Author: suman-das

  • West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাকে অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে। কমিশনের (Election Commission India) তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে যদি কোনও আইনি জটিলতা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনাল যদি কোনও ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার অনুমতি প্রদান করে, তবে তিনি নির্বিঘ্নে নিজের ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করতে পারবেন।

    সিইও-র বক্তব্য

    রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘বিএলওদের দায়িত্ব রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন ভোটাররা, এছাড়া বিডিওর কাছেও সব তথ্য দেওয়া থাকবে। নির্বাচন কমিশনকে  সেতু বন্ধনের মতো একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যেখানে নামের নিষ্পত্তি হতেই ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।’’

    আদালতের নির্দেশনাকে অগ্রাধিকার (West Bengal Elections 2026)

    সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাইবুনালের রায়ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, যদি কোনও ভোটারের (West Bengal Elections 2026) নাম নিয়ে আপত্তি থাকে কিন্তু ট্রাইবুনাল তাকে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা ছাড়পত্র দিয়ে থাকে, তবে তাকে ভোটদান থেকে বিরত রাখা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি না তৈরি হয়, সেইজন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মূলত আইনি লড়াইয়ে জয়ী বা ট্রাইবুনাল থেকে বৈধতা পাওয়া ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটি যেমন আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তেমনি প্রকৃত ভোটারদের অধিকার রক্ষার একটি বলিষ্ঠ ধাপ। আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন বা নতুন নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে অনেক সময় কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও আইনি কাঠামো গঠন হয়েছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভোটার তালিকা সংশোধন করার প্রক্রিয়া একটি নিরবিচ্ছিন্ন কাজ হলেও, নির্বাচনের ঠিক আগে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার পর আর নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে, নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের পর ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলা বা কোনও বড় পরিবর্তন করা আইনত সম্ভব নয়।

    ভোটদানের অধিকার ও ট্রাইবুনাল

    যদি কোনও ব্যক্তির নাম নিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা চলে এবং ট্রাইবুনাল তাকে বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। আবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা (West Bengal Elections 2026) তৈরি করাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। মৃত ব্যক্তি বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে একটি ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের তরফে সিইও মনোজ আগরওয়ালা  বলেন, “ট্রাইবুনাল স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এরা নির্বাচন কমিশন (ECI) বা সিইও অফিসের অধীনে নয়। সুতরাং যতদিন না ড্যাশবোর্ড তৈরি হচ্ছে, তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’’

    কতজনের নিষ্পত্তি সম্ভব?

    সূত্রের তথ্য জানিয়েছে, রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল কাজ করছে। ট্রাইবুনালগুলির মাথায় রয়েছেন ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি। প্রতিদিন ১০টি করে আবেদন যাচাই করে পোর্টালে তুলছে। ১০টি নাম নিষ্পত্তি হলে, আরও ১০টি আবেদন জমা পড়ছে। যদি ধরেও নেওয়া হয় যে প্রতিদিন প্রত্যেক ট্রাইবুনাল ১০টি করে আবেদনের নিষ্পত্তি করছে, তাহলে একদিনে সংখ্যাটা হয় ১৯০। গত ১৩ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছে ট্রাইবুনাল। প্রথম দফার ক্ষেত্রে সময় রয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। এই ৯ দিনের মধ্য তিনদিন ছুটি। ছুটির দিন কোথাও কাজ হয়েছে, কোথাও হয়নি। ফলে ৯ দিনের প্রতিদিন ১৯০টি করে নিষ্পত্তি হলেও সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১,৭১০। সুতরাং কোনও অবস্থাতেই প্রথম দফার আগে দু হাজারের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেছে পরিসংখ্যান।  তাই ভোট কতজন দিতে পারবেন, সেই সংশয় রয়েই যাচ্ছে।

    কত নাম বাদ পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথম প্রকাশ হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পরে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম। এরপর ৬০ লক্ষের কিছু বেশি নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়। মূলত তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ৬০ লক্ষ নাম সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরনোর পর আরও ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লক্ষের বেশি।

  • West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকদের বদলি সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে রাজ্য সরকারের ফের আরেকবার মুখ পুড়ল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন আবহে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছিল, তাতে আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও কমিশনের এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারের পক্ষেই মত দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই নির্দেশকেই কার্যকর রাখল।

    বঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিল মমতা সরকারের তরফে। পাশাপাশি বিডিও, আইসি এবং ওসি বদলি নিয়ে দায়ের হয় আর একটি মামলা। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দুটি খারিজ করে দেন। তাঁদের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের বদলি করার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত, অযৌক্তিক বা দুরভিসন্ধিপূর্ণ বলে মনে করা যায় না। কারণ গোটা দেশে এমন অফিসার বদলির ঘটনা ঘটেছে একাধিক জায়গায়।”

    আইনি যুক্তি

    শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও আধিকারিককে বদলি বা নতুন করে নিয়োগের ক্ষমতা রাখে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিশেষ কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আধিপত্য আরও একবার আইনি শিলমোহর পেল। রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী আবহে কমিশনের নেওয়া বদলি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের ফলে পুরোপুরি দূর হয়েছে। এখন থেকে কমিশন (Supreme Court) তার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক রদবদল চালিয়ে যেতে পারবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট কথা নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

  • Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে (Puri Shri Jagannath temple) ভক্তদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করতে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার (Odisha Govt)। মন্দিরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং পুণ্যার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে এবার তিরুপতি মন্দিরের আদলে ‘স্লট বুকিং’ বা সময় বরাদ্দের ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    সময়ভিত্তিক দর্শন (Puri Shri Jagannath temple)

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন অনলাইন সুবিধার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সারি ব্যবস্থাও চালু থাকবে, যা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সরকার বিদ্যমান সারি ব্যবস্থা সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েও ভাবছে। নট মণ্ডপ এবং জগমোহন এলাকায়, সরাসরি গর্ভগৃহের দিকে মুখ করে ছয়টি উড়াল র‍্যাম্প স্থাপন করা হবে—যার প্রতিটি ১৬ ফুট লম্বা এবং ৪ ফুট চওড়া। এই কাঠামো ভক্তদের চোখের স্তরকে উঁচু করবে, যার ফলে দূর থেকে ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রাকে আরও স্পষ্টভাবে দর্শন করা যাবে।

    নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভক্তরা নির্দিষ্ট সময়ের স্লট বুক করতে পারবেন। এর ফলে মন্দিরের বাইরে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে। শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রশাসন (SJTA) জানিয়েছে, উৎসবের দিনগুলিতে বা ছুটির মরসুমে জনস্রোত সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্লট বুকিং ব্যবস্থা চালু হলে মন্দিরের (Puri Shri Jagannath temple) ভেতরে ও বাইরে ভক্তদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    ভক্তদের সুবিধার্থে অনলাইন পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি যারা সরাসরি মন্দিরে আসবেন, তাদের জন্য অফলাইন কাউন্টার থেকেও বুকিং করার সুবিধা রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজ্য সরকার (Odisha Govt) ও মন্দির (Puri Shri Jagannath temple) কর্তৃপক্ষ বর্তমানে এই ব্যবস্থার প্রয়োগিক দিকগুলো খতিয়ে দেখছে। সেবায়েত এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওড়িশা সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে প্রবীণ নাগরিক এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য শ্রীজগন্নাথ দর্শন আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র হরিদ্বারে (Haridwar) ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অর্ধকুম্ভ মেলা (Ardh Kumbh Mela 2027)। এই বিশেষ আধ্যাত্মিক মিলন মেলা উপলক্ষে উত্তরাখণ্ড সরকার এবং মেলা প্রশাসন তিন ‘অমৃত স্নান’ সহ দশটি প্রধান স্নানের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। আসুন দেখে নিই এক নজরে।

    কবে থেকে শুরু মেলা (Haridwar)

    মেলা শুরু হবে জানুয়ারি মাসে এবং চলবে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত। উল্লেখযোগ্য স্নানের তারিখগুলি হল-

    • ● মকর সংক্রান্তি ১৪ জানুয়ারি, এই দিন থেকেই মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
    • ● পৌষ পূর্ণিমা দ্বিতীয় প্রধান স্নান।
    • ● মৌনী অমাবস্যা কুম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিথি।
    • ● বসন্ত পঞ্চমী এই পুণ্য তিথিতেও বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • ● মাঘী পূর্ণিমা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রধান স্নান।
    • ● মহা শিবরাত্রি এই দিনে শাহি স্নানের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।
    • ● সোমবতী অমাবস্যা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ পুণ্য তিথি।
    • ● রাম নবমী মার্চ-এপ্রিলের পবিত্র লগ্ন।
    • ● চৈত্র পূর্ণিমা মেলার অন্যতম শেষ স্নান।
    • ● মেষ সংক্রান্তি বৈশাখী, প্রথা অনুযায়ী এই দিনেই মেলার সমাপ্তি ঘটে।

    বিশেষ উদ্যোগী প্রশাসন

    উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী অর্ধকুম্ভ মেলার (Haridwar) জন্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে (Ardh Kumbh Mela 2027)। গঙ্গার ঘাটগুলির সংস্কার, পানীয় জল, জনস্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম সামলাতে পুলিশ ও প্রশাসন যৌথভাবে একটি জোরদার নিরাপত্তা বলয় এবং ট্রাফিক পরিকল্পনা তৈরি করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য যে, হরিদ্বারে প্রতি ৬ বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ এবং প্রতি ১২ বছর অন্তর পূর্ণকুম্ভ মেলা আয়োজিত হয়। ২০২৭ সালের এই মেলা উত্তর ভারতের পর্যটন এবং ধর্মীয় ভাবাবেগে এক বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Ramakrishna 625: “বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    Ramakrishna 625: “বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে—চৈতন্য হবে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    ঠাকুর শ্যামপুকুরের (Ramakrishna) বাটীতে নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। বেলা দশটা। আজ ২৭থে অক্টোবর, ১৮৮৫, মঙ্গলবার, আশ্বিন কৃষ্ণা চতুর্থী, ১২ই কার্তিক।

    ঠাকুর নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতির সহিত কথা কহিতেছেন।

    নরেন্দ্র — ডাক্তার কাল কি করে গেল।

    একজন ভক্ত — সুতোয় মাছ গিঁথেছিল, ছিঁড়ে গেল (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — বঁড়শি বেঁধা আছে — মরে ভেসে উঠবে।

    নরেন্দ্র একটু বাহিরে গেলেন, আবার আসিবেন। ঠাকুর মণির সহিত পূর্ণ সম্বন্ধে কথা কহিতেছেন —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তোমায় বলছি — এ-সব জীবের শুনতে নাই — প্রকৃতিভাবে পুরুষকে (ঈশ্বরকে) আলিঙ্গন, চুম্বন করতে ইচ্ছা হয়।

    মণি — নানারকম খেলা — আপনার রোগ পর্যন্ত খেলার মধ্যে। এই রোগ হয়েছে বলে এখানে নূতন নূতন ভক্ত আসছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ভূপতি বলে, রোগ না হলে শুধু বাড়িভাড়া করলে লোকে কি বলত — আচ্ছা, ডাক্তারের কি হল?

    মণি — এদিকে দাস্য মানা আছে — ‘আমি দাস, তুমি প্রভু।’ আবার বলে — মানুষ-উপমা আনো কেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দেখলে! আজ কি আর তুমি তার কাছে যাবে?

    মণি — খপর দিতে যদি হয়, তবে যাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বঙ্কিম ছেলেটি কেমন? এখানে যদি আসতে না পারে, তুমি না হয় তারে সব বলবে। — চৈতন্য হবে।

    আগে সংসারের গোছগাছ, না ঈশ্বর? কেশব ও নরেন্দ্রকে ইঙ্গিত

    নরেন্দ্র আসিয়া কাছে বসিলেন (Kathamrita)। নরেন্দ্রের পিতার পরলোকপ্রাপ্তি হওয়াতে বড়ই ব্যতিব্যস্ত হইয়াছেন। মা ও ভাই এরা আছেন, তাহাদের ভরণপোষণ করিতে হইবে। নরেন্দ্র আইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হইতেছেন। মধ্যে বিদ্যাসাগরের বউবাজারের স্কুলে কয়েক মাস শিক্ষকতা করিয়াছিলেন। বাটীর একটা ব্যবস্থা করিয়া দিয়া নিশ্চিন্ত হইবেন — এই চেষ্টা কেবল করিতেছেন।

    ঠাকুর সমস্তই অবগত আছেন — নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে সস্নেহে দেখিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে) — আচ্ছা, কেশব সেনকে বললাম, — যদৃচ্ছালাভ। যে বড় ঘরের ছেলে, তার খাবার জন্য ভাবনা হয় না — সে মাসে মাসে মুসোহারা পায়। তবে নরেন্দ্রের অত উঁচু ঘর, তবু হয় না কেন? ভগবানে মন সব সমর্পণ করলে তিনি তো সব জোগাড় করে দিবেন!

  • Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড়সড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষমতায় এলে তারা ‘যুবশক্তি কার্ড’ চালু করবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বেকারদের (WB Assembly Polls 2026) প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

    যুবশক্তি কার্ড (Bharatiya Janata Party)

    বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে এবং কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত না হওয়া পর্যন্ত যুবকদের পাশে দাঁড়াতে এই কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ভারতীয় যুব মোর্চার তরফে। এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য আবেদনকারীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। এর মূল উদ্দেশ্য হল, যুবক-যুবতীদের (WB Assembly Polls 2026) দৈনন্দিন খরচ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছলতা প্রদান করা। শিল্প হবে, বিনিয়োগ হবে। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান হবে। প্রতি বছর এসএসসি, টেট-সহ নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সরকারি চাকরির বয়স সীমায় ৫ বছরের ছাড়। স্টার্ট আপ করতে চাইলে আর্থিক সাহায্য করবে বিজেপি। ৫ লক্ষ যুবক-যুবতিদের ১০ লক্ষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে সহ আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

    বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান

    দলের নেতৃত্ব দাবি করছেন যে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ঘোচাতে এবং বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতেই এই জনমুখী প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুব সমাজকে স্বাবলম্বী করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কয়েক লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী সরাসরি উপকৃত হবেন বলে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) শিবিরের আশা।

    এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে?

    টেনিস তারকা ও বিজেপি নেতা লিয়েন্ডার পেজ বলেন, “গত ১৫ বছরে রাজ্যের অর্থনীতি, শিক্ষা, চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে যুবসমাজ। কেউ কাজের জন্য যাচ্ছেন। কেউ আবার উচ্চশিক্ষার জন্য মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু চলে যাচ্ছে। এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে? নারীরা আদৌ কত সুরক্ষিত?” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবং কর্মসংস্থানকে প্রধান নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতেই বিজেপি (WB Assembly Polls 2026) এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে এই প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

  • West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।  ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জানা গেছে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪০,৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২৪০৭ কোম্পানি  কেন্দ্রীয় বাহিনীও প্রথম দফায় মোতায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের প্রস্তুতি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এই দফায় নিরাপত্তার (West Bengal Elections 2026) ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। প্রথম দফায় (West Bengal Elections 2026) উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কোচবিহারে ২,৩৭০ জন এবং মালদায় ২,৮১৮ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ের জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে থাকছেন যথাক্রমে ১,১৭০ এবং ৬২৭ জন কর্মী। জেলাভিত্তিক পুলিশ মোতায়েনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৩২৭ জন এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।

    চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং অপরটি হল, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। আর এই দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলাতেই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন হবে জঙ্গিপুরে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি।

    বাড়তি নজর কোচবিহারে

    উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদায় ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

    অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত বাহিনী রিজার্ভে

    জেলাভিত্তিক মোতায়েনের পাশাপাশি ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। প্রতি বুথে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (Election Commission India) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

  • Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) জন্য বড় ধাক্কা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পবন খেরাকে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে আগাম জামিন দিয়েছিল, এবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Supreme Court)

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পবন খেরা (Pawan Khera) অভিযোগ করেছিলেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা একাধিক দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর বিদেশে অঘোষিত সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। জালিয়াতি, মানহানি এবং প্রতারণার অভিযোগে এই মামলা রুজু করা হয়।

    হাইকোর্টের রায় ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (Supreme Court)

    গত ১০ এপ্রিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট পবন খেরাকে (Pawan Khera) এক সপ্তাহের জন্য ‘ট্রানজিট’ আগাম জামিন দিয়েছিল যাতে তিনি অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু অসম সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। আজ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকারের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, মামলা যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে (অসম), সেখানে আবেদন না করে কেন তেলঙ্গানা হাইকোর্টে যাওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যুক্তি দেন যে এটি ‘ফোরাম শপিং’ (পছন্দমতো আদালত বেছে নেওয়া)-এর নামান্তর। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের জামিনের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পবন খেরা (Pawan Khera) যদি এখন অসমের কোনও উপযুক্ত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশ সেই আবেদনের বিচারে কোনও বাধা হবে না। তবে আপাতত তাঁর রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় আইনি চাপ বাড়ল কংগ্রেস নেতার ওপর।

  • Ramakrishna 624: “টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু—ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!”

    Ramakrishna 624: “টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু—ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

     পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর

    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    “কেশব (Ramakrishna) সেনও ওই ইঙ্গিত করেছিল। বলেছিল, — ‘মহাশয়, যদি কেউ বিষয়-আশয় ঠিকঠাক করে, ঈশ্বরচিন্তা করে — তা পারে কিনা? তার তাতে কিছু দোষ হতে পারে কি?’

    “আমি বললাম, তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়া, আত্মীয় কাল সাপের মতো, বোধ হয়। তখন, ‘টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু — ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!

    “একটা মেয়ের ভারী শোক হয়েছিল। আগে নৎটা কাপড়ের আঁচলে বাঁধলে, — তারপর, ‘ওগো! আমার কি হল গো।’ বলে আছড়ে পড়লো কিন্তু খুব সাবধান, নৎটা না ভেঙে যায়।”

    সকলে হাসিতেছেন।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)  এই সকল কথা শুনিয়া (Kathamrita) বাণবিদ্ধের ন্যায় একটু কাত হইয়া শুইয়া পড়িলেন। তাঁর মনের অবস্থা বুঝিয়া —

    মাস্টার (নরেন্দ্রের প্রতি, সহাস্যে) — শুয়ে পড়লে যে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি, সহাস্যে) — “আমি তো আপনার ভাশুরকে নিয়ে আছি তাইতেই লজ্জায় মরি, এরা সব (অন্য মাগীরা) পরপুরুষ নিয়ে কি করে থাকে?”

    মাস্টার নিজে সংসারে আছেন, লজ্জিত হওয়া উচিত। নিজের দোষ, কেহ দেখে না — অপরের দেখে। ঠাকুর এই কথা বলিতেছেন। একজন স্ত্রীলোক ভাশুরের সঙ্গে নষ্ট হইয়াছিল। সে নিজের দোষ কম, অন্য নষ্ট স্ত্রী লোকদের দোষ বেশি, মনে করিতেছে। বলে, ‘ভাশুর তো আপনার লোক, তাইতেই লজ্জায় মরি।’

    মুক্তহস্ত কে? চাকরি ও খোশামোদের টাকায় বেশি মায়া

    নিচে একজন বৈষ্ণব গান গাইতেছিল। ঠাকুর শুনিয়া অতিশয় আনন্দিত হইলেন। বৈষ্ণবকে কিছু পয়সা দিতে বলিলেন। একজন ভক্ত কিছু দিতে গেলেন। ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “কি দিলে?” একজন ভক্ত বলিলেন (Kathamrita)— “তিনি দুপয়সা দিয়েছেন।”

    ঠাকুর — চাকরি করা টাকা কিনা। — অনেক কষ্টের টাকা — খোশামোদের টাকা! মনে করেছিলাম, চার আনা দিবে!

    Electricity — তাড়িতযন্ত্র ও বাগচী চিত্রিত ষড়্‌ভুজ ও রামচন্দ্রের আলেখ্য
    দর্শন — পূর্বকথা — দক্ষিণেশ্বরে দীর্ঘকেশ সন্ন্যাসী

    ছোট নরেন ঠাকুরকে যন্ত্র আনিয়া তাড়িতের প্রকৃতি দেখাইবেন বলিয়াছিলেন। আজ আনিয়া দেখাইলেন।

    বেলা দুইটা — ঠাকুর ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। অতুল একটি বন্ধু মুনসেফকে আনিয়াছেন। শিকদারপাড়ার প্রসিদ্ধ চিত্রকর বাগচী আসিয়াছেন। কয়েকখানি চিত্র ঠাকুরকে উপহার দিলেন।

     

    ঠাকুর (Ramakrishna)  আনন্দের সহিত পট দেখিতেছেন। ষড়্‌ভুজ মূর্তি দর্শন করিয়া ভক্তদের বলিতেছেন — “দেখো, কেমন হয়েছে!”

    ভক্তদের আবার দেখাইবার জন্য ‘অহল্যা পাষাণীর পট’ আনিতে বলিলেন। পটে শ্রীরামচন্দ্রকে দেখিয়া আনন্দ করিতেছেন।

    শ্রীযুক্ত বাগচীর মেয়েদের মতো লম্বা চুল। ঠাকুর বলিতেছেন, “অনেককাল হল দক্ষিণেশ্বরে একটি সন্ন্যাসী দেখেছিলাম। ন হাত লম্বা চুল। সন্ন্যাসীটি ‘রাধে রাধে’ করত। ঢঙ নাই।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে নরেন্দ্র গান গাইতেছেন। গানগুলি বৈরাগ্যপূর্ণ। ঠাকুরের মুখে তীব্র বৈরাগ্যের কথা ও সন্ন্যাসের উপদেশ শুনিয়া কি নরেন্দ্রের উদ্দীপন হইল?

    নরেন্দ্রের গান:

    (১) যাবে কি হে দিন আমার বিফলে চলিয়ে।
    (২) অন্তরে জাগিছ ওমা অন্তরযামিনী।
    (৩) কি সুখ জীবনে মম ওহে নাথ দয়াময় হে,
    যদি চরণ-সরোজে পরাণ-মধুপ, চির মগন না রয় হে!

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share