Author: user

  • Netaji: নেতাজী জয়ন্তীতে জানুন তাঁর কিছু স্মরণীয় উক্তি 

    Netaji: নেতাজী জয়ন্তীতে জানুন তাঁর কিছু স্মরণীয় উক্তি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নেতাজী (Netaji) জয়ন্তী। ১৮৯৭ সালে আজকের দিনেই তিনি ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইতিমধ্যে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji) জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের উৎসব নেতাজী সুভাষ বসুর (Netaji) জন্মদিন থেকেই আয়োজন করা হয়েছিল এবং পরপর তিনদিন তা চলেছিল।

    আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৭ই জানুয়ারি ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে কলকাতার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বের হন। এক কঠিন সংকল্প!যে কোনও মূল্যে মাতৃভূমির শৃঙ্খল মোচন করতেই হবে। বাইরে থেকে আঘাত করতে হবে অত্যাচারী ব্রিটিশকে। দেশের সীমানা ত্যাগ করেন ২৬ জানুয়ারি। তারপর জার্মানি সেখান থেকে সাবমেরিনে জাপান। দায়িত্ব নেন আজাদ হিন্দ বাহিনীর। ১৯৪৩ সালে তৈরি করেন আজাদ হিন্দ সরকার। জাপান, জার্মানি , ইতালি সমেত মোট ৮টি দেশ স্বীকৃতি দেয় এই সরকারকে। তাঁর বাহিনীর ভারত ভূখন্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাজী (Netaji) ওই দ্বীপের নতুন নাম শহীদ ও স্বরাজ দ্বীপ।  
     

    নেতাজী সুভাষ বসুর (Netaji) কিছু স্মরণীয় উক্তি আজকে আমরা জানবো

     

    একজন আদর্শ সৈনিকের সামরিক প্রশিক্ষণ যেমন প্রয়োজন তেমনি আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণও প্রয়োজন।

    স্বাধীনতা কেউ কাউকে দেয় না তা ছিনিয়ে নিতে হয়।

    টাকা এবং যেকোনও সম্পদের দ্বারা কখনও স্বাধীনতা আসেনা। স্বাধীনতা আসে সাহসিকতা, শক্তি এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে।

    জাতীয়তাবাদের আদর্শ হল তিনটি সত্যম, শিবম, সুন্দরম।

     রক্তমূল্য ছাড়া কখনও স্বাধীনতা আসে না, তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।

    আরও পড়ুন: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sital Sasthi: শীতল ষষ্ঠীর দিন গোটা সেদ্ধ কেন খেতে হয় জানেন?

    Sital Sasthi: শীতল ষষ্ঠীর দিন গোটা সেদ্ধ কেন খেতে হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে আর ১টা দিন বাকি, তারপরেই বাঙালি মেতে উঠবে সরস্বতী পুজোর আরাধনায়। অল্পবয়সী ছেলেদের দেখা যাবে পাঞ্জাবি পাজামার সাজে, মেয়েরা পড়বে শাড়ি। স্কুল, কলেজ সমেত যেকোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সকলের সঙ্গে পাত পেড়ে খিচুড়ি প্রসাদ গ্রহন! এটাইতো সরস্বতী পুজো। সরস্বতী পুজো বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। এর ঠিক পরের দিন হয় ষষ্ঠী। বাঙালি বাড়িতে এদিন গোটা সেদ্ধ খাওয়ার রীতি দেখা যায়। শীতল ষষ্ঠীর (Sital Sasthi) ব্রত পালন করেন বাঙালি মহিলারা। ব্রত পালনের পর সন্তানদের মঙ্গল কামনায় হলুদ আর দইয়ের ফোঁটা পরিয়ে দেন মায়েরা। শীতল ষষ্ঠী গ্রাম বাংলার চলতি ভাষায় শেতলা ষষ্ঠী (Sital Sasthi) নামেও পরিচিত। বছরভর বাঙালি বাড়িতে বিভিন্ন ষষ্ঠী পুজোর মধ্যে অন্যতম হল শীতল ষষ্ঠী (Sital Sasthi)।

    এদিন গোটা সেদ্ধ কেন খাওয়া হয়

    শীতল ষষ্ঠীর (Sital Sasthi) দিন বাঙালি বাড়িতে উনুন জ্বলেনা। মানে এখনকার দিনে গ্যাস ওভেন। বাঙালি বাড়িতে এদিন অরন্ধন পালিত হয়। অনেকে মনে করেন, শীতল খাদ্য গ্রহণের রীতির পিছনে রয়েছে  বিজ্ঞানসম্মত এবং সামাজিক ব্যাখ্যা। বসন্ত পঞ্চমী সাধারণত হয় শীত ও বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে। এ সময় শরীরে জীবাণুর বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই এইদিন গোটা সেদ্ধ খাওয়ার রীতি রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। 

    এই গোটা সেদ্ধর মধ্যে কী কী থাকে ?

    গোটা মুগ, বকড়াই, গোটা শিম, গোটা আলু, রাঙা আলু, কুলিবেগুন, কড়াইশুঁটি, পালংশাক। এগুলি লবণ আর লঙ্কা দিয়ে সেদ্ধ করা হয়ে থাকে। অনেকে এর মধ্যে গোটা মশলা দেন তবে বেশিরভাগই কোনও মশলা না দিয়েই গোটাসেদ্ধ তৈরি করেন।  সরস্বতী পুজোর পর দিন সকালে  ষষ্ঠী থাকতে থাকতে হয় ষষ্ঠীপুজো হয়। তারপর হয় বাড়ির শীল, নোড়ার পুজো। ফুল, প্রসাদ দিয়ে শীল-নোড়ার পুজো করার পরে দইয়ের ফোঁটা দেওয়া হয় শীল-নোড়াতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

     

  • Chemptherapy: কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দূর করতে আসছে নতুন ইঞ্জেকশন

    Chemptherapy: কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দূর করতে আসছে নতুন ইঞ্জেকশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্লিনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল এর সৌজন্যে নতুন এক ইনজেকশন বাজারে আসতে চলেছে, এরফলে কেমোথেরাপির (Chemptherapy) যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন বমিবমি ভাব এইগুলি দূর হবে বলে দাবি ওই সংস্থার। ইনজেকশনটি বাজারে খুব তাড়াতাড়ি কেমোথেরাপি রোগীদের জন্য এবার থেকে উপলব্ধ হবে বিভিন্ন ওষুধের দোকানে, এমনটাই জানা গেছে। এ বিষয়ে জানা গেছে গ্লিনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে একটি সুইস বায়োফার্ম কোম্পানির।

    আরও পড়ুন: নাক বন্ধ? হতে পারে করোনা! নতুন কোভিড উপসর্গগুলো জানেন?

    ইঞ্জেকশনটি কী কী উপাদান দিয়ে তৈরি

    সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে Akynzeo নামের এই ইনজেকশনটি হল fosnetupitant (235 mg) এবং palonosetron (0.25 mg) এর কম্বিনেশন, এটি কেমোথেরাপির ঠিক ৩০ মিনিট আগে প্রয়োগ করা হবে। ইউরোপ মহাদেশে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে এবং অস্ট্রেলিয়াতে ভালোভাবেই প্রচলিত রয়েছে এই ইঞ্জেকশন।

    প্রস্তুতকারক সংস্থা কী বলছে

    গ্লিনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট অলোক মালিক বলেন, আমাদের সংস্থা গ্লিনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল ক্যান্সারের রোগীদের যত্ন এবং ক্যান্সার চিকিৎসকদের সাহায্য করার জন্য সব সময় প্রস্তুত আছে। কেমোথেরাপির (Chemptherapy)  বমি বমি ভাব সহ বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবার থেকে দূর হবে বলে আশা করছি  Akynzeo IV এর আগমনের ফলে। হলে একটি সুবিধা জনক ভালো ডোজ।

     অন্যদিকে যে সুইস বায়ো ফার্মা কোম্পানির সঙ্গে গ্লিনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালের চুক্তি হয়েছে, সেই হেলসিং গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জর্জিও ক্যালদেরারি বলেন, ভারতবর্ষের ক্যান্সারে চিকিৎসায় Akynzeo IV একটি বড় ভূমিকা নিতে চলেছে। ক্যান্সার নিয়ে বাঁচছেন যাঁরা তাঁদের জন্য নতুন দিন আনবে এই ইঞ্জেকশন, এটাই আমাদের ধারণা। পৃথিবীব্যাপী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।

    আমাদের দেশে সর্বশেষ ন্যাশনাল ক্যান্সার রেজিস্ট্রি প্রোগ্রামের তরফ থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে  তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে ক্যান্সারের রোগী ২০২৫ সালের মধ্যে ১২.৮% বৃদ্ধি পাবে। 

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Polygamy: বহুবিবাহ এবং নিকাহ হালালের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করল 

    Polygamy: বহুবিবাহ এবং নিকাহ হালালের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিমদের বহুবিবাহ প্রথা (Polygamy) এবং নিকাহ হালাল কী ভারতবর্ষের সংবিধান স্বীকৃত? আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়ের এই পিটিশনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার ৫ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করা হবে বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এই সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করার কথা জানান। জানা যাচ্ছে পূর্ববর্তী ৫ সদস্যের যে বেঞ্চ ছিল তাদের মধ্যে ২ সদস্য বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত অবসর গ্রহণ করেছেন। তাই শীর্ষ আদালতে নতুন বেঞ্চ গঠনের আর্জি জানিয়েছিলেন বর্ষিয়ান আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়। 

    গত বছরের ৩০ অগাস্ট ৫ সদস্যের এই সাংবিধানিক বেঞ্চ তৈরি করা হয়। বেঞ্চের সদস্য ছিলেন বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া।

    পিটিশন দাখিল কারা করেছিল

    এই পিটিশন দাখিল করা করেছিলেন বেশ কয়েকজন মুসলিম মহিলা। যাঁদের মধ্যে ছিলেন নায়েসা হাসান, শবনম, ফারজানা, সামিনা বেগম সমেত বাকিরা। এগিয়ে এসেছিল কিছু এনজিও এবং সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়।

    পিটিশনে কী বলা হয়েছে

    এই পিটিশন অনুযায়ী চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে মুসলিম পার্সোনাল ল’ বা শরীয়তের ২ নম্বর ধারাকে, মুসলিম পার্সোনাল ল অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্ট ১৯৩৭ অনুযায়ী এখানে বহুবিবাহের কথা বলা হয়েছে। অশ্বিনী উপাধ্যায় তখন দাবি জানিয়েছিলেন যে তিন তালাকের মতোই শরীয়ত আইনের ২ নম্বর ধারাকে অসংবিধানিক ঘোষণা করা হোক। কারণ এগুলি ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকারকে খর্ব করে। সংবিধানের ১৪, ১৫, ২১ নম্বর ধারায় যথাক্রমে, সমতার অধিকার, কোনও রকম বৈষম্য না করার অধিকার এবং জীবন ও মর্যাদার অধিকারের কথা উল্লেখ করা আছে। অশ্বিনী উপাধ্যায় আরও বলেছেন যে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী এরকম বহুবিবাহ অবৈধ, ৭ বছর অবধি জেল পর্যন্ত হতে পারে এই অপরাধে। প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছিল যে তিন তালাক অসাংবিধানিক কারণ এটি মুসলিম মহিলাদের অধিকারের বিপক্ষে যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Mauni Amavasya: মৌনি অমাবস্যার পুণ্যস্নানে রেকর্ড ভিড় প্রয়াগরাজে   

    Mauni Amavasya: মৌনি অমাবস্যার পুণ্যস্নানে রেকর্ড ভিড় প্রয়াগরাজে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌনি অমাবস্যায় (Mauni Amavasya) প্রয়াগরাজে রেকর্ড সংখ্যক ভক্তের ভিড় দেখা গেল শনিবার। উত্তরপ্রদেশের সরকার সূত্রে জানা গেছে এদিন প্রায় ২ কোটি পুণার্থী মোক্ষপ্রাপ্তির উদ্দেশ্যে প্রয়াগরাজের সঙ্গমে পুণ্যস্নান করেন। এদিন তাই নিরাপত্তার ব্যবস্থা থেকে আরম্ভ করে সমস্ত খুঁটিনাটি ব্যবস্থাই করেছিল যোগী আদিত্যনাথ সরকার।  একমাস ব্যাপী মাঘ মেলা চলে প্রয়াগরাজে। মৌনি অমাবস্যার (Mauni Amavasya) দিনে পবিত্র এই স্নান প্রতিবছরই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। পুণ্য স্নানকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এদিন হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের প্রশাসন। 

    দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক কী বললেন

    মাঘ মেলার দায়িত্বে থাকা অন্যতম প্রশাসনিক আধিকারিক অরবিন্দ সিং চৌহান এদিন বলেন মৌনি অমাবস্যার (Mauni Amavasya) এই বিশেষ তিথিতে ২কোটির বেশি ভক্ত পবিত্র স্নান করেছেন সন্ধ্যা পর্যন্ত। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে হেলিকপ্টার থেকে ভক্তদের উপর ফুলের পাপড়ি বর্ষণ করা হয়েছে দর্শনার্থীদের ওপর। পুণ্যস্নান যাঁরা করতে এসেছিলেন তাঁদের সুবিধার জন্য জেলা প্রশাসন প্রত্যেকটি ঘাটে জলের অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিল এবং সমগ্র মেলাতেও চলছে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি।

    মৌনি অমাবস্যা (Mauni Amavasya) কেন এত পবিত্র

     মৌনি অমাবস্যা (Mauni Amavasya) হিন্দু ধর্মের একটি অত্যন্ত পবিত্র দিন মানা হয়, হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি মাঘ মাসে পড়ে। এই দিনে মৌনব্রত পালন করে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ স্থাপন করতে চান ভক্তরা। তাঁদের বিশ্বাস রয়েছে এই পবিত্র দিনে নদীর জল অমৃতে পরিণত হয়। তাই ভক্তরা পুণ্যস্নান করে জীবনে অমৃতের সংস্পর্শ পেতে চান।

    হিন্দু বিভিন্ন পুরাণ অনুযায়ী এই মৌনি অমাবস্যাতে (Mauni Amavasya) ঋষি মনুর জন্ম হয়েছিল। এবং এদিন থেকেই দ্বাপর যুগের শুরু হয়েছিল। এদিন নিঃশব্দ থাকার বিধান রয়েছে হিন্দু ধর্মে এবং সারাদিন উপবাস রেখে পুণ্যস্নান করে ভক্তরা ধ্যানে বসেন। বিশ্বাসমতে, পবিত্র এই তিথিতে দান ধ্যান করলে জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি আসে। ভক্তদের আরও বিশ্বাস রয়েছে এই দিন সমস্ত নদীসহ গঙ্গার জল বিশেষ পবিত্র হয়ে ওঠে এবং তা অমৃতসম হয়ে ওঠে। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam: ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় স্থান পেতে চলেছে অসম পিরামিড

    Assam: ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় স্থান পেতে চলেছে অসম পিরামিড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তালিকায় যেতে পিছনে ফেলতে হত দেশের ৫২টি প্রস্তাবকে। শেষমেষ অবধি সবকিছুকে পিছনে ফেলে জিতল অসমের (Assam) পিরামিড। জানা গেছে চলতি বছরে ইউনেস্কোর সামনে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের,  তালিকায় নাম তোলার জন্য ভারত থেকে একমাত্র নাম যাচ্ছে চরাইদেও-য়ে থাকা মৈদামের, একথা জানিয়েছেন অসমের (Assam)  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং বেছেছেন অসমের পিরামিডকে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আসার কথা রয়েছে ইউনেস্কোর টিমের এবং আগামী বছরের মার্চ মাস নাগাদ ঘোষণা করা হবে এটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে।

    অসম (Assam)  পিরামিড কী

     আহোম রাজত্বে রাজাদের মৃত্যু হলে প্রাচীন মিশরীয় পিরামিডের ধাঁচে তাঁদের প্রিয় জিনিসপত্রকে সঙ্গে দিয়ে মৃতদেহ সমাধিস্থ করা হত এরপর সমাধির উপরে তৈরি করা হত পাথর-মাটির ঢিপি, এগুলিকেই বলা হয় অসম (Assam)  পিরামিড। পিরামিডের ভিতরে ঢোকার সুড়ঙ্গও থাকত। এগুলিকে বলা হত মৈদাম। জানা যাচ্ছে ১৩০০ থেকে ১৯০০ সাল অবধি চলেছিল আহোম রাজত্ব। এই আমলের ৩৮৬টি মৈদাম এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে বর্তমানে ৯০টির রক্ষণাবেক্ষণ চলছে। 

    অসম পিরামিডকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তালিকায় আনতে ২০১৪ সাল থেকেই চলছে প্রচেষ্টা

    ২০১৪ সাল থেকেই মৈদামগুলিকে ইউনেস্কো হেরিটেজ ক্ষেত্রের তালিকায় নিয়ে আসার প্রচেষ্টা চলছিল বলে জানিয়েছেন অসমের (Assam)  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেন, ” শেষ পর্যন্ত আমাদের এতদিনের প্রচেষ্টা সফল হল। দেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে একথা জানিয়েছেন। এর পরে ইউনেস্কোর সদস্যেরা মৈদাম দেখতে আসবেন।  চড়াইদেও সরাসরি স্বীকৃতি পাবে অথবা ইউনেস্কো নতুন কিছু সুপারিশ বা শর্ত দিতে পারে। প্রসঙ্গত  মৈদাম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে প্রবেশ করলে হলে কাজিরাঙা, মানসের পরে এটি  অসমের (Assam)  তৃতীয় হেরিটেজ সাইট হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Gunman: ক্যালিফোর্নিয়াতে বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ১০, পরে আত্মঘাতী আততায়ী 

    Gunman: ক্যালিফোর্নিয়াতে বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ১০, পরে আত্মঘাতী আততায়ী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কিছু নয়। এবার ক্যালিফোর্নিয়াতে এক বন্দুকবাজের (Gunman) হামলায় ১০ জন নিহত হলেন।  জানা যাচ্ছে আহতের সংখ্যাও ১০, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    কে এই আততায়ী (Gunman)

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আততায়ীর নাম হু ক্যান ট্রান। সে একজন চাইনিজ। হামলার পরে পুলিশ এবং স্থানীয়রা হু’ কে ঘিরে ফেলতেই সে নিজে একটি ছোট ভ্যানের ভিতর আশ্রয় নেয় এবং সেখানেই নিজেকে গুলিবিদ্ধ করে।
    লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি শেরিফ রবার্ট লুনা বলেন, ভ্যানের ভিতর থেকে পুলিশ একটি গুলির শব্দ শুনতে পায়, কাছে যেতেই দেখা যায় ৭২ বছর বয়সী এই আততায়ীর (Gunman) মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, তবে আততায়ীর (Gunman) প্রকৃত উদ্দেশ্য জানা যায়নি। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখছে, আততায়ীর লক্ষ্য শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠী ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কীভাবে ঘটল এই হামলা

    জানা যাচ্ছে  দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়াতে এদিন সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছিল চিনা নববর্ষ।  হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন নতুন বছরকে বরণ করতে। সে সময়ই ঘটে বন্দুকবাজের (Gunman) হামলা।  এই কারণে পরের দিনের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

    হোয়াইট হাউস কী বলছে

    হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সে দেশের সমস্ত সরকারি অফিসে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গতবছরে বন্দুকবাজদের (Gunman) এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে মোট ৬৪৭টি। প্রতি ৪ জনে ১ জন নিহত হয়েছেন এই হামলার জাতীয় হামলাগুলিতে। ওই রিপোর্টে আরও দেখা যাচ্ছে সে দেশে মোট ৪৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে গতবছরে। যার মধ্যে বেশিরভাগই ছিল আত্মহত্যা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mid Day Meal: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়ের নতুন নজির! পথ দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ রাজ্য দিল মিড ডে মিলের ফান্ড থেকে

    Mid Day Meal: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়ের নতুন নজির! পথ দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ রাজ্য দিল মিড ডে মিলের ফান্ড থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা এরাজ্যে যে নয়ছয় হচ্ছে এমন অভিযোগ বিরোধীরা বারবার করে আসছে। বিরোধীদের এই দাবি যে ভুল নয় তার সাম্প্রতিক নজির দেখা গেল বীরভূমের মল্লারপুরে। পথ দুর্ঘটনায় নিহতদের ক্ষতিপূরণের টাকা রাজ্য সরকার দিল ‘মিড ডে মিলের’ (Mid Day Meal)  ফান্ড থেকে।  প্রসঙ্গত গত বছরে মল্লারপুর-রামপুরহাট সড়কে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৯ জন আদিবাসীর। সকলেই ছিলেন রামপুরহাট মহকুমার পারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। জানা যাচ্ছে এই দুর্ঘটনার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার নিহতদের পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করে। বলা হয় প্রতিটি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

    এর ঠিক পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীও ঘোষণা করেন, প্রতিটি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। সাধারণভাবে এমন ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার নিয়ম রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের, কিন্তু পরিবারগুলির ব্যাঙ্ক লেনদেনে দেখা যাচ্ছে ওই প্রস্তাবিত ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়েছে  “COOKED MID DAY MEAL” নামের ব্যাঙ্ক আকাউন্ট থেকে। গত বছরের অগাস্ট মাস নাগাদ ওই টাকা দেওয়া হয়েছে। 

    প্রশ্ন উঠছে………

    স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কেন্দ্রীয় সরকারের এক খাতের প্রকল্পের টাকা এভাবে অন্যখাতে ব্যবহার করা যায় কী ? বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, রাজ্য সরকারের ভাঁড়ে মা ভবানি অবস্থা! দান, খয়রাতি, দুর্নীতিতে সব তহবিল ফাঁকা। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের মিড ডে মিলের টাকা থেকে পথ দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের অস্তিত্ব কী নেই এরাজ্যে?
    প্রসঙ্গত কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের টাকা তছরুপ করার অভিযোগ ওঠে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দলের আনাগোনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) দুর্নীতির তদন্তে এবার রাজ্যে পা দেবে অপর কেন্দ্রীয় দল। তার আগে মিড ডে মিল (Mid Day Meal) নিয়ে এমন দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধীদের হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Jammu: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জম্মুতে পৃথক বিস্ফোরণে মোট জখম ১০

    Jammu: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জম্মুতে পৃথক বিস্ফোরণে মোট জখম ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জম্মু-কাশ্মীরে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যেও আবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। জানা যাচ্ছে গত ২৪ ঘণ্টায় এটা নিয়ে তৃতীয়বার বিস্ফোরণ ঘটল জম্মুতে (Jammu)। তৃতীয় বিস্ফোরণটি হয়েছে জম্মুর সিদ্রার বাজালতা এলাকায়। শনিবার গভীররাতে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সিদ্রার ওই এলাকা। 

    পুলিশ সূত্রে কী জানা যাচ্ছে

    সেখানকার স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে ডাম্পার ট্রাকের ট্যাঙ্ক ফেটে বিস্ফোরণ ঘটেছে। শনিবার মধ্যরাত্রে ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন এক পুলিশ কর্মী, একটি ট্রাককে আটকানো হয় তল্লাশির জন্য। আটকানোর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ট্রাকটির ইউরিয়া ট্যাঙ্ক ফেটে যায়। ওই পুলিশকর্মী মারাত্মকভাবে বিস্ফোরণে জখম হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তার শরীরে পোড়া আঘাত রয়েছে, স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওই পুলিশকর্মীর চিকিৎসা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে বর্তমানে ওই পুলিশ কর্মীর অবস্থা স্থিতিশীল।

    প্রসঙ্গত ইউরিয়া ট্যাঙ্ক ট্রাকের ইঞ্জিন থেকে দূষিত পদার্থকে বের করে দেয় এতে ইঞ্জিন পরিষ্কার থাকে। এদিন সেই ট্যাঙ্ক ফেটে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের দাবি এটি নিছক কোন দুর্ঘটনা নয় এর পিছনে বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে।

    এর আগে শনিবার জম্মুর (Jammu) নারওয়াল এলাকায় পরপর দুটি বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯ জন। জম্মুর (Jammu) ট্রান্সপোর্ট নগরে দুটি গাড়ির মধ্যে এই বিস্ফোরণ হয়। আহতদের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানান যে একজনের পেটে স্প্রিন্টারের ব্যাপক আঘাত লেগেছে তার অস্ত্র প্রচার করানো হয়েছে। এমনিতেই ভারতবর্ষের সংবেদনশীল এই রাজ্যতে সারা বছরে নিরাপত্তার জোরদার ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যেই ঘটে গেল তিন বিস্ফোরণ।

    রাজ্যের গভর্নর কী বললেন

    রাজ্যের গভর্নর মনোজ সিনহা এই বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে আবেদন জানিয়েছেন। রাজ্যের গভর্নর ইতিমধ্যে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hemu Kalani: ইতিহাসে উপেক্ষিত বীর হেমু কালানির কথা জানুন

    Hemu Kalani: ইতিহাসে উপেক্ষিত বীর হেমু কালানির কথা জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু স্বাধীনতা সংগ্রামী ইতিহাসে উপেক্ষিত হয়ে থেকে গেছেন যাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন হেমু কালানি (Hemu Kalani)।

    জন্ম ও শিক্ষা

     ২৩ মার্চ ১৯২৪ সালে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ওল্ড শুক্কুরে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয় হেমুর। হেমুর (Hemu Kalani) পিতার নাম ছিল পেসুমল কালানি এবং মাতার নাম জেঠিবাঈ কালানি। হেমু ছিলেন তাঁর ভাইদের মধ্যে সবথেকে বড়। শুক্কুররেই তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন বলে জানা যায় এবং তাঁর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন হয় শুক্কুরের তিলক উচ্চ বিদ্যালয়ে। তাঁর কাকা ছিলেন ডক্টর মনঘরাম কালানি। যিনি ছিলেন সেখানকার কংগ্রেস নেতা এবং একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। দেশ সেবার জন্য যাবতীয় প্রেরণা হেমু কালানি (Hemu Kalani) তাঁর কাকার কাছ থেকেই পেয়েছিলেন বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন।

    বিপ্লবী সংগঠনে যোগদান

    ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধী শুরু করেছিলেন ভারত ছাড়ো আন্দোলন, সেই আন্দোলনে হেমু কালানি (Hemu Kalani) ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হন। সক্রিয়ভাবে এই আন্দোলনে তিনি অংশগ্রহণও করেন বলে জানা যায়। তিনি সেখানে স্বরাজ সেনা নামের একটি বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত হন এবং কিছুদিনের মধ্যেই এই সংগঠনের শীর্ষে পৌঁছে যান। এই বিপ্লবী সংগঠনের যাবতীয় কাজকর্ম গোপনে চলত।

    বিপ্লবী ক্রিয়াকলাপ

    সীমান্ত গান্ধী বলা হত খান আব্দুল গফফর খানকে তিনি উত্তর-পশ্চিম প্রদেশে তৈরি করেছিলেন খোদায়ে খিদমতগার বাহিনী। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন সেখানে প্রবল আকার ধারণ করেছিল এই কারণে। ইতিমধ্যে ১৯৪২ সালের ২ অক্টোবর বিপ্লবী সংগঠন স্বরাজ সেনার কাছে একটি বার্তা আসে যে একটি ট্রেনে করে ব্রিটিশ সেনারা তাদের যাবতীয় যুদ্ধ সরঞ্জাম নিয়ে যাবে কোয়েটা থেকে রোহরি পর্যন্ত। সে সময়ে বিপ্লবী সংগঠন স্বরাজ সেনা তাদের গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয় যে শুক্কুরের কাছেই এই ট্রেনের ফিসপ্লেট খুলে নেওয়া হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের এই গোপন বৈঠকের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। দায়িত্বে ছিলেন বিপ্লবী হেমু কালানি (Hemu Kalani) এবং তাঁর সঙ্গে আরও দুজন সহযোগী। বাকি দুজন কোনওভাবে পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যান হেমু কালানি (Hemu Kalani)। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁর ওপর ২২ দিন ধরে ব্যাপক অত্যাচার করে। কিন্তু কোনওভাবেই হেমু কালানি তাঁর বাকি দুই সহকারীর নাম এবং বিপ্লবী সংগঠনের বিষয়ে কোনরকম তথ্য দেননি।

    ১৯ বছর বয়সী হেমুকে ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহী ঘোষণা করে এবং তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সময়ে সিন্ধ প্রদেশে চলছিল মার্শাল শাসন এবং তাঁর মামলা চলছিল শুক্কুরের হায়দ্রাবাদের মার্শাল কোর্টে। এই ধরনের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকে স্বমূলে শেষ করতে একটি উপযুক্ত দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য পরবর্তীকালে এই মামলার রায় যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ডতে রূপান্তরিত করা হয়। হেমু কালানির (Hemu Kalani) জনপ্রিয়তা তখন উপলব্ধি করে ব্রিটিশ সরকার। ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয় সমগ্র সিন্ধ প্রদেশে। আজকের দিনে ২১ জানুয়ারি ১৯৪৩ সালে ফাঁসি হয়েছিল বিপ্লবী হেমু কালানির। ফাঁসির মঞ্চে এই বিপ্লবী স্লোগান দিতে থাকেন ইনকিলাব জিন্দাবাদ এবং ভারত মাতা কী জয়। কারা কর্তৃপক্ষ যখন তাঁকে তাঁর শেষ ইচ্ছার কথা জানাতে বলে, তখন এই অকুতোভয় বিপ্লবী হেমু বলেন, জাতীয় সংগীত গাইতে গাইতে তিনি মৃত্যু বরণ করতে চান। হেমু কালানির এই আত্মত্যাগের কারণে ২৩ জানুয়ারি ১৯৪৩ সালে সিন্ধি যুব দিবস এবং শহীদ দিবস পালিত হয় তৎকালীন সিন্ধ প্রদেশে। মহান এই বিপ্লবীর দেহ সৎকার করা হয় সিন্ধু নদীর তীরে।
    ২১ অগাস্ট ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ি, হেমু কালানির (Hemu Kalani) স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করেন সংসদ ভবনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share