Author: suman-das

  • Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ের বস্তারের বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে ২০২৬ সালের বস্তার পাণ্ডুম উৎসবের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রাজ্যপাল রমেন ডেকা, মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তোখন সাহু।

    মাওবাদীরা ব্যাপক কষ্ট দিয়েছে (Droupadi Murmu)

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Droupadi Murmu) বলেন, “দুই দিনের এই অনুষ্ঠানটি বস্তার অঞ্চলের (Chhattisgarh)  সমৃদ্ধ আদিবাসী সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে দলিতরা, কয়েক দশক ধরে মাওবাদী চরমপন্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ভোগ করে আসছে। এই অঞ্চল থেকে মাওবাদী মতাদর্শকে উৎখাত এবং বাস্তারের জনগণকে একটি নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের জন্য সরকারের নীতিকে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জনাাই।”

    ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু (Droupadi Murmu) বলেন, “বাস্তারের (Chhattisgarh) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করেছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই অঞ্চলটি চার দশক ধরে মাওবাদ দ্বারা জর্জরিত ছিল। ফলস্বরূপ, এখানকার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। যুবসমাজ, আদিবাসী এবং দলিত ভাই-বোনেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের ফলে, বছরের পর বছর ধরে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতা, ভয় এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ এখন শেষ হয়ে আসছে। মাওবাদের সঙ্গে যুক্তরা হিংসার পথ ত্যাগ করছে, নাগরিকদের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনছে।” রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এলাকার জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’ গ্রামবাসীদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট এবং জলের সুবিধা সহজলভ্য হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বন্ধ থাকা স্কুলগুলি আবার চালু হচ্ছে এবং শিশুরা ক্লাসে যোগ দিচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র যা সকল নাগরিকের জন্য আনন্দ বয়ে আনছে।”

    একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসা করে বলেন, “এই অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী-জনমান যোজনা এবং ধরতি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে, উন্নয়নের সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত আদিবাসী গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে। উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে যাতে এই অঞ্চলের শিশুরা ভালো শিক্ষা লাভ করতে পারে। এভাবেই ছত্তিশগড় এবং ভারতের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।”

    বস্তার দশেরা কী?

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার অঞ্চলে উপজাতিদের দ্বারা পালিত ৭৫ দিনব্যাপী বস্তার দশেরা উৎসব । দীর্ঘতম দশেরা উৎসবগুলির মধ্যে একটি হওয়ার কারণে এই উৎসবটি অনন্য। এটি হিন্দু শ্রাবণ মাসের অমাবস্যার দিনে শুরু হয় এবং আশ্বিন মাসে শেষ হয়। রামের হাতে রাবণকে পরাজিত করার জনপ্রিয় দশেরা উৎসবের বিপরীতে, বস্তারের দশেরা বস্তারের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দান্তেশ্বরী দেবী এবং বস্তার রাজপরিবারের কুলদেবীকে পুজো করা হয়। এই উৎসবটি বিভিন্ন জটিল আচার-অনুষ্ঠান, প্রাণবন্ত শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

    ৬০০ বছরের পুরাতন উৎসব

    এই উৎসবটি দেশের প্রাচীনতম উৎসবগুলির মধ্যে একটি যার ইতিহাস ৬০০ বছরেরও বেশি। এটি কাকাতীয় রাজবংশ দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং তখন থেকেই স্থানীয় উপজাতি সম্প্রদায়গুলি এটি সংরক্ষণ এবং প্রচার করে আসছে। এই উৎসবটি বস্তারের উপজাতিদের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে গভীরভাবে জড়িত। এতে পদযাত্রা, রথযাত্রা, কাচন গাদি এবং মুরিয়া দরবারের মতো বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান জড়িত।

  • Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ‘স্বাধীনতা-পন্থী’ সংগঠন বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) জানিয়েছে, তাদের ‘অপারেশন হেরোফ’ (Operation Herof)-এর দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য বালুচিস্তান পোস্ট (TBP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, “বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে টানা ছয় দিন ধরে চলা সমন্বিত নগর যুদ্ধের পর এই ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নির্ধারিত লক্ষ্য সফল ভাবে অর্জিত হয়েছে (Pakistan)

    বিএলএর মুখপাত্র (Pakistan) জীয়ান্দ বালুচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “এই অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, “আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।” বালুচদের উপর পাকসেনা বহুদিন ধরে অত্যাচার করে বলে বারবার অভিযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লুণ্ঠনেরও অভিযযোগে সোচ্চার হয়েছে বেলুচরা।

    অভিযানে বিরাট ধাক্কা

    জীয়ান্দ বালুচ জানান যে, এই অভিযান বালুচিস্তানের (Pakistan) ১৪টি শহরে বিস্তৃত ছিল এবং এটি ছিল সংগঠনের ইতিহাসের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সংগঠিত সামরিক অভিযান’ (Operation Herof)। পাকসেনার কাছে বালুচদের এই অভিযান বিরাট ধাক্কা।

    শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ

    বিএলএ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকি, সামরিক ঘাঁটি এবং শহরাঞ্চলের (Pakistan) কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। কোনও কোনও শহরে তারা টানা ছয় দিন অবস্থান করে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

    ক্ষয়ক্ষতি

    বিএলএ দাবি করেছে, এই অভিযানে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশের ৩৬২ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, বিএলএর ৯৩ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ (Operation Herof) হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অস্ত্র ও স্থাপনা

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে ডজনখানেক সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাকসেনার (Pakistan) পাল্টা অভিযানের আরও বড়সড় মোকাবিলা এবং প্রতিহত করতে সক্ষম।

    অভিযানের লক্ষ্য

    বিএলএ মুখপাত্র জীয়ান্দ বালুচ এই অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. আমাদের প্রমাণ করা যে বালুচ যোদ্ধারা যে কোনও সময় এবং যে কোনও স্থানে পাকিস্তানি শহরগুলিতে আঘাত হানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    ২. সাধারণ বালুচ জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

    ৩. বালুচিস্তানে পাকিস্তানি (Pakistan) বাহিনীর একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা যেন সাহায্য না করে

    বিএলএ মুখপাত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীরা যেন পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে মিলে বালুচিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে লিপ্ত না হয়; অন্যথায় তাদের উপস্থিতিকে সামরিক কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিবৃতিটি বালুচ জনগণকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করা হয় এবং বলা হয় যে এটি ‘কেবল শুরু’। আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে বিএলএ।

  • RSS: “সংঘ যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত: ভারত কোনও ভূগোল নয়, এটি একটি ‘স্ব-ভাব’-এর নাম”, বললেন ভাগবত

    RSS: “সংঘ যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত: ভারত কোনও ভূগোল নয়, এটি একটি ‘স্ব-ভাব’-এর নাম”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত “সংঘ (RSS) যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত” (100 Years of Sangh Journey – New Horizons) শীর্ষক ব্যাখ্যানমালায় মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরএসএসের আদর্শগত ভিত্তি, শাখার ভূমিকা, হিন্দু পরিচয়ের ধারণা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁর এই বক্তব্য শোনার জন্য উপস্থিত ছিলেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরুতে এই ধরনের ব্যাখানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংঘ শতবর্ষে সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়াই সংঘের কর্তব্য বলে জানিয়েছেন ভাগবত।

    সঙ্ঘের কাজের অনন্যতা (RSS)

    মুম্বইয়ে এদিনের ব্যাখান মালায় ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “সংঘের (RSS) কাজ বিশ্বে অনন্য। তথাগত বুদ্ধের পর ভারতের ইতিহাসে সংঘের মতো কাজ আর দেখা যায়নি। সংঘ কোনও আধাসামরিক বাহিনী বা রাজনৈতিক সংগঠন নয়, বরং এটি একটি অভিজ্ঞতার বিষয়। সংঘ কারওর বিরোধিতার জন্য বা ক্ষমতার জন্য গঠিত হয়নি, বরং দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে।”

    ইতিহাস ও সমাজ সংস্কার

    ভাষণ দিতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “এও হিউম ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ব্রিটিশদের একটি ‘সেফটি ভালভ’ হিসেবে, কিন্তু ভারতীয়রা একে স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত করেছিল।” তাঁর প্রশ্ন, আমাদের সমাজ কি সত্যিই একতাবদ্ধ? সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য, কুসংস্কার এবং নিরক্ষরতা দূর না হওয়া পর্যন্ত জাতির উন্নতি সম্ভব নয়। তাই এই লক্ষ্যে কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ।”

    হেডগেওয়ার ও সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা

    সংঘের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ার সম্পর্কে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “হেডগেওয়ার ছিলেন একজন জন্মগত দেশপ্রেমিক। ১৯২৫ সালের বিজয়াদশমীর দিন তিনি হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংঘের যাত্রার সূচনা করেন। সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা আজ দেশে ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি সেবা প্রকল্প পরিচালনা করছেন কোনও সরকারি সাহায্য ছাড়াই। অনুশীলন সমিতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন করেন। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় গ্রেফতার করেছিল।”

    শাখার ধারণা ও ঐক্য

    শাখা মানে দিনের মধ্যে এক ঘণ্টা সময় বের করে সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে ভগবদ্ ধ্বজের নীচে দাঁড়ানো। সেখানে জাতি, বর্ণ বা শিক্ষার কোনও পার্থক্য নেই। এটি শরীর, মন ও বুদ্ধিকে শক্তিশালী করার একটি মাধ্যম।

    হিন্দু পরিচয় ও ভারত

    ভাগবতের (Mohan Bhagwat) মতে, “ভারতে যাঁরা বাস করেন তাঁরা সবাই হিন্দু। এখানে ‘হিন্দু’ কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের নাম নয়, বরং এটি একটি বিশেষণ। তিনি গুরু নানকের বাণী উদ্ধৃত করে বলেন, ভারত হলো ‘ধর্ম-প্রাণ’ দেশ। ‘ধর্ম-নিরপেক্ষতা’র চেয়ে ‘পন্থ-নিরপেক্ষতা’ শব্দটি বেশি সঠিক।”

    ভারত ও বিশ্বগুরু

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ভারত কোনও ভৌগোলিক অভিব্যক্তি নয়, এটি একটি স্বভাব বা সংস্কৃতির নাম। ভারতের লক্ষ্য হল বিশ্বকে ধর্মের পথে চালিত করা এবং সেবা করা। ভারত কোনও ‘মহাশক্তি’ (Superpower) হয়ে অন্যদের ওপর দাদাগিরি করতে চায় না, বরং এটি ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাতে চায়।” ভাগবত তাঁর বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন, “ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও চরিত্র থেকে সারা বিশ্ব শিক্ষা নেবে। শিবাজি মহারাজের মতো মহান ব্যক্তিত্বের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের সমাজকে শক্তিশালী করতে হবে। সংঘ (RSS) গত শত বর্ষ ব্যাপী এই কাজই করছে।”

  • Ramakrishna 575: “যতক্ষণ কাঁচা ঘি, ততক্ষণই কলকলানি শোনা যায়, পাকা হলে আর শব্দ থাকে না”

    Ramakrishna 575: “যতক্ষণ কাঁচা ঘি, ততক্ষণই কলকলানি শোনা যায়, পাকা হলে আর শব্দ থাকে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও অবতারবাদ
    Reconciliation of Free will and Predestination

    ডাক্তার বলছেন, ঈশ্বর (Ramakrishna) আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আর আমাদের সকলের আত্মা (Soul) অনন্ত উন্নতি করবে। একজন আর একজনের চেয়ে বড়, একথা তিনি মানতে চাহিতেছেন না। তাই অবতার মানছেন না।

    ডাক্তার—‘Infinite Progress’ তা যদি না হল তাহলে পাঁচ বছর সাত বছর আর বেঁচেই বা কি হবে! গলায় দড়ি দেব!

    “অবতার আবার কি! যে মানুষ হাগে মোতে তার পদানত হব! হাঁ, তবে Reflection of God’s light (ঈশ্বরের জ্যোতি) মানুষে প্রকাশ হয়ে থাকে তা মানি।”

    গিরিশ (সহাস্যে) — আপনি God’s Light দেখেন নি —

    ডাক্তার উত্তর দিবার পূর্বে একটু ইতস্ততঃ করিতেছেন। কাছে একজন বন্ধু বসিয়াছেলেন — আস্তে আস্তে কি বলিলেন (Kathamrita)।

    ডাক্তার—আপনিও তো প্রত্বিম্ব বই কিছু দেখেন নাই।

    গিরিশ—I see it, I see the Light! শ্রীকৃষ্ণ (Ramakrishna) যে অবতার Prove (প্রমাণ) করব—তা নাহলে জিব কেটে ফেলব।

    বিকারী রোগীরই বিচার—পূর্ণজ্ঞানে বিচার বন্ধ হয়

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এ-সব যা কথা হচ্ছে, এ কিছুই নয়।

    “এ-সব বিকারের রোগীর খেয়াল। বিকারের রোগী বলেছিল, — এক জালা জল খাব। এক হাঁড়ি ভাত খাব! বদ্যি বললে, আচ্ছা আচ্ছা খাবি। পথ্য পেয়ে যা বলবি তখন করা যাবে।

    “যতক্ষণ কাঁচা ঘি, ততক্ষণই কলকলানি শোনা যায় (Kathamrita)। পাকা হলে আর শব্দ থাকে না। যার যেমন মন, ঈশ্বরকে সেইরূপ দেখে। আমি দেখেছি, বড় মানুষের বাড়ির ছবি — কুইন-এর ছবি আছে। আবার ভক্তের বাড়ি—ঠাকুরদের ছবি!

  • RSS: সংঘের শতবর্ষে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত ‘ধ্বজ যাত্রা’-র সূচনা হল শ্রীনগরের লাল চকে

    RSS: সংঘের শতবর্ষে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত ‘ধ্বজ যাত্রা’-র সূচনা হল শ্রীনগরের লাল চকে

    মাধ্যম নিউস ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) শুক্রবার শ্রীনগরের ঐতিহাসিক লাল চক থেকে এক সারা দেশব্যাপী ‘ধ্বজ যাত্রা’ শুরু করেছে। এই যাত্রাটি ভারতের উত্তর প্রান্ত কাশ্মীর থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ প্রান্তে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য এই বছর সংঘের শতবর্ষ উদযাপন শুরু হয়েছে। দেশজুড়ে একাধিক কর্মযজ্ঞ আয়োজনের মাধ্যমে সংঘ দীর্ঘ ঐতিহাসিক যাত্রার কথা প্রচার করছে।

    ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবার কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী (Kashmir-Kanyakumari) পর্যন্ত প্রতীকী যাত্রার সূচনা করেছে আরএসএস। এদিন সকালে ঐতিহাসিক লাল চকে গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর মিছিলটি টুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার (TRC) পর্যন্ত যায়, যেখান থেকে অংশগ্রহণকারীরা যানবাহনে করে দেশের অন্যান্য প্রান্তের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

    যাত্রার উদ্দেশ্য (Kashmir-Kanyakumari)

    যাত্রায় (Kashmir-Kanyakumari) অংশগ্রহণকারী বীর কাপুর বলেন, “আরএসএস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে যে ‘ভুল ধারণা’ রয়েছে তা দূর করাই এই যাত্রার মূল লক্ষ্য। অনেকে মনে করেন আরএসএস নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়ের বিরোধী; এই ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে এবং মানুষের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ। যারা এতদিন বিকৃত ইতিহাস জেনেছেন, তাদের কাছে সত্য তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য।”

    যাত্রার সঙ্গে মূল আকর্ষণ

    শতক’ চলচ্চিত্র

    আরএসএস-এর (RSS) ১০০ বছরের পথচলা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র ‘শতক’ (Shatak: Sangh Ke 100 Varsh) আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে। এই যাত্রার মাধ্যমে সিনেমাটির বার্তাও দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    শ্রীনগরবাসীর অংশগ্রহণ

    এই যাত্রায় শ্রীনগরের স্থানীয় বাসিন্দারাও পা মেলান, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের এক শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

    শ্রদ্ধা নিবেদন

    যাত্রা শুরুর আগে ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় কাশ্মীরের সংযুক্তিকরণ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী আরএসএস কর্মী, স্থানীয় কাশ্মীরি বাসিন্দা এবং ভারতীয় সেনাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    প্রায় ৩,৬৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রাটি বিভিন্ন রাজ্যের মধ্য দিয়ে গিয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত কন্যা কুমারীতে সমাপ্ত হবে। যাত্রাপথে বিভিন্ন জায়গায় পতাকা উত্তোলন, জনসভা এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ কর্মসূচি পালিত হবে। ইতিমধ্যে সংঘের এই যাত্রাকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

  • Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভায় (Assembly) তৃণমূল বিধায়ক এবং বিজেপি বিধায়কের মধ্যে নজিরবিহীন তরজা। বিতণ্ডায় জড়ালেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) ও তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুপ্রবেশকারী ও ক্রিমিনাল ইস্যুতে শাসকদলকে নিশানা করেন অগ্নিমিত্রা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে।” এরপর বিধানসভায় হট্টগোল শুরু হয়। অগ্নিমিত্রার মন্তব্যে তীব্র নিন্দা করেন ফিরাদ হাকিম।

    মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি (Agnimitra Paul)!

    শুক্রবার বাজেট অধিবেশনে (Assembly) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul) বলেন, “এই সরকার মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বাড়িয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ে কেন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে না কেউ? কেউ কেউ কেন ক্রিমিনাল হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন? সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বাজেট কি শিক্ষার জন্য নাকি অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য করা হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের সংখ্যালঘু অবদান নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্রিমিনাল তৈরি করতে পরিকাঠামো নির্মাণের উপর জোর দিচ্ছে। এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে। রাজ্যে যত ছোট-বড় হিংসার ঘটনা ঘটছে তার বেশিরভাগ কেন শুক্রবারই করা হচ্ছে। ফলে লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা এক।”

    মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস হয়েছে?

    একই ইস্যুতে অগ্নিমিত্রা বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, “আমি অন্যায় কিছু তো বলিনি। তৃণমূল সরকার তোষণের রাজনীতি করে, এটা তো সারা পৃথিবী জানে। ধর্মের রাজনীতি আর চলবে না। ২০২৬ সালে বিজেপির সরকার আসবে। এখন শুধু উন্নয়নের সরকার চলবে।” রাজ্যের মন্ত্রী ফিরাদ হাকিমকে তোপ দেগে বলেন, “আপনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রী, মেয়র হয়ে আপনার সম্প্রদায়ের জন্য কী করেছেন? আপনি ১৫ বছরের রেকর্ড দেখান, যে মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস কিংবা ইসরোর মতো বিজ্ঞানী বেরিয়েছেন। আপনাদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য শুধু সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করেন।”

    স্পিকারের অতি সক্রিয়তা

    অগ্নিমিত্রার (Agnimitra Paul) মন্তব্যে প্রতিবাদ করে তৃণমূলের বিধায়করা চিৎকার করে হৈহট্টগোল বাঁধিয়ে দেন। তৃণমূল বিধায়কদের (Assembly) দেখা যায় ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সঙ্গেও বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল বিধায়করা। দুই পক্ষের হট্টগোলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এমন কোনও মন্তব্য করবেন না যা নির্দিষ্ট করে কোনও একটি সম্প্রদায়কে আঘাত করে।” এরপর সংখ্যালঘু এবং ক্রিমিনাল শব্দ রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন স্পিকার।

  • Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা হিংসা মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এনআইএ-র (NIA) অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং তথ্য হস্তান্তর করেনি। আর এই জন্য অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী শুনানিতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

    সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি পুলিশ (Murshidabad)

    এনআইএ (NIA) আদালতকে জানিয়েছে, বেলডাঙা (Murshidabad) থানা মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছ থেকে ক্রমাগত অসহযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। এনআইএ কলকাতা ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট এবং মুখ্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারির ঘটনার (কেস নম্বর ৫১/২০২৬) গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বাজেয়াপ্ত সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি। পুলিশ নিস্ক্রিয় থাকার ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলার হিংসার ঘটনাটির তদন্তভার বর্তমানে এনআইএ গ্রহণ করেছে।

    পুলিশের এসকর্ট মেলেনি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত তারিখে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা হয়নি। বহরমপুর (Murshidabad) সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপার একটি রিপোর্ট পেশ করে জানিয়েছেন, পুলিশের এসকর্ট বা পাহারা না পাওয়ার কারণে ৩১ জন বিচারাধীন বন্দিকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ

    আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, পূর্ববর্তী বিচার বিভাগীয় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় পুলিশ এসকর্ট প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় অভিযুক্তদের হাজির করা যায়নি। আদালত মন্তব্য করেছে, এধরনের গাফিলতি তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এবং আদালতের নির্দেশের অবমাননা করে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। যথা-

    • ১. মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) এনআইএ-র অসহযোগিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যক্তিগতভাবে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
    • ২. বহরমপুর সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অভিযুক্তদের অবশ্যই আদালতে হাজির করা হয়।
    • ৩. মুর্শিদাবাদের এসপি-কে পরবর্তী শুনানির জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ এসকর্টের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    • ৪. বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (IO) ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে এবং গত ৩০ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশ কেন পালন করা হয়নি, তার লিখিত ব্যাখ্যাও দিতে বলা হয়েছে।

    বিগত কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর (NIA) মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাগুলোতে পুলিশ চরম অসহযোগিতা করছে। আদালতের এই হস্তক্ষেপ প্রাতিষ্ঠানিক সংঘাতের তালিকায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Chennai: বার্ড ফ্লু সংক্রমণ! চেন্নাইয়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যু, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Chennai: বার্ড ফ্লু সংক্রমণ! চেন্নাইয়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যু, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাই (Chennai) জুড়ে হাজারের বেশি কাকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় মৃত কাকদের শরীরে এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির নমুনা পাওয়া গিয়েছে। এই অঞ্চলে বার্ড ফ্লুর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তৎপর হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকা বা সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পশুপালন মন্ত্রক তামিলনাড়ুর মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।

    প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ (Chennai)

    শুক্রবার চেন্নাইয়ের (Chennai) বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক কাক মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। পরীক্ষার পর যখন এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, তখন থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বায়ো-সিকিউরিটি প্রোটোকল অনুযায়ী মৃত কাক এবং পোল্ট্রি পাখিদের পুড়িয়ে ফেলা অথবা মাটির গভীরে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জনসাধারণের জন্য নির্দেশিকা

    সাধারণ মানুষকে মৃত পাখি না ছোঁয়ার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনও মৃত পাখি দেখা গেলে অবিলম্বে স্থানীয় প্রশাসনকে (Chennai) জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় পশুপালন মন্ত্রক তামিলনাড়ুর মুখ্য সচিবকে চিঠি লিখেছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।

    এইচ৫এন১ (H5N1) আসলে কী?

    এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) হল ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ ভাইরাসের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ধরণ, যা মূলত পাখিদের, বিশেষ করে গৃহপালিত মুরগি এবং বন্য পাখিকে সংক্রমিত করে। এটি সাধারণ মানুষের কাছে ‘বার্ড ফ্লু’ নামে পরিচিত। এটি পাখিদের মধ্যে খুব দ্রুত ছড়ায় এবং এতে আক্রান্ত পাখির মৃত্যুর হার অনেক বেশি।

    কতটা বিপজ্জনক?

    যদিও এইচ৫এন১ (H5N1 Avian Influenza) প্রধানত পাখিদের আক্রমণ করে, তবে আক্রান্ত পাখির সংস্পর্শে এলে এটি মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর শরীরেও ছড়াতে পারে। মানুষের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ বিরল হলেও এটি অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। অতীতে মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণে নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা গেছে এবং এতে মৃত্যুর হার সাধারণ ফ্লুর তুলনায় অনেক বেশি। এই কারণেই বার্ড ফ্লু দেখা দিলে প্রশাসন (Chennai) কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  • PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) যুক্তিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তীব্র সমালোচনা করেছেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে ঘোষণা করেছেন।

    পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি (PM Modi)

    যদিও মমতার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বুধবার  প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সামনে এসআইআরের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন নিজের ভাষণে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার নিষ্ঠুর সরকার, নির্মম সরকার। কেবল ক্ষমতার জন্য চিন্তা করে, জনগণের জন্য নয়। একটি নির্মম সরকার পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি করেছে। এটাও একটা নতুন রেকর্ড। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, কিন্তু রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে কোনও চিন্তা করছেন না। ক্ষমতায় থাকা ছাড়া তাদের আর কোনও আকাঙ্খা নেই।”

    চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে

    মোদি (PM Modi) আরও বলেন, “বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলিও তাদের দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করছে। তবে আমাদের দেশে, কিছু গোষ্ঠী অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য ইচ্ছাকৃত এবং সংগঠিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের দেশের যুবসমাজ কীভাবে এমন নেতাদের গ্রহণ করতে পারে যারা অবৈধ অনুপ্রবেশের পক্ষে গুণগান করে পক্ষা অবলম্বন করছেন। দেশের যুবসমাজের জন্য সুযোগগুলো অবৈধভাবে কেড়ে নিচ্ছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। অনুপ্রবেশকারীরা তাদের চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, উপজাতি সম্প্রদায়ের জমি দখল করছে এবং আমাদের ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের জন্য হুমকি তৈরি করছে।”

    নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে

    পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার জন্য বিজেপি যে রাজনৈতিক ইস্যুগুলিকে কাজে লাগাচ্ছে তার মধ্যে অনুপ্রবেশ অন্যতম। বিজেপি এসআইআর প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে, যার তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের অভিযোগ তাড়াহুড়ো করে প্রচুর নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একই যুক্তি উত্থাপন করেছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তৃণমূল এবং তাদের বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও করেছেন।  রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, বা বামপন্থী, তারা কয়েক দশক ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে এবং রাজ্যগুলিতে সরকার পরিচালনার সুযোগও পেয়েছে। তারা কেবল নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে; নাগরিকদের জীবনে পরিবর্তন আনা কখনই তাদের অগ্রাধিকার ছিল না।”

  • UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউআইডিএআই (UIDAI) মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) বাতিল অভিযানে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের ব্যক্তি পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI) একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আড়াই কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার পদক্ষেপ করেছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছে, ডেটাবেসের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া (UIDAI)

    পিআইবি-র এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজ্য-স্তরের নাগরিক নিবন্ধন ডেটাবেস (UIDAI) দ্বারা প্রদত্ত যাচাইকৃত মৃত্যুর রেকর্ড ব্যবহার করে এই নিষ্ক্রিয়করণ করা হয়েছে। সম্প্রতি গত কয়েক মাসে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ২০২৫ সালের শেষ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার (AADHAAR) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে অভিযান

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর আধার ডেটাবেস হল বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা, যেখানে ১৩৪ কোটিরও বেশি সক্রিয় আধারধারী রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত নম্বরগুলি সরিয়ে, কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট। ভুয়ো আধারে যাতে সরকারি সুবিধা না পান তাই স্বচ্ছতা অবশ্যই প্রয়োজন। সরকারি প্রকল্পের বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও সঠিক এবং কার্যকর করতে ইউআইডিএআই-র পদক্ষেপ ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ইউআইডিএআই (UIDAI) বায়োমেট্রিক লকিং, লাইভনেস ডিটেকশন সহ ফেস অথেনটিকেশন, অফলাইন কিউআর (QR) কোড যাচাইকরণ এবং অনুমোদনহীন অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া সহ শক্তিশালী সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলিও তুলে ধরেছে। মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) নম্বরের নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন এবং ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কাজ ইউআইডিএআই-এর কাছে ডেটাবেস স্যানিটাইজেশন অনুশীলনের একটি অংশ মাত্র। এটা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা সময়ে সময়ে আপডেট বা সংস্করণ হয়ে থাকে।

LinkedIn
Share