Author: user

  • Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্বল হয়ে ওড়িশা থেকে ছত্তিশগড়ের দিকে যাচ্ছে বঙ্গোসাগরের নিম্নচাপ (Weather Update)। এই রাজ্যেও বৃষ্টির ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। নিম্নচাপের জন্য রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে রাজ্যের ৬ জেলায়। মঙ্গলবার কলকাতায় বৃষ্টি ভেজা ভোর দিয়ে শহরের দিন শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গল-বুধের দুদিনও আকাশ থাকবে মেঘলা। তবে জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর (Weather Update)

    উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি (Weather Update) মধ্য-ওড়িশা হয়ে উত্তরে ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ দুর্বল হলেও মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টিপাত হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে। আবার বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ জেলায়।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টিপাত

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা এবং মাঝারি বৃষ্টিপাতের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুত-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কিছু জেলায়। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, মালদায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। অপর দিকে বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রয়েছে দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ! ইডির হাতে এল সন্দীপ ঘোষের ল্যাপটপ, লুকানো ছিল কোথায়?

    ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে সতর্কতা

    পশ্চিম-মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ (Weather Update) ছিল, তা গত ২৪ ঘণ্টায় ক্রমে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে এসেছে। গতি ছিল ঘণ্টায় সাত কিমি। সোমবারেই তার শক্তি অনেকটা ক্ষয় হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাবে। নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রের উপর ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birupaksha Biswas: ‘বদলির আশ্বাস দিয়ে দফায় দফায় টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ’, বিস্ফোরক চিকিৎসক

    Birupaksha Biswas: ‘বদলির আশ্বাস দিয়ে দফায় দফায় টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ’, বিস্ফোরক চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দুর্নীতিতে চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের কুকীর্তি ক্রমশ সামনে আসছে। শাসকদলের ওই চিকিৎসক নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিজেকে প্রভাবশালী দেখিয়ে পোস্টিং করে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিরূপাক্ষের (Birupaksha Biswas) বিরুদ্ধে। এমনকী পদোন্নতির নামে বহু চিকিৎসকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে। প্রতারণার মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। কিন্তু, তিনি এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে, প্রকাশ্যে নীলবাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরলেও বিরূপাক্ষকে ছোঁয়ার সাহস দেখায়নি পুলিশ। এবার এক চিকিৎসক তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। শুধু তাই নয় বিরূপাক্ষর বিরুদ্ধে থানায় বর্ধমান লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন তিনি।

    চিকিৎসকের ঠিক কী অভিযোগ? (Birupaksha Biswas)

    মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার শক্তিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তৎকালীন চিকিৎসক অনুপম মণ্ডল ২০২৩ সালের ১৩ মে বর্ধমান (Burdwan) থানায় বিরূপাক্ষের (Birupaksha Biswas) বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বদলির জন্য বিরূপাক্ষ তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় মোটা টাকা নিয়েছেন বলেই অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনকেও লিখিতভাবে অভিযোগের কথা জানিয়েছিলেন অনুপম। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১৮ মে তারিখে বর্ধমান থানায় বিরূপাক্ষর বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়। অভিযোগ পত্রে অনুপম লেখেন, স্বাস্থ্য দফতরের উত্তরবঙ্গের ওএসডি, একজন বিধায়ক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য দফতরের বড় কর্তাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলেই জানিয়েছিলেন বিরূপাক্ষ। সেই মর্মে নিশ্চিত বদলি হবে আশ্বাস পেয়েই টাকা দিয়েছিলেন অনুপম। কিন্তু, পরে তাঁর কাজ হয়নি। টাকা ফেরতের কথা বলতেই হুমকির মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এই ঘটনার সুবিচার দাবি করেছেন ওই চিকিৎসক।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক বলেন, এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ চালাতেন বিরূপাক্ষ (Birupaksha Biswas)। বহু চিকিৎসক তাঁর খপ্পরে পড়ে  প্রতারিত হয়েছে। আমরা চাই, এই সব প্রতারণার ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Radha Ashtami 2024: আজ রাধাষ্টমী, কীভাবে পালন করবেন? জেনে নিন এই উৎসবের তাৎপর্য

    Radha Ashtami 2024: আজ রাধাষ্টমী, কীভাবে পালন করবেন? জেনে নিন এই উৎসবের তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রাধাষ্টমী (Radha Ashtami 2024)। এই দিনটিকে হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র ও শুভ বলে মানা হয়। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই রাধাষ্টমীর উৎসব পালন করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি জন্মাষ্টমীর ১৫ দিন পরেই দেশ-বিদেশে এই উৎসব (Hindu Festival) পালিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই বিশেষ দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন রাধারানি। এই শুভ তিথিতে রাধারানি এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুজো করলে জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে বলেই বিশ্বাস। প্রসঙ্গত, এই দিনটি রাধাজয়ন্তী নামেও পরিচিত।

    রাধাষ্টমীর তিথি (Radha Ashtami 2024)

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে রাধাষ্টমীর তিথি শুরু হয়েছে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, ২৫ ভাদ্র, ইংরেজির ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ১৪ মিনিট থেকে। অষ্টমী তিথি শেষ হচ্ছে আজ বুধবার ২৬ ভাদ্র, বুধবার ইংরেজির ১১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে। অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে অষ্টমী তিথি আরম্ভ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড। অষ্টমী তিথি শেষ হবে আজ সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।

    রাধাষ্টমীর (Radha Ashtami 2024) তাৎপর্য

    রাধাষ্টমীর ব্রতে (Hindu Festival) বাড়ির মহিলারা উপবাস রাখেন এবং রাধারানির পাশাপাশি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুজো করেন। মনে করা হয় এতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে আশীর্বাদ প্রদান করেন। ভক্তদের বিশ্বাস রাধাষ্টমীর (Radha Ashtami 2024) ব্রত পালন করলে সকল পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অবারিত সৌভাগ্য ও সন্তান লাভের ইচ্ছা পূরণ হয়। ঘরে আসে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। এর পাশাপাশি, বাড়িতেও দেবী লক্ষ্মীর অধিষ্ঠান হয়। এই কারণে তাদের কখনও আর্থিক সংকটে পড়তে হয় না।

    রাধাষ্টমীর ব্রতপালনে কোন কোন কাজ করবেন

    রাধাষ্টমী (Radha Ashtami 2024) উপবাসের নির্জলা উপবাস পালন করুন এবং শুভ সময়ে পুজো করুন।

    ভক্তদের রাধারানি সহ ভগবান শ্রী কৃষ্ণেরও পুজো করা উচিত এদিন। কারণ ভগবান শ্রী কৃষ্ণ হলেন শ্রী রাধার আরাধ্য দেবতা।

    ব্রত পালনের দিনে কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না।

    ব্রত পালনের শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান করুন যাকে রাধারমণ বলা হয়। এতে রাধারানি খুব খুশি হন এবং ভক্তদের আশীর্বাদ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: স্বপ্নদীপের মৃত্যুই অনুপ্রেরণা, ফেলে দেওয়া পেন-পেন্সিল দিয়ে অভিনব দুর্গাপ্রতিমা

    Durga Puja 2024: স্বপ্নদীপের মৃত্যুই অনুপ্রেরণা, ফেলে দেওয়া পেন-পেন্সিল দিয়ে অভিনব দুর্গাপ্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, কোনও কিছুই ফেলে দিতে নেই। ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়েই গড়ে উঠতে পারে অনেক কিছু। এবার হাজার হাজার কালি ফুরানো পেন ও পেন্সিল দিয়ে দৃষ্টিনন্দন দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করলেন নদিয়ার এক গৃহবধূ। প্রায় ৯ মাসের প্রচেষ্টায় এখন পুরোপুরি সম্পূর্ণ দুর্গাপ্রতিমা (Durga Puja 2024) তৈরির কাজ। হ্যাঁ, এমনই এক দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সত্যনগর পাড়ার গৃহবধূ পাপিয়া কর। তিনি একজন পেশায় হস্তশিল্পী। যদিও সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে তাঁর অনেক। সমাজের পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের দেখাশোনা করেন তিনি এবং নির্দিষ্ট সময় বের করে শিক্ষা প্রদান করে। এই নিয়েই বর্তমানে দিন কাটে পাপিয়ার।

    স্বপ্নদীপের মৃত্যুই নাড়িয়ে দিয়েছিল (Durga Puja 2024)

    প্রায় এক বছর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল নদিয়ার যুবক স্বপ্নদ্বীপের। তরতাজা প্রাণ চলে যাওয়ার কারণে তাঁর মনে উঠে এসেছিল প্রতিবাদের ভাবনা। তিনি মনে মনে ভেবেছিলেন, এমন কিছু করে দেখাবেন যেখানে দুর্গামূর্তির মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদ তুলে ধরতে পারেন। এরপর থেকেই সংগ্রহ করতে থাকেন কালি ফুরিয়ে যাওয়া পেন ও পেন্সিল। তার পর থেকেই শুরু করেন দুর্গাপ্রতিমা তৈরির কাজ।

    লক্ষ্য, শিক্ষিত অসুরদের বিনাশ

    প্রায় ৩০ হাজার পেন ও পেন্সিল দিয়ে তৈরি করে ফেলেন দুর্গাপ্রতিমা (Durga Puja 2024), সঙ্গে রয়েছে মা দুর্গার চার সন্তান। কার্তিক, গণেশ, সরস্বতী ও  লক্ষ্মী-প্রত্যেকটি মূর্তি পেন ও পেন্সিল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। নাম দিয়েছেন অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, শুভ শক্তির আগমন হোক, অর্থাৎ কলমকারী দুর্গা। এ প্রসঙ্গে গৃহবধূ পাপিয়ার কথায়,, স্বপ্নদ্বীপের মৃত্যুতে তিনি খুবই ভেঙে পড়েছিলেন, ভেবেছিলেন হয়তো সবাই ঝাঁপিয়ে প্রতিবাদে নামবে। তার পরও ঘটে গেল আরজি করের ডাক্তারি পড়ুয়ার সঙ্গে নৃশংস ঘটনা। তাই শিক্ষিত অসুরদের বিনাশ করতে তিনি প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে দুর্গাপ্রতিমার নাম দিয়েছেন কলমকারী দুর্গা (Durga Puja 2024)। তাঁর তৈরি দুর্গাপ্রতিমা পাড়ি দেবে নদিয়ার রানাঘাট পাইকপাড়া ব্রতী সঙ্ঘের পুজো মণ্ডপে। জানা গিয়েছে, ওই মণ্ডপের থিম তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে, এখন শুধু পুজো আসার অপেক্ষা। একটা সময় কাজের প্রতিভার মধ্যে দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন দিদি নম্বর ওয়ান এবং দাদাগিরির মঞ্চ জি বাংলার রান্নাঘরের মতো জায়গায়। তাঁর পরিচিতি এখন গোটা বাংলা জুড়ে, কারণ তিনি শুধু হস্তশিল্পী নন, প্রতিদিনই অনেক দুঃস্থ পরিবারের ৩০ থেকে ৪০টি বাচ্চার দেখাশোনা করেন। হাতে-কলমে শেখানো হয় পড়াশুনো, পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ২২ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে বিজেপি দফতর ওড়ানোর ছক ছিল জঙ্গিদের, দাবি এনআইএ-এর

    NIA: ২২ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে বিজেপি দফতর ওড়ানোর ছক ছিল জঙ্গিদের, দাবি এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনই বেঙ্গালুরুতে বিজেপির সদর দফতরে আইইডি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিল রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণের অভিযুক্তরা। তদন্তে নেমে চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ (NIA)। এই তথ্য ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    এনআইএ-এর বক্তব্য(NIA)

    ৯ সেপ্টেম্বর, এক বিবৃতি দিয়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি অর্থাৎ এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, রামেশ্বরমে বিস্ফোরণের পিছনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরামে বিজেপির সদর দফতরকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল৷ একই ভাবে এনআইএ আরও দাবি করে, অভিযুক্তরা গত ২২ জানুয়ারি, অযোধ্যায় প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানের দিনেই ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। তবে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় যার পরে, গত মার্চের ১ তারিখ অভিযুক্তরা রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। সেখানে মোট ৯ জন আহত হয়েছিলেন।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    রামেশ্বরম বিস্ফোরণ মামলায় দায়ের করা চার্জশিটে প্রধান অভিযুক্ত হিসেব যে সব দুষ্কৃতীদের নাম রয়েছে, তারা হল—মুসাভির হুসেন শাজিব, আবদুল মতিন আহমেদ ত্বহা, মাজ মুনির আহমেদ এবং মুজাম্মিল শরিফ। এই চারজনকে তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করছে। তাদের বিরুদ্ধে এনআইএ (NIA) আইপিসি (IPC), ইউএপিএ (UAPA) আইন, বিস্ফোরক পদার্থ আইন এবং পিডিএলপি (PDLP) আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে সংযোগ

    এনআইএ (NIA) ২০১২ সাল থেকে লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) বেঙ্গালুরু ষড়যন্ত্র মামলায় মহম্মদ শাহিদ ফয়জালকে পলাতক জঙ্গি হিসাবে নাম প্রকাশ করেছিল৷ নাশকতামূলক কাজের জন্য শাজিব ও ত্বহাকে অর্থ সহায়তা করত ওই জঙ্গি। বিস্ফোরণ মামলায় ফয়জালকে নাশকতামূলক কার্যকলাপে টাকা সরবরাহ করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। ত্বহাকে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের পিছনে মাস্টারমাইন্ড বলে দাখিল করা চার্জশিটে উল্লেখ করেছে এনআইএ। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৩ মার্চ মামলাটি হাতে নেওয়ার পরে বেশ কয়েকটি রাজ্য পুলিশ ইউনিট এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা, বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হয়। জানা গিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে আল-হিন্দ মডিউলটি ভাঙার পর থেকে শাজিব এবং ত্বহা পলাতক হয়ে যায়। পরবর্তীতে তাদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    আল-হিন্দের ১৭ জন সদস্যের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    আল-হিন্দ হল ২০-সদস্যের আইসিস মডিউল। বেঙ্গালুরুতে যার নেতৃত্বে ছিল মেহবুব পাশা, কুড্ডালোর নেতৃত্বে ছিল খোয়াজা মইদিন। আবার বেঙ্গালুরুর গুরুপানপাল্যাতে পাশার আল-হিন্দ ট্রাস্ট অফিস থেকে নাশকতামূলক কাজের পরিকল্পনা করা হত। তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং কেরলেও এই গ্রুপ বেশ সক্রিয় রয়েছে। মূলত জঙ্গলে আত্মগোপন করে ষড়যন্ত্রের কাজ চালানো হত। এমনকী, গভীর জঙ্গলে কীভাবে বেঁচে থাকা যায় তা শিখতে বিখ্যাত চন্দন দস্যু বীরাপ্পনের বইও কিনেছিল জঙ্গিরা। আল-হিন্দের ১৭ জন সদস্যের বিরুদ্ধে এনআইএ (NIA) চার্জশিট দিয়েছে। তাদের প্রধান টার্গেট ছিল হিন্দু ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ অফিসার, সরকারী আধিকারিক এবং নির্দিষ্ট উচ্চ-প্রোফাইল যুক্ত ব্যক্তি।

    আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    ত্বহা ছিল হামলার মূলচক্রী

    এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা জালিয়াতি করে ভারতীয় সিম কার্ড এবং ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি নিয়েছিল। সেই সঙ্গে ডার্ক ওয়েব থেকে ডাউনলোড করা বিভিন্ন ভারতীয় ও বাংলাদেশি পরিচয় নথিও ব্যবহার করেছিল। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে যে, পলাতক জঙ্গি মহম্মদ শাহিদ ফয়জালের সঙ্গে লস্কর জঙ্গি শোয়েব আহমেদ মির্জার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ত্বহা। মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনআইএ-র মতে, ত্বহা ছিল হামলার মূলচক্রী। মুসাভির হোসেন শাজিব ছিল বিস্ফোরণ হামলাকারী। মুজাম্মিল শরিফ, হামলার সরঞ্জাম হিসেবে সিম কার্ড-স্মার্টফোনের সরবরাহ করেছিল। বিস্ফোরণ বাস্তবায়নে মাজ মুনির আহমেদ এবং শোয়েব আহমেদ মির্জা সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rainbow Diet: খাবারের তালিকায় ‘রামধনু’ রয়েছে তো? শরীর ও মন সুস্থ রাখতে কেন এটি জরুরি?

    Rainbow Diet: খাবারের তালিকায় ‘রামধনু’ রয়েছে তো? শরীর ও মন সুস্থ রাখতে কেন এটি জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবন যাপনের ধরনের জেরে বাড়ছে নানা রোগ। হৃদরোগ, স্নায়ুর সমস্যা, স্থূলতা থেকে বন্ধ্যাত্বের মতো জটিল অসুখের অন্যতম কারণ খাবার, এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস কেমন, তার ওপরই সুস্থতা অনেকটা নির্ভর করে। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, কতটা পরিমাণে খাওয়া হচ্ছে, সে দিকে নজরদারি জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, খুব কম বয়স থেকেই নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকবে ‘রামধনু’!  ‘রেইনবো’ খাদ্যাভ্যাস শরীর ও মনকে (Body and Mind) সুস্থ রাখে‌।

    ‘রেইনবো’ খাদ্যাভাস কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, খাবারের তালিকায় রামধনু রাখার অর্থ নির্দিষ্ট কিছু ধরনের সব্জি এবং ফল নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। রামধনুতে (Rainbow Diet) থাকে সাত রকমের রং। নিয়মিত খাবারের তালিকাতেও রাখতে হবে এমন নানা রঙের সব্জি এবং ফল। এই প্রত্যেকটি ফল এবং সব্জির কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টিগুণ রয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট, গাজর, পালং শাক, ব্রকোলি, ডুমুর, রাঙা আলুর মতো সব্জির পাশপাশি পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আপেল, আম, কলা, নাশপাতির মতো ফল নিয়মিত খেতে হবে। তবেই শরীর সুস্থ থাকবে। কিন্তু কেন‌ ডায়েটে রামধনু রাখলে বাড়তি উপকার? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রামধনু সব্জি এবং ফল হিসেবে যেগুলো‌ তালিকায় রাখা হয়, সেগুলো বাড়তি উপকারী। তার কিছু নির্দিষ্ট কারণ আছে বলেও তারা জানিয়েছে। 

    কমলা (Rainbow Diet)

    পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, কমলা রঙের গাজর নিয়মিত খেলে চোখের সমস্যা কমে। বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশই চোখের নানা সমস্যায় ভোগে। নিয়মিত গাজর খেলে রেটিনা ভালো থাকে। পাশাপাশি গাজর অন্ত্রের জন্যও বিশেষ উপকারী। আবার ফলের মধ্যে কমলা রঙের কমলালেবু কিংবা মাল্টা জাতীয় ফল রাখলে শরীরে ভিটামিন সি-র চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায় না।‌ আবার মাল্টা রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। তাই উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমে।

    লাল

    লাল রঙের সব্জি হিসেবে বিট কিংবা টমেটো নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, এতে শরীরে ভিটামিন ই এবং এ-র চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। এর ফলে ত্বক ভালো থাকে। দেহে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। আবার লাল ফল হিসেবে স্ট্রবেরি জাতীয় ফল খেলেও উপকার পাওয়া যায়। এতে চোখের উপকার হয়। এর জেরে শুষ্ক চোখ বা ড্রাই আইয়ের মতো রোগের ঝুঁকিও কমে।

    সবুজ (Rainbow Diet)

    সবুজ সব্জি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত পালং শাক, লাউ, পটলের মতো সবুজ সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই ধরনের সব্জি অন্ত্র এবং লিভারের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত সবুজ সব্জি খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। সবুজ ফল হিসেবে কিউই কিংবা নাশপাতি রাখারও পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের ফলে ফাইবার, ভিটামিন সি থাকে। ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।

    হলুদ

    পেঁপে, কলা কিংবা আমের মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, পরিমিত পরিমাণে এই ধরনের ফল নিয়মিত খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। শিশুর বয়স ছ’মাস হলেই তাকে নিয়মিত একটা কলা খাওয়ানো উচিত। এতে শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রনের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। পেঁপে অন্ত্র ভালো রাখে। এতে হজমের গোলমাল কম হয়। আবার আম (Rainbow Diet) ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। আমে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। এতে শরীর বাড়তি এনার্জি পায়। পাশপাশি হলুদ রঙের বেল পেপার জাতীয় সব্জি নিয়মিত রান্নায় দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    বেগুনি এবং নীল

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, স্থূলতা রুখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে ডায়েট চার্টের এই বেগুনই রং। তারা জানাচ্ছে, নিয়মিত খাদ্য তালিকায় বেগুনের তরকারি রাখা যেতে পারে। কারণ, বেগুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই অল্প পরিমাণ বেগুন খেলেও তাড়াতাড়ি পেট ভরে যায়। তাই স্থূলতা রুখতে বেগুন সাহায্য করে। আবার বেগুনে ভিটামিন বি-সিক্স রয়েছে। এই উপাদান হৃদরোগ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বেগুন (Rainbow Diet) অত্যন্ত উপকারী। 
    পাশপাশি নিয়মিত আঙুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে আঙুর সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 130: “ভক্তিপথ সহজ পথ, তাঁর নামগুনগান কর, প্রার্থনা কর, ভগবানকে লাভ করবে”

    Ramakrishna 130: “ভক্তিপথ সহজ পথ, তাঁর নামগুনগান কর, প্রার্থনা কর, ভগবানকে লাভ করবে”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

       ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    অহঙ্কারবিমূঢ়াত্মা কর্তাহমিতি মন্যতে।
    (গীতা—৩।২৭)

    অহং কিন্তু যায় না—“বজ্জাৎ আমি”—“দাস আমি” 

    যে আমিতে সংসারী করে, কামিনী-কাঞ্চনে (Ramakrishna) আসক্ত করে, সেই আমি খারাপ। জীব ও আত্মার প্রভেদ হয়েছে, এই আমি মাঝখানে আছে বলে। জলের উপর যদি একটা লাঠি ফেলে দেওয়া যায়, তাহলে দুটো ভাগ দেখায়। বস্তুত, এক জল; লাঠিটার দরুন দুটো দেখাচ্ছে।

    অহং-ই এই লাঠি। লাঠি তুলে লও, সেই এক জলই থাকবে।

    বজ্জাৎ আমি কে? যে আমি বলে (Kathamrita), আমায় জানে না? আমার এত টাকা, আমার চেয়ে কে বড়লোক আছে? যদি চোরে দশ টাকা চুরি করে থাকে, প্রথমে টাকা কেড়ে লয়, তারপর চোরকে খুব মারে; তাতেও ছাড়ে না, পাহারাওয়ালাকে ডেকে পুলিসে দেয় ও ম্যাদ খাটায়, বজ্জাৎ আমি বলে, জানে না—আমার দশ টাকা নিয়েছে! এত বড় আস্পর্ধা!

    বিজয়—যদি অহং না গেলে সংসারে আসক্তি যাবে না, সমাধি হবে না, তাহলে ব্রহ্মজ্ঞানের পথ অবলম্বন করাই ভাল, যাতে সমাধি হয়। আর ভক্তিযোগে যদি অহং থাকে তবে জ্ঞানযোগই ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দুই-একটি লোকের সমাধি হয়ে ‘অহং’ যায় বটে, কিন্তু প্রায় যায় না। হাজার বিচার কর, ‘অহং’ ফিরে ঘুরে এসে উপস্থিত। আজ অশ্বত্থগাছ কেটে দাও, কাল আবার সকালে দেখ ফেঁকড়ি বেরিয়েছে। একান্ত যদি ‘আমি’ যাবে না, থাক শালা ‘দাস আমি’ হয়ে। ‘হে ঈশ্বর! তুমি প্রভু, আমি দাস’ এইভাবে থাক। ‘আমি দাস’, ‘আমি ভক্ত’ এরূপ ‘আমিতে’ দোষ নাই; মিষ্ট খেলে অম্বল হয়, কিন্তু মিছরি মিষ্টির (Kathamrita) মধ্যে নয়।

    জ্ঞানযোগ ভারী কঠিন। দেহাত্মবুদ্ধি না গেলে জ্ঞান হয় না। কলিযুগে অন্নগতপ্রাণ—দেহাত্মবুদ্ধি, অহংবুদ্ধি যায় না। তাই কলিযুগের পক্ষে ভক্তিযোগ। ভক্তিপথ সহজ পথ। আন্তরিক ব্যাকুল হয়ে তাঁর নামগুনগান কর, প্রার্থনা কর, ভগবানকে (Ramakrishna) লাভ করবে, কোন সন্দেহ নাই।

    যেমন জলরাশির উপর বাঁশ না রেখে একটি রেখা কাটা হয়েছে। যেন দুই ভাগ জল। আর রেখা অনেকক্ষণ থাকে না। দাস আমি, কি ভক্তের আমি, কি বালকের আমি—এরা যেন আমির রেখা মাত্র।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “মায়া বা অহং যেন মেঘের স্বরূপ, সামান্য মেঘের জন্য সূর্যকে দেখা যায় না…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 129: “লণ্ঠনের ভিতর আলো দর্শন হয় কিন্তু স্পর্শ হয় না; ছুঁই ছুঁই বোধ হয়, কিন্তু ছোঁয়া যায় না”

    Ramakrishna 129: “লণ্ঠনের ভিতর আলো দর্শন হয় কিন্তু স্পর্শ হয় না; ছুঁই ছুঁই বোধ হয়, কিন্তু ছোঁয়া যায় না”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    অহঙ্কারবিমূঢ়াত্মা কর্তাহমিতি মন্যতে।
    (গীতা—৩।২৭)

     সপ্তভূমি—অহংকার কখন যায়— ব্রহ্মজ্ঞানের অবস্থা 

    জ্ঞানলাভ হলে অহংকার যেতে পারে। জ্ঞানলাভ হলে সমাধিস্থ হয় (Kathamrita)। সমাধিস্থ হলে তবে অহং যায়। সে জ্ঞানলাভ (Ramakrishna) বড় কঠিন।

    বেদে আছে (Kathamrita) যে, সপ্তমভূমিতে মন গেলে তবে সমাধি হয়। সমাধি হলেই তবে অহং চলে যেতে পারে। মনের সচরাচর বাস কোথায়? প্রথম তিনভূমিতে। লিঙ্গ, গুহ্য, নাভি—সেই তিনভূমি, তখন মনের আসক্তি কেবল সংসারে—কামিনী-কাঞ্চনে। হৃদয়ে যখন মনের বাস হয়, তখন ঈশ্বরীয় (Ramakrishna) জ্যোতিঃদর্শন হয়। সে ব্যক্তি জ্যোতিঃদর্শন করে বলে একি! একি! তারপর কণ্ঠ। সেখানে যখন মনের বাস হয়, তখন কেবল ঈশ্বরীয় কথা কহিতে ও শুনিতে ইচ্ছা হয়। কপালে—ভ্রূমধ্যে—মন গেলে তখন সচ্চিদানন্দরূপে দর্শন হয়, সেই রূপের সঙ্গে আলিঙ্গন স্পর্শন করতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু পারে না। লণ্ঠনের ভিতর আলো দর্শন হয় কিন্তু স্পর্শ হয় না; ছুঁই ছুঁই বোধ হয়, কিন্তু ছোঁয়া যায় না। সপ্তমভূমিতে মন যখন যায়, তখন অহং আর থাকে না—সমাধি হয়।”

    বিজয়—সেখানে পৌঁছিবার পর যখন ব্রহ্মজ্ঞান হয়, মানুষ কি দেখে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সপ্তমভূমিতে মন পৌঁছিলে কি হয় মুখে বলা যায় না।

    জাহাজ একবার কালাপানিতে গেলে আর ফিরে না। জাহাজের খপর পাওয়া যায় না। সমুদ্রের খপরও জাহাজের কাছে পাওয়া যায় না।

    নুনের ছবি সমুদ্র মাপতে গিছিল। কিন্তু যাই নেমেছে, অমনি গলে গেছে! সমুদ্র কত গভীর কে খপর দিবেক? যে দিবে, সে মিশে গেছে। সপ্তমভূমিতে মনের নাশ হয়, সমাধি হয়। কি বোধ হয়, মুখে বলা (Kathamrita) যায় না।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 11 September 2024: সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 11 September 2024: সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পারিবারিক ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো হবে।

    ২) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে ক্রোধের প্রকাশ ঘটাবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) দাম্পত্য কলহ হতে পারে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধি বাড়তে দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: সেন বাড়ির পুজোয় দেবীর ভোগে ব্যবহৃত হয় না তেল, হলুদ, লবণ! নিষিদ্ধ পশুবলিও

    Durga Puja 2024: সেন বাড়ির পুজোয় দেবীর ভোগে ব্যবহৃত হয় না তেল, হলুদ, লবণ! নিষিদ্ধ পশুবলিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার খাগড়ায় তিন নম্বর গিরিজা চক্রবর্তী লেনের সেন বাড়ির আদি দুর্গাপুজোর মাহাত্ম্যই আলাদা। বংশধর সুবীর সেন জানালেন, এই বাড়ির উৎসব ১৮৯৬ সালে রাধাকৃষ্ণ সেনের হাত ধরে শুরু হয়েছিল। যদিও এক্ষেত্রে আসল ভূমিকা গ্রহণ করেন তাঁরই বাল্যবিধবা কন্যা বিন্দুবাসিনী দেবী, যিনি অনেক আগে থেকেই এখানে জগদ্ধাত্রী পুজো করতেন বলে জানা যায়। এই পুজোর শুভ সূচনা হয় সোজা রথের দিন। এদিন পুরোহিত এবং মৃৎশিল্পীরা প্রতিমার কাঠামোতে গঙ্গামাটির প্রলেপ দিয়ে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। দুর্গাপ্রতিমা গড়া হয় বাড়ির ঠাকুরদালানে। মূল পুজো শুরু হয় ষষ্ঠীতে কলস এবং গারু সহযোগে ভাগীরথী থেকে ঘট স্নানের মাধ্যমে। বাড়িতে সাত রকমের ফল, বেলপাতা ও সোলার কদম ফুল দিয়ে তৈরি হয় রচনা। ষষ্ঠীর দিন বাড়ির ঠাকুরদালানে এটি টাঙানো হয়। এটি সেন বাড়ির পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

    নবমীতে আখ ও চালকুমড়ো বলি

    এই সেন বাড়ি্র পুজোয় বেশ কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সন্ধি পুজোতে ১৩৮টি পদ্ম, ১০৮টি ঘিয়ের প্রদীপ এবং ১০৮টি বেলপাতা দেবীকে নিবেদন করা হয়। পুজো হয় বৈষ্ণব মতে। তাই এই পুজোতে পশুবলি নিষিদ্ধ। তবে নবমীতে আখ ও চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। সেন বাড়ির দশমীর পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য অপরাজিতা পুজোঘট বিসর্জন। দর্পণে বিসর্জনের মাধ্যমে পুজোর সমাপ্তি ঘটে। দশমীর দিন বিকেল বেলায় স্থানীয় মুটিয়াদের কাঁধে চেপে বাড়ির দিকে মুখ করে রওনা দেন মা দুর্গা।

    মাহাত্ম্য কম নয়

    সেন বাড়িতে ভোগ হয় নিরামিষ। এখানে কখনই দেবীকে রান্না করা অন্য ভোগ দেওয়া হয় না। এর পরিবর্তে লুচি, বিভিন্ন তরকারি, শাকভাজা, পাঁপড় ও বাড়িতে তৈরির নারকেলের নাড়ু দেওয়া হয়। নবমীর জন্য পাকা কলার বড়া, পটলপোড়া টক, পালং শাক দেওয়ার রেওয়াজ এখনও রয়েছে। দেবীর ভোগে কোনও রকম তেল, হলুদ, লবণ ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে গাওয়া ঘি  আর লবণের পরিবর্তে সন্দক লবণ ব্যবহার করা হয়। ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত প্রতিদিন ১৭টি করে নৈবেদ্য দেওয়া হয়। এই দুর্গাপুজোর মাহাত্ম্য কম নয়। শোনা যায়, আজ থেকে বহু বছর আগে সপ্তমীর ঘট ভরে ফেরার পথে কোনও ভাবে ভুলক্রমে পুরোহিতের পা স্পর্শ করে ওই দিনই তাঁর মৃত্যু ঘটে। ঠাকুরের মহিমায় পুজো অতীতের সেই নিয়ম, রীতি-নিষ্ঠা বজায় রেখে আজও চলছে।

    বরাবরই মহিলাদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য

    এই বাড়ির পুজো শুরু হয়েছিল বিন্দুবাসিনী দেবীর ইচ্ছা অনুসারে। পরবর্তী সময়ে সুচন্দ বদনী দেবী তাঁর নিষ্ঠা, ভক্তি, একাগ্রতা ও সাধনার মাধ্যমে এই পুজোকে আগলে রেখেছিলেন। মূলত তাঁরই উদ্যোগে এই বাড়িতে কয়েক বছর সন্ধিপুজোর সময় কুমারী পুজো অনুষ্ঠিত হত। পরবর্তীকালে তাঁর মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠ পুত্র বধুশর্মা সেন আমৃত্যু পুজোর প্রতি কর্তব্যে অবিচল ছিলেন। ১৯৭৪ সালে যোগেশচন্দ্র সেন এবং ১৯৭৯ সালে সুচন্দ্র বদনী দেবীর মৃত্যুর পর তাঁদের বংশধররা এই পুজো চালাতে থাকেন। সুচন্দ বদনী দেবীর ষষ্ঠ পুত্র স্বর্গীয় প্রশান্ত কুমার। তিনি সিভিল সার্ভিস অফিসার। প্রশান্তবাবু পুজো পরিচালনা, সংস্কার ও অন্যান্য বিষয়ে মনোযোগী হয়ে ওঠেন। মূলত তাঁরই উদ্যোগে দশমীর সন্ধ্যায় দেবীর নৌকায় ভাগীরথী ভ্রমণ সম্ভব হয়ে উঠেছিল।

    বহু উত্থান-পতন, পারিবারিক কলহ, পরিবারের সদস্যদের পেশাগত কারণে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া তথা জমিদারি প্রথা বিলোপের সাক্ষী সেনবাড়ির এই দুর্গাপুজো। সুবীর সেন বলেন, মহালয়ার দিন মহামায়ার নেত্রদান করা হয়। সবুজ বর্ণের মহিষাসুরের সঙ্গে মহিষ অনুপস্থিত। এই সেন বাড়ির দেবী দুর্গা ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে যে শাল কাঠের কাঠামোতে শুরু হয়েছিল, আজ অবধি সেই শাল কাঠের কাঠামোতেই পুজো হয়ে আসছে বলে জানান সেন বংশের বংশধর সুবীর সেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share