Author: suman-das

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah) মঙ্গলবার বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারকে (BJP Government) নির্বাচিত করার সংকল্প গ্রহণ করেছে। বিজেপিই বাংলায় উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্যের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনবে এবং গরিব কল্যাণ-এর উপর জোর দেবে। খুব দ্রুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কুশাসন মুক্ত হবে পশ্চিমবঙ্গ।”

    ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয় আর দুর্নীতি (Amit shah)

    তৃণমূল সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উৎসাহিত করে। এই অভিযোগ করে আমিত শাহ (Amit shah) বলেন, “৩০ ডিসেম্বর ভারতীয়দের জন্য গর্বের দিন, কারণ এই দিনেই ১৯৪৩ সালে বাংলার সুপুত্র সুভাষ চন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। আজ থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সময়টা বাংলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়েই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (BJP Government) অনুষ্ঠিত হবে। বাংলার মানুষ এমন একটি শক্তিশালী সরকার বেছে নেওয়ার সংকল্প করেছে যা ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশের বদলে ঐতিহ্য, উন্নয়ন এবং কল্যাণ নিয়ে আসবে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের গত ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কারণে নাগরিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।”

    জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা

    আমিত শাহ (Amit shah) পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে এবং অন্যান্য রাজ্যে যেমন করা হয়েছে, তেমনি দরিদ্রদের কল্যাণের (BJP Government) ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে।” অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত থেকে দূরে রাখার জন্য আমিত শাহ একটি জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা করেন এবং পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “মানুষ ছেড়ে দিন, একটি পাখিও পা রাখতে পারবে না। আমরা এই ধরনের একটি শক্তিশালী গ্রিড তৈরি করব। আমরা কেবল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশ বন্ধ করব না। আমরা নিশ্চিত করব যে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়।” পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সুযোগ থাকবে

    তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজের বিরোধিতা করছে। এমন সময়েই অমিত শাহের (Amit shah) এই সফর হলো। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভোটারদের তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ আগামী ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) বিনামূল্যে ডিজিটাল লাইব্রেরি রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) ৬,০০০-এরও বেশি ই-বুকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের শিশু ও যুবকদের জন্য বহুভাষিক সাহিত্যে অফুরন্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি শিক্ষা মন্ত্রকের এক বড় পদক্ষেপ। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আনন্দময় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শিক্ষার প্রতি ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দেয়।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Minister of Education) ধর্মেন্দ্র প্রধান কর্তৃক চালু করা রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের অধীনে তৈরি করা হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য দেশের শিশু ও যুব সমাজ। এটি কেবল একটি ডিজিটাল ভান্ডার নয়, বরং পড়ার আনন্দকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে, কৌতূহল বাড়াতে এবং ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের প্রতি গর্ববোধ জাগানোর জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    অ্যাপে পড়া যায় (Rashtriya e-Pustakalaya)

    ২০২৬ সালের নতুন দিল্লি বিশ্ব বইমেলায় এই প্ল্যাটফর্মটি তার বইয়ের ক্রমবর্ধমান সংগ্রহ প্রদর্শন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়গুলি কল্পনা, আবিষ্কার এবং শেখার প্রবেশদ্বারে রূপান্তরিত করেছে। একটি সাধারণ অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে পারে যেখানে গল্প, জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) একটি বিরাট ডিজিটাল লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করছে। তাতে কল্পকাহিনি, অলৌকিক কাহিনি, কমিকস, ছড়া, ছবির বই এবং শিল্প ও সংস্কৃতি, ভ্রমণ ও অন্বেষণ ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তৃত বইগুলিতে সীমাহীন প্রবেশাধিকার সরবরাহ করে। পড়ুয়াদের আগ্রহ এবং পড়ার প্রতি যত্ন সহকারে তৈরি করা এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষা কেবল শ্রেণীকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। প্রতিটি হৃদয়ে প্রসারিত হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, লাইব্রেরিটি সুচিন্তিতভাবে চারটি বয়স-নির্দিষ্ট বিভাগে সাজানো হয়েছে: ৩-৮ বছর, ৮-১১ বছর, ১১-১৪ বছর এবং ১৪ বছরের বেশি। এটি বয়স-উপযোগী বিষয়বস্তু নিশ্চিত করে যা জ্ঞানীয়, আবেগগত এবং সৃজনশীল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো এর গ্রহণ যোগ্যতা। ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ এই অ্যাপটিতে ২০০টিরও বেশি নামকরা প্রকাশকের ৫,০০০টিরও বেশি প্রবন্ধ রয়েছে। এগুলি ২২টি ভারতীয় ভাষা এবং ইংরেজিতে বিস্তৃত। ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশু, তার অবস্থান বা মাতৃভাষা নির্বিশেষে, মানসম্পন্ন সাহিত্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

    জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের (Rashtriya e-Pustakalaya) মূল উদ্দেশ্য হল, পড়ার প্রতি জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলা। এই উদ্যোগটি কেবল পাঠক তৈরি করতেই চায় না, বরং তরুণ মনকে সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করতে, অবাধে স্বপ্ন দেখতে এবং অর্থপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে ক্ষমতা দিতে চায়। বিষয়বস্তুকে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত রেখে এবং একই সাথে বৈশ্বিক ধারণার দুয়ার খুলে দিয়ে, এই প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞ, আত্মবিশ্বাসী এবং কল্পনাপ্রবণ ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করার লক্ষ্য রাখে।

  • Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Bangladesh Polls 2025) আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অরাজকতা, সহিংসতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চরমে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আসন্ন নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা (Bangladesh Polls 2025)

    ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতারিত করার পর দেশের ইতিহাসে এটি একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রহমান তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসেন। তাঁর হয়ে দলের নেতারা ২৯ ডিসেম্বর, সোমবার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারেক রহমান আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025) ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্রটি সেগুনবাগিচা ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর, শনিবার তারেক ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এরপরেই বিএনপি নেতারা তাকে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।

    মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে পরিবর্তনের ডাক

    তারেক রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র (Bangladesh Polls 2025) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে নিজ দেশে তিনি যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক্স‘ হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেন, “প্রিয় বন্ধু, বোন ও ভাইয়েরা, সারা বাংলাদেশে, গত বৃহস্পতিবার এমন একটি দিন ছিল যা আমি চিরকাল হৃদয়ে ধরে রাখব, যেদিন ১৭টি দীর্ঘ বছর পর আমি আমার মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে এসেছি। আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, ঢাকার রাস্তা ধরে মুখচ্ছবিগুলোর সমুদ্র এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রার্থনা—এসব মুহূর্ত আমি কখনো ভুলব না। আমার গভীরতম ধন্যবাদ সবাইকে। শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয় আমাদের পরিবার এবং আমার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য কেমন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অনুভব করছি। আমাদের সেইসব সমর্থকদের প্রতি, যারা প্রতিটি কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিলেন এবং কখনও আশা হারাননি, আপনাদের সাহস আমাকে শক্তি জুগিয়ে চলেছে।”

    সব মামলায় মুক্ত তারেক

    তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার হয়েছিলেন। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি সপরিবারে লন্ডনে যান এবং দেশে ফিরে আসেননি। ২০১৮ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে তিনি লন্ডন থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এবার লড়বেন নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025)।

    হিন্দু নির্যাতন কি কমবে?

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমলে দায়ের করা মামলাগুলি থেকে তারেক (Tarique Rahman) একে একে মুক্তি পেয়েছেন। এরপর দেশে ফেরার পথ প্রশস্ত হয়েছে। বিএনপি এর আগে ১৩তম সংসদ নির্বাচনের জন্য আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল, যেখানে বলা হয়েছিল তারেক রহমান প্রথমবারের মতো বগুড়া-৬ আসন থেকে ভোট দেবেন।

    তবে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে (Bangladesh Polls 2025) ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে হিন্দুদের উপর কট্টর মৌলবাদীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলছে। ভালুকা, রাজশাহী, পিরোজপুরে লাগাতার হিন্দুদের টার্গেট করা হচ্ছে। কাউকে ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপবাদ পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে আবার কোথাও বাইরে থাকে ঘরে তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার কর্মকাণ্ড চলছে। সবটা মিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে সংখ্যা লঘুদের উপর ফের একবার বিপর্যয় নেমে এসেছে।

  • Ramakrishna 544: “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে”

    Ramakrishna 544: “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরণ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    দ্বিজ, দ্বিজের পিতা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ—মাতৃঋণ ও পিতৃঋণ

    “আমি (Ramakrishna) এদের বলি, সংসারও কর, আবার ভগবানেতেও মন রাখ।—সংসার ছাড়তে বলি না;—এও কর, ও-ও কর।”

    পিতা—আমি বলি, পড়াশুনা তো চাই,—আপনার এখানে আসতে বারণ করি না। তবে ছেলেদের সঙ্গে ইয়ারকি দিয়ে সময় না কাটে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এর (দ্বিজর) অবশ্য সংস্কার ছিল। এ দুই ভায়ের হল না কেন? আর এরই বা হল কেন?

    “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে।”

    পিতা—হাঁ, তা বটে।

    ঠাকুর (Kathamrita) মেঝেতে দ্বিজর পিতার কাছে আসিয়া মাদুরের উপর বসিয়াছেন। কথা কহিতে কহিতে এক-একবার তাঁহার গায়ে হাত দিতেছেন।

    সন্ধ্যা আগতপ্রায়। ঠাকুর মাস্টার প্রভৃতিকে বলিতেছেন, “এদের সব ঠাকুর দেখিয়ে আনো—আমি ভাল থাকলে সঙ্গে যেতাম।”

    ছেলেদের সন্দেশ দিতে বলিলেন। দ্বিজর পিতাকে বলিলেন, “এরা একটু খাবে; মিষ্টমুখ করতে হয়।”

    দ্বিজর বাবা দেবালয় ও ঠাকুরদের দর্শন করিয়া বাগানে একটু বেড়াইতেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘরে দক্ষিণ-পূর্ব বারান্দায় ভূপেন, দ্বিজ, মাস্টার প্রভৃতির সহিত আনন্দে কথা কহিতেছেন। ক্রীড়াচ্ছলে ভূপেন ও মাস্টারের পিঠে চাপড় মারিলেন। দ্বিজকে সহাস্যে বলিতেছেন, “তোর বাপকে কেমন বললাম।”

    সন্ধ্যার পর দ্বিজর পিতা আবার ঠাকুরের ঘরে আসিলেন (Kathamrita)। কিয়ৎক্ষণ পরেই বিদায় লইবেন।

    দ্বিজের পিতার গরম বোধ হইয়াছে—ঠাকুর নিজে হাতে করিয়া পাখা দিতেছেন।

    পিতা বিদায় লইলেন—ঠাকুর (Ramakrishna) নিজে উঠিয়া দাঁড়াইলেন।

  • Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) মুসলিম-প্রধান এলাকা পিরোজপুর জেলার দুমড়িতলা গ্রামে একটি হিন্দু গ্রামে অন্তত পাঁচটি বাড়ি অগ্নিসংযোগে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত ২৮ ডিসেম্বর। উল্লেখ্য এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ২৯ বছর বয়সী গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত দীপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার কারণে মিথ্যা অভিযোগে একদল মুসলিম উন্মত্ত জনতা প্রথমে পিটিয়ে হত্যা করেছিল এবং এরপর তাঁর মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় এই হিন্দু নির্যাতনের (Attacks On Minorities Hindu) ঘটনায় ভারতেও ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় একাধিক হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে।

    কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় (Bangladesh)

    স্থানীয় (Bangladesh) প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কট্টরপন্থী হামলাকারীরা (Attacks On Minorities Hindu) ঘরের একটি ঘরে কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং এরপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত সাহা পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। পরিবারের সদস্যরা বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তবে তাঁরা প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হন নি। আগুন পরিকল্পনা করেই লাগানো হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে।

    পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ভোরের দিকে আগুন দেখতে পেয়ে বুঝতে পারা যায় বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলযার ফলে তারা ঘরের ভেতর আটকে পড়েন। পরে দুটি পরিবারের মোট আটজন সদস্য টিনের চাল ও বাঁশের বেড়া কেটে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ঘরবাড়ি ও সমস্ত আসবাবপত্র সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি আগুনে বাড়ির পোষা প্রাণীরাও মারা গেছে।

    এই ঘটনাস্থলটি রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ইতোমধ্যে পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় লোকজন একাধিক ঘরে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

    আন্তর্জাতিক সংস্থার দাবি

    হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ (Bangladesh) মাইনরিটিজ (HRCBM) জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে হিন্দু সংখ্যালঘুদের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অন্তত ৭১টি ঘটনার তথ্য তারা সংগ্রহ করেছে। এসব ঘটনা চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, খুলনা, কুমিল্লা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিলেটসহ ৩০টিরও বেশি জেলায় নথিভুক্ত হয়েছে। সংস্থাটির মতে, এসব ঘটনার বিস্তার ও পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ধর্মীয় অভিযোগকে ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।  

    পাকিস্তানের সঙ্গে মিত্রতা ইউনূসের

    প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ জনসংখ্যার এই দক্ষিণ এশীয় দেশটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্রমশ ধর্মীয় রক্ষণশীলতার দিকে ঝুঁকছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Bangladesh) ক্ষমতাচ্যুতির পর দেশটি একটি অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে উগ্র ইসলামপন্থীদের উত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার প্রচেষ্টা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পাকিস্তানের দিকে ঝোঁকার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অথচ এই পাকিস্তানই বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপক নির্যাতন (Attacks On Minorities Hindu) ও হত্যালীলা চালিয়েছিল।

    চরম হিন্দু নির্যাতন!

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক পরিসরে নিয়মিত ভারতবিরোধী বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, যার মধ্যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সম্পর্কিত উসকানিমূলক মন্তব্যও রয়েছে। এসব বক্তব্যের সূত্রপাত হয় মুহাম্মদ ইউনূসের ওই অঞ্চল নিয়ে করা এক মন্তব্য থেকে। বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন উগ্র গোষ্ঠী এই ভারতবিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আড়ালে কট্টর মৌলবাদীরা রাজত্ব করছে।

    বাংলাদেশ যখন ইউনূস সরকারের অধীনে নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন বিচ্ছিন্ন হলেও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে, যা মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরে আরেক হিন্দু ব্যক্তি অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটকে উন্মত্ত জনতা হত্যা করে। তবে বাংলাদেশ সরকার দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক গুরুতর মামলা ছিল এবং ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। আসলে বাংলাদেশে এখন হিংস্রতা (Attacks On Minorities Hindu) চরম সীমায়।

  • Bihar: বিহারের মুঙ্গেরে পুলিশের সামনে অস্ত্রসহ ৩ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ

    Bihar: বিহারের মুঙ্গেরে পুলিশের সামনে অস্ত্রসহ ৩ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুঙ্গের (Bihar) জেলায় ২৮ ডিসেম্বর, রবিবার তিনজন কট্টর মাওবাদী (Hardcore Maoists) সদস্য পুলিশের সামনে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। মুঙ্গের জেলার খড়াগপুরে একটি কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে বিহার পুলিশের ডিজিপি বিনয় কুমার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই আত্মসমর্পণ সম্পন্ন হয়।

    মাথার দাম ছিল ৩ লক্ষ টাকা (Bihar)

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী নকশালনেতাদের (Hardcore Maoists) মধ্যে নারায়ণ কোদা ও বাহাদুর কোদা—উভয়েই নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠনের সাব-জোনাল (Bihar) কমান্ডার। রাজ্য সরকার তাদের প্রত্যেকের মাথার দাম হিসেবে আলাদাভাবে ৩ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। তৃতীয় আত্মসমর্পণকারী হলেন বিনোদ কোদা। নারায়ণ ও বাহাদুর মঙ্গের জেলার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। বিনোদ কোদা লখিসরাই জেলার বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে। আত্মসমর্পণের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জাম জমা করেছে। এর মধ্যে ছিল দুটি ইনসাস রাইফেল, চারটি এসএলআর, ১০টি ওয়াকিটকি এবং প্রায় ৫০০ রাউন্ড জীবিত কার্তুজ।

    সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপে সাড়া

    বিহার পুলিশ (Bihar) জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত পুলিশ ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এর যৌথ অভিযান এবং বিহার সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতির ইতিবাচক প্রভাবেই এই আত্মসমর্পণ সম্ভব হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মাওবাদীদের হিংসতার (Hardcore Maoists) পথ পরিত্যাগ করে মূলধারার সমাজে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি নীতি অনুযায়ী আত্মসমর্পণকারীদের ২.৫ লক্ষ টাকা অনুদান, আগামী তিন বছরের জন্য প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে প্রশিক্ষণ সহায়তা এবং অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ১.১১ লক্ষ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।

    বর্তমানে বিহার সরকার মাওবাদী বিদ্রোহ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নক্সাল কার্যকলাপ এখন শুধুমাত্র কয়েকটি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ, যা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • Bangladesh Polls 2025: জামায়েতের সঙ্গে এনসিপির জোট! একাধিক বিক্ষুদ্ধ নেতার রোষ প্রকাশ্যে

    Bangladesh Polls 2025: জামায়েতের সঙ্গে এনসিপির জোট! একাধিক বিক্ষুদ্ধ নেতার রোষ প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Polls 2025) নির্বাচনের আগে এনসিপির সঙ্গে জামায়েত ইসলামীর আসনে সমোঝতা এবং আসন ভাগাভাগি জোট চূড়ান্ত হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে প্রতিবাদী ছাত্র জনতার বিরাট ভূমিকা ছিল। জামায়েত (Jamaat-E-Islami-NCP) এবং এনসিপির চুক্তির মাঝেই ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে দুই দলের নীতিগত কিছু বিষয়ে আবার মতান্তরও দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের রাজনীতি এখন চরম উত্তেজনায়।

    ৩০০ টি সংসদীয় আসনে জোট (Bangladesh Polls 2025)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ডেইলি স্টারের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর এটি প্রধান প্রথম সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Polls 2025)। এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলাম বিশেষ ভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে এই দলের মধ্যে আটটি দলের জোট রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, কর্নেল আলি আহমেদের নেতৃত্বে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বা এলডিপি। নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে জামায়েত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা করে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “৩০০ টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রার্থী নির্বাচনের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বাকি প্রক্রিয়া সুষ্ঠ ভাবে চূড়ান্ত করার কাজ করা হবে।” আবার অনুষ্ঠানে এনসিপি নেতাদের অনুপস্থিতি সম্পর্কে রহমান বলেন, “এনসিপির (Jamaat-E-Islami-NCP) তরফে তারা তাদের দলের কথা আমাদের স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে। নিজেরা নিজেদের সিদ্ধান্ত সংবাদ মাধ্যমে দ্রুত জানিয়ে দেবেন।”

    জামায়েত ইসলামি নির্ভরযোগ্য মিত্র নয়

    তবে জামাতের এই ঘোষণা ন্যাশনাল সিটিজেট পার্টির ভেতরে গভীর বিভাজনের কথাও উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্রথমে কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং এরপর দফা এক দাবি এক হাসিনার পদত্যাগে এই এনসিপি ছাত্র নেতাদের বিরাট ভূমিকা ছিল। ফলে জামাতের সঙ্গে কিসের ভিত্তিত্বে জোট? কোন রাজনৈতিক স্বার্থকে ঠিক রাখতে রাজনৈতিক লড়াইতে জোটের (Bangladesh Polls 2025) ইঙ্গিত? এই সব একাধিক প্রশ্নের কারণে এনসিপির নেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ লক্ষ করা গিয়েছে।

    এনসিপির একজন বিশিষ্ট নেত্রী তাসনিম ঘোষণা করেছেন, দলের মনোনয়ন প্রত্যাখান করবেন। আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। তিনি বলেন, “আমার ইচ্ছে ছিল আমি একটি রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সংসদে প্রবেশ করবো। বর্তমান বাস্তবতার কারণে আমি কোনও নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” আরেক সিনিয়র এনসিপি নেতা সামন্ত শারমিন জোটের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামি নির্ভরযোগ্য মিত্র নয়। আমি বিশ্বাস করি যে জামায়েতে ইসলামির রাজনৈতিক অবস্থান এবং আদর্শের বিবেচনায়, যেকোন সহযোগিতা এবং সমঝোতায় প্রবেশ করলে এনসিপিকে চরম মূল্য দিতে হবে। রাষ্ট্রের মূল নীতি এবং দৃষ্টিভঙ্গী জামায়েতের চিন্তার ভাবনার সম্পূর্ণ বিপরীত। এনসিপি (Jamaat-E-Islami-NCP) ন্যায়বিচার, সংস্কার, এবং একটি গণপরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে গঠিত দল। তাই ভালো করে ভাবার সময় এসেছে।”

    আরেক মুখ তারেখ রহমান

    ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Polls 2025)। তবে এই নির্বাচনে আওয়ামি লিগকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামি লীগ নিষিদ্ধ রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করেছে।

    অপর দিকে বাংলাদেশ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার বলেছিলেন, “১৭ বছর পর নিজের দেশে ফিরে দেশকে একটি উন্নত এবং নিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন আমরা আমাদের বুকে রাখি। গত বৃহস্পতিবার দিন ছিল আমার কাছে চিরস্মরণীয় দিন। আমাকে যে ভাবে আমার দেশবাসীরা অভ্যর্থনা জানিয়েছেন তার জন্য আমি সকলের কাছে ঋণী। দেশের জন্য একটি উজ্জ্বল রোডম্যাপ নিয়ে আমি ফিরে এসেছি। আমি ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় কাজ করবো। এটা আমার কাছে কেবল স্বপ্ন নয়, এমন একটি দেশ যেখানে শান্তি, মর্যাদাকে বিকশিত করবে মাত্র।”

  • Ramakrishna 543: “শুধু জলে দুধ রাখলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়, মাখন তুলে জলের উপর রাখলে আর কোন গোল থাকে না”

    Ramakrishna 543: “শুধু জলে দুধ রাখলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়, মাখন তুলে জলের উপর রাখলে আর কোন গোল থাকে না”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরণ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    দ্বিজ, দ্বিজের পিতা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ—মাতৃঋণ ও পিতৃঋণ 

    “অমি (Ramakrishna) বলি, অনাসক্ত হয়ে সংসার কর। হাতে তেল মেখে কাঁঠাল ভাঙ্গ—তাহলে হাতে আঠা লাগবে না। “কাঁচা মনকে সংসারে রাখতে গেলে মন মলিন হয়ে যায়। জ্ঞানলাভ কর তবে সংসারে থাকতে হয়। “শুধু জলে দুধ রাখলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়। মাখন তুলে জলের উপর রাখলে আর কোন গোল থাকে না।”

    দ্বিজর পিতা (Kathamrita) আজ্ঞা, হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—আপনি যে এদের বকেন-টকেন, তার মানে বুঝেছি। অপনি ভয় দেখান। ব্রহ্মচারী সাপকে বললে, ‘তুই তো বড় বোকা! তোকে কামড়াতেই আমি বারণ করেছিলাম। তোকে ফোঁস করতে বারণ করি নাই! তুই যদি ফোঁস করতিস তাহলে তোর শত্রুরা তোকে মারতে পারত না।’ আপনি ছেলেদের বকেন-ঝকেন,—সে কেবল ফোঁস করেন।

    দ্বিজর পিতা হাসিতেছেন।

    “ভাল ছেলে হওয়া পিতার পুণ্যের চিহ্ন। যদি পুষ্করিণীতে ভাল জল হয়—সেটি পুষ্করিণীর মালিকের পুণ্যের চিহ্ন।

    “ছেলেকে আত্মজ বলে। তুমি আর তোমার ছেলে কিছু তফাত নয়। তুমি একরূপে ছেলে হয়েছ। একরূপে তুমি বিষয়ী, আফিসের কাজ করছ, সংসারে ভোগ করছ; — আর একরূপে তুমিই ভক্ত হয়েছ—তোমার সন্তানরূপে। শুনেছিলাম, আপনি খুব ঘোর বিষয়ী। তা তো নয়! (সহাস্যে) এ-সব তো আপনি জানেন। তবে আপনি নাকি আটপিটে, এতেও হুঁ দিয়ে যাচ্ছেন।

    দ্বিজর পিতা ঈষৎ হাসিতেছেন।

    “এখানে এলে, আপনি কি বস্তু তা এরা জানতে পারবে। বাপ কত বড় বস্তু! বাপ-মাকে ফাঁকি দিয়ে যে ধর্ম করবে, তার ছাই হবে!”

    পূর্বকথা—বৃন্দাবনে শ্রীরামকৃষ্ণের মার জন্য চিন্তা

    “মানুষের অনেকগুলি ঋণ আছে। পিতৃঋণ, দেবঋণ, ঋষিঋণ। এছাড়া আবার মাতৃঋণ আছে। আবার পরিবারের সম্বন্ধেও ঋণ আছে—প্রতিপালন করতে হবে। সতী হলে, মরবার পরও তার জন্য কিছু সংস্থান করে যেতে হয়।

    “আমি মার জন্য বৃন্দাবনে থাকতে পারলাম না। যাই মনে পড়ল মা (Kathamrita) দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়িতে আছেন, অমনি আর বৃন্দাবনেও মন টিকল না।

  • Ancient Durga Mata Murti: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার, শক্তি উপাসনাস্থলের প্রমাণ

    Ancient Durga Mata Murti: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার, শক্তি উপাসনাস্থলের প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার (Ancient Durga Mata Murti)। এই মূর্তি কাশ্মীরের ভুলে যাওয়া সনাতনী ঐতিহ্যের প্রতীক। এই দুর্গামূর্তি প্রাচীন পাথরের ভাস্কর্যের নমুনা। উদ্ধারকৃত মূর্তিটি বারামুলা পুলিশ সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে মূর্তির বয়স কয়েক শতাব্দী প্রাচীন। এলাকায় এক সময় দুর্গা উপাসক হিন্দু জনবসতি বিরাট পরিমাণে যে ছিল, এটা তার প্রমাণ বলে মনে করছেন অনেকেই।

    মাছ ধরতে গিয়ে উদ্ধার (Ancient Durga Mata Murti)

    গত ২৫ ডিসেম্বর শালতাং জোগিয়ারের বসিন্দা গোলাম মোহাম্মদ লাটুর ছেলে নাজির আহমেদ লাটু এই মাতা দুর্গার ভাস্কর্যটিকে (Ancient Durga Mata Murti) খুঁজে পেয়েছেন। তিনি ঝিলম নদীতে মাছ ধরার সময় পাথরের মূর্তিটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় শিরি থানায় খবর দেন। প্রাচীন ভাস্কর্যকে রক্ষা করা এবং তা সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে বিশেষ ভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন স্থানীয় জনতা। এরপর আবিষ্কৃত এই ঐতিহাসিক পাথর এবং ভাস্কর্যের গুরুত্ব উপলব্ধী করে স্থানীয় পুলিশ জম্মু-কাশ্মীর আর্কাইভ, প্রত্নতত্ত্ব এবং জাদুঘরের কাছে হস্তান্তর (Jammu and Kashmir) করে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    ২৫ ডিসেম্বর উদ্ধার হলেও দুর্গা (Ancient Durga Mata Murti) মায়ের মূর্তিটি ২৬ ডিসেম্বর হস্তান্তর করা হয়। তবে স্থানীয় মূর্তি বিশারদ বা গবেষকরা জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শৈল্পিক তাৎপর্য, পরীক্ষা, তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলিকে নিয়ে আরও ভাবতে হবে। এই ধরনের মূর্তি প্রমাণ করে কাশ্মীরের ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপট কেমন ছিল। এখানকার সংস্কৃতি কতটা প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ তাও বুঝতে চেষ্টা করে। তবে বারামুলা পুলিশ এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয় জনতা যে কোনও রকম পুরাতন ভাস্কর্য এবং মূর্তির (Jammu and Kashmir) খবর পেলে এবং জানালে, পুলিশ সংরক্ষণের জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

LinkedIn
Share