Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Shakib Al Hasan: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় শাকিবের! টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর, শেষ টেস্ট কবে?

    Shakib Al Hasan: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় শাকিবের! টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর, শেষ টেস্ট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চলেছেন শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। আগামীকাল, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে শাকিব জানান, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয়,কানপুরে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচই তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তবে শাকিবের ইচ্ছা ঘরের মাঠে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নির্বাচিত হলে, সেই সিরিজ খেলেই টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার।

    শাকিবের ইচ্ছা

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল শাকিবের নাম। আন্তর্জাতিক স্তরে গত ২ দশক ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট যতটুকু প্রাধান্য পেয়েছে, তার পুরোটাই শাকিবের জন্য। তবে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের প্রভাব পড়েছে শাকিবের ওপরও। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই প্রবল চাপে ছিলেন। খুনের মামলায় জড়ানো থেকে শুরু করে প্রাণনাশের হুমকি, সবই পেয়েছেন। পরিস্থিতি এতই জটিল যে, দেশে ফেরার কথা চিন্তাই করতে পারছেন না। দেশে এক সময় যিনি ছিলেন মহাতারকা, সেই তিনিই এখন গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে কার্যত অপরাধী হয়ে গিয়েছেন। এবার চাপের মুখে ক্রিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন শাকিব (Shakib Al Hasan)। এদিন শাকিব বলেন, ‘আমি মিরপুরে নিজের শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। যদি আমার ইচ্ছাপূরণ না হয়, তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচই আমার শেষ টেস্ট ম্যাচ হতে চলেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট আমায় অনেক কিছু দিয়েছে। তাই আমিও নিজের ঘরের মাঠে দলের হয়ে শেষবার মাঠে নামতে চাই।’

    দেশে ফিরবেন শাকিব!

    সূত্রের খবর, শাকিব ইতিমধ্যেই লিখিতভাবে বিসিবি-র বর্তমান প্রশাসকদের জানিয়েছেন, দেশে কেবলমাত্র একটি টেস্ট খেলতে চান তিনি। তারপর তিনি আর বাংলাদেশে ফিরবেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে বাকি জীবন কাটাবেন। তবে, নিরাপত্তা পেলেই সাকিব শেষ টেস্ট খেলার জন্য ফিরতে পারেন মিরপুরে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলে বিদায় জানাতে চান ক্রিকেটকে। তবে কোনও কারণে দেশে সুরক্ষার নিশ্চয়তা না পেলে কানপুরেই খেলবেন কেরিয়ারের শেষ টেস্ট। শাকিব জানাচ্ছেন, “এই বিষয় বোর্ডকে জানিয়েছি। ওঁরাও আমার নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করছেন। যাতে আমি শেষ টেস্ট নিরাপদে খেলতে পারি। এবং দেশ ছাড়ার সময় যেন আর কোনও সমস্যা না হয়।”

    আরও পড়ুন: ভারতেই পড়াশোনা, রাজনীতির হাতেখড়ি! শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরসূর্য

    সেরা শাকিব

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে  চট্টগ্রামে ভারতের বিরুদ্ধেই আন্তর্জাতিক টেস্ট অভিষেক হয়েছিল শাকিবের। তারপর থেকে দেশের জার্সিতে ৭০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন শাকিব। ব্যাট হাতে ৪৬০০ রান করেছেন তিনি। তাঁর দখলে রয়েছে পাঁচটি শতরান ও ৩১টি অর্ধশতরান। বল হাতেও কিন্তু  শাকিব অনবদ্য। তিনিই টেস্টে বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। ২৪২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। একমাত্র বাংলাদেশ বোলার হিসাবে তিনি লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের গণ্ডি পার করেছেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও শাকিবের রেকর্ড চোখধাঁধানো। ১২৯টি বিশ ওভারের ম্যাচে ১২১.১৮ স্ট্রাইক রেটে শাকিব মোট ২৫৫১ রান করেছেন। তাঁর দখলে রয়েছে ১৪৯ টি উইকেট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলির একচেটিয়া আধিপত্য দূর করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারত। মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের উপর ভর করে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। বহু দেশ-বিদেশি সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করছে। এবার ফক্সকন তামিলনাড়ুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এই টাকা কাজে লাগিয়ে তারা একটি স্মার্টফোন ডিসপ্লে মডিউল অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্ল্যান্ট তৈরি হলে ভারত চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     বিশেষজ্ঞদের মত

    সম্প্রতি, বিখ্যাত বই চিপ ওয়ার-এর লেখক ক্রিস মিলার জানান, ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব সহজে চিনকে হারাতে পারবে। যার জন্য একটি সঠিক কৌশল থাকতে হবে। ক্রিস মিলারের কথায়, ভারত ইলেকট্রিক গাড়ি ও চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতে যা করে দেখিয়েছে তার সঙ্গে অন্য কেউ লড়াই করতে পারবে না। তবে এ কথা ঠিক চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে, ভারত তার জবাব দিতে পারবে না।

    মেক ইন ইন্ডিয়ার সুফল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আসার পরই নানা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভারতে অ্যাসেম্বেল করা শুরু করেছে। আইফোন, স্যামসাংয়ের মতো জনপ্রিয় কোম্পানি দেশে স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে বাজারে জমি শক্ত করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন হাব হতে চলেছে ভারত। গত বছর,২০২৩ সালে ২৪৫ কোটি স্মার্টফোন তৈরি হয়েছে ভারতে। যার মধ্যে রয়েছে একাধিক বড় নাম যেমন অ্যাপল, শাওমি, ওপো এবং ভিভো। ২০২৩ সালে স্মার্টফোন তৈরি করে ৪.১ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ১৮ হাজার,৯০০ কোটি টাকা। 

    চিন নির্ভরতা কমানো লক্ষ্য

    স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে চিন নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সংস্থা অ্যাপল। তাই ভারতই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান তাদের কাছে। পাশাপাশি স্যামসাংও ভারতকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেই একটি বড় বাজার ভারত। স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও একাধিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বিক্রি করে তারা। যার মধ্যে স্যামসাং এগিয়ে রয়েছে। আগামীদিনে অ্যাপল এবং স্যামসাং হাই-এন্ড মেক ইন ইন্ডিয়া স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে আইফোন তৈরি করা শুরু করেছে অ্যাপল। ভারতীয় কোম্পানি টাটা গ্রূপের সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে অ্যাপল।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    ফক্সকনের বিনিয়োগ

    আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপলের থেকে বরাত নিয়ে পণ্য তৈরি করে তাইওয়ানের ফক্সকন। তামিলনাড়ুর কারখানাটি ভারতে তাদের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের কথা ভাবছে। ফক্সকনকে সাহায্য করবে পেগাট্রন এবং টাটা ইলেকট্রনিক্স। কবে থেকে ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল বৃদ্ধি করবে তা সঠিকভাবে এখনও বলা না গেলেও কোম্পানিটি “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব” কাজ শুরু করবে। ফক্সকন অরগাডাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক্স পার্কে প্রায় ৫০০,০০০ বর্গফুট স্থান বেছে নিয়েছে। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি ইউনিট খোলার কথা ভাবছে। ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনের উপস্থিতি বিস্তৃত করতে এবং আইসিটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। 

    দৌড়চ্ছে ভারত

    ভারতে ডিসপ্লে মডিউলগুলির স্থানীয় অ্যাসেম্বলি করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনও এই উপাদানগুলির জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারত। যা দেশের খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ চেনে জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ডিসপ্লে মডিউল চিন থেকে আমদানি করা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করে। সেখান থেকে ২০-২৫ শতাংশ নিয়ে আসা হয়। ভারতে যদি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনগুলি অ্যাসেম্বল করা যায়, তাহলে খরচ কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghee Used at Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগপ্রসাদের ঘি পরীক্ষা করতে চায় ওড়িশা সরকার

    Ghee Used at Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগপ্রসাদের ঘি পরীক্ষা করতে চায় ওড়িশা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডু নিয়ে বিতর্কের আবহেই  পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগ রান্নায় ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণমান পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল ওড়িশা সরকার। সারা দেশের লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রতিদিন পুরীর জগন্নাথদেব দর্শন করেন। রথের সময় ছাড়াও সারা বছরই ভিড় লেগে থাকে সমুদ্রসৈকত শহরে। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের শ্রীবেঙ্কটেশ্বর স্বামীর লাড্ডু ভোগের ঘিয়ে পশুচর্ব ও মাছের তেল থাকার বিতর্কের পর সর্বত্র হিন্দু ভক্তদের মধ্যে এক অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। সেই সন্দেহের পরিবেশ দূর করতে পুরীর মন্দিরে ব্যবহৃত ভোগের ঘি পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

    বিশ্বাসে আঘাত নয়

    ওড়িশার বিজেপি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জগন্নাথ মন্দিরে রান্নায় বা অন্যান্য প্রসাদ রান্নায় যে ঘি ব্যবহার করা হয়, তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করানো হবে। পুরীর জেলাশাসক সিদ্ধার্থ শঙ্কর বলেন, এখানে সে ধরনের কোনও অভিযোগ না সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে ঘিয়ের মান যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা রাজ্যের সর্বোচ্চ দুগ্ধ সংগঠন ওমফেড-এর সঙ্গে কথা বলব ৷ মন্দিরে যে ঘি ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মান যেন তারা বেঁধে দেয় ৷” তিনি জানান, প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কোঠা ভোগ (দেবতাদের উৎসর্গ করা) ও ‘বারদী ভোগ’ (ভক্তদের প্রসাদ)- এ ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণমান পরীক্ষা করা হবে। মন্দিরের এক সেবাইত দাবি করেন, এর আগে মন্দিরের প্রদীপ জ্বালানোয় যে ঘি ব্যবহার হত, তাতে নকল ঘি ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছিল। তারপরই ওই ঘি ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    দেশে হিন্দুদের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র পুরীর জগন্নাথ মন্দির ৷ ভগবান জগন্নাথ, বলরাম এবং দেবী সুভদ্রা দর্শনে সারাবছরই ভিড় হয় পুরীতে ৷ পাশাপাশি মন্দিরের মহাপ্রসাদের চাহিদাও তুঙ্গে থাকে ৷ প্রসাদে জগন্নাথ দেবের ভোগের খিচুড়ি, ভাত, ডাল, নানারকম ভাজাভুজি, রকমারি মিষ্টির পদ বিক্রির আলাদা একটি জায়গাই রয়েছে মন্দিরের ভিতরে ৷ এই খাবারগুলি যে ঘি দিয়ে রান্না হয়, তাতে কোনও ভেজাল অর্থাৎ মাছের তেল, গরু বা শুয়োরের চর্বি জাতীয় কিছু আছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিতে চায় পুরী প্রশাসন ৷ প্রতিদিন এই মহাপ্রসাদ কিনে খান লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী, পুণ্যার্থী ৷ এই প্রসাদের সঙ্গে জড়িয়ে তাঁদের বিশ্বাস, ধর্মীয় আবেগ ৷ সেই বিশ্বাস, আবেগে কোনও আঘাত যাতে না লাগে তাই এই সিদ্ধান্ত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎ না বর্ষা! শহরের আকাশ দেখে বোঝা দায় আর কয়েকদিন পরই মহালয়া। সকাল থেকে মুখ ভার আকাশের। লাগাতার বৃষ্টি (Weather Update) হয়েই চলেছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস সত্যি করেই হাজির নিম্নচাপ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আর তার জেরেই নিম্নচাপ। সেই কারণেই এই বৃষ্টি। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির (Rain Prediction) হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। তবে, মহালয়া পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে।

    কোথায় কত বৃষ্টিপাত

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, বুধবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টি হতে পারে হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। এছাড়াও বৃষ্টিতে ভাসতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া। এছাড়া কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় আজ বজ্রপাত সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।  অপরদিকে, বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টি হবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানে। সুন্দরবন উপকূলে ভারী বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নীচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শহরের আবহাওয়া

    বুধবার, কলকাতায় আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে সারা দিন। বজ্রপাত সহ বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে শহর জুড়ে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ১.৫ ডিগ্রি কম। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রির আশেপাশে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি ওপরে। এরপর আগামী কয়েকদিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফের বাড়তে বাড়তে ৩৩ ডিগ্রির ঘরে গিয়ে পৌঁছবে। 

    উত্তরেও বৃষ্টির পূর্বাভাস 

    বুধবার উত্তরবঙ্গেরও সব জেলায় হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা থাকবে। এছাড়া কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টি হবে। শুক্রবার থেকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে শুক্রবার ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে উত্তরবঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী মলদ্বীপ (India-Maldives)। দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে শীঘ্রই ভারতে আসছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। মুইজ্জুর প্রস্তাবিত নয়াদিল্লি সফরের আগে মোদি (PM Modi) বিরোধী বলে পরিচিত মলদ্বীপের দুই মন্ত্রীও পদত্যাগ করেছেন। শোনা যাচ্ছে, মুইজ্জুর নির্দেশেই নাকি তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। চিন-পন্থী মুইজ্জুর নির্বাচনে জয়লাভের ঠিক পরেই মলদ্বীপে মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরানোর দাবি নিয়ে মলদ্বীপ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। মে মাসে মলদ্বীপ থেকে সব প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরিয়ে নেয় ভারত। এর পর কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে দুদেশের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে।

    দিল্লি সফরে আগ্রহী 

    গত বছর নভেম্বরে ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই দিল্লি বিরোধী সুর চড়িয়েছিলেন মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। এমনকী, তাঁর দুই মন্ত্রী প্রকাশ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সম্পর্কে আপত্তিজনক মন্তব্যও করেছিলেন। সেই মুইজ্জুর অফিস থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যত দ্রুত সম্ভব দিল্লি সফরে যেতে চান। মুইজ্জু এর আগে গত জুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সেটা রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না। শপথ অনুষ্ঠান শেষেই দেশে (India-Maldives) ফিরে যান তিনি। তখনই ফের আসার আমন্ত্রণপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল তাঁর হাতে। সেই মতো চলতি মাসেই নয়াদিল্লি সফরে আসতে চলেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। ভারত তাঁর ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ছে।

    আরও পড়ুন: উপকৃত ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিক, আয়ুষ্মান ভারত বিমার আওতায় সব সত্তরোর্ধ্ব

    দেশে প্রবল চাপে মুইজ্জু

    শুধু ভারতে আসার বাসনা ব্যক্ত করাই নয় মুইজ্জু (President Muizzu) তাঁর দুই মন্ত্রীকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছেন। যদিও সরকারিভাবে বলা হচ্ছে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। এ বছর জানুয়ারিতে দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসেন। মুইজ্জু তখনকার মতো দুই মন্ত্রীর দফতর কেড়ে নিয়েছিলেন। তবে মন্ত্রী পদ ছিল। মঙ্গলবার মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট প্যালেস থেকে মুইজ্জুর ভারত (India-Maldives) সফরে আসার সিদ্ধান্ত ঘোষণার সঙ্গেই জানানো হয় ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর, ভারত বিরোধিতা নিয়ে দেশে প্রবল চাপে আছেন মুইজ্জু। কারণ, মোদির সম্পর্কে ২ জুনিয়র মন্ত্রীর আপত্তিকর মন্তব্যের পরই ভারতজুড়ে বয়কট মলদ্বীপ-এর ডাক দেওয়া হয়। এর ফলে, বিপুল ক্ষতি হয় পর্যটন-নির্ভর মলদ্বীপের। কারণ, সেদেশে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের সিংহভাগই ভারত থেকে যান।

    অর্থাভাবে সরকারি বন্ড বিক্রি

    পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, অর্থাভাবে সরকারি বন্ড পর্যন্ত বিক্রি করতে হয় মুইজ্জু প্রশাসনকে। এর পরই, সব বিরোধী দলই শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্ত দিয়ে মুইজ্জুর ভারত বিরোধিতা এবং চিন (China) প্রীতি নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ করে। বাধ্য হয়ে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক (India-Maldives) ঠিক করতে উদ্যোগী হয় মুইজ্জু প্রশাসন। কয়েকমাস আগেই, ভারত সফরে এসে সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করেন মলদ্বীপের পর্যটনমন্ত্রী। এর মধ্যে, ভারতের সঙ্গে নতুন করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মুইজ্জু প্রশাসন।

    এবার ভারতে আসছেন খোদ মুইজ্জু (President Muizzu)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা ভারতের, ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন নীতেশ

    Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা ভারতের, ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন নীতেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিক্সে সোনা না এলেও প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা এল ভারতে। পুরুষদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে এসএল থ্রি ইভেন্টে সোনা জিতলেন নীতেশ কুমার। ফাইনালে তিনি গ্রেট ব্রিটেনের ড্যামিয়েল বেথেলকে হারালেন ২১-১৪, ১৮-২১, ২৩-২১ ব্যবধানে। এখনও পর্যন্ত মোট ৯টি পদক জিতেছে ভারত। পদকজয়ী অ্যাথলিটদের কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সোনার ছেলে নীতেশ

    প্যারালিম্পিক্সে নীতেশকে সোনার স্বপ্ন দেখেছিল ভারত। এসএল থ্রি বিভাগে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ছিলেন শীর্ষ বাছাই। ফাইনালে তাঁকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন দ্বিতীয় বাছাই ব্রিটেনের বেথেল। প্রথম গেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন নীতেশ। দ্বিতীয় গেমে কড়া টক্কর দেন ব্রিটিশ তারকা। প্রথম দুই গেম ১-১ হওয়ার পর তৃতীয় গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় দু’জনের। পাল্লা দিয়ে পয়েন্ট জিতেছেন দুই প্রতিপক্ষ। খুব বেশি লিড নিতে পারেননি কেউই। একটা সময় স্কোর ছিল ২১-২১। শেষে বাজিমাত করলেন নীতেশ। পর পর ২ পয়েন্ট জিতে গেম, ম্যাচ এবং সোনার পদক ছিনিয়ে নিলেন। লক্ষ্য সেন, পিভি সিন্ধুরা যা পারেনি তা করলেন ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো নীতেশ।

    রুপো যোগেশের

    এদিন প্যারালিম্পিক্স অ্যাথলেটিক্স থেকে চতুর্থ পদক আসে ভারতের ঝুলিতে। সোমবার ডিসকাস থ্রোয়ে রুপো পান যোগেশ কাঠুনিয়া। টোকিয়োর পর প্যারিস প্যারালিম্পিক্সেও দেশকে গর্বিত করলেন ২৭ বছরের ক্রীড়াবিদ। নীতেশের জয়ের ফলে ভারতের ঝুলিতে এল ২টি সোনা, ৩টি রুপো এবং ৪টি ব্রোঞ্জ। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সের পদক তালিকায় ২২ নম্বরে রয়েছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছে টাইব্রেকারে হেরে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2024) হাতছাড়া হল মোহনবাগানের। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হল সবুজ মেরুন শিবিরের। প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও কোনও লাভ হল না। দ্বিতীয়ার্ধে আগাগোড়া ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। নির্ধারিত সময়ে খেলা ২-২ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতল পাহাড়ের দলটি। মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো এবং শুভাশিস বসুর শট বাঁচিয়ে নায়ক নর্থইস্ট ইউনাইটেডের গোলকিপার গুরমিত। এদিনও যুবভারতীতে আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবি উঠল। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন।

    ম্যাচের আগে প্রতিবাদ

    ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও দেখা গেল আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের (North East United) বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচের আগে প্রতিবাদে সামিল হলেন সমর্থকরা। তা-ও কিনা রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সামনে। ব্যানারে দেখা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের দুই মহিলা সমর্থক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘হাতে হাত রেখে এ লড়াই, আমাদের বোনের বিচার চাই’। এর সঙ্গেই শনিবার আরও একটি ব্যানার দেখা যায়। মহিলাদের রাত দখলের কর্মসূচিতে যে পোস্টার তৈরি করা হয়েছিল, অনেকটা সেই ধাঁচেই ব্যানার তৈরি করা হয়। সঙ্গে লেখা, ‘তোর কোনও ভয় নেই বোন, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি’।

    শুরু থেকেই দাপট

    ম্যাচের শুরু (Durand Cup 2024) থেকেই দাপট দেখায় মোহনবাগান। কামিন্সের পর সাহাল, প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথম গোলটি হয় ৯ মিনিটের মাথায়। পেনাল্টিতে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিলেন কামিন্স। বক্সের মধ্যে সাহালকে ফাউল করেন নর্থ ইস্ট ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ফের গোল মোহনবাগানের। এবার নর্থ ইস্টের জালে বল জড়ালেন সাহাল। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যান কোলাসো। বক্সে ঢুকে পাস দেন সাহালকে। সেখান থেকে জালে বল জড়িয়ে দেন সবুজ-মেরুনের ফুটবলার। 

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রঙ বদল

    প্রথমার্ধেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ২-০ এগিয়ে যাওয়ায় ১৮ নম্বর ট্রফির স্বপ্ন উজ্জ্বল হতে শুরু করে সবুজ মেরুন শিবিরে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎই খেলার রং বদল। ম্যাচের ৫৬ ও ৫৮ মিনিটে পরপর দু-গোল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফয়সালা না হওয়ায় ফাইনাল গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত পাহাড়ের দলটির। নাটকীয় ফাইনালে টাইব্রেকারে মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) হারিয়ে প্রথমবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেই চ্যাম্পিয়ন (Durand Cup 2024) হল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসির মসনদে পা রেখেছেন জয় শাহ (Jay Shah)। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। এ বার আইসিসির (ICC) দায়িত্বে এসে ক্রিকেটের আরও উন্নতি করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। ক্রিকেট প্রশাসনের শীর্ষস্থানে এর আগেও চার ভারতীয় নিজেদের স্বাক্ষর রেখেছেন। এবার পালা জয়ের। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের মসনদ লাভ করায় ভারত আরও সুবিধা পাবে বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল। তবে এখন কিন্তু শুধু ভারতীয় ক্রিকেট নয় বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নতির কথা ভাবতে হবে তাঁকে এমনই দাবি আইসিসির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির।

    ক্রিকেটে জয়-যাত্রা

    ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর গুজরাটে জয়ের জন্ম। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সোনাল শাহের পুত্র তিনি। জয়ের ছোটবেলা কেটেছে গুজরাটেই। সেখানেই পড়াশোনা করেছেন। আমেদাবাদের নিরমা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিটেক করেন জয়। ২০০৯ সালে জিসিএ-র এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৩ সালে সহ-সচিব। বিসিসিআই-এর অন্দরে প্রথম পা রাখেন ২০১৫ সালে। হন ফিনান্স কমিটির সদস্য। এরপর ২০১৯-এ পান সচিবের দায়িত্ব। বর্তমানে দ্বিতীয় দফায় এই আসন সামলাচ্ছেন তিনি। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন জয়। এবার সেসব পিছনে ফেলে আইসিসি’র মসনদে বসছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ৩০ নভেম্বরের পর আসন আর ধরে রাখতে চান না তিনি। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ২৭ অগাস্ট অবধি। জয় শাহের (Jay Shah) বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী না দাঁড়ানোয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরবর্তী সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

    আইসিসির দায়িত্ব নেওয়ার পরই জয় শাহর প্রথম চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নির্বিঘ্নে আয়োজন করা। পাকিস্তান আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক। ২০০৮ সালের এশিয়া কাপের পর ভারতীয় ক্রিকেট টিম পাক সফরে যায়নি। জয় শাহ আইসিসি-র দায়িত্বে থাকায় ভারত কি পাকিস্তানে খেলতে যাবে? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রীড়া বিশ্বে। তবে এক্ষেত্রে ভারতের প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বা কেন্দ্র সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে বিসিসিআই। এখন জয় শাহ মধ্যস্থতা করে ভারতেকে পাকভূমে খেলাতে নিয়ে যেতে পারেন। আবার ভারত না চাইলে নিরপেক্ষ কোনও জায়গাতেও হতে পারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। 

    ভারতে মহিলা ক্রিকেটের উন্নতি

    জয় শাহের নেতৃত্বে বিসিসিআই মহিলাদের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) শুরু করেছিল, যা অত্যন্ত সফল। এই লিগ মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চুক্তির পরিমাণ বাড়ায়, যা মেয়েদের ক্রিকেটে আসতে উৎসাহ দিয়েছে। শাহ ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের জন্য অভিন্ন ম্যাচ ফি প্রয়োগ করে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন। এবার বিশ্ব ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়ে তিনি যে মহিলা ক্রিকেটের আরও উন্নতির চেষ্টা করবেন তা বলাই বাহুল্য।

    ঘরোয়া ক্রিকেটে গুরুত্ব

    জয় শাহ খেলোয়াড়দের ঘরোয়া ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করেন। ভারতের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি (এনসিএ) কে নতুনভাবে সাজিয়েছেন জয়। বর্তমানে অ্যাকাডেমিটি শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। আমদাবাদে প্রধানমন্ত্রীর নামাঙ্কিত নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। জয় আইসিসি-র দায়িত্ব নিলেও তাঁর নজর যে সবসময় দেশের ক্রিকেটকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার দিকে থাকবে তা মনে করছে ক্রীড়ামহল।

    টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি

    আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার পরে দিন-রাতের টেস্ট নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেছেন শাহ। টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “হতে পারে এখন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রমরমা। কিন্তু আমাদের ভুললে চলবে না যে ক্রিকেটের ভিত হল টেস্ট। তাই সকলে যাতে ক্রিকেটের বড় ফরম্যাট খেলতে চায় সে দিকে নজর দিতে হবে। টেস্টকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এখন টি-টোয়েন্টির মতো টেস্টেও দর্শকেরা মাঠ ভরাচ্ছেন। এটা ভাল ছবি। দিন-রাতের টেস্ট শুরু হয়েছে। সেটাও আকর্ষণীয়।” চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরই জয়ের হাতে থাকবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দায়িত্ব। গত দুবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠলেও জিততে পারেনি ভারত। এবার জয়ের অপেক্ষায় রোহিতরা।

    কবে দায়িত্বগ্রহণ

    আইসিসির কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৫ বছরের জয় শাহ। এখন আইসিসির সদস্য সংখ্যা ১৬। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্বে জয়কে সমর্থন করেছিলেন ১৫ জন সদস্য। শুধু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সমর্থন পাননি বিসিসিআই সচিব। জয় শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছিলেন। পরে অন্য সদস্য দেশগুলির সমর্থন পেতেও সমস্যা হয়নি তাঁর। সব দেখেশুনে পিসিবি জয়ের বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটেনি। আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন জয়। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। ২০২২ সালে তাঁর আমলেই আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব রেকর্ড ৪৮,৩৯০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়। এই চুক্তির পরেই আইপিএল বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া লিগে পরিণত হয়। এবার বিশ্ব ক্রিকেটে সফল প্রশাসক হিসেবে একজন ভারতীয়ের ‘জয়’যাত্রার অপেক্ষায় ক্রিকেট অনুরাগীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jan Dhan Yojana: ১০ বছরে ৫৩ কোটি অ্যাকাউন্ট! জনধন যোজনার দশম বর্ষপূর্তিতে অভিনন্দন মোদির

    Jan Dhan Yojana: ১০ বছরে ৫৩ কোটি অ্যাকাউন্ট! জনধন যোজনার দশম বর্ষপূর্তিতে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনার (Pradhan Mantri Jan Dhan Yojana) ১০ বছর পূর্ণ হল। এক দশকেই  জনধন যোজনায় উপভোক্তার সংখ্যা বর্তমানে ৫৩.১৩ কোটি। অর্থ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জনধন অ্যাকাউন্টে মোট জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ২ লক্ষ ৩১ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। প্রায় ১৫ গুণ ডিপোজিট বেড়েছে জনধন (Jan Dhan Yojana) অ্যাকাউন্টে। এদিন এই প্রকল্পের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একইসঙ্গে উপভোক্তাদের অভিনন্দন জানান তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, জনধন যোজনার (Jan Dhan Yojana) অন্তর্গত ৫৩ কোটি গ্রাহকের মধ্যে ৫৫.৬ শতাংশই মহিলা। ৫৩ কোটি গ্রাহকের মধ্যে ৬৬.৬ শতাংশ গ্রাম ও শহরাঞ্চলের বাসিন্দা। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “আজ জনধনের ১০ বছর পূর্তি হল। সকল উপভোক্তাদের অভিনন্দন। যাঁরা এই প্রকল্পকে সফল করতে পরিশ্রম করেছেন, তাঁদেরও অনেক অভিনন্দন। জনধন যোজনা দেশের কোটি কোটি মানুষকে, বিশেষ করে মহিলা, যুব ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সম্মান দিয়েছে।”

    জনধন যোজনা কী

    ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালে সকলের জন্য প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনার (Pradhan Mantri Jan Dhan Yojana) ঘোষণা করা হয়। সে বছর স্বাধীনতা দিবসে এই প্রকল্প চালুর পর থেকে ২৮ অগাস্ট থেকেই শুরু হয়ে যায় জনধন অ্যাকাউন্ট ওপেনিং। যার ফলে কয়েক কোটি মানুষ প্রথমবার ব্যাঙ্কিং পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। ব্যাঙ্কের গ্রামীণ ও শহরের ব্রাঞ্চের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট হতে থাকে। তবে এই প্রকল্পে যে কোনও ভারতীয় নাগরিক গ্রাম হোক বা শহরের জনধন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। বড় ব্যাঙ্কেই যে যেতে হবে তার কোনও মানে নেই, ছোট ব্যাঙ্ক বা কোনও ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট থেকেও এই খাতা খোলা যায়।

    জনধন যোজনার সুবিধা

    জনধন যোজনায় (Jan Dhan Yojana) যদি অ্যাকাউন্ট খোলা হয় তাহলে কোনও মিনিমাম ব্যালান্সের ঝামেলা থাকে না অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ খালি করলেও কোনও চার্জ কাটা হয় না। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে এটিএম কার্ড বা ডেবিট কার্ড পাওয়া যায়। এরফলে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলেও টাকা তোলা যায়। এছাড়া অনলাইনেও পেমেন্ট করা যায়। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জনধন যোজনার অ্যাকাউন্ট থাকলে ডেবিট কার্ডের জন্য কোনও চার্জ কাটা হয় না। আপনি যদি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিতে চান তাহলে অনেক ডকুমেন্ট রেডি করতে হয়। তাছাড়াও ঋণ পেতে গেলে ক্রেডিট স্কোর ভালো হতে হয়। তবে এক্ষত্রে ক্রেডিট স্কোরের কোনও ঝামেলা নেই, বরং অ্যাকাউন্ট থাকা টাকার ওপরে ভিত্তি করেই লোন পাওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chattishgarh: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আর্জি মেনে ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ ২৫ মাওবাদীর

    Chattishgarh: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আর্জি মেনে ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ ২৫ মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী পুনর্বাসন নীতির সুফল মিলল। ছত্তিশগড়ের (Chattishgarh) বিজাপুর জেলায় ২৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ (Maoist Surrender) করেছে। এদের মধ্যে দুজন মহিলা। এই মাওবাদীদের জন্য মোট ২৯ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এরা নিজেরা আত্মসমর্পণ করায় মাওবাদী পুনর্বাসন নীতির অধীনে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছে ছত্তিশগড় সরকার।

    মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ

    ছত্তিশগড় (Chattishgarh) প্রশাসন সূত্রে খবর, সোমবার বিজাপুর জেলা পুলিশ সুপার এবং সিআরপিএফের ডিআইজির কাছে ২৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর মধ্যে তিনজনের জন্য ৮ লক্ষ টাকা করে, একজনের জন্য ৩ লক্ষ টাকা এবং অন্য দু’জন মাওবাদীর প্রতি ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পুলিশ সুপার বলেছেন যে আত্মসমর্পণ করা মাওবাদী পুনর্বাসন নীতির অধীনে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এরা নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) গাঙ্গলুর এবং ভৈরমগড় এলাকা কমিটিতে সক্রিয় ছিল, তাদের মধ্যে দু’জন মহিলা রয়েছে। এই দুই মহিলা, শাম্বতী মাদকাম (২৩) এবং জ্যোতি পুনেম (২৭) এবং মহেশ তেলাম সক্রিয় ছিলেন। চলতি বছরে এদের নিয়ে ১৭০ জন মাওবাদী হিংসার পথ ত্যাগ করল।

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা পাকিস্তান-আফগানিস্তান নয়’’, বন‍্ধের সকালে পুলিশকে হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

    কেন্দ্রের নীতি

    সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের (Chattishgarh) মাও অধ্যুষিত (Maoism) এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত দেশের কথা ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হবে মাওবাদীরা (Maoism)। তিনি জানিয়েছিলেন, মাওবাদীদের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য এর মধ্যেই নানা পরিকল্পনা ছকতে শুরু করেছে কেন্দ্র। রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা চলছে। ২০২৬ সালের মধ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ শেষ করার জন্য বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে।  অমিত শাহ জানান, মাওয়াবাদীদের জন্য নতুন সারেন্ডার পলিসি আনা হবে। তাই মাওবাদীরা যাতে আত্মসমর্পণ করেন, সেই আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। এরপরই ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ করল মাওবাদীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share