Author: pranabjyoti

  • Phantom Voters: ভুতুড়ে ভোটার ধরতে জেলাশাসকদের নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

    Phantom Voters: ভুতুড়ে ভোটার ধরতে জেলাশাসকদের নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুতুড়ে ভোটারদের (Phantom Voters) চিহ্নিত করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Bengal CEO) মনোজ আগরওয়াল। সোমবার তিনি ওই নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসকদের। গত এক বছরে রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। জেলাশাসকরা একই সঙ্গে জেলার নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) হিসেবেও কাজ করেন। তাই ১৪ অগাস্টের মধ্যে তাঁদের এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ (Phantom Voters)

    জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা প্রবীণ আধিকারিকদের নিয়ে দল গঠন করে ফর্ম-৬ (যা ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়) নিষ্পত্তির একটি নমুনা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন। এই আধিকারিকরাই খতিয়ে দেখবেন এবং রিপোর্ট করবেন যে নির্বাচনী নথিভুক্তি আধিকারিকেরা (ERO) কীভাবে ফর্ম-৬-এর আবেদনের নিষ্পত্তি করছেন। জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, “অনেক নির্বাচনী কর্মী ১৯৬০ সালের ভোটার নথিভুক্তি আইনের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন না।” সিইও-র চিঠিটি এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ২০০২ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে ১০৯টি বিধানসভা কেন্দ্রজুড়ে ১১টি জেলার ভোটারদের যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    সিইওর নজরে ২

    সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সিইওর নজরে রয়েছেন ময়না ও বারুইপুরের দু’জন ইআরও। কারণ ভোটার তালিকায় অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারেননি (Phantom Voters)। সিইওর (Bengal CEO) চিঠিতে বলা হয়েছে, “ক্রমাগত আপডেটের সময় ইআরওরা যে ফর্ম ৬ জমা দিয়েছেন, তার এক শতাংশেরও কম নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে দু’জন ইআরও ভুতুড়ে ভোটারদের জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফর্ম ৬ নিয়েছেন।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “এই সব ক্ষেত্রে কোনও জরুরি প্রয়োজন বা বাস্তব প্রয়োজন ছাড়াই বিএলওদের যাচাই করা তথ্য বাদ দেওয়া হয়েছিল। একই ধরনের নথি বহু সংখ্যক আবেদনপত্র ও তাদের ভেরিফিকেশন রিপোর্টের জন্য নেওয়া হয়েছে।”

    অনিয়মের কথা কবুল!

    ওই চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, দুই ইআরও স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা অন্যান্য আধিকারিক মায় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদেরও ইউজার অ্যাক্সেস দিয়েছিলেন। তাঁরা পরে ফর্ম ৬-এর আবেদনগুলি নিষ্পত্তি করে দেন। সূত্রের খবর, সিইও ওই দুই ইআরও-সহ আরও যে সব আধিকারিক এই ধরনের অনিয়মে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন। নির্বাচন কমিশনের (Bengal CEO) এক আধিকারিক বলেন, “যদি কোনও (Phantom Voters) ইআরও, সহকারী ইআরও বা অন্য কেউ ভোটার তালিকা প্রস্তুতি, সংশোধন বা কোনও অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কর্তব্যে গাফিলতি বা দুর্নীতি করেন, তাহলে তাঁদের ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দু’বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে।”

    নতুন ভোটার নয়, উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বয়স্ক ভোটারদের নাম

    নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্ত অঞ্চলে ২৫-৪০ বছর বয়সিদের ভোটার তালিকায় নাম লেখানোর হার বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। অথচ এই হার বেশি থাকার কথা ১৮-২১ বছর বয়সি নতুন ভোটারদেরই। ওই চিঠিতেই বলা হয়েছে, মাত্র এক শতাংশ ফর্ম পরীক্ষা করেই বিস্তর অনিয়ম ধরা পড়েছে। এ ক্ষেত্রে ইআরওকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তাঁরা ভুয়ো আবেদনপত্র জমা নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিএলওরা কোনও রকম যাচাই না করেই তার অনুমোদনও দিয়েছেন বলে চিঠিতে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Phantom Voters)।

    কী বলেছিল কমিশন?

    প্রসঙ্গত, ভোটার (Bengal CEO) তালিকা থেকে ভুয়ো ভোটারদের বাদ দিতে আগেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার ডেটাবেস এবার যুক্ত করা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। ফলে যখনই কারও জন্ম বা মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন করা হবে, তখন কমিশনের সিস্টেমেও সেই তথ্য নথিভুক্ত হয়ে যাবে। ভোটার তালিকায় কখনও কখনও মৃত ব্যক্তির নামও থাকে, বাদ যান যিনি জীবিত, তাঁর নাম। কমিশন সূত্রে খবর, এহেন বিভ্রান্তি এড়াতেই চালু হচ্ছে এই নয়া ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যের ভিত্তিতেই ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারের নাম দ্রুত ও সহজ পদ্ধতিতে বাদ দেওয়া যাবে। এজন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ইআরও এবং বিএলওদের যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এবার থেকে জন্ম বা মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন হলেই সেই তথ্য একেবারেই পৌঁছে যাবে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে যুক্ত কর্মীদের কাছে। কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ডুপ্লিকেট এপিক (EPIC) নম্বর বরাদ্দের সময় কিছু ভুলের কারণে বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক ব্যক্তিকে একই নম্বর দেওয়া হয়েছে। এবার প্রযুক্তিগত (Bengal CEO) দল ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিটি ভোটারকে একক এপিক নম্বর দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে (Phantom Voters)।

  • Higher Education Commission: আলাদা ইউজিসি, এআইসিটিই থাকবে না, আসছে ভারতীয় উচ্চশিক্ষা কমিশন, জানালেন সুকান্ত

    Higher Education Commission: আলাদা ইউজিসি, এআইসিটিই থাকবে না, আসছে ভারতীয় উচ্চশিক্ষা কমিশন, জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক একটি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে ভারতীয় উচ্চশিক্ষা কমিশন (Higher Education Commission) গঠনের লক্ষ্যে বিল খসড়া করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। সোমবার লোকসভায় এই তথ্য জানাল (New Bill) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। এদিন শিক্ষা বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ খবর জানান। তিনি বলেন, “জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০ একটি ‘হালকা কিন্তু কঠোর’ নিয়ন্ত্রক কাঠামোর কথা বলে যার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার সততা, স্বচ্ছতা এবং সম্পদের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে নিরীক্ষা ও সর্বজনীন প্রকাশনার মাধ্যমে। এর পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসন, সুশাসন ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমে এটি উদ্ভাবন এবং প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করবে।”

    কী বললেন সুকান্ত

    তিনি বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি আরও একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন অফ ইন্ডিয়া গঠনের পরিকল্পনা করেছে, যা একটি ছাতার মতো প্রতিষ্ঠান হবে। এই কমিশনের অধীনে বিভিন্ন স্বাধীন শাখা থাকবে, যেগুলি আলাদা আলাদা কাজ করবে যেমন নিয়ন্ত্রণ, স্বীকৃতি প্রদান, অর্থায়ন এবং অ্যাকাডেমিক মান নির্ধারণ।” সুকান্ত বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী মন্ত্রক বর্তমানে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন অফ ইন্ডিয়া বিলের খসড়া করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।”

    প্রস্তাবিত উচ্চশিক্ষা কমিশন অফ ইন্ডিয়া

    প্রসঙ্গত, নয়া এই শিক্ষানীতিতে প্রস্তাবিত উচ্চশিক্ষা কমিশন অফ ইন্ডিয়া বর্তমানে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পরিষদ এবং জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা পরিষদের জায়গা নিতে যাচ্ছে। বর্তমানে ইউজিসি নন-টেকনিক্যাল উচ্চশিক্ষার তদারকি করে, এআইসিটিই করে (New Bill) প্রযুক্তিগত শিক্ষার তদারকি এবং এনসিটিই শিক্ষক প্রশিক্ষণের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে (Higher Education Commission)।

    উচ্চশিক্ষা কমিশন অব ইন্ডিয়ার ধারণা আগেও একটি খসড়া বিলের মাধ্যমে আলোচিত হয়েছিল।
    ২০১৮ সালে ভারত সরকার একটি খসড়া বিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বিলুপ্ত করে নয়া “হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া” গঠনের প্রস্তাব দেয়। এই বড় ধরনের নিয়ন্ত্রক পরিবর্তন নিয়ে সরকার অংশীদারদের মতামতও চেয়েছিল। ওই খসড়া আইনটি স্পষ্টভাবে বর্তমানে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন বাতিল করার পরিকল্পনা তুলে ধরেছিল, যাতে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলা যায়। এই খসড়া বিলের মাধ্যমে ভারতের উচ্চশিক্ষাকে পরিচালনার জন্য একটি সম্পূর্ণ নয়া ব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল (New Bill)। এই ভারতীয় উচ্চশিক্ষা কমিশন বাস্তবায়নের প্রচেষ্টাকে নতুন করে ত্বরান্বিত করা হয় জুলাই ২০২১-এ ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর (Higher Education Commission)।

  • Mohan Bhagwat: “‘ভারতে’র অনুবাদ করলে নষ্ট হয়ে যাবে সম্মান,” বললেন ভাগবত 

    Mohan Bhagwat: “‘ভারতে’র অনুবাদ করলে নষ্ট হয়ে যাবে সম্মান,” বললেন ভাগবত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ভারতে’র (Bharat) অনুবাদ করা উচিত নয়, কারণ তাতে এর স্বাতন্ত্র্য এবং বিশ্বজুড়ে যে সম্মান তা নষ্ট হয়ে যাবে।” রবিবার এমনই মন্তব্য করলেন আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “এখন আর ভারতের সোনার পাখি হওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ সময় এসেছে সিংহ হয়ে ওঠার।” কেরালার কোচিতে আরএসএস ঘনিষ্ঠ শিক্ষা সংস্কৃতি উত্তান ন্যাস আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সম্মেলন জ্ঞান সভায় যোগ দিয়েছিলেন ভাগবত।

    ‘ভারতে’র অনুবাদ করা উচিত নয় (Mohan Bhagwat)

    সেখানেই তিনি বলেন, “ভারত একটি বিশেষ্য পদ। এর অনুবাদ করা উচিত নয়। ভারত-কে ভারত-ই থাকতে হবে। কারণ, যদি আমরা আমাদের পরিচয় হারিয়ে ফেলি, তবে আপনার যত গুণই থাকুক না কেন, এই জগতে আপনি সম্মান বা নিরাপত্তা পাবেন না। পরিচয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর পরিচয় নির্ভর করে আপনার ‘সংস্কৃতি’র ওপর। আমি ‘কালচার’ শব্দটি ব্যবহার করি না। আমরা যে শব্দটি ব্যবহার করি তা হল ‘ধর্ম-সংস্কৃতি’, এবং এর কোনও ইংরেজি প্রতিশব্দ নেই। আমাদের সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যের সঙ্গে।”

    কী বললেন সরসংঘচালক?

    সরসংঘচালক বলেন, “ভারতের আর ‘সোনার পাখি’ হওয়ার দরকার নেই। বরং আজকের পরিস্থিতি দাবি করে যে ভারতকে এখন সিংহ হতে হবে। কারণ বিশ্ব আদর্শ নয়, শক্তিকে সম্মান করে। ভারতকে অর্থনৈতিক দিক থেকেও শক্তিশালী হতে হবে। বিশ্বের সর্বোত্তম প্রযুক্তিগুলিও এখানে দৃশ্যমান হতে হবে। তা না হলে বিশ্ব আমাদের মূল্য দেবে না।” তিনি (Mohan Bhagwat) বলেন, “আমরা বিশ্ব শাসন করতে চাই না। আমরা চাই বিশ্বটি একটি সুন্দর জায়গা হয়ে উঠুক।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেরালার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকারও। ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করে তিনি বলেন, “পরবর্তী প্রজন্ম আর সোনার পাখি হতে চায় না। তারা চায় ভারত হোক সোনার সিংহ। পুরো বিশ্ব সেই সিংহের গর্জন দেখবে ও শুনবে। আমরা কাউকে ধ্বংস করতে আসিনি, বরং বিশ্বের উন্নয়নের জন্য নতুন কিছু দিতে এসেছি।”

    “শিক্ষায় ভারতীয়ত্ব” বিষয়ক বক্তৃতায় ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ভারতকে জান এবং ভারতের অংশ হও — এই চেতনার মাধ্যমেই শিক্ষায় ভারতীয়ত্ব গড়ে উঠবে।শিক্ষা ক্ষেত্রে (Bharat) আমাদের অনেক জায়গায় সংস্কারের প্রয়োজন। কেবল পাঠ্যক্রমে সীমাবদ্ধ থাকলেই হবে না।”

  • Rajnath Singh: “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই”, সংসদে রাজনাথ

    Rajnath Singh: “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই”, সংসদে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই।” সংসদে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা স্পষ্টভাবে বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।

    লোকসভায় শুরু ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে আলোচনা

    সোমবার লোকসভায় শুরু হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে আলোচনা। সংসদে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। সেই অধিবেশনে এই অভিযান নিয়ে আলোচনা শুরুর পরেই দাঁড়িয়ে উঠে বলতে থাকেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই আলোচনা অনেক আগেই শুরু হয়ে যেতে পারত। কিন্তু বিরোধীদের প্রতিবাদের কারণে সংসদ মুলতুবি থেকেছে।”

    ভারতীয় সেনার অবদান

    অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজনাথ মনে করিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় সেনার অবদানের কথাও। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, অপারেশেন সিঁদুর (Operation Sindoor) আদতে ভারতীয় সেনার সাফল্যের কাহিনি। রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “অপারেশন সিঁদুর যে সাফল্য ছুঁয়েছে, সে প্রসঙ্গে আলোচনার জন্য আজ এই সংসদ তৈরি। আমি সেই জওয়ানদের সম্মান জানাই, যাঁরা এই দেশের জন্য নিজেদের প্রাণ দান করেছেন, যাঁরা এখনও এই দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে চলেছেন।” তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের আগে এর সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি করেই এগিয়ে গিয়েছে আমাদের সেনা। অপারেশনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে নজরে রাখা হয়েছে। মাথায় রাখা হয়েছে যেন কোনওভাবেই সাধারণ মানুষের প্রাণ না যায়। আর এভাবেই মাত্র ২২ মিনিটেই পাকিস্তানের ভেতরে থাকা ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভারতের প্রত্যাঘাতের জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা আঘাত হানে। তবে দেশের আকাশরক্ষী সুদর্শন চক্র বা এস-৪০০ সেই হামলা প্রতিহত করে (Rajnath Singh)।”

    সেনাকে ফ্রি-হ্যান্ড

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের জন্য ভারতের সামরিক বাহিনীকে একেবারে ফ্রি-হ্যান্ড দেওয়া হয়েছিল। কোন কোন (Operation Sindoor) জায়গায় হামলা চালানো হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সামরিক বাহিনীই। একেবারে নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল।” তিনি বলেন, “যেভাবে হনুমানজি লঙ্কায় নিজের রণনীতি তৈরি করেছিলেন, সে রকমভাবেই আমরা তাদের নিশানা করেছি, যারা আমাদের ক্ষতি করেছিল (Rajnath Singh)।”

    কীভাবে সংঘর্ষ-বিরতি চুক্তি

    কীভাবে সংঘর্ষ-বিরতি চুক্তি হয়েছে, এদিন তাও জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ১০ মে পাকিস্তানের একাধিক এয়ারফিল্ডে প্রত্যাহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের হার মেনে নিয়ে সংঘর্ষ-বিরতির জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করে (Operation Sindoor) পাকিস্তান। আর ভারত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে একটাই শর্তে, তা হল অপারেশন সিঁদুর কেবল স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তান যদি ফের ভুলভাল কাজ করে, তাহলে আবারও পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। রাজনাথের জবাবেই স্পষ্ট, যেভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, সেটা আদতে বিভ্রান্তিকর। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতির জন্য ট্রাম্প বারবার নিজেই ক্রেডিট নিয়েছেন। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই দাবি খারিজ করে দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন (Operation Sindoor), “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই (Rajnath Singh)।”

    রসদের জোগানে জোর রাজনাথের (Rajnath Singh)

    এর আগে, রবিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনাথ বলেছিলেন, “বন্দুক বা গুলি দিয়ে এখন আর যুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না। যুদ্ধ জেতার অন্যতম হাতিয়ার এখন সামরিক রসদ সঠিক সময় জোগান দিতে পারা।” গতিশক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “পহেলগাঁও হামলার প্রতিক্রিয়ায় মে মাসে ভারতের অপারেশন সিঁদুর সে কথাই প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছে।” ভারতের রেলমন্ত্রকের অধীন এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জোগানকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকারই সমাবর্তনে ভাষণ দিতে গিয়ে যুদ্ধ জয়ের বর্তমান কৌশলটি বলে দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রসদের জোগানকে একটি কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার ওপর জোর দেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “রসদের জোগানই একটি যুদ্ধক্ষেত্রকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করে। রসদের জোগান ঠিকঠাক না থাকলে গোটাটাই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পরিণত হবে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানোর পর প্রমাণিত হয়েছে একাধিক সংস্থার সমন্বয় কীভাবে প্রয়োজনীয় উপকরণ সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছে। আধুনিক যুদ্ধ জয় এর ওপরই নির্ভর করে।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ কেবল বন্দুক এবং গুলি দিয়ে জেতা যায় না, বরং সময়মতো রসদ জোগানের ওপর নির্ভর করে (Operation Sindoor) কারা জিতবে, আর হারবেই বা কে।”

    ভিন্ন সেনার জন্য পৃথক রসদের ব্যবস্থা

    সব বাহিনীর জন্য যে একই রসদ নয়, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনায় রসদ জোগানের অর্থ ভিন্ন। সেনাবাহিনীর জন্য রসদ জোগানের অর্থ অস্ত্র, জ্বালানি, রেশন এবং ওষুধ প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া। আবার নৌবাহিনীর কাছে এর অর্থ হল জাহাজে খুচরো যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া। আর বায়ুসেনার কাছে এর অর্থ হল নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রাউন্ড সাপোর্ট দিতে থাকা। এর পাশাপাশি প্রয়োজন জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখা।”

  • ECI: বিহারে ৭.২৪ কোটিরও বেশি ভোটার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন, জানাল নির্বাচন কমিশন

    ECI: বিহারে ৭.২৪ কোটিরও বেশি ভোটার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar) মোট ৭.৮৯ কোটি নথিভুক্ত ভোটারের মধ্যে ৭.২৪ কোটিরও বেশি মানুষ স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে তাঁদের গণনার ফর্ম জমা দিয়েছেন। ২৪ জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলেছে। এতে ৯১.৬৯ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) তরফে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    এসআইআর প্রক্রিয়া (ECI)

    কমিশন এই এসআইআর প্রক্রিয়াকে একটি ব্যাপক ও সফল নাগরিক অংশগ্রহণের প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। এর লক্ষ্য হল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকাগুলির যথার্থতা বাড়ানো। জাতীয় নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই গণনা প্রক্রিয়া বিহারের ৩৮টি জেলায়ই ভোটার রেকর্ড যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের প্রধান লক্ষ্য ছিল সমস্ত ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। তারা আরও জানিয়েছে, বুথ লেভেল অফিসার, বুথ লেভেল এজেন্ট, স্বেচ্ছাসেবক ও রাজনৈতিক কর্মীদের ভূমিকাও এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুথ লেভেল এজেন্টদের সংখ্যা ১৬ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। িসিপএেমর ১০৮৩ শতাংশ, কংগ্রেসের ১০৫ শতাংশ এবং সিপিআইয়ের ৫৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজেপির সংখ্যা বেড়েছে ৩ শতাংশ। আর আরজেডি এবং জেডিইউয়ের বুথ লেভেল এজেন্টের সংখ্যা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তিন দফায় ফর্ম বিলি

    বুথস্তরের (Bihar) অফিসাররা প্রতিটি নথিভুক্ত ভোটারের বাড়িতে গিয়ে অন্তত তিন দফায় ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করেন (ECI)। শহরাঞ্চলের ভোটার, প্রথমবারের তরুণ ভোটার এবং বিহার থেকে অস্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত ভোটারদের কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রবাসী ভোটারদের কাছে পৌঁছতে ২৪৬টি পত্রিকায় একটি পুরো পাতাজুড়ে হিন্দিতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। বিহারের প্রধান নির্বাচনী অফিসার সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি লেখেন, যাতে তারা বিহার থেকে আগত অভিবাসীদের গণনায় অংশগ্রহণের জন্য সাহায্য করে (Bihar)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রায় ২৯ লক্ষ ফর্ম অনলাইনে পূরণ বা ডাউনলোড করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ লক্ষেরও বেশি ফর্ম জমা দেওয়া হয়েছে (ECI) ডিজিটাল মাধ্যমে।

  • PM Modi: মলদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসে প্রধান অতিথি মোদি, কী বলছে গ্লোবাল মিডিয়া?

    PM Modi: মলদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসে প্রধান অতিথি মোদি, কী বলছে গ্লোবাল মিডিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমে গেল খেলা! ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে চিনপন্থী (China) মহম্মদ মুইজ্জু মলদ্বীপের ৬০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নন, প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। শুধু তাই নয়, মুইজ্জুর মুখে মোদি-স্তুতিও নজর কেড়েছে তামাম বিশ্বের। এতেই যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে শি জিনপিংয়ের দেশের। মলদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মোদিকে প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মান প্রদর্শন কেবল ভারত ও মলদ্বীপেই নয়, বিশ্বজুড়ে শিরোনাম হয়ে ওঠে সংবাদ মাধ্যমের।

    মোদির সফর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বীপরাষ্ট্র সফর বেশ কয়েকটি কারণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার প্রধান কারণ মলদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ২০২৩ সালে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে স্লোগান দিয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া আউটে’র। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরেই প্রতিশ্রুতি পূরণে উঠেপড়ে লাগেন মুইজ্জু। ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করার পাশাপাশি চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতেও উদ্যোগী হন তিনি। কুর্সিতে বসার পরে পরেই তিনি মলদ্বীপে থাকা ভারতীয় সেনাকর্মীদের ভারতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। মলদ্বীপের এই পদক্ষেপটিকে নয়াদিল্লি চিনের দিকে মালদ্বীপের একটি কৌশলগত ঝুঁকে পড়া হিসেবে দেখেছিল। সেই একই নেতাই এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এই প্রতীকী বার্তাটি একেবারেই স্পষ্ট। এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন, বিশেষ করে যখন চিন যখন ভারত মহাসাগরে নিজের প্রভাব আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    কী বলছে গ্লোবাল টাইমস

    বেজিংয়ের রাষ্ট্র-পরিচালিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে ভারতের সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট প্রকাশে ধরনের সমালোচনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মলদ্বীপ সফরকে ঘিরেই এই রিপোর্ট। গ্লোবাল টাইমসের মতে, কিছু ভারতীয় মিডিয়া এই সফরকে চিনের কৌশলগত পরাজয় এবং ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে (PM Modi)। গ্লোবাল টাইমসের অভিযোগ, ভারতীয় মিডিয়া (China) ‘জিরো সাম থিংকিং’য়ে জড়িয়ে পড়েছে। এই চিন্তাধারা অনুযায়ী, ভারতের যে কোনও লাভকেই চিনের ক্ষতি হিসেবে দেখা হয়। ওই সংবাদপত্রে চিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কৌশল ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর কিয়ান ফেংয়ের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “মলদ্বীপ স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয়, তবে একইসঙ্গে বৈচিত্র্যময় বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করে, যার মধ্যে চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকাও অন্তর্ভুক্ত।” তিনি বলেন, “এই কৌশলগুলির মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই।”

    নিউজ এশিয়ার প্রতিবেদন

    সিঙ্গাপুরভিত্তিক চ্যানেল নিউজ এশিয়ার প্রতিবেদনের শিরোনাম “মলদ্বীপের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের মোদি”। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোদির সফরে নয়া পরিকাঠামো অংশীদারিত্ব, আর্থিক প্রতিশ্রুতি এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উষ্ণতার পুনর্জাগরণ স্পষ্ট। মলদ্বীপে প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রক ভবনের উদ্বোধন করেন। ভারত যেসব প্রকল্পে টাকা ঢেলেছে, সেগুলির উদ্বোধনও করেন। দ্বীপরাষ্ট্রকে দেন অর্থনৈতিক সাহায্যের আশ্বাসও (China)। নিউজ এশিয়ার দাবি, নয়াদিল্লিতে মোদির এই সফরকে চিনের প্রভাব থেকে মলদ্বীপকে দূরে রাখার আশ্বাস হিসেবে দেখা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর শাসনের শুরুতেই ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল (PM Modi)। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে মোদির এই দু’দিনের দ্বীপরাষ্ট্র সফরকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তারা এও জানিয়েছে, এটি ভারত মহাসাগরের প্রধান সমুদ্রপথে ভারতের প্রভাব বিস্তারের বৃহত্তর একটি লক্ষ্য। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি নতুন সূচনার ইঙ্গিত দিতে পারে।

    ব্রিটিশ দৈনিকের বিশ্লেষণ

    ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ভারত সরকার যখন লাক্ষাদ্বীপকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে প্রচার করতে শুরু করে, তখন মলদ্বীপের অনেকেই তাকে ভারতীয় পর্যটকদের নিজেদের সমুদ্রসৈকত থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখেছিলেন। তার ফলে উভয় দেশের মধ্যেই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল (PM Modi)। ভারতের বেশ কয়েকজন তারকাও মলদ্বীপকে পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বয়কট করার ডাক দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনটিতে এও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মুইজু ভারত সফরের আগে চিন সফরকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। এটি নজর এড়ায়নি নয়াদিল্লির। চিন সফর শেষে তিনি ওষুধ ও খাদ্য-সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরতা কমানোর কথাও ঘোষণা করেন। তার (China) জেরে উভয় দেশেই শুরু হয় উদ্বেগ। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে যখন মুইজ্জু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ওই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরিয়ে আনার পথ প্রশস্ত করে। এরই পরিণাম হল মোদির বর্তমান মলদ্বীপ সফর (PM Modi)।

  • Udaipur Files: ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি হিন্দুদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?’, ‘উদয়পুর ফাইলসে’র মুক্তি রদে প্রশ্ন

    Udaipur Files: ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি হিন্দুদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?’, ‘উদয়পুর ফাইলসে’র মুক্তি রদে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি ছবি ‘উদয়পুর ফাইলস’ (Udaipur Files) মুক্তির দাবিতে লড়ছে সুপ্রিম কোর্টে। এই ছবিটি মুক্তির জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল (Film) কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সরকারের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদনের শুনানি দিল্লি হাইকোর্টকে করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। ২৮ জুলাই ওই আবেদনের শুনানি করার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সূ্র্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ।

    মাথা কেটে হত্যা (Udaipur Files)

    ২০২২ সালে মাথা কেটে হত্যা করা হয়েছিল উদয়পুরের পেশায় দর্জি কানাইয়া লালকে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই তৈরি হয়েছে ‘উদয়পুর ফাইলস’। এর আগে দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি অনিশ দয়ালের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনকারীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন এই ছবি মুক্তি পাবে কিনা, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকারই। তার পর গত ২১ জুলাই ছায়াছবিটির কয়েকটি দৃশ্য বাদ দেওয়ার শর্তে মুক্তির ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় জমিয়ত উলেমা হিন্দ। এই মামলার নাম ‘মহম্মদ জাভেদ বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া এবং জানি ফায়ারফক্স মিডিয়া বনাম মৌলানা আরশাদ মাদানি’।

    মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন  

    যাঁরা ছবিটির বিরুদ্ধে তাঁদের দাবি, ছবিটি সম্প্রদায়িকতা উসকে দেয়। তাই কখনওই মুক্তি পাওয়া উচিত নয় (Film)। আবেদনকারীদের তরফে বলা হয়েছে এটি একটি উসকানিমূলক চলচ্চিত্র। এই ছবির মুক্তি বন্ধে নিয়োগ করা হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটা অবাক করার মতো বিষয়, যে অনেকেই মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে (Udaipur Files) সওয়াল করেন। কিন্তু যখন এই ধরনের কোনও সিনেমার কথা আসে, তখন তাঁরাই সেই স্বাধীনতার বিরোধিতায় সরব হন। প্রশ্ন উঠছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি কেবলমাত্র ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য? ভারত যদি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হয়, তাহলে সেই ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষা করার দায় শুধুই হিন্দুদের ওপর বর্তায়, না কি সবাইকেই সেটা মান্যতা দিতে হয় (Film)?

    ছবিটির মুক্তিতে অনুমোদন

    জানা গিয়েছে, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC) ছবিটির মুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছে এবং সমস্ত বিতর্কিত দৃশ্য মুছে ফেলা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের প্রশ্ন, তার পরেও কেন সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করা হচ্ছে যাতে এটি প্রদর্শন বন্ধ করা হয়? আবেদনকারীদের যুক্তি, সিনেমাটি হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু আমরা কি অস্বীকার করতে পারি যে ২০২২ সালের ২৮ জুন উদয়পুরে ইসলামি উগ্রবাদী রিয়াজ আত্তারি ও গউস মোহাম্মদ দর্জি কানহাইয়া লাল তেলিকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে? এক উগ্রপন্থী এই হত্যার ঘটনা ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। খুনিরা দাবি করেছিল, এটি বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নুপুর শর্মাকে সমর্থন করায় কানহাইয়া লালের ওপর একটি সামাজিক পোস্টের প্রতিশোধ। এই নির্মম ইসলামি উগ্রচিন্তাধারার ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে নিন্দিত হয় (Udaipur Files)।

    সমাজে সচেতনতা বাড়তেই তৈরি করতেই ছবি

    পরিচালক ভারত এস শ্রিনেত এই উগ্র মানসিকতার বিষয়ে সমাজে সচেতনতা বাড়তেই তৈরি করেছেন ‘উদয়পুর ফাইলস’। তা সত্ত্বেও মহম্মদ জাভেদ, মৌলানা আরশাদ মাদানি এবং আরও কয়েকজন চেষ্টা করছেন যাতে ছবিটি কখনওই মুক্তি না পায়। যদিও সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন, ছবিটিতে ৫৫টি কাট দেওয়া হয়েছে। সব উসকানিমূলক বিষয়বস্তু বাদ দেওয়া হয়েছে। যোগ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় ডিসক্লেমারও। তাঁর দাবি. ছবিটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিবরণ তুলে ধরে (Udaipur Files)।

    সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা

    সলিসটির জেনারেল আদালতে বলেছিলেন, “সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। ছবিতে এমন কিছু নেই যা বিদেশ নীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বা কোনও সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করে। গল্পটি ভারসাম্যপূর্ণ। এতে ইতিবাচক চরিত্র রয়েছে এবং স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনার দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি কল্পকাহিনি।” আদালতকে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে যে, ছবিটির সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন কীভাবে কাজ করেছে। তাতে বিদেশমন্ত্রকেরও মতামত অন্তর্ভুক্ত ছিল। জানা গিয়েছে, ছবিটির মোট ১৩ মিনিট অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তাও মার্জিত এবং নিরপেক্ষ। প্রবীণ আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া লড়ছেন ছবি নির্মাতাদের পক্ষে। তিনি আদালতকে এও জানিয়েছেন, ছবিটি মুক্তির আগে যে ছ’টি প্রধান পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছিল, তার সবই ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। এর পরেও কেন মহম্মদ জাভেদ ও মৌলানা আরশাদ মাদানির পক্ষে দাঁড়ানো আইনজীবীরা এখনও ছবিটির মুক্তির বিরোধিতা করে যাচ্ছেন, তা (Film) নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Udaipur Files)।

    মামলাকারীদের আইনজীবীদের যুক্তি

    মামলাকারীদের তরফে লড়ছেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং মেনকা গুরুস্বামী। তাঁদের যুক্তি, চলচ্চিত্রটি চার্জশিটের অনুকরণে তৈরি এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে। এই যুক্তি দুর্বোধ্য। বিশেষ করে যখন ছবিটির উদ্দেশ্য সমাজকে জাগ্রত করা। ভয়াবহ ঘটনাটি কোটি কোটি ভারতীয়কে ভাবতে বাধ্য করেছিল, কীভাবে একটি সুস্থ গণতন্ত্রে ধর্মীয় ঘৃণা প্রতিরোধ করা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যারা আদালতে এই ছবির বিরোধিতা করছেন, তাঁদের উচিত কানাইয়া লালের পরিবারের যন্ত্রণা বোঝার চেষ্টা করা (Udaipur Files)।

    হতাশ কানাইয়া লালের ছেলে

    এদিকে, কানাইয়া লালের ছেলে ইয়শ হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “এই ছবিটি বন্ধ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে মাত্র তিন-চার দিন আগে। আর সেটা সঙ্গে সঙ্গেই শুনানি পেয়ে যাচ্ছে। অথচ আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চেয়ে যে আবেদন প্রায় তিন বছর আগে করেছিলাম, তার এখনও কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই মামলায় ১৫০টিরও বেশি সাক্ষী ছিল, যার মধ্যে ১৫-১৬ জন আজও আদালতে হাজিরই হয়নি। কোনও ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়নি। প্রচুর প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্তকেই শাস্তিও দেওয়া হয়নি।” তিনি বলেন, “যখন কেউ সত্যিটা সামনে আনার জন্য একটি সিনেমা বানায়, তখন পুরো ব্যবস্থাটাই যেন তার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে। জমিয়তে উলেমা-এ-হিন্দ বা মৌলানা মাদানির মতো সংগঠনগুলো ছবিটি নিষেধাজ্ঞার দাবি জানায় (Film)। আর তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটির মুক্তি পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কী দারুণ ব্যবস্থা!”

    জঙ্গিদের প্রতি এত দরদ কেন

    তিনি বলেন, “অথচ খুনিদের শাস্তি দিতে এত তৎপরতা কোথায়? এই প্রশ্ন আমাদের ব্যথিত করে। আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আজও বিচার হয়নি। যখন একটি সিনেমা দেশের মানুষকে সাম্প্রদায়িকতা ও জেহাদি মতাদর্শ সম্পর্কে সচেতন করতে চায়, তখন সেটাকে দমন করা হয়। কেন? এ কেমন মানসিকতা? যেসব জঙ্গি আমার বাবাকে খুন করার ষড়যন্ত্র করেছিল, তাদের সত্যটা আজ স্পষ্ট। তবুও কিছু সংগঠন যেন সেই দেশবিরোধী শক্তির পাশেই দাঁড়াচ্ছে।” তাঁর প্রশ্ন, “জঙ্গিদের প্রতি এত দরদ কেন (Udaipur Files)?”

  • Haridwar: মনসা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬

    Haridwar: মনসা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে আগে পুজো দেবেন, তা নিয়ে হুড়োহুড়ি। তার জেরে ঘটে গেল পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা। রবিবার সাত সকালের ওই ঘটনায় প্রাণ হারালেন অন্তত ৬ জন। জখমও হয়েছেন বেশ কিছু পুণ্যার্থী (Mansa Devi Temple)। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। হরিদ্বারের (Haridwar) মনসা মন্দিরের ওই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন গাড়োয়াল ডিভিশনাল কমিশনার বিনয়শঙ্কর পাণ্ডে। তিনি বলেন, “ঘটনায় কমপক্ষে ছ’জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।” উদ্ধারকারীরা মৃত ও আহতদের শনাক্ত করার পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।

    শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর (Haridwar)

    মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “হরিদ্বারের মনসা দেবী মন্দিরে পদপিষ্ট হওয়ার খবরটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এসডিআরএফ, স্থানীয় পুলিশ এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।” তিনি আরও লিখেছেন, “আমি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছি। আমি মাতারানির (মনসা দেবী) কাছে সকল ভক্তের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করছি।”

    পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি

    হরিদ্বারের ওই মনসা মন্দিরটি খুবই জাগ্রত বলে ভক্তদের বিশ্বাস। তাই প্রতিদিনই পুণ্যার্থীদের ভিড় হয় মন্দিরটিতে। আজ, রবিবার, ছুটির দিন হওয়ায় ব্যাপক ভিড় হয়েছিল মন্দিরে। মন্দিরটি পাহাড়ের কোলে। বেশ কয়েক ধাপ সিঁড়ি পার হয়ে পৌঁছতে হয় মন্দিরে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, আচমকাই ওই সিঁড়িতে পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। একে অন্যের ওপর পড়ে যান। তাঁদের টপকেই মন্দিরে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন অন্যরা (Haridwar)। তার পরেই ঘটে মৃত্যু এবং আহত হওয়ার ঘটনা।

    গাড়োয়াল বিভাগের কমিশনার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে চলে এসেছি। সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে উদ্ধার কাজে গতি আনার নির্দেশও দিয়েছি।” এদিকে, ঘটনার (Haridwar) বেশ কয়েকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একে একে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছচ্ছে ঘটনাস্থলে। আহতদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হচ্ছে হাসপাতালে। সূত্রের খবর, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক (Mansa Devi Temple)। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।

  • Rudra Bhairav: ‘অল-আর্মস ব্রিগেড’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জানালেন সেনা প্রধান

    Rudra Bhairav: ‘অল-আর্মস ব্রিগেড’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জানালেন সেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অল-আর্মস ব্রিগেড’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই ব্রিগেডের নাম হবে ‘রুদ্র’ (Rudra Bhairav)। এই ব্রিগেডে পদাতিক বাহিনী, যান্ত্রিক পদাতিক, সাঁজোয়া ইউনিট, আর্টিলারি, বিশেষ বাহিনী (Arms Brigades) এবং ড্রোন এক সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলে শনিবার ঘোষণা করেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। এদিন ছিল ২৬তম কারগিল বিজয় দিবস। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি ঘোষণা করেন এই খবর। সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন সেনাবাহিনীর দু’টি পদাতিক ব্রিগেড ইতিমধ্যেই ‘রুদ্র’ ব্রিগেডে রূপান্তরিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত লজিস্টিক সাপোর্ট এবং যুদ্ধ-সহায়তা দেওয়া হবে।

    সেনা প্রধানের বক্তব্য (Rudra Bhairav)

    সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বলেন, “আজকের ভারতীয় সেনাবাহিনী শুধু বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলির সফলভাবে মোকাবিলা করছে না, বরং এটি দ্রুতই একটি রূপান্তরকামী, আধুনিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ভর বাহিনী হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর আওতায় ‘রুদ্র’ নামক নতুন সর্বাঙ্গীণ ব্রিগেড গঠনের কাজ শুরু হয়েছে এবং আমি তা শনিবার অনুমোদন করেছি। এই ব্রিগেডে থাকবে পদাতিক বাহিনী, যান্ত্রিক পদাতিক, সাঁজোয়া ইউনিট, আর্টিলারি, বিশেষ বাহিনী এবং ড্রোন। সবই উপযুক্ত সরবরাহ ও যুদ্ধ সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যকর হবে।” তিনি জানান, সীমান্তে শত্রুর ওপর আঘাত হানতে চটপটে ও মরণঘাতী বিশেষ বাহিনী ‘ভৈরব’ লাইট কমান্ডো ব্যাটালিয়নও গঠন করা হয়েছে।

    সাজানো হচ্ছে বাহিনী

    তিনি বলেন, “প্রতিটি ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নে এখন ড্রোন প্লাটুন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর্টিলারির গোলাবারুদের শক্তিও বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ‘দিব্যাস্ত্র ব্যাটারি’ ও লয়টার মিউনিশন ব্যাটারির মাধ্যমে। আর্মি এয়ার ডিফেন্সে দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে আমাদের সামরিক শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।” তিনি বলেন, “ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সীমান্তজুড়ে (Rudra Bhairav) ক্রমাগত শত্রুতার পরিবেশের কারণে আর্মি এয়ার ডিফেন্সকে দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে আরও মারাত্মক রূপে সাজানো হচ্ছে। আমরা সীমান্তে নতুন রাস্তা ও পরিকাঠামো তৈরি করছি। পাশাপাশি যুদ্ধ, অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজমের উন্নয়নও করা হচ্ছে।” সেনা সর্বাধিনায়ক বলেন, “৬-৭ মে রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ন’টি জঙ্গিঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ওই হামলায় কোনও (Arms Brigades) নিরীহ নাগরিকের ক্ষতি করা হয়নি। এটি শুধু ভারতের একটি প্রতিক্রিয়া ছিল না, বরং একটি স্পষ্ট বার্তা – যারা সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় দেয়, তারা আর রেহাই পাবে না (Rudra Bhairav)।”

  • Aadhaar Card: আপনার আধার কার্ডটি জাল না আসল বুঝবেন কীভাবে?

    Aadhaar Card: আপনার আধার কার্ডটি জাল না আসল বুঝবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:ইউআইডিএআই অনুমোদিত আধার কার্ডের গুরুত্ব ও ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছে এ সংক্রান্ত জালিয়াতিও। তাই জাল আধার কার্ড (Aadhaar Card) ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে বড়সড় পদক্ষেপ করল মোদি সরকার (Modi Govt)। জেনে নিন কীভাবে চিনবেন জাল আধার কার্ড। এখন প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে কীভাবে জাল আধার কার্ড বানিয়ে উপভোক্তার নামে ব্যাংক থেকে ঋণ তুলে নেওয়া হচ্ছে। কিংবা অন্য কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপে আপনাকে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে ইউআইডিএআই (UIDAI) আধারে উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করেছে। এরই একটি হল আধার কার্ডে সুরক্ষিত কিউআর কোড।

    ইউআইডিএআইয়ের অফিসিয়াল কিউআর স্ক্যানার অ্যাপ ব্যবহার (Aadhaar Card)

    এখন থেকে ব্যবহারকারীরা ইউআইডিএআইয়ের অফিসিয়াল কিউআর স্ক্যানার অ্যাপ ব্যবহার করে এই কিউআর কোড স্ক্যান করতে পারেন এবং সঙ্গে সঙ্গই যাচাই করতে পারেন কার্ডধারীর নাম, জন্ম তারিখ এবং ছবি। যদি এই তথ্য মিলে না যায় বা কিউআর কোড না থাকে, তাহলে সেই আধার কার্ডটি জাল হওয়ার সম্ভাবনাই। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আধার ডেটাবেসের যথার্থতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ইউআইডিএআই ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছ থেকে ১.৫৫ কোটি মৃত ব্যক্তির নথিপত্র সংগ্রহ করেছে (Aadhaar Card)। তাঁদের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করতেই এটা করা হয়েছে।

    সরকারি বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে

    এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁর আধার নম্বরের অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করতে সংশ্লিষ্ট আধার নম্বরধারীকে মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মৃত্যু শংসাপত্র পাওয়ার পর মাই আধার পোর্টালে সেই মৃত্যুর তথ্য রিপোর্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কোনও আধার নম্বর কখনওই অন্য কোনও ব্যক্তিকে ফের দেওয়া হয় না। তাই (Modi Govt) কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে তাঁর আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত জরুরি যাতে পরিচয় চুরি বা অননুমোদিত ব্যবহার প্রতিরোধ করা যায় (Aadhaar Card)।

LinkedIn
Share