Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Mariupol mass grave: মারিউপোলের কাছে তৃতীয় গণকবরের সন্ধান মিলল স্যাটেলাইট চিত্রে 

    Mariupol mass grave: মারিউপোলের কাছে তৃতীয় গণকবরের সন্ধান মিলল স্যাটেলাইট চিত্রে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়হিম করা দাবি করল ইউক্রেন (Ukraine)। তাদের দাবি, মারিউপোলের (Mariupol) কাছে তৃতীয় গণকবরের সন্ধান পেয়েছে তারা। স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে স্টারিয়া ক্রিমে ২০০ মিটার লম্বা একটি গর্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ওখানে বহু মানুষকে কবর দেওয়া হয়েছে বলে অনুমান। সেখানকার সাধারণ মানুষকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই গণকবর দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রুশ সেনা, এমনই দাবি। 

    এর আগে মারিউপোলের পশ্চিমে মানহুশ গ্রামে একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। ৩ হাজার থেকে ৯ হাজার মানুষকে গণকবর (Mass Grave) দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মারিউপোল পুরোপুরি রাশিয়ান সেনাদের (Russian Army) দখলে রয়েছে। আর মানহুশ গ্রামটি মূল শহর থেকে মাত্র ২০ কিমি দূরে অবস্থিত। স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করে মারিউপোল সিটি কাউন্সিল (Mariupol City Council) একটি সোশাল মিডিয়া পোস্টে বলেছে যে “মানহুশের গণকবরের আকার বুচার চেয়ে ২০ গুণ বেশি। রাশিয়ানরা মারিউপোলে নতুন গর্ত খনন করে মৃতদেহ চাপা দিয়েছে।” মারিউপোল সিটি কাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধরনের কবরে মৃতদেহ একটির উপর আরেকটি রাখা হয়।

     সম্প্রতি, প্ল্যানেট ল্যাবস-এর সরবরাহ করা অপর একটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে সিটি কাউন্সিল। এতে ভিনোরাডন গ্রামে আর একটি গণকবর রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটি মারিউপোল শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত। ওই কবরে অন্তত ১ হাজার মানুষের লাশ থাকতে পারে  বলে অনুমান।

    এক বিবৃতিতে, মারিউপোলের মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেছেন, “মারিউপোলে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুতর যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে।” তাঁর দাবি, মারিউপোলে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর হাতে নিহত অসামরিক লোকের সংখ্যা ২২ হাজার। সিটি কাউন্সিলের মতে, রাশিয়ান সেনারা মানহুশে বেশ কয়েকটি গণকবর খনন করেছে এবং মৃতদেহ ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে কবর দিয়েছে। 

    এর আগে ইউক্রেনের আরেক শহর বুচায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। বুচায় কয়েকটি গণকবর থেকে বহু মানুষের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। রাস্তাতেও বহু মানুষের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। 

  • UGC Update: সেরা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শীঘ্রই যৌথ ডিগ্রি প্রদান ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের : ইউজিসি চেয়ারম্যান

    UGC Update: সেরা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শীঘ্রই যৌথ ডিগ্রি প্রদান ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের : ইউজিসি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষায় (Higher Education) এবার আরও দরজা খুলে যাচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। খুব শীঘ্রই দেশের মাটিতে গড়ে উঠবে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। তার জন্য বিশেষ একটি প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। দেশের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সদস্যদের নিয়ে ওই প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এটা এই কর্মসূচীর প্রথম ধাপ। এছাড়াও বিভিন্ন কোর্সে যৌথভাবে ডিগ্রি (Degree) প্রদান করতে পারে ভারত ও বিদেশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর অনুমোদনের ভিত্তিতে একসঙ্গে কোনও প্রোগ্রামের সুবিধা দিতেও পারে। এমনই জানালেন ইউজিসি-র চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। মঙ্গলবার উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রকের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ভারতের উচ্চ শিক্ষার মান বিশ্বমানের করার জন্য এক অন্যতম পদক্ষেপ নিল ইউজিসি। বহু শিক্ষার্থী আছেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে চান, সে ক্ষেত্রে এবার নিজের দেশের মধ্যেই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে ইউজিসি । এই সংক্রান্ত বিধিমালা ইতিমধ্যেই অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভারতে থাকতে পারবেন কিন্তু পড়াশোনা করতে পারবেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। আসলেই ইউজিসি বিশ্বের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দেশের যে কোনো শীর্ষ বিদ্যালায়ের যৌথ কোর্স চালু করতে চলেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি আলোচনা চলাকালীন ইউজিসির সভাপতি এম জগদেশ কুমার এই নিয়মের অনুমোদনের কথা জানান। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন নতুন শিক্ষানীতিতেও এই সুপারিশ করা হয়েছে।

    এরপর এক সাংবাদিক বৈঠকে এম জগদীশ কুমার বলেন, “ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রিডিয়েশন কাউন্সিল অনুমোদিত যে কোনও ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা ন্যূনতম ৩.০১ স্কোর করেছে বা  সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটেগরিতে রয়েছে অথবা ইনস্টিটিউট অফ এমিনেন্স পর্যায়ে রয়েছে, তারা টাইমস হায়ার এডুকেশন বা QS World University-র সেরা 500 বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্বন্বয় স্থাপন করতে পারে। ইউজিসি-র কাছ থেকে আগাম কোনও অনুমোদন ছাড়াই। এই প্রোগ্রামে ছাত্রদের বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ শতাংশের বেশি নম্বর পেতে হবে।”

  • Sidharth-Kiara Break-up: সবার সঙ্গেই মিশে থাকতে চান, ভুলতে চান না কাউকেই জানালেন কিয়ারা

    Sidharth-Kiara Break-up: সবার সঙ্গেই মিশে থাকতে চান, ভুলতে চান না কাউকেই জানালেন কিয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমে পড়ার সময় তাঁরা শিরোনামে ছিলেন৷ এ বার প্রেম ভেঙে যাওয়ার গুঞ্জনেও ফের চর্চিত সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আডবাণী৷ ‘শেরশাহ’ ছবি থেকেই তাঁরা দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন। ভক্তরা  সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ে দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন৷ পর্দায় ছবি হিট৷ বাইরে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন সুপারহিট৷ তাঁদের অনস্ক্রিন রসায়ন দারুণ পছন্দের ছিল দর্শকদের৷ তবে শোনা যাচ্ছে, প্রেম এখন অতীত৷ সম্পর্ক ছেড়ে নাকি বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা৷ যদিও এ বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি এই জুটি। কিয়ারার আগামী ছবি ভুল ভুলাইয়া-২ এর ট্রেলর লঞ্চের সেটে বরং অভিনেত্রী জানিয়েছেন তিনি কাউকে ভুলে যেতে চান না। তাঁর জীবনে সবাই এক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। তাই কাউকে ভোলার প্রশ্নই নেই।

    প্রেমের কথাও যেমন কখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি কিয়ারা-সিদ্ধার্থ, তেমনই গুঞ্জরিত বিচ্ছেদ নিয়েও তাঁদের মুখে কুলুপ। সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য তাঁরা আগের মতোই সপ্রতিভ৷  নিজেদের মতো করে সোশ্যাল সাইটে ছবি দিচ্ছেন, কমেন্ট করছেন দু’জনে।

    কাজের সূত্রে সিদ্ধার্থ এখন তুরস্কে৷ প্রেমের কথা স্বীকার না করলেও তিনি যে কিয়ারার ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ, সে কথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ৷  তিনি বলেছেন, কিয়ারার মধ্যে যে নায়িকাসুলভ আচরণ নেই, সেটা তিনি পছন্দ করেন৷  প্রশংসা করেন তাঁর অভিনয়েরও৷  কাজের দিকে সিদ্ধার্থর হাতে এখন আগামীতে বেশ কয়েকটি ছবি আছে৷ ‘কিটি মিশন মজনু’, ‘যোদ্ধা’-সহ বেশ কিছু ছবিতে তাঁকে দেখা যাবে৷ অন্যদিকে কিয়ারা অভিনয় করছেন ‘ভুলভুলাইয়া২’, ‘গোবিন্দা নাম মেরা’ এবং ‘যুগ যুগ জীয়ো’-তে৷

    শ্যুটিং ফ্লোরে ব্যস্ত এই জুটি কোনওদিন সম্পর্কের কথা স্বীকার না করলেও একসঙ্গে মলদ্বীপ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ছুটি কাটাতে গিয়েছেন৷ একাধিক অনুষ্ঠানেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে৷ 

     

  • iPhone 13: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-য় গুরুত্ব, ভারতেই ‘আইফোন ১৩’ তৈরি করবে অ্যাপেল

    iPhone 13: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-য় গুরুত্ব, ভারতেই ‘আইফোন ১৩’ তৈরি করবে অ্যাপেল

    iPhone 13: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে এবং ভারতীয় গ্রাহকদের কথা ভেবে এবার এদেশেই তৈরি হবে আই-ফোন (Apple iPhone)। ইতিমধ্যেই চেন্নাই প্ল্যান্টে আইফোন ১৩ (iPhone 13) তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। 

    চেন্নাইয়ের কাছে ফক্সকন (Foxconn) প্ল্যান্ট থেকেই ওই ফোন তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোনের বাজারে আরও ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারার লক্ষ্যেই অ্যাপলের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এবিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়ে অ্যাপলের তরফে জানানো হয়েছে, “স্থানীয় কাস্টমারদের জন্য আমরা ভারতেই তৈরি করছি  আইফোন ১৩ (Apple iPhone 13)।  সুন্দর ডিজাইন, অ্যাডভান্সড ক্যামেরা A15 Bionic chipset এই ফোনের ইউএসপি বা মূল আকর্ষণ।

    শুধু  আইফোন ১৩ নয়, অ্যাপলের প্রতিটি ভালো মডেল এবার স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে। অ্যাপলের তরফে ফোন তৈরির জন্য ফক্সকন এবং উইস্ট্রন নামে দুটি সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে। পেগাট্রন নামে আরও একটি সংস্থাও রয়েছে।  যদিও এই সংস্থাটি এখনও স্থানীয়ভাবে আই ফোন তৈরি শুরু করেনি। তবে খুব শীঘ্রই পেগাট্রন (Pegatron) ভারতে আই ফোন তৈরি করা শুরু করবে বলে জানা গেছে। তবে তৃতীয় সংস্থাটি প্রথমে আইফোন ১৩ তৈরি করবে না। প্রাথমিককভাবে তারা আইফোন ১২ তৈরি করবে।
     
    ২০১৭ সাল থেকেই ভারতে আইফোন তৈরি করছে অ্যাপল। সে সময় আইফোন এসই (iPhone SE) তৈরি করত তারা। কিন্তু নতুন এই তিনটি সংস্থার মাধ্যমে আইফোন ১১, ১২, ১৩ — এই তিনটি মডেল স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত আইফোনের কোনও প্রো-মডেল স্থানীয়ভাবে ভারতে তৈরি করা হয় না। পরবর্তী সময় তা ভারতে তৈরি করা যায় কি না বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে অ্যাপল।

    দেশে আই ফোনের নতুন মডেলগুলি তৈরি হলে তা খুব সহজেই এখানকার বাজারে পাওয়া যাবে। আগে কোনও মডেল লঞ্চ হওয়ার পর সেটি ভারতের বাজারে আসতে সময় লাগতে আট থেকে ন’মাস। কিন্তু স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়ার ফলে তা খুব শীঘ্রই ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

  • JNU clash: ‘যজ্ঞে বাধা দেওয়াতেই সংঘর্ষ’, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের দাবি উড়িয়ে জানাল জেএনইউ কর্তৃপক্ষ

    JNU clash: ‘যজ্ঞে বাধা দেওয়াতেই সংঘর্ষ’, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের দাবি উড়িয়ে জানাল জেএনইউ কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) দিন জেএনইউয়ে (JNU) দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অশান্তির ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গেরুয়া ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে বাম ছাত্র সংগঠনের আনা আমিষ খাবারে বাধা দেওয়ার তত্ত্ব খারিজ করে কর্তৃপক্ষের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, আমিষ নয়, যজ্ঞে বাধা দেওয়াতেই ঘটনার সূত্রপাত।

    বাম ছাত্র সংগঠের অভিযোগ ছিল, ক্যাম্পাসের ভিতর পড়ুয়াদের আমিষ খাওয়ার উপর ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) ছাত্র সংগঠন শাখা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। তার জেরেই বাকি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। 

    সেই ঘটনার প্রায় ২৪-ঘণ্টা পর কর্তৃপক্ষের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই কাবেরী ছাত্রাবাসের ভিতর যজ্ঞের আয়োজন করেছিল এবিভিপি। তাতে বাধাদেয় বামপন্থীরা। আর তার জেরেই নাকি ছড়ায় অশান্তি! যদিও কর্তৃপক্ষের এই দাবি মানতে নারাজ বামপন্থীরা (NSUI)।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রার রবিকেশ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে খাদ্যাভাস নিয়ে কোনও বিধিনিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ নেই। এখানে যাঁর ইচ্ছা হবে, তিনিই আমিষ খাবার খেতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রামনবমীর ঘটনা প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, “১০ এপ্রিলে জেএনইউ ক্য়াম্পাসের ভিতর পড়ুয়াদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রামনবমী উপলক্ষ্যে ক্য়াম্পাসের ভিতরেই কাবেরী ছাত্রাবাসে একটি যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। কিছু পড়ুয়া তাতে বাধা দেয়। তবে ওয়ার্ডেন এবং ডিনের সহযোগিতায় বিষয়টি তখনকার মতো মিটে যায় এবং যজ্ঞ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। কিন্তু, পড়ুয়াদের একাংশ এতে খুশি ছিল না। রাতের খাবার খাওয়ার সময় হলে তারাই ঝামেলা শুরু করে।”

    একইসঙ্গে, রবিবারের ঘটনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ছাত্রাবাসের আবাসিকদের খাদ্যাভ্য়াস এবং খাদ্যতালিকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানও স্পষ্ট করেন রেজিস্ট্রার। তিনি বলেন, “ছাত্রাবাস পরিচালনার জন্য ছাত্রদের নিজস্ব কমিটি রয়েছে। এরসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও সম্পর্ক নেই। খাদ্যতালিকা নিয়েও কর্তৃপক্ষের কিছু বলার নেই।”

    কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যারা রবিবারের সংঘর্ষের জন্য দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে, এই ধরনের ঘটনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন যাতে বিঘ্নিত না হয়, সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষকে সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করার আবেদন করেছেন রেজিস্ট্রার। উল্লেখ্য, ওই ঘটনার পর গভীর রাতে কাবেরী হস্টেলে যান উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুডি পণ্ডিত-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য আধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, রামনবমীতে আমিষ খাওয়া নিয়ে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) দু’টি ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনায় ছ’জন আহত হয়েছেন। জেএনইউ বাম ছাত্র ইউনিয়নের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ অভিযোগ করেন, ঘটনায় হস্টেলের মেস সেক্রটারিকেও মারধর করা হয়। 

    প্রসঙ্গত, মেস কমিটি পড়ুয়াদের ভোটেই নির্বাচিত হয়। তারা বিভিন্ন খাদ্যাভ্য়াসের আবাসিকদের জন্য মিলিয়ে মিশেয়ে বিভিন্ন পদের আয়েজন করে। রবিবার মাংস এবং পনীর দুই-ই ছিল খাদ্য তালিকায়। কিন্তু বাম ছাত্র সংগঠনের অভিযোগ ছিল, এবিভিপি সদস্যরা তাঁদের আমিষ খেতে বাধা দেন।

    এবিভিপির তরফে পাল্টা অভিযোগ করা হয়, বাম ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা তাঁদের উপর প্রথমে আক্রমণ চালায়। যজ্ঞে বাধা দেয়।  এই ঘটনায় রবি রাজ নামে তাঁদের এক সদস্য আহত হয়েছে। তাদের এই দাবিতেই মান্যতা দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

     

  • Rajnath Singh: আসতে চলেছে জয়েন্ট থিয়েটার কমান্ড! তিন বাহিনীর মধ্যে সংযোগ বাড়ানোই লক্ষ্য, জানালেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: আসতে চলেছে জয়েন্ট থিয়েটার কমান্ড! তিন বাহিনীর মধ্যে সংযোগ বাড়ানোই লক্ষ্য, জানালেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনায় তিন শক্তিকে একত্রিত করে আসতে চলেছে জয়েন্ট থিয়েটার কমান্ড। এর ভাবনা বহুদিন আগেই তৈরি হয়েছিল,তবে শীঘ্রই তা বাস্তব রূপ নেবে। জম্মু ও কাশ্মীরে কাশ্মীর পিপলস ফোরামে যোগ দিয়ে একথা জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেনার তিন বাহিনীর মধ্যে সংযোগ আরও দৃঢ় করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায়, দেশের সুরক্ষার্থে ট্রাই সার্ভিস ব্যবস্থাকে প্রস্তুত রাখতে তৎপর ভারত। 

    ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অন্দরে কান পাতলেই বেশ কয়েক বছর ধরে থিয়েটারাইজেশনের কথা শোনা যাচ্ছিল। এদিন অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, ‘পূর্ববর্তী ঘটনা (কার্গিলে অপারেশন বিজয়ে যে জয়েন্ট অপারেশন দেখা গিয়েছিল) মাথায় রেখে আমরা জয়েন্ট থিয়েটার কম্যান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ২০২১ সালের জুন মাসে থিয়েটারাইজেশন প্ল্যান নিয়ে আলোচনার জন্য ৮ সদস্যের প্য়ানেল গঠন করে কেন্দ্র। সেই প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন সব স্টেক হোল্ডাররা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নতুন থিয়েটারাইজেশনে স্থিতিশীল হতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এই থিয়েটার কমান্ড তৈরি হলেই ভারতের সামরিক শক্তি চিন ,পাকিস্তানের বুকে কাঁপুনি ধরাতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

    আরও পড়ুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    এদিন শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ দেশবাসী কখনও ভুলবে না। কখনও ভুলতে পারে না। তাঁর কথায়, সমাজ ও জনগণের কর্তব্য শহিদ ও তাঁদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া। জনগনের উদ্দেশে রাজনাথ বলেন, “আপনি যা কিছু সহায়তা দিতে পারেন বা আপনার পক্ষে দেওয়া সম্ভব, সেটাই আপনি তাদের পরিবারের জন্য করুন। এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হওয়া উচিত।” 

    এদিন রাজনাথের মুখে উঠে এসেছিল ১৯৬২ সালের চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গও। সে দিনের তুলনায় আজকের ভারত অনেক বেশি শক্তিশালী বলে দাবি করেন রাজনাথ। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, “১৯৬২ সালে চিন লাদাখ দখল করেছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলালা নেহেরু। আমি তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করতে চাই না। কিন্তু নীতির ব্যাপারে দুর্বলতা ছিল। যাই হোক, আজকের ভারত পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দেশ। এখন যে কোনও শত্রুর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা।”

  • Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঢোল বাজনে লাগা…” শহরটাও সেজে উঠেছে। বহুদিন পর আবার নিজেদের নেতাকে কাছে পেয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়েরা। শেষ ২০১৭ সালের মে মাসে জার্মানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবার বার্লিনে মোদি। 

    সোমবার তিনদিনের ইউরোপ সফরের শুরুতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে রীতিমতো জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। একেবারে ভারতীয় সংস্কৃতি মেনেই শিল্পীরা নাচ,গান প্রভৃতি পরিবেশন করেন। পুণের শিল্পীরা তাঁদের ঐতিহ্যবাহী ঢোল ও তাশা বাজান। সেই বাজনা শুনে আর স্থির থাকতে পারেননি মোদিও। শিল্পীদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে ঢোল বাজাতে দেখা যায় তাঁকে। রাষ্ট্রপ্রধানের এমন আচরণে মুগ্ধ হয়ে যান সেখানে উপস্থিত দর্শক ও শিল্পীরা।

    [tw]


    [/tw]

    এই অনুষ্ঠানের আগেই জার্মানিতে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সঙ্গে মোদি দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে হাসি মুখে কথা বলতে দেখা যায় মোদিকে। ছোটদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে দেখা যায় তাঁকে। একটি ছোট মেয়ের হাতে আঁকা নিজের ছবি দেখে মন ভরে যায় প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর গাল টিপে আদরও করেন। আরেক খুদের গান শুনে মুগ্ধ মোদি। ছোট শিল্পীর দেশাত্মবোধক গানে তুড়ি দিয়ে তাল দিতেও দেখা যায় মোদিকে। হাততালি দিয়ে তাকে সাধুবাদ জানান। ছবিও তোলেন তার সঙ্গে। অনেকেই মোদির সঙ্গে সেল্ফি তোলেন। মোদি যখনই যেখানে পৌঁছন, তখনই উপস্থিত জনতা ‘মোদি মোদি’ স্লোগান তুলে তাঁকে স্বাগত জানান। “বন্দে মাতরম” (Vande Mataram), “ভারত মাতা কি জয়” (Bharat Mata ki Jai) ধ্বনিও শোনা যায়।

    অ্য়াঞ্জেলা মর্কেলের দীর্ঘ শাসন শেষ হওয়ার পর জার্মানির নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন ওলাফ স্কোল্জ (Olaf Scholz)। তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার পর মোদিই প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান যিনি সরকারি সফরে জার্মানি গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন। সূত্রের খবর, এদিন দুই নেতার মধ্যে সরকারিস্তরের বিভিন্ন আলোচনা ছাড়াও অন্যান্য কথা হয়। দীর্ঘক্ষণ হালকা মেজাজে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাঁদের।

     

  • IPL:শ্রেয়সদের হয়ে গলা ফাটিয়ে রাতারাতি জনপ্রিয় নায়িকা

    IPL:শ্রেয়সদের হয়ে গলা ফাটিয়ে রাতারাতি জনপ্রিয় নায়িকা

    IPL:বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে (addvertisement) অভিনয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। নামী ব্যাঙ্কই হোক বা পারফিউম, মিল্ক প্রোডাক্ট বা ক্যাব সবেতেই মুখ দেখিয়ে ফেলেছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে (Instagram)খুবই সক্রিয় তিনি। তবে এতদিন পর্যন্ত তাঁর জনপ্রিয়তার পারদ চড়েনি। কেকেআরের(KKR)হয়ে গলা ফাটাতেই এক রাতের মধ্যে বদলে গিয়েছে চিত্র। এখন অনেকেরই হার্ট থ্রব অভিনেত্রী আরতি বেদী (Arati bedi)।
    রবিবার আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (kolkata knight riders) বনাম দিল্লি ক্যাপিটালসের(delhi capitals)ম্যাচে ব্রেবোর্ন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ওই তরুণীকে দেখা যায়। সাদা রংয়ের টপ পরে থাকা ওই সমর্থককে বার বার দেখাতে থাকে ক্যামেরা। শ্রেয়সদের হয়ে বারবার গলা ফাটাতে দেখা যায় তাঁকে। ম্যাচে তাঁর দল কলকাতা হেরে গেলেও ওই সমর্থক সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। এক রাতের মধ্যে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। ম্যাচের আগে ইনস্টাগ্রামে তাঁর ৩০ হাজার ‘ফলোয়ার’ছিল। ম্যাচের পর তা ৫০ হাজার ছাপিয়ে গিয়েছে। টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, সর্বত্র তিনি এখন ভাইরাল। অনেকেই এই তরুণীর নাম জানতে চাইছেন। আরতি পেশায় মডেল। অভিনয় ছাড়া নাচতে খুব ভালবাসেন। ইনস্টাগ্রামে(Instagram)তাঁর নাচের প্রচুর ভিডিও রয়েছে। 
    ঘুরে বেড়ানো আরতির শখ। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার ছবিও তিনি নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে থাকেন। ইতিমধ্যেই লন্ডন, তাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ইটালি, স্পেন ঘুরে ফেলেছেন তিনি। অক্সফোর্ড স্ট্রিট, আইফেল টাওয়ার, ফি আইল্যান্ড, লুম্পিনি পার্কে ঘোরার ছবিও দিয়েছেন। তাঁর একটি পোষ্য বিড়াল রয়েছে। নাম ফাজ। পশুপ্রেমী আরতির কাছে ‘পরিবারের সবচেয়ে সুন্দর সদস্য’হল ফাজ। গরমের দিনে আইসক্রিম তাঁর পছন্দের জিনিস। কয়েক বছর আগে ইটালির জেলাতেরিয়া সান্তা ত্রিনিতা নামে বিখ্যাত আইসক্রিমের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন আরতি। 
    এর আগেও আইপিএলে বিভিন্ন সময়ে নজর কেড়েছেন বিভিন্ন সমর্থক। গ্যালারিতে প্রিয় দলকে সমর্থন করার ফাঁকেই তাঁদের ধরেছে ক্যামেরা। রাতারাতি টিভির পর্দায় মুখ দেখিয়ে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন অনেকে। অনেকেরই মনে আছে দীপিকা ঘোষের কথা। হায়দরাবাদ ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে সমর্থন করতে আসা দীপিকার উপর থেকে ক্যামেরা সরছিলই না। হঠাৎই তিনি ‘জাতীয় ক্রাশ’হয়ে যান। চেন্নাইয়ের জোরে বোলার দীপক চাহারের বোন মালতি এ ভাবেই দলকে সমর্থন করতে এসে বিখ্যাত হন। হায়দরাবাদের সিইও কাব্য মরানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। আরতি নয়া সংযোজন। 

     

  • Jhulan Goswami: বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ক্রিকেটকে বিদায় ঝুলনের

    Jhulan Goswami: বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ক্রিকেটকে বিদায় ঝুলনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে তাঁর প্রাপ্তির ঝুলি প্রায় পরিপূর্ণ। তবুও লর্ডসে বিদায়ী মঞ্চে (Farewell at Lords) আক্ষেপের সুর শোনা গেল ঝুলন গোস্বামীর (Jhulan Goswami) কণ্ঠে। বিশ্বকাপ (World Cup) জিততে না পারার ব্যথা নিয়েই ক্রিকেটকে আলবিদা জানালেন ‘চাকদহ’ এক্সপ্রেস।

    জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে দু’টি উইকেট পেলেন ঝুলন। জিতল ভারতও। শুধু তাই নয় ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরের মাঠে হোয়াইট-ওয়াশ করাটাও কম কৃতিত্বের নয়। ঝুলনের বিদায়ী ম্যাচকে এভাবে স্মরণীয় করে রাখলেন হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মান্ধানারা। তবে এতদিনের সম্পর্কে ইতি টানা তো সহজ ব্যাপার নয়। পারেননি ঝুলন। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সতীর্থদের চোখে জল দেখে লর্ডসের সবুজ গালিচাও হয়তো ডুকরে কেঁদেছে। কারণ, মহিলাদের ক্রিকেটে ঝুলন এক মহীরূহ। ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করে কত বাধা-বিপত্তি টপকে আজকে তিনি এই উচ্চতায় পৌঁছেছেন। যা শুধু তাই সতীর্থদের কাছে নয়, তামাম বিশ্বের নারী সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণা।

    বিদায় বেলায় শুভেচ্ছা বন্যায় ভেসে গিয়েছেন ঝুলন। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে মাস্টার ব্লাস্টার শচীন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলিরা প্রশংসা ভরিয়ে দিয়েছেন ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’কে। সৌরভ ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘অসাধারণ এক কেরিয়ার। যা শেষ হল জয় দিয়ে। আগামী কয়েক দশক ঝুলন আদর্শ হয়ে থাকবে।’ শচীন লিখেছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটে তোমার অবদান কখনও ভোলার নয়।’ ঝুলনকে বিশেষ সম্মান জানাল সিএবি। ইডেনে বাংলার মেয়ের নামে তৈরি হবে একটি স্ট্যান্ড। ঝুলনের বিদায়ী ম্যাচ দেখানোর বিশেষ ব্যবস্থাও করেছিল সিএবি (Cricket Association of Bengal)।

    লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে ঝুলন বলেন, ‘যেদিন খেলা শুরু করেছিলাম সেদিন ভাবিনি এত দূর যেতে পারব। এর জন্য ঈশ্বরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রত্যেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ জেতার। আমিও সেই স্বপ্ন নিয়েই পথ চলেছি। দু’বার বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠলেও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে। ক্রিকেট আমাকে অনেক কিছু দিলেও বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ থেকেই গেল।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুরাজ্যের ‘পাইলট’কে হবেন সচিন (Sachin Pilot)? নাকি রাজস্থানের রাশ থাকবে গেহলটের (Ashok Gehlot)হাতে? এই দুই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress)। ইতিমধ্যেই অশোক গেহলটের অনুগামী হিসেবে পরিচিত ৮২জন কংগ্রেস বিধায়ক স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, সচিন পাইলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হচ্ছে কংগ্রেস হাইকমান্ড সনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi)। আজ, সোমবারই দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা অশোক গেহলট ও সচিন পাইলটের।

    আরও পড়ুন: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    রাজস্থান বিধানসভায় ২০০জন বিধায়কের মধ্যে ১০৮ জন কংগ্রেসের। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অনুগামী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, দলে গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও রাজস্থানের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেনি। বদলে বিধায়কদের বৈঠকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক হবে বলেই জানিয়েছে। এই ব্যাপারে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাজস্থানের ইনচার্জ অজয় মাকেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও রাজস্থান কংগ্রেসের বিধায়কদের বিশ্বাস, হাইকমান্ড ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। তাঁদের কাজ শুধু হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা। 

    আরও পড়ুন: গোয়া ভোটে তৃণমূলের খরচ ৪৭ কোটি টাকা, বিজেপির প্রায় ৩ গুণ!

    দলের অন্দরে বিরোধ আটাকাতে সনিয়া প্রতিটি বিরোধী নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন অজয় মাকেন ও মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। আজই তাঁদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭১ বছর বয়সী অশোক গেহলটের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের বিরোধের কথা সকলেরই জানা। ২০২০ সালে চরমে উঠেছিল ক্ষমতা নিয়ে সেই বিবাদ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন সচিন। হুমকি দিয়েছিলেন দল ছেড়ে চলে যাওয়ারও। দলের অন্দরে খবর, বিরোধী বিধায়কদের ইস্তফার কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে ফোন করেন দলের পর্যবেক্ষক অজয় মাকেন ও সাংসদ কেসি বেণুগোপাল। জবাবে গেহলট বলেন, “আমি তো নিমিত্ত মাত্র! আমার হাতে কিছুই নেই।” যদিও পরে এই ফোনের কথা অস্বীকার করে কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share