Author: user

  • Rahul Gandhi: মার্কিন মুলুকে গিয়ে ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ, রাহুলকে নিশানা বিজেপির

    Rahul Gandhi: মার্কিন মুলুকে গিয়ে ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ, রাহুলকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণপনার শেষ নেই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)! সম্প্রতি মার্কিন মুলুকে গিয়েছিলেন কংগ্রেসের এই নেতা। সেখানে তিনি মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের (Ilhan omar) সঙ্গে বৈঠক করেন বলে খবর। তার পরেই বিজেপি নেতাদের চাঁদমারি হয়ে গিয়েছেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির এই নেতা।

    কী বললেন অমিত মালব্য (Rahul Gandhi)

    কংগ্রেস ‘দেশবিরোধী কাজ করছে’ বলে অভিযোগ করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তার আগে সংরক্ষণ নিয়ে রাহুল যে মন্তব্য করেছিলেন, ‘তাকে দেশ বিরোধী, সংরক্ষণ বিরোধী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রায় একই সুর শোনা গেল অমিত মালব্যের গলায়ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “ভারতের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইলহান ওমরের সঙ্গে দেখা করেছেন। একজন পাকিস্তান-স্পনসর্ড ভারত বিরোধী কণ্ঠস্বর, একজন ইসলামপন্থী কট্টরপন্থী ও স্বাধীন কাশ্মীরের একজন উকিল। এই ধরনের উন্মাদ কম্পোনেন্টগুলোর সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে পাকিস্তানি নেতারা আরও সতর্ক হবেন। কংগ্রেস এখন প্রকাশ্য ভারতের বিরুদ্ধে কাজ করছে।”

    কী বললেন শেহজাদ পুনাওয়ালা

    বিজেপির আর এক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালাও রাহুলের কড়া সমালোচনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “শিখদের বিরুদ্ধে বিষ ছড়ানো এবং বিদেশের মাটিতে ভারতকে ধ্বংস করার পর এখন রাহুল গান্ধী ভারত বিরোধী ইলহান ওমরের সঙ্গে দেখা করেন। এই ইলহান মার্কিন কংগ্রেসে ভারত বিরোধী প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। ভূস্বর্গ থেকে যখন ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়, তিনি তার বিরুদ্ধে ছিলেন। ভারতের সার্বভৌমত্বও লঙ্ঘন করেছিলেন তিনি। পাকিস্তান স্পনসর্ড একটি ভ্রমণে তিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীর পরিদর্শন করেছিলেন। তিনি ভারতে ইসলামফোবিয়া নিয়ে আলোচনা করতে ইমরান খান ও এই জাতীয় অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে দেখা করেন। হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল। রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) কেন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হয়েছিল? তিনি কেন প্রতিটি বিদেশ সফরে সব চেয়ে উগ্র ভারত বিরোধী কম্পোনেন্টসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন?”

    আরও পড়ুন: “দেশবিরোধী শক্তির পাশে দাঁড়ানো ওঁর স্বভাব”, রাহুলকে নিশানা শাহের

    পার্টির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানপন্থী ইলহান ওমরের সঙ্গে রাহুলের বৈঠক স্পষ্ট করেছে যে তিনি পাক অ্যাপোলজিস্টদের সমর্থন করেন। তিনি ভারত বিরোধী উপাদানকে সমর্থন করেন (Ilhan omar)। কংগ্রেস পার্টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করতে পছন্দ করে (Rahul Gandhi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: আরজি করে দুর্নীতি মামলায় ফের ইডি ডাকল সন্দীপের স্ত্রীকে, সিজিওতে প্রসূন

    ED: আরজি করে দুর্নীতি মামলায় ফের ইডি ডাকল সন্দীপের স্ত্রীকে, সিজিওতে প্রসূন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের স্ত্রী সঙ্গীতা ঘোষকে ফের তলব করল ইডি (ED)। এর আগে দুর্নীতির মামলা সিবিআই সন্দীপকে গ্রেফতার করে। সোম ও মঙ্গলবার ইডি সন্দীপের স্ত্রীকে ডেকেছিল। ফের তাঁকে ডাকা হল। ইতিমধ্যেই ২৫টি ডিজিটাল নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একাধিক ল্যাপটপ, মোবাইলের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গেই সন্দীপের একাধিক সম্পত্তি সামনে আসতে শুরু করেছে।

    সন্দীপের সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত করছে ইডি (ED)

    সূত্রের খবর, কলকাতায় সন্দীপের অন্তত তিনটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। এমনকী সন্দীপের স্ত্রী সঙ্গীতা ঘোষের নামে কলকাতায় দুটি ফ্ল্যাট ও একটা ফার্ম হাউস রয়েছে বলেও খবর। বহরমপুরে জোড়া ফ্ল্যাট পাওয়া গিয়েছে সন্দীপের নামে। তবে, সেই সম্পত্তির কতটা বৈধ সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দীপের আত্মীয়দের নামে কোনও সম্পত্তি রয়েছে কি না সেটার খোঁজও চলছে। প্রসঙ্গত, সন্দীপ যখন আরজি করে অধ্যক্ষ পদে ছিলেন তখন তাঁর স্ত্রীও ছিলেন একই মেডিক্যাল কলেজে সহকারি অধ্যাপক। ইতিমধ্যেই ইডি সন্দীপ ও সঙ্গীতার সম্পত্তির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে। ইডির (ED) তরফে আধিকারিকরা সম্প্রতি সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে গিয়েছিলেন। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। প্রায় তিনঘণ্টা বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করেছিল ইডি। এরপর সন্দীপের স্ত্রী এসে তালা খুলে দেন। তবে, সন্দীপের স্ত্রী সেই সময় দাবি করেছিলেন তাঁর স্বামী কোনও অন্যায় করেননি। সব অভিযোগই মিথ্যে বলে তিনি দাবি করেছিলেন। তবে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে সবটাই খতিয়ে দেখছেন সিবিআই ও ইডির আধিকারিকরা। আলিপুর কোর্টে সন্দীপকে ঘিরে মঙ্গলবারও চোর চোর স্লোগান দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। এমনকী প্রিজন ভ্যানে জুতো দিয়েও আঘাত করেন অনেকে। সন্দীপের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান তোলেন অনেকে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    সিজিওতে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ প্রসূন

    আরজি কর হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির ঘটনায় এবার সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠাল ইডি (ED)। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অপারেটর হিসেবে কাজ করেন এই প্রসূন। বুধবার সকালে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ 24 পরগনায় প্রসূনের বাড়িতে প্রায় ৭ ঘণ্টা তল্লাশি অভিযান চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেখান থেকে এই মামলা সংক্রান্ত একাধিক নথি পান তাঁরা। এরপর প্রসূনকে আটক করে সন্দীপ ঘোষের ক্যানিংয়ের ফার্ম হাউসে তল্লাশি চালান তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানে সন্দীপের ব্যবহার করা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও প্রচুর সম্পত্তির হদিশ পান ইডি-র আধিকারিকরা।

    সন্দীপের সম্পত্তি সম্পর্কে প্রসূন ঠিক কতটা জানেন ?

    আরজি কর হাসপাতালে যে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছিল সেই ঘটনায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে নেমেছে সিবিআই-এর দুর্নীতি দমন শাখার গোয়েন্দারা। তবে আর্থিক তছরুপের বিষয়টি সামনে আসায়, সমান্তরাল তদন্তে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রসূনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের অভিযোগ, তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হলেও সেখানে হাজিরা দিয়ে সোজা চলে আসতেন উত্তর কলকাতার আরজি করে। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গেই থাকতেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক তছরুপের ঘটনাও রয়েছে। সন্দীপের (Sandip Ghosh) সম্পত্তি সম্পর্কে প্রসূন ঠিক কতটা জানেন, সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এদিন তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে (ED) ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: মায়ের চোখের জল মোছাতেই চিন্ময়ীর আরাধনা শুরু করেছিলেন সার্থকরাম!

    Durga Puja 2024: মায়ের চোখের জল মোছাতেই চিন্ময়ীর আরাধনা শুরু করেছিলেন সার্থকরাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমচুরের টক ও বড়ি দিয়ে ভোগ দেওয়া হয় চিন্ময়ী মাকে। এমন অনেক ঐতিহ্য বহন করে আজও জমজমাট নন্দকুমারের ব্যবত্তাবাটির বনেদি বাড়ির পুজো, যার ইতিহাসও কম চমকপ্রদ নয়। স্বার্থকরাম ছিলেন তাম্রলিপ্ত, অধুনা তমলুকের তাম্রধ্বজ রাজার ব্যবস্থাপক। জানা যায়, স্বার্থকরামের মা বাড়ির অদূরে একটি পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁকে চরম অপমানিত করা হয়। মা বাড়িতে ফিরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। মায়ের সেই কান্নাকাটি দেখে স্থির থাকতে পারেননি স্বার্থকরাম। মায়ের চোখের জল দেখে বাড়িতেই শুরু করে দেন চিন্ময়ী মায়ের পুজো। সেই থেকে আজও নন্দকুমারের ব্যবত্তাহাটের ব্যবত্তাবাটিতে হয়ে আসছে মা দুর্গার পুজো।

    নিজেরাই পুজো করেন মায়ের

    জন্মাষ্টমীর পরের দিন নন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে এক কিলোমিটার দূরে পুরনো ব্যবত্তাহাটে পতিতাপল্লির মাটি নিয়ে এসে মায়ের প্রতিমা গড়া হয়। এদিন গ্রামের ও পরিবারের সদস্য সদস্যারা কাদা মাখার খেলা খেলেন। এই পুজো শুধু বাড়ির পুজো নয়, এলাকার মানুষের প্রাণের পুজো, আদি ও প্রাচীন পুজো। নিয়মনিষ্ঠা মেনে আজও এই  ব্যবত্তাবাটির পুজো হয়ে আসছে। সার্থকরাম রাজা পরিবারের ব্যবস্থাপক ছিলেন বলেই সেই থেকে এই এলাকার নাম হয় ব্যবত্তারহাট। সপ্তমীর দিন মায়ের গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান, যা বিশেষ বৈশিষ্ট্য বহন করে। ব্রাহ্মণ পরিবারের এই পুজোতে নিজেরাই পুজো করেন মায়ের। গোস্বামী মতে পুজো হয়। বিল্লধিবাস অর্থাৎ ষষ্ঠীর দিন এক মন ছ-সের চালের নৈবেদ্য অর্থাৎ ভোগ হয়, সপ্তমীর দিন ১ মন ৭সের, অষ্টমীর দিন এক মন আট-সের-এরকম করে প্রত্যেকদিন ভোগ দেওয়া হয় মাকে।

    ভোগে থাকে রকমারি বড়ি

    মায়ের ভোগ রান্নার আয়োজন করেন পরিবারের মহিলারা। মায়ের ভোগে থাকে রকমারি বড়ি। সেই বড়ি সারা বছর ধরে মহিলারা প্রস্তুত করেন। বর্তমান সময়ে থিমের রমরমা থাকলেও প্রাচীন সাবেকি পুজোয় মানুষের ঢল নামে। এখনে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে পুজো হয় বলেই দূর দূরান্তের মানুষ পুজোয় ভিড় জমান।পরিবারের সদস্যরা সকলে ভিন রাজ্য, ভিন দেশে কর্মসূত্রে থাকলেও পুজোর সময় সকলে বাড়ি ফিরে উৎসবে মেতে উঠেন। তবে এই বাড়ির মায়ের ভোগে থাকে বিভিন্ন ধরনের বড়ির সঙ্গে আমচুরের টক। যা মায়ের প্রসাদ হিসেবে পেতে প্রতিদিন ভিড় জমান বহু মানুষ। নবীন ও প্রবীণদের মিলিত প্রয়াসে আজও ব্যবত্তাবাটির পুজো জমজমাট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: অরণ্যের শিহরণ ও নির্জনতার সঙ্গে ল্যাটেরাইট পাথরের মন্দির, ঘুরে আসুন জয়পুর

    Bankura: অরণ্যের শিহরণ ও নির্জনতার সঙ্গে ল্যাটেরাইট পাথরের মন্দির, ঘুরে আসুন জয়পুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া জেলার জয়পুর অরণ্য পর্যটকদের বেশিরভাগের কাছেই পরিচিত আরণ্যক পর্যটন কেন্দ্র (Bankura) হিসেবে। কিন্তু এর বাইরেও এই অরণ্যে আরও এমন কিছু দ্রষ্টব্য আছে, তার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই প্রতিবেদনে আমরা সেরকমই কয়েকটি দ্রষ্টব্যের ব্যাপারে আলোচনা করব, একাধারে সেগুলি যেমন দর্শনীয়, তেমনি তাদের ঐতিহাসিক গুরুত্বও অপরিসীম।

    গোকুলচাঁদ মন্দির (Bankura)

    এই যেমন গোকুলচাঁদ মন্দির। ল্যাটেরাইট পাথর দিয়ে তৈরি ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ বিশিষ্ট মন্দিরটির উচ্চতাও প্রায় ৪৫ ফুট। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা কে, সেই সম্পর্কে দুটি ভিন্ন মত শোনা যায়। একটি মতে, ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে বা ৯৪৯ মল্লাব্দ নাগাদ প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়। আবার অন্য একটি মতে, রাজা বীর হাম্বিরের পূর্ববর্তী মল্লরাজ চন্দ্রমল্ল দ্বারা এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মন্দিরের অঙ্গনের এক প্রান্তে ভোগগৃহ বা অতিথি নিবাসটির ছাদ বর্তমানে অধিকাংশটাই ভেঙে পড়েছে। কিন্তু পুরু পাথরের দেওয়াল আজও দৃশ্যমান। এটি দৈর্ঘ্যে ৫৯ ফুট এবং প্রস্থে ৪১ ফুট। ৩টি ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি ফুলকাটা খিলান রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও সংগ্রহালয় অধিকার, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত ‘বাঁকুড়া জেলার পুরাকীর্তি’ বইটিতে এই গোকুলচাঁদ মন্দির সম্পর্কে এইসব তথ্য বিশদে বর্ণনা করা হয়েছে।

    সমুদ্র বাঁধ

    এই মন্দির থেকে সামান্য দূরত্বে সমুদ্র বাঁধ। কাজেই শুধু অরণ্যের শিহরণ নয়, এই অপরূপ শিল্পশৈলীতে নির্মিত সুপ্রাচীন মন্দিরটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের আকর্ষণেও একবার ঘুরে আসা যেতেই পারে এই জয়পুর (Bankura)। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে এখান থেকেই ঘুরে নেওয়া যায় মাত্র ১০-১২ কিমি দূরের মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Bankura)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়াগামী যে কোনও ট্রেন ধরে নামতে হবে বিষ্ণুপুর স্টেশনে। সেখান থেকে বাস বা গাড়িতে ২০-২৫ মিনিটের পথ জয়পুর। আর কলকাতার ধর্মতলা থেকে বাঁকুড়া, মুকুটমণিপুরগামী সব বাসই যাচ্ছে জয়পুরের ওপর দিয়ে। কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি।
    থাকা খাওয়া-যাঁরা হাইওয়ের পাশে থাকতে চান, তাঁরা থাকতে পারেন বনলতা রিসর্টে। ফোন-৯৭৩২১১১৭০৬। আর যাঁরা অরণ্যের শিহরণ, অরণ্যের নির্জনতা (Temples with Jungle) উপভোগ করতে চান, তাঁরা থাকতে পারেন তুলনামূলক ভাবে গোকুলচাঁদ মন্দির ও সমুদ্র বাঁধের নিকটবর্তী আরণ্যক রিসর্টে। এখানে শিশুদের খেলার জায়গা, খাওয়ায় ব্যবস্থা ও ট্রাভেল ডেস্ক আছে। ফোন-৮২৪০০৮৫২৪৩।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 12 September 2024: কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 12 September 2024: কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) ভ্রমণের সুযোগ বন্ধ হতে পারে।

    ২) কোনও কাজের দ্বারা সকলের প্রীতিলাভ করবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি হতে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা। 

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যা বাড়তে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) ব্যবসায় চাপ থাকলেও আয় বাড়বে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি হতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসার দিকে সময় দিতে পারবেন না।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কের উন্নতির সময়।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) চিকিৎসার খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
  • RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল। তা সত্ত্বেও বিকেল ৫টা বাজলেও, কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন না জুনয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবন (Swasthya Bhawan) অভিযান করেন (RG Kar Incident) তাঁরা। বিকেল পাঁচটার পরেও তাঁরা ঠায় বসে রয়েছেন সেখানে। দাবি মানা না হলে তাঁরা যে সেখান থেকে নড়বেন না, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। প্রসঙ্গত, সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কাজে যোগ দিতে বলেছিল।

    বিচার না পাওয়া অবধি আন্দোলন (RG Kar Incident)

    এদিকে, ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনের সামনে চলে এসেছে ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার। ছাত্রদের বক্তব্য, দাবি মানা না হলে লাগাতার অবস্থান চলবে। সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “এক মাস তো হয়ে গেল। আমি অনুরোধ করব, পুজোয় ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জুনিয়র ডাক্তাররা সাফ জানিয়ে দিলেন, বিচার না পাওয়া অবধি তাঁরা কোনও উৎসবে শামিল হবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যকে ‘অসংবেদনশীল’ বলেও আখ্যা দেন তাঁরা।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করা, অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে আনা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলের ইস্তফাও দাবি করেন তাঁরা। রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিও জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: বারবার রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত?

    দিন কয়েক আগে লালবাজার অভিযান করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তখন তাঁদের হাতে ছিল প্রতীকী মেরুদণ্ড। এদিন দেখা গেল প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে স্বাস্থ্যভবন অভিযানে শামিল হয়েছেন তাঁরা। চিকিৎসকদের দাবি, তাঁদের আন্দোলন দমানোর নানা চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিটাই বিফলে যাচ্ছে। এবার অন্তত ‘মাথা খাটিয়ে কাজ করুন’, এই বার্তা দিতেই প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে মিছিলে হেঁটেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের কয়েকজনের হাতে ঝাঁটাও ছিল। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যভবন সাফাই অভিযান করছেন তাঁরা। তাঁরা স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা (Swasthya Bhawan), স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির পদত্যাগও দাবি করেন (RG Kar Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Protest) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। প্রতিদিনই বিচার চেয়ে রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসবে ফেরার কথা বলেছেন। যা নিয়ে আন্দোলনকারী থেকে নাগরকি মহল সর্বত্র চর্চা হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’ (RG Kar Protest)

    সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “১ মাস তো হয়ে গেল। আজ ৯ তারিখ। এক মাস এক দিন। ৩১-এ মাস গিয়েছে। আমি অনুরোধ করব, পুজোতে ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” তা নিয়েই চলছে বিতর্ক। এদিন জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান (RG Kar Protest) থেকে মমতার এ মন্তব্যের প্রতিবাদে উঠল লাগাতার স্লোগান। ‘কাঁদছে আমার বোনের শব, চাই না এমন নোংরা উৎসব’, এই লাইনে চলল গান।  চিকিৎসকরা আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আজ সব ভুলে মানুষকে উৎসবে ফিরতে বলেছেন। আমরা তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অভয়ার বিচারহীন শবের উপর দাঁড়িয়ে উৎসবের ডাক দেওয়া এক ন্যক্কারজনক নির্লজ্জতার পরিচয়। বিচার না পাওয়া অবধি, উৎসবে ফেরার আবেদন অশ্লীল ও অমানবিক।”

    এদিন প্রতিবাদ মুখর রাস্তায় দাঁড়িয়েই এক আন্দোলনকারী (Junior Doctors) বলেন, “৩২ দিন হয়ে গিয়েছে। আজও বিচার পাওয়া যায়নি। আমাদের কোনও দাবি মানা হচ্ছে না। শুধু কোনওভাবে আমাদের ডিউটি প্রবেশ করিয়ে হাত তুলে নিতে চাইছে। উৎসব করতে বলছে। কিন্তু ওটা দিয়ে হবে না। এখন গোটা বাংলা, দেশ, গোটা বিশ্ব জেগে উঠেছে। সেই আগুন নেভানো যাবে না। উৎসবে যাঁরা ফিরতে চায় ফিরুক। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই মনোভাব কারও রয়েছে বলে মনে হয় না।” জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’। তারা উৎসবে ফিরছেন না বলেও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য অমানবিক, অশ্লীল, অসংবেদনশীল বলেও দাবি প্রতিবাদীদের। মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই বক্তব্য ফিরিয়ে নিতে হবে বলেও দাবি আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    সরব হয়েছেন নির্যাতিতার মা

    মমতার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নির্যাতিতার মা-ও। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যদি ভাবেন উৎসবে ফিরবেন তাহলে ফিরবেন। তাঁরা তো আমার মেয়েটাকে (RG Kar Protest) নিজের পরিবারের মেয়ে ভাবছেন। তাঁরা যদি ফিরতে পারেন, তাহলে আমার কিছুই বলার নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুনানি শেষ হতেই একেবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল আলিপুর কোর্টে। এজলাস থেকে বের হতে গিয়ে মহিলা আইনজীবীদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh)। শুনানি শেষে আদালত কক্ষের ভিতরেই সন্দীপের বিরুদ্ধে লাগাতার স্লোগান দিতে দেখা যায় আইনজীবীদের। এভাবে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়বে তা কেউ ভাবতে পারেনি।

    বিচারক কী নির্দেশ দিলেন? (Sandip Ghosh)

    মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে সশরীরে হাজির করানো হয় সন্দীপ-সহ চার জনকে। এদিন শুনানিতে সন্দীপকে (Sandip Ghosh) নিজেদের হেফাজতে চায়নি সিবিআই। কারণ, হিসেবে বলা হয়, ইতিমধ্যেই এই ডিজিটাল এভিডেন্স ক্লোনিং করার আবেদন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার আবেদন করা হয় সিবিআইয়ের (CBI) তরফে। আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দীপ, সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং এবং আফসর আলিকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    আদালতে ঠিক কী ঘটেছে?

    জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়ে আদালত কক্ষ থেকে সবে বেরিয়েছেন বিচারক। তখনও এজলাসেই বসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ (Sandip Ghosh) এবং আরও তিন অভিযুক্ত। তাঁদের ঘিরে তৈরি রাখা কড়া নিরাপত্তার বলয়। রয়েছেন পুলিশ কর্মী। রয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। এর মাঝেই সন্দীপকে ‘ধিক্কার’ জানাতে থাকেন এক মহিলা। ক্রমে স্লোগান উঠতে শুরু করে, ‘চোর চোর’, ‘ফাঁসি চাই’। উড়ে আসতে তাকে নানাবিধ হুমকি। সেই সময়েই আদালত কক্ষে ফিরে আসেন বিচারক। হাত জোড় করে বাকিদের চুপ করার অনুরোধ জানান। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাইরে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। শেষ পর্যন্ত কড়া প্রহরায় আদালত থেকে বার করিয়ে গাড়িতে চাপানো হয় সন্দীপদের।

    ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”

    তবে সেখানেও বাধে গোল। সন্দীপকে পুলিশের যে গাড়িতে তোলা হয়, এ বার সেটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো। কেউ বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। মূলত মহিলা আইনজীবীরা সন্দীপের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। সন্দীপকে ‘ধর্ষক’ সম্বোধন করেও চিৎকার করতে থাকেন কেউ কেউ। তাঁর ফাঁসির দাবিও ওঠে আদালত কক্ষে। এখানেই শেষ নয়। সন্দীপের দাঁত ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন এক জন। তিনি বলেন, “অপরাধী হাসতে পারে না। দাঁত ভেঙে দেব।” এক জন বলেন, “জেলের ভাত কেন খাবে? সরকারের খরচ হবে।” এ ভাবে সন্দীপের উদ্দেশে একের পর এক স্লোগান উঠতে থাকে আদালতকক্ষে। জনৈক এক মহিলা চিৎকার করে বলেন, ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”  ‘We Want Justice’ ‘কালপ্রিট সন্দীপ ঘোষ নিপাত যাক’ লাগাতার এই সব স্লোগান উঠতে থাকে সন্দীপের সামনে। সূত্রের খবর, অবস্থা দেখে কার্যত মুখ ঘুরিয়ে নেন সন্দীপ। ততক্ষণে ‘সন্দীপ ঘোষ ধর্ষক। You are a Rapist।’ স্লোগান উঠতে শুরু করেছে।

    আইনজীবীরা কী বললেন?

    সিমন দাস নামে এক আইনজীবী বলেন, “কেন ধর্ষকের (Sandip Ghosh) জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে? আমর প্রতিবাদ করেছি বলে আমাদের আদালত কক্ষ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছে।” অন্য এক আইনজীবী ইশা পাল বলেন, “আদালতের যে দরজা নিয়ে বিচারকেরা যাতায়াত করেন, সেখান দিয়ে সন্দীপকে বার করে নিয়ে আসা হয়েছে। কেন এই বিশেষ ব্যবস্থা?”

    সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর যখন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপকে আদালতে হাজির করেছিল সিবিআই। তখনও আদালতের সামনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সন্দীপকে আদালত থেকে বার করার সময়েই শুরু হয়েছিল গোলমাল। ‘চোর চোর’ চিৎকার করে একদল মানুষ সন্দীপের দিকে এগিয়ে যায়। সেই সময়েই কোনও এক জন সন্দীপের মাথ পিছন থেকে চাঁটি মারেন বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি থেকে কোনও রকমে সন্দীপকে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে গাড়িতে তুলেছিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। সে দিনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মঙ্গলবার সন্দীপদের ভার্চুয়াল শুনানির আবেদন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আলিপুর আদালত। মঙ্গলবার সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 131: “ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা—এই বোধ ঠিক হলে মনের লয় হয়, সমাধি হয়”

    Ramakrishna 131: “ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা—এই বোধ ঠিক হলে মনের লয় হয়, সমাধি হয়”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ক্লেশোঽধিকতরস্তেষামব্যক্তাসক্তচেতসাম্‌ ৷
    অব্যক্তা হি গর্তিদুঃখং দেহবদ্ভিরবাপ্যতে ॥
       (গীতা — ১২।৫)

    ভক্তিযোগ যুগধর্ম—জ্ঞানযোগ বড় কঠিন—দাস আমি—ভক্তের আমি—বালকের আমি

    বিজয় (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—মহাশয়! আপনি ‘বজ্জাৎ আমি’ ত্যাগ করতে বলছেন (Kathamrita)। ‘দাস আমি’-তে দোষ নাই?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, দাস আমি অর্থাৎ আমি ঈশ্বরের দাস, আমি তাঁর ভক্ত—এই অভিমান। এতে দোষ নাই বরং এতে ঈশ্বরলাভ হয়।

    বিজয়—আচ্ছা, যার “দাস আমি” তার কাম-ক্রোধাদি কিরূপ?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঠিক ভাব যদি হয়, তাহলে কাম-ক্রোধের কেবল আকার মাত্র থাকে। যদি ঈশ্বরলাভের পর “দাস আমি” বা “ভক্তের আমি” থাকে, সে ব্যক্তি কারু অনিষ্ট করতে পারে না। পরশমণি ছোঁয়ার পর তরবার সোনা হয়ে যায়, তরবারের আকার থাকে, কিন্তু কারু হিংসা করে না।

    নারিকেল গাছের বেল্লো শুকিয়ে ঝরে পড়ে গেলে কেবল দাগমাত্র থাকে। সেই দাগে এইটি টের পাওয়া যায় যে, এককালে ওইখানে নারিকেলের বেল্লো ছিল। সেইরকম যার ঈশ্বরলাভ হয়েছে, তার অহংকারের দাগমাত্র থাকে, কাম-ক্রোধের আকারমাত্র থাকে; বালকের অবস্থা হয়। বালকের যেমন সত্ত্ব, রজঃ, তমো গুণের মধ্যে কোন গুণের আঁট নাই। বালকের কোন জিনিসের উপর টান করতেও যতক্ষণ—তাকে ছাড়তেও ততক্ষণ। একখানা পাঁচ টাকার কাপড় তুমি আধ পয়সার পুতুল দিয়ে ভুলিয়ে নিতে পার। কিন্তু প্রথমে খুব আঁট করে বলবে (Kathamrita) এখন—না আমি দেব না। আমার বাবা কিনে দিয়েছে। বালকের আবার সব্বাই সমান—ইনি বড়, উনি ছোট, এরূপ বোধ নাই। তাই জাতি বিচার নাই। মা বলে দিয়েছে, ও তোর দাদা হয়, সে ছুতোর হলেও একপাতে বসে ভাত খাবে। বালকের ঘৃণা নাই, শুচি-অশুচি বোধ নাই। পায়খানায় গিয়ে হাতে মাটি দেয় না।

    কেউ কেউ সমাধির পরও ভক্তের আমি, দাস আমি নিয়ে থাকে। আমি দাস, তুমি প্রভু, আমি ভক্ত, তুমি ভগবান—এই অভিমান ভক্তের থাকে। ঈশ্বরলাভের পরও থাকে, সব আমি যায় না। আবার এই অভিমান অভ্যাস করতে করতে ঈশ্বরলাভ হয়। এরই নাম ভক্তিযোগ।

    ভক্তির পথ ধরে গেলে ব্রহ্মজ্ঞান হয়। ভগবান সর্বশক্তিমান, মনে করলে ব্রহ্মজ্ঞানও দিতে পারেন। ভক্তেরা প্রায় ব্রহ্মজ্ঞান চায় না। আমি দাস, তুমি প্রভু, আমি ছেলে, তুমি মা—এই অভিমান রাখতে চায়।

    বিজয়—যাঁরা বেদান্ত বিচার করেন, তাঁরাও তো তাঁকে পান?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, বিচারপথেও তাঁকে পাওয়া যায়। একেই জ্ঞানযোগ বলে। বিচারপথ বড় কঠিন। তোমায় তো সপ্তভূমির কথা বলেছি। সপ্তভূমিতে মন পৌঁছিলে সমাধি হয়। ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা—এই বোধ ঠিক হলে মনের লয় হয়, সমাধি হয়। কিন্তু কলিতে জীব অন্নগত প্রাণ, ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা কেমন করে বোধ হবে? সে-বোধ দেহবুদ্ধি না গেলে হয় না। আমি দেহ নই, আমি মন নই, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব নই, আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমার রোগ, শোক, জরা, মৃত্যু কই?—এ-সব বোধ কলিতে হওয়া কঠিন। যতই বিচার কর, কোন্‌খান থেকে দেহাত্মবুদ্ধি এসে দেখা দেয়। অশ্বত্থগাছ এই কেটে দাও, মনে করলে মূলসুদ্ধ উঠে গেল। কিন্তু তার পরদিন সকালে দেখ, গাছের একটি ফেঁকড়ি দেখা দিয়েছে! দেহাভিমান যায় না। তাই ভক্তিযোগ কলির পক্ষে ভাল, সহজ।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: আইএসআই-এর সঙ্গে গোপন সাক্ষাত ছাত্রনেতাদের! বাংলাদেশের গণ আন্দোলন কি চক্রান্ত?

    Bangladesh Crisis: আইএসআই-এর সঙ্গে গোপন সাক্ষাত ছাত্রনেতাদের! বাংলাদেশের গণ আন্দোলন কি চক্রান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গণ অভ্যুত্থান বা ছাত্র আন্দোলন পুরোটাই ষড়যন্ত্র নয় তো! বাংলাদেশ কি উপলক্ষ! মূল লক্ষ্য, ভারতকে কবজা করা? এর পিছনে কার হাত রয়েছে পাকিস্তান, চিন না আমেরিকা? বারবার উঠেছে এই প্রশ্ন। সাম্প্রতিক এক তদন্তে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব এবং পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ আইএসআই এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে চমকপ্রদ সংযোগ প্রকাশ পেয়েছে। ওই তদন্তে দেখা গিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাকিস্তান, দুবাই এবং দোহায় গোপন বৈঠক করা হয়েছিল।

    সু-সমন্বিত ষড়যন্ত্রের অংশ 

    বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন, (Bangladesh Crisis) প্রাথমিকভাবে বৈষম্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে এই আন্দোলন  ব্যাপক আকার ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। প্রাথমিকভাবে যা গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য তৃণমূলস্তরের আন্দোলন হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল, তা এখন বিদেশি অপারেটিভদের একটি বৃহত্তর, সু-সমন্বিত ষড়যন্ত্রের অংশ। 

    আইএসআই -যোগ

    প্রায় এক বছর আগের কথা। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে, কয়েকজন বাংলাদেশি ছাত্রকে (Bangladesh Crisis) বেছে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে এরাই আন্দোলনে মূল ভূমিকা নেয়।  এই ছাত্ররা বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থার রাডার এড়িয়ে পাকিস্তান, দুবাই এবং দোহায় ভ্রমণ করেছিল। সেখানেই তারা আইএসআই ও মার্কিন গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠক করে। একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএসআই লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুরো বিষয়টি দেখভাল করছিলেন। ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠক করা, আন্দোলনের রূপরেখা এঁকে দেওয়ার কাজ করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে অশান্ত করেছে পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে পদ্মাপারে অভ্যুত্থান বা সেনা শাসন প্রতিষ্ঠায় পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর ভূমিকা রয়েছে তা বলাই যায়। বস্তুত, এই আন্দোলনে আইএসআই-এর  মদতপুষ্ট মৌলবাদী শক্তি ও এনজিও-কে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে সরকার বিরোধী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে অভ্য়ুত্থান! প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয় হাসিনাকে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।

    মার্কিন-যোগ 

    এই গোলমালের পেছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পূর্বের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারতেন বলে, দাবি করেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, সেন্ট মার্টিন আমেরিকার হাতে তুলে না দেওয়ার ফলে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। সেন্ট মার্টিন নিয়ে সংসদে আগেও ইঙ্গিত দিয়ে ছিলেন হাসিনা। সেন্ট মার্টিনে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চায় আমেরিকা। ওই ঘাঁটি তৈরি হলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় আমেরিকার কর্তৃত্ব বাড়ত। তাতে ভারতের মাথাব্যথার কারণ ছিল। সেক্ষেত্রে অবশ্য সমস্যা ছিল চিনেরও। তবে, যাই হোক পদ্মাপারের আন্দোলনের পিছনে আমেরিকারও পরোক্ষ হাত ছিল বলেই অনুমান। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলিও ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মীদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। আমেরিকা থেকে প্রচুর টাকা বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। গত নির্বাচনের সময় থেকেই হাসিনা বিরোধী সুর তুলেছিল ওয়াশিংটন। 

    জামাত-যোগ

    গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ জুড়ে (Bangladesh Crisis) যে ব্যাপক হিংসাত্মক কার্যকলাপ চলছে তার নেপথ্যে রয়েছে জামাতের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবির। চলতি বছরের শুরুতেই ব্যাপক আর্থিক সাহায্য পায় আইএসআই সমর্থিত জামাত-ই-ইসলামি। এই টাকার একটি বড় অংশ এসেছিল পাকিস্তান থেকে। সাম্প্রতিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ছাত্র আন্দোলন এবং নিষিদ্ধ ইসলামী সংগঠন যেমন হিজবুত তেহরীর এবং জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র শাখা ইসলামী ছাত্র শিবিরের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। মোহাম্মদ মাহফুজ আলমের মতো ব্যক্তিত্ব, যিনি ঢাকায় ছাত্র আন্দোলনের নেতা, জামাতের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। আলম এখন অন্তর্বর্তী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী।

    আরও পড়ুন: ভারতের দাবিই সত্যি প্রমাণিত হল, কার্গিল যুদ্ধে জড়িত থাকার কথা কবুল পাকিস্তানের!

    চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলেও কূটনীতির নিয়ম মেনে প্রতিবেশী তথা বন্ধু ভারতকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন মুজিবকন্যা হাসিনা। বেজিংয়ের চাপ থাকলেও ভারত বিরোধী শক্তিগুলিকে প্রশ্রয় দেননি তিনি। পাকিস্তানকে গুরুত্ব দিতে একেবারেই নারাজ ছিলেন হাসিনা। তাই তাঁকে সরিয়ে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী সরকার তৈরির লক্ষ্য ছিল চিন-পাকিস্তানের। একইসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) একটা শক্ত জমি চেয়েছিল আমেরিকা। তাই মুক্ত বাংলাদেশ জনগণের ইচ্ছায় না ষড়যন্ত্রের  ভিত্তিতে রচিত, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share