Author: suman-das

  • West Bengal Assembly Election: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির: একাধিক হেভিওয়েট মুখে চমক পদ্ম-শিবিরে

    West Bengal Assembly Election: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির: একাধিক হেভিওয়েট মুখে চমক পদ্ম-শিবিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election) সামনে রেখে রণকৌশল সাজাতে ব্যস্ত সব পক্ষই। এই আবহে আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিজেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bengal BJP)। প্রথম তালিকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনের নাম ঘোষণার পর, দ্বিতীয় তালিকায় মূলত উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু স্পর্শকাতর ও হেভিওয়েট কেন্দ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, অর্জুন সিং, নিশীথ প্রামাণিক, রূপা গাঙ্গুলি, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের মতো একাধিক বড় নাম।

    ১১২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপি (West Bengal Assembly Election)

    দ্বিতীয় দফায় আরও ১১২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। প্রথম তালিকায় একটি কেন্দ্রের প্রার্থীও বদল করা হয়েছে। হাওড়ার শ্যামপুরে টিকিট পেয়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলের লাভলি মৈত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। নোয়াপাড়ায় বিজেপির প্রার্থী ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংহ। ব্যরাকপুর বিধানসভার প্রার্থী হয়েছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা করেনি বিজেপি (Bengal BJP)। তবে জল্পনা শুরু হয়েছে ওই কেন্দ্র থেকে আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে নিহত চিকিৎসকের মাকে টিকিট দেবে বিজেপি নেতৃত্ব। এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

    উত্তরবঙ্গ ও মতুয়াগড়ে কে কে প্রার্থী?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাকে নির্বাচনী ময়দানে নামিয়েছে। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কোচবিহারের প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে মাথাভাঙায় প্রার্থী করা হয়েছে। টালিগঞ্জে পাপিয়া অধিকারী লড়বেন। যাদবপুরে টিকিট পেয়েছেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়। কৃষ্ণগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে সুকান্ত বিশ্বাসকে। মতুয়া গড় হিসাবে পরিচিত বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ এবং গাইঘাটায় বিদায়ী বিধায়কদেরই (West Bengal Assembly Election) প্রার্থী করা হয়েছে। এখানে লড়ছেন যথাক্রমে অশোক কীর্তনিয়া, স্বপন মজুমদার এবং সুব্রত ঠাকুর। স্বরূপনগরে প্রার্থী হলেন তারক সাহা। হাবড়ার প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁ জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলর দেবদাস মণ্ডলকে। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমারকে। বিধাননগরে প্রার্থী করা হয়েছে চিকিৎসক শারদ্বৎ মুখোপাধ্যায়কে। রাজারহাট গোপালপুরে প্রার্থী তরুণ আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    দ্বিতীয় দফার তালিকায় দলের অভিজ্ঞ নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ও তারকা প্রার্থীকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জনভিত্তি মজবুত করতেই এই কৌশল গ্রহণ করেছে বিজেপি।

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিলমোহর

    বেশ কিছু আসনে বর্তমান বিধায়কদের (West Bengal Assembly Election) ওপর পুনরায় আস্থা রাখা হলেও, কিছু ক্ষেত্রে নতুন ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও যুব প্রার্থীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর চেষ্টা লক্ষণীয়।

    সন্দেশখালিতে বিজেপি (Bengal BJP) প্রার্থী সনৎ সর্দার। হিঙ্গলগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে সন্দেশখালি আন্দোলনের নেত্রী রেখা পাত্রকে। কলকাতায় বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার ইন্দ্রনীল খাঁ। কাশীপুর বেলগাছিয়ায় প্রার্থী হয়েছেন রিতেশ তিওয়ারি। রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি তাপস রায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে মানিকতলায়। বালিগঞ্জের প্রার্থী বিজেপির জাতীয় পরিষদ সদস্য শতরূপা। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় প্রার্থী করা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে। পুরুলিয়া সদরে সুদীপ মুখোপাধ্যায়, বাঁকুড়া সদরে টিকিট পেয়েছেন নীলাদ্রিশেখর দানা।

    দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (CEC) বৈঠকের পরেই এই নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রচারের প্রস্তুতি ও দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    দ্বিতীয় দফায় ১১২টি আসনের পর এখন বাকি রইল ৩৮টি আসন। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই তাদের সিংহভাগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। পাল্টা হিসেবে বিজেপির (Bengal BJP) এই দ্বিতীয় তালিকা রাজনৈতিকভাবে (West Bengal Assembly Election) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, এই প্রার্থী নির্বাচন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।

  • Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে প্রচারে নেমেই মমতাকে ২৫ হাজার ভোটে পরাজিত করার হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে প্রচারে নেমেই মমতাকে ২৫ হাজার ভোটে পরাজিত করার হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ এখন মধ্যগগনে। একদিকে যেমন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের জয়ের ব্যবধান বাড়াতে বদ্ধপরিকর, অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী হয়ে সরাসরি ময়দানে নেমেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য মমতাকে (Mamata Banerjee) এবার ২৫ হাজার ভোটে পরাজয়ের কথা ঘোষণা করেছেন। ২০২১ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আগেও একবার নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছিল বিজেপির কাছেই। এইবার ফের একবার সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু।

    তৃণমূলের রণকৌশল (Suvendu Adhikari)

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ওপর জোর দিচ্ছেন। তৃণমূল শিবিরের লক্ষ্য কেবল জয় নয়, বরং রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হয়ে বিরোধীদের বার্তা দেওয়া। দলের হেভিওয়েট নেতারা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরছেন। পাল্টা বিজেপি নির্বাচনের আড়াই মাস আগে থেকেই ওয়াররুম তৈরি এবং সংগঠনকে মজবুত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই লড়াইকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছেন। তিনি প্রতিটি কর্মিসভায় এবং পদযাত্রায় আক্রমণাত্মক মেজাজে শাসক দলকে বিঁধছেন। তাঁর দাবি, ভবানীপুরের মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন।

    কর্মসূচির বৈচিত্র্য

    বড় বড় জনসভার বদলে দুই পক্ষই এখন ছোট ছোট বৈঠক এবং ‘ডোর-টু-ডোর’ বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ভোটারদের ব্যক্তিগতভাবে প্রভাবিত করাই এখন এই কেন্দ্রের বিজেপির মূল লক্ষ্য। শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিটি পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে যেমন গেরুয়া শিবিরের উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে, তেমনি মমতার সমর্থনে স্লোগানে মুখর হয়ে থাকছে ভবানীপুরের অলিগলি। ভবানীপুরের এই নির্বাচন এখন আর কেবল একটি সাধারণ আসন দখলের লড়াই নেই; এটি কার্যত দুই বিবদমান রাজনৈতিক আদর্শের প্রেস্টিজ ফাইটে পরিণত হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বনাম তৃণমূলের এই দ্বৈরথ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

    সংঘাতের আবহ

    ভোটের প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন ভবানীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের প্রার্থীর সমর্থনে পদযাত্রা বা সভা করছেন, তখন বারবারই তাঁকে তৃণমূল সমর্থকদের (Mamata Banerjee) বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। প্রচার চলাকালীন দুই শিবিরের কর্মীদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ ও প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরের এই নির্বাচন কেবল একটি আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয়তার এক অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

  • ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) বুধবার জানিয়েছে, আগামী চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন যাতে কোনো প্রকার হিংসা (Violence Free Assembly Polls), ভয়ের পরিবেশ না তৈরি হয় তা সুনিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। সেই সঙ্গে নির্বাচন যাতে প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে ২৫ লক্ষেরও বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন গত রবিবার পাঁচ রাজ্য— অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গ, ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ছয়টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। এই পাঁচটি অঞ্চলে একাধিক দফায় সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে কমিশন বিশাল সংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ভোট কর্মী সহ কর্মকর্তা নিযুক্ত করেছে।

    কোথায় কত কর্মী?

    • ● কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, মোতায়েন করা কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ পোলিং স্টাফ, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০,০০০ গণনা কর্মী, ৪৯,০০০ মাইক্রো অবজার্ভার অর্থাৎ অণু-পর্যবেক্ষক, ২১,০০০ সেক্টর অফিসার এবং গণনা কাজের জন্য আরও প্রায় ১৫,০০০ অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার (ECI)।
    • ● গ্রাউন্ড লেভেল স্তরে এই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সহায়তা করছেন ২.১৮ লক্ষেরও বেশি বুথ লেভেল অফিসার (BLO)। ভোটাররা ফোন কলের মাধ্যমে অথবা ‘ECINet’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের ‘Book-a-call to BLO’ ফিচারের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
    • ● এছাড়াও, জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং অফিসারদের স্তরে অভিযোগ বা জিজ্ঞাসা জানানোর জন্য এসটিডি কোড ‘+৯১ ১৯৫০’ নম্বরে একটি ডেডিকেটেড কল সেন্টার পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ২৮এ-এর বিধান অনুযায়ী মোতায়েন করা সমস্ত কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের ডেপুটেশনে থাকা বলে গণ্য করা হবে।”

    ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক

    • ● সম্পূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে তদারকি করতে কমিশন (ECI) ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। এই পর্যবেক্ষকরা সাধারণ নির্বাচন এবং উপ-নির্বাচন চলাকালীন মাঠে কমিশনের প্রতিনিধি (Violence Free Assembly Polls) হিসেবে কাজ করবেন।
    • ● এই দলে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক (General Observers), ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক (Expenditure Observers) রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কর্মী ইতিমধ্যে নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছে গেছেন।

    এই পর্যবেক্ষকরা তাদের যোগাযোগের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ শোনা ও তার সমাধান করার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

    কমিশনের চোখ-কান হয়ে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা

    পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করা কমিশনের কাছে অ্যাসিড-টেস্ট। যে কারণে, এরাজ্যের ওপর বাড়তি নজর রেখেছে কমিশন। ফলস্বরূপ, বৃহস্পতিবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের চোখ-কান হয়ে রাজ্যের ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা। কমিশন জানিয়েছে নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটকে কেন্দ্র করে সব মিলিয়ে ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ২৯৪ জন জেনারেল অবজারভার থাকছেন। রয়েছেন ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেই সঙ্গে আয়-ব্যয়ের জন্য হিসেব পর্যবেক্ষক থাকবে ১০০ জন। শুক্রবার থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা৷ এই সকল পর্যবেক্ষকের কাজ থাকবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ (Violence Free Assembly Polls) করা।

    স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ অবজার্ভার

    হিংসা কবলিত (Violence Free Assembly Polls) স্পর্শকাতর বিধানসভা এবং বুথে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মালদা, মুর্শিদবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন থেকে চারটি বিধানসভায় একজন করে পুলিশ অবজার্ভার থাকবেন। উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য থাকছে তিন জন এবং দক্ষিণ কলকাতা চারটি বিধানসাভ কেন্দ্রের জন্য দেওয়া হয়েছে একজন পুলিশ অবজার্ভার।

    প্রতি ৭০ জন ভোটারের এক জন নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI)

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য ২৫ লক্ষের বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে মোট যোগ্য ভোটারের সংখ্যা ১৭.৪ কোটির বেশি। এর অর্থ হলো, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় একজন করে নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI) নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সমস্ত কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, কমিশনের লক্ষ্য হল হিংসা (Violence Free Assembly Polls) ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রতিটি ভোটার কোনো ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

     

    ৪ মে ফলাফল ঘোষণা

    নির্বাচন কমিশন গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে দুই দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল, এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। সব রাজ্যে মোট ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। বুধবার থেকেই কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। সন্ত্রাস রুখতে কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর তা আরও একবার স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ভারতে নিখোঁজ শিশুর পরিসংখ্যান। সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ভারতের নিখোঁজ শিশুদের সংকটের (Missing Children List) একটি ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ভারতে মোট ৩৩৫৭৭ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা ১২,৪৫৫ জন। এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি বহু শিশু। তবে অনেক দিন ধরে জমে থাকা মামলার তথ্যের উপর নির্ভর করে এই পরি সংখ্যানকে তুলে ধরা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর (এনসিআরবি) সূত্রেও উপলব্ধ। বাংলার শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমাজকর্মী এবং গবেষকদের কপালে বিরাট চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এই পরিসংখ্যানে পশ্চিমবঙ্গে শিশু সুরক্ষার কী অবস্থা? তা জানতে গেলে সত্যই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়।

    শিশু নিখোঁজ তালিকায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ (Missing Children List)

    মমতার রাজত্ব যেখানে মা মাটি মানুষের নামে উন্নয়ন হয় আর সেই রাজ্য এখন শিশু নিখোঁজ ও পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। গত এক দশকের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ আবারও নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। ২০২২ সালের এনসিআরবি (NCRB) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১২,৪৫৫ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৫% মেয়ে। মোট মেয়েদের পরিসংখ্যান ১০,৫৭১ জন। এখনও পর্যন্ত ৬,৯৯৪ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাজ্যে উদ্ধার বা খুঁজে পাওয়ার হার প্রায় ৫২ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি দুটি মামলার মধ্যে একটিরও সমাধান হচ্ছে না। উল্লেখ্য ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে সকল বয়সের নিখোঁজ ব্যক্তিদের মোট মামলার প্রায় ১.২ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছিল। তখন পুনরুদ্ধারের মামলায় হার ছিল ৫২ শতাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গ কেন শীর্ষে? প্রধান কারণ কী?

    • ১> ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ ও উন্মুক্ত সীমান্ত থাকায় এটি মানব পাচারের একটি প্রধান করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘ সীমান্তে কাটা তার নেই, নদী, জঙ্গল এবং সমুদ্র থাকায় অবাধে চোরা কারবার, শিশু পাচার (Missing Children List) কাজ হয়ে থাকে। এই এলাকাকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখ যোগ্য পাচারের জায়গা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে রিপোর্টে। ফলে রাজ্যের শাসক দলের ওপর দায় অবশ্যই বর্তায়।
    • ২> পাচার চক্র: দরিদ্রতা, কর্মসংস্থান এবং বেকারত্বের তাগিতে মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ব্যাপাক ভাবে শিশু পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। জেলাগুলোতে দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে পাচারকারীরা সক্রিয় থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের পাচার করে দিল্লি, মুম্বই, মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে চলে যাওয়া হয়। ইটভাটা, খামারের মতো গৃহস্থলি বা বাণিজ্যিক সংস্থায় যৌন কর্মীর মতো কাজে নিযুক্ত করা হয়।
    • ৩> পুলিশের এফআইআর-এ দেরি: অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়েরি না করে ২৪-৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করে, যা পাচারকারীদের রাজ্য পার হওয়ার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু নিখোঁজ শিশুর (Missing Children List) খোঁজ দ্রুত নিলে হয়তো উদ্ধার কাজ সহজ হয়।
    • ৪> লিঙ্গ বৈষম্য: নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশই মেয়ে। এদের মূলত পরিচারিকার কাজ, জোরপূর্বক বিয়ে বা যৌন ব্যবসায় ব্যবহারের জন্য পাচার করা হয়।
    • ৫> সরকারি উদ্যোগ: কেন্দ্রীয় সরকার ‘অপারেশন মুসকান’ এবং ‘ট্র্যাক চাইল্ড’ (TrackChild) পোর্টালের মতো ব্যবস্থা নিলেও রাজ্যগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং সঠিক তথ্য আপলোড না করার ফলে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের কেন্দ্র-বিরোধী নীতির কারণেও সঠিক তথ্য সামনে উঠে আসছে না বলে জানা গিয়েছে রিপোর্টে।

    জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যজুড়ে নিখোঁজ শিশুদের (Missing Children List) তদন্তের সমন্বয় সাধনের জন্য একটি জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে তথ্য দিতে খুব একটা উৎসাহী নয়। বেশির ভাগ কেসে নিষ্ক্রিয়তা এবং দেরি অপরাধীদের অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ব্যাপক ভাবে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে।

    সাতটি রাজ্যে পরিসংখ্যান শূন্য!

    প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, ৩৩,৫৭৭ সংখ্যাটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ৩৩,৫৭৭টি পরিবারের হাহাকার। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং শিশুদের (Missing Children List) সুরক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক ও সামাজিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আশ্চর্যজনকভাবে দেশের সাতটি রাজ্য জানিয়েছে তাদের রাজ্যে কোনো শিশু নিখোঁজের তথ্য নেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৪০ কোটির দেশে এটি কার্যত অসম্ভব। এই ঘটনা মূলত মামলা নথিভুক্ত না করা (Underreporting) বা তথ্য গোপনের ইঙ্গিত দেয়।

    জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও তথ্য নেই

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই তথ্য সার্বিক ভাবে পাচার, নির্যাতন, হত্যার বিষয়কে সমাজতাত্ত্বিকরা ইঙ্গিত করেছেন। মমতার রাজত্বে এই তথ্য শাসক দলকে ব্যাপক ভাবে চাপে ফেলেছে। এই তথ্য কেবল এক বছরের তথ্য নয়, বরং গত কয়েক বছরের জমে থাকা অমীমাংসিত মামলার প্রতিফলন। শিশুদের নিখোঁজের (Missing Children List) ঘটনা যদি প্রশাসন নথিভুক্ত না করে, পুলিশ যদি অভিযোগ দায়ের না করে তাহলে জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও আপলোড হয় না। ফলে বাস্তব পরিসংখ্যান অধরাই থেকে যায়। বাংলার আমজনতার অবশ্য দাবি তৃণমূলের রাজত্বে পুলিশ কোন অভিযোগকেই এফআইআর করতে চায় না। রাজ্যের ভাবমূর্তি দেশের সামনে খারাপ হবে এই ভাবনার জায়গা থেকে অপরাধ, অভিযুক্ত, দুষ্কৃতীদের প্রচারের আলোয় নিয়ে না আসার একটি বড় শক্তি শাসক দলের অন্দরে রয়েছে।

  • Ramakrishna 602: “পাহাড়ের উপর খাল জমি থাকতে পারে, কিন্তু বজ্জাৎ-আমি-রূপ পাহাড়ে থাকে না”

    Ramakrishna 602: “পাহাড়ের উপর খাল জমি থাকতে পারে, কিন্তু বজ্জাৎ-আমি-রূপ পাহাড়ে থাকে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৪শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ডাক্তার সরকার ও সর্বধর্ম পরীক্ষা (Comparative Religion)

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) নরেন্দ্র, মহিমাচরণ, মাস্টার, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে শ্যামপুকুর বাটীতে দ্বিতলার ঘরে বসিয়া আছেন। বেলা প্রায় একটা। ২৪শে অক্টোবর, ১৮৮৫, ৯ই কার্তিক (শনিবার, কৃষ্ণা প্রতিপদ)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তোমার এ (হোমিওপ্যাথিক) চিকিৎসা বেশ।

    ডাক্তার — এতে রোগীর অবস্থা বইয়ের সঙ্গে মেলাতে হয় (Kathamrita)। যেমন ইংরেজী বাজনা, — দেখে পড়া আর গাওয়া।

    “গিরিশ ঘোষ কই? — থাক্‌ থাক্‌ কাল জেগেছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, সিদ্ধির নেশার মতো ভাবাবস্থায় হয়, ওটি কি?

    ডাক্তার (মাস্টারকে) — Nervous centre — action বন্ধ হয়, তাই অসাড় — এ-দিকে পা টলে, যত energies brain-এর দিকে যায়। এই nervous system নিয়ে Life। ঘাড়ের কাছে আছে — Medulla Oblongata; তার হানি হলে Life extinct হতে পারে।

    শ্রীযুক্ত মহিমা চক্তবর্তী সুষুম্না নাড়ীর ভিতরে কুলকূণ্ডলিনী শক্তির কথা বলিতেছেন, — “স্পাইন্যাল্‌ কর্ড-এর ভিতর সুষুম্না নাড়ী সূক্ষ্মভাবে আছে — কেউ দেখতে পায় না। মহাদেবের বাক্য।”

    ডাক্তার — মহাদেব man in the maturity-কে examine করেছে। European-রা Embryo থেকে maturity পর্যন্ত সমস্ত stage দেখেছে। Comparative History সব জানা ভাল। সাঁওতালদের history পড়ে জানা গেছে যে, কালী একজন সাঁওতালী মাগী ছিল — খুব লড়াই করেছিল। (সকলের হাস্য)

    “তোমরা হেসো না। আবার Comparative anatomy-তে কত উপকার হয়েছে, শোনো। প্রথমে pancreatic juice ও bile-(পিত্তের) action-(ক্রিয়ার) তফাত বোঝা যাচ্ছিল না। তারপর Claude Bernard খরগোশের stomach, liver প্রভৃতি examine করে দেখালে যে, bile-এর action আর ওই juice-এর action আলাদা।

    “তাহলেই দাঁড়ালো যে, lower animal-দের আমাদের দেখা উচিত — শুধু মানুষকে দেখলে হবে না।

    “সেইরূপ Comparative Religion-তে বিশেষ উপকার!

    “এই যে ইনি পরমহংসদেব (Ramakrishna) যা বলেন, তা অত অন্তরে লাগে কেন? এঁর সব ধর্ম দেখা আছে — হিঁদু, মুসলমান, খ্রীষ্টান, শাক্ত, বৈষ্ণব, — এ-সব ইনি নিজে করে দেখেছেন। মধুকর নানা ফুলে বসে মধু সঞ্চয় করলে তবেই চাকটি বেশ হয় (Kathamrita)।”

  • Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মুক্ত, অনুপ্রবেশ মুক্ত, জঙ্গি মুক্ত, জিহাদি মুক্ত বাংলা চাই’’, ব্রিগেড থেকে পরিবর্তনের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মুক্ত, অনুপ্রবেশ মুক্ত, জঙ্গি মুক্ত, জিহাদি মুক্ত বাংলা চাই’’, ব্রিগেড থেকে পরিবর্তনের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ব্রিগেডের বিশাল প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Brigade Rally) জনসভা থেকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরাট জনসমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি আগামী নির্বাচনে বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দেন এবং বর্তমান সরকারের শাসননীতির কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “যাঁরা রাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে, তাঁদের কর্ণগোচর হওয়া দরকার। জোরে বলুন, ‘জয় শ্রীরাম’। লক্ষ লক্ষ মানুষ এসেছেন, তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ।”

    জিহাদী মুক্ত বাংলা চাই (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর বক্তব্যে মূলত রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে সরব হন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে এবং প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব চরমে পৌঁছেছে। তিনি দাবি করেন, বাংলার মানুষ এখন শাসকের পরিবর্তন নয়, বরং দুর্নীতির হাত থেকে মুক্তি চাইছে। তাই শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে দল দিয়েছে সেটা গত পাঁচ বছর নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। প্রণাম নিবেদন করি নরেন্দ্র মোদিকে। ১৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন দিয়েছেন আজ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Brigade Rally)। পরিবর্তনের সংকল্প আজ নিতে হবে এই মঞ্চ থেকে। বাঁচতে চাই বিজেপি তাই। চোর মুক্ত, অনুপ্রবেশ মুক্ত, জঙ্গি মুক্ত, জিহাদি মুক্ত বাংলা চাই, বিজেপি তাই।”

    বাংলার অর্থনীতির কঙ্কালসার অবস্থা

    শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম না করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। তিনি বলেন, “এই লড়াই কেবল ভোটের লড়াই নয়, এটি বাংলার সম্মান রক্ষার লড়াই।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজ্যের যুবসমাজ আজ কাজের সন্ধানে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে, যা বাংলার অর্থনীতির কঙ্কালসার অবস্থাকেই ফুটিয়ে তোলে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করে বলেন যে, বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করাই এখন প্রধান কাজ। তাঁর মতে, আগামী নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ব্যালট বক্সের মাধ্যমে সরকারের প্রতি তাঁদের ক্ষোভ উগরে দেবেন।

    এক ইঞ্চি জমিতেও না বিজেপির

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬-এর লড়াইয়ে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই আক্রমণাত্মক মেজাজ বিজেপির কৌশলগত প্রস্তুতিরই অংশ। একদিকে দুর্নীতি ও অন্য দিকে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে ভোটারদের আস্থা অর্জন করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ব্রিগেডের (PM Modi Brigade Rally) এই সভা থেকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, শাসকদলকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিরোধী শিবির।

  • Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ মেলার সময় সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তরুণী মোনালিসা ভোসলের বাবা জয়সিং ভোসলে তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, “মেয়েকে কেরলে (Kerala) নিয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্মে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে যখন মনালিসার (Viral Girl Monalisa) মা দাবি করেছেন কন্যা নাবালিকা। অন্যদিকে, এই বিয়েতে কেরলের সিনিয়র সিপিআই(এম) নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ফলে নাবালিকাকে লাভ জিহাদের মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ (Viral Girl Monalisa)

    মধ্যপ্রদেশের খারগোন জেলার বাসিন্দা জয়সিং ভোসলে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পত্রে মেয়েকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন। তাঁর দাবি, “আমরা এই সম্পর্কের ঘোর বিরোধী ছিলাম এবং বিয়ের খবর পেয়ে আমারা কেরলে (Kerala) গিয়েছিলাম।” তবে সম্প্রতি কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুভার আরুমানুরে নাইনার মন্দিরে মোনালিসা ভোসলে (Viral Girl Monalisa) এবং মহম্মদ ফরমান খানের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    বিয়ের আগে মোনালিসা তিরুবনন্তপুরমের থাম্পানুর থানায় গিয়ে দাবি করেছিলেন যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন এবং তিনি নিরাপত্তা চান। এরপর পুলিশ তাঁর বাবাকে আলোচনার জন্য তলব করে। তবে জয়সিং ভোসলে এই বিয়েতে সম্মতি দিতে অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে তাঁর মেয়েকে ভুল বুঝিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ফিরে আসার পর বাবা আবারও জানান যে, আমার বিশ্বাস মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারাও মোনালিসাকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে পরিবারকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে।

    মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬!

    মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) মায়ের বক্তব্যে কনের বয়স নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কেরলের (Kerala) ভিএইচপি (VHP) সদস্যদের সঙ্গে একটি ফোনালাপে মা জানিয়েছেন, মোনালিসার বয়স এখনও বিয়ের আইনি বয়সের নিচে এবং পরিবার এই মিলনে সম্মতি দেয়নি। মা দাবি করেছেন মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬ বছর এবং পরিবারের অমতেই এই বিয়ে হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, কুম্ভমেলার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পরিবারের সাথে মোনালিসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।মা অভিযোগ করেছেন, মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। পরিবারের কাছে মোনালিসার অফিশিয়াল নথি না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক জন্ম তারিখ যাচাই করতে পারছেন না।

    নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর

    এখন যদি মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) বয়সের দাবি সঠিক হয়, তবে এটি গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করবে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। এর কম বয়সে বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের আওতায় আসবে। ফলে সরকারের কাছে মোনালিসার সঠিক বয়স যাচাই করার এবং বিয়ের আইনি শর্তাবলী পূরণ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হচ্ছে।

    সিপিআই (এম) নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক

    এই বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি এবং প্রকাশ্য সমর্থন বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি, সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন, রাজ্যসভার সাংসদ এএ রহিম এবং সিপিআই(এম) নেতা ভিপিএস মোস্তফা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেতারা নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানান এবং এই বিয়েকে সামাজিক সম্প্রীতি ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, জোর দিয়ে বলেন, কেরলের (Kerala) দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং ব্যক্তিগত পছন্দের প্রতি শ্রদ্ধা।

    হিন্দু সংগঠনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি

    সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন বলেন, সকল ধর্মের মূল নির্যাস হল মানবতা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতির প্রতিফলন। সাংসদ এএ রহিমও কেরলকে (Kerala) এমন একটি জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করতে পারে। তবে কনের বয়স নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) প্রতি লাভ জিহাদ, ধর্মান্তকরণ এবং বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

  • PM Modi Brigade Rally: “সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে”, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তোপ মহাগুরুর

    PM Modi Brigade Rally: “সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে”, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তোপ মহাগুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিগেডের হাইভোল্টেজ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi Brigade Rally) উপস্থিতিতে রাজ্য রাজনীতি নিয়ে ফের সরব হলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakaraborty)। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই মেগা র‍্যালিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “রাজ্যের শিক্ষা এবং কর্ম সংস্থার সকল ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়েছে এই তৃণমূলের রাজত্ব। সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে।”

    বিজেপি আসলেই কষ্ট দূর হবে (Mithun Chakaraborty)

    মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakaraborty) তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূল নেত্রীর সমালোচনায় মুখর হন। তিনি ব্রিগেডের মঞ্চ (Modi Brigade Rally) থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বলেন, “রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। রাজ্যের আদিবাসীদের অপমান করেন মুখ্যমন্ত্রী। আলু চাষীদের জন্য কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করছেন না। ১৫০০ টাকা ভাতার নামে বেকার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছেন। বাংলার মানুষ এখন প্রকৃত পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের চাবিকাঠি রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। বিজেপি ক্ষমতায় আসলেই সকল কষ্টের অবসান হবে।” মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন জনহিতকর প্রকল্পের সমালোচনা করে মিঠুন মন্তব্য করেন। তিনি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, “সাধারণ মানুষকে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুলিয়ে রাখা হচ্ছে, কিন্তু কর্মসংস্থান বা প্রকৃত উন্নয়নের প্রশ্নে রাজ্য সরকার ব্যর্থ। তাই জনগণকে উদ্দেশ্য করে আহ্বান জানাই, সকলে ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিন এবার।”

    তৃণমূলের প্রতি আস্থা নেই

    মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং তাঁর কর্মপদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন মিঠুন (Mithun Chakaraborty)। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে পারে। ব্রিগেডের (Modi Brigade Rally) এই বিশাল সমাবেশই প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, মানুষের মন থেকে বর্তমান শাসকদলের প্রতি আস্থা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো একজন ব্যক্তিত্বকে ব্রিগেডের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এভাবে আক্রমণাত্মক মেজাজে তুলে ধরা বিজেপির এক সুপরিকল্পিত কৌশল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সমালোচনা এবং রাজ্য সরকারের নীতিগত ব্যর্থতাকে সামনে এনে ভোটারদের মন জয় করাই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্য।

  • Suvendu Adhikari: “আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি”, নন্দীগ্রাম দিবসে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি”, নন্দীগ্রাম দিবসে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তখন সিপিআইএম-সিপিএম মধ্য গগনে। বামেদের অত্যাচার চরম সীমায়। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ বাম শাসনেই পুলিশের গুলিতে নন্দীগ্রামে (Nandigram Diwas) ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এই দিনটিকে স্মরণে রেখেই প্রতি বছর তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলই পৃথক কর্মসূচি পালন করে থাকে। পরিবর্তনের আগে তৃণমূল যে ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছে পরিবর্তনের পর সেই কথা রাখেনি বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। একসময়ের সতীর্থ মমতা ও শুভেন্দুর বর্তমান রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে এই দিনটি এখন শ্রদ্ধাঞ্জলির চেয়েও বেশি রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শহীদদের সম্মান জানানো হয়নি (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের (Nandigram Diwas) বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সকালেই তিনি নন্দীগ্রামে পৌঁছে শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন। যাঁদেরকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তাঁদের স্মরণ করেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “নন্দীগ্রামের আসল শহীদদের সম্মান জানানো হয়নি এবং আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি।” শুভেন্দু দাবি করেন, “তৃণমূল সরকার নন্দীগ্রামের ভাবাবেগকে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। ২০০৭-এর পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চাই।”

    আজও ভুলিনি নন্দীগ্রাম অভিশপ্ত ১৪ মার্চ

    ২০০৮ সাল থেকে ভুমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি ১৪ মার্চ দিনটিকে ‘নন্দীগ্রাম দিবস’ হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে পালন করে আসছে। যদিও সেইসময় তৃণমূলে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, পরবর্তী সময়ে  তিনিও এই নন্দীগ্রাম (Nandigram Diwas) আন্দোলনের হাত ধরেই রাজ্য রাজনীতির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “শহিদদের বলিদান, ভুলবে না নন্দীগ্রাম… বশ্যতা বিরোধের সংগ্রাম, আজও ভুলিনি নন্দীগ্রাম। অভিশপ্ত ১৪ মার্চ ২০০৭… বশ্যতা বিরোধী নন্দীগ্রাম জমি রক্ষার আন্দোলনে তৎকালীন পুলিশ ও হার্মাদ বাহিনীর নৃশংস আক্রমণে নিহত নন্দীগ্রামের শহিদদের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম নিবেদন করি।”

    নন্দীগ্রাম দিবসকে কেন্দ্র করে শুভেন্দু আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন যে, নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব আজও বিন্দুমাত্র কমেনি। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে ‘পরিবর্তনের সূতিকাগার’ হিসেবে দেখছেন, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী একে সরকারের ‘ব্যর্থতা’ প্রমাণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

  • MEA: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১.৩ লক্ষ ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    MEA: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১.৩ লক্ষ ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রক (MEA) নিশ্চিত করেছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়া থেকে প্রায় ১,৩০,০০০ ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরেছেন। একটি আন্তঃদেশীয় প্রতিবেদন পেশ করার সময় উপসাগরীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত সচিব অসীম মহাজন এই প্রচেষ্টার কথা বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, আঞ্চলিক আকাশপথ এখনও অস্থিতিশীল থাকলেও যারা ফিরতে ইচ্ছুক তাদের সুবিধার্থে বাণিজ্যিক এবং অনির্ধারিত ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

    রিয়াদ, জেদ্দা, মদিনা এবং দাম্মাম থেকে আসছে বিমান (MEA)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE) বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর থেকে নন-শিডিউল্ড বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় শুরু হয়েছে, যার ফলে যাতায়াতের সুবিধা বেড়েছে। সাম্প্রতিক তথ্যে (MEA) দেখা গেছে যে, কাতার এবং সৌদি আরবের মাধ্যমে প্রায় ২,৯০০ ভারতীয় ফিরে এসেছেন। কাতার এয়ারওয়েজ আগামী দিনগুলিতে ভারতের জন্য প্রতিদিন এক থেকে দুটি ফ্লাইট চালু রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি আরবেও পরিস্থিতির একই রকম স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং ইন্ডিগো রিয়াধ, জেদ্দা, মদিনা এবং দাম্মাম থেকে তাদের নির্ধারিত পরিষেবা পুনরায় শুরু করেছে। তবে আকাশপথ বন্ধ (Iran) থাকায় কুয়েত এবং ইরাকের পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। বর্তমানে এই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সৌদি আরবের স্থল সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতে সহায়তা করছেন, যাতে তারা সেখান থেকে ফ্লাইটে উঠতে পারেন। এর পাশাপাশি, বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ১৭০ জন ভারতীয় নাগরিক ইরান থেকে স্থলপথে সফলভাবে আর্মেনিয়ায় প্রবেশ করেছেন যাতে সেখান থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারেন।

    মাস্কাটের শিল্পাঞ্চলে ড্রোনের আঘাতে মৃত দুই ভারতীয়

    বিদেশমন্ত্রকের প্রতিবেদনে (MEA) সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে। ‘সেফসি বিষ্ণু’ (Safesea Vishnu) নামক জাহাজের ১৫ জন ক্রু সদস্যের প্রত্যাবর্তন এবং বসরা-র কাছে একটি হামলায় মৃত ভারতীয়দের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সমন্বয় বজায় রেখে প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক। মাস্কাটের (Iran) একটি শিল্পাঞ্চলে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে দুই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে বিদেশ মন্ত্রক  এবং জানিয়েছে যে আরও দশজন আহত ভারতীয় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

LinkedIn
Share