Author: subhra-katwa

  • Ramakrishna 469: ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    Ramakrishna 469: ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    ঠাকুর চুপ করিলেন। ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “আরও কত কী বলতে দে না! — মুখ যেন কে আটকে দেয়!”

    “সজনে তুলসী এক বংশ হত। ভেদ-বুদ্ধি দূর করিয়া দিলেন। বেলতলায় ধ্যান করিতি, দেখিল এক জন দেব মুসলমান (মোহাম্মদ) সান্নিধ্য করিয়া ভাত লইয়া সামনে এল। সান্নিধ্য হইতে শ্রেষ্ঠদের খাইয়া আমাকে দুটি দিল। মা দেখাইলেন, এক বৈ দু’ই নাই। সচিদানন্দই নানা রূপ ধরিয়া রহিয়াছেন। তিনিই জীবজগৎ সমস্তই হইয়াছেন। তিনিই অম্বর হইয়াছেন।”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    গিরিশ, মাস্টার প্রভৃতির প্রতি —
    “আমার বালক স্বভাব। হৃদয় বললে, মাথা, মস্তক কিছু স্থির কথা বলে, — আমাতে মাথা বলে চলল না! এমন অবস্থায় রয়েছে যে, যে ব্যক্তির কাছে থাকবে তার কথা শুনতে হবে। ছোট ছেলেদের যেমন আছে লোক না থাকলে অন্ধকার দেখে — আমারও সেইরূপ হত! হৃদয়ে কাছে না থাকিলে প্রাণ যায় যায় হত। ওই দেখো! ওই ভাবটা আসছে!… কথা কইতে কইতে উদ্দীপন হয়।”

    এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হয়েছেন। দেশ কাল বোধ চলিয়া গিয়াছে। অতি কষ্টে ভাব সংবরণ করিতে চেষ্টা করিতেছেন। ভাব বলিতেছেন, “এখনও তোমাদের দেখিতেছি, — কিন্তু বোধ হচ্ছে যেন চিরকাল তোমার বনে আছি, কখন এসেছি, কোথায় এসেছি এ-সব কিছু মনে নাই।”

    ঠাকুর কিঞ্চিৎকাল প্রকৃতিস্থ হইয়া বলিতেছেন, “জল খাব।”
    সমাধিভঙ্গের পর মন নামাযিবার জন্য ঠাকুর এই কথা প্রায় বলিয়া থাকেন। গিরিশ নতুন আসিতেছেন, জানেন না তাই জল আনিতে উদ্দত ইলিশেন। ঠাকুর বারণ করিতেছেন আর বলিতেছেন, “না বাপু, এখন খেতে পারব না।”

  • Indian Railways: প্রথম ১৫ মিনিট আধার ছাড়া বুকিং নয়, অনলাইনে টিকিটে জালিয়াতি রুখতে বড় পদক্ষেপ রেলের

    Indian Railways: প্রথম ১৫ মিনিট আধার ছাড়া বুকিং নয়, অনলাইনে টিকিটে জালিয়াতি রুখতে বড় পদক্ষেপ রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সংরক্ষিত টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় আসছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। যাত্রীদের সুবিধা ও টিকিট কালোবাজারি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রেল। আগামী ১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে আইআরসিটিসি (IRCTC)-র ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে এক নতুন নিয়ম। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বুকিং শুরুর প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যে আধার সংযুক্ত ইউজার আইডি দিয়েই কেবল সংরক্ষিত টিকিট কাটা যাবে। আধার সংযোগ (Aadhaar Verification) ছাড়া অন্য কোনও ইউজার আইডি ওই সময়টিতে টিকিট বুক করতে পারবে না।

    সমস্যার মূলে দালালচক্র

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে যে অনলাইনে টিকিট বুকিং (Indian Railways) খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল সংখ্যক আসন অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সাধারণ যাত্রীদের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘রিগ্রেট’ বা ‘নো রুম’ বার্তা। অনেক সময় দীর্ঘ ওয়েটিং লিস্টও দেখা যায়, যা কনফার্ম হওয়া প্রায় অসম্ভব। অথচ সেই একই টিকিট কিছুক্ষণের মধ্যেই পাওয়া যায় এজেন্ট বা দালালদের কাছে, তবে দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে। অভিযোগ, একাধিক ভুয়ো ইউজার আইডি ব্যবহার করে বা বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে বহু টিকিট কেটে নেয় অসাধু চক্র। পরে তা চড়া অঙ্কে বিক্রি করা হয় প্রকৃত যাত্রীদের কাছে।

    আগেও উদ্যোগ নিয়েছে রেল

    টিকিট কালোবাজারি রুখতে এর আগে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রেল। গত জুলাই থেকে তৎকাল টিকিট (Indian Railways) বুকিংয়ে আধার যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সত্ত্বেও উৎসবের মরশুমে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন। এবার সেই সমস্যার সমাধানেই সাধারণ সংরক্ষিত বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও আধার যাচাই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

    নতুন নিয়মের খুঁটিনাটি

    বুকিং খোলার প্রথম ১৫ মিনিটে কেবলমাত্র আধার লিঙ্ক করা ইউজার আইডি ব্যবহারকারীরাই টিকিট কাটতে পারবেন।

    আধার লিঙ্ক না করা ইউজাররা সেই সময়টায় টিকিট কাটতে পারবেন না, তবে ১৫ মিনিট পার হওয়ার পর তারা আবার বুকিং করতে পারবেন।

    নতুন নিয়ম কার্যকর হবে শুধুমাত্র অনলাইন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে।

    পিআরএস (Passenger Reservation System) কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার নিয়মে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

    অনুমোদিত এজেন্টদের ক্ষেত্রেও আগের মতোই প্রথম ১০ মিনিট টিকিট কাটার সুযোগ থাকবে না। সাধারণ যাত্রীদের অগ্রাধিকার বজায় থাকবে।

    সিআরআইএস (CRIS) ও আইআরসিটিসি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিস্টেম আপডেট করার জন্য, যাতে নতুন নিয়ম কার্যকর হয় নির্দিষ্ট সময় থেকে।

    দূরপাল্লার ট্রেনে সংরক্ষণ খোলা হয় যাত্রার ৬০ দিন আগে

    বর্তমানে দূরপাল্লার ট্রেনে (Indian Railways) সংরক্ষণ খোলা হয় যাত্রার ৬০ দিন আগে। সেই এআরপি-র শুরুর দিনেই সাধারণত কনফার্মড টিকিটের জন্য যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করেন। সেই সময়ই সক্রিয় হয়ে ওঠে অসাধু চক্র। তাই এবার থেকে বুকিং খোলার ওই প্রথম ১৫ মিনিটে কেবল আধার যাচাই করা যাত্রীরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নিয়ম কার্যকর হলে কী কী সুবিধা

    ভুয়ো আইডি ব্যবহার করে অসাধু চক্রের পক্ষে মুহূর্তে বহু টিকিট বুক করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

    প্রকৃত যাত্রীরা অনলাইনে কনফার্মড টিকিট পাওয়ার বেশি সুযোগ পাবেন।

    কালোবাজারি ও বেআইনি দালালচক্রের প্রভাব অনেকটাই কমবে।

    উৎসবের মরশুমে টিকিট না পেয়ে যাত্রীদের নাকাল হওয়ার আশঙ্কাও অনেকটা হ্রাস পাবে।

    তবে যাত্রী মহলের একাংশ মনে করছেন, যাঁদের ইউজার আইডি এখনও আধার সংযুক্ত নয়, তারা প্রাথমিকভাবে অসুবিধায় পড়তে পারেন। এছাড়া, সার্ভারের উপর চাপ বেড়ে গেলে বা প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে বুকিং প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই যাত্রীদের আগে থেকেই নিজেদের আইআরসিটিসি অ্যাকাউন্টে আধার লিঙ্ক করে রাখতে রেলের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    রেলের দাবি এতে অনিয়ম অনেকটাই কমবে (Indian Railways)

    রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, নয়া নিয়ম কার্যকর হলে টিকিট বুকিং প্রক্রিয়ায় অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। এত দিন শুধুমাত্র তৎকাল টিকিট বুকিংয়ে আধার যাচাই বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এবার সাধারণ সংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়েও সেই নিয়ম চালু হওয়ায় প্রকৃত যাত্রীরা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অসাধু দালালচক্রের কার্যকলাপ রোধ হবে এবং যাত্রীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে উৎসব ও দীর্ঘ ছুটির মরশুমে, যখন দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট পাওয়া নিয়ে হাহাকার দেখা দেয়, তখন কনফার্মড আসন পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে। ফলে ভোগান্তি কমবে সাধারণ মানুষের, আর টিকিট বুকিং ব্যবস্থার উপর যাত্রীদের আস্থা আরও বাড়বে।

  • Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজোয় আমন্ত্রণ থেকে রাজ্য রাজনীতি, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজোয় আমন্ত্রণ থেকে রাজ্য রাজনীতি, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সরকারি বাসভবনে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলল এই বৈঠক। বিজেপি সূত্রের খবর, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা সমস্যা এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে।

    বৈঠক নিয়ে সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন শুভেন্দু?

    এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মনীয় শ্রী অমিত শাহ জির সাথে আজ ওনার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলাম। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আজ ওনার সাথে আলোচনা হয়েছে।’’ শুভেন্দু আরও লেখেন, ‘‘ ব্যস্ততা সত্বেও প্রায় ৪৫ মিনিট মতো উনি আমাকে সময় দিয়েছেন এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’’ শুধু রাজনৈতিক কথাবার্তা নয়, বৈঠকে ব্যক্তিগত আমন্ত্রণও জানান শুভেন্দু। জানা গেছে, আসন্ন দুর্গাপুজোয় বাংলায় এসে মাতৃ আরাধনার সাক্ষী থাকতে অমিত শাহকে অনুরোধ করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘সম্মানীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে আমি আসন্ন দুর্গাপুজোয় পশ্চিমবঙ্গে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’’

    বৈঠকে উঠে এসেছে শুভেন্দুর নিরাপত্তা প্রসঙ্গও

    আলোচনার সময়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তা প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়। অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা হিসেবে বাংলায় তাঁকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় সুরক্ষার বিষয়টিও বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির সংগঠনকে সক্রিয় করে তোলার জন্য এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রকৃতপক্ষে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও চাঙ্গা করে তোলা যায়, সেই রূপরেখা নিয়েই মূলত এদিনের বৈঠকে বিস্তৃত আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বুথস্তরে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নেতৃত্ব ও কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ এসব নিয়েই আলোচনা হতে পারে। তাই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • Sukanta Majumdar: এয়ারপোর্টের ভিভিআইপি জোনে সুকান্তর কনভয় ঢুকতে দিল না মমতা-পুলিশ, শুরু বিতর্ক

    Sukanta Majumdar: এয়ারপোর্টের ভিভিআইপি জোনে সুকান্তর কনভয় ঢুকতে দিল না মমতা-পুলিশ, শুরু বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানানোর মুহূর্তে বিমানবন্দরে তৈরি হল বিতর্ক। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কনভয়কে হঠাৎই থামিয়ে দেয় মমতার পুলিশ। অভিযোগ, বিমানবন্দরের ভিভিআইপি জোনে ঢোকার আগে তাঁকে গাড়ি থেকে নামতে বলা হয় এবং বাকি পথ হেঁটেই যেতে বাধ্য করা হয় মন্ত্রীকে। সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, তিনি জানতে চাইলে পুলিশ জানায়—‘ম্যাডামের আপত্তি আছে।’ জানা গেছে, এই “ম্যাডাম” আসলে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিসি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক, যিনি ওই সময়ে বিমানবন্দর এলাকার নিরাপত্তা দেখভাল করছিলেন।

    সুজিতের গাড়ি ঢুকলেও কেন বাধা সুকান্তকে?

    ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপি (BJP) রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে দ্বিচারিতার। তাদের বক্তব্য, প্রটোকলের অজুহাতে ইচ্ছাকৃতভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে (Sukanta Majumdar) অপমানিত করা হয়েছে। অথচ, কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর কনভয়কে বিনা বাধায় একই এলাকায় ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। বিজেপির প্রশ্ন—একই জায়গায়, একই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে গাড়ি নিয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হল কেন, অথচ রাজ্যের মন্ত্রীকে সেই ছাড় দেওয়া হল কীভাবে? গেরুয়া শিবিরের দাবি, এর মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার?

    এনিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমি ডিসির নামে একটা প্রিভিলেজ নোটিস পাঠাচ্ছি। উনি গিয়ে অধ্যক্ষকে উত্তর দেবেন। কোন এক্তিয়ারে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ি উনি বিমানবন্দরের গেটে ঢুকতে দেবেন না, অথচ রাজ্যের মন্ত্রীর গাড়ি ঢুকবে? রাজ্যের মন্ত্রীর মাথায় কি দুটো সিং গজিয়েছে? তাঁদের অতিরিক্ত কী প্রিভিলেজ আছে? নিয়ম তো সবার জন্য এক হবে। যদি মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি আসত, তাহলেও এক কথা।”

    রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ সুকান্তর

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘এখানকার পুলিশ প্রশাসন যেভাবে কাজ করছে তা অগণতান্ত্রিক। আপনারা দেখেছেন, সুজিত বাবুর গাড়ি কালও ঢুকেছিল এই চত্বরের মধ্যে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আমার গাড়ি এখানে ঢুকে দেওয়া হয়নি। আমরা যখন পুলিশকর্মীর সঙ্গে কথা বলি, ওঁরা বলেন ম্যাডাম মানা করেছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কোন ম্যাডাম ? ওঁরা বললেন, ডিসি। কোন এক্তিয়ারে একজন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি উনি এখানে ঢুকতে দেবেন না। অথচ রাজ্যের মন্ত্রীর গাড়ি ঢুকবে। এই ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ আমরা সহ্য করব না।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘যদি মুখ্যমন্ত্রী আসতেন তাহলে নয় আমি ভাবতাম যে হ্যাঁ মুখ্যমন্ত্রী। স্বাভাবিকভাবেই তিনি আমাদের অনেক উপরে অবস্থান করেন, তাঁর গাড়ি আলাদাভাবে ঢুকতেই পারে। কিন্তু, রাজ্যের একজন মন্ত্রীর গাড়ি যদি এখানে ঢুকতে পারে, কেন্দ্রেরও যে কোনও মন্ত্রীর গাড়ি এখানে ঢুকতে দিতে হবে। যদি দিয়ে না থাকেন, আপনি প্রিভিলেজ ব্রিচ করেছেন।’’

  • Ramakrishna 468: ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “আরও কত কী বলতে দে না!

    Ramakrishna 468: ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “আরও কত কী বলতে দে না!

    “গুরুগিরি বেশ্যাগিরির মতো। — ছাড় টাকা-কড়ি, লোকমান হওয়া, শরীরের সেবা, এই সবের জন্য আপনাকে বিক্রি করা। যে শরীর মন আমার দ্বারা ঈশ্বরের লাডু করা যায়, সেই শরীর মন আমাকেও সামান্য জিনিসের জন্য এঁটোপ করে রাখা ভাল নয়। এককালে বলেছিল, সাবির এখন যে সময়, এখন তার বেশ হয়েছে — একখানা ঘটভাড় নিয়েছে — ঘুঁটে বে গোবার বে, তক্তোপোষ, দুখানা বালিশ হয়েছে, বিছানা, মাদুর, তাকিয়া — কতলোক বসীতেছে, যাচ্ছে আসছে। অর্থাৎ সাবি এখন বেশ হয়েছে তাই সুখ ধরে না! আগে সে ভদ্রলোকের বাড়ির দাসী ছিল, এখন বেশ হয়েছে। সামান্য জিনিসের জন্য নিজের সর্বনাশ।”

    শ্রীরামকৃষ্ণের সাধনায় প্রলোভন  — ব্রহ্মজ্ঞান ও অভেদবুদ্ধি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও মুসলমান ধর্ম

    “সাধনার সময় ধ্যান করতে করতে আমি আরো কত কী দেখিতাম। বেলতলায় ধ্যান করিতি, পাপপুরুষ এসে কত্তকালের লোভ দেখাইতে লাগিল। লড়িতে গোরার রূপ ধরে এসেছিল। টাকা, মান, রমণ, সুখ নানা রকম শক্তি, এই সব দিতে চাইল। আমি মাকে ডাকিতে লাগিলাম। বড় গুজরাথ। মা দেখা দিলেন, তখন আমি বললাম, মা ওকে কেটে ফেলো। মা সেই রূপ — সেই ভুবনমোহন রূপ — মনে পড়ছে। কৃষ্ণমূর্তির রূপ! কিন্তু চাঁদনীতেও যেন জ্যোতিষ্মতী মূর্তি।”

    ঠাকুর চাপ করিলেন। ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “আরও কত কী বলতে দে না! — মুখ যেন কে আটকে দেয়!”

    “সজনে তুলসী এক বংশ হত। ভেদ-বুদ্ধি দূর করিয়া দিলেন। বেলতলায় ধ্যান করিতি, দেখিল এক জন দেব মুসলমান (মোহাম্মদ) সান্নিধ্য করিয়া ভাত লইয়া সামনে এল। সান্নিধ্য হইতে শ্রেষ্ঠদের খাইয়া আমাকে দুটি দিল। মা দেখাইলেন, এক বৈ দু’ই নাই। সচিদানন্দই নানা রূপ ধরিয়া রহিয়াছেন। তিনিই জীবজগৎ সমস্তই হইয়াছেন। তিনিই অম্বর হইয়াছেন।”

  • Daily Horoscope 16 September 2025: সবাই প্রশংসা করবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 16 September 2025: সবাই প্রশংসা করবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Calcutta High Court: খেজুরির দুই বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যুতে ফের মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: খেজুরির দুই বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যুতে ফের মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে দুই বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যুতে নয়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে নতুন একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে। এই বোর্ডকে এসএসকেএম হাসপাতালের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে পাওয়া আঘাতগুলির ব্যাখ্যা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    ১২ জুলাই রহস্যমৃত্যু হয়

    গত ১২ জুলাই খেজুরির এক মেলায় সুজিত দাস ও সুজিত পাইক নামে দুই বিজেপি কর্মীর (BJP Workers) মৃত্যু হয়। প্রথমে তমলুক মেডিক্যাল কলেজের ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ ছিল, তাঁদের খুন করা হয়েছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে এসএসকেএম হাসপাতালে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত হয়। সেই রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়ে—একজনের শরীরে ২৪টি এবং অন্যজনের শরীরে একাধিক আঘাতের দাগ পাওয়া যায়। সেই থেকেই খুনের অভিযোগ ফের জোরদার হয়।

    ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে সেই রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে

    সোমবার আদালত (Calcutta High Court) জানিয়েছে, নতুন মেডিক্যাল বোর্ডকে জানাতে হবে, ওই আঘাতগুলির মধ্যে কোনটি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সেইসঙ্গে পুরো রিপোর্ট নিয়ে স্পষ্ট মতামতও জমা দিতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে (Calcutta High Court) সেই রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। এর আগেও এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট তদন্তকারী অফিসার, প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক, থানার ওসি ও মেলা কমিটির সদস্যদের মোবাইল কল রেকর্ড খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল। সিআইডি আদালতকে জানায়, প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক তদন্তকারী অফিসারকে একাধিকবার ফোন করেছিলেন। এ নিয়ে বিচারপতি বসাক প্রশ্ন তুলেছিলেন—“তদন্তকারী আধিকারিক কেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে ফোন করবেন?” প্রসঙ্গত, এসএসকেএমের রিপোর্টে উল্লেখ ছিল—মৃত্যুর কারণ শুধু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া নয়, শরীরে আঘাতের (BJP Workers) চিহ্নও রয়েছে। সেই কারণেই ফের নতুন মেডিক্যাল বোর্ডের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

  • Supreme Court: সংশোধিত ওয়াকফ আইনের ওপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: সংশোধিত ওয়াকফ আইনের ওপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ আইনের ( Waqf Amendment Act 2025) বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সেই মামলায় অন্তর্বর্তী নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, পুরো ওয়াকফ আইন স্থগিত রাখার কোনও যুক্তি নেই। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিআর গবইয়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, এই আইনের কয়েকটি ধারাকে স্থগিত রাখা গেলেও গোটা আইনকে স্থগিত রাখা যায় না। গত ২২ মে ওই মামলায় রায়দান স্থগিত রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতিতে তৈরি হয় সংশোধিত ওয়াকফ আইন, ২০২৫। তারপর দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় এই আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি তুলে বিক্ষোভ দেখায় বেশ কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বিজেপি বিরোধী দলগুলি। আদালতে দায়ের হয় মামলা।

    কোন কোন ধারা স্থগিত হল (Supreme Court)

    আইন অনুযায়ী, কেউ ওয়াকফ তৈরি করতে চাইলে অন্তত পাঁচ বছর ইসলাম ধর্ম অনুশীলনকারী হতে হবে—এই ধারা স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালত বলেছে, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্ধারণের স্পষ্ট নিয়ম হয়নি।

    জেলা কালেক্টর বা প্রশাসক যাতে ওয়াকফ সম্পত্তি সরকারি জমি কি না তা নির্ধারণ করতে পারেন—এই ক্ষমতাও আপাতত বাতিল করা হল। প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই স্পষ্ট মন্তব্য করেন, “কালেক্টররা ব্যক্তিগত নাগরিকদের অধিকার নির্ধারণ করতে পারবেন না। এটি ক্ষমতার বিভাজন নীতির পরিপন্থী।”

    অমুসলিমরাও ওয়াকফ বোর্ড ও কাউন্সিলের সদস্য হতে পারবেন

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী, ওয়াকফ বোর্ড বা কাউন্সিলে অমুসলিম সদস্য মনোনয়নের বিধান বহাল থাকছে। তবে আদালতের মত, বোর্ডের ( Waqf Amendment Act 2025) বেশিরভাগ সদস্য যেন মুসলিম সম্প্রদায়ের হন, সেই দিকেই গুরুত্ব দিতে হবে। আদালত স্পষ্ট করেছে, অমুসলিমরাও ওয়াকফ বোর্ড ও কাউন্সিলের সদস্য হতে পারবেন, কিন্তু নেতৃত্বের দায়িত্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কারও হাতে দেওয়াই উচিত। নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে চারজনের বেশি অমুসলিম সদস্য রাখা যাবে না এবং রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে অন্য ধর্মীয় সদস্যের সংখ্যা তিনজনের বেশি হওয়া চলবে না। আদালত জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার না হওয়া পর্যন্ত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের অধিকার সৃষ্টি করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো তাই স্থগিত থাকবে।

    মামলাকারী আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া

    মামলাকারী আইনজীবী আনাস তানভির বলেন, আদালত প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে যে কিছু ধারায় সমস্যা আছে। পুরো আইন নয়, শুধু বিতর্কিত অংশই স্থগিত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে পাঁচ বছর ইসলাম ধর্ম চর্চার শর্ত বাতিল হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি কিছুটা কমবে।

    কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান

    কেন্দ্রীয় সরকার আদালতে যুক্তি দিয়েছিল, সংসদে গৃহীত কোনও আইনের ধারা স্থগিত করা উচিত নয়। সংশোধনী মূলত ওয়াকফ সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য, ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর এর কোনও প্রভাব নেই। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ২০১৩ সালের সংশোধনীর আগেই অ-মুসলিমরা ওয়াকফ তৈরি করতে পারতেন না; অতীতে এ নিয়ে প্রতারণার আশঙ্কাও ছিল।

    ওয়াকফ বোর্ডের কার্যপ্রণালীতে স্বচ্ছতা আনতেই এই আইন

    লোকসভায় ২৮৮ জন সাংসদ সমর্থন জানিয়ে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের পক্ষে ভোট দেন, অন্যদিকে ২৩২ জন সাংসদ এর বিরোধিতা করেন। রাজ্যসভায়ও একই চিত্র—সেখানে ১২৮ জন সদস্য বিলের পক্ষে ভোট দেন এবং ৯৫ জন সদস্য বিপক্ষে থাকেন। ভোটাভুটির পর একাধিক রাজনৈতিক দল, মুসলিম সংগঠন এবং এনজিও আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে। উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইন সংশোধনের উদ্দেশ্যে এই নতুন ওয়াকফ সংশোধনী আইন সংসদে পাস করানো হয়েছিল। বিজেপির দাবি, সংশোধিত আইন মূলত ওয়াকফ বোর্ডের কার্যপ্রণালীতে স্বচ্ছতা আনতে এবং বোর্ডগুলিতে মহিলাদের বাধ্যতামূলক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই আনা হয়েছে।

    ১.২ লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে

    ভারতে ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে রয়েছে প্রায় ৮.৭ লক্ষ সম্পত্তি এবং ৯.৪ লক্ষ একর জমি। এই বিপুল সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.২ লক্ষ কোটি টাকা। ফলে জমির পরিমাণের বিচারে ওয়াকফ বোর্ড ভারতীয় রেলওয়ে ও সশস্ত্র বাহিনীর পর দেশের তৃতীয় বৃহত্তম জমির মালিকানা ধরে রেখেছে। বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩০টি ওয়াকফ বোর্ড কার্যকর রয়েছে। অতীতে একাধিকবার এনিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। দুর্নীতিমুক্ত ওয়াকফ বোর্ড গড়তেই বিজেপি সরকার এই আইন পাশ করায়।

  • BJP: নেশামুক্ত ভারত গড়ার সংকল্প! মহালয়াতে বিজেপির ডাকে রাজ্যে ‘নমো ম্যারাথন’

    BJP: নেশামুক্ত ভারত গড়ার সংকল্প! মহালয়াতে বিজেপির ডাকে রাজ্যে ‘নমো ম্যারাথন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেশামুক্ত ভারত গড়ার সংকল্প নিয়েছে বিজেপি (BJP)। মোদি সরকারের এটা অন্যতম ঘোষিত কর্মসূচি। সেই লক্ষ্য়ে দেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও করতে দেখা যায় মোদি সরকারকে। এই আবহে মহালয়ার দিন কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নমো ম্যারাথনের ডাক দিল বিজেপি। সল্টলেকের দলীয় দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা লকেট চট্টোপাধ্যায় (BJP West Bengal)। কলকাতায় এই দৌড় শুরু হবে স্বামীজীর বাড়ি থেকে এবং শেষ হবে শ্যামবাজার পাঁচ মাথা মোড়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির পাদদেশে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক শহরে একই দিনে একযোগে এই কর্মসূচি পালিত হবে।

    মাদক বিরোধী লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা মোদি সরকারের

    পশ্চিমবঙ্গে মাদকবিরোধী লড়াই ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। রাজ্যে মাদক পাচার ও অপব্যবহার দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগ এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের (এনজিও) সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই গত কয়েক বছরে বিপুল পরিমাণ মাদক বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে রাজ্যে মোট ৪৯৮৮ কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়েছিল। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ধরা পড়ে আরও ৩১৪৫ কেজি মাদক। চলতি বছরেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে প্রায় ৫৭২৯ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত হয়েছে, যা স্পষ্ট করে দেয় যে পাচারচক্র এখনও সক্রিয় থাকলেও মোদি সরকারের নজরদারি ও অভিযান অনেক বেশি কার্যকর হয়েছে। এই লড়াইকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এনজিওকে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৪.৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এনজিওগুলির জন্য, যাতে তারা স্থানীয় স্তরে সচেতনতা তৈরি, পুনর্বাসন কার্যক্রম, এবং মাদকবিরোধী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

    ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর সেবা পক্ষকাল

    লকেট চট্টোপাধ্যায় (BJP) জানান, যুবসমাজই ভারতের আগামী দিনের সূর্য। তাই তাঁদের নেশামুক্ত কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত পালিত হবে সেবা পক্ষকাল। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই দিনগুলিতে রাজ্য জুড়ে নানা ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মসূচি নেওয়া হবে। লকেট বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী দেখিয়েছেন, সেবার মাধ্যমেও রাজনীতিতে অংশ নেওয়া যায়। বিজেপি (BJP) তাঁর দেখানো পথেই এগোচ্ছে।’’

  • Donald Trump: ‘‘অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন শেষ’’, ডালাসে ভারতীয় খুন নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প

    Donald Trump: ‘‘অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন শেষ’’, ডালাসে ভারতীয় খুন নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেক্সাসের ডালাসে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মোটেল ম্যানেজার চন্দ্রমৌলি ‘বব’ নাগামাল্লাইয়াহর নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে অবশেষে প্রতিক্রিয়া জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— “আমেরিকাকে আবার নিরাপদ করব।” একই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন এখন শেষ।

    কী লিখলেন সমাজমাধ্যমে?

    ট্রাম্প (Donald Trump) সোমবার সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘চন্দ্র নাগামাল্লাইয়ার খুনের সাংঘাতিক খবরটা আমি শুনেছি। ডালাসে তিনি এক জন সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন। স্ত্রী এবং সন্তানের সামনে তাঁর মাথা কেটে নেওয়া হয়েছে। কাজটা করেছেন এক অবৈধ অভিবাসী, যিনি কিউবা থেকে এখানে এসেছিলেন। কখনও তাঁর এখানে ঢুকতে পারার কথা ছিল না। এর আগেও এই লোকটি শিশুনিগ্রহ, গাড়ি চুরির মতো অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। জো বাইডেনের অপদার্থ সরকার তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি। কিউবাও এঁকে চায় না।’’

    অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন এখন শেষ

    অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে এর পর আরও কঠোর হওয়ার বার্তা দেন ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি লেখেন, ‘‘অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন এখন শেষ, নিশ্চিন্ত থাকুন। আমার প্রশাসনের আধিকারিকেরা ভাল কাজ করছেন। আমেরিকাকে আবার আমরা নিরাপদ, সুরক্ষিত করে তুলব। এই অপরাধী আমাদের হেফাজতে রয়েছে। খুনের অভিযোগে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’’

    ওয়াশিং মেশিন নিয়ে ঝগড়ার সময়ই খুন

    চন্দ্রমৌলি ‘বব’ নাগামাল্লাইয়াহ হত্যাকাণ্ডে ৩৭ বছরের ইয়োরডানিস কোবোস-মার্টিনেজকে (Illegal Immigrants) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডালাসে চন্দ্র একটি ছোট হোটেলের মালিক ছিলেন, আর সেই হোটেলেই কর্মরত ছিল মার্টিনেজ। ১০ সেপ্টেম্বর দু’জনের মধ্যে ওয়াশিং মেশিন নিয়ে তীব্র বিতণ্ডা ঘটে। সেই ঝগড়ার ফলেই ঘটেছিল নৃশংস খুন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে ধরা পড়ে—অভিযুক্ত (Illegal Immigrants) এক হাতে কাটা মাথা নিয়ে রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে।

LinkedIn
Share