Author: pranabjyoti

  • Putin: “ভারত বা চিনের সঙ্গে এভাবে কথা বলা যায় না”, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন পুতিন

    Putin: “ভারত বা চিনের সঙ্গে এভাবে কথা বলা যায় না”, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত বা চিনের সঙ্গে এভাবে কথা বলা যায় না।” ওয়াশিংটনকে ঠিক এই ভাষায়ই সতর্ক করে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। শুধু তাই নয়, শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার (Trumps Tariff Pressure) মাধ্যমে ভারত ও চিনকে জোর করে চাপে ফেলার চেষ্টা  না করার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিন্ডেন্টকে।

    বৃহত্তম শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা! (Putin)

    চিনে আয়োজিত এসসিও শীর্ষ সম্মেলন ও একটি সামরিক কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণের পর সাংবাদিক বৈঠকে অংশ নিয়ে পুতিন বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনৈতিক চাপকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এশিয়ার দু’টি বৃহত্তম শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।” ভারত ও চিনকে অংশীদার আখ্যা দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ছিল এই দেশগুলির নেতৃত্বকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা।” তিনি বলেন, “আপনারা ভারতের মতো দেশ পেয়েছেন যেখানে দেড় বিলিয়ন মানুষ, চিন, যাদের শক্তিশালী অর্থনীতি আছে, তবে তাদেরও নিজেদের ঘরোয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও আইন রয়েছে। যখন কেউ আপনাকে বলে যে তারা আপনাকে শাস্তি দেবে, তখন ভাবতে হবে — এত বড় দেশের নেতৃত্ব কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে?”

    কী বললেন পুতিন?

    পুতিন (Putin) বলেন, “ইতিহাস এই দুই দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। তাদের ইতিহাসেও কঠিন সময় ছিল, যেমন ঔপনিবেশিক শাসন, দীর্ঘ সময় ধরে সার্বভৌমত্বের ওপর চাপ। যদি তাদের মধ্যে কেউ দুর্বলতা দেখায়, তবে তার রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যাবে। তাই এই বিষয়গুলি তার আচরণকে প্রভাবিত করে।” এর পরেই রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ওয়াশিংটনের কথাবার্তা এখনও পুরোনো মানসিকতার প্রতিধ্বনি। ঔপনিবেশিকতার যুগ এখন শেষ। তাদের বুঝতে হবে, অংশীদারদের সঙ্গে কথোপকথনে এই ধরনের শব্দ তারা ব্যবহার করতে পারে না।” তিনি বলেন, “অবশেষে সব কিছু মিটে যাবে। প্রতিটি বিষয় তার নিজের জায়গায় বসবে এবং আমরা আবারও স্বাভাবিক রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা দেখতে পাব (Trumps Tariff Pressure)।”

    প্রসঙ্গত, পুতিনের (Putin) এই মন্তব্য করেছেন এমন একটা সময়ে যখন ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে মার্কিন জরিমানার মুখে পড়ছে। আর চিন ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

     

  • New GST Regime: জিএসটি মুক্ত স্বাস্থ্য বিমা ও জীবন বিমার প্রিমিয়াম, বিরাট স্বস্তি আমজনতার

    New GST Regime: জিএসটি মুক্ত স্বাস্থ্য বিমা ও জীবন বিমার প্রিমিয়াম, বিরাট স্বস্তি আমজনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিএসটি কাউন্সিলের (New GST Regime) প্রথম দিনের বৈঠকেই মিলল সুখবর। দু’দিনের এই বৈঠক শুরু হয়েছে বুধবার। জিএসটি কাউন্সিলের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। উপস্থিত ছিলেন দেশের সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রী কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিরা (Insurance Premiums)। এদিন সিদ্ধান্ত হয়েছে, স্বাস্থ্য বিমা ও জীবন বিমার প্রিমিয়ামের ওপর আর আরোপ করা হবে না জিএসটি। এদিন এই ঘোষণাটি করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী স্বয়ং। ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নবরাত্রি উৎসবের প্রথম দিন থেকেই চালু হয়ে যাচ্ছে এই নয়া নিয়ম।

    সরকারি বিজ্ঞপ্তি (New GST Regime)

    সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, “সমস্ত ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিমা এবং তার পুনঃবিমা এবং সমস্ত ব্যক্তিগত জীবনবিমা এবং তার পুনঃবিমাকে জিএসটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।” বর্তমানে স্বাস্থ্য ও টার্ম ইন্স্যুরেন্স পণ্যে ১৮ শতাংশ হারে জিএসটি আরোপ করা হয়। অর্থাৎ, কাউকে যদি ১০,০০০ টাকা প্রিমিয়াম দিতে হয়, তাহলে তার সঙ্গে আরও ১৮০০ টাকা দিতে হয় শুধু জিএসটি হিসেবে অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রিমিয়াম পড়ে ১১,৮০০ টাকা। জিএসটি অব্যাহতির ফলে এখন স্বাস্থ্য ও টার্ম ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আরও সস্তা হবে বলেই আশা। অর্থাৎ ১০,০০০ টাকা প্রিমিয়াম হলে ১০,০০০ টাকাই দিতে হবে। প্রশ্ন হল, বিমাকারীর প্রিমিয়াম কতটা কমবে? এইচএসবিসি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেটস (ইন্ডিয়া)-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরোপুরি জিএসটি মুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। তবে বিমা সংস্থাগুলির খরচের অনুপাতও এই হ্রাসের পরিমাণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    বিমা কোম্পানির বক্তব্য

    স্কোয়ার ইন্স্যুরেন্সের সিইও আকাশ পারওয়াল বলেন, “স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার ওপর থেকে জিএসটি তুলে দিলে সরাসরি প্রিমিয়ামের খরচ কমবে। ফলে বিমা পণ্যগুলো আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে। বর্তমানে ১৮ শতাংশ জিএসটি থাকায় একটি ২৫,০০০ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পলিসির খরচ প্রায় ৪,৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়, যা মধ্যবিত্ত পরিবার ও তরুণ ক্রেতাদের বিমা করা থেকে নিরুৎসাহিত করে। এই কর তুলে দেওয়ায় গ্রাহক উৎসাহিত হবেন এবং এতে দেশে বিমা কভারেজ বৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণ অনায়াস হবে।” তবে এইচএসবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি এই ছাড় দেওয়া হয় তবে সরকার বছরে প্রিমিয়ামের জিএসটি থেকে ১.২ থেকে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রাজস্ব ঘাটতির মুখে পড়তে পারে। যদিও প্রিমিয়াম কমলে চাহিদা বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। তবুও বিমা কোম্পানিগুলির ধারণা, খুচরো স্বাস্থ্যখাতে যৌথ অনুপাতের ওপর ৩ থেকে ৬ শতাংশ প্রভাব পড়তে পারে। এর প্রধান কারণ হল নবায়নের পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ধীরে চলবে, যা সম্পূর্ণ হতে ১২ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে (New GST Regime)।

    সহমত পোষণ

    গ্রুপ অফ মিনিস্টার্স অন হেল্থ অ্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সদস্যরা এ ব্যাপারে সহমত পোষণ করেছিলেন যে জীবন ও স্বাস্থ্য বিমার ওপর জিএসটির বোঝা কমানো প্রয়োজন। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের সব ব্যক্তিগত জীবন বিমা ও স্বাস্থ্য বিমা পলিসিকে জিএসটির (Insurance Premiums) আওতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাবকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেছে। তবে কর্নাটক, পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ু-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের মত হল, এই ছাড় দেওয়ার উদ্দেশ্য তখনই পূর্ণ হবে, যখন বিমা সংস্থাগুলি সরাসরি উপভোক্তাদের ওপর বোঝা কমাবে। এখন বিমা সংস্থাগুলি যদি প্রিমিয়াম না কমায়, তাহলে সাধারণ মানুষের কোনও লাভ হবে না (New GST Regime)।

    জিএসটি প্রত্যাহার এসবেও

    এদিকে, স্বাস্থ্যবিমার পাশাপাশি দাম কমছে মেডিক্যাল সরঞ্জামেও। সস্তা হচ্ছে থার্মোমিটার, অক্সিজেন, ডায়গানাস্টিক কিট, রিএজেন্ট, গ্লুকোমিটার, টেস্ট স্ট্রিপ। ৩৩টি জীবনদায়ী ওষুধের জিএসটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনটি ওষুধ যাদের জিএসটি ছিল ৫ শতাংশ, তাও শূন্য করে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এসব ক্ষেত্রে জিএসটি নেওয়া হত ১২ শতাংশ হারে। এবার তা কমে হচ্ছে পাঁচ শতাংশ। প্রসঙ্গত, এবার থেকে দেশে দু’টি হারে কার্যকর হবে জিএসটি – ৫ এবং ১৮ শতাংশ। ১২ এবং ২৮ শতাংশের যে জিএসটি স্ল্যাব ছিল, তা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু পণ্যকে রাখা হয়েছে ৪০ শতাংশ হারের বিশেষ তালিকায় (Insurance Premiums)।

     ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মোদি

    দেশব্যাপী যে জিএসটির বোঝা কমতে চলেছে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লা থেকে সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই। তিনি জানিয়েছিলেন, নয়া প্রজন্মের জন্য জিএসটি সংস্কার করা হবে। এর ফলে কমবে করের বোঝা, জিনিসপত্রের দাম। ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লা থেকে ওই দিন প্রধানমন্ত্রী দিপাবলীতে ডাবল উপহারের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেন, “দেওয়ালিতে বড় উপহার পাবেন। কর ব্যবস্থাকে সরল করা হয়েছে, জিএসটি আনা হয়েছে। আট বছর বাদে আবার রিভিউ করা হচ্ছে (Insurance Premiums)।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রীর বলা পথেই হাঁটল জিএসটি কাউন্সিল (New GST Regime)।

  • GST Council: জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে বড় অনুমোদন, লাভবান হবেন কারা?

    GST Council: জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে বড় অনুমোদন, লাভবান হবেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:পণ্য ও পরিষেবা কর কাউন্সিল (GST Council) ব্যবসায়ীদের ওপর কমপ্লিয়েন্স সংক্রান্ত চাপ কমাতে কিছু ব্যবস্থা অনুমোদন করেছে। এই অনুমোদিত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি শিল্প (MSME) ও স্টার্ট-আপগুলির জন্য রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা ৩০ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র তিন দিনে আনা হয়েছে। রফতানিকারীদের (Businesses Sources) জন্য স্বয়ংক্রিয় জিএসটি রিফান্ড ব্যবস্থার প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে।

    সরকারের পরিকল্পনা (GST Council)

    বুধবার সকালে শুরু হয়েছে কাউন্সিলের দুদিনের বৈঠক। বৈঠকের অ্যাজেন্ডায় প্রধান আলোচ্য বিষয় হল জিএসটি কর স্ল্যাবের যুক্তিসঙ্গত করা। কাউন্সিল বর্তমানে যে করের স্তরগুলি রয়েছে, তাকে অর্ধেকে নামানোর সুপারিশগুলি খতিয়ে দেখছে। বর্তমানে চারটি স্ল্যাব রয়েছে — ৫, ১২, ১৮ এবং ২৮ শতাংশ। সরকারের পরিকল্পনা হল ২৮ শতাংশ স্ল্যাবের মধ্যে থাকা প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্যকে ১৮ শতাংশ স্ল্যাবে নামিয়ে আনা এবং ১২ শতাংশ স্ল্যাবের একটি বড় অংশকে ৫ শতাংশ স্তরে নিয়ে আসা। এর ফলে ডোমেস্টিক কনজাম্পশান বাড়বে এবং প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি পুষিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, সামগ্রিকভাবে আটটি খাত বস্ত্রশিল্প, সার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অটোমোবাইল, হস্তশিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্য ও বিমা সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে হার পুনর্গঠনের ফলে। কিছু পণ্য বা পরিষেবা, যেমন, জীবন ও স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম, যেগুলির ওপর বর্তমানে ১৮ শতাংশ কর বসে, সেগুলিকে জিএসটি কাঠামো থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাবও এসেছে।

    ‘পাপ সামগ্রী’ শ্রেণিতে যুক্ত হবে স্বাস্থ্য সেস

    তবে কিছু বিলাসবহুল সামগ্রী, যেমন তামাক, উচ্চমূল্যের গাড়ি এবং মদ আগের মতোই ‘পাপ সামগ্রী’ শ্রেণিতে পড়বে এবং এবার এর সঙ্গে যুক্ত হবে স্বাস্থ্য সেস (Health Cess) বা সবুজ শক্তি সেস (GST Council)। প্রসঙ্গত, এই হার যুক্তিসঙ্গত করার প্রস্তাবগুলির ভিত্তি হল গত আট বছরে চারটি করস্ল্যাব থেকে সংগৃহীত রাজস্বের মধ্যে বড় ধরনের বৈষম্য। সরকার মনে করছে, এর ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি উপকৃত হবে। কারণ তাদের জন্য দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী (যদিও কোন কোন পণ্য এর আওতায় পড়বে, তা এখনও পরিষ্কার নয়) এবং আকাঙ্ক্ষিত পণ্যগুলি সস্তা হবে (Businesses Sources)।

    কর ছাড় নির্মাতাদের দাম কমাতে উৎসাহিত করবে। যদিও উৎপাদকরা সচরাচর পুরো হারে দাম কমায় না, তাই কর হ্রাসের হার ও দামের হ্রাস এক হবে না, তবুও এতে উৎপাদন বাড়বে বলেই আশা (GST Council)।

  • Bihar Bandh: প্রধানমন্ত্রীর মাকে অপমান, বিহার বনধের ডাক এনডিএর

    Bihar Bandh: প্রধানমন্ত্রীর মাকে অপমান, বিহার বনধের ডাক এনডিএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রয়াত মায়ের উদ্দেশে কুকথা বলা হয়েছিল কংগ্রেস-আরজেডির মঞ্চ থেকে। তার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এটা গোটা দেশের মা-বোন এবং কন্যাদের অপমান।” দেশের মহিলাদের অপমান করায় বিহার বনধের (Bihar Bandh) ডাক দিল এনডিএ। ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাকে।

    প্রধানমন্ত্রীর মাকে কটু কথা (Bihar Bandh)

    প্রধানমন্ত্রী যখন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন, তখনই তাঁর মায়ের উদ্দেশে কটু কথা বলা হয়। চিন থেকে ফিরেই এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিহারের এক জনসভা থেকে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও, কেন তাঁর মাকে টেনে আনলেন কংগ্রেস সাংসদ এবং হাত শিবিরের লেজুড় আরজেডি নেতা? বিষয়টিকে দেশজুড়ে মহিলাদের প্রতি অপমান হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে তাঁর মৃত মায়ের উদ্দেশে এভাবে অপমানসূচক মন্তব্য অকল্পনীয়।”

    রাহুল-তেজস্বীকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

    রাহুল এবং তেজস্বীকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী (Bihar Bandh) বলেন, “একজন দরিদ্র মায়ের সংগ্রাম, তাঁর ছেলের কষ্ট – রাজপরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ রাজকুমাররা বুঝতে পারেন না। এই নামদার লোকেরা মুখে রূপার চামচ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। দেশ ও বিহারের ক্ষমতা তাঁদের কাছে পরিবারের উত্তরাধিকারের মতো মনে হয়।” তিনি বলেন, “দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বিহার সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসেছে। বিহারের সব মহিলা আরজেডিকে সরিয়ে বারবার পরাজিত করার ক্ষেত্রে খুব বড় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই আরজেডি হোক বা কংগ্রেস আজ এই (PM Modi) লোকেরা মহিলাদের ওপর সব চেয়ে বেশি বিরক্ত। এই লোকেরা আপনাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে চায়, তারা সুযোগ খুঁজছে যাতে তারা আপনাদের শাস্তি দিতে পারে (Bihar Bandh)।”

  • Bihar: বিহারে এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড ভোটারদের, কী কী বদল?

    Bihar: বিহারে এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড ভোটারদের, কী কী বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar) এসআইআরের (sir) আবহেই এবার নয়া ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের। এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড (Voter Id Cards) আনতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। প্রযুক্তিনির্ভর এই ভোটার কার্ডে থাকছে নানারকম ডিজিটাল সুবিধা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসআইআর শেষ হলেই বিহারের প্রত্যেক ভোটারের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই নয়া ভোটার কার্ড। নির্বাচন নিয়ে গুচ্ছের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের দাবি, প্রযুক্তির প্রয়োগে নয়া ভোটার তালিকা হবে আরও বেশি সুরক্ষিত।

    বিহারে ভোটার চিহ্নিত করতে নয়া প্রযুক্তি (Bihar)

    চলতি বছরের শেষেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এবার বিহারে ভোটার চিহ্নিত করতে নয়া প্রযুক্তি আনছে নির্বাচন কমিশন। ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের ভোটাররা হাতে পাবেন নয়া প্রযুক্তির ভোটার আইডি কার্ড। নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “এসআইআর চলাকালীন বিহারের বাসিন্দাদের তাঁদের লেটেস্ট ছবি চাওয়া হয়েছিল। সেই ছবিই ব্যবহার করা হবে নয়া ভোটার কার্ডে।” তবে এই নয়া আইডি কার্ড কেবল বিহারেই চালু হবে, নাকি গোটা দেশেই, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি নির্বাচন কমিশনের তরফে। প্রসঙ্গত, পয়লা অগাস্ট প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিহারে ভোটার রয়েছেন ৭.২৪ কোটি। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হবে ফাইনাল লিস্ট।

    এপিকের আপডেটেড সংস্করণ

    জানা গিয়েছে (Bihar), নয়া ভোটার কার্ড হল পুরানো এপিকের আপডেটেড সংস্করণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভোটাররা যাঁরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের ছবি আপডেট করেছেন, নয়া কার্ডে তাদের সেই ছবিই দেখা যাবে। কার্ডে থাকছে কিউআর কোড। তাই জালিয়াতি বা নকল কার্ড তৈরি করা কার্যত অসম্ভব। কমিশন সূত্রে খবর, কার্ড (Voter Id Cards) মিলবে দু’রকমের – একটি ফিজিক্যাল ও অন্যটি ডিজিটাল। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, প্রযুক্তির এই প্রয়োগে বিহারের ভোটার তালিকা আরও সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ হবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হবে আরও আধুনিক। উল্লেখ্য (Bihar), আগামী ২২ নভেম্বর শেষ হচ্ছে বিহারের বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ। আইন অনুযায়ী, তার আগেই গঠন করতে হবে নয়া বিধানসভা। কমিশন সূত্রের খবর, অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যেই হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন।

    ভোট কেন্দ্রে ভিড় কমাতে চিন্তাভাবনা

    এদিকে, ভোট কেন্দ্রে ভিড় কমাতে চিন্তাভাবনা করছে কমিশন। ভোটের দিনে বুথে বুথে ভিড় কমাতে বাড়ানো হবে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা। আগে প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বাধিক দেড় হাজার ভোটার থাকত। সেই সংখ্যাটা কমিয়ে এবার আনা হচ্ছে ১ হাজার ২০০ জনে। এই পরিবর্তনের ফলে বিহারে মোট বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজারে। আগে ছিল ৭৭ হাজার। ছাব্বিশের মার্চ-এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পশ্চিমবঙ্গে। সেই সময়ও বুথের সংখ্যা বাড়ানোর (Voter Id Cards) সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এতে ভোটারদেরও অনেক বেশি সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না (Bihar)।

  • Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার (AADHAAR) কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়ার দাবি তুলেছিল বিহারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ওই দাবি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুসারে আধারের মর্যাদা নির্ধারিত হয়েছে। সেই মর্যাদা বাড়ানো সম্ভব নয়।”

    ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলায় এর আগে জানিয়েছিল, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য অন্য নথির সঙ্গে আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। সোমবারের শুনানিতে তা আরও স্পষ্ট করে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যাচাইয়ের জন্য অনেক নথির মধ্যে আধারও একটি নথি হতে পারে। আধার আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, আধার নম্বর বা অথেনটিকেশন ধারকের নাগরিকত্ব বা বাসস্থানের প্রমাণ হবে না। ২০১৮ সালেও সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ পুত্তস্বামী মামলায় জানিয়েছিল, “আধার নম্বর কারও নাগরিকত্বের অধিকার অধিষ্ঠিত করতে পারে না।”

    বিরোধী দলগুলির দাবি

    এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিহারের বিরোধী দলগুলির আইনজীবীরা একাধিকবার শুনানির সময় সওয়াল করেছিলেন এই বলে যে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য একমাত্র আধারকেই প্রমাণ হিসেবে ধরা হোক। এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আধারে এত জোর দেওয়া হচ্ছে কেন নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ আধার – আমরা কখনওই সেই নির্দেশ দেব না।” নির্বাচন কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সওয়াল করেন রাকেশ দ্বিবেদী। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আধারকে (AADHAAR) প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তার কারণ বিহারের কয়েকটি জেলায় আধার কার্ড রয়েছে ১৪০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করা হয়েছে, বহু বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা অবৈধভাবে এ দেশে প্রবেশ করে আধার কার্ড বানিয়েছে কিছু রাজ্যে।

    ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ

    প্রসঙ্গত, বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মামলা শুনছে শীর্ষ আদালত। এর আগে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটাররা। তালিকায় বাদ পড়া ভোটারদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিহারের বিরোধী দলগুলি (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয় সেই মামলার। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ নাম বাদ গিয়েছে (AADHAAR)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও, আধারকে পরিচয়ের একমাত্র প্রমাণ হিসেবে ধরা হচ্ছে না (Supreme Court)।”

  • Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প (Detention Camps) গড়ে তুলতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের গতি-প্রকৃতি সীমিত রাখতেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণ রাখা হবে ওই ক্যাম্পে। মঙ্গলবার এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। সম্প্রতি পাশ হওয়া অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫ এর প্রেক্ষিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে (Amit Shah)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন বা জেলা কালেক্টর অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করে, কোনও ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী বিদেশি হিসেবে গণ্য করা হবে কি হবে না, সেই প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত বিদেশি ট্রাইবুনালে মতামতের জন্য পাঠাতে পারবে। এই বিদেশি ট্রাইবুনালে সর্বোচ্চ তিনজন আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ সদস্য থাকবেন, যাঁদের উপযুক্ত মনে করে নিয়োগ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিদেশি নয় বলে তার দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে এবং তার দাবির সমর্থনে জামিনের ব্যবস্থাও করতে না পারলে, সেক্ষেত্রে তাকে আটক করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ বা অবস্থান করতে দেওয়া নাও হতে পারে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি ভারতের কোনও পর্বতচূড়ায় আরোহণ করতে পারবেন না বা করার চেষ্টাও করতে পারবেন না। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি খাতে বিদেশিদের নিয়োগের জন্য নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “ভারতে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ ভিসা থাকা কোনও বিদেশি ব্যক্তি, দেওয়ানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ বা জল সরবরাহ অথবা পেট্রোলিয়াম খাতের সঙ্গে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারবে না। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মানবাধিকার অথবা এ সংক্রান্ত অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশিকে নিয়োগ করতে পারবে না।”

    পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না!

    আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নেপাল বা ভুটানের নাগরিকদের স্থলপথে বা আকাশপথে ভারতে প্রবেশের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না। তবে তাদের বৈধ পাসপোর্ট থাকলে এবং তারা নেপাল বা ভুটান ছাড়া (Detention Camps) অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ বা ভারত থেকে বের হলে, সে ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে চিন, ম্যাকাও, হংকং বা পাকিস্তান থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এই নিয়ম তিব্বতিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই ভারতে বসবাস করছেন বা যাঁরা ভারতে প্রবেশ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নথিভুক্ত করে নথিপত্র জোগাড় করেছেন, তাঁরা যদি ১৯৫৯ সালের পর কিন্তু ২০০৩ সালের ৩০ মে-র আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকেন (Amit Shah)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ছাড় প্রযোজ্য 

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টানরা, যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বৈধ নথি থাকুক বা না থাকুক, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা ভারতে ঢুকেছেন এবং বৈধ নথি ছাড়াই এসেছেন কিংবা বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করলেও, যার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও ভিসা আইন পুরোপুরি কার্যকর হবে না। তবে যাঁরা ছাড়ের আওতায় নেই, তাঁদের কঠোর নিয়ম মানতে হবে (Detention Camps)। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তৈরি ডিটেনশন সেন্টারে তাঁদের আটকে রাখা হবে, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত (Amit Shah)।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর এই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলাভাষায় কথা বললেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের ধরে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে (Amit Shah)।

  • VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বা ১৪ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জাতিগত হিংসার ঘটনায় দীর্ণ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটি। গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। এ নিয়ে আরও জোরালো ধারণা তৈরি হয়েছে মণিপুরের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের এক সরকারি নোট প্রকাশের পর।

    সরকারি নোট (VVIP)

    ওই নোটে বলা হয়েছে, “প্রথমেই মণিপুর সরকারের মুখ্যসচিব প্রস্তাবিত ভিভিআইপি (VVIP) সফর (সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য ও কর্মকর্তাকে স্বাগত জানান।” নোটে আরও বলা হয়েছে, “এই সফরকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করতে হবে। তাই সাধারণ প্রশাসন বিভাগের সচিবকে আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।” নোটে ইম্ফলের কাংলা ও চূড়াচাঁদপুরের পিস গ্রাউন্ডকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভিভিআইপির নাম স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

    কী বলছে প্রশাসন?

    প্রশাসনের তরফে কেউ কিছু না বললেও, রাজ্যের শাসক দলের এক বিধায়ক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রায় নিশ্চিত।” প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত এবং তৎপরবর্তী হিংসায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম মণিপুর সফর। মাস কয়েক হল হিংসা থেমেছে। কিন্তু দু’বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, রাজ্য জাতিগতভাবে বিভক্তই রয়ে গিয়েছে। এ রাজ্যে এখনও (PM Modi) মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিরা একে অন্যের এলাকায় যেতে পারেন না। রাজ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পরেও মণিপুর সফরে না যাওয়ার জন্য বহুবার প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছে কংগ্রেস (VVIP)।

    মণিপুর সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অসমেও। সেখানে তিনি ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি–সাইরাং রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। অসমে প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার শতবর্ষব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন (VVIP)।

  • PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মা আমাদের পৃথিবী। মা আমাদের আত্মসম্মান। কয়েকদিন আগে সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের অধিকারী এই বিহারে যা ঘটেছিল, তা আমি কল্পনাও করিনি। বিহারের মানুষও এটা কল্পনা করেননি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে আমার মাকে গালি দেওয়া হয়েছিল। এই গালিগুলি আমার মায়ের (Dead Mother) অপমান নয়, এগুলি দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান।” মঙ্গলবার বিহারের এক জনসভায় টানা কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    সমস্ত নারীর প্রতি অপমান (PM Modi)

    তিনি এই ঘটনাকে দেশের সমস্ত নারীর প্রতি অপমান বলে বর্ণনা করে বলেন, “রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে আমার প্রয়াত মাকে এভাবে গালিগালাজ করা অকল্পনীয়।” তিনি বলেন, “আমি জানি, আপনাদের সবার, বিহারের প্রতিটি মায়ের, এই ঘটনা দেখে ও শুনে কতটা খারাপ লেগেছে। আমি জানি, আমার হৃদয়ে যতটা কষ্ট আছে, বিহারের মানুষও সেই একই কষ্টে আছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মায়ের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক ছিল না। তার পরেও কেন তাঁকে অপমান করল আরজেডি এবং কংগ্রেস?” তিনি বলেন, “যারা এ ধরনের গালাগালি দেয়, তারা এমন এক মানসিকতার পরিচয় দেয় যা নারীকে দুর্বল মনে করে। বিহারে কংগ্রেসের ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি শুধু আমাকেই নয়, দেশের প্রতিটি নারীকে অপমান করেছে (PM Modi)।”

    মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার

    এদিন নতুন এক সমবায় উদ্যোগের উদ্বোধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে (এটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে) প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহারে এনডিএ সরকার ধারাবাহিকভাবে মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। এই নতুন সমবায় বিহারের কন্যা ও বোনদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “আমি আমার দেশের জন্য প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আর এতে আমার মা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছেন। আমাকে মা ভারতীর সেবা করতে হয়েছিল। তাই আমার মা (Dead Mother), যিনি আমাকে জন্ম দিয়েছেন, তিনি আমাকে আমার দায়িত্ব থেকে মুক্ত করেছেন। সেই মায়ের আশীর্বাদেই আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম (PM Modi)।”

  • Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ভারতের (North India) বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব। বিভিন্ন রাজ্যে জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে রাস্তা, সতর্কতা জারি হয়েছে বন্যার, কোথাও কোথাও আবার জলের (Heavy Rain) তোড়ে ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি। জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তরাখণ্ডে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। গত কয়েক দিনে নাগাড়ে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে একের পর এক আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে।

    পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু (Heavy Rain)

    একদিকে, পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একে রাজ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। একই দৃশ্য লক্ষ্য করা গিয়েছে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে (এনসিআর)। ওই সব এলাকায় বন্যার জল মানুষের ঘরে ঢুকে গিয়েছে। নিকটবর্তী ব্যারাজ থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ায় আরও বিপদের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রশাসনের লোকজন। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, অন্তত সাত দিন স্বস্তি মিলবে না প্রবল বর্ষণ থেকে। প্রবল বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মীর, গুরগাঁও, উত্তরপ্রদেশ এবং চণ্ডীগড়-সহ বেশ কিছু অঞ্চলের স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে মঙ্গলবার। গুরগাঁওয়ের বেসরকারি ও কর্পোরেট অফিসগুলিকে এদিন ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সোমবার ভারী বর্ষণের কারণে শহর ও এনসিআরে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। দিল্লি-এনসিআরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডের জাতীয় সড়কগুলি প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা বা ভেঙে পড়া পাহাড়ি ধ্বংসস্তূপের কারণে বন্ধ রয়েছে জাতীয় সড়ক (Heavy Rain)।

    পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায় বন্যা

    প্রবল বৃষ্টি ও বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় বন্যা হয়েছে পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায়। অগাস্ট মাসে রাজ্যে ২৫৩.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি এবং গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত দু’সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ে টানা আট দিন বন্ধ রয়েছে। সোমবার প্রবল বৃষ্টির জেরে রাজৌরি ও সাম্বা জেলায় ভূমি ধসে পড়ে, যার জেরে প্রশাসন ১৯টি পরিবারকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। ডোডা জেলায় বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৫০০টিরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Heavy Rain)।

    উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টি ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের ৬৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অগাস্ট মাসে একের পর এক মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস ও আকস্মিক (North India) বন্যা দেখা দেয়। ধ্বংস হয় বহু বাড়িঘর। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মানুষ ও গৃহপালিত পশু। রাজ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (Heavy Rain)।

LinkedIn
Share