Author: pranabjyoti

  • India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (India Visa Centre) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার দুপুর ২টো থেকে এই ভিসা কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Security Situation)। বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কবে বা কতক্ষণ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে, তা ওই বিবৃতিতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, যে সব ভিসা আবেদনকারী বুধবারের জন্য স্লট বুক করেছিলেন, তাঁদের জন্য নয়া তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি চলছে (বাংলাদেশে), তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, আজ দুপুর ২টো থেকে আইভিএসি জেএফপি ঢাকা বন্ধ থাকবে। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব (India Visa Centre)

    ঘটনাচক্রে বুধবারই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের একাংশের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লার ভারত বিরোধী বক্তৃতার প্রেক্ষিতেই এই তলব। সম্প্রতি হাসনাত তাঁর বক্তৃতায় সেভেন সিস্টার্সকে (ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য) ভারতের মানচিত্র থেকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের উদ্বাস্তুদের (Security Situation) আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন। তার পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে ভারত। তার জেরেই বিদেশমন্ত্রক ডেকে পাঠায় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে (India Visa Centre)।

    ভারতের ভিসাকেন্দ্র

    পদ্মা পারের দেশে ভারতের ভিসাকেন্দ্রটি রয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণটি ঠিক কী, তা নিয়ে যেমন নয়াদিল্লির তরফে কিছু জানানো হয়নি, বলা হয়নি ভিসা কেন্দ্রের তরফেও, তেমনিই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস প্রশাসনের তরফেও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। তাই বুধবার দুপুর পর্যন্তও জানা যায়নি, ঠিক কী কারণে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রটি। এর ঠিক এক দিন আগেই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন সে দেশের স্বাধীনতা স্মরণে বিজয় দিবস পালন করেছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাই কমিশনার হামিদুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক (Security Situation) সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আমাদের যৌথ স্বার্থের মধ্যেই নিহিত। আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য (India Visa Centre)।”

    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সদ্য গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সোমবার বলেছিলেন, যদি নয়াদিল্লি তাঁর দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে সমর্থন করা। আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তারা সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, মঙ্গলবার অসমের কাছাড় জেলায় ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন চরমপন্থী তৎপরতা এবং অনুমতিহীন সীমান্ত পারাপার রোধ করতেই জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।

    মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ

    জেলার সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকায় সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে সুরমা নদী এবং নদীর উঁচু পাড় বরাবর রাতের বেলায় যাতায়াতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরমা নদীতে নৌ-চালনা ও মাছ ধরার ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে (India Visa Centre)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিনই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঘটতে শুরু করেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। সে দেশের বিভিন্ন নেতার মুখে শোনা যাচ্ছে ভারতবিরোধী নানা বক্তব্যও। এহেন আবহে বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে দৃশ্যতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, অশান্তও ততই (Security Situation) বাড়তে থাকবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এমনই আশঙ্কা করে সম্প্রতি একটি বিবৃতিও জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে (SIR)। ১১ ডিসেম্বর ছিল এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন (Draft Voter List)। বিএলওরা এসআইআর ফর্ম সংগ্রহ করে আপলোড করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। এই তালিকায় নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বহু মানুষ, বিশেষত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না যাঁদের।

    এসআইআর (Draft Voter List)

    উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে আপলোড করছেন বিএলওরা। এসবের ভিত্তিতেই এবার প্রকাশিত হতে চলেছে খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা সহজে জানার দু’টি পদ্ধতির কথা জানিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনের মাধ্যমেও জানা যাবে ওই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা কোনও ব্যক্তির।

    অনলাইন পদ্ধতি

    প্রথমে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে কীভাবে খুঁজবেন নাম রয়েছে কিনা? কমিশন জানিয়েছে, কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in, বা voters.eci.gov.in সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েব সাইট ceowestbengal.wb.gov.in  কিংবা ‘ECI NET’ অ্যাপে গিয়ে (SIR) নিজের নাম এবং এপিক নম্বর দিতে হবে। তাতেই জানা যাবে খসড়া তালিকায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম রয়েছে কিনা। সংশ্লিষ্ট ভোটারের জেলার তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ওয়েবসাইটে গিয়েও খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তাও দেখা যাবে (Draft Voter List)।

    অফলাইন পদ্ধতি

    এবার আসা যাক অফলাইনের বিষয়ে। রাজ্যের সব বিএলওকে দেওয়া হবে খসড়া তালিকার হার্ড কপি। ভোটাররা নিজ নিজ বুথের বিএলওর কাছে গিয়ে খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার জন্য খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন বিএলওদের যতটা সম্ভব বুথে গিয়ে বসতে অনুরোধ করা হবে। এ ছাড়া রাজ্যের স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের হাতেও খসড়া তালিকার সফট কপি দেবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। জেলাস্তর থেকে রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টদের হাতে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি দেওয়া হবে। তাঁদের (SIR) কাছে গিয়েও ভোটাররা জানতে পারবেন, তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে কিনা (Draft Voter List)।

    খসড়া তালিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে, তা নিয়েও আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা এবং আলোচনার সাক্ষেপে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরওরা করবেন ১৬ ডিসম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের অনলাইনে ফর্ম ৬ এবং অ্যানেক্সার ৪ পূরণ হবে।

    এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই দেশের সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। সব চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশকে। যদিও সেই তালিকায় নেই পশ্চিমবঙ্গের নাম। এর অর্থ হল, পশ্চিমবঙ্গে পূর্বের সময়সূচি মেনেই এগোবে এসআইআরের কাজ। কমিশনের যুক্তি, এ রাজ্যে যেভাবে এসআইআরের কাজ এগিয়েছে, তাতে অতিরিক্ত সময় লাগার কথা নয়। এসআইআরের মূল কাজ পশ্চিমবঙ্গে প্রায় শেষ। তা ছাড়া, সামনেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচনও (Draft Voter List)। তাই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এ রাজ্যে (SIR)।

    মৃত ভোটারদের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, এনুমারেশন ফর্ম যাঁরা ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা করবেন না, তাঁদের নাম ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হতে চলা খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে মৃত ভোটারদের নামও। এনুমারেশন ফর্ম বাড়ি বাড়ি গিয়েও যাঁদের কোনও ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, যাঁদের ফর্ম দেওয়া যায়নি, তাঁদের নাম থাকবে না খসড় তালিকায়। ডাবল এন্ট্রি থাকা ভোটারদের নামও বাদ যাবে। অর্থাৎ একই ভোটারের নাম দু’টি বুথ কিংবা দু’টি কেন্দ্রে পাওয়া গেলে, তাঁদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে।

    নাম বাদ পড়লে কী করবেন

    নাম বাদ পড়লে প্রাথমিকভাবে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। সেখানে নির্বাচন কমিশন যেসব তথ্য নিয়ে যেতে বলেছে, সেগুলি নিয়ে যেতে হবে। তাঁরা সেই ডকুমেন্টস দেখে সন্তুষ্ট হলে কোনও সমস্যা নেই। আপনার নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে। কোনও বাড়তি পদক্ষেপ করতে হবে না। একান্তই যদি সেই হিয়ারিংয়ের সন্তুষ্ট না হয় কমিশন, তাহলে নাম বাদ যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে (SIR) আপনাকে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে (Draft Voter List)।

  • Lionel Messi Mess: যুবভারতীকাণ্ডে রাজ্যের গঠিত তদন্ত কমিটির ক্ষমতাই নেই! জোড়া মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    Lionel Messi Mess: যুবভারতীকাণ্ডে রাজ্যের গঠিত তদন্ত কমিটির ক্ষমতাই নেই! জোড়া মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হয়েছিল ‘মেসি মেস’ (Lionel Messi Mess)। আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলারকে দেখতে গিয়ে শনিবারের বারবেলায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যুবভারতীতে। এই ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল জোড়া জনস্বার্থ মামলা (Case Filed)। মামলাকারীদের বক্তব্য, রাজ্যের গড়া কমিটির তদন্ত করার ক্ষমতাই নেই। সঠিক তদন্তের জন্য পৃথক কমিটি গড়া প্রয়োজন। চলতি সপ্তাহেই এই মামলা দুটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    একাধিক মামলা দায়ের (Lionel Messi Mess)

    যুবভারতীকাণ্ডে দায়ের হয়েছে আরও একটি মামলা। মামলাটি করেছেন মৈনাক ঘোষাল। তিনি আদালতের নজরদারিতে তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন। দর্শকদের টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি। আর্থিক তছরুপের কথা উল্লেখ করে ইডি এবং সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন মৈনাক। তাঁর দাবি, স্টেডিয়ামে সেদিন যা ক্ষতি হয়েছে, তাও দিতে হবে আয়োজক সংস্থাকে।এদিকে, মমতার গড়া তদন্ত কমিটির (এই কমিটির মাথায় রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অসীম কুমার রায়) সদস্যরা রবিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তাঁরা। গ্যালারি ও মাঠের বেশ কিছু অংশ (Case Filed) পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি করা হয়েছে ভিডিওগ্রাফিও (Lionel Messi Mess)। করে কমিটির সদস্যরা স্টেডিয়ামে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করেন।

    মেসি মেস

    শনিবার যুবভারতীতে এসেছিলেন তারকা ফুটবলার লিয়োনেল মেসি। তাঁকে একবার চোখের দেখা দেখতে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে মাঠে গিয়েছিলেন মেসি-ভক্তরা। মাঠে মেসি ছিলেন মাত্র ১৬ মিনিট। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার কারণে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে না পেয়ে খেপে যান চড়া দরে টিকিট কেটেও মাঠে আসা মেসি ভক্তরা। শুরু হয় হট্টগোল, চেয়ার ছোড়াছুড়ি। পরে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যেতে হয়। পরে অবশ্য মেসি এবং তাঁর ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী (Lionel Messi Mess)।

    মামলা দায়ের

    ওই ঘটনার তদন্ত করতেই কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সেই কমিটির বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছে জোড়া মামলা। মামলার একটি আবেদন করেন আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য। আর একটি মামলা নিয়ে (Case Filed) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। আদালত জানতে চেয়েছে, আদতে টিকিটের মূল্য কত টাকা ধার্য করা হয়েছিল। কেন এক এক রকমের টিকিট। এই ঘটনায় তদন্তের দাবি উঠেছিল আগেই। পরে এও জানা যায়, বেশ কিছু মেসি-অনুরাগী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কলকাতার একটি নামী হোটেলে। সেটাও কেন হল? সব মিলিয়ে কত টাকার লেনদেন হয়েছিল, এসব নিয়েই আদালতে দায়ের হয়েছে মামলা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পাড়ার লোককে রেখে তদন্ত কমিটি নয় (Case Filed)। বর্তমান বিচারপতিকে রেখে কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। এদিকে, দর্শকদের টাকা ফেরত দিতেও উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি গ্রফতার করা হয়েছে আয়োজক শতদ্রু দত্তকে (Lionel Messi Mess)।

  • PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি ভারতের লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে এমন এক মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর অতুলনীয় জাতি-গঠনের অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনওই ভুলবে না।

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তব্য (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে লেখা একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গঠনে তাঁর অতুলনীয় অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনও ভুলবে না।” হ্যা১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি ভারতের জাতীয় ঐক্যের স্থপতি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা-সহ আধুনিক সিভিল সার্ভিস গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনিই।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, শক্তিশালী ভারতের স্থপতি, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি এও বলেন (PM Modi), “অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্দার সাহেব একটি বিভক্ত স্বাধীন ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমির সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠাকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছিলেন। সমবায় আন্দোলনের পুনরুজ্জীবন এবং নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভরতার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপন করে সর্দার সাহেব ‘জাতিই প্রথম’ নীতির পথে আমাদের সকলকে ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবেন।”

    মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সর্দার প্যাটেল স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খেড়া সত্যাগ্রহ, ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন-সহ একাধিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ বক্তৃতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনটি প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবার তাঁরই ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে (PM Modi)।

  • RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংঘ এবং আরও অনেক মহান নেতা ও চিন্তাবিদ এমন একটি মৌলিক চিন্তাধারার ভিত্তি গড়ে তুলেছেন, যা সম্পূর্ণভাবে ঔপনিবেশিক প্রভাবমুক্ত। সেটি যেমন আছে, আমাদের তেমনভাবেই তা আত্মস্থ করতে হবে।” চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএসের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে আমরা কতদূর এগিয়েছি এবং সামনে পথই বা কী, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন আমি বলি ‘রাষ্ট্র’ পশ্চিমী অর্থে একটি ‘নেশন’ নয়, তখন রাষ্ট্র মানে সংস্কৃতি, ভারতমাতা এবং আমাদের পূর্বজ পরম্পরা। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন আমরা ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে পাশ্চাত্য কাঠামোর মাধ্যমে এই ধারণাগুলিকে বোঝার চেষ্টা করি।”

    হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস (RSS)

    সংঘে একজন স্বয়ংসেবক প্রাথমিক পর্যায়ে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি, বৌদ্ধিক আলোচনা, সংগীত এবং এমনকি দৈনন্দিন অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো হয়। যেখানে যেখানে আমাদের শাখাগুলি কাজ করে, সেখানকার মানুষ ধীরে ধীরে ভিন্নভাবে দেখতে ও ভাবতে শুরু করেন। এটি একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “সব কিছু এমনভাবে সঞ্চারিত করা হয় যাতে আমরা হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। এটি ধীরগতির কাজ। প্রায় ষাট লাখ স্বয়ংসেবকের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতা পুরোপুরি আত্মস্থ করেছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখনও শুরুই হয়নি। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য হল, আমরা যেন স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় হিসেবে চিন্তা করি, আমেরিকানকৃত বা ইউরোপীয়কৃত ভারতীয় হিসেবে নয়।”

    ‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব

    ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব হয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা থেকে, এবং সেই ধারাই আজও অব্যাহত রয়েছে। সংবিধান প্রণয়নের আগেও যে সত্তা ছিল, সেই সত্তাই সংবিধানের প্রস্তাবনাকে রূপ দিয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের আদর্শ। নানা রকম হিন্দু যখন উপলব্ধি করবেন যে উপাসনার পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাঁরা সকলেই হিন্দু, হিন্দুস্তানি, তখন সাংবিধানিক স্বীকৃতি আসতে পারে। তবে হিন্দু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য তা অপরিহার্য নয়। সব হিন্দু যদি বলেন, “আমরা হিন্দু”—তাই যথেষ্ট।” প্রশ্ন ওঠে, খ্রিস্টানদের জন্য বাইবেল যেমন সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ, মুসলমানদের কোরান। হিন্দুদের জন্য একটি সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে আরএসএসের অবস্থান কী, এবং কেন (RSS)। এদিন তারও উত্তর দেন ভাগবত। তিনি বলেন, “সংঘের অবস্থান আমাদের সভ্যতার অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বভাব থেকেই উৎসারিত। এখানে বহু পথ ও বহু গুরু রয়েছেন। ঐক্য এই উপলব্ধিতে যে লক্ষ্য এক, যদিও সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পদ্ধতি ভিন্ন। হিন্দুত্ব কেবল তথ্যের বিষয় নয়, এটি একটি নীতি, যা কেবল আচরণ ও সাধনার মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। হিন্দুত্ব হল নীতি, আর আরএসএস হল তার প্রয়োগ। এটি কোনও একক সর্বজনীন গ্রন্থের প্রযুক্তিগত দাবি নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আধ্যাত্মিক সভ্যতার স্বীকৃতি ও ঘোষণামাত্র (Mohan Bhagwat)।”

    ‘গো সংবর্ধন’

    আরএসএস প্রধান বলেন, “আমাদের আলাদা ‘গো সংবর্ধন’ বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগের দায়িত্ব হল ভারতীয় গরুর দেশি জাতগুলিকে রক্ষা করা, মানুষকে সেগুলি পালনে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় জাতগুলির প্রসার ঘটানো।” তামিলনাড়ুতে সংঘের বিস্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং তাদের জানাতে হবে। আমাদের জীবনযাপন ও আমাদের উদ্দেশ্য তাদের দেখাতে হবে। যখন তারা আমাদের উদ্দেশ্যের পবিত্রতা দেখবেন, তখন আমাদের ওপর বিশ্বাস করতে শুরু করবেন। এখানে কোনও বিশেষ ভুল বোঝাবুঝি নেই, কেবল কিছু সাময়িক দ্বিধা আছে, যা আলাপ-আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে দূর করা যায়।” ভাগবত বলেন, “যুক্তি মানুষকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে, আর জীবন্ত উদাহরণ ভুল ধারণা দূর করে। নাগপুরে আমাদের সর্বভারতীয় শিবিরে মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভেতর থেকে আমাদের দেখলে সব সংশয় দূর হয়ে যায়। তামিলনাড়ুতে জাতীয় চেতনার অভাব নেই (RSS)। এই অনুভূতি অন্য যে কোনও জায়গার মতোই শক্তিশালী। যা নেই, তা হল এই অনুভূতির পূর্ণ প্রকাশের অনুকূল পরিবেশ। কৃত্রিম বাধা তৈরি করা হয়েছে। যদিও সেগুলি টিকে থাকতে পারে না, কারণ জাতীয় চেতনা যখন সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়, তখন সেই বাধাগুলি ভেঙে পড়ে। সেই পরিবেশ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।” তিনি বলেন (Mohan Bhagwat), “অনেকে আনুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ ছাড়াই সংঘের আদর্শে জীবনযাপন করেন। এর মূল সত্তা হল জীবনাচরণ ও ব্যক্তিগত উদাহরণ। আমরা সমাজের ওপর আস্থা রাখি এবং ঘরে ঘরে পৌঁছনোর মতো পর্যাপ্ত বিস্তার আমাদের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, এমন নাগরিক গড়ে তোলা, যারা সমগ্র ভারতকে একক সত্তা হিসেবে ভাববে (RSS)।”

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার রামদুর্গা তালুকে এক মহিলাকে জোর করে ইসলাম ধর্মী দীক্ষিত করতে চাপাচাপি করা হয়। বছর আঠাশের ওই মহিলাকে স্থানীয় এক মুসলমান লাগাতার হয়রান করত, দিত হুমকিও। নিজের ধর্ম বাঁচাতে নাগাভ্বা দেমাপ্পা ভান্তামুরি নামের ওই মহিলা আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। বেঙ্গালুরুতে আবারও একটি উদ্বেগজনক ‘লাভ জিহাদ’ সংক্রান্ত ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক হিন্দু মহিলা উসমান নামের এক ইসলামপন্থী ব্যক্তির বিরুদ্ধে চরম শারীরিক নির্যাতন, জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা, ব্ল্যাকমেল, আর্থিক শোষণ এবং নির্মম হত্যার হুমকির অভিযোগ দায়ের করেন। রকসৌল সীমান্তে সম্প্রতি এক ১৬ বছর বয়সি হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার (Roundup Week) করার হয়েছে। অভিযোগ, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে শোষণ করা হয়েছিল এবং ধর্মান্তরের দিকে ঠেলে দিয়ে বোরখা পরিয়ে নেপালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পূর্ব চম্পারণের স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, সশস্ত্র সীমা বল (SSB)-এর মানব পাচার বিরোধী ইউনিট রাকসৌল সীমান্তের কাস্টমস অফিসের কাছে নেপালে প্রবেশের চেষ্টার সময় এক ব্যক্তি, বোরখা  পরা ১৬ বছরের এক কিশোরী ও এক নাবালককে আটক করে। ওই ব্যক্তি পশ্চিম চম্পারণের বাসিন্দা মহম্মদ আজমুল্লাহ আলি। মেয়েটি বেত্তিয়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী জেলায় কর্মরত এক বিবাহিত মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, স্বামীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে, টাকা আদায় করেছে। পুনেতে তাঁকে আটকে রেখে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ মহারাষ্ট্র থেকে ওই কনস্টেবলকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্ত গুলফাম ওরফে আরকান আহমদকে গ্রেফতার করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসরাখ থানা এলাকার এক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন যে, সারাই নজর খান, তার বোন গুড়িয়া এবং তার ভগ্নিপতি রাজু খানের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সংগঠিত চক্র পরিচালনা করত। তাঁর অভিযোগ, এরা এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ইসলামপন্থী যুবক নিজেদের পরিচয় গোপন করে হিন্দু নারীদের প্রলোভিত করত, মিথ্যা সম্পর্ক গড়ে তুলত এবং পরে অশ্লীল ভিডিও ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে তাদের শোষণ করত (Hindus Under Attack)।

    বজরং দলের শোভাযাত্রায় পাথর

    উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের জ্বালাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন শৌর্য দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বজরং দলের একটি শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। জ্বালাপুর, হরিদ্বার শহর ও কাঁখাল—এই তিন জায়গা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি রাম চকের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দুর্গা চক ও সাইনি আশ্রমের কাছে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ক্ষুব্ধ বজরং দলের কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন (Roundup Week)। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থিরুপারঙ্কুন্দ্রাম কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের ওপর আক্রমণটি শুধু একটি প্রদীপকে কেন্দ্র করে বিরোধ নয়; বরং এটি হিন্দু অধিকার, মন্দিরের ঐতিহ্য ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি সমন্বিত রাজনৈতিক আক্রমণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার এবং ইন্ডি জোটের সাংসদদের সমর্থন।

    নেহরুকে নিয়ে বিস্ময়কর মন্তব্য রাজনাথের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে নিয়ে এক বিস্ময়কর মন্তব্য করে বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেহরু সংক্রান্ত বক্তব্য তথ্যভিত্তিক বলে দাবি করা হয়েছে। নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, জওহরলাল নেহরু বাবরি মসজিদের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের পক্ষে ছিলেন (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের সেহোর জেলায় পুলিশ ছজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তারা একটি খ্রিস্টান ধর্মান্তরণ চক্র চালাচ্ছিল। এই চক্রটি দরিদ্র বনবাসী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে প্রতি ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণে প্রলুব্ধ করছিল (Hindus Under Attack)। সুরথকল পুলিশের তরফে ইসলামপন্থী দোকান মালিককে এক নাবালককে যৌন হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সুরথকলের চক্কাবেত্তু জুম্মা মসজিদের কাছের হানি ফ্যাশন শপ অ্যান্ড জেনারেল স্টোরের মালিক।

    কিশোরীকে আঘাত ব্লেড দিয়ে

    মির্জাপুরের গণেশগঞ্জ এলাকায় ১৭ বছরের এক হিন্দু কিশোরীকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয় গলা ও কবজিতে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে সে। অভিযোগ, এক ইসলামপন্থী যুবক তাকে ধর্মান্তরণ ও বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত আবদুল ওরফে সইফ সম্পর্কে তথ্য দিলে ২৫,০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাও করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত ষড়যন্ত্র ও তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে নজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।  ‘প্রজা প্রভুত্ব উলিসি আন্দোলন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠন কর্ণাটকের কুদ্রমুখ জাতীয় উদ্যান অঞ্চলে বসবাসকারী দুর্বল জনজাতী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো কথিত মিশনারি ধর্মান্তরণ কার্যকলাপ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Roundup Week)।

    খবরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ-কানাডা

    এদিকে, পাকিস্তানের কুখ্যাত ইসলামপন্থী সংগঠন পীর সারহিন্দি মিথ্যে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানি হিন্দু অধিকারকর্মী শিবা কাচ্ছিকে ইসলামবিরোধী ও পাকিস্তানি রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা ‘ভারতীয় এজেন্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবাশিবা এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    বাংলাদেশের রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবীণ হিন্দু দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এঁদের মধ্য একজন মুক্তিযোদ্ধা, বছর পঁচাত্তরের যোগেশচন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীর সুবর্ণা। বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা কম ভয়ঙ্কর নয়। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ব্র্যাম্পটনে একটি মন্দিরে থ্যাংকসগিভিং সপ্তাহে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে ভক্তরা হতবাক হয়ে যান, দাবি করেন উপাসনালয়গুলির নিরাপত্তা জোরদারের করারও।

  • Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেসিকে (Messi Goat Tour) নিয়ে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যা হল, তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে তৃণমূল-শাসিত বাংলার। তবে শনিবার সন্ধেয় হায়দরাবাদ সাক্ষী রইল আর্জেন্টিনার তারকা-ফুটবলার লিয়োনেল মেসির ম্যাজিকে (Satadru Dutta)। রবিবার বিশ্বজয়ী ‘লা আলবিসেলেস্তে’র অধিনায়ক পা রাখছেন মুম্বইয়ে। উল্লেখ্য যে, হায়দরাবাদের পর রবিবার মুম্বইয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সফরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে ছাড়াই। এদিকে, শনিবার যুবভারতীর ঘটনায় গ্রেফতারির পর বিধাননগর আদালতে তোলা হলে শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    শতদ্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Messi Goat Tour)

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুরের ঘটনায় শতদ্রুর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিন আদালতে গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তের আইনজীবীর সওয়াল, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে, এমন কী এমপিও আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি কী এমন কাজ করেছেন, যার জন্য এই আইনে মামলা হবে। পাশাপাশি জামিনের আবেদনও জানানো হয়।

    শতদ্রুর প্রশ্ন

    এদিন শতদ্রু নিজে পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রশ্ন (Messi Goat Tour) তুলে বলেন, “স্টেডিয়ামে যা ঘটেছে, তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা কেন? ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতেরই বা প্রয়োজন কেন?” সরকারি আইনজীবী বলেন, “মেসির সামনে কে যাবেন, আর কে যাবেন না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আয়োজকের। আয়োজক নিজের লোকজনকে নিয়ে এমনভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন, যাতে সাধারণ দর্শকরা তাঁকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি।” জনসমাগম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আয়োজকের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, এই মর্মে সবপক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

    এদিকে, যুবভারতীর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিল। রবিবার কমিটির সদস্যরা যুবভারতীতে (Messi Goat Tour) পৌঁছে প্রথমেই মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের সঙ্গে কমিটির বাকি দুই সদস্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী মেসির প্রবেশপথের করিডর, নিরাপত্তা (Satadru Dutta) ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর করেন।

LinkedIn
Share