Author: Susanta Das

  • Russia Navy Drone-Boat: রাশিয়ার নৌসেনার ড্রোন-বোট হামলায় ধ্বংস ইউক্রেনের সর্ববৃহৎ রণতরী

    Russia Navy Drone-Boat: রাশিয়ার নৌসেনার ড্রোন-বোট হামলায় ধ্বংস ইউক্রেনের সর্ববৃহৎ রণতরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Ukraine Russia War) নয়া মোড়! প্রথম বার রাশিয়ার সামুদ্রিক ড্রোন-বোট হামলায় ধ্বংস ইউক্রেনের সর্ববৃহৎ রণতরী।

    বড় দাবি রাশিয়ার, স্বীকার ইউক্রেনের

    সমাজমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে সাফল্যের তথ্যপ্রমাণ প্রকাশ করেছে রুশ বিদেশমন্ত্রক। তারা বলেছে, ‘সিম্ফেরোপোল’ নামে যুদ্ধজাহাজটিকে দানিয়ুব নদীর প্রবেশদ্বারে ডুবিয়ে (Russia Sinks Ukraine Ship) দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনীয় রণতরী ধ্বংসের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। রুশ সংবাদসংস্থা ‘তাস’-এর দাবি, এই প্রথম ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর জাহাজকে ধ্বংস করার জন্য সামুদ্রিক ড্রোন-বোটের (Russia Navy Drone-Boat) সফল ব্যবহার করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের নৌবাহিনীর মুখপাত্র দিমিত্রো প্লেটেনচুক হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলায় এক ক্রু মারা গেছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া কিছু ক্রু নিখোঁজ। তাঁদের খোঁজ করা হচ্ছে। মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলার পরের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বেশিরভাগ ক্রু নিরাপদে আছেন এবং নিখোঁজ বেশ কয়েকজন নাবিকের সন্ধান চলছে।

    ইউক্রেনের বৃহত্তম জাহাজ ‘সিম্ফারোপোল’

    ‘সিম্ফেরোপোল’ যুদ্ধজাহাজ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনের বৃহত্তম জাহাজ বলে পরিচিত। ২০১৯ সালে জাহাজটি সমুদ্রে নামে। তবে ইউক্রেনের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয় ২০২১ সালে। জাহাজটির মূল কাজ হল গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে নৌবাহিনীর অভিযানকে সহায়তা করা। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে এই ঘটনাকে একটি একক সামুদ্রিক ড্রোন-বোট (Russia Navy Drone-Boat) ব্যবহার করে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর কোনও জাহাজ ডুবিয়ে (Russia Sinks Ukraine Ship)দেওয়ার প্রথম সফল দৃষ্টান্ত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রেডিও, ইলেকট্রনিক, রেডার এবং অপটিক্যাল গোয়েন্দা বাহিনীর জন্য তৈরি লাগুনা-শ্রেণির মাঝারি আকারের জাহাজটিতে দানিয়ুব নদীর ব-দ্বীপে আঘাত হানে, যার একটি অংশ ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলে অবস্থিত।

    কিয়েভেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার

    পাশাপাশি, বুধবার মধ্যরাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালায় রাশিয়া। এতে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এরপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নাকি ইউরোপের কয়েকজন নেতাকে জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাঁর দেশের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কী হবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এখন খুব জরুরি। এদিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘‘মোদির যুদ্ধ’’ বলে অবিশ্বাস্য দাবি করে বসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পরামর্শদাতার এহেন যুক্তি বিস্মিত করেছে বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতা ও বিশেষজ্ঞদেরও। তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক বার নাভারো দাবি করেছেন যে, ভারতের মতো দেশকে তেল বিক্রি করে সেই টাকায় ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে রাশিয়া।

  • Chapra Sasthi 2025: আজ চাপড়া ষষ্ঠী, ভাদ্র মাসের শুক্ল ষষ্ঠী তিথিতে পালিত হয় এই উৎসব, কী এর মাহাত্ম্য?

    Chapra Sasthi 2025: আজ চাপড়া ষষ্ঠী, ভাদ্র মাসের শুক্ল ষষ্ঠী তিথিতে পালিত হয় এই উৎসব, কী এর মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ চাপড়া ষষ্ঠী (Chapra Sasthi 2025)। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লষষ্ঠীর তিথিতে পালিত হয় চাপড়া ষষ্ঠী। মূলত সন্তান-সন্ততির মঙ্গলকামনায় মায়েরা পালন করে থাকেন চাপড়া ষষ্ঠী (Chapra Sasthi)।

    বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নিয়ম

    বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নিয়ম মেনে পালিত হয় চাপড়া ষষ্ঠী। তবে, এই দিন সব মায়েরা মা ষষ্ঠীর পুজো করে সন্তানের মঙ্গল কামনা করে থাকেন। হিন্দু বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে, প্রতি মাসের শুক্লাষষ্ঠী তিথিতে বিভিন্ন নামে পূজিত হন মা ষষ্ঠী। জ্যৈষ্ঠ মাসে অরণ্য ষষ্ঠী, শ্রাবণ মাসে লুন্ঠন ষষ্ঠী, ভাদ্র মাসে চাপড়া ষষ্ঠী (Chapra Sasthi 2025), আশ্বিন মাসে দুর্গা ষষ্ঠী বা বোধন ষষ্ঠী, অগ্রহায়ণ মাসে মূলা ষষ্ঠী, পৌষ মাসে পাটাই ষষ্ঠী, মাঘ মাসে শীতল ষষ্ঠী, চৈত্র মাসে অশোক ষষ্ঠী পালিত হয়।

    পুরাণে চাপড়া ষষ্ঠীর উল্লেখ

    স্কন্দ পুরাণ অনুসারে, দেবী ষষ্ঠী হলেন কার্তিকের স্ত্রী। তিনি ব্রহ্মার মানস কন্যা, নাম দেবসেনা। ভাদ্র মাসে চাপড়াষষ্ঠী ও মন্থন ষষ্ঠী। একে অক্ষয় ষষ্ঠীও বলা হয়। মূলত মায়েরা এই লৌকিক উৎসবে যোগদান করেন। তাঁরা আঁচলে কলা বেঁধে ছেলেমেয়েকে কোলে নিয়ে চাপড়া ষষ্ঠীর ব্রতকথা (Chapra Sasthi Vrat) শোনেন। তারপর কাঁঠালী কলা, পিটুলী গোলা দিয়ে পুতুল বানিয়ে পুকুরে ভাসায় গ্রামের মায়েরা, সন্তানের কল্যাণে। অনেক জায়গায় কলা গাছের কান্ডের ত্বক আর নারকেলের পাতার খিল দিয়ে নৌকা তৈরি করা হয়। নৌকায় রাখা হয় পিটুলি দিয়ে তৈরি পুতুল, রিং এর মতো দেখতে পিটুলির চাপড়া, তাতে সিঁদুরের টিপ দেওয়া হয়। পুজোর শেষে নৌকা ভাসিয়ে দেন। এই দিন চালের কিছু খেতে নেই। তার বদলে লুচি, পরোটা খাওয়ার বিধান রয়েছে। আর মটর ডালের চাপড়া বানিয়ে তাওয়ায় সেঁকে মায়েদের খেতে হয়। তালের রস দিয়ে চাপড়া পিঠে বানিয়ে দেবীকে উৎসর্গ করেন। তারপর পুজো শেষে তা বাচ্চাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

    চাপড়া ষষ্ঠীর ব্রতকথা…

    কথিত আছে, কোনও এক দেশে এক বণিক বাস করত। তার তিন ছেলে তিন বউ ছিল। বণিক ও বণিকের বউ তার ছোট ছেলের সন্তানকে বেশি ভালোবাসতেন। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একসময় চাপড়া ষষ্ঠী (Chapra Sasthi 2025) করবে বলে বণিকের বউ একটি পুকুর কাটলে সেই পুকুরের কোন জল দেখা গেল না। তারা মনের দুঃখে মা ষষ্ঠীর কাছে প্রার্থনা করে ঘুমিয়ে যেতেই রাত্রে স্বপ্নাদেশ পান যে ছোট নাতিকে কেটে যদি তার রক্ত ওই পুকুরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তবে জল দেখা দেবে। অনেক কান্নাকাটি পর তারা মা ষষ্ঠীর আদেশ অনুযায়ী ছোট নাতির রক্ত সেই পুকুরে ছড়িয়ে দেয়। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে ছোট বউ তার চাপড়া এবং পিটুলির পুতুল ভাসানোর সময় পুকুর থেকে পুনরায় তার ছেলেকে ফিরে পায় এবং এরপর থেকেই মা ষষ্ঠীর মাহাত্ম্য চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং এই ব্রত (Chapra Sasthi) শুরু হয়।

    ভাদ্র মাসজুড়ে পর পর উৎসব

    গোটা ভাদ্র মাস জুড়ে থাকে একাধিক উৎসব। ৩ সেপ্টেম্বর পালিত হবে ললিতা সপ্তমী। এই দিন থেকে শুরু হচ্ছে মহালক্ষ্মী ব্রত। রয়েছে, জ্যেষ্ঠ গৌরী আবাহনা। ৪ সেপ্টেম্বর রবিবার পালিত হবে, রাধা অষ্টমী। পালিত হবে জ্যেষ্ঠ গৌরী পুজো। তেমনই ৫ সেপ্টেম্বর রবিবারে পালিত হবে জ্যোষ্ঠ গৌরী বিসর্জন। ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রয়েছে পার্শ্ব একাদশী। ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বামন জয়ন্তী, ভুবনেশ্বরী জয়ন্তী পালিত হবে। তেমনই সেদিন বৈষ্ণব পর্ব একাদশী ও কল্কি দ্বাদশী তিথি রয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার হল গণেশ চতুর্দশী। এদিন গণেশ পুজো সমাপ্ত ও বিসর্জন হবে।

  • Diet And Nutrition: পুষ্টির ঘাটতিতে দেখা দিচ্ছে একাধিক শারীরিক সমস্যা! বাড়ছে কোন কোন রোগের প্রকোপ?

    Diet And Nutrition: পুষ্টির ঘাটতিতে দেখা দিচ্ছে একাধিক শারীরিক সমস্যা! বাড়ছে কোন কোন রোগের প্রকোপ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মাত্র তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়ে কেউ ভুগছেন হাঁটু ও কোমরের যন্ত্রণায়। আবার কেউ লাগাতার ক্লান্তিবোধ অনুভব করেন। অনেকেই সিঁড়িতে কয়েক ধাপ ওঠার পরেই শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। দৈনন্দিন জীবনে এমন নানান শারীরিক অসুবিধায় অনুভব করছেন তরুণ প্রজন্মের একাংশ। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের সমস্যার নেপথ্যে সব সময় জটিল অসুখ থাকছে না। পুষ্টির অভাবেই অধিকাংশ সময়ে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পুষ্টি সম্পর্কে অসচেতনতা প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা তৈরি করছে‌।

    কেন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পুষ্টির অভাব দেখা দিচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের অভাবেই পুষ্টির সমস্যা হয় না। বরং ভারতের মতো দেশে খাবার সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পুষ্টির অভাব বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সতর্ক নন।‌ তার ফলেই তাঁদের শরীরে নানান জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খাবার খান। এর ফলে অন্ত্র এবং লিভারের উপরে এর গভীর প্রভাব পড়ে‌। আবার অধিকাংশ সময়েই তাঁদের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ অধিক থাকে। ব্যালেন্স ডায়েট খুব কম মেনে চলেন। আর এর জেরেই বিপদ বাড়ে। অনেকেই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খিদে মেটাতে পিৎজা কিংবা বার্গারের মতো খাবার খাচ্ছেন। কেউ আবার প্যাকেটজাত খাবার চটজলদি বানিয়ে নিচ্ছেন। ফলে শরীরের সমস্ত চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। নিয়মিত খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিনের পাশপাশি ভিটামিন, ফাইবার, আয়রন, কার্বোহাইড্রেট না থাকলে শরীর সুস্থ থাকবে না। শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দেবে।

    পুষ্টির অভাবে কোন রোগের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ পুষ্টির অভাব। বিশেষত মহিলারা তিরিশের পরেই হাড়ের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। হাঁটু কিংবা কোমরে যন্ত্রণা, দীর্ঘ সময় দাঁড়ানো কিংবা হাঁটাচলা করায় সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পুষ্টির অভাবেই এই সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শরীর পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম পাচ্ছে না। কারণ, দুধ, ডিম, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার অর্থাৎ লেবু, কিউইর মতো ফল অনেকেই নিয়মিত খান না। এর ফলে শরীরে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। তার থেকেই বাড়ে ভোগান্তি।

    ক্লান্তিবোধ অনেকের নিয়মিত কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে আয়রনের ঘাটতি অনেক সময় এই ক্লান্তিবোধের নেপথ্যে কাজ করে। প্রক্রিয়াজাত মুখরোচক মাছ-মাংসের পদ খেলে শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না। বরং নানান রোগের প্রকোপ বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তাতে আয়রনের চাহিদা মেটে। কিন্তু মাছ, মাংস, সোয়াবিনের মতো পদ হালকা মশলা, কম তেলে টাটকা রান্না করে খেলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটে। আয়রনের অভাব পূরণ হয়। আবার প্রোটিনের পাশপাশি নিয়মিত মোচা, ডুমুর, কাঁচকলার মতো সব্জি খাওয়া জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে‌। তাই এগুলো নিয়মিত খেলে শরীরে ক্লান্তি বোধ কমে।

    শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর ভিটামিনের অন্যতম মূল উৎস হল সব্জি! এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত শাক-সব্জি খায় না। আর এর ফলেই শ্বাসকষ্ট, চুল পড়া, দাঁতের সমস্যা এমনকি দৃষ্টিশক্তির সমস্যাও দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, টমেটো, লাউ, পালং শাক, পটল, ঢ্যাঁড়শ কিংবা উচ্ছের‌ মতো‌ সব্জি নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-র মতো একাধিক প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো নানান খনিজের চাহিদা ও পূরণ হয়। এই উপাদানগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। হৃদপিণ্ড থেকে কিডনি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সুস্থতার চাবিকাঠি। আবার মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে। সবমিলিয়ে নিয়মিত সবুজ সব্জি শরীর সুস্থ রাখতে পারে।

    তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে, পুষ্টি সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান খাবার থেকেই সহজে সংগ্রহ করা যায়। তাই প্রতিদিনের খাবার কতখানি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ, সে সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকলে সুস্থ জীবন যাপন সহজ হয়ে যাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Rajnath singh: ‘ভারতের আছে ভাসমান এফ-৩৫’, এক জোড়া স্টেলথ ফ্রিগেটের অন্তর্ভুক্তির দিনে আমেরিকাকে ‘খোঁচা’ রাজনাথের

    Rajnath singh: ‘ভারতের আছে ভাসমান এফ-৩৫’, এক জোড়া স্টেলথ ফ্রিগেটের অন্তর্ভুক্তির দিনে আমেরিকাকে ‘খোঁচা’ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আপনারা ভাসমান এফ-৩৫ তৈরি করে ফেলেছেন।’’ দেশে তৈরি ২ অত্যাধুনিক রণতরীর অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ঠিক এই ভাষাতেই আমেরিকাকে বিঁধলেন রাজনাথ সিং (Rajnath singh)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    মঙ্গলবার বিশাখাপত্তনমে নৌসেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদরে বাহিনীতে সরকারিভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভারতে তৈরি এক জোড়া অত্যাধুনিক ফ্রিগেট শ্রেণির স্টেলথ রণতরী ‘আইএনএস উদয়গিরি’ (INS Udaygiri) ও ‘আইএনএস হিমগিরি’ (INS Himgiri)। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath singh)। সেখানেই তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘‘এটি হল ভারত সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের সাফল্যের প্রতিফলন। দুটি ভিন্ন শিপইয়ার্ডে নির্মিত এই দুটি যুদ্ধজাহাজ এই প্রথমবার একই সময়ে কার্যকরী হল, যা জলপথে যুদ্ধ সরঞ্জামের আধুনিকীকরণের প্রতীক হয়ে উঠবে।’’ এদিন নিজের বক্তব্যে মার্কিন পঞ্চম প্রজন্মের ‘এফ-৩৫’ স্টেলথ যুদ্ধবিমানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে আমেরিকাকে হালকা খোঁচাও মারেন রাজনাথ (Rajnath singh)। বলেন, ‘‘আপনারা এফ-৩৫ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এলেন। একটা দেশের কাছে উড়ন্ত এফ-৩৫ আছে। আর আপনারা ভাসমান এফ-৩৫ তৈরি করে ফেলেছেন। সেটাও ভারতে তৈরি করা হয়েছে।’’ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, সম্পূর্ণভাবে ভারতেই তৈরি উদয়গিরি এবং হিমগিরিতে যে অস্ত্রশস্ত্র এবং সেন্সর আছে, তাতে দুটি রণতরীই ‘সমুদ্রের অপরাজেয় রক্ষাকর্তা’ হয়ে উঠবে।

    ‘উদয়গিরি’ ও ‘হিমগিরি’

    ‘আইএনএস উদয়গিরি’ ও ‘আইএনএস হিমগিরি’ (INS Udaygiri INS Himgiri) হল নৌসেনার প্রজেক্ট ১৭ আলফা (পি-১৭এ)-র অংশ। এই যুদ্ধ জাহাজগুলির অন্তর্ভুক্তির পর, ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। আইএনএস হিমগিরি তৈরি করেছে কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারস (জিআরসিই)। অন্যদিকে, আইএনএস উদয়গিরি তৈরি করেছে মুম্বইয়ের মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। যে সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে, তার ৭৫ শতাংশই দেশীয়। প্রায় ৬,৭০০ টন ওজনের ফ্রিগেটগুলি তাদের পূর্বসূরী শিবালিক-শ্রেণির ফ্রিগেটগুলির চেয়ে প্রায় পাঁচ শতাংশ বড়। আধুনিক ও ভবিষ্যৎ যুদ্ধকে মাথায় রেখে এই দুই রণতরীকে নির্মাণ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই দুই স্টেলথ ফ্রিগেটে মোতায়েন রয়েছে বহু দূরে আঘাত হানতে সক্ষম সুপারসনিক সারফেস-টু-সারফেস ব্রহ্মস মিসাইল সিস্টেম, মিডিয়াম-রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার বারাক-৮ মিসাইল সিস্টেম। রয়েছে রকেট লঞ্চার, টর্পিডো লঞ্চার, কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক ব্যবস্থা। এছাড়া, এই দুই রণতরীতে রয়েছে তিন ধরনের ক্লোজ-ইন ওয়েপন সিস্টেম যথা— ৭৬ এমএম এমআর (র‌্যাপিড ফায়ার) গান, ৩০ এমএম গান এবং ১২.৭ এমএম গান, যা এর মারণশক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দুটি ফ্রিগেট (INS Udaygiri INS Himgiri) ভারতীয় নৌসেনার ইস্টার্ন ফ্লিটে যুক্ত হবে। যা বঙ্গোপসাগর এবং ভারতীয় মহাসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক স্বার্থরক্ষার ক্ষেত্রে নৌসেনার হাত আরও মজবুত করবে।

  • Hair Fall Problem: বর্ষায় চুল নিয়ে দুর্ভোগ! এই সময়ে চুলের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই, কোনও রোগের ইঙ্গিত?

    Hair Fall Problem: বর্ষায় চুল নিয়ে দুর্ভোগ! এই সময়ে চুলের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই, কোনও রোগের ইঙ্গিত?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একনাগাড়ে বৃষ্টিতে নাজেহাল বঙ্গবাসী। জল যন্ত্রণা, নানান রোগের পাশপাশি অনেকেই চুলের সমস্যাতেও জেরবার। বর্ষায় চুল অতিরিক্ত ঝরে পড়ার (Monsoon Hair Treatment) সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। যাকে বলা হয় হেয়ার ফল প্রবলেম (Hairfall Problem)। আবার অনেকের মাথার চামড়ায় অতিরিক্ত চুলকানি হয়। লাল গোল দাগ হয়ে যায়। অতিরিক্ত চুল পড়া এবং এই ধরনের মস্তিষ্কের ত্বকের সমস্যার জেরে ভোগান্তি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষায় এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এই সমস্যা অন্য রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। সতর্ক না থাকলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে।

    কোনও রোগের ইঙ্গিত হতে পারে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চুলের যে কোনও সমস্যার (Hairfall Problem) প্রধান কারণ মস্তিষ্কের ত্বক। চুলের গোড়া আটকে আছে সেই ত্বকে। তাই সেখানে কোনো ধরনের সমস্যা হলেই চুলে তার প্রভাব পড়বে। চিকিৎসকদের ভাষায় মাথার ত্বকে রোগ হয়েছে কিনা সে বিষয়ে যাচাই করা দরকার। অর্থাৎ মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, কিংবা কোনো ধরনের অ্যালার্জি হয়েছে কিনা, সেটা পরীক্ষা জরুরি। বর্ষায় এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষায় ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কারণ একনাগাড়ে বৃষ্টিতে পরিবেশে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব তৈরি হয়। এই জন্য ছত্রাকের বংশবৃদ্ধি পায়। সক্রিয়তা ও বাড়ে। তাই এই সময়ে চুলের সমস্যাও বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষায় অনেকেই এই ধরনের ছত্রাক সংক্রমণে আক্রান্ত হন। শরীরের অন্যান্য অংশে না হলেও, চুলের ভিতরে অর্থাৎ মাথার ত্বকে সংক্রমণ হয়। তাই চুলের সমস্যা (Hairfall Problem) বাড়ে‌।

    কীভাবে সমাধান পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সবচেয়ে প্রথম উপায় হলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে ভাব থাকলেও শরীরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। অর্থাৎ নিয়মিত পরিষ্কার জলে স্নান জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের অন্যান্য অংশে পরিষ্কারের পাশপাশি নিয়মিত মাথার ত্বকও পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে কোনো রকম সংক্রমণ না হয়। মাথা পরিষ্কার জলে ধোয়ার পরে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। এতে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে (Hairfall Problem)।

    নিয়মিত অত্যাধিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত চুলে এবং মাথার ত্বকে একাধিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করেন (Monsoon Hair Treatment)। সাজসজ্জার অংশ হিসাবেই এই ব্যবহার হয়। কিন্তু মারাত্মক পরিমাণে নিয়মিত এই রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার মস্তিষ্কের ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকারক হয়ে উঠছে। এর ফলে শুষ্কতা বাড়ছে। এছাড়াও ত্বকে নানান রকমের অ্যালার্জি দেখা দিচ্ছে। মাথার ত্বকে বারবার ফুসকুড়ি দেখা দিলে, লাল গোল চাকা হয়ে উঠলে কিংবা চুলকানি বাড়লে অবহেলা করা উচিত নয়। বরং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ganesh Chaturthi 2025: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী, সিদ্ধিদাতার আরাধনায় জীবনে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি

    Ganesh Chaturthi 2025: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী, সিদ্ধিদাতার আরাধনায় জীবনে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিদ্ধিদাতা গণেশকে সঙ্কট মোচক বলা হয়। জীবনের সকল বাধা দূর করেন গণপতি বাপ্পা। আজ, বুধবার, ২৭ অগাস্ট গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi 2025)। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে দেশজুড়ে সাড়ম্বরে গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) উদযাপিত হয়। আজ সারা দেশে পালন করা হচ্ছে গণেশ চতুর্থী। এই দিনটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভক্তদের বিশ্বাস, গণেশের পুজো ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি নিয়ে আসে। অনেকেই সিদ্ধিদাতা গণপতির পুজো করে কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করেন। গণপতির কৃপায় বহু কষ্টই লাঘব হতে পারে বলে মনে করা হয়।

    চতুর্দশী তিথিতে বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এই উৎসব। আবির্ভাব দিবস থেকে বিসর্জন— মোট ১০ দিন গণেশ ভক্তরা পুজো, উপোস, প্রার্থনা, সঙ্গীত এবং নৃত্যের মধ্যে দিয়ে দিন নির্বাহ করেন। এই উৎসব অত্যন্ত পবিত্র। ভারতের জাতীয়তাবোধের উন্মেষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত গণেশ পুজো। পরাধীন ভারতে মহারাষ্ট্রে গণপতি উৎসব (Ganesh Chaturthi 2025) শুরু করেছিলেন লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক। হিন্দু জাতীয়তাবাদী উৎসব হিসেবে তা ব্যাপক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। বাল গঙ্গাধর তিলকের আগে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজও সপ্তদশ শতকে গণেশ উৎসব করেছিলেন।

    গণেশ চতুর্থীর শুভ সময়

    চতুর্থী তিথি শুরু: ২৬ অগাস্ট, মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিট থেকে
    চতুর্থীর তারিখ শেষ: ২৭ অগাস্ট, বুধবার দুপুর ৩টে ৪৪ মিনিটে
    গণেশ পুজোর মুহূর্ত: ২৭ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত
    গণেশ চতুর্থীর ব্রত পালন: ২৭ অগাস্ট

    গণেশ উৎসবের তাৎপর্য

    স্কন্দপূরাণ অনুযায়ী, শ্রী গণেশ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে। এদিনই মা পার্বতীর কোলে এসেছিল গণেশ। সমস্ত দেব-দেবীর মধ্যে গণেশ হলেন প্রথম পূজিত দেবতা। ভগবান শিব গণেশকে এই বর দিয়েছিলেন। যে কোনও শুভ কাজে এবং আচার-অনুষ্ঠানে প্রথমেই ভগবান গণেশের পুজো করা হয়। গণেশের পুজো করলে সমস্ত বাধা দূর হয়। তাই গণেশ চতুর্থী নামে জনপ্রিয়। এই দিনটি আবার বিনায়ক চতুর্থী নামেও পরিচিত। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী থেকে এই মাসের চতুর্দর্শী তিথি পর্যন্ত ভগবান গণেশ পৃথিবীতে ১০ দিন অবস্থান করেন। গণেশ চতুর্থীতে প্যান্ডেল এবং বাড়িতে গণেশ স্থাপন করা হয়। কথিত আছে যে এই দিনগুলিতে যে ব্যক্তি বাড়িতে বসে ভক্তি ভরে গণেশের পূজা করেন, তার জীবন থেকে মানসিক চাপ দূর হয়। সুখ ও সমৃদ্ধি আসে।

    গণেশ চতুর্থী পুজো-বিধি

    গণেশ চতুর্থীর দিন সকালে স্নান সেরে বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান। এরপর পুজো ও ব্রতর সঙ্কল্প নিন। এই দিনে শুভ সময়ে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভক্তদের তাদের ইচ্ছানুযায়ী গণপতির মূর্তি স্থাপন করা উচিত। এরপর গঙ্গাজল দিয়ে প্রতিমাকে অভিষেক করুন। এবার গণেশকে ফুল ও দূর্বা ঘাস অর্পণ করুন। দূর্বা ভগবান গণেশের খুব প্রিয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দূর্বা নিবেদন করলে ভগবান গণেশ প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন। ভগবান গণেশের পূজোর সময়, তাঁকে সিঁদুর লাগান এবং তাঁর প্রিয় ভোগ মোদক বা লাড্ডু নিবেদন করুন। পুজো শেষে আরতি করে তাঁকে প্রণাম করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। শেষে প্রসাদ বিতরণ করুন।

    কিন্তু গণপতির পুজোরও বহু নিয়ম আছে। পুজো করার জন্য সেই নিয়মগুলি ঠিক করে পালন করতে হয়। সেই নিয়মগুল পালন না করলে গণপতির কৃপা পাওয়া থেকে এত কিছুর পরেও বঞ্চিত থেকে যেতে পারেন কেউ কেউ। শাস্ত্র অনুসারে, দূর্বা ছাড়া গণপতির পুজো অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়। এছাড়াও, কথিত আছে যে সিদ্ধিদাতাকে দূর্বা নিবেদন করলে তিনি দ্রুত প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন।

    ভগবান গণেশকে দূর্বা ঘাস নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। দূর্বা ভগবান গণেশের প্রিয়। দূর্বা সবসময় জোড়ায় জোড়ায় নিবেদন করা হয়। এমন অবস্থায় দুটি দূর্বাকে যুক্ত করে একটি গিঁট তৈরি করা হয়। এমন অবস্থায় ২২টি দূর্বা যোগ করে ১১ জোড়া তৈরি করুন। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সিদ্ধিদাতাকে ৩ বা ৫ গাঁট দূর্বাও নিবেদন করা যেতে পারে।

    গণেশের পুজোয় কখনই তুলসী পাতা ব্যবহার করা উচিত নয়। পুজোর সময় শুধুমাত্র সাদা বা হলুদ কাপড় পরুন। কালো রঙের কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন। এদিন চাঁদ দেখা উচিত নয়। বিশ্বাস, চাঁদ দেখলে কলঙ্কের শিকার হতে হয়।

  • Weather Update: ১,২,৩… বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে মরসুমের নবম নিম্নচাপ, ফের দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টি-দুর্ভোগ

    Weather Update: ১,২,৩… বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে মরসুমের নবম নিম্নচাপ, ফের দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টি-দুর্ভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহবিদরা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, চলতি মরসুমে সাগরের ঢেউয়ের মতো, একটার পর একটা নিম্নচাপ ধেয়ে আসবে। সেই আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত করে বঙ্গোপসাগরে আরও একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পথে। তেমনটা হল, তা হবে মরসুমের ৯ নম্বর। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। এবারেরটা গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হয় কি না, সে দিকে নজর রয়েছে হাওয়া অফিসের। তবে, এর প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা-সংলগ্ন এলাকায় ফের শুরু হতে পারে বৃষ্টি-দুর্ভোগ (Rain Forecast)। এর সঙ্গেই, আরও একটি আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন আবহবিদরা। তাঁদের পূর্বাভাস, নবমেই শেষ হচ্ছে না নিম্নচাপের ধারা। সপ্তাহান্তে বা আগামী সপ্তাহের গোড়ায় তৈরি হবে দশম নিম্নচাপটি।

    কী বলছে হাওয়া অফিস?

    জানা যাচ্ছে, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এটির নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রভাব পড়বে বাংলা ও ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায়। অন্যদিকে, দিঘার উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়া মৌসুমী অক্ষরেখাটি এখনও সক্রিয় (Weather Update)। এই মুহূর্তে তা বঙ্গের উপর দিয়ে বিকানের, জয়পুর, বান্দা, রাঁচী এবং দিঘার উপর দিয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুইয়ের জেরে হবে বৃষ্টিপাত। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় থেকে বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যজুড়ে। সমুদ্র হয়ে উঠবে উত্তাল।

    কবে, কোথায় কেমন বৃষ্টিপাত?

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি (Rain Forecast) হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। ওই দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। শুক্রবার থেকে আবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ওইদিন বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

    দক্ষিণের পাশাপাশি, ঝড়বৃষ্টির (Rain Forecast) সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং আলিপুরদুয়ারে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। বুধবারও আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পংয়ে বৃষ্টি হবে (Weather Update)। বৃহস্পতিবার থেকে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ। শুক্রবার ফের ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়।

  • Heart Attack Among Women: শুধু পুরুষরা নন, মহিলারাও আক্রান্ত হচ্ছেন হৃদরোগে! কী বলছে নয়া গবেষণা?

    Heart Attack Among Women: শুধু পুরুষরা নন, মহিলারাও আক্রান্ত হচ্ছেন হৃদরোগে! কী বলছে নয়া গবেষণা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত কয়েক বছরে পুরুষদের পাশপাশি মহিলারাও হৃদরোগে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সতর্কতা আর সচেতনতা না বাড়ালে মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়বে। স্বাভাবিক সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সচেতনতা জরুরি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শোনা গেলেও, সবকিছু আচমকা হয় না। কয়েক সপ্তাহ ধরেই শরীর নানান ভাবে জানান দেয়। কিন্তু অসচেতনতার ফলে মানুষ এই ধরনের উপসর্গগুলোর গুরুত্ব বুঝতে পারেন না। বিশেষত ওই গবেষণায় চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের চল্লিশের পরে কয়েকটি লক্ষণ স্পষ্ট হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

    কেন চল্লিশের চৌকাঠ পেরনোর পরে মহিলাদের বাড়তি সতর্কতার নিদান?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের চল্লিশের পরে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরে অধিকাংশ মহিলার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। অর্থাৎ পোস্ট মেনোপজ শুরু হয়। এই সময়ে শরীরে হরমোনের একাধিক পরিবর্তন হয়। এর ফলে একাধিক শারীরিক সমস্যাও তৈরি হয়। তাই চল্লিশের পরে শরীর নিয়ে মহিলাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হরমোনের ভারসাম্য বদলে যাওয়ার কারণে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে মহিলাদের ওজন ওঠানামা করে। অধিকাংশ মহিলা স্থূলতার সমস্যায় ভোগেন। যার সঙ্গে কোলেস্টেরল, রক্তচাপের ওঠানামার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এগুলোর প্রভাব হৃদযন্ত্রের উপরে পড়ে। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। আবার এই বয়সে মহিলাদের শরীরে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজের চাহিদা ও অনেক সময় পূরণ হয় না। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মহিলাদের পোস্ট মেনোপজ পর্বে হরমোনের একাধিক পরিবর্তনের জেরে মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ে। এর ফলে মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। এগুলোও হৃদপিণ্ডের উপরে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই চল্লিশের পরে মহিলাদের হৃদরোগ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কোন লক্ষণ হার্ট অ্যাটাকের জানান দেয়?

    এক আন্তর্জাতিক সংস্থার সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রকাশিত এক রিপোর্টে অনুযায়ী, হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হলেও শরীর কয়েক সপ্তাহ ধরে জানান দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সেই ইঙ্গিত সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে মারাত্মক ভাবে বমি ভাব বেড়ে যায়। বিশেষত মহিলাদের ক্ষেত্রে এই লক্ষণ প্রবলভাবে দেখা যায়। কয়েকদিন ধরে লাগাতার বমি ভাব এবং মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা এড়িয়ে চলা উচিত নয়।

    অনেকেই হজমের গোলমাল ভেবে বিশেষ গুরুত্ব দেন না। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, চল্লিশোর্ধ্ব মহিলার লাগাতার এই বমি ভাব কিংবা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বারবার রক্তচাপ মেপে নেওয়া জরুরি। কারণ রক্তচাপ খুব বেশি ওঠানামা করলে এবং এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। মাথার পিছনে ঘাড় বরাবর যন্ত্রণা অনুভব করলে আগাম সতর্কতা জরুরি বলেই ওই গবেষণায় জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের আগে এই ধরনের যন্ত্রণা দেখা যায়। এই ব্যাপারেও সতর্ক হলে বড় বিপদ এড়ানো সহজ হবে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আরেকটি বড় লক্ষণ হলো মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব। এর জেরে হঠাৎ করেই জ্ঞান‌ হারানো কিংবা সাধারণ জিনিস ভুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হলেই মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। আর তার ফলেই জ্ঞান হারানো কিংবা স্মৃতির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • AMCA Jet Engines: ফরাসি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি, ভারতেই তৈরি হবে অ্যামকার জেট ইঞ্জিন, ঘোষণা রাজনাথের

    AMCA Jet Engines: ফরাসি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি, ভারতেই তৈরি হবে অ্যামকার জেট ইঞ্জিন, ঘোষণা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান ‘অ্যামকা’-র অত্যাধুনিক ইঞ্জিন নিয়ে বিরাট খবর দিলেন রাজনাথ সিং। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা, উচ্চ-ক্ষমতার ইঞ্জিন তৈরি করতে ফ্রান্সের সংস্থা সাফরান-এর সঙ্গে শীঘ্র চুক্তি হতে চলেছে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতিকে মাথায় রেখে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই তৈরি হবে এই ইঞ্জিন।

    সাফরান-ডিআরডিও গাঁটছড়া

    অনেক দিন ধরে দেশের মাটিতেই যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। বহু টালবাহানার পর অবশেষে অ্যামকার জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিন বাছাই করে ফেলল ভারত। শুধু তাই নয়, দেশেই সেই ইঞ্জিন বানানোর পথও প্রশস্ত করল ভারত। ফ্রান্সের সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে যৌথভাবে এদেশেই ওই ইঞ্জিন তৈরি করবে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও। জেট ইঞ্জিন তৈরির ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেতের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কাছে শীঘ্রই আবেদন জানাবে ডিআরডিও। দুই দেশের মধ্যে সরকারি স্তরেই এই ডিল হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

    ভারতেই হবে অ্যামকা, ভারতেই হবে ইঞ্জিন

    শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ‘ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরাম’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন রাজনাথ সিং। সেখানেই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে। রাজনাথ সিং ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘আজ, আমরা পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির দিকেও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা ভারতেই বিমানের ইঞ্জিন তৈরির দিকেও এগিয়েছি। ফরাসি সংস্থা সাফরানের সঙ্গে যৌথ ভাবে ভারতে ইঞ্জিন তৈরি করা হবে।’’ একইসঙ্গে, নিজের এক্স হ্যান্ডলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেখেন, ‘‘সাফরানের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে ডিআরডিও। ওই সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে আমরা হেলিকপ্টারের ইঞ্জিন তৈরি করেছি। দেশের মাটিতে অ্যামকার ইঞ্জিন বানানোর ব্যাপারেও ওই সংস্থার সঙ্গে কাজ করব।’’

    ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসে রাজনাথ সিং ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের অ্যামকার প্রথম প্রোটোটাইপকে অনুমোদন দেন। তিনি একে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। আর দুমাস পরই অ্যামকার জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিন বাছাই ও ভারতেই তার উৎপাদন নিশ্চিত করলেন তিনি। সূত্রের খবর, ১২০ কিলো-নিউটনের এই ইঞ্জিন তৈরির প্রযুক্তির ১০০ শতাংশ হস্তান্তর ভারতকে করবে ওই ফরাসি সংস্থা। এই চুক্তির আওতায় প্রায় ২৫০টি ইঞ্জিন তৈরি হবে, যার আনুমানিক খরচ ৬১ হাজার কোটি টাকা। এতে ভারতীয় প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হবে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও আধুনিকতা, যা দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে এক নতুন মাত্রা আনবে।

    রাফাল-ইঞ্জিনের নির্মাতাও সাফরান

    এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, রাফাল যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিনও তৈরি করে ফরাসি সংস্থা সাফরান। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশনের থেকে বায়ুসেনার জন্য ৩৬টি রাফাল ফাইটার জেট কিনেছে ভারত। সম্প্রতি কয়েক হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে নৌসেনার জন্য ২৬টি নতুন রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। পাশাপাশি, সাফরানের সঙ্গে যৌথভাবে অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার তৈরি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল। এ রকম ৪০০টি হেলিকল্টার সেনার বিভিন্ন বিভাগে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া, ১৩ টনের ভারী হেলিকপ্টারের জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিন যৌথভাবে তৈরি করছে এই দুই সংস্থা। এর জন্য ‘সাফহ্যাল’ নামে নতুন একটি সংস্থা তৈরি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে সেগুলি রুশ মি-১৭ হেলিকপ্টারের জায়গা নেবে। ২০২৭ সাল থেকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হতে শুরু করবে ওই সমস্ত হেলিকপ্টার।

    রাজনাথের গলায় ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘আমাদের মেক ইন ইন্ডিয়া কেবল ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যখন আপনি মেক ইন ইন্ডিয়া করবেন, তখন আপনি বিশ্বের জন্য তৈরি হবেন। ভারতের চিন্তাভাবনা উন্নয়ন এবং শান্তির দিকে পরিচালিত হয়। আমাদের জন্য, বিচ্ছিন্নভাবে উন্নয়ন যথেষ্ট নয়, বরং, সম্মিলিত উন্নয়ন আরও গুরুত্বপূর্ণ।’’ রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘‘আমি সমস্ত বিদেশি কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা উৎপাদনের খাতে বিনিয়োগ করার জন্য আবেদন জানাতে চাই। আমরা আপনাদের সমস্ত প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র প্রদান করব এবং হ্যান্ডহোল্ডিং সহায়তা প্রদান করব।’’

  • Monsoon Illness: বর্ষার অসুখ রুখতে দাওয়াই এই ফলগুলি! বলছেন বিশেষজ্ঞরা, আপনি খাচ্ছেন তো?

    Monsoon Illness: বর্ষার অসুখ রুখতে দাওয়াই এই ফলগুলি! বলছেন বিশেষজ্ঞরা, আপনি খাচ্ছেন তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বৃষ্টিতে নাজেহাল বঙ্গবাসী! জমা জল আর একনাগাড়ে বৃষ্টির পাশপাশি ভোগান্তি বাড়াচ্ছে অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকেই জ্বর, সর্দি-কাশি এবং পেটের সমস্যায় ভোগান্তি নিয়ে রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষত শিশুদের ভোগান্তি বেশি। জ্বর, সর্দি-কাশির পাশপাশি বমি, পেট ব্যথার মতো নানান উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এর ফলে তাদের শারীরিক ভোগান্তি বাড়ছে। পড়াশোনাও ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লাগাতার বৃষ্টির জেরে বাতাসে নানান ভাইরাসের দাপট বেড়েছে। তেমনি জমা জল থেকে নানান ব্যাক্টেরিয়া এবং ছত্রাক শক্তি বাড়াচ্ছে। আর এর ফলেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ভোগান্তি বাড়ছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি তুলনামূলক কম। তাই তাদের নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, বর্ষার অসুখকে মোকাবিলা করতে পারে বর্ষার মরশুমের ফল! তাঁরা জানাচ্ছেন, খাবারেই রয়েছে সুস্থ থাকার দাওয়াই। একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে খাবার। তাই বর্ষার কয়েকটি ফল নিয়মিত মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বর্ষার মরশুমের কোন ফলে ভরসা রাখছেন চিকিৎসক মহল?

    আনারস!

    বর্ষা মরশুমের অন্যতম ফল আনারস। চিকিৎসকেরা এই সময়ে আনারস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, আনারস শুধু স্বাদে নয়, স্বাস্থ্যগুণেও ফুল মার্কস পাবে। তাই বর্ষার নানান অসুখের ভোগান্তি কমাতে আনারস খাওয়ার নিদান বিশেষজ্ঞ মহলের। তাঁরা জানাচ্ছেন, আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বর্ষায় সর্দি-কাশি সবচেয়ে বড় ভোগান্তি। তার থেকেই জ্বর হয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল হওয়ায় এই ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। আবার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়াতে সাহায্য করে। তাই এই ফল খেলে অসুখের ঝুঁকি কমে। এছাড়া আনারসে ব্রোমেলিন নামে একটি উপাদান থাকে। বর্ষার আরেক অসুখ হল পেটের সমস্যা। এই আবহাওয়ায় যেহেতু ব্যাক্টেরিয়া আর ছত্রাকের বাড়বাড়ন্ত হয়, তাই পেটের সমস্যায় অনেকেই কাবু হন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারসের এই ব্রোমেলিন উপাদান পেটের অসুখ কমাতে সাহায্য করে। আবার হজম শক্তিও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও আনারস ম্যাঙ্গানিজ এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। তাই এই ফল খেলে হাড়ের রোগের ঝুঁকিও কমে।

    মুসাম্বি লেবু!

    বর্ষার সময়ে বাজারে দেদার পাওয়া যায় মুসাম্বি লেবু। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার ভোগান্তি কমাতে এই ফলের উপকারিতা প্রচুর। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফল সপ্তাহে অন্তত তিন দিন খাওয়া উচিত। এই ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আবার বর্ষায় বহু মানুষ চামড়ার রোগে আক্রান্ত হন। ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া কিংবা যে কোনও ছত্রাকের সংক্রমণের মতো সমস্যাও এই ঋতুতে দেখা যায়। নিয়মিত মুসাম্বি লেবু খেলে ত্বক ভালো থাকে। ত্বক উজ্জ্বল হয়। আর যে কোনও চর্মরোগের ঝুঁকি কমে। পাশপাশি এই সময়ে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মুসাম্বি লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এই উপাদান হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া টানা বর্ষায় অনেকেই মানসিক অবসাদে ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মুসাম্বী লেবু মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। মুসাম্বি লেবুর গন্ধ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আবার ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফল খেলে হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকিও কমে। দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে।

    বেরি!

    বর্ষার বিপত্তির পাশপাশি একাধিক জীবন যাপন সংক্রান্ত রোগ মোকাবিলার দাওয়াই হিসাবেও বেরিতে ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফল নিয়মিত খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি কোষগুলো সজীব থাকে। এর ফলে যে কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে। তবে এর পাশপাশি সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বেরি নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ও বেরি বিশেষ উপকারি। তাছাড়া বেরি স্নায়ু ও কোষের উপরে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে তাই মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও বাড়ে। শরীরে ক্লান্তি বোধ হয় না। তাই এই আবহাওয়ায় নিজেকে সক্রিয় রাখতে ও দৈনন্দিন কাজ ঠিকমতো করতে নিয়মিত বেরি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    পেয়ারা!

    বাঙালির অতি পরিচিত ফল পেয়ারা। আর এই ফলেই রয়েছে একাধিক ভোগান্তি রুখতে পারার শক্তি। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এই ফল নিয়মিত খেলে একাধিক রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেয়ারা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফল নিয়মিত খেলে হজম শক্তি বাড়ে। লিভার ভালো থাকে। পেয়ারা শরীরকে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ থেকে আটকে রাখতে পারে। তাই নিয়মিত একটা পেয়ারা খেলে শরীরের স্থূলতার সমস্যা কমতে থাকে। পেয়ারায় থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। তাই ঋতুকালীন ভোগান্তি কমানোর পাশপাশি পেয়ারা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়‌। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে ও সাহায্য করে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share