Author: Susanta Das

  • Defence Acquisition: একদিনেই ৬১ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন কেন্দ্রের, তালিকায় কী কী?

    Defence Acquisition: একদিনেই ৬১ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন কেন্দ্রের, তালিকায় কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র কেনার (Defence Acquisition) বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার (Modi Government)। বৃহস্পতিবার একদিকে, ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা ডিএসি (DAC) ৫৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের আটটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে যার মধ্যে রয়েছে— সেনাবাহিনীর অন্যতম ভরসা টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্কের জন্য আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন, নৌবাহিনীর জন্য অ্যান্টি-সাবমেরিন টর্পিডো (Anti-Submarine Torpedo) এবং বায়ুসেনার জন্য এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফট সিস্টেম। এর আগে, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস (CCS) প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ভারতে তৈরি অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম কেনার বিষয়ে অনুমোদন দেয়।

    দেশের তিন সীমার সুরক্ষা বৃদ্ধিতে বিরাট পদক্ষেপ

    জল-স্থল-আকাশ, দেশের তিন সীমার সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে বিরাট পদক্ষেপ করল মোদি সরকার (Modi Government)। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition) বৃহস্পতিবার এক বারেই বিপুল সামরিক সরঞ্জাম এবং অস্ত্র কেনার অনুমোদন দেয়। সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছে স্থলসেনার অন্যতম ভরসা টি-৯০ (T-90 Tank) যুদ্ধট্যাঙ্কের জন্য আরও উন্নত ইঞ্জিন। বর্তমানে এই ট্যাঙ্কে ব্যবহার করা হয় ১০০০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিন। মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার এই ট্যাঙ্কে আরও শক্তিশালী ১৩৫০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিন বসানো হবে। এই নতুন ইঞ্জিন কেনার জন্য এদিন ‘অ্যাকসেপট্যান্স অফ নেসেসিটি’ (এওএন) বা প্রয়োজনীয়তার গ্রহণযোগ্যতা প্রদান করে প্রতিরক্ষা ক্রয় পরিষদ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন উন্নত ইঞ্জিনের ফলে, ট্যাঙ্কটির শক্তি বনাম ওজনের অনুপাত ভালো হবে। এর ফলে, দুর্গম অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে এই ট্যাঙ্কগুলির গতিশীলতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    বিপুল সংখ্যায় বরুণাস্ত্র টর্পিডো কিনবে নৌসেনা

    একইভাবে, ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য দেশীয়ভাবে তৈরি বরুণাস্ত্র টর্পিডো (Varunastra) কেনার জন্য অনুমোদন (Defence Acquisition) দিয়েছে কাউন্সিল। দেশীয় সংস্থা নেভাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ল্যাবরেটরি নির্মিত জাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল সংখ্যায় কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এর ফলে, দেশের জলসীমা আরও নিরাপদ হবে। আবার, আকাশসীমার নিরাপত্তায় ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (AEW&C) এয়ারক্রাফট সিস্টেম কেনার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে ডিএসি। এর ফলে, বায়ুসেনার সক্ষমতা ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে, যা বিভিন্ন সমরাস্ত্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে যুদ্ধের সম্পূর্ণ পট-পরিবর্তন করতে সক্ষম।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রতীক ‘এটিএজিএস’

    রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একদিকে ৫৪ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা কেনায় অনুমোদন (Defence Acquisition) দেওয়ার আগে, একই দিনে ৭ হাজার কোটি টাকার দেশে তৈরি ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর (Atmanirbhar Bharat) প্রতীক ১৫৫ মিমি অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) অধিগ্রহণের অনুমোদন দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটি। সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে নির্মিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চ মারণশক্তির এই আর্টিলারি গান (কামান) ভারতীয় সেনাবাহিনীর কার্যকরী ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত। ৫২ ক্যালিবার ব্যারেল সমন্বিত এটিএজিএসের পাল্লা ৪০ কিমি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সেনায় এর অন্তর্ভুক্তি যুদ্ধে গেমচেঞ্জার হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বর্তমানে সেনায় যে সমস্ত ১০৫ মিমি এবং ১৩০ মিমি আর্টিলারি গান রয়েছে, সেগুলিকে দ্রুত প্রতিস্থাপন করে এই নতুন শক্তিশালী, উন্নত এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আর্টিলারি গান মোতায়েন করা হবে। বিশেষ করে, দেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে এটির মোতায়েন ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং শক্তি বৃদ্ধি করে উল্লেখযোগ্য কৌশলগত সুবিধা প্রদান করবে।

    সময়ের অপচয় রুখতে নির্দেশিকা জারি…

    ২০২৫ সালকে ‘সংস্কারের বছর’ হিসাবে উদযাপন করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। যে কারণে, সামরিক কেনাকাটাকে (Defence Acquisition) আরও ত্বরাণ্বিত করার ওপর জোর দিচ্ছে মোদি সরকার (Modi Government)। সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে যাতে সময়ের অপচয় না হয় এবং বিষয়টি যাতে দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি গাইডলাইনও অনুমোদন করেছে রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা পরিষদ। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, মোদি সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর (Atmanirbhar Bharat) লক্ষ্যকে মাথায় রেখে বিপুল পরিমাণ দেশীয় সামরিক সরঞ্জাম কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সরকারের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনাথ সিং প্রকাশ করেছেন যে, ২০২৩-২৪ সালে প্রতিরক্ষা উত্পাদন ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার রেকর্ড সংখ্যা ছুঁয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে তা আরও অতিক্রম করে মধ্যে ১.৬০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা রফতানি (India Defence Exports), যা ২১ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড সংখ্যা ছুঁয়েছিল ওই একই সময়ে, এবার তা বেড়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

  • Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচগুলি রফতানি করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। বগি পাঠানো হচ্ছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং সৌদি আরবে। এই সব ঘটনা বিশ্বব্যাপী দেশের রেলওয়ের (Indian Railways) ক্রমবর্ধমান উন্নতির প্রতিফলন ঘটায়।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মন্ত্রীর দাবি (Indian Railways)

    সোমবার রাজ্যসভায় তিনি (Metro Coaches) জানান, ভারত ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও ইতালির মতো একাধিক ইউরোপীয় দেশকে প্রপালশন সিস্টেম এবং বগি বা আন্ডারফ্রেমের মতো অন্যান্য রেল সরঞ্জাম সরবরাহ করছে। রেলওয়ে বাজেটের ওপর আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, “আজ, আমাদের দেশ থেকে মেট্রো কোচ অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ এবং কোচের নীচের যান্ত্রিক কাঠামো, যাকে বগি বা আন্ডারফ্রেম বলা হয়, ব্রিটেন, সৌদি আরব, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, প্রোপালশন সিস্টেম এখন ফ্রান্স, মেক্সিকো, রোমানিয়া, স্পেন, জার্মানি এবং ইতালিতে রফতানি করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

    চাহিদা লোকোমোটিভেরও!

    তিনি বলেন, “ভারতে তৈরি লোকোমোটিভ এবং যাত্রিবাহী কোচগুলি মোজাম্বিক, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় রফতানি করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই বিহারের মারহাওড়া কারখানা ১০০টিরও বেশি লোকোমোটিভ রফতানি করবে। এছাড়াও, তামিলনাড়ু থেকে (Indian Railways) চাকা রফতানি করা হবে।” অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিহারে যে কারখানার কথা ঘোষণা করেছিলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেটা গতি লাভ করে। তিনি বলেন, “ভারতীয় রেল কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে যাত্রীদের নিরাপদ ও মানসম্পন্ন পরিষেবা দিচ্ছে না, বরং বিশ্বব্যাপী একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ও তৈরি করছে।”

    ভারত রেল যাত্রীদের আরও বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, ট্রেনে প্রতি কিলোমিটার ভ্রমণের খরচ পড়ে ১.৩৮ টাকা। কিন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় মাত্র ৭৩ পয়সা। অর্থাৎ ভর্তুকি দেওয়া হয় ৪৭ শতাংশ। তিনি জানান (Metro Coaches), ভারতীয় রেল ২০২০ সাল থেকে ন্যায্য মূল্য বৃদ্ধি করেনি (Indian Railways)।

  • Recruitment Case: দিলেন গোপন জবানবন্দি, এবার রাজসাক্ষী হতে চান পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য

    Recruitment Case: দিলেন গোপন জবানবন্দি, এবার রাজসাক্ষী হতে চান পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিপদ বাড়াতে চলেছেন তাঁরই জামাই! নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (Recruitment Case) তিনি আগেই জবানবন্দি দিয়েছেন। এবার রাজসাক্ষী হচ্ছেন পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। এই মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় তিনিও ছিলেন। তবে রাজসাক্ষী হলে তিনি আর অভিযুক্ত থাকবেন না।

    অতিরিক্ত চার্জশিট (Recruitment Case)

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় পঞ্চম অতিরিক্ত চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে ইডি। কীভাবে, কোন সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক তছরুপ হয়েছে, ওই চার্জশিটে তা উল্লেখ করা হয়। এই অতিরিক্ত চার্জশিটে অভিযুক্ত করা হয় কল্যাণময়কেও। আমেরিকা প্রবাসী কল্যাণময় বর্তমানে কলকাতায়। ইডি সূত্রে খবর, পার্থর জামাইকে একাধিকবার জেরা করে জানা গিয়েছে, নানা সময়ে বিভিন্ন লোকজনকে নগদে টাকা দিতেন পার্থ। সেই টাকাই ফিরে আসত পার্থর স্ত্রী বাবলির নামে তৈরি বাবলি চ্যাটার্জি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট-এ। এভাবেই ওই ট্রাস্ট হয়ে উঠেছিল দুর্নীতির আখড়া। অন্তত নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতেই এমন দাবি করা হয়েছে।

    কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হল

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আরও দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা পার্থর প্রয়াত স্ত্রীর নামে (Recruitment Case) তৈরি ট্রাস্ট এবং কল্যাণময়ের নানা সংস্থার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছিল। কল্যাণময় ও তাঁর সংস্থার নামে অভিযোগও দায়ের হয়। সম্প্রতি আইনজীবী মারফত পার্থর জামাই আবেদন করেছিলেন, গোপন জবানবন্দির মাধ্যমে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তিনি আদালতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করতে চান। বিচারক তাঁর ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। এর পরেই তিনি কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতকে দ্রুত কল্যাণময়ের গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেন।

    কিছুদিন আগেই পার্থর জামাই আবেদন করেছিলেন প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজসাক্ষী হতে চেয়ে। পরবর্তীতে তা মঞ্জুর হয় ব্যাংকশালে ইডির বিশেষ আদালতে। জানা যায়, নিজের অপরাধ মার্জনা করার আবেদনও জানান কল্যাণময়। এর পরেই ইডির বিশেষ আদালতে বিচারক জানান, কল্যাণময় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন। তাঁর আবেদন অনুযায়ী, আদালত নির্দেশ দেয়, তিনি নগর ও দায়রা আদালতে ২০ নম্বর জুজিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেবেন (Partha Chatterjee)। সেই নির্দেশ মোতাবেক মঙ্গলবার গোপন জবানবন্দি দেন কল্যাণময় (Recruitment Case)।

  • Maoists Surrender: সরকারি নীতিতেই মিলল সাফল্য! ছত্তিশগড়ে ফের আত্মসমর্পণ এক ঝাঁক মাওবাদীর

    Maoists Surrender: সরকারি নীতিতেই মিলল সাফল্য! ছত্তিশগড়ে ফের আত্মসমর্পণ এক ঝাঁক মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার সাফল্যের মুখ দেখল ‘মাও-দমন অভিযান’। তবে এবার আর অভিযান চালানো হয়নি। তার আগেই আত্মসমর্পণ করলেন ১৯ জন মাওবাদী (Maoists Surrender)। ১৭ মার্চ ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় ঘটে আত্মসর্পণের এই ঘটনা। এদিন যাঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁদের সম্মিলিত পুরস্কার মূল্য ছিল ২৯ লাখ টাকা। জানা গিয়েছে, পুলিশ ও সেন্ট্রাল রিজার্ভের কর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ওই মাওবাদীরা।

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী (Maoists Surrender)

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের মধ্যে কয়েকজন এসিএম, পিপিসিএমের সদস্য হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। অন্যরা পিপল লিবারেশন গেরিলা আর্মি এবং নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতির অধীনে তাদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে। এর আগে ১৩ মার্চ বিজাপুর জেলায়ই ১৭ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তারই কয়েকদিন পর ফের ঘটল আত্মসমর্পণের ঘটনা (Maoists Surrender)। আত্মসমর্পণকারীদের মাথার সম্মিলিত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল ৪০ লাখ টাকা।

    প্রসঙ্গত, রবিবার তেলঙ্গনায়ও আত্মসমর্পণ করেছেন ৬০ জনেরও বেশি মাওবাদী। এঁদের মধ্যে ছত্তিশগড়ের এসিএম পদমর্যাদার এক মাওবাদীও ছিলেন। ১২ মার্চ ছত্তিশগড়ের বর্তমান রাজ্য সরকার মূলধারায় যোগদানকারীদের জন্য একটি নতুন আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করার পর থেকেই সমাজের মূলস্রোতে ফিরতে দলে দলে আত্মসমর্পণ করছেন মাওবাদীরা।

    আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি সাহায্য

    নয়া নীতির মাধ্যমে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের আর্থিক সহায়তা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে রাজ্য সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে, যারা হিংসার পথ ত্যাগ করছে, তারা মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন করতে পারে। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মাও মাওবাদীদের কাছে অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “মাওবাদীদের কাছে আমাদের আবেদন হল, তারা যেন অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে।”

    উল্লেখ্য, ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) সাম্প্রতিক সময়ে মাওবাদী ক্যাডারদের আত্মসমর্পণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অস্ত্র সমর্পণ করেছেন বহু উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা (Maoists Surrender)।

  • China: এবার চিনের মুখে ভারতের নাম, বেজিংয়ের মুখে মোদি-প্রশস্তি

    China: এবার চিনের মুখে ভারতের নাম, বেজিংয়ের মুখে মোদি-প্রশস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূতের মুখে রাম নাম নয়, বরং পড়ুন, চিনের (China) মুখে ভারতের নাম! এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের শি জিনপিং সরকার। আমেরিকা সফরে গিয়ে লেক্স ফ্রিডম্যানের পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সাক্ষাৎকারে ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সেই মন্তব্যের প্রশংসা করল চিন।

    হাতি ও ড্রাগনের সহযোগিতামূলক (China)

    এনিয়ে ফের একবার ‘হাতি ও ড্রাগনের সহযোগিতামূলক নৃত্যে’র প্রসঙ্গ তুলে আনল বেজিং। রাখঢাক না করেই চিনের স্পষ্ট বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদির বয়ান বাস্তববাদী। ভারত চিন সম্পর্ক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, “আমার দেশ মোদির এই বিবৃতি শুনেছে এবং তারা এর প্রশংসা করছে।”

    ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক

    এর আগে লেক্স ফ্রিডম্যানের পডকাস্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “প্রতিযোগিতা দ্বন্দ্বে পরিণত হওয়া উচিত নয় এবং মতপার্থক্যকেও বিরোধে পরিণত করা উচিত নয়।” এই আবহে মাও বলেন, “অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের মধ্যের সফল বৈঠক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিক নির্দেশনা দিয়েছে।”

    চিনের প্রশস্তি

    ফ্রিডম্যানকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পাকিস্তানকে তুলোধনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এরই পাশাপাশি ভারতের অপর প্রতিবেশী চিনকে (China) নিয়ে তাঁর সুর ছিল নরম। ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘পরিবারে’র উদাহরণ টেনেছিলেন। সীমান্ত নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের যে বিবাদ রয়েছে এবং গত কয়েক বছর ধরে যে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরেছে, তা মেনে নিয়েছেন মোদি। তবে তিনি এও জানিয়েছিলেন, ধীরে ধীরে চিন ও বেজিংয়ের সম্পর্ক ভালো হচ্ছে।

    ভারত-চিন সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যাতে বিবাদে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।” মোদি জানান, গালওয়ান পূর্ববর্তী সমীকরণেই চিনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস দুই দেশের মধ্যে ফের আস্থা ফিরবে।” ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আমার বৈঠকের পরে সীমান্তে (China) স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে দেখছি (PM Modi)।”

LinkedIn
Share