Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • WTO: চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ভারতকে চাপ দেওয়া যাবে না: পীযুষ গোয়েল

    WTO: চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ভারতকে চাপ দেওয়া যাবে না: পীযুষ গোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈঠকে কোনো বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ভারতকে চাপ দেওয়া যাবে না, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal )।  রবিবার জেনেভায় (Geneva ) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরুর আগে গোয়েল বলেন, “ভারত সবসময় দেশের কৃষক, শ্রমিক এবং দরিদ্র মানুষের পক্ষে থাকবে। সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।” এই বৈঠকে কোনও চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ভারতকে চাপ দেওয়া যাবে না পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যে ভারতকে কোনও বিষয়ে বাধ্য করতে পারে, বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীর কথায়, “আমরা দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াব, আমাদের কৃষকদের জন্য, তরুণদের জন্য, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা ভাল,তাই করা হবে।” তবে সারা বিশ্বের মানুষের ভালোর কথাও ভাবে ভারত। তাই সবসময় সকলের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকে দিল্লি।

    বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এখন বড় মাথা ব্যথা। সারা পৃথিবী করোনা মহামারী, খাদ্য ঘাটতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক সংঘাতের মতো একাধিক সংকটের মুখোমুখি। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভারত বিশ্ববাসীর পাশে রয়েছে। কিন্তু দেশের স্বার্থ সবার আগে বলে জানান শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী। 

    প্রায় ৫ বছর পর আবারও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)’র মন্ত্রী পর্যায়ের ১২তম বৈঠক শুরু হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বৈঠকটির উদ্বোধন করেন ডব্লিউটিও-র মহাসচিব এনগোজি আইওয়ালা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এই আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে বলে জানান তিনি। এনগোজি বলেন, “রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে যে দুর্ভিক্ষের অবস্থা তৈরি হয়েছে, তা থেকে বাঁচতে সবার এক হওয়া দরকার। মানুষকে বাঁচাতে হলে,  ছোট বড় সব দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।” বিশ্বে সংঘাত এড়াতে উন্নত দেশগুলোকে একগুঁয়েমি ত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি। 

    যুদ্ধ,মহামারী আর বাণিজ্যিক কৌশল নির্ধারণে সদস্য-দেশগুলোর মতপার্থক্য-এই তিন কারণে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডব্লিউটিওর সম্মেলনে বিষাদের ছায়া। প্রায় প্রতিবারই নিষ্ফল আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই বৈঠক। চার দিনের সম্মেলনের বাণিজ্য বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেবে ১৬৪ দেশের প্রতিনিধিরা। 

  • COVID-19: দেড় বছরের বেশি সময় ধরে করোনা আক্রান্ত, ৪৫ বার পজিটিভ, পারসিসটেন্স কোভিডে নয়া তথ্য

    COVID-19: দেড় বছরের বেশি সময় ধরে করোনা আক্রান্ত, ৪৫ বার পজিটিভ, পারসিসটেন্স কোভিডে নয়া তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ৫০৫ দিন ধরে করোনা আক্রান্ত ছিলেন লন্ডনের এক ব্যক্তি। ৪৫ বার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অবশেষে মারণ ব্যাধির কাছে জীবন যুদ্ধে হার মানতে হলেও কোভিড নিয়ে গবেষণার নতুন দিক খুলে দিয়েছেন ওই ব্যাক্তি। তবে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ইনিই একমাত্র করোনা আক্রান্ত রোগী কি না, তা এখনও জানাতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। 

    ‘দ্য গাইস অ্যান্ড সেন্ট থমাস এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’-এর ভাইরাল রোগ বিশেষজ্ঞ ড. লুক ব্ল্যাগডন স্নেল জানান, রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে ইনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি ৫০৫ দিন ধরে করোনা আক্রান্ত ছিলেন। অনেকেই বারবার একটানা করোনা পরীক্ষা করান না। ফলে রিপোর্টে সেভাবে ধরা পড়ে না। এখনও পর্যন্ত “লং কোভিড” সম্পর্কে অনেকেই অবগত। কিন্তু এই ধরনের রোগীরা পারসিসটেন্স কোভিড নিয়ে গবেষণায় নতুন তথ্য জোগাবেন বলে অভিমত চিকিৎসকদের। 

    লং কোভিড মানে, করোনামুক্ত হওয়ার পরেও রোগের উপসর্গ দীর্ঘদিন পর্যন্ত থেকে যায় শরীরে। অন্যদিকে পারসিসটেন্স কোভিডের অর্থ হল, ভাইরাস দীর্ঘদিন পর্যন্ত শরীরেই বাসা বেঁধে থাকে। মিউটেশনও হয়। বিশেষত অত্যন্ত কম ইমিউনিটি যাঁদের,তাঁদের পারসিসটেন্স কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যাঁদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করতে হয়েছে, এইচআইভি, ক্যানসার, এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। 

    টানা আট সপ্তাহ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত এমন ৯ জন রোগীর সন্ধান পেয়েছিলেন স্নেল এবং তাঁর দল। তাঁদের মধ্যে দু’জন এক বছরের বেশি সময় ধরে করোনা আক্রান্ত। এর মধ্যে পাঁচজন এখনও বেঁচে আছেন। চারজন মারা গেছেন। যে পাঁচজন বেঁচে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে চারজন এখন করোনা নেগেটিভ। তবে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আর একজন এখনও পজিটিভ। যিনি ৪১২ দিন ধরে করোনা আক্রান্ত।   

    স্নেল জানান, টানা ৫০৫ দিন ধরে আক্রান্ত থাকা লন্ডনের ওই ব্যাক্তি ২০২০ সালে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, সমস্ত অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ দেওয়ার পরেও ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় তাঁর মৃত্যু হয়। বারবার পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে ওই ব্যক্তির সংক্রমণ গড়ে ৭৩ দিন ধরে দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। তাঁর শরীরে করোনার প্রায় ১০ বার মিউটেশন ঘটে। তিনি আলফা, গামা, ওমিক্রন সবরকম ভ্যরিয়েন্টেই আক্রান্ত ছিলেন।

    গবেষকরা জানান, এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক রোগী টানা ৩৩৫ ধরে করোনা আক্রান্ত ছিলেন। তারপর তাঁর মৃত্যু হয়। সংক্রমণের এমন স্থায়িত্ব বিরল বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ বিরল হলেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ধরনের রোগীরা হয়তো করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতিকে জন্ম দিতে পারে। 

    করোনার ঝুঁকি নিয়ে জানা-অজানা তথ্যের পরিধি বাড়াতে এধরনের দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণের ওপর গবেষণা দরকার বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কিংস কলেজ লন্ডন এবং গাই’স অ্যান্ড সেন্ট থমাস’ এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের  বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, খুব শীঘ্রই পারসিসটেন্স কোভিডের চিকিৎসাও শুরু হবে।

     

  • Dunki: জুটি বাঁধলেন রাজকুমার-শাহরুখ! আগামী বছর ‘ডাঙ্কি’ রূপে আসছেন কিং খান, সঙ্গী তাপসী 

    Dunki: জুটি বাঁধলেন রাজকুমার-শাহরুখ! আগামী বছর ‘ডাঙ্কি’ রূপে আসছেন কিং খান, সঙ্গী তাপসী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঠানের পর নিজের পরবর্তী কাজ সম্পর্কে একটি মজাদার ভিডিও সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। ওই ভিডিওতে দেখা যায় যে, রাজকুমার হিরানির অফিসে ছবির খোঁজে হাজির হয়েছেন শাহরুখ। সেখানে গিয়ে দেখছেন থ্রি ইডিয়টস, মুন্নাভাই এমবিবিএস, পিকে, সঞ্জুর মতো একাধিক ছবির পোস্টার সাজানো। প্রতিটি ছবিই সেই অভিনেতার কেরিয়ারের অন্যতম মাইলস্টোন। পোস্টার দেখছেন শাহরুখ আর ভাবছেন কবে সেখানে তাঁর ছবির পোস্টার লাগবে। এমন সময় হাজির স্বয়ং পরিচালক রাজকুমার হিরানি। তখন সরাসরি তাঁকে আর্জি জানান কিং খান। তিনি বলেন যে, কবে তাঁকে কাস্ট করবেন পরিচালক? উত্তরে রাজকুমার হিরানি জানান যে তাঁর কাছে একটি চিত্রনাট্য আছে যেখানে কমেডি আছে, ইমোশন আছে, রোম্যান্স আছে। জেনে খুশি হয়ে যান শাহরুখ। কিন্তু সেখানে শাহরুখ তাঁর সিগনেচার স্টাইল ব্যবহার করতে পারবেন না শুনে একটু মুষড়ে পড়েন অভিনেতা, কিন্তু পরিচালককে নিশ্চিত করেন যে তিনি অন্য স্টাইলেই অভিনয় করবেন। পরিচালককে ছবির নাম জিজ্ঞেস করতেই মন ভেঙে যায় শাহরুখের। ছবির নাম ‘ডাঙ্কি’। ডাঙ্কি নামটা শুনেই হতবাক। এবার কি তাঁকে গাধার চরিত্রে অভিনয় করতে হবে। সরাসরি পরিচালককে জিজ্ঞেস করেন ডাঙ্কি। তখন পরিচালক তাঁকে বলেন যে, তাঁর ছবির নাম ডাঙ্কি। ছবির নাম জেনে মন ভেঙে গেলেও এই ছবির জন্য রাজি হয়ে যান শাহরুখ। মজাদার এই ভিডিওতেই জানা যায় যে আগামী বছর ২২শে ডিসেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি। ছবির ঘোষণা করে শাহরুখ লেখেন, ‘স্যার আপনি তো আমার সান্তাক্লজ। আপনি শ্যুটিং শুরু করুন আমি ঠিক সময়ে সেটে পৌঁছে যাব। আমি সেটেই থাকতে শুরু করে দেব। আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত। ‘

    [tw]


    [/tw]
    এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজকুমার হিরানি লেখেন, “প্রিয় শাহরুখ, অবশেষে তোমার সাথে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। তোমার সাথে ডাঙ্কিতে কাজ করতে পারে আমি খুবই আনন্দিত ও উচ্ছসিত।” 
    এই ছবিতে শাহরুখের বিপরীতে রয়েছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। নতুন ছবির নাম ঘোষণার পর থেকে খুশির জোয়ারে ভাসছেন বলি অভিনেত্রী। শাহরুখ খানের ‘ওম শান্তি ওম’ ছবি থেকে আইকনিক ‘কায়নাত’ সংলাপ টুইট করে তাপসী লিখেছেন, ‘হ্যাঁ এখনও পর্যন্ত এটি করা কঠিন, এবং এটি কঠিন যখন আপনি নিজের চেষ্টায় সবকিছু করেন। শাহরুখ খানের প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট এই ছবির প্রযোজনা করবে। 

  • Delhi Covid Update: বাড়ছে সংক্রমণ, তবে স্কুল বন্ধে আপত্তি শিক্ষক, অভিভাবকদের

    Delhi Covid Update: বাড়ছে সংক্রমণ, তবে স্কুল বন্ধে আপত্তি শিক্ষক, অভিভাবকদের

    Covid Surge in Delhi: রাজধানী দিল্লিতে নতুন করে করোনা (Covid-19) সংক্রমণ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পুনরায় স্কুল বন্ধ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে দিল্লির ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia) বলেন, “স্কুল বন্ধ একেবারে শেষ ধাপ। তার আগে আমাদের সতর্ক হতে হবে।” এ নিয়ে শিক্ষা দফতর একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে। 

    তাতে বলা হয়, পড়ুয়া, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং স্কুলে আসা অন্যদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। সম্ভাব্য শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে। নিয়মিত হাত ধোয়া এবং স্যানিটাইজ করা করোনা ঠেকানোর একমাত্র পথ। স্কুলে আসা সমস্ত পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে অশিক্ষক ও সহকারী কর্মী এবং অভিভাবকদের মধ্যে কোভিড সংক্রমণ নিয়ে সচেতনতা প্রচার করতে হবে। যদি কোনও কোভিড সংক্রমণ স্কুলে ধরা পড়ে তাহলে অবিলম্বে তা শিক্ষা দফতরকে জানাবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

    সিসোদিয়া আরও জানান, যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় তাহলে কিছু কিছু জায়গায় স্কুল বন্ধ করা হতে পারে। তবে স্কুল বন্ধের পক্ষে একেবারেই সায় নেই শিক্ষক- শিক্ষিকা অভিভাবকদের। সবে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হয়ে নতুন বছরে থেকে স্কুল খুলেছে। এ অবস্থায় আবার স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তার চেয়ে কোভিডকে নিয়েই চলতে হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। স্কুল বন্ধ না করে কোভিড মোকাবিলার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ইতিমধ্যেই অনেক স্কুল তাঁদের গেমস ক্লাস বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে না বাচ্চারা এক সঙ্গে জোট বাঁধতে পারে। বন্ধ করা হয়েছে ক্যান্টিনও। অনেক স্কুল তাঁদের মর্নিং অ্যাসেম্বলি ক্লাসরুমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছে। স্কুলের ভিতরে অভিভাবকদের জমায়েতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফের মাস্ক পরাকেও বাধ্যতামূলক করার ভাবনাচিন্তা করছে দিল্লি সরকার। এক সময়ে মাস্ক না পরলে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হত। সংক্রমণ কমার ফলে সেই জরিমানা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আবার তা চালু করার কথা ভাবছে প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, ১ এপ্রিল থেকে দিল্লিতে মাস্ক পরার উপর বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল প্রশাসন। শুধুমাত্র বড় জমায়েতের ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। কিন্তু ফের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মাস্ক বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে প্রশাসন। এই বিষয়টি নিয়ে আগামী সপ্তাহে একটি বৈঠক করতে পারে প্রশাসন। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন দিল্লি স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক। তিনি বলেন,”দিল্লির অধিকাংশ বাসিন্দা দু’টি টিকা পেয়ে গেলেও নিজের এবং অন্যের নিরাপত্তার খাতিরে মাস্ক পরা জরুরি।”

     

  • NASA Largest Comet: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর হদিশ দিল নাসা, এগোচ্ছে পৃথিবীর দিকে?

    NASA Largest Comet: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর হদিশ দিল নাসা, এগোচ্ছে পৃথিবীর দিকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর (Comet) সন্ধান দিল নাসার (NASA) হাবল টেলিস্কোপ (Hubble telescope)।  এতদিন পর্যন্ত আবিষ্কার হওয়া ধূমকেতুগুলির মধ্যে এর দৈর্ঘ্য সর্বাধিক। যা শুনলে চমকে উঠবে যে কেউ। 

    এই ধূমকেতুর দৈর্ঘ্য সম্পর্কে এতদিন যা ধারণা ছিল,তা ভেঙে গিয়েছে। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। এর নাম C/2014 UN271। সাধারণ ধূমকেতুর যে দৈর্ঘ্য, তার থেকে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ গুণ বেশি! আমেরিকার দ্বীপ রোদে আইল্যান্ডের থেকেও বড় এটি। প্রায় ৩৫ হাজার কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে সেটিকে ছুটে আসতে দেখা গিয়েছে সৌরজগতের সীমানার দিকে।
    কেবল দৈর্ঘ্য় নয়, ধূমকেতুটির ভরও চমকে দেওয়ার মতো। এর ভর প্রায় ৫০০ লক্ষ কোটি টন। এটিও এতদিন আবিষ্কৃত ধূমকেতুদের থেকে বহু গুণ বেশি। স্বাভাবিক ভাবেই এমন অতিকায় ধূমকেতুকে দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিল C/2002 VQ94 নামের এক ধূমকেতু। সেটিই ছিল এতদিন পর্যন্ত চেনা ধূমকেতুদের মধ্যে সবথেকে দীর্ঘ। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। 

    এই ধূমকেতুটিকে প্রথমবার দেখা গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই সময় সূর্যের থেকে এর দূরত্ব ছিল ৩০০ কোটি মাইল। তবে সেবার কেবল একে দেখা গেলেও এর অস্তিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত খবর পাওয়া গেল প্রথম বার। আশ্চর্য এই ধূমকেতুকে নিয়ে মহাকাশপ্রেমীদের কৌতূহলের শেষ নেই। 

    নাসা জানাচ্ছে, ২০৩১ সালে সেটি পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসবে। তাহলে কি ওই অতিকায় ধূমকেতুর সঙ্গে সংঘর্ষ হতে চলেছে আমাদের পৃথিবীর। এবিষয়ে অবশ্য আশ্বস্ত করছে নাসা। জানা গিয়েছে, আমাদের নীল গ্রহের কাছে এলেও ধূমকেতুটি তার থেকে অনেক দূর দিয়েই চলে যাবে। তাই কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে রাতের আকাশের দিকে চোখ রেখে যে চমকে উঠবেন মহাকাশপ্রেমীরা, তাতে সন্দেহ নেই।

     

  • IIT Kharagpur:ভারত-সেরা বাংলার খড়গপুর আইআইটি জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে, পিছিয়ে নেই যাদবপুরও

    IIT Kharagpur:ভারত-সেরা বাংলার খড়গপুর আইআইটি জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে, পিছিয়ে নেই যাদবপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে। বিশ্বের দরবারে ফের জায়গা করে নিল খড়গপুর আইআইটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। খড়গপুর আইআইটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান পেয়েছে। সম্প্রতি ৫০০ সেরা প্রযুক্তিগত শিক্ষাক্ষেত্রের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেই তালিকায় উপরের দিকেই স্থান পেয়েছে বাংলার এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় গোটা দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য সরকার পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় যা বিশ্বসেরার তালিকায় স্থান পেয়েছে।
    খড়গপুর আইআইটি ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে বিশ্বের ১০১ নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সেরা ৫০০-র মধ্যে ১০১ নম্বরে থাকা বিরাট সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। আর যাদবপুরও খুব বেশি পিছিয়ে নেই। কলা ও হিউম্যানিটসের বিচারে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা ৫০০-র মধ্যে একটি। একমাত্র রাজ্য পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়।
    কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ব়্যাঙ্কিংয়ের হিসাবে পঠন-পাঠন বিষয় অনুযায়ী খড়গপুর আইআইটি দেশের শ্রেষ্ঠ তিন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে একটি। ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজির নিরিখে দেশের তিনটি শ্রেষ্ঠ কলেজের মধ্যে একটি হল খড়গপুর আইআইটি। আর আর্টস ও হিউম্যানিটিসের বিচারে দেশের সেরা পাঁচে রয়েছে বাংলার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
    খড়গপুর আইআইটি ১৯টি বিষয়ে বিশ্বের সেরা ১০০-র মধ্যে নিজের স্থান করে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মিনারেল অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং। এই বিভাগে খড়গপুর আইআইটির ব়্যাঙ্কিং ৩৭। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগে খড়গপুর আইআইটির ব়্যাঙ্কিং ছিল ৯০। এখন তারা উঠেছে এসেছে ৮০-তে।
    খড়গপুর আইআইটি বড় চমক দিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বহু বিভাগেই সেরা। এগ্রিকালচাল ও ফরেস্টিতে খড়গপুর আইআইটি-র স্থান এক নম্বরে। শুধু এগ্রিকালচাল ও ফরেস্টিই নয়, স্ট্যাটিস্টিক্স ও অপারেশনাল রিসার্চেও খড়গপুর আইআইটি প্রথম স্থান অর্জন করে রয়েছে দেশের বুকে। মিনারেল ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। পরিবেশবিদ্যাতেও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে খড়গপুর আইআইটি।

  • Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় (Sukanya Samriddhi Yojana) বিনিয়োগ করা সবচেয়ে ভাল বিকল্প মনে করা হয় ৷ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা,বিয়ে ইত্যাদির জন্য এই যোজনায় ইনভেস্ট করে বড় টাকার ফান্ড জমিয়ে ফেলতে পারেন ৷ এই যোজনায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে যুক্ত করার তাগিদে মোদি সরকারের তরফে বেশ কিছু বদল করা হয়েছে ৷
    এই যোজনায় আপনার মেয়ে ২১ বছর হতেই লক্ষপতি হতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই নতুন যে বদলগুলি করা হয়েছে সেগুলি জেনে নিন ৷

    কী কী বদল করা হয়েছে –

    ১. সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় ইনভেস্ট করা বাবা-মায়েরা প্রথম দুই মেয়ের ক্ষেত্রে কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন ৷ এবার এতে বদল করে জানানো হয়েছে যে তৃতীয় মেয়ের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে ৷
    ২. আগের নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছর হতেই মেয়েরা তাদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারত ৷ তবে এবার ১৮ বছরের বয়স হওয়ার পরই এই সুবিধা মিলবে ৷ মেয়ের ১৮ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত বাবা-মা বা অভিভাবকেরা অ্যাকাউন্ট অপারেট করতে পারবেন ৷
    ৩. আগের নিয়ম অনুযায়ী, কমপক্ষে ২৫০ টাকা প্রতি বছর এই অ্যাকাউন্টে জমা না করলে অ্যাকাউন্ট ডিফল্ট হয়ে যাবে ৷ কিন্তু এখন আর তা হবে না ৷ ম্যাচিউরিটি পর্যন্ত যত টাকা জমা থাকবে তার উপরেই সুদ দেওয়া হবে ৷
    ৪. ম্যাচিউরিটির আগে মেয়ের মৃত্যু হলে বা ঠিকানা বদলালে এই যোজনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে ৷ অভিভাবকের মৃত্যুর ক্ষেত্রেও অ্যাকাউন্ট আগে বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে ৷
    সুকন্য সমৃদ্ধি যোজনায় এখন পর্যন্ত ৭.৬ শতাংশ বার্ষিক সুদ পাওয়া যায় ৷ পোস্ট অফিস বা ব্যাঙ্কে গিয়ে এই যোজনায় অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগকারীরা বছরে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় পেয়ে থাকেন ৷

  • Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনার চতুর্থ ঢেউ (Covid 4th Wave) কী এসে গেল? ঘুরছে প্রশ্ন। 
    দীর্ঘ দু’বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর সবে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলেই মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা। কিন্তু স্কুল খোলা থাকলে কী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে না? ইতিউতি ঘুরছে সেই প্রশ্নও। 

    তবে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়লেও এখনই শিশুদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুল খোলা থাকলেই চতুর্থ ঢেউয়ে করোনা এসে বেছে বেছে শিশুদের আক্রমণ করবে, এমন ভাবনার কোনও বিজ্ঞান-ভিত্তি নেই। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন AIIMS -এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া (Randeep Guleria)।  তবে সতর্কতায় যাতে একচুল খামতি না-থাকে, সে কথাও পইপই করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, মিউটেশনের ফলে করোনা কী রূপ নেবে, সে সম্পর্কে এখনও তেমন ধারণা নেই কারও। অতএব, শিশুদের উপরে তা কতটা কামড় বসাবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলা অসম্ভব।  AIIMS-র ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, “আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতে শিশুরা সঙ্কটজনক ভাবে সংক্রামিত হবে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই যেখানে বলা হচ্ছে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হবে। আগের তিনবার দেখা গিয়েছে, শিশুরা সংক্রামিত হলেও তারা খুব একটা অসুস্থ হয়ে পড়েনি। সাধারণ সর্দি-কাশি জ্বরের মতোই উপসর্গ থাকবে তাদের। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতোই কিছু ওষুধ এবং প্রচুর পরিমাণে জল বা ফলের রস খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে তারা। পৃথিবীর যে সব প্রান্তে নতুন করে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেখানেও শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সেভাবে দেখা যায়নি।”

    তবে শিশুদের যদি কো-মর্বিডিটি থাকে, তা হলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিন্তার কিছুটা কারণ থাকতে পারে। গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে শিশুরা কোভিড-আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ৬০-৭০ শতাংশেরই কো-মর্বিডিটি (co-morbidity) রয়েছে। তাই অকারণে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এর সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, শিশুদের টিকা (child vaccination) হয়নি, এটা অবশ্যই একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা সতর্ক থাকুন। যে সব বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় এসেছে তাদের টিকাকরণ জরুরি।  

  • Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘অটল পেনশন যোজনা’ চালু করা হয়।
    বার্ধক্যকালীন রোজগার বা অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের অবসরকালীন অবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে ভারত সরকার বরাবরই উদ্বিগ্ন। সেই কারণে বার বার বাজেটে উঠে এসেছে একাধিক প্রকল্পের কথা। যে প্রকল্পগুলি অবসরকালীন অবস্থায় দেশের নাগরিকদের আর্থিক দিক থেকে নিরাপত্তা প্রদান করতে পারবে। এই লক্ষ্যেই সব ভারতীয়, বিশেষ করে অসংগঠিত ক্ষেত্রের নাগরিকদের বীমা এবং পেনশনের দিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে তৎকালীন সরকার ‘অটল পেনশন যোজনা’ সংক্ষেপে এপিওয়াই (APY) চালু করার কথা ঘোষণা করে।
    এই পেনশন প্রকল্পটি ২০১৫ সালে আগের ‘স্বাবলম্বন’ প্রকল্পের বদলে চালু করা হয়। মাসিক অবদানের ভিত্তিতে অর্থ জমা দিলে কোনও নাগরিক ৬০ বছর বয়সে পৌঁছনোর পরে তাঁকে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয় এই প্রকল্প। বলা যেতে পারে, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘এপিওয়াই’ যোজনা চালু করা হয়। অটল পেনশন যোজনা পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (পিএফআরডিএ) দ্বারা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত।

  • Embolism after covid: করোনা সেরে যাওয়ার ছয় মাস পরেও রক্ত জমাট বাঁধত পারে , গবেষণায় মিলল প্রমাণ 

    Embolism after covid: করোনা সেরে যাওয়ার ছয় মাস পরেও রক্ত জমাট বাঁধত পারে , গবেষণায় মিলল প্রমাণ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড-১৯ একটি জটিল রোগ। কখনও এই রোগের সংক্রমণে তেমন কোনও উপসর্গই থাকে না। আবার কখনও এটি মানুষকে টেনে নিয়ে যায় মৃত্যুর দোরগোড়ায়। একের পর এক রূপ পরিবর্তন করে গত তিন বছর ধরে ঝড়ো ব্যাটিং করে চলেছে কোভিড-১৯। সেরে গেলেও কোভিড পরবর্তী সময়ে মানবশরীরে নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। কোভিড-১৯-এর একটি অন্যতম জটিলতা হলো এটি শরীরের রক্তনালিতে বহমান রক্ত জমাট বাঁধাতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ক্লটিং(clotting) বা এম্বোলিজম(embolism)। আর তখনই শরীরে জটিলতার সূত্রপাত।
     ফুসফুসের পালমোনারি ধমনিতে ক্লট বা রক্ত জমাট বাঁধলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভয়ানক শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। আবার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালিতে ক্লট হলে হার্ট অ্যাটাক (heart attack)হতে পারে। মস্তিষ্কের রক্তনালি আটকে হতে পারে স্ট্রোক। এ ছাড়া অন্ত্রনালি, কিডনি, হাত-পা এসব অঙ্গেরও রক্তনালি আটকে সমস্যা তৈরি হয়। 
    কেন করোনাভাইরাস এভাবে রক্ত জমাট বাঁধিয়ে রক্তনালি আটকে দেয়—এ নিয়ে গবেষণা চলছে। সম্প্রতি, সুইডেনের (sweden)উমেয়া 
    বিশ্ববিদ্যালয়ের (University)গবেষকরা জানিয়েছেন করোনা থেকে সেরে ওঠার ছয় মাস পরেও এর প্রভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস বা পায়ের পেশিতে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে করোনা নেগেটিভ হওয়ার তিনমাস পরেও। আর ফুসফুসে রক্ত জমাট (pulmonary embolism)হতে পারে ছয় মাস পর্যন্ত।
    দেখা গিয়েছে ভাইরাসের প্রভাবে ছোট ছোট রক্তনালি বা কৌশিক জালিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা যখন উদ্দীপ্ত হয় তখন এমন কিছু উপাদান তৈরি হয় যা রক্ত জমাট বাঁধতে ইন্ধন জোগায়। ভাইরাস শরীর ত্যাগ করলেও এর প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী।
    রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি সবার সমান নয়। কারও কারও ঝুঁকি অনেক বেশি। বিশেষত যাঁরা বয়স্ক, ওজন বেশি, ডায়াবেটিস, কিডনি বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত তাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেশি হয়।
    তাই করোনা পরবর্তী সময়ে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে কী করণীয়, তা জেনে রাখা ভাল:
    ১) নিজেকে সচল রাখা। দীর্ঘ সময় শুয়ে-বসে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। সে জন্য কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেও নিজেকে হালকা কাজের মধ্য রাখা জরুরি। হালকা ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপি করে পায়ের রক্ত জমাট বাঁধা আটকানো যায়।
    ২ ) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। শরীরের ওজন বেড়ে গেলে সমস্যাও বেড়ে যায়। প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করুন।
    ৩) চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে রক্ত জমাট বাঁধায় সহায়ক কোনও ওষুধ এসময় না খাওয়া ভাল। বিশেষত জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ইত্যাদি।
    ৪) পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। ফলের রস, ডাবের জল, দইয়ের ঘোল খেতে পারেন। ৫) চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে রক্ত পরীক্ষা করান। রক্ত পরীক্ষা (blood test)করে ঝুঁকি নির্ণয় করা যায়। রক্তে ডি-ডাইমার নামক একটি উপাদান বেড়ে গেলে বুঝতে হবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া উদ্দীপ্ত হচ্ছে। এমনটি হলে চিকিৎসকের কথামতো রক্ত পাতলা করার (blood thiner) ওষুধ শুরু করতে হবে। 

LinkedIn
Share