Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Ratan Tata: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য রতন টাটার, শেষ শ্রদ্ধা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    Ratan Tata: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য রতন টাটার, শেষ শ্রদ্ধা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এমেরিটাস রতন টাটা। ভারতের সবথেকে সম্মানীয় শিল্পপতি, এক ব্যতিক্রমী জীবনধারায় মানুষ রতন টাটা। তাঁর সাফল্যের কাহিনির গভীর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিকভাবে ভারতের অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভারতীয় ব্যবসায়ী জগতের নেতাদের অন্যতম নাম রতন টাটা। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহারাষ্ট্রের ওরলিতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য তাঁর। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রতন টাটার প্রয়াণে শোকের ছায়া দেশজুড়ে। শোক বার্তা জানানো হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের তরফ থেকেও। 

    শেষ শ্রদ্ধা

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অশীতিপর এই শিল্পপতির মৃতদেহ শায়িত ছিল মুম্বইয়ের নরিম্যান পয়েন্টে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস (এনসিপিএ)-এ। সেখানেই তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান সাধারণ মানুষ। বিকেল ৩টে নাগাদ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিকাল সাড়ে ৩টে নাগাদ নরিম্যান পয়েন্ট থেকে শুরু হয় শেষযাত্রা। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রয়াত শিল্পপতিকে শেষশ্রদ্ধা জানায় মহারাষ্ট্র সরকার। রতন টাটাকে শ্রদ্ধা জানাতে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে ‘শোক দিবস’ পালিত হয়। রাজ্যের সব দফতরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ছিল এদিন। মহারাষ্ট্র সরকারের সমস্ত কর্মসূচি এবং বৈঠকও বাতিল করা হয়। 

    বহু ধর্মের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    রতন টাটার শেষকৃতযে দেখা গেল হৃদয়গ্রাহী ছবি। বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতরা – পারসি, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ এবং হিন্দু – রতন টাটার আত্মার জন্য প্রার্থনা করার জন্য এনসিপিএ-তে জড়ো হন। এই সমাবেশের ভিডিও প্রমাণ করে নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের মানুষ শুধু নয়, রতন টাটা গোটা ভারতকে এক চোখে দেখতেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা রতন টাটাকে “ভারতের সত্যিকারের আইকন” হিসাবে তুলে ধরেছেন। একজন জাতীয় নেতার প্রতি এরকম শ্রদ্ধাঞ্জলি কাম্য। নেটিজেনরা বলছে “একজন ভাল মানুষ হওয়াই সবচেয়ে বড় ধর্ম” এবং “আমরা এক রত্ন হারালাম”।

    আরএসএস-এর শ্রদ্ধা

    এদিন প্রয়াত রতন টাটার আত্মার সান্তি কামনা করে আরএসএসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখা হয়, “বিখ্যাত শিল্পপতি রতন টাটার প্রয়াণ গোটা দেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখের খবর। ওঁর প্রয়াণে দেশ অমূল্য রত্ন খোয়াল।”  

    এ দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের তরফে মোহন ভাগবত ও দত্তাত্রেয় হোসাবলে লেখেন, “দেশের উন্নয়নে রতন টাটার অবদান আজীবন মনে থাকবে। শিল্পক্ষেত্রে একাধিক নতুন ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।” পোস্টে আরও লেখা হয়, “দেশের ঐক্য বা নিরাপত্তাই হোক বা কর্মীদের উন্নয়ন বা সমাজ কল্যাণে উদ্যোগ- রতনজি তাঁর চিন্তাধারা ও কাজের মাধ্যমে ছাপ রেখেছেন। সাফল্য়ের বিরাট উচ্চতায় পৌঁছনোর পরও তাঁর অতি সাধারণ জীবনযাত্রা ও  বিনয় অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সরকারের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনশন জারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Incident: সরকারের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনশন জারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমীর সকাল থেকে আন্দোলন আরও জোরদার করার কথা জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Incident)। তাঁদের অন্যতম দাবি, স্বাস্থ্য সচিবকে পদত্যাগ করতে হবে। স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠক থেকে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি, তাই তাঁদের আমরণ অনশন চলবে। অন্যদিকে, পুজোর শহরে ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে গিয়ে বিচারের দাবি তুলে প্রতীকী প্রতিবাদ জানানোর জন্য ৯জনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে লালবাজার অভিযান করেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Doctor’s Protest)।

    খারাপ হচ্ছে ডাক্তারদের শরীর

    স্বাস্থ্য ভবনে জুনিয়র চিকিৎসকদের (RG Kar Incident) সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব। সেই বৈঠক শেষ করে ধর্মতলার অনশন মঞ্চে ফিরে সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের অভিযোগ, তাঁদের দাবিগুলি মেনে নিতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে সরকারের কোনও সদিচ্ছা নেই, তাই তাঁরাও অনশন চালাবে। অনশনের ১০৯ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার ফলে ক্রমেই দুর্বল হতে শুরু করেছে ডাক্তারদের শরীর। ইতিমধ্যেই ডাক্তার (Doctor’s Protest) অনুষ্টুপকে হুইল চেয়ারে নিয়ে যেতে হয়েছে। ডাক্তার তনয়া ও সায়ন্তনীর শরীরও ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    আরও পড়ুন: এক যুগের অবসান! রতন টাটার প্রয়াণে শোক বার্তা সচিন, সলমন, রোহিত-নীরজদের 

    পুজো মণ্ডপে প্রতিবাদ তাই গ্রেফতার

    অন্যদিকে, বুধবার ‘অভয়া পরিক্রমা’ কর্মসূচি ছিল জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar Incident)। কর্মসূচি হল— মিনিডোরে করে আরজি কর এবং জয়নগরের নির্যাতিতার ‘প্রতীকী মূর্তি’ নিয়ে পুজোমণ্ডপে ঘুরবেন তাঁরা। সেই কর্মসূচি পালন করতেই ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপে গিয়েছিলেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা (Doctor’s Protest)। ঘটনাচক্রে, ওই পুজো তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বলেই পরিচিত। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে ‘বিচার চাই’ স্লোগান তোলেন তাঁরা। সেই অভিযোগেই তাঁদের আটক করে লালবাজারের পথে রওনা দেয় পুলিশ। খবর পেয়ে ধর্মতলা থেকে লালবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের একটি দল। যোগ দেন বেশ কয়েক জন সাধারণ মানুষও। তাঁদের আটকাতে ঘিরে ফেলা হয় লালবাজার। বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে বসানো হয় ব্যারিকেড। সপ্তমীর সকালেও লালবাজারের অদূরে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে অবস্থানে বসে থাকেন বেশ কয়েক জন আন্দোলনকারী। তাঁদের দাবি, পুজো মণ্ডপে ‘বিচার চাই’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ন’জনকে অবিলম্বে ছাড়তে হবে। আটক ন’জনকে ছাড়া না-হলে অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওই আন্দোলনকারীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ratan Tata: এক যুগের অবসান! রতন টাটার প্রয়াণে শোক বার্তা সচিন, সলমন, রোহিত-নীরজদের

    Ratan Tata: এক যুগের অবসান! রতন টাটার প্রয়াণে শোক বার্তা সচিন, সলমন, রোহিত-নীরজদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাষষ্ঠীর রাতে মন খারাপ করা খবর, গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। অবশেষে জীবন‌ যুদ্ধে হার মানলেন বর্ষীয়ান শিল্পপতি রতন টাটা। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এমেরিটাস রতন টাটার প্রয়াণে শোকের ছায়া দেশের শিল্প মহল, বিনোদন জগত থেকে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও। শিল্পপতি হিসেবে তাঁর যতটা নাম, তিনি ঠিক ততটাই পরিচিত তাঁর জনহিতৈষী কাজের জন্য। বিতর্কহীন এই প্রবীণ শিল্পপতি, তাঁর ব্যবসায়িক দক্ষতা, দূরদৃষ্টি এবং কঠোর কর্ম সংস্কৃতির জোরে, তাঁর পারিবারিক ব্যবসাকে পরিণত করেছেন এক আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে। তবে, এতকিছু সত্ত্বেও, কোনোদিন তাঁর নাম ওঠেনি বিশ্বের প্রথম ১০ কি ২০ জন ধনকুবেরের তালিকায়। যে তালিকায় অম্বানি উঠলেন না, আদানি উঠলেন, তাই নিয়ে আলোচনা হয়। আসলে, তাঁর রোজগারের অধিকাংশটাই যেত জনহিতের কাজে। আর সেই কারণেই ১৪০ কোটির মানুষের দেশে তাঁর মতো সম্মানীয় ব্যবসায়িক নেতা আর একজনও নেই। রতন টাটার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘এক যুগের অবসান হল।’

    ক্রীড়া জগতে শোকের ছায়া

    ভারতের টেস্ট এবং একদিনের দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, সোনার হৃদয়ের একজন মানুষ। স্যার, আপনি চিরকাল একজন ব্যক্তি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপকার এবং সেবার জন্য আপনি চিরকাল সবার মনে থাকবেন। অন্য সবার ভালো করার ব্রত নিয়ে গোটা জীবন কাটিয়েছেন।’

    ব্যবসায়িক লাভের বাইরেও কিছু করার কথা ভাবতেন তিনি। সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতি ছিল রতন টাটার। তাঁর সঙ্গে জীবনে কিছু সময় কাটাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেন ক্রিকেটের ঈশ্বর  সচিন তেন্ডুলকর।

    টোকিও এবং প্যারিস অলিম্পিক্সে পদকজয়ী ভারতীয় অ্যাথলিট নীরজ চোপড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, শ্রী রতন টাটা জির প্রয়ানের খবর শুনে আমি অত্যন্ত শোকাহত। তিনি একজন স্বপ্নদর্শী ছিলেন, এবং আমি তাঁর সঙ্গে যে কথোপকথন করেছি তা আমি কখনই ভুলব না। তিনি তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে সমগ্র জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আমি প্রার্থনা করি যে তার প্রিয়জনরা শক্তি পান। ওম শান্তি।’

    শোক প্রকাশ বলিউডের

    বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন (Ajay Devgn) তার সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘একজন স্বপ্নদর্শীকে হারিয়ে গোটা বিশ্ব শোক করছে। রতন টাটার উত্তরাধিকার চিরকাল প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। ভারত এবং দেশের বাইরেও তাঁর অবদান অপরিসীম। আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। শান্তিতে থাকুন, স্যার।’

    বলিউডের ভাইজান (Salman Khan) তার সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘মিস্টার রতন টাটার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত।’অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত লিখেছেন, ‘ভারত আজ একজন সত্যিকারের স্বপ্নদর্শীকে হারিয়েছে। তিনি ছিলেন সততা এবং সহানুভূতির ভাণ্ডার। অসংখ্য জীবনকে প্রভাবিত করেছিলেন। তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Women’s T20 World Cup: শ্রীলঙ্কাকে  হারিয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে টিকে ভারত, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ছেলেদের

    Women’s T20 World Cup: শ্রীলঙ্কাকে  হারিয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে টিকে ভারত, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ছেলেদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটে ভারতের সোনার দিন। মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পর শ্রীলঙ্কাকে হারাল ভারত। বুধবার ভারত শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল। এর ফলে সেমির দৌড়ে টিকে থাকল হরমনপ্রীতরা। অন্যদিকে গোয়ালিয়রের পরে দিল্লিতে ৮৬ রানে ম্যাচ জিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতে নিল ভারত। রবিবার সিরিজ চুনকামের লক্ষ্যে নামবেন সূর্যেরা। কেন ভারত পাকিস্তানের থেকে কয়েক গুণে এগিয়ে তা ফের হাড়ে হাড়ে বুঝল বাংলাদেশ। 

    মেয়েদের বিশ্বকাপে আশা

    বুধবার ৮২ রানের বড় জয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকল ভারত। এই জয়ে বড় ভূমিকা নিলেন ভারতের দুই তারকা হরমনপ্রীত কউর ও স্মৃতি মন্ধানা। দু’জনেই ব্যাট হাতে অর্ধশতরান করলেন। শুধু জিতলে চলবে না। মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে নেট রান রেটে উন্নতি করতে হবে। দ্বীপরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নামার আগে এমনটাই ছিল হরমনপ্রীতদের সমীকরণ। এদিন ভারতের মহিলা দল প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ৩ উইকেটে ১৭২।  জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা ১৯.৫ ওভারে শেষ হয়ে যায় ৯০ রানে। ভারতের মহিলা দল ৮২ রানে ম্যাচ জিতে ভাল ভাবে টিকে রইল টুর্নামেন্টে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মহিলাদের পয়েন্ট এখন সমান। তবে অজিরা একটা ম্যাচ কম খেলেছে। আর রান রেট ভারতের থেকে ভাল অস্ট্রেলিয়ার। 

    সিরিজ জয়, ভারতের রেকর্ড

    প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বলের নিরিখে জয়ের রেকর্ড গড়েছিল ভারত। রাজধানীতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে (IND vs BAN 2nd T20I) ফের একবার ইতিহাস গড়ল সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। নয়াদিল্লিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেটের বিনিময়ে ২২১ রান তোলে ভারত। ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লে-র মধ্যে ৪১ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরে কোনও দল ২২১ রান করতে পারে, তা হয়তো ভাবতে পারেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে রান করার সবচেয়ে ভাল সময় পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভার। সেই ১০ ওভারে ভারত করল ১০১ রান। উইকেট পড়ল আটটি। মাঝের ১০ ওভারে ১২০ রান করল তারা। মাত্র এক উইকেট পড়ল। মাঝের এই ১০ ওভারেই ম্যাচ হেরে গেল বাংলাদেশ। জবাবে বাংলাদেশ ১৩৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ৮৬ রানের ব্যবধানে জয় পেয়েছে ভারত। রানের নিরিখে এটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের সবথেকে বড় জয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ratan Tata: ভারতীয় শিল্পবাণিজ্যে মহীরুহ পতন! প্রয়াত রতন টাটা, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Ratan Tata: ভারতীয় শিল্পবাণিজ্যে মহীরুহ পতন! প্রয়াত রতন টাটা, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পপতি, মানবতাবাদী, পরোপকারী রতন টাটা (Ratan Tata) প্রয়াত। বয়সজনিত সমস্যা নিয়ে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। বুধবার রাতে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। রতন টাটার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রবীণ শিল্পপতির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মোদি তাঁকে একজন দূরদর্শী ব্যবসায়িক নেতা এবং একজন সহানুভূতিশীল মানুষ বলে অভিহিত করেছেন।

    সমস্ত স্তরে সমাদৃত

    সমাজের সমস্ত স্তরেরই তিনি ছিলেন সমাদৃত। জামশেদজি টাটার প্রপৌত্র রতন টাটা ছোট একটি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। সেটিই এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সংস্থা টাটা গোষ্ঠী। অটোমোটিভ, এয়ারোস্পেস, প্রতিরক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্টিল, রিয়্যাল এস্টেট, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, অ্যাভিয়েশন, ই-কমার্স এবং পর্যটনে টাটা গোষ্ঠীর উপস্থিতি রয়েছে। ১৯৯১ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত এবং ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। ২০০৮ সালে রতন টাটা পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হন।

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রতন টাটা একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন শিল্পপতি তথা একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন। তিনি ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে স্থিতিশীল নেতৃত্ব দেন। তাঁর অবদান বোর্ডরুম ছাড়িয়ে গিয়েছে। মানবিকতা ও দয়ালু মনোভাব এবং আমাদের নাগরিক সমাজের উন্নয়নে তিনি সকলের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলার পাঠ্য পুস্তকে উর্দু ভাষার দাপট’’! মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলার পাঠ্য পুস্তকে উর্দু ভাষার দাপট’’! মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে বাংলাকে (Bengali Language) ধ্রুপদী ভাষার তকমা দিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার (PM Modi)। সেই আনন্দ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একই সঙ্গে রাজ্যের পাঠ্য পুস্তকে বাংলা ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে উর্দু আগ্রাসন, তাই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন সুকান্ত। প্রশ্ন তুললেন বাংলার গৌরব ক্ষুন্ন করে কেন উর্দুকে প্রাধান্য দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। 

    কী বললেন সুকান্ত

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রীর ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য বাংলার পাঠ্যপুস্তক থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলা ভাষা। তিনি বলেন,  ‘‘ আপনার ভোট-ব্যাঙ্কের অন্যায় রাজনীতির স্বার্থে বাংলার পাঠ্য পুস্তক থেকে যেভাবে একের পর এক বাংলা শব্দ ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হয়েছে উর্দুতে, আজ আনন্দের দিনেও সেগুলি বাঙালির জন্য উদ্বেগের।’’ সম্প্রতি বাংলাদেশেও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের উর্দু আগ্রাসন চোখে পড়েছে।

    শহিদ স্মরণ

    মুখ্যমন্ত্রীর তোষণনীতির ফলে রাজ্যে বাংলা ভাষার জন্য লড়াই করা দুই শহিদের কথাও এদিন উল্লেখ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর কথায়, ‘‘আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের একজন নাগরিক এবং বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার (Bengali Language) জাতীয় স্বীকৃতিলাভের আনন্দ আপনার সঙ্গেও ভাগ করে নিচ্ছি। ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত সমগ্র বাঙালি সমাজকে গৌরবান্বিত করেছে। তবে একই সঙ্গে আজ স্মরণ করছি সাম্প্রতিক পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা দুই শহিদকেও। ২০১৮ সালে বাংলার পবিত্র ভূমিতেই  উর্দু আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হতে হয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের দাঁড়িভিটের দুই বাঙালি সন্তান রাজেশ বর্মন এবং তাপস সরকার – কে। আজকের দিনে তাঁরা সশরীরে জীবিত থাকলে হয়তো প্রতিটি বাঙালির মতোই গর্বিত অনুভব করতে পারতেন!’’ 

    আরও পড়ুন: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    প্রসঙ্গত,  ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বরে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুল। অবরোধ থেকে শুরু করে ইট পাথর ছোড়ার মতো ঘটনাও ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পেরে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতেই মৃত্যু হয় দাড়িভিট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্র রাজেশ ও তাপসের। এই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohammad Azharuddin: ২০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপ! মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে তলব ইডির

    Mohammad Azharuddin: ২০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপ! মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা কংগ্রেস নেতা মহম্মদ আজহাউদ্দিনকে (Mohammad Azharuddin) নোটিস পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক তছরুপের মামলায় বৃহস্পতিবার আজহারকে তলব করেছিল ইডি (ED Notice)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক চিঠি দিয়ে সময়ে চেয়েছেন।

    কী অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন আজহার (Mohammad Azharuddin)। সেই সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপির অভিযোগ ওঠে। এই বিষয়ে প্রথমবার কংগ্রেস নেতাকে সমন পাঠাল ইডি। বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবরের মধ্যে ইডির সামনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে। হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে ডিজেল জেনারেটর কেনা, অগ্নিনির্বাপক পদ্ধতির উন্নতির জন্য যে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেই অর্থের হেরফেরের অভিযোগ উঠেছে আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে। চার্জশিট অনুসারে, সময়সীমা থাকা সত্ত্বেও, বেশ কয়েকটি কাজ অত্যধিকভাবে বিলম্বিত হয়েছিল যার ফলে ব্যয় বৃদ্ধি হয় হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের। পরিচিত কন্ট্রাক্টারদের মার্কেটের দামের থেকে বেশি মূল্যে বিভিন্ন কন্ট্রাক্ট পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৎকালীন সচিব, সভাপতিদের বিরুদ্ধে। এমনকী বিভিন্ন কোম্পানিকে অগ্রিম অর্থ দেওয়া হলেও, অনেক ক্ষেত্রে কোনওরকম কাজই হয়নি।

    আরও পড়ুন: ইউনূস শিখণ্ডি মাত্র! বাংলাদেশ চালাচ্ছে ২৮ বছরের এক যুবক, বিস্ফোরক তসলিমা

    সময় চাইলেন আজহার

    তবে আজহারউদ্দিন (Mohammad Azharuddin) ইডির অফিসে যাননি। তিনি হাজিরার আগে খানিকটা সময় চেয়ে নিয়েছেন। চিঠি লিখে ইডিকে (ED Notice) মহম্মদ আজহারউদ্দিন জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারবেন না। ৩-৪ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। তবে কবে তিনি হাজিরা দেবেন সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করে জানাননি। আজহারকে ইডির সামনে হাজিরা দিয়ে গোটা ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছিল। হায়দরাবাদের অ্যান্টি-কর্পারেশন ব্যুরোর দায়ের করা তিনটি এফআইআরের ভিত্তিতে গত বছরের নভেম্বর মাসে ইডি তেলঙ্গানার  নয় জায়গায় অভিযান চালায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে 

    RG Kar Incident: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণপিটুনির ঘটনায় শরীর জুড়ে যে রকম আঘাতের চিহ্ন থাকে, তেমনই অজস্র ক্ষতচিহ্ন ছিল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহে। যা কারও ‘একার পক্ষে করা সম্ভব নয়’ বলে অনুমান সিবিআই আধিকারিকদের। একই সঙ্গে তাঁদের অনুমান, দেহ যেখানে মিলেছিল সেই সেমিনার কক্ষের সমস্ত কিছুই ছিল পরিপাটিভাবে সাজানো। যা এরকম ভয়ঙ্কর ঘটনার সঙ্গে বড়ই বেমানান।

    খুন করাই উদ্দেশ্য

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, চিকিৎসক পড়ুয়াকে খুন করাই আততায়ী বা আততায়ীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্তে ইচ্ছাকৃত ধোঁয়াশা সৃষ্টি করতেই ধর্ষণের ঘটনাটি সামনে আনা হয়েছে, এমনই ধারণা সিবিআই-এর। তরুণী চিকিৎসকের দেহে কমপক্ষে ২৪টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত এবং সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট) রিপোর্টে একাধিক ফাঁকফোকর আছে। এরকম ঘটনার তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, এমন তথ্য সম্পূর্ণভাবে দেওয়া হয়নি। তারপরও যা তথ্যপ্রমাণ মিলেছে, সেগুলির ফরেন্সিক টেস্ট করা হয়েছে। খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে সেইসব তথ্যপ্রমাণ। আর তা থেকেই অনুমান করা হচ্ছে যে গণপিটুনির মতোই বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল নির্যাতিতাকে (RG Kar Incident)।

    ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ফাঁক

    আপাত ভাবে মৃতদেহের সামনের অংশে ১৫টি গুরুতর বাহ্যিক জখমের চিহ্ন মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।। মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের পরে ন’টি গুরুতর অভ্যন্তরীণ আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। অথচ দেহের পিছনের অংশের আঘাতের উল্লেখ ময়না তদন্ত এবং সুরতহাল রিপোর্টে নেই। তদন্তকারী এক অফিসারের কথায়, “বার বার প্রবল ভাবে মৃতার গলা টিপে ‘থাইরয়েড কার্টিলেজ’ গুরুতর জখম করার আভাস মিলছে। সাংঘাতিক বল প্রয়োগ করে ওই তরুণীর মুখ, নাকও চেপে ধরা হয়। এবং তার পরে দেহের উপরের অংশে আঘাত করা হয়। তখনই চোখ ও মুখের ভিতরে রক্তপাত হয়েছে।” এভাবে মারধর কারুর একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেই অভিমত তদন্তকারী অফিসারদের।

    আরও পড়ুন: ‘রোগী-ডাক্তার একই পক্ষ, বিপক্ষ সরকার’! বিচারের দাবিতে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা

    অন্যত্র খুন করে দেহ সেমিনার হলে!

    সিবিআই আধিকারিকরা (CBI) প্রাথমিকভাবে মনে করছেন যে তদন্তের নজর ঘোরানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আদতে তরুণী চিকিৎসককে (RG Kar Incident) খুন করার লক্ষ্য ছিল। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, আর জি করের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের সেমিনার কক্ষটির ‘ক্রাইম সিন’ বা অপরাধের ঘটনাস্থলও চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহের আঘাতের চিহ্নের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রশ্ন উঠছে, ওই রকম প্রবল আক্রমণের পরেও কী ভাবে সেমিনার কক্ষের জিনিসপত্র ওলটপালট হয়নি! এমনকি মৃতার মাথার পিছনে মোবাইল, ল্যাপটপ, ডায়েরির একটি পাতা ও ভাঙা চশমাও সুচারু ভাবে সাজিয়ে রাখা ছিল বলে অভিযোগ। অন্যত্র খুন করে দেহ সেমিনার হলে সাজিয়ে রাখার বিষয়টিও তাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার রাতেই আরও একটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজ্য। অভিযোগ, কল্যাণীর এক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এক অধ্যাপক। ৯ অগস্ট রাতে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা মেডিক্যাল কলেজের ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে।

    কী অভিযোগ

    ঘটনাটি ঘটেছিল কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই কলেজের মাইক্রোবায়োলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজের বিভাগীয় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় আরজিকর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্যসহ গোটা দেশ। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ছাত্রী আরজিকর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ আন্দোলনের মঞ্চেই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। সহকর্মীদের তিনি এবিষয়ে জানান। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহস পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৩ অগস্ট অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    জামিনের আর্জি খারিজ

    এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন খারিজ করে দেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান অভিযুক্ত অধ্যাপক। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি সেদিন রাতে। ছাত্রীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল খানিকটা। এরপর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, যেহেতু চার্জশিট ফাইল হয়ে গেছে, এবার ছাত্রীর সাক্ষ্য গ্রহণ হবে, তাই এই অবস্থায় জামিন দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেন। একদিনের মধ্যেই তার রিপোর্টও জমা পড়ে। সেই রিপোর্টও পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শহরে শরত-মেঘের আনাগোনা,  ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গ! পুজেতে পাহাড় এড়ানোই কি মঙ্গল?

    Weather Update: শহরে শরত-মেঘের আনাগোনা, ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গ! পুজেতে পাহাড় এড়ানোই কি মঙ্গল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মহালয়া। পুজোর শুরু বললে ভুল বলা হবে না। পরের দিন থেকেই শুরু নবরাত্রির উৎসব। আর পুজো মানেই ঘুরুঘুরু। তাই দেবীপক্ষের শুরুতে আম বাঙালির একটাই প্রশ্ন পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া? আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) সঙ্কেত বলছে, বৃষ্টি থেকে পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না বঙ্গ, অন্তত এখনই। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় পুজোতে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে পুজোর সময় পাহাড়ে ঘুরতে নাযাওয়াই ভাল মহালয়ার আগে তেমনটাই জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। 

    প্রাক পুজোয় শহরে বৃষ্টি কেমন (Rain Forecast)

    মঙ্গলবার বিকেল থেকেই শহরের ইতিউতি বৃষ্টি নেমেছে। বেহালা, বালিগঞ্জ এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তর শহরতলিতেও বৃষ্টি নেমেছে। গত সপ্তাহে বৃষ্টি কমার পর থেকেই ফের ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা৷ রোদের তাপে ছাতা ছাড়া বাইরে বেরনোও দায়৷ এই পরিস্থিতিতে কলকাতা সহ  উত্তর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি মিলেছে শহরবাসীর। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা জারি হয়নি। মহালয়ার দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে রোদ ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে বলেই আশা আবহবিদদের। মঙ্গলবার অংশত মেঘলা থাকতে পারে কলকাতার আকাশ। দু’-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    কোথায় কীরকম বৃষ্টি (Rain Forecast)

    দেশ থেকে বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হয়েছে। তবে বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নেবে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি। ১৬ অক্টোবরের পর থেকেই একটু একটু করে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান কমবে। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল পাহাড়ে। আপাতত দুর্যোগ কাটলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগু়ড়ি এবং কালিম্পংয়ে। পুজোতেও সিকিম সহ দার্জিলিঙের পাহাড়ে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share