Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Devendra Fadnavis: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    Devendra Fadnavis: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। এনসিপি-র অজিত পাওয়ারও। বৃহস্পতিবার বিকেলে মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে মহাসমারোহে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বিজেপির তাবড় নেতা ও মুখ্যমন্ত্রীরা। ফড়নবীশকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন।

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট

    এদিন বিকেল পাঁচটার সময় মুম্বই’য়ের আজাদ ময়দানে (Mumbai’s Azad Maidan) এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সহ একাধিক শীর্ষ বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং জোট শরিকরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রথম সারির বলি-তারকারাও। ছিলেন শাহরুখ খান, সলমন খান, রণবীর সিং, রণবীর কাপুর, মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। শপথ অনুষ্ঠানে গানের সুরে মুগ্ধ করেন শিল্পী কৈলাস খের।

    ৪০০ জন সাধুর আশীর্বাদ

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে এদিন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে (Devendra Fadnavis) আশীষ দিতে অনুষ্ঠানে ছিলেন অন্তত ৪০০ জন সাধু-সন্ত। সারা দেশের ৪০০ জন সাধু এবং সন্তকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সংগঠন এবং সমিতির প্রতিনিধিরাও যোগ দেন। মুম্বই’য়ের আজাদ ময়দানে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগে, এদিন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের বাড়িতে চলে গৌপুজো। মুম্বাদেবীর মন্দিরেও পৌঁছন ফড়ণবীশ। সেখানেও পুজো দেন তিনি। সকলের আশীষ নিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার চালাতে চান, বলে জানান ফড়ণবীশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগপুরের কাউন্সিলার থেকে তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মাত্র ৫৪ বছরের জীবনে রাজনৈতিক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে চাণক্য-বুদ্ধিতে পথের নানান কাঁটা উপড়ে ফেলে ফের মুখ্যমন্ত্রীর পাগড়ি পরতে চলেছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে, তিনি জোট একতার উপর জোর দিলেন। বুধবার বিধান পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরেই দেবেন্দ্র বলেন, ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়।’’

    মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়

    বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে ফড়ণবীশ বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় বলেন সমস্ত ধর্মগ্রন্থের চেয়ে ভারতের সংবিধানই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে। ভোটের ফলাফলে আমি খুশি। আমার উপর এক নয়া দায়িত্ব কাঁধে চাপল। আবার একবার প্রমাণ হল, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।’’ উল্লেখ্য, এবার রাজ্যে ১৪৯টি আসনে লড়াই করে ১৩২টি আসনে জিতেছে বিজেপি। যা রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়াও তদারকি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ৫৭টি এবং অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ৪১ আসনে জয়ী হয়।

    এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়

    ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময় তাঁর বাবা গঙ্গাধররাও ফড়ণবীশকে জেলে পাঠিয়েছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। যা কিশোর দেবেন্দ্রর মনে তিক্ত ছাপ ফেলেছিল। নাগপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। ছাত্র বয়স থেকেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। সেই থেকে রাজনীতি করে ১৯৮৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে কনিষ্ঠতম কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং মাত্র ২৭ বছর বয়সে নাগপুরের কনিষ্ঠতম মেয়র হন দেবেন্দ্র। ২০১৪ সালে রাজ্যের অষ্টাদশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গদিতে বসেন। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তাঁর কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কেবল একটা টেকনিক্যাল নাম। আসলে আমি, একনাথ শিন্ডে ও অজিত পাওয়ার একসঙ্গে জোট বেঁধে যে কোনও কাজ করব। সবার মত নিয়েই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এক থেকে মহারাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এই সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স  ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই আয়োজিত হতে চলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। রবিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জয় শাহ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গে তিনিই কথা বলবেন। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে পিসিবি। শোনা যাচ্ছে ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইতে আয়োজনের কথা ভাবছে তারা। সেই মতো ভারত-পাকিস্তান মহারণও হবে মরু শহরে।

    পিসিবির শর্ত

    হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজন করতে রাজি হলেও আইসিসি সূত্রে খবর, একগুচ্ছ শর্ত দিয়েছে পিসিবি। তার মধ্যে অন্যতম হল ২০২৭ অবধি কোনো বহুদেশীয় টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচ ভারতে এসে যাতে না খেলতে হয় সে বিষয়ে আইসিসি’র সবুজ সংকেত চেয়েছে পাক বোর্ড (PCB)। আসন্ন টুর্নামেন্ট গুলির মধ্যে ২০২৬-এর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) রয়েছে ভারতের মাটিতে। যদিও সেখানে কো-হোস্ট হিসেবে থাকার কথা শ্রীলঙ্কার। ফলে পাকিস্তান চাইলে দ্বীপরাষ্ট্রে খেলতেই পারে ম্যাচগুলি। সমস্যা দেখা যেতে পারে আগামী বছরে মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপ (Women’s World Cup 2025) ও পুরুষদের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) নিয়ে। দুটি টুর্নামেন্টেরই একমাত্র হোস্ট ভারত। পাকিস্তান না এলে তাদের ম্যাচগুলি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোথাও আয়োজনের কথা ভাবতে হবে বিসিসিআই-কে। শোনা যাচ্ছে প্রতিটি টুর্নামেন্টের ফাইনালের জন্যও নাকি নিরপেক্ষ ভেন্যু চেয়েছে পিসিবি, তা আদৌ মানা হবে কিনা তা নিয়ে যদিও সংশয় রয়েছে। আইসিসি সূত্রে খবর, সোমবার চেয়ারম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আইসিসির সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন জয় শাহ। তবে আইসিসি-র তরফে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

    ভারত-পাক ম্যাচ 

    আইসিসি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে দুবাইয়ে খেলা হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ভারত-পাক হাইভোল্টেজ ম্যাচ। সাধারণত মেগা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহের রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ রাখা হয়। সম্প্রচারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ক্ষেত্রেও সেই প্রথাই মানা হবে। সম্ভবত ২৩ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Electoral Fraud: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    West Bengal Electoral Fraud: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হল। রাজ্যে ২৫ হাজার ভুয়ো ভোটার কার্ডের সন্ধান পেল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Electoral Fraud)। সম্প্রতি রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ১১টি কেন্দ্র থেকে ২৫ হাজারেরও বেশি ভোটার কার্ডে একই আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (Duplicate voter IDs in Bengal) থাকার ঘটনা আবিষ্কার করেছে কমিশন (Election Commission)। গত ১১ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছে প্রাথমিক ভোটার তালিকা। এরপরই এই ঘটনা চোখে পড়ে। দেখা যায়, বহু কার্ডে রয়েছে অভিন্ন পরিচয় নম্বর। বিরোধীরা বরাবরই রাজ্যে ভুয়ো ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। ভুয়ো ভোটার কার্ড মেলায় এবার সত্যিই রাজ্যবাসীর মনে প্রশ্ন, তাহলে কি এভাবেই জেতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)? মাত্র ১১টি কেন্দ্র থেকেই যদি ২৫ হাজার ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড বের হয়, তাহলে ২৯৪ আসনের নিরিখে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছবে, সেটাই ভাবাচ্ছে কমিশনকে।

    কোথায় কোথায় মিলল ভুয়ো কার্ড

    রাজ্যে যেসব আসনে এই অনিয়ম ধরা পড়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভিন্ন ভোটার আইডি কার্ড (West Bengal Electoral Fraud) পাওয়া গিয়েছে বাগদা দক্ষিণ (উত্তর ২৪ পরগনা), যা বাংলাদেশের সীমান্তে এবং মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি (দার্জিলিং), যা নেপাল সীমান্তের কাছাকাছি। এছাড়া, বাগদা উত্তর, মধ্যমগ্রাম, রাজারহাট-গোপালপুর, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পূর্ব ও পশ্চিম, কুরসঙ, শিলিগুড়ি, এবং ফালকাটা এসব এলাকায় ভুয়ো ভোটার আইডি কার্ডের সন্ধান মিলেছে। দেখা যাচ্ছে যে যে অঞ্চলে ভুয়ো ভোটারের রমরমা তা প্রায় সবই সীমান্ত ঘেঁষা। বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ ভোটের আগে-পড়ে এদেশে অনুপ্রবেশ ঘটায় বলেও মনে করছেন অনেকে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আগেই কমিশনের কাছে বলেছিলেন রাজ্য প্রশাসন ১৬ লাখ ভুয়ো বা দ্বৈত ভোটারকে সঙ্গী করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার রয়েছে।

    কীভাবে ঘটেছে এই অনিয়ম

    ইসি কর্মকর্তাদের মতে, মূল চিন্তার বিষয় হল, যেসব ভোটার কার্ডে (West Bengal’s Electoral Fraud) অভিন্ন আইডি নম্বর রয়েছে, তা ভুয়ো। কারণ ভোটার কার্ড নম্বর ইউনিক এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) এক আধিকারিক বলেন, “একই নম্বরের দুটি বা তার বেশি কার্ড হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এটি একটি গুরুতর অস্বাভাবিকতা, যার জন্য বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন।” কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশন ভুয়ো কার্ড শনাক্ত করতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছে। নামের সামান্য বানান পরিবর্তন বা প্রায় মিল থাকা ছবিগুলি শনাক্ত করার মাধ্যমে ডুপ্লিকেট কার্ড শনাক্ত করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হল একাধিক কার্ডে ক্লোন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর পাওয়া।

    ঘটনার তদন্ত

    কমিশন ১১ নভেম্বর প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় ৭.৪ কোটি ভোটারের (West Bengal’s Electoral Fraud) নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে ১৬ লক্ষ নাম সংশোধন বা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে, প্রাক-সংশোধনী পর্যায়ে ৬.২ লক্ষ নতুন নাম যোগ করা হয়েছে এবং ৪.৫ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এখানেই বহু গরমিল চোখে পড়েছে। একই নম্বর থাকা কার্ডগুলি ফের যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা যান্ত্রিক ত্রুটি না এর পিছনে রয়েছে বড় চক্রান্ত তা জানারও চেষ্টা চলছে। ভোটার তালিকায় দুর্নীতি বা বিদেশি নাগরিকদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটেছে কি না তা জনতে তদন্ত শুরু করেছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: অরুণাচলে ‘অপারেশন পূর্বী প্রহার’! চিন সীমান্তে ভারতের তিন বাহিনীর মহড়া

    কড়া পদক্ষেপের আর্জি বিরোধীদের

    এই ঘটনার পর, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন যে রাজ্যে প্রায় ১৬ লক্ষ ভুয়ো ভোটার রয়েছে। তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক আরিজ আফতাবের সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) প্রতিটি কেন্দ্রের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে এই ভুয়ো কার্ডগুলিকে শারীরিকভাবে যাচাই করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হবে। তবে কমিশনের মতে, এই ধরনের ভুয়ো কার্ড অন্যান্য কেন্দ্রেও পাওয়া যেতে পারে। ভুয়ো ভোটারদের চিহ্নিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতা ১৮.৮, পুরুলিয়ায় ১২.৭ ডিগ্রি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতা ১৮.৮, পুরুলিয়ায় ১২.৭ ডিগ্রি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত। চলছে শেষ পর্বের অনুশীলন। প্রতিদিনই নামছে পারদ। রবিবার পর্যন্ত শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ ডিগ্রি। সোমবার তা আরও কমে ১৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গিয়েছে। উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে রাজ্যে। সেই কারণেই পারদ (Winter in Bengal) নামছে, জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Update)। পূর্বাভাস, আর কয়েকদিনের অপেক্ষা, তারপরই ঝোড়ো ব্যাটিং করবে শীত।

    কলকাতার পারদ

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Winter in Bengal) নতুন করে আর কমবে না। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি কম। এ ছাড়া, রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা-ও স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি কম। সোমবার দক্ষিণবঙ্গে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রয়েছে পুরুলিয়ায়। সেখানে পারদ নেমে গিয়েছে ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া উলুবেড়িয়ায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দমদমে ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিউড়িতে ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কল্যাণীতে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমেছে পারদ।

    আরও পড়ুন: গোলাপি টেস্টে ফিরছেন রোহিত! পারথে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বুমরা, ওপেনার কে?

    কুয়াশার সতর্কতা 

    উত্তরে মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দক্ষিণবঙ্গে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় আগামী তিন দিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে দার্জিলিঙে (৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এ ছাড়া আলিপুরদুয়ারে ১৬, কোচবিহারে ১৬.৭, রায়গঞ্জে ১৫.৯ এবং কালিম্পঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের আমেজের প্রথম স্পেল অন্তত আগামী ৮ দিন থাকছে বলে আশ্বাস আলিপুর হওয়া অফিসের। আগামী ৭২ ঘণ্টায় আরও পারদ পতনের (Winter in Bengal) সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলায় পতনের সূচক বেশি। গাঙ্গেয় বঙ্গে পতনের সূচক সেই অনুপাতে কিছুটা কম। আগামী ৭২ ঘণ্টায় আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India vs Australia: গোলাপি টেস্টে ফিরছেন রোহিত! পারথে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বুমরা, ওপেনার কে?

    India vs Australia: গোলাপি টেস্টে ফিরছেন রোহিত! পারথে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বুমরা, ওপেনার কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার (India vs Australia) বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে খেলছেন না রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। পারথ টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন যশপ্রীত বুমরা। রোহিতের জায়গায় প্রথম টেস্টের দলে নেওয়া হয়েছে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। ওপেনার হিসেবে কেএল রাহুলকে খেলানো প্রায় নিশ্চিত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট অ্যাডিলেডে। সেটি গোলাপি বলে দিন-রাতের ম্যাচ। তার আগে গোলাপি বলে ভারতের একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, প্রস্তুতি ম্যাচের আগেই টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন রোহিত শর্মা।

    অনুপস্থিত রোহিত, নেতা বুমরা

    সদ্য বাবা হয়েছেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। আরও কিছুদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চান তিনি। বোর্ড সূত্রে খবর, রোহিত বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন যে এখনই অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia) যেতে পারবেন না। পরিবারের সঙ্গে আরও সময় কাটাতে চান। দিন-রাতের টেস্টের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। মাঝে ন’দিনের ব্যবধান রয়েছে। তাই অ্যাডিলেড টেস্টে রোহিতের খেলা নিয়ে সংশয় নেই। রোহিতের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দেবেন বুমরা। এর আগে ইংল্যান্ডে একটি টেস্টে বুমরা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ওপেনিংয়ে রাহুল না ঈশ্বরণ

    রোহিত (Rohit Sharma) না থাকায় টপ অর্ডারেও চাপ বাড়ছে। যশস্বীর সঙ্গে ওপেনার কে, এই প্রশ্ন জোরালো। তার অন্যতম কারণ, শুভমন গিলের চোট। সূত্রের খবর, পারথে শুভমনকে খেলানোর ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। সে কারণে ওপেনিংয়ের পাশাপাশি তিন নম্বর নিয়েও ভাবতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। চোটমুক্ত হয়ে রবিবার অনুশীলনে ফিরেছেন কেএল রাহুল। বোর্ডের পোস্ট করা ভিডিওতে তিনি বলেছেন, “ম্যাচের প্রথম দিন খারাপ ভাবে লেগেছিল। আজ ভালো লাগছে। প্রথম ম্যাচের জন্য তৈরি হচ্ছি। এ দেশে তাড়াতাড়ি এসে প্রস্তুতির অনেকটা সময় পেয়েছি ভেবে খুশি। সিরিজের জন্য অনেকটা প্রস্তুতির সময় পেয়েছি।” তবে, রাহুল খেলতে না পারলে যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে ওপেন করতে পারেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাংলার এই ব্যাটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাফল্য পেয়ে আসছেন। ভারত এ দলের হয়েও সাফল্য পেয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে বিপাকে আইসিসি। বিসিসিআই-এর চাপে কার্যত দোদুল্যমান অবস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের। বিসিসিআইয়ের (BCCI) পক্ষ থেকে আইসিসিকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) খেলার জন্য পাকিস্তানে যাবে না ভারতীয় দল। একইসঙ্গে সূচি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানও বাতিল করল আইসিসি। এই অনুষ্ঠানটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। এর ফলে ক্ষোভে ফুঁসছে পিসিবি।

    ভারতের দাবির মান্যতা

    ফেবরুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের মাটিতে শুরু হওয়ার কথা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025)। প্রথমে কথা ছিল, গোটা প্রতিযোগিতাই অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের মাটিতে। সেই মতোই, সব দেশই প্রায় রাজি হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে, ব্যতিক্রম ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এবার ভারতের চাপে পড়েই বড় সিদ্ধান্ত নিতে হল আইসিসিকে। যেমন কথা তেমন কাজ, আগেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড(BCCI) জানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাবে না তাঁরা। আইসিসি ইভেন্ট হলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে না যাওয়ার কড়া মনোভাবে অনড় থাকে ভারতীয় দল। হাইব্রিড মডেলেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে চায়। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান দলের অন্যান্য সব ম্যাচ পাকিস্তানে হলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সেদেশে হবে না। এমনকি ফাইনালে টিম ইন্ডিয়া উঠলে সেই ম্যাচও পাকিস্তানে হবে না।  এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ পিসিবি। 

    আরও পড়ুন: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    আইসিসির অনুষ্ঠান বাতিল

    এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে আইসিসির সঙ্গে যৌথভাবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy 2025) উন্মোচনের কথা ছিল ১১ নভেম্বর। সোমবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর ১০০ দিন বাকি উপলক্ষ্যে লাহোরে সেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। যদিও ভারতীয় দল সেদেশে যাব না জানিয়ে দেওয়ায়, সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। যদিও পিসিবির ঘনিষ্ঠ এক আইসিসি কর্তা ভারতের জন্য এই ইভেন্ট বাতিল হয়েছে বলে মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, লাহোরে এই মূহূর্তে আবহাওয়া ঠিক নেই। সেখানে বাতাসে বিষাক্ত ধূলিকনা রয়েছে, সেই কারণেই আপাতত ট্রফির ফ্ল্যাপ অফ সেরিমনি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Blast: স্টেশন জুড়ে রক্তের দাগ, ছিন্নভিন্ন হাত-পা! পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত অন্তত ২৫

    Pakistan Blast: স্টেশন জুড়ে রক্তের দাগ, ছিন্নভিন্ন হাত-পা! পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত অন্তত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেঁপে উঠল পাকিস্তান (Pakistan Blast)। এবার হামলা রেলস্টেশনে। শনিবার সকালে পাকিস্তানের বালোচিস্তানের কোয়েটা রেল স্টেশনে (Quetta Railway Station) ভয়৷বহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হল অন্তত ২৫ জনের৷ আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন৷ হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি সংগঠন। এটি একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান পুলিশের।

    সকালে ব্যস্ত সময়ে বিস্ফোরণ

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পেশোয়ারগামী একটি ট্রেন ছাড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কোয়েটার প্রধান রেল স্টেশন৷ সেউ সময় ওই স্টেশনটি ভিড়ে ঠাসা ছিল৷ বিস্ফোরণের (Pakistan Blast) জেরে প্ল্যাটফর্মের উপরেই ছিটকে পড়ে রেলযাত্রীদের দেহ৷ উড়ে যায় স্টেশনের ছাদ৷ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, সম্ভবত সেনাবাহিনীর স্কুল থেকে আসা একটি দলকে লক্ষ্য করেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷ কোয়েটার সিনিয়ার সুপারিনটেডেন্ট মহম্মদ বালোচ জানান, বিস্ফোরণের সময় স্টেশনে প্রায় শতাধিক মানুষ ছিলেন। ফলে বিস্ফোরণের পর হুড়োহুড়ি পড়ে যায় প্ল্যাটফর্মে। খবর পেয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বম্ব স্কোয়াড বিস্ফোরণস্থল খতিয়ে দেখছে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ মহম্মদ বালোচ বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।”

    বালোচিস্তান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পৌঁছেছে। বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডও উপস্থিত হয়েছে। বিস্ফোরণস্থল (Pakistan Blast) থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এদিন বিস্ফোরণের পরই কোয়েটার আশেপাশের হাসপাতালগুলিতে ইমার্জেন্সি জারি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, বালোচ লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে। সাম্প্রতিক কালে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে৷ মাস তিনেক আগে এই বালোচিস্তানেই থানা এবং হাইওয়েতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BCCI Board Meeting:  বোর্ডের বৈঠকে প্রশ্নের মুখে রোহিত-গম্ভীর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় ভারতের

    BCCI Board Meeting: বোর্ডের বৈঠকে প্রশ্নের মুখে রোহিত-গম্ভীর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে প্রথমবার টেস্ট সিরিজে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা সহ্য করতে হয়েছে ভারতকে (BCCI Board Meeting)। নিউজিল্যান্ডের কাছে হোম সিরিজে বিধ্বস্ত হয়ে ভারত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যাওয়ার রাস্তা নিতান্ত কঠিন করে ফেলেছে। এই আবহে শুক্রবার দীর্ঘ ছয় ঘন্টার বৈঠকে বোর্ড কর্তাদের প্রশ্নের মুখে পড়লেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বৈঠকে ছিলেন নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগরকর, বোর্ড সচিব জয় শাহ ও প্রেসিডেন্ট রজার বিনি। বৈঠকে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান, কোচ এবং অধিনায়কের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই ব্যর্থতার ধাক্কা সামলে কীভাবে দল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

    বোর্ডের বৈঠকে আলোচনা

    সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বোর্ডের জনৈক আধিকারিক বলেছেন, ‘‘ছয় ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ভারতীয় দলকে ত্রুটিমুক্ত করার বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। দল কী ভাবে আবার ছন্দে ফিরতে পারে, তা জানতে চাওয়া হয় কোচ এবং অধিনায়কের কাছে।’’ জানা গিয়েছে, মুম্বই টেস্টে বুমরা-কে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্তে মোটেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি বোর্ডের (BCCI Board Meeting) কর্তারা। তা ছাড়়াও কেন পুণে টেস্টে স্পিন সহায়ক উইকেটে হারের পরেও মুম্বইয়ে সেই একই ধরনের পিচ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও বিরক্ত কর্তারা। এখন ভারতের টানা তৃতীয়বার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা নির্ভর করছে আসন্ন বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পারফরম্যান্সের উপরে। গুরুত্বপূর্ণ অজি সফরে পা হড়কালেই এবারের মতো ডব্লিউটিসি ফাইনালের স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হবে রোহিত শর্মাদের।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়

    টেস্টে ঘরের মাঠে পরাজিত হলেও আইপিএল খেলে অভ্যস্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা টি-টোয়েন্টি-তে নিজেদের দাপট বজায় রাখলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকাকে (India vs South Africa) হারিয়েছিল ভারত। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে একই প্রতিপক্ষকে হারাতে বেশি পরিশ্রমই করতে হল না ভারতকে। সঞ্জু স্যামসনের শতরান এবং বরুণ চক্রবর্তীর তিন উইকেটের সৌজন্যে ভারত জিতল ৬১ রানে। সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই ভাল খেলেছে ভারত। গোটা ম্যাচই তারা নিয়ন্ত্রণ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেল পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প (Vidyalaxmi Scheme)। এই কর্মসূচিতে মূলত নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় আর্থিক ঋণ দেবে নরেন্দ্র মোদি সরকার। পাশাপাশি, পড়ুয়ারা বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিমূলক ক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণে আর্থিক সহায়তা পাবে। ভারত হোক অথবা বিদেশ, কোনও বিশেষ বিষয় নিয় উচ্চ শিক্ষা করতে যাওয়া মানেই তা একটি ব্যয়বহুল ব্যাপার। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার জন্য অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সমর্থন করার জন্য আর্থিক ভাবে ততটাও সক্ষম নন। কেন্দ্রীয় সরকার সেই জায়গাতেই ছাত্রছাত্রীর সমস্যা সমাধানের জন্য বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের ঘোষণা করেছে। এর জন্য সরকারের বরাদ্দ ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ থেকে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৭ লক্ষ নতুন ছাত্রছাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনতে চাইছে সরকার।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক (Vidyalaxmi Scheme) থেকে মিলবে এডুকেশন লোন। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি থাকবে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের আওতায়। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এই প্রকল্পে ঋণ পেতে গেলে কোনও জামিনদার বা গ্যারেন্টার লাগবে না। প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য, কোনও মেধাবী পড়ুয়া যাতে বঞ্চিত না হন।’’ অর্থ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের অধীনে আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষা ঋণ দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছে। প্রার্থীরা এই ঋণ প্রকল্পগুলির জন্য আবেদন করতে সরাসরি নিজেরাই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালে লগ ইন করতে পারেন। 

    বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের মূল বৈশিষ্ট্য:

    ১) শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। পোর্টাল ভিত্তিক বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের সহায়তায় কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে ইচ্ছুক কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এমন সমস্ত ছাত্রদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চায়৷ ফলে স্বাভাবিক ভাবেই উচ্চ শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত হবে ছেলেমেয়েরা।

    ২) ঋণ এবং বৃত্তির জন্য আবেদন করতে সক্ষম হওয়া। অ্যাকাডেমিক কোর্সের জন্য আর্থিক প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য ঋণ বা সরকারি স্পনসরড স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য পোর্টাল চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে সহজে।

    ৩) নানা ধরনের কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। এই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সহায়তায় আগ্রহী প্রার্থীরা নানা ধরনের কোর্সের অধীনে শিক্ষা গ্রহণের জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে সক্ষম হবে। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন স্কিম এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।

    ৪) একটি মাত্র আবেদনপত্রেই হবে কাজ। আবেদনকারী প্রার্থীরা শুধু মাত্র একটি ফর্ম পূরণ করে নির্দিষ্ট ঋণ বা বৃত্তি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাধারণ শিক্ষাগত ঋণের আবেদনপত্র বা সিইএলএএফ হল আবেদনপত্রের ধরন।

    ৫) প্রত্যেক শিক্ষার্থী সাধারণ আবেদনপত্রের সহায়তায় সর্বাধিক তিনটি ব্যাঙ্কে আবেদন করতে সক্ষম হবেন। ব্যাঙ্কের পছন্দ প্রার্থীর পছন্দের উপর নির্ভর করবে।

    ৬) আবেদনের হার্ড কপির প্রয়োজনীয়তা নেই। যখন আগ্রহী প্রার্থীরা বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের এই অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কোনও ব্যাঙ্কে ঋণ সংক্রান্ত কোনও আবেদন করেন, তখন ব্যাঙ্কগুলিতে সেই আবেদনপত্রের হার্ড কপি জমা দেওয়ার দরকার নেই। ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য এটি বরং সহজ ভাবে ডাউনলোড করে কম্পিউটারে, ট্যাবে বা মোবাইলে রেখে দেওয়া যেতে পারে।

    ৭) ব্যাঙ্ক এবং ঋণ প্রকল্প সম্পর্কে বিশদ তথ্য ছাড়াও শিক্ষার্থীরা সরকারি বৃত্তি কর্মসূচি সম্পর্কেও নানা ধরনের তথ্য পাবেন। কারণ সরকারি বৃত্তি পোর্টালগুলি বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত।

    ৮) আবেদনকারীর ফর্মের বর্তমান অবস্থা বা স্টেটাস সম্পর্কে আবেদনকারীদের অবহিত রাখা প্রতিটি ব্যাঙ্কের দায়িত্ব৷ এই বিশদ বিবরণ সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী শুধু মাত্র লগ ইন করার মাধ্যমে অর্জন করতে পারেন বা জানতে পারেন।

    ৯) উপরে উল্লিখিত এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ছাড়াও, প্রার্থীরা যে কোনও রকমের সমস্যা এবং অভিযোগ জমা দেওয়ার জন্য এই পোর্টালেই রেজিস্টার করার সুযোগ পাবেন।

    ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ

    প্রতি বছর সর্বোচ্চ এক লক্ষ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পে ঋণ পাবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ‘‘আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক পারিবারিক আয়ের একজন পড়ুয়া ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ পাবেন পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পে (Vidyalaxmi Scheme)। সুদের হার হবে ৩ শতাংশ।’’ ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এই ঋণ মঞ্জুর হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে বার্ষিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের পরিবারের পড়ুয়ারা উচ্চশিক্ষায় কেন্দ্রীয় ঋণ পেতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share