Author: pranabjyoti

  • RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংঘ এবং আরও অনেক মহান নেতা ও চিন্তাবিদ এমন একটি মৌলিক চিন্তাধারার ভিত্তি গড়ে তুলেছেন, যা সম্পূর্ণভাবে ঔপনিবেশিক প্রভাবমুক্ত। সেটি যেমন আছে, আমাদের তেমনভাবেই তা আত্মস্থ করতে হবে।” চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএসের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে আমরা কতদূর এগিয়েছি এবং সামনে পথই বা কী, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন আমি বলি ‘রাষ্ট্র’ পশ্চিমী অর্থে একটি ‘নেশন’ নয়, তখন রাষ্ট্র মানে সংস্কৃতি, ভারতমাতা এবং আমাদের পূর্বজ পরম্পরা। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন আমরা ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে পাশ্চাত্য কাঠামোর মাধ্যমে এই ধারণাগুলিকে বোঝার চেষ্টা করি।”

    হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস (RSS)

    সংঘে একজন স্বয়ংসেবক প্রাথমিক পর্যায়ে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি, বৌদ্ধিক আলোচনা, সংগীত এবং এমনকি দৈনন্দিন অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো হয়। যেখানে যেখানে আমাদের শাখাগুলি কাজ করে, সেখানকার মানুষ ধীরে ধীরে ভিন্নভাবে দেখতে ও ভাবতে শুরু করেন। এটি একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “সব কিছু এমনভাবে সঞ্চারিত করা হয় যাতে আমরা হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। এটি ধীরগতির কাজ। প্রায় ষাট লাখ স্বয়ংসেবকের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতা পুরোপুরি আত্মস্থ করেছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখনও শুরুই হয়নি। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য হল, আমরা যেন স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় হিসেবে চিন্তা করি, আমেরিকানকৃত বা ইউরোপীয়কৃত ভারতীয় হিসেবে নয়।”

    ‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব

    ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব হয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা থেকে, এবং সেই ধারাই আজও অব্যাহত রয়েছে। সংবিধান প্রণয়নের আগেও যে সত্তা ছিল, সেই সত্তাই সংবিধানের প্রস্তাবনাকে রূপ দিয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের আদর্শ। নানা রকম হিন্দু যখন উপলব্ধি করবেন যে উপাসনার পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাঁরা সকলেই হিন্দু, হিন্দুস্তানি, তখন সাংবিধানিক স্বীকৃতি আসতে পারে। তবে হিন্দু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য তা অপরিহার্য নয়। সব হিন্দু যদি বলেন, “আমরা হিন্দু”—তাই যথেষ্ট।” প্রশ্ন ওঠে, খ্রিস্টানদের জন্য বাইবেল যেমন সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ, মুসলমানদের কোরান। হিন্দুদের জন্য একটি সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে আরএসএসের অবস্থান কী, এবং কেন (RSS)। এদিন তারও উত্তর দেন ভাগবত। তিনি বলেন, “সংঘের অবস্থান আমাদের সভ্যতার অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বভাব থেকেই উৎসারিত। এখানে বহু পথ ও বহু গুরু রয়েছেন। ঐক্য এই উপলব্ধিতে যে লক্ষ্য এক, যদিও সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পদ্ধতি ভিন্ন। হিন্দুত্ব কেবল তথ্যের বিষয় নয়, এটি একটি নীতি, যা কেবল আচরণ ও সাধনার মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। হিন্দুত্ব হল নীতি, আর আরএসএস হল তার প্রয়োগ। এটি কোনও একক সর্বজনীন গ্রন্থের প্রযুক্তিগত দাবি নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আধ্যাত্মিক সভ্যতার স্বীকৃতি ও ঘোষণামাত্র (Mohan Bhagwat)।”

    ‘গো সংবর্ধন’

    আরএসএস প্রধান বলেন, “আমাদের আলাদা ‘গো সংবর্ধন’ বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগের দায়িত্ব হল ভারতীয় গরুর দেশি জাতগুলিকে রক্ষা করা, মানুষকে সেগুলি পালনে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় জাতগুলির প্রসার ঘটানো।” তামিলনাড়ুতে সংঘের বিস্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং তাদের জানাতে হবে। আমাদের জীবনযাপন ও আমাদের উদ্দেশ্য তাদের দেখাতে হবে। যখন তারা আমাদের উদ্দেশ্যের পবিত্রতা দেখবেন, তখন আমাদের ওপর বিশ্বাস করতে শুরু করবেন। এখানে কোনও বিশেষ ভুল বোঝাবুঝি নেই, কেবল কিছু সাময়িক দ্বিধা আছে, যা আলাপ-আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে দূর করা যায়।” ভাগবত বলেন, “যুক্তি মানুষকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে, আর জীবন্ত উদাহরণ ভুল ধারণা দূর করে। নাগপুরে আমাদের সর্বভারতীয় শিবিরে মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভেতর থেকে আমাদের দেখলে সব সংশয় দূর হয়ে যায়। তামিলনাড়ুতে জাতীয় চেতনার অভাব নেই (RSS)। এই অনুভূতি অন্য যে কোনও জায়গার মতোই শক্তিশালী। যা নেই, তা হল এই অনুভূতির পূর্ণ প্রকাশের অনুকূল পরিবেশ। কৃত্রিম বাধা তৈরি করা হয়েছে। যদিও সেগুলি টিকে থাকতে পারে না, কারণ জাতীয় চেতনা যখন সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়, তখন সেই বাধাগুলি ভেঙে পড়ে। সেই পরিবেশ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।” তিনি বলেন (Mohan Bhagwat), “অনেকে আনুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ ছাড়াই সংঘের আদর্শে জীবনযাপন করেন। এর মূল সত্তা হল জীবনাচরণ ও ব্যক্তিগত উদাহরণ। আমরা সমাজের ওপর আস্থা রাখি এবং ঘরে ঘরে পৌঁছনোর মতো পর্যাপ্ত বিস্তার আমাদের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, এমন নাগরিক গড়ে তোলা, যারা সমগ্র ভারতকে একক সত্তা হিসেবে ভাববে (RSS)।”

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার রামদুর্গা তালুকে এক মহিলাকে জোর করে ইসলাম ধর্মী দীক্ষিত করতে চাপাচাপি করা হয়। বছর আঠাশের ওই মহিলাকে স্থানীয় এক মুসলমান লাগাতার হয়রান করত, দিত হুমকিও। নিজের ধর্ম বাঁচাতে নাগাভ্বা দেমাপ্পা ভান্তামুরি নামের ওই মহিলা আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। বেঙ্গালুরুতে আবারও একটি উদ্বেগজনক ‘লাভ জিহাদ’ সংক্রান্ত ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক হিন্দু মহিলা উসমান নামের এক ইসলামপন্থী ব্যক্তির বিরুদ্ধে চরম শারীরিক নির্যাতন, জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা, ব্ল্যাকমেল, আর্থিক শোষণ এবং নির্মম হত্যার হুমকির অভিযোগ দায়ের করেন। রকসৌল সীমান্তে সম্প্রতি এক ১৬ বছর বয়সি হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার (Roundup Week) করার হয়েছে। অভিযোগ, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে শোষণ করা হয়েছিল এবং ধর্মান্তরের দিকে ঠেলে দিয়ে বোরখা পরিয়ে নেপালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পূর্ব চম্পারণের স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, সশস্ত্র সীমা বল (SSB)-এর মানব পাচার বিরোধী ইউনিট রাকসৌল সীমান্তের কাস্টমস অফিসের কাছে নেপালে প্রবেশের চেষ্টার সময় এক ব্যক্তি, বোরখা  পরা ১৬ বছরের এক কিশোরী ও এক নাবালককে আটক করে। ওই ব্যক্তি পশ্চিম চম্পারণের বাসিন্দা মহম্মদ আজমুল্লাহ আলি। মেয়েটি বেত্তিয়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী জেলায় কর্মরত এক বিবাহিত মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, স্বামীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে, টাকা আদায় করেছে। পুনেতে তাঁকে আটকে রেখে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ মহারাষ্ট্র থেকে ওই কনস্টেবলকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্ত গুলফাম ওরফে আরকান আহমদকে গ্রেফতার করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসরাখ থানা এলাকার এক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন যে, সারাই নজর খান, তার বোন গুড়িয়া এবং তার ভগ্নিপতি রাজু খানের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সংগঠিত চক্র পরিচালনা করত। তাঁর অভিযোগ, এরা এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ইসলামপন্থী যুবক নিজেদের পরিচয় গোপন করে হিন্দু নারীদের প্রলোভিত করত, মিথ্যা সম্পর্ক গড়ে তুলত এবং পরে অশ্লীল ভিডিও ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে তাদের শোষণ করত (Hindus Under Attack)।

    বজরং দলের শোভাযাত্রায় পাথর

    উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের জ্বালাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন শৌর্য দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বজরং দলের একটি শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। জ্বালাপুর, হরিদ্বার শহর ও কাঁখাল—এই তিন জায়গা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি রাম চকের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দুর্গা চক ও সাইনি আশ্রমের কাছে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ক্ষুব্ধ বজরং দলের কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন (Roundup Week)। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থিরুপারঙ্কুন্দ্রাম কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের ওপর আক্রমণটি শুধু একটি প্রদীপকে কেন্দ্র করে বিরোধ নয়; বরং এটি হিন্দু অধিকার, মন্দিরের ঐতিহ্য ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি সমন্বিত রাজনৈতিক আক্রমণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার এবং ইন্ডি জোটের সাংসদদের সমর্থন।

    নেহরুকে নিয়ে বিস্ময়কর মন্তব্য রাজনাথের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে নিয়ে এক বিস্ময়কর মন্তব্য করে বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেহরু সংক্রান্ত বক্তব্য তথ্যভিত্তিক বলে দাবি করা হয়েছে। নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, জওহরলাল নেহরু বাবরি মসজিদের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের পক্ষে ছিলেন (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের সেহোর জেলায় পুলিশ ছজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তারা একটি খ্রিস্টান ধর্মান্তরণ চক্র চালাচ্ছিল। এই চক্রটি দরিদ্র বনবাসী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে প্রতি ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণে প্রলুব্ধ করছিল (Hindus Under Attack)। সুরথকল পুলিশের তরফে ইসলামপন্থী দোকান মালিককে এক নাবালককে যৌন হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সুরথকলের চক্কাবেত্তু জুম্মা মসজিদের কাছের হানি ফ্যাশন শপ অ্যান্ড জেনারেল স্টোরের মালিক।

    কিশোরীকে আঘাত ব্লেড দিয়ে

    মির্জাপুরের গণেশগঞ্জ এলাকায় ১৭ বছরের এক হিন্দু কিশোরীকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয় গলা ও কবজিতে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে সে। অভিযোগ, এক ইসলামপন্থী যুবক তাকে ধর্মান্তরণ ও বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত আবদুল ওরফে সইফ সম্পর্কে তথ্য দিলে ২৫,০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাও করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত ষড়যন্ত্র ও তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে নজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।  ‘প্রজা প্রভুত্ব উলিসি আন্দোলন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠন কর্ণাটকের কুদ্রমুখ জাতীয় উদ্যান অঞ্চলে বসবাসকারী দুর্বল জনজাতী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো কথিত মিশনারি ধর্মান্তরণ কার্যকলাপ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Roundup Week)।

    খবরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ-কানাডা

    এদিকে, পাকিস্তানের কুখ্যাত ইসলামপন্থী সংগঠন পীর সারহিন্দি মিথ্যে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানি হিন্দু অধিকারকর্মী শিবা কাচ্ছিকে ইসলামবিরোধী ও পাকিস্তানি রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা ‘ভারতীয় এজেন্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবাশিবা এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    বাংলাদেশের রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবীণ হিন্দু দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এঁদের মধ্য একজন মুক্তিযোদ্ধা, বছর পঁচাত্তরের যোগেশচন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীর সুবর্ণা। বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা কম ভয়ঙ্কর নয়। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ব্র্যাম্পটনে একটি মন্দিরে থ্যাংকসগিভিং সপ্তাহে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে ভক্তরা হতবাক হয়ে যান, দাবি করেন উপাসনালয়গুলির নিরাপত্তা জোরদারের করারও।

  • Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেসিকে (Messi Goat Tour) নিয়ে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যা হল, তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে তৃণমূল-শাসিত বাংলার। তবে শনিবার সন্ধেয় হায়দরাবাদ সাক্ষী রইল আর্জেন্টিনার তারকা-ফুটবলার লিয়োনেল মেসির ম্যাজিকে (Satadru Dutta)। রবিবার বিশ্বজয়ী ‘লা আলবিসেলেস্তে’র অধিনায়ক পা রাখছেন মুম্বইয়ে। উল্লেখ্য যে, হায়দরাবাদের পর রবিবার মুম্বইয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সফরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে ছাড়াই। এদিকে, শনিবার যুবভারতীর ঘটনায় গ্রেফতারির পর বিধাননগর আদালতে তোলা হলে শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    শতদ্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Messi Goat Tour)

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুরের ঘটনায় শতদ্রুর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিন আদালতে গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তের আইনজীবীর সওয়াল, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে, এমন কী এমপিও আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি কী এমন কাজ করেছেন, যার জন্য এই আইনে মামলা হবে। পাশাপাশি জামিনের আবেদনও জানানো হয়।

    শতদ্রুর প্রশ্ন

    এদিন শতদ্রু নিজে পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রশ্ন (Messi Goat Tour) তুলে বলেন, “স্টেডিয়ামে যা ঘটেছে, তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা কেন? ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতেরই বা প্রয়োজন কেন?” সরকারি আইনজীবী বলেন, “মেসির সামনে কে যাবেন, আর কে যাবেন না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আয়োজকের। আয়োজক নিজের লোকজনকে নিয়ে এমনভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন, যাতে সাধারণ দর্শকরা তাঁকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি।” জনসমাগম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আয়োজকের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, এই মর্মে সবপক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

    এদিকে, যুবভারতীর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিল। রবিবার কমিটির সদস্যরা যুবভারতীতে (Messi Goat Tour) পৌঁছে প্রথমেই মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের সঙ্গে কমিটির বাকি দুই সদস্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী মেসির প্রবেশপথের করিডর, নিরাপত্তা (Satadru Dutta) ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর করেন।

  • Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবর রহমানকে (Sheikh Mujibur Rahman) বিশ্বাসঘাতক (Traitor) আখ্যা দিল পাক সেনাবাহিনী। মুজিবর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন তিনি। পাক সেনা শেখ মুজিবরকে পাকিস্তানেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা করেছে। বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান। এত সবের পরেও কোনও প্রতিবাদ করেনি বাংলাদেশ। পাক সেনার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখানো হয়, তা আসলে উপরিতলের এবং স্বল্পমেয়াদি। উভয় পক্ষের আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্খা পূরণের জন্যই এই সম্পর্ক। যদিও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি ১৯৭১ সালে যুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনও দগদগে হয়ে রয়েছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য (Sheikh Mujibur Rahman)

    ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্য সত্যিই ভূ-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ সালে এক সহিংস ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার ঐতিহাসিক শত্রুতার সম্পর্ক এক ঝটকায় রূপ নেয় বহুল প্রশংসিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে। দ্রুত অনুষ্ঠিত হয় দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের এবং সামরিক স্তরের কূটনৈতিক সফর। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়ে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (Sheikh Mujibur Rahman)।

    লোক দেখানো সৌহার্দ্য!

    তবে রাওয়ালপিন্ডি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বিবৃতি দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ওঠা এই নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঘিরে থাকা উচ্ছ্বাসকে ভেঙে দুরমুশ করে দিয়েছে। এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে লোক দেখানো এই সৌহার্দ্য কি কেবলমাত্র উপরিতলের, আর ভেতরে ভেতরে কি এখনও আগুনের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে ছাইয়ের মতো গভীর অবজ্ঞা ও শত্রুতা (Traitor)? যে একই পাক সেনাবাহিনী একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একের পর এক প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে, তেমনি অন্যদিকে সেই সেনাবাহিনীই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জনককে হেয় ও অপমান করছে। ফলে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে গড়ে ওঠা এই ঘনিষ্ঠতার নেপথ্যে প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই উঠেছ গুরুতর প্রশ্ন।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    পাকিস্তান কি ভারতবিরোধী অবৈধ জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য বাংলাদেশকে শুধুই একটি ব্যাকইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে? বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য একটি উর্বর ও প্রস্তুত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে? পাকিস্তান কি বাংলাদেশকে কেবলমাত্র ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছে (Sheikh Mujibur Rahman)? শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব গভীর সন্দেহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, মুজিবরই সেই মানুষ যিনি বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমাদর দেশ, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।” তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন (Traitor)।

    দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন

    ১৯৫৫ সালের অগাস্ট মাসে করাচিতে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছিল। দিনটি ছিল ২৫ অগাস্ট। এক পর্যায়ে সংসদে মাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবর রহমান তাঁর গমগমে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে স্পিকারকে বললেন, স্যার আপনি দেখবেন, ওরা পূর্ববাংলা নামের পরিবর্তে পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার বলেছি, আপনারা এ দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটি নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ করতে হবে (Sheikh Mujibur Rahman)।

    বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এ দেশের নাম ছিল পূর্ববাংলা। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে পূর্ব বাংলার নয়া নামকরণ হয় পূর্ব-পাকিস্তান। সুতরাং, এটা পরিষ্কার পূর্ব বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তান করার যে চক্রান্ত চলছিল, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান জাতীয় সংসদে তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি যে এই ভূখণ্ডের নামের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন, এটাই তার প্রমাণ (Traitor)। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, শেখ মুজিব পূর্ব-পাকিস্তানকে স্বাধীন করতে চাইছেন। এই মামলা দাঁড় করানোর জন্য যে কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তার মধ্যে ছিল বেনামে লেখা কতগুলো চিঠি ও একটি চিরকুট। তাতে লেখাছিল, বাংলাদেশ (Sheikh Mujibur Rahman)।

  • HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’ (HECI Bill) অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet)। এই ঐতিহাসিক বিলের মাধ্যমে একটি একক উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠিত হবে। এই সংস্থার ছাতার তলায়ই চলে আসবে ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিই-সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা সংস্থাও। তবে এই ছাতার বাইরে থাকবে চিকিৎসা এবং আইন বিদ্যা।

    নাম পরিবর্তন (HECI Bill)

    প্রস্তাবিত এই আইনটি আগে হায়ার এডুকেশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (HECI) বিল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল। শুক্রবার অনুমোদিত এই বিলটি জাতীয় শিক্ষানীতির একটি মূল লক্ষ্য পূরণ করেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে একাধিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে থাকা, পরস্পরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করা দায়িত্বযুক্ত একটি খাতকে একীভূত ও সরলীকরণ করা হবে। নয়া ব্যবস্থায় কমিশনটি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ, স্বীকৃতি দান এবং পেশাগত মান নির্ধারণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তবে মেডিকেল ও আইন কলেজ এই ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে। লক্ষণীয় বিষয় হল, তথাকথিত চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত অর্থায়ন আপাতত নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে আসছে না এবং তা প্রশাসনিক মন্ত্রকের কাছেই থাকবে (HECI Bill)।

    উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ

    পরবর্তীকালে সরকার যদি আলাদা কোনও উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ গঠন না করে—যেমনটি একসময় জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় প্রস্তাব করা হয়েছিল, তাহলে বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। সেই অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রকের অধীনে থাকা উচ্চশিক্ষা দফতরই অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করবে। দশকের পর দশক ধরে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে ইউজিসি অ-কারিগরি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, এআইসিটিই কারিগরি শিক্ষার তত্ত্বাবধান করে এবং এনসিটিই শিক্ষক শিক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে অভিহিত করেছিল এবং পৃথক দায়িত্ব পালনের জন্য স্বতন্ত্র ও ক্ষমতাবান সংস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিল (HECI Bill)।

    প্রসঙ্গত, একটি একক নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে প্রকাশিত খসড়া এইচইসিআই বিলের মাধ্যমে। তবে ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রক্রিয়া নতুন করে গতি পায় (Cabinet)। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ায়, ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধীক্ষণ কমিশন’ ভারতের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের (HECI Bill)।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) ব্রাত্যই ছিল সংস্কৃত। তবে ভারতীয় এই ভাষাটির গুরুত্ব বুঝতে পাকিস্তানের সময় লাগল প্রায় ৭৭ বছর। যদিও শেষমেশ সংস্কৃতের (Sanskrit Education) গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। দেশভাগের পর এই প্রথম লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে পড়ানো হবে সংস্কৃত। শুধু তাই নয়, শীঘ্রই গীতা ও মহাভারত নিয়ে পড়াশোনার সুযোগও মিলতে পারে সেখানে। সূত্রের খবর, পড়ুয়া এবং শিক্ষাবিদদের সুপারিশেই সংস্কৃত, গীতা এবং মহাভারতকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে তিন মাসের কোর্স হিসেবেই চালু করা হয়েছিল সংস্কৃত শিক্ষা। ক্লাস হত সপ্তাহান্তে। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে পৌরাণিক রীতি-নীতি সম্পর্কে পড়ানো হত। এতে পড়ুয়া এবং শিক্ষকরা এতই উৎসাহিত হয়ে পড়েন যে, পুরোদমে ফোর ক্রেডিট কোর্স চালু করছে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়।

    পরিস্থিতি পালটাতে পারে (Pakistan)

    এই কোর্সের মাধ্যমে পড়ুয়ারা ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’ গানের উর্দু সংস্করণও শিখতে পারবেন। এটি জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল মহাভারতের থিম সং হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। গুরমানি সেন্টারের ডিরেক্টর আলি উসমান কাসমি বলেন, “১৯৩০ সাল নাগাদ গবেষক জেসিআর উলনার তালপাতায় লেখা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে রেখেছিলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কোনও পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ সেই সব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেননি। শুধু বিদেশি গবেষকরাই সেগুলি নেড়েচেড়ে দেখেন (Sanskrit Education)। এবার পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।”

    মহাভারত ও গীতার কোর্স

    লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় মহাভারত ও গীতার কোর্সও চালু করতে চলেছে। কাসমি বলেন, “আগামী ১০-১৫ বছরে পাকিস্তান থেকে গীতা ও মহাভারত বিষয়ক পণ্ডিত উঠে আসবেন (Pakistan)।” ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদ বলেন, “ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে মানবজাতির জন্য প্রচুর জ্ঞান নিহিত রয়েছে। আমি আরবি ও ফারসি ভাষা দিয়ে শুরু করেছিলাম, পরে সংস্কৃতও শিখেছি।” তিনি বলেন, “গোটা অঞ্চলকে বেঁধে রাখে সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক পাণিনি এখানকার গ্রামের বাসিন্দা। সিন্ধু সভ্যতার যুগে অধিকাংশ লেখালেখি তিনি করেছেন এখানেই। সংস্কৃত পর্বতের মতো, সাংস্কৃতিক সৌধ। আমাদের নিজেদের অধিকার বুঝতে হবে। সংস্কৃত কোনও বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়।”

    নতুন যুগের সূচনা

    তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন (Sanskrit Education), ভারতের হিন্দু এবং শিখরা যদিও আরও বেশি করে আরবি শেখেন এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা যদি সংস্কৃত শেখেন, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য তা হতে পারে একটি নতুন যুগের সূচনা। ভাষা তখন প্রতিবন্ধক না হয়ে, হয়ে উঠতে পারে সেতু।” তিনি জানান, ২০২৭ সালের বসন্ত আসতে আসতে বছরভরের কোর্স চালু করতে তাঁরা সফল হবেন বলে আশাবাদী। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই শেখানো হয় সিন্ধি, পাশতু, পঞ্জাবি, বালুচি, আরবি এবং ফারসি। কিন্তু আঞ্চলিক সাহিত্যই হোক বা কবিতা, শিল্পই হোক বা দর্শন, বৈদিক যুগের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে সব (Sanskrit Education) কিছুর। তাই জরুরি হয়ে উঠেছে সংস্কৃত শিক্ষা (Pakistan)।

  • Veer Savarkar: “সাভারকর ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন, বিভাজনের নয়”, আন্দামানে বললেন ভাগবত

    Veer Savarkar: “সাভারকর ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন, বিভাজনের নয়”, আন্দামানে বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাভারকরের গান ‘সাগর প্রাণ তলমলে’র ১১৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রী বিজয়া পূরমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে (Veer Savarkar) এক মহীরুহ ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, সাভারকরের অসাধারণ প্রতিভা, স্পষ্ট চিন্তাধারা ও দেশের প্রতি গভীর নিষ্ঠার প্রতিফলনই এই কথাগুলি। সাভারকরের স্মৃতিচারণ উপলক্ষে আন্দামানে আয়োজিত এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে আরএসএস প্রধান বলেন, “সাভারকরের ব্যক্তিত্ব ছিল সব অর্থেই পরিপূর্ণ। সঙ্গীত, কবিতা, নাটক, সাহিত্য রচনা ও জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা তাঁকে সমৃদ্ধ করেছিল। আর এই সব প্রতিভাই তিনি উৎসর্গ করেছিলেন ভারত মায়ের সেবায়।”

    ‘সাগরা প্রাণ তলমলালা’ (Mohan Bhagwat)

    ‘সাগরা প্রাণ তলমলালা’ সাভারকরের (Veer Savarkar) এক ঐতিহাসিক দেশাত্মবোধক কবিতা। এরই ১১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভাগবত বলেন, “সাভারকরের সাহিত্যকর্ম, বিশেষ করে তাঁর কবিতাগুলি, তাঁর ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতি তাঁর অটল অঙ্গীকার সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি দান করে।” তিনি বলেন, “ভাষা, বিকাশ ও সাংস্কৃতিক চিন্তায় সাভারকরের অবদান তাঁকে এক বিশাল ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে, যাঁর ভাবনা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।” সাভারকরের জীবনকে প্রভাবের দিক থেকে আকাশছোঁয়া বলে বর্ণনা করে ভাগবত জানান, তাঁর উত্তরাধিকার আজকের দিনে কখনও কখনও শোনা বিভাজনমূলক ভাষার সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, “দেশকে খণ্ডিত করে এমন ভাষার কোনও স্থান নেই। সংকীর্ণ মানসিকতার (RSS) পরিচয় বা সংঘাতের আশ্রয় না নিয়ে ভারতকে একটি জাতি হিসেবে দেখতে হবে, এটিই ছিল সাভারকরের দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের বক্তব্য  

    ভাগবত বলেন, “সাভারকর জাতির একটি সুস্পষ্ট ধারণা উপস্থাপন করেছিলেন, যাকে তিনি অভিন্ন বংশপরম্পরা ও পবিত্র ভৌগোলিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি সভ্যতামূলক ভাবনা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।” তিনি এও বলেন, “ঔপনিবেশিক শাসনকালেও এবং স্বাধীন ভারতের সময়েও সাভারকর বহু কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কখনওই সেই তিক্ততাকে দেশের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের ওপর প্রাধান্য দিতে দেননি।”

    ‘বীরগ্যালাক্সি’ 

    ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতীকদের মধ্যে সাভারকরকে (Veer Savarkar) স্থান দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “১৮৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামী এক বিশাল ‘বীরগ্যালাক্সি’ গড়ে তুলেছিলেন, যার মধ্যে সাভারকর ছিলেন উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।” তিনি বলেন, “আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে দুই মহীরুহ ব্যক্তিত্বের ছাপ আজও স্পষ্ট। এঁরা হলেন বীর সাভারকর এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এঁরা দুজনেই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক গভীর ছাপ রেখে গিয়েছেন, যা কোনওদিন মুছে ফেলা যাবে না (Mohan Bhagwat)।”

    ‘সাগর প্রাণ তলমলে’র ১১৫তম বার্ষিকী

    এদিকে, ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “হিন্দু সমাজের ভেতরে প্রচলিত নানা কুসংস্কার ও অনাচারের বিরুদ্ধে সাভারকর (Veer Savarkar) সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন এবং সমাজের বিরোধিতার মুখেও তিনি (RSS) নিজের কাজ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “অস্পৃশ্যতা দূর করতে সাভারকর এক ঐতিহাসিক সংগ্রাম করেছিলেন। হিন্দু সমাজের সমস্ত অনাচারের বিরুদ্ধে তিনি সচেতনতা গড়ে তুলতে কাজ করেছেন। স্বাধীনতার আগে যাঁদের এখানে সেলুলার জেলে আনা হত, তাঁদের পরিবার কার্যত ভুলেই যেত।” তিনি বলেন, “এই কারাগার থেকে কেউ কখনও ফিরে আসবে, এমনটা কেউ ভাবতেন না। আজ এই স্থানটি ভারতবাসীর কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে, কারণ বীর সাভারকর তাঁর জীবনের কঠিন সময়টি এখানেই কাটিয়েছিলেন।” তিনি জানান, দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্য থেকেই এখানে এনে কাউকে না কাউকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।

    শাহি মন্তব্য

    শাহ বলেন, “এই জায়গাটি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। কারণ আজাদ হিন্দ ফৌজ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে মুক্ত করেছিল। বসুই এখানে দু’টি দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন ‘শহিদ’ ও ‘স্বরাজ’। পরে একে সরকারি স্বীকৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” সাভারকর সম্পর্কে শাহ বলেন, “তিনি জন্মগত দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজসংস্কারক, কবি ও লেখক। খুব কম লেখকই গদ্য ও পদ্য—উভয় ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আমি তাঁর সাহিত্য পড়েছি, এবং আজও বলতে পারি না তিনি বেশি বড় কবি না লেখক, কারণ দু’টিতেই (RSS) তিনি ছিলেন অসাধারণ। পরবর্তী সময়ে তিনি একজন মহান ভাষাবিদ হয়ে ওঠেন। বহু নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তিনি আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে বীর সাভারকর (Veer Savarkar) ৬০০-রও বেশি শব্দ উপহার দিয়েছেন।”

  • Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিনিট-দু’মিনিট নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পাক্কা ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif) প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে। শুক্রবার তুর্কিমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর পিস অ্যান্ড ট্রাস্টের বৈঠকের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হওয়ার কথা ছিল শরিফের। যদিও প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও হাজির হননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। অপেক্ষা করে করে দৃশ্যতই অধৈর্য শরিফ সিদ্ধান্ত নেন পাশের বৈঠককক্ষে ঢোকার। ঢুকতে গিয়ে দেখেন, সেখানে তখনও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিক্যাপ তাইয়াপ এর্ডোগানের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। শরিফকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দুই রাষ্ট্রনেতার সামনে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শরিফ। মিনিট কয়েক দাঁড়িয়ে থেকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

    পাক প্রধানমন্ত্রীর ‘গেটক্র্যাশিং’ (Shehbaz Sharif)

    শরিফের এই অপেক্ষা ও তার পরে ‘গেটক্র্যাশিং’ পাকিস্তানের মর্যাদা ও তার আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে কূটনৈতিক মহলে। বর্তমানে অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তেমন কোনও গুরুত্বই নেই দেশটির। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘কোর ফাইভ’ গঠন করবেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে, সেখানে ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif)। যদিও পাঁচটি দেশের তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্র মোদির ভারতের। তুর্কিমেনিস্তানের স্থায়ী নিরপেক্ষতার ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে মিলিত হয়েছেন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার ওই বৈঠকের ফাঁকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের।

    নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান

    প্রসঙ্গত, ৩০ বছর আগে স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান। ১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা সর্বসম্মতিক্রমে এর স্বীকৃতি দেয়। নিরপেক্ষ দেশ হয়ে সামরিক জোটে যোগ না দেওয়া, আত্মরক্ষা ছাড়া অন্য কোনও দেশের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত না হওয়া এবং তুর্কিমেনিস্তানের মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি স্থাপন করতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তুর্কিমেনিস্তান।

    মোদি-পুতিন সখ্যতা

    দিন কয়েক আগেই ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন (Shehbaz Sharif) পুতিন, একই গাড়িতে বসেছেন, হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন, সেখানে শাহবাজের কপালে অপমান জোটায় পাক প্রধানমন্ত্রীর দিকে ধেয়ে এসেছে কাটাক্ষ-বাণ। এক নেটিজেন বলেন, “পুতিন (Putin) এরকম লোকেদের জন্য তাঁর সময় নষ্ট করতে চান না।” আর একজন বলেন, “এটা আন্তর্জাতিক অপমানে পরিণত হয়েছে।” আর এক নেটিজেন বলেন, “৪০ মিনিট ধরে পুতিনের দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন শাহবাজ শরিফরা। তাও প্রবেশ করার সুযোগ পাননি, পরে অবশ্য প্রবেশ করেছিলেন, যেমন কোনও আত্মীয় আমন্ত্রণ ছাড়াই বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন।” অন্য এক ইউজার লিখেছেন, “৪০ মিনিট অপেক্ষার পর জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়টাও হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু শরিফ ছাড়েননি।” আর (Putin) একজন লিখেছেন, “ওঁকে ট্রাফিক সিগনালের ভিখারির মতোই উপেক্ষা করেছি।” আর এক নেটিজেন আবার লিখেছেন, ‘‘ভিখিরির (Shehbaz Sharif) আবার পছন্দ-অপছন্দ কীসের?’’

  • Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নয়া প্ল্যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)! কোর ফাইভ বা সি৫ নামে বৈশ্বিক শক্তিগুলির একটি নয়া এলিট গোষ্ঠী গঠনের কথা ভাবছেন ট্রাম্প (Core 5 Superbloc Idea)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই কোর ফাইভে জায়গা হয়েছে ভারতেরও। প্রস্তাবিত এই ব্লকে থাকবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত এবং জাপান। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, এটি মূলত ইউরোপ-প্রাধান্যযুক্ত জি৭ এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডভিত্তিক অন্য জোটগুলিকে পাশ কাটাবে।

    কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ (Donald Trump)

    যদিও সরকারিভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি, তবে খবরটি চাউর হয়ে গিয়েছে। যে পাঁচটি দেশ নিয়ে কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ দেখছেন ট্রাম্প, সেই দেশগুলির তরফেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা মেলেনি। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’ তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেই সূত্রেই ছড়িয়েছে এই খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারত, রাশিয়া, চিন এবং জাপানকে নিয়ে কোর ফাইভ গড়তে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবিত কোর ফাইভে জায়গা হয়নি পাকিস্তানের। তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সব চেয়ে উন্নত অর্থনৈতিক গোষ্ঠী জি৭ এর গুরুত্ব লঘু করতেই এই কোর ফাইভ গঠনের ভাবনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Core 5 Superbloc Idea)।

    দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন

    ওয়াশিংটন যখন ইতিমধ্যেই আলোচনা করছে যে দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন কতটা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করতে পারে, ঠিক সেই সময়ই এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধারণাটি জানিয়ে দেয়, জি৭ ও জি২০–এর মতো যে প্ল্যাটফর্মগুলি রয়েছে, সেগুলি বহু-মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি মনে হয় বৃহৎ জনসংখ্যা ও সামরিক-অর্থনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে চুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় (Donald Trump)। মার্কিন মিত্ররা একে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে যা শক্তিমান নেতাদের মান্যতা দেয়।  কারণ এতে রাশিয়াকে ইউরোপেরও ওপরে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পশ্চিমী ঐক্য ও ন্যাটোর সংহতি দুর্বল হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ট্রাম্প মনে করেন, পাঁচ শক্তিধর এই দেশকে যদি এক ছাতার তলায় নিয়ে চলে আসা যায়, তাহলে সেখান থেকে বিশ্বের অনেকটা সুবিধা হবে। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে জি৭ শীর্ষ সম্মলনে যোগ দিয়ে এমনই একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া, চিন এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। তবে এই সুপার ক্লাবে ভারতকে রাখতে চান তিনি।

    সাবধানে পদক্ষেপ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্প খুবই সাবধানে এই পদক্ষেপটি করতে চাইছেন। তিনি মনে করেন, যদি এই দেশগুলি (Core 5 Superbloc Idea) এক ছাতার তলায় চলে আসে, তাহলে সেখানে তিনি তাঁদের নেতা হয়ে সকলকে পরিচালনা করতে পারবেন। তবে বিশ্বের আরও চারটি শক্তিধর দেশ ট্রাম্পের প্রস্তাব যে সহজে মেনে নেবে না, তাও ভালো করেই জানেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সম্প্রতি ভারতের ওপর চড়া শুল্ক হার চাপিয়েছে আমেরিকা (Donald Trump)। তার জেরে ভারতের সঙ্গে যাতে আমেরিকার সম্পর্ক খারাপ না হয়, তা মাথায় রেখেই ‘ট্রাম্প কার্ড’টি খেলতে চলেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। তাই তাকে না চটিয়েই কাজ হাসিল করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই কারণেই ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে ভারতের জায়গা হলেও, ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের।

    ভারত-মার্কিন সম্পর্ক

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কেনায় ভারতের ওপর বেজায় রুষ্ট ট্রাম্প। তার জেরেই ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। কার্যত, এর পরেই তলানিতে ঠেকে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক। অথচ আমেরিকাবাসীর একটা বিরাট অংশই চাইছেন ভারতীয় পণ্যের ওপর যে চড়া হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে, অবিলম্বে তা কমানো হোক (Donald Trump)। এ ব্যাপারে তাঁরা ট্রাম্পের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই নিজের দেশেই বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই গাড্ডা থেকে উঠে আসতে মরিয়া ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারতের মন রাখতে নয়াদিল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে সুপার ক্লাবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি (Core 5 Superbloc Idea) হানা কেলি জানান, এই পরিকল্পনার কোনও ব্যক্তিগত কিংবা লুকোনো কোনও ভার্সন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোর ফাইভ তৈরির বিষয়টি হতে পারে একেবারেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবনা (Donald Trump)।

  • ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্তে কড়া প্রহরার জেরে ফোকর গলে ভারতে ঢুকে জঙ্গি (ISIS) হামলা করতে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে। তাই এবার ‘প্ল্যান বি’ রূপায়ণ করতে চলেছে লস্কর-ই-তৈবা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে একদল জঙ্গি লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বাংলাদেশে (Bangladesh) ঢোকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই দলটি বিস্ফোরক তৈরিতে দক্ষ। তারা বাংলাদেশের জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে যাওয়ার তোড়জোড় করছে।

    বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ (ISIS)

    এর আগে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তাদের মডিউল ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বলে জানতে পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। এক আধিকারিক জানান, এই জঙ্গি সংগঠনগুলি বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে। বড় ধরনের কিছু একটি যে ঘটতে চলেছে, এটিই তারই ইঙ্গিত। আর এক আধিকারিক বলেন, সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। কারণ ভারত ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও বোমা বিস্ফোরণের চেষ্টা হতে পারে।

    আইএসআইয়ের সমর্থনে চলছে কার্যকলাপ

    ভারতীয় সংস্থাগুলি জেনেছে, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের সমর্থনে বহু কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকির মুখে ছিল, এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাকিস্তান, যার বাংলাদেশে একটি ‘বন্ধু’ সরকার রয়েছে, বড় ধরনের কিছু পরিকল্পনা করছে। সাম্প্রতিক জঙ্গি যাতায়াত-সহ যে সব বার্তা মিলেছে, তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারতকে লক্ষ্য করে আইএসআই একটি বড় ধরনের অভিযানের ছক কষছে।

    এই অভিযানে যৌথভাবে কাজ

    গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এই অভিযানে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা একসঙ্গে কাজ করবে (ISIS)। ভবিষ্যতে যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্তটি আইএসআইয়ের নির্দেশের পর গৃহীত হয়। এর পর পাকিস্তানে দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা বৈঠক করে। আলোচনা করে কীভাবে একটি একক কমান্ড কাঠামোর আওতায় তারা এগোবে। বাংলাদেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে অপারেটিভদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নয় সদস্যের একটি দলও গঠন করা হয়েছে (Bangladesh)।

    বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে পাক জঙ্গি দল

    জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার বেশ কয়েকটি দল বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে। আলাপ-আলোচনা করেছে স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গেও। সম্প্রতি হাফিজ সাঈদের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশে ছিল স্থানীয় জঙ্গিদের সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের উৎসাহিত করতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর, চলতি মাসের কোনও এক সময় লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সাঈদের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। সে তার নিজের গোষ্ঠীর সদস্য-সহ অন্যান্যদের সঙ্গেও দেখা করবে। এও জানা গিয়েছে, ভারতে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাঈদ ঢাকা সফর শেষ করলেই এই গোষ্ঠীগুলি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এদিকে, আইএসআই ইতিমধ্যেই নিজেদের চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ শুরু করেছে। এ থেকেই স্পষ্ট, হামলার চেষ্টা খুব শীঘ্রই হতে পারে (ISIS)।

    বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি এবং পশ্চিমবঙ্গে সুপ্ত নেটওয়ার্কগুলির সক্রিয় হওয়া স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এছাড়া, বাংলাদেশের অনেক মাদ্রাসা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই মাদ্রাসাগুলি বিশেষভাবে প্রভাবিতকরণ এবং উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল (Bangladesh)। এই মাদ্রাসাগুলির সবক’টিই আইএসআই-চালিত, যেখানে প্রচারকরা লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য। তাদের মধ্যে কিছু ভারতের ভেতরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই গড়ে উঠেছিল। এখন যেহেতু পরিকল্পনা শেষ পর্যায়ে, তাই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই মাদ্রাসাগুলি।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    এক আধিকারিক বলেন, “এটি পাকিস্তানের একটি পাঠ্যবই-ধাঁচের অপারেশন। বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা চলার সময় যদি এসব মাদ্রাসা খোলা থাকে, তাহলে এর সূত্রের খেই খুব সহজেই আইএসআইয়ের দিকে পৌঁছে যাবে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এসব মাদ্রাসার সদস্যদের কঠোরভাবে প্রশ্ন করা হলে জানা যাবে কে ওই যুবকদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করেছিল এবং কোন সংগঠনের সঙ্গে তাদের যুক্ত করেছিল (ISIS)।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ক্লাসিক আইএসআই অপারেশন। এবার আইএসআই বাংলাদেশের মধ্যে একটি বলির পাঁঠা খুঁজে পেয়েছে। কোনও হামলা হলে তার সূত্র বাংলাদেশের কিছু ব্যক্তির দিকেও নির্দেশ করবে। এটি পাকিস্তানের ঘাড় থেকে দোষ নামিয়ে ফেলে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল (Bangladesh)। ফলে পাকিস্তান দায় অস্বীকার করার সুযোগ পেয়ে যাবে, আর দোষ পড়বে বাংলাদেশের ওপর।

LinkedIn
Share