Author: user

  • IT Raid: তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, কারখানায় আয়কর হানায় উদ্ধার কোটি কোটি টাকা

    IT Raid: তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, কারখানায় আয়কর হানায় উদ্ধার কোটি কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি এবং কারখানা থেকে মিলল ১১ কোটি টাকা।  বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাকিরের বিড়ি কারখানা এবং তাঁর দফতরে চলছিল আয়কর তল্লাশি। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, সেই তল্লাশিতে মিলেছে ১১ কোটি টাকা। আয়কর দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১১ কোটি টাকার মধ্যে কেবলমাত্র একটি জায়গা থেকেই মিলেছে ৯ কোটি টাকা।

    এক জায়গায় মেলে ৯ কোটি টাকা

    আয়কর দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলার এগারোটা জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। জাকির হোসেনের চালকল তেলকল সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ১১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। একটি অফিস থেকে ৯ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যদিও জাকির হোসেনের দাবি, তেল মিল ও চাল মিলে নগদ টাকায় শস্য কিনতে হয়। বিড়ি শ্রমিকদের সপ্তাহান্তে মজুরি প্রদান করতে হয়। সেই টাকাই রাখা ছিল বিভিন্ন জায়গায়। মুর্শিদাবাদের সুতির একাধিক বিড়ি ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন আয়কর আধিকারিকরা। আয়কর দফতরের আধিকারিকরা জানান, মুর্শিদাবাদে জাকির হোসেনের একটি অফিস থেকে নগদ ন’কোটি টাকা মিলেছে। একটি কার্টনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই টাকা। কেন এত বিপুল পরিমাণ টাকা লুকিয়ে রাখা হল তা ভাবাচ্ছে আয়কর কর্তাদের। কোথা থেকে এই টাকা এল বা কেন তা লুকিয়ে রাখা হল তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে বুধবার আচমকাই হানা দেয় কেন্দ্রীয় আয়কর দফতর। সামসেরগঞ্জের গোবিন্দপুরে জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের (Zakhir Hossain) বিড়ির কারখানা। বেলা ১১টা নাগাদ ওই কারখানার সামনে এসে পৌঁছয় আয়কর দফতরের তিনটি গাড়ি। বেশ কয়েকজন আধিকারিক কাউকে কিছু না বলেই ভিতরে ঢুকে যান। দীর্ঘক্ষণ সেখানে থাকার পর বেরিয়ে অন্যত্র চলে যান তাঁরা। পরে তল্লাশি চালানো হয় জাকির হোসেনের চালকল-তেলকল ও বাড়িতেও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Taliban Afghanistan: তালিবানের নয়া ফতোয়া! পুরুষ চিকিৎসকেরা মেয়েদের চিকিৎসা করতে পারবেন না

    Taliban Afghanistan: তালিবানের নয়া ফতোয়া! পুরুষ চিকিৎসকেরা মেয়েদের চিকিৎসা করতে পারবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় বছর আগে তালিবান বাহিনী কাবুলের দখল নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। কয়েক মাস আগে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পড়াশোনার পর এবার চিকৎসা। সম্প্রতি, এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের পুরুষ ডাক্তারদের মেয়েদের চিকিৎসা করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। সে দেশে মেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথও বন্ধ তাই মহিলা চিকিৎসক পাওয়াও মুশকিল। অতএব বিনা চিকিৎসায় থাকবেন মহিলারা! প্রশ্ন সারা বিশ্বের।

    চিকিৎসায় নিষেধাজ্ঞা

    বেসরকারি সংস্থায় মহিলাদের কাজ করা, পার্ক এবং জিমে প্রবেশের ক্ষেত্রে, এমনকী, রাস্তাঘাটে মেয়েদের একা চলাফেরার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি হয়েছিল আগেই। এবার আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের মহিলারা তাদের চিকিৎসার জন্য কোনও পুরুষ ডাক্তারের কাছে যেতে পারবেন না। জানা গিয়েছে পাবলিক অ্যাফেয়ারস এবং তালিবান অভিযোগের শুনানি দফতর একটি নতুন আদেশ ঘোষণা করে বলেছে যে মহিলারা এরপরে আর পুরুষ ডাক্তারদের কাছে যেতে পারবেন না। তালিবানের নতুন ফতোয়ায় মহিলা রোগীদের চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে পুরুষ ডাক্তারদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালকে এই ফতোয়া মানা হচ্ছে কি না তা নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: যে হাতে গর্জে উঠত বন্দুক, সেই হাতেই লাঠি দাউদের, ডনের দশা করুণ!

    মহিলা অ্যাথলিটদের হুমকি

    এছাড়াও আফগানিস্তানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মহিলা অ্যাথলিটরাও। গত বছর তালিবান সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী আহমেদুল্লাহ ওয়াশিক স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছিলে, ‘‘যে কোনও খেলা, যাতে শরীর দেখা যায় তা মহিলাদের জন্য নিষিদ্ধ।’’ কঠোর বিধিনিষেধের এই আবহেও গোপনে অনুশীলন জারি রেখেছিলেন আফগান মহিলা অ্যাথলেটদের অনেকে। কিন্তু সম্প্রতি তালিবান সরকার তাঁদের অনেককে ফোনে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ। তালিবানের যুক্তি, মহিলাদের জন্য খেলা জরুরি ব্যাপার নয়। কারণ খেলতে গিয়ে অনেক সময়ই তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারে। ইসলামে যা বারণ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Benefits of Walking: সপ্তাহে অন্তত ৫দিন ১০ মিনিট করে হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

    Benefits of Walking: সপ্তাহে অন্তত ৫দিন ১০ মিনিট করে হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালে বা বিকেলে হাঁটার (Benefits of Walking) থেকে বড় ওষুধ হয়তো আর কিছুই নেই একথা চিকিৎসকরা বারবার বলে থাকেন। ডায়াবেটিস, গ্যাস অম্বল, বাড়তি ওজন কমানো, শরীরকে ফিট রাখা এবং আরও অনেক অসুবিধার সমাধান হলো অন্তত সপ্তাহে পাঁচ দিন ন্যূনতমভাবে ১০ মিনিট হাঁটাচলা (Benefits of Walking)। এমনটাই বলেছেন চিকিৎসকরা। শহরের পার্কগুলিতে সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা থাকে মর্নিং ওয়ার্কের কারনে। শীতকালে অবশ্য বিকালেও এই ভিড় আমাদের নজর এড়িয়ে যায়না।

     বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রবন্ধে দেখা যাচ্ছে যে সারা সপ্তাহে ১৫০ মিনিট করে দ্রতগতিতে হাঁটার (Benefits of Walking) পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা মানে সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট করে। প্রতিটি বিশেষজ্ঞই হাঁটার উপযোগিতা এবং উপকারিতা ব্যাখা করেছেন। স্বাস্থ্যসম্মত শরীর এবং মনের জন্য হাঁটার বিকল্প (Benefits of Walking) নেই। 

    নিয়ম করে হাঁটলে আমাদের শরীরে কী কী উপকার হয় (Benefits of Walking)

    রক্তের প্রবাহ ভালো হয়

    আমরা যখন দাঁড়িয়ে থাকি বা বসে থাকি আমাদের রক্ত সাধারন ভাবে পায়ের দিকে প্রবাহিত হয় কিন্তু যখন আমরা হাঁটি (Benefits of Walking) তখন আমাদের পেশীগুলি নাড়াচাড়া করে এর ফলে রক্তের প্রবাহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ভালো মতো হতে পারে। এমনটাই মত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

    নিয়মিত হাঁটাচলা (Benefits of Walking) শরীরে এনার্জি বাড়ায়

    বিশেষজ্ঞরা বলছে যখন আপনি হাঁটতে শুরু করেন তখন রক্তের প্রবাহ ভালো হয় যার ফলে শরীরের এনার্জি লেভেলও অনেক বেশি পাওয়া যায়।

     

    হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণে থাকে

    বিশেষজ্ঞদের মতে নিয়মিত হাঁটাচলায় ব্লাড প্রেসার খুবই নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে হাঁটা (Benefits of Walking) খুবই উপকারী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

    নিয়মিত হাঁটাচলাতে (Benefits of Walking) মনসংযোগ বৃদ্ধি পায়

    বিশেষজ্ঞদের দাবি করছেন যে হাঁটাচলার (Benefits of Walking) মতো শারীরিক অনুশীলনে শরীরে ফিটনেস অনেক বৃদ্ধি পায়। তাই মনসংযোগও বাড়ে।

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে কারও যদি কোন রকমের ক্রনিক রোগ থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে হাঁটাচলা বা জগিং করার আগে যেন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ তাঁরা নিয়ে নেন।

     

  • Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে (Joshimath) ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি দল  জোশীমঠে (Joshimath) যায় গতকাল। বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতেই মূলত এই দল সেখানে পৌঁছায়। সেখানকার ভেঙেপড়া ঘরবাড়ি গুলোও দেখে তারা। জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় এই দল আজকে তাদের রিভিউ রিপোর্ট জমা দেবে রাজ্য সরকারের কাছে। সরকারী সূত্রে জানা যাচ্ছে,জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির জন্য সমগ্র শহরকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে।
     জোশীমঠ (Joshimath) শহর অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলাতে। চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে শহরের ৬০৩ টি নির্মাণে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে সমগ্র জোশীমঠ শহরকে তারা তিনটে জোনে ভাগ করেছে, ডেঞ্জার জোন, বাফার জোন, এবং সেফ জোন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে প্রশাসন সর্বদাই কাজ করে চলেছে ডেঞ্জার জোন এবং বাফার জোনের জন্য, যে সমস্ত জোনগুলির সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়, সেখান থেকে মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। এবং বাফার জোন ভবিষ্যতের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে সেখান থেকেও মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। একমাত্র তৃতীয় জোন হল সেফ জোন।

    উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি গতকাল বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দিয়েছেন যে সমস্ত রকমের সাহায্য কেন্দ্র সরকার করবে, পবিত্র তীর্থস্থান জোশীমঠকে (Joshimath) রক্ষা করার জন্য। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বদাই জোশীমঠের (Joshimath) বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শহরের নটি ওয়ার্ড এই মুহূর্তে ডুবতে থাকা অঞ্চল বা বিপজ্জনক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবেদন জানিয়েছেন যে এইরকম উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত টিম ওয়ার্ক করা। ৬৮ টি বাড়ি যেগুলি একেবারে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে সরিয়ে অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

    জোশীমঠে (Joshimath) আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের একটি দলেরও। এই মুহূর্তে জোশীমঠের (Joshimath)  সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্থানীয় নির্মাণ কাজগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন জানায় যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য যে ক্যাম্প তৈরি হয়েছে অস্থায়ী সেখানে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুসারে হোটেলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এটা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ২২৯টি ঘর এই মুহূর্তে দেওয়া হয়েছে মোট ১২৭১ জনের জন্য।

    কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জোশীমঠ (Joshimath)

    জোশীমঠের এই  উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সেখানকার উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য সেনাবাহিনী কাজ করছে। জোশীমঠ কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারণ ঠিক ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভারত চীন সীমান্ত রয়েছে।

  • Rajasekhar Mantha: তিনদিন পরেও অধরা পোস্টার কাণ্ডের দুষ্কৃতীরা, নগরপাল-স্বরাষ্ট্রসচিবকে তলব রাজভবনের

    Rajasekhar Mantha: তিনদিন পরেও অধরা পোস্টার কাণ্ডের দুষ্কৃতীরা, নগরপাল-স্বরাষ্ট্রসচিবকে তলব রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতির (Justice Rajasekhar Mantha) বাড়ির রাস্তায় পোস্টার মারা কাণ্ডের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও অধরা দুষ্কৃতিরা। লেক থানার পর হেয়ার স্ট্রিট থানাতেও মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশের হাতে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজও। তাও কেন গ্রেফতার করা হল না দোষীদের? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। যদিও পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে দোষীদের খোঁজ চলছে।

    এরই মাঝে নগরপাল এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যপাল (Justice Rajasekhar Mantha) সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জরুরি তলবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা। সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বিরুদ্ধে বেনজির বিক্ষোভের জেরেই তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। 

    গত সোমবার হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে পোস্টার সাঁটানো ঘিরে উত্তপ্ত হয় আদালত চত্বর। সোমবার সকালে, দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বাড়ির চারদিকে এই সমস্ত পোস্টার দেখা যায়। কারা পোস্টার দিয়েছে, তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে, সে দিনই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি মান্থার এজলাসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীদের একাংশ। 

    এদিকে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বাড়ির আশপাশে পোস্টার লাগানোর ঘটনায় আগেই এফআইআর দায়ের করেছে লেক থানা। মামলা করতে চেয়ে আলিপুর আদালতের অনুমতিও চাওয়া হয় থানার তরফে। অনুমতি পাওয়ার পর এফআইআর দায়ের করা হয়।

    গত মঙ্গলবার আদলত অবমাননার রুল জারি করেছেন বিচারপতি মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন, এজলাসের বাইরের সিসিটিভি দেখে সেই সব ব্যক্তি এবং আইনজীবীদের শনাক্ত করতে হবে। এরপর বুধবার এজলাসের সামনে থেকে সেই অবস্থান তুলে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীজি বেঁচে থাকলে বাংলা থেকে প্রস্থান করতেন!”, সিমলা স্ট্রিট থেকে রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আদালত অবমাননার রুলে কী বলা হয়েছে?

    ১. বিচারপতির (Justice Rajasekhar Mantha) সম্মানহানি হয় এ ধরনের অভিযোগের সঙ্গে তাঁর বাসস্থান নিয়ে ভুল এবং মিথ্যা তথ্য পোস্টারে লেখা হয়েছে।

    ২. এজলাসে দরজা বাইরে থেকে আটকে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আদালতের কর্মীদের ভিতরে প্রবেশ করতে না দিয়ে কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা পরিষ্কারভাবে এই সাংবিধানিক আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছে।

    ৩. কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা চোখ রাঙিয়ে, হুমকি দিয়ে, আদালতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেন।

    ৪. পোস্টারে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আদালতের কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে চেয়েছেন। একজন বিচারপতির বাড়ি এবং হাইকোর্ট চত্বরে এই ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন এবং বেপরোয়া পোস্টার কলঙ্কজনক। এর মাধ্যমে আদালত এবং বিচারপতিকে কলঙ্কিত করার প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

    ৫. জনমানসে এবং মানুষের চোখে আদালত এবং বিচারপতির ক্ষমতাকে ছোট করে দেখানোর প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

    ৬. বাইরে থেকে এজলাস বন্ধ করে এবং পোস্টার মেরে কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত মানুষের আত্মবিশ্বাস নাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

        

     

  • Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটলো ছত্তিসগড়ে। গতকাল সিআরপিএফ জওয়ানদের উপরে হামলা চালায় মাওবাদীদের একটি দল। পাল্টা হামলায় এক শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন ছত্তিসগড়ের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে হেলিকপ্টার থেকে জওয়ানদের নামার সময় আচমকাই হামলা চালায় মাওবাদীরা। ছত্তিসগড়ের এই ক্যাম্প থেকে এখন ব্যাপক মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে। ছত্তিসগড় এবং তেলঙ্গানা সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্রের খবর।

    আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    অভিযান চালাচ্ছে কোবরা বাহিনী

    মাওবাদী বিরোধী এই অপারেশন চলছে মূলত মাওবাদীদের কিছু সিনিয়র নেতাদের ধরা অথবা নিকেশ করার উদ্দেশ্যেই। এমনটাই জানা যাচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনী সূত্রে। সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোবরা (CoBRA) টিম এই অপারেশনের চালাচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলি হেলিকপ্টারে করে পৌঁছাতে হচ্ছে তাঁদের। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেমে কোবরা বাহিনীর এই অভিযান আগামীদিনেও চলবে বলে জানা যাচ্ছে। ছত্তিসগড়ের বিজাপুর এবং সুকমা জেলায় অবস্থিত বেশকিছু অঞ্চল এখনও মাওবাদী অধ্যুষিত। এই এলাকাগুলি তেলঙ্গানা সীমান্ত সংলগ্ন। 

    মৃত মাওবাদী নেতার পরিচয়

    সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুলির লড়াইতে শেষ পর্যন্ত মাওবাদীরা পিছু হঠে। এদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় সিআরপিএফ জওয়ানদের কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে। তবে ছত্তিসগড়ের মাওবাদী নেতা মাডভি হিদমার (Madvi Hidma) মৃত্যু হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই নেতার মাথার উপর ৪০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল ছত্তিসগড়ে যে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা ঘটেছিল তার পিছনে মাস্টারমাইন্ড ছিল এই মাডভি হিদমা (Madvi Hidma)। বস্তার জেলার এই হামলায় নিহত হয়েছিলেন ২২ জন জওয়ান এবং আহত হয়েছিলেন আরও ৩১ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন (Armed Struggle) ভারতে (India) অহিংস আন্দোলনের সাফল্যের ভিত্তি ভূমি রচনা করেছিল। বুধবার একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অহিংস আন্দোলনের ভূমিকা অস্বীকার করার নয়। আমি বলছি না যে স্বাধীনতার লড়াইয়ে অহিংস আন্দোলনের কোনও ভূমিকা নেই। অবশ্যই এই আন্দোলনের বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

    অমিত বচন…

    তিনি বলেন, কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণাটা ঠিক নয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন, আলাদা আলাদা আদর্শে বিশ্বাসীরা নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা আসলে সকলের মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। অমিত শাহ বলেন, দেশ প্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনে। সশস্ত্র আন্দোলন এবং বিপ্লবীরা কখনও ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে বিশেষ গুরুত্ব পাননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের একটা নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে তার একটা অবদান রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সশস্ত্র আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল।

    আরও পড়ুুন: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    অমিত শাহের (Amit Shah) মতে, স্বাধীনতার যুদ্ধে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন অবশ্যই বড় ভূমিকা নিয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্য বিপ্লবীরা গুরুত্বহীন। তাঁর অভিযোগ, আমাদের এমনভাবে ইতিহাস পড়ানো হয়েছে, বোঝানো হয়েছে, যাতে অনেকের অবদান উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেস নিজেদের অবদানকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাতে চেয়েছে বলে মনে করেন শাহ। তাই এই যুদ্ধে আরও যাঁরা অংশ গ্রহণ করেছেন, তাঁরা উপেক্ষিত থেকে গিয়েছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে বলে নানা সময় অভিযোগ উঠেছে নানা মহলে। এদিন শাহ (Amit Shah) বলেন, ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলন সম্পর্কে যাঁদের বলার কথা ছিল, তাঁরা পুরো গল্প বলেননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁরা বলেননি যে ভগৎ সিংকে যেদিন ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেদিন লাহোর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষ এতই আঘাত পেয়েছিলেন যে তাঁরা সেদিন বাড়িতে রান্না পর্যন্ত করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ‘অ্যালার্ট ফিচার’ সম্পর্কে জানুন

    WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ‘অ্যালার্ট ফিচার’ সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে হোয়াটসঅ্যাপ নতুন নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এনে ব্যবহারকারীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপকে আরও সহজ করে তুলেছে। নতুন বছর ২০২৩ সালেও অনেক নতুন চমক আসতে চলেছে মার্ক জুকারবার্গের এই সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপে ‌। 

    কীভাবে কাজ করবে নতুন এই ফিচার (WhatsApp New Feature)

    হোয়াটসঅ্যাপ সূত্রে জানা গেছে, যে সমস্ত ফিচার (WhatsApp New Feature) ইতিমধ্যে ব্যবহারকারীদের হাতে এসেছে সেগুলিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য অনবরত কাজ করছে হোয়াটসঅ্যাপ ডেভেলপমেন্ট টিম। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই এসেছিল হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) ফরওয়ার্ড মিডিয়া উইথ ক্যাপশন। এই ফিচারকে আরও আকর্ষণীয় এবং উন্নত করতে কাজ করে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ টিম। হোয়াটসঅ্যাপে যে কোনও নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এলেই সাধারণত ট্যুইট করা হয় WABetaInfo এই ওয়েবসাইট থেকে। ইতিমধ্যে এই ওয়েবসাইট আনুষ্ঠানিকভাবে ট্যুইট করেছে যে হোয়াটসঅ্যাপের  ফরওয়ার্ড মিডিয়া উইথ ক্যাপশন এই ফিচারের নতুন আপডেট (WhatsApp New Feature) খুব শীঘ্রই আসছে।

    যেকোনও ছবি বা ভিডিও কিংবা ডকুমেন্ট হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করার আগে ক্যাপশন লেখার অপশন আসে। কিন্তু সমস্যা হতো অন্য কারও কাছ থেকে প্রাপ্ত ছবি বা ভিডিওর ক্যাপশন ফরওয়ার্ড করার কোন উপায় ছিল না। সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে ছবি বা ভিডিওটি ফরওয়ার্ড করতে হতো ক্যাপশন ছাড়াই অথবা ক্যাপশন দিতে চাইলে নিজেকে আবার নতুন ক্যাপশন লিখতে হতো। এবার এই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) আপডেট এলে অ্যালার্ট অপশন দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা যেকোনও ছবি বা ভিডিও ফরওয়ার্ড করার সময়। সেখানে ব্যবহারকারীকে জানানো হবে যে ছবি বা ভিডিও ফরওয়ার্ড করা হচ্ছে ক্যাপশন সমেত। তবে ব্যবহারকারী চাইলে ক্যাপশন রিমুভ করেও ছবি বা মেসেজ ফরওয়ার্ড করতে পারবেন, এমন অপশনও থাকবে।

  • Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে ঠিক কুড়ি বছর আগে পাকিস্তানের করাচিতে গুটখার ব্যবসা করতে দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এবং তার ভাই আনিস ইব্রাহিমকে সাহায্য করার অভিযোগ ছিল তিনজনের বিরুদ্ধে। এদিন এই মামলায় রায়দান করল মুম্বই-এর বিশেষ আদালত। তিনজনকেই ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। সোমবার বিশেষ আদালতের বিচারক বিডি শেলকে এই রায় ঘোষণা করেন। 

    তিনজনের পরিচয়

    জেএমজে গোষ্ঠীর প্রধান জোশি, এদেশে গুটখা ব্যারন নামে পরিচিত তবে তার সংস্থা পানমশলা এবং অন্যান্য তামাক জাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করে বলে জানা গেছে। জোশি ছাড়া এই মামলায় অন্য যাদের নাম জড়িয়েছিল তারা হল রসিক লাল ধারিওয়াল, জমিরউদ্দিন আনসারী এবং ফারুক মনসুরির। এদের মধ্যে ২০১৭ সালে রসিকলাল ধারিওয়ালের মৃত্যু হয় তদন্ত চালাকালীন। ফারুক মনসুরির আবার ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।

    সিবিআই এর চার্জশিট

    দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলার পর এই মামলায় সিবিআই এর পক্ষ থেকে চার্জশিট জমা পড়ে ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে। সিবিআই তাদের চার্জশিটে জানায় যে জোশি এবং রসিকলাল এর মধ্যে আর্থিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলে সেটা মেটানোর জন্য তারা দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) শরণাপন্ন হয়েছিল। এর বদলে নিজের সঙ্গীদের নিয়ে করাচিতে গুটখা ব্যবসা শুরু করতে তাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim)। ২০০২ সালে করাচিতে গুটখার কারখানা গড়ে তুলতে মুম্বই হামলার অন্যতম মাথা দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) যাবতীয় সাহায্য করেছিল এই তিনজন। সিবিআই এর আরও দাবি দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এই তিনজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং এই ব্যবসায়িক সম্পর্কও যথেষ্ঠ মধুর ছিল তাদের সঙ্গে। দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) তারা অনেক লাভবানও করেছিল বলেই সিবিআই এর দাবি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • IND vs SL 2nd ODI: ভিড়ে ঠাসা ইডেন! দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের

    IND vs SL 2nd ODI: ভিড়ে ঠাসা ইডেন! দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের প্রথম দুটিতে জিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের হাসি হাসল টিম ইন্ডিয়া। শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ইডেনে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। ইডেনে দেখা গেল বোলারদের দাপট। দু’দলের বোলাররাই ভাল বল করলেন। তবে ব্যাটারদের যুদ্ধে বাজিমাত করল মেন ইন ব্লু। বলা ভাল, ধৈর্যের পরীক্ষায় পাশ করলেন লোকেশ রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়ারা। বল হাতে যদি মদম্মদ সিরাজ ও কুলদীপ যাদব ভারতের নায়ক হন, তো ব্যাট হাতে মিডল অর্ডারে রাহুল-হার্দিক জুটি ভাল খেললেন। রোহিত-বিরাট হতাশ করলেও রাহুলের অর্ধশতরান মন ভরাল ইডেনের। 

    হতাশ করলেন রোহিত-বিরাট

    ভারত জিতলেও রোহিত-কোহলির ব্যাট হতাশ করেছে শহরের ক্রিকেট প্রেমীদের। সপ্তাহের মধ্যে কর্মব্যস্ততা সত্ত্বেও দুপুরেই ইডেন ভরিয়েছিল কলকাতার ক্রিকেট প্রেমীরা। বিকেলে বিরাটের ব্যাটিং দেখার আশায় ভিড় বেড়েছিল। ওপেন করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেননি রোহিত। দু’টি চার এবং একটি ছয় মারেন তিনি। কিন্তু ২১ বলে ১৭ রান করে আউট হলেন ভারত অধিনায়ক। ভারতীয় ইনিংসের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে চামিকা করুণারত্নের বলে উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক আউট হওয়ার সময় ভারতের রান ছিল ৩৩। তখন কোহলি-কোহলি ধ্বনিতে কান পাতা দায় ইডেনে। উঠছে মেক্সিকান ওয়েভও। তবে রোহিতের পর হতাশ করলেন তিন নম্বরে নামা কোহলিও। লাহিরু কুমারার বলে বোল্ড হলেন প্রাক্তন অধিনায়ক। মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে প্রথম এক দিনের ম্যাচে দু’বার জীবন পেয়ে শতরান পূর্ণ করেন কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে ৪৫তম শতরান করার পরের ম্যাচেই ব্যর্থ হলেন কোহলি। ৯ বল খেলে মাত্র ৪ রান করলেন তিনি। হঠাতই চেনা ছন্দ হারিয়ে চুপ ইডেন। ক্রিকেটের নন্দনকাননে তখন পিন পড়লে শোনা যাবে।

    আরও পড়ুন: নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন! ভারতের ইতিহাসে সব থেকে জোরে বলটা করলেন উমরান

    শুরুতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। গুয়াহাটিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভুগতে হয়েছিল। তাই শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা ভেবেছিলেন, ইডেনে প্রথমে ব্যাট করে ভারতকে চাপে ফেলে দেবেন। কিন্তু তিনি জানতেন না, ভারতীয় দলে কুলদীপ রয়েছেন। যিনি এই মাঠকে হাতের তালুর মতো চেনেন। কুলদীপের ঘূর্ণিতে মাথা ঘুরল শ্রীলঙ্কার। শুরুটা ভাল করেও মাঝের ওভারে পর পর উইকেট পড়ল। নিজের প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমে নুয়ানিদু ফার্নান্ডো যথেষ্ট পরিণত ব্যাটিং শুরু করেন। নিজের অভিষেক ম্যাচেই অর্ধশতরান করেন নুয়ানিদু। শেষ পর্যন্ত ২১৫ রানে অলআউট হয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। দলে ফিরে ৩ উইকেট নিলেন ভারতের বাঁ হাতি চায়নাম্যান বোলার। ৩ উইকেট নিলেন সিরাজও।

    মায়াবী আলোর ঝলক

    বিরতিতে ইডেনের গ্যালারিতে গুঞ্জন শ্রীলঙ্কার করা ২১৫ রান সহজেই তাড়া করে নেবে ভারত। কিন্তু ব্যর্থ ভারতের টপ অর্ডার। পছন্দের ইডেনে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা দু’জনেই রান পেলেন না। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ভারতের ৩ উইকেট পড়ে যায়। ফলে রান তাড়া করতে নেমে একটু চাপে পড়ে যায় ভারত। তবে হার্দিক-রাহুল জুটির দৌলতে বাজিমাত করে টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচে শেষে দর্শকদের মনোরঞ্জনে ষোল আনা সফল সিএবিও।  এই লেজার শো ট্যুইট করে সিএবি-কে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও।

    প্রতিশ্রুতি মতো লেজার শো দেখা গেল ইডেন গার্ডেন্সে। প্রথমে ঠিক হয়েছিল দুই ইনিংসের বিরতিতে লেজার শো দেখানো হবে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার ইনিংস মাত্র ৪০ ওভারে শেষ হয়ে যায়। তখনও আকাশে আলো ছিল। প্রথমে ঠিক হয়েছিল সন্ধ্যা ৬.৪৫ মিনিটে হবে এই লেজার শো। কিন্তু তার অনেক আগে শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষ হয়ে যাওয়ায় ঘোষণা করা হয়ে যে ম্যাচের শেষে লেজার শো দেখানো হবে। সেই মতো ম্যাচের শেষে মাতোয়ারা আলোর খেলা দেখলেন দর্শকরা। মাত্র ৬ মিনিটের লেজার শো-য়ে সবার মন কেড়ে নিল বাংলার ক্রিকেট সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share