Author: user

  • WB JECA 2023: “জেকা ২০২৩” এর আবেদন শুরু হয়েছে, জানুন বিস্তারিত

    WB JECA 2023: “জেকা ২০২৩” এর আবেদন শুরু হয়েছে, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড WB JECA 2023 এর রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অনলাইনে আগ্রহী প্রার্থীরা এই আবেদন করতে পারবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ অবধি। বোর্ডের সিডিউল অনুযায়ী জানা যাচ্ছে এ বছরের WB JECA 2023 পরীক্ষা হবে ৮ জুলাই। আবেদন করার জন্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইটটি হল wbjeeb.nic.in.
     

    WB JECA 2023 পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা কী

    বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে এই পরীক্ষায় বসতে গেলে প্রার্থীদের অবশ্যই স্নাতক স্তরে ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে সাধারণ তালিকাভুক্ত ছাত্রদের। অন্যদিকে সংরক্ষিত তালিকার প্রার্থীদের ৪৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতক পাশ করলেই হবে এবং তার সঙ্গে প্রার্থীদেরকে স্নাতক স্তরের অন্যতম বিষয় হিসেবে গণিতে ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বা তার সমতুল পরীক্ষাতেও ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে গণিতে।

    আরও পড়ুন: সিবিএসই বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষায়, বিজ্ঞান বিভাগে ভাল রেজাল্ট করতে কিছু টিপস

    টেকনিক্যাল শাখার সাধারণ তালিকাভুক্ত ছাত্রদের তাদের স্নাতক স্তরের পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর পেলেই হবে এবং সংরক্ষিত তালিকার প্রার্থীদের ৪৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। আবশ্যিক বিষয় হিসেবে স্নাতক স্তরে গণিত থাকতেই হবে।

    কীভাবে আবেদন করবেন

    ধাপ- ১  প্রথমে WB JECA 2023 এর  অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে

    ধাপ- ২ এরপর রেজিস্ট্রেশন লিংকে ক্লিক করতে হবে

    ধাপ-৩ লগ ইন করে যাবতীয় তথ্য সেখানে দিতে হবে

    ধাপ-৪ সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি ওই ওয়েবসাইটে অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে আপলোড করতে হবে

    ধাপ-৫ এরপর আবেদন ফি জমা দিতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে এবং ফাইনাল সাবমিশন করতে হবে

    আরও পড়ুন: জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষা ২০২৩ শুরু হচ্ছে ২৪ জানুয়ারি থেকে, পরীক্ষা পদ্ধতিতে এল বদল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Hindu: ভারতে জন্মগ্রহনকারী প্রত্যেকেই হিন্দু: কেরলের রাজ্যপাল

    Hindu: ভারতে জন্মগ্রহনকারী প্রত্যেকেই হিন্দু: কেরলের রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান শনিবার বলেন যে ভারতে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছে তাঁরা প্রত্যেকেই হিন্দু (Hindu)। এবং তিনি নিজেও তাই। এদিন উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী কেরলের হিন্দুরা একটি হিন্দু (Hindu) সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন, তিরুবনন্তপুরমে এই সম্মেলনের  উদ্বোধনী ভাষণে একথা বলতে শোনা যায় রাজ্যপালকে।

    স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের প্রসঙ্গও টেনে আনেন রাজ্যপাল

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের নামও এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন কেরলের রাজ্যপাল। তিনি বলেন, সৈয়দ আহমেদ খানও নিজেকে হিন্দু (Hindu) বলতেন। শুধু তাই নয় আর্যসমাজের সদস্যদের তিনি (স্যার সৈয়দ আহমেদ খান) বলতেন, “আপনারা আমাকে হিন্দু (Hindu) বলেন না কেন? এদেশের জল এবং খাবারে যারা পুষ্ট তারা সবাই হিন্দু। হিন্দু (Hindu) হল ভৌগোলিক শব্দ। তাই আপনারা আমাকে অবশ্যই হিন্দু বলবেন”।

    প্রসঙ্গত, কেরালা হিন্দুস (Hindu) অফ নর্থ আমেরিকা (KHNA) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। সম্মেলনের সমাপ্ত ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরালীধরন। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী সমস্ত মানুষদের এক ছাদের তলায় একত্রিত হওয়ার সময় এসেছে এবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Cardiovascular Disease: করোনা কালে আমেরিকাতে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে: রিপোর্ট

    Cardiovascular Disease: করোনা কালে আমেরিকাতে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে: রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার সময়কালে মৃত্যুর কারন নিয়ে একটি সমীক্ষা হয় আমেরিকাতে, আর তাতেই দেখা যাচ্ছে করোনার প্রথম বছর থেকেই হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা আমেরিকাতে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে দেখা যাচ্ছে।

    সমীক্ষায় কী দেখা যাচ্ছে

     একটি পরিসংখ্যান বলছে সে দেশে ২০১৯-২০২০তে করোনার প্রথম ঢেউ যখন আসে তখন হৃদরোগে (Cardiovascular Disease) মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছিল ৬.২ শতাংশ। ২০১৯ সালে যেখানে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৮,৭৪,৬১৩, ২০২০ সালে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ ,২৮ ,৭৪১। শুধুমাত্র তাই নয়, এই পরিসংখ্যান বলছে এখনও অবধি সে দেশে রেকর্ড হৃদরোগে (Cardiovascular Disease) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল ২০০৩ সালে, ওই বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হৃদরোগে (Cardiovascular Disease) মারা গেছিলেন ৯,১০,০০০ জন মানুষ। সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গেছে করোনার সময় হৃদরোগে (Cardiovascular Disease) মৃত্যুর সংখ্যা। ইতিমধ্যে একটি পূর্ববর্তী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাৎসরিক মৃত্যুর হারেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিগত বছরগুলির রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে করোনার সময় সে দেশে মৃত্যুর হার।

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি এজিং জিন ১০ বছর পর্যন্ত কমাতে পারে হৃদয়ের বয়স, জানাচ্ছে গবেষণা

    ওই সমীক্ষায় আরও দেখা যাচ্ছে করোনার প্রথম ঢেউ এর সময় অর্থাৎ ২০২০ সাল থেকে, সে দেশে একই রকমের বয়সের মানুষদের মৃত্যুর হার কমেছে কিন্তু সামগ্রিকভাবে মৃত্যুর হার অনেকটাই বেড়েছে দেখা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দূর করতে আসছে নতুন ইঞ্জেকশন

    ওই গবেষণায় আরও দেখা যাচ্ছে যে সামগ্রিকভাবে হৃদরোগে (Cardiovascular Disease) মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে এশিয়ানদের মধ্যে, ব্ল্যাক এবং হিস্প্যানিক মানুষদের মধ্যে।
    ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, 
    করোনার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ প্রভাব পড়ছে আমেরিকাতে সামগ্রিক হার্টের স্বাস্থ্যের উপরে, হার্টকে সরাসরি সংক্রমিত করার ক্ষমতা রয়েছে করোনা ভাইরাসের।

    আরও পড়ুন: একাকিত্বের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বাড়তি ওজনের, দাবি গবেষকদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Comet: পঞ্চাশ হাজার বছর পরে ভারতের আকাশে দেখা যাবে এই ধূমকেতু

    Comet: পঞ্চাশ হাজার বছর পরে ভারতের আকাশে দেখা যাবে এই ধূমকেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসছে সবুজ ধূমকেতু (Comet)। গত বছরের ২ মার্চ ক্যালিফোর্নিয়ার পালোমার অবজারভেটরি সংস্থা মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত একটি গবেষণা চালায়। ওই গবেষণায় C/2022 E3 (ZTF) নামের এই ধূমকেতুর বিষয়ে সর্বপ্রথম জানা যায়। প্রথম এই ধূমকেতুর বিষয়ে খোঁজ দেয় Zwickey Transient Facility (ZTF). জানা যাচ্ছে ১ ফেব্রুয়ারি এই ধূমকেতু পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসতে চলেছে অর্থাৎ আমাদের পৃথিবীর সীমাক্ষেত্রের ২৬ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে চলে আসবে। গত ১২ জানুয়ারি সূর্যের নিকটতম বিন্দুর কাছে পৌঁছে যায় এই ধূমকেতু (Comet) এবং তারপর থেকে ৩৪ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করছিল পৃথিবী থেকে।

    ধুমকেতুর (Comet) খুঁটিনাটি

    জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা বলেন যে ধূমকেতু হল বিভিন্ন গ্যাস, ধুলো এবং শিলা দ্বারা গঠিত এক ধরনের বস্তু যা গ্রহের মতোই নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে, কোনও কোনও মহাকাশ বিজ্ঞানী এই ধূমকেতুকে মহাজাগতিক তুষারবল বলেও উল্লেখ করেন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন এই  ধূমকেতুগুলি যখনই কোনও নক্ষত্রের কাছে আসে তখন তারমধ্যে বিকিরণ বাড়তে থাকে এবং সেইসঙ্গে  ধূমকেতুর মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। এই জাতীয় বিস্ফোরণগুলির পরে  ধূমকেতু থেকে অনবরত গ্যাস ও ধ্বংসাবশেষ নির্গত হতে থাকে। বর্তমানে, C/2022 E3 (ZTF) নামের এই  ধূমকেতুকে (Comet) উত্তর গোলার্ধে রাতের আকাশে দেখা যাচ্ছে।
    জানা যাচ্ছে এই ধূমকেতু (Comet) বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় একটি চক্রাকার বস্তুর মতো অবস্থায় রয়েছে, আগামীকাল ২৯ জানুয়ারি এই  ধূমকেতুর প্রভাবে চাঁদের আলো ক্রমশ বাড়তে থাকবে বলে জানা যাচ্ছে, ২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সারারাত চাঁদের উজ্জ্বল আলো পাওয়া যাবে। পৃথিবীর যত কাছাকাছি আসবে এই  ধূমকেতু (Comet) তত উজ্জ্বলতা বাড়তে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অবস্থা চলবে। ভারতের মধ্যে ওড়িশাতে ৩০ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খালি চোখে এই  ধূমকেতুকে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৫০,০০০ বছর পরে এই  ধূমকেতুকে (Comet) পৃথিবীর আকাশে দেখা যাবে। 
    ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ধূমকেতুকে (Comet) খালি চোখে আর দেখা যাবে না। রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবার্ট মেসি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন এপ্রিল মাসের মধ্যে এই  ধূমকেতু সূর্যের খুব কাছাকাছি চলে যাবে, তখন টেলিস্কোপ দিয়েও এই  ধূমকেতুকে দেখা কঠিন হয়ে পড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

    Comet:পঞ্চাশ হাজার বছর পরে ভারতের আকাশে দেখা যাবে এই ধূমকেতু

  • Lachit Barphukan: প্রজাতন্ত্র দিবসে অসমের ট্যাবলোতে লাচিত বরফুকন, জানেন কে ছিলেন তিনি?

    Lachit Barphukan: প্রজাতন্ত্র দিবসে অসমের ট্যাবলোতে লাচিত বরফুকন, জানেন কে ছিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) বিভিন্ন কার্যকলাপের ট্যাবলো দেখা গেল। গত বছরে লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) ৪০০ তম জন্মদিনে নতুন দিল্লিতে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যেগুলিতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হাজির ছিলেন।
    অসমের এই ট্যাবলোতে দেখা যাচ্ছে ১৬৭১ সালের বিখ্যাত সরাইঘাটের যুদ্ধের বিভিন্ন থিম। যেখানে লাচিত বরফুকনকে (Lachit Barphukan) দেখা যাচ্ছে তাঁর সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিতে। একটি নৌকার উপরে চড়ে আছেন তিনি, সঙ্গে রয়েছে তাঁর বাহিনী। অসমের ট্যাবলোতে এবার অবশ্য কামাখ্যা মন্দিরও উছে এসেছে।

    আরও পড়ুন: কালনাতে ব্যাপক জনপ্রিয় সরস্বতী পুজো, এবছর কোন ক্লাব কী থিম করল জানেন?

    আসামের কালচারাল অ্যাফেয়ার্স এর ডিরেক্টর মীনাক্ষী দাস নাথ বলেন এই ট্যাবলোতে কামাখ্যা মন্দিরকেও রেখেছি  আমরা। কামাখ্যা মন্দির হল নারী শক্তির অন্যতম প্রতীক।

    কে ছিলেন লাচিত বরফুকন (Lachit Barphukan)

    আহোম সাম্রাজ্যের সাহসী ও পরাক্রমী সেনাপতি ছিলেন লাচিত বরফুকন
    । ১৬৭১ সালে সরাইঘাটের যুদ্ধে তিনি বিশাল মোঘল সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে মোঘল সাম্রাজ্যকে চিরকালের জন্য অসম থেকে দূর করেছিলেন বলে জানা যায়। লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) বীরত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর ২৪ নভেম্বর তারিখ অসমে লাচিত দিবস পালন করা হয়।

    শোনা যায়, সরাইঘাট যুদ্ধের সময় লাচিত বরফুকন (Lachit Barphukan) মোঘলদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আহোম সেনাদের একটি দেওয়াল নির্মাণ করার আদেশ দিয়েছিলেন। লাচিতের নিজের মামা এই দেওয়াল নির্মাণের দ্বায়িত্বে ছিলেন কিন্তু অলসতার কারণে পর্যাপ্ত সময়ের মধ্যে দেওয়াল নির্মাণের কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। এই অপরাধে লাচিত তাঁর নিজের মামার শিরশ্ছেদ করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, মামার শিরশ্ছেদ করার সময় লাচিতের (Lachit Barphukan) উক্তি ছিল “দেশতকৈ মোমাই ডাঙর নহয়” যার বাংলা মানে জন্মভূমি থেকে মামার স্থান বড় নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Narendra Modi: কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে ভারত মিশরের মধ্যে

    Narendra Modi: কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে ভারত মিশরের মধ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি হয়ে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট ভারতবর্ষে এসেছেন। আজকে দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট। মিশরীয় সেনাবাহিনীর ছোট্ট একটি দলও এদিন কুচকাওয়াজে অংশ নেবে বলে জানা গেছে। গতকালই মিশরীয় প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে স্বাগত জানিয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সমেত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রীর।

    কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে দুই দেশের মধ্যে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিশরীয় প্রেসিডেন্টের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা যাচ্ছে। 
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিশর হল আফ্রিকা মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষেত্র। শুধুমাত্র তাই নয় বিভিন্ন আরব দেশগুলির সঙ্গে মিশরের সম্পর্কও বেশ ভাল। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কূটনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ২০১৫ সালে ইন্ডিয়া-আফ্রিকা সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছিল নয়া দিল্লিতে। তখন বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের রাষ্টপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। 

     ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সম্প্রতি পরিসংখ্যান বলছে ভারত এবং মিশরের মধ্যে ব্যবসা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ২০২১-২০২২ আর্থিক বছরে এই ব্যবসা দাঁড়িয়েছে ৭২০ কোটি, ২০২০-২০২১ আর্থিক বছরের থেকে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
    মিশরের কাছে ভারতের আর্থিক বাজার হল একটা বড় ব্যবসার ক্ষেত্র। জানা যাচ্ছে যে মিশর যে সমস্ত দেশগুলিতে পণ্য রপ্তানি করে সেই দেশগুলির মধ্যে ভারতের স্থান তৃতীয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত মজবুত হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাও বাড়বে দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনার ভিত্তিতে।
    মিশরের অন্যতম সুবিধা হল এর ভৌগোলিক অবস্থান। ঠিক এই দেশের পাশেই সুয়েজ ক্যানাল। পরিসংখ্যান বলছে যে পৃথিবীর মোট যা বাণিজ্যিক পণ্য তার ১২ শতাংশই সুয়েজ ক্যানেলের উপর দিয়ে যাতায়াত করে। সরলভাবে বললে ৭০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা সুয়েজ ক্যানেল এর উপর দিয়ে হয় প্রতি বছর। যার মধ্যে ১০ শতাংশ হল তেল এবং ৮% হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। ভারতের বিভিন্ন রকমের রপ্তানি সুয়েজ ক্যানেলের উপর দিয়ে হয়। যেগুলি ইউরোপ মহাদেশের বাজারে বিক্রি করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিশরীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

    প্রতিরক্ষা

    আরব দেশগুলির মধ্যে মিশরীয় সেনাবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী বলেই মনে করে বিশেষজ্ঞরা। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত মিশরের সম্পর্ক ১৯৬০ এর দশক থেকেই চলছে বলে জানা যাচ্ছে , সেসময় HA-300 aircraft তৈরি করতে দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টা ছিল।
    ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মিশরে এই মুহূর্তে কর্মসূত্রে থাকেন ৩২০০ ভারতীয়। প্রযুক্তিও দুই দেশের আলোচনার অন্যতম বিষয়। তার মধ্যে বায়োটেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Abdel Fattah El-Sisi: রাষ্ট্রপতি ভবনে মিশরীয় প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী

    Abdel Fattah El-Sisi: রাষ্ট্রপতি ভবনে মিশরীয় প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে এবারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ আল-সিসি (Abdel Fattah El-Sisi)। গতকালই তিনি ভারতে এসে পৌঁছেছেন। জানা যাচ্ছে প্রথম কোনও প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। ভারতে তাঁকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইটও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    মিশরের প্রেসিডেন্ট ফতেহ আল-সিসিকে (Abdel Fattah El-Sisi) স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটে লিখেছেন, “ভারতে স্বাগত জানাই প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ আল-সিসিকে (Abdel Fattah El-Sisi)। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হয়ে ভারতে আপনার ঐতিহাসিক সফর দেশবাসীর জন্য খুবই খুশির বিষয়। আগামী কাল আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম”।

    কোন কোন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি

    কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারি, চারদিনের জন্য ভারত সফরে এসেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ আল-সিসি (Abdel Fattah El-Sisi)। গতকাল সন্ধ্যায় নতুন দিল্লিতে তিনি পা রাখেন। তাঁকে ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। বুধবার রাষ্ট্রপতি ভবনে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবদেল ফতেহ আল-সিসিকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর আজকে(বুধবার) রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আবদেল ফতেহ আল-সিসির একান্তে বৈঠক হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। আজ সন্ধ্যায় মিশরের প্রেসিডেন্টের ভারতে আগমন উপলক্ষ্যে বিশেষ আতিথেয়তার আয়োজন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এমনটাই জানিয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবন।

    আগামীকাল ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আবদেল ফতেহ এল-সিসি। মিশরের প্রেসিডেন্ট তো থাকবেনই, তাঁর সঙ্গে মিশরীয় সেনাবাহিনীর একটি  ছোট দলও প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

    আরও জানা গেছে, আগামী ২৭ জানুয়ারি উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ আল-সিসি। এছাড়া ওই দিন ভারতের বেশ কিছু শিল্পপতির সঙ্গেও তাঁর একটি বৈঠক হবে বলে জানা গেছে। এরপর তাঁর কায়রো ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Michael Madhusudan Dutta: মধুকবির জন্মদিনে তাঁর জীবনকথা জানুন

    Michael Madhusudan Dutta: মধুকবির জন্মদিনে তাঁর জীবনকথা জানুন

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: মধু কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (Michael Madhusudan Dutta)  আজকের দিনে ১৮২৪ সালে অধুনা বাংলাদেশের যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাজনারায়ণ দত্ত ও তার প্রথমা পত্নী জাহ্নবী দেবীর একমাত্র সন্তান। কাজী নজরুল ইসলামের মতো তাঁকেও অনেক ক্ষেত্রে বিদ্রোহী কবি বলা হয়ে থাকে। প্রহসন এবং নাটক লেখাতে তিনি অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাঙলার নবজাগরণের সময়ে তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য সাহিত্যিক।

    শিক্ষাজীবন

    শৈশবে মাতা জাহ্নবী দেবীর কাছেই তিনি রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ প্রভৃতি গল্পের ছলে শুনতেন। সাগরদাঁড়িতেই মধুসূদন দত্তের বাল্যকাল অতিবাহিত হয় বলে জানা যায়। তেরো বছর বয়সে মধুসূদন দত্ত (Michael Madhusudan Dutta)  যখন কলকাতায় আসেন, তখন তাঁর বয়স ১৩। এরপর তিনি হিন্দু কলেজে (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। হিন্দু কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ডিরোজিওর ভাবনাতেও তিনি গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন বলে জানা যায়। তাঁর সহপাঠীদের মধ্যে ছিলেন ভূদেব মুখোপাধ্যায়, রাজনারায়ণ বসু, গৌরদাস বসাক, প্যারীচরণ সরকার প্রমুখ, যাঁরা পরবর্তীকালে নিজের নিজের ক্ষেত্রে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিদেশে গিয়ে মহাকবি হওয়াকে তিনি জীবনের লক্ষ্য মেনে নেন। 

    খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ

    ১৮৪৩ সালে রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে মধুসূদন (Michael Madhusudan Dutta)  খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। এরপর ওই বছরেই ৯ ফেব্রুয়ারি মিশন রো-তে অবস্থিত ওল্ড মিশন চার্চ নামে এক অ্যাংলিক্যান চার্চে গিয়ে তিনি খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন। তাঁকে দীক্ষিত করেছিলেন পাদ্রী ডিলট্রি। তখন থেকে মধুসূদন দত্ত (Michael Madhusudan Dutta)  পরিচিত হন “মাইকেল মধুসূদন দত্ত” নামে। জানা যায় পুত্রের এমন সিদ্ধান্তের কারণে রাজনারায়ণ দত্ত তাঁর বিধর্মী পুত্রকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন।

    কর্মজীবন

     পড়াশোনা শেষ করে মধুকবি (Michael Madhusudan Dutta)  তৎকালীন মাদ্রাজ বর্তমানে চেন্নাইতে চলে যান। কথিত আছে, নিজের পাঠ্যপুস্তক বিক্রি করে সেই টাকায় মাদ্রাজ গিয়েছিলেন তিনি। স্থানীয় খ্রিষ্টানদের সাহায্যে এখানে তিনি একটি স্কুলে ইংরেজি শিক্ষকের চাকরি পান। তখন থেকেই বিভিন্ন ইংরেজি পত্রিকায় লিখতে শুরু করেন মধুকবি। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই তিনি দ্য ক্যাপটিভ লেডি নামের প্রথম কাব্যটি রচনা করেন। লেখক হিসাবে সুনাম ছড়িয়ে পড়ে কবির। 
    মাদ্রাজে থাকাকালীন তিনি রেবেকা ম্যাকটিভিস নামে এক ইংরেজ তরুণীকে বিবাহ করেন। মাদ্রাজ থেকে চলে যাওয়ার আগে রেবেকার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাঁর। এরপর কবি ইংল্যান্ডে আইন নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন সেখান থেকে ১৮৬০ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে চলে যান। এখানেই এমিলিয়া হেনরিয়েটা সোফিয়া নামে এক ফরাসি তরুণীকে বিবাহ করেন তিনি। বিদেশে গিয়ে নিদারুণ দারিদ্রে দিন কাটতে থাকে তাঁর। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তিনি আইন পড়া শেষ করে ভারতে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন । এমত অবস্থায় বন্ধু গৌরদাস বসাককে মধু কবি দ্য ক্যাপটিভ লেডি উপহার পাঠান, গৌরদাস সেটিকে বেথুন সাহেবের কাছে উপহার হিসেবে পাঠান। অভিভূত বেথুন সাহেব মধু কবিকে চিঠি লিখে দেশে ফিরে আসতে বলেন এবং বাংলায় সাহিত্য রচনা করতে পরামর্শ দেন। ১৮৫৬ সালে মধুসূদন (Michael Madhusudan Dutta)  কলকাতায় ফিরে আসেন। এইসময়ই তিনি লেখেন,

    হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;–
    তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
    পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
    পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
    কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি!
    অনিদ্রায়, অনাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
    মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;–
    কেলিনু শৈবালে, ভুলি কমল-কানন!

    স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে, —
    “ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
    এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
    যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যারে ফিরি ঘরে।”
    পালিলাম আজ্ঞা সুখে’ পাইলাম কালে
    মাতৃভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণিজালে‍‍‍‍‍‍‍‍‍‌‌‌।। 

    উল্লেখযোগ্য রচনা

    ১৮৬০ সালে তিনি রচনা করেন দুটি প্রহসন, ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এবং একটি নাটক ‘পদ্মাবতী’। ওই বছরেই তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখেন ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্য। এরপর একে একে তিনি রচনা করেন ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ (১৮৬১) ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬১), ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক (১৮৬১), ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।

    ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর সমাধিস্থলে লেখা রয়েছে,

    ‘দাঁড়াও পথিকবর, জন্ম যদি তব
    বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধি স্থলে
    (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি
    বিরাম) মহীর পদে মহা নিদ্রাবৃত
    দত্তকুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদন!
    যশোরে সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ-তীরে
    জন্মভূমি, জন্মদাতা দত্ত মহামতি
    রাজনারায়ণ নামে, জননী জাহ্নবী’
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

  • টাকা দেয়নি পাকিস্তান! তেল সরবরাহ বন্ধ করল সংস্থাগুলি  

    টাকা দেয়নি পাকিস্তান! তেল সরবরাহ বন্ধ করল সংস্থাগুলি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেল সংকটে ভুগছে পাকিস্তান (Pakistan)। রাজধানী ইসলামাবাদ সমেত বেশ কিছু শহরে পেট্রোল পাম্পগুলিতে বাইক এবং অন্যান্য গাড়ির লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। একথা জানা যাচ্ছে সেদেশের কিছু জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থার সূত্রে। যেমন ডন পত্রিকা জানাচ্ছে, তেল কোম্পানিগুলি হঠাৎ করেই তাদের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে যার ফলে শুরু হয়েছে এই সংকট।
    পাকিস্তানের (Pakistan) পেট্রোলপাম্পের মালিকরা বলছেন, তেল কোম্পানিগুলিকে টাকা দিতে দেরী হয় অনেকটাই, এর জন্য বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিই দায়ী।
    পেশোয়ারের গাড়ির চালকরা বলছেন, শহরের বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্প এদিন বন্ধ ছিল, ব্যাপক ভোগান্তি হয়েছে গাড়ির চালকদের। শুধুমাত্র পাকিস্তানের সরকারি পেট্রোল পাম্পগুলি খোলা ছিল, সেখানে অজস্র গাড়ি, বাইক, ডাম্পার সব কিছুর ভিড় করে। একইকথা বলেছেন অপর একজন মোটর বাইক চালক তাঁর মন্তব্য ছাপা হয়েছে ডন পত্রিকায়। ওই মোটর বাইক চালক বলছেন, ” আমাকে আধঘন্টার বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, আমার পিছনে ওই সময়ের মধ্যে ২০টিরও বেশি বাইক এসে দাঁড়িয়ে পড়ে”। ফকিরাবাদের কাছে  অপর একটি পেট্রোল পাম্পে অনেককে ১ ঘন্টাও অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই বাইক চালক। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে মানসেহরা জেলায় পেট্রোল পাম্পগুলি সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, পেট্রোল না থাকার কারণে।

    পেট্রোল পাম্প সংগঠনের চেয়ারম্যান কী বলছেন

    সরহদ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড কার্টেজ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদের ডন পত্রিকায় বলেছেন, “টাকা দিতে দেরী হওয়ার কারণেই তেল সংস্থাগুলি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানি, এরফলে অনেক পেট্রোলপাম্পে তেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, তবে আশা করছি পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে”। পেট্রোল পাম্প সংগঠনের চেয়ারম্যান যাই বলুক অন্য কথা শোনাচ্ছে দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। এই সপ্তাহের রিপোর্টে তারা বলছে  যে পাকিস্তানে গ্যাস এবং তেল সংকট ফেব্রুয়ারিতে আরও খারাপ হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

     

  • RSS: নেতাজী স্মরণে শহীদ মিনারে কী বললেন সঙ্ঘপ্রধান 

    RSS: নেতাজী স্মরণে শহীদ মিনারে কী বললেন সঙ্ঘপ্রধান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে শহীদ মিনারে বক্তব্য রাখলেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। বেশ কয়েকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে রয়েছেন সঙ্ঘ প্রধান। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলায় সঙ্ঘের (RSS) নানা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন তিনি। এদিন শহীদ মিনারে নেতাজী জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মোহন ভাগবত তাঁর ভাষণে বলেন, ” আমরা প্রত্যেকেই কারও না কারও হাত ধরে সঙ্ঘে এসেছি। সমাজ গঠনের একটা ব্রত পালন করতেই আমাদের সঙ্ঘে আসা। এই জীবন ব্রত পালন করার সময় সমাজের জন্য, দেশের জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের স্মরণ করা এবং সেই আদর্শকে জীবনে পালন করা আমাদের কর্তব্য”। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন নেতাজীর ভ্রাতুষ্পুত্র অর্ধেন্দু বসু। তিনি মুম্বই নিবাসী। জানা গেছে সকাল ৯ টা নাগাদ এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। সঙ্ঘের (RSS) প্রাত্যহিক শাখার মতোই সকল অনুষ্ঠান হয় এদিন শহীদ মিনারে। প্রত্যেক স্বয়ংসেবকই তাঁদের নিজেদের সংগঠনের পোশাকেই হাজির ছিলেন এদিন। সাদা জামা, খাকি প্যান্টে দেখা যায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। 
    সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এদিন আরও বলেন, “দেশগৌরব নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে স্মরণ করার কাজ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) প্রথম করছেনা। প্রতি বছরই কলকাতাতে সঙ্ঘ নেতাজীকে স্মরণ করতে নানা ছোটবড় অনুষ্ঠান করে থাকে। কোনওবছর শাখাতে ছোট করে হয় তো কোনওবছর সড়কে পদযাত্রা। কিন্তু নেতাজী স্মরণ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) অন্যতম একটি প্রধান কর্মসূচী। এর আগেও নেতাজী জয়ন্তীতে কলকাতায় আমি হাজির থেকেছি”।
    সঙ্ঘ প্রধানের মতে, সঙ্ঘ (RSS) আজ সারা দেশে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে, তাই সংগঠনের নানা কর্মসূচী আজ সমস্ত স্তরের মানুষ জানতে পারছে। কিন্তু যখন সঙ্ঘ ছোট আকারে ছিল তখনও এমন অনুষ্ঠান করা হত। যাঁদের ত্যাগ তপস্যার ওপর দেশ সমাজ দাঁড়িয়ে আছে, সঙ্ঘ (RSS) তাঁদের প্রণাম জানায়।

    সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে কাজ করার বার্তাও দিলেন সঙ্ঘপ্রধান

    এদিন শহীদ মিনারে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে কাজ করার বার্তাও দিলেন মোহন ভাগবত। তিনি এক্ষেত্রে উদাহরণ দিলেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে। সঙ্ঘ প্রধান বলেন, ” নেতাজী বলতেন নতুন ভারতের ভিত নির্মাণ করতে পারবে আদর্শবান ব্যক্তিরাই। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের আদর্শবান ব্যক্তিরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে তবেই গড়ে উঠবে নতুন ভারত। নেতাজীর এই কথাই তো সঙ্ঘ বলে আসছে এতদিন যাবৎ। সঙ্ঘের যে কোনও কর্মীকে জিজ্ঞাসা করুন, সঙ্ঘের কাজ সম্পর্কে , উত্তর পাবেন ব্যক্তি নির্মাণের মধ্য দিয়ে দিয়ে রাষ্ট্র নির্মাণ। অনেকে বলেন সঙ্ঘের শাখায় কী হয়? শাখা করে কী হবে? এভাবেই তো মানুষ তৈরি হবে। যেমনটা নেতাজী চেয়েছিলেন। শাখাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়, শারীরিক অনুশীলন করানো হয়। শাখার রীতিই হল একসঙ্গে চলা, একসঙ্গে বলা একসঙ্গে হাত ওপর নিচে করা। এতেই তো তৈরি হয় একতা। এটাই তো সামুহিকতা”। সঙ্ঘপ্রধান আরও বলেন, নেতাজী বলতেন এদেশে একা একা সাধনা অনেক হয়েছে, এবার দরকার ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশমাতৃকার সাধনা। মাতৃভূমির সাধনা ছাড়া সবকিছুই বৃথা। সঙ্ঘপ্রধানের মতে, শুধুমাত্র নিজেদের সংগঠন মজবুত করতেই সঙ্ঘ কাজ করেনা। সঙ্ঘের কাজ হল পুরো সমাজকেই সংগঠিত করা। ঐক্যবদ্ধ করা। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অভ্যাস তাই আমাদের শিখতে হবে।

     

      
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share