Author: suman-das

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • Ramakrishna 580: “অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন, সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন, শুনিবেন তিনি কি বলেন”

    Ramakrishna 580: “অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন, সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন, শুনিবেন তিনি কি বলেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের ঈশান, ডাক্তার সরকার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    শ্যামপুকুরের বাটীতে আনন্দ ও কথোপকথন
    গৃহস্থাশ্রম কথাপ্রসঙ্গে

    আশ্বিন শুক্লাচর্তুদশী। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিনদিন মহামায়ার পূজা মহোৎসব হইয়া গিয়াছে। দশমীতে বিজয়া; তদুপলক্ষে পরস্পরের প্রেমালিঙ্গন ব্যাপার সম্পন্ন হইয়াছে। ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে কলিকাতার অন্তর্বর্তী সেই শ্যামপুকুর নামক পল্লীতে বাস করিতেছেন। শরিরে কঠিন ব্যাধি, গলায় ক্যান্সার। বলরামের বাড়িতে যখন ছিলেন কবিরাজ গঙ্গাপ্রসাদ দেখিতে আসিয়াছিলেন। তাঁহাকে ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, এ-রোগ সাধ্য না অসাধ্য। কবিরাজ এ প্রশ্নের উত্তর দেন নাই, চুপ করিয়াছিলেন। ইংরেজ ডাক্তারেরাও রোগটি অসাধ্য, এ-কথা ইঙ্গিত করিয়াছিলেন (Kathamrita)। এক্ষণে ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতেছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ (৭ই কার্তিক, ১২৯২, শুক্লা চতুর্দশী)। শ্যামপুকুরস্থিত একটি দ্বিতল গৃহমধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণ — দুতলা ঘরের মধ্যে শয্যা রচনা হইয়াছে, তাহাতে উপবিষ্ট। ডাক্তার সরকার শ্রীযুক্ত ঈশানচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও ভক্তেরা সম্মুখে এবং চারিদিকে সমাসীন। ঈশান বড় দানী, পেনশন লইয়াও দান করেন, ঋণ করিয়া দান করেন আর সর্বদাই ঈশ্বরচিন্তায় থাকেন। পীড়া শুনিয়া (Kathamrita) তিনি দেখিতে আসিয়াছেন। ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতে আসিয়া ছয়-সাত ঘণ্টা করিয়া থাকেন, শ্রীরামকৃষ্ণকে সাতিশয় ভক্তিশ্রদ্ধা করেন ও ভক্তদের সহিত পরম আত্মীয়ের ন্যায় ব্যবহার করেন (Kathamrita)।

    রাত্রি প্রায় ৭টা হইয়াছে। বাহিরে জ্যোৎস্না — পূর্ণাবয়ব নিশানাথ যেন চারিদিকে সুধা ঢালিয়াছেন। ভিতরে দীপালোক, ঘরে অনেক লোক। অনেকে মহাপুরুষ দর্শন করিতে আসিয়াছেন। সকলেই একদৃষ্টে তাঁহার দিকে চাহিয়া রহিয়াছেন। শুনিবেন তিনি কি বলেন ও দেখিবেন তিনি কি করেন। ঈশানকে দেখিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ  (Ramakrishna) বলিতেছেন…

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC)-এর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্পোরেটর ঋতু তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুম্বইয়ের মেয়র (Mumbai Mayor) নির্বাচিত হয়ে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। গত চার দশকের মধ্যে এই প্রথম মুম্বইয়ের মেয়র পদটি বিজেপি দখল করেছে। শিবসেনা (ইউবিটি) কোনো প্রার্থী দাঁড় না করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য এই পুরসভায় গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা ঠাকরে পরিবারের আধিপত্যের অবসান ঘটাল। ঋতুর সাফ কথা, “ফুটপাতে অবৈধ বাংলাদেশিদের অবিলম্বে চিহ্নিত করা হবে। আর বসতে দেওয়া হবে না।”

    কে ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor)?

    ঘাটকোপার (পূর্ব) থেকে তিনবারের কর্পোরেটর ৫৩ বছর বয়সি ঋতু তাওড়ে বুধবার, ১১ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মুম্বইয়ের ৭৮তম মেয়র এবং বিজেপির দ্বিতীয় মেয়র (Mumbai Mayor)। এর আগে ১৯৮২-৮৩ সালে প্রভাকর পাই বিজেপির প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই নির্বাচনে শিন্ডে গোষ্ঠীর শিবসেনার সঞ্জয় ঘাড়ি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    যাচাই হবে আধার কার্ডের মতো নথি

    মেয়র (Mumbai Mayor) হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ঋতু তাওড়ে তাঁর লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। বিএমসি সদর দফতরে দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “রাজাওয়াড়ি এবং পূর্ব শহরতলির অন্যান্য হাসপাতালগুলির একত্রীকরণ করে একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘস্থায়ী প্রস্তাবটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বাজেটের বিধানগুলি আগেও করা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলি বাস্তবায়িত হয়নি। অবৈধ বাংলাদেশি হকাররা ফুটপাত দখল করে নিয়েছে। তাই মূল মুম্বাইবাসী এবং করদাতাদের জন্য এখন থেকে সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। আধার কার্ডের মতো নথি যাচাইয়ের পরে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের চিহ্নিত করা হবে এবং অপসারণ করা হবে।”

    নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করব

    মেয়র আরও বলেন, “প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য রাস্তা, গলি, হাসপাতাল এবং স্কুলগুলিতে আকস্মিক পরিদর্শন করা কাজের প্রধান অঙ্গ হবে। নতুন নেতৃত্বের কাছ থেকে মুম্বাইবাসীর অনেক প্রত্যাশা রয়েছে এবং বিএমসি কর্পোরেশনের সদস্যরা নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করবো। মেয়র (BMC) পদটি একটি বড় দায়িত্ব, এবং আমি মুম্বাইয়ের একজন সেবক হিসেবে কাজ করব। মেয়র হিসেবে, আমি নাগরিক সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করব। সংসদের মর্যাদা বজায় রাখা আমার সহ সকল কর্পোরেটরের দায়িত্ব।”

    তাওড়ে আরও বলেন, “এই অর্থ গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন এমন দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। গারগাই, পিঞ্জল এবং দমনগঙ্গা বাঁধের সাথে জড়িত কংক্রিটীকরণ এবং জল বৃদ্ধির পরিকল্পনার মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের উপর জোর দেওয়া হবে। বন্যা প্রশমন ব্যবস্থা হিসাবে চারটি ভূগর্ভস্থ বন্যার জলাশয় তৈরি করা হবে।”

    নাগরিক পরিষেবা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) মুম্বইকে একটি নিরাপদ এবং উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং ড্রোন সার্ভেইল্যান্সের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরের ট্রাফিক জ্যাম ও দূষণ সমস্যার সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ডিজিটাল সিস্টেম এবং এআই (AI) ব্যবহার করে মুম্বইয়ের ফুটপাত দখল করে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    স্বচ্ছ প্রশাসন

    দুর্নীতিমুক্ত এবং স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে ঋতু তাওড়ে কাজ করবেন এবং মারাঠি পরিচিতি রক্ষার পাশাপাশি মারাঠি ভাষার প্রসারে গুরুত্ব দেবেন মেয়র।

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) পূর্বে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পুর প্রশাসনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি আগে বিএমসি-র শিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালনও করেছেন। বিজেপির এই জয়কে মুম্বইয়ের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে,। কারণ বিজেপি এখন একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    পুরুষ-প্রকৃতি — অধিকারী

    ডাক্তার ঠাকুরের জন্য ঔষধ দিলেন—দুটি Globule; বলিতেছেন, এই দুইটি গুলি দিলাম-পুরুষ আর প্রকৃতি। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—হাঁ, ওরা এক সঙ্গেই থাকে। পায়রাদের দেখ নাই, তফাতে থাকতে পারে না। যেখানে পুরুষ সেখানেই প্রকৃতি, যেখানে প্রকৃতি সেইখানেই পুরুষ।

    আজ বিজয়া। ঠাকুর ডাক্তারকে মিষ্টমুখ করিতে বলিলেন। ভক্তেরা মিষ্টান্ন আনিয়া দিতেছেন।

    ডাক্তার (খাইতে খাইতে)—খাবার জন্য ‘Thank you’ দিচ্ছি। তুমি যে অমন উপদেশ দিলে, তার জন্য নয়। সে ‘Thank you’ মুখে বলব কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—তাঁতে মন রাখা। আর কি বলব? আর একটু একটু ধ্যান করা। (ছোট নরেনকে দেখাইয়া) দেখ দেখ এর মন ঈশ্বরে একেবারে লীন হয়ে যায়। যে-সব কথা তোমায় বলছিলাম।

    ডাক্তার—এদের সব বলো।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যার যা পেটে সয়। ওসব কথা কি সব্বাই লতে পারে? তোমাকে বললাম, সে এক। মা বাড়িতে মাছ এনেছে। সকলের পেট সমান নয়। কারুকে পোলোয়া করে দিলে, কারুকে আবার মাছের ঝোল। পেট ভাল নয়। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার চলিয়া গেলে। আজ বিজয়া। ভক্তেরা সকলে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করিয়া তাঁহার পদধূলি গ্রহণ করিলেন। তৎপরে পরস্পর কোলাকুলি করিতে লাগিলেন। আনন্দের সীমা নাই। ঠাকুরের অত অসুখ, সব ভুলাইয়া দিয়াছেন! প্রেমালিঙ্গন ও মিষ্টমুখ অনেকক্ষণ ধরিয়া হইতেছে। ঠাকুরের কাছে ছোট নরেন, মাস্টার ও আরও দু’চারিটি ভক্ত বসিয়া আছেন। ঠাকুর আনন্দে কথা কহিতেছেন। ডাক্তারের কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ডাক্তারকে আর বেশি কিছু বলতে হবে না।

    “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়। খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়।”

    ছোট নরেন (সহাস্যে)—সবই Principle!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে)—ডাক্তার অনেক বদলে গেছে না?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ। এখানে এলে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। কি ঔষধ দিতে হবে আদপেই সে কথা তোলেন না। আমরা মনে করে দিলে তবে বলেন (Kathamrita), হাঁ হাঁ ঔষধ দিতে হবে।

    বৈঠকখানা ঘরে ভক্তেরা কেহ কেহ গান গাহিতেছিলেন।

    ঠাকুর যে ঘরে আছেন, সেই ঘরে তাঁহারা ফিরায়া আসিলে পর ঠাকুর বলিতেছেন, “তোমরা গান গাচ্ছিলে,—তাল হয় না কেন? কে একজন বেতালসিদ্ধ ছিল — এ তাই!” (সকলের হাস্য)

    ছোট নরেনের আত্মীয় ছোকরা আসিয়াছেন। খুব সাজগোজ, আর চক্ষে চশমা। ঠাকুর ছোট নরেনের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ, এই রাস্তা দিয়ে একজন ছোকরা যাচ্ছিল, প্লেটওলা জামা পরা। চলবার যে ঢঙ। প্লেটটা সামনে রেখে সেইখানটা চাদর খুলে দেয় — আবার এদিক-ওদিক চায়, — কেউ দেখছে কিনা। চলবার সময় কাঁকাল ভাঙা। (সকলের হাস্য) একবার দেখিস না।

    “ময়ূর পাখা দেখায়। কিন্তু পাগুলো বড় নোংরা। (সকলের হাস্য) উট বড় কুৎসিত, — তার সব কুৎসিত।”

    নরেনের আত্মীয়—কিন্তু আচরণ ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—ভাল। তবে কাঁটা ঘাস খায়—মুখ দে রক্ত পড়ে, তবুও খাবে! সংসারী, এই ছেলে মরে, আবার ছেলে ছেলে করে!

  • RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে সমগ্র ভারতজুড়ে ৮০,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আরএসএস-এর আদর্শের মতোই এই অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজনও অনন্য এবং অনুকরণীয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যখন আমরা এই হিন্দু সম্মেলনের (Hindu Sammelan) খবর শুনি, তখন আমাদের তাৎপর্য, ভবিষ্যতের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আসুন দেখে নিই একনজরে হিন্দু সম্মলেনের উদ্দেশ্য কী?

    পিছিয়ে থাকা মানুষের সঙ্গে সংযোগ (RSS)

    একশ বছর আগে সংঘের (RSS) যাত্রা শুরু হয়েছিল সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আত্মবিস্মৃতি ও হতাশায় নিমজ্জিত ছিল তখন গোটা ভারতবর্ষ। গত একশ বছরে আরএসএস ভারতজুড়ে প্রশিক্ষিত স্বয়ংসেবকদের একটি বিশাল ভিত্তিভূমি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, সংঘ এখন ব্যক্তিগত এবং গণযোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান হিন্দু সম্মেলনগুলো (Hindu Sammelan)  সেই গণসংযোগেরই একটি অংশ। সমগ্র হিন্দু সমাজকে একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

    ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে সম্মলেন

    হিন্দু সামাজের (RSS) যখন সমাজকে জাতিভেদ, ভাষা বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে, তখন বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে ‘হিন্দু’ হিসেবে একত্রিত হচ্ছে—যা সমাজ পরিবর্তনের পথ প্রদর্শনের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই সম্মেলনগুলোতে (Hindu Sammelan) স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সন্ত, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানগুলো শুরু হয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে এবং শেষ হয় সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে যৌথ আত্মবিশ্বাস ও শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতা

    কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, একসঙ্গে চিন্তা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কারা? বাহ্যিক বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও কোন সাধারণ যোগসূত্রগুলো আমাদের একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করে? ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতাকে দেখায়। বৈচিত্র্য হল সেই একই শক্তি বা দৈব সত্তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ‘ভিন্ন ভিন্ন পথ একই গন্তব্যে নিয়ে যায়’—এই ধারণাটি সমস্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের (Hindu Sammelan) কাছে সাধারণ। তাই অন্তর্নিহিত ঐক্য উপলব্ধি করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যগুলিকে সমন্বয় করা উচিত। এই মৌলিক ‘দর্শন’ বা দার্শনিক অভিজ্ঞতাই আমাদের হিন্দু করে তুলেছে।

    বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই মৌলিক চিন্তা পবিত্র ভারতভূমিতে অনুভূত হচ্ছে। আমরা দেশকে মাতৃভূমি হিসেবে পূজা করি। এটিই আমাদের ভ্রাতৃত্বের এক দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু আমরা একটি সাধারণ বিশ্বদর্শন এবং একটি সাধারণ মাতৃভূমি ভাগ করে নিই, তাই আমাদের পূর্বপুরুষ এবং জীবনদর্শনের (RSS) প্রতি একটি জাতীয় চেতনা রয়েছে।

    স্থানীয়-বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলিকে গ্রহণ করতে হবে

    ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত অস্থিরতার মাঝে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীনও প্রতিনিয়ত হতে হচ্ছে। আমাদের এগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। হিন্দু হিসেবে এই সমস্যাগুলো (Hindu Sammelan) নিয়ে চিন্তা করা হিন্দু সম্মেলনগুলোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। যে কোনও সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অপরিহার্য। একত্রিত হওয়া এবং একসাথে চিন্তা করার পর, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলোকে স্থির করতে হবে।

    ‘পঞ্চ-পরিবর্তন’-এর কর্মসূচি—সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, স্বাতন্ত্র্যবোধ এবং জাতীয় কর্তব্য প্রচার—হলো ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা যা আমাদের সেই ‘রাষ্ট্র’ (RSS) হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম করবে যা স্বামী বিবেকানন্দ কল্পনা করেছিলেন।

    বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) যখন তার শতবর্ষ পূর্ণ করছে। শতবর্ষ যাত্রা সাংগঠনিক ভাবে মাইলফলক। ‘হিন্দু সম্মেলন’ বা সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে অভিন্ন সভ্যতাগত পরিচয়-দায়িত্ববোধের একটি যৌথ চেতনাকে জাগ্রত ও সমন্বয় করার কাজ করছে আরএসএস।  সনাতন হিন্দু সম্মেলনের সূচনা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় খাগড়ার বেলদৌর ব্লকের ফুলওয়ারিয়া গ্রামে একটি বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রার (Hindu Sammelan) আয়োজন করা হয়েছিল। এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

    ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ

    গত রবিবার আয়োজিত এই কলশ শোভাযাত্রায় ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি গ্রামের শিব মন্দির থেকে শুরু হয়ে  বিভিন্ন গলি ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে শ্রীকৃষ্ণ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সম্মিলিত ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    সংঘের আয়োজক কমিটির (RSS) সভাপতি সুবোধ কুমার বলেন, সনাতন হিন্দু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় এই কলশ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। পুরো শোভাযাত্রা চলাকালীন গ্রামজুড়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য, কারণ সংহতির অভাব বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।”

    কুমারী মেয়েদের ভোজনের অংশ হিসেবে ক্ষীর পরিবেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ঋষভ কুমার, কোষাধ্যক্ষ পবন কুমার হিটলার, অজয় কুমার শর্মা, ঘনশ্যাম কুমার, রঞ্জিত কুমার, পূরণ মণ্ডল, রাজেশ কুমার সহ আরও অনেক গ্রামবাসী ও সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটিকে (Hindu Sammelan) সফল করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন এলাকার গোটা হিন্দু সমাজ।

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Ramakrishna 578: “এখানে তেমন মূর্খ কই? শাঁকও আছে আবার গেঁড়ি-গুগলিও আছে”

    Ramakrishna 578: “এখানে তেমন মূর্খ কই? শাঁকও আছে আবার গেঁড়ি-গুগলিও আছে”

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও অবতারবাদ
    Reconciliation of Free will and Predestination

    “কবীর দাস শ্রীকৃষ্ণের (Ramakrishna) কথায় বলেছিল, তুমি গোপীদের হাততালিতে বানর নাচ নেচেছিলে!

    “যত এগিয়ে যাবে ততই ভগবানের উপাধি কম দেখতে পাবে। ভক্ত প্রথমে দর্শন করলে দশভূজা। আরও এগিয়ে দেখলে ষড়ভুজ। আরও এগিয়ে গিয়ে দেকছ দ্বিভুজ গোপাল! যত এগুচ্ছে ততই ঐশ্বর্য কমে যাচ্চে। আরও এগিয়ে গিয়ে দেখছে দ্বিভুজ গোপাল! যত এগুচ্ছে ততই ঐশ্বর্য কমে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে গেল, তখন জ্যোতিঃদর্শন কল্লে—কোনও উপাধি নাই।

    “একটু বেদান্তের বিচার শোন। এক রাজার সামনে একজন ভেলকি দেখাতে এসেছিল। একটু সরে যাওয়ার পর রাজা দেখলে (Kathamrita), একজন সওয়ার আসছে। ঘোড়ার উপর চড়ে, খুব সাজগোজ — হাতে অস্ত্রশস্ত্র। সভাশুদ্ধ লোক আর রাজা বিচার কচ্ছে, এর ভিতর সত্য কি? ঘোড়া তো সত্য নয়, সাজগোজ, অস্ত্রশস্ত্রও সত্য নয়। শেষে সত্য সত্য দেখলে যে সোয়ার একলা দাঁড়িয়ে রয়েছে! কিনা, ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা—বিচার করতে গেলে কিছুই টেকে না।”

    ডাক্তার — এতে আমার আপত্তি নাই।

    [The World (সংসার) and the Scare-Crow ]

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তবে এ-ভ্রম সহজে যায় না। জ্ঞানের পরও থাকে। স্বপনে বাঘকে দেখেছে, স্বপন ভেঙে গেল, তবু বুক দুড়দুড় করছে!

    “ক্ষেতে চুরি করতে চোর এসেছে। খড়ের ছবি মানুষের আকার করে রেখে দিয়েছে — ভয় দেখাবার জন্য। চোরেরা কোনও মতে ঢুকতে পারছে না। একজন কাছে গিয়ে দেখলে — খড়ের ছবি। এসে ওদের বললে,—ভয় নাই। তবু ওরা আসতে চায় না—বলে বুক দুড়দুড় করছে। তখন ভূঁয়ে ছবিটাকে শুইয়ে দিলে, আর বলতে লাগল এ কিছু নয়, এ-কিছু নয়, ‘নেতি’ ‘নেতি’।”

    ডাক্তার—এ-সব বেশ কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—হাঁ! কেমন কথা?

    ডাক্তার—বেশ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—একটা ‘Thank you’ দাও।

    ডাক্তার—তুমি কি বুঝছো না, মনের ভাব? আর কত কষ্ট করে তোমায় এখানে দেখতে আসছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) —না গো, মূর্খের জন্য কিছু বল। বিভীষণ লঙ্কার রাজা হতে চায় নাই—বলেছিল, রাম তোমাকে পেয়েছি আবার রাজা হয়ে কি হবে! রাম বললেন, বিভীষণ, তুমি মূর্খদের জন্য রাজা হও। যারা বলছে, তুমি এত রামের সেবা করলে, তোমার কি ঐশ্বর্য হল? তাদের শিক্ষার জন্য রাজা হও।

    ডাক্তার—এখানে তেমন মূর্খ কই?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—না গো, শাঁকও আছে আবার গেঁড়ি-গুগলিও আছে (Kathamrita)। (সকলের হাস্য)

  • Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে (Hindu Businessman) তাঁর দোকানের ভেতরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করে দুষ্কৃতীরা ১৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আগে হিন্দু হত্যাকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেছেন আন্তর্জাতিক মহল।

    পেশায় ছিলেন চাল ব্যবসায়ী (Bangladesh)

    নিহত ব্যক্তির নাম সুশেন চন্দ্র সরকার (৬২)। তিনি ময়মনসিংহের (Bangladesh) ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক। পেশায় তিনি একজন চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু হত্যা (Hindu Businessman) চলছে। এবার এই লিস্টে আরও এক হিন্দুর হত্যা যুক্ত হলো।

    কীভাবে করা হয়েছে হত্যা?

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সুশেন চন্দ্র যখন তাঁর দোকানের ভেতরে ছিলেন, তখন অজ্ঞাতপরিচয় একদল দুষ্কৃতী হামলা করে। প্রথমে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর (Hindu Businessman) ওপর চড়াও হয়। এরপর শাটার নামিয়ে দোকানের ভিতরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই হত্যার পেছনে সঠিক কারণ কী, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই হত্যার পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে, তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপট

    গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কট্টরপন্থী ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে বেশ কিছু স্থানে হামলা ও উত্তেজনার খবর মারাত্মক আকার নিয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক পোশাক শ্রমিককে (Hindu Businessman) পিটিয়ে হত্যা করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার গত বছর কালীগঞ্জে লিটন চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী গণপিটুনিতে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধারাবাহিক হামলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং হিন্দু সংগঠনের নেতারা সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে এই হিন্দু হত্যা নিয়ে এখনও কোনও সদর্থক ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

LinkedIn
Share