Author: pranabjyoti

  • Bihar Bandh: প্রধানমন্ত্রীর মাকে অপমান, বিহার বনধের ডাক এনডিএর

    Bihar Bandh: প্রধানমন্ত্রীর মাকে অপমান, বিহার বনধের ডাক এনডিএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রয়াত মায়ের উদ্দেশে কুকথা বলা হয়েছিল কংগ্রেস-আরজেডির মঞ্চ থেকে। তার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এটা গোটা দেশের মা-বোন এবং কন্যাদের অপমান।” দেশের মহিলাদের অপমান করায় বিহার বনধের (Bihar Bandh) ডাক দিল এনডিএ। ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাকে।

    প্রধানমন্ত্রীর মাকে কটু কথা (Bihar Bandh)

    প্রধানমন্ত্রী যখন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন, তখনই তাঁর মায়ের উদ্দেশে কটু কথা বলা হয়। চিন থেকে ফিরেই এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিহারের এক জনসভা থেকে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও, কেন তাঁর মাকে টেনে আনলেন কংগ্রেস সাংসদ এবং হাত শিবিরের লেজুড় আরজেডি নেতা? বিষয়টিকে দেশজুড়ে মহিলাদের প্রতি অপমান হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে তাঁর মৃত মায়ের উদ্দেশে এভাবে অপমানসূচক মন্তব্য অকল্পনীয়।”

    রাহুল-তেজস্বীকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

    রাহুল এবং তেজস্বীকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী (Bihar Bandh) বলেন, “একজন দরিদ্র মায়ের সংগ্রাম, তাঁর ছেলের কষ্ট – রাজপরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ রাজকুমাররা বুঝতে পারেন না। এই নামদার লোকেরা মুখে রূপার চামচ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। দেশ ও বিহারের ক্ষমতা তাঁদের কাছে পরিবারের উত্তরাধিকারের মতো মনে হয়।” তিনি বলেন, “দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বিহার সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসেছে। বিহারের সব মহিলা আরজেডিকে সরিয়ে বারবার পরাজিত করার ক্ষেত্রে খুব বড় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই আরজেডি হোক বা কংগ্রেস আজ এই (PM Modi) লোকেরা মহিলাদের ওপর সব চেয়ে বেশি বিরক্ত। এই লোকেরা আপনাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে চায়, তারা সুযোগ খুঁজছে যাতে তারা আপনাদের শাস্তি দিতে পারে (Bihar Bandh)।”

  • Bihar: বিহারে এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড ভোটারদের, কী কী বদল?

    Bihar: বিহারে এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড ভোটারদের, কী কী বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar) এসআইআরের (sir) আবহেই এবার নয়া ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের। এসআইআর শেষ হলেই নয়া ভোটার কার্ড (Voter Id Cards) আনতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। প্রযুক্তিনির্ভর এই ভোটার কার্ডে থাকছে নানারকম ডিজিটাল সুবিধা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসআইআর শেষ হলেই বিহারের প্রত্যেক ভোটারের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই নয়া ভোটার কার্ড। নির্বাচন নিয়ে গুচ্ছের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের দাবি, প্রযুক্তির প্রয়োগে নয়া ভোটার তালিকা হবে আরও বেশি সুরক্ষিত।

    বিহারে ভোটার চিহ্নিত করতে নয়া প্রযুক্তি (Bihar)

    চলতি বছরের শেষেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এবার বিহারে ভোটার চিহ্নিত করতে নয়া প্রযুক্তি আনছে নির্বাচন কমিশন। ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের ভোটাররা হাতে পাবেন নয়া প্রযুক্তির ভোটার আইডি কার্ড। নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “এসআইআর চলাকালীন বিহারের বাসিন্দাদের তাঁদের লেটেস্ট ছবি চাওয়া হয়েছিল। সেই ছবিই ব্যবহার করা হবে নয়া ভোটার কার্ডে।” তবে এই নয়া আইডি কার্ড কেবল বিহারেই চালু হবে, নাকি গোটা দেশেই, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি নির্বাচন কমিশনের তরফে। প্রসঙ্গত, পয়লা অগাস্ট প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিহারে ভোটার রয়েছেন ৭.২৪ কোটি। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হবে ফাইনাল লিস্ট।

    এপিকের আপডেটেড সংস্করণ

    জানা গিয়েছে (Bihar), নয়া ভোটার কার্ড হল পুরানো এপিকের আপডেটেড সংস্করণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভোটাররা যাঁরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের ছবি আপডেট করেছেন, নয়া কার্ডে তাদের সেই ছবিই দেখা যাবে। কার্ডে থাকছে কিউআর কোড। তাই জালিয়াতি বা নকল কার্ড তৈরি করা কার্যত অসম্ভব। কমিশন সূত্রে খবর, কার্ড (Voter Id Cards) মিলবে দু’রকমের – একটি ফিজিক্যাল ও অন্যটি ডিজিটাল। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, প্রযুক্তির এই প্রয়োগে বিহারের ভোটার তালিকা আরও সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ হবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হবে আরও আধুনিক। উল্লেখ্য (Bihar), আগামী ২২ নভেম্বর শেষ হচ্ছে বিহারের বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ। আইন অনুযায়ী, তার আগেই গঠন করতে হবে নয়া বিধানসভা। কমিশন সূত্রের খবর, অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যেই হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন।

    ভোট কেন্দ্রে ভিড় কমাতে চিন্তাভাবনা

    এদিকে, ভোট কেন্দ্রে ভিড় কমাতে চিন্তাভাবনা করছে কমিশন। ভোটের দিনে বুথে বুথে ভিড় কমাতে বাড়ানো হবে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা। আগে প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বাধিক দেড় হাজার ভোটার থাকত। সেই সংখ্যাটা কমিয়ে এবার আনা হচ্ছে ১ হাজার ২০০ জনে। এই পরিবর্তনের ফলে বিহারে মোট বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজারে। আগে ছিল ৭৭ হাজার। ছাব্বিশের মার্চ-এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পশ্চিমবঙ্গে। সেই সময়ও বুথের সংখ্যা বাড়ানোর (Voter Id Cards) সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এতে ভোটারদেরও অনেক বেশি সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না (Bihar)।

  • Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার (AADHAAR) কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়ার দাবি তুলেছিল বিহারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ওই দাবি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুসারে আধারের মর্যাদা নির্ধারিত হয়েছে। সেই মর্যাদা বাড়ানো সম্ভব নয়।”

    ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলায় এর আগে জানিয়েছিল, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য অন্য নথির সঙ্গে আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। সোমবারের শুনানিতে তা আরও স্পষ্ট করে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যাচাইয়ের জন্য অনেক নথির মধ্যে আধারও একটি নথি হতে পারে। আধার আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, আধার নম্বর বা অথেনটিকেশন ধারকের নাগরিকত্ব বা বাসস্থানের প্রমাণ হবে না। ২০১৮ সালেও সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ পুত্তস্বামী মামলায় জানিয়েছিল, “আধার নম্বর কারও নাগরিকত্বের অধিকার অধিষ্ঠিত করতে পারে না।”

    বিরোধী দলগুলির দাবি

    এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিহারের বিরোধী দলগুলির আইনজীবীরা একাধিকবার শুনানির সময় সওয়াল করেছিলেন এই বলে যে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য একমাত্র আধারকেই প্রমাণ হিসেবে ধরা হোক। এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আধারে এত জোর দেওয়া হচ্ছে কেন নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ আধার – আমরা কখনওই সেই নির্দেশ দেব না।” নির্বাচন কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সওয়াল করেন রাকেশ দ্বিবেদী। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আধারকে (AADHAAR) প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তার কারণ বিহারের কয়েকটি জেলায় আধার কার্ড রয়েছে ১৪০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করা হয়েছে, বহু বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা অবৈধভাবে এ দেশে প্রবেশ করে আধার কার্ড বানিয়েছে কিছু রাজ্যে।

    ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ

    প্রসঙ্গত, বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মামলা শুনছে শীর্ষ আদালত। এর আগে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটাররা। তালিকায় বাদ পড়া ভোটারদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিহারের বিরোধী দলগুলি (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয় সেই মামলার। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ নাম বাদ গিয়েছে (AADHAAR)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও, আধারকে পরিচয়ের একমাত্র প্রমাণ হিসেবে ধরা হচ্ছে না (Supreme Court)।”

  • Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প (Detention Camps) গড়ে তুলতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের গতি-প্রকৃতি সীমিত রাখতেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণ রাখা হবে ওই ক্যাম্পে। মঙ্গলবার এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। সম্প্রতি পাশ হওয়া অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫ এর প্রেক্ষিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে (Amit Shah)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন বা জেলা কালেক্টর অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করে, কোনও ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী বিদেশি হিসেবে গণ্য করা হবে কি হবে না, সেই প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত বিদেশি ট্রাইবুনালে মতামতের জন্য পাঠাতে পারবে। এই বিদেশি ট্রাইবুনালে সর্বোচ্চ তিনজন আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ সদস্য থাকবেন, যাঁদের উপযুক্ত মনে করে নিয়োগ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিদেশি নয় বলে তার দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে এবং তার দাবির সমর্থনে জামিনের ব্যবস্থাও করতে না পারলে, সেক্ষেত্রে তাকে আটক করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ বা অবস্থান করতে দেওয়া নাও হতে পারে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি ভারতের কোনও পর্বতচূড়ায় আরোহণ করতে পারবেন না বা করার চেষ্টাও করতে পারবেন না। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি খাতে বিদেশিদের নিয়োগের জন্য নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “ভারতে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ ভিসা থাকা কোনও বিদেশি ব্যক্তি, দেওয়ানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ বা জল সরবরাহ অথবা পেট্রোলিয়াম খাতের সঙ্গে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারবে না। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মানবাধিকার অথবা এ সংক্রান্ত অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশিকে নিয়োগ করতে পারবে না।”

    পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না!

    আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নেপাল বা ভুটানের নাগরিকদের স্থলপথে বা আকাশপথে ভারতে প্রবেশের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না। তবে তাদের বৈধ পাসপোর্ট থাকলে এবং তারা নেপাল বা ভুটান ছাড়া (Detention Camps) অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ বা ভারত থেকে বের হলে, সে ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে চিন, ম্যাকাও, হংকং বা পাকিস্তান থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এই নিয়ম তিব্বতিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই ভারতে বসবাস করছেন বা যাঁরা ভারতে প্রবেশ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নথিভুক্ত করে নথিপত্র জোগাড় করেছেন, তাঁরা যদি ১৯৫৯ সালের পর কিন্তু ২০০৩ সালের ৩০ মে-র আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকেন (Amit Shah)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ছাড় প্রযোজ্য 

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টানরা, যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বৈধ নথি থাকুক বা না থাকুক, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা ভারতে ঢুকেছেন এবং বৈধ নথি ছাড়াই এসেছেন কিংবা বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করলেও, যার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও ভিসা আইন পুরোপুরি কার্যকর হবে না। তবে যাঁরা ছাড়ের আওতায় নেই, তাঁদের কঠোর নিয়ম মানতে হবে (Detention Camps)। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তৈরি ডিটেনশন সেন্টারে তাঁদের আটকে রাখা হবে, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত (Amit Shah)।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর এই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলাভাষায় কথা বললেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের ধরে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে (Amit Shah)।

  • VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বা ১৪ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জাতিগত হিংসার ঘটনায় দীর্ণ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটি। গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। এ নিয়ে আরও জোরালো ধারণা তৈরি হয়েছে মণিপুরের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের এক সরকারি নোট প্রকাশের পর।

    সরকারি নোট (VVIP)

    ওই নোটে বলা হয়েছে, “প্রথমেই মণিপুর সরকারের মুখ্যসচিব প্রস্তাবিত ভিভিআইপি (VVIP) সফর (সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য ও কর্মকর্তাকে স্বাগত জানান।” নোটে আরও বলা হয়েছে, “এই সফরকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করতে হবে। তাই সাধারণ প্রশাসন বিভাগের সচিবকে আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।” নোটে ইম্ফলের কাংলা ও চূড়াচাঁদপুরের পিস গ্রাউন্ডকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভিভিআইপির নাম স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

    কী বলছে প্রশাসন?

    প্রশাসনের তরফে কেউ কিছু না বললেও, রাজ্যের শাসক দলের এক বিধায়ক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রায় নিশ্চিত।” প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত এবং তৎপরবর্তী হিংসায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম মণিপুর সফর। মাস কয়েক হল হিংসা থেমেছে। কিন্তু দু’বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, রাজ্য জাতিগতভাবে বিভক্তই রয়ে গিয়েছে। এ রাজ্যে এখনও (PM Modi) মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিরা একে অন্যের এলাকায় যেতে পারেন না। রাজ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পরেও মণিপুর সফরে না যাওয়ার জন্য বহুবার প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছে কংগ্রেস (VVIP)।

    মণিপুর সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অসমেও। সেখানে তিনি ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি–সাইরাং রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। অসমে প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার শতবর্ষব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন (VVIP)।

  • PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মা আমাদের পৃথিবী। মা আমাদের আত্মসম্মান। কয়েকদিন আগে সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের অধিকারী এই বিহারে যা ঘটেছিল, তা আমি কল্পনাও করিনি। বিহারের মানুষও এটা কল্পনা করেননি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে আমার মাকে গালি দেওয়া হয়েছিল। এই গালিগুলি আমার মায়ের (Dead Mother) অপমান নয়, এগুলি দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান।” মঙ্গলবার বিহারের এক জনসভায় টানা কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    সমস্ত নারীর প্রতি অপমান (PM Modi)

    তিনি এই ঘটনাকে দেশের সমস্ত নারীর প্রতি অপমান বলে বর্ণনা করে বলেন, “রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে আমার প্রয়াত মাকে এভাবে গালিগালাজ করা অকল্পনীয়।” তিনি বলেন, “আমি জানি, আপনাদের সবার, বিহারের প্রতিটি মায়ের, এই ঘটনা দেখে ও শুনে কতটা খারাপ লেগেছে। আমি জানি, আমার হৃদয়ে যতটা কষ্ট আছে, বিহারের মানুষও সেই একই কষ্টে আছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মায়ের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক ছিল না। তার পরেও কেন তাঁকে অপমান করল আরজেডি এবং কংগ্রেস?” তিনি বলেন, “যারা এ ধরনের গালাগালি দেয়, তারা এমন এক মানসিকতার পরিচয় দেয় যা নারীকে দুর্বল মনে করে। বিহারে কংগ্রেসের ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি শুধু আমাকেই নয়, দেশের প্রতিটি নারীকে অপমান করেছে (PM Modi)।”

    মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার

    এদিন নতুন এক সমবায় উদ্যোগের উদ্বোধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে (এটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে) প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহারে এনডিএ সরকার ধারাবাহিকভাবে মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। এই নতুন সমবায় বিহারের কন্যা ও বোনদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “আমি আমার দেশের জন্য প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আর এতে আমার মা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছেন। আমাকে মা ভারতীর সেবা করতে হয়েছিল। তাই আমার মা (Dead Mother), যিনি আমাকে জন্ম দিয়েছেন, তিনি আমাকে আমার দায়িত্ব থেকে মুক্ত করেছেন। সেই মায়ের আশীর্বাদেই আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম (PM Modi)।”

  • Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ভারতের (North India) বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব। বিভিন্ন রাজ্যে জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে রাস্তা, সতর্কতা জারি হয়েছে বন্যার, কোথাও কোথাও আবার জলের (Heavy Rain) তোড়ে ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি। জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তরাখণ্ডে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। গত কয়েক দিনে নাগাড়ে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে একের পর এক আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে।

    পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু (Heavy Rain)

    একদিকে, পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একে রাজ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। একই দৃশ্য লক্ষ্য করা গিয়েছে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে (এনসিআর)। ওই সব এলাকায় বন্যার জল মানুষের ঘরে ঢুকে গিয়েছে। নিকটবর্তী ব্যারাজ থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ায় আরও বিপদের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রশাসনের লোকজন। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, অন্তত সাত দিন স্বস্তি মিলবে না প্রবল বর্ষণ থেকে। প্রবল বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মীর, গুরগাঁও, উত্তরপ্রদেশ এবং চণ্ডীগড়-সহ বেশ কিছু অঞ্চলের স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে মঙ্গলবার। গুরগাঁওয়ের বেসরকারি ও কর্পোরেট অফিসগুলিকে এদিন ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সোমবার ভারী বর্ষণের কারণে শহর ও এনসিআরে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। দিল্লি-এনসিআরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডের জাতীয় সড়কগুলি প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা বা ভেঙে পড়া পাহাড়ি ধ্বংসস্তূপের কারণে বন্ধ রয়েছে জাতীয় সড়ক (Heavy Rain)।

    পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায় বন্যা

    প্রবল বৃষ্টি ও বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় বন্যা হয়েছে পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায়। অগাস্ট মাসে রাজ্যে ২৫৩.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি এবং গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত দু’সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ে টানা আট দিন বন্ধ রয়েছে। সোমবার প্রবল বৃষ্টির জেরে রাজৌরি ও সাম্বা জেলায় ভূমি ধসে পড়ে, যার জেরে প্রশাসন ১৯টি পরিবারকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। ডোডা জেলায় বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৫০০টিরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Heavy Rain)।

    উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টি ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের ৬৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অগাস্ট মাসে একের পর এক মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস ও আকস্মিক (North India) বন্যা দেখা দেয়। ধ্বংস হয় বহু বাড়িঘর। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মানুষ ও গৃহপালিত পশু। রাজ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (Heavy Rain)।

  • GST: বুধবার বসছে জিএসটি কাউন্সিলের দুদিনের বৈঠক, সরলীকৃত হবে কর কাঠামো

    GST: বুধবার বসছে জিএসটি কাউন্সিলের দুদিনের বৈঠক, সরলীকৃত হবে কর কাঠামো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) কাউন্সিলের বৈঠক হবে ৩-৪ সেপ্টেম্বর (Council Meeting)। দুদিনের এই বৈঠকে অংশ নেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিরা। আলোচনার মূল বিষয় হবে ২০১৭ সালে জিএসটি চালুর পর থেকে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্খী কর সংস্কারের একটি পদক্ষেপ, সরলীকৃত দ্বি-স্তরবিশিষ্ট কর কাঠামো। সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, নয়া ব্যবস্থায় থাকতে পারে প্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য ০-৫ শতাংশ করের স্তর এবং অধিকাংশ অন্যান্য পণ্য ও পরিষেবার জন্য ১২-১৮ শতাংশ করের স্তর। আধিকারিকদের ধারণা, এই সংস্কার ভোক্তা ও উৎপাদক উভয়ের পক্ষেই লাভজনক হবে, চাহিদা বৃদ্ধি করবে এবং বিশ্ব অর্থনীতির মন্থর গতির মধ্যেও সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমর্থন জোগাবে।

    আর্থিক পরিসংখ্যান (GST)

    জানা গিয়েছে, উৎসাহব্যঞ্জক আর্থিক পরিসংখ্যান কেন্দ্র ও অর্থ মন্ত্রককে সামনে এগোনোর আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে জিএসটি আদায় ৯.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রেখেছে। রিফান্ড বেড়েছে ৮.৮ শতাংশ, যা ভারতের পক্ষে আরও অনুকূল বাণিজ্য ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষে জিএসটির প্রবৃদ্ধি হার ৭.৫ শতাংশ হবে বলে অনুমান করেছে। এদিকে, ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে শুধুমাত্র ইউপিআই লেনদেন ২০ বিলিয়ন অতিক্রম করেছে, যা দৃঢ় ভোক্তা কার্যকলাপকে প্রতিফলিত করছে। অর্থমন্ত্রকের এক সিনিয়র কর্তা বলেন, “এই সূচকগুলি প্রমাণ করে যে সাহসী সংস্কারের এটাই সঠিক সময়। সহজতর জিএসটি ব্যবস্থা করদাতাদের অনুগত হতে উৎসাহিত করবে এবং করের আওতা বাড়াবে।”

    দাম কমতে পারে

    এই সংস্কার (GST) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের স্পষ্ট বার্তা, ভোক্তাদের উপকার করতে হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে পেন্সিল, কম্পিউটার, গাড়ি, মোবাইল ফোন এবং কিছু ওষুধের মতো পণ্যের দাম কমতে পারে। সরকারের আশা, এর ফলে একটি শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে, যার জেরে আরও বাড়বে ভোগ, বৃদ্ধি পাবে ব্যবসার পরিমাণ এবং আরও শক্তিশালী হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চক্র (Council Meeting)। কেন্দ্রের এই সংস্কারে খুশি নন অনেকেই। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া বলেন, “নয়া কাঠামোর ফলে রাজ্যগুলির ১৫,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে।” তাঁর দাবি, এজন্য কেন্দ্রকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

    এদিকে, কেন্দ্রের বিশ্বাস এই কাঠামোর (GST) বিরোধিতা করলে রাজ্যগুলিকে “জন বিরোধী” বলে মনে হতে পারে, বিশেষ করে যখন সস্তা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ভোক্তা পণ্য মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে। এক নীতি বিশেষজ্ঞ বলেন, “আলোচনাগুলি কঠিন, তবে এই জিএসটি সরলীকরণ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। প্রশ্নট হল, করা হবে কি না  তা নয়, বরং কীভাবে এবং কবে করা হবে (Council Meeting)।”

  • India: অগাস্ট মাসে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে ভারতের উৎপাদন খাত, বলছে সমীক্ষা

    India: অগাস্ট মাসে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে ভারতের উৎপাদন খাত, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্ট মাসে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে ভারতের উৎপাদন খাত। এইচএসবিসি ইন্ডিয়া ম্যানুফ্যাকচারিং পারচেজিং ম্যানেজার্স’ ইনডেক্স (PMI) গত জুলাইয়ের ৫৯.১ থেকে বেড়ে অগাস্টে দাঁড়িয়েছে (India) ৫৯.৩-তে। সোমবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্রকাশিত রিপোর্ট থেকেই এ খবর মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি গত সাড়ে ১৭ বছরে কার্যকলাপের অবস্থার সবচেয়ে দ্রুত উন্নতি। এই প্রবৃদ্ধির হার রেকর্ড-ব্রেকিং। সমীক্ষা অনুযায়ী, এই গতি মূলত শক্তিশালী হয়েছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং প্রস্তুতকারীদের সফল বিজ্ঞাপন প্রচেষ্টার কারণে। এইচএসবিসির প্রধান  অর্থনীতিবিদ (ভারত) প্রাঞ্জুল ভান্ডারী বলেন, “অগাস্টে ভারতের ম্যানুফ্যাকচারিং পিএমআই আবারও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা মূলত উৎপাদনের দ্রুত সম্প্রসারণ দ্বারা চালিত হয়।”

    নয়া চাকরির সৃষ্টি (India)

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী পণ্যের খাতই প্রবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে, যা পুঁজি পণ্য ও ভোক্তা পণ্যকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। বিভিন্ন খাতের উৎপাদকরা শক্তিশালী বিক্রি ও উৎপাদন কর্মদক্ষতার কথা জানিয়েছেন, যা সম্ভব হয়েছে দেশীয় অর্ডারের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের প্রবৃদ্ধির কৃতিত্ব দিয়েছেন কার্যকর বিজ্ঞাপনী প্রচার এবং শক্তিশালী গ্রাহক মনোভাবকে। এই দেশীয় চাহিদা আন্তর্জাতিক অর্ডারের তুলনামূলক ধীর প্রবৃদ্ধির বিপরীতে কেবলমাত্র সামান্য বৃদ্ধিকে সমন্বয় করেছে। প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, এই প্রবৃদ্ধি ইঙ্গিত দিচ্ছে নয়া চাকরির সৃষ্টি ও মজুদ বৃদ্ধি আত্মবিশ্বাসের। ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে এই সব উৎপাদন খাত টানা আঠারো মাস ধরে নয়া চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কোম্পানিগুলি কাঁচামালের মজুদ বৃদ্ধি করেছে এবং তৈরি হয়ে যাওয়া পণ্যের মজুদেও বৃদ্ধি দেখেছে, যা গত ন’মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো মজুদের ঊর্ধ্বগতি নির্দেশ করছে (PMI)।

    বেড়েছে কাঁচামাল কেনাও

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিরোনাম (India) সূচকের ঊর্ধ্বমুখী গতি মূলত উৎপাদন ভলিউম বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হওয়ার প্রতিফলন, যা প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণ। এই আশা কেবল উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্যবসাগুলি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় কাঁচামাল কেনাও বাড়িয়ে দিয়েছে, যার জেরে আগামী এক বছরেও বর্তমান ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকবে বলে আত্মবিশ্বাসী ব্যবসায়ীরা। জুলাই মাসে তিন বছরের নিম্নতম স্তরে পৌঁছনোর পর প্রস্তুতকারীদের ইতিবাচক মনোভাব ফের বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক অর্ডারে সামান্য বৃদ্ধি হলেও, আসল প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি এসেছে দেশীয় ক্রেতাদের কাছ থেকে। কার্যকর বিপণন এবং উন্নত অর্থনৈতিক ভিত্তির সহায়তায় প্রস্তুতকারীরা বড় ধরনের দেশীয় চাহিদাকেই মূল অনুঘটক হিসেবে কৃতিত্ব দিচ্ছেন (India)।

    পিএমআই কী?

    প্রশ্ন হল, পিএমআই কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? পিএমআই বা পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স মূলত উৎপাদন খাতের মাসিক একটি রিপোর্ট কার্ডের মতো। এটি একটি প্রধান সূচক। এ থেকে অতীতের পারফরম্যান্স জানা যায় না ঠিকই, তবে ভবিষ্যতের প্রবণতার একটা ধারণা মেলে বই কি! কীভাবে কাজ করে পিএমআই (PMI)? জানা গিয়েছে, প্রতি মাসে ভারতের প্রায় ৪০০টি উৎপাদনকারী কোম্পানির ওপর সমীক্ষা করা হয়। উত্তর দেন পারচেজিং ম্যানেজাররা। এঁরাই কাঁচামাল অর্ডার ও সরবরাহের দিকটা দেখেন। তাঁরাই জানান, তাঁদের ব্যবসায়িক কাজকর্ম গত মাসের তুলনায় ভালো, নাকি খারাপ, অথবা একই রয়ে গিয়েছে। এই পারচেজিং ম্যানেজারদের দেওয়া উত্তরগুলিকে পাঁচটি প্রধান উপাদানের ভিত্তিতে একটি একক স্কোরে রূপান্তরিত করা হয়।

    পাঁচটি উপাদানের একক স্কোর

    এই পাঁচটি উপাদানের একক স্কোর হল, নয়া অর্ডার ৩০ শতাংশ, উৎপাদন ২৫ শতাংশ, কর্মসংস্থান ২০ শতাংশ, সরবরাহকারীর ডেলিভারির সময় ১৫ শতাংশ এবং কেনাকাটার মজুদ ১০ শতাংশ (India)। এবার সব মিলিয়ে মোট স্কোর যদি ৫০-এর ওপরে হয় তবে তা ধরা হয় সম্প্রসারণ হিসেবে অর্থাৎ কারখানার উৎপাদন ভালোই হচ্ছে। আর এর নীচে হলে ধরা হয় সংকোচন, অর্থাৎ কারখানায় উৎপাদনের গতি অত্যন্ত ধীর। এই সব কারণেই লগ্নিকারী, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ীরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন পিএমআই। তাই যে কোনও দেশের অর্থনীতির জন্য পিএমআই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিএমআই ৫৯.৩ স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের উৎপাদন খাতের ভিত মজবুত। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ যেমন, উচ্চ শুল্ক এবং রফতানি অর্ডারের দুর্বলতা সত্ত্বেও, দেশীয় চাহিদা এক শক্তিশালী ঢাল হিসেবে কাজ করছে (PMI)। উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই স্থিতিশীলতা শুধু কারখানার জন্য ভালো নয়, এটি লজিস্টিকস, বাণিজ্য এবং সেবা খাতেও প্রবৃদ্ধি আনে, যার ব্যাপক প্রভাব পড়ে সমগ্র অর্থনীতিতে (India)।

  • US: “ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী,” মোদি-শি-পুতিনের মেরুকরণে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ট্রাম্প!

    US: “ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী,” মোদি-শি-পুতিনের মেরুকরণে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ট্রাম্প!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী। একবিংশ শতাব্দীতে এই সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।” সোমবার নয়াদিল্লিকে এই মর্মে বার্তা দিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন (US)। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে (PM Modi) এই বার্তা পাঠানোর সময়টা খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ। রবিবার চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বেলা ১২টা নাগাদ বৈঠক করেন মোদি।

    আমেরিকার বিদেশসচিবের বার্তা (US)

    এর কিছুক্ষণ আগেই ভারতের মার্কিন দূতাবাসে পোস্ট করা হয় আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর বার্তা। তিনি বলেন, “আমাদের দুই দেশের স্থায়ী বন্ধুত্বই আমাদের সহযোগিতার ভিত্তি এবং এটি আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়, যখন আমরা আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিশাল সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করি।” মার্কিন দূতাবাসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখা হয়েছে, “এই মাসে আমরা আলোকপাত করছি সেই মানুষদের ওপর, অগ্রগতির ওপর এবং সম্ভাবনার ওপর, যা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। উদ্ভাবন ও উদ্যোগ থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যন্ত – এই যাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার পেছনে কাজ করছে আমাদের দুই দেশের স্থায়ী বন্ধুত্ব।”

    মস্কো থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনায় ক্ষুব্ধ আমেরিকা

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনায় ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US)। শাস্তিস্বরূপ, তিনি দুদফায় ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। সঙ্গে করেছেন জরিমানাও। তবে ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত। সেই জন্য একাধিকবার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের তরফে। তার পরেও নতি স্বীকার করেনি নরেন্দ্র মোদির ভারত। ইতিমধ্যেই এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চিনে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি পার্শ্ব বৈঠক করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে। পার্শ্ববৈঠক হয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও। একটি গাড়িতে করে মোদি-পুতিন পৌঁছন সম্মেলনস্থলে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-চিন-রাশিয়া এই তিন (PM Modi) শক্তিধর দেশ এক মেরুতে চলে আসায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন। তার পরেই চলে আসে মার্কিন ‘বন্ধুত্বে’র বার্তা (US)।

LinkedIn
Share