Author: pranabjyoti

  • Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-কানাডা সম্পর্কের বরফ। ভারতে ইউরেনিয়াম সাপ্লাই নিয়ে ১০ বছরের একটি চুক্তি হতে পারে নয়াদিল্লি ও অটোয়ার মধ্যে। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নির (Canadian PM India Visit) প্রস্তাবিত মার্চের প্রথম সপ্তাহে (Uranium Supply Deal) ভারত সফরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারে এই চুক্তি। এই সফরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিও (India Canada Trade) চূড়ান্ত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal)

    তবে ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিটিই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। এই সফরের লক্ষ্য হবে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা, যা জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রিত্বকালে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক দেশ। বিশ্বে উৎপাদনের প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ জোগান দেয় এই দেশ। উৎপাদিত ইউরেনিয়ামের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে রফতানি করা হয়। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত কেন্দ্র, মূলত আলবার্টার বিস্তীর্ণ অয়েল স্যান্ডস অঞ্চলে, যার পরিমাণ ১৬৩ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও উল্লেখযোগ্য। এদিক থেকে বিশ্বে ১৬তম স্থানে রয়েছে দেশটি, যার পরিমাণ এক হাজার ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি (Uranium Supply Deal)।

    কানাডা সফরে  ডোভাল

    কার্নির সফরের আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রবীণ মন্ত্রী অটোয়া (কানাডার রাজধানী) সফরে যান। কার্নির সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (India Canada Trade)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারতে সফরে এসে কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন জানান, আলোচনায় ভারত-কানাডা পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, “জ্বালানি ও খনি খাত হবে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।” ভারত ও কানাডার মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (CEPA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর দাবি, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর ধরে এই বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ছিল, যা গত নভেম্বর মাসে পুনরুজ্জীবিত করতে উভয় দেশ রাজি হয় (Uranium Supply Deal)।

    অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

    হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলার প্রসঙ্গে পট্টনায়ক জানান, কানাডায় এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ উঠে আসে, তাহলে ভারত উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” প্রসঙ্গত, এই সফরের পরিকল্পনা এমন একটা সময়ে করা হচ্ছে, যখন কানাডা ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, যাতে রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কানাডার অর্থনীতিকে চাঙা করা যায় (Uranium Supply Deal)। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর আরও চড়িয়ে কার্নি বলেন, “সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতাকে নতুন করে গড়ে তুলেছে।”

    বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 

    এদিকে, কানাডা দশকের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য (India Canada Trade) ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এই লক্ষ্য নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যখন অটোয়া নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রতিফলনও এতে দেখা যাচ্ছে (Uranium Supply Deal)। ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হজসন বলেন, এই বাণিজ্য লক্ষ্যটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্বের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য কর্মদক্ষতা সূচকও নির্ধারিত হয়েছে।

    ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক

    তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পারস্পরিক পরিপূরকতা থাকা সত্ত্বেও ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক তার সম্ভাবনার তুলনায় এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই নয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ হিসেবে জ্বালানি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কানাডা বিশ্বের প্রায় ৬ শতাংশ তেল উৎপাদন করলেও, ভারতের মোট তেল আমদানির এক শতাংশেরও কম আসে কানাডা থেকে। হজসনের মতে, বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য (India Canada Trade) প্রবাহ পুনর্বিন্যাস করা গেলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং একই সঙ্গে (Uranium Supply Deal) কানাডার রফতানি বাজারের বৈচিত্র্যও বাড়বে। বর্তমানে ভারত কানাডা থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানি করে।

     

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের সরব নেপাল (Nepal)। শুক্রবার নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রাজধানীর বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁর সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন (Restoration Of Monarchy)। তাঁরা রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানান। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যদিও কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় বিমানবন্দর এলাকা ও আশপাশে পাঁচজনের বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    নেপালে ফিরলেন জ্ঞানেন্দ্র (Nepal)

    জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর গাড়ির সানরুফ দিয়ে উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে দেখা যায়। এই সময় দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম পরিহিত শত শত পুলিশ সদস্য বিমানবন্দরের প্রধান প্রবেশপথে ভিড় করা সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছিলেন। “আমাদের দেশকে রক্ষা করতে রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।” এমন স্লোগান দেন রাজতন্ত্রপন্থীরা। প্রাক্তন রাজা কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেন। প্রবীণ নেতা কমল থাপার নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির কর্মী-সমর্থকরা এবং নবরাজ সুবেদী ও চিকিৎসক দুর্গা প্রসাইয়ের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজভক্ত সংগঠনের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় জড়ো হন। বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসাই জানান, তাঁরা ৫ মার্চের সাধারণ নির্বাচনের আগেই রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চান। তাঁর দাবি, দেশে হিন্দু রাজা পুনর্বহাল করার দাবি নিষ্পত্তি না হলে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় (Nepal)।

    রাজপ্রাসাদ ছাড়েন জ্ঞানেন্দ্র

    ২০০৬ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর কর্তৃত্ববাদী শাসন ছাড়তে বাধ্য করা হয়। দু’বছর পর সংসদ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয় এবং জ্ঞানেন্দ্র রাজপ্রাসাদ ছেড়ে সাধারণ নাগরিকের (Restoration Of Monarchy) জীবনযাপন শুরু করেন। ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলেও গত বছর অর্থনৈতিক সঙ্কট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে পুনরায় রাজতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ দেখা যায়। গত বছর বিমানবন্দরে একই ধরনের এক সমাবেশে আনুমানিক ১০ হাজার সমর্থক অংশ নিয়েছিলেন। আর একটি রাজতন্ত্রপন্থী সমাবেশ সহিংসতার রূপ নিলে দু’জন নিহত এবং অনেকে আহত হন।

    রাজনৈতিক অচলাবস্থা

    জ্ঞানেন্দ্র নিজে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বানে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে আগামী মাসে গুরুত্বপূর্ণ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সব বিক্ষোভ হচ্ছে। সর্বশেষ নির্বাচনে জ্ঞানেন্দ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি প্রায় ৫ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছিল। এদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি শুক্রবার জনগণকে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামী মাসের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সফলভাবে আয়োজনের জন্য সমাজের সব শ্রেণির সহযোগিতা প্রয়োজন।” টাপলেজুং জেলার সদর দফতর পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন দেশের নতুন পর্যায়ে উত্তরণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হবে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা (Restoration Of Monarchy) থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Nepal)।” প্রসঙ্গত, নেপালে চলতি বছরের ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

  • Piyush Goyal: আমেরিকায় বস্ত্র রফতনিতে বাংলাদেশের মতোই শূন্য-শুল্কের সুবিধা পাবে ভারত, ব্যাখ্যা গোয়েলের

    Piyush Goyal: আমেরিকায় বস্ত্র রফতনিতে বাংলাদেশের মতোই শূন্য-শুল্কের সুবিধা পাবে ভারত, ব্যাখ্যা গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যবস্থার অধীনে যে ধরনের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, ভারতও তেমনই টেক্সটাইল-সংক্রান্ত বাণিজ্য সুবিধা পাবে।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। প্রতিবেশী বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করার পর শুল্কের পার্থক্যের কারণে ভারতীয় বস্ত্রশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এই আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন গোয়েল।

    আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি (Piyush Goyal)

    ৯ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও বাংলাদেশ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর ফলে ঢাকার ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক পূর্বঘোষিত ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি বিশেষ টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ওপর শূন্য-শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়। গোয়েল বলেন, “ভারতেরও একই সুবিধা রয়েছে এবং ভারতও তা পাবে। বর্তমানে আমাদের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি তৈরি হচ্ছে। অন্তর্বর্তী চুক্তি চূড়ান্ত হলে এর বিস্তারিত শর্তাবলি আপনারা দেখতে পাবেন (Textiles)।”

    রাহুল গান্ধীকেও আক্রমণ

    লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে গোয়েল বলেন, “তিনি (রাহুল গান্ধী) সংসদে আর একটি মিথ্যা রটিয়েছেন যে বাংলাদেশ (Piyush Goyal) বাণিজ্যে ভারতের তুলনায় বেশি সুবিধা পেয়েছে। বাংলাদেশের মতোই একটি সুবিধা রয়েছে, যদি কাঁচামাল আমেরিকা থেকে কেনা হয়, তা প্রক্রিয়াজাত করে (Textiles) কাপড় তৈরি করে রফতানি করলে শূন্য পারস্পরিক শুল্ক প্রযোজ্য হবে।” গোয়েল এও বলেন, “রাহুল গান্ধীর উচিত ভারতের কৃষক, মৎস্যজীবী, এমএসএমই খাতে কর্মরত শ্রমিক এবং বিশ্বকর্মাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া।” তিনি বলেন, “ভারতীয় কৃষকরাও উপকৃত হবেন। কারণ অনেক পণ্য বৃহৎ পরিমাণে আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে ৫ লক্ষ কোটি টাকার যে রফতানি হয়, তা বেড়ে ১০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। মন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধীর উচিত ভারতের কৃষক, মৎস্যজীবী, এমএসএমই শ্রমিক এবং বিশ্বকর্মাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। কারণ তিনি সংসদে আর একটি মিথ্যে কথা রটিয়েছেন (সবিআই রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ফি বছর প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল আমদানি করে এবং প্রায় সমপরিমাণ আমদানি করে বাংলাদেশ থেকেও। গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোও চূড়ান্ত করেছে, যার বিস্তারিত শর্তাবলি মার্চ মাসে প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ()।”

    কী বলছে এসবিআই রিসার্চের তথ্য

    এসবিআই রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ফি বছর প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল আমদানি করে এবং প্রায় সমপরিমাণ (Textiles) আমদানি করে বাংলাদেশ থেকেও। গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোও চূড়ান্ত করেছে, যার বিস্তারিত শর্তাবলি মার্চ মাসে প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Piyush Goyal)।

     

  • PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সাউথ ব্লক ছেড়ে পাকাপাকিভাবে চলে গেল সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের নয়া ঠিকানায়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কৃষক, নারী, যুবসমাজ এবং অসহায় নাগরিকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। সেবা তীর্থ থেকে নেওয়া তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দেন, ঘোষণা করেন লাখপতি দিদি উদ্যোগের ব্যাপক সম্প্রসারণের। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ দ্বিগুণ করেন এবং অনুমোদন করেন স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর।

    পিএম রাহাত প্রকল্প চালু

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দিয়েছেন, তার লক্ষ্য হল দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। আধিকারিকরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও ক্যাশলেস চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে প্রাণহানি রোধ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ছ’কোটি  লাখপতি দিদি-র লক্ষ্য (PM Modi)

    সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, নির্ধারিত মার্চ ২০২৭ সময়সীমার আগেই তিন কোটির ‘লাখপতি দিদি’ লক্ষ্যমাত্রার চৌকাঠ পার করা হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় সরকার মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে ছ’কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির নয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লাখপতি দিদি উদ্যোগের লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের টেকসই জীবিকামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বছরে কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম করে তোলা (PM Modi)।

    বাড়ল কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ

    কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা করেছেন। এই তহবিল ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো এবং গুদামঘর, কোল্ড স্টোরেজ ইউনিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের মতো সামষ্টিক কৃষি সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। আধিকারিকরা জানান, এই বর্ধিত বরাদ্দ কৃষি মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন

    ভারতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার করপাস-সহ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন করেছেন। এই নয়া তহবিল প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং ডিপ টেক ও অগ্রসর উৎপাদন খাতের মতো উচ্চ-বৃদ্ধির ক্ষেত্রকে সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

  • India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার পর ভারত (India) এখন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে (India Chile FTA)। এই চুক্তিটি প্রচলিত বাণিজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দিতে পারে। নয়াদিল্লি বর্তমানে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। চিলিকে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ গত বছর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারত সফর করেন। চুক্তিটি (India Chile Trade Deal) সম্পন্ন হলে ভারতের উৎপাদন, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ গবেষণা খাতে কৌশলগত সুবিধা মিলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ চিলি (India)

    দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চিলি লিথিয়াম, তামা এবং কোবাল্ট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এসব সম্পদ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সৌরশক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে চিন একতরফাভাবে রেয়ার আর্থ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারতের শিল্পোন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (India Chile Trade Deal)। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও চিলির সঙ্গে আলোচনা প্রায় দু’দশক আগে শুরু হয়। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও তা পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পরিণত হয়নি। বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তাতে একাধিক খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হচ্ছে। উভয় দেশ ডিজিটাল পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (India) (MSME) খাতে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    পীযূষ গোয়েলের ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিলির সঙ্গে একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত-চিলি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে (India Chile FTA)। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.৬০ বিলিয়ন ডলার। ভারত প্রধানত যানবাহন, ওষুধ, রাসায়নিক পণ্য, ইস্পাতজাত সামগ্রী, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, রাবার এবং জুতো রফতানি করে। অন্যদিকে চিলি তামা, আয়োডিন, আখরোট, কিউই এবং আপেলের মতো পণ্য সরবরাহ করে, যা ভারতের শিল্প কাঁচামাল ও কৃষিপণ্যের সরবরাহকে শক্তিশালী করে। ভারতীয় কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই উদীয়মান এই অংশীদারিত্বের সুফল নিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া সম্প্রতি চিলিতে একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের বিদেশে সরাসরি  খনিজ সম্পদ সুরক্ষিত করার কৌশলগত অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। বেসরকারি খাতও এ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে (India Chile Trade Deal)। আদানি গ্রুপ-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী বিশেষ করে খনি ও পরিকাঠামো খাতে চিলিতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখছে।

    আলোচনা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন প্রস্তাবিত ভারত–চিলি চুক্তিকে (India Chile Trade Deal) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে, সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উন্নত (India Chile FTA) উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে (India)।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

LinkedIn
Share