Author: pranabjyoti

  • RSS: মহালয়ার দিন পশ্চিমবঙ্গে তিনশোরও বেশি সমাবেশের আয়োজন করবে আরএসএস

    RSS: মহালয়ার দিন পশ্চিমবঙ্গে তিনশোরও বেশি সমাবেশের আয়োজন করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ২১ সেপ্টেম্বর, রবিরার মহালয়ার দিন পশ্চিমবঙ্গে ৩০০-রও বেশি সমাবেশের (Rallies) আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছে আরএসএস (RSS)। মহালয়া থেকেই সূচনা হয়ে যায় শারদোৎসবের। হিন্দুদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনই দেবী দুর্গা স্বর্গ ছেড়ে মর্তে আসেন। সেই কারণেই এই দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে সমাবেশ করার দিন হিসেবে। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আরএসএসের তরফে আয়োজন করা হবে শোভাযাত্রা ও পথসভার। সংঘের পশ্চিমবঙ্গের ইউনিট তিনটি প্রাদেশিক কমিটিতে বিভক্ত। এগুলি হল উত্তর, মধ্য এবং দক্ষিণ বাংলা।

    সংঘের পরিকল্পনা (RSS)

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই তিনটি প্রান্তেই সংঘের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আরএসএসের অন্তত ৫২টি সর্বভারতীয় সহযোগী সংগঠন রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও বেশ কিছু আঞ্চলিক সহযোগী সংগঠন। এই সব সংগঠনগুলিকে এক সঙ্গে শতবর্ষ উদযাপনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। অর্থাৎ এবার ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস), সংস্কার ভারতী, শিক্ষণ মণ্ডল, সহকার ভারতী, শিক্ষক মহাসংঘ এবং সীমান্ত চেতনা-সহ অন্যান্য সংগঠন এ বছর আলাদা করে কোনও অনুষ্ঠান, সমাবেশ কিংবা শোভাযাত্রা করবে না।

    সংঘ পরিবারের শক্তিকে প্রদর্শন

    সূত্রের খবর, সংঘের পরিকল্পনা হল সমগ্র সংঘ পরিবারের শক্তিকে প্রদর্শন করা। বিজেপি নেতা ও কর্মীরা, যারা একই সঙ্গে স্বয়ংসেবকও, আশা করা হচ্ছে তাঁরা মহালয়ার দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত এই সব কর্মসূচিতে যোগ দেবেন (RSS)। ফি বছর আরএসএস বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মসূচির মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে স্বাগত জানায়। এ বার পরিকল্পনা করা হয়েছে, প্রতিটি জেলায়ই একাধিক সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে।

    দক্ষিণবঙ্গ প্রভার প্রধান বিপ্লব রায় বলেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হতে যাচ্ছে। আমরা মা-কে স্বাগত জানাব। একই সঙ্গে আমাদের ১০০ বছরও উদযাপন করব। সর্বত্র একত্রীকরণ, সমাবেশ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।” আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, সংঘ রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেই কারণেই এই মহালয়া অনুষ্ঠানকে (Rallies) ব্যাপক রাজনৈতিক গুরুত্বের দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। গত দুবছরে বাংলায় শাখার সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে (RSS)।

  • PM Modi: মোদির দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করলেন কলম্বোর মুসলমানরা

    PM Modi: মোদির দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করলেন কলম্বোর মুসলমানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করলেন মুসলমানরা (Muslim Community)। আজ্ঞে হ্যাঁ, শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ঘোর বাস্তব। যাঁরা প্রচার করে বেড়ান বিজেপি মুসলমান বিরোধী, তাঁদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মারল মুসলমানদের এই বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন। এদিন ৭৫ বছরে পা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশ-বিদেশের রাজনীতিকরা তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বহু সাধারণ মানুষও বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা করে।

    মুসলিমদের বিশেষ প্রার্থনা (PM Modi)

    শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় বোহরা মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা মসজিদে বিশেষ প্রার্থনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে। ওই বিশেষ প্রার্থনার ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, মোদির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং ভারতের সেবা অব্যাহত রাখার জন্য প্রার্থনা করছেন তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ক্রমেই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ‘আন্তর্জাতিক’ হয়ে উঠছেন, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে নেপালেও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপক প্রশংসা করেছেন সে দেশের নাগরিকদের একটা বড় অংশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ব্রিটিশ দক্ষিণপন্থী নেতা টনি রবিনসনও।

    আন্তর্জাতিক মঞ্চে মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    এদিন মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বহু আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রনেতাও। আন্তর্জাতিক মঞ্চে মোদির নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাহরুখ খান, অক্ষয় কুমার, অনুপম খের এবং আলিয়া ভাট-সহ বলিউডের বহু প্রখ্যাত তারকা। ক্রীড়া জগতের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক জগতের লোকজনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদানও স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)।

    বারাণসী লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই এদিন বারাণসী কার্যত হয়ে উঠেছিল উৎসবমুখর। দশাশ্বমেধ ঘাটে সিটি সাউথের বিধায়ক নীলকণ্ঠ তিওয়ারি আন্নপূর্ণা ঋষিকুল ব্রহ্মচার্য আশ্রম এবং শাস্ত্রার্থ মহাবিদ্যালয়ের ১০৮ জন বৈদিক পণ্ডিতের সঙ্গে মিলিত হন। তাঁরা একযোগে গঙ্গায় দুধাভিষেক সম্পন্ন করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও ভারতের সমৃদ্ধির জন্য বৈদিক মন্ত্র পাঠ করেন। পরে সন্ধ্যায় নমো ঘাটে বিশেষ গঙ্গা আরতিরও আয়োজন করা হয়। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে সন্ন্যাসীরা বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন। ১১০০টি পদ্মফুল দ্বারা সহস্রার্চনা এবং মহারুদ্রাভিষেকও হয় মোদির (Muslim Community) সুস্বাস্থ্য, দেশের ঐক্য ও বিশ্বশান্তির জন্য। ফল বিতরণ করা হয় হাসপাতাল, অনাথ আশ্রম এবং বৃদ্ধাশ্রমে (PM Modi)।

  • PM Modi: “নয়া ভারত পরমাণু হামলার হুমকিকেও ভয় পায় না”, জন্মদিনে বললেন মোদি

    PM Modi: “নয়া ভারত পরমাণু হামলার হুমকিকেও ভয় পায় না”, জন্মদিনে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা নয়া ভারত। এই ভারত কাউকে ভয় পায় না। নয়া ভারত পরমাণু হামলার হুমকিকেও (Nuclear Threats) ভয় পায় না। ভারতীয় সেনা ঘরে ঢুকে শত্রুদের নিকেশ করে আসতে পারে।” বুধবার ৭৫তম জন্মদিনে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন মধ্যপ্রদেশের ধর এলাকায় সরকারি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই ফের একবার পাকিস্তান ও পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডারের ভিডিওর কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, “আমাদের সেনারা পাকিস্তানের হাঁটু ভেঙে দিয়েছে।”

    জইশ কমান্ডারের স্বীকারোক্তিই ঠিক (PM Modi)

    তিনি বলেন, “জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডারের স্বীকারোক্তিই ঠিক। পাকিস্তানের চোখের পলক পড়ার আগেই অপারেশন সিঁদুরে ওদের হাঁটু ভেঙে দেওয়া হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের কাছে সর্বোচ্চ প্রাধান্য হল ভারতমাতাকে রক্ষা করা। পাকিস্তানি জঙ্গিরা আমাদের মা-বোনের সিঁদুর মুছে দিয়েছিল। আমরা অপারেশন সিঁদুরে ওদের নাম ও নিশান মুছে দিয়েছি। চোখের পলক পড়ার আগেই ওদের ধরাশায়ী করে দিয়েছে আমাদের সেনাবাহিনী।” তিনি বলেন, “গতকালই দেশ তথা তামাম বিশ্ব সাক্ষী থেকেছে আর এক জঙ্গি কীভাবে কেঁদে কেঁদে বর্ণনা দিয়েছে। জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডারই পাকিস্তানের পর্দা ফাঁস করে দিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডারের এই স্বীকারোক্তিই প্রমাণ করে যে নতুন ভারত কেবল দৃঢ়ভাবে সন্ত্রাসের জবাবই দেয় না, বরং কারও পারমাণবিক হুমকিকেও ভয় পায় না।”

    আসিম মুনিরের হুমকি

    তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির পরমাণু যুদ্ধের ভয় দেখিয়ে গোটা বিশ্বকে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন। ইসলামাবাদ বলছে, ভবিষ্যতে ভারত-পাক যুদ্ধ হলে অর্ধেক দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে।” এর পরেই মোদি (PM Modi) বলেন, “নতুন ভারত এমন হুমকিকে ভয় পায় না। ভারতীয় সেনা যেভাবে পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের খতম করেছে, তেমনই দেশের মাটিতে ঢুকে যারা নাশকতা চালাতে আসবে, তাদেরও ধ্বংস করবে (Nuclear Threats)।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অপারেশন সিঁদুরে আমরা জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড গুঁড়িয়ে দিয়েছি। জইশের জঙ্গিরাই পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়েছে।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি বলেছিলেন, “ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরে ভাওয়ালপুরে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে মাসুদ আজহারের পরিবার।”

    মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরির ভিডিও বার্তা

    মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরির ভিডিও বার্তায় দেখা গিয়েছে, এই জঙ্গি নেতাকে ঘিরে রয়েছেন পাক সেনার কয়েকজন আধিকারিক। অপারেশন সিঁদুরের পর এতদিন ধরে এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছিল জইশ নেতারা। এই প্রথম তাঁরা সংগঠনের বিরাট ক্ষতির কথা কবুল করে নিলেন নিজেরাই। শুধু তাই নয়, তিনি জইশের দিল্লি ও মুম্বই হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পাকিস্তানের বালাকোট অঞ্চলের গুরুত্বের কথাও। তিনি (PM Modi) বলেন, “তিহাড় জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর আমির-উল-মুজাহিদিন মওলানা মাসুদ আজাহার পাকিস্তানে ফিরে আসেন। তাঁর চিন্তা ও কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বালাকোটের মাটি তাঁকে আশ্রয় দেয়। এখানকার প্রতিটি (Nuclear Threats) কণা তাঁর কাছে ঋণী। সেই আজাহারই দিল্লি ও মুম্বইকে কাঁপিয়েছিল।”

    জইশ জঙ্গিদের সৎকারে যোগ দেওয়ার নির্দেশ

    ইলিয়াসের দাবি, ‘ভাওয়ালপুরে নিহত জইশ জঙ্গিদের সৎকারে যোগ দেওয়ার নির্দেশ সরাসরি দেওয়া হয়েছিল পাক সেনার সদর দফতর থেকে। সেনাপ্রধানের নির্দেশে সেখানে পাঠানোও হয়েছিল জেনারেলদের। তার পরে পাক সেনা ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করে, যাতে ভাওয়ালপুর ও জইশের যোগসূত্র প্রকাশ্যে না আসে।’ জইশ কমান্ডারের এই স্বীকারোক্তিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে। সেটি হল, অপারেশন সিঁদুরের পর পাক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতের এই অভিযান নাড়িয়ে দিয়েছে তাদের নেটওয়ার্কের ভিত। ভিডিওতে ইলিয়াস স্বীকার করেন, ৭ মে ভাওয়ালপুরে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের সদর দফতরে ভারত যে বিমান হামলা চালিয়েছিল, তা ছিল ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ। সেখানে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন হিন্দু পর্যটক। ভাওয়ালপুর ছাড়াও পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের আরও আটটি জঙ্গি ঘাঁটিও চোখের নিমেষে ধ্বংস করে দেয় ভারতীয় বিমান বাহিনী।

    সুস্থ নারী, শক্তিশালী পরিবার অভিযান

    এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিজেপির সেবা পক্ষ অভিযানেরও সূচনা করেন। ফি বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা নানান সেবামূলক কাজ করেন। ধরের ওই অনুষ্ঠানেই তিনি জানান, দেশে শুরু হচ্ছে সুস্থ নারী, শক্তিশালী পরিবার অভিযান। এই অভিযানে বিনামূল্যে ওষুধ ও নানান টেস্টের সুবিধা পাবেন মহিলারা। এতে উপকৃত হবেন ৪ কোটিরও বেশি মহিলা। মানসিক স্বাস্থ্য, অ্যানিমিয়া ও লাইফস্টাইল সংক্রান্ত রোগের সুবিধাও মিলবে সেবা পক্ষের ওই বিশেষ শিবিরে (Nuclear Threats)। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সাটাইল রিজিওন অ্যান্ড অ্যাপারেল পার্কেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ওই অনুষ্ঠানে। বলেন, “দেশের কোটি কোটি মা-বোন আমায় আশীর্বাদ করেছেন। ধরে দেশের বৃহত্তম ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল পার্ক দেশের শিল্পকে নয়া শক্তি দেবে। কৃষকরা পাবেন ন্যায্য মূল্য (PM Modi)।”

  • Tommy Robinson: “হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ, শান্তিপ্রিয়”, বললেন মোদির ‘ফ্যান’ ব্রিটেনের টমি রবিনসন

    Tommy Robinson: “হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ, শান্তিপ্রিয়”, বললেন মোদির ‘ফ্যান’ ব্রিটেনের টমি রবিনসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দুরা অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠীর থেকে একেবারেই আলাদা। তারা ব্রিটিশদের সঙ্গে মেলামেশা করে এবং ব্রিটিশ সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হিন্দুরা কখনওই ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় না। তারা ব্রিটিশ পরিচয়ের ক্ষয়ক্ষতির কারণও নয়।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি কিন্তু ধর্মে হিন্দু নন। তাঁর নাম টমি রবিনসন (Tommy Robinson)। এই মুহূর্তে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে। কারণ লন্ডনে বৃহৎ পরিসরের অভিবাসী-বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনিই।

    ব্রিটিশের মুখে হিন্দু প্রশস্তি (Tommy Robinson)

    ভারতীয়, বিশেষ করে ব্রিটেনের (UK) হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি খুবই আলাদা ও বিশেষ মনোভাব রয়েছে তাঁর। যদিও দেশে যে বেনো জলের মতো অভিবাসীদের দল ঢুকে পড়ছে, তা নিয়ে তিনি অত্যন্ত হতাশ ও ক্ষুব্ধ তিনি। রবিনসন নিজেকে একাধিকবার হিন্দুদের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা (হিন্দুরা) ব্রিটিশ জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। হিন্দুদের তিনি বর্ণনা করেছেন ‘শান্তিপূর্ণ’ ও ‘শান্তিপ্রিয়’ অভিবাসী সম্প্রদায় হিসেবে। তাই তিনি ব্রিটিশ সংস্কৃতি ও পরিচয়ের জন্য হিন্দুদের হুমকিস্বরূপ বলে মনে করেন না।

    আমি হিন্দুদের পাশেই দাঁড়াব

    অবশ্য এই প্রথম নয়, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি টমি রবিনসনের সমর্থন গত বেশ কয়েক বছর ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২২ সালে এশিয়া কাপ ক্রিকেট খেলা চলাকালীন লেস্টারে ব্রিটিশ হিন্দু-মুসলিমদের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সময় তিনি ঘোষণা করেছিলেন, প্রয়োজনে তিনি শত শত মানুষকে মোবিলাইজ করবেন ব্রিটিশ হিন্দুদের পক্ষে লড়াই করতে এবং তাদের রক্ষা করতে। ওই বছরই এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “কখনও কখনও ব্রিটেনে হিন্দুদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। তবে আমি কিন্তু তাদের পাশেই দাঁড়াব।”

    ব্রিটিশ রাজনীতিকদেরও নিশানা

    ব্রিটিশ রাজনীতিকদেরও একহাত নেন রবিনসন। তাঁর অভিযোগ, ব্রিটিশ রাজনীতিকরা হিন্দুদের পাশে দাঁড়াননি, রক্ষা করেননি তাঁদের অধিকার। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে হিন্দুদের সংগ্রাম দেখেছি। এর সঙ্গে আমার ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযানের সঙ্গে খুবই মিল রয়েছে।” হিন্দুরা কীভাবে পক্ষপাতমূলক রাজনীতির শিকার হচ্ছেন, আপোষমূলক রাজনীতির ভুক্তভোগী হচ্ছেন এবং কয়েকটি ইসলামি গোষ্ঠীর টার্গেট হচ্ছেন, তাও তুলে ধরেন এই ব্রিটিশ নাগরিক। হিন্দুদের প্রতি তাঁর আহ্বান, ‘আপনারা নির্জীব না থেকে সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়াই করুন এবং নিজেদের রক্ষা করুন (Tommy Robinson)।’

    রবিনসনের মোদি-স্তুতি

    কেবল হিন্দু নন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও ভক্ত রবিনসন। ২০২৪ সালে যখন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন মোদি, তখন তাঁর জয় উদযাপন করেছিলেন তিনি। ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসাও করেন। একে তাঁর পপুলিস্ট মতাদর্শ ও ব্রিটেনের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে রবিনসন কমপক্ষে দু’টি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি তাঁর সমর্থন প্রকাশ করেন (UK)। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট জয়ী হয়। এর পরে কমিউনিজমের মোকাবিলা করে তৃতীয়বার এনডিএ ক্ষমতায় আসায় তাদের অভিনন্দনও জ্ঞাপন করেন রবিনসন। বিশেষজ্ঞদের মতে, রবিনসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলির একটি হল, এই সম্প্রদায় সাধারণত কোনও হিংসা বা ব্রিটিশ বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয় না। এরা সম্পূর্ণভাবে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।

    মুসলিমদের প্রতি তাঁর মনোভাব

    যদিও রবিনসনের বিরোধীদের বক্তব্য, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর এই সমর্থন একটি পরিকল্পিত কৌশল। এটি তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যে তিনি সম্পূর্ণভাবে অভিবাসনের বিরুদ্ধে নন, যেমনটি বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে তুলে ধরা হয়। বরং তাঁর প্রতিবাদ শুধুমাত্র সেই সব অভিবাসীদের বিরুদ্ধে, যাঁরা ব্রিটিশ পরিচয় ও সংস্কৃতির পক্ষে হুমকি স্বরূপ এবং যাঁরা দেশের সামাজিক বন্ধনকে নষ্ট করে হিংসায় উসকানি দেয় (Tommy Robinson)। রবিনসন তাঁর অ্যাক্টিভিজমকে মুক্ত বাকস্বাধীনতা এবং জাতীয় পরিচয়ের রক্ষাকবচ হিসেবে তুলে ধরেন। যদিও তাঁর মতাদর্শের মধ্যে স্পষ্ট, তিনি মুসলিমদের ‘আক্রমণকারী’ এবং ‘অপরাধী’ হিসেবেই চিহ্নিত করেন (UK)।

    ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’

    প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ দক্ষিণপন্থী কর্মী রবিনসন সম্প্রতি খোদ লন্ডনে (ব্রিটেনের রাজধানী) এক বিশাল মিছিলেন নেতৃত্ব দেন। ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন এক লাখেরও বেশি মানুষ। এই কর্মসূচির নাম ছিল ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’, যা মূলত অভিবাসনবিরোধী আন্দোলন হিসেবেই পরিচিত। মনে রাখা প্রয়োজন, রবিনসনের হিন্দুদের প্রতি মন্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন ভারতীয় সম্প্রদায় দক্ষিণ এশিয় পরিচয় প্রত্যাখ্যান করেছে (UK)। কারণ এর মধ্যে পাকিস্তানিরাও রয়েছে। এই পাকিস্তানিরাই ব্রিটেনে গ্রুমিং গ্যাং পরিচালনা করেছিল বলে অভিযোগ (Tommy Robinson)।

  • Operation Sindoor: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিল পাকিস্তান, বিপাকে ট্রাম্প

    Operation Sindoor: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিল পাকিস্তান, বিপাকে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিল পাকিস্তান (Pakistans Foreign Minister)। ইসলামাবাদের (পাকিস্তানের রাজধানী) মন্তব্যের জেরে ফাঁপরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁকে বিপাকে ফেলেছেন খোদ পাক উপপ্রধানমন্ত্রী তথা (Operation Sindoor) বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। তাঁর কবুল করা কথাতেই ফেঁসে গেলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)

    ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে খুন করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। এই অপারেশনে সফল হয় ভারত। তার পরেও বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে মোদি সরকারকে। কারণ, যুদ্ধ বিরতির কৃতিত্ব দাবি করেন ট্রাম্প। এর পরেই বিরোধীদের দাবিতে তুলকালাম হয় সংসদে। তাঁদের বক্তব্য, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বিরতির কথা কেন ঘোষণা করবে তৃতীয় পক্ষ। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধবিরতি কোনও তৃতীয় পক্ষের কথা শুনে হয়নি। এবার সেই কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারের মুখে। তিনি বলেন, “ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল আমেরিকা, তবে ভারত তাতে রাজি হয়নি।” তিনি কবুল করেন, “যুদ্ধ থামাতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি তুলেছিল ইসলামাবাদ।” যদিও শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক এই বিষয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “নয়াদিল্লি সব সময় ভারত ও পাকিস্তানের যাবতীয় বিষয় কঠোরভাবে দ্বিপাক্ষিক হিসেবেই দেখে।”

    পাক বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমরা তৃতীয় পক্ষের জড়িত থাকার বিষয়ে আপত্তি করি না। তবে ভারত বরাবর স্পষ্ট করে বলে আসছে- এটি একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। আমাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় কোনও আপত্তি নেই। তবে (Operation Sindoor) আলোচনা ব্যাপক হতে হবে। আগেও আমরা সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য, অর্থনীতি, জম্মু-কাশ্মীরের মতো বিষয়ে আলোচনা করেছি।” দার জানান, এর আগে মে মাসে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী)। বলেছিল (Pakistans Foreign Minister), ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা হবে একটি নিরপেক্ষ স্থানে। যদিও ২৫ জুলাই ওয়াশিংটনে রুবিওর সঙ্গে পরবর্তী এক বৈঠকে দারকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারত এই প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। পাক বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারত বলেছে এটি একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। আমরা কোনও কিছুর জন্য ভিক্ষা করছি না। আমরা একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। আমরা বিশ্বাস করি যে আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার পথ। তবে আলোচনার জন্য দু’জনের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।” তিনি সাফ জানান, ভারত যদি সাড়া দেয়, তবে পাকিস্তান এখনও আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক। দার বলেন (Operation Sindoor), “কোনও দেশ যদি আলোচনা চায়, তবে আমরা খুশিই হব। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আমরা আলোচনায় বিশ্বাস করি। তবে ভারত যদি না চায়, তাহলে আমরাও এগোব না।” অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তান যে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চেয়েছিল, এদিন তাও জানান পাক বিদেশমন্ত্রী। তিনি কবুল করেন, “পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে কথা বলার জন্য বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছিল (Pakistans Foreign Minister)।”

    শিমলা চুক্তি

    উল্লেখ্য যে, ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত শিমলা চুক্তির অন্যতম শর্তই ছিল ভারত ও পাকিস্তানের কোনও সমস্যার সমাধান দ্বিপক্ষিক স্তরে হবে। সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা’কে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সে কথা মনেও করিয়ে দেন দার। শুধু তা-ই নয়, ১৯৯৯ সালে লাহোর ঘোষণার সময় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বিজপেয়ী যখন পাকিস্তানে যান, তখনও তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলোচনার সময়ই এই বিষয়টি উঠে এসেছিল (Operation Sindoor)। জানা গিয়েছে, রুবিও তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভারত সব সময় বলে এসেছে, এটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়, তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই। অথচ সেই দেশেরই রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প গত মে মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “আমার মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তান পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।”

    বিক্রম মিস্রির দাবি

    ট্রাম্পের এহেন দাবির পরে পরেই ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি জানিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব এসেছিল পাকিস্তানের তরফে। তবে ভারত তৃতীয় পক্ষের কোনও হস্তক্ষেপ মানেনি। বিদেশসচিব জানান, পাকিস্তানের ডিজিএমও ভারতীয় ডিজিএমও-কে ফোন করে যুদ্ধবিরতির আবেদন করেন। তার পরেই বিকেল ৫টা থেকে গুলি চালানো বন্ধ করার বিষয়ে বোঝাপড়া হয় দুই দেশের মধ্যে। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ভারত তাঁকে কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতা করতে বলেছে। তখনই তাঁর দাবি খারিজ করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিনও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন শিমলা চুক্তির পর (Pakistans Foreign Minister) থেকে নয়াদিল্লি শুধুই দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পক্ষপাতী (Operation Sindoor)।

  • Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার গাজা শহরে (Gaza City) স্থল অভিযান চালাল ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইজরায়েলের (Israel) নেতানিয়াহু সরকারের দাবি, গাজা শহর থেকে হামাসকে একেবারে নির্মূল করতে চালানো হচ্ছে এই অভিযান। সূত্রের খবর, ইজরায়েলের ভারী ট্যাংকগুলি গাজা শহরে ঢুকে পড়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যাপক বিমান হামলা। এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর রেসিডেন্সিয়াল ও সিভিলিয়ন টাওয়ার। এই টাওয়ারগুলিতেই হামাস জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছিল বলে খবর। যুদ্ধে যাতে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি না হয়, তাই গাজার সাধারণ মানুষকে শহরের দক্ষিণ দিকে সরে গিয়ে নির্দিষ্ট একটি এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইডিএফ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “হামাসের কোনও নিরাপত্তা নেই। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের রক্ষে নেই।”

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel)

    ক্রমেই গভীরতর হচ্ছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় প্রতিদিনই চলছে যুদ্ধ। মাঝে অবশ্য কিছুদিনের জন্য যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে তা উঠে গিয়ে ফের শুরু হয় সংঘাত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় একাধিকবার আলোচনার পরেও ক্রমশই ঘোর হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ (Israel)। গত ৯ সেপ্টেম্বর ইজরায়েল কাতারে হামাসের একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালায়। খতম হয় পাঁচজন হামাস জঙ্গি। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার পশ্চিম অংশে একটি ১৬ তলা ভবনও আক্রমণ করে। এটি গাজার সবচেয়ে উঁচু ভবন। ইজরায়েলের দাবি, এটি একটি জঙ্গি ঘাঁটি। এক ইজরায়েলি সেনাকর্তার দাবি, গাজা সিটিতে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ হাজার হামাস জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল ক্যাটজ-এর কথায়, ‘জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অপহৃতদের মুক্তি এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।’

    কী বলছেন ট্রাম্প

    এদিকে, মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, “হামাস সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দিয়ে এবং আত্মসমর্পণ করে যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তবে এটাও ঠিক যে ওরা এটা করবে না।” প্রসঙ্গত, বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইজরায়েলের স্থলভাগে অভিযান চালানোর খবরে হামাসের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি একটি সংবাদ প্রতিবেদন পড়েছি যে ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের বিরুদ্ধে হামাস বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। আমি আশা করি, হামাসের নেতারা বুঝতে পারবে তারা কী বিপদে পড়ছে যদি তারা এমন কাজ করে। এটি একটি (Gaza City) মানবতাবিরোধী অপরাধ। এখনই সব বন্দিকে মুক্তি দাও (Israel)!”

  • Suvendu Adhikari: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু। তার পরের দিনই আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পদ্ম ফোটার কথা বললেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছে, ২০২৬ সালে রাজ্য থেকে বিদায় হবে তৃণমূল কংগ্রেসের, মুখ্যমন্ত্রিত্ব খোয়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু বলেন, “দেশের যতগুলি রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠন করুক না কেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে যদি বিজেপি না আসে, তাহলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না।” তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতারা প্রত্যেকেই বিষয়টি নিয়ে আশাবাদী। এক সময়ের ৩টি আসন যদি পরে ৭৭ হতে পারে, বা ১০ শতাংশ ভোট যখন ৪০ শতাংশে আসতে পারে, তাহলে আসন সংখ্যা ১৭৭, আর ভোট ৪৫ শতাংশ না হওয়ার কোনও কারণ নেই।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় চান। কোনও দলের ঝান্ডা ছেড়ে, সাংবাদিক পরিচয় না দিয়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে প্রশ্ন করলে বহু মানুষ একই উত্তর দেবেন। তাঁরা বলবেন, বিজেপির হাত ধরেই বাংলায় পরিবর্তন চাই। কারণ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিই একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প।”

    বিজেপিই একমাত্র বিকল্প

    রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এটা এমন একটা রাজ্য যেখানে ৯ বছর পরে চাকরির পরীক্ষা হয়, তাও আবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। এখানে এমনও অনেক যুবক রয়েছেন যাঁরা একটা প্যান্ট তিনবার সেলাই করে পরেন। তাঁরা জানেন বেকারত্বের জ্বালা।” কেন অন্য কোনও দল নয়, বিজেপিই একমাত্র বিকল্প, এদিন তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। বলেন, “যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার রয়েছে, সেটা যাঁদের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হোক না কেন, নজরদারি থাকে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাঁর দেশপ্রেম, মমত্ববোধ, জনগণের প্রতি একাত্মতা সর্বজনবিদিত। প্রধানমন্ত্রীর সততা নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলতে পারেননি, ভবিষ্যতেও পারবেন না।”

    একদম সাফ করে দেব

    এদিকে, সোমবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, “যাদবপুরে যারা সংবিধান মানে না, যারা হেরোইন আর চরসের আখড়া করে রেখেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের লালন-পালন করেন। কারণ ভোটের সময় এরা ‘নো ভোট টু মোদি’ স্লোগান দেয়।” পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বিজেপি (BJP) এলে যে যাদবপুরের হাল বদলে যাবে, এদিন সেই আশ্বাসও দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু। বলেন, “বিজেপিকে আনুন, একদম সাফ করে দেব আমরা। যাদবপুরে যত জঞ্জাল আছে, সব পরিষ্কার করে দেব।” তিনি বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং ফের তাকে মূল স্রোতে শামিল করতে হলে বিজেপিকে আনতেই হবে। বিজেপি এলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।”

    বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থার খবর মিথ্যে প্রচার

    ভিন রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা মিথ্যে বলেও জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এগুলো বেশিরভাগই ভুয়ো প্রচার। হরিয়ানা সরকার প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, সেখানে আটক হওয়া এক হাজার বাংলাভাষীর মধ্যে ৯১৫ জনই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।” তিনি বলেন, “যারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ায়, তারা আর যাই হোক না কেন, বাংলা ও বাঙালির রক্ষক হতে পারে না।”

    শাহ সন্দর্শনে শুভেন্দু

    এদিকে, সোমবার হঠাৎই দিল্লি উড়ে যান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। নয়াদিল্লিতে শাহের বাসভবনে দু’জনের বৈঠক হয় মিনিট পঁয়তাল্লিশেক ধরে (BJP)। শাহের সঙ্গে বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শুভেন্দু অবশ্য নিজেই লিখেছেন, ‘তাঁদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তবে ঠিক কী কী বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে জানাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। মাস ছয়েক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। শুভেন্দু-সহ (Suvendu Adhikari) বিজেপি নেতাদের দাবি, এবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। চলতি বছরের শেষের দিকে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা বিহারে। তার পরেই বাংলায় ঘাঁটি গাড়বেন অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, পুজোর পর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের যাতায়াত বাড়বে এ রাজ্যে। এই আবহে শাহ-শুভেন্দুর এই বৈঠক (যাকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলছেন ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’) তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (BJP)।

  • Donald Trump: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাইছে ট্রাম্পের দেশ

    Donald Trump: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাইছে ট্রাম্পের দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের। নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পোক্ত করতে চাইছে রাশিয়ার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও (Donald Trump)। বিশ্ব মঞ্চে ফের একবার ভারতের সঙ্গে তার অটল বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করল রাশিয়া। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক (Trade Talks) নিয়ে রাশিয়ার আশ্বাস, নয়াদিল্লির সঙ্গে তার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক ব্যাহত করতে বহিরাগত শক্তির যে কোনও প্রচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হবে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিতে জারি করা এক বিবৃতিতে মন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক স্থির এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে এবং এই প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।” আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রাশিয়ার সঙ্গে বহুমুখী সহযোগিতার প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে, যাকে রাশিয়া দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের চেতনা ও ঐতিহ্য বলে অভিহিত করেছে।

    ভারত অপরিহার্য খেলোয়াড় (Donald Trump)

    এদিকে, দেরিতে হলেও শেষমেশ বোধহয় হয়েছে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি স্বীকার করেন, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের মধ্যস্থতা করা তার আগের ধারণার চেয়েও কঠিন বলে প্রমাণিত হচ্ছে। ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির সঙ্গে স্থগিত থাকা বাণিজ্য আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে এগিয়ে চলেছে। আমেরিকা ও রাশিয়ার মতো বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দুই দেশের ভারতকে নিয়ে এই দড়ি টানাটানি নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় অবস্থানকেই তুলে ধরছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে, ভারত মস্কোর একটি স্থিতিশীল অংশীদার এবং ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক গণনায় এক  অপরিহার্য খেলোয়াড় (Trade Talks)।

    যৌথ প্রকল্পে কাজ

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুটি দেশ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যৌথ প্রকল্পে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে নাগরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারমাণবিক শক্তি উন্নয়ন, মানবযুক্ত মহাকাশ অভিযান, এবং রাশিয়ায় তেল অনুসন্ধানে ভারতের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ। দুই দেশ একই সঙ্গে কাজ করছে তাদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহারে পেমেন্ট সিস্টেম বিস্তৃত করার এবং বিকল্প পরিবহণ ও নয়া রুট তৈরিতে। এই উদ্যোগগুলিকে একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল কোনও ব্যবস্থাই নয়।

    মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা

    মার্কিন (Donald Trump) রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহেও মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে ভারত। তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তার পরেও রাশিয়া থেকে নিয়মিত তেল কিনে চলেছে ভারত। পশ্চিমী চাপ উপেক্ষা করেও নিজের সিদ্ধান্ত অটল থাকায় নয়াদিল্লির ব্যাপক প্রশংসাও করেছে রাশিয়া। শুধু তাই নয় (Trade Talks), স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অটল থাকায় নয়াদিল্লিকে সাধুবাদও জানিয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক বিষয়ক কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রতিনিধিত্ব করে। এই অংশীদারিত্বে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং মজবুত কূটনৈতিক সম্পর্ককে।”

    ভারত-সহ বিভিন্ন দেশকে চাপ

    রাশিয়ার এহেন প্রশস্তিবাক্য এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) ভারত-সহ বিভিন্ন দেশকে চাপ দিচ্ছেন রাশিয়া থেকে তেল না কিনতে। এই জন্যই চাপানো হয়েছে চড়া শুল্ক। তার পরেও ভারত মস্কোর সঙ্গে তার জীবাশ্ম-জ্বালানি ব্যবসা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেছে। রাশিয়া একে “বিশ্বাসভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব” বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে, প্রথম থেকেই ভারতকে চাপে ফেলতে নানা চেষ্টা করে গিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক চাপানো হল ৫০ শতাংশ। তার পরেও নতি স্বীকার করেনি নরেন্দ্র মোদি সরকার। যার নিট ফল, ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফেল। ট্রাম্প এবার ইউকে-কে বলল ভারত থেকে তেল না কিনতে। কিন্তু মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির স্বার্থে মাথা নোয়াল না ব্রিটেনও।

    ট্রাম্পের পরিকল্পনা ব্যর্থ

    আরও একবার মুখ থুবড়ে পড়ল ট্রাম্পের পরিকল্পনা। জি-৭ গোষ্ঠীকেও ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয় (Trade Talks)। শেষমেশ নেটোকে বলছে ভারতের ওপর শুল্ক আরোপ করতে। কিন্তু ‘সুপার পাওয়ার’ হতে চলা ভারতের ওপর শুল্ক চাপাতে অস্বীকার করে একের পর এক মিত্র দেশগুলি। উল্টে রাশিয়া ও চিন ভারতকে সমর্থন করে মোদির হাত শক্ত করল। এসসিও-ব্রিকসকে ভাঙার পরিকল্পনাও ব্যর্থ। এহ বাহ্য। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে না পেরে এখন ট্রাম্প স্বীকার করছেন, ওটা গভীর সমস্যা। এত সহজে মিটবে না। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে (Donald Trump) বেগ দিতে গিয়ে উল্টে একা হয়ে গিয়েছে ট্রাম্পের দেশ। তাই মোদির প্রতি সুর নরম করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আবারও আলোচনার টেবিলে বসছে ভারত ও আমেরিকা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দিল্লিতে আসছে উচ্চস্তরের এক মার্কিন প্রতিনিধি দল। আমেরিকার প্রধান বাণিজ্য আলোচনা নেতা ব্রেন্ডেন লিঞ্চ এই দলের নেতৃত্ব দেবেন। ভারতের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন বাণিজ্যমন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ আগরওয়াল।

  • Amit Shah: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিরাট নির্দেশ শাহি মন্ত্রকের

    Amit Shah: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিরাট নির্দেশ শাহি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত (Amit Shah) শাহ ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিটি প্রধান প্রতিবাদ আন্দোলনের খুঁটিনাটি স্টাডি করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সমীক্ষায় প্রতিবাদের ধরণ খোঁজা হবে, অনুসন্ধান করা হবে অর্থ কারা জুগিয়েছিল, নেপথ্যেই বা ছিল কারা। পর্দার আড়ালে (India) থাকা সক্রিয় ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে। নয়া জাতীয় প্রতিবাদ প্রতিরোধ প্রোটোকল তৈরি করতেই এই সমীক্ষা করা হবে।

    ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলন ২০২৫’ (Amit Shah)

    ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো নয়াদিল্লিতে আয়োজন করেছিল ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলন ২০২৫’-এর। সেখানেই দেওয়া হয় এই নির্দেশ। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরোকে অর্ধ শতাব্দীর বিভিন্ন গণআন্দোলনের কারণ এবং এর নেপথ্যে কারা, তা বিশ্লেষণ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এতে জেপি আন্দোলন, এমারজেন্সি পর্বের অস্থিরতা, সিএএ-র প্রতিবাদ ও কৃষক আন্দোলন-সহ নানা সময়ের প্রতিবাদ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অমিত শাহের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের তিন পড়শি দেশে সংঘঠিত হওয়া বিভিন্ন গণঅভ্যুত্থান। সম্প্রতি এই গণঅভ্যুত্থানের জেরেই পতন হয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালের সরকারের। অশান্ত হয়েছে ভারতের বিহার ও মণিপুর রাজ্য।

    গোয়েন্দা সংস্থগুলিকে নির্দেশ

    কোনও গণঅভ্যুত্থানই একদিনে সংগঠিত হয় না। এর ছক কষা হয় অনেক আগে থেকেই। কোনও কোনও ক্ষেত্রে নেপথ্যে থাকে বিদেশি শক্তির হাত, আবার কোনও কোনও জায়গায় আন্দোলনে ইন্ধন জোগায় বিদেশি মদতপুষ্ট কোনও শক্তি। কেবল মদত জোগানোই নয়, আন্দোলন জিইয়ে রাখতে করা হয় অর্থায়নও। সেই কারণেই জানা দরকার ভারতে সংঘটিত বিভিন্ন বিক্ষোভের মূল কারণ এবং তাতে ইন্ধন জুগিয়েছে কারা। গোয়েন্দা সংস্থগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিক্ষোভের মূল কারণ কী, উদ্দীপকগুলিই বা কী খুঁজতে। অর্থ জুগিয়েছিল কে? সেই অর্থ কোথা থেকে কোথায় গিয়েছিল? এই সব বিক্ষোভের ফল কী হয়েছে? তারা কি রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক কোনও পরিবর্তন সাধন করতে পেরেছ? যদি তা না হয়, তাহলে খামোকা আন্দোলন কেন? সব শেষে রয়েছে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (India) প্রশ্নটি। এই সব আন্দোলনে অক্সিজেন জুগিয়েছে কারা? কোনও এনজিও, বিদেশি প্রতিষ্ঠান নাকি রাজনৈতিক কর্মচারীরা (Amit Shah)?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ

    এই অর্থ জোগানের ধরনও খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে গোয়েন্দাদের। শাহের মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই কাজ করবে ইডি, ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-ইন্ডিয়া এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস। এই সংস্থাগুলিকে একটি স্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্যই হল আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা। মনে রাখতে হবে, বিক্ষোভে অর্থের জোগান দেওয়াকে জাতীয় নিরাপত্তার সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে গণ্য করা হয় বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। এর পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আলাদাভাবে এনআইএ, বিএসএফ এবং এনসিবিকে নির্দেশ দিয়েছে পাঞ্জাবে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেটওয়ার্ককে দুরমুশ করে দিতে সৃজনশীল কোনও কৌশল প্রণয়ন করতে। এই কৌশলের মধ্যে রয়েছে এই নেটওয়ার্কের জেলবন্দি মাস্টারমাইন্ডদের রাজ্যের বাইরে অন্য কোনও জেলায় স্থানান্তর করা, যাতে তারা পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জঙ্গিদের এই চাঁইদের নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলতে (India) পারলেই গুঁড়িয়ে যাবে আন্দোলনের কোমর (Amit Shah)।

    ধর্মীয় সমাবেশের ওপর গবেষণা

    একই সঙ্গে গোটা দেশে বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশের ওপর গবেষণা করবে বিএপিআর অ্যান্ড ডি। অত্যধিক ভিড়ের কারণে যাতে পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা না ঘটে, দানা বাঁধতে না পারে কোনও আন্দোলন। কুম্ভমেলা কিংবা ঈদের মতো বড় ইভেন্টে রিয়েল-টাইম মনিটরিং, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং গোয়েন্দা-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি করা হবে এসওপি। সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমে বলেন,  “একটি প্রতিবাদ শুধু প্ল্যাকার্ড দেখানো নয় — এটি প্রায়ই একটি দাবার খেলা। আমাদের জানতে হবে কে প্যাউন সরাচ্ছে, কে অর্থায়ন করছে, এবং কীভাবেই বা স্বার্থান্বেষী পক্ষের হাত থেকে ভিন্নমতের লোকজনকে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে নিরস্ত করা যায় (Amit Shah)।”

    কেন বেছে নেওয়া হল ১৯৭৪ সালকে?

    প্রশ্ন হল, এজন্য কেন বেছে নেওয়া হল ১৯৭৪ সালকে? এই বছরেই সূচনা হয়েছিল জেপি আন্দোলনের। পরের বছরই জারি হয় জরুরি অবস্থা (Emergency)। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের অর্থ হল, তারা বুঝতে চায় কীভাবে প্রতিবাদ আন্দোলন রাজনৈতিক ভূমিকম্পে পরিণত হয় এবং কীভাবেই এগুলি বিশাল আকার ধারন করার আগে দমন করা যায়। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী এখন পুরোনো সিআইডি ফাইল ও গোয়েন্দা ইউনিটের আর্থিক ফরেনসিক শাখাকে সক্রিয় করে তুলছে। ভারত (India) আস্তিন গুটোচ্ছে তার ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত প্রতিবাদ কর্মসূচির পশ্চাৎপর্যালোচনার কারণ জানতে (Amit Shah)।

  • ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। ৩০ সেপ্টেম্বর আয়কর রিটার্ন ফাইলের (ITR Filing) সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে মুখ খুলল আয়কর বিভাগ (Income Tax)। কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ আর্থিকবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের পরে আর বাড়ানো হবে না। ওই রিপোর্টকে জাল বলেও অস্বীকার করেছেন কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, আইটিআর দাখিলের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আয়কর দফতর জানিয়েছে, এই ভুয়ো খবরগুলিতে বিশ্বাস করবেন না, আয়কর বিভাগের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলের ওপর বিশ্বাস রাখুন।

    আইটিআর ফাইল করতে হবে (ITR Filing)

    অডিট না করা করদাতাদের জরিমানা এড়াতে তাঁদের আইটিআর ফাইল করতে হবে। তবে যেসব করদাতার অ্যাকাউন্ট অডিট করা প্রয়োজন, যেমন, কোম্পানি, মালিকানা এবং কোনও ফার্মে কর্মরত অংশীদার, তাদের ২০২৫-২৬ মূল্যায়ন বর্ষের জন্য ৩১ অক্টোবর, ২০২৫-এর আইটিআর দাখিল করতে হবে। এর আগে তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হবে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এর মধ্যে। অডিট না করা করদাতাদের জন্য আইটিআর দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর মিস করলেও, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ তাদের স্বস্তি দিতে আয়কর বিভাগ ই-ফাইলিং পোর্টালে দেরি হওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রেখেছে।

    ছাড় পাবেন কারা

    যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে অথবা অন্য কোনও গুরুতর কারণে জরুরি পরিস্থিতিতে সময় মতো রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তখন তাঁদের কোনও জরিমানা বা জরিমানা ছাড়াই দেরিতে রিটার্ন দাখিল করার বিকল্প দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে প্রথমে দেরির জন্য ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করতে হবে। অনুরোধ গৃহীত হলে কোনও জরিমানা দিতে হবে না। এ ক্ষেত্রে অবশ্য পর্যাপ্ত প্রমাণপত্রও জমা দিতে হবে (ITR Filing)। প্রসঙ্গত, কর আইন অনুসারে যাঁরা ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি মিস করবেন, তাঁদের দিতে হবে লেট ফি। বার্ষিক (Income Tax) আয় ৫ লাখ হলে জরিমানা দিতে হবে হাজার টাকা, এর ওপর হলে গুণতে হবে ৫ হাজার টাকা (ITR Filing)।

LinkedIn
Share