Author: user

  • Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) ও তাদের শাখা সংগঠনগুলিকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য নিষিদ্ধ হল বাংলাদেশের এই বিতর্কিত সংগঠন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা বিজ্ঞপ্তি এই তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮(১) ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি, তাঁদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির এবং অন্যান্য শাখা সংগঠনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নিষিদ্ধ হল জামাত (Jamat-e-Islami)

    প্রসঙ্গত ২০১২ সাল থেকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার চলাকালীন সময় থেকে জামাত শিবিরকে (Jamat-e-Islami) নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের নেতা-মন্ত্রীরা বহুবার দলটিকে নিষিদ্ধ করার কথা বললেও ১২ বছরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে (Bangladesh) কোটা সংস্কার আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার পর সরকারের চোখ খুলল। জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কড়া ধাক্কা দিল সরকার। সরকারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে জামাত শিবির দেশজুড়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক বৈঠকে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামি লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে যেভাবে দেশজুড়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে জামাত, তার জন্য ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) এবং তাদের সমত শাখা সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল।

    দুই বার নিষিদ্ধ হল জামাত

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারায় সন্ত্রাসী কাজের সংজ্ঞা ঘোষিত আছে। এই ধারায় সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। মূলত রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সংহতি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার কর্মকাণ্ড সম্পাদন করলে এই ধারায় ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা কোনও দলের বিচার করা হয়। বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক, দাহ্য ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এই ধারা বাংলাদেশে প্রয়োগ হয়। প্রসঙ্গত ১৯৭২ সালেও সংবিধানের ৩৮ ধারা প্রয়োগ করে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে এই (Jamat-e-Islami) সংগঠনের বিরুদ্ধে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংগঠিত গণহত্যা, যুদ্ধ, মানবতা বিরোধী অপরাধে দায়ী হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল এই সংগঠনকে।

    আরও পড়ূন: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করায় জামাত-ই-ইসলামিকে ১৯৭২ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারের কারণে। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে জামাত রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hamas: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    Hamas: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি তেহরানে নিজের বাড়িতে গুপ্তঘাতকের হাতে প্রাণ দেয় গাজার জঙ্গি সংগঠন, হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়ে। তেহরানে বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়েছে হামাস (Hamas) প্রধানকে। বিবৃতি দিয়ে এমন দাবি করল স্বাধীনতাপন্থী প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। শুধু তিনি একা নন, তাঁর দেহরক্ষীকেও গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডও বুধবার সকালে হানিয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। 

    সিমির লক্ষ্য 

    স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (সিমি) মূলত জামাত-ই-ইসলামি হিন্দের (JIH) ছাত্র শাখা, যেটি ১৯৮১ সালে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের নেতা ইয়াসির আরাফাতের ভারত সফর নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে মূল সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে হামাস (Hamas) এবং সিমির যৌথ লক্ষ্য ভারতে (India) একটি ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরি করা। সিমি ভারতের প্রেক্ষাপটে ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের উপর বিশেষ জোর দেয়। তারা মনে করত যে, দেশে সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও, মুসলমানদের শরিয়ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করা উচিত, কারণ তা করতে ব্যর্থ হলে তাদের নরকে ঠাঁই হবে। 

    আরও পড়ুন: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    সিমির আর্থিক উৎস 

    উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীর সহ একাধিক রাজ্যে ঘাঁটি সহ উপস্থিত ছিল সিমি। জামাত বাংলাদেশের ছাত্র শাখা ইসলামি ছাত্র শিবির (আইসিএস) এবং সৌদি আরবের জামাইয়াতুল আনসার (জেএ) উভয়ের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছিল সিমি। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় মুসলমানদের পরামর্শদাতা কমিটি, কুয়েতে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফেডারেশন অফ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনস এবং রিয়াধে মুসলিম যুবদের বিশ্ব সমাবেশকে অর্থের অন্যান্য উৎস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সিমি সদস্যরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (পিএফআই) এর মতো দলে যোগ দিয়েছিল। এরপর সিমির পুনর্গঠনের বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও অনেকেই সিমিতে যোগদানে অনুপস্থিত ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lung cancer: কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে ফুসফুসের ক্যান্সার! নেপথ্যে কি সেই ধূমপান?

    Lung cancer: কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে ফুসফুসের ক্যান্সার! নেপথ্যে কি সেই ধূমপান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ফুসফুসের ক্যান্সার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের রোগ (Lung cancer) বাড়ছে‌। বিভিন্ন সংক্রমণের জেরে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমছে। আর তার ফলে আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছে শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। পরিবেশে দূষণের জেরে বাড়ছে নানান ভাইরাসের দাপট। আবার লাগামহীন বায়ুদূষণ বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়াচ্ছে। ফুসফুসের অসুখের সেটাও আরেকটা কারণ। তবে এর পাশপাশি জীবন যাপনের ধরন ক্যান্সার আক্রান্ত বাড়ার অন্যতম কারণ বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল। ১ অগাস্ট ওয়ার্ল্ড লাং ক্যান্সার ডে! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লাগাতার সচেতনতা কমাতে পারে ক্যান্সারের প্রকোপ। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য জরুরি সতর্কতা।

    ভারতে ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রকোপ কতখানি? (Lung cancer)

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বাড়ছে ক্যান্সারের দাপট। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-র তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রকোপ প্রতি বছর বাড়ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারের দাপট বেশি। তবে বাদ নেই মহিলারাও। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত দু’বছরে মহারাষ্ট্র, কেরল, মিজোরামের মতো রাজ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়েছে। আবার, দেশ জুড়ে দেখা গিয়েছে, ৯০ শতাংশ নতুন ভাবে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী ক্যান্সারের তৃতীয় পর্যায়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন। ফলে, চিকিৎসা শুরু করতেই অনেকটা দেরি হয়ে যাচ্ছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মুখ ও গলার ক্যান্সারের পরেই দেখা যাচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সারের জেরে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। ভারতীয় মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্যান্সার আক্রান্তের নিরিখে স্তন ক্যান্সার এবং জরায়ুর ক্যান্সারের পরেই ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে। দেশ জুড়ে ফুসফুসের ক্যান্সার আক্রান্ত উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল।

    ফুসফুসের ক্যান্সার বৃদ্ধির নেপথ্যে কি ধূমপান?

    ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মোট ফুসফুসের ক্যান্সার আক্রান্তের ২০ শতাংশ রোগী দেখা গিয়েছে, ধূমপান (Smoking) করেন না। কিন্তু ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, রোগী দীর্ঘদিন ধূমপানে অভ্যস্ত। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ধূমপানের অভ্যাস বাড়াচ্ছে ফুসফুসের বিপদ(Lung cancer)। সিগারেট কিংবা বিড়ির ক্রনিক পালমোনারি ডিজিজ, হাঁপানি সহ একাধিক ফুসফুসের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তেমনি এই তামাক সেবনের অভ্যাস ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব বয়স থেকেই অনেকেই এখন ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারাও ধূমপান করছে। এমনকী শহরের বিভিন্ন নামী রেস্তোরাঁয় নানান রকমের ধূমপানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনেকেই সেখানে ধূমপান করছেন।‌ আবার যাঁরা সরাসরি ধূমপান করেন না, কিন্তু আশপাশের মানুষ করছেন, তাঁরাও কিন্তু ধূমপানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাঁদের শরীরে পরোক্ষভাবে তামাকের ধোঁয়া প্রবেশ করছে। ফলে তাঁদের ফুসফুস ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Lung cancer)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, লাগাতার সচেতনতা জরুরি। স্কুল পর্যায় থেকেই ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। ইন্টারনেটের যুগে স্কুল পড়ুয়ারা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে। তাই স্কুল থেকেই শুরু হোক কর্মশালা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ধূমপান ক্ষতিকারক। এই ধরনের অভ্যাস থাকলে পড়ুয়ারা ‘কুল’ হবে না। বরং তাদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করবে। আর সেই ক্ষতি কতখানি ভয়ানক হতে পারে, সে সম্পর্কে সতর্ক করা জরুরি। এই সচেতনতার হার বাড়াতে পারলে ধূমপানের অভ্যাস কমবে। আবার রেস্তোরাঁ বা বিভিন্ন হোটেলে যে অবাধে নানান রকম ধূমপানের সুযোগ থাকে, সেটাও বন্ধ করা জরুরি। সে ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    তবে, এই সবের পাশাপাশি মাস্ক পরে বাইরে যাওয়ার অভ্যাস‌ থাকা দরকার। চিকিৎসকদের মতে, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়ছে। নানান দূষিত উপাদানও বাড়ছে। ফুসফুস সুস্থ রাখতে মাস্ক কিছুটা সাহায্য করবে (Smoking)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকেছিল একজন গুন্ডা!’ স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকেছিল একজন গুন্ডা!’ স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার আপ সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল নিগ্রহকাণ্ডে (Swati Maliwal Assault Case) অভিযুক্ত বিভব কুমারকে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সহযোগী বিভব কুমারের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। মামলায় নোট নেওয়ার সময় আদালত জানিয়েছে, তারা ‘শকড’। বিভবকে ‘গুন্ডা’ বলেও অভিহিত করেছে শীর্ষ আদালত। বলেছে, একজন গুন্ডা বাসভবনে প্রবেশ করেছিল এবং মালিওয়ালকে আক্রমণ করেছিল।

    বিভবকে তিরস্কার (Supreme Court)

    স্বাতী মালিওয়াল মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চে। এই বিচারপতিরা হলেন সূর্য কান্ত, দীপঙ্কর দত্ত এবং উজ্জ্বল ভুঁইয়া। এদিন আদালতে শুনানি হচ্ছিল বিভবের জামিনের। সম্প্রতি তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তার পরেই বিভব দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের। সেখানে তিরস্কার জোটে বিভবের ভাগ্যে।

    কী বলল আদালত?

    বেঞ্চ বলে, বিভবকে তাঁর ওপর নিগ্রহ বন্ধ করতে অনুরোধ করেছিলেন মালিওয়াল। তার পরেও অব্যাহত ছিল আক্রমণ। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) বলে, ‘‘তিনি নিজেকে কী ভাবেন? তাঁর মাথায় কী ক্ষমতা রয়েছে? দেখে মনে হচ্ছে যেন একটা গুন্ডা প্রাঙ্গণে ঢুকেছে। বিভব কুমারের কি লজ্জা আছে? স্বাতী মালিওয়াল একজন তরুণী।’’ আদালত বলে, ‘‘আপনি প্রাক্তন সচিব ছিলেন। ভিক্টিমের যদি সেখানে থাকার কোনও অধিকার না থাকে, তাহলে তো আপনারও সেখানে থাকার কোনও অধিকার ছিল না। আপনার কি মনে হয়, ওই ঘরে উপস্থিত কারওরই বিভবের বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস ছিল?’’

    আরও পড়ুন: এসসি-এসটির মধ্যে আলাদা উপশ্রেণি সংরক্ষণ করা যাবে, বড় রায় শীর্ষ আদালতের

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৩ মে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে ঢুকতে গিয়ে আক্রান্ত হন দলীয় সাংসদ স্বাতী। সেই সময় তিনি রজঃস্বলা ছিলেন বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় বিভবকে। আদালতের প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রীর বাংলো কি ব্যক্তিগত কোনও রেসিডেন্স? সেই অফিসে কি এই রকম গুন্ডা রাখা প্রয়োজন (Swati Maliwal Assault Case)? এটাই কি পন্থা? আমরা শকড। প্রশ্ন হল, কীভাবে এটা ঘটল (Supreme Court)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Durga Puja Donation: দুর্গাপুজোয় দরাজহস্ত মমতা, কিন্তু টাকা আসবে কোথা থেকে? মামলা হাইকোর্টে

    Durga Puja Donation: দুর্গাপুজোয় দরাজহস্ত মমতা, কিন্তু টাকা আসবে কোথা থেকে? মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদান (Durga Puja Donation) দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১৫,০০০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনুদান। আগামী বছর থেকে দেওয়া হবে এক লক্ষ টাকা, এমনই ঘোষণা করেছেন মমতা। শুধু অনুদান নয়, ক্লাবগুলিকে বিদ্যুতেও ছাড় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকটাই। ৬৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুতের কর ছাড়। অনুদানের টাকা কোথা থেকে আসছে জানতে চেয়ে মামলা হয়েছে হাইকোর্টে (High Court) । সৌরভ দত্ত নামে এক ব্যক্তি এর আগেও মামলা করেছিলেন আদালতে। সেই মামলাতেই এবার নতুন করে আবেদন করা হল।

    অনুদান ঘিরে জনস্বার্থ মামলা (Durga Puja Donation)

    বেশ কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকারের তরফে দুর্গাপুজোয় যে অনুদান দেওয়া হচ্ছে, সেই খরচ নিয়ে তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন সৌরভবাবু। কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর আবেদন জানানো হয়েছে। জনস্বার্থ মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই (Durga Puja Donation) টাকার উৎস কি? সরকারের কোন ফান্ড  থেকে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে। ক্লাবগুলি সেই টাকা গাইডলাইন মেনে খরচ করেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা দরকার দাবি সৌরভের। যদিও এ বিষয়ে আগেও মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত, কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোনও রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। আদালতে এমনটাই সূত্রের খবর।

    অনুদানের প্রয়োজনীয়তা ঘিরে প্রশ্ন (High Court)

    বাঙালি সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। দুর্গাপুজো ইউনেস্কো হেরিটেজ পাওয়ার পর থেকে সারা পৃথিবীর এখন আকর্ষণ দুর্গাপুজো ঘিরে। সেই সঙ্গে বেড়েছে শহরের বিভিন্ন পূজোর আড়ম্বর। ধীরে ধীরে বাড়ছে রাজ্য সরকারের অনুদান। কিন্তু প্রথম থেকেই অনুদানের (Durga Puja Donation) প্রয়োজনীয়তা ঘিরে প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলে।

    আরও পড়ুন: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    পুজো কমিটিগুলি এলাকা থেকে চাঁদা তোলে। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন ও অনুদান দিয়ে পুজো কমিটিগুলোকে সাহায্য করে থাকেন। তারপরেও সরকারিভাবে অনুদান কেন, এই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই ২৪ পরগনার জেলা আদালতে বহু পদ শূন্য। সেখানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (High Court) মামলা করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। দুই জেলা আদালতে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা (Kolkata) হাইকোর্ট। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। কেন জেলা আদালতে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মামলার শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য, “এমন চলতে থাকলে, এর পরে কি জেলা বিচারকও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হবে?”

    জেলা আদালতে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ (High Court)

    জানা গিয়েছে, দুই জেলা মিলিয়েই রয়েছে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ। উত্তর ২৪ পরগনায় ২৬৭ শূন্যপদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫৭ শূন্যপদ। সম্প্রতি, এই দুই জেলা আদালতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। আদালতে কেন অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হবে? সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা করে আদালত কর্মীদের সংগঠন। বুধবার সেই মামলায় অস্থায়ী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    ১০ বছরে আদালতে কর্মী নিয়োগ হয়নি

    বুধবার মামলাকারী সংগঠনের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম কলকাতা (Kolkata) আদালতে (High Court) সওয়াল করে বলেন, “সরকারের বিশেষ কিছু দফতর বা বিভাগ রয়েছে, যেখানে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা যায় না। সেই তালিকায় রয়েছে আদালতের কর্মী নিয়োগও।” এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অতীতের নির্দেশের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সাল থেকে রাজ্যের জেলা আদালতগুলিতে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রায় ২৫ শতাংশেরও বেশি শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। আমার প্রশ্ন, ১০ বছর পরেও কেন জেলা আদালতে স্থায়ী নিয়োগ করতে চাইছে না রাজ্য সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw:  সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    Ashwini Vaishnaw: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় গঙ্গার নীচে মেট্রোর পর এবার সমুদ্র গর্ভে ছুটবে বুলেট। বুধবার লোকসভার অধিবেশনে নিজের ভাষণে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) দাবি করেন, দেশে উচ্চ গতির ট্রেন চালানোর জন্য অধিকাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এদিন বুলেট ট্রেন প্রকল্পের (Bullet Train Project) কথা বলতে গিয়ে দেশে প্রথম সমুদ্রের নিচ দিয়ে রেল টানেলের কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই প্রকল্পের জন্য সমুদ্রতলের ৩০ মিটার নীচে একটা টানেল হচ্ছে। ওই টানেলটি ২১ কিলোমিটারের। ভারতের প্রথম সমুদ্রতলের নিচ দিয়ে টানেল হবে। খুবই দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।”

    ঠিক কী জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী? (Ashwini Vaishnaw) 

    এদিন লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে জানতে চান গুজরাটের ভালসাদের বিজেপি সাংসদ ধবল লক্ষ্মণভাই প্যাটেল। সেসময় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাপান সরকারের সহযোগিতায় এবার বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Project) জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এসেছে ভারতে। বুলেট ট্রেন একটি অত্যন্ত জটিল এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প। যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জাপানি রেলওয়ের সাহায্যে এই প্রকল্পের নকশা তৈরি করা হয়েছে। ভারতের পরিবেশ এবং চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি জাপানের কাছ থেকে নেওয়া হলেও এখন দেশের মাটিতে এমন অনেক প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে। 
    মহারাষ্ট্রের বান্দ্র-কুরলা কমপ্লেক্স থেকে শিলফাটা পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চলাচলের জন্য টানেল তৈরি হবে। ২১ কিমি ওই টানেলের মধ্যে ৭ কিমি আরব সাগরের থানে খাঁড়ির নীচ দিয়ে যাবে। এদিন রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) আরও জানান, ৫০৮ কিমি দূরত্বের এই রুটে ১২টি স্টেশনে থামবে বুলেট ট্রেন। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    কবে থেকে চালু হবে বুলেট ট্রেন? 

    অন্যদিকে এদিন মহারাষ্ট্রের প্রাথমিক কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন,”মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে (Bullet Train Project) মোট রেললাইন ৫০৮ কিলোমিটারের। তার মধ্যে ৩২০ কিলোমিটার রেললাইনের কাজ চলছে। মহারাষ্ট্রে প্রথম দিকে কাজ শুরুতে একটু সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু, একনাথ শিন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ-সহ সমস্ত অনুমোদন দেন। সেখানে কাজ চলছে। কাঠামো, রেললাইন, বিদ্যুত সিগন্যালিং এবং টেলি যোগাযোগের কাজ সম্পন্ন হলেই বুলেট ট্রেন চালু করার দিনক্ষণ স্থির করা যাবে।”   
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: এ বছরেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি, শুরু ১১ অগাস্ট থেকে

    BJP: এ বছরেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি, শুরু ১১ অগাস্ট থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছরের মতো চলতি বছরেও অনুষ্ঠিত বিজেপির (BJP) ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি। দেশের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনের মুহূর্তে নাগরিকদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগানোর উদ্দেশ্যে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচার অভিযান শুরু হচ্ছে ১১ অগাস্ট থেকে, এমনটাই জানা গিয়েছে বিজেপি (BJP) সূত্রে। সারা দেশের মতো এই কর্মসূচি চলবে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও। 

    জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান

    জানা গিয়েছে, এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপকভাবে জনসংযোগ করবেন ১১ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা প্রত্যেক নাগরিকের বাড়িতে, দোকানে, অফিসে সর্বত্র পৌঁছাবেন। ১৩ থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে বাড়ি বা দোকানের ছাদে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানাবেন বিজেপি কর্মীরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক জনসংযোগও গড়ে তুলতে পারবে বিজেপি, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে, এই সময় নিজের নিজের এলাকার সাফাই অভিযানেও নামবেন বিজেপি (BJP) কর্মীরা।

    দেশভাগের যন্ত্রণাকেও স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    এর পাশাপাশি, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনও করা হবে। বিজেপির তরফ থেকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতা দিবসের ঠিক একদিন আগেই ১৪ অগাস্ট দেশ ভাগের যন্ত্রণা ও ভয়াবহ স্মৃতিকেও স্মরণ করা হবে দলের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত, ১৪ অগাস্ট দেশভাগের দিনটি স্মরণ করার কথা প্রথম ২০২১ সালে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তিনি সেই সময় এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘‘দেশভাগের সময় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁদেরকে ভিটেমাটি থেকে উৎখাত হতে হয়েছে, তাঁদেরকে স্মরণ করার জন্য এই দিনটিকে উৎসর্গ করা হবে।’’

    কী বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে বিজেপি (BJP) নেতা সিআর পাতিল প্রথম ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে, এটি সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত রবিবারও ‘মন কি বাত’-এর অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান সম্পর্কে ফের একবার সকলকে স্মরণ করান এবং তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক বছর ধরে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান ব্যাপক সফল হয়েছে। তিরঙ্গা উত্তোলনের মাধ্যমে সকলেই গর্বিত হয়েছেন। এই গৌরবকে বজায় রাখার জন্য প্রতিবছরের মতো চলতি বছরেও আপনারা তিরঙ্গার সঙ্গে সেলফি তুলবেন এবং তা harghartiranga.com-এ আপলোড করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 01 August 2024: শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ, এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 August 2024: শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ, এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) কোনও ধর্মীয় কাজে দান করতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয়সঙ্কোচ করার ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন। 

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    কর্কট

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অতিরিক্ত কথা বলার জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ২) বন্ধুরা আপনার পাশে দাঁড়াবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন ভালো কাটতে পারে। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) শুভ কাজে বাধা পাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির জন্য চেষ্টা করতে পারেন। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী অবস্থা! মেডিক্যাল কলেজ থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছেন রোগীরা। আর সেটা জানেই না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে  মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই মুখ পুড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

    এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ! (Midnapore)

    মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছে। রোগীদের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দেখার পরই রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার কথা। কিন্ত,  বাস্তবে তা কিছুই হচ্ছে না। বরং, প্রতিদিন খাতায়কলমে বেড়ে চলেছে নিখোঁজ রোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিনে এই হাসপাতাল থেকে ১২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। বেশিরভাগই চিকিৎসাধীন ছিলেন পুরুষ বিভাগে। চলতি সপ্তাদের প্রথমদিন সোমবারই ২০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী সাফাই?

    এমনিতেই এই হাসপাতালের (Midnapore) পরিষেবা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ ছিল। এবার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতালের (Medical College) এক আধিকারিক বলেন, আসলে রোগীরা নিয়ম অনুযায়ী ছুটি না নিয়ে চলে যাচ্ছেন। ফলে, আমাদের কাছে রোগীর তথ্য না থাকার কারণে আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হচ্ছি। তবে, নিরাপত্তারক্ষী থাকার পরও এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এর সমাধান হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের আমলে হাসপাতালের এই ঢিলেঢালা নিরাপত্তার অবস্থার কারণে মুখ পুড়েছে শাসক দলের। তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন, মেডিক্যাল কলেজে (Medical College) শতাধিক রোগী নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতি অন্যতম কারণ। আর এই হাসপাতালে চিকিৎসা হয় না বলেই রোগীরা পালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, “কেন রোগীরা চলে যাচ্ছেন, সেটা প্রশাসনের দেখা উচিত।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share