Author: pranabjyoti

  • Prabowo Subianto: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ‘ওম শান্তি ওম’ বলে ভাষণ শেষ করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

    Prabowo Subianto: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ‘ওম শান্তি ওম’ বলে ভাষণ শেষ করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের প্রতিনিধি। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে এই দ্বীপরাষ্ট্রে। বুধবার সেই ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো (Prabowo Subianto) স্বদেশের সংস্কৃতি মেনেই ভাষণ শুরু করলেন ‘ওম স্বস্তিয়াস্তু’ বলে। আর শেষ করলেন ‘ওম শান্তি ওম’ (Om Shanti) বলে। আজ্ঞে হ্যাঁ, শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটাই ঘটনা। রাষ্ট্রসংঘের ৮০তম সাধারণ সভায় অংশ নিয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট। সেখানেই তিনি উচ্চারণ করেন ‘ওম শান্তি ওম’। সেই ভিডিওই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    ‘ওম শান্তি ওম’ (Prabowo Subianto)

    দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার ৯০ শতাংশ নাগরিকই মুসলমান। সেই দেশেরই প্রেসিডেন্ট তাঁর ভাষণ শুরু করেন ‘ওম স্বস্তিয়াস্তু’ বলে। বক্তব্যের একেবারে শেষে বলেন ‘ওম শান্তি ওম’। তাঁর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই তাঁকে কুর্নিশ জানান নেটিজেনরা। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ সব ধর্মই এক। আমাদের সকলের একটা মানব পরিবার হিসেবে বসবাস করা উচিত। ইন্দোনেশিয়া এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    কী বললেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট? 

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “যেখানেই শান্তি রক্ষার প্রয়োজন, সেখানেই সেবা দেওয়ার অঙ্গীকারে অটল আমরা।” তিনি বলেন, “ইন্দোনেশিয়া গাজা বা প্যালেস্তাইনের অন্য কোথাও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ হাজার কিংবা তারও বেশি সংখ্যক আমাদের সন্তানদের পাঠাতে প্রস্তুত।” সুবিয়ান্তো (Prabowo Subianto) বলেন, “আজ ইন্দোনেশিয়া রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর অন্যতম বৃহৎ অবদানকারী দেশ। আমরা কেবল কথায় নয়, বাস্তবে মাটিতে উপস্থিত থেকে যেখানে শান্তি রক্ষার প্রয়োজন, সেখানেই সেবা দিতে থাকব।” যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানিয়ে এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ণ সমর্থনের কথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, “ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইন – দু’টিই যেন স্বাধীন ও সার্বভৌম হয় এবং হুমকি ও সন্ত্রাস থেকে মুক্ত থেকে নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারে।” গাজায় বিধ্বংসী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট (Prabowo Subianto) বলেন, “জাতিসমূহের এই সমাজকে অবশ্যই দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে এই বিপর্যয় থামানোর জন্য। না হলে পৃথিবী প্রবেশ করবে এক অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায়, যেখানে যুদ্ধ হবে অবিরাম এবং হিংসা ক্রমশ বাড়তেই থাকবে (Om Shanti)।”

  • Sanjeev Sanyal: “ভারতের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিচার ব্যবস্থা”, বললেন সঞ্জীব সান্যাল

    Sanjeev Sanyal: “ভারতের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিচার ব্যবস্থা”, বললেন সঞ্জীব সান্যাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার খবরের শিরোনামে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যাল (Sanjeev Sanyal)। গত কয়েক দিনে ভারতীয় বিচারব্যবস্থা (Judiciarys Long Vacations) নিয়ে তাঁর মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে। দিল্লিতে অ্যাডভোকেট জেনারেলদের একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি বলেন, “ভারতের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিচার ব্যবস্থা। আইন অনেক সময় সমস্যার সমাধান তো করেই না, উল্টে বিষয়টিকে জটিল করে তোলে।”

    উন্নত দেশ হওয়ার পথে বড় বাধা (Sanjeev Sanyal)

    সঞ্জীবের মতে, বিচারব্যবস্থা ভারতের ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হওয়ার আশার পথে সব চেয়ে বড় বাধা। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘মাই লর্ড’ সম্বোধনের মতো সেকেলে রীতি, ‘প্রেয়ার্স’ নামের ঔপনিবেশিক ধারা, দীর্ঘ গ্রীষ্মকালীন ছুটি এবং বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার প্রথা, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়। বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মোদির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব। তাঁর কথায়, “সময়ে ন্যায়বিচার মেলে না। এটা অন্যতম বড় সমস্যা।” আদালতের দীর্ঘ ছুটি দেওয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে সঞ্জীবের। তিনি বলেন, “বিচার বিভাগও একটি জনসেবা। হাসপাতাল কি এক মাস বন্ধ রাখা যায়?”

    ভারতবাসীরই কণ্ঠস্বর

    সঞ্জীবের মন্তব্যে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন আইনজীবী মহল। তবে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সঞ্জীবের ভাইরাল হওয়া বক্তব্য আদতে ভারতবাসীরই কণ্ঠস্বর। মনে রাখতে হবে, এটি শাসনব্যবস্থার কোনও বাইরের লোকের হালকা সমালোচনা নয়। বরং এটি সেই অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি, যা প্রতিটি মামলাকারী, উদ্যোক্তা এবং নাগরিক অনুভব করেছেন। ভারতে ন্যায়বিচার দেরিতে মেলে, ব্যয়বহুল এবং অপ্রাপ্য। ভারতের আইন পেশা এখনও সবচেয়ে আঁটসাঁট একটি পেশা, যা রক্ষণশীল, ঔপনিবেশিক এবং পরিবর্তনের বিপ্রতীপ। সান্যালের মন্তব্য সরাসরি বিচারব্যবস্থার অদক্ষতার সঙ্গে দেশের বৃহত্তর প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের আশার মধ্যে একটা সীমারেখা টেনে দেয় বই কি!

    আইনি ডিগ্রির প্রয়োজন

    সঞ্জীবের (Sanjeev Sanyal) মতে, সব ক্ষেত্রেই আইনি ডিগ্রির প্রয়োজনও হয় না। নিজের দাবির স্বপক্ষে সওয়ালও করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সঞ্জীব বলেন, “ভারতীয় আইনি ব্যবস্থা কেবল প্রক্রিয়ার কারণেই নয়, মানসিকতা ও সংস্কৃতির কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আইনি ব্যবস্থা মধ্যযুগীয় কাঠামোর। এর বিভিন্ন স্তর রয়েছে, যেমন সিনিয়র অ্যাডভোকেট, অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এবং অন্যান্য। একবিংশ শতাব্দীতে এত স্তর কেন? অনেক ক্ষেত্রে মামলা লড়তে আইনি ডিগ্রিরও প্রয়োজন হয় না। কারণ আজকের বিশ্বে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো সাহায্য করতে পারে প্রযুক্তিও।”

    ছ’সপ্তাহের গ্রীষ্মকালীন ছুটি (Judiciarys Long Vacations)

    সান্যালের বক্তব্য যে নিছক অর্থহীন, তা বলা যাবে না। কারণ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণত ছ’সপ্তাহের গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকে। এর সঙ্গে দশেরা ও বড়দিনে ছোট ছোট ছুটিও থাকে। হাইকোর্টগুলিও একই ধরনের ছুটির সময়সূচি মেনে চলে। সঞ্জীবের কথায়, ‘বিচার বিভাগও একটি জনসেবা। হাসপাতাল কি এক মাস বন্ধ রাখা যায়? আপনি কি পুলিশ বিভাগ বা হাসপাতালগুলিকে মাসের পর মাস বন্ধ রাখতে পারেন?’ যদিও ছুটিতেও বেঞ্চ বসে। সঞ্জীবের মতে, দীর্ঘ ছুটির এই প্রতীকী দিকটি জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ণ করে, বিশেষ করে যখন বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল ডেটা গ্রিড থেকে জানা গিয়েছে, সারা দেশে প্রায় পাঁচ কোটি বিচারাধীন মামলা রয়েছে। বর্তমানে যেভাবে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে, তাতে এই অমীমাংসিত মামলাগুলি শেষ করতে বহু বছর লেগে যাবে।

    বিচার ব্যবস্থার অদক্ষতা

    সান্যালের (Sanjeev Sanyal) মূল বক্তব্য হল, বিচার ব্যবস্থার অদক্ষতা ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের ডুইং বিজনেস ২০২০ রিপোর্টে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভারতকে ১৯০টি দেশের মধ্যে ১৬৩তম স্থানে রাখা হয়েছে, যেখানে একটি বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গড়ে ১ হাজার ৪৪৫ দিন সময় লাগে। পরিকাঠামো প্রকল্পগুলি প্রায়ই মামলার জটে আটকে থাকে। আর ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ ভারতের আদালতগুলির সবচেয়ে সাধারণ দেওয়ানি মামলার মধ্যে অন্যতম (Judiciarys Long Vacations)।

    প্রি-লিটিগেশন মধ্যস্থতার অবস্থা

    ২০১৮ সালের কমার্শিয়াল কোর্টস অ্যাক্টের অধীনে প্রি-লিটিগেশন মধ্যস্থতা চালু করা হয়েছিল যাতে এই জাতীয় বিরোধগুলিকে বিচার ব্যবস্থা থেকে দূরে সরানো যায়। কিন্তু বাস্তবে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে এর সাফল্যের হার খুবই কম। আর অনেক মামলাকারীকে শেষ পর্যন্ত আবার আদালতে ফিরে যেতে হয়। ফলস্বরূপ, মামলার চাপ কমার বদলে প্রায়ই সময় এবং খরচ আরও বেড়ে যায়। এর পরিণতি হল, বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি মূল্যায়নের সময় আইনি অনিশ্চয়তাকে হিসেবের মধ্যে রাখে। ব্যবসাগুলি এমন খাতে সম্প্রসারণে দ্বিধা করে, যেখানে চুক্তি বাস্তবায়ন অপ্রত্যাশিত থাকে। সাধারণ মানুষের জন্য ‘তারিখ পে তারিখ’ অর্থাৎ একের পর এক মুলতুবি শুনানি এক পরিচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আইনের নিষ্পত্তি

    সান্যাল (Sanjeev Sanyal) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন। নীতিনির্ধারকরা প্রায়ই আইন তৈরি করেন অতিরিক্ত জটিল করে। কারণ তাঁরা মনে করেন অল্প সংখ্যক মানুষ এর অপব্যবহার করতে পারে। এর ফলে আইনে অসংখ্য ব্যতিক্রম ও শর্ত যোগ হয়, যা পরে বিচারিক ব্যাখ্যার স্তরে স্তরে জমা হয়ে যায়। দেউলিয়াত্ব ও দেউলিয়া আইন (Insolvency and Bankruptcy Code) এই সমস্যার একটি উদাহরণ। যদিও আইনটির ৩৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তবে বাস্তবে মামলাগুলি প্রায় দ্বিগুণ সময় নেয় (Judiciarys Long Vacations)। যদি বিচারব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস থাকত যে এটি সোজাসাপ্টা নিয়ম দ্রুত ও আগাম অনুমানের ভিত্তিতে কার্যকর হবে, তবে আইন প্রণেতারা প্রতিরক্ষামূলক আইন বানাতে বাধ্য হতেন না। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার শুধু মামলা-পেন্ডেন্সি কমানো নয়, বরং আরও স্পষ্ট এবং সরল শাসনব্যবস্থা তৈরির শর্ত তৈরি করা।

    স্বাধীনতা হল সর্বাধিক পবিত্র একটি মূল্যবোধ

    বিচারব্যবস্থার রক্ষকরা বলেন, স্বাধীনতা হল এর সর্বাধিক পবিত্র একটি মূল্যবোধ। এটি সঠিক, কিন্তু স্বাধীনতা মানে জবাবদিহি থেকে মুক্তি নয়। জবাবদিহি মানে নির্বাহী নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিকের কাছে সহজলভ্যতার জন্য জবাবদিহি থাকা। দু’টি ধারণা এক সঙ্গে রাখা (Sanjeev Sanyal) সম্ভব। বিচারব্যবস্থা হল এক্সিকিউটিভ কর্তৃত্বের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ। কিন্তু এটি ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের পথে অন্তরায়ও হয়ে উঠতে পারে, যখন এটি পুরনো পদ্ধতি আঁকড়ে ধরে থাকে, বছরের পর বছর মামলা ঝুলিয়ে রাখে এবং আধুনিকীকরণের পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়। স্বাধীনতা বিচার ব্যবস্থাকে নিজেদের সংস্কার করতে ক্ষমতাবান করে তুলবে। তাদের উচিত নয়, জনগণের সমালোচনা থেকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা (Judiciarys Long Vacations)।

    ‘বিকশিত ভারত’

    সান্যালের বক্তব্যটি শক্তিশালী। কারণ তিনি কোনও আইনজীবী বা বিচারক নন। তিনি অর্থনীতিবিদ, যিনি বিচারব্যবস্থাকে একটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। বিচার বিভাগীয় সংস্কারকে ভারতের উন্নয়নের গতিপথের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বিতর্ককে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন। তাঁর কথা গভীরভাবে অনুরণিত হয়, কারণ তা বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। যতক্ষণ না আদালত ন্যায়বিচার দিচ্ছে, ততক্ষণ সত্যি সত্যিই ভারতের অগ্রগতি অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। সঞ্জীব (Sanjeev Sanyal) বলেন, “আমার দৃষ্টিতে বিচারব্যবস্থাই ‘বিকশিত ভারত’ হওয়ার এবং দ্রুত অগ্রসর হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায়। যথা সময়ে চুক্তি কার্যকর করতে না পারা কিংবা ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হওয়া এখন এত বড় সীমাবদ্ধতা হয়ে দাঁড়িয়েছে যে আমি আপনাদের বলছি যদি আমরা পুরো আইনি কাঠামোয় বড় ধরনের কোনও সংস্কার না দেখি, তবে সিস্টেমের অন্য যে ক্ষেত্রেই যত কাজই করি না কেন, তার কোনও গুরুত্ব থাকবে না।”

    আগেও বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন সঞ্জীব

    প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে অন্য একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়ে সঞ্জীব বলেছিলেন, “এটি (বিচার বিভাগ) ভারতের প্রবৃদ্ধির পথে কিছু দিক থেকে সবচেয়ে (Judiciarys Long Vacations) বড় বাধা। এটি এখন আমলাতন্ত্রের চেয়ে সময়ের চেয়েও ঢের বেশি পিছিয়ে।” তিনি তখনও বলেছিলেন, “এর বিশাল পরিবর্তন প্রয়োজন। আমি অবশ্য কেবল বিচারব্যবস্থাকেই দোষারোপ করব না, বিচারকদের ক্ষেত্রে – একটি সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র রয়েছে এবং বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এটি আইনজীবী এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট, বার কাউন্সিল ইত্যাদির পদস্থ ব্যক্তিরা আসলে অগ্রগতি থামিয়ে দিচ্ছেন (Sanjeev Sanyal)।”

  • India Mocks Pakistan: “নিজেদের জনগণের ওপরই বোমাবর্ষণ করছে”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তুলোধনা ভারতের

    India Mocks Pakistan: “নিজেদের জনগণের ওপরই বোমাবর্ষণ করছে”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তুলোধনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিল ভারত (India Mocks Pakistan)। নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনার জন্য ইসলামাবাদকে কাঠগড়ায় তোলে ভারত। নয়াদিল্লির অভিযোগ, পাকিস্তান নিজেই নিজেদের জনগণের ওপরই বোমাবর্ষণ করছে এবং এই মঞ্চের অপব্যবহার করছে।

    তিরা উপত্যকায় বিমান হামলা (India Mocks Pakistan)

    ভারতের এহেন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে এল এমন সব প্রতিবেদন প্রকাশের পর যেখানে বলা হয়েছে, পাক বিমানবাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরা উপত্যকায় বিমান হামলা  চালিয়েছে। এতে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী এবং শিশুরাও ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য – ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, পোড়া যানবাহন এবং ধসে পড়া ভবনের ভেতর থেকে দেহ উদ্ধার করা হচ্ছে (Air Attack)।

    ভারতের তোপ

    রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় ফরেন সার্ভিস আধিকারিক ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেন, “যে প্রতিনিধি দল এই দৃষ্টিভঙ্গির সম্পূর্ণ উল্টো মত উপস্থাপন করে, তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে এই মঞ্চকে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে।” তিনি বলেন, “আমাদের ভূখণ্ড দখল করার লোভ না করে, তাদের উচিত বেআইনিভাবে দখল করা ভারতীয় ভূখণ্ড খালি করা এবং মনোযোগ দেওয়া—একটি অর্থনীতি উদ্ধার করতে যা কেবলমাত্র জীবনধারণ যন্ত্রে টিকে আছে, একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেটি সামরিক প্রভাবশালী শাসনে স্তব্ধ, এবং একটি মানবাধিকার রেকর্ড যেটি নির্যাতনের কলঙ্কে কলঙ্কিত। হয়তো, তারা যখন সন্ত্রাসবাদ রফতানি, রাষ্ট্রসংঘ কর্তৃক নিষিদ্ধ সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দান এবং নিজেদের জনগণকে বোমা মারার কাজ থেকে কিছুটা সময় পাবে, তখনই তা করতে পারবে।”

    জোরালো বিস্ফোরণ

    প্রসঙ্গত, সোমবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের তিরা ভ্যালিতে পাকিস্তানি তালিবানের মালিকানাধীন একটি কম্পাউন্ডে জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় অন্তত ২৪ জন মানুষ, যাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও ছিল, নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন জখম হয়েছেন। অনুমান, ওই বিস্ফোরণ পাকিস্তানি তালিবান যোদ্ধাদের মজুত করা বোমা তৈরির উপকরণ থেকেই ঘটে। তবে অন্য কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের (Air Attack) জঙ্গিবিমানগুলিই বিমান হামলা চালায় (India Mocks Pakistan)।পুলিশের অনুমান, বিস্ফোরণটি সেই কম্পাউন্ডেই ঘটে যেখানে পাকিস্তানি তালিবান সদস্যরা বোমা তৈরির উপকরণ মজুত করে রেখেছিল। ওই বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন সাধারণ মানুষ, যাঁদের মধ্যে নারী এবং শিশুরাও রয়েছে এবং ১৪ জন জঙ্গি নিহত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা নিশ্চিত করেছে। বিস্ফোরণে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িও ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

    সক্রিয় টিটিপি

    খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের তিরা উপত্যকায় টিটিপি (তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান) নামক জঙ্গি গোষ্ঠী দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয়। স্থানীয় পুলিশ এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাদের মোকাবিলার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে ওই এলাকায় পাক নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অভিযানও চলছে বলে খবর। তার মধ্যেই ঘটে সোমবারের বিস্ফোরণ (Air Attack)। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার-প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “বিমান থেকে পর পর কয়েকটি বোমা ফেলা হয়েছে ওই অঞ্চলে। এলাকার পাঁচটি বাড়ি এর ফলে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও রয়েছে (India Mocks Pakistan)।”

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ

    পাকিস্তানে যেসব জঙ্গিগোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম টিটিপি। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর তাদের শক্তিও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের নানা প্রান্তে জঙ্গি হামলা, বিস্ফোরণের ঘটনার দায়ও স্বীকার করেছে তারা। অভিযোগ, অনেক টিটিপি নেতাই এখন আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের আশ্রয়ে রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘ দিন ধরে তুলে ধরে আসছে ভারত। জম্মু-কাশ্মীরে বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের নেপথ্যে থাকে পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিই (India Mocks Pakistan)।

    পাক পুলিশের বক্তব্য

    পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গিরা যে পাকিস্তানেরই ক্ষতি করবে, তা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি ইসলামাবাদ। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক জাফর খান জানান, তিরা উপত্যকার একটি ভবনে ঘাঁটি গেড়েছিল টিটিপির দুই জঙ্গি নেতা আমন গুল এবং মাসুদ খান। পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল সাধারণ মানুষকে। ওই জঙ্গিঘাঁটিতেই তৈরি করা হচ্ছিল বোমা। বোমা তৈরির নানা উপাদানও মজুত করা ছিল সেখানে। সেখান থেকেই কোনওভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে আশপাশের অনেকগুলি বাড়ি (Air Attack)। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জন সাধারণ মানুষের। এছাড়াও যে ১৪ জন নিহত হয়েছে, তারা সবাই জঙ্গি (India Mocks Pakistan)।

  • Scientists List: স্ট্যানফোর্ড এলসেভিয়ার শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী তালিকায় ঠাঁই ৩,৩৭১ জন ভারতীয় গবেষকের

    Scientists List: স্ট্যানফোর্ড এলসেভিয়ার শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী তালিকায় ঠাঁই ৩,৩৭১ জন ভারতীয় গবেষকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার ‘টপ ২ পারসেন্ট সায়েন্টিস্টস লিস্ট’ (Scientists List) ২০২৫। এই বৈশ্বিক ডেটাবেসে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এঁদের র‍্যাঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে তাঁদের সাইটেশন ইমপ্যাক্ট অনুযায়ী (PU Teachers)।

    ৩,৩৭১ জন ভারতীয় গবেষক (Scientists List)

    ২০২৫ সালের তালিকায় মোট ৩,৩৭১ জন ভারতীয় গবেষক স্থান পেয়েছেন স্ট্যানফোর্ড শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এলসেভিয়ারের সহযোগিতায় যে তালিকাটি তৈরি করেছে, তা স্কোপাস ডেটার ওপর ভিত্তি করে এবং এতে একটি যৌথ উদ্ধৃতি স্কোর ব্যবহার করা হয়েছে, যা সহ-লেখকত্ব ও লেখকের অবস্থান অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়। অর্থাৎ, এটি শুধু বেশি প্রকাশনা নয়, বরং কাজটির প্রভাবের ওপর গুরুত্ব দেয়। বিজ্ঞানীদের র‍্যাঙ্ক করা হয়েছে একটি যৌগিক উদ্ধৃতি স্কোরের ভিত্তিতে, যেখানে লেখকত্ব, সহলেখকত্বের সমন্বয় এবং স্ব-উদ্ধৃতির হিসাব রাখা হয়েছে, যাতে প্রভাব মূল্যায়ন আরও ন্যায্য হয়। ২০২৪ সালে ৫৩০০-রও বেশি ভারতীয় বিজ্ঞানী এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।

    র‍্যাঙ্কিং কীভাবে কাজ করে

    তালিকাটি বিজ্ঞানীদের দীর্ঘমেয়াদি (ক্যারিয়ার-ভিত্তিক) প্রভাব এবং ২০২৪ সালের এক বছরের উদ্ধৃতি-সংক্রান্ত তথ্য, দুই-ই দেয়। এতে প্রত্যাহৃত গবেষণাপত্রগুলিও ধরা হয় এবং অতিরিক্ত বা ফুলিয়ে-ফাঁপানো উদ্ধৃতি সংখ্যার সংশোধন করা হয়। এ বছরের ডেটাসেটটি ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বিশ্বের ২,৩০,০০০-এরও বেশি শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে (Scientists List)। প্রসঙ্গত, ভারতের মধ্যে সবচেয়ে ওপরে রয়েছে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এরপর রয়েছে বড় বড় আইআইটিগুলি। দীর্ঘমেয়াদি ডেটাসেটে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলির সংখ্যা হল—

    আইআইএসসি-১৩৩

    আইআইটি দিল্লি -১০৫

    আইআইটি খড়গপুর – ৯১

    আইআইটি মাদ্রাজ – ৭৫

    আইআইটি বম্বে – ৭০

    আইআইটি রুরকি -৫৬

    আইআইটি কানপুর -৪৯

    অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অবদানকারীদের মধ্যে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (৪০), ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার (৩৯), বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (৩৮) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (৩৮)। এ বছর পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় (PU Teachers) ৪৮ জন শিক্ষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এটি একটি স্পষ্ট স্থানীয় সাফল্য।

    তালিকার পরিসর

    প্রসঙ্গত, তালিকাটি ২২টি বিস্তৃত ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপক্ষেত্র জুড়ে তৈরি, যেখানে রসায়ন ও পদার্থবিদ্যা থেকে শুরু করে চিকিৎসা এবং টেকনোলজি সম্পর্কিত বিশেষ শাখাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভারতীয় বিজ্ঞানের বেশ কিছু সুপরিচিত নামও এতে রয়েছে। চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও এবং অশোক সেন—এই দুজনই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, যারা ভারতীয় বিজ্ঞানকে অনুসরণ করেন তাঁদের কাছে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।বড় গবেষণা কেন্দ্রগুলি সংখ্যার দিক থেকে প্রাধান্য পেলেও, বেশ কিছু ছোট বা ভিন্নধর্মী প্রতিষ্ঠান—আঞ্চলিক কলেজ, একক ল্যাব ইউনিট এবং বিশেষায়িত গবেষণা কেন্দ্র থেকেও এক বা দু’জন গবেষকের নাম এসেছে। এই বৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর প্রভাব কখনও অপ্রত্যাশিত স্থান থেকেও আসতে পারে (Scientists List)।

    ডেটাসেটের ক্ষেত্র

    ডেটাসেটটি ২২টি বিস্তৃত ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপক্ষেত্র জুড়ে বিস্তৃত, ফলে উপস্থিতি রয়েছে রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞানসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে। এখানে দুটি কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, একটি হল দীর্ঘ-মেয়াদি কর্মজীবনের প্রভাব এবং একক-বছরের প্রভাব। টপ সায়নেটের অনুসন্ধানযোগ্য ডাটাবেস গবেষকদের প্রোফাইল খুঁজে বের করতে, দাবি করতে এবং আপডেট করতে সাহায্য করে দৃশ্যমানতা বাড়ানোর এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ সংশোধনের একটি দ্রুত উপায় (PU Teachers)। এই তথ্য ব্যবহার করে সহযোগিতা পরিকল্পনা করুন, কৌশলগতভাবে নিয়োগ করুন এবং যেখানে উদ্ধৃতির গতি বাড়ছে সেখানে অর্থায়নকে টার্গেট করুন।

    অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষতার গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড

    প্রতিষ্ঠান ও তরুণ গবেষকদের জন্য স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার টপ ২ শতাংশ তালিকা অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে উঠেছে। এটি কেবল বৈজ্ঞানিক সাফল্য উদযাপনই করে না, বরং তাৎপর্যপূর্ণ গবেষণার প্রভাব কীভাবে মাপা হয় তার আরও আন্ডারস্ট্যান্ডিংকে উৎসাহিত করে (Scientists List)। প্রসঙ্গত, স্ট্যানফোর্ড টপ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীনদের তালিকা হল একটি সরল কিন্তু কার্যকর প্রতিফলন – যা ২০২৫ সালে ভারতের উদ্ধৃত গবেষণার শক্তি কোথায় রয়েছে, তা দেখায়। বড় সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আইআইটিগুলি মূল অংশ দখল করে রয়েছে, এবং প্রচলিত সীমার বাইরে উৎকর্ষতার (PU Teachers) নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে (Scientists List)।

  • Indian Origin CEOs: ভিসা বিতর্কের মধ্যেই ২ ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে শীর্ষ পদে বসাল দু’টি বড় মার্কিন সংস্থা

    Indian Origin CEOs: ভিসা বিতর্কের মধ্যেই ২ ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে শীর্ষ পদে বসাল দু’টি বড় মার্কিন সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উল্টো পথে হেঁটে দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিকে শীর্ষ (Indian Origin CEOs) পদে বসাল আমেরিকারই দু’টি বড় কোম্পানি। সোমবারই এ খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এই খবরটি এমন একটা সময়ে এল যখন ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন এইচ-১বি ভিসার (H1B Visa) নিয়মগুলি কঠোর করছে।

    ‘শ্রীনি’ গোপালন (Indian Origin CEOs)

    জানা গিয়েছে, মার্কিন টেলিকম জায়ান্ট টি-মোবাইলের প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক হিসেবে ১ নভেম্বর থেকে দায়িত্ব নেবেন বছর পঞ্চান্নর শ্রীনিবাস ‘শ্রীনি’ গোপালন। আইআইএম আমেদাবাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থী গোপালন বর্তমানে টি-মোবাইলের চিফ অপারেটিং অফিসার পদে কর্মরত। তিনি মাইক সিভার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন। এই সিভার্ট ২০২০ সাল থেকে কোম্পানির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তাঁকে বসানো হচ্ছে অধুনা সৃষ্ট ভাইস চেয়ারম্যান পদে। লিঙ্কডইনের এক পোস্টে গোপালন লেখেন, “টি-মোবাইলের পরবর্তী সিইও (প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক) হিসেবে দায়িত্ব নিতে পেরে আমি দারুনভাবে সম্মানিত। এই কোম্পানি যা অর্জন করেছে, তা আমায় দীর্ঘদিন ধরে মুগ্ধ করেছে—গ্রাহকদের এমনভাবে সেবা দেওয়ার জন্য তারা নির্ভীকভাবে বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে, যা আগে কেউ ভাবতেও পারেনি।”

    গোপালনের কেরিয়ার

    গোপালনের কেরিয়ার মহাদেশ এবং ইন্ডাস্ট্রিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। হিন্দুস্তান ইউনিলিভারে ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি হিসেবে শুরু করে তিনি ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন, ক্যাপিটাল ওয়ান এবং ডয়চে টেলিকমে সিনিয়র হিসেবে কাজ করেছেন (H1B Visa)। সেখানে তিনি প্রবৃদ্ধি দ্বিগুণ করেছেন। লাখ  লাখ বাড়িতে ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করেছেন। জার্মানিতে রেকর্ড পরিমাণ মোবাইল বাজারের শেয়ারও ধরে ফেলেছিলেন তিনি (Indian Origin CEOs)। টি-মোবাইলে তিনি প্রযুক্তি, ভোক্তা এবং ব্যবসা বিভাগগুলির তত্ত্বাবধান করেছেন। ৫জি, এআই এবং ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন গোপালন। গোপালনকে অত্যন্ত দক্ষ, আবেগপ্রবণ এবং অবিশ্বাস্যভাবে জ্ঞানসম্পন্ন বলে অভিহিত করেছেন সিভার্ট। তিনি জানান, গোপালনের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি আমাদের কর্মী ও গ্রাহক অভিজ্ঞতাকে এক নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

    নতুন প্রেসিডেন্ট এবং সিইও

    এদিকে, শিকাগো-ভিত্তিক পানীয় জায়ান্ট মলসন কুরস তাদের নতুন প্রেসিডেন্ট এবং সিইও হিসেবে নিয়োগ করেছে বছর ঊনপঞ্চাশের রাহুল গোয়েলকে। ১ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি। গোয়েল বসছেন গ্যাভিন হ্যাটার্সলির জায়গায় (H1B Visa)। হ্যাটার্সলি এই বছরের শেষ পর্যন্ত উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ২৪ বছর ধরে (Indian Origin CEOs)।

    ভারতে জন্ম রাহুল গোয়েলের। মাইসুরুতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করেন। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার শহরে যান বিজনেস স্টাডি পড়তে। সেখানেই সেটেলড হয়ে যান। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ভারতে কুরস ও মলসন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করেছেন। মলসন কুয়ার্স বোর্ডের চেয়ারম্যান ডেভিড কুয়ার্স বলেন, “একটি দীর্ঘ সিইও উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার পর স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আমাদের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ধাপকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি রাহুলই নিয়ে এসেছেন।” গোয়েল জানান (H1B Visa), তিনি কোম্পানির ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সামনে আসা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত (Indian Origin CEOs)।

  • Primary TET: রাজ্যের সব প্রাইমারি শিক্ষককে টেট পাশ করতেই হবে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Primary TET: রাজ্যের সব প্রাইমারি শিক্ষককে টেট পাশ করতেই হবে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সব প্রাইমারি শিক্ষককে টেট (Primary TET) পাশ করতেই হবে। অন্তত এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলিকে চিঠি দিল পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, আগামী দু’বছরের মধ্যেই টেট পাশ করতে হবে সমস্ত প্রাইমারি শিক্ষককে। মহারাষ্ট্রের মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম নির্দেশ গোটা দেশেই প্রযোজ্য বলে দাবি আইনজীবীদের। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ‘যাঁদের ৫ বছরের কম চাকরি রয়েছে, তাঁদের টেট উত্তীর্ণ না হলেও চলবে। তবে পদোন্নতি চাইলে টেট পাশ করতেই হবে। ৫ বছরের বেশি যাঁদের চাকরি রয়েছে, তাঁদের টেট পাশ বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় যদি পাশ না করেন কিংবা পরীক্ষায় বসতে না চান, তাহলে তাঁদের চাকরি ছাড়তে হবে। যদিও অবসরকালীন সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন তাঁরা।’

    প্রাইমারি টেট (Primary TET)

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে দেশে লাগু হয়েছে শিক্ষার অধিকার আইন। ২০১২ সাল থেকে এ রাজ্যে প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগে চালু হয়েছে টেট-এর ব্যবস্থা। তার আগে বহু শিক্ষক চাকরি পেয়েছিলেন টেট (Primary TET) না দিয়েই। দিব্যি চাকরিও করছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রাইমারি শিক্ষক রয়েছেন প্রায় দেড় লাখ, তাঁদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক টেট চালু হওয়ার আগে থেকেই চাকরি করছেন।

    পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চিঠি

    এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা জানতে পেরেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলিকে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই প্রত্যেক শিক্ষকের জন্মতারিখ, জয়েনিং ডেট, এমপ্লয়ি আইডি, তাঁর রিটায়ারমেন্টের তারিখ এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা – সব জানাতে হবে।

    দেশের শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পর পর্ষদের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় অনেক প্রাইমারি শিক্ষক-শিক্ষিকাই। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শিক্ষার অধিকার আইন এবং এনসিটিই রুলে কোথাও বলা বলেই একথা। তা সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্ট এমন রায় দিয়েছে (Primary TET)।”

  • Ujjwala Yojana: চলতি অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় আরও ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ

    Ujjwala Yojana: চলতি অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় আরও ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষে (২০২৫–২৬) প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (PMUY)-এর আওতায় অতিরিক্ত ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ (New LPG Connections) দেওয়া হবে। সোমবারই একথা ঘোষণা করেছে শক্তি ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এর ফলে উজ্জ্বলা যোজনার (Ujjwala Yojana) আওতায় মোট সংযোগের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০.৫৮ কোটিতে। এই সংযোগের জন্য সরকার মোট ৬৭৬ কোটি টাকা ব্যয় অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ৫১২.৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে ২৫ লক্ষ জামানতমুক্ত সংযোগ প্রদানে (প্রতি সংযোগের জন্য ২,০৫০ টাকা হারে) এবং ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ভর্তুকি হিসেবে। মনে রাখতে হবে, ১৪.২ কেজির প্রতিটি গৃহস্থ এলপিজি সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হবে। একজন গ্রাহক বছরে সর্বোচ্চ ৯ বার এই ভর্তুকি পেতে পারবেন। ৫ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ভর্তুকির পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে নির্ধারিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (Ujjwala Yojana)

    প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় উপভোক্তারা পান একটি ডিপোজিট-মুক্ত এলপিজি সংযোগ। এর মধ্যে থাকে সিলিন্ডারের সুরক্ষা বাবদ জামানত, প্রেশার রেগুলেটর, সুরক্ষা হোস, ডোমেস্টিক গ্যাস কনজিউমার কার্ড বুকলেট এবং ইনস্টলেশন চার্জ। প্রথমবারের রিফিল এবং ওভেনও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। উপভোক্তাদের এলপিজি সংযোগ, প্রথম রিফিল কিংবা ওভেনের জন্য কানাকড়িও দিতে হয় না।

    সিলিন্ডার সংযোগ বেছে নেওয়ার সুযোগ

    উপভোক্তারা চাইলে ১৪.২ কেজি একক সিলিন্ডার সংযোগ, ৫ কেজি একক সিলিন্ডার সংযোগ অথবা ৫ কেজি ডাবল সিলিন্ডার সংযোগ বেছে নিতে পারেন। আরও স্বচ্ছতা ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এই যোজনার আওতায় এলপিজি সংযোগ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সহজীকরণ ও প্রযুক্তি-নির্ভর করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Ujjwala Yojana)।

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের মে মাসে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৮ কোটি জামানত-মুক্ত এলপিজি সংযোগ দেওয়া। বাকি দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য ২০২১ সালের অগাস্টে চালু করা হয় উজ্জ্বলা ২.০। পরে সরকার অতিরিক্ত ৬০ লাখ সংযোগ (New LPG Connections) অনুমোদন করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আরও ৭৫ লাখ সংযোগ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত পিএমইউওয়াই সংযোগ দেওয়া হয়েছে ১০.৩৩ কোটিরও বেশি (Ujjwala Yojana)।

  • Rubio Jaishankar Meet: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক,” বললেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী

    Rubio Jaishankar Meet: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক,” বললেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক।” সোমবার নিউ ইয়র্কে দ্বিপাক্ষিক ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের পর কথাগুলি বলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। অস্থির অংশীদারিত্বকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ওই বৈঠকে বসেছিলেন রুবিও এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (Rubio Jaishankar Meet)। এই বৈঠকেরই দিন কয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়া এইচ-১বি ভিসার (H 1B Visa Row) জন্য ১ লাখ মার্কিন ডলারের ফি (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৮ লাখ টাকা) ঘোষণা করেছিলেন। তার পরেও রুবিও-র এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (Rubio Jaishankar Meet)

    রাষ্ট্রসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ছিল ভারত ও আমেরিকার প্রথম মুখোমুখি আলোচনা। কারণ এই গ্রীষ্মের শুরুতে ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া হারে মার্কিন শুল্ক আরোপিত হওয়ায় বাণিজ্যিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছিল। এদিনের বৈঠকে দুই নেতাই আন্তরিকভাবে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান। উভয় দেশই ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক জটিলতার মধ্যেও সম্পর্কের ধারাবাহিকতার বার্তা তুলে ধরতে আগ্রহী ছিল।

    ভারত মার্কিন সম্পর্ক

    এদিন বৈঠক শেষে স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক রিপোর্ট থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে রুবিও বলেন, “ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক।” তিনি বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, ওষুধশিল্প এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে নয়াদিল্লির অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন। প্রতিশ্রুতি দেন, “কোয়াডের মাধ্যমেও একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে আমরা এক সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।” ফের একবার ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তার কথার উল্লেখ করে বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লেখেন, “আমাদের আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় (Rubio Jaishankar Meet) অন্তর্ভুক্ত ছিল। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে অগ্রগতি আনতে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব নিয়ে আমরা একমত হয়েছি। আমরা যোগাযোগ বজায় রাখব।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা ঘোষণা

    শুক্রবার ভিসা ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। তার জেরে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল তামাম বিশ্বে, বিশেষত ভারতে। কারণ এইচ-১বি ভিসার সব চেয়ে বড় ব্যবহারকারী দেশ ভারত। গত বছর যেখানে মোট অনুমোদনের ৭১ শতাংশ ভারত পেয়েছিল, সেখানে চিন পেয়েছিল ১২ শতাংশেরও নীচে। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া  এই ফি ভারতীয় আইটি পরিষেবা (H 1B Visa Row) দানকারীদের ব্যয় অত্যধিক বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ তারা এর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল (Rubio Jaishankar Meet)।

    শুল্ক বিবাদ

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ এই আঘাতটি দীর্ঘদিন ধরে চলা বাণিজ্য বিরোধের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে। গত জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এর ঠিক এক সপ্তাহ পরে আবারও অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সব মিলিয়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের হার দাঁড়ায় ৫০ শতাংশ। কারণ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীনও নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে। শুধু তাই নয়, সেই তেল বিক্রিও করছে ভারত। স্রেফ এই কারণ দর্শিয়েই চুপ করে যাননি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতকে তিনি এই মর্মে হুঁশিয়ারিও দেন  যে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে মাশুল গুণতে হবে নয়াদিল্লিকে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই শুল্ক আরোপের ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার ওপর প্রভাব পড়ে। যদিও সেপ্টেম্বর মাসে উভয় পক্ষই ফের আলোচনায় বসেছিল। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে একে ইতিবাচক আলোচনা বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তারা এও জানিয়েছে, এটি একটি চুক্তির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা জোরদার করার অঙ্গীকারের কথা ব্যক্ত করে (H 1B Visa Row)।

    কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত

    নানান বাধাবিঘ্ন সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। জুলাই মাসে রুবিও এবং জয়শঙ্কর জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়াডের সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে শেষবারের মতো সাক্ষাৎ করেছিলেন। এঁরা প্রত্যেকেই চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। সোমবারের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, যা শুল্কবিরোধ বাড়ার পর প্রথম, তার উদ্দেশ্যই ছিল এই বার্তা দেওয়া যে দুই দেশের সহযোগিতা এখনও অটুট রয়েছে (Rubio Jaishankar Meet)।

    প্রসঙ্গত, শুল্কবিতর্কে থমকে যাওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু করেছে ভারত ও আমেরিকা দুই দেশই। দিন কয়েক আগেই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে নয়াদিল্লি এসেছিল আমেরিকার বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রতিনিধি দল। সোমবার ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আমেরিকার গিয়েছেন (H 1B Visa Row)। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেই পথ আরও মসৃণ করতেই ফের ওয়াশিংটনে আলোচনায় বসছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা (Rubio Jaishankar Meet)।

  • Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষের অবসান শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। এই দেবীপক্ষেই বাংলায় দেবীমূর্তির (Durga Puja) আবরণ উন্মোচন করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চতুর্থীর দিন দুপুরের মধ্যে কলকাতায় আসবেন শাহ। তার পরে শহরের দু’টি নামী পুজোর উদ্বোধনে যোগ দেবেন তিনি। একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো, অন্যটি ইজেডসিসির দুর্গাপুজো। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো নামেই বিখ্যাত।

    থিমের অভিনবত্ব সজল ঘোষের পুজোয় (Amit Shah)

    থিমের অভিনবত্বের কারণেই ফি বছর আলোচনার কেন্দ্রে থাকে সজল ঘোষের পুজো। কখনও অযোধ্যার রামমন্দির, কখনও আবার দিল্লির লালকেল্লা করে দর্শকদের চমকে দিয়েছেন তিনি। এবার এই পুজোর থিম হল ‘অপারেশন সিঁদুর’। মূলত এই থিমেরই উদ্বোধন করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এই পুজো এবার পা দিল ৯০ বছরে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্বোধন করে শাহ (Amit Shah) যাবেন ইজেডসিসির পুজোর উদ্বোধন করতে। এই পুজোর আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক মঞ্চ নামের এক সংগঠন। এই পুজো শুরু হয়েছিল মুকুল রায়ের হাত ধরে। তিনি তখন ছিলেন বিজেপিতে। পরে তৃণমূলেই ফিরে যান দলবদলু মুকুল। পুজো হয়েছিল তার পরের বছরও। পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এবার ফের হচ্ছে সেই পুজোর আয়োজন। খুঁটিপুজোর দিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতার মণ্ডপ উদ্বোধনেও যাবেন শাহ

    বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি মণ্ডপ উদ্বোধনেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে সেটি কোন মণ্ডপ কিংবা উদ্যোক্তাই বা কারা, সে সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। তবে কেন্দ্রটি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর লাগোয়া এলাকায়, তা নিশ্চিত। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এ বছর তড়িঘড়ি করে পিতৃপক্ষেই ‘হিজাব’ পরে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেছেন মমতা। এ নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার (Durga Puja) শাহকে এনে ‘অপারেশন সিঁদুর’ থিমের উদ্বোধন করিয়ে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিতে চাইছে পদ্মশিবির (Amit Shah)।

  • Rajnath Singh: “পাক অধিকৃত কাশ্মীর খুব শীঘ্রই ভারতের অংশ হয়ে যাবে,” মরক্কোয় বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “পাক অধিকৃত কাশ্মীর খুব শীঘ্রই ভারতের অংশ হয়ে যাবে,” মরক্কোয় বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (POK) খুব শীঘ্রই ভারতের অংশ হয়ে যাবে।” অন্তত এমনই দাবি করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানান, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আক্রমণ করার প্রয়োজনও পড়বে না। তাঁর দাবি, ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি তুলেছেন সেখানকার মানুষই।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর (Rajnath Singh)

    দু’দিনের সফরে রবিবার মরক্কোয় গিয়েছেন রাজনাথ। সেখানে তিনি দেখা করেন সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে। সেই সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীর খুব শীঘ্রই ভারতের অংশ হবে। সেখানকার মানুষ ইতিমধ্যেই সেই দাবি তুলতে শুরু করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “পাঁচ বছর আগে আমি কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনার এক অনুষ্ঠানে বলেছিলাম পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে আমাদের আক্রমণ করার প্রয়োজন নেই। ওটা এমনিতেই আমাদের হবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারাই বলবেন, আমরা ভারতের অংশ। ওই দিন আসতে চলেছে।” রাজনাথ বলেন, “সেখানকার মানুষই বর্তমান প্রশাসনের কাছে স্বাধীনতার দাবি তুলেছেন। পিওকের সেই স্লোগান আপনারাও নিশ্চয়ই শুনেছেন।”

    ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ

    ভারত বরাবরই পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে। কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির একাধিক নেতা-মন্ত্রীকেও বলতে শোনা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। গত বছর এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও বলেছিলেন, “পিওকে (পাক অধিকৃত কাশ্মীর) কখনওই ভারতের বাইরের অংশ ছিল না। সেটি এই দেশের অংশ। ভারতীয় সংসদের একটি রেজোলিউশন রয়েছে, যাতে বলা আছে, পিওকে ভারতেরই অংশ। এখন অন্যের কাছে পিওকের নিয়ন্ত্রণ কী করে গেল, তা আলোচনার বিষয়।”

    কী বললেন রাজনাথ

    এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ৭ মে অপারেশন সিঁদুর চালানোর সময় পিওকে দখলের সুযোগ হাতছাড়া করেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। বিভিন্ন বিরোধী দলের বহু নেতা সমালোচনা করেছিলেন এই বলে যে ভারত একাধিক পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার পরেও যখন ভারতের প্রাধান্য ছিল, তখন কেন্দ্র কেন যুদ্ধবিরতিতে রাজি হল। তাঁদের দাবি ছিল, তখন পাকিস্তান অধিকৃত ভূখণ্ড দখল করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল।”

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    প্রসঙ্গত (Rajnath Singh), মরক্কোয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেরেশিদে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের নয়া উৎপাদন কারখানার উদ্বোধন করবেন। এখানে হুইলড আর্মার্ড প্ল্যাটফর্ম ৮*৮ তৈরি হবে। এটি আফ্রিকায় ভারতের প্রথম প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হবে। রাজনাথ মরক্কোর নয়া (POK) উৎপাদন কেন্দ্রটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এটি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উপস্থিতিকে প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য, এটি ভারতের কোনও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মরক্কো সফরের প্রথম ঘটনা। তিনি মরক্কোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী আবদেলতিফ লৌদিয়ির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    মউ স্বাক্ষর

    রাজনাথের এই সফরে ভারত ও মরক্কো প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে একটি মউ স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও প্রসারিত ও গভীর করার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দেবে, যার মধ্যে থাকবে বিনিময়, প্রশিক্ষণ ও শিল্পখাতের সংযোগ। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজগুলি নিয়মিতভাবে কাসাব্লাঙ্কা বন্দরে নোঙর করছে। এই চুক্তি সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

    অপারেশন সিঁদুর

    অপারেশন সিঁদুর নিয়েও মুখ খুলেছেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “চাইলে আমরা (পাকিস্তানের) যে কোনও সেনাঘাঁটি বা লোকালয়ে হানা দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা সেটা চাইনি। ভারতকে আমরা নীতিবিচ্যুত হতে দিইনি।” পহলেগাঁওয়ে ধর্ম পরিচয় জেনে জঙ্গিরা গুলি চালিয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাজনাথ বলেন, “আমরা কাউকে ধর্ম পরিচয়ের জন্য হত্যা করিনি। হত্যা করেছি তাদের কাজকর্মের জন্য।” অপারেশন সিঁদুর ফের যে কোনও দিন শুরু হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজনাথ। তিনি বলেন, “ভারত যে কোনও সময় অপারেশন সিঁদুরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় ধাপ শুরু করতে পারে। পাকিস্তান যদি জঙ্গি হামলা চালানোর বা অনুপ্রবেশকারীদের পাঠানোর সাহস দেখায়, তাহলে ভারত আবারও অপারেশন সিঁদুর শুরু করতে দ্বিধা করবে না (POK)।”

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সেখানে পর্যাপ্ত খাবার নেই, মিলছে না প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও। বেহাল দশা শিক্ষা ব্যবস্থার। তার ওপর চাপানো হয়েছে মোটা অঙ্কের কর। তাই তাঁরা পাক সরকারের শাসনে থাকতে রাজি নন (Rajnath Singh)।

LinkedIn
Share