হয়েছিল। আগামী দিনে হলদিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েলের আরও একটি বড় প্রকল্প আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে জমি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    হলদিয়ায় পেপসিকোর কারখানার সম্ভাবনা

    হলদিয়ায় নতুন শিল্প বিনিয়োগের সম্ভাবনা হিসেবে পেপসিকোর কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সংস্থার প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যেই হলদিয়া ও কল্যাণীতে জমি দেখানো হয়েছে।

    শুভেন্দু বলেন, “আমার কাছে বহু নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান আসছে। গতকালও পেপসি কোম্পানিকে হলদিয়ায় পাঠিয়েছিলাম জায়গা দেখার জন্য। তারা কল্যাণী, হলদিয়ার জায়গা দেখে গিয়েছেন। যিনি জমি চাইবেন, সেখানে তাঁদের ৩০-৪০ একর জমি দেওয়া হবে। একটি বড় পেপসি প্ল্যান্ট আসবে।”

    বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংস্থাটি পছন্দের জায়গা চূড়ান্ত করলে জমি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

    ৬ হাজার কোটির প্রকল্পের উদ্বোধন

    হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংস্থার কর্ণধার পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই একাধিকবার তাঁর বৈঠক হয়েছে। ১৪ অক্টোবর হলদিয়ায় গিয়ে নতুন প্রকল্পটি রাজ্যবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করার কথা তাঁর।

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগামী ১৪ অক্টোবর, ষষ্ঠীর ঠিক আগেই ৬ হাজার কোটি টাকার প্ল্যান্টের উদ্বোধনে আমি উপস্থিত থাকব। এটিই রাজ্যবাসীর কাছে পুজোর উপহার হিসেবে তুলে দেব।”

    প্রকল্পটি হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন ফেনল ও অ্যাসিটোন কারখানা। সংস্থার প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন ইউনিটে বছরে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার টন ফেনল উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    সঞ্জীব গোয়েঙ্কার নতুন প্রকল্পের ইঙ্গিত

    হলদিয়ায় শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সংস্থার নতুন প্রকল্পের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, হলদিয়া এনার্জির হাতে থাকা কিছু উদ্বৃত্ত জমির পাশাপাশি আরও জমির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে গোয়েঙ্কার সংস্থা নতুন একটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিল্পাঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়েও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্প দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ হয়ে থাকা ট্রমা সেন্টারের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ৫০ শয্যার ট্রমা সেন্টারের সঙ্গে বার্ন ইউনিটও চালু করা হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা হবে (Suvendu Adhikari)।

    উন্নয়নের পরিকল্পনা

    সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে হলদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জল জমার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পুরসভাকে এই বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার কথাও জানান।

    হলদিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এমনভাবে সেতুটি তৈরি করা হবে যাতে জাহাজ চলাচলে কোনও সমস্যা না হয় এবং সাধারণ মানুষ নৌকার পরিবর্তে গাড়ি ও মোটরসাইকেলে সরাসরি যাতায়াত করতে পারেন (Haldia Plant)।

    এর পাশাপাশি রেলপথ, জাতীয় সড়ক এবং স্থানীয় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • DUSU Elections 2026: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কলেজে জয়ী এবিভিপি, ডুসু নিয়েও ৪-০ জয়ের দাবি

    DUSU Elections 2026: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কলেজে জয়ী এবিভিপি, ডুসু নিয়েও ৪-০ জয়ের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও জয় পেয়েছে এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)। সংগঠনের দাবি, অদিতি মহাবিদ্যালয়, শ্রী অরবিন্দ (ABVP) কলেজের প্রাতঃকালীন শাখা, ভারতী কলেজ, শিবাজি কলেজ-সহ একাধিক (DUSU Election 2026) কলেজে তাদের প্রার্থীরা সবক’টি বা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় পেয়েছেন।

    এবিভিপির দাবি, অদিতি মহাবিদ্যালয়ে সবক’টি পদেই জয় পেয়েছে তাদের প্যানেল। শ্রী অরবিন্দ কলেজের প্রাতঃকালীন শাখায় ৬টি পদেই জয় পেয়ে ৬-০ ফল করেছে তারা। ভারতী কলেজে ৮টি পদেই এবিভিপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। শিবাজি কলেজেও ৬-০ ব্যবধানে সবক’টি পদ দখল করেছে এবিভিপি।

    ড. ভীমরাও আম্বেদকর কলেজে চারটি পদেই এবিভিপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। কেশব মহাবিদ্যালয়ে সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সম্পাদক—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয় এসেছে বলে সংগঠনের দাবি। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কলেজে সভাপতি ও সম্পাদক পদে জয় পাওয়ার পাশাপাশি দুই কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর পদেও এবিভিপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

    শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সেও সভাপতি, সম্পাদক এবং দুই কাউন্সিলর-সহ সবক’টি পদে এবিভিপি প্রার্থীদের জয় হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গ্রন্থাগার বিজ্ঞান বিভাগেও সভাপতি, মন্ত্রী এবং দুই কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর পদে এবিভিপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন বলে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে।

    ডুসুতে চার পদেই জয়ের প্রত্যাশা (DUSU Elections 2026)

    কলেজগুলির নির্বাচনে পাওয়া সমর্থনের ভিত্তিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় প্যানেলেও পড়ুয়াদের সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী এবিভিপি। সভাপতি পদে যশ ডাবাস, সহ-সভাপতি পদে ইশু মৌর্য, সম্পাদক পদে রিয়া ছাবড়ি এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে লক্ষ্যরাজ সিংকে প্রার্থী করেছে সংগঠনটি।

    এবিভিপির বক্তব্য, কলেজগুলির নির্বাচনে যেমন তাদের প্রার্থীরা সমর্থন পেয়েছেন, তেমনই ডুসুর চারটি পদেও পড়ুয়ারা তাদের প্যানেলের উপর আস্থা রাখবেন। সংগঠনটি চারটি পদেই জয়কে ৪-০ ব্যবধানে ‘ক্লিন সুইপ’ হিসেবে দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে।

    তবে ১৯ সেপ্টেম্বর ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর প্রাথমিক গণনায় বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। ভোটের দিন, ১৮ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় প্যানেলের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছিল (DUSU Election 2026)।

    ভুয়ো পরিচয়পত্র ও বিভ্রান্তিকর প্রচারপত্র নিয়ে অভিযোগ

    নির্বাচন চলাকালীন এনএসইউআই-ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগও তুলেছে এবিভিপি। সংগঠনের দাবি, দয়াল সিং কলেজে এবিভিপির নাম ও প্যানেল সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া প্রচারপত্র বিলি করার অভিযোগে দু’জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই ধরনের ঘটনায় এর আগে আরও এক ব্যক্তিকেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সংগঠনের।

    এলসি-২-এর প্রাতঃকালীন শাখায় ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসা এক ছাত্রীকে নিরাপত্তাকর্মীরা আটক করেন বলেও দাবি এবিভিপির। আরও দুই ছাত্রী ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

    অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষ প্রমাণিত হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবিভিপি। একই সঙ্গে সংগঠনের প্রার্থীদের ও কর্মীদের দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সব নিয়ম সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আদালতের নির্দেশের মধ্যে বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও রয়েছে।

    এবিভিপির দিল্লি রাজ্য সম্পাদকের প্রতিক্রিয়া

    এবিভিপির দিল্লি রাজ্য সম্পাদক সার্থক শর্মা বলেন, “ডুসু নির্বাচন রাহুল গান্ধীর সভাপতির আসনের নির্বাচন নয়; এটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের গণতান্ত্রিক নির্বাচন এবং এখানকার পড়ুয়ারাই এর ফল নির্ধারণ করবেন। কংগ্রেসের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কাঠামো, যুব কংগ্রেস এবং এনএসইউআই নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা করেছে। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন।”

    তিনি আরও বলেন, “কলেজগুলির নির্বাচনে এবিভিপি পড়ুয়াদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং ডুসু নির্বাচনেও আমরা পড়ুয়াদের সমর্থন পাব। এনএসইউআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারপত্র সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে, সেগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষী প্রমাণিত হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা (ABVP) নেওয়া উচিত।”

    দিল্লি হাইকোর্টের নির্বাচনী নির্দেশনাকে স্বাগত জানিয়ে সার্থক বলেন, বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করার নির্দেশ-সহ আদালতের সব নির্দেশ মেনে চলতে সংগঠনের কর্মীদের বলা হয়েছে। তাঁর দাবি, ডুসুতে (DUSU Election 2026) এবিভিপির চার প্রার্থীই জয়ী হয়ে ৪-০ ফল করবেন।

     

  • Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত ও মসৃণ করতে আঞ্চলিক দ্রুতগতির গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব। দিল্লি-সহ জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে চালু ‘নমো ভারত’-এর ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গেও এমন রেলপথ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লালের কাছে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি একটি প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত চারটি করিডরের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে (NaMo-Bharat)।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, কলকাতার ময়দানকে কেন্দ্রীয় সংযোগস্থল ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরকে চারটি করিডরের মাধ্যমে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বন্দর, শিক্ষা ও পর্যটনকেন্দ্রগুলির সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রস্তাবের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রস্তাবিত চার রুট (Samik Bhattacharya)

    প্রথম করিডরটি হবে কলকাতা-ময়দান থেকে কল্যাণী, কৃষ্ণনগর হয়ে মায়াপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে নদিয়া ও সংলগ্ন এলাকার সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে।

    দ্বিতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল পর্যন্ত। প্রায় ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দুর্গাপুর ও আসানসোলের সঙ্গে পৃথক দ্রুতগতির গণপরিবহণ সংযোগের কথাও প্রস্তাবে রয়েছে।

    তৃতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার, হলদিয়া হয়ে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত। প্রায় ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটের মাধ্যমে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের শিল্প ও বন্দর এলাকার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    চতুর্থ করিডরটি কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি, কোলাঘাট, খড়গপুর হয়ে মেদিনীপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    রেললাইন-জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে করিডর তৈরির প্রস্তাব

    প্রস্তাবে জমি অধিগ্রহণের সমস্যা ও খরচ কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেলপথের পাশ দিয়ে নতুন দ্রুতগতির রেল করিডর তৈরির কথা বলা হয়েছে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শমীকের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের নগর ও পরিকাঠামোগত বিকাশ এখনও মূলত কলকাতাকেন্দ্রিক। অন্যদিকে দুর্গাপুর, আসানসোল, খড়গপুর, কৃষ্ণনগর ও হলদিয়ার মতো শহর শিল্প, শিক্ষা, বন্দর ও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই শহরগুলির মধ্যে দ্রুত ও উচ্চক্ষমতার যাত্রী পরিবহণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁর প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে (Samik Bhattacharya)।

    যৌথ মালিকানায় নয়া সংস্থার প্রস্তাব

    প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ মালিকানায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সংস্থার নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল র‍্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের পরিবহণ ব্যবস্থার আদলে এই সংস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্পের প্রকৌশলগত দিক, সম্ভাব্য যাত্রীসংখ্যা এবং আর্থিক বিষয় খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Samik Bhattacharya) করার জন্য কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের কাছে (NaMo-Bharat) আবেদন জানিয়েছেন শমীক।

     

  • Tarique Rahman: তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’বার আমন্ত্রণ করা হয়েছে, জানাল নয়াদিল্লি

    Tarique Rahman: তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’বার আমন্ত্রণ করা হয়েছে, জানাল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে (Tarique Rahman) ভারত সরকার দু’বার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একটি আমন্ত্রণ ছিল দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য। অন্যটি ছিল বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন।

    নয়াদিল্লিতে (India) গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে তারেক রহমান যোগ দেননি। একই সঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এখনও ভারত সফরে যাননি তিনি। তাঁর প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে এখনও কোনও নিশ্চিত বার্তাও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ভারত।

    রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। অর্থাৎ, তিনি দু’টি আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন—একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য এবং অন্যটি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের জন্য।” তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে আমরা এখনও কিছু শুনিনি।”

    ব্রিকসের আমন্ত্রণ নিয়ে বাংলাদেশের বক্তব্য (Tarique Rahman)

    ভারতের এই বক্তব্যের আগে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, আমন্ত্রণটি দেওয়া হয়েছিল বিমসটেকের চেয়ারম্যানকে।

    হুমায়ুন কবিরের কথায়, “আমরা কীভাবে যাব? বাংলাদেশের সরকারের কাউকে কি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল? আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কে আপনাদের বলেছে যে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল? বিমসটেকের চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।”

    ভারত অবশ্য জানিয়েছে, ব্রিকসের সম্প্রসারিত অধিবেশনে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভুটান, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ।

    এর আগে জুলাই মাসেও বাংলাদেশের (Tarique Rahman) বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    দ্বিপাক্ষিক সফরেই জোর ঢাকার

    বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগে থেকেই বলা হয়েছে, তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর বহুপাক্ষিক কোনও সম্মেলনকে কেন্দ্র করে না হয়ে দ্বিপাক্ষিক সফর হওয়াই প্রত্যাশিত। হুমায়ুন কবিরও জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ঢাকা।

    আগস্টের শেষ দিকে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দুই দেশ পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সময়সূচিতে একমত হলেই সফরটি হবে।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ঢাকা একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের অনুরোধটি পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে তারেক রহমান

    ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তারেক রহমানের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচি হতে চলেছে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা তাঁর। এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

    সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর। এই অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য, “আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন পরিচালনা: সবার জন্য কার্যকর একটি রাষ্ট্রসংঘ”।

    নিউইয়র্ক সফরে তারেক রহমান বাংলাদেশের (Tarique Rahman) দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়েও একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করার কথা (India) রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এ বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশেষ আলোচনা হবে বলেও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

     

  • India new Zealand Trade Deal: ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের পথে আরও এক ধাপ, আইন পাস নিউজিল্যান্ডের সংসদে

    India new Zealand Trade Deal: ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের পথে আরও এক ধাপ, আইন পাস নিউজিল্যান্ডের সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় আইন পাস করেছে নিউজিল্যান্ডের (India new Zealand Trade Deal) সংসদ। বুধবার ৯৩-২৯ ভোটে বিলটি পাস হয়। বিরোধী লেবার পার্টিও বিলটির পক্ষে (Tariff Relief) ভোট দিয়েছে।

    চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হলে ভারতে রফতানি করা নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৯৫ শতাংশ পণ্যের উপর শুল্ক হয় তুলে দেওয়া হবে, নয়তো তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রথম দিনেই নিউজিল্যান্ডের মোট রফতানির ৫৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পরবর্তী সময়ে এই সুবিধার ক্ষেত্র আরও বাড়বে।

    নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী টড ম্যাকলে বলেন, “রফতানিকারীদের জন্য এর সুফল তাৎক্ষণিক এবং উল্লেখযোগ্য। আমরা আশা করছি, এই উচ্চমানের চুক্তি চলতি বছরেই কার্যকর হবে। এর মাধ্যমে এই মেয়াদে ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে।”

    শুল্ক তুলে নেওয়ার কথা (India new Zealand Trade Deal)

    চুক্তি অনুযায়ী, ভারত থেকে নিউজিল্যান্ডে আমদানি করা পণ্যের উপরও চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই শুল্ক তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে নিউজিল্যান্ডের বাজারে ভারতীয় পণ্যের দাম কমার সুযোগ তৈরি হবে।

    চুক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়টিও রয়েছে। নিউজিল্যান্ড আগামী ১৫ বছরে ভারতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবে। এই বিনিয়োগ বাড়াতে ভারত নিউজিল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থাও গড়ে তুলবে (India new Zealand Trade Deal)।

    ভারত ও নিউজিল্যান্ড চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। চুক্তিটি কার্যকর করার আগে দুই দেশকেই নিজেদের আইনি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

    দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ

    দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়া এক বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩.৯৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার, যা ভারতকে নিউজিল্যান্ডের পণ্য ও পরিষেবার নবম বৃহত্তম রফতানি বাজারে পরিণত করেছে।

    নতুন চুক্তির ফলে ফল, মধু, কাঠ, উল, মৎস্যজাত পণ্য, মদ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের পণ্য ভারতে আরও সুবিধাজনক বাজার-প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, ভারতীয় পণ্যও নিউজিল্যান্ডের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা পাবে।

    উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ডের সংসদে চুক্তি কার্যকরের জন্য আইন পাস হলেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি এখনও কার্যকর হয়নি। দুই দেশের নিজ (Tariff Relief) নিজ অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই তা কার্যকর হবে (India new Zealand Trade Deal)।

     

  • Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে ইলিশ (Hilsa) বাণিজ্যের চেনা ছবিটাই যেন বদলে যাচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারত যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি করেছিল, তার চার গুণেরও বেশি ইলিশ এবার বাংলাদেশে রফতানি করতে চলেছে ভারত। চলতি বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬৫০ থেকে ৭০০ টন পর্যন্ত ইলিশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গত দু’মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে ঢুকেছে। চলতি সপ্তাহান্তের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছেন পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরু থেকেই এই রফতানি শুরু হয়েছে।

    অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে (Hilsa)

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে। সেগুলি ভারুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু ইলিশ আবার হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজার হয়ে বাংলাদেশে গিয়েছে। প্রায় সমস্ত রফতানিই করেছেন হাওড়ার ব্যবসায়ীরা।

    হাওড়া পাইকারি মাছ বাজারের সম্পাদক সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার বলেন, “আমরা সাধারণত বাংলাদেশে বোয়াল, রুই, পার্শে ও ট্যাংরা-সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ রফতানি করি। সেখানে ইলিশের জোগান কম থাকায় এই প্রথম ভারতীয় ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছি। গুজরাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসার পর তার কিছুটা বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিই। বাংলাদেশের বাজারে সেই ইলিশ ভালো সাড়া পায়। পরে আরও ইলিশ রফতানি শুরু করি। এখনও পর্যন্ত ৫০০ টন ইলিশ রফতানি করেছি। দু’দিন আগে গুজরাটে আরও ৫০০ টন ইলিশের বড়সড় জোগান এসেছে। তার মধ্যে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টন বাংলাদেশে পাঠাব আশা করছি।”

    গুজরাটের ইলিশে ডিম বা মাছের ডিমের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কলকাতায় এই ইলিশের চাহিদা সীমিত। তবে এই বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে গুজরাতের ইলিশকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলিতে এই ইলিশের ডিম সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পরে তা ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রফতানি করা হয়। ওই দেশগুলিতে প্রচুর বাংলাদেশি বসবাস করেন।

    কী বলছেন বাংলাদেশের আমদানিকারী 

    বাংলাদেশের এক আমদানিকারী বলেন, “ইলিশের ডিম বের করে নেওয়ার পর মাছের মাংস শুকিয়ে নুন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। তাজা ইলিশের মতো করে এই মাছ খাওয়া হয় না।”

    পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশের ওজন ৭০০ গ্রাম থেকে দেড় কিলোগ্রামের মধ্যে। গুণমানের উপর নির্ভর করে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে রয়েছে (Hilsa)।

    পেট্রাপোল ছাড়পত্রকর্মী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, “মাছগুলির প্রয়োজনীয় খাদ্যমান পরীক্ষা করা হয়। প্রাণী কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শংসাপত্র নেওয়া হয়। পণ্য পাঠানোর আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়।”

    ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা প্রদীপ দে-র মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের ইলিশের উৎপাদন, প্রাপ্যতা এবং ক্রেতাদের চাহিদার ধরনে পরিবর্তনের প্রতিফলন এই ঘটনায় দেখা যাচ্ছে।

    প্রদীপ বলেন, “ইলিশের বিপরীতমুখী বাণিজ্যপ্রবাহ দেখাচ্ছে যে, দেশের অভ্যন্তরে মাছের পর্যাপ্ত জোগান, গুণমান এবং সরবরাহ ব্যবস্থা যদি চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা হলে ভারত প্রতিবেশী দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহকারী হিসেবে উঠে আসতে পারে।”

    পদ্মা-মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবি

    এদিকে বাংলাদেশে ভারতীয় ইলিশের রফতানি চললেও বাংলাদেশ থেকে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবিতে তৎপরতা চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মাছ আমদানিকারী সমিতির সম্পাদক ও সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ সফর করেছেন। সেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান এবং ভারতীয় হাইকমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে রফতানির বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁরা।

    মকসুদ বলেন, “আমরা রফতানির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। তবে (Bangladesh) কোনও সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানাইনি। কারণ নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে বরাদ্দ করা ইলিশের (Hilsa) সামান্য অংশই ভারতে পৌঁছতে পারে।”

     

  • India: মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা নিয়ে পাকিস্তানকে কটাক্ষ ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    India: মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা নিয়ে পাকিস্তানকে কটাক্ষ ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণাকে ‘লোকদেখানো পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিল ভারত (India)। নয়াদিল্লির বক্তব্য, নিজেদের মাটিতে নিষিদ্ধ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে এই ধরনের ‘ভাঁওতা ঘোষণা’ করে কোনও লাভ নেই।

    মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মাসুদ আজহার প্রসঙ্গে বলেন, “পাকিস্তানের এই ধরনের লোকদেখানো কৌশল এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা নতুন কিছু নয়। অতীতেও আমরা একই ধরনের কৌশল দেখেছি।”

    তিনি এও বলেন, “সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা একটি রাষ্ট্র যখন এই ধরনের ভাঁওতা দেয়, তখন তার ফাঁপা চরিত্র আমরা সকলেই জানি। পাকিস্তানের উচিত পদক্ষেপ করা, এমন ঘোষণা নয়, যার কোনও বাস্তব ফল নেই।”

    পাকিস্তান সম্প্রতি মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার বা দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করলে ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি পুরস্কারের কথা জানিয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থার ২০২৬ সালের ‘রেড বুক’-এও আজহারের নাম রয়েছে।

    মাসুদ আজহার (India)

    ভারতের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়ান্টেড মাসুদ আজহার। ২০০১ সালের সংসদে হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা বিস্ফোরণ-সহ একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কাঠমান্ডু থেকে কান্দাহারগামী আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাইয়ের পর যাত্রীদের মুক্তির বিনিময়ে ভারত আজহার-সহ তিন জঙ্গিকে মুক্তি দিয়েছিল।

    পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করে আসছে, আজহারের বর্তমান অবস্থান তাদের জানা নেই এবং সে আফগানিস্তানে পালিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির অভিযোগ, পাকিস্তানই জইশ-ই-মহম্মদ প্রধানকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারও আজহার আফগানিস্তানে রয়েছে বলে পাকিস্তানের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ২০২৫ সালের মে মাসে পহেলগাঁও হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ভারত বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান ঘাঁটিতে হামলা চালায়। সেই হামলায় আজহারের কয়েকজন আত্মীয় নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে (India)।

    এফএটিএফের চাপ

    এদিকে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও আর্থিক অপরাধ দমনের নজরদারি সংস্থা এফএটিএফের চাপের মধ্যেই পাকিস্তানের এই ঘোষণা সামনে এসেছে। আগামী মাসে বৈঠকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে।

    সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান এফএটিএফের বর্ধিত নজরদারির ‘ধূসর তালিকা’য় ছিল। বিশেষ করে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো সংগঠনের অর্থায়ন নিয়ে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আন্তর্জাতিক চাপের পর পাকিস্তান ওই দুই সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিল (India)।

    ২০১৯ সালের মে মাসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মাসুদ আজহারকে (Masood Azhar) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। চিন আপত্তি তুলে নেওয়ার পরেই পরিষ্কার হয়েছিল তার তালিকাভুক্তির পথ।

     

LinkedIn
Share