Author: user

  • Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সপ্তাহ ধরে আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে (Kazi Nazrul University) জঙ্গি আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদ। আর তার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়ে কারও কোনও হেলদোল নেই। ফলে, টিএমসিপি-র ছেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। উপাচার্যকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ।

    পদ ছাড়তে চাইছেন উপাচার্য! (Asansol)

    সামান্য একটি ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) টানা আন্দোলন চালাচ্ছে টিএমসিপি। দুসপ্তাহ হতে চলল পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরইমধ্যে সোমবার পড়ুয়া এবং টিএমসিপি নেতৃত্বে উপাচার্যকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই বিক্ষোভের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছিলেন উপাচার্য। মঙ্গলবার আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি তিনি। বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম করছেন। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে আবার রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগ করতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। উপাচার্য বলেন, “সোমবার যে ভাবে আমাকে ঘিরে বিক্ষোভ করা হয়েছে, শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে, তাতে আমি আতঙ্কিত। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেই ভয় পাচ্ছি। বাড়িতে বসে বিশ্ববিদ্যালযয়ের সমস্ত কাজ করছি। পদত্যাগ করতে চেয়ে রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানিয়েছি। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছি।”

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    কেন আন্দোলন?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে। কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে-তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে কয়েকদিন  আগে পাল্টা আন্দোলনে নেমেছিল তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেছিলেন সমিতির সদস্যেরা। পরে, তাঁরা আন্দোলন তুলে নিলেও টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলন চলছেই। সোমবারে  উপাচার্যকে হেনস্থার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় (Kazi Nazrul University) চত্বরে অধ্যাপক এবং শিক্ষাকর্মীরা কালো ব্যাজ পরেছিলেন। কবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ আব্দুল বারিক বিশ্বাসের ডেরায় হানা দেয় ইডি (ED)। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাটের সংগ্রামপুরের বাড়ি এবং রাজারহাটে ফ্ল্যাটে সাত সকালে হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর চলে তল্লাশি অভিযান। আর তাঁর বাড়়ি থেকে ইডি আধিকারিকরা কী কী বাজেয়াপ্ত করেছেন তা নিয়ে রাজ্যবাসীর বাড়তি আগ্রহ ছিল।

    রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলল? (ED)

    মঙ্গলবার ভোরে বসিরহাটের সংগ্রামপুরে বারিকের বাড়িতে ইডি (ED)  আধিকারিকরা আসেন। বেলা ২টো ২০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা। বারিকের রাইসমিলে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট অভিযান চালানোর পর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে বারিকের বসিরহাটের বাড়ি এবং রাজারহাটের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে মঙ্গলবার প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর বেরিয়ে যান ইডির আধিকারিকেরা।

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    ট্রাক চালক থেকে কোটিপতি!

    স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক সময় বারিক ছিলেন ট্রাকচালক। হতদরিদ্র পরিবার। পাচারচক্রে হাত পাকানোর পর তাঁর হাতে কোটি কোটি টাকা আসে। এরপরই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে ৫ কাঠা জায়গা কিনে সংগ্রামপুরে (North 24 Parganas) অট্টালিকা তৈরি করেন। সিসি ক্যামেরা মোড়া তাঁর বাড়ি রাজপ্রাসাদকে হার মানাবে। বারিকের বিরুদ্ধে সোনা পাচারেরও অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৫ সালে প্রচুর সোনা-সহ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল শুল্ক দফতর। কয়েক বছরের জন্য জেলেও গিয়েছিলেন। পরে, জামিনে মুক্তি পান। সূত্রের খবর, জেল থেকে বেরিয়ে পাচারের বদলে একাধিক ব্যবসা শুরু করেন বারিক। ইটভাটা, কয়লা, ট্রাকের ব্যবসা শুরু করেন। ওই সূত্রের দাবি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও চালু করেন তিনি। এর পর ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় বারিকের। অভিযোগ, সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা- সমাবেশে নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সূত্রের দাবি, সেই সময়ে জ্যোতিপ্রিয়ের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’ তৈরি হয় বারিকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 31 july 2024: এই রাশির জাতকদের ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    Daily Horoscope 31 july 2024: এই রাশির জাতকদের ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ দেখা দিতে পারে। 

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে অনেক বেশি।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত রাখুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) ব্যবসায় লোকসান হবে।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে। 

    ৩) নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তশূ্ন্যতা বাড়তে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য সম্পর্কে বিবাদ। 

    ৩) চিন্তিত থাকবেন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) কোনও ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি। 

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ির (Siliguri) তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে। তিনি আবার শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্যও। সাধারণত এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানে বিরোধীরাও এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন, সেখানে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার এই ভূমিকা দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাজার টাকা ভাতা, রেশন লাগবে না (Siliguri)

    মঙ্গলবার শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে বাজার উচ্ছেদ অভিযানে যান শিলিগুড়ি পুরসভার কর্মীরা। তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মন সেই উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেন। উচ্ছেদ না করেই ফিরে যান পুরসভার কর্মীরা। ব্যবসায়ীরা সাফ বলেন, মাসে মাসে হাজার টাকা ভাতা, রেশন কিছুই লাগবে না। ডালরুটি খেয়েই আমাদের চলবে। ছেলেমেয়ে মানুষ করা ও সংসার চালাতে দোকান  করার জন্য একটু জায়গা ভিক্ষা চাই। 

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হয়ে উচ্ছেদ আটকে দেন দিলীপ বর্মন। ডাকাবুকো মেজাজে মেয়র গৌতম দেব ও  তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল নেতা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। তার জন্য আমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাস্তায় বসব। এর জন্য দল আমাকে বাদ দিলে, কাউন্সিলর পদ কেড়ে নিলে আমি তা মেনে নেব। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের জন্য এই লড়াই থেকে সরব না। আমি এখানে কাউন্সিলর হওয়ার পর ২০২২ সালে চম্পাসারিতে সাড়ে ১১ বিঘা জমি উদ্ধার করে দিয়েছি। সেই জমি আজও পুরসভা নিজের দখলে নেয়নি। একদিকে কেউ সরকারি জমি নিয়ে ব্যবসা করবে, অন্যদিকে উচ্ছেদের নামে গরিব মানুষকে পথে বসাবে, এটা আমি হতে দেব না। পুরসভার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন এর দায় তাকে নিতে হবে।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে এই বাজারে ১৩৯ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। কেউ ৩১ কেউ বা ৩৫ বছর ধরে এখানে দোকান করে আসছেন।  এদিন তাঁরা তৃণমূলের পতাকা নিয়েই পুরসভার অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।  শ্রীরাম সাহানি,মাম্পি সাহা, দুর্গাদেবীরা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। আমরা ডাল রুটি খেয়ে থাকতে চাই। দোকান করার মতো একটু জায়গা ভিক্ষা চাই।

     কী বললেন মেয়র?

    দলের মেয়র পরিষদ সদস্য এভাবে পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন মেয়র (Trinamool Congress) গৌতম দেব। তিনি বলেন, জোর করে কিছু করব না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই  উচ্ছেদ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে রানি রাসমণি ঘাট এলাকায়। আক্রান্ত পুলিশ অফিসারের নামে ওমকার বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্র্যাফিক বিভাগে কর্মরত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জানা গিয়েছে, হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০শে এপ্রিল। পুরানো হলেও হামলার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) আর তাতেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশ অফিসারের বাড়ির (Barrackpore) কাছে দলীয় ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল বাধে। ঘটনাটি লোকসভা ভোটের সময়। তৃণমূল কাউন্সিলর রমেশ সাউ ও তাঁর দলবল এলাকায় দলীয় ব্যানার লাগাচ্ছিলেন। পুলিশ অফিসারের বাড়ির কাছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ব্যানার লাগানো নিয়ে তিনি আপত্তি জানান। এনিয়ে কাউন্সিলর রমেশ সাউ এবং তাঁর ছেলে বিমল সাউয়ের নেতৃত্বে গুন্ডা বাহিনী পুলিশ অফিসারের বাড়িতে রাত ১১ টা নাগাদ চড়াও হন। পুলিশ অফিসার ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে অকথ্য ভাষায় তাঁরা গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। পুলিশ অফিসার উর্দি পরে ছিলেন। তিনি এসবের আপত্তি জানান। সেই সময় পুলিশ অফিসারকে কাউন্সিলর এবং তাঁর ছেলে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটান বলে অভিযোগ। হামলার ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর জড়িত থাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। তাই, গত চার মাস বিষয়টি সামনে আসেনি। পরে, হামলার ভিডিও ভাইরাল হতেই চরম বেকায়দায় শাসক দল।

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর কী বললেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর রমেশ সাউ বলেন, সামান্য ব্যানার লাগানো নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। ওই পুলিশ অফিসারের স্ত্রী আমাদের গালাগালাজ করছিলেন। আমরা তার আপত্তি করি। এরপর ওই পুলিশ অফিসার এসে আমাকে মারধর করে। ছেলের ওপর হেলমেট নিয়ে চড়াও হয়। বঁটি দিয়ে কাটতে যায়। সেই সময় আমরা তাঁকে বাধা দিয়েছি। তাতে কিছুটা লেগে থাকতে পারে। পুরানো ঘটনা। আলোচনা করে বিষয়টি মিটে গিয়েছে। সেটা নিয়ে এখন চর্চা হওয়ার কথা নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা কৌস্তব বাগচী বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষ, বিরোধী দলের সমর্থক তো দূরে থাক,পুলিশের নিরাপত্তাও বলে কিছু নেই। একজন পুলিশ কর্মীকে রাস্তায় ফেলে তৃণমূলের (Trinamool Congress) কাউন্সিলর পেটালেন, তার কোনও বিচার হবে না। আমরা চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 90: “কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এসব করতে হবে”

    Ramakrishna 90: “কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এসব করতে হবে”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    নবম পরিচ্ছেদ

    তস্মাদসক্তঃ সততং কার্যং কর্ম সমাচার

    অসক্তো হ্যাচরন্কর্ম পরমাপ্নোতি পুরুষঃ।।

    গীতা/১৯/

    কেশবাদি ব্রাহ্মদিগকে কর্মযোগ সমন্ধে উপদেশ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদি ভক্তের প্রতি)—তোমরা বল জগতের উপকার করা। জগৎ কি এতটুকু গা! আর তুমি কে, যে জগতের উপকার করবে? তাঁকে সাধনের দ্বারা সাক্ষাৎকার কর। তাঁকে (Ramakrishna) লাভ কর। তিনি শক্তি দিলে তবে সকলের হিত করতে পার। নচেৎ নয়।

    একজন ভক্ত—যতদিন না লাভ হয়, ততদিন সব কর্ম (Kathamrita) ত্যাগ করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না; কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এ-সব করতে হবে।

    ব্রাহ্মভক্ত—সংসারের কর্ম? বিষয়কর্ম?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হ্যাঁ, তাও করবে, সংসারযাত্রা জন্য যেটুকু দরকার। কিন্তু কেঁদে নির্জনে তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে হবে, যাতে ওই কর্মগুলি নিষ্কামভাবে করা যায়। আর বলবে, হে ঈশ্বর, আমার বিষয়কর্ম কমিয়ে দাও, কেন না ঠাকুর দেখছি যে, বেশি কর্ম জুটলে তোমায় ভুলে যাই। মনে করছি, নিষ্কামকর্ম করছি, কিন্তু সকাম হয়ে পড়ে হয়তো দান সদাব্রত বেশি করতে গিয়ে লোকমান্য হতে ইচ্ছা হয়ে পড়ে।

    পূর্বকথাশম্ভু মল্লিকের সহিত দানাদি কর্মকাণ্ডের কথা

    শম্ভু মল্লিকের হাসপাতাল, ডাক্তারখান, স্কুল, রাস্তা, পুস্করিণীর কথা বলেছিল। আমি বললাম (Kathamrita) যেটা পড়ল, না করলে নয়, সেটাই নিষ্কাম হয়ে করতে হয়। ইচ্ছা করে বেশি কাজ জড়ানো ভালো নয়—ঈশ্বরকে ভুলে যেতে হয়। কালীঘাটে দানই করতে লাগল; কালীদর্শন আর হলো না। (হাস্য) আগে জো-সো করে, ধাক্কাধুক্কি খেয়েও কালীদর্শন করতে হয়, তারপর দান যত কর আর না কর। ইচ্ছা হয় খুব কর। ঈশ্বরলাভের জন্যই কর্ম। শম্ভুকে তাই বললুম, যদি ঈশ্বর সাক্ষাৎকার হন, তাঁকে কি বলবে কতগুলো হাসপাতাল, ডিসস্পেন্সারি করে দাও? (হাস্য) ভক্ত কখনও তা বলে না বরং বলবে, ঠাকুর (Ramakrishna)! আমায় পাদপদ্মে স্থান দাও, নিজের সঙ্গে সর্বদা রাখ, পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি দাও।

    আরও পড়ুনঃ “আমি কর্তা, আমি কর্তা—এই বোধ থেকেই যত দুঃখ, অশান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা (No Confidence) আনল বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে বিমান বাবুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপি বিধায়করা। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু বাবু জানিয়েছেন, পক্ষপাতিত্তের অভিযোগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন তাঁরা।

    বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত অভিযোগ শুভেন্দুর (No Confidence)

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধানসভা কার্যত দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা ফিরহাদ হাকিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলাম। আমাদের মুলতবি প্রস্তাব পড়তে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের প্রতিবাদ, স্লোগানকে বাধা দেওয়ার জন্য দুই মিনিটের বেশি বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। লোকসভা ভোটে যিনি তৃণমূলের প্রচার করেছেন, তাঁকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার। যাহা মুখ্যমন্ত্রী তাহাই বিমান দা। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই অধ্যক্ষের (No Confidence)  অপসারণ চাই। এই দলতন্ত্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।”

    অহেতুক প্রসঙ্গে বিধানসভায় আলোচনার অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবে (No Confidence) মোট ১৮ টি নির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনও আলোচনা হয় না। বিধানসভায় সব সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা হয়। বিধানসভা এবং রাজ্য সংক্রান্ত বিষয়ের তুলনায় অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্র নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। এহেন কর্মকাণ্ড বিধানসভার রীতি নয়। প্রধানমন্ত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বিধানসভা থেকে। রাজ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, বিরোধীদের সেই আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। উল্টে মনিপুর, উত্তরপ্রদেশের অবাঞ্ছিত ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়। প্রতি সোমবার বিধানসভায় পুলিশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ওই আলোচনা সময় বিধানসভায় উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ (Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়কদের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম প্রধান শক্তিপীঠ রাজরাপ্পা ছিন্নমস্তা মন্দির (Rajrappa Chhinnamasta)। দামোদর আর ভোরা বা ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা দশমহাবিদ্যার অন্যতম। রাজরাপ্পা নামটির পিছনেও এক লোককথা প্রচলিত আছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, “রাজা” নামের এক জনপ্রিয় স্থানীয় রাজার স্ত্রীর নাম ছিল “রুম্পা”। এই রাজা এবং রুম্পার নাম থেকেই নাম হয়েছে “রাজরাপ্পা”। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা ছিন্নমস্তা। তাঁর দুই হাতের এক হাতে উদ্ধত খড়্গ এবং অপর হাতে তিনি ধারণ করে রয়েছেন তাঁর ছিন্ন মস্তক। তাঁর মুণ্ডবিহীন গলদেশ থেকে তিনটি ধারায় ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরছে। লোল জিহ্বায় তিনি সেই শোনিত ধারা পান করে চলেছেন। তাঁর কণ্ঠে নরমুণ্ড মালা। কাম ও রতির ওপরে দেবী দন্ডায়মান। তবে তাঁর এই ভয়াল রূপে ভয়ের চেয়েও বেশি করে ধরা পড়ে তাঁর মাতৃরূপের।

    কী সেই চমকপ্রদ লোককাহিনি? (Rajrappa Chhinnamasta)

    মায়ের এই রূপের পিছনেও রয়েছে এক চমকপ্রদ লোককাহিনি। কথিত, একদা ডাকিনী ও যোগিনীর সঙ্গে এক সরোবরে স্নান করছিলেন দেবী। সেই সময় ডাকিনী, যোগিনীর প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে তাঁদের ক্ষুধাতুর অবস্থা দেখে এবং অন্য কোথাও কোনও খাবারের সন্ধান করতে না পেরে বিচলিত হয়ে নিজেই নিজের মুণ্ডচ্ছেদ করেন। তাঁর মুণ্ডহীন গলদেশ থেকে যে রক্তের তিনটি ধারা নির্গত হয়, তা এসে পড়ে ডাকিনী, যোগিনী এবং স্বয়ং দেবীর মুখে। এভাবেই তিনি ডাকিনী, যোগিনীর ক্ষুধা নিবারণ করেন। এর থেকেই দেবীর মমতাময়ী মাতৃরূপের পরিচয় দেন দেবী। একদিকে দামোদর আর অন্যদিকে ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে এক অনুচ্চ টিলার উপর অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা মন্দির।

    ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন (Jharkhand)

    এখানকার এই ছিন্নমস্তা মন্দিরের সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, এই মন্দিরটি (Rajrappa Chhinnamasta) প্রায় ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। এখানে এই মন্দিরটি ছাড়াও রয়েছে মহাদেব ও দক্ষিণাকালীর মন্দির। এর কাছেই অষ্টমাতৃকা মন্দির। মায়ের ভৈরবরূপী শিবলিঙ্গটিও প্রকাণ্ড এবং সুউচ্চ। ইচ্ছে হলে নৌবিহার করাও যায় দামোদর নদের বুকে। আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। আবার ফেরার পথে দেখে নেওয়া যায় রামগড়ের সুপ্রাচীন শিবমন্দিরটিও। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই শিবমন্দিরটির বহুলাংশই বর্তমানে বিনষ্ট হয়ে গেলেও যতটুকু অবশিষ্ট আছে সেটুকুই সেই অতীত দিনের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    কীভাবে যাবেন? (Rajrappa Chhinnamasta)

    যাতায়াত–ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৬৮ কিমি দূরে এই স্থান। রাঁচি থেকে বাসে আসতে হবে রামগড়। রামগড় থেকে অটো বা গাড়িতে আসতে হবে রাজরাপ্পা। আবার রাঁচি থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আবার রাঁচি ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচিতেই। রাজরাপ্পায় থাকার ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। কাজেই রাঁচি থেকে ঘুরে নেওয়াই ভালো। রাঁচিতে থাকা খাওয়া, গাড়ি অথবা প্যাকেজ ট্যুরে রাজরাপ্পা (Jharkhand) ঘুরে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪ অথবা ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: ”পদক, ইতিহাস মাথায় ছিল না, শুধু শেষ পর্যন্ত লড়তে চেয়েছিলাম”, বললেন ভারতীয় শুটার মনু

    Paris Olympics 2024: ”পদক, ইতিহাস মাথায় ছিল না, শুধু শেষ পর্যন্ত লড়তে চেয়েছিলাম”, বললেন ভারতীয় শুটার মনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দুদিনের ব্যবধানেই প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) দ্বিতীয় পদক জয় করলেন মনু ভাকের (Manu Bhaker)। ব্যক্তিগত বিভাগের পর এবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টে সরবজ্যোৎ সিংহকে নিয়েই ব্রোঞ্জ জিতলেন ২২ বছর বয়সি হরিয়ানার এই তরুণী। প্রথম ভারতীয় ক্রীড়াবিদ হিসাবে একই অলিম্পিক্সে পরপর দুটি পদক জয়ের পর মনু জানালেন, দ্বিতীয় পদক বা ইতিহাসের কথা তাঁর মাথাতেই ছিল না। স্রেফ শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে চেয়েছিলেন। 

    ম্যাচ জয়ের পরে কী প্রতিক্রিয়া মনুর?

    এই ঐতিহাসিক জোড়া পদক জয়ের পর নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মনু বলেন, ”আমি ভীষণ গর্বিত এবং আমার জন্য এত প্রার্থনা করায় আমি কৃতজ্ঞ। সকলের আশীর্বাদ ছাড়া এটা সম্ভব ছিল না। প্রতিপক্ষ কী করবে, সেটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সেই বিষয়টা আমাদের হাতে নেই। কিন্তু আমাদের হাতে যেটা আছে, সেটা আমরা করতে পারি। আমি এবং আমার পার্টনার বাকি কোনওকিছু না ভেবে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। নিশ্চিত করি, যাই হয়ে যাক না কেন, শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব। প্যারিসে আসার আগেই আমি আর সরবজ্যোৎ ঠিক করেছিলাম, অন্য কোনও দিকে মন দেব না। ইভেন্টের দিন নিজেদের সেরাটা দেব। তারপর যা হবে দেখা যাবে। যা-ই হোক না কেন, সেটা মেনে নেব। ভারতীয় হিসাবে একই অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) দ্বিতীয় পদক জিততে পেরে গর্বিত।” 

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে দ্বিতীয় পদক ভারতের, ইতিহাস গড়লেন মনু ভাকের, সঙ্গী সরবজ্যোৎ

    এখনও বাকি মনুর প্যারিস অলিম্পিক্স সফর (Paris Olympics 2024)

    যদিও প্রথম সিরিজেই ভারতীয় দল পিছিয়ে পড়েছিল কোরিয়ার কাছে। খারাপ স্কোর করেছিলেন সরবজ্যোৎ। কিন্তু দ্বিতীয় সিরিজ থেকেই ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। পর পর চারটি সিরিজ জিতে নেয়। খেলা ওখানেই ভারতের পক্ষে চলে আসে। বলাই বাহুল্য, মনু (Manu Bhaker) প্রতিটি সিরিজেই ভাল স্কোর করছিলেন, যা ভারতের এই জয়ের অন্যতম কারণ। তবে তাঁর প্যারিস অলিম্পিক্সের সফর কিন্তু এখানেই শেষ হচ্ছে না। তাঁর সামনে আরও এক পদক জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। ২৫ মিটার এয়ার পিস্তলের ইভেন্টেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে নামবেন মনু। এত পর্যন্ত তাঁর যা পারফরম্যান্স, তাতে সেই ইভেন্টে হরিয়ানার অলিম্পিয়ানের থেকে পদকের প্রত্যাশায় থাকবে গোটা দেশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাঁচ বছরেই বিশ্বের অর্থনীতিতে তিন নম্বরে উঠবে ভারত, দাবি মোদির

    PM Modi: পাঁচ বছরেই বিশ্বের অর্থনীতিতে তিন নম্বরে উঠবে ভারত, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরে ভারত বিশ্বের তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হবে। মঙ্গলবার দেশের রাজধানী দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত “জার্নি টুওয়ার্ডস বিকশিত ভারত আলোচনা চক্রে এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ।

    আঘাত সত্বেও এগিয়েছে অর্থনীতি (Budget 2024)

    দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের জিডিপি হার ৮% থাকবে। বিগত ১০ বছরে দশটি বড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে আমরা। করোনা প্যান্ডেমিক ভারতের উন্নতি পথ আটকে রাখতে পারেনি। সাময়িক ধাক্কা কাটিয়ে আমরা আবার উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছি। বর্তমানে ভারত পঞ্চম সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। শীঘ্রই আমরা তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হয়ে উঠব। সেই দিন দূরে নেই, যখন ভারত তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থব্যবস্থা হয়ে উঠবে। ২০১৪-র আগে দেশের অবস্থা এরকম ছিল না। প্রায় দিন আমরা দুর্বল অর্থনীতি এবং নানান ধরনের কেলেঙ্কারির খবর শুনতে পেতাম। এখন সেসব অতীত। রেল বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবারের বাজেট (Budget 2024) ১ দশকের আগের বাজেটের তুলনায় ৮ গুণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। কৃষি খাতেও আমরা ৪ গুণ অর্থ বরাদ্দ করেছি। ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে দুগুণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।

    “কথা রাখি” বললেন মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ভারত একমাত্র অর্থনীতি, যেখানে উন্নয়নের হার বেশি এবং মুদ্রাস্ফিতীর হার কম। ভারত অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হয়ে উঠেছে। বিশ্বের উন্নতির ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব ১৬%। ১০ বছরে অর্থনীতির উপর একাধিক আঘাত সত্ত্বেও ভারত এ কাজ করে দেখিয়েছে। ভারতের অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা সম্পর্কে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এক সময় ছিল যখন ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হত, নেতারা ভোটের পর সেগুলিকে দিবাস্বপ্ন মনে করে ভুলে যেতেন। কিন্তু আমি সেই কাজ করি না। আমরা ভোটের আগে যা বলি, ভোটের পর সেটা পূরণ করে দেখাই। আমরা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছি। ২০১৪ সালে ১৬ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে দুর্নীতির প্রতিযোগিতা হলে, তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণ পদক পেত, কটাক্ষ রাজু বিস্তার

    আমাদের সরকার ৪৮ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছে। ২০০৪ সালে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ৯০ হাজার কোটি টাকা ছিল। ২০২৪ সালের (Budget 2024) সেই ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ১১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share