Author: pranabjyoti

  • New York City Mayor: মামদানি কি পারবেন নিউ ইয়র্কে কমিউনিস্ট-কথিত স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে?

    New York City Mayor: মামদানি কি পারবেন নিউ ইয়র্কে কমিউনিস্ট-কথিত স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ ইয়র্ক সিটির নয়া মেয়র (New York City Mayor) হয়েছেন জোহরান মামদানি (Zohran Mamdani)। বছর চৌত্রিশের এই মানুষটি অবশ্য এখনও মেয়র পদে শপথ নেননি। তবে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন এই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। তাঁর জয়ে বিশ্বজুড়ে আনন্দে আত্মহারা ‘ওয়োক’ লবি। অথচ, মামদানি বামপন্থী জিহাদি হিসেবে পরিচিত। ‘ওয়োক’ লবির হাবভাবেই প্রকাশ, অচিরেই কমিউনিস্ট-কথিত স্বর্গরাজ্যের ধারণা বাস্তবায়িত হয়ে যাবে নিউ ইয়র্ক সিটিতে। ওই লবির উন্মাদনা দেখে মনে হয়, নিউ ইয়র্কের মেয়রই যেন পৃথিবীর সম্রাট, যিনি বিশ্বের সব জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিককে ধ্বংস করতে চলেছেন।

    খবরের ভেতরের খবর (New York City Mayor)

    এবার ফেরা যাক খবরের ভেতরের খবরে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক হল ডেমোক্র্যাট পার্টির শক্ত ঘাঁটি। এই দলটি এতটাই বামঘেঁষা হয়ে গিয়েছে যে, তাদের কথা ও কাজ অনেক সময়ই কমিউনিস্টদের মতো মনে হয়। আমরা জানি, সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদী ও ‘ওয়োক’ প্রচার পশ্চিমী সভ্যতাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে লাগামহীনভাবে অভিবাসনে উৎসাহ দেয়। এই লক্ষ্য পূরণের জন্যই নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে ভোটারদের কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে হয়নি। যার অর্থ হল, অবৈধ অভিবাসীরাও ভোট দিয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার জেরেই বিপুল ভোটে জয় মামদানির।

    মামদানির প্রতিশ্রুতি

    নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে মামদানি দরিদ্র ও নিপীড়িতদের জন্য প্রায় সবকিছুই বিনামূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ধনী-সুবিধাপ্রাপ্তদের ওপর বাড়তি কর চাপিয়ে জোগাড় করা হবে ওই অর্থ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গত একশো বছরে এই ধরনের সামাজিকতাবাদী পরীক্ষার পরিণতি বহুবার ব্যর্থ হয়েছে। তাই মামদানির প্রতিশ্রুতিগুলির পরিণতিও আলাদা কিছু হবে বলে মনে হয় না (Zohran Mamdani)। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার একবার বলেছিলেন, “সোশ্যালিজমের সমস্যা হল এক সময় আপনি অন্যদের টাকাই শেষ করে ফেলেন।” জানা গিয়েছে, মামদানির জয়ের খবর পাওয়ার পর পরই নিউ ইয়র্ক ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছেন সম্পদ-স্রষ্টা ও কর্মদাতারা (New York City Mayor)।

    মামদানির আসল রূপ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বামপন্থীদের এই উচ্ছ্বাস বেশিদিন স্থায়ী হবে না। কিন্তু তাদের শাসন যতদিন থাকবে, ততদিন কোনও দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নীতিগুলি যে ধ্বংস ডেকে আনবে, তা অনুমান করতে হলে মামদানির নীতিগুলির ওপর ভালোভাবে চোখ বোলানো প্রয়োজন। তিনি নিদারুণভাবে ইহুদি-বিরোধী। তিনি বলেছেন, “বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যদি নিউ ইয়র্কে ঢোকেন, তবে তাঁকে গ্রেফতার করবেন।” তিনি ‘গ্লোবালাইজ দ্য ইন্তিফাদা’ স্লোগান দিয়ে ইহুদিদের বিরুদ্ধে এবং ইজরায়েলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হিংসা উসকে দিয়েছিলেন। হিন্দুদের প্রতি তাঁর ঘৃণা বিভীষিকাময়। এই মামদানিই একবার টাইমস স্কয়্যারে এক জেহাদি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যারা হিন্দুদের উদ্দেশে গালিগালাজ করছিল।

    মামদানি পাকিস্তানের সমর্থক

    মামদানি পাকিস্তানের সমর্থক। প্রশ্রয় দেন জেহাদি ও খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের ভারতবিরোধী কার্যকলাপকে (Zohran Mamdani)। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি তাঁর বিদ্বেষ তীব্র। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, আজ আর কোনও গুজরাটি মুসলমান জীবিত নেই। কারণ ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় তারা সবাই নিহত হয়েছে (New York City Mayor)। এই ধরনের মিথ্যাচার ও অসততার নজির অনায়াসেই গড়তে পারেন মামদানি। তিনি বলেন, “যৌনকর্মকে অপরাধ মুক্ত করা উচিত।” তিনি মাদকাসক্তদের জন্য ‘সেফ ইনজেকশন সাইট’ তৈরির পরিকল্পনা করেছেন। শিশু-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন শিথিল করার নকশাও ছকেছেন তিনি। বর্তমান আইনে শিশু-নির্যাতনের অভিযোগকারীকে নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হয় না। কিন্তু মামদানি চান, অভিযোগকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হোক, যাতে নির্যাতনকারী সহজেই তাঁকে ভয় দেখাতে বা আক্রমণ করতে পারে।

    মামদানির ‘কুইয়ার লিবারেশন’ নীতি

    মামদানি ‘কুইয়ার লিবারেশন’ নীতির মাধ্যমে নিউ ইয়র্ককে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়স্থল করে তুলতে চান। এজন্য ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্সির সঙ্গে সমস্ত সহযোগিতা বন্ধ করার পক্ষপাতীও তিনি। এই সংস্থাই অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। উল্লেখ্য, ‘কুইয়ার’ শব্দটির আওতায় মামদানি এমনদের বোঝান যারা নিজেদের বিড়াল, কুকুর, ছাগল বা অন্য কিছুর সঙ্গে ‘আইডেন্টিফাই’ করে (New York City Mayor)। নিউইয়র্ককে আইনশৃঙ্খলাহীন ও নৈরাজ্যের কেন্দ্র বানানোর পথে থাকা কাঁটা দূর করতে মামদানি সমর্থন করেন পুলিশের জন্য বরাদ্দ কমানোর ধারণা। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ‘উন্মুক্ত সীমান্ত’ নীতি নিয়েছে, যাতে বেলাগাম অভিবাসন সম্ভব হয়। তাদের বিশ্বাস, এর বিনিময়ে তারা বড় ধরনের রাজনৈতিক ফয়দা তুলতে পারবে (Zohran Mamdani)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যে নিউইয়র্ক একসময় আমেরিকার ঐশ্বর্যের শীর্ষ প্রতীক ছিল, সেটিই এখন পরিণত হতে চলেছে যৌনকর্মী, অবৈধ অভিবাসী, মাদকাসক্ত, সমকামী এবং শিশুকামপ্রবণদের আড্ডাখানায় (New York City Mayor)।

  • Amit Shah: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে এনডিএ”, এবার দাবি শাহের

    Amit Shah: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে এনডিএ”, এবার দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ৬ নভেম্বর প্রথম দফার নির্বাচন শেষে এমন প্রত্যয় ঝরে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়ও। এবার একই দাবি করলেন শাহ।

    শাহের দাবি (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “বিহারে ২৪৩টি আসনের মধ্যে ১৬০টিরও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ।” শাহ জানান, রাজ্যে অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা, বিশেষ করে সীমাঞ্চলগুলিতে, যেখানে ২৪টি আসন রয়েছে। এই অনুপ্রবেশকারীদের আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই নির্মূল করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অনুপ্রবেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অনুপ্রবেশকারী, তাদের বেআইনি ব্যবসা এবং বেআইনি দখলের কারণে পুরো সীমাঞ্চল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে এখানকার আইনশৃঙ্খলার ওপর। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী পাঁচ বছরে আমরা অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেব। বন্ধ করে দেব তাদের বেআইনি ব্যবসা। একে একে প্রতিটি বেআইনি দখলও সরিয়ে দেব।”

    পঞ্চ পাণ্ডবের জয়!

    তিনি বলেন, “যেভাবে মানুষ আমাদের সমর্থনে উল্লাস প্রকাশ করছেন, তাতে মনে হয় বিহারের মানুষ এনডিএর সঙ্গে, বিজেপির সঙ্গেই রয়েছেন। আমরা ১৬০ আসনের অনেক বেশিই পাব। এনডিএ ন্যূনতম ১৬০ আসন পাবে। আমি এটিকে পঞ্চ পাণ্ডবের লড়াই বলি। কারণ এনডিএর পাঁচ সহযোগী দল হল, জেডিইউ, বিজেপি, এলজেপি (রাম বিলাস), হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা এবং রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চ। সবাই একজোট, কোনও বিবাদ নেই। বুথস্তর থেকে রাজ্যস্তর পর্যন্ত আমরা নরেন্দ্র মোদিজি এবং নীতীশ কুমারজির নেতৃত্বে যৌথ প্রচার চালাচ্ছি (Amit Shah)।”

    প্রথম দফায় ৬৪.৬৬ শতাংশের রেকর্ড ভোটদানের হার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির এই প্রবীণ নেতা জানান, বিহারের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এরও এখানে ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, “এসআইআরও ভোটের শতাংশ বাড়ার একটি কারণ। কারণ যে সব ভোট অপচয় হত, যাঁরা মারা গিয়েছেন বা অন্য কোথাও গিয়ে বসবাস করছেন, তাঁদের নামও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে (NDA) দু’দফায়। মঙ্গলবার হবে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এই পর্যায়ে ভোট হবে ১২২টি আসনে। ভোট গণনা হবে শুক্রবার (Amit Shah)।

  • SIR: এসআইআর জুজুর ভয়েই কি রাতারাতি খালি হয়ে গেল গুলশন কলোনি?

    SIR: এসআইআর জুজুর ভয়েই কি রাতারাতি খালি হয়ে গেল গুলশন কলোনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন পাঁচেক আগেও যেখানে লাখ দুয়েক লোকের বসবাস ছিল, এখন সেখানে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে শুধুই বহুতল। কোনওটায় একজন, কোনওটায় বা দু’জনের হাতে বিএলও তুলে দিলেন এনুমারেশন ফর্ম (SIR)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর জুজুতে রাতারাতি ফাঁকা হয়েছে ‘মিনি বাংলাদেশ’ (Bangladeshi) নামে খ্যাত কসবার গুলশন কলোনি। কসবার এই এলাকা প্রায়ই থাকে খবরের শিরোনামে। তবে সেসব খবর কোনও ইতিবাচক কারণে হয়, বরং নেতিবাচক কারণে সংবাদ মাধ্যমে জায়গা করে নেয় গুলশন কলোনি। এই কলোনির জনসংখ্যা কমবেশি ২ লাখ। শহর কলকাতার এই কলোনি অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। কলোনি লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের একটা অংশের দাবি, “গুলশন কলোনি যেন মিনি বাংলাদেশ! শুধুই বহিরাগতের ভিড়!”

    গুলি-বোমা-বন্দুকের কান ফাটানো আওয়াজ (SIR)

    এই কলোনিতে নিত্যদিনই লেগে থাকে ক্যাচাইন। সামান্য ঝুট-ঝামেলা হলেই এলাকায় শুরু হয়ে যায় দুষ্কৃতিরাজ। গুলি-বোমা-বন্দুকের কান ফাটানো আওয়াজে এবং ভয়ে ঘরে সেঁধিয়ে যায় কলোনির লোকজন। এহেন একটি কলোনিতেই শনিবার শুরু হল এসআইআর। এই কলোনির প্রায় প্রতিটি বাড়িই ৫ থেকে ৬ তলা। প্রতি ফ্লোরে রয়েছে কমপক্ষে ৪টি করে ফ্ল্যাট। পাড়া রয়েছে অনেকগুলি। এক একটি পাড়া চিহ্নিত হয়েছে ইংরেজি অ্যালফাবেট দিয়ে। এর মধ্যে ৩০৪ নম্বর পার্টে রয়েছে এম, এন, এল এবং পি – এই চারটি পাড়া। একটি বুথে বাড়ি রয়েছে হাজার আড়াই। অথচ বুথের মোট ভোটার (SIR) মাত্র ১ হাজার ৭০০ (Bangladeshi)।

    এসআইআর শুরু গুলশন কলোনিতে

    এদিন এক একটি বহুতলে ঢুকলেন বিএলও। তখনই বের হল ঝুলি থেকে বেড়াল! অতি কষ্টে কোনও একটি ফ্লোরের কোনও একটি ফ্ল্যাটে রয়েছেন একজন ভোটার। নিজের কাছে থাকা তালিকার সঙ্গে নাম মিলিয়ে দেখে নিয়ে তাঁর হাতে তুলে দিলেন এমুনারেশন ফর্ম। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি গেলেন পাশের বহুতলে। কিন্তু সেখানেও তো খাঁ খাঁ দশা! তাহলে কি এতদিন ধরে গুলশন কলোনিতে বসত করত বহিরাগতরাই? বিএলও ওয়াসিম আক্রম বলেন, “এক তলা থেকে চার তলায় উঠলাম। শুধু একজনের নাম পেয়েছি। আর কেউ নেই। আর পুরো যা আছে, কেউ বলছে বিহার, কেউ বলছে রিপন স্ট্রিটের বাসিন্দা। অন্য জায়গা থেকে এসে এখানে থাকছে, অথচ ভোটার কার্ড নেই (Bangladeshi)।”

    ৯০ শতাংশ বাসিন্দাই এই এলাকার ভোটার নয়

    লাখ দুয়েক জনসংখ্যার এই কলোনিতে ভোটার (SIR) রয়েছেন ২০ হাজারের মতো। যার অর্থ হল, কলোনির ৯০ শতাংশ বাসিন্দাই এই এলাকার ভোটার নয়। প্রশ্ন হল, তারা কারা? কেনই বা ডেরা বেঁধেছে গুলশন কলোনিতে? এদিন বিএলও ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে ছিলেন কেবল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিএলএ ২ মিনাজ শেখ। দাপুটে এই তৃণমূল নেতার দাবি, “গুলশন কলোনির অনেকেই অন্য এলাকার ভোটার। কিন্তু তালিকায় ঠিকানা বদল করেননি।” তাঁর মতে, গুলশন কলোনি সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারই এলাকাটিকে সবার চোখে খাটো করেছে। গুলশন কলোনি এলাকাটি কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত।

    কলোনিতে বহিরাগতদের ভিড়!

    এই কলোনিতে যে বহিরাগতদের ভিড়, মাস দুয়েক আগেই তা ফাঁস করেছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। এলাকায় ব্যাপক অশান্তির (SIR) প্রসঙ্গে সজল বলেছিলেন, “ওখানে কলকাতা পুলিশ দিয়ে হবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে ডাকতে হবে। গুলশন কলোনি মানে রোহিঙ্গাদের কলোনি। তিন হাজার ভোটার রয়েছে। অথচ এলাকার বাসিন্দা ২ লাখ। এ রকম গুলশন কলোনি রাজ্যের প্রতিটি জেলায় দু-চারটে করে তৈরি হয়েছে। পুরো বেআইনি জগৎ (Bangladeshi)।” সজল যে ঘটনার প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেছিলেন, তা হল গত ১১ সেপ্টেম্বর ভরসন্ধেয় গুলশন কলোনিতে ব্যাপক গোলা-গুলি চলে। হয় বোমাবাজিও। কলোনির অটোস্ট্যান্ডে এসে পর পর গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সূর্য ডোবার পরে এলাকায় আঁধার ঘনাতেই ফের শুরু হয় বোমাবাজি। ওই দিনই মাঝরাতে দুষ্কৃতীরা গিয়ে বোমা ছোড়ে স্থানীয় কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের অনুগামীদের বাড়ি লক্ষ্য করে। সেই ঘটনার ছবি ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গুলশন কলোনি। বিরোধীদের অভিযোগ, ওই ঘটনার নেপথ্যে ছিল শাসক দলের বিধায়ক ঘনিষ্ঠ মিনি ফিরোজ ও তাঁর দলবল।

    বিপাকে তৃণমূল!

    প্রসঙ্গত, গুলশন কলোনি এলাকাটি কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত। এই এলাকার (SIR) বিধায়ক তৃণমূলের জাভেদ আহমেদ খান। তিনি তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের মন্ত্রীও। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সাড়ে ১১ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতেছিলেন জাভেদ। পরের বিধানসভা নির্বাচনে সেই জাভেদই জয়ী হন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৫৭ ভোট পেয়ে। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ। এসআইআর হওয়ার পর (Bangladeshi) জাভেদের গদি টিকবে কি? আপাতত কোটি টাকার প্রশ্ন সেটাই (SIR)।

  • Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliaments Winter Session) শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। শনিবার এই ঘোষণা করেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দিনগুলিতে শীতকালীন অধিবেশনের ডাক দেওয়ার সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।

    রিজিজুর বক্তব্য (Parliaments Winter Session)

    এক্স হ্যান্ডেলে রিজিজু লিখেছেন, “ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের #শীতকালীন_অধিবেশন ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আহ্বান করার সরকারি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন (সংসদীয় কার্যসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল)।” তিনি এও বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে, এমন একটি গঠনমূলক ও অর্থবহ অধিবেশন প্রত্যাশা করছি।”

    শীতকালীন অধিবেশনের গুরুত্ব

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের শীতকালীন অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। বিতর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় আবারও সংসদের দুই কক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে। অনুমান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) এবং তথাকথিত ভোট জালিয়াতি ইস্যুতে বিরোধী দল সরকারকে চাপে ফেলতে পারে। এদিকে, শীতকালীন অধিবেশনের স্বল্প সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “ঘোষণা করা হয়েছে যে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি অস্বাভাবিকভাবে দেরিতে এবং সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। কার্যদিবস হবে মাত্র ১৫ দিন। এতে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে (Parliaments Winter Session)?”

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর সংসদের বাদল অধিবেশন চলেছিল ২১ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। সেবার কার্যদিবস ছিল ২১টি। ওই অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। লোকসভায় পেশ হয়েছিল ১৪টি বিল। এর মধ্যে পাশ হয়েছিল ১২টি বিল। এই অধিবেশনে রাজ্যসভায় অনুমোদন হয়েছিল ১৫টি বিল। এই তালিকায় ছিল আয়কর বিল ২০২৫ও (Kiren Rijiju)। পরে অবশ্য এই বিলটি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের ঘোরতর প্রতিবাদ সত্ত্বেও পাশ হয়েছে লোকসভা অনলাইন গেমিং বিল ২০২৫-এর প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ (Parliaments Winter Session)।

  • Ontario Motion: হিন্দু-বিদ্বেষের নিন্দে করে প্রস্তাব পাশ কানাডার শহরে

    Ontario Motion: হিন্দু-বিদ্বেষের নিন্দে করে প্রস্তাব পাশ কানাডার শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার কোনও প্রদেশে এই প্রথম হিন্দু-বিদ্বেষের (Anti Hindu) নিন্দে করা হল। অন্টারিও (Ontario Motion) প্রদেশের শহর মিসিসাগায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে ‘মিসিসিগায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ মেনে নেওয়া’ শীর্ষক প্রস্তাব। কানাডায় একে হিন্দু-কানাডিয়ানদের জন্য ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

    সরকারি বিবৃতি (Ontario Motion)

    সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মিসিসাগা সিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার সব ধরনের প্রকাশ — মৌখিক, শারীরিক, ডিজিটাল বা প্রাতিষ্ঠানিক — এবং হিন্দু ব্যক্তিবিশেষ, সংগঠন বা মন্দির লক্ষ্য করে পরিচালিত যে কোনও বৈষম্যমূলক আচরণের নিন্দা করে।” ভারতে জন্মেছিলেন দিপিকা দামরলা। বর্তমানে তিনি কানাডীয় সিটি কাউন্সিলের সদস্য। তিনিই এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “মিসিসাগা সিটি অন্টারিওর প্রথম শহর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের ঘটনা মেনে নিল। ওই প্রস্তাব সর্বসম্মত সমর্থনের জন্য মিসিসাগা কাউন্সিলকে ধন্যবাদ এবং সকল বক্তাকে ধন্যবাদ।” এর পরেই দামরলার নয়া পোস্টের কমেন্ট বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে ‘অ্যান্টি-ইন্ডিয়া হেট’।

    হিন্দু-বিদ্বেষীদের উপদ্রব

    অবশ্য এই প্রথম নয়, তিনি যখন কানাডায় বাড়তে থাকা হিন্দু-বিদ্বেষীদের উপদ্রব, মন্দির ভাঙচুর ও হয়রানির ঘটনার মাঝে হিন্দুদের জন্য ইতিবাচক খবর শেয়ার করছিলেন, তখনও কিছু লোক তাঁকে লক্ষ্য করে বলেছিল, ‘গো ব্যাক টু ইন্ডিয়া’। এই বিতর্কেরও জবাব দিয়েছিলেন দামরলা। এবারও তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এই প্রস্তাব ভারত নিয়ে নয়, বরং কানাডার হিন্দুদের নিয়ে, এবং এর সঙ্গে ভারতীয়দের কোনও সম্পর্কই নেই। এক ইউজার প্রশ্ন তুলেছেন, “আমাদের কেন অ্যান্টি-হিন্দু ঘৃণার জন্য আলাদা প্রস্তাবের প্রয়োজন?” এরও জবাব দিয়েছেন কানাডীয় সিটি কাউন্সিলরের এই সদস্য। তিনি বলেন, “এটি বিশেষ কোনও আইনের ব্যাপার নয়। বিষয়টি হল এই ঘৃণাকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা এবং ঘটনা যে ঘটছে, তা মেনে নেওয়া, যেমন এই পোস্টের কিছু মন্তব্যে দেখা গিয়েছে (Anti Hindu)। আমরা যদি একে নাম না দিই এবং প্রকাশ্যে না বলি, তবে এটি স্বাভাবিক হয়ে যায়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই স্বাভাবিকীকরণ ইতিমধ্যেই ঘটছে (Ontario Motion)।”

    ‘হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশনে’র মত

    ‘হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশনে’র মতে, কাউন্সিলর জো হর্নেক প্রস্তাবটির সমর্থনে দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে ভাষণ দিতে গিয়ে হিন্দু কানাডিয়ানদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। এর ফলে সমস্ত বাসিন্দার ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে মিসিসাগা সিটি কাউন্সিল আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে যে তারা যেন পিল আঞ্চলিক পুলিশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথভাবে ধর্ম-সংশ্লিষ্ট ঘৃণার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। এ ক্ষেত্রে মিসিসাগার ইতিবাচক পদক্ষেপ এসেছে ঠিক সেই সময়, যখন আলবার্টার ওয়েনরাইট কানাডার প্রথম পুরসভা হিসেবে হিন্দুফোবিয়াকে একটি উদ্বেগজনক সমস্যা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে (Ontario Motion)।

    ‘কোহনা কানাডা’র বক্তব্য

    “তৃণমূল-স্তরের অধিকার রক্ষার সংগঠন” ‘কোহনা কানাডা’ এই প্রস্তাব পাস হওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ মিসিসাগা দ্বিতীয় কানাডিয়ান শহর যারা এই অবস্থান নিয়েছে এবং তার হিন্দু সংখ্যালঘুদের প্রকাশ্যে আশ্বাস দিয়েছে। এটি বহু বছর ধরে মন্দির ও হিন্দুদের ওপর হিংসা বৃদ্ধির পর এক বিশাল স্বস্তি।” সংগঠনটি এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেছে। প্রশংসা করেছে কাউন্সিলর দামেরলারও। কারণ এই প্রস্তাবটি এসেছে এমন একটা সময় (Anti Hindu), যখন গত বছর প্রায় এই সময়ই হামলা হয়েছিল হিন্দু মন্দিরে, মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচার চালানো হয়েছিল ভক্তদের ওপর। ট্যুইট-বার্তায় হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন লিখেছে, “হিন্দু কানাডিয়ানদের জন্য এক ঐতিহাসিক জয় – মিসিসাগায় অ্যান্টি-হিন্দু বিদ্বেষের কথা মেনে নেওয়া হল: প্রস্তাব পাস হয়েছে (Ontario Motion)।”

    গণেশের মূর্তি ভাঙচুর

    সংস্থাটি এও উল্লেখ করেছে যে, এই প্রস্তাবটি হিন্দু কানাডিয়ানদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে স্বীকার করার এবং তাঁদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক সম্মান পাওয়ার অধিকারকে দৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতীক। প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এটি শুধুমাত্র কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি নৈতিক অবস্থান, একটি প্রকাশ্য ঘোষণা যে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাকে উপেক্ষা করা হবে না বা লঘু করে দেখা হবে না।’ প্রসঙ্গত, কানাডায় ক্রমেই বাড়ছে হিন্দুদের ওপর হিংসার ঘটনা। হিন্দু কাউন্সিল অফ কানাডা জানিয়েছে, গত বছর অগাস্টে হিন্দু দেবতা গণেশের মূর্তি ভাঙচুর করা হয় এবং মিসিসাগার একটি কমিউনিটি (Anti Hindu) হলে হিন্দুবিরোধী মন্তব্য স্প্রে-পেইন্ট করা হয়। গত কয়েক বছরে হিন্দু মন্দির ভাঙচুরের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Ontario Motion)।

  • Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৯ নভেম্বর। এদিন থেকেই ফের শুরু হবে অসমের (Assam) বনভূমিতে বাংলাদেশি মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান (Eviction Drives)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বয়ং। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুর আবেগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অসমে নেপালের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। তাদের ধারণা ছিল, এভাবে সরকারকে চাপের মুখে ফেলে উচ্ছেদ অভিযান থামানো যাবে। কিন্তু দুঃখিত, আমি আপনাদের সেই আশা পূরণ করতে পারিনি। ৯ নভেম্বর থেকে গোয়ালপাড়া জেলার দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ফের শুরু হবে উচ্ছেদ অভিযান।”

    দখলদার উচ্ছেদ অভিযান (Assam)

    জানা গিয়েছে, বনবিভাগ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ১ হাজার ১৪৩ বিঘে বনভূমি থেকে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে। ৯ নভেম্বরের আগেই বনভূমি খালি করার নির্দেশ দিয়ে ৩০০-রও বেশি বাংলাদেশি মুসলিম পরিবারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর বহু অবৈধ দখলদার বনভূমি ছেড়ে চলে গিয়েছে। দোহিকোটা সংরক্ষিত বনাঞ্চলটি হাতির বাসস্থান হলেও, অবৈধ দখলদারির জেরে ব্যাঘাত ঘটছে হাতির জীবনযাত্রার। তাই গোয়ালপাড়া জেলায় মানুষ–হাতি সংঘাত বাড়ছে দ্রুত।

    অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা

    প্রসঙ্গত, গায়ক জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর অসমে একদল মানুষ অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। গায়কের অকাল প্রয়াণের বিচার দাবি করার নামে ওই গোষ্ঠী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। ১৫ অক্টোবর বকসা জেলা জেলের সামনে পুলিশ ও সংবাদ মাধ্যমের ওপর ব্যাপক হামলা হয় (Assam)। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় যানবাহনে (Eviction Drives)। ওই ঘটনায় ২৫ জনেরও বেশি মানুষ জখম হন। পরে জানা যায়, এই হিংসার উসকানি দেওয়া হয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকে পরিচালিত একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। ঘটনার পর পুলিশ ১১ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে ৯ জনই মুসলমান, বাকিরাও স্থানীয় নয় (Assam)।

  • India: ‘পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত’, দাবি রুশ রাষ্ট্রদূতের

    India: ‘পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত’, দাবি রুশ রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর হয়েছে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা। তা সত্ত্বেও ভারত (India) এখনও রাশিয়া (Russian Oil Imports) থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন ভারতের রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভ। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের হিসেবে ভারত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ১৭ লাখ ব্যারেল রুশ তেল কিনছে। এ মাসেও গড়ে এই পরিমাণ তেল কেনা চলছে।”

    রাশিয়ান ফিডস্টক (India)

    আলিপভ বলেন, “অক্টোবরের পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, ভারত এখনও বিপুল পরিমাণ রাশিয়ান ফিডস্টক কিনছে। সাম্প্রতিক সময়ের মতোই প্রায় প্রতিদিন ১৭.৫ লাখ ব্যারেল।” তিনি বলেন, “এই সংখ্যাটি আগেও ওঠানামা করেছে, এখনও করছে। কখনও কিছু মাসে বেশি, কখনও কম। তবে গড় প্রায় একই রয়েছে।” ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার পর পরই এমন মন্তব্য করেন আলিপভ (India)।

    নতুন করে নিষেধাজ্ঞা

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রসনেফত এবং লুকোইলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। এরাই একসঙ্গে রাশিয়ার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৫৭ শতাংশ উৎপাদন করে। নয়া নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে আগামী ২১ নভেম্বর থেকে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও রাশিয়ান ক্রুড এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর তাদের নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে। ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশমন্ত্রক ফের একবার জানিয়ে দিয়েছে যে, দেশের জ্বালানি নীতি জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ফের বলেন, “ভারতের তেল ক্রয়–নীতি বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি এবং দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। দেশের ১৪০ কোটি নাগরিকের জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই শক্তি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় দায়বদ্ধতা এবং অর্থনৈতিক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই দিব্যি রাশিয়া (Russian Oil Imports) থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত। তার জেরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে ভারতকে। তা সত্ত্বেও দেশবাসীর স্বার্থে রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে নয়াদিল্লি (India)।

  • Bihar Assembly Election 2025: বিহারে পড়ল ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে এনডিএ, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    Bihar Assembly Election 2025: বিহারে পড়ল ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে এনডিএ, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শেষ হল বিহার বিধানসভার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (Bihar Assembly Election 2025) পর্ব। ২৪৩টি আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভার ১২১টিতে ভোট গ্রহণ হয়েছে বৃহস্পতিবার। দুপুর ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল (First Phase) ৬০.১৩ শতাংশ।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হামলা (Bihar Assembly Election 2025)

    এদিন মোটের ওপর শান্তিতেই নির্বাচন হলেও, তাল কাটল দুপুরের দিকে। বিহারের বিদায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী তথা লখীসরাই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিজয়কুমার সিনহার কনভয়ে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। তিনি যখন নিজের নির্বাচনী এলাকায় একটি বুথে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িগুলি লক্ষ্য করে পাথর, গোবর এবং হাওয়াই চপ্পল ছোড়া হয়। যদিও নিরাপদ এবং সুস্থই রয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে আরজেডির দিকে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে লালু প্রসাদ যাদবের দল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় দেখা যায়, কয়েকজন উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়কে ঘিরে ধরে ‘মুর্দাবাদ’ স্লোগান দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এরা সব আরজেডির গুন্ডা। ওরা জানে এনডিএ ক্ষমতায় আসছে। তাই গুন্ডামি করছে।”

    পুলিশকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ কমিশনের

    কনভয়ে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার অ্যাকশন’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিজয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করা না হলে ধর্নায় বসবেন বলে জানিয়ে দেন তিনি। পরে অবশ্য পুলিশ গিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরস্ত করে।উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হামলার খবর পেয়েই সক্রিয় হয়ে ওঠে নির্বাচন কমিশন। দেশের (Bihar Assembly Election 2025) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিহার পুলিশের ডিজিকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। কমিশন সাফ জানিয়ে দেয়, কাউকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

    এদিকে প্রথম দফার নির্বাচনের পর যারপরনাই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “বিহারে গণতন্ত্রের বৃহৎ উৎসবে মানুষের মধ্যে দারুণ উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা ইঙ্গিত করছে যে, বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ অভূতপূর্ব সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে।” প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভার নির্বাচন হবে দু’দফায়। এদিন হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন (First Phase)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে আগামী মঙ্গলবার। ফল গণনা হবে ১৪ নভেম্বর (Bihar Assembly Election 2025)।

  • Kerala HC: প্রথম স্ত্রীর কথা না শুনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন না মুসলিম পুরুষ, রায় কেরল হাইকোর্টের

    Kerala HC: প্রথম স্ত্রীর কথা না শুনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন না মুসলিম পুরুষ, রায় কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম স্ত্রীকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দিয়ে কোনও মুসলিম পুরুষের (Muslim Man) দ্বিতীয় বিয়ে কেরল রেজিস্ট্রেশন অফ ম্যারেজ (কমন) রুলস, ২০০৮ এর অধীনে রেজিস্ট্রি করা যাবে না। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরের রায়ে বিচারপতি (Kerala HC) পিভি কুনহিকৃষ্ণন বলেন, “মুসলিম পুরুষের প্রথম স্ত্রী যদি তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের বিরোধিতা করেন, তবে রেজিস্ট্রারকে সেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সব পক্ষকে আদালতে পাঠাতে হবে।” হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, “যদি কোনও মুসলিম পুরুষের প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান এবং দাবি করেন যে দ্বিতীয় বিয়েটি অবৈধ, তাহলে রেজিস্ট্রার সেই দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করবেন না। সব পক্ষকে তাঁদের ধর্মীয় প্রথাগত আইনের আলোকে দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতা প্রমাণ করার জন্য উপযুক্ত আদালতে পাঠাতে হবে।”

    সাংবিধানিক অধিকার সর্বোচ্চ (Muslim Man)

    হাইকোর্ট বলেছে, “মুসলিম পার্সোনাল ল-এর অধীনে একজন মুসলিম পুরুষের অধিকার সংবিধানের সমতা ও ন্যায্য শুনানির নীতিগুলির ওপরে যেতে পারে না। তবে, যদি প্রথম আবেদনকারী (স্বামী) দ্বিতীয় আবেদনকারীর (দ্বিতীয় স্ত্রী) সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে চান, তাহলে দেশের আইনই প্রাধান্য পাবে, এবং সে ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীকে শুনানির সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে ধর্ম দ্বিতীয় অবস্থানে, আর সাংবিধানিক অধিকার সর্বোচ্চ। অন্যভাবে বলতে গেলে, এটি প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি।” স্বামীর প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে যুক্ত ছিলেন, এ তথ্য উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছে, এ ধরনের পরকীয়ার সম্পর্ক পবিত্র কোরানে বৈধতা পায় না। আদালত বলেছে, “আমি মনে করি না যে পবিত্র কোরান বা মুসলিম আইন কোনও মুসলিম পুরুষকে তাঁর প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এবং তাঁর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও অন্য কোনও নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অনুমতি দেয়, তাও আবার প্রথম স্ত্রীর অগোচরে। পবিত্র কোরান ও হাদিস থেকে প্রাপ্ত নীতিগুলি সম্মিলিতভাবে বিবাহ-সম্পর্কিত সব আচরণে ন্যায়, ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতার নির্দেশ দেয়।”

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কোরানে (Muslim Man) দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। তবে দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রির আগে তাঁর সম্মতি নেওয়া, অথবা অন্তত তাঁকে অবহিত করা, এগুলি ন্যায়, সুবিচার এবং স্বচ্ছতার মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সংবিধান ও ধর্মীয় নীতির কেন্দ্রবিন্দু। আদালত আরও জানিয়েছে, “মুসলিম পার্সোনাল ল’ বিশেষ পরিস্থিতিতে পুরুষকে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দিলেও, প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রির সময় স্রেফ দর্শক হয়ে থাকতে পারেন না (Kerala HC)।”

    প্রথম স্ত্রীর শুনানি বাধ্যতামূলক

    তবে আদালত এও স্পষ্ট করে দিয়েছে, প্রথম স্ত্রীর এই শুনানি বাধ্যতামূলক নয়, যদি প্রথম বৈবাহিক সম্পর্ক তালাকের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে, “যখন প্রথম বিয়ে কার্যকর রয়েছে, তখন ২০০৮ সালের আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীকে অবহিত না করে একজন মুসলিম পুরুষ তাঁর প্রথম স্ত্রীর ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে পারেন না। কিন্তু যদি দ্বিতীয় বিয়েটি প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ঘটে, তখন প্রথম স্ত্রীকে নোটিশ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”

    লিঙ্গ সমতা

    হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, লিঙ্গ সমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এটি শুধু নারীদের বিষয় নয়, সমগ্র মানবজাতির বিষয়। আদালতের ভাষায়, “লিঙ্গসমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। পুরুষ নারীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়। লিঙ্গ সমতা কোনও নারীর সমস্যা নয়, এটি মানুষের সমস্যা (Muslim Man)। তাই আমি মনে করি, একজন মুসলিম পুরুষ যদি ২০০৮ সালের আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে চান, যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী রয়েছেন, তাহলে প্রথম স্ত্রীকে অবশ্যই শুনানির সুযোগ দিতে হবে (Kerala HC)।”

    দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি!

    হাইকোর্ট রিট পিটিশনটি খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দেয়, প্রথম স্ত্রীকে আদৌ এই মামলায় পক্ষ করা হয়নি। আদালত আবেদনকারীদের ফের রেজিস্ট্রির জন্য আবেদন করার অনুমতি দেয় এবং নির্দেশ দেয় যে প্রথম স্ত্রীকে নোটিশ দিতে হবে। কেরল হাইকোর্টের বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, মুসলিম পার্সোনাল ল হয়তো মুসলিম পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি দেয়। কিন্তু সেটা অবশ্যই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত ৯৯.৯৯ শতাংশ স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি দেবেন না (Kerala HC)।”

  • SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে ঘুম ছুটেছে বিরোধীদের। প্রকাশ্যে চলে এসেছে তাঁদের দ্বিচারিতার রাজনীতিও। এক সময় এসআইআরের দাবি জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই তিনিই এখন এসআইআরের বিরোধিতায় নেমে পড়েছেন পথে। এই দ্বিচারিতার রাজনীতি করে চলেছে কংগ্রেসও (Rahul Gandhi)। নির্বাচন কমিশনের দাবি, একদিকে রাহুল গান্ধী এসআইআরের বিরোধিতা করছেন। অথচ এটি ভোটার তালিকা শুদ্ধ করার প্রক্রিয়া। অন্যদিকে তিনিই অতীতের ভোটার তালিকার অশুদ্ধির কথা তুলে ধরে ভাষণ দিয়ে যাচ্ছেন। কমিশনের সাফ কথা, “এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, শুরুতে তিনি বিরোধিতা করলেও, এখন তিনি এসআইআরকে সমর্থনই করছেন।”

    ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের (SIR)

    ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। এদিন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের দাবি করেন, দেশে ব্যাপকভাবে ভোট চুরি হচ্ছে। এদিন তিনি তাক করেছিলেন হরিয়ানাকে, যেখান ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। দুপুরে হরিয়ানার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “প্রিয় ভোটারবৃন্দ, বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধীর প্রেস কনফারেন্সের বিস্তারিত জবাব শীঘ্রই জানানো হবে।” হরিয়ানা সিইওর এক্স হ্যান্ডেলে ‘হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ শিরোনামে একটি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ, মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা, পোলিং এজেন্ট, প্রাপ্ত অভিযোগ এসবেরই বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে (Rahul Gandhi)।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    সংবাদ সংস্থা এএনআই নির্বাচন কমিশনের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচনী তালিকা নিয়ে কোনও আপিল দাখিল হয়নি। রাজ্যের ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য হাইকোর্টে মাত্র ২২টি পিটিশন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে (SIR)। সূত্রের প্রশ্ন, কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টরা যদি সত্যিই মনে করে থাকেন যে ডুপ্লিকেট ভোট হয়েছে, তবে তাঁরা ভোটকেন্দ্রেই আপত্তি জানালেন না কেন? গান্ধী কি এসআইআর প্রক্রিয়া সমর্থন করেন নাকি বিরোধিতা করেন? এই প্রক্রিয়াটি তৈরি হয়েছে ডুপ্লিকেট, মৃত এবং স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য। এর পাশাপাশি যাচাই করে নেওয়া হচ্ছে নাগরিকত্বও। সূত্রের আরও প্রশ্ন, কংগ্রেসের বুথ লেভেল এজেন্টরা কেন তালিকা সংশোধনের সময় কোনও দাবি বা আপিল দায়ের করেননি? নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, রাহুল গান্ধীর ওই দাবিতে, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে নকল বা দ্বৈত ভোট বিজেপির দিকে গিয়েছে। আর বিজেপির দাবি ছিল, সেই ভোট পড়েছে কংগ্রেসের ঝুলিতে। কমিশন আরও জানিয়েছে যে, ‘হাউস নম্বর জিরো’ সেই সব এলাকাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে পুরসভা বা পঞ্চায়েত এখনও বাড়ির নম্বর বরাদ্দ করেনি (Rahul Gandhi)।

    রাহুলের বিস্ফোরক দাবি

    রাহুল গান্ধীর দাবি, হরিয়ানার প্রতি আটজন ভোটারের একজন নকল। তিনি বুথে পড়া ভোট ও পোস্টাল ব্যালটে পড়া ভোটের মধ্যে অকারণ ফারাক সম্পর্কেও প্রশ্ন তোলেন। প্রেস কনফারেন্সে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে যে হরিয়ানায় ২৫ লাখ ভোটার নকল, এরা হয় নেই, অথবা এদের নাম দ্বৈতভাবে রয়েছে, অথবা এমনভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যাতে যে কেউ তাদের নামে ভোট দিতে পারে। হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের ১ জন ভোটার নকল, শতাংশের বিচারে তারা ১২.৫ (SIR)।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে ‘এইচ’ ফাইলস নামে একটি নথি আছে এবং এটি দেখায় কীভাবে পুরো একটি রাজ্যকে চুরি করে নেওয়া হয়েছে। আমরা সন্দেহ করছিলাম যে এটি কেবল আলাদা আলাদা আসনে হচ্ছে না, বরং রাজ্য এবং জাতীয় স্তরেও ঘটছে। হরিয়ানা থেকে আমাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে বহু অভিযোগ পেয়েছিলাম যে কিছু একটা ঠিকমতো কাজ করছে না। তাদের সমস্ত পূর্বাভাস উল্টে গিয়েছিল। আমরা এ ধরনের অভিজ্ঞতা মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রেও পেয়েছি, কিন্তু আমরা হরিয়ানায় জুম করে সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল সেটা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।” তাঁর অভিযোগ, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে জেতাতে ২৫ লাখ ভোট চুরি হয়েছে।

    হরিয়ানা বিধানসভার নির্বাচন

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচন হয় ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানা বিধানসভার। সেই নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ৪৭টি আসনে।  কংগ্রেস পায় ৩৭টি আসন। সেই নির্বাচনের এক বছর পর এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হলেন রাহুল। বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভার নির্বাচন। তার ঠিক আগের দিনই দিল্লিতে রাহুল অভিযোগ করেন, গত বছর হরিয়ানায় ৫.২১ শতাংশ ডুপ্লিকেট ভোটার ভোট দিয়েছিলেন (Rahul Gandhi)।  ৯৩ হাজার ১৭৪ জন অবৈধ ভোটার ভোট দেন। আর ১৯ লাখ ২৬ হাজার বাল্ক ভোটার ভোট দেন। সব মিলিয়ে চুরি হয়েছে ২৫ লাখ ভোট (SIR)।

LinkedIn
Share