Author: suman-das

  • DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মহার্ঘ ভাতা (DA) সংক্রান্ত আইনি লড়াই বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ এবং অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI)-এর তথ্যকে ভিত্তি করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য দাবি করেছে কর্মচারীরা। ভোটের আগে মামলা মমতা সরকারকে চাপে ফেলবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের থেকে এখনও ৪০ শতাংশ ডিএ পাওয়ার বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের কর্মীরা।

    ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ (Calcutta High Court)

    বিচারপতি (Calcutta High Court) মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছে ইউনিটি ফোরাম নামে একটি সংস্থা। ইতিমধ্যে শুনানি হয়েছে কোর্টে। তাতে রাজ্য প্রশাসনের আর্থিক অবস্থান ও কর্মীদের অধিকারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সূচক অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যে হারে ডিএ (DA) পান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও সেই সমতা বজায় রাখা উচিত। রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করার সময় ডিএ-র যে হিসেব দিয়েছিল, তা বর্তমান বাজারদরের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    আর্থিক সামর্থ্য বনাম আইনি বাধ্যবাধকতা

    রাজ্য সরকার বারবারই তাদের সীমিত আর্থিক সংস্থানের কথা উল্লেখ করেছে। তবে আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ডিএ কেবল দয়ার দান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকারের আওতায় পড়ে। ডিএ মামলাটি এখন কেবল আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি বড় সামাজিক ও প্রশাসনিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন (DA) কমিশনের কাঠামো সংস্কার এবং কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ-র ফারাক কমানোর বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই বলে দেবে, রাজ্যের অর্থভাণ্ডার ও কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।

    পিটিশনে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়

    কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ষষ্ঠ বেতন কমিশন (DA) যে পদ্ধতিতে বেতন ও ভাতার হার নির্ধারণ করেছে, তা বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে, তা মেটানোর কোনো সুনির্দিষ্ট দিশা রাজ্য সরকার দেখায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। মামলাকারীদের (Calcutta High Court) মতে, মহার্ঘ ভাতা কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য একটি বিধিবদ্ধ অধিকার। রাজ্য সরকার এই অধিকার থেকে কোনও ভাবেই কর্মচারীদের বঞ্চনা করা যাবে না।

  • Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ময়দানে আজ বিশেষ ছবি ধরা পড়ল। একদিকে রেড রোডের নমাজে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উৎসবের আবহে ধর্মীয় অনুষঙ্গকে সঙ্গী করেই ২০২৬-এর নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিলেন রাজ্যের দুই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। এই নির্বাচনে মুসলিম ভোটই যে মমতার ভোটব্যাঙ্ক, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাই ইদের দিনে সোজা রেড রোড থেকেই নির্বাচনী প্রচার করলেন। বিজেপির অভিযোগ,  তোষণ-নীতিকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন মমতা।

    কালীঘাটে শুভেন্দুর পুজো ও প্রচারের শপথ (Mamata Banerjee)

    শনিবার সকাল সকালেই কালীঘাট মন্দিরে পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দেবী দর্শনের পর তিনি বলেন, “রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এবং আগামীর লড়াইয়ে আশীর্বাদ নিতেই আমার মা কালীর কাছে প্রার্থনা। ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমেই আমি জনসেবার সংকল্প গ্রহণ করেছি।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি যে কোমর বেঁধে নামছে, সেই ইঙ্গিতও এদিন তিনি দিয়েছেন। কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার পর্ব সেরে ফেললেন শুভেন্দু অধিকারী। নকুলেশ্বর শিব মন্দির, জগন্নাথ মন্দিরেও পুজো দিতে দেখা যায়। তবে এদিন কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে আসাকে কেন্দ্র করে বেনজির নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে। তাঁর আসার ঘন্টাখানেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে।

    কেন এই কর্মসূচী তাৎপর্যপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই ভিন্নধর্মী কর্মসূচী আসলে প্রতীকী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন তাঁর চিরাচরিত ‘সর্বধর্ম সমন্বয়’ ও ‘সংখ্যালঘু সমর্থন’ অটুট রাখার বার্তায় হিন্দুত্ব এবং হিন্দু ধর্মকে সমালোচনা করেন, তেমনি রেড রোডে নামাজে যোগদান করে মুসলিম প্রীতিকে বেশি করে প্রধান্য দেন। রাজ্যের ৩৫ শতাংশ ভোট নিজের পকেটে পুড়তে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তেমনি ‘হিন্দুত্বের আবেগ’ এবং ‘সনাতনী ভোটব্যাঙ্ক’ সংহত করার কৌশল বজায় রাখলেন। উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি দুই নেতাই পরোক্ষে বুঝিয়ে দিলেন—আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই শুরু হয়ে গেছে।

    পরোক্ষ ভাবে অনুপ্রবেশকে সমর্থন মমতার

    আজ সকালে রেড রোডে আয়োজিত নমাজে শামিল হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে মুসলিম ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা জানান। তবে সেখানই মুসলিম সমাজের ভোট পেতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুপ্রবেশকারী বলে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গে কোথাও অনুপ্রবেশ নেই বলে ইঙ্গিত দেন।

  • Ramakrishna 604: “হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না, সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না—বুঝতেও পারে না”

    Ramakrishna 604: “হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না, সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না—বুঝতেও পারে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৪শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ডাক্তার সরকার ও সর্বধর্ম পরীক্ষা (Comparative Religion)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর ‘যে কুছ্‌ হ্যায় তুঁহি হ্যায়।’

    ডাক্তার — আহা!

    গান সমাপ্ত হইল। ডাক্তার মুগ্ধপ্রায় হইয়াছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘তবে আজ যাই্‌, — আবার কাল আসব।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ—একটু থাক না! গিরিশ ঘোষকে খপর দিয়েছে। (মহিমাকে দেখাইয়া) ইনি বিদ্বান হরিনামে নাচেন, অহংকার নাই। কোন্নগরে চলে গিছলেন (Kathamrita)— আমরা গিছলাম বলে; আবার স্বাধীন, ধনবান, কারু চাকরি করতে হয় না! (নরেন্দ্রকে দেখাইয়া) এ কেমন?

    ডাক্তার — খুব ভাল!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আর ইনি —

    ডাক্তার — আহা!

    মহিমাচরণ — হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না। সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না — বুঝতেও পারে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — কি তিন পথ তুমি বলো?

    মহিমা—সৎপথ—জ্ঞানের পথ। চিৎপথ, যোগের। কর্মযোগ। তাই চার আশ্রমের ক্রিয়া, কি কি কর্তব্য, এর ভিতর আসছে। আনন্দপথ—ভক্তিপ্রেমের পথ।—আপনাতে তিন পথেরই ব্যাপার — আপনি তিন পথেরই খপর বাতলে দেন! (ঠাকুর হাসিতেছেন)

    “আমি আর কি বলব? জনক বক্তা, শুকদেব শ্রোতা!”

    ডাক্তার বিদায় গ্রহণ করিলেন।

    সন্ধ্যার পর সমাধিস্থ—নিত্যগোপাল ও নরেন্দ্র—‘জপাৎ সিদ্ধি’

    সন্ধ্যার পর চাঁদ উঠিয়াছে। আজ কোজাগর পূর্ণিমার পরদিন, শনিবার, ৯ই কার্তিক। ঠাকুর সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়া আছেন। নিত্যগোপালও তাঁহার কাছে ভক্তিভাবে দাঁড়াইয়া আছেন।

    ঠাকুর উপবিষ্ট হইয়াছেন — নিত্যগোপাল পদসেবা করিতেছেন। দেবেন্দ্র কালীপদ প্রভৃতি অনেকগুলি ভক্ত কাছে বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (দেবেন্দ্র প্রভৃতির প্রতি) — এমনি মনে উঠছে, নিত্যগোপালের এ-অবস্থাগুলো এখন যাবে,—ওর সব মন কুড়িয়ে আমাতেই আসবে — যিনি এর ভিতর আছেন, তাঁতে।

    “নরেন্দ্রকে দেখছো না?—সব মনটা ওর আমারই উপর আসছে!”

    ভক্তেরা অনেকে বিদায় লইতেছেন। ঠাকুর দাঁড়াইয়া আছেন। একজন ভক্তকে জপের কথা বলিতেছেন (Ramakrishna)— “জপ করা কি না নির্জনে নিঃশব্দে তাঁর নাম করা। একমনে নাম করতে করতে — জপ করতে করতে — তাঁর রূপদর্শন হয় — তাঁর সাক্ষাৎকার হয়। শিকলে বাঁধা কড়িকাঠ গঙ্গার গর্ভে ডুবান আছে — শিকলের আর-একদিক তীরে বাঁধা আছে। শিকলের এক-একটি পাপ (Link) ধরে ধরে গিয়ে ক্রমে ডুব মেরে শিকল ধরে যেতে ওই কড়ি-কাঠ স্পর্শ করা যায়! ঠিক সেইরূপ জপ করতে করতে মগ্ন হয়ে গেলে ক্রমে ভগবানের সাক্ষাৎকার হয়।”

    কালীপদ (সহাস্যে, ভক্তদের প্রতি) — আমাদের এ খুব ঠাকুর! — জপ-ধ্যান, তপস্যা করতে হয় না!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) গলায় অসুখ করিতেছে। দেবেন্দ্র বলিতেছেন — “এ-কথায় আর ভুলি না।” দেবেন্দ্রের এই মনের ভাব যে ঠাকুর কেবল ভক্তদের ভুলাইবার জন্য অসুখ দেখাইতেছেন।

    ভক্তেরা (Kathamrita) বিদায় গ্রহণ করিলেন। রাত্রে কয়েকটি ছোকরা ভক্ত পালা করিয়া থাকিবেন। আজ মাস্টারও রাত্রে থাকিবেন।

  • Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (IEP) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের (Global Terrorism Index) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তান প্রথম স্থান দখল করেছে। আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকেও পেছনে ফেলে দিয়ে এই প্রথমবার পাকিস্তান (Pakistan) এই সূচকের শীর্ষে উঠে এলো। অবশ্য অভিজ্ঞ মহল এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ বিশ্বে সন্ত্রাস উৎপাদন করে পাকিস্তানের মতো দেশ। একাধিক জেহাদি সংগঠনের জন্ম পাক ভূমিতে।

    ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু (Pakistan)

    প্রতিবেদনের সূচকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) স্কোর ৮.৫৭। গত এক দশকে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ (Global Terrorism Index) যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুরকিনা ফাসোর ক্ষেত্রে এই সূচক নিচে নেমেছে। টানা দুই বছর শীর্ষে থাকার পর বুরকিনা ফাসো এখন দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এখানে প্রাণহানির সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় ৪৫% হ্রাস পেয়েছে।

    ৯৭ পৃষ্ঠার এই গবেষণাটির চিত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। যেখানে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৮% কমে ৫,৫৮২-তে এবং হামলার সংখ্যা ২২% কমে ২,৯৪৪-এ দাঁড়িয়েছে এবং ৮১টি দেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের অবস্থা বিপরীত দিকে গেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর ফল হলো চরমপন্থী ইসলামপন্থী মতাদর্শ, রাষ্ট্র কর্তৃক একসময় লালিত বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আফগান প্রভাবের বিস্তার।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা, কোন দেশে কত জঙ্গি তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (Pakistan) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)-র মতো গোষ্ঠীগুলোর হামলা (Global Terrorism Index) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলার কারণে সন্ত্রাসের আঁতুড় ঘরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ১১তম এবং বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে।

    পাকিস্তানে ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শুধুমাত্র টিটিপি একাই ৫৯৫টি হামলা ও ৬৩৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩% বেশি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দেওবন্দী ইসলামপন্থী গ্রুপের আল-কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কার্যকলাপ ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পর্যবেক্ষণ করেছে, টিটিপি আল-কায়েদার কাছ থেকে আদর্শগত নির্দেশনা নেওয়ার পাশাপাশি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেছে।

    সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে ৫টি দেশে

    বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামগ্রিকভাবে সন্ত্রাসবাদজনিত (Global Terrorism Index) মৃত্যু ২৮% কমলেও, পাকিস্তান ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের মোট সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে পাকিস্তান, বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং কঙ্গোর মতো মাত্র পাঁচটি দেশে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান গত ১২ বছর ধরেই এই সূচকের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে, তবে ২০২৬-এর এই অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে।

  • West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী স্বচ্ছতায় এবার কমিশনের নয়া পদক্ষেপ। প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এখন কমিশনের নজরদারিতে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর কড়াকড়ি বাড়ালো ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এখন থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ করার সময় তাঁদের ব্যবহৃত সমস্ত অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রার্থীর যদি কোনও স্বীকৃত বা অফিশিয়াল পেজ থাকে, তবে তার লিঙ্ক বা হ্যান্ডেল মনোনয়নপত্রের নির্দিষ্ট কলামে উল্লেখ করতে হবে।

    বিজ্ঞাপনের খরচ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য করা সমস্ত আর্থিক খরচের হিসাব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের (Election Expenditure) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বুস্ট করা পোস্ট বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের খরচ এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ থাকছে না। নির্বাচনে পদপ্রার্থীদের এবার থেকে এই সব তথ্যের কথাও ঘোষণা করতে হবে। কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আগে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটের কোথাও বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ হিসাবে ধরা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Election Commission India) করা হবে।

    আচরণবিধি ও নজরদারি

    ডিজিটাল মাধ্যমে কোনও উসকানিমূলক মন্তব্য, ভুয়ো খবর বা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ নজরদারি সেল গঠন করেছে কমিশন। প্রার্থীদের প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হবে। নির্বাচন কমিশন সামাজিক মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত এমসিএমসি-র সিদ্ধান্তে কারও আপত্তি থাকলে ওই কমিটিতে পাল্টা আবেদন করা যাবে। তবে অনুমোদন ছাড়া কোনও ইন্টারনেট মাধ্যম বা ওয়েবসাইটে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন (West Bengal Elections 2026) দেওয়া যাবে না।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বর্তমান সময়ে প্রচারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, মূলধারার প্রচারের খরচের হিসাব থাকলেও ডিজিটাল প্রচারের তথ্য আড়ালে থেকে যায়। এই নতুন নিয়মের ফলে একাধিক সুবিধা মিলবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    যথা-

    • ১. প্রার্থীর প্রচার কৌশলে আরও স্বচ্ছতা আসবে।
    • ২. ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচার বা ‘পেইড নিউজ’ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
    • ৩. প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র কমিশনের হাতে থাকবে।

    কমিশনের (Election Commission India) এই পদক্ষেপ আধুনিক নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিজিটাল দুনিয়ায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে মানবতার পাঠ দিলেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত। আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহে আরএসএস (RSS) প্রধান বললেন, “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে।” পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ঘনীভূত সংঘাতের আবহে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ভারতের শান্তিদূতের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছেন।

    ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বিশ্বের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতিতে ভারতই একমাত্র দেশ যারা শান্তি ও সংহতির বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম’ বা মানবতার নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতি সমাপ্ত করতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ভারতের সংস্কৃতি এবং ডিএনএ-তে হিংসা নয়, বরং শান্তি ও পরোপকার মিশে আছে। ভারত (RSS) কোনো দেশকে জয় করতে চায় না, বরং ভারত হৃদয় জয় করতে চায়।”

    বিশ্ব শান্তিতে ভারতের ভূমিকা

    আমেরিকা ও ইরানের মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে সরসংঘ (RSS) চালক মোহন ভাগবত বলেন, “যখন বিশ্বজুড়ে বড় শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ সংঘাতে লিপ্ত, তখন ভারত মানবতার স্বার্থে মধ্যস্থতা করার ক্ষমতা রাখে। ভারতের প্রাচীন জ্ঞান এবং বর্তমান কৌশলগত অবস্থান দুই পক্ষকেই শান্ত করতে সহায়ক হতে পারে। ভারত কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। ভারতের কাছে ধর্ম মানে হল মানবতা। এই আদর্শকে পাথেয় করেই ভারত অতীতেও বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখাবে।”

    বর্তমান প্রেক্ষাপট

    মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা, হুমকি, পাল্টা হুমকির ফলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে ভারতের নিরপেক্ষ এবং মানবিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। ভারত কোনো পক্ষ নেয় না, ভারত ন্যায়ের পক্ষ নেয়। আরএসএস (RSS) প্রধানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বড় প্রভাব ফেলছে। তাঁর মতে, ভারত যদি নিজের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়ায়, তবে বর্তমান বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ ও বিবাদ মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত হুসেন হাসান মির্জাও বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটিমাত্র ফোনেই সংঘাতের সমাধান করতে পারেন। ইরান ও ইজরায়েলে মোদির একটি ফোন কলই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।”

  • West Bengal Elections 2026: মমতার ‘অপছন্দের’ আইপিএস জয়রামনকে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন!

    West Bengal Elections 2026: মমতার ‘অপছন্দের’ আইপিএস জয়রামনকে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসজেডিএ দুর্নীতি কাণ্ডে কিরণ কুমার গোদালাকে গ্রেফতার করেছিলেন তিনি। সেটা ২০১৩ সাল। ফলস্বরূপ, ‘মমতার রোষে’ ১২ বছর মেলেনি গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিং! এবার, সেই জয়রামনকেই ভোটের আগে ফিরিয়ে এনে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রতিহিংসাপরায়ণ মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার রাজ্যের এই উচ্চপদস্থ আইপিএস। তাঁদের দাবি, মমতা একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে যোগ্য ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন কোণায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কাজ এবং সম্মান— দুই থেকে জয়রামনকে বঞ্চিত করেছেন। এবার এই আইপিএসকে বিশেষ দায়িত্ব এবং কাজে যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করছে নির্বাচন কমিশন। উত্তরবঙ্গের এডিজি (ADG) পদে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস কে জয়রামনকে (K Jayaraman)। বিজেপির অভিযোগ, মমতা সরকারের দুর্নীতিকাণ্ডে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন জয়রামন। আর তাই রোষানলে পড়ে বঞ্চনার শিকার হন। তবে কমিশনের এই নিয়োগের পরই তাঁর পুরনো একটি বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোলে ফেলে দিয়েছে।

    গোদালা কিরণ কুমারকে গ্রেফতার করেছিলেন (West Bengal Elections 2026)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার থাকাকালীন তৎকালীন জেলাশাসক (DM)-কে গ্রেফতার করে দেশজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন জয়রামন। সেই ঘটনার জেরে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে হয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত জেলাশাসক বিরাট দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেন। আর তাই ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে জয়রামন এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে আইএএস অফিসার গোদালা কিরণ কুমারকে গ্রেফতার করেন।  উল্লেখ্য, দুর্নীতি যখন সংঘটিত হয়েছিল, তখন গোদালা কিরণ কুমার এসজেডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন। তবে, গ্রেফতারের সময় তিনি মালদার জেলাশাসক (DM) পদে কর্মরত ছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রশাসক মমতা নিজের অনুগতদের স্বজন পোষণ করেন আর মতের অমিল হলেই খাড়ার কোপ দেন। কে জয়রামন (K Jayaraman) শেষবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এই উত্তরবঙ্গেই৷ ২০১৩ সালে তিনি ছিলেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার৷ ওই পদে থাকাকালীনই তাঁকে সরিয়ে দিয়ে কম্পালসারি ওয়েটিং পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার পর দীর্ঘ সাড়ে বছর তাঁকে আইনশৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সময়ের সঙ্গে পদন্নোতি হয়ে বর্তমানে এডিজি পদমর্যাদার অফিসার হলেও, অন্তরালেই থেকে যান জয়রামন। তাঁকে সেখান থেকে বের করে এনে কমিশন এবার নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।

    নবান্নের সঙ্গে প্রকার টানাপোড়েন ছিল

    একজন কর্মরত জেলাশাসককে গ্রেফতার করার এই ঘটনাটি প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। তবে তৎকালীন সময়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিককে গ্রেফতারের পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া নিয়ে নবান্নের সঙ্গে পুলিশের এক প্রকার টানাপোড়েন তৈরি হয়। এই পদক্ষেপের পর কে জয়রামনকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘকাল চর্চা চলেছিল। বিগত কয়েক বছর ধরে পুনরায় মূল ধারার পুলিশ বিভাগে ফিরে এসেছেন জয়রামন। নির্বাচন কমিশন তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিবেচনা করেই ভোটের মুখে উত্তরবঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ জোনের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে তুলে দিয়েছে। নির্বাচনের সময় স্পর্শকাতর উত্তরবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই এখন এই পদস্থ কর্মকর্তার প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে হিংসা মুক্ত নির্বাচন করতে কমিশন এই সক্রিয় অফিসারকে ময়দানে (West Bengal Elections 2026) নামিয়েছে।

    কেন এই নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ?

    বিগত ১২ বছর ধরে তিনি মূলত অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত দায়িত্ব সামলেছেন। ফলে ভোটের মতো সংবেদনশীল সময়ে উত্তরবঙ্গের এডিজি (ADG) হিসেবে তাঁর এই নিয়োগ প্রশাসনিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। নির্বাচনে হিংসা এবং অশান্তি প্রতিরোধ এখন বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল। ফলে আগামী বিধানসভা নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করা এবং ভোটারদের ভোট নিশ্চিত করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কমিশনের আস্থা দীর্ঘ বিরতি সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন যে তাঁর ওপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা জয়রামনের (K Jayaraman) অভিজ্ঞতা ও দৃঢ়তার ওপর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। একজন আইপিএস অফিসার হিসেবে কে জয়রামন তাঁর সোজাসাপ্টা ও কড়া মেজাজের জন্য পরিচিত। এক সময় রাজ্য সরকারের রোষানলে পড়লেও, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে আসন্ন ভোটের লড়াইয়ে অভিজ্ঞ ও কঠোর কর্মকর্তাদের উপরেই আস্থা রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026)।

  • West Bengal Elections 2026: বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে বিজেপি, প্রচারে ঝড় তুলতে রামনবমীর পরেই রাজ্যে আসছেন মোদি-শাহ

    West Bengal Elections 2026: বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে বিজেপি, প্রচারে ঝড় তুলতে রামনবমীর পরেই রাজ্যে আসছেন মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে (West Bengal Elections 2026) ব্যাপক প্রচারে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নামছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর পর রাজ্যজুড়ে রোড শো এবং জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে রাজ্যের ভোট প্রচারে শুধু মোদি নন সেই সঙ্গে সভা করবেন অমিত শাহ, নিতিন নবীন, জেপি নাড্ডা এবং যোগী আদিত্যনাথের মতো জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতারা।

    প্রধানমন্ত্রীর মেগা ক্যাম্পেইন (West Bengal Elections 2026)

    ভোটগ্রহণের আগে রাজ্যে মোট ১৪টি জনসভা ও রোড-শো করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (West Bengal Elections 2026)। উত্তর থেকে দক্ষিণ—রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছানোই তাঁর এই ঝটিকা সফরের লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় নির্বাচন হবে। ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

    অমিত শাহের রণকৌশল

    পিছিয়ে নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসভায় শান দিতে তিনিও রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি পালন করবেন। বুথ স্তরের কর্মীদের চাঙ্গা করতে তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রবীণ বিজেপি নেতা মোট ৮টি জনসভা করবেন। সেই সঙ্গে ৭টি জনসভা করবেন সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ভোটের প্রচারে অংশ গ্রহণ করবেন জেপি নাড্ডা। তিনি মোট ৬টি জনসভা করবেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রোড শো করবেন ৪টি। সেই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে প্রচার চালাবেন বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মোট ১০টি জনসভা এবং রোড শো করবেন।  মোদি-শাহ ছাড়াও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে।

    সুর বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    গত কয়েকদিনের ব্যবধানে মোদি (PM Modi)-শাহের এই ঘনঘন সফর স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বাংলার নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডের সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী যে সুর বেঁধে দিয়েছেন, তাকেই পাথেয় করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ এই প্রচারে গত ১৫ বছরের তৃণমূলের দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, তোষণের রাজনীতিকেই হাতিয়ার করে ময়দানে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। তৃণমূলের কাটমানি বনাম বিজেপির আমজনতার অধিকার রক্ষার লড়াই এখন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

  • Ramakrishna 603: “হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে! লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে”

    Ramakrishna 603: “হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে! লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৪শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ডাক্তার সরকার ও সর্বধর্ম পরীক্ষা (Comparative Religion)

    মাস্টার (ডাক্তারকে) — ইনি (মহিমা) খুব সাইয়েন্স্‌ পড়েছেন।

    ডাক্তার (সহাস্যে) — কি Maxmuller’s Science of Religion?

    মহিমা (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — আপনার অসুখ, ডাক্তারেরা আর কি করবে? যখন শুনলাম যে আপনার অসুখ করেছে, তখন ভাবলাম যে ডাক্তারের অহংকার বাড়াচ্ছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ইনি খুব ভাল ডাক্তার। আর খুব বিদ্যা।

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, উনি জাহাজ, আর আমরা সব ডিঙ্গি।

    ডাক্তার বিনীত হইয়া হাতজোড় করিতেছেন।

    মহিমা — তবে ওখানে (ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে) সবাই সমান।

    ঠাকুর নরেন্দ্রকে গান গাইতে বলিতেছেন (Kathamrita)।

    নরেন্দ্রের (Ramakrishna)  গান:

    (১)   —   তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা।

    (২)   —   অহংকারে মত্ত সদা, অপার বাসনা।

    (৩)   —   চমৎকার অপার, জগৎ রচনা তোমার!
    শোভার আগার বিশ্ব সংসার!

    (৪)   —   মহা সিংহাসনে বসি শুনেছি হে বিশ্বপতিঃ
    তোমারি রচিত ছন্দ মহান বিশ্বের গীত।
    মর্ত্যের মৃত্তিকা হয়ে, ক্ষুদ্র এই কণ্ঠ লয়ে,
    আমিও দুয়ারে তব, হয়েছি হে উপনীত।
    কিছু নাহি চাহি দেব, কেবল দর্শন মাগি,
    তোমারে যথা রবি শশী, সেই সভা মাঝে বসি,
    একান্তে গাইতে চাহে এই ভকতের চিত।

    (৫)   —   ওহে রাজরাজেশ্বর, দেখা দাও!
    করুণাভিখারী আমি করুণা কটাক্ষে চাও ৷৷
    চরণে উৎসর্গ দান, করিতেছি এই প্রাণ,
    সংসার-অনলকুণ্ডে ঝলসি গিয়াছে তাও ৷৷
    কলুষ-কলঙ্কে তাহে আবরিত এ-হৃদয়;
    মোহে মুগ্ধ মৃতপ্রায়, হয়ে আছি দয়াময়,
    মৃতসঞ্জীবনী মন্ত্রে শোমৃ ন করিয়ে লও ৷৷

    (৬)   —   হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে!
    লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে ৷৷

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর ‘যে কুছ্‌ হ্যায় তুঁহি হ্যায়।’

    ডাক্তার — আহা!

    গান সমাপ্ত হইল। ডাক্তার মুগ্ধপ্রায় হইয়াছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘তবে আজ যাই্‌, — আবার কাল আসব।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ—একটু থাক না! গিরিশ ঘোষকে খপর দিয়েছে। (মহিমাকে দেখাইয়া) ইনি বিদ্বান হরিনামে নাচেন, অহংকার নাই। কোন্নগরে চলে গিছলেন (Kathamrita)— আমরা গিছলাম বলে; আবার স্বাধীন, ধনবান, কারু চাকরি করতে হয় না! (নরেন্দ্রকে দেখাইয়া) এ কেমন?

  • North Korea: উত্তর কোরিয়ার সাজানো নির্বাচনে কিম জং উনের জয়ের নাটক, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে একাধিপত্য

    North Korea: উত্তর কোরিয়ার সাজানো নির্বাচনে কিম জং উনের জয়ের নাটক, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে একাধিপত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার (North Korea) সংসদীয় নির্বাচনে দেশের সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন (Kim Jong Un) ৯৯.৯৩% ভোট পেয়ে বিশাল জয়লাভ করেছেন। ভোটের হার ছিল ১০০ শতাংশের কাছাকাছি। উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি এবং তাদের জোট এই নির্বাচনে মোট ভোটের ৯৯.৯৩% পেয়েছে।

    বিপক্ষ ভোট কত ভোট (Kim Jong Un)?

    সরকারি তথ্যসূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র ০.০৭% ভোট তাঁর (Kim Jong Un) বিপক্ষে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার (North Korea) এই জয় অত্যন্ত ব্যাতিক্রমী বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটি অত্যন্ত বিরল হলেও উত্তর কোরিয়ার কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে এটি খুব স্বাভাবিক এবং নিয়মিত ঘটনা।

    ৬৮৭টি আসনের সবকটিতেই জয়ী কিম জং

    এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির (Supreme People’s Assembly) সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়েছে। মোট ৬৮৭টি আসনের সবকটিতেই ক্ষমতাসীন দল ও তাদের (Kim Jong Un) মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য ছিল কিম জং উনের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করা এবং প্রশাসনে নতুন ও অনুগত কর্মকর্তাদের জায়গা করে দেওয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে মাত্র ০.০০৩৭ শতাংশ বিদেশে বা সমুদ্রে কর্মরত থাকার কারণে ভোট দিতে পারেননি, এবং অতি ক্ষুদ্র সংখ্যক প্রায় ০.০০০০৩ শতাংশ ভোটদানে বিরত ছিলেন।

    সহজ কথায় ১০০% ভোট পাওয়া সাধারণ বিষয়

    উত্তর কোরিয়ার (North Korea) এই নির্বাচন মূলত একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। সেখানে কোনো বিরোধী দল নেই এবং ভোটারদের জন্য কোনো বিকল্প প্রার্থীও থাকে না। তাই কিম জং উন (Kim Jong Un) বা তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের প্রায় ১০০% ভোট পাওয়াটা দেশের জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি অংশ।

    বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুর পর ২০১১ সালে কিম  ক্ষমতায় আসেন এবং তখন থেকে তিনিই দেশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালে, উত্তর কোরিয়া তাঁর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার জন্য নিজেদের সংবিধানে পরিবর্তন আনেন। কিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধান করা হয় এবং সরকার, সামরিক বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাঁর কর্তৃত্বকে একনায়কতন্ত্র করে তোলা হয়।

LinkedIn
Share