Author: subhra-katwa

  • Vikram Sarabhai: তিনিই ছিলেন দেশের মহাকাশ গবেষণার জনক! ১২ অগাস্ট জন্মদিন বিক্রম সারাভাইয়ের

    Vikram Sarabhai: তিনিই ছিলেন দেশের মহাকাশ গবেষণার জনক! ১২ অগাস্ট জন্মদিন বিক্রম সারাভাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯১৯ সালে আজকের দিনে, অর্থাৎ ১২ অগাস্ট, জন্মগ্রহণ করেছিলেন ডঃ বিক্রম অম্বালাল সারাভাই (Vikram Sarabhai)। তিনি জন্মগ্রহণ করেন গুজরাটের আমেদাবাদে, এক ব্যবসায়ী পরিবারে। বিক্রম সারাভাই প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যিনি ভারতবর্ষকে মহাকাশ গবেষণার পথে পরিচালিত করেছিলেন। তাঁর দর্শন, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাভাবনা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। তিনি প্রযুক্তির ভারতীয়করণ করে এবং আত্মনির্ভর ভারত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ফলে, ভারতের আর বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভর করতে হয়নি — ভারতীয় বিজ্ঞানীরাই হয়ে ওঠেন ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক (Father Of Indian Space)।

    কেমব্রিজে করেন পড়াশোনা (Vikram Sarabhai)

    ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম নেওয়ায় সারাভাই ছোটবেলা থেকেই একটি অনুকূল পরিবেশে বড় হন এবং তাঁর পরিবারে পড়াশোনার পরিবেশও ছিল অত্যন্ত উন্নত। নিজের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা তিনি গুজরাটেই সম্পন্ন করেন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি বিদেশে যান এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাচারাল সায়েন্সে ভর্তি হন। ঠিক সেই সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। যুদ্ধকালীন সময়েও তিনি তাঁর ডিগ্রি সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে আসেন এবং যোগ দেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এ। সেখানে তাঁকে পথ দেখান বিজ্ঞানী সি. ভি. রমন। এরপর তিনি কসমিক রে ফিজিক্স বিষয়ে পিএইচ.ডি. সম্পন্ন করেন।

    দেশ স্বাধীন হলে প্রতিষ্ঠা করেন ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি

    ১৯৪৭ সালে, যখন ভারত স্বাধীন হয়, সেই বছরেই তিনি পিএইচ.ডি. সম্পূর্ণ করেন এবং প্রতিষ্ঠা করেন ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (Physical Research Laboratory), সংক্ষেপে PRL। এটি তিনি গড়ে তোলেন তাঁর নিজের রাজ্য গুজরাটের আমেদাবাদে (Vikram Sarabhai)। প্রথমে একটি ছোট টিম নিয়ে শুরু করেন কাজ। পরবর্তীকালে তাঁর এই প্রতিষ্ঠিত ল্যাবরেটরি ভারতের মহাকাশ গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

    প্রথম সাউন্ডিং রকেট তাঁর নেতৃত্বেই উৎক্ষেপণ করা হয়

    ১৯৬০-এর সময় যখন গোটা বিশ্বে ঠান্ডা লড়াই চলছিল — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে মহাকাশ দখলের প্রতিযোগিতা — তখন বিক্রম সারাভাই একটি যুগান্তকারী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মহাকাশ প্রযুক্তি কোনও বিলাসিতা নয়, বরং এটি উন্নয়নশীল দেশের পক্ষেও একান্ত প্রয়োজনীয়।” ১৯৬৩ সালে তাঁর নেতৃত্বে ভারতের প্রথম Sounding Rocket উৎক্ষেপণ করা হয় থুম্বা ইকুইটোরিয়াল রকেট লঞ্চিং স্টেশন থেকে। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতেই ভারতবর্ষে যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট ব্যবহারের সূচনা হয়। ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে মাত্র ৫২ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয় — যা ছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

  • Israeli Ambassador: নিহত সাংবাদিক আনাস-আল-শরিফ আসলে হামাস জঙ্গি, বললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    Israeli Ambassador: নিহত সাংবাদিক আনাস-আল-শরিফ আসলে হামাস জঙ্গি, বললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় ইজরায়েলের হামলায় নিহত হন আল জাজিরার সাংবাদিক আনাস আল শরীফ। এবার ওই সাংবাদিককেই হামাসের জঙ্গি বলে আখ্যা দিলেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার (Israeli Ambassador)। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হামাস সারা বিশ্বকে প্রতারণা করছে। তাদের জঙ্গিরা কখনও সাংবাদিকের ছদ্মবেশে, কখনও চিকিৎসক বা ত্রাণকর্মীর ছদ্মবেশে আত্মগোপন করছে।

    হামাসের জঙ্গিকে সাংবাদিক সাজানো এক বড় ধরনের প্রতারণার উদাহরণ

    তিনি (Israeli Ambassador) আরও বলেন, হামাসের জঙ্গিকে সাংবাদিক সাজানো এক বড় ধরনের প্রতারণার উদাহরণ। আমরা আনাস আল শরীফ নামে একজন জঙ্গিকে টার্গেট করেছিলাম। সে আসলে হামাসের সদস্য এবং তাদের একটি ইউনিটের কমান্ডার ছিল। হামাসের সামরিক শাখা তাকে একাধিকবার প্রশিক্ষণ দিয়েছে। রাষ্ট্রদূতের দাবি, কোনও সাংবাদিক গাজায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না যদি না তিনি হামাসের সদস্য হন অথবা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। তিনি বলেন (Israeli Ambassador), “ইজরায়েল কেবল কারও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কাউকে টার্গেট করে না। আনাস আল শরীফকে আমরা বহুদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করছিলাম। কারণ সে একজন হামাস জঙ্গি ছিল। আমাদের কাছে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা আমরা রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ একটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পেয়েছি।”

    ইজরায়েলের হামলায় নিহত ৭

    জানা যায়, গাজায় ইজরায়েলের সাম্প্রতিক এক হামলায় নিহত সাতজনের মধ্যে আনাস আল শরীফও ছিলেন (Hamas)। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তিনি নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন সাংবাদিক — মহম্মদ ইব্রাহিম, মোমেন আলিয়া, ও মোহাম্মদ নওফাল — ওই হামলায় নিহত হন। হামলার পর ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়ে দেয়, তিনি সন্ত্রাসবাদে যুক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, তিনি হামাসের সামরিক শাখার একজন প্রধান এবং গাজা থেকে ইজরায়েলের (Israeli Ambassador) অসামরিক নাগরিক ও সেনাবাহিনীর ওপর রকেট হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

    ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পোস্ট

    এই প্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)–এ একটি পোস্ট করে লিখেছে, “সন্ত্রাসী আনাস আল শরীফ, যিনি নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে উপস্থাপন করতেন, আসলে হামাসের একটি জঙ্গি ইউনিটের প্রধান ছিলেন এবং তিনি ইজরায়েলি নাগরিক ও সেনার ওপর একাধিক হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গাজা থেকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং নথিপত্র থেকে আমরা এসব তথ্য পেয়েছি।”

  • Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। তাই মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের (Karnataka) সমবায় মন্ত্রী কেএন রাজন্য। বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতার (Karnataka Minister K.N. Rajanna) মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়ে দল। এরপরই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে নির্দেশ দেয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে বরখাস্ত না করে রাজন্যকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযায়ী সোমবার মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত লোকসভা নির্বাচনে অন্তত ৭০-৭৫টি আসনে কারচুপি করে জয় পেয়েছে বিজেপি। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি কর্নাটকের কয়েকটি লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল তুলে ধরেন। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। রাজন্য মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ হতেই নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন রাজান্না।

    ঠিক কী বলেছিলেন রাজন্য?

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের সমালোচনার জেরে (Karnataka) মন্ত্রীর পদ ত্যাগ করতে হওয়ায় কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিজেপি। চারদিন আগে কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ভোট চুরির অভিযোগ করেন। কর্নাটকেও ভোট চুরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি (Karnataka)। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজন্য বলেন, “ভোটার তালিকা কখন তৈরি হয়েছে? তখন কর্নাটকে আমাদেরই সরকার ছিল। সেই সময় কি সবাই চোখ বন্ধ করে বসেছিল?”

    কংগ্রেসে নেই কোনও গণতন্ত্র, আক্রমণ বিজেপির

    নিজ দলের মন্ত্রীর প্রকাশ্য সমালোচনায় (Karnataka) অস্বস্তিতে পড়ে কর্নাটক কংগ্রেস। এরপর থেকেই রাজন্যকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। শেষপর্যন্ত সোমবার ইস্তফা দেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। এ নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সিটি রবি বলেন, “কংগ্রেসে কোনও গণতন্ত্র নেই। কেউ যদি সত্যি কথা বলেন, তবে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।” কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোকা বলেন, “সত্যি বলার শাস্তি হিসেবে রাজন্যকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হল (Karnataka Minister K.N. Rajanna)।”

  • Ramakrishna 438: সময় না হলে, তীব্র বৈরাগ্য না এলে, ছাড়লে কষ্ট হবে

    Ramakrishna 438: সময় না হলে, তীব্র বৈরাগ্য না এলে, ছাড়লে কষ্ট হবে

    আমার তাঁর বাক্যে ঈশ্বরকৃপায় বিশ্বাস হয়েছে। আমি বিশ্বাস করবো, অন্য যা করে করুক আমি এই দুর্লভ বিশ্বাস কেন ছাড়বো? বিচার থাক, জ্ঞানচর্চা করে কি একটা ফার্স্ট হতে হবে?

    গভীর রজনীর মধ্যে বাতায়নপথে চন্দ্রকিরণ আসিতেছে, আর ফার্স্ট নাকি? একাকী ঘরের মধ্যে হায়! কিছুই জানিতে পারিলাম না! সায়েন্স, ফিলোসফি—বৃথা অধ্যয়ন করিলাম! এই জীবন, নে ধিক!

    এই বলিয়া বিষের শিশি লইয়া আত্মহত্যা করিতে বসবেন না। এলাস্টারের মতো অজ্ঞানের বোঝা বইতে না পেরে শিলাখণ্ডের উপর মাথা রেখে মৃত্যুর অপেক্ষাও করিব না।

    আমার এসব ভয়ানক পণ্ডিতদের মতো এক ছটাক জ্ঞানে রহস্য ভেদ করতে যাবার প্রয়োজন নাই। বেশ কথা—গুরুবাক্যে বিশ্বাস।

    “বেশ কথা, গুরু বিশ্বাস। হে ভগবান, আমায় ওই বিশ্বাস দাও— আর মিছামিছি ঘুরিয়ে দিও না।
    যা হবার নয়, তা খুঁজতে যেও না। আর ঠাকুর যা শিখিয়েছেন, যেন তোমার পাণিপদে দেশশুদ্ধ ভক্তি হয়, অমলা ভক্তি। অহেতুক ভক্তি নয়।
    আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই। কৃপা করে এই আশীর্বাদ করো।”

    শ্রীরামকৃষ্ণের অদৃষ্ট-নির্ধারিত প্রেমের কথা ভাবতে ভাবতে, ‘মনি’ সেই তমসাচ্ছন্ন রাত্রিতে রাজপথ দিয়ে বাড়ি ফিরছেন। মনে মনে ভাবছেন— কী ভালোবাসা! গিরিশকে ভালোবেসেছেন এমনভাবে, যে গিরিশ থিয়েটারে যাবেন, তবুও তাঁর বাড়িতে যেতে হবে।

    শুধু তাই নয়, ঠাকুর এমনও বলেননি যে— “সব ত্যাগ করো, আমার জন্য গৃহ-পরিজন, বিষয়-সম্পত্তি সব ছেড়ে দিয়ে সন্ন্যাস অবলম্বন করো।”

    আমি বুঝেছি, এর অর্থ এই যে— সময় না হলে, তীব্র বৈরাগ্য না এলে, ছাড়লে কষ্ট হবে।
    ঠাকুর যেমন নিজে বলেন— “ঘায়ে মামড়ে ঘা শুকোতে না শুকোতেই যদি তা ছিঁড়ে ফেলো, তবে রক্ত পড়ে, কষ্ট হয়। কিন্তু যখন ঘা শুকিয়ে যায়, তখন মামড়ে নিজেই খসে পড়ে।”

    সাধারণ লোকে, যাদের অন্তর্দৃষ্টি নেই, তারা বলে— “এখনও সংসার ত্যাগ করনি?”
    সদগুরু অহেতুক কৃপাসিন্ধু, প্রেমের সমুদ্র। জীবের কিছু মঙ্গল হয়— এই চেষ্টাই তিনি নিশিদিন করে চলেছেন।

  • Daily Horoscope 12 August 2025: কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 August 2025: কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পড়াশোনার জন্য দূরে ভ্রমণ।

    ২) যে কোনও দিক থেকে আয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ২) কর্মস্থানে দক্ষতার জন্য সুনাম পাবেন।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) বাড়িতে কোনও শুভ কাজ হতে পারে।

    ২) পড়ে থাকা কাজ সেরে ফেলুন।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আপনার হাতের কাজের জন্য সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ২) মানসিক কষ্ট থাকবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ২) বিবাহ নিয়ে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) সামাজিক কাজে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) মধুর বক্তব্যের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ২) দাম্পত্য কলহের অবসান।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ২) আপনার আচরণে পরিবারের কেউ আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ২) বাক্‌পটুতায় শত্রুর মন জয়।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাউকে অতিরিক্ত বিশ্বাসের খেসারত দিতে হতে পারে।

    ২) মামলা-মোকদ্দমায় হঠাৎ ফেঁসে যেতে পারেন।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ২) নামী কারও সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Supreme Court: সারমেয়দের কামড়ে বাড়ছে জলাতঙ্ক, ঘটছে মৃত্যু, সরাতে হবে দিল্লির সমস্ত পথকুকুর, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: সারমেয়দের কামড়ে বাড়ছে জলাতঙ্ক, ঘটছে মৃত্যু, সরাতে হবে দিল্লির সমস্ত পথকুকুর, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথকুকুর (Stray Dogs) সমস্যা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত দিল্লি ও ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের সব পুরসভাকে নির্দেশ দিয়েছে, রাস্তায় থাকা সমস্ত কুকুরকে অবিলম্বে ধরে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, এই কুকুরগুলিকে নির্বীজকরণ করে স্থায়ীভাবে খোঁয়াড়ে পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, পথকুকুরদের কামড়ে বাড়ছে জলাতঙ্ক এবং তার জেরে আমজনতার মৃত্যুও ঘটছে। দুটোই উদ্বেগজনক। কুকুর সরানোর ক্ষেত্রে পশুপ্রেমী কোনও পক্ষের আবেদন গ্রাহ্য হবে না বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    বাধা দিলে কড়া ব্যবস্থা (Supreme Court)

    বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং আর. মাধবনের বেঞ্চ জানিয়েছে, এই নির্দেশ যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘন না হয় এবং যথাযথভাবে কার্যকর হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। আদালত পশুপ্রেমীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— যদি কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন এই কাজের পথে বাধা দেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাস্তাঘাট থেকে কুকুর সরানোর কাজে কোনও রকম আপস চলবে না

    বেঞ্চ (Supreme Court) আরও জানিয়েছে, দিল্লি এনসিটি-সহ এর সংলগ্ন অন্যান্য পুরসভাগুলিকে যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাঘাট থেকে সমস্ত পথকুকুর ধরতে হবে। এই কাজে প্রয়োজনে আলাদা বাহিনী গঠন করতে বলা হয়েছে। সব পাড়া, এলাকা ও রাস্তাকে পথকুকুর-মুক্ত (Stray Dogs) করাই হবে পুর কর্তৃপক্ষগুলির প্রাথমিক দায়িত্ব। শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, “রাস্তাঘাট থেকে কুকুর সরানোর কাজে কোনও রকম আপস চলবে না।”

    পুরসভাগুলিকে ৮ সপ্তাহের সময়সীমা দিয়েছে শীর্ষ আদালত

    এই কাজে পুরসভাগুলিকে ৮ সপ্তাহের সময়সীমা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কতটা কাজ হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে (Supreme Court) জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার শুনানির সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, দিল্লিতে পথকুকুরদের স্থানান্তরের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করা হয়েছিল। তবে, কিছু পশুপ্রেমী আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসায় সেই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, “সমস্ত এলাকা থেকে পথ কুকুরদের তুলে নিয়ে গিয়ে দূরে কোথাও স্থানান্তর করুন। আপাতত নিয়ম ভুলে যান। যারা জলাতঙ্কে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের পশুপ্রেমীরা কি ফিরিয়ে আনতে পারবে? পথকুকুর মুক্ত করতে হবে আমাদের সব রাস্তা। পথকুকুরদের দত্তক নেওয়াও বন্ধ।”

  • Bangladesh News: ফের হিন্দু-হত্যা বাংলাদেশে! রংপুরে দুই ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করল মৌলবাদীরা

    Bangladesh News: ফের হিন্দু-হত্যা বাংলাদেশে! রংপুরে দুই ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করল মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh News) বিপন্ন হিন্দু। মৌলবাদীদের হাতে গত ৯ অগাস্ট রাত দশটা নাগাদ খুন হল ৪০ বছর বয়সি রুপলাল দাস এবং ৩৫ বছর বয়সি প্রদীপ দাস। বাংলাদেশে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনাটি ঘটে বুড়িরহাট গ্রামে। এটি রংপুর জেলায় তারাগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী রুপলাল দাস এবং প্রদীপ দাস ছিলেন আত্মীয়। রুপলাল দাসের ভাগ্নির স্বামী হলেন প্রদীপ দাস (Hindu)। দুজনকেই পিটিয়ে হত্যা করে মৌলবাদীরা।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    রুপলাল দাসের মেয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ায় সম্প্রতি তাঁর মেয়ের হবু বরের সঙ্গে দেখা করতে প্রদীপ দাস এবং রুপলাল দাস বাংলাদেশের ঘনিরামপুর গ্রামে গিয়েছিলেন। সেখানে মৌলবাদীদের (Bangladesh News) একটা দল হামলা চালায় এবং তাদেরকে ভ্যান চোর বলে আক্রমণ করে। স্থানীয় আলমগীর হোসেন এবং মেহেদী হাসান নামের দুই ব্যক্তি রুপলাল দাস এবং প্রদীপ দাসের ভ্যানের ভিতর থেকে ছোট একটা প্লাস্টিকের বোতল খুঁজে পেয়েছিল এবং তারা দাবি করে যে ওই বোতলের মধ্যে এমন কিছু পদার্থ ছিল যা তাদেরকে অজ্ঞান করে দেয়। এই দাবি শোনার পর মৌলবাদীরা অভিযোগ করে যে প্রকৃত মালিককে অজ্ঞান করে দেওয়ার পর রুপলাল এবং প্রদীপ মিলে ভ্যানটি চুরি করেছে। এরপরে লাঠি, লোহার রড দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ওই দুজনকে। শনিবার রাতেই রুপলাল দাসের মৃত্যু হয়, পরে রবিবার সকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা প্রদীপ দাসেরও মৃত্যু হয়।

    বিক্ষোভ হিন্দুদের (Bangladesh News)

    এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে থাকেন স্থানীয় হিন্দুরা (Hindu) এবং বাংলাদেশের রংপুর-দিনাজপুর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন তারা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে একাধিক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বিক্ষোভকারীদের মৃতদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে ওই বিক্ষোভ, এরপরে তা উঠে যায়। তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক এম এ ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই গণপিটুনির ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে (Bangladesh News) চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে, খুব শীঘ্রই মামলা দায়ের করা হবে।

  • Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    Birbhum News: নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে শ্রীঘরে একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা, নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum News) বিভাস অধিকারী ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাঁর নাম জড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে। এবার উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় আস্ত একটা ভুয়ো থানা খোলার জন্য গ্রেফতার করা হল বীরভূমের এই প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে (Bivas Adhikari)। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে। রয়েছে তাঁর ছেলেও। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে নয়ডায় একটা অফিস খুলে প্রতারণা চালাচ্ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। একদা তৃণমূল নেতার এই অফিসের সামনে বোর্ড লাগানো ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’।

    ভুয়ো আধিকারিক সেজে লোকের কাছে টাকা তুলত (Birbhum News)

    শুধু তাই নয়, লোকজনকে তাঁরা আন্তর্জাতিক তদন্তকারী সংস্থার অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সে ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছিল ভুয়ো পরিচয়পত্র। কী না হত না! পুলিশ অফিসার, আবার কখনও বা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক সেজে মানুষকে ভয় দেখানো হত, আর এরপরে টাকা তোলা হত। গোপন সূত্রে এই খবর পায় পুলিশ। তারপরেই তারা অভিযানে নামে। এরপরেই গ্রেফতার করা হল একদা তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী এবং তাঁর ছেলে সহ ছয় অভিযুক্তকে।

    তৃণমূল ছেড়ে খুলেছিলেন সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামের সংগঠন

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের (Birbhum News) নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি ছিলেন বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari)। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম উঠে এসেছিল তাঁরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বিভাস অধিকারীকে। পরে অবশ্য তৃণমূল ছেড়ে সর্বভারতীয় আর্য মহাসভা নামে একটি নতুন দল গঠন করেন বিভাস অধিকারী। আসলে একদা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকা মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পর এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিভাসের নাম উঠে আসে। মানিক ভট্টাচার্যের ফ্ল্যাটে যখন তল্লাশি চালানো হয় (Birbhum News), তখনই ইডি তদন্তকারীদের হাতে আসে বিভাস অধিকারীর নাম। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল যখন গ্রেফতার হন, তখনই তৃণমূল ছেড়ে দেন বিভাস অধিকারী। নয়ডার একজন পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করার কাজ করত এবং সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত। দেখা গিয়েছে, জাতীয়-আন্তর্জাতিক কিছু জাল নথি এবং পুলিশের লোগোও তারা ব্যবহার করত প্রতারণার কাজে।

    কী বলছেন সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি

    সেন্ট্রাল নয়ডার ডিসিপি শক্তি মোহন অবস্থি বলেন, “এরা সকলেই গত ৪ জুন তাদের ভুয়ো অফিস খোলার জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল ৷ সেখানে একটি বোর্ড লাগিয়ে এক সপ্তাহ ধরে কাজও করছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে দেখা যায়, তারা ‘ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অ্যান্ড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’-এর নামে নিজেদেরকে সমান্তরাল পুলিশ ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।”ডিসিপি আরও বলেন, “অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পুলিশের লোগোটি আসলটির সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায় ৷ তাদের লোগোর কোনও কপিরাইট, ট্রেডমার্ক বা রেজিস্টেশন পাওয়া যায়নি ৷ মূলত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই এই লোগো ব্যবহার করেছে তারা।” উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, এদের কাছ থেকে ১৭টি স্ট্যাম্প, নয়টি মোবাইল ফোন, নয়টি পরিচয়পত্র, ছয়টি চেক বই, একটি প্যান কার্ড, একটি ভোটার আইডি কার্ড, ছয়টি এটিএম কার্ড, তিনটি ভিজিটিং কার্ড, মন্ত্রক থেকে প্রাপ্ত সার্টিফিকেট, কম্পিউটার এবং চারটি আন্তর্জাতিক পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত ব্যুরোর বোর্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

  • Rajnath Singh: ‘মানতে পারছে না ভারতের উত্থান, নিজেকে সকলের বস্ ভাবেন’, নাম না করে ট্রাম্পকে কটাক্ষ রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘মানতে পারছে না ভারতের উত্থান, নিজেকে সকলের বস্ ভাবেন’, নাম না করে ট্রাম্পকে কটাক্ষ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি, নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এই প্রেক্ষাপটে, নাম না করে ট্রাম্পকে কটাক্ষ করলেন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন, “কেউ কেউ নিজেকে সকলের বস ভাবেন এবং তাঁরা ভারতের উত্থান মেনে নিতে পারেন না।”একইসঙ্গে রাজনাথ সিং অভিযোগ করেন, “ভারতীয় পণ্য বিদেশে যাতে বিক্রি না হয়, সেজন্য একাংশ মানুষ  চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।”

    কী বললেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)?

    রবিবার রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ভারতের দ্রুত উন্নতি দেখে খুশি হতে পারছেন না। তাঁরা এটি পছন্দ করছেন না। (তাঁরা ভাবেন), সকলের ‘বস্‌’ তো আমি, তা হলে ভারত কী ভাবে এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে? অনেকেই চেষ্টা করছেন যাতে, ভারতীয়দের হাতে তৈরি জিনিস সেই সব দেশের তৈরি জিনিসপত্রের চেয়ে বেশি দামি হয়ে যায়। ওই জিনিসগুলির দাম বেড়ে গেলে, সেগুলি আর বিশ্ববাসী কিনতে চাইবেন না। এই চেষ্টাই চলছে। কিন্তু আমি পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, কেউই ভারতকে বিশ্বের একটি বড় শক্তি হয়ে ওঠা থেকে আটকাতে পারবে না।” রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) আরও বলেন, “আপনারা জেনে খুশি হবেন, প্রতিরক্ষা খাতে এখন আমরা ২৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা সামগ্রী রপ্তানি করছি। এটা ভারতের শক্তি, এটা ভারতের নতুন প্রতিরক্ষা খাত। এবং এর রফতানি ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

    অর্থনীতিতে এগোচ্ছে দেশ, মন্তব্য মোদির

    একই দিনে বেঙ্গালুরুতে এক অনুষ্ঠানে ভারতের অর্থনীতির দ্রুত উত্থান নিয়ে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি বলেন, “আমরা দ্রুত তৃতীয় অর্থনীতির দেশ হিসাবে পরিচিতি পাওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই গতি এসেছে আমাদের কাছে সংস্কার, কর্মক্ষমতা এবং পরিবর্তনের ভাবনা থেকে। আমাদের সুস্পষ্ট লক্ষ্য এবং সৎ প্রচেষ্টা থেকে এই গতি এসেছে।”

    দেশের স্বার্থের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না

    প্রসঙ্গত, রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়েই ট্রাম্প সম্প্রতি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের দেওয়া টাকাই ইউক্রেন যুদ্ধ চালানোর কাজে ব্যবহার করছে রাশিয়া। তিনি ভারত এবং রাশিয়া—দুই দেশের অর্থনীতিকেই ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করেন। এই মন্তব্যের পরেই নয়াদিল্লি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, দেশের স্বার্থের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। এক বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, ট্রাম্প (Donald Trump) যে দাবি করেছেন তা “অন্যায্য ও অযৌক্তিক”। বিদেশ মন্ত্রক আরও জানায়, রাশিয়া থেকে আমেরিকাও তাদের পারমাণবিক শিল্পের জন্য ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড, প্যালাডিয়াম এবং অন্যান্য রাসায়নিক কিনে থাকে।

  • Ramakrishna 436: আমার এসব ভয়ানক পণ্ডিতদের মতো এক ছটাক জ্ঞানে রহস্য ভেদ করতে যাবার প্রয়োজন নাই

    Ramakrishna 436: আমার এসব ভয়ানক পণ্ডিতদের মতো এক ছটাক জ্ঞানে রহস্য ভেদ করতে যাবার প্রয়োজন নাই

    সত্যই কি ঈশ্বর মানুষদেহ ধারণ করে আসেন? অনন্তকে শান্ত হয়? বিচার তো অনেক হলো — কি বুঝলাম? বিচারের দ্বারা কিছুই বুঝলাম না। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ অতিব স্পষ্ট বললেন — “যতক্ষণ বিচার, ততক্ষণ বস্তু লাভ হয় নাই, ততক্ষণ ঈশ্বরকে পাওয়া যায় নাই।”

    তাও বটে। এই তো এক ছটাক বুদ্ধি — এর দ্বারা আর কী বুঝবো ঈশ্বরের কথা? তবে আবদার, বিশ্বাস কিরূপে হয়?

    ঠাকুর বললেন — “ঈশ্বর যদি দেখিয়ে দেন দপ করে, তাহলে একদণ্ডেই বোঝা যায়।”

    তাহলে একদণ্ডেই বোঝা যায় গ্যোতে মৃত্যুশয্যায় বলেছিলেন “লাইট, মোর লাইট!” তিনি যদি দপ করে আলো জ্বেলে দেখিয়ে দেন।

    যেমন প্যালেস্টাইনের মূর্খ ধীবরেরা যিশুকে অথবা শ্রীবাসাদি ভক্ত শ্রীগৌরাঙ্গকে পূর্ণাবতার দেখেছিলেন।

    যদি দপ করে তিনি না দেখান তাহলে উপায় কী? কেন যে কালে ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ বলেছেন, “কথা শেখালে অবতার বিশ্বাস করব?” তিনিই শিখিয়েছেন—বিশ্বাস, বিশ্বাস আর বিশ্বাস।

    “তোমার এই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা,
    এ সমুদ্রে আর কভু হবো নাকো পথহারা।”

    আমার তাঁর বাক্যে ঈশ্বরকৃপায় বিশ্বাস হয়েছে। আমি বিশ্বাস করবো, অন্য যা করে করুক আমি এই দুর্লভ বিশ্বাস কেন ছাড়বো? বিচার থাক, জ্ঞানচর্চা করে কি একটা ফার্স্ট হতে হবে?

    গভীর রজনীর মধ্যে বাতায়নপথে চন্দ্রকিরণ আসিতেছে, আর ফার্স্ট নাকি? একাকী ঘরের মধ্যে হায়! কিছুই জানিতে পারিলাম না! সায়েন্স, ফিলোসফি—বৃথা অধ্যয়ন করিলাম! এই জীবন, নে ধিক!

    এই বলিয়া বিষের শিশি লইয়া আত্মহত্যা করিতে বসবেন না। এলাস্টারের মতো অজ্ঞানের বোঝা বইতে না পেরে শিলাখণ্ডের উপর মাথা রেখে মৃত্যুর অপেক্ষাও করিব না।

    আমার এসব ভয়ানক পণ্ডিতদের মতো এক ছটাক জ্ঞানে রহস্য ভেদ করতে যাবার প্রয়োজন নাই। বেশ কথা—গুরুবাক্যে বিশ্বাস।

LinkedIn
Share